(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: -)
كتاب المسلسلات لابن الجوزي (ابن الجوزي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: كتاب المسلسلات - مخطوط
المؤلف: جمال الدين أبو الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد الجوزي (ت 597هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 70
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনুল জাওযীর কিতাবুল মুসালসালাত (ইবনুল জাওযী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: কিতাবুল মুসালসালাত - পাণ্ডুলিপি
লেখক: জামালুদ্দীন আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-জাওযী (মৃত ৫৯৭ হিজরি)
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরী
[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭০
শামেলার প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: كتاب المسلسلات - مخطوطالمؤلف: أبو الفرج عبد الرحمن بن علي ابن الجوزيالمتوفى: 597 هـ
গ্রন্থ: কিতাবুল মুসালসালাত - পাণ্ডুলিপিলেখক: আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আলী ইবনুল জাওজিমৃত্যু: ৫৯৭ হিজরি
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١)
[1/ب] كتاب المسلسلاتتصنيف الشيخ الإمام العالم الزاهد الأوحد جمال الدين حجة الإسلام ومرشد المسلمين والوعاظ بقية الحفاظ بقية المشايخ تاج العراقأبي الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد بن الجوزي [2/ب] بسم الله الرحمن الرحيمأخبرنا سيدنا وشيخنا الإمام، جمال الدين، حجة الإسلام، ناصر السنة، وحافظ الأمة أبو الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد بن الجوزي، عفى الله عنه، ورفع في الدارين محله، يوم السبت الثاني والعشرون من شهر الله رجب، عظم الله بركته على المسلمين، سنة إحدى وثمانين وخمس مئة، قراءة عليه، وأنا أسمع، بشرط السماع بمنزله المبارك، بمدينة السلام، حماها الله تعالى، قال:الحمد لله على جميع آلائه يسدى النعم، وصلواته على أشرف الرسل إلى خير الأمم، وعلى أصحابه وأتباعه وسلم وعظم، أما بعد:فإن بعض طلاب الحديث سألني أن أحدث ولم يكن سمع مني قبل ذلك، فقلت له سأخرج إليك أول حديث سمعته من شيخ، وأول حديث سمعه من شيخه، مسلسل لك،فلما حدثته له، أتبعته المسلسلات من مسموعاتي، والله الموفق، وهو المسؤل أن ينفعنا لفنون العلوم، إنه كريم.
[১/খ] কিতাবুল মুসালসালাতশাইখ, ইমাম, আলিম, যাহিদ, অদ্বিতীয় জামালুদ্দীন, হুজ্জাতুল ইসলাম, মুসলিম ও ওয়ায়েজগণের দিশারী, হাফিযগণের অবশিষ্টাংশ, মাশায়েখদের উত্তরসূরি, ইরাকের মুকুটআবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবনুল জাওযী-এর রচনা [২/খ] পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাদের সাইয়্যিদ ও শাইখ, ইমাম, জামালুদ্দীন, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুন্নাহর সাহায্যকারী এবং উম্মাহর হাফিয আবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবনুল জাওযী—আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন এবং উভয় জাহানে তার মর্যাদা উচ্চ করুন—৫১ হিজরী সনের আল্লাহর মাস রজবের বাইশ তারিখ শনিবার, আল্লাহ মুসলিমদের ওপর এর বরকত বৃদ্ধি করুন। তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, শ্রবণের শর্তানুযায়ী তাঁর বরকতময় বাসভবনে, মদিনাতুস সালামে (বাগদাদ), আল্লাহ তাআলা একে রক্ষা করুন। তিনি বলেন:সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য তাঁর সকল নিআমতের ওপর যা তিনি অকাতরে দান করেন। আর তাঁর সালাত বর্ষিত হোক শ্রেষ্ঠ উম্মতের প্রতি প্রেরিত শ্রেষ্ঠ রাসূলের ওপর এবং তাঁর সঙ্গী ও অনুসারীদের ওপর। তিনি তাদের শান্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধি করুন। অতঃপর:হাদীসের জনৈক ছাত্র আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করার আবেদন জানাল, অথচ সে এর আগে আমার নিকট থেকে কিছু শোনেনি। আমি তাকে বললাম, আমি তোমার সামনে এমন একটি হাদীস পেশ করব যা আমি আমার শাইখ থেকে প্রথম শুনেছি এবং তিনি তাঁর শাইখ থেকে প্রথম শুনেছেন, যা হবে তোমার জন্য একটি মুসালসাল (পরম্পরাগত) হাদীস।যখন আমি তার কাছে তা বর্ণনা করলাম, তখন আমি আমার শ্রুত অন্যান্য মুসালসাল হাদীসগুলোও এর সাথে যুক্ত করলাম। আল্লাহই তাওফীকদাতা এবং তাঁর কাছেই প্রার্থনা যেন তিনি ইলমের বিভিন্ন শাখা দ্বারা আমাদের উপকৃত করেন। নিশ্চয়ই তিনি মহানুভব।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢)
الحديث الأول:وهو أول حديث سمعته من شيخنا.حدثنا أبو سعد اسماعيل بن ابي صالح احمد بن عبد الملك النيسابوري وهو أول حديث سمعته منه قال أخبرنا والدي الامام ابو صالح احمد بن عبد الملك المؤذن وهو اول حديث سمعته منه قال حدثنا الاستاذ ابو طاهرمحمد ابن محمد بن محمش الزيادي وهو أول حديث سمعته منه قال حدثنا ابو حامد احمد بن محمد بن يحيى بن بلال البزاز وهو أول حديث سمعته منه قال حدثنا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم وهو أول حديث سمعته منه قال حدثنا سفيان بن عيينة وهو أول حديث سمعته منه [3/أ]عن عمرو بن دينار عن ابي قابوس مولى عبد الله بن عمرو بن العاصي عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الراحمون يرحمهم الرحمن تبارك وتعالى ارحموا من في الارض يرحمكم من في السماء (1) ._حاشية
--------------------------------------------
(1) سقط هنا من النسخة ورقة كاملة، فأكملت الحديث الثاني من مصادر تخريجه، وما سأذكره فهو من بداية الورقة [4/أ]
প্রথম হাদিস:এটি আমাদের শাইখের নিকট থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস।আমাদের নিকট আবু সা'দ ইসমাইল ইবনে আবি সালিহ আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-নাইসাবুরি হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটি তাঁর নিকট থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা ইমাম আবু সালিহ আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-মুআযযিন, আর এটি তাঁর নিকট থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি বলেন, আমাদের নিকট উস্তায আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাহমিশ আল-যিয়াদি হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটি তাঁর নিকট থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বিলাল আল-বাযযায হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটি তাঁর নিকট থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটি তাঁর নিকট থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি বলেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটি তাঁর নিকট থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস [৩/ক]আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের মুক্তদাস আবু কাবুস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: দয়াশীলদের ওপর পরম দয়াময় (যিনি বরকতময় ও সুউচ্চ) দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন (১)।_টীকা
--------------------------------------------
(১) পাণ্ডুলিপির এই স্থানে একটি পূর্ণ পৃষ্ঠা বিলুপ্ত হয়েছে, তাই আমি দ্বিতীয় হাদিসটি এর তথ্যসূত্রের উৎসসমূহ থেকে পূর্ণ করেছি। আমি যা উল্লেখ করব তা [৪/ক] পৃষ্ঠার শুরু থেকে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٣)
الحديث الثاني:......... قال حدثنا أبو بكر محمد بن … ، قال حدثنا القاسم بن زكريا، قال حدثنا سويد بن سعيد، قال حدثنا الربيع، عن أبيه، عن جده، عن الأسقع خادم النبي صلى الله عليه وسلم قال: " أصابتني جنابة، فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم، فأراني التيمم ضربة للوجه، وضربة لليدين والذراعين إلى المرفقين.وأرانا شيخنا جمال الدين، أدام الله أيامه التميمي، قال: وأرانا شيخنا ناصر الدين التميمي، قال: وأرانا أبو الغنائم التميمي، قال: وأرانا أبو عبد الله التميمي، قال: وأرانا العرزمي التميمي، قال: وأرانا أبو بكر المفيد، كما أراه القاسم، كما أراه الأسلع، كما أراه النبي صلى الله عليه وسلم.فأفادني بهذه الرواية الأسلع، وفي الرواية التي قبلها الأسقع، وكلاهما مذكورين في الصحابة.
দ্বিতীয় হাদিস:......... তিনি বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে … , তিনি বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসেম ইবনে জাকারিয়া, তিনি বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ, তিনি বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাবি‘, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাদেম আসকা’ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "আমি জানাবাত (অপবিত্রতা) গ্রস্ত হয়েছিলাম, অতঃপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অবহিত করলাম। তখন তিনি আমাকে তায়াম্মুম দেখালেন—মুখমণ্ডলের জন্য একবার আঘাত (হাত মারা) এবং উভয় হাত ও বাহুর জন্য কনুই পর্যন্ত একবার আঘাত।এবং আমাদের শায়খ জামালুদ্দিন আত-তামিমি—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—আমাদের দেখিয়েছেন; তিনি বলেছেন: এবং আমাদের শায়খ নাসিরুদ্দিন আত-তামিমি আমাদের দেখিয়েছেন; তিনি বলেছেন: এবং আবু আল-গানাইম আত-তামিমি আমাদের দেখিয়েছেন; তিনি বলেছেন: এবং আবু আব্দুল্লাহ আত-তামিমি আমাদের দেখিয়েছেন; তিনি বলেছেন: এবং আল-আরজামি আত-তামিমি আমাদের দেখিয়েছেন; তিনি বলেছেন: এবং আবু বকর আল-মুফিদ আমাদের দেখিয়েছেন, যেমনটি কাসেম তাঁকে দেখিয়েছিলেন, যেমনটি আসলা‘ তাঁকে দেখিয়েছিলেন, যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দেখিয়েছিলেন।এই বর্ণনায় আসলা‘ নামটি আমার নিকট এসেছে, আর এর পূর্ববর্তী বর্ণনায় ছিল আসকা’, এবং তাঁরা উভয়ই সাহাবীদের মধ্যে গণ্য।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٤)
الحديث الثالث:قال شيخنا، أدام الله أيامه، أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ أخبرنا الحسين بن علي الخياط المدني، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثنا أبو محمد عبد الله بن عطاء بن عبد الله الهروي، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثنا عبد الرحمن بن أبي عبد الله الثقفي، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثنا أبو القاسم عبد الله بن إبراهيم الجرجاني، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثنا أبو الحسن محمد بن علي بن الحسن، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني الحسن بن علي العسكري، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثنا الحسن بن علي بن موسى، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني علي بن موسى بن جعفر، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني الحسن بن علي بن الحسين، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني الحسين بن علي، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي علي بن أبي طالب، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني جبريل عليه السلام، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني ميكائيل عليه السلام، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني إسرافيل عن اللوح المحفوظ أنه يقول الله تبارك وتعالى: شارب الخمر كعابد وثن.طريق آخر:قال شيخنا: [4/ب]أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ سمعت أبا الفتح محمد بن عبد الباقي، يقول: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ سمعت أبا الفضل بن أحمد يقول: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ سمعت أبا القاسم أحمد بن عبد الله الحافظ يقول: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني القاضي أبو الحسن علي بن محمد، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني محمد بن أحمد بن عبد الله بن قضاعة، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني الحسن بن محمد بن علي بن موسى الرضا، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي علي بن موسى الرضا، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي موسى بن جعفر، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي جعفر بن محمد، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي محمد بن علي، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي علي بن الحسن، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي الحسن بن علي، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني أبي علي بنأبي طالب، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: أَشْهَدُ بِاللَّهِ وَأَشْهَدُ لِلَّهِ لَقَدْ حدثني جبريل عليه السلام: يا محمد إن مدمن الخمر كعابد وثن.قال أبو القاسم: هذا حديث صحيح ثابت، روته العترة الطيبة، لم نكتبه على هذا الشرط بالشهادة بالله ولله إلا من عن هذا الشيخ. :
তৃতীয় হাদিস:আমাদের শাইখ (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘায়িত করুন) বলেছেন, আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুসাইন ইবনে আলী আল-খাইয়াত আল-মাদানি, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আতা ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হারাউই, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবি আব্দুল্লাহ আস-সাকাফি, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আল-জুরজানি, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-হাসান, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আলী আল-আসকারি, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আলী ইবনে মুসা, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুসা ইবনে জাফর, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে আলী, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আলী ইবনে আবি তালিব, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম), তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মিকাঈল (আলাইহিস সালাম), তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসরাফিল লাওহে মাহফুজ থেকে যে, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা বলেন: মদ্যপায়ী মূর্তিপূজারীর ন্যায়।অন্য সূত্র:আমাদের শাইখ বলেছেন: [৪/খ]আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমি আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমি আবুল ফজল ইবনে আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমি আবুল কাসিম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক (কাদি) আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কুদাআহ, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুসা আর-রিদা, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আলী ইবনে মুসা আর-রিদা, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা মুসা ইবনে জাফর, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা জাফর ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা মুহাম্মদ ইবনে আলী, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আলী ইবনে আল-হাসান, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি que নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আল-হাসান ইবনে আলী, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আলী ইবনেআবি তালিব, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম): হে মুহাম্মদ, নিশ্চয়ই অভ্যস্ত মদ্যপায়ী মূর্তিপূজারীর ন্যায়।আবুল কাসিম বলেছেন: এটি একটি সহিহ ও সুসাব্যস্ত হাদিস, যা পবিত্র বংশধরেরা বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর নামে এবং আল্লাহর নিমিত্তে সাক্ষ্য দেওয়ার এই শর্তে আমরা কেবল এই শাইখের সূত্র ছাড়া অন্য কারও নিকট থেকে এটি লিপিবদ্ধ করিনি। :
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٥)
الحديث الرابع:قال شيخنا أدام الله أيامه: أشهد بالله لقد سمعت أبا القاسم إسماعيل بن أحمد السمرقندي، يقول: أشهد بالله لسمعت أبا محمد عبد الله بن عطاء الإبرهيثمي، يقول: أشهد بالله لسمعت عبد الرحمن بن محمد بن إسحاق العبدي، يقول: أشهد بالله لسمعت عبد الصمد بن محمد القاضي، يقول: أشهد بالله لسمعت إبراهيم بن المستملي، يقول: أشهد بالله لسمعت ابن المصفى، يقول: أشهد بالله لسمعت الأصبغ بن سلام، يقول: أشهد بالله لسمعت عفر بن معدان، يقول: أشهد بالله لسمعت سليم بن عامر، يقول: أشهد بالله لسمعت أبا أمامة الباهلي، يقول: أشهد بالله لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إن هذه الآية نزلت في القدرية: " يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر، إنا كل شيء خلقناه بقدر ".طريق آخر: قال الشيخ: أشهد بالله لسمعت أبا الحسن [5/أ]علي بن يحيى، يقول: أشهد بالله لسمعت القاضي أبا بكر محمد بن عبد الباقي، يقول: أشهد بالله لسمعت هناد النسفي، يقول: أشهد بالله لسمعت عبد الرحمن بن أحمد القزويني، يقول: أشهد بالله لسمعت أبا الحسن علي القاسم القطان، يقول: أشهد بالله لسمعت عبد الله بن الصقر، يقول: أشهد بالله لسمعت، يقول: أشهد بالله لسمعت أصبغ بن سلام، يقول: أشهد بالله لسمعت عيسى بن واقد، يقول: أشهد بالله لسمعت سليم الزرقي، يقول: أشهد بالله لسمعت أبا أمامة، يقول: أشهد بالله لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إن هذه الآية نزلت في القدرية: " يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر، إنا كل شيء خلقناه بقدر ".
চতুর্থ হাদীস:আমাদের শাইখ—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবুল কাসিম ইসমাইল বিন আহমাদ আস-সামারকান্দিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আতা আল-ইব্রাহাইসামিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল-আবদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আব্দুস সামাদ বিন মুহাম্মাদ আল-কাদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি ইবরাহিম বিন আল-মুস্তামলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি ইবনুল মুসাফফাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল-আসবাহ বিন সালামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি উফার বিন মা'দানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি সুলাইম বিন আমিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি ইরশাদ করেন: নিশ্চয়ই এই আয়াতটি কাদরিয়াদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে: "যেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে আগুনের দিকে (এবং বলা হবে), 'সাক্বার-এর স্পর্শ আস্বাদন করো'। নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেকটি বস্তু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত তাকদীর অনুযায়ী।"অন্য সূত্র: শাইখ বলেছেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবুল হাসান [৫/আ]আলী বিন ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল-কাদি আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি হান্নাদ আন-নাসাফিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আল-কাজভিনিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবুল হাসান আলী আল-কাসিম আল-কাত্তানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আব্দুল্লাহ বিন আস-সাকরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আসবাহ বিন সালামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি ঈসা বিন ওয়াকিদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি সুলাইম আজ-জুরাকিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবু উমামাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি ইরশাদ করেন: নিশ্চয়ই এই আয়াতটি কাদরিয়াদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে: "যেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে আগুনের দিকে (এবং বলা হবে), 'সাক্বার-এর স্পর্শ আস্বাদন করো'। নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেকটি বস্তু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত তাকদীর অনুযায়ী।"
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٦)
الحديث الخامس:قال شيخنا أدام الله أيامه: أخبرنا محمد بن ناصر، قال: أخبرنا محمد بن علي بن ميمون، قال أخبرنا أبو عبد الله محمد بن علي العلوي، قال: حدثنا القاضي محمد بن عبد الله الْجُعْفِيُّ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَرَزْدَقِ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ بُزَيْعٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَنِ بْنِ فُرَاتٍ الْقَزَّازُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَسْعُودِيُّ وَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَصِيْرَةَ، عَنْ صَخْرِ بْنِ الْحَكَمِ الْفَزَارِيِّ، عَنْ حَبَّانِ بْنِ الْحَارِثِ الأَزْدِيِّ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ جَمِيلٍ الضَّبِّيِّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ ضَمْرَةَ الرُّوَاسِيِّ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ الْغِفَارِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: تَرِدُ عَلَى الْحَوْضِ رَايَةُ عَلِيٍّ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَإِمَامِ الْغُرِّ الْمُحَجَّلِينَ، فَأَقُومُ فَآخُذُ بِيَدِهِ فَيَبْيَاضُّ وَجْهُهُ وَوُجُوهُ أَصْحَابِهِ، فَأَقُولُ: مَا خَلَفْتُمُونِي فِي الثَّقَلَيْنِ بَعْدِي؟ فَيَقُولُونَ: تَبِعْنَا الأَكْبَرَ وَصَدَّقْنَاهُ، وَآزَرْنَا الأَصْغَرَ وَنَصَرْنَاهُ وَقَاتَلْنَا مَعَهُ، فَأَقُولُ رُدُّوا، رُدُّوا مَرَّتَيْنِ: فَيَشْرَبُونَ شَرْبَةً لا يَظْمَئُونَ بَعْدَهَا أَبَدًا وَجْهُ إِمَامِهِمْ كَالشَّمْسِ الطَّالِعَةِ وَوُجُوهُهُمْ كَالْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ، أَوْ كَأَضْوَإِ نَجْمٍ فِي السَّمَاءِ.قال الشيخ: أشهد علي عبد الله أن أبا الفضل بن ناصر حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن أبا الغنائم بن النرسي حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن محمد بن علي العلوي حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن [5/ب]القاضي محمد بن عبد الله حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن محمد بن الفرزدق حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن الحسن بن علي بن بزيع حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن عبد الله بن علي بن حسن حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن أبا عبد الرحمن حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن صَخْرِ بْنِ الْحَكَمِ الْفَزَارِيِّ حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن حَبَّانِ بْنِ الْحَارِثِ الأَزْدِيِّ حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن الرَّبِيعِ بْنِ جَمِيلٍ الضَّبِّيِّ حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن مَالِكِ بْنِ ضَمْرَةَ الرُّوَاسِيِّ حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن أبا ذر الغفاري حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثني بهذا، أشهد علي عبد الله أن جبريل عليه السلام حدثني بهذا، عن الله جل وجهه، وتقدست أسماؤه.
পঞ্চম হাদিস:আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর হায়াত দীর্ঘায়িত করুন—বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন নাসের। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মাইমুন। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী আল-আলাওয়ী। তিনি বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কাজী মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুফী। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফারাজদাক। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আলী বিন বুজাই। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন হাসান বিন ফুরাত আল-কায্যায। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মাসউদী—আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মালিক—হারিস বিন হাসিরা থেকে, তিনি সাখর বিন আল-হাকাম আল-ফাজারী থেকে, তিনি হাব্বান বিন আল-হারিস আল-আযদি থেকে, তিনি রাবী বিন জামিল আদ-দাব্বী থেকে, তিনি মালিক বিন দামরা আর-রুওয়াসী থেকে, তিনি আবু যার আল-গিফারী থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "হাওযের পাড়ে মুমিনদের আমির এবং উজ্জ্বল হাত-পা বিশিষ্টদের ইমাম আলীর ঝাণ্ডা উপস্থিত হবে। তখন আমি দাঁড়াবো এবং তাঁর হাত ধরবো, ফলে তাঁর চেহারা এবং তাঁর সাথীদের চেহারা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। আমি জিজ্ঞেস করবো: আমার পর তোমরা আমার রেখে যাওয়া দুটি ভারী বস্তুর (সাকলায়েন) ক্ষেত্রে আমার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কেমন আচরণ করেছ? তাঁরা বলবেন: আমরা বড়টির অনুসরণ করেছি এবং তা সত্য বলে মেনে নিয়েছি, আর ছোটটিকে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছি এবং তাঁর সাথে থেকে লড়াই করেছি। তখন আমি বলবো: পান করো, পান করো—দুবার বলবেন। এরপর তাঁরা এমন এক ঢোক পান করবেন যার পরে আর কখনো তৃষ্ণার্ত হবেন না। তাঁদের ইমামের চেহারা উদিত সূর্যের মতো হবে এবং তাঁদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার চাঁদের মতো অথবা আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের মতো হবে।"শায়খ বললেন: আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আবুল ফযল বিন নাসের আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আবু গনায়েম বিন আন-নারসী আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ বিন আলী আল-আলাওয়ী আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, [৫/খ]কাজী মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ বিন আল-ফারাজদাক আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল-হাসান বিন আলী বিন বুজাই আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন হাসান আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আবু আব্দুর রহমান আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, সাখর বিন আল-হাকাম আল-ফাজারী আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হাব্বান বিন আল-হারিস আল-আযদি আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাবী বিন জামিল আদ-দাব্বী আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মালিক বিন দামরা আর-রুওয়াসী আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আবু যার আল-গিফারী আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন; আমি আল্লাহর বান্দার ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন—আল্লাহর পক্ষ থেকে, যাঁর চেহারা মহিমান্বিত এবং যাঁর নামসমূহ পবিত্র।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٧)
الحديث السادس:قال شيخنا أدام الله أيامه: أشهد على أبي الحسن علي بن يحيى بن الطراج، أنه قال: أشهد على القاضي أبي بكر محمد بن عبد الباقي، أنه قال: أشهد على هناد بن إبراهيم، أنه قال: أشهد على رافع بن محمد، أنه قال: أشهد على أبي الحسن علي بن الحسن، أنه قال: أشهد على عبد الله بن محمد، أنه قال: أشهد على صالح بن محمد، أنه قال: أشهد على إبراهيم بن أحمد، أنه قال: أشهد على محمد بن عبدان، أنه قال: أشهد على سفيان بن عامر التميمي القاضي، أنه قال: أشهد على عبد الله بن طاووس، أنه قال: أشهد على جابر بن عبد الله، أنه قال: أشهد على، أنه قال: أشهد على رسول الله صلى الله عليه وسلم، أنه قال: أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله، فإذا قالوا عصموا مني دمائهم وأموالهم إلا بحقها.
ষষ্ঠ হাদিস:
আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—বলেন: আমি আবুল হাসান আলী বিন ইয়াহইয়া বিন আত-তাররাজ-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি কাজি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি-র সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি হান্নাদ বিন ইবরাহিম-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি রাফে' বিন মুহাম্মদ-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আবুল হাসান আলী বিন আল-হাসান-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি সালিহ বিন মুহাম্মদ-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি ইবরাহিম বিন আহমাদ-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি মুহাম্মদ বিন আবদান-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি কাজি সুফিয়ান বিন আমির আত-তামিমি-র সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন তাউস-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি জাবির বিন আব্দুল্লাহ-র সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: "আমি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। অতঃপর যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার নিকট থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নেবে, তবে তার যথাযথ হক ব্যতীত।"
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٨)
الحديث السابع:قال شيخنا أدام الله أيامه: لقد أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي، قال: بالله العظيم لقد أنبأنا أبو بكر الصرثيثي، قال: بالله العظيم لقد حدثنا محمد بن علي الشاشي، قال: بالله العظيم لقد حدثنا أبو بكر محمد بن الفضل، قال: بالله العظيم لقد حدثنا أبو عبد الله محمد بن علي بن يحيى الوراق، قال: بالله العظيم لقد حدثنا محمد بن يونس، قال: بالله العظيم لقد حدثنا محمد بن الحسن، قال: بالله العظيم لقد حدثنا [6/أ]موسى بن عيسى وقال بالله العظيم لقد حدثني أبو بكر الواقفي وقال بالله العظيم لقد حدثني عمار بن موسى البرمكي وقال بالله العظيم لقد حدثني أنس بن مالك وقال بالله العظيم لقد حدثني محمد المصطفى وقال بالله العظيم لقد حدثني جبريل وقال بالله العظيم لقد حدثني إسرافيل وقال قال الله تعالى يا إسرافيل بعزتي وجلالي وجودي وكرمي من قرأ بسم الله الرحمن الرحيم متصلة بفاتحة الكتاب مرة واحدة اشهدوا علي أني قد غفرت له وقبلت منه الحسنات وتجاوزت عنه السيئات ولا أحرق لسانه في النار وأجيره من عذاب القبر وعذاب النار والفزع الأكبر ويلقاني قبل الأنبياء والأولياء.
সপ্তম হাদীস:আমাদের শাইখ—আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন—বলেছেন: আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, আবু বকর আস-সারথীসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, মুহাম্মদ বিন আলী আশ-শাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-ফদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইয়াহইয়া আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, মুহাম্মদ বিন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [৬/ক]মূসা বিন ঈসা এবং তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, আবু বকর আল-ওয়াকিফী আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, আম্মার বিন মূসা আল-বারমাকী আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, আনাস বিন মালিক আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, মুহাম্মদ আল-মুস্তফা আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, জিবরাঈল আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন: মহান আল্লাহর শপথ, ইসরাফীল আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহ তাআলা বলেছেন, হে ইসরাফীল! আমার মর্যাদা, মহিমা, দানশীলতা ও মহানুভবতার শপথ; যে ব্যক্তি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম-কে ফাতিহাতুল কিতাবের (সূরা ফাতিহা) সাথে মিলিয়ে একবার পাঠ করবে, তোমরা আমার ব্যাপারে সাক্ষী থাকো যে, নিশ্চয়ই আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি, তার নেক আমলসমূহ কবুল করেছি এবং তার গুনাহসমূহ মার্জনা করেছি; আমি আগুনের দ্বারা তার জিহ্বা দগ্ধ করব না এবং তাকে কবরের আযাব, জাহান্নামের আযাব ও মহা আতঙ্ক থেকে মুক্তি দান করব, আর সে নবী ও ওলীগণের পূর্বেই আমার সাথে সাক্ষাৎ লাভ করবে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٩)
الحديث الثامن:قال شيخنا أدام الله أيامه: وحلف وقال حدثنا: أبو الفضل بن ناصر، وحلف وقال: حدثنا محمد بن علي بن ميمون، وحلف وقال: حدثنا أبو عبد الله الحسيني، وحلف وقال: حدثنا إبراهيم بن محمد النظامي، وحلف وقال: حدثنا عمار بن محمد بن مخلد البغدادي، وحلف وقال: حدثنا أبو ليلى عبد المؤمن بن خلف الدمشقي، وحلف وقال: حدثنا الحسن بن سفيان، وحلف وقال: حدثنا هدبة بن خالد، وحلف وقال: حدثنا قتادة، وحلف وقال: حدثنا أنس بن مالك، وحلف وقال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: شفاعتي لأهل الكبائر من أمتي.
অষ্টম হাদীস:আমাদের শাইখ (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন) বলেছেন: এবং তিনি শপথ করে বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবুল ফজল বিন নাসের, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মাইমুন, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইনী, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন মুহাম্মদ আন-নিজামী, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার বিন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ আল-বাগদাদী, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু লায়লা আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমাশকী, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন সুফিয়ান, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদবা বিন খালিদ, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক, এবং তিনি শপথ করে বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমার উম্মতের কবীরা গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তিদের জন্য আমার সুপারিশ থাকবে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
الحديث التاسع:قال شيخنا أدام الله أيامه: لقيت أبا الحسن علي بن يحيى بالمدينة فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، وكذلك سألنا شيخنا أدام الله أيامه، وقال: قال أبو الحسن علي بن يحيى لقيت أبا بكر محمد بن عبد الباقي فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، وقال لقيت هناد بن إبراهيم فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي ولدت فيه، قال: لقيت أبا محمد جعفر بن الحسين الزاهد الأبهري الصوفي بهمذان فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، قال: لقيت أبا الحسن محمد بن النضر بن محمد بن سعيد الموصلي فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، فقال: [6/ب]لقيت أبا يعلى الموصلي فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، لقيت هدبة بن خالد فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، قال هدبة: لقيت حماد بن سلمة فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، قال حماد: لقيت ثابتًا البناني فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، وقال ثابت: لقيت أنس فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، وقال أنس: لقيت النبي صلى الله عليه وسلم فسألني عن اسمي ونسبي وكنيتي، وعن الموضع الذي أنا أسكنه، وقال يا أنس أكثروا من الأصدقاء فأنكم شفعاء بعضكم في بعض.طريق آخر:لقيت شيخنا جمال الدين، أدام الله أيامه، فسألني عن اسمي وكنيتي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت الشيخ أبا الفضل محمد بن ناصر، فسألني عن اسمي وكنيتي وأين أنزل فأخبرته، فقال: لقيت أبا الحسن المبارك بن عبد الجبار الصيرفي، فسألني عن اسمي وكنيتي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت مسعود بن ناصر السجستاني، فسألني عن اسمي وكنيتي وبلدي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت أبا مسلم غالب بن علي الرازي، فسألني عن اسمي وكنيتي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت أبا بكر محمد بن عيسى الجبلي، فسألني عن اسمي وكنيتي ونسبي وبلدي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت أبا عبد الله الحسين بن علي بن يزيد الرفاعي، فسألني عن اسمي وكنيتي ونسبتي وبلدي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت أبا يعلى أحمد بن علي بن المثنى، فسألني عن اسمي وكنيتي ونسبتي وبلدي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت هدبة بن خالد العبسي، فسألني عن اسمي وكنيتي ونسبتي وبلدي وأين أنزل فأخبرته، قال: لقيت حماد بن سلمة، فسألني عن اسمي وكنيتي ونسبتي وبلدي وأين أنزل فأخبرته، وقال حماد: لقيت أنسًا فسألني كما سألتك، وقال أنس: [7/أ]لقيت النبي عليه الصلاة والسلام فسألني كما سألتك، وقال يا أنس: أكثر من الأصحاب فإنكم شفعًا بعضكم في بعض.
নবম হাদিস:আমাদের শায়খ (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন) বলেছেন: আমি মদিনায় আবুল হাসান আলী বিন ইয়াহইয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তখন তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। অনুরূপভাবে আমাদের শায়খ (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন) আমাদের জিজ্ঞাসা করেছেন এবং বলেছেন: আবুল হাসান আলী বিন ইয়াহইয়া বলেছেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। এবং তিনি বললেন: আমি হান্নাদ বিন ইব্রাহিমের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমার জন্মস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: আমি হামাদানে আবু মুহাম্মদ জাফর বিন আল-হুসাইন আল-জাহিদ আল-আবহারি আস-সুফির সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: আমি আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আন-নাদর বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-মাওসিলির সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। অত:পর তিনি বললেন: [৬/খ]আমি আবু ইয়ালা আল-মাওসিলির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি হুদবাহ বিন খালিদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। হুদবাহ বললেন: আমি হাম্মাদ বিন সালামার সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। হাম্মাদ বললেন: আমি সাবিত আল-বুনানির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সাবিত বললেন: আমি আনাস (রা.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আনাস (রা.) বললেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, বংশ পরিচয়, উপনাম এবং আমি যেখানে বসবাস করি সেই জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। এবং তিনি বললেন: হে আনাস! বন্ধুর সংখ্যা বাড়িয়ে দাও, কেননা তোমরা একে অপরের জন্য সুপারিশকারী হবে।অন্য একটি সূত্র:আমি আমাদের শায়খ জামালুদ্দিন (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি শায়খ আবু ফাদল মুহাম্মদ বিন নাসিরের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি আবুল হাসান আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি মাসউদ বিন নাসির আস-সিজিস্তানির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম, দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি আবু মুসলিম গালিব বিন আলী আর-রাজির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ বিন ঈসা আল-জাবালির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম, বংশ পরিচয়, দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন ইয়াজিদ আর-রিফায়ির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম, বংশ সম্বন্ধ, দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্নার সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম, বংশ সম্বন্ধ, দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি হুদবাহ বিন খালিদ আল-আবসির সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম, বংশ সম্বন্ধ, দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। তিনি বললেন: আমি হাম্মাদ বিন সালামার সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে আমার নাম, উপনাম, বংশ সম্বন্ধ, দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি তাঁকে জানালাম। হাম্মাদ বললেন: আমি আনাস (রা.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে সেভাবেই জিজ্ঞাসা করেছেন যেভাবে আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি। আনাস (রা.) বললেন: [৭/ক]আমি নবী (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে সেভাবেই জিজ্ঞাসা করেছেন যেভাবে আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি। এবং তিনি বললেন: হে আনাস! সাথীদের সংখ্যা বাড়িয়ে দাও, কেননা তোমরা একে অপরের জন্য সুপারিশকারী হবে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١١)
الحديث العاشر:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه: قال حدثنا أبو الفضل ناصر، قال: أخبرنا أبو الحسن علي بن الحسين بن أيوب، قال: أخبرنا أبو علي الحسن بن أحمد بن شاذان، قال: حدثنا أبوبكر أحمد بن سلمان النجاد، قال: حدثنا أبو بكر بن أبي الدنيا حَدَّثَنَا ابن علي الْجَرَوِيّ، حَدَّثَنِي عَمْرو بن أَبِي سَلَمَةَ، حدثنا أبو عبيدة الحكم بن عبدة، حدثنا حيوة بن شريح، عن عقبة بن مسلم، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن الصنابحي، عن معاذ، قال: قال لي النبي: إني أحبك، فقل: اللهم أعني على ذكرك، وشكرك، وحسن عبادتك.قال الصنابحي: قال لي معاذ: إني أحبك، فقل هذا الدعاء، قال أبو عبد الرحمن: وأنا أحبك فقل، قال حيوة: قال لي عقبة: وأنا أحبك فقل، قال أبو عبيدة: قال لي حيوة: وأنا أحبك فقل، قال لي عمرو: قال لي أبوعبدة: وأنا أحبك فقل، فقال لي حسن يعني الجروي: وأنا أحبك فقل، قال لنا أبو بكر بن أبي الدنيا: وأنا أحبكم فقولوا، قال لنا أبو بكر النجاد: وأنا أحبكم فقولوا، قال الشريف: قال لنا الحرقي: وأنا أحبكم فقولوا، وقال ابن أبي خشيش: وقال لنا ابن شاذان: وأنا أحبكم فقولوا، وقال لنا الشريف وابن أبي خشيش: ونحن نحبكم فقولوا، وقال الهمداني: قال لنا شيخنا الإمام أبو طاهر أحمد بن محمد: وأنا أحبكم فقولوا، وقال لنا شيخنا أبو الفضل جعفر: وأنا أحبكم فقولوا، وقال لنا شيخنا ناصر الدين أبو نصر محمد بن عربشاه: وأنا أحبكم فقولوا.طريق آخر:أخبرنا شيخنا، أدام الله أيامه، قال: أخبرنا محمد بن عبد الباقي، قال أخبرنا حمد بن أحمد الجدل، قال: حدثنا أبو نعيم الحافظ حَدَّثَنَا أبو علي مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ مُسْلِمٍ التُّجِيبِيُّ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيُّ، عَنِ الصُّنَابِحِيِّ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ: أَخَذَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا بِيَدِي ثُمَّ قَالَ: يَا مُعَاذُ، وَاللَّهِ إِنِّي لَأُحِبُّكَ، فَقَالَ لَهُ مُعَاذٌ: بِأَبِي وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللهِ، وَأَنَا وَاللَّهِ أُحِبُّكَ. فَقَالَ: أُوصِيكَ يَا مُعَاذُ، لَا تَدَعَنَّ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ أَنْ تَقُولَ: اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ، وَأَوْصَى بِهِ مُعَاذٌ الصُّنَابِحِيَّ [7/ب]، وَأَوْصَى الصُّنَابِحِيُّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَوْصَى أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عُقْبَةَ، وَأَوْصَى عُقْبَةُ حَيْوَةَ، وَأَوْصَى حَيْوَةُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئَ، وَأَوْصَى أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ بِشْرَ بْنَ مُوسَى، وَأَوْصَى بِشْرُ بْنُ مُوسَى مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، وَأَوْصَانِي مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، وأوصى أبو نعيم حمد أوأوصى حمد محمد بن عبد الباقي.قال الشيخ: وأوصانا محمد، وأوصانا الشيخ.
দশম হাদিস:আমাদের শায়খ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—তিনি বলেন: আবু আল-ফজল নাসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলি ইবনুল হুসাইন ইবনে আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলি আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে শাজান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে সালমান আল-নাজ্জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আলি আল-জারউই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে আবি সালামা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উবাইদা আল-হাকাম ইবনে আবদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উকবা ইবনে মুসলিমের সূত্রে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি আস-সুনাবিহি থেকে, তিনি মুয়াজ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, মুয়াজ বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন: "নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো: হে আল্লাহ! আমাকে আপনার জিকির, আপনার শুকরিয়া এবং আপনার উত্তম ইবাদত পালনে সাহায্য করুন।"আস-সুনাবিহি বলেন: মুয়াজ আমাকে বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি এই দুআটি বলো।" আবু আবদুর রহমান বলেন: "আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো।" হাইওয়াহ বলেন: উকবা আমাকে বলেছিলেন: "আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো।" আবু উবাইদা বলেন: হাইওয়াহ আমাকে বলেছিলেন: "আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো।" আমর আমাকে বলেন: আবু উবাইদা আমাকে বলেছিলেন: "আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো।" হাসান অর্থাৎ আল-জারউই আমাকে বললেন: "আর আমিও তোমাকে ভালোবাসি, সুতরাং তুমি বলো।" আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের বললেন: "আর আমি তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।" আবু বকর আল-নাজ্জাদ আমাদের বললেন: "আর আমি তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।" আশ-শরিফ বলেন: আল-হারকি আমাদের বললেন: "আর আমি তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।" এবং ইবনে আবি খুশাইশ বলেন: ইবনে শাজান আমাদের বললেন: "আর আমি তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।" এবং আশ-শরিফ ও ইবনে আবি খুশাইশ আমাদের বললেন: "আর আমরা তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।" আল-হামদানি বলেন: আমাদের শায়খ ইমাম আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের বললেন: "আর আমি তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।" এবং আমাদের শায়খ আবু আল-ফজল জাফর আমাদের বললেন: "আর আমি তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।" এবং আমাদের শায়খ নাসিরুদ্দীন আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে আরবাশাহ আমাদের বললেন: "আর আমি তোমাদের ভালোবাসি, সুতরাং তোমরা বলো।"অন্য সূত্র:আমাদের শায়খ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হামাদ ইবনে আহমদ আল-জাদাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আলি মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি উকবা ইবনে মুসলিম আত-তুজিবিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আস-সুনাবিহি থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: "হে মুয়াজ, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি।" তখন মুয়াজ তাঁকে বললেন: "আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর কসম! আমিও আপনাকে ভালোবাসি।" তখন তিনি বললেন: "হে মুয়াজ, আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের শেষে এ কথাটি বলতে কখনোই ছাড়বে না: হে আল্লাহ! আমাকে আপনার জিকির, আপনার শুকরিয়া এবং আপনার উত্তম ইবাদত পালনে সাহায্য করুন।" আর মুয়াজ এটি আস-সুনাবিহিকে অসিয়ত করেছিলেন [৭/খ], আস-সুনাবিহি আবু আবদুর রহমানকে অসিয়ত করেছিলেন, আবু আবদুর রহমান উকবাকে অসিয়ত করেছিলেন, উকবা হাইওয়াহকে অসিয়ত করেছিলেন, হাইওয়াহ আবু আবদুর রহমান আল-মুকরিকে অসিয়ত করেছিলেন, আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি বিশর ইবনে মুসাকে অসিয়ত করেছিলেন, বিশর ইবনে মুসা মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসানকে অসিয়ত করেছিলেন, এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আমাকে অসিয়ত করেছিলেন, আর আবু নুআইম হামাদকে অসিয়ত করেছিলেন এবং হামাদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকিকে অসিয়ত করেছিলেন।শায়খ বলেন: মুহাম্মদ আমাদের অসিয়ত করেছেন এবং শায়খ আমাদের অসিয়ত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
الحديث الحادي عشر:قال شيخنا أدام الله أيامه: سألت أبا الفضل محمد بن ناصر عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أبا الغنائم محمد بن علي النرسي عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت الشريف أبا عبد الله العلوي عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أبا الفضل محمد بن جعفر الخزاعي عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أبا نصر محمد بن أحمد الحسيني الجرجاني عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أبا الحسن علي بن إسحاق المديني عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أبا بكر محمد بن عبد الباقي عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت هناد بن إبراهيم عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أبا عبد الله الإسفرائيني عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أبا الحسين علي بن محمد الجمال الصوفي عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت محمد بن جعفر الجصاص عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أحمد بن غسان عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت أحمد بن عطاء الهروي عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت عبد الواحد بن زيد عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت الحسن عن الإخلاص ما هو؟ فقال: سألت حذيفة بن اليمان عن الإخلاص ما هو قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الإخلاص ما هو سألت جبريل عن الإخلاص ما هو سألت رب العزة فقال الإخلاص سر من أسراري أودعته قلب من أحببت من عبادي.
একাদশ হাদিস:আমাদের শাইখ —আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন— বলেছেন: আমি আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন নাসিরকে জিজ্ঞাসা করলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবুল গানায়িম মুহাম্মদ বিন আলী আল-নারসিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আশ-শরিফ আবু আব্দুল্লাহ আল-আলাওয়িকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন জাফর আল-খুজায়িকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবু নাসর মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-হুসাইনি আল-জুরজানিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবুল হাসান আলী বিন ইসহাক আল-মাদিনিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি হান্নাদ বিন ইব্রাহিমকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আল-ইসফারায়িনিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবুল হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাম্মাল আস-সুফিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি মুহাম্মদ বিন জাফর আল-জাসসাসকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আহমাদ বিন গাসসানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আহমাদ বিন আতা আল-হারাবিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আব্দুল ওয়াহিদ বিন জাইদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি হাসানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি হুজায়ফা বিন আল-ইয়ামানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি জিবরাঈলকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি মহিমান্বিত প্রতিপালককে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি বললেন: ইখলাস হলো আমার গোপন রহস্যসমূহের মধ্য হতে একটি রহস্য, যা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ভালোবাসি তার অন্তরে গচ্ছিত রাখি।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
الحديث الثاني عشر:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، وهو مبتسم: قال أخبرنا الشيخ أبو عبد الله بن علي الخياط المقرىء [8/أ]وهو مبتسم قال: أخبرنا أبو محمد عبد الله بن عطاء الهروي وهو مبتسم قال: أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن إسحاق الحافظ وهو مبتسم قال: حدثنا أبو الفضل عبد الصمد بن محمد العاصمي وهو مبتسم قال: حدثنا أبو عبد الله بن محمد بن علي بن الحسين وهو مبتسم قال: حدثنا محمد السلمي وهو مبتسم قال: حدثنا أبو محمد بن جعفر الرملي وهو مبتسم قال: حدثنا لبيد بن موسى وهو مبتسم قال: حدثنا سعيد بن زربي وهو مبتسم قال: قال لي ثابت البناني وهو مبتسم قال: حدثنا أنس بن مالك وهو مبتسم قال: حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مبتسم قال: حدثني جبريل عليه السلام وهو مبتسم قال: آخر من يدخل الجنة رجل يقال له مر على الصراط فيتعلق بيد فتزل به أخرى ويتعلق برجل فتزل به أخرى ويتعلق بركبة فتزل به أخرى والنار تأخذه بشررها وتلذعه بلهبها كلما أصابه شيء منها وضع يده عليه وقال حسن حتى يخرج منها برحمة الله فيرفع له حائط أمامه فيقول يا رب أخرجتني من النار برحمتك بلغني الحائط برحمتك أتباعد من جهنم إني أسمع حسيس أهلها فيأتيه ملك فيقول له يا ابن آدم لعلك تسأل ما وراء الحائط فيقول لا فيرفعه إلى الحائط ثم ترفع له شجرة أمامه فيقول يا رب أخرجتني من النار برحمتك وبلغتني الحائط برحمتك بلغني الشجرة برحمتك استظل بها فيأتيه الملك فيقول أما تستحي أما عهدت ربك أن لا تسأل ما وراء الحائط فلعلك تسأل ما وراء الشجرة فيقول لا فيفتح له باب من الجنة فيقول أي رب أخرجتني من النار برحمتك وبلغتني الحائط برحمتك وظللتني بالشجرة برحمتك ادنني إلى باب الجنة برحمتك قال فيأتيه الملك فيقول أما تستحي أما عهدت ربك أن لا تسأل ما وراء الشجرة فلعلك تسأل ما وراء الباب فيقول لا وعن يمينها عين وعن يسارها عين فيغتسل بأحدهما فيذهب حرقه ويعود لونه على ألوان أهل الجنة ويشرب من الأخرى فيذهب ما في صدره من غل أو غش أو حسد قال فيأتيه الملك فيقول له مكانك يا ابن آدم حتى يأتيك إذن من ربك فيقعد مغموما مهموما فيأتيه الملك فيقول له قم يا ولي الله أريك ما أعد الله لك فيسير مسيرة خمس مئة عام في جنات وأنهار وأشجار [8/ب]وأثمار وخيام وقصور فيلقاه ملك فيسلم عليه فيقول السلام عليك ورحمة الله يا ولي الله فيقول من أنت ما رأيت أحسن منظرا منك فيقول أنا قهرمان من قهارمتك ولك من بعدي أفضل مني فيلقاه قهرمان آخر أحسن منظرا من الأول فيسلم عليه فيرد عليه السلام فيقول من أنت ما رأيت أحسن منظرا منك فيقول أنا قهرمان من قهارمتك ولك من بعدي أفضل مني فلا يزال يلقاه قهرمان بعد قهرمان وقهرمان بعد قهرمان ما لا يحصي عددهم إلا الله تعالى حتى يلقاه قهرمان فيسلم عليه فلا يكلمه فيرجع راجعا يبشر الحور العين فلولا أن الله تعالى قال! < حور مقصورات في الخيام >! [سورة الرحمن 55 الآية 72] لخرجن فرحا ولولا أن الله ثبتها لخرجت بنفسها فينتهي إلى باب الجنة وعلى بابها ستور من حلل الجنة فيبعث الله ريحا تزيل الستور يمينا وشمالا لا يمسها بيده فتلقاه بالمصافحة والمعانقة قال أنس بن مالك قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فتأتيه بثياب لو أن بعضها أشرق لأهل الدنيا لغلب ضوء الشمس والقمر فبينما هي متكئة معه على أريكته إذ أشرق عليه نور من فوقه يناديه فيقول يا ولي الله أما لنا فيك من دولة فيقول من أنت فتقول أنا من اللواتي قال الله تعالى! < ولدينا مزيد >! [سورة ق 51 الآية 35] فيتحول إليها فإذا عندها من الجمال والكمال ما ليس عند الأولى فبينما هو متكئ معها على أريكتها إذ أشرق عليه نور من فوقه يناديه يا ولي الله أما لنا فيك من دولة فيقول من أنت فتقول أنا من اللواتي قال الله تبارك وتعالى! < فلا تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون >! [سورة السجدة 32 الآية 17] فلا يزال يتحول من زوجة إلى زوجة ما لا يحصي عددهن إلا الله عز وجل فبينما هو كذلك إذ أتاه ملك فيسلم عليه فيقول إن الله يقرؤك السلام ويقول لك سلني من جنتي منها مالو ورد عليكم أهل الدنيا من يوم خلقتهم إلى يوم بعثتهم وعشرة أضعافهم لأطعمتهم وسقيتهم ولكسوتهم ولأخدمتهم ولا ينقص ذلك من ملكي شيئا إني قادر أن أفعل ما أشاء إنما أمري إذا أردت شيئا أن أقول له كن فيكون.
দ্বাদশ হাদীস:
আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—মুচকি হাসিমুখে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, শায়খ আবু আবদুল্লাহ বিন আলী আল-খাইয়্যাত আল-মুকরি [৮/অ] মুচকি হাসিমুখে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আতা আল-হারাবি মুচকি হাসিমুখে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-হাফিয মুচকি হাসিমুখে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফজল আবদুস সামাদ বিন মুহাম্মদ আল-আসিমী মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ আস-সুলামী মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ বিন জাফর আর-রামলি মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাবিদ বিন মুসা মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন যারবি মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাবিত আল-বুনানি মুচকি হাসিমুখে আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: আনাস বিন মালিক মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসিমুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জিবরাঈল আলাইহিস সালাম মুচকি হাসিমুখে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বশেষ ব্যক্তি হবে এমন এক লোক, যাকে বলা হবে সিরাত পার হও। সে এক হাত দিয়ে ঝুলে থাকবে তো অন্য হাতটি ফসকে যাবে, এক পা দিয়ে ঝুলে থাকবে তো অন্য পাটি ফসকে যাবে, এক হাঁটু দিয়ে আঁকড়ে ধরবে তো অন্য হাঁটুটি ফসকে যাবে। আর জাহান্নামের আগুনের স্ফুলিঙ্গ তাকে স্পর্শ করবে এবং আগুনের শিখা তাকে দগ্ধ করবে। যখনই আগুনের কোনো শিখা তাকে স্পর্শ করবে, সে সেখানে হাত রাখবে এবং 'হাসান' (আফসোস) বলবে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর রহমতে সে সেখান থেকে বেরিয়ে আসবে। তখন তার সামনে একটি প্রাচীর তুলে ধরা হবে। সে বলবে, হে আমার রব! আপনি আপনার রহমতে আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন, এখন আপনার রহমতে আমাকে এই প্রাচীর পর্যন্ত পৌঁছে দিন যাতে আমি জাহান্নাম থেকে দূরে থাকতে পারি, কারণ আমি জাহান্নামীদের আর্তচিৎকার শুনতে পাচ্ছি। তখন একজন ফেরেশতা তার নিকট এসে বলবে, হে আদম সন্তান! সম্ভবত তুমি প্রাচীরের ওপারে যা আছে তাও চাইবে। সে বলবে, না। অতঃপর তাকে প্রাচীর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর তার সামনে একটি গাছ প্রকাশ করা হবে। সে বলবে, হে আমার রব! আপনি আপনার রহমতে আমাকে জাহান্নাম থেকে বের করেছেন এবং আপনার রহমতে প্রাচীর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন, এখন আপনার রহমতে আমাকে এই গাছটি পর্যন্ত পৌঁছে দিন যাতে আমি এর ছায়াতলে আশ্রয় নিতে পারি। তখন ফেরেশতা তার নিকট এসে বলবে, তুমি কি লজ্জিত নও? তুমি কি তোমার রবের সাথে অঙ্গীকার করোনি যে, প্রাচীরের ওপারে যা আছে তা চাইবে না? সম্ভবত তুমি গাছের ওপারে যা আছে তাও চাইবে। সে বলবে, না। এরপর তার জন্য জান্নাতের একটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। সে বলবে, হে আমার রব! আপনি আপনার রহমতে আমাকে জাহান্নাম থেকে বের করেছেন, আপনার রহমতে প্রাচীর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন এবং আপনার রহমতে গাছের ছায়া দান করেছেন; এখন আপনার রহমতে আমাকে জান্নাতের দরজার নিকটবর্তী করে দিন। তখন ফেরেশতা এসে বলবে, তুমি কি লজ্জিত নও? তুমি কি তোমার রবের সাথে অঙ্গীকার করোনি যে, গাছের ওপারে যা আছে তা চাইবে না? সম্ভবত তুমি দরজার ওপারে যা আছে তাও চাইবে। সে বলবে, না। সেই দরজার ডানে একটি ঝরণা এবং বামে একটি ঝরণা থাকবে। সে একটি ঝরণায় গোসল করবে, ফলে তার শরীরের দহন দূর হয়ে যাবে এবং তার গায়ের রং জান্নাতীদের রঙের মতো হয়ে যাবে। আর অন্য ঝরণাটি থেকে সে পান করবে, ফলে তার অন্তরে থাকা ঘৃণা, প্রতারণা বা হিংসা দূর হয়ে যাবে। ফেরেশতা তাকে বলবে, হে আদম সন্তান! তোমার রবের পক্ষ থেকে অনুমতি না আসা পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করো। সে বিষণ্ণ ও চিন্তিত হয়ে বসে থাকবে। তখন ফেরেশতা এসে তাকে বলবে, হে আল্লাহর ওলি! ওঠো, আল্লাহ তোমার জন্য কী প্রস্তুত করে রেখেছেন তা তোমাকে দেখাই। এরপর সে জান্নাতসমূহ, নদীসমূহ এবং গাছপালার মধ্য দিয়ে পাঁচশ বছরের পথ ভ্রমণ করবে। [৮/আ]
সেখানে থাকবে ফলমূল, তাবু এবং প্রাসাদ। পথিমধ্যে একজন ফেরেশতা তার সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে সালাম দিয়ে বলবে, হে আল্লাহর ওলি! আপনার ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক। সে বলবে, তুমি কে? আমি তোমার চেয়ে সুন্দর চেহারার কাউকে দেখিনি। সে বলবে, আমি তোমার কর্মচারীদের মধ্য থেকে একজন কর্মচারী মাত্র, আর আমার পরে যারা আছে তারা আমার চেয়েও উত্তম। এরপর তার সাথে অন্য একজন কর্মচারীর দেখা হবে যে প্রথমজনের চেয়েও বেশি সুন্দর। সে তাকে সালাম দিবে এবং সেও সালামের উত্তর দিবে। সে জিজ্ঞাসা করবে, তুমি কে? আমি তোমার চেয়ে সুন্দর কাউকে দেখিনি। সে বলবে, আমি তোমার কর্মচারীদের মধ্য থেকে একজন কর্মচারী মাত্র, আর আমার পরে যারা আছে তারা আমার চেয়েও উত্তম। এভাবে একের পর এক কর্মচারী তার সাথে দেখা করতে থাকবে যাদের সংখ্যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। শেষ পর্যন্ত একজন কর্মচারী তার সাথে দেখা করে সালাম দিবে কিন্তু সে কোনো কথা বলবে না, বরং সে হুরদের সুসংবাদ দেওয়ার জন্য ফিরে যাবে। আল্লাহ তাআলা যদি না বলতেন: "তাঁবুতে সীমাবদ্ধ হুরগণ" [সূরা আর-রহমান ৫৫, আয়াত ৭২], তবে তারা খুশিতে বেরিয়ে আসত। আর আল্লাহ যদি তাদের স্থির না রাখতেন, তবে তারা নিজেরাই বেরিয়ে আসত। এরপর সে জান্নাতের দরজায় পৌঁছাবে, যার ওপর জান্নাতের পোশাকের পর্দা থাকবে। আল্লাহ একটি বাতাস পাঠাবেন যা পর্দাগুলোকে ডানে ও বামে সরিয়ে দিবে, সেগুলোকে হাতে স্পর্শ করতে হবে না। এরপর তারা (হুরেরা) তার সাথে মুসাফাহা ও কোলাকুলি করবে। আনাস বিন মালিক বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তারা তার জন্য এমন পোশাক নিয়ে আসবে যার সামান্য অংশ যদি দুনিয়াবাসীদের জন্য আলোকিত হতো, তবে সূর্য ও চন্দ্রের আলো ম্লান হয়ে যেত। সে যখন তার সাথে পালঙ্কে হেলান দিয়ে বসে থাকবে, হঠাৎ উপর থেকে একটি নূর চমকে উঠবে এবং তাকে সম্বোধন করে বলবে, হে আল্লাহর ওলি! আমাদের সাথে কি আপনার সময় কাটানোর সুযোগ হবে না? সে বলবে, তুমি কে? সে বলবে, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "এবং আমার নিকট রয়েছে আরও অতিরিক্ত" [সূরা ক্বাফ ৫০, আয়াত ৩৫]। এরপর সে তার দিকে ফিরে যাবে এবং সেখানে এমন সৌন্দর্য ও পূর্ণতা দেখতে পাবে যা প্রথমজনের কাছে ছিল না। যখন সে তার সাথে পালঙ্কে হেলান দিয়ে থাকবে, তখন আবারও উপর থেকে একটি নূর চমকে উঠবে এবং তাকে সম্বোধন করে বলবে, হে আল্লাহর ওলি! আমাদের সাথে কি আপনার সময় কাটানোর সুযোগ হবে না? সে বলবে, তুমি কে? সে বলবে, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেছেন: "কোনো ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য তাদের চোখ জুড়ানো কী পুরস্কার লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কর্মের বিনিময়স্বরূপ" [সূরা আস-সাজদাহ ৩২, আয়াত ১৭]। এভাবে সে একের পর এক স্ত্রীর নিকট যেতে থাকবে যাদের সংখ্যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। সে যখন এই অবস্থায় থাকবে, তখন একজন ফেরেশতা এসে তাকে সালাম দিবে এবং বলবে, আল্লাহ আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলছেন: আমার জান্নাত থেকে যা ইচ্ছা চাও। সৃষ্টির প্রথম দিন থেকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত সমস্ত দুনিয়াবাসী এবং তাদের দশগুণ বেশি মানুষও যদি তোমার কাছে আসত, তবে আমি তাদের পানাহার করাতাম, পোশাক পরাতাম এবং সেবা দিতাম, তবুও তা আমার রাজত্বের কিছুই হ্রাস করত না। আমি যা ইচ্ছা তা করতে সক্ষম। আমার আদেশ তো কেবল এই যে, যখন আমি কোনো কিছুর ইচ্ছা করি, তখন তাকে বলি 'হও', আর তা হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
الحديث الثالث عشر:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، قال: أخبرنا إسماعيل بن أحمد السمرقندي، قال أخبرنا أبو محمد عبد الله بن عطاء الهروي، قال أخبرنا أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد بن إسحاق الثقفي، قال أخبرنا أبو محمد عبد الله بن أحمد بن محمد، قال أخبرنا أبو الحسن محمد بن [9/أ] الحسن بن أحمد بن إسماعيل السراج، قال أخبرنا أبو عمران موسى بن هارون، قال أخبرنا أبو الصلت بن مسعدة الجحدري، قال حدثنا أبو محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، قال حدثنا أيوب، عن محمد، عن أبي هريرة، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: اخْتَصَمَتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ ، فَقَالَتِ النَّارُ: يَدْخُلُنِي الْجَبَّارُونَ، وَالْمُتَكَبِّرُونَ، وَقَالَتِ الْجَنَّةُ: يَا رَبِّ مَا لِي يَدْخُلُنِي ضُعَفَاءُ النَّاسِ وَسَقَطُهُمْ، قَالَ: فَقَالَ لِلْجَنَّةِ: أَنْتِ رَحْمَتِي أُصِيبُ بِكِ مَنْ أَشَاءِ، وَقَالَ لِلنَّارِ: أَنْتِ عَذَابِي أُصِيبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ، وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مِلْؤُهَا. قَالَ: فَأَمَّا الْجَنَّةُ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يَظْلِمُ النَّاسَ شَيْئًا، وَيُنْشِئُ لَهَا مَنْ يَشَاءُ. قَالَ: وَأَمَّا النَّارُ فَيُلْقَى فِيهَا، فَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ، وَيُلْقَى فِيهَا، وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ، وَيُلْقَى فِيهَا، وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ، قَالَ: فَيَضَعُ قَدَمَهُ فِيهَا فَحِينَئِذٍ تَمْتَلِيءُ وَيَنْزَوِي بَعْضُهَا إِلَى بَعْضٍ، وَتَقُولُ: قَطْ قَطْ.قال الطنافسي: قال أيوب لما ذكر هذا الحديث: كذب به ناس، وقد سمعته من محمد، وسمعه محمد من أبي هريرة، وسمعه أبو هريرة من رسول الله صلى الله عليه وسلم، ما كذب أيوب على محمد، ولا كذب محمد على أبي هريرة، ولا كذب أبو هريرة على رسول الله صلى الله عليه وسلم.قال الطنافسي: وما كذبت أنا على أيوب، قال موسى: وما كذب الصلت على الطنافسي، وما كذبت أنا على الصلت، قال علي السراج: وما كذبت على موسى، قال أبو محمد: وما كذبت على أبي الحسن السراج الثقفي، وما كذبت على أبي محمد، قال ابن عطاء: وما كذبت أنا على أبي القاسم، قال إسماعيل: وما كذبت على عبد الله، قال شيخنا: وما وما كذبت على شيخنا إسماعيل.
ত্রয়োদশ হাদীস:আমাদের শাইখ (আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল বিন আহমাদ আস-সামারকান্দী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আতা আল-হারাউয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাসান মুহাম্মদ বিন [৯/ক] হাসান বিন আহমাদ বিন ইসমাঈল আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উমরান মুসা বিন হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুস সালত বিন মাসআদাহ আল-জাহদারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আত-তাফাউয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, আর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: জান্নাত ও জাহান্নাম বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল: "আমার মধ্যে প্রতাপশালী ও অহংকারীরা প্রবেশ করবে।" জান্নাত বলল: "হে প্রতিপালক, আমার কী হলো যে, আমার মধ্যে কেবল দুর্বল ও সাধারণ মানুষরাই প্রবেশ করছে?" তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ জান্নাতকে বললেন: "তুমি হলে আমার রহমত, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করি।" আর জাহান্নামকে বললেন: "তুমি হলে আমার আযাব, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করি। আর তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পূর্ণতা (পরিমাণ) নির্ধারিত রয়েছে।" তিনি বললেন: "জান্নাতের ব্যাপারে কথা হলো, আল্লাহ মানুষের প্রতি সামান্যতম যুলুম করবেন না, বরং তিনি এর জন্য যাকে ইচ্ছা সৃষ্টি করবেন।" তিনি বললেন: "আর জাহান্নামের ব্যাপারে কথা হলো, তাতে (পাপিষ্ঠদের) নিক্ষেপ করা হবে, তখন সে বলবে: 'আরো কি আছে?' তাতে আবার নিক্ষেপ করা হবে, সে বলবে: 'আরো কি আছে?' এবং তাতে আবারও নিক্ষেপ করা হবে, সে বলবে: 'আরো কি আছে?'" তিনি বললেন: "অতঃপর তিনি (আল্লাহ) তাতে তাঁর পা রাখবেন, তখন তা পূর্ণ হয়ে যাবে এবং এর এক অংশ অন্য অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে মিশে যাবে, আর সে বলবে: 'যথেষ্ট, যথেষ্ট'।"তানাফিসী বলেন: আইয়ুব যখন এই হাদীসটি উল্লেখ করলেন তখন বললেন: কিছু লোক একে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, অথচ আমি এটি মুহাম্মদ থেকে শুনেছি, মুহাম্মদ আবু হুরায়রা থেকে শুনেছেন এবং আবু হুরায়রা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছেন। আইয়ুব মুহাম্মদের ওপর মিথ্যা বলেননি, মুহাম্মদ আবু হুরায়রার ওপর মিথ্যা বলেননি এবং আবু হুরায়রা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাললায়ম)-এর ওপর মিথ্যা বলেননি।তানাফিসী বলেন: আর আমিও আইয়ুবের ওপর মিথ্যা বলিনি। মুসা বলেন: আস-সালত তানাফিসীর ওপর মিথ্যা বলেননি এবং আমি আস-সালতের ওপর মিথ্যা বলিনি। আলী আস-সাররাজ বলেন: আমি মুসার ওপর মিথ্যা বলিনি। আবু মুহাম্মদ বলেন: আমি আবুল হাসান আস-সাররাজ আস-সাকাফীর ওপর মিথ্যা বলিনি এবং আমি আবু মুহাম্মদের ওপর মিথ্যা বলিনি। ইবনে আতা বলেন: আমি আবুল কাসিমের ওপর মিথ্যা বলিনি। ইসমাঈল বলেন: আমি আব্দুল্লাহর ওপর মিথ্যা বলিনি। আমাদের শাইখ বলেন: আর আমিও আমাদের শাইখ ইসমাঈলের ওপর মিথ্যা বলিনি।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
الحديث الرابع عشر:شبك بيدي شيخنا أدام الله أيامه، قال: شبك بيدي أبوالفضل بن ناصر، قال: شبك بيدي أبو الغنائم بن النرسي، قال: شبك بيدي أبو عبد الله محمد بن علي العلوي، قال: شبك بيدي أبو الفضل محمد بن جعفر الخزاعي، قال: شبك بيدي أبوالحسين أحمد بن محمد بن إدريس، قال: شبك بيدي محمد بن سعد، قال: شبك بيدي محمد بن همام، قال: شبك بيدي عبد الكريم بن هشام، قال شبك بيدي إبراهيم بن أبي يحيى قال شبك بيدي صفوان بن سليم قال شبك بيدي أيوب بن خالد قال شبك بيدي أبو هريرة قال أبو هريرة شبك بيدي رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم وقال رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم: خلق الله آدم يوم الجمعة والأرض يوم السبت والجبال يوم الأحد والشجر يوم الاثنين والمكروه يوم الثلاثاء والنور يوم الأربعاء والبحار يوم الخميس.طريق آخر: [9/ب]حدثنا شيخنا وشبك بيدي، قال حدثني أبو أبو الفضل بن ناصر، وشبك بيدي، قال حدثني أبو الغنائم بن النرسي، وشبك بيدي، قال حدثني أبو عبد الله محمد بن علي، وشبك بيدي، قال حدثني القاضي أبو جعفر محمد بن عبد الله النيسابوري، وشبك بيدي، قال أخبرني أبو بكر محمد بن أحمد بن إسماعيل، وشبك بيدي، قال حدثني أبو الحسن علي بن محمد المحتسب، وشبك بيدي، قال حدثني أبو الحسن أحمد بن محمد العلوي، وشبك بيدي، قال حدثني أحمد بن محمد بن إبراهيم، وشبك بيدي، قال حدثني أبوالعباس أحمد بن نصر، وشبك بيدي، قال حدثني أبي، وشبك بيدي، قال حدثني أبي، وشبك بيدي، قال حدثني صفوان بن سليم،وشبك بيدي، عن عبد الله بن رافع قال وشبك بيدي، قال سمعت أبا هريرة يقول وشبك بيدي، قال سمعت رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم وشبك بيدي يقول: خلق الله الأرض يوم السبت والجبال يوم الأحد، والشجر يوم الاثنين والمكروه يوم الثلاثاء والنور يوم الأربعاء، والدواب يوم الخميس، وآدم صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة.طريق آخر:شبك بيدي شيخنا أدام الله أيامه، قال: شبك بيدي أبو الحسن علي بن أحمد الموجد، قال: شبك بيدي أبو المظفر هناد بن إبراهيم النسفي، قال: شبك بيدي أبو حامد أحمد بن علي بن الحسن المقرىء، قال: شبك بيدي عبد العزيز بن الحسن بن بكر بن الشرود، قال: شبك بيدي إبراهيم بن أبي يحيى، قال: شبك بيدي صفوان بن سليم، قال: شبك بيدي عبد الله بن رافع، قال: شبك بيدي أبو هريرة، قال: شبك بيدي أبو، قال: شبك بيدي أبو القاسم صلى الله عليه وسلم، وقال: خلق الله الأرض يوم السبت والجبال يوم الأحد، والشجر يوم الاثنين والمكروه يوم الثلاثاء والنور يوم الأربعاء، والدواب يوم الخميس، وآدم صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة.
চতুর্দশ হাদীস:আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর দিনসমূহকে দীর্ঘায়িত করুন—আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন (আঙ্গুলে আঙ্গুল মেলালেন), তিনি বললেন: আবুল ফজল ইবনে নাসির আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল গানাইম ইবনুল নারসি আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আলাওয়ী আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-খুজায়ী আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: মুহাম্মদ ইবনে সাদ আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: মুহাম্মদ ইবনে হাম্মাম আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আব্দুল কারীম ইবনে হিশাম আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: ইব্রাহিম ইবনে আবি ইয়াহইয়া আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: সাফওয়ান ইবনে সুলাইম আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আইয়ুব ইবনে খালিদ আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু হুরায়রা আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন। আবু হুরায়রা বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন এবং বললেন: আল্লাহ জুমার দিনে আদমকে সৃষ্টি করেছেন, শনিবার জমিন সৃষ্টি করেছেন, রবিবার পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেছেন, সোমবার গাছপালা সৃষ্টি করেছেন, মঙ্গলবার অমঙ্গল বা অনিষ্টকর বস্তুসমূহ সৃষ্টি করেছেন, বুধবার নূর বা আলো সৃষ্টি করেছেন এবং বৃহস্পতিবার সমুদ্রসমূহ সৃষ্টি করেছেন।অন্য সূত্র: [৯/খ]আমাদের শায়খ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল ফজল ইবনে নাসির আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল গানাইম ইবনুল নারসি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: কাজী আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নিশাপুরী আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইসমাইল আমাকে অবহিত করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহতাসিব আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আলাওয়ী আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে নাসর আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: সাফওয়ান ইবনে সুলাইম আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে রাফে থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বললেন: এবং তিনি আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি এবং তিনি আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি এবং তিনি আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বলছিলেন: আল্লাহ শনিবার জমিন সৃষ্টি করেছেন, রবিবার পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেছেন, সোমবার গাছপালা সৃষ্টি করেছেন, মঙ্গলবার অমঙ্গল বা অনিষ্টকর বস্তুসমূহ সৃষ্টি করেছেন, বুধবার নূর বা আলো সৃষ্টি করেছেন, বৃহস্পতিবার জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন এবং জুমার দিনে আদম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সৃষ্টি করেছেন।অন্য সূত্র:আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর দিনসমূহকে দীর্ঘায়িত করুন—আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ আল-মুজিদ আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু মুজাফফর হান্নাদ ইবনে ইব্রাহিম আন-নাসাফি আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু হামিদ আহমদ ইবনে আলী ইবনুল হাসান আল-মুকরী আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আব্দুল আজিজ ইবনুল হাসান ইবনে বকর ইবনে শারুদ আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: ইব্রাহিম ইবনে আবি ইয়াহইয়া আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: সাফওয়ান ইবনে সুলাইম আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আব্দুল্লাহ ইবনে রাফে আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু হুরায়রা আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবু আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন, তিনি বললেন: আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাতের সাথে তাঁর হাত মেলালেন এবং বললেন: আল্লাহ শনিবার জমিন সৃষ্টি করেছেন, রবিবার পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেছেন, সোমবার গাছপালা সৃষ্টি করেছেন, মঙ্গলবার অমঙ্গল বা অনিষ্টকর বস্তুসমূহ সৃষ্টি করেছেন, বুধবার নূর বা আলো সৃষ্টি করেছেন, বৃহস্পতিবার জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন এবং জুমার দিনে আদম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সৃষ্টি করেছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
الحديث الخامس عشر:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، وأخذ بيدي قال: أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن أحمد، وأخذ بيدي قال: أخبرنا عبد الله بن عطاء [10/أ]، وأخذ بيدي قال: أخبرنا عبد الرحمن بن عبد الله العبدي، وأخذ بيدي قال: أخبرنا محمد بن علي بن خنيس، وأخذ بيدي قال: حدثنا أبو زرعة أحمد بن الحسين بن علي الرازي، وأخذ بيدي قال: حدثنا محمد بن ناصر، وأخذ بيدي، قال: حدثنا أبو الغنائم بن النرسي وأخذ بيدي، قال: حدثنا أبو عبد الله محمد بن علي العلوي وأخذ بيدي، قال: حدثنا علي بن يعقوب وأخذ بيدي، قال: حدثني إبراهيم بن أحمد المسبقي وأخذ بيدي، قال: حدثني وأخذ بيدي محمد بن المصفى وأخذ بيدي، قال: حدثنا بقية بن الوليد وأخذ بيدي، قال: حدثني محمد بن زياد البكائي وأخذ بيدي، قال: حدثني أبو راشد الحبراني وأخذ بيدي، قال: حدثني أبو أمامة وأخذ بيدي، قال: حدثني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأخذ بيدي فقال: يا أبا أمامة إن في المؤمنين من تلين له قلبي.
পঞ্চদশ হাদিস:আমাদের শাইখ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইসমাইল বিন আহমদ এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আতা [১০/ক]এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আল-আবদি এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন খুনায়েস এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জুরআ আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-রাজি এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন নাসির এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আল-গনায়েম বিন আন-নারসি এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী আল-আলাওয়ী এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন ইয়াকুব এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আহমদ আল-মুসবিকি এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন এবং আমার হাত ধরলেন মুহাম্মদ বিন আল-মুসাফ্ফা এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জিয়াদ আল-বুকাই এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু রাশিদ আল-হিবরানি এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উমামাহ এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাত ধরলেন ও বললেন: হে আবু উমামাহ! নিশ্চয়ই মুমিনদের মধ্যে এমন কেউ আছে যার প্রতি আমার অন্তর কোমল হয়।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
الحديث السادس عشر:أخبرنا شيخنا، وعد من في يدي، قال حدثنا أبو عبد الله الحسين بن علي الخياط، وعد من في يدي، قال حدثنا أبو محمد عبد الله بن عطاء، وعد من في يدي، قال حدثنا أبو سعد الحسن بن محمد بن عبد الله، وعد من في يدي، قال حدثنا محمد بن عمر بن سلم الجعابي، وعد من في يدي، قال حدثنا حرب بن الحسن الطحان، وعد من في يدي، قال حدثنا يحيى بن مساور، وعد من في يدي، قال حدثنا عمرو بن خالد، وعد من في يدي، قال حدثنا زيد بن علي بن حسن، وعد من في يدي، قال حدثنا علي بن حسن، وعد من في يدي، قال حدثنا أبي حسن بن علي، وعد من في يدي، قال حدثنا علي بن أبي طالب، قال عد من في يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: عد من في يدي جبريل عليه السلام، قال: هكذا نزلت بهن من عند العرش اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ [10/ب]وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ.طريق [آخر] :أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، وعد من في يده خمسًا، قال: أخبرنا محمد بن ناصر، وعد من في يده خمسًا، قال: أخبرنا أبو الغنائم محمد علي النرسي، وعد من في يده خمسًا، قال: أخبرنا أبو عبد الله محمد بن علي العلوي، وعد من في يده خمسًا، قال: حدثنا القاضي محمد بن عبد الله الجعفي، وعد من في يده خمسًا، قال: أخبرنا، وعد من في يده خمسًا، قال: أخبرنا أبو الحسين محمد بن أحمد بن مخزوم، وعد من في يده خمسًا، قال: حدثني علي بن الحسن السواق، وعد من في يده خمسًا، قال: حدثني حرب بن حسن الطحان، وعد من في يده خمسًا، فذكر الحديث، إلا أنه قال، مكان قوله وبارك: وتحنن على محمد وعلى آل محمد كما تحننت على إبراهيم، وعلى إبراهيم إنك حميد مجيد.طريق آخر:أخبرنا شيخنا، قال أخبرنا علي بن يحيى، وعد من في يده، قال أخبرنا أبو بكر محمد بن عبد الباقي، وعد من في يده، قال أخبرنا هناد بن إبراهيم بن نصر النسفي، وعد من في يده، قال أخبرنا أبو الحسن علي بن أحمد بن محمد الوراق الرزاز، وعد من في يده، قال حدثنا جعفر بن محمد بن نصير الخواص، وعد من في يده، قال حدثنا علي بن أحمد بن الحسن العجلي، وعد من في يده، قال حدثنا أحمد بن الحسن، وعد من في يده، قال حدثنا يحيى بن مساور، وعد من في يده، قال حدثنا زيد بن علي، وعد من في يده، قال حدثني أبي علي بن الحسين، وعد من في يده، قال حدثني الحسين بن علي، وعد من في يده، قال حدثني أبي علي بن أبي طالب، وعد من في يده، قال حدثني رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعد من في يده، قال حدثني جبريل عليه السلام، وعد من في يده، قال جبريل: أنزلت من عند رب العزة: اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ [11/ أ]وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ.
ষোড়শ হাদিস:আমাদের শায়খ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী আল-খাইয়াত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবু সাদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন উমর বিন সালম আল-জাআবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, হারব বিন আল-হাসান আত-তাহহান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, ইয়াহইয়া বিন মুসাব্বির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আমর বিন খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, যাইদ বিন আলী বিন হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আলী বিন হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আমার পিতা হাসান বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আলী বিন আবি তালিব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি (রাসূলুল্লাহ) বলেন: জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আমার হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন এবং বলেছেন: এভাবেই আরশের নিকট হতে এগুলো অবতীর্ণ হয়েছে: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইব্রাহিমের ওপর [১০/খ]এবং ইব্রাহিমের বংশধরের ওপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের বংশধরের ওপর বরকত নাযিল করুন, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইব্রাহিমের ওপর এবং ইব্রাহিমের বংশধরের ওপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।অন্য একটি সূত্র:আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর হায়াত দীর্ঘায়িত করুন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন নাসির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু আল-গানাইম মুহাম্মদ আলী আন-নারসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী আল-আলাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: কাজী মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মাখজুম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: আলী বিন আল-হাসান আস-সাউয়াক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; তিনি বলেন: হারব বিন হাসান আত-তাহহান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের পাঁচটি আঙ্গুল গণনা করেছেন; অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন, তবে তিনি 'বরকত নাযিল করুন' এর স্থলে বলেছেন: এবং মুহাম্মদের ওপর ও মুহাম্মদের বংশধরের ওপর মমতা প্রদর্শন করুন যেমন আপনি মমতা প্রদর্শন করেছেন ইব্রাহিমের ওপর এবং ইব্রাহিমের ওপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।অন্য আরেকটি সূত্র:আমাদের শায়খ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আলী বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, হান্নাদ বিন ইব্রাহিম বিন নাসর আন-নাসাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবু আল-হাসান আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক আর-রাজজাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নুসায়ের আল-খাওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আলী বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-ইজলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আহমদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, ইয়াহইয়া বিন মুসাব্বির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, যাইদ বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আমার পিতা আলী বিন আল-হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, হুসাইন বিন আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আমার পিতা আলী বিন আবি তালিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; তিনি বলেন, জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো গণনা করেছেন; জিবরাঈল বললেন: মহিমান্বিত প্রতিপালকের নিকট হতে এগুলো অবতীর্ণ হয়েছে: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইব্রাহিমের ওপর এবং ইব্রাহিমের বংশধরের ওপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের বংশধরের ওপর বরকত নাযিল করুন, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইব্রাহিমের ওপর [১১/ ক]এবং ইব্রাহিমের বংশধরের ওপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
الحديث السابع عشر:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، قال أخبرنا محمد بن ناصر الحافظ، قال أخبرنا أبو الغنائم بن النرسي، قال أخبرنا أبو عبد الله محمد بن علي العلوي، قال حدثنا أبو الفضل محمد بن جعفر الخزاعي، قال حدثني أبو العباس الحسن بن سعيد المقرىء، قال حدثنا أبو غانم محمد بن محمد بن زكريا، حَدَّثَنَا محمد بن كامل، حَدَّثَنَا أبان العطار عن ثابت البناني عن أنس بن مالك قال صافحت رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم فلم أر خزا ولا قزا كان ألين من كف رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم قال ثابت أنا صافحت أنس ابن مالك قال أبان أنا صافحت ثابت البناني قال محمد بن كامل أنا صافحت أبان العطار قال أبو غانم أنا صافحت محمد بن كامل قال الحسن بن سعيد أنا صافحت أبا غانم قال أبو الفضل أنا صافحت أبا العباس المقرىء، قال أبو عبد الله العلوي: وأنا صافحت الخزاعي، قال أبو الغنائم: وأنا صافحت ابن ناصر، وصافحنا شيخنا أدام الله أيامه.
সপ্তদশ হাদীস:আমাদের শাইখ—আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, হাফিজ মুহাম্মদ বিন নাসির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল গানায়েম বিন আল-নারসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী আল-আলাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন জাফর আল-খুজাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল আব্বাস আল-হাসান বিন সাঈদ আল-মুকরি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু গানেম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন জাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন কামিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবান আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবেত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুসাফাহা করেছি; আমি এমন কোনো রেশম বা মিহি বস্ত্র দেখিনি যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালু অপেক্ষা অধিক নরম ছিল। সাবেত বলেন: আমি আনাস বিন মালিকের সাথে মুসাফাহা করেছি। আবান বলেন: আমি সাবেত আল-বুনানির সাথে মুসাফাহা করেছি। মুহাম্মদ বিন কামিল বলেন: আমি আবান আল-আত্তারের সাথে মুসাফাহা করেছি। আবু গানেম বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন কামিলের সাথে মুসাফাহা করেছি। হাসান বিন সাঈদ বলেন: আমি আবু গানেমের সাথে মুসাফাহা করেছি। আবু আল-ফজল বলেন: আমি আবুল আব্বাস আল-মুকরির সাথে মুসাফাহা করেছি। আবু আব্দুল্লাহ আল-আলাওয়ী বলেন: আর আমি আল-খুজাঈর সাথে মুসাফাহা করেছি। আবুল গানায়েম বলেন: আর আমি ইবনে নাসিরের সাথে মুসাফাহা করেছি। আর আমরা আমাদের শাইখের সাথে মুসাফাহা করেছি—আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
الحديث الثامن عشر:قال شيخنا أدام الله أيامه، أخبرنا أبو عبد الله الحسين بن علي المقرىء، قال أخبرنا أبو محمد عبد الله بن عطاء الهروي، قال أخبرنا أبو أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد بن إسحاق الحافظ، قال أخبرنا الحسن بن محمد بن عبد الله بن حسنويه، قال حدثنا أبو بكر الجعابي، قال حدثني عبد الله بن بشر بن صالح، قال حدثنا إبراهيم بن سعيد الجوهري، قال قدم الرشيد مكة عند الإسطوانة الحمراء، ثم قال للفضل بن الربيع: بلغني أن حسين بن علي الجعفي حاج، فانظر أين هو حتى آتيه، فقال رجل: ذاك يصلي عند المقام، قال الفضل: أنا آتيك به يا أمير المؤمنين، فإنه أحق أن يأتيك، فجاء الفضل، فوقف عليه وهو يصلي، فقال له: إن أمير المؤمنين علي إتيانك، فسلم الحسين بن علي، ثم قال: حق علي أن آتيه … [11/ب]قال أخذ علقمة بيدي فقال أخذ عبد الله بن مسعود بيدي قال أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدي فعلمني التشهد التحيات لله والصلوات الطيبات السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهدأن لاإله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله.فقال معروف: أخذ الحسن بن الحر بيدك؟ قال: نعم، قال: فناولني يدك كما أخد بيدك، قال: فأخذ يده في يده، ثم قال: أخذ الحسن بن الحر بيدي هكذا.قال إبراهيم بن سعيد: أخذ الحسن بن علي الجعفي بيدي، قال عبد الله بن بشر: أخذ إبراهيم بيدي، قال أبو بكر الجعابي أخذ عبد الله بيدي، قال ابن حسنويه: أخذ الجعابي بيدي قال أبو القاسم: أخذ الحافظ ابن حسنويه بيدي، قال ابن عطاء: أخذ أبو القاسم بيدي، قال أبو عبد الله المقرىء: أخذ بيدي ابن عطاء، قال الشيخ: أخذ أبو عبد الله المقرىء بيدي، وأخذ شيخنا بيدي.
আঠারোতম হাদিস:আমাদের শায়খ (আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন) বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী আল-মুকরি, তিনি বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আতা আল-হারাউয়ি, তিনি বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-হাফিয, তিনি বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন হাসানওয়াইহ, তিনি বলেছেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-জাআবি, তিনি বলেছেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন বিশর বিন সালিহ, তিনি বলেছেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন সাঈদ আল-জাওহারি, তিনি বলেছেন: আল-রশীদ মক্কায় লাল স্তম্ভের নিকট আসলেন, অতঃপর তিনি ফজল বিন আর-রাবিকে বললেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে হুসাইন বিন আলী আল-জুফি হজ্জ পালন করছেন, সুতরাং দেখো তিনি কোথায় যাতে আমি তাঁর নিকট যেতে পারি। তখন এক ব্যক্তি বলল: তিনি মাকামের নিকট সালাত আদায় করছেন। ফজল বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন, আমি তাকে আপনার নিকট নিয়ে আসছি, কারণ আপনার নিকট আসা তাঁরই বেশি কর্তব্য। অতঃপর ফজল আসলেন এবং তিনি সালাত আদায় করা অবস্থায় তাঁর নিকট দাঁড়ালেন। তিনি তাঁকে বললেন: আমিরুল মুমিনিন আপনার নিকট আসতে চান। তখন হুসাইন বিন আলী সালাম ফেরালেন, অতঃপর বললেন: তাঁর নিকট যাওয়া আমারই কর্তব্য … [১১/খ]তিনি বললেন, আলকামা আমার হাত ধরলেন এবং বললেন, আবদুল্লাহ বিন মাসউদ আমার হাত ধরলেন এবং বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিলেন: "সমস্ত মৌখিক ইবাদত আল্লাহর জন্য, সমস্ত শারীরিক ইবাদত ও সমস্ত আর্থিক ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী, আপনার উপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।"অতঃপর মা'রুফ বললেন: হাসান বিন আল-হুর কি আপনার হাত ধরেছিলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তবে আপনার হাতটি আমাকে দিন যেভাবে তিনি আপনার হাত ধরেছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি তাঁর হাতটি নিজের হাতের মধ্যে নিলেন এবং বললেন: হাসান বিন আল-হুর আমার হাত এভাবে ধরেছিলেন।ইবরাহিম বিন সাঈদ বলেন: হাসান বিন আলী আল-জুফি আমার হাত ধরেছিলেন। আবদুল্লাহ বিন বিশর বলেন: ইবরাহিম আমার হাত ধরেছিলেন। আবু বকর আল-জাআবি বলেন: আবদুল্লাহ আমার হাত ধরেছিলেন। ইবনে হাসানওয়াইহ বলেন: আল-জাআবি আমার হাত ধরেছিলেন। আবু আল-কাসিম বলেন: হাফিয ইবনে হাসানওয়াইহ আমার হাত ধরেছিলেন। ইবনে আতা বলেন: আবু আল-কাসিম আমার হাত ধরেছিলেন। আবু আবদুল্লাহ আল-মুকরি বলেন: ইবনে আতা আমার হাত ধরেছিলেন। শায়খ বলেন: আবু আবদুল্লাহ আল-মুকরি আমার হাত ধরেছিলেন এবং আমাদের শায়খ আমার হাত ধরেছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الحديث التاسع عشر:قرأت على شيخنا أدام الله أيامه: أعوذ بالله السميع العليم، فقال لي: قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، فإني قرأت على محمد بن عبد الله بن بسطام أعوذ بالله السميع العليم، فقال لي: قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، فإني قرأت على محمد بن عبد الباقي أعوذ بالله السميع العليم، فقال لي: قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، فإني قرأت على هناد بن إبراهيم النسفي أعوذ بالله السميع العليم، فقال لي: قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، فإني قرأت على محمود بن المثنى بن المغيرة أعوذ بالله السميع العليم، فقال لي: قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، فإني قرأت على عصمة بن محمد بن أحمد أعوذ بالله السميع العليم، فقال لي: قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، فإني قرأت على عبد الله بن عجلان المقرىء أعوذ بالله السميع العليم، فقال لي: قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، فإني قرأت على أبي عُثْمَان إِسْمَاعِيل ابْن إِبْرَاهِيم الْأَهْوَازِي فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَإِنِّي قَرَأت عَلَى مُحَمَّد بن عبد الله بن بسطَام قَالَ فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَإِنِّي قَرَأت عَلَى روح بن عبد الْمُؤمن فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَإِنِّي [12/أ]قَرَأت عَلَى يعقوب الحضرمي فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَإِنِّي قَرَأت عَلَى سَلام أبي الْمُنْذر فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَإِنِّي قَرَأت عَلَى عَاصِم فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَإِنِّي قَرَأت عَلَى زر بن حُبَيْش فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَأَنِّي قَرَأت عَلَى عبد الله بن مَسْعُود فَقلت أعوذ بالسميع الْعَلِيم فَقَالَ لي قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم فَأَنِّي قَرَأت عَلَى رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ فَقلت أعوذ بِالسَّمْعِ الْعَلِيم فَقَالَ لي يَا بن أم عبد قل أعوذ بِاللَّه من الشَّيْطَان الرَّجِيم، ثم قال جبريل: أخذت عن ميكائيل.
উনবিংশ হাদিস:আমি আমাদের শাইখের নিকট পাঠ করলাম—আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন: আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাস্তামের নিকট পাঠ করেছি: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকীর নিকট পাঠ করেছি: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি হান্নাদ বিন ইবরাহীম আন-নাসাফীর নিকট পাঠ করেছি: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি মাহমুদ বিন আল-মুসান্না বিন আল-মুগীরাহর নিকট পাঠ করেছি: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি ইসমা বিন মুহাম্মদ বিন আহমদের নিকট পাঠ করেছি: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি আব্দুল্লাহ বিন আজলান আল-মুিকরীর নিকট পাঠ করেছি: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি আবু উসমান ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম আল-আহওয়াযীর নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাস্তামের নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি রাওহ বিন আব্দুল মুমিনের নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি [১২/অ]ইয়াকুব আল-হাদরামীর নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি সালাম আবু আল-মুনযিরের নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি আসিমের নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি যির বিন হুবাইশের নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদের নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: বলো, "আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পাঠ করেছি, আমি বললাম: "আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি", তখন তিনি আমাকে বললেন: "হে ইবনে উম্মে আবদ! বলো, আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" অতঃপর জিবরাঈল বললেন: আমি মিকাঈল থেকে এটি গ্রহণ করেছি।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
الحديث العشرون:قرأت على شيخنا أدام الله أيامه خمس آيات، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على أبي الفضل محمد بن ناصر خمس آيات، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على أبي الغنائم بن النرسي خمس آيات، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على أبي عبد الله محمد بن علي العلوي خمس آيات، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على إسحاق بن إبراهيم بن أحمد الطبري خمس آيات، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على أبي بكر أحمد بن عبد الرحمن العجلي خمس آيات، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على أبي علي الحسن بن عبد الله، صاحب الكسائي خمسًا، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على محمد بن عبد النور الخزاز خمسًا هكذا أنزل، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على الحسين الجعفي خمسًا، فقال لي: حسبك هكذا أنزل، فإني قرأت على حمزة الزيات خمسًا هكذا أنزل، فقال لي: حسبك، فإني قرأت على الأعمش خمسًا، فقال لي: حسبك هكذا أنزل، فإني قرأت على أبي العالية الرياحي خمسًا، فقال لي: حسبك هكذا أنزل، فإني قرأت على ابن عباس خمسًا، فقال لي: حسبك هكذا أنزل، فإني قرأت على النبي صلى الله عليه وسلم خمسًا، فقال لي: حسبك، أنزل خمسًا. [12/ب] .قال أبو بكر بن ثابت: أخبرنا عُبَيد الله بن محمد بن أحمد بن لؤلؤ السمسار، حَدَّثَنا محمد بن إسماعيل الوراق إملاء، قَال: حَدَّثنِي أبو علي الحسن بن أحمد بن الحسن الصيدلاني، قَال: حَدَّثنِي أبو الفضل بزيع بن عُبَيد بن بزيغ البزاز المقرئ قال قرأت على سليمان بن موسى الخمري فأخذ على خمسا يعقدها بيده ثم قال لي حسبك فقلت زدني فقال لي قرأت على سليم بن عيسى فأخذ على خمسا ثم قال لي حسبك فقلت زدني فقال لي قرأت على حمزة بن حبيب الزيات فأخذ على خمسا فقال لي حسبك فقلت زدني فقال لي قرأت على سليمان بن مهران الأعمش فأخذ على خمسا ثم قال لي حسبك فقلت زدني فقال لي قرأت على يَحْيَى بن وثاب فأخذ على خمسا ثم قال لي حسبك فقلت زدني فقال إني قرأت على أبي عبد الرحمن السلمي فأخذ على خمسا ثم قال لي حسبك فقلت زدني فقال لي قرأت على أمير المؤمنين علي بن أبي طالب فأخذ على خمسا ثم قال لي حسبك فقلت يا أمير المؤمنين زدني فقال لي حسبك هكذا أنزل القرآن خمسا خمسا ومن حفظه خمسا خمسا لم ينسه الا سورة الأنعام فانها نزلت جملة في ألف يشيعها من كل سماء سبعون ملكا حتى أدوها إلى النبي صلى الله عليه وسلم ما قرئت على عليل قط الا شفاه الله عز وجل.طريق آخر:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، قال: أخبرنا علي بن يحيى، أخبرنا محمد بن عبد الباقي البزاز، قال: أخبرنا هناد بن إبراهيم النسفي، قال: أخبرنا رافع بن محمد، قال: حدثنا أبو الحسن بن أجيد، قال: حدثنا أحمد بن عطاء أبو عبد الله المقرىء، قال: حدثنا محمد بن الحسين القنطري، قال: حدثنا أبو عبد الله بن محمد بن عبد النور، قال: قرأت على عبيد الله بن موسى خمسًا، فقال حسبك، هكذا أنزل فإني قَرَأْتُ عَلَى حَمْزَةَ الزَّيَّاتِ خَمْسًا، فَقَالَ: حَسْبُكَ، هكذا أنزل قَالَ حمزة: قَرَأْتُ عَلَى الأَعْمَشِ خَمْسًا، فَقَالَ لِي: حَسْبُكَ هكذا أنزل، قال الأعمش: وقرأت على أبي العالية خَمْسًا، فَقَالَ لِي: حَسْبُكَ هكذا أنزل، قال أبو العالية قرأت على أبي بن كعب خَمْسًا، فَقَالَ لِي: حَسْبُكَ هكذا أنزل، قال أبي: قرأت على رسول الله صلى الله عليه وسلم خَمْسًا، فَقَالَ لِي: حَسْبُكَ هكذا أنزل خَمْسًا خَمْسًا.
বিংশতম হাদিস:আমি আমাদের শাইখ—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী করুন—এর নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করলাম। তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট; কারণ আমি আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন নাসিরের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি আবুল গানাইম বিন আল-নারসির নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী আল-আলাউয়ীর নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন আহমদ আল-তাবারির নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি আবু বকর আহমদ বিন আব্দুর রহমান আল-আজলির নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি কিসাঈর সঙ্গী আবু আলী আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহর নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুন নূর আল-খাজ্জাযের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি বলেছিলেন: এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট; কারণ আমি হুসাইন আল-জু’ফীর নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। আমি হামযাহ আল-যাইয়্যাতের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি বলেছিলেন: এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট; কারণ আমি আ’মাশের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। আমি আবুল আলিয়া আল-রিয়াহীর নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। আমি ইবনে আব্বাসের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছিলাম, তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য যথেষ্ট, পাঁচটি করেই অবতীর্ণ হয়েছে। [১২/খ] ।আবু বকর বিন সাবিত বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন লুলু আল-সিমসার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ওয়াররাক ইমলা হিসেবে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-সাইদালানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল বাযী’ বিন উবায়েদ বিন বাযী’ আল-বাযযায আল-মুকরি। তিনি বলেন: আমি সুলাইমান বিন মুসা আল-খুমারীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট থেকে নিজের হাত দিয়ে গণনা করে পাঁচটি আয়াত গ্রহণ করেছেন। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি বললাম: আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি সুলাইম বিন ঈসার নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট থেকে পাঁচটি গ্রহণ করেছেন, অতঃপর বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি বললাম: আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি হামযাহ বিন হাবিব আল-যাইয়্যাতের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট থেকে পাঁচটি গ্রহণ করেছেন এবং বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি বললাম: আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি সুলাইমান বিন মিহরান আল-আ’মাশের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট থেকে পাঁচটি গ্রহণ করেছেন, অতঃপর বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি বললাম: আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি ইয়াহইয়া বিন ওয়াষষাবের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট থেকে পাঁচটি গ্রহণ করেছেন, অতঃপর বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি বললাম: আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি আবু আব্দুর রহমান আল-সুলামীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট থেকে পাঁচটি গ্রহণ করেছেন, অতঃপর বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি বললাম: আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি আমিরুল মুমিনীন আলী বিন আবি তালিবের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট থেকে পাঁচটি গ্রহণ করেছেন, অতঃপর বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমি বললাম: হে আমিরুল মুমিনীন, আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট, এভাবেই কুরআন পাঁচটি পাঁচটি করে অবতীর্ণ হয়েছে। আর যে ব্যক্তি এটি পাঁচটি পাঁচটি করে মুখস্থ করবে সে তা ভুলবে না, কেবল সূরা আল-আনআম ব্যতীত; কেননা তা একবারে পূর্ণাঙ্গভাবে অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিটি আকাশ থেকে এক হাজার ফেরেশতার সাথে আরও সত্তর জন ফেরেশতা একে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পৌঁছানো পর্যন্ত অনুসরণ করেছিলেন। এটি কোনো অসুস্থ ব্যক্তির ওপর পাঠ করা হলে আল্লাহ তাআলা তাকে অবশ্যই সুস্থতা দান করেন।অন্য পথ:আমাদের শাইখ—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী করুন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন ইয়াহইয়া, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-বাযযায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হান্নাদ বিন ইব্রাহিম আল-নাসাফী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাফি’ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান বিন আজীদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আতা আবু আব্দুল্লাহ আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-কানতারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুন নূর। তিনি বলেন: আমি উবায়দুল্লাহ বিন মুসার নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছি, তিনি বললেন: তোমার জন্য যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। কারণ আমি হামযাহ আল-যাইয়্যাতের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছি, তিনি বলেছেন: তোমার জন্য যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। হামযাহ বলেন: আমি আ’মাশের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছি, তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। আ’মাশ বলেন: আমি আবুল আলিয়ার নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছি, তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। আবুল আলিয়া বলেন: আমি উবাই বিন কাবের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছি, তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য যথেষ্ট, এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। উবাই বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঁচটি আয়াত পাঠ করেছি, তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য যথেষ্ট, এভাবেই পাঁচটি পাঁচটি করে অবতীর্ণ হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
الحديث الحادي والعشرون:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، قال: أخبرنا محمد بن ناصر الحافظ، قال: أخبرنا محمد بن علي، قال أخبرنا أبو عبد الله محمد بن علي العلوي، قال أخبرنا عبد الله بن أبي [13/أ]سفيان القرشي، قال أخبرنا إبراهيم بن عمرو السكسكي، قال حدثنا محمد بن شعيب بن شابور، قال حدثني عثمان بن أبي العاتكة الهلالي، عن علي بن يزيد أنه أخبره أن أبا عبد الرحمن القاسم بن عبد الرحمن، أخبره، عن أبي أمامة الباهلي، أنه سمع علي بن أبي طالب يقول: ما أراني رجلا ترك عقلة الإسلام، وولد في الإسلام يبيت ليلة حتى يقرأ هذه الآية < الله لاإله إلا هو الحي القيوم > إلى آخرها، ثم قال: لو تعلمون ما فيها لما تركتموها على حال، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبرني، قال: أعطيت آية الكرسي من تحت العرش، ولم يؤتها نبي كان قبلي.قال علي، رضي الله عنه: فما بت ليلة قط منذ سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أقرأنيها، ولا تركتها منذ سمعت هذا من نبيكم صلى الله عليه وسلم، قال أبو أمامة: والله ما تركت قرائتها منذ سمعت هذا من علي بن أبي طالب، قال القاسم: والله ما تركت قرائتها في كل ليلة منذ سمعت هذا من أبي أمامة، بفضلها حتى الأن، قال علي بن زيد: وأخبرك أني ما تركت قرائتها في كل ليلة منذ بلغني فضل قرائتها، قال ابن شابور: وأنا ما تركت قرائتها في كل ليلة منذ بلغني هذا الحديث في فضل قرائتها، قال إبراهيم: وأنا فما تركت قرائتها منذ بلغني هذا الحديث، قال عبد الله بن أبي سفيان: وأنا فما تركت قرائتها منذ كتبت هذا الحديث في فضل قرائتها، قال أبو الفضل: وأنا بحمد الله فما تركت قرائتها منذ كتبت هذا الحديث، قال أبو عبد الله وما تركت قرائتها في كل ليلة قبل المنام، وفي دبر كل صلاة مفروضة منذ بلغني فضل قرائتها، قال أبو الغنائم: وما تركت قرائتها منذ كتبت هذا الحديث، قال أبو الفضل: وما تركت قرائتها منذ بلغني هذا الحديث، اقرأها بعد كل صلاة، قال الشيخ: وأنا تركت قرائتها عقيب الصلوات منذ بلغني هذا الحديث.
একুশতম হাদিস:আমাদের শাইখ (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন নাসির আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আলী আল-আলাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আবু [১৩/আ]সুফিয়ান আল-কুরাশী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন আমর আস-সাকসাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন শুআইব বিন শাবুর আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান বিন আবিল আতিকা আল-হিলালী আলী বিন ইয়াযীদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আবদুর রহমান আল-কাসিম বিন আবদুর রহমান তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু উমামাহ আল-বাহিলী থেকে যে, তিনি আলী বিন আবু তালিবকে বলতে শুনেছেন: আমি এমন কোনো ব্যক্তিকে দেখি না যে ইসলামের জ্ঞান রাখে এবং ইসলামে জন্মগ্রহণ করেছে, সে এই আয়াতটি—অর্থাৎ ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়ুল কাইয়ুম’ শেষ পর্যন্ত—পাঠ না করে কোনো রাত অতিবাহিত করবে। অতঃপর তিনি বললেন: তোমরা যদি জানতে এতে কী আছে, তবে তোমরা কোনো অবস্থাতেই এটি বর্জন করতে না। নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: “আমাকে আরশের নিচ থেকে আয়াতুল কুরসি দান করা হয়েছে, যা আমার পূর্ববর্তী কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি।”আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে এটি শোনার পর থেকে এমন কোনো রাত কাটেনি যাতে আমি এটি পাঠ করিনি, এবং আপনাদের নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিকট থেকে এটি শোনার পর থেকে আমি কখনো এটি বর্জন করিনি। আবু উমামাহ বলেন: আল্লাহর কসম, আলী বিন আবু তালিবের নিকট থেকে এটি শোনার পর থেকে আমি কখনো এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। কাসিম বলেন: আল্লাহর কসম, আবু উমামাহর নিকট থেকে এর ফজিলত শোনার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমি প্রতি রাতে এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। আলী বিন যায়েদ বলেন: আমি আপনাকে সংবাদ দিচ্ছি যে, এর তিলাওয়াতের ফজিলত আমার নিকট পৌঁছানোর পর থেকে আমি প্রতি রাতে এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। ইবনে শাবুর বলেন: এই ফজিলত সম্পর্কে এই হাদিসটি আমার নিকট পৌঁছানোর পর থেকে আমি প্রতি রাতে এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। ইবরাহিম বলেন: এই হাদিসটি আমার নিকট পৌঁছানোর পর থেকে আমিও এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। আবদুল্লাহ বিন আবু সুফিয়ান বলেন: এই ফজিলত সংক্রান্ত হাদিসটি লিপিবদ্ধ করার পর থেকে আমিও এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। আবু ফজল বলেন: আল্লাহর প্রশংসায়, এই হাদিসটি লিপিবদ্ধ করার পর থেকে আমিও এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। আবু আবদুল্লাহ বলেন: এর ফজিলত পৌঁছানোর পর থেকে প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এবং প্রত্যেক ফরয সালাতের পর আমি এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। আবু গানাইম বলেন: এই হাদিসটি লিপিবদ্ধ করার পর থেকে আমি এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি। আবু ফজল বলেন: এই হাদিসটি আমার নিকট পৌঁছানোর পর থেকে আমি এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি, আমি এটি প্রত্যেক সালাতের পর পাঠ করি। শাইখ বলেন: এই হাদিসটি আমার নিকট পৌঁছানোর পর থেকে আমিও সালাতসমূহের পর এর তিলাওয়াত বর্জন করিনি।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
الحديث الثاني والعشرون:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، قال: أنبأنا أبو بكر محمد بن عبد الباقي البزاز، وحدثنا عنه علي بن يحيى المُدَيََّر، قال: أخبرنا هناد بن إبراهيم النسفي، قال: أخبرنا علي بن أحمد بن عمر المقرىء، قال: حدثنا إبراهيم بن محمدالقرميسي، قال: حدثنا ابن يزيد الدقيقي، قال: حدثنا عبد الله بن سليمان الدقيقي، قال: حدثنا [13/ب]القرآن على ابن فهد المقرىء (1) بالرقة، فلما انتهيت إلى آخر سورة الجن من قوله: < لو أنزلنا هذا القرآن على جبل > ضع يدك على رأسك …طريق آخر:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، قال: أخبرنا عبد الرحمن بن محمد القزاز، قال: أخبرنا أحمد بن علي بن ثابت، قال أخبرنا أبو نعيم الحافظ، قال: أَنبأنا أَبُو الطِّيبِ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا إِدْرِيسُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْحَدَّادُ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى خَلَفٍ، فَلَمَّا بَلَغْتُ هَذِهِ الآيَةَ: {لَوْ أَنْزَلْنَا هَذَا الْقُرْآنَ} ، قَالَ: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ، فَإِنِّي قَرَأْتُ عَلَى سُلَيْمٍ فَلَمَّا بَلَغْتُ هَذِهِ الآيَةَ قَالَ: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ، فَإِنِّي قَرَأْتُ عَلَى حَمْزَةَ فَلَمَّا بَلَغْتُ هَذِهِ الآيَةَ قَالَ: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ، فَإِنِّي قَرَأْتُ عَلَى الأَعْمَشِ فَلَمَّا بَلَغْتُ هَذِهِ الآيَةَ قَالَ: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ، فَإِنِّي قَرَأْتُ عَلَى يَحْيَى بْنِ وَثَّابٍ فَلَمَّا بَلَغْتُ هَذِهِ الآيَةَ قَالَ: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ، فَإِنِّي قَرَأْتُ عَلَى عَلْقَمَةَ، وَالأَسْوَدِ فَلَمَّا بَلَغْتُ هَذِهِ الآيَةَ قَالَ: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ، فَإِنَّا قَرَأْنَا عَلَى عَبْدِ اللَّهِ فَلَمَّا بَلَغَنَا هَذِهِ الآيَةَ قَالَ: ضَعَا أَيْدِيَكُمَا عَلَى رُؤُوسِكُمَا، فَإِنِّي قَرَأْتُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا بَلَغْتُ هَذِهِ الآيَةَ قَالَ لِي: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ؛ فَإِنَّ جِبْرِيلَ لَمَّا نَزَلَ بِهَا إِلَيَّ قَالَ: ضَعْ يَدَكَ عَلَى رَأْسِكَ، فَإِنَّهَا شِفَاءٌ مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَاّ السَّامَ، وَالسَّامُ الْمَوْتُ._حاشية
--------------------------------------------
(1) كذا في النسخة وفيها سقط.
বাইশতম হাদিস:আমাদের শাইখ (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-বাযযা্য, আর আমাদের নিকট তাঁর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন আলী বিন ইয়াহইয়া আল-মুদাইয়্যার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হান্নাদ বিন ইব্রাহিম আন-নাসাফি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আহমাদ বিন উমর আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-কুরমাইসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনে ইয়াযিদ আদ-দাকিকি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সুলায়মান আদ-দাকিকি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [১৩/খ]রাক্কাহ শহরে ইবনুল ফাহাদ আল-মুকরি (১)-এর নিকট কুরআন তিলাওয়াত করলাম, যখন আমি সূরা আল-জিনের শেষ দিকে তাঁর এই বাণী পর্যন্ত পৌঁছালাম: < যদি আমি এই কুরআন কোনো পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম > তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো ...অন্য সূত্র:আমাদের শাইখ (আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-কাযযায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাইয়্যেব আহমাদ বিন ইউসুফ আল-মুকরি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইদ্রিস বিন আব্দুল কারিম আল-হাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমি খালাফের নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমি এই আয়াতে পৌঁছালাম: {যদি আমি এই কুরআন অবতীর্ণ করতাম}, তিনি বললেন: তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো, কেননা আমি সুলাইমের নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমি এই আয়াতে পৌঁছালাম তখন তিনি বললেন: তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো, কেননা আমি হামযাহর নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমি এই আয়াতে পৌঁছালাম তখন তিনি বললেন: তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো, কেননা আমি আমাশের নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমি এই আয়াতে পৌঁছালাম তখন তিনি বললেন: তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো, কেননা আমি ইয়াহইয়া বিন ওয়াসসাব-এর নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমি এই আয়াতে পৌঁছালাম তখন তিনি বললেন: তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো, কেননা আমি আলক্বামাহ ও আসওয়াদের নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমি এই আয়াতে পৌঁছালাম তখন তাঁরা বললেন: তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো, কেননা আমরা আব্দুল্লাহর নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমরা এই আয়াতে পৌঁছালাম তখন তিনি বললেন: তোমরা উভয়ে তোমাদের হাত তোমাদের মাথার উপর রাখো, কেননা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তিলাওয়াত করেছি, যখন আমি এই আয়াতে পৌঁছালাম তখন তিনি আমাকে বললেন: তোমার হাত তোমার মাথার উপর রাখো; কেননা জিবরাঈল যখন এটি নিয়ে আমার নিকট অবতরণ করেছিলেন তখন তিনি বলেছিলেন: আপনার হাত আপনার মাথার উপর রাখুন, কেননা এটি মৃত্যু ব্যতীত প্রতিটি রোগের জন্য আরোগ্য স্বরূপ।_টীকা
--------------------------------------------
(১) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে এবং এতে কিছু অংশ বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
الحديث التاسع والعشرون:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، قال: أخبرنا علي بن يحيى المدير، قال: أخبرنا محمد بن عبد الباقي البزاز، قال: أخبرنا هناد بن إبراهيم النسفي، قال: أخبرنا أبو طالب عمر بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو عمر محمد بن العباس الخزاز، قال: حدثنا علي بن أحمد، قال: حدثنا عَبد الله بن إسحاق [13/ب]المدائني، قال: حدثنا أبوهشام الرفاعي قال: اشتكيت ضرسي، فشكوت ذلك إلى أبي بكر بن عَيَّاش، فقال: اقرأ عليه القرآن، وكل عليه التمر، ففعلت فبرأ فقلت ممن أخذت هذا؟ فقال: اشتكيت ضرسي، فشكوت ذلك إلى عاصم بن أبي النجود، فقال: اقرأ عليه القرآن، وكل عليه التمر، ففعلت فبرأ فقلت ممن أخذت هذا؟ فقال: اشتكيت ضرسي، فشكوت ذلك إلى زر بن حبيش، فقال: اقرأ عليه القرآن، وكل عليه التمر، ففعلت فبرأ فقلت ممن أخذت هذا؟ فقال: اشتكيت ضرسي، فشكوت ذلك إلى عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، فقال: اقرأ عليه القرآن، وكل عليه التمر، ففعلت ذلك فبرأ، فأتيته، فقلت عمن أخذت هذا؟ فقال: اشتكيت ضرسي، فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فشكوت إليه فقال لي: اقرأ عليه القرآن وكُلْ عليه التمر ، ففعلت.
উনত্রিশতম হাদিস:আমাদের শাইখ—আল্লাহ তাঁর হায়াত বৃদ্ধি করুন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী বিন ইয়াহইয়া আল-মুদির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হান্নাদ বিন ইব্রাহিম আন-নাসাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব উমর বিন ইব্রাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উমর মুহাম্মদ বিন আব্বাস আল-খাযযায আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আহমাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক [১৩/খ]আল-মাদায়িনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হিশাম আল-রিফায়ি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার দাঁতে ব্যথা হয়েছিল, আমি সে বিষয়ে আবু বকর বিন আইয়াশের কাছে অভিযোগ করলাম। তিনি বললেন: এর ওপর কুরআন পাঠ করো এবং এর সাথে খেজুর খাও। আমি তাই করলাম এবং আরোগ্য লাভ করলাম। এরপর আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি এটি কার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: আমার দাঁতে ব্যথা হয়েছিল, আমি আসিম বিন আবি নাযুদের কাছে সে বিষয়ে অভিযোগ করলাম। তিনি বললেন: এর ওপর কুরআন পাঠ করো এবং এর সাথে খেজুর খাও। আমি তাই করলাম এবং আরোগ্য লাভ করলাম। এরপর আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি এটি কার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: আমার দাঁতে ব্যথা হয়েছিল, আমি যির বিন হুবাইশ-এর কাছে সে বিষয়ে অভিযোগ করলাম। তিনি বললেন: এর ওপর কুরআন পাঠ করো এবং এর সাথে খেজুর খাও। আমি তাই করলাম এবং আরোগ্য লাভ করলাম। এরপর আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি এটি কার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: আমার দাঁতে ব্যথা হয়েছিল, আমি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর কাছে সে বিষয়ে অভিযোগ করলাম। তিনি বললেন: এর ওপর কুরআন পাঠ করো এবং এর সাথে খেজুর খাও। আমি তাই করলাম এবং আরোগ্য লাভ করলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি এটি কার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: আমার দাঁতে ব্যথা হয়েছিল, আমি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর কাছে সে বিষয়ে অভিযোগ করলাম। তিনি আমাকে বললেন: এর ওপর কুরআন পাঠ করো এবং এর সাথে খেজুর খাও; এরপর আমি তাই করলাম।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
الحديث الثلاثون:حدثنا شيخنا أدام الله أيامه، وهو آخذ بشعره، قال حدثنا محمد بن ناصر، وهو آخذ بشعره، قال حدثنا محمد بن علي النرسي، وهو آخذ بشعره، قال حدثنا الشريف أبو عبد الله، وهو آخذ بشعره، قال حدثنا محمد بن عبد الله بن خالويه، وهو آخذ بشعره، قال حدثنا أبو الفرج العكبري، وهو آخذ بشعره، قال حدثنا أبو القاسم بن إبراهيم الصفار وهو آخذ بشعره، قال حدثنا عبد الرحمن بن مروان وهو آخذ بشعره، قال حدثنا أرطاة بن حبيب وهو آخذ بشعره، قال حدثني عبيد بن ذكوان وهو آخذ بشعره، قال حدثنا أبو خالد وهو آخذ بشعره، قال حدثني زيد بن علي وهو آخذ بشعره، قال حدثنا أبي علي بن الحسين وهو آخذ بشعره، قال حدثني أبي الحسين بن علي وهو آخذ بشعره، قال حدثني أبي علي بن أبي طالب وهو آخذ بشعره، قال حدثني رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو آخذ بشعره، قال: من أذى شعرة مني فقد آذاني ومن آذاني فقد آذى الله، ومن آذى الله ملىء السماوات، وملىء الأرض، لا يقبل الله منه صرفًا، ولا عدلاً.
ত্রিশতম হাদীস:আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর নিজের চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে নাসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আলী আন-নারসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: শরীফ আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খালওয়াইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আবুল ফারাজ আল-উকবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম ইবনে ইব্রাহিম আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আরতাহ ইবনে হাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: উবাইদ ইবনে যাকওয়ান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আবু খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: যায়িদ ইবনে আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবনুল হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আমার পিতা হুসাইন ইবনে আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবনে আবু তালিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর চুল ধরে ছিলেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর চুল ধরে থাকা অবস্থায় আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি আমার একটি চুলকেও কষ্ট দিল, সে মূলত আমাকেই কষ্ট দিল; আর যে আমাকে কষ্ট দিল, সে আল্লাহকে কষ্ট দিল। আর যে ব্যক্তি আকাশসমূহ ও পৃথিবী পূর্ণকারী আল্লাহকে কষ্ট দিল, আল্লাহ তার কোনো ফরজ কিংবা নফল ইবাদত কবুল করবেন না।"
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
الحديث الحادي والثلاثون:حدثنا شيخنا أدام الله أيامه، وحدي، قال حدثني أبو الفضل محمد بن ناصر وحدي، قال حدثني محمد بن علي بن جعفر وحدي، قال حدثني أبو عبد الله محمد بن علي العلوي [14/أ]وحدي، قال حدثني أبو الحسن محمد بن أحمد بن مخزوم وحدي، قال حدثني وحدي، قال حدثني محمد بن الحسن الرقي وحدي، قال حدثني مؤمل بن أهاب وحدي، قال حدثني عبد الرزاق وحدي، قال حدثني معمر وحدي، قال حدثني الزرقي وحدي، عن عروة، عن عائشة، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: النظر إلى علي بن أبي طالب عبادة.
একত্রিশতম হাদিস:আমাদের শায়খ—আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করুন—এককভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে নাসির এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে জাফর এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আলাউয়ী [১৪/অ]এককভাবে, তিনি বলেন, আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মাখজুম এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, তিনি এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আল-রাক্কি এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুয়াম্মাল ইবনে আহাব এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুর রাজ্জাক এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মা'মার এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-জুরাকি এককভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আলী ইবনে আবি তালিবের দিকে তাকানো ইবাদত।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
الحديث الثاني والثلاثون:أخبرنا شيخنا أدام الله أيامه، وأطعمني وسقاني، قال أخبرني أبو الحسن علي بن يحيى، وأطعمني وسقاني، قال أخبرنا أبو بكر محمد بن عبد الباقي، وأطعمني وسقاني، قال أخبرنا هناد بن إبراهيم، وأطعمني وسقاني، قال أخبرنا أبو بكر محمد بن الحسين بن إبراهيم الصرام، وأطعمني وسقاني، قال حدثنا أبو الحسن محمد بن علي بن النعمان البزاز، وأطعمني وسقاني، قال حدثنا أحمد بن يونس، وأطعمني وسقاني، قال حدثنا عمي، وأطعمني وسقاني، قال حدثنا سفيان الثوري، وأطعمني وسقاني، قال حدثنا مالك بن أنس، وأطعمني وسقاني، عن نافع، وأطعمني وسقاني، عن عبد الله بن عمر، وأطعمني وسقاني، قال كنت حاضرًا في دار عائشة، وكان النبي صلى الله عليه وسلم حاضرًا فيها، فأكلت مع النبي صلى الله عليه وسلم ثمرات أتى بها رجل من الأنصار، إذ استقبلني بوجهه، وقال يا عبد الله عليك بالصدق، فإن الصدق يهدي إلى البر، واترك الكذب، فإن الكذب يهدي إلى الفجور، وعليك بحسن الخلق، فإن حسن الخلق من أخلاق أهل الجنة، وإن سوء الخلق من أخلاق أهل النار.
বত্রিশতম হাদিস:আমাদের শাইখ (আল্লাহ তাঁর নেক হায়াত দীর্ঘ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, আবুল হাসান আলী ইবনে ইয়াহইয়া আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, হান্নাদ ইবনে ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে ইবরাহিম আস-সাররাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে নুমান আল-বাজ্জায আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে ইউনুস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, আমার চাচা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, সুফিয়ান আস-সাওরী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; নাফে’ থেকে বর্ণিত, তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি আমাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন; তিনি বলেন, আমি আয়েশার গৃহে উপস্থিত ছিলাম এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে কিছু ফল খেলাম যা জনৈক আনসারি ব্যক্তি নিয়ে এসেছিলেন। তখন তিনি আমার দিকে তাঁর মুখমণ্ডল ফেরালেন এবং বললেন: হে আব্দুল্লাহ! তুমি সত্যকে আঁকড়ে ধরো, কারণ সত্য পুণ্য বা নেক কাজের দিকে পরিচালিত করে; আর মিথ্যা বর্জন করো, কেননা মিথ্যা পাপাচারের দিকে পরিচালিত করে। আর তুমি উত্তম চরিত্র অবলম্বন করো, কারণ উত্তম চরিত্র জান্নাতবাসীদের স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত, আর মন্দ চরিত্র জাহান্নামবাসীদের স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল মুসালসালাত লি ইবনিল জাওযী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
الحديث الثالث والثلاثون:قرأت على شيخنا أدام الله أيامه، وهو متكىء، قال قرأت على ابن يحيى المدير، وهو متكىء، قال قرأت على أبي بكر محمد بن عبد الباقي، وهو متكىء، قال قرأت على هناد بن إبراهيم، وهو متكىء، قال قرأت على لاحق بن محمد بن علي بن أحمد الربعي، وهو متكىء، قال قرأت على علي بن محمد بن علي الصدفي، وهو متكىء، قال قرأت على أبي الحسن علي بن أحمد بن محمد بن الحسين بن حسنويه، وهو متكىء، قال قرأت على أبي علي الحسين بن الحجاج، وهو متكىء، قال قرأت على أبيعلي محمد بن جعفر، وهو متكىء، [14/ب]قال قرأت على علي بن عاصم، وهو متكىء، قال قرأت على الليث بن سعد، وهو متكىء، قال قرأت على علي بن زيد، وهو متكىء، قال قرأت على بكر، وهو متكىء، قال قرأت على أنس بن مالك، وهو متكىء، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما حسن الله خلْق رجل وخُلُقُه فيطعمه النار.
তেত্রিশতম হাদিস:আমি আমাদের শাইখের নিকট পাঠ করেছি—আল্লাহ তাঁর হায়াত দীর্ঘ করুন—এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি ইবনে ইয়াহইয়া আল-মুদীরের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকীর নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি হান্নাদ ইবনে ইবরাহীমের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি লাহিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমাদ আর-রাবঈর নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আস-সাদাফীর নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে হাসনুওয়াইহ-এর নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আল-হাজ্জাজের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি আবুআলী মুহাম্মদ ইবনে জাফরের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন, [১৪/খ]তিনি বললেন: আমি আলী ইবনে আসিমের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি লাইস ইবনে সাদ-এর নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি আলী ইবনে যায়িদের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি বকরের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: আমি আনাস ইবনে মালিকের নিকট পাঠ করেছি এমতাবস্থায় যে তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন; তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ কোনো ব্যক্তির অবয়ব এবং তার চরিত্রকে সুন্দর করার পর তাকে জাহান্নামের আগুনের খাদ্য করবেন না।