(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: -)
ذيل كشف الظنون - الطهراني القسم: فهارس الكتب والأدلة
الكتاب: ذيل كشف الظنون
[تعليقات على مواضع من كشف الظنون لـ «حاجي خليفة»]
علقها وقيدها: آغا بزرك الطهراني [شيعي إمامي]
رتبها وهذّبها وأضاف إليها: محمّد مهدي السيد حسن الموسوي الخرسان
الناشر: المكتبة الإسلامية والجعفري تبريزي - طهران
الطبعة: الثالثة، 1967 م - 1387 هـ
(طُبع ملحقا بتصوير طهران لمجموعة «كشف الظنون وإيضاح المكنون وهدية العارفين ط إسطنبول»)
عدد الصفحات: 116
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 صفر 1445
দাইল কাশফ আল-জুনুন - আত-তেহরানি বিভাগ: গ্রন্থ তালিকা ও নির্দেশিকা
বই: দাইল কাশফ আল-জুনুন
[‘হাজি খলিফা’ রচিত ‘কাশফ আল-জুনুন’-এর বিভিন্ন স্থানের ওপর টীকা]
টীকা ও লিপিবদ্ধ করেছেন: আগা বুজুর্গ আত-তেহরানি [শিয়া ইমামী]
বিন্যাস, পরিমার্জন এবং পরিবর্ধন করেছেন: মুহাম্মদ মাহদী আস-সাঈদ হাসান আল-মুসাভী আল-খুরসান
প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়া ওয়াল জাফরি তাবরিজি - তেহরান
সংস্করণ: তৃতীয়, ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ - ১৩৮৭ হিজরি
(তেহরান পুনর্মুদ্রিত ‘কাশফ আল-জুনুন, ইদাহ আল-মাকনুন এবং হাদিয়্যাতুল আরিফিন, ইস্তাম্বুল সংস্করণ’ সমষ্টির পরিশিষ্ট হিসেবে মুদ্রিত)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৬
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ সফর ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৩)
ذيل كشف الظنون تعليقات وتقييدات جاد بها قلم سماحة آية الله شيخنا المحقق الشيخ اغا بزرك الطهرانى دام ظله
رتبها وهذّبها وأضاف إليها: محمّد مهدي السيد حسن الموسوي الخرسان
কাশফিজ জুনুন এর পরিশিষ্টপাণ্ডিত্যপূর্ণ মন্তব্য ও টীকা যা লিপিবদ্ধ করেছেন পরম শ্রদ্ধেয় আয়াতুল্লাহ, আমাদের শাইখ, গবেষক শাইখ আগা বুজুর্গ তেহরানি (তাঁর ছায়া দীর্ঘস্থায়ী হোক)
বিন্যাস, পরিমার্জন ও বর্ধিতকরণ করেছেন: মুহাম্মদ মাহদী আস-সাইয়্যিদ হাসান আল-মুসাউয়ী আল-খুরসান
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة ذيل كشف الظنون ان كتاب كشف الظنون يعتبر أوسع مرجع عام باللغة العربية ينيز السبيل للباحثين عن آثار المؤلفين وتصانيفهم، وهو وان لم يكن الأول في بابه حيث سبقه أعلام وأعلام منذ القرون الأولى فدونوا ما وجدوه أو علموا به من آثار المصنفين والمؤلفين إلا ان جميع من سبقه يمتاز بسمة خاصة ولون خاص كما يعرف ذلك من راجع المؤلفات المعنية بالفهرسة والتراجم، ولعل ميزة هذا الكتاب-كشف الظنون-انه أوفى بحثا وأوسع منهجا، وهو مع ذلك لم يسلم من المؤاخذات عليه والنقد له-إذ الكمال لواهبه-فجاء جمع من المتأخرين فسجلوا ملاحظاتهم عليه وأضافوا اليه كثيرا مما فات مؤلفه حتى بلغ ما استدركه عليه ابراهيم افندي بما يقدر ب 500 ر 14 كتاب وهو رقم عال وعدد كبير يكشف عن سعة اطلاع وطول باع وقد أحصى سماحة شيخنا البحاثة بقية السلف الحبر الجليل آية الله الشيخ اغا بزرك الطهراني مؤلف الموسوعة الكبيرة الذريعة الى تصانيف الشيعة اسماء من ذيل على الكشف او استدرك عليه كما يأتى فى ملاحظاته
ولما لشيخنا الجليل من الخبرة والاختصاص فى هذا المضمار فقد سجل هو أيضا بعض ملاحظاته على كشف الظنون بشكل تعليقات في هوامش نسخته منه. وهي تعليقات مفيدة ولم يكتب لعامة القراء حتى اليوم الاطلاع عليها والاستفادة منها، أما اليوم وقد حان الوقت لنشرها-والامور مرهونة بأوقاتها-فان سيادة الشريف الوجيه السيد اسماعيل الكتابجى سلمه الله صاحب دار النشر الاسلامية في طهران صمم على إعادة طبع كشف الظنون، وطلب من سماحة شيخنا دام ظله تزويده بتلك التعليقات ليزين بها طبعته الجديدة ويجعلها في خاتمة الكتاب فسمح أطال الله عمره بذلك وبقيت هناك مشكلة استخراجها وترتيبها وهذا عمل قد لا تكون له أهمية في باديء الأمر لكن إذا علمنا ان الشيخ دام ظله دوّن تعليقاته في هوامش نسخته المطبوعة سنة 1310 في حين ان مطبوعة الكتابجى هي طبعة وزارة المعارف التركية الطبعة النفيسة وإن كانت لا تخلو من أغلاط مطبعية.
فاقتطاف التعليقة من هامش نسخة الشيخ وتعيين محلها من الطبعة الجديدة عمل مجهد يحتاج الى خبرة وأناة قد لا يقوى عليه الكثير من الناس. فطلب اليّ سيادة الناشر القيام بهذه المهمة وللمودة بيننا ورعاية لحقوق شيخنا بقية السلف ورغبة مني فى منفعة القراء اجبت ملتمسه ولما شرعت في ذلك رأيت أن بعض تلك التعليقات لا تخلو من مراجعة وإعادة نظر بل وتهذيب فاستجزت شيخنا دام ظله في ذلك فأجازنى سلمه الله فرتبتها وهذبت كثيرا منها واضفت اليها بعض ما تيسر لي فجاءت كما يراها القاريء وأحسب أنى أديت الذي يجب عليّ في هذا السبيل فإن قصرت فما توفيقى إلا بالله والكمال لله وحده.
النجف الأشرف 26 ج 1 سنة 1387 هـ
محمّد مهدي السيد حسن الموسوي الخرسان
কাশফ আল-জুনুন-এর পরিশিষ্টের ভূমিকাকাশফ আল-জুনুন গ্রন্থটি আরবি ভাষায় রচিত সর্বাধিক বিস্তৃত সাধারণ রেফারেন্স বা আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা গবেষকদের জন্য লেখকদের অবদান ও তাদের রচনাবলী সম্পর্কে জানার পথ সুগম করে দেয়। যদিও এটি এই বিষয়ের প্রথম গ্রন্থ নয়, কারণ প্রাথমিক শতাব্দীগুলো থেকেই অনেক প্রথিতযশা মণীষী এই ক্ষেত্রে কাজ করেছেন এবং গ্রন্থকার ও লেখকদের যেসব কীর্তি তারা খুঁজে পেয়েছেন বা জানতে পেরেছেন তা লিপিবদ্ধ করেছেন। তবে তার পূর্ববর্তী সবার কাজেরই একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ধরণ রয়েছে, যা গ্রন্থপঞ্জি ও জীবনী বিষয়ক গ্রন্থাদি পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয়। সম্ভবত এই গ্রন্থটির—কাশফ আল-জুনুন—বিশেষত্ব হলো এটি অধিকতর পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান এবং বিস্তৃত পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে রচিত। এতদসত্ত্বেও এটি ত্রুটি-বিচ্যুতি এবং সমালোচনা থেকে মুক্ত নয়—কেননা পূর্ণতা কেবল মহান দাতার (আল্লাহর) জন্য। তাই পরবর্তীকালের একদল আলেম এর ওপর তাদের পর্যবেক্ষণসমূহ নথিভুক্ত করেছেন এবং মূল লেখকের হাত থেকে যা ছুটে গিয়েছিল এমন অনেক বিষয় এতে যুক্ত করেছেন। এমনকি ইব্রাহিম এফেন্দি কর্তৃক এর ওপর কৃত পরিমার্জন ও সংযোজন প্রায় ১৪,৫০০ গ্রন্থে পৌঁছেছে। এটি একটি বিশাল সংখ্যা, যা তার গভীর জ্ঞান ও ব্যাপক অধ্যয়নের পরিচায়ক। আমাদের শাইখ, মহান গবেষক, পূর্বসূরিদের উত্তরসূরি, বরেণ্য পণ্ডিত, আয়াতুল্লাহ আল-শাইখ আগা বুজুর্গ আল-তেহরানি—যিনি শিয়াদের রচনাবলী বিষয়ক বিশাল বিশ্বকোষ 'আল-দারিআ ইলা তাসানিফ আল-শিয়া'-এর রচয়িতা—তিনি এই কাশফ আল-জুনুন-এর ওপর যারা পরিশিষ্ট লিখেছেন বা যা বিচ্যুত হয়েছিল তা সংযোজন করেছেন তাদের নাম গণনা করেছেন, যা তার পর্যবেক্ষণসমূহে সামনে আসবে।
এই ক্ষেত্রে আমাদের মহান শাইখের গভীর অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান থাকার কারণে তিনিও কাশফ আল-জুনুনের ওপর তার নিজস্ব কপির প্রান্তটিকায় কিছু পর্যবেক্ষণ মন্তব্য আকারে লিপিবদ্ধ করেছেন। এগুলো অত্যন্ত উপকারী মন্তব্য, তবে সাধারণ পাঠকদের জন্য আজ পর্যন্ত তা দেখার বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। বর্তমানে যেহেতু সেগুলো প্রকাশের উপযুক্ত সময় এসেছে—আর প্রতিটি বিষয়ই তার নির্দিষ্ট সময়ের ওপর নির্ভরশীল—তাই তেহরানের ইসলামি প্রকাশনা সংস্থা 'দার আল-নাশর আল-ইসলামিয়্যাহ'-এর স্বত্বাধিকারী, সম্মানিত ব্যক্তিত্ব সাইয়্যেদ ইসমাইল আল-কিতাবজি (আল্লাহ তাকে নিরাপদ রাখুন), কাশফ আল-জুনুন পুনঃমুদ্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আমাদের শাইখের (তার ছায়া দীর্ঘ হোক) কাছে আবেদন করেছেন যেন তিনি সেই মন্তব্যগুলো তাকে প্রদান করেন, যাতে তিনি তার নতুন সংস্করণকে সেগুলো দিয়ে সজ্জিত করতে পারেন এবং গ্রন্থের শেষে তা যুক্ত করতে পারেন। শাইখ (আল্লাহ তার হায়াত বৃদ্ধি করুন) তাতে সদয় অনুমতি প্রদান করেছেন। তবে সেই মন্তব্যগুলো মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বের করা এবং বিন্যস্ত করার একটি সমস্যা থেকে গিয়েছিল। প্রথম দৃষ্টিতে এই কাজটি হয়তো খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে নাও হতে পারে, কিন্তু যখন আমরা জানতে পারি যে শাইখ (তার ছায়া দীর্ঘ হোক) তার মন্তব্যগুলো ১৩১০ হিজরিতে মুদ্রিত সংস্করণের প্রান্তটিকায় লিখেছিলেন, যেখানে কিতাবজির সংস্করণটি হলো তুর্কি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অত্যন্ত মূল্যবান সংস্করণ (যদিও তাতে কিছু মুদ্রণজনিত ভুল রয়েছে), তখন এর গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়।
শাইখের কপির প্রান্তটিকা থেকে মন্তব্যগুলো সংগ্রহ করা এবং নতুন সংস্করণে সেগুলোর সঠিক স্থান নির্ধারণ করা অত্যন্ত পরিশ্রমসাধ্য কাজ, যার জন্য অভিজ্ঞতা ও ধৈর্যের প্রয়োজন, যা অনেকের পক্ষেই সম্ভব না-ও হতে পারে। তাই প্রকাশক মহোদয় আমাকে এই দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান। আমাদের মধ্যকার হৃদ্যতা, আমাদের শাইখের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং পাঠকদের উপকারের আকাঙ্ক্ষা থেকে আমি তার অনুরোধ গ্রহণ করি। যখন আমি কাজ শুরু করলাম, তখন দেখলাম যে এই মন্তব্যগুলোর মধ্যে কিছু মন্তব্য পুনরায় পর্যালোচনা, পুনর্বিবেচনা এমনকি পরিমার্জনের প্রয়োজন রয়েছে। তাই আমি আমাদের শাইখের (তার ছায়া দীর্ঘ হোক) অনুমতি প্রার্থনা করলে তিনি আমাকে অনুমতি প্রদান করেন। অতঃপর আমি সেগুলো বিন্যস্ত করেছি এবং অনেক মন্তব্য পরিমার্জন করেছি, সেই সাথে আমার সাধ্যমতো কিছু বিষয় এতে যুক্ত করেছি। ফলে তা এখন সেই রূপে প্রকাশ পেল যা পাঠক দেখতে পাচ্ছেন। আমি মনে করি, এই পথে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমি পালন করেছি। যদি কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, তবে আমার সাফল্য কেবল আল্লাহর সাহায্যেই সম্ভব এবং পূর্ণতা একমাত্র আল্লাহরই গুণ।
নাজাফ আল-আশরাফ, ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৩Check ৮৭ হিজরি
মুহাম্মদ মাহদী আস-সাইয়্যেদ হাসান আল-মুসাভী আল-খুরসান
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৬)
بسم الله الرحمن الرحيم، وبه ثقتي
الحمد لله وكفى والصلاة على سيدنا ونبينا محمد المصطفى وعلى أوصيائه المعصومين أئمة أهل الصدق والصفا وبعد
فإني منذ شرعت في سامراء في (1329) بتأليف «الذريعة» كنت أعثر على جملة من مؤلفات إخواننا أهل السنة والجماعة لم يسجلها الحاج خليفة في «كشف الظنون» فكنت أثبتها على هوامش نسختي من المطبوعة في (1310) على نحو التعليق، ومضت على ذلك سنوات، فزارني في سامراء «نعمان الأعظمي» الكتبي الشهير في أواخر عمره وأظهر رغبته في تجديد طبع كشف الظنون، فأريته تلك الهوامش فأبدى ارتياحه ورغبته في طبعها مذيلا بها طبعته الجديدة، لكنه فاجأه الأجل ولم يتم له ما أراده، فبقيت تلك التعليقات بحالها حتى زارني في النجف الأشرف السيد المسند الجليل سمي ذبيح الخليل جناب الحاج السيد إسماعيل الكتابجي (الإسلامية) -زيد عزه وعلاه- وأراني أول ما جدد طبعه من كشف الظنون فطلب مني تزويده بتلك التعليقات لنشرها تعميما للفائدة في آخر مجلدات مطبوعته فنزلت عند رغبته داعيا له بالموفقية.
ولما كانت طبعة الكتابجي بطريقة الأوفست على طبعة وزارة المعارف التركية احتاج نشر تعليقاتي معها إلى تطبيق عدد صفحاتها مع نسخة الأوفست، فطلب السيد الكتابجي من صديقه القديم السيد الفاضل البحاثة العلامة الولد الروحي محمد المهدي نجل آية السيد حسين الموسوي آل خرسان النجفي أدام الله بقائهما أن يستنسخ تلك التعليقات، فاستقبل طلبه بالإجابة، وأنا أجزته أن يرتبها ويهذبها ويزودها ببعض ما يزيد الفائدة التاريخية وغيرها
والمسئول له من الله جل جلاله مزيد الأجر والتوفيق لكل بر وخير، إنه لا يضيع أجر المحسنين
حرره الفاني
الشهير بآقا بزرك الطهراني
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি, তাঁরই ওপর আমার ভরসা।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং তিনিই যথেষ্ট, আর দরূদ বর্ষিত হোক আমাদের নেতা ও নবী মুহাম্মদ আল-মুস্তাফার ওপর এবং তাঁর নিষ্পাপ উত্তরসূরি সত্য ও পবিত্রতা বিশারদ ইমামগণের ওপর। অতঃপর:
যখন আমি সামাররায় (১৩২৯ হিজরিতে) ‘আয-যারিয়া’ রচনা শুরু করি, তখন আমি আমাদের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের ভাইদের বেশ কিছু রচনাবলি দেখতে পাই যা হাজি খলিফা তাঁর ‘কাশফুয যুনুন’-এ লিপিবদ্ধ করেননি। তাই আমি আমার কাছে থাকা ১৩১০ হিজরির মুদ্রিত সংস্করণের হাশিয়া বা পার্শ্বটীকায় সেগুলো মন্তব্য হিসেবে লিখে রাখতাম। এভাবে অনেক বছর অতিবাহিত হলো। অতঃপর তাঁর জীবনের শেষ দিকে প্রখ্যাত গ্রন্থব্যবসায়ী ‘নুমান আল-আযামি’ সামাররায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসেন এবং কাশফুয যুনুন নতুন করে মুদ্রণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আমি তাঁকে সেই পার্শ্বটীকাগুলো দেখালে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাঁর নতুন সংস্করণের শেষে সেগুলো যুক্ত করে ছাপানোর আগ্রহ দেখান। কিন্তু হঠাৎ মৃত্যু তাঁকে পেয়ে বসলো এবং তিনি যা চেয়েছিলেন তা পূর্ণ করতে পারলেন না। ফলে সেই মন্তব্যগুলো সেভাবেই রয়ে গিয়েছিল, যতক্ষণ না পর্যন্ত নাজাফে আশরাফে আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলেন মহান সমাদৃত সৈয়দ, যাবিহুল খলিলের নামধারী জনাব হাজি সৈয়দ ইসমাইল আল-কিতাবজি (ইসলামিয়া)—আল্লাহ তাঁর মর্যাদা ও মহিমা বৃদ্ধি করুন। তিনি আমাকে কাশফুয যুনুন-এর তাঁর নতুন মুদ্রণের প্রথম খণ্ডটি দেখান এবং ফায়দা সাধারণ করার লক্ষ্যে তাঁর মুদ্রিত সংস্করণের শেষ খণ্ডগুলোতে সেই মন্তব্যগুলো প্রকাশের জন্য আমার কাছে তা দেওয়ার অনুরোধ করেন। আমি তাঁর সেই ইচ্ছা পূরণ করলাম এবং তাঁর সাফল্যের জন্য দোয়া করলাম।
কিতাবজির সংস্করণটি যেহেতু তুর্কি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে অফসেট পদ্ধতিতে ছিল, তাই এর সাথে আমার মন্তব্যগুলো প্রকাশের জন্য অফসেট কপির পৃষ্ঠা সংখ্যার সাথে মিলকরণের প্রয়োজন দেখা দেয়। তাই জনাব কিতাবজি তাঁর পুরাতন বন্ধু, ফজিলতপূর্ণ গবেষক আল্লামা, আমার আধ্যাত্মিক সন্তান মুহাম্মদ আল-মাহদি—যিনি আয়াতুল্লাহ সৈয়দ হোসেন আল-মুসাভি আল-খুরসান আন-নাজাফি’র পুত্র, আল্লাহ তাঁদের হায়াত দীর্ঘ করুন—তাঁকে সেই মন্তব্যগুলো অনুলিপি করার জন্য অনুরোধ করলেন। তিনি তাঁর সেই অনুরোধ গ্রহণ করলেন এবং আমি তাঁকে অনুমতি দিলাম যেন তিনি সেগুলো সুবিন্যস্ত ও পরিমার্জিত করেন এবং ঐতিহাসিক ও অন্যান্য উপকারিতা বৃদ্ধি পায় এমন কিছু সংযোজন করেন।
আর মহান প্রতাপশালী আল্লাহর কাছে তাঁর জন্য অধিক সওয়াব এবং প্রতিটি নেক ও কল্যাণময় কাজের তওফিক প্রার্থনা করছি; নিশ্চয়ই তিনি সৎকর্মশীলদের প্রতিদান বিনষ্ট করেন না।
এটি লিখেছেন নশ্বর বান্দা,
যিনি আগা বুযুর্গ আত-তেহরানি নামে সুপরিচিত।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৮)
بسم الله الرحمن الرحيم
هذا بدء ما سجله سماحة شيخنا دام ظله على الصفحة الأولى من الجزء الأول من كتاب كشف الظنون. قال:
ملا كاتب جلبى القسطنطينى واسمه مصطفى بن عبد الله صرح به عند ذكر كتابه تقويم التاريخ في ص 469 الذي ألفه سنة 1058 وله تحفة الاخيار أيضا فرغ من تبييضها سنة 1061 كما صرح نفسه فيها وتوفي كما في اكتفاء القنوع بما هو مطبوع سنة 1068 وكما فى الأعلام للزركلي سنة 1066 وفي معجم المطبوعات سنة 1067 وقال انه ولد سنة 1004 وهو مشكل لأنه يذكر في الشقائق النعمانية كثيرا من اذياله التي كتبت بعد 1140 وكذا فى شمائل النبى صلّى الله عليه وآله ذكر ترجمته في سنة 1158 وفي نسخته الموجودة ذكر ان فراغه في 1123 وفي نفحة القبول ذكر ان مؤلفه توفى سنة 1143 وذكر فى النواقض اختصاره في سنة 1130 وذكر من حواشى شرح المنار ما كتبت في سنة 1130 وذكر السبع السيار لمحمد رضا المتوفى سنة 1169 وذكر غاية الاتقان في ترجمة نزهة الابدان فرغ منه سنة 1141 وفي النشر ذكر اختصاره للشيخ مصطفى الازميري المتوفى سنة 1155 وحكى لي ميرزا حسن شفيع زاده الشبستري انه رأى نسخة أصل هذا الكتاب بخط مؤلفه في اسلامبول في مكتبة فيض الله افندي. الا ان يقال كل هذا من الحاق المتأخرين عنه فيرد اشكال الدس في الكتاب مع عدم التصريح بالالحاق. ثم رأينا في معجم المطبوعات انه ألحق بالكتاب ابراهيم أفندي المتوفى سنة 1190 إلحاقات وهي ممتازة عن أصل الكتاب في طبع ليبسيك ولكن في طبع بولاق والاستانة ادرجت في الاصل بغير تمييز، وحصر مجموع ما فيه في (500 ر 14) كتابا وذكر ان المؤلف توفى فجأة 1067، ومن كتبه تقويم التواريخ ألفه 1058 وتحفة الأخيار بيّضها 1063 وبيّض سلم الوصول (1061 - 1062) وله مجموعة ذات فوائد بخطه في اسلامبول توجد في مكتبة نور عثمانية في 242 ورقة كما يظهر من فهرسها.
واول من ذيل كشف الظنون محمّد غرني افندي وشنه زاده المتوفى سنة 1092 وقد عرّبه جيلر شيخي ابراهيم افندي المتوفى بمصر بعد الحج سنة (1189) ثم ذيله احمد طاهر افندي خيف زاده المتوفى سنة 1217 ثم ذيله شيخ الاسلام عارف حكمت بيك صاحب المكتبة الجميلة التي فى المدينة المنورة المتوفى سنة 1275 وقد بلغ الى حرف الجيم.
وقد جمع الذيول البحاثة المعاصر اسماعيل باشا بن محمّد امين بن مير سليم البغدادي المتوفى باسلامبول سنة 1339 شرع فيه سنة 1296 وفرغ سنة 1323 وطبع سنة 1364.
وآخر ذيوله على ما أعلم ما كتبه الاستاذ المعاصر اسماعيل صاحب سنجر مدير المكتبة العمومية بالاستانة توفى في أثناء الطبع سنة 1360 ولعله يعد من الذيول ما كتبته على هوامش نسختي هذه بعد شرائها في حدود سنة 1325 الى يومنا هذا سنة 1386 هـ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আমাদের শ্রদ্ধেয় শাইখ (তাঁর ছায়া দীর্ঘ হোক) 'কাশফুয যুনুন' কিতাবের প্রথম খণ্ডের প্রথম পৃষ্ঠায় যা লিপিবদ্ধ করেছেন, এটি তার শুরু। তিনি বলেন:
মোল্লা কাতিব চালাবি আল-কুস্তুনতিনী, যার নাম মুস্তফা বিন আব্দুল্লাহ। তিনি নিজেই তার প্রণীত 'তাকভীমুত তারিখ' গ্রন্থের ৪৬৯ পৃষ্ঠায় এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, যা তিনি ১০৫৮ হিজরিতে রচনা করেছিলেন। তাঁর 'তুহফাতুল আখইয়ার' নামে আরও একটি গ্রন্থ রয়েছে, যেটির পাণ্ডুলিপি চূড়ান্ত করার কাজ তিনি ১০৬১ হিজরিতে শেষ করেছেন বলে নিজেই সেখানে উল্লেখ করেছেন। 'ইক্তিফাউল কানূ বিমা হুয়া মাতবূ' গ্রন্থ অনুযায়ী তিনি ১০৬৮ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, আয-যিরিকলীর 'আল-আ'লাম' অনুযায়ী ১০৬৬ হিজরিতে এবং 'মু'জামুল মাতবূআত' অনুযায়ী ১০৬৭ হিজরিতে। সেখানে বলা হয়েছে যে তিনি ১০০৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তবে এটি একটি সমস্যাপূর্ণ বিষয়, কারণ 'আশ-শাকাইকুন নু'মানিয়্যাহ' গ্রন্থে এই কিতাবের অনেক পরিশিষ্টের (যাইল) কথা উল্লেখ রয়েছে যা ১১৪০ হিজরির পরে লেখা হয়েছে। একইভাবে 'শামাইলুন নবী' (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) গ্রন্থে ১১৫৮ হিজরিতে তাঁর জীবনী উল্লেখ করা হয়েছে। এর বিদ্যমান একটি পাণ্ডুলিপিতে উল্লেখ আছে যে তিনি ১১২৩ হিজরিতে এটি সমাপ্ত করেছেন। 'নাফহাতুল কবুল' গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে এর লেখক ১১৪৩ হিজরিতে ইন্তেকাল করেছেন। 'আন-নাওয়াকিদ' গ্রন্থে এর সংক্ষিপ্তসার ১১৩০ হিজরিতে সমাপ্ত হওয়ার কথা আছে। 'শারহুল মানার'-এর হাশিয়া বা টীকাগুলোর মধ্যে ১১৩০ হিজরিতে লেখা কিছু টীকার উল্লেখ আছে। ১১৬৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করা মুহাম্মদ রেজার 'আস-সাব'উস সাইয়্যার' গ্রন্থের উল্লেখ আছে। 'নুযহাতুল আবদান'-এর অনুবাদ 'গায়াতুল ইতকান' উল্লেখ আছে যা ১১৪১ হিজরিতে সমাপ্ত হয়েছে। 'আন-নাশর' গ্রন্থে শেখ মুস্তফা আল-আযমিরীর (ইন্তেকাল ১১৫৫ হিজরি) সংক্ষিপ্তসারের কথা আছে। মির্জা হাসান শাফী জাদা আশ-শাবাস্তারি আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি ইস্তাম্বুলের ফয়জুল্লাহ এফেন্দি লাইব্রেরিতে লেখকের নিজ হাতে লেখা এই কিতাবের মূল পাণ্ডুলিপি দেখেছেন। তবে যদি বলা হয় যে, এই সবকিছুই তার পরবর্তী লেখকদের সংযোজন, তবে সংযোজনের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় কিতাবে অনুপ্রবেশের (জালিয়াতি বা প্রক্ষেপণ) প্রশ্ন দেখা দেয়। পরবর্তীতে আমরা 'মু'জামুল মাতবূআত' গ্রন্থে দেখেছি যে, ইব্রাহিম এফেন্দি (ইন্তেকাল ১১৯০ হিজরি) এই কিতাবে কিছু বিষয় সংযোজন করেছেন, যা লাইপজিগ সংস্করণে মূল কিতাব থেকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু বুলাক ও আস্তানা সংস্করণে এগুলো কোনো পার্থক্য ছাড়াই মূল পাঠের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে মোট ১৪,৫০০টি কিতাবের বিবরণ রয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে যে লেখক ১০৬৭ হিজরিতে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত কিতাবগুলোর মধ্যে 'তাকভীমুত তাওয়ারীখ' ১০৫৮ হিজরিতে রচিত, 'তুহফাতুল আখইয়ার' ১০৬৩ হিজরিতে পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকৃত এবং 'সুল্লামুল উসূল' ১০৬১-১০৬২ হিজরিতে পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকৃত। ইস্তাম্বুলের নূর উসমানিয়া লাইব্রেরিতে তাঁর স্বহস্তে লিখিত একটি জ্ঞানগর্ভ সংকলন রয়েছে যার পৃষ্ঠাসংখ্যা ২৪২, যেমনটি এর ক্যাটালগ থেকে জানা যায়।
'কাশফুয যুনুন'-এর প্রথম পরিশিষ্ট (যাইল) লিখেন মুহাম্মদ গরনী এফেন্দি ও শানাহ জাদা (ইন্তেকাল ১০৯২ হিজরি)। কাইলার শাইখি ইব্রাহিম এফেন্দি, যিনি হজের পর ১১৮৯ হিজরিতে মিশরে ইন্তেকাল করেন, তিনি এটি আরবিতে অনুবাদ করেন। এরপর আহমেদ তাহের এফেন্দি খাইফ জাদা (ইন্তেকাল ১২১৭ হিজরি) এর পরিশিষ্ট লেখেন। এরপর শাইখুল ইসলাম আরিফ হিকমত বে, যিনি মদিনা মুনাওয়ারায় অবস্থিত চমৎকার লাইব্রেরির মালিক এবং ১২৭৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, তিনিও এর পরিশিষ্ট লেখেন এবং 'জিম' বর্ণ পর্যন্ত পৌঁছান।
সমসাময়িক গবেষক ইসমাইল পাশা বিন মুহাম্মদ আমিন বিন মীর সেলিম আল-বাগদাদী (ইন্তেকাল ১৩৩৯ হিজরি, ইস্তাম্বুল) এই পরিশিষ্টগুলো সংকলন করেছেন। তিনি ১২৯৬ হিজরিতে কাজ শুরু করেন এবং ১৩২৩ হিজরিতে সমাপ্ত করেন এবং এটি ১৩৬৪ হিজরিতে মুদ্রিত হয়।
আমার জানামতে এর সর্বশেষ পরিশিষ্ট হলো যা সমসাময়িক উস্তাদ ইসমাইল সাহেব সাঞ্জারি লিখেছেন, যিনি আস্তানা পাবলিক লাইব্রেরির পরিচালক ছিলেন এবং ১৩৬০ হিজরিতে মুদ্রণ চলাকালীন মৃত্যুবরণ করেন। সম্ভবত আমার এই কপির হাশিয়া বা পার্শ্বটীকায় আমি যা লিখেছি তাও পরিশিষ্টের অন্তর্ভুক্ত হবে, যা আমি ১৩২৫ হিজরির দিকে এটি কেনার পর থেকে আজ ১৩৮৬ হিজরি পর্যন্ত লিখে আসছি।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৯)
•
صفحة 41 من المقدمة سطر 3: وقد ذكر عبد الرحمن ابن محمّد بن خلدون المغربى في الفصل السادس والثلاثين من المجلد الأول المعروف بالمقدمة من مجلدات كتابه الموسوم بالعبر وديوان المبتدأ والخبر ص 477 أكثر هذه المطالب وصرح بأن الأمّية كانت صفة عامة فى الصحابة عدا القراء منهم. فرغ من المقدمة سنة 776 وطبعت بمصر مع سائر المجلدات تمام السبعة.
وقد طبع أخيرا في لبنان في دار الكتاب اللبنانى ببيروت في سنة 1956.
•
صفحة 3 سطر 13: هو فتاوى قاضيخان يأتي في ج 2 ص 1227 تأليف فخر الدين حسن بن منصور الحنفي المتوفى سنة 592 والملقب بقاضيخان.
•
صفحة 3 سطر 14: السلطان ابراهيم شاه الثامن عشر من سلاطين الترك العثمانية-نسبة الى أولهم عثمان الذي نال السلطنة في سنة 699 ولد سنة 656 ومات سنة 722 ويقال له ابراهيم الأول ابن احمد الأول ابن محمّد الثالث ابن مراد الثالث ابن سليم الثاني ابن سليمان الأول ابن سليم الأول ابن بايزيد الثاني الذي مات سنة 818، وجلس السلطان ابراهيم شاه من سنة 1049 الى سنة 1051 فيظهر ان تأليف الكتاب كان بين التأريخين، وكان السلطان قبل ابراهيم أخوه السلطان مراد الرابع الذي ضم بغداد الى ممالك العثمانية في سنة 1048.
•
صفحة 3 سطر 20: ابطال نهج الباطل واهمال كشف العاطل رد على نهج الحق وكشف الصدق (للعلامة الحلي) تأليف الفضل بن روزبهان، كتبه بعد خروجه عن وطنه اصفهان ونزوله بكاشان وفرغ منه في 3 ج 2 سنة 909 في مدة شهرين (نسخة منه) فى كتب السيد محمّد باقر الحجة
•
মুকাদ্দিমার ৪১ নম্বর পৃষ্ঠার ৩ নম্বর লাইন: এবং আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খালদুন আল-মাগরিবি তার 'আল-ইবার ওয়া দিওয়ানুল মুবতাদা ওয়াল খবর' নামক কিতাবসমূহের মধ্য থেকে 'মুকাদ্দিমা' নামে পরিচিত প্রথম খণ্ডের ছত্রিশতম অধ্যায়ে ৪৭৭ পৃষ্ঠায় এই অধিকাংশ দাবিগুলো উল্লেখ করেছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে, ক্বারীদের ব্যতীত সাহাবীগণের মধ্যে নিরক্ষরতা একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি ৭৭৬ সালে মুকাদ্দিমা রচনা সম্পন্ন করেন এবং এটি মিশরে পূর্ণ সাত খণ্ডসহ বাকি সব খণ্ডের সাথে মুদ্রিত হয়েছে।
এবং অতি সম্প্রতি ১৯৫৬ সালে লেবাননের বৈরুতের দারুল কিতাব আল-লুবনানিতে এটি মুদ্রিত হয়েছে।
•
৩ নম্বর পৃষ্ঠার ১৩ নম্বর লাইন: এটি হলো ফাতাওয়ায়ে কাজিখান যা ২য় খণ্ডের ১২২৭ পৃষ্ঠায় আসবে; এটি ফখরুল দিন হাসান ইবনে মানসুর আল-হানাফির সংকলন, যিনি ৫৯২ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং 'কাজিখান' উপাধিতে ভূষিত।
•
৩ নম্বর পৃষ্ঠার ১৪ নম্বর লাইন: সুলতান ইব্রাহিম শাহ, উসমানীয় তুর্কি সুলতানদের মধ্যে ১৮তম - যা তাদের প্রথম সুলতান উসমানের দিকে সম্পৃক্ত যিনি ৬৯৯ সালে সালতানাত লাভ করেন, ৬৫৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৭২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে বলা হয় প্রথম ইব্রাহিম ইবনে প্রথম আহমদ ইবনে তৃতীয় মুহাম্মদ ইবনে তৃতীয় মুরাদ ইবনে দ্বিতীয় সেলিম ইবনে প্রথম সুলাইমান ইবনে প্রথম সেলিম ইবনে দ্বিতীয় বায়েজিদ, যিনি ৮১৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। সুলতান ইব্রাহিম শাহ ১০৪৯ থেকে ১০৫১ সাল পর্যন্ত সিংহাসনে আসীন ছিলেন, ফলে প্রতীয়মান হয় যে গ্রন্থটি এই দুই সময়ের মধ্যবর্তী সময়ে রচিত হয়েছে। ইব্রাহিমের পূর্বে সুলতান ছিলেন তার ভাই সুলতান চতুর্থ মুরাদ, যিনি ১০৪৮ সালে বাগদাদকে উসমানীয় সাম্রাজ্যভুক্ত করেন।
•
৩ নম্বর পৃষ্ঠার ২০ নম্বর লাইন: ইবতালু নাহজিল বাতিল ওয়া ইহমালু কাশফিল বাতিল হলো 'নাহজুল হক ওয়া কাশফুস সিদক' (আল্লামা হিল্লির রচিত)-এর একটি খণ্ডনমূলক জবাব, যা ফজল ইবনে রুজবেহান সংকলন করেছেন। তিনি এটি নিজ মাতৃভূমি ইসফাহান ত্যাগ করে কাশানে আসার পর লিখেছিলেন এবং ৯০৯ সালের ৩রা জমাদিউস সানি মাসে দুই মাস সময়ের মধ্যে এটি সম্পন্ন করেন। (এর একটি অনুলিপি) সায়্যিদ মুহাম্মদ বাকির আল-হুজজার কিতাবসমূহের মধ্যে সংরক্ষিত রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১০)
بكربلاء. وقد كتب القاضي نور الله المرعشي في رده احقاق الحق المطبوع مكررا (وكذلك الحجة المرحوم الشيخ محمّد حسن المظفر المتوفى سنة 1375 فقد رد كتاب الفضل بن روزبهان بكتابه دلائل الصدق المطبوع في ثلاث مجلدات).
•
صفحة 4 سطر 6: ابكار الافكار في الانشاءات-لجمال الدين محمّد بن ابراهيم بن يحيى الكتبي المتوفى سنة 728 الملقب بالوطواط أيضا كما ذكره المصنف في ص 181 ولعلهما واحد فراجعه.
•
صفحة 5 سطر 15:-أبو يوسف-في ترجمة أبي يوسف القاضي يعقوب بن ابراهيم بن حبيب بن خنيس بن سعد ابن جنة المتوفى سنة 182 هـ ألفه خازن مقبرته أحمد بن ابراهيم وطبع سنة 1367 مع تقريظ السيد هبة الدين وطه الراوى خطيب جامع الامام الأعظم والمتوفى سنة 1946 م وعباس العزاوي المحامي.
•
صفحة 6 سطر 26:-اتحاف الذكي النبيه بجواب ما يقول الفقيه-للشيخ محمّد ابن المارديني الشهير بابن عابدين الحنفي طبع ضمن مجموعة رسائله بمطبعة السعادة في اسلامبول سنة 1345 هـ حل فيه الرباعية وهي:
ما يقول الفقيه أيده الله
… ولا زال عنده الاحسان
فى فتى علق الطلاق بشهر
… قبل ما بعد قبله رمضان
ونظيرها:
وعدت في الخميس وصلا ولكن
… شاهدت حولنا العدى كالخميس
أخلفت وعدها وجاءت الينا
… قبل ما بعد قبل يوم الخميس
•
صفحة 7 سطر 27: (طبع اتعاظ الخنفا اخيرا بمصر.
سنة 1367 فى 392 صفحة بتحقيق الدكتور الشيال)
কারবালায়। কাজী নূরুল্লাহ আল-মারআশি তার খণ্ডনমূলক গ্রন্থ 'ইহকাকুল হাক'-এ লিখেছেন যা বারবার মুদ্রিত হয়েছে (তেমনিভাবে আল-হুজ্জাহ মরহুম শেখ মুহাম্মদ হাসান আল-মুজাফফর, মৃত্যু ১৩৭৫ হি., ফজল বিন রুজবেহানের গ্রন্থের খণ্ডন করেছেন তার 'দালাইলুস সিদক' নামক গ্রন্থের মাধ্যমে যা তিন খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ৪, লাইন ৬: আবকারুল আফকার ফিল ইনশাআত- জামালুদ্দিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন ইয়াহইয়া আল-কুতুবী এর রচিত, মৃত্যু ৭২৮ হি., তাকে আল-ওয়াতওয়াত উপাধিও দেওয়া হয় যেমনটি গ্রন্থকার ১৮১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন এবং সম্ভবত তারা একই ব্যক্তি, বিষয়টি দেখে নিন।
•
পৃষ্ঠা ৫, লাইন ১৫:-আবু ইউসুফ- এটি কাজী আবু ইউসুফ ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন হাবিব বিন খুনায়েস বিন সাদ ইবনে জান্নাহ (মৃত্যু ১৮২ হি.) এর জীবনী বিষয়ক, যা তার মাজারের খাদেম আহমদ বিন ইব্রাহিম রচনা করেছেন এবং ১৩৬৭ হিজরিতে সায়্যেদ হেবাতুদ্দীন ও ১৯৪৬ সালে মৃত্যুবরণকারী জামে ইমামে আজমের খতিব ত্বহা আল-রাবী এবং আইনজীবী আব্বাস আল-আজ্জাউয়ীর প্রশংসাপত্রসহ মুদ্রিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৬, লাইন ২৬:-ইতিহাফুয যাকি আন-নাবিহ বি-জাওয়াবি মা ইয়াকুলুল ফকিহ- শেখ মুহাম্মদ ইবনে আল-মারদিনী যিনি ইবনে আবিদিন আল-হানাফি নামে পরিচিত তার রচিত, এটি ১৩৪৫ হিজরিতে ইস্তাম্বুলের আস-সাআদাহ ছাপাখানায় তার রিসালাহ সংকলনের অংশ হিসেবে মুদ্রিত হয়েছে। এতে তিনি এই চতুষ্পদী কবিতাটির সমাধান করেছেন যা হলো:
ফকিহ কী বলেন আল্লাহ তাকে সাহায্য করুন
… এবং তার কাছে সর্বদা অনুগ্রহ জারি থাকুক
এমন এক যুবকের বিষয়ে যে তালাককে একটি মাসের সাথে ঝুলিয়ে দিয়েছে
… রমজানের আগের পরের আগের মাসে
এবং এর অনুরূপ:
সে বৃহস্পতিবার সাক্ষাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কিন্তু
… আমি আমাদের চারপাশে শত্রুদেরকে বিশাল বাহিনীর মতো দেখলাম
সে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করল এবং আমাদের কাছে এলো
… বৃহস্পতিবারের আগের পরের আগের দিন
•
পৃষ্ঠা ৭, লাইন ২৭: (সম্প্রতি মিশরে ইতিআযুল হুনাফা মুদ্রিত হয়েছে।
১৩৬৭ হিজরিতে ৩৯২ পৃষ্ঠায় ডক্টর আল-শাইয়ালের সম্পাদনায়)
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১১)
•
صفحة 9 سطر 4:-الاثار العلوية-لمحمد بن مسعود ينقل عنه المسعودي كثيرا.
الآثار العلوية- للخواجه مظفر الشيرازي بدأ بمقدمات ثلاث ثم المقصد كما في المنقول عنه في راحة الروح.
•
صفحة 9 سطر 28:-أثار العشرة-عشرة تخميسات لقصيدة البردة الميمية البوصيرية، يأتي تفصيلها في القصايد بعنوان قصيدة بانت سعاد.
•
صفحة 10 سطر 7:- اثمار الأشجار-فارسي في النجوم مرتب على سبع شعب في كل شعبة ثمرات لعليشاه بن محمّد بن قاسم الخوارزمى المعروف بالبخاري أوله: حمد وثنا آفريده كمارير الخ ألفه باسم الأمير محمّد بن سيف الدين أحمد شاه بن مباركشاه، وأحال فيه الى كتابه (عمدة ايلخانية) في منتخب زيج الجديد كما يأتي تفصيله في المتن (توجد نسخته) في مكتبة المشكاة بطهران.
•
صفحة 16 سطر 21:-احداق العيون في اعلاق الفنون-نقل عنه ابن نما في مثير الاحزان.
•
صفحة 17 سطر 16:-أوله: الحمد لله خالق الأفلاك ومديرها ومزينها بالشهب الثاقبة (نسخة منه) عند الحاج شيخ محمّد سلطان المتكلمين ونسخة بخط السيد محمّد بن خليفة 1299 وفيها فراغ المؤلف في الأحد 15 شعبان سنة 620 (والكتاب مطبوع بمصر في سنة 1332).
•
صفحة 18 سطر 6: نسخة منه عند الأقاناصر الطهرانى، ألفه بعد سنة 1088.
•
صفحة 18 سطر 8: ورتب على مقالتين كل منهما ذات أبواب.
•
صفحة 19 سطر 29: أوله (ثناي بي منتهى حضرت كبرياء خدا بترا كه آفريده كاري او از حاجت بمعاضد ومعادن خاليست) فى مجموعة 57 رسالة كلها بخط الحاج محمود النيريزي المجاز من المير صدر الدين الدشتكى في سنة 903 عند الحاج سيد نصر الله الاخوى بطهران.
•
صفحة 20 سطر 5: بل أول من ألّف فيه ابو النضر محمّد بن السائب الكلبي المتوفى سنة 146 ذكره ابن النديم.
•
পৃষ্ঠা ৯ লাইন ৪:-আল-আসার আল-আলাউইয়্যাহ-মুহাম্মদ বিন মাসউদের কিতাব, আল-মাসউদি তার থেকে অনেক বর্ণনা করেছেন।
আল-আসার আল-আলাউইয়্যাহ- খাজা মুজাফফর আশ-শিরাজীর লিখিত; এটি তিনটি ভূমিকা এবং এরপর মূল উদ্দেশ্যের বর্ণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে, যেমনটি রাহাহ আল-রুহ কিতাবে তার থেকে উদ্ধৃত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৯ লাইন ২৮:-আসারুল আশারা-বুসিরির মিমিয়া কাসিদা বুরদা-এর দশটি তাখমিস (পঞ্চপদী স্তবক), যার বিস্তারিত বিবরণ কাসিদা অধ্যায়ে 'কাসিদা বানাত সুয়াদ' শিরোনামে আসবে।
•
পৃষ্ঠা ১০ লাইন ৭:- ইসমারুল আশজার-জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক একটি ফারসি গ্রন্থ যা সাতটি শাখায় বিন্যস্ত এবং প্রতিটি শাখায় অনেকগুলো ফল (সামারাত) রয়েছে। এটি আলিশাহ বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম আল-খাওয়ারিজমি কর্তৃক রচিত, যিনি আল-বুখারি নামে পরিচিত। এর শুরু হয়েছে এভাবে: সমস্ত প্রশংসা ও স্তুতি সেই স্রষ্টার... ইত্যাদি। তিনি এটি আমির মুহাম্মদ বিন সাইফুদ্দিন আহমদ শাহ বিন মুবারক শাহ-এর নামে রচনা করেছেন। এতে তিনি তার ‘উমদাতুল ইলখানিয়্যাহ’ নামক কিতাবের হাওয়ালা দিয়েছেন মুনতাখাব যিজ আল-জাদিদ অধ্যায়ে, যার বিস্তারিত বর্ণনা মূল পাঠে আসবে। এর একটি পাণ্ডুলিপি তেহরানের মিশকাত লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
•
পৃষ্ঠা ১৬ লাইন ২১:-আহদাকুল উয়ুন ফি আ'লাকিল ফুনুন-ইবনে নামা ‘মুসিরুল আহজান’ কিতাবে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
•
পৃষ্ঠা ১৭ লাইন ১৬:-এর প্রারম্ভিক কথা: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আসমানসমূহ ও কক্ষপথের স্রষ্টা, এর পরিচালক এবং একে উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজির দ্বারা সুশোভিতকারী। এর একটি পাণ্ডুলিপি আল-হাজ শেখ মুহাম্মদ সুলতানুল মুতাকাল্লিমিনের নিকট রয়েছে এবং ১২৯৯ হিজরিতে আল-সাইয়্যিদ মুহাম্মদ বিন খলিফার হস্তাক্ষরে লিখিত আরেকটি কপি রয়েছে। লেখক এটি ৬২০ হিজরির ১৫ই শাবান রবিবার সম্পন্ন করেন (এবং কিতাবটি ১৩৩২ হিজরিতে মিশরে মুদ্রিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ১৮ লাইন ৬: এর একটি পাণ্ডুলিপি আকা নাসের আল-তেহরানির কাছে আছে; তিনি এটি ১০৮৮ হিজরির পর রচনা করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ১৮ লাইন ৮: এটি দুইটি প্রবন্ধের (মাকালাহ) উপর বিন্যস্ত করা হয়েছে এবং প্রতিটি প্রবন্ধে একাধিক অধ্যায় রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৯ লাইন ২৯: এর শুরু হয়েছে এভাবে: (আল্লাহর মহান দরবারে অসীম প্রশংসা, যার সৃষ্টিতত্ত্ব কোনো সহযোগী বা উপাদানের মুখাপেক্ষী নয়)। এটি ৫৭টি রিসালার একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত যা সম্পূর্ণরূপে আল-হাজ মাহমুদ আল-নাইরিজির হস্তাক্ষরে লিখিত। তিনি ৯০৩ হিজরিতে মীর সদরুদ্দিন আদ-দাশতাকি থেকে অনুমতিপ্রাপ্ত ছিলেন। এটি তেহরানের আল-হাজ সাইয়্যিদ নাসরুল্লাহ আল-আখাভির নিকট সংরক্ষিত।
•
পৃষ্ঠা ২০ লাইন ৫: বরং এই বিষয়ে প্রথম গ্রন্থ রচনা করেছেন আবু আন-নাদর মুহাম্মদ বিন আল-সায়েব আল-কালবি (মৃত্যু ১৪৬ হিজরি), যা ইবনুন নাদিম উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১২)
•
صفحة 24 سطر 31: (لباب الأحياء) نسخة منه في موقوفة مدرسة فاضلخان بالمشهد الرضوي.
(وقد كتب العلامة الملا محسن الملقب بالفيض الكاشاني كتابه المحجة البيضاء في إحياء الأحياء وقد طبع فى المطبعة الاسلامية على نسخة قابلها ولد المؤلف على مسودة المصنف بمقدمة ضافية المعلامة المشكاة في اربع مجلدات).
•
صفحة 29 سطر 24: ذكر سيدنا السيد حسن صدر الدين ان اسم الكتاب: المرشد في أخبار المتكلمين، أقل من مأتى ورقة. وهو شيعى بتصريح اليافعى وابن خلكان فى تاريخيهما.
•
صفحة 30 سطر 24: (اخبار الموصل) فى أول الوافى للصفدي انه للخالديين.
•
صفحة 31 سطر 13: توجد منه نسخة فى مكتبة مدرسة السيد محمّد كاظم اليزدى في النجف أوله (الحمد لله الذي شرّفنا بالنطق والبيان) مرتب على الأبواب بعد حروف أوائل الكلمة، وكل باب على فصول بعد الحروف الثانية، وللمؤلف عليه حواشى كثيرة كلها بالتركية رمزها منه «ره».
•
صفحة 33 سطر 14: اختلافات القراء: يوجد بخط قديم جدا في الخزانة الغروية.
اختلاف القراء: على ترتيب السور من الفاتحة الى الناس نسخة عتيقة في مكتبة الحاج ميرزا محمّد حسين الشهرستانى وفي سورة التوحيد ذكر كفوا بالواو، وكفؤا بالهمزة، وكفا باسقاط الواو والهمزة.
•
صفحة 35 سطر 5: يوجد في كتب مدرسة فاضلخان: أوله عونك يا معين سباس وستايش حضرت عزت ذو الجلال را.
•
صفحة 36 سطر 32: فيه وهم لأنه للشيخ ابي علي بن مسكويه الرازي، نعم للشيخ الرئيس اخلاق اسمه (البر والاثم) ألفه لأبي بكر البرقي الخوارزمى وكانت النسخة عنده ولم ينتسخ عنها كما حكاه تلميذ المصنف ابو عبيد الجوزجاني عنه.
•
صفحة 38 سطر 13: الأخلاق المشجر لأحمد بن محمّد ابن أبي الربيع كتبه للمعتصم العباسى في سنة 655 هـ في اربعة فصول أوله: الحمد لله الذي خلق الانسان في أحسن تقويم (توجد نسخته) فى الرضوية وقف سنة 1067 هـ.
•
পৃষ্ঠা ২৪ লাইন ৩১: (লুবাব আল-ইয়াহইয়া) এর একটি পাণ্ডুলিপি মাশহাদ আর-রাদাওয়িতে অবস্থিত ফাদিল খান মাদরাসার ওয়াকফকৃত সংগ্রহে রয়েছে।
(আল্লামা মোল্লা মুহসিন, যিনি ফয়জ আল-কাশানি নামে পরিচিত, তিনি আল-মাহাজ্জাহ আল-বায়দা ফি ইয়াহইয়া আল-ইয়াহইয়া বইটি লিখেছেন। এটি ইসলামিয়া প্রেস থেকে লেখকের পুত্রের দেখা মূল পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে মুদ্রিত হয়েছে, যাতে আল্লামা আল-মিশকাতের একটি বিস্তারিত ভূমিকা রয়েছে এবং এটি চার খণ্ডে সমাপ্ত)।
•
পৃষ্ঠা ২৯ লাইন ২৪: আমাদের সাইয়্যিদ আল-হাসান সদর আদ-দিন উল্লেখ করেছেন যে, কিতাবটির নাম হলো: আল-মুরশিদ ফি আখবারিল মুতাকাল্লিমীন, যা দুইশ পৃষ্ঠারও কম। ইয়াফেয়ী এবং ইবনে খাল্লিকান তাদের উভয় ইতিহাসগ্রন্থে স্পষ্টভাবে একে শিয়া মতাবলম্বী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩০ লাইন ২৪: (আখবার আল-মাওসিল) আস-সাফাদির 'আল-ওয়াফি' কিতাবের শুরুতে বর্ণিত হয়েছে যে, এটি খালিদীয়দের রচনা।
•
পৃষ্ঠা ৩১ লাইন ১৩: নাজাফে অবস্থিত সাইয়্যিদ মুহাম্মদ কাজিম ইয়াজদি মাদরাসার লাইব্রেরিতে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে। এর শুরু হয়েছে (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের কথা বলা ও ভাব প্রকাশের মাধ্যমে সম্মানিত করেছেন) বাক্য দিয়ে। এটি শব্দের প্রথম অক্ষরের ক্রমানুসারে অধ্যায় আকারে সাজানো এবং প্রতিটি অধ্যায় দ্বিতীয় অক্ষরের ক্রমানুসারে পরিচ্ছেদ অনুযায়ী বিন্যস্ত। পাণ্ডুলিপিতে লেখকের অনেক টীকা রয়েছে যার সবগুলিই তুর্কি ভাষায় এবং এর সংকেত হিসেবে তিনি 'রাহ' ব্যবহার করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৩ লাইন ১৪: ইখতিলাফাত আল-কুররা: আল-খিজানাহ আল-গারাউইয়্যাহ-তে এর অত্যন্ত প্রাচীন হাতে লেখা একটি কপি রয়েছে।
ইখতিলাফ আল-কুররা: সূরা ফাতিহা থেকে সূরা নাস পর্যন্ত সূরাগুলোর ক্রম অনুযায়ী একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি হাজি মির্জা মুহাম্মদ হুসাইন আশ-শাহরিস্তানির লাইব্রেরিতে রয়েছে। সূরা আত-তাওহিদে 'কুফুওয়ান' শব্দটিকে 'ওয়াও' দিয়ে, 'কুফুআন' শব্দটিকে 'হামজা' দিয়ে এবং 'কুফান' শব্দটিকে 'ওয়াও' ও 'হামজা' বাদ দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৫ লাইন ৫: ফাদিল খান মাদরাসার কিতাবসমূহের মধ্যে এটি পাওয়া যায়: এর শুরু হয়েছে 'হে সাহায্যকারী তোমার সাহায্য চাই, মহান প্রতাপশালী আল্লাহর দরবারে সমস্ত প্রশংসা ও স্তুতি' বাক্য দিয়ে।
•
পৃষ্ঠা ৩৬ লাইন ৩২: এতে একটি বিভ্রান্তি রয়েছে কারণ এটি শেখ আবু আলী বিন মিসকাওয়াইহ আর-রাজির কিতাব। তবে শেখ আর-রাইস (ইবনে সিনা) এর 'আখলাক' বিষয়ক একটি গ্রন্থ রয়েছে যার নাম 'আল-বিরর ওয়াল ইছম'। তিনি এটি আবু বকর আল-বারকি আল-খাওয়ারিজমির জন্য লিখেছিলেন। পাণ্ডুলিপিটি তার নিকটেই ছিল এবং তা থেকে আর কোন অনুলিপি করা হয়নি, যেমনটি লেখকের ছাত্র আবু উবায়েদ আল-জুজজানি তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৮ লাইন ১৩: আহমদ বিন মুহাম্মদ ইবনে আবি আল-রবি' রচিত 'আল-আখলাক আল-মুশাজ্জার' কিতাবটি তিনি ৬৫৫ হিজরিতে আব্বাসীয় খলিফা আল-মু'তাসিমের জন্য চার অধ্যায়ে লিখেছিলেন। এর শুরু হলো: 'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মানুষকে সর্বোত্তম অবয়বে সৃষ্টি করেছেন'। এর একটি পাণ্ডুলিপি ১০৬৭ হিজরিতে ওয়াকফকৃত অবস্থায় রাদাওয়িয়্যাহ লাইব্রেরিতে বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
•
صفحة 39 سطر 24: أوله: المنة لواهب العقل هذه رسالة في آداب البحث يحتاج اليها كل متعلم للكون، حافظة له عن الضلالة فى البحث
… وجعلته تحفة للاخ العزيز ملك الصدور والاعيان شرف الأماثل والاقران نجم الملة والدين عبد الرحمن أدام الله أيامه، الى قوله: وهي مرتبة على ثلاثة فصول: الأول: في التعريفات، والثاني في ترتيب البحث، والثالث فى المسائل التي احترز عنها كما في النسخة التي شرحها فخر خراسان الآتي ذكرها قريبا المكتوبة سنة 840 هـ.
•
صفحة 40 سطر 19: نسختها موجودة عند الشيخ عبد الحسين البغدادي.
•
صفحة 40 سطر 25: نسخة منه عند محمّد كاظم الطريحي وتاريخها: أول رمضان سنة 855 هـ وسمى في أول الخطبة بالمآب في شرح الآداب، وعبّر الشارح عن نفسه بأبي العلاء محمّد بن محمّد البهشتي الاسفرايني. ونسخة عند السيد محمّد مفتى الشيعة الاردبيلى فى النجف تاريخها 840 هـ اسم الشرح-كما صرح فيه-المآرب في شرح الآداب والظاهر ان زيادة الراء من غلط النسخة.
•
صفحة 45 سطر 24: أوله الحمد لله ذي الطول والآلاء يوجد في مجموعة من وقف المرحوم العلامة السيد عباس الخرسان النجفي فى مكتبة بيت الخرسان.
•
صفحة 49 سطر 6: الادب والمروة لصالح بن جناح طبع ضمن مجموعة رسائل البلغاء في سنة 1330 بمباشرة محمّد كرد علي.
•
صفحة 49 سطر 12: ادب الوزراء لأحمد بن جعفر ابن شاذان ذكره السيد (ابن طاووس) في الاقبال.
•
صفحة 54 سطر 23: اربعين البدليسي: لادريس بن حسام البدليسى، فارسى، عشرون منها في معرفة الله وعشرون منها في الأخلاق، أوله: الحمد لله الذي نزل أحسن الحديث وفى آخره: أربعون حديثا نظم مضمون كل منها في رباعية فى سنة 886، وتاريخ الكتابة 1166 رأيته عند عبد الكريم العطار في الكاظمية.
•
পৃষ্ঠা ৩৯ লাইন ২৪: এর শুরু: সমস্ত প্রশংসা মহাজ্ঞান দানকারীর জন্য। এটি গবেষণা ও তর্কের শিষ্টাচার (আদাবুল বাহাস) বিষয়ক একটি রিসালাহ, যার প্রয়োজন প্রত্যেক শিক্ষার্থীর রয়েছে, যা তাকে গবেষণার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করে
... এবং আমি একে উপহার হিসেবে তৈরি করেছি প্রিয় ভাই, প্রধান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যমণি, সমসাময়িক শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের গৌরব, মিল্লাত ও দ্বীনের নক্ষত্র আব্দুর রহমানের জন্য, আল্লাহ তার জীবন দীর্ঘায়িত করুন। লেখকের এই উক্তি পর্যন্ত: এটি তিনটি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত: প্রথমটি: সংজ্ঞাসমূহ সম্পর্কে, দ্বিতীয়টি: আলোচনার ক্রমবিন্যাস সম্পর্কে, এবং তৃতীয়টি: ঐসব মাসআলা সম্পর্কে যা থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন, যেমনটি ফখরু খরাসানের ব্যাখ্যা করা পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে যার উল্লেখ সামনে আসবে, যা ৮৪০ হিজরিতে লিখিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৪০ লাইন ১৯: এর একটি পাণ্ডুলিপি শেখ আব্দুল হোসেন আল-বাগদাদীর নিকট বিদ্যমান রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৪০ লাইন ২৫: এর একটি পাণ্ডুলিপি মুহাম্মদ কাজিম আল-তুরাইহির নিকট রয়েছে এবং এর তারিখ হলো: ৮৫৫ হিজরির ১লা রমজান। খুতবার শুরুতে এর নাম দেওয়া হয়েছে 'আল-মাআব ফি শারহিল আদাব'। ব্যাখ্যাকার নিজের পরিচয় দিয়েছেন আবুল আলা মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বেহেশতি আল-ইসফিরায়িনি হিসেবে। আরেকটি পাণ্ডুলিপি নাজাফের শিয়া মুফতি সাইয়্যিদ মুহাম্মাদ আল-আরদাবিলীর কাছে রয়েছে যার তারিখ ৮৪০ হিজরি। ব্যাখ্যার নাম—যেভাবে তাতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—'আল-মাআরিব ফি শারহিল আদাব'। সম্ভবত 'রা' বর্ণটির সংযুক্তি পাণ্ডুলিপিকারের ভুল।
•
পৃষ্ঠা ৪৫ লাইন ২৪: এর শুরু: সমস্ত প্রশংসা মহানুভবতা ও নেয়ামতের অধিকারী আল্লাহর জন্য। এটি মরহুম আল্লামা সাইয়্যিদ আব্বাস আল-খুরসান আল-নাজাফীর ওয়াকফকৃত পাণ্ডুলিপি সংগ্রহের মধ্যে বাইতুল খুরসান লাইব্রেরিতে বিদ্যমান।
•
পৃষ্ঠা ৪৯ লাইন ৬: সালেহ ইবনে জানাহ রচিত 'আল-আদাব ওয়াল মুরুওয়াহ'। এটি ১৩৩০ সালে মুহাম্মদ কুর্দ আলীর তত্ত্বাবধানে 'রাসায়িলুল বুলাগা' সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৪৯ লাইন ১২: আহমদ বিন জাফর ইবনে শাযান রচিত 'আদাবুল উজারা'। সাইয়্যিদ (ইবনে তাউস) 'আল-ইকবাল' গ্রন্থে এর উল্লেখ করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৫৪ লাইন ২৩: আরবাঈনে বদলিসি: ইদ্রিস বিন হুসাম আল-বদলিসি রচিত, ফারসি ভাষায়। এর মধ্যে বিশটি আল্লাহর মারিফাত (পরিচয়) এবং বিশটি চরিত্র (আখলাক) বিষয়ক। এর শুরু: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সর্বোত্তম বাণী অবতীর্ণ করেছেন। এবং এর শেষে রয়েছে: চল্লিশটি হাদিস যার প্রত্যেকটির বিষয়বস্তু ৮৮৬ সালে রুবাই আকারে ছন্দোবদ্ধ করা হয়েছে। পাণ্ডুলিপিটি অনুলিখনের তারিখ ১১৬৬ হিজরি। আমি এটি কাজিমিয়ার আব্দুল কারীম আল-আত্তারের কাছে দেখেছি।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
•
صفحة 57 سطر 25: هو رضي الدين أبو الحسين احمد ابن اسماعيل بن يوسف بن محمّد بن العباس القزوينى الطالقانى المولود بقزوين سنة 512 والمتوفى بها سنة 590 كما ترجمه السبكي في ص 35 من الجزء الرابع ممن طبقات الشافعية الكبرى، وينقل عن كتابه الأربعين في المنتقى من مناقب أمير المؤمنين عليه السلام السيد رضي الدين علي بن طاووس في كتاب اليقين.
وتوجد منه نسخة ضمن مجموعة برقم 539 في المكتبة السليمانية بتركيا. تاريخها 599، راجع مقدمة ينابيع المودة بقلم محمّد مهدي السيد حسن الخرسان ص 7 طبعة الحيدرية فى النجف سنة 1384 هـ.
(الأربعين في مناقب أمير المؤمنين عليه السلام لجلال الدين عطاء الله بن فضل الله الحسيني الشيرازى المتوفى سنة 1000 هـ راجع ص 7 مقدمة الينابيع.
•
صفحة 61 سطر 5: توجد منه في الخزانة الرضوية نسختان تامة وناقصة، ونسخة في كتب السيد خليفة الأحسائي.
•
صفحة 62 سطر 5: (ارتقاء الغرف بحب أقرباء الرسول ذوى الشرف) لشمس الدين السخاوى الشافعى المتوفى سنة 902 - راجع ص 7 مقدمة كتاب ينابيع المودة بقلم محمّد مهدى السيد حسن الخرسان).
•
صفحة 64 سطر 14: ارشاد الانام في حكم قراءة القرآن بغير إحكام، للشيخ علي سالم المتوفي من كبار العلماء بالجامع الاحمدي بالقاهرة ألفه في سنة 1324 وهو مطبوع وسمعت بعض أحاديثه من الشيخ محمّد علي المالكى في 15 ذى الحجة سنة 1364 في داره بمكة المعظمة.
•
صفحة 66 سطر 17: لخصه المولى علي بن حاتم وكتبه بخطه في /2 ج 1/ 1137 ضمن مجموعة اكثرها بخط الشيخ احمد بن صالح الطعان السترى والنسخة عند الشيخ حسين القديحي.
•
صفحة 67 سطر 26: توجد نسخته في الخزانة الرضوية بخط السيد نعمة الله الجزائري سنة 1060 هـ.
•
صفحة 68 سطر 4: توجد نسخته في الخزانة الرضوية
•
পৃষ্ঠা ৫৭ লাইন ২৫: তিনি হলেন রাযিউদ্দিন আবুল হুসাইন আহমাদ ইবন ইসমাঈল ইবন ইউসুফ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্বাস আল-কাযউইনি আত-তালকানি। তিনি ৫১২ হিজরিতে কাযউইনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৫৯০ হিজরিতে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন, যেমনটি সুবকী 'তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ আল-কুবরা'-এর চতুর্থ খণ্ডের ৩৫ পৃষ্ঠায় তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন। সাইয়্যিদ রাযিউদ্দিন আলী ইবন তাউস তাঁর 'কিতাবুল ইয়াকিন' গ্রন্থে তাঁর 'আল-আরবাউন ফিল মুনতাকা মিন মানাকিবি আমিরুল মুমিনিন আলাইহিস সালাম' গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।
তুরস্কের সুলায়মানিয়া লাইব্রেরিতে ৫৩৯ নম্বর সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে। এর তারিখ ৫৯৯ হিজরি, দেখুন মুহাম্মদ মাহদী আস-সাইয়্যিদ হাসান আল-খুরসানের লেখা 'ইয়ানাবিউল মাওয়াদ্দাহ' গ্রন্থের ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৭, নাজাফের হায়দারিয়া মুদ্রণ, ১৩৮৪ হিজরি।
(আমিরুল মুমিনিন আলাইহিস সালাম-এর গুণাবলি বিষয়ে 'আল-আরবাউন', জালালুদ্দিন আতাউল্লাহ ইবন ফাদলুল্লাহ আল-হুসাইনি আশ-শিরাজি কর্তৃক রচিত, যিনি ১০০০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, দেখুন 'ইয়ানাবি' গ্রন্থের ভূমিকার ৭ পৃষ্ঠা।
•
পৃষ্ঠা ৬১ লাইন ৫: এর দুটি পাণ্ডুলিপি রাযাবিয়া লাইব্রেরিতে রয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ এবং অন্যটি অসম্পূর্ণ; এবং একটি পাণ্ডুলিপি সাইয়্যিদ খলিফা আল-আহসাঈর বইপত্রের মধ্যে রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৬২ লাইন ৫: (ইরতিকাউল গুরাফ বি-হুব্বি আকরিবা ইর-রাসূল যাউইশ শারাফ) শামসুদ্দিন আস-সাখাবি আশ-শাফিঈ কর্তৃক রচিত, যিনি ৯০২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন - দেখুন মুহাম্মদ মাহদী আস-সাইয়্যিদ হাসান আল-খুরসান রচিত 'ইয়ানাবিউল মাওয়াদ্দাহ' গ্রন্থের ভূমিকার ৭ পৃষ্ঠা।
•
পৃষ্ঠা ৬৪ লাইন ১৪: ইরশাদুল আনাম ফি হুকমি কিরাতিল কুরআন বি-গাইরি ইহকাম, যা কায়রোর জামে আহমাদির প্রখ্যাত আলেমদের অন্যতম শায়খ আলী সালিম (প্রয়াত) কর্তৃক রচিত। তিনি এটি ১৩২৪ হিজরিতে রচনা করেন এবং এটি মুদ্রিত হয়েছে। আমি এর কিছু হাদিস ১৩৬৪ হিজরির ১৫ই জিলহজ মক্কা মুকাররামায় শায়খ মুহাম্মদ আলী আল-মালিকির নিকট তাঁর বাসভবনে শুনেছি।
•
পৃষ্ঠা ৬৬ লাইন ১৭: মাওলা আলী ইবন হাতিম এটি সংক্ষেপ করেছেন এবং ১১৩৭ হিজরির ২রা জুমাদাল উলা-তে এটি নিজ হস্তাক্ষরে লিখেছেন। এটি এমন একটি সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত যার অধিকাংশ শায়খ আহমাদ ইবন সালিহ আত-তাআন আস-সিতরির হস্তলিপিতে লিখিত। পাণ্ডুলিপিটি শায়খ হুসাইন আল-কুদাইহির নিকট রক্ষিত আছে।
•
পৃষ্ঠা ৬৭ লাইন ২৬: এর একটি পাণ্ডুলিপি রাযাবিয়া লাইব্রেরিতে সাইয়্যিদ নি'মাতুল্লাহ আল-জাযাইরির হস্তলিপিতে ১০৬০ হিজরি সনের রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৬৮ লাইন ৪: এর পাণ্ডুলিপি রাযাবিয়া লাইব্রেরিতে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
بخط السيد محمّد بن سعد الله الحسيني سنة 929
•
صفحة 68 سطر 7: موجود من الشرح المزجى في الخديوية اسمه الرشاد وكذا في النجف عند السيد محمّد الموسوي الجزائري.
•
صفحة 74 سطر 6: توجد نسخته في الخزانة الرضوية وقف نادرشاه سنة 1145 وطبع في مصر سنة 1306.
•
صفحة 74 سطر 29: أساس الكياسة في العلوم الاربعة المنطق والطبيعى والالهي والرياضى، شرحه الشيخ برهان الدين النسفي المولود سنة 600 والمتوفي سنة 684 كما في مرات الجنان والشذرات أو سنة 686 كما حكاه الزركلى عن الفوائد البهية، واسمه محمّد بن محمّد بن محمّد كما في الكتابين، ومحمّد بن محمود بن محمّد كما في الشذرات غلطا، رأيت الشرح المقروء على الشارح في سنة 678 في المكتبة الرضوية في 1365 والقارى على الشارح هو كاتب النسخة واسمه محمّد بن علي بن تركى البدخشانى الكاشغرى.
•
صفحة 76 سطر 24: ينقل عنه السيد رضي الدين ابن طاووس في سعد السعود المؤلف سنة 651.
•
صفحة 77 سطر 3: (بن شعيب) غلط وصوابه بن شهر اشوب.
•
صفحة 77 سطر 5: أوله: العمر قصير والصناعة طويلة والوقت ضيق والتجربة خطر الخ وشرحه لعلاء الدين أبي الحسن علي بن النفيس القرشى المتوفى سنة 687 هـ عنوانه قال: وتوجد نسخة الشرح في مدرسة الصدر في النجف الاشرف
•
صفحة 80 سطر 10: توجد منه نسختان في الخزانة الرضوية احداهما بخط سليمان بن صاعد في سنة 991 هـ.
•
صفحة 80 سطر 15: الاستكمال في مذاهب القراء فيما يفخم ويمال، وذكر الاختلاف بينهم من أول القرآن الى آخره سورة سورة، هو تأليف الشيخ أبي الطيب عبد المنعم ابن عبد الله بن غليون المقري الحلبى المتوفى سنة 389 هـ كما أرخه الزركلى، توجد نسخته في مكتبة السيد خليفة تاريخها 15 رجب 1139 هـ أوله: الحمد لله الذي خلق الأشياء كلها والبريات.
৯২৯ হিজরী সনে সাইয়্যেদ মুহাম্মদ বিন সা'দুল্লাহ আল-হুসাইনীর হস্তলিপিতে।
•
৬৮ পৃষ্ঠা ৭ম সারি: খেদিভিয়া লাইব্রেরিতে 'আর-রশাদ' নামে একটি মিশ্র ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শারহ মাজজি) বিদ্যমান রয়েছে এবং একইভাবে নাজাফে সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আল-মুসাভী আল-জাযায়েরীর নিকটও তা রয়েছে।
•
৭৪ পৃষ্ঠা ৬ষ্ঠ সারি: এর একটি পাণ্ডুলিপি রাজভীয়া কুতুবখানায় সংরক্ষিত আছে যা ১১৪৫ হিজরী সনে নাদের শাহ ওয়াকফ করেছিলেন এবং এটি ১৩০৬ হিজরী সনে মিসরে মুদ্রিত হয়েছে।
•
৭৪ পৃষ্ঠা ২৯তম সারি: আসাসুল কিয়াসাহ ফীল উলুমিল আরবাআ (যুক্তিবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, ধর্মতত্ত্ব ও গণিত), এর ব্যাখ্যা লিখেছেন শেখ বুরহান উদ্দিন আন-নাসাফী, যিনি ৬০০ হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং মিরআতুল জানান ও আশ-শাযারাত অনুযায়ী ৬৮৪ হিজরী সনে অথবা আল-যিরিকলী আল-ফাওয়াইদ আল-বাহিয়্যাহ থেকে যা বর্ণনা করেছেন সে অনুযায়ী ৬৮৬ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। গ্রন্থদ্বয়ের বর্ণনা অনুযায়ী তাঁর নাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ, তবে আশ-শাযারাতে ভুলবশত মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন মুহাম্মদ লিখিত হয়েছে। আমি ১৩৬৫ হিজরী সনে রাজভীয়া লাইব্রেরিতে ৬৭৮ হিজরী সনে ব্যাখ্যাকারকের নিকট পঠিত সেই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি দেখেছি, আর ব্যাখ্যাকারকের নিকট পাঠকারী ছিলেন এই পাণ্ডুলিপির লেখক যার নাম মুহাম্মদ বিন আলী বিন তুর্কি আল-বাদাখশানি আল-কাশগারি।
•
৭৬ পৃষ্ঠা ২৪তম সারি: সাইয়্যেদ রাযী উদ্দিন ইবনে তাউস ৬৫১ হিজরী সনে রচিত 'সা’দ আস-সুউদ' গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
•
৭৭ পৃষ্ঠা ৩য় সারি: (বিন শুআইব) ভুল, এর সঠিকটি হলো বিন শাহর আশুব।
•
৭৭ পৃষ্ঠা ৫তম সারি: এর শুরু: জীবন সংক্ষিপ্ত, শিল্প দীর্ঘ, সময় সংকীর্ণ এবং অভিজ্ঞতা বিপজ্জনক ইত্যাদি। এর ব্যাখ্যা করেছেন আলাউদ্দিন আবুল হাসান আলী বিন আন-নাফীস আল-কুরাশী (মৃত্যু ৬৮৭ হিজরী), এর শিরোনাম হলো 'তিনি বলেছেন' (ক্বলা)। এই ব্যাখ্যাগ্রন্থের একটি পাণ্ডুলিপি নাজাফে আশরাফের মাদ্রাসা আস-সদরে সংরক্ষিত রয়েছে।
•
৮০ পৃষ্ঠা ১০ম সারি: রাজভীয়া কুতুবখানায় এর দুটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যার একটি ৯৯১ হিজরী সনে সুলাইমান বিন সা'ইদের হস্তলিপিতে লিখিত।
•
৮০ পৃষ্ঠা ১৫তম সারি: আল-ইস্তিকমাল ফী মাযাহিবিল কুররা ফীমা ইউফাখখামু ওয়া ইয়ুমাল, এতে কুরআনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সূরা অনুযায়ী কারীদের মধ্যকার মতভেদ বর্ণিত হয়েছে। এটি শেখ আবু তৈয়ব আব্দুল মুনইম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে গালয়ুন আল-মুকরি আল-হালাবীর রচনা, যিনি যিরিকলীর বর্ণনা অনুযায়ী ৩৮৯ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। এর একটি পাণ্ডুলিপি সাইয়্যেদ খলিফার কুতুবখানায় রয়েছে যার তারিখ ১৫ই রজব ১১৩৯ হিজরী। এর শুরু: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সমস্ত বস্তু ও সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
•
صفحة 81 سطر 23: ملخص الاستيعاب للعلامة جماعة ابن عمر بن عبد الله الزهرى، عمد الى هذا الملخص وهذبه السيد محمّد بن محمّد السندروسى الخطيب في جامع طرابلس في سنة 1151 وسماه الشموس المضيئة كما يأتي:
•
صفحة 84 سطر 13: هو الغزالى المشهدى من شعراء عصر شاه طهماسب توفى سنة 970، ذكر في مجمع الفصحاء.
•
صفحة 87 سطر 8: الجزء الثاني من كتاب الهمدانى في الخزانة الرضوية نسخة عتيقة.
•
صفحة 95 سطر 17: توجد نسخة المحاكمة لمحمد ابن اسعد بن محمّد اليمانى في الخزانة الغروية.
•
صفحة 95 سطر 22: من شروح حاشية ميرزا جان زبدة النقض يأتي.
•
صفحة 95 سطر 26: وفاة ابن كمونة (676) غلط لأنه فرغ من اللمعة الجوينية سنة 679 وتوفى سنة 683 كما في الحوادث الجامعة.
•
صفحة 98 سطر 24: توجد نسخة الاشباه والنظائر في الخزانة الرضوية في مجلدين كتابتهما سنة 1060 هـ ونسخة اخرى كتابتها في سنة 981 في كتب المولى محمّد علي الخوانسارى.
•
صفحة 100 سطر 33: يوجد المنتخب من الاشباه والنظائر للسيوطى في كتب المولى محمّد علي الخوانساري.
•
صفحة 102 سطر 30: الاشتقاق لعبد الملك بن قريب ابن عبد الملك الأصمعى المتوفى سنة 317 رواية أبي خليفة فضل بن حباب الجمحى عن أبي عثمان بكر بن محمّد المازنى وأبي الفضل الرياشى وأبي محمد التوزي الأصمعى توجد نسخته في الخزانة الرضوية وقف سنة 1145.
•
صفحة 103 سطر 4: خواجه محمد بن مباركشاه أوله:
حمد وثنا افريدكارى را له افلاك دوائر ونجوم سوائر بيافريد توجد نسخة منه في الخزانة الرضوية من وقف الحاج عماد فيه خمسة أشجار كل منها ذوات شعب، وكل شعبة ذات اثمار وفي الرضوية نسختان. أخريان أيضا كما انه توجد نسخة في مكتبة المجلس بطهران.
•
পৃষ্ঠা ৮১, লাইন ২৩: আল্লামা জামাআ ইবনে উমর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জুহরির ‘আল-ইস্তিয়াব’-এর সারসংক্ষেপ; সাইয়্যেদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সুনদুরুসি আল-খতিব ১১৫১ হিজরিতে ত্রিপোলির জামে মসজিদে এই সারসংক্ষেপটি সংশোধন ও বিন্যস্ত করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন ‘আশ-শুমুস আল-মুদিয়াহ’, যা সামনে আসছে:
•
পৃষ্ঠা ৮৪, লাইন ১৩: তিনি হলেন শাহ তাহমাসব-এর যুগের কবিদের অন্যতম আল-গাজালি আল-মাশহাদি, যিনি ৯৭০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন; ‘মাজমাউল ফুসাহা’ গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৮৭, লাইন ৮: খাজানা আর-রাদাবিয়্যাহ-তে আল-হামদানির কিতাবের দ্বিতীয় খণ্ডের একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৯৫, লাইন ১৭: খাজানা আল-গারাউইয়্যাহ-তে মুহাম্মদ ইবনে আসআদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ইয়ামানীর ‘আল-মুহাকামাহ’ কিতাবের একটি পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান।
•
পৃষ্ঠা ৯৫, লাইন ২২: মির্জা জান-এর টীকার ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহের মধ্যে ‘জুবদাতুন নাকদ’ সামনে আসছে।
•
পৃষ্ঠা ৯৫, লাইন ২৬: ইবনে কাম্পুনার মৃত্যুসন (৬৭৬) বলা ভুল, কারণ তিনি ৬৭৯ হিজরিতে ‘আল-লুমআ আল-জুওয়াইনিইয়াহ’ সম্পন্ন করেন এবং ৬৮৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, যেমনটি ‘আল-হাওয়াদিস আল-জামিআ’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৯৮, লাইন ২৪: খাজানা আর-রাদাবিয়্যাহ-তে ‘আল-আশবাহ ওয়ান নাজা'ইর’-এর একটি পাণ্ডুলিপি দুই খণ্ডে রয়েছে যা ১০৬০ হিজরিতে লিখিত, এবং আরেকটি পাণ্ডুলিপি যা ৯৮১ হিজরিতে লিখিত তা মাওলা মুহাম্মদ আলি আল-খুনসারির কিতাবসমূহের মধ্যে রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১০০, লাইন ৩৩: মাওলা মুহাম্মদ আলি আল-খুনসারির সংগ্রহশালায় সুয়ুতির ‘আল-আশবাহ ওয়ান নাজা'ইর’-এর নির্বাচিত অংশ (আল-মুনতাখাব) রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১০২, লাইন ৩০: ৩১৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী আব্দুল মালিক ইবনে কারিব ইবনে আব্দুল মালিক আল-আসমায়ির ‘আল-ইশতিকাক’ কিতাব; আবু উসমান বকর ইবনে মুহাম্মদ আল-মাজিনি, আবুল ফজল আর-রিয়াশি এবং আবু মুহাম্মদ আত-তাউজি আল-আসমায়ি থেকে আবু খলিফা ফজল ইবনে হুবাব আল-জুমাহির বর্ণনা। এর একটি পাণ্ডুলিপি খাজানা আর-রাদাবিয়্যাহ-তে ১১৪৫ হিজরিতে ওয়াকফ হিসেবে সংরক্ষিত।
•
পৃষ্ঠা ১০৩, লাইন ৪: খাজা মুহাম্মদ ইবনে মুবারকশাহ, যার শুরু: সমস্ত প্রশংসা ও স্তুতি সেই স্রষ্টার জন্য যিনি ঘূর্ণায়মান আকাশমণ্ডল ও বিচরণশীল নক্ষত্ররাজি সৃষ্টি করেছেন। হাজি ইমাদের ওয়াকফকৃত এর একটি পাণ্ডুলিপি খাজানা আর-রাদাবিয়্যাহ-তে রয়েছে যাতে পাঁচটি বৃক্ষ (নকশা) রয়েছে যার প্রতিটি ডালপালা বিশিষ্ট এবং প্রতিটি শাখা ফলমূল বিশিষ্ট। এছাড়াও রাদাবিয়্যাহ-তে আরও দুটি পাণ্ডুলিপি এবং তেহরানের মাজলিস লাইব্রেরিতে একটি পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
•
صفحة 108 سطر 2: الاصلاح في شرح شرح ديباجة المصباح كتاب المصباح للشيخ عبد القاهر بن عبد الرحمن الجرجاني ذكر في أوله انه ألفه بعد كتبه الثلاثة، المائة عوامل، والجمل، والتتمة، وشرح ديباجته العلامة محمّد بن يوسف، وشرح شرح الديباجة اسمه الاصلاح، رأيته في كتب السيد خليفة الاحسائى، أوله الحمد لله الذي له الكلمة العليا والمثل الأعلى وتاريخ كتابته سنة 1015.
•
صفحة 116 سطر 13: اسبلت علينا من جلابيب كرمك الى قوله وعلى آله واصحابه وأنصاره المواسين وعترته من آل يس وعلى خلفائه الميامين. وقال بعد اوصاف كثيرة لمن ألفه لأجله ظهير الدين احمد بن محمّد بن محمود بن علي الخويي رأيت نسخة منه موقوفة في النجف تاريخ كتابتها يوم الاثنين ثالث شوال سنة ثمان وسبعمائة.
•
صفحة 117 سطر 24: تأليف الشيخ عصام الدين ابراهيم ابن محمّد بن عربشاه الاسفراييمي، اوله الحمد لله على كل حال نسخة منه في مدرسة السيد البروجردى في النجف.
•
صفحة 118 سطر 10: اظهار صدق المودة في شرح القصيدة المعروفة بالبردة، لشرف الدين أبي عبد الله محمّد بن سعيد الدولاصي البوصيري المتوفى سنة 694 لا يعلم الشارح لكنه في كتب مدرسة فاضلخان في المشهد الرضوي وقف سنة 1065 بخط احمد بن جابر بن علي الخداشي اليافعي الشافعي في سنة 1003 ذكر الشارح انه شرحه أولا بماسماه بالاستيعاب.
•
صفحة 118 سطر 30: اعانة المجدين في تصحيح الدين لشرح ام البراهين، شرح مزج أوله: الحمد لله الموصوف بالجلال المنعوت بالاكرام، رأيته عند السيد هادي الاشكوري واليوم في مكتبة الحسينية الشوشترية بالنجف الأشرف مكتوب على بعض صفحاته ان مؤلفه الشيخ زاده. وام البراهين للسنوسي المتوفى سنة 895.
•
صفحة 119 سطر 20: اعتقاد نامه، للمولى عبد الرحمن الجامى، رأيته عند الحاج صدر الذاكرين التفريشى بطهران وفيه الخلفاء الراشدين آخرهم علي عليه السلام.
•
صفحة 121 سطر 6: نسخة منه في طهران عليها خط
•
পৃষ্ঠা ১০৮ লাইন ২: আল-ইসলাহ ফি শারহি শারহি দিবাজাতিল মিজবাহ। শেখ আব্দুল কাহের বিন আব্দুর রহমান আল-জুরাজনীর আল-মিজবাহ কিতাব; তিনি এর শুরুতে উল্লেখ করেছেন যে, এটি তিনি তাঁর তিনটি কিতাব— আল-মিআতু আওয়ামিল, আল-জুমাল এবং আত-তাতিম্মাহ-এর পরে রচনা করেছেন। এর ভূমিকা (দিবাজাহ) ব্যাখ্যা করেছেন আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইউসুফ। আর সেই ব্যাখ্যার ব্যাখ্যার নাম হলো আল-ইসলাহ। আমি এটি সাইয়্যেদ খলিফা আল-আহসাঈর কিতাবসমূহের মধ্যে দেখেছি। এর প্রারম্ভিক বাক্য হলো: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যার বাণী সুউচ্চ এবং উদাহরণ সর্বোত্তম। এর অনুলিপি সম্পন্ন হওয়ার তারিখ ১০১৫ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ১১৬ লাইন ১৩: 'আপনি আপনার করুণার চাদর আমাদের ওপর বিছিয়ে দিয়েছেন'—এখান থেকে তাঁর এই কথা পর্যন্ত যে, 'এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সঙ্গী-সাথি, সমব্যাথী সাহায্যকারীগণ, ইয়াসিনের বংশোদ্ভূত তাঁর পরিজন এবং তাঁর বরকতময় খলিফাদের ওপর'। যাঁর জন্য কিতাবটি রচিত হয়েছে তাঁর অনেক গুণের বর্ণনার পর তিনি বলেন: জহিরুদ্দিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন আলী আল-খুয়ি। আমি এর একটি পাণ্ডুলিপি নাজাফে ওয়াকফকৃত অবস্থায় দেখেছি, যা অনুলিপি করার তারিখ ছিল ৭০৮ হিজরির ৩রা শাওয়াল, সোমবার।
•
পৃষ্ঠা ১১৭ লাইন ২৪: শেখ ইসামুদ্দিন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ বিন আরবশাহ আল-ইসফিরায়িনির রচনা; এর শুরু হয়েছে এভাবে: 'সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য সর্বাবস্থায়'। নাজাফের সাইয়্যেদ আল-বুরুজারদি মাদরাসায় এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১১৮ লাইন ১০: ইজহারু সিদকিল মাওয়াদ্দাহ ফি শারহিল কাসিদাতিল মারুফাতি বিল বুরদাহ; এটি শরফুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সাঈদ আদ-দুলাসি আল-বুসিরির (মৃত্যু ৬৯৪ হিজরি) কবিতার ব্যাখ্যা। ব্যাখ্যাকারীর নাম জানা নেই, তবে পাণ্ডুলিপিটি মাশহাদ আর-রাযাবিতে ফাযিল খান মাদরাসার কিতাবসমূহের মধ্যে রয়েছে, যা ১০৬৫ হিজরিতে ওয়াকফ করা হয়েছিল। এটি ১০০৩ হিজরিতে আহমদ বিন জাবির বিন আলী আল-খাদাশি আল-ইয়াফিঈ আশ-শাফিঈর হস্তলিপিতে লিখিত। ব্যাখ্যাকারী উল্লেখ করেছেন যে, তিনি এটি প্রথমে 'আল-ইসতিআব' নামক কিতাব দ্বারা ব্যাখ্যা করেছিলেন।
•
পৃষ্ঠা ১১৮ লাইন ৩০: ইয়ানাতুল মুজিদ্দিন ফি তাসহিহিদ দীন লি-শারহি উম্মিল বারাহিন; এটি একটি মূল পাঠের সাথে সংমিশ্রিত ব্যাখ্যা যার শুরু হয়েছে এভাবে: 'সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি মহিমায় গুণান্বিত এবং সম্মানে ভূষিত'। আমি এটি সাইয়্যেদ হাদি আল-আশকুরির কাছে দেখেছিলাম এবং বর্তমানে এটি নাজাফ আশ-রাফের হোসাইনীয়া শুশতারিয়া লাইব্রেরিতে রয়েছে। এর কিছু পৃষ্ঠায় লেখা আছে যে এর লেখক শেখ জাদাহ। আর উম্মুল বারাহিন কিতাবটি সেনুসির, যিনি ৮৯৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
•
পৃষ্ঠা ১১৯ লাইন ২০: ইতিকাদ নামাহ, মাওলা আব্দুর রহমান জামির রচনা। এটি আমি তেহরানে হাজি সদরুয যাকিরীন আত-তাফরিশির কাছে দেখেছি। এতে খুলাফায়ে রাশেদীনের কথা রয়েছে, যাঁদের সর্বশেষজন হলেন আলী (আলাইহিস সালাম)।
•
পৃষ্ঠা ১২১ লাইন ৬: তেহরানে এর একটি অনুলিপি রয়েছে যার ওপর হস্তলিপি রয়েছে...
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
الشيخ الحر العاملي سنة 1104 لفظه: هذا ما وجد من كتاب الاعجاز في الاحاجي والالغاز والحمد لله رب العالمين، أول النسخة: الحمد لله الذي احتجب لافراط نوره وخفي لشدة ظهوره، رتب فيه الالغاز على ترتيب حروف الهجاء واسم المؤلف في هذه النسخة: سعد بن قاسم الخطيري الوراق ألفه لمجاهد الدين أبي منصور قايماز بن عبد الله الزيني الذي كان قيّما على الأمير زين الدين يوسف بن الأمير زين الدين علي كوجك من يوم امارته في اربل بعد موت أبيه زين الدين علي سنة 563، في صغره الى موت يوسف سنة 586، فيظهر ان التأليف كان بين سنة 563 وهي قيمومة قايماز وسنة وفاة المؤلف 568، وترجمة المؤلف في معجم الادباء ج 11 ص 194 بعنوان سعد بن علي القاسم، وكذا في ابن خلكان.
•
صفحة 126 سطر 10: أعلام النساء في عالمي العرب والاسلام، لعمر رضا كحالة المصرى (والصواب اللبناني) طبع سنة 1359 في ثلاث مجلدات.
•
صفحة 126 سطر 15: نسخة منه في مكتبة المولى محمّد علي الخوانساري. كتابتها في سنة 689.
•
صفحة 126 سطر 22: كانت نسخة منه عند الشيخ قاسم محيى الدين الجامعى (وقد طبع مكررا).
•
صفحة 131 سطر 6: (اغلوقن: من مقالات جالينوس عند المشكاة بطهران أوله (المقالة الأولى من كتاب جالينوس الأغلوقن ترجمه حنين بن اسحاق اسم الطبيعة يجرى في كلام بقراط على أربعة) في 300 صفحة في الطب ومعه برء الساعة لمحمد بن زكريا الرازي كتابتهما سنة 1290 لأجل جالينوس الزمان ميرزا محمّد مهدي طبيب سلمه الله)
•
صفحة 134 سطر 15: اقامة الحجة في شرح بديعة ابن حجة تقي الدين أبي بكر علي بن حجة الحموي المتوفى سنة 837 هـ للسيد الشريف أبي بكر بن عبد الرحمن بن شهاب الدين الحسيني الحضرمي اليماني أول شرحه: البديع الذي زين لغة العرب بأنواع البديع الخ.
• صفحة 135. سطر 8: يأتي قراخ الاقتراح في تهذيب الاقتراح وتلخيصه.
শেখ আল-হুর আল-আমিলি (মৃত্যু ১১০৪ হিজরী), তাঁর ভাষ্য: এটি 'কিতাবুল ই'জাজ ফিল আহাজি ওয়াল আলগায' (ধাঁধা ও রহস্যের অলৌকিকতা বিষয়ক গ্রন্থ) থেকে যা পাওয়া গেছে, এবং সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। পাণ্ডুলিপির শুরু: সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি তাঁর নূরের আধিক্যের কারণে পর্দার অন্তরালে রয়েছেন এবং তাঁর প্রকাশের তীব্রতার কারণে গোপন রয়েছেন। এতে তিনি ধাঁধাগুলোকে বর্ণমালার ক্রমানুসারে সাজিয়েছেন। এই পাণ্ডুলিপিতে লেখকের নাম হলো: সা'দ বিন কাসিম আল-খাতীরি আল-ওয়াররাক। তিনি এটি মুজাহিদ উদ্দিন আবু মানসুর কায়মায বিন আব্দুল্লাহ আজ-যাইনীর জন্য রচনা করেছেন, যিনি আমির জাইন উদ্দিন ইউসুফ বিন আমির জাইন উদ্দিন আলী কুজুকের অভিভাবক ছিলেন—তাঁর পিতা জাইন উদ্দিন আলীর মৃত্যুর পর ৫৬৩ হিজরীতে এরবিলে তাঁর শাসনভার গ্রহণের দিন থেকে তাঁর শৈশবকাল হয়ে ৫৮৬ হিজরীতে ইউসুফের মৃত্যু পর্যন্ত। সুতরাং প্রতীয়মান হয় যে, গ্রন্থটি রচনার কাজ কায়মাযের অভিভাবকত্বের সময় ৫৬৩ হিজরী এবং লেখকের মৃত্যুর বছর ৫৬৮ হিজরীর মধ্যবর্তী সময়ে সম্পন্ন হয়েছে। লেখকের জীবনী 'মু'জামুল উদাবা'র ১১শ খণ্ডের ১৯৪ পৃষ্ঠায় 'সা'দ বিন আলী আল-কাসিম' শিরোনামে এবং ইবনে খাল্লিকানের গ্রন্থেও বর্ণিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১২৬, ১০ম সারি: আরব ও ইসলামি বিশ্বের নারী মণীষীবৃন্দ (আ'লামুন নিসা ফি আলামায়িল আরাবি ওয়াল ইসলাম), ওমর রেজা কাহ্হালা আল-মিসরি (সঠিক হবে আল-লুবনানি) রচিত, ১৩৫৯ হিজরীতে তিন খণ্ডে মুদ্রিত।
•
পৃষ্ঠা ১২৬, ১৫শ সারি: এর একটি পাণ্ডুলিপি মাওলা মুহাম্মদ আলী আল-খাওয়ানসারীর পাঠাগারে সংরক্ষিত আছে। এর লিপিকাল ৬৮৯ হিজরী।
•
পৃষ্ঠা ১২৬, ২২তম সারি: শেখ কাসিম মুহিউদ্দিন আল-জামেয়ীর নিকট এর একটি পাণ্ডুলিপি ছিল (এবং এটি বারবার মুদ্রিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ১৩১, ৬ষ্ঠ সারি: (আগলোকান: তেহরানের মিশকাত লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত গ্যালেনের (জালিনুস) প্রবন্ধাবলি থেকে; এর শুরু: 'গ্যালেনের আগলোকান গ্রন্থের প্রথম প্রবন্ধ, যা হুনাইন বিন ইসহাক অনুবাদ করেছেন; হিপোক্রেটসের (বুকরাত) বক্তব্যে প্রকৃতির নাম চারটি অর্থে ব্যবহৃত হয়')। এটি চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ক ৩০০ পৃষ্ঠার একটি পাণ্ডুলিপি এবং এর সাথে মুহাম্মদ বিন জাকারিয়া আল-রাযীর 'বুরউস সাআ' গ্রন্থটি রয়েছে; এই দুটি ১২৯০ হিজরীতে 'যামানের গ্যালেন' মির্জা মুহাম্মদ মাহদী তবিব-এর জন্য অনুলিপি করা হয়েছে, আল্লাহ তাঁকে নিরাপদে রাখুন)।
•
পৃষ্ঠা ১৩৪, ১৫শ সারি: ইকামাতুল হুজ্জাহ ফি শারহি বাদিআতি ইবনি হুজ্জাহ; এটি তাকি উদ্দিন আবু বকর আলী বিন হুজ্জাহ আল-হামাভী (মৃত্যু ৮৩৭ হিজরী)-এর কাব্যের ব্যাখ্যা। লেখক সাইয়্যেদ শরীফ আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন শিহাব উদ্দিন আল-হুসাইনি আল-হাদরামি আল-ইয়ামানি। ব্যাখ্যার শুরু: সেই অপূর্ব স্রষ্টার প্রশংসা যিনি আরবি ভাষাকে বিভিন্ন আলঙ্কারিক শৈলী দ্বারা সজ্জিত করেছেন ইত্যাদি।
• পৃষ্ঠা ১৩৫, ৮ম সারি: 'তাহযীবুল ইক্তিরাহ ওয়া তালখীসিহি' (ইক্তিরাহ গ্রন্থের পরিমার্জন ও সারসংক্ষেপ) শীর্ষক আলোচনায় 'কুরাখুল ইক্তিরাহ' সম্পর্কে বিস্তারিত আসবে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
•
صفحة 139 سطر 1: صاحب التجريد هو المحقق الطوسي على ما يظهر من آخر كتابه التجريد في الهندسة.
•
صفحة 140 سطر 3: الاقناع في حل الالفاظ أبي شجاع للشيخ محمّد الشربيني الخطيب فرغ من جزئه الثاني في ثاني شعبان سنة 972 وختمه بالدعاء الذي ختم به أبو القاسم عبد الكريم بن محمّد الرافعي القزويني المتوفى حدود سنة 623 كتابه المحرر في فروع الشافعية. طبع كما في معجم المطبوعات صفحة 1109.
•
صفحة 145 سطر 3: الاكمال في معرفة الرجال لعبد العظيم المنذري المولود سنة 581 والمتوفى 656، حكى عنه الشهيد الثاني ترجمة ابراهيم بن أدهم كما وجد بخطه في ظهر الخلاصة (للعلامة الحلي) وحكى أيضا في الروضات في الترجمة المذكورة ما حكى عن الاكمال هذا، والمنذري هذا ترجمه وأرخه الزركلي في الاعلام فراجعه. ويحتمل ان كتاب الاكمال هذا هو التاريخ له الذي ينقل عنه السيوطي بهذا العنوان، في ترجمة شيخ المنذري وهو مهذب الدين أبي طالب محمّد بن علي الحلى يعرف بابن الخيمي المتوفى سنة 642 كما في بغية الوعاة ص 78. (وقد كتب عليه جماعة استداركا وذيلوه ومنهم ابن الصابوني فله تكملة اكمال الاكمال وقد طبعه المجمع العلمى العراقي ببغداد).
•
صفحة 151 سطر 18: (الالفية في النحو للحريري المتوفى نيف وخمسمائة وهو أبو محمّد قاسم بن علي الحريري صاحب المقامات أوله: يا سائلي عن الكلام المنتظم (نسخة منه) عند السيد محمّد رضا بن الحاج سيد محمّد الزنجاني.
•
صفحة 153 سطر 36: (شرح ابن خطيب داريا) الظاهر انه الموسوم مقصد السالك الى الفية ابن مالك كما يأتي في الميم أوله: الحمد لله على جزيل نعمائه.
•
صفحة 157 سطر 21: الالفية في دراية الحديث للسيوطي طبع مع شرحه لمحمد محيي الدين عبد الحميد المصري.
•
صفحة 168 سطر 15: الامثال والحكم للماوردي الشافعي توجد في اصفهان نسخة منه عند الشيخ احمد بيان الواعظين بخط محمّد بن محمود المناشيري الشافعي كتابتها 18 قعدة 1031 هـ
•
পৃষ্ঠা ১৩৯, লাইন ১: তাজরিদ-এর লেখক হলেন মুহাক্কিক তুসি, যেমনটি তার 'তাজরিদ ফিল হান্দাসা' (জ্যামিতি বিষয়ক তাজরিদ) গ্রন্থের শেষাংশ থেকে প্রতীয়মান হয়।
•
পৃষ্ঠা ১৪০, লাইন ৩: আবু শুজা'-এর শব্দাবলির ব্যাখ্যায় 'আল-ইকনা' গ্রন্থটি শেখ মুহাম্মদ আশ-শারবিনি আল-খাতিব-এর রচনা। তিনি এর দ্বিতীয় খণ্ড ৯৭২ হিজরির ২রা শাবান সমাপ্ত করেন এবং এটি সেই দোয়ার মাধ্যমে শেষ করেন যার মাধ্যমে আবু আল-কাসিম আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ আর-রাফেয়ি আল-কাজউয়িনি (মৃত্যু আনুমানিক ৬২৩ হিজরি) শাফেয়ি ফিকহের শাখা-প্রশাখা বিষয়ক তার 'আল-মুহাররার' গ্রন্থটি সমাপ্ত করেছিলেন। মু'জাম আল-মাতবুয়াত-এর ১১০৯ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী এটি মুদ্রিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৪৫, লাইন ৩: 'আল-ইকমাল ফি মা'রিফাতির রিজাল' গ্রন্থটি আব্দুল আজিম আল-মুনজিরি-র (জন্ম ৫৮১ এবং মৃত্যু ৬৫৬ হিজরি)। শহিদ সানি তার থেকে ইব্রাহিম বিন আদহামের জীবনী বর্ণনা করেছেন, যা আল্লামা হিল্লির 'আল-খুলাসা' গ্রন্থের পৃষ্ঠদেশে তার হস্তাক্ষরে পাওয়া গেছে। 'আর-রওদাত' গ্রন্থেও উক্ত জীবনী আলোচনায় এই 'আল-ইকমাল' থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। এই মুনজিরি-র জীবনী ও কালানুক্রমিক বিবরণ যিরিকলি তার 'আল-আ'লাম' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, যা দ্রষ্টব্য। সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই 'আল-ইকমাল' গ্রন্থটিই হলো তার সেই ইতিহাস গ্রন্থ যেখান থেকে সুয়ূতি এই শিরোনামে মুনজিরি-র উস্তাদ মুহাজ্জিবুদ্দিন আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আলি আল-হিল্লি (যিনি ইবনুল খাইমি নামে পরিচিত, মৃত্যু ৬৪২ হিজরি) এর জীবনীতে উদ্ধৃত করেছেন, যেমনটি 'বুগয়াতুল উয়াত' এর ৭৮ পৃষ্ঠায় রয়েছে। (একদল আলেম এর ওপর পরিশিষ্ট ও পাদটীকা লিখেছেন এবং একে সম্প্রসারিত করেছেন, যাদের মধ্যে ইবনুল সাবুনি অন্যতম; তার 'তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল' রয়েছে যা বাগদাদের আল-মাজমা' আল-ইলমি আল-ইরাকি কর্তৃক মুদ্রিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ১৫১, লাইন ১৮: (নাহু শাস্ত্রের আলফিয়াহ, যা পাঁচশত হিজরির কিছুকাল পরে ইন্তেকালকারী 'মাকামাত'-এর রচয়িতা আবু মুহাম্মদ কাসিম বিন আলি আল-হারিরি-র রচনা। এর শুরু হয়েছে এভাবে: "হে সুশৃঙ্খল কালাম সম্পর্কে আমার কাছে প্রশ্নকারী..."। এর একটি পাণ্ডুলিপি সাইয়্যেদ মুহাম্মদ রেজা বিন হাজ সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আয-যানজানি-র নিকট সংরক্ষিত আছে।
•
পৃষ্ঠা ১৫৩, লাইন ৩৬: (ইবনে খাতিব দারিয়া-র শারহ বা ব্যাখ্যাগ্রন্থ)। দৃশ্যত এটি 'মাকসাদ আল-সালিক ইলা আলফিয়াত ইবনে মালিক' নামে অভিহিত, যা সামনে 'মীম' বর্ণে আসবে। এর শুরু হয়েছে: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য তাঁর অশেষ নিআমতসমূহের ওপর।"
•
পৃষ্ঠা ১৫৭, লাইন ২১: দিরয়াতুল হাদিস বিষয়ে সুয়ূতি-র 'আল-আলফিয়াহ', যা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন আব্দুল হামিদ আল-মিসরি-র ব্যাখ্যাসহ মুদ্রিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৬৮, লাইন ১৫: শাফেয়ি মাযহাবের মাওয়ারদি-র 'আল-আমসাল ওয়াল হিকাম'। ইসফাহানে শেখ আহমদ বায়ান আল-ওয়ায়িজিন-এর কাছে মুহাম্মদ বিন মাহমুদ আল-মানাশিরি আল-শাফেয়ি-র হস্তাক্ষরে এর একটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়, যার অনুলিপি সম্পন্ন হয়েছিল ১০৩১ হিজরির ১৮ই জিলকদ তারিখে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২০)
•
صفحة 170 سطر 2: مرشرحه المزجي الموسوم باعانة المجدين ويأتى شرحه الموسوم بكبار الدواوين.
•
صفحة 173 سطر 19: توجد منه نسخة عتيقة في الغاية تشبه الخط الكوفي لعله من عصر المصف في كتب المولى محمّد علي الخوانساري في النجف الأشرف.
•
صفحة 183 سطر 3: الانصاف في بيان سبب الاختلاف لشاه ولي الله الدهلوي المتوفى سنة 1180 نقل تمامه فريد وجدي في ج 3 دائرة المعارف في لفظ (جهد).
•
صفحة 183 سطر 15: الانفاس الزكية في شرح الحكم العطائة في الاخلاق والعرفان عند السيد حسين البعلبكي.
•
صفحة 185 سطر 13: هو لشمس الدين محمّد بن يوسف الكرماني المتوفى 786 أوله: لا احصى ثناءا عليك، انت كما أثنيت على نفسك، الحمد لله حمدا يوافي نعمه، آخره:
هذا آخر اعتراضات صاحب التقريب (توجد نسخته) في كتب مدرسة فاضلخان، تاريخ كتابتها 933.
•
صفحة 188 سطر 24: نسختان منها في مكتبة مدرسة سبهسالار بطهران.
•
صفحة 189 سطر 3: نسخة منها في مدرسة النواب بالمشهد الرضوي.
•
صفحة 189 سطر 6:-حاشية المولى عناية الله البخاري-حاشية عليه وعلى حاشية الحنفي عليه-والمولى قاسم الحنفي توفى سنة 879 - نسختان منها في كتب مدرسة سبهسالار.
•
صفحة 189 سطر 11: نوجد نسخة منها عند السيد محمّد المشكاة في طهران عليها خط التملك 1092 وذكرنا في ج 6 ص 43 من الذريعة انه للميرزا محمّد الشيرواني اشتباها.
•
صفحة 190 سطر 8:-حاشية الشيخ أبي القاسم بن أبي بكر الليثى أولها: الحمد لله الذي نزل على عبده الكتاب الحكيم، هدى وبشرى للمؤمنين، نسخة منه في مدرسة النواب مع حاشية أبي الفضل القرشي الصديقي.
•
صفحة 191 سطر 3: نسختان منها في مكتبة مدرسة سبهسالار بطهران.
•
পৃষ্ঠা ১৭০, সারি ২: তাঁর 'ইয়ানাতুল মুজিদ্দিন' নামক মিশ্র ব্যাখ্যাগ্রন্থ অতিবাহিত হয়েছে এবং 'কিবারুদ দাওয়াবিন' নামক তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থটি সামনে আসবে।
•
পৃষ্ঠা ১৭৩, সারি ১৯: এর একটি অত্যন্ত প্রাচীন পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান যা কুফি লিপির সদৃশ, সম্ভবত এটি গ্রন্থকারের সমসাময়িক যুগের; এটি নাজাফ আল-আশরাফে মাওলা মুহাম্মদ আলী আল-খাওয়ানসারীর কিতাবসমূহের মধ্যে রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৮৩, সারি ৩: শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (মৃত্যু ১১৮০ হিজরি) রচিত 'আল-ইনসাফ ফি বায়ানি সাবাবিল ইখতিলাফ'; ফরীদ ওয়াজদী তাঁর 'দাইরাতুল মাআরিফ'-এর ৩য় খণ্ডে 'জাহদ' (جهد) শব্দের অধীনে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে উদ্ধৃত করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ১৮৩, সারি ১৫: সাইয়্যেদ হোসেন আল-বালবাকীর নিকট সংরক্ষিত আখলাক ও ইরফান বিষয়ক 'আল-আনফাসুজ জাকিয়্যাহ ফি শারহিল হিকামিল আতাইয়্যাহ'।
•
পৃষ্ঠা ১৮৫, সারি ১৩: এটি শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-কিরমানীর (মৃত্যু ৭৮৬) রচনা। এর শুরুটি হলো: আমি আপনার প্রশংসা গুনে শেষ করতে পারব না, আপনি তেমনই যেমনটি আপনি নিজের প্রশংসা করেছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এমন প্রশংসা যা তাঁর নেয়ামতসমূহের প্রতিদান দেয়। এর শেষাংশ হলো: এটিই 'আত-তাকরীব' প্রণেতার আপত্তিগুলোর শেষ অংশ। (এর একটি পাণ্ডুলিপি) ফাজেলখান মাদ্রাসার কিতাবসমূহের মধ্যে বিদ্যমান, যার অনুলিপি করার তারিখ ৯৩৩ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ১৮৮, সারি ২৪: তেহরানের সিপাহসালার মাদ্রাসা লাইব্রেরিতে এর দুটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৮৯, সারি ৩: মাশহাদ আর-রাদাবীর নওয়াব মাদ্রাসায় এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৮৯, সারি ৬: -মাওলা এনায়েতউল্লাহ বুখারীর হাশিয়া; -এর ওপর এবং এর ওপর আল-হানাফীর হাশিয়ার ওপর হাশিয়া; -মাওলা কাসিম আল-হানাফী ৮৭৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন; -সিপাহসalar মাদ্রাসার কিতাবসমূহের মধ্যে এর দুটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৮৯, সারি ১১: তেহরানে সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আল-মিশকাতের কাছে এর একটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় যাতে ১০৯২ হিজরির মালিকানা স্বত্বের স্বাক্ষর রয়েছে। আমরা 'আয-যারিয়া'র ৬ষ্ঠ খণ্ডের ৪৩ পৃষ্ঠায় ভুলবশত উল্লেখ করেছিলাম যে এটি মির্জা মুহাম্মদ আল-শিরওয়ানীর।
•
পৃষ্ঠা ১৯০, সারি ৮: -শাইখ আবুল কাসিম বিন আবু বকর আল-লাইসীর হাশিয়া; যার শুরু হলো: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি তাঁর বান্দার ওপর প্রজ্ঞাপূর্ণ কিতাব নাজিল করেছেন, যা মুমিনদের জন্য পথনির্দেশ ও সুসংবাদ। এর একটি পাণ্ডুলিপি নওয়াব মাদ্রাসায় আবুল ফজল আল-কুরাশী আস-সিদ্দীকীর হাশিয়ার সাথে সংরক্ষিত আছে।
•
পৃষ্ঠা ১৯১, সারি ৩: তেহরানের সিপাহসালার মাদ্রাসা লাইব্রেরিতে এর দুটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২১)
•
صفحة 191 سطر 4: نسختان منها في مكتبة سبهسالار بطهران.
•
صفحة 191 سطر 12:-حاشية شيخ زاده-عليه بعنوان قوله قوله، رأيت منه جزئين أحدهما من أوله الى سبعين آية من سورة البقرة، والثاني من قوله تعالى (كتب عليكم القصاص في القتلى) 173 البقرة الى قوله (يوصيكم الله في أولادكم) 12 سورة النساء عند السيد هادي الاشكوري.
•
صفحة 194 سطر 10:-انوار خلاصة الحساب- شرح جيد له للمولوي عصمة الله بن أعظم بن عبد الرسول ساكن نهارنفور من مضافات دهلي جهان آباد فرغ منه سنة 1086 رأيته بالكاظمية عند الشيخ عبد الكريم العطار عبّر فيه عن الخلفاء بالأريعة المتناسبة، ترجمته في تاريخ العلماء ص 208.
•
صفحة 195 سطر 4: الأنوار اللائحة في أسرار الفاتحة-في تفسيرها للشيخ الكبير ناصر الدين محمّد بن ميلق بخط أبي الفضل محمّد الخطيب الطسوجى الشافعي في سنة 911 وفي النسخة تفسير التوحيد للمفسر المذكور في الخزانة الرضوية.
•
صفحة 195 سطر 15: الظاهر ان اسمه مصباح الانوار ومفتاح السرور والافكار كما نقل عنه كذلك السيد محمّد القطب في فصل الخطاب.
•
صفحة 195 سطر 24: (توجد نسخة منه) فى الخزانة الرضوية كتابتها 813.
•
صفحة 198 سطر 11: أويس بن حسن الجلايري المتوفى سنة 777.
•
صفحة 198 سطر 13: هذا تاريخ كتابة النسخة فانه توفي المؤلف 795/ وتوفي السلطان أويس الجلايري 777/ ويكون التأليف في حياته لا محالة.
•
صفحة 199 سطر 31: توجد نسخة من الأوائل لأبي هلال كتابتها 1001/ في مكتبة السيد ناصر حسين في لكهنو.
•
صفحة 201 سطر 1: ابن اسامة: المرمي بالقرامطة
•
পৃষ্ঠা ১৯১, লাইন ৪: এর দুটি পাণ্ডুলিপি তেহরানের সেপেহসালার লাইব্রেরিতে রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৯১, লাইন ১২:-শেখজাদাহ-এর টীকা (হাশিয়া)- এর ওপর 'কওলুহু কওলুহু' শিরোনামে। আমি এর দুটি খণ্ড দেখেছি, যার একটি শুরুর দিক থেকে সূরা বাকারার সত্তরতম আয়াত পর্যন্ত, এবং দ্বিতীয়টি আল্লাহ তায়ালার বাণী 'তোমাদের ওপর নিহতদের ব্যাপারে কিসাস বিধিবদ্ধ করা হয়েছে' (বাকারা: ১৭৩) থেকে আল্লাহ তায়ালার বাণী 'আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের ব্যাপারে তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন' (নিসা: ১২) পর্যন্ত যা সাইয়্যিদ হাদি আল-ইশকুরির নিকট সংরক্ষিত।
•
পৃষ্ঠা ১৯৪, লাইন ১০:-আনওয়ারু খুলাসাতিল হিসাব- এটি মৌলভী ইসমাতুল্লাহ বিন আজম বিন আবদুর রসুলের রচিত একটি চমৎকার ব্যাখ্যাগ্রন্থ। তিনি দিল্লি জাহানাবাদের উপকণ্ঠ নাহারনপুরের অধিবাসী ছিলেন। তিনি ১০৮৬ হিজরিতে এটি সমাপ্ত করেন। আমি এটি কাজিমিয়াতে শেখ আবদুল করিম আল-আত্তারের নিকট দেখেছি। এতে তিনি খলিফাদের ক্ষেত্রে 'চারটি সামঞ্জস্যপূর্ণ' শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন। তাঁর জীবনী 'তারিখুল উলামা'র ২০৮ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৯৫, লাইন ৪: আল-আনওয়ারুল লাইহা ফি আসরারিল ফাতিহা- সূরা ফাতিহার তাফসির বিষয়ে বড় শেখ নাসিরুদ্দিন মুহাম্মদ বিন মাইলাকের গ্রন্থ। এটি ৯১১ হিজরিতে আবুল ফজল মুহাম্মদ আল-খতিব আত-তাসুজি আশ-শাফিয়ির হস্তলিপিতে অনুলিখিত। এই পাণ্ডুলিপিতে উক্ত মুফাসসিরের 'তাফসিরুত তাওহিদ' গ্রন্থটিও রয়েছে যা খাজানা আর-রজবিয়াহ-তে সংরক্ষিত।
•
পৃষ্ঠা ১৯৫, লাইন ১৫: প্রতীয়মান হয় যে এর নাম 'মিসবাহুল আনওয়ার ওয়া মিফতাহুস সুরুবি ওয়াল আফকার', যেমনটি সাইয়্যিদ মুহাম্মদ আল-কুতুব 'ফাসলুল খিতাব' গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ১৯৫, লাইন ২৪: (এর একটি অনুলিপি) খাজানা আর-রজবিয়াহ-তে রয়েছে যার লিখনকাল ৮১৩ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ১৯৮, লাইন ১১: উওয়াইস বিন হাসান আল-জালাইরি, যিনি ৭৭৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
•
পৃষ্ঠা ১৯৮, লাইন ১৩: এটি পাণ্ডুলিপি লিখনের তারিখ, কারণ লেখক ৭৯৫ হিজরিতে মারা গেছেন এবং সুলতান উওয়াইস আল-জালাইরি ৭৭৭ হিজরিতে মারা গেছেন। সুতরাং এর রচনা নিঃসন্দেহে তাঁর জীবদ্দশাতেই হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ১৯৯, লাইন ৩১: লখনউতে সাইয়্যিদ নাসির হোসেনের লাইব্রেরিতে আবু হিলাল রচিত 'আল-আওয়ায়িল' গ্রন্থের একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে যার লিখনকাল ১০০১ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ২০১, লাইন ১: ইবনে উসামা: যাঁর প্রতি কারামাতি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২২)
والمحبوس لذلك فارسى رواه عند الامام يوسف بن طاهر البلخي كان في خزانة شيخنا شيخ الشريعة الاصفهاني.
•
صفحة 202 سطر 12:-أوصاف القلوب-في الأخلاق لأبي عبد الله من عرفاء أهل السنة أوله الحمد لله الذي جعل الخ (نسخة منه) في الرضوية كتابتها 789.
•
صفحة 205 سطر 18: موجود بمكتبة السيد نصر الله التقوي بطهران.
•
صفحة 205 سطر 21: موجود في الخزانة الغروية
•
صفحة 206 سطر 13:-الايجاز والاعجاز-للثعالبى الامام الشهير أبي منصور عبد الملك بن محمّد النيسابورى المتوفى حدود سنة 429 الفه باسم القاضى الامام أبي أحمد منصور بن محمّد الهروي المؤلف لرسائل كثيرة انتخب منها كتاب (منية الراضى برسالة القاضي) والمنتخب هو أبو الفضل أحمد بن محمّد الميداني الذي توفى 518/ والمنية موجودة بمكتبة الحاج حسين اقاملك بطهران.
•
صفحة 208 سطر 18: نسخة من مطالع الافكار تاريخ كتابتها (842) مدح في أوله الشيخ محمّد بن ابراهيم المنصوري بثلاثة أبيات ورابعها:
ما ان مدحت محمّدا بمقالتي لكن مدحت مقالتى بمحمد والنسخة عند السيد محمد مفتى الشيعة الاردبيلى في النجف الأشرف.
•
صفحة 208 سطر 27: هو منهاج الوصول الى علم الأصول للقاضى البيضاوي المتوفى سنة 685 والايضاح أول شروحه وهو لتلميذ المؤلف العلامة زين الدين علي الحيمى الذي قرأ الايضاح على مؤلفه القاضى كما ذكر في اجازة مفصلة مكتوبة في آخر شرح شمس الدين الاصفهاني للمنهاج الموجودة نسخته في مدرسة السيد محمد كاظم اليزدي في النجف وتاريخ كتابتها 860.
•
صفحة 215 سطر 13: علم الايقاع: من فروع علم الموسيقى كما يأتي، قال الشيخ الرئيس في أول رسالة الموسيقي: ان الموسيقى مشتمل على جزئين أحدهما يسمى التأليف وموضوعه النغم الى قوله والثاني: الايقاع وموضوعه
এবং সেই কারণে কারারুদ্ধ ব্যক্তি একজন পারস্যদেশীয়, ইমাম ইউসুফ বিন তাহির আল-বালখির নিকট এটি বর্ণিত। এটি আমাদের শাইখ, শাইখুশ শরিয়া আল-ইসফাহানির গ্রন্থাগারে ছিল।
•
পৃষ্ঠা ২০২, লাইন ১২: আওসাফুল কুলুব (হৃদয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ) - আহলে সুন্নাতের আরেফগণের অন্তর্ভুক্ত আবু আব্দুল্লাহর রচিত চরিত্রগঠন বিষয়ক গ্রন্থ। এর প্রারম্ভিক বাক্য হলো: ‘আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি জাআলা’ ইত্যাদি। এর একটি অনুলিপি রাজাবিয়া লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে, যা ৭৮৯ হিজরিতে লিখিত।
•
পৃষ্ঠা ২০৫, লাইন ১৮: এটি তেহরানে সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ আল-তাকবি-এর গ্রন্থাগারে বিদ্যমান।
•
পৃষ্ঠা ২০৫, লাইন ২১: এটি নাজাফের আল-খিজানাতুল আল-গারাবিয়্যাহ-তে বিদ্যমান।
•
পৃষ্ঠা ২০৬, লাইন ১৩: আল-ইজাজ ওয়াল ইজাজ - প্রখ্যাত ইমাম আবু মানসুর আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ আন-নিশাপুরির রচনা, যিনি আনুমানিক ৪২৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এটি কাজী ইমাম আবু আহমদ মনসুর বিন মুহাম্মদ আল-হারাবীর নামে রচনা করেছিলেন, যিনি অনেকগুলো রিসালাহ বা পত্রের রচয়িতা। সেই পত্রগুলো থেকে ‘মুনয়াতুর রাজি বি-রিসালাতিল কাজি’ গ্রন্থটি চয়ন করা হয়েছে। এর চয়নকারী হলেন আবুল ফজল আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মাইদানি, যিনি ৫১৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ‘আল-মুনয়াহ’ গ্রন্থটি তেহরানে হাজি হোসেন আগা মালিক লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
•
পৃষ্ঠা ২০৮, লাইন ১৮: মাতালেউল আফকারের একটি পাণ্ডুলিপি, যার অনুলিখন কাল ৮৪২ হিজরি। এর শুরুতে শাইখ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-মানসুরি তিনটি কাব্য পংক্তির মাধ্যমে প্রশংসা করেছেন এবং চতুর্থটি হলো: ‘আমি আমার বাক্যের মাধ্যমে মুহাম্মদের প্রশংসা করিনি, বরং মুহাম্মদের বর্ণনার মাধ্যমে আমার বাক্যই প্রশংসিত হয়েছে।’ পাণ্ডুলিপিটি নাজাফে শিয়াদের মুফতি সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আল-আরদেবিলির নিকট সংরক্ষিত আছে।
•
পৃষ্ঠা ২০৮, লাইন ২৭: এটি হলো কাজী বায়জাবীর (মৃত্যু ৬৮৫ হিজরি) রচিত ‘মিনহাজুল উসুল ইলা ইলমিল উসুল’। ‘আল-ইজাহ’ হলো এর প্রথম ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা লেখকের ছাত্র আল্লামা জয়নুদ্দিন আলী আল-হাইমি কর্তৃক রচিত। তিনি কাজী বায়জাবীর নিকট এই ‘আল-ইজাহ’ পাঠ করেছিলেন, যেমনটি মিনহাজের ওপর শামসুদ্দিন আল-ইসফাহানির ব্যাখ্যাগ্রন্থের শেষে লিখিত একটি বিস্তারিত ইজাজায় বা অনুমতিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পাণ্ডুলিপিটি নাজাফে সাইয়্যেদ মুহাম্মদ কাজিম আল-ইয়াজদি মাদ্রাসায় রয়েছে এবং এর অনুলিখন কাল ৮৬০ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ২১৫, লাইন ১৩: ছন্দবিজ্ঞান (ইলমুল ঈকা): এটি সংগীত বিজ্ঞানের একটি শাখা যেমনটি সামনে আসবে। শাইখুর রইস (ইবনে সিনা) তাঁর সংগীত বিষয়ক রিসালার শুরুতে বলেছেন: সংগীত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, একটিকে বলা হয় সুরবিন্যাস (তা’লিফ) এবং এর আলোচ্য বিষয় হলো সুর (নাগম), তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী দ্বিতীয়টি হলো: ছন্দ (ঈকা) এবং এর আলোচ্য বিষয় হলো...
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الازمنة المتخلّلة بين النغم والنقرات المنتقل بعضها الى بعض.
•
صفحة 228 سطر 18:-بدائع الأمور في وقائع الدهور-في تاريخ الجراكسة بمصر من 786 الى 857 وفى آخره يتلوه الجزء الثانى في تاريخ الملك الاشرف انيال العلائي (توجد نسخة منه) فى المكتبة الملية بطهران تاريخ كتابتها 2 رجب 904/.
بدائع الانشاءات والصفات-في المكاتبات والمراسلات لمرعي بن يوسف الحنبلي المقدسي المدرس بجامع ابن طولون بمصر في عصر القاضى أحمد البونى، أوله الحمد لله الذي اكرم الانسان، وحلاه بحلية النطق والبيان، وآخره: فان لكل شئ وقت ولكل بداية نهاية ولكل قاص دان، رأيته بخط الشيخ طاهر بن عبد علي الحجامى النجفى سنة 1341 ذكر انه كتبها عن نسخة يظن انها مكتوبة عن خط المصنف، وان تاريخ التصنيف سنة 1098 (وهذا التاريخ لا يصح لأن المؤلف توفي سنة 1031. كما في ص 14 مقدمة ينابيع المودة بقلم محمد مهدي الخرسان).
•
صفحة 229 سطر 19: ألفه سنة 603 وطبع بمصر على هامش معاهد التنصيص سنة 1316. فيما قيل نظما ونثرا بديهة فى خمسة أبواب.
•
صفحة 230 سطر 26: يكثر النقل عنه السيوطى في بغية الوعاة.
•
صفحة 233 سطر 31: أول بديعية ابن حجة:
لي في ابتداء مدحكم يا عرب ذي سلم
… براعة تستهل الدمع في العلم
ومن شروحه اقامة الحجة في شرح بديعية ابن حجة ويسمى شرحه خزانة الأدب طبع مكرا، رأيت نسخة كتابتها 860 في النجف الأشرف.
•
صفحة 234 سطر 4:-بديعية محمد بن عبد الحميد الشهير بحكيم زاده، أوله:
حسن ابتدائى بذكر البان والعلم
… حلا لمطلع أقمار بذي سلم
نظمها سنة 1059 والنسخة عند الشيخ عبد المولى
সুর ও তালের মাঝে অতিবাহিত সময় যা একে অপরের দিকে স্থানান্তরিত হয়।
•
পৃষ্ঠা ২২৮, সারি ১৮:-বাদাইউল উমুর ফি ওয়াকাইউদ দুহুর-৭৮৬ থেকে ৮৫৭ হিজরি পর্যন্ত মিশরে সার্কাসিয়ানদের ইতিহাসের ওপর। এর শেষে সুলতান আশরাফ ইনাল আল-আলায়ীর ইতিহাসের ওপর এর দ্বিতীয় খণ্ডটি যুক্ত রয়েছে (এর একটি অনুলিপি রয়েছে) তেহরানের কিতাবখানে-ই মিল্লিতে যার লিখনের তারিখ ২ রজব ৯০৪ হিজরি।
বাদাইউল ইনশাআত ওয়াস সিফাত-মিশরের ইবনে তুলুন মসজিদের শিক্ষক এবং বিচারক আহমদ আল-বুনির সমসাময়িক মারয়ি ইবনে ইউসুফ আল-হাম্বলি আল-মাকদিসির চিঠিপত্র ও পত্রবিনিময় বিষয়ক গ্রন্থ। এর শুরু: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি মানুষকে সম্মানিত করেছেন এবং তাকে বাকশক্তি ও বর্ণনার অলঙ্কারে সজ্জিত করেছেন। এর সমাপ্তি: নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় নির্ধারিত এবং প্রতিটি শুরুর সমাপ্তি আছে এবং প্রতিটি দূরবর্তীরে জন্য নিকটবর্তী আছে। আমি ১৩৪১ হিজরিতে শেখ তাহের ইবনে আবদ আলী আল-হাজ্জামি আন-নাজাফির হস্তাক্ষরে এটি দেখেছি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি এটি এমন একটি পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করেছেন যা লেখকের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে লেখা বলে ধারণা করা হয় এবং এর রচনার তারিখ ১০৯৮ হিজরি (তবে এই তারিখটি সঠিক নয়, কারণ লেখক ১০৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। যেমনটি মুহাম্মদ মাহদী আল-খুরসান লিখিত ইয়ানাবিউল মুওয়াদ্দাহ-এর ভূমিকার ১৪ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ২২৯, সারি ১৯: এটি ৬০৩ হিজরিতে রচনা করেন এবং ১৩১৬ হিজরিতে মিশরে 'মাআহিদুত তানসিস'-এর টীকা হিসেবে মুদ্রিত হয়। বলা হয় যে এটি কবিতা ও গদ্যে তাতক্ষণিকভাবে পাঁচটি অধ্যায়ে রচিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ২৩০, সারি ২৬: সুয়ুতি তার 'বুগইয়াতুল উয়াত' গ্রন্থে এখান থেকে অধিক উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
•
পৃষ্ঠা ২৩৩, সারি ৩১: ইবনে হিজ্জাহর বাদিয়্যাহ-এর শুরু:
হে যি সালামের আরবরা, তোমাদের প্রশংসার শুরুতে... আমার এমন পারদর্শিতা রয়েছে যা পতাকার নিচে অশ্রু ঝরায়।
এর ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে 'ইকামাতুল হুজ্জাহ ফি শারহি বাদিয়্যাতি ইবনে হিজ্জাহ' এবং তার এই শারাহ বা ব্যাখ্যাগ্রন্থটির নাম 'খাজানাতুল আদাব', যা বারবার মুদ্রিত হয়েছে। আমি নাজাফ আশরাফে ৮৬০ হিজরিতে অনুলিপিকৃত একটি পাণ্ডুলিপি দেখেছি।
•
পৃষ্ঠা ২৩৪, সারি ৪:-হাকিমজাদা নামে পরিচিত মুহাম্মদ বিন আব্দুল হামিদের বাদিয়্যাহ, এর শুরু:
বন বৃক্ষ ও পতাকার স্মরণে আমার সুন্দর প্রারম্ভ... যা যি সালামের চাঁদের উদয়স্থলের জন্য মধুর।
এটি ১০৫৯ হিজরিতে কাব্যমণ্ডিত করা হয় এবং পাণ্ডুলিপিটি শেখ আব্দুল মাওলার নিকট রক্ষিত আছে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الطريحى فى النجف
•
صفحة 235 سطر 15:-بديع الميزان فى شرح ميزان المنطق-أوله: الحمد لله الذي نور قلوبنا، لعبد الله بن الهداد العثمانى كتابته 1079 نسخته في كتب السيد خليفة الاحسائى
•
صفحة 240 سطر 24: منتخبه بالفارسية لبعض الأصحاب عند الشيخ محمد سلطان المتكلمين بطهران وأحكام الأحكام المأخوذ منه للشيخ تقى الدين بن أبي الخير الفارسى وبرهان السنجري والبكري كلاهما موجودان والأول في الخزانة الرضوية ويظهر من خطبتهما كون مصنفهما من الأصحاب.
•
صفحة 244 سطر 7: بستان المعرفة رسالة مختصرة منسوبة الى منصور الحلاج الصوفي الشهير توجد ضمن مجموعة عند السيد محمد المشكاة بطهران.
•
صفحة 246 سطر 20: طبع (الجزء الأول منه) فى بغداد سنة 1374.
•
صفحة 446 سطر 25: لعله الموجود الذي رآه السيد علي رضا زنجان المدرسى اليزدى لأبي الفضائل محمد بن حسين المعينى بقلم هبة الله فرغ من تحريره 11 ذي الحجة 603 فارسى مرتب على الحروف ففى حرف التاء ما لفظه: بصيرة في التابوت بدانكه تابوت اسمى است بر وزن ف؟؟؟ ذكر انه فى القرآن اسم للصندوق الذي و، موسى فيه وذكر الخلاف في أنه عربي أو عبراني.
•
صفحة 248 سطر 15: بغية الخواطر ونزهة الناظر تصنيف العلامة محمد بن مصطفى الشهير بكافي في تواريخ النبى صلى الله عليه وآله والخلفاء الى السلطان مراد بن احمد بن محمد بن مراد الذي جلس سنة 1302 وفرغ منه سنة 1033.
•
صفحة 248 سطر 30: بغية الراغب في شرح مرشدة الطالب نقل عنه (الشاهزاده فرهاد ميرزا) فى زنبيل.
•
صفحة 249 سطر 3: بغية الطالب لايمان أبي طالب وحسن خاتمته للعلامة جلال الدين السيوطى بخط السيد محمود في سنة 1105 فى مكتبة قوله بمصر في مجموعة ورقها 16.
•
صفحة 256 سطر 9: بوارق أنوار الحج في فضائله
আল-তুরিহি নাজাফে।
•
পৃষ্ঠা ২৩৫, লাইন ১৫:-মিজান আল-মানতিকের ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'বাদিউল মিজান'-এর শুরু এভাবে: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদের অন্তরসমূহকে আলোকিত করেছেন; এটি আবদুল্লাহ বিন আল-হাদ্দাদ আল-উসমানীর লিখিত, যা ১০৭৯ হিজরিতে প্রতিলিপি করা হয়েছে এবং এর একটি অনুলিপি সাইয়্যেদ খলিফা আল-আহসাঈর কিতাবসমূহের মধ্যে রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ২৪০, লাইন ২৪: তেহরানের শেখ মুহাম্মদ সুলতান আল-মুতাকাল্লিমীনের নিকট এর ফারসি ভাষায় সংক্ষেপিত রূপ যা কয়েকজন সঙ্গীর রচিত এবং শেখ তকিউদ্দিন বিন আবি আল-খায়ের আল-ফারসির 'আহকামুল আহকাম' যা এটি হতে গৃহীত, এবং বুরহান আল-সাঞ্জারি ও আল-বাকরি—এই উভয় গ্রন্থই বিদ্যমান। প্রথমটি রিজভী গ্রন্থাগারে রয়েছে এবং উভয়ের ভূমিকা থেকে স্পষ্ট হয় যে এর লেখকগণ সাথীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
•
পৃষ্ঠা ২৪৪, লাইন ৭: 'বুস্তানুল মা'রিফা' এটি একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা যা প্রখ্যাত সূফী মনসুর আল-হাল্লাজের প্রতি নিসবত করা হয় এবং এটি তেহরানের সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আল-মিশকাতের নিকট একটি সংগ্রহে বিদ্যমান।
•
পৃষ্ঠা ২৪৬, লাইন ২০: এর (প্রথম খণ্ড) ১৩৭৪ হিজরিতে বাগদাদে মুদ্রিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৪৪৬, লাইন ২৫: সম্ভবত এটি সেই পাণ্ডুলিপি যা সাইয়্যেদ আলী রেজা জানজান আল-মুদাররিসী আল-ইয়াজদী দেখেছিলেন, যা আবুল ফাদাইল মুহাম্মদ বিন হুসাইন আল-মুয়াইনীর রচিত। এটি হিবাতুল্লাহর হস্তলিপিতে ১১ জিলহজ ৬০৩ হিজরিতে অনুলিখন সমাপ্ত হয়েছে; এটি বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো ফারসি ভাষার গ্রন্থ। বর্ণ 'তা'-এর ক্ষেত্রে এর শব্দগুলো হলো: সিন্দুক (তাবুত) প্রসঙ্গে অন্তর্দৃষ্টি—জেনে রাখা উচিত যে, তাবুত শব্দটি ... ওজনে একটি বিশেষ্য। উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোরআনে এটি সেই সিন্দুকের নাম যার মধ্যে মূসাকে রাখা হয়েছিল এবং এটি আরবি নাকি হিব্রু, সেই বিষয়ে মতপার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ২৪৮, লাইন ১৫: 'বুগইয়াতুল খাওয়াতির ওয়া নুজহাতুন নাজির' এটি আল্লামা মুহাম্মদ বিন মুস্তফা রচিত, যিনি 'কাফি' নামে খ্যাত; এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি) এবং খলিফাদের ইতিহাসের উপর সুলতান মুরাদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুরাদ পর্যন্ত রচিত যিনি ১৩০২ হিজরিতে আসীন হয়েছিলেন এবং ১০৩৩ হিজরিতে এর সংকলন সমাপ্ত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ২৪৮, লাইন ৩০: 'বুগইয়াতুর রাগিব ফি শারহি মুর্শিদাতিত তালিব', শাহজাদা ফরহাদ মির্জা তার 'জানবিল' গ্রন্থে এটি হতে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
•
পৃষ্ঠা ২৪৯, লাইন ৩: আবু তালিবের ঈমান ও উত্তম পরিণতি বিষয়ে আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ূতীর রচিত 'বুগইয়াতুত তালিব'; এটি ১১০৫ হিজরিতে সাইয়্যেদ মাহমুদের হস্তলিপিতে মিসরের কাউলা লাইব্রেরিতে ১৬ পৃষ্ঠার একটি সংগ্রহে সংরক্ষিত।
•
পৃষ্ঠা ২৫৬, লাইন ৯: হজের ফজিলত সংক্রান্ত 'বাওয়ারিকু আনওয়ারিল হজ'।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
وآدابه وما فيه من حكم واسرار وفضائل مكة والمدينة وفضل زيارة النبي صلى الله عليه وآله للشيخ محمّد علي بن الحسين بن ابراهيم الأزهري المالكي المكي اوله: الحمد لله الذي جعل الحج من بين اركان الدين الاسلامي ومبانيه عبادة العمر وختام الأمر، وفي آخره فهرس مطالبه مبسوطا وفرغ منه في 16 شهر الصيام سنة 1361، وله أيضا الهدى التام والمقاصد الباسطة وغيرهما، وقد اجازنى روايتهما عنه ورواية سائر الكتب الاسلامية جميعا في يوم 15 ذى الحجة الحرام سنة 1364 في داره بمكة المعظمة.
•
صفحة 258 سطر 27: بهجة المحادث في احكام جملة من الحوادث هو في علم النجوم ألفه محمّد بن علي بن محمّد السرابلسى المالكي، كان في مكتبة رشيد الشعر باف بالشطرة نسخة منه تاريخها 1119.
•
صفحة 259 سطر 6: هو قريب من نصف كراسة.
•
صفحة 260 سطر 23: بيان التنزيل للشيخ عبد العزيز ابن محمّد الشهير بعزيز النسفي من أهل المائة السابعة، يوجد في مكتبة السيد محمّد المشكاة بطهران وفيه الاحالة الى كتابه كشف الحقائق.
•
صفحة 268 سطر 4: يأتي أنها للشيخ ابراهيم بن حسام وسمى شرحها الفوائد الجلية وتوفى سنة 1016 وهو ناظم ايساغوجى الموسوم بموزون لا الشبسترى كما يأتي في الموزون، نعم الشبستري أيضا له نظم الإيساغوجي تائية كما ذكره فى ذيل ايساغوجى.
•
صفحة 269 سطر 27: توجد نسخة تاج المصادر في المكتبة الرضوية بخراسان.
•
صفحة 285 سطر 17: تاريخ آل محمّد لخليدة السجستاني ذكره ياقوت في معجم البلدان في مادة سجستان فراجعه.
•
صفحة 288 سطر 22: لابن النجار ايضا الدرة الثمينة فى أخبار المدينة.
•
صفحة 291 سطر 25: تاريخ الحكماء لشمس الدين الشهرزوري ينقل عنه في الروضات.
•
صفحة 310 سطر 18: تاريخ اليعقوبي لأحمد بن
এবং এর শিষ্টাচার এবং এতে বিদ্যমান হিকমত, রহস্যসমূহ, মক্কা ও মদিনার ফজিলত এবং শেখ মুহাম্মদ আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ইব্রাহিম আল-আজহারি আল-মালিকি আল-মাক্কি কর্তৃক নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর রওজা জিয়ারতের ফজিলত। এর প্রারম্ভে রয়েছে: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি ইসলামের রোকন ও ভিত্তিগুলোর মধ্যে হজকে জীবনের ইবাদত এবং সকল কর্মের সমাপ্তি হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। এর শেষে বিষয়বস্তুর একটি বিস্তারিত সূচি রয়েছে এবং এটি ১৩৬১ হিজরির ১৬ই রমজানে সমাপ্ত হয়েছে। তাঁর আরও গ্রন্থ রয়েছে যেমন 'আল-হুদা আত-তাম' এবং 'আল-মাকাসিদ আল-বাসিতা' ইত্যাদি। তিনি আমাকে তাঁর এই গ্রন্থ দুটি এবং অন্যান্য সকল ইসলামি কিতাব তাঁর থেকে বর্ণনা করার অনুমতি (ইজাজাহ) দিয়েছেন ১৩৬৪ হিজরির ১৫ই জিলহজ তারিখে পবিত্র মক্কায় অবস্থিত তাঁর নিজ বাসভবনে।
•
পৃষ্ঠা ২৫৮, লাইন ২৭: 'বাহজাতুল মুহাদ্দিস ফি আহকামি জুমলাতিন মিনাল হাওয়াদিস' এটি জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক একটি গ্রন্থ, যা মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আস-সারাবুলসি আল-মালিকি রচনা করেছেন। শাতরাহ-র রশিদ আশ-শা'র বাফ গ্রন্থাগারে এর একটি পাণ্ডুলিপি ছিল যার তারিখ ১১১৯ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ২৫৯, লাইন ৬: এটি প্রায় আধা কুরাসা (কাগজের দিস্তা)।
•
পৃষ্ঠা ২৬০, লাইন ২৩: শেখ আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ, যিনি আজিজ আন-নাসাফি নামে পরিচিত এবং সপ্তম শতাব্দীর অধিবাসী, তাঁর রচিত 'বায়ানুত তানজিল'। এটি তেহরানে সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আল-মিশকাতের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত আছে এবং এতে তাঁর 'কাশফুল হাকায়েক' গ্রন্থের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ২৬৮, লাইন ৪: সামনে আসছে যে এটি শেখ ইব্রাহিম ইবনে হুসামের রচনা এবং তিনি এর ব্যাখ্যাগ্রন্থের নাম দিয়েছেন 'আল-ফাওয়ায়েদ আল-জালিয়াহ'। তিনি ১০১৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি 'মওজুন' নামে পরিচিত ঈসাগোজি-র পদ্যানুবাদক, শাবাস্তারি নন—যেমনটি সামনে 'মওজুন' ভুক্তিতে আসবে। হ্যাঁ, শাবাস্তারিও ঈসাগোজি-র একটি তায়িয়্যাহ (তা-ছন্দযুক্ত) কাব্যরূপ প্রদান করেছেন, যেমনটি তিনি ঈসাগোজি-র পরিশিষ্টাংশে উল্লেখ করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ২৬৯, লাইন ২৭: 'তাজুল মাসাদির'-এর একটি পাণ্ডুলিপি খোরাসানের মাকতাবা আর-রাদাবিয়্যাহ-তে (রাজাবি লাইব্রেরি) রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ২৮৫, লাইন ১৭: খালিদাহ আস-সিজিস্তানি রচিত 'তারিখু আলি মুহাম্মদ'। ইয়াকুত তাঁর 'মু'জামুল বুলদান' গ্রন্থে সিজিস্তান অধ্যায়ে এটি উল্লেখ করেছেন, অতএব তা দেখে নিন।
•
পৃষ্ঠা ২৮৮, লাইন ২২: ইবনে আন-নাজ্জারের 'আদ-দুররাতুস সামিনাহ ফি আখবারিল মদিনাহ' নামেও একটি গ্রন্থ আছে।
•
পৃষ্ঠা ২৯১, লাইন ২৫: শামসুদ্দিন আশ-শাহরাজুরি রচিত 'তারিখুল হুকামা'। 'আর-রাওদাত' গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করা হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৩১০, লাইন ১৮: আহমাদ ইবনে [আল-ইয়াকুবি]-র 'তারিখুল ইয়াকুবি'।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
أبي يعقوب بن جعفر بن وهب بن واضح الكاتب العباسي المعروف باليعقوبي، ينقل عنه في العبقات (وقد طبع مرارا في أوربا والنجف الأشرف وبيروت).
•
صفحة 334 سطر 12: علم التأليف مرفى ص 215.
•
صفحة 337 سطر 4: (توجد نسخته) عند ميرزا جعفر بن أبي القاسم سلطان القراء التبريزي. المصباح الأول في معرفة الخالق في ثلاث لامعات 1 - معرفة ذاته 2 - معرفة صفاته 3 - معرفة أفعاله وفي آخره شعر الحكيم سنائي.
•
صفحة 338 سطر 24: موجود عند السيد محمّد تقي السبزواري كتابته سنة 1058 ولكن بخط الكاتب وهو شمس الدين محمّد بن أبي المكارم التبريزي على ظهر النسخة أنه لبهاء الدين أبي محمّد عبد الجبار بن عبد الجبار الجوني المروزي وفى معجم البلدان في مادة (خرق) ذكر من في المتن وما اسند اليه كتابا، أول النسخة وبعد فان العلماء والحكماء كانوا قبل زماننا متوفرين على جميع العلوم وتأليفها.
•
صفحة 340 سطر 9: في جزئين يوجد الجزء الثاني منه وهو من أول حرف الشين الى آخر الحروف فى مكتبة السيد محمّد علي هبة الدين بمكتبة الجوادين تحت رقم 536 وهي في الكاظمية بخط يوسف الذي هو سبط المؤلف كما صرح به في آخره وذكر انه كتبه من نسخة خط المؤلف وفرغ من الكتابة في (14 شهر رمضان 885) وذكر المؤلف في آخره انه فرغ من التلخيص والتهذيب لأصله في (/17 ج 1 816/) وذكر في آخره مآخذ أصله ومآخذ تلخيصه (وقد طبع الكتاب أخيرا بمصر وقد ظهر منه جزء ان حتى الآن).
•
صفحة 340 سطر 10: يوجد فى مكتبة باريس برقم 1451 وفي برلين برقم 2801 وفي اسبانيا برقم 1473 وفى مكتبة الفاتح بالاستانة نسختان برقم 2905 ورقم 2906 وفى الأزهر بمصر. (وقد طبع الكتاب وعليه تعليقات لا تخلو من دس بقلم محب الدين الخطيب).
•
صفحة 340 سطر 25: توجد نسخة منه في النجف عند السيد محمّد الموسوى الشوشترى الجزائرى.
•
صفحة 341 سطر 26: ابن جماعة هو بدر الدين
আবু ইয়াকুব বিন জাফর বিন ওয়াহাব বিন ওয়াদিহ আল-কাতিব আল-আব্বাসি, যিনি আল-ইয়াকুবি নামে পরিচিত; আল-আবাকাত গ্রন্থে তাঁর থেকে উদ্ধৃতি নেওয়া হয়েছে (এটি ইউরোপ, নাজাফ আল-আশরাফ এবং বৈরুতে বহুবার মুদ্রিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ৩৩৪, লাইন ১২: ইলমুত তালিফ (রচনার জ্ঞান), পৃষ্ঠা ২১৫-তে বর্ণিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৩৭, লাইন ৪: মির্জা জাফর বিন আবুল কাসিম সুলতানুল কুররা আত-তাবরিজির নিকট (এর পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান)। স্রষ্টাকে চেনার প্রথম প্রদীপ (আল-মিসবাহুল আউয়াল) তিনটি জ্যোতিতে বিভক্ত: ১- তাঁর সত্তার পরিচয়, ২- তাঁর গুণাবলির পরিচয়, ৩- তাঁর কার্যাবলির পরিচয়। এর শেষে হাকিম সানায়ির কবিতা রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৩৮, লাইন ২৪: এটি সাইয়্যিদ মুহাম্মদ তাকি আস-সাবজেওয়ারির নিকট বিদ্যমান। এর অনুলিপি ১০৫৮ হিজরির, তবে এটি অনুলিপিকারের হস্তলিপি; তিনি হলেন শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আবুল মাকারিম আত-তাবরিজি। পাণ্ডুলিপির পিঠের লেখা অনুযায়ী এটি বাহাউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আবদুল জব্বার বিন আবদুল জব্বার আল-জুনি আল-মারওয়াজির রচনা। ‘মুজামুল বুলদান’ গ্রন্থে ‘খারাক’ (خرق) ভুক্তিতে মূল পাঠে যাঁর কথা বলা হয়েছে এবং তাঁর প্রতি যে বইটির সম্পৃক্ততা দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়েছে। পাণ্ডুলিপির শুরুতে রয়েছে: অতঃপর নিশ্চয়ই আলেম ও প্রজ্ঞাবানগণ আমাদের সময়ের আগে সকল প্রকার জ্ঞান ও তা সংকলনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৪০, লাইন ৯: এটি দুই খণ্ডে বিভক্ত। এর দ্বিতীয় খণ্ডটি—যা শীন (ش) বর্ণ থেকে বর্ণমালার শেষ পর্যন্ত—কাজিমিয়াতে সাইয়্যিদ মুহাম্মদ আলী হিবাতুদ্দিনের ‘মাকতাবাতুল জাওয়াদাইন’-এ ৫৩৬ নম্বর অধীনে সংরক্ষিত। এটি লেখকের দৌহিত্র ইউসুফের হস্তলিপিতে লেখা, যেমনটি তিনি শেষে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি লেখকের পাণ্ডুলিপি থেকে এটি অনুলিপি করেছেন এবং ১৪ রমজান ৮৮৫ হিজরিতে অনুলিপি সম্পন্ন করেছেন। লেখক শেষে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি মূল গ্রন্থের সংক্ষিপ্তকরণ ও পরিমার্জন (তালখিস ও তাহজিব) ১৭ জুমাদিউল আউয়াল ৮১৬ হিজরিতে শেষ করেছিলেন এবং এর শেষে মূল গ্রন্থ ও এর সংক্ষিপ্তকরণের উৎসসমূহ উল্লেখ করেছেন। (বইটি সম্প্রতি মিশরে মুদ্রিত হয়েছে এবং এ পর্যন্ত এর দুটি খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ৩৪০, লাইন ১০: এটি প্যারিসের লাইব্রেরিতে ১৪৫১ নম্বর, বার্লিনে ২৮০১ নম্বর, স্পেনে ১৪৭৩ নম্বর এবং ইস্তাম্বুলের ফাতিহ লাইব্রেরিতে ২৯০৫ ও ২৯০৬ নম্বর অধীনে দুটি পাণ্ডুলিপি আকারে বিদ্যমান। এছাড়া মিশরের আল-আযহারেও এর কপি রয়েছে। (বইটি মুদ্রিত হয়েছে এবং এতে মুহিবুদ্দিন আল-খাতিবের কিছু টীকা রয়েছে যা উদ্দেশ্যমূলক প্রক্ষেপণ বা বিকৃতিমুক্ত নয়)।
•
পৃষ্ঠা ৩৪০, লাইন ২৫: এর একটি পাণ্ডুলিপি নাজাফে সাইয়্যিদ মুহাম্মদ আল-মুসাভি আশ-শুশতারি আল-জাজায়িরির নিকট রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৪১, লাইন ২৬: ইবনে জামাআহ হলেন বদরুদ্দিন।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
أبو عبد الله محمّد بن برهان الدين ابراهيم بن سعد الله بن جماعة الخلاني الشافعي ألفه سنة 685 أوله الحمد لله ذي الجلال والاكرام توجد نسخته في كتب مدرسة فاضلخان بالمشهد الرضوي كتابتها فى 720.
•
صفحة 342 سطر 4: تبيان مقاصد التذكرة لبعض معاصرى القطب الشيرازي محمود بن مسعود المتوفى سنة 710 انتحل فيه التحفة الشاهية للقطب ولما علم به القطب كتب في تفضيحه رسالة سماها (فعلت فلا تلم).
•
صفحة 345 سطر 29: رأيت المجلد الأول من الايضاح فى دار الكتب المصرية في دار الكتب المصرية في سنة 1364 تاريخ كتابته 553.
•
صفحة 358 سطر 32: يوجد في الخزانة الرضوية الى كتاب العتق.
•
صفحة 360 سطر 13: في الحكمة صنفه بهمن يار تلميذ الشيخ الرئيس (ابن سينا).
•
صفحة 364 سطر 20: تحفة البيان في الطب لضياء الدين أبي محمّد عبد الله بن احمد المالقي الشهير بابن البيطار، انتخب منه مهرعلي التبريزي كتابه الموسوم بجمع الفرائد في مكة المعظمة، ويوجد عند حفيده الدكتور مجلسي بن محمّد بن مهدي بن مهر علي بطهران-وآباؤه كلهم أطباء. توفى ابن البيطار سنة 646 كما في طبقات الأطباء.
•
صفحة 266 سطر 4: تحفة الرئيس في شرح اشكال التأسيس لقاضى زاده الرومى وعليه حاشية أبي الفتح محمّد الهادى وأصلح الحاشية مع زيادات المولى حسين بن احمد الكردى.
ونسخة الكردى في الخزانة الرضوية أوله: الحمد لله الذي هو مقدر مقادير الاشياء بحكمته.
•
صفحة 366 سطر 10: تحفة الراغبين في بيان الطواعين لأبي يحيى زكريا الأنصارى الشافعى (توجد نسختها) فى كتب المولى محمد علي الخوانسارى.
•
صفحة 367 سطر 27: سرقه بعض معاصريه فكتب القطب في ذلك كتابا سماه (فعلت فلا تلم) لأن المعاصر كتب ما سماه تبيان مقاصد التذكرة وما كان هو الاعين التحفة
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন বুরহান উদ্দিন ইব্রাহিম বিন সাদুল্লাহ বিন জামাআ আল-খাল্লানি আশ-শাফিয়ি এটি ৬৮৫ হিজরিতে রচনা করেন। এর প্রারম্ভিক বাক্য হলো: সমস্ত প্রশংসা প্রতাপশালী ও দয়ালু আল্লাহর জন্য। এর একটি পাণ্ডুলিপি মাশহাদ আর-রাযাবিতে ফাদিলখান মাদ্রাসার কিতাবসমূহের মধ্যে সংরক্ষিত আছে, যার অনুলিপি ৭২০ হিজরির।
•
পৃষ্ঠা ৩৪২, লাইন ৪: কুতুবুদ্দিন শিরাজি মাহমুদ বিন মাসউদ (মৃত্যু ৭১০ হিজরি)-এর জনৈক সমসাময়িক ব্যক্তির রচিত ‘তিবিয়ানু মাকাসিদিত তাযকিরা’। এতে তিনি কুতুবের ‘আত-তুহফাতুশ শাহিয়্যাহ’ থেকে বিষয়বস্তু আত্মসাৎ করেন। কুতুব যখন এ সম্পর্কে জানতে পারেন, তখন তাকে অপদস্থ করার জন্য একটি রিসালা (পুস্তিকা) রচনা করেন, যার নাম দেন ‘ফাআলতু ফালা তালাম’ (আমি করেছি, তবে তিরস্কার করো না)।
•
পৃষ্ঠা ৩৪৫, লাইন ২৯: আমি ১৩৬৪ হিজরিতে মিশরের ‘দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ’-তে ‘আল-ঈজাহ’ গ্রন্থের প্রথম খণ্ড দেখেছি। এর অনুলিপি করার তারিখ ৫৫৩ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ৩৫৮, লাইন ৩২: ‘কিতাবুল ইতক’ (দাসমুক্তি অধ্যায়) পর্যন্ত ‘খিজানা আর-রাযাবিয়্যাহ’-তে বিদ্যমান আছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৬০, লাইন ১৩: হিকমত (দর্শন) বিষয়ে, এটি শেখুর রইস (ইবনে সিনা)-এর ছাত্র বাহমান ইয়ার রচনা করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৬৪, লাইন ২০: চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘তুহফাতুল বায়ান’, যা জিয়াউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-মালিকি—যিনি ইবনুল বাইতার নামে প্রসিদ্ধ—তাঁর রচনা। মেহর আলী তাবরিজি মক্কা মুয়াজ্জামায় এটি থেকে তাঁর কিতাব ‘জামউল ফরায়েদ’ সংকলন করেছেন। এর একটি কপি তেহরানে তাঁর পৌত্র ডক্টর মজলিসি বিন মুহাম্মদ বিন মাহদি বিন মেহর আলীর নিকট রয়েছে—তাঁদের পূর্বপুরুষদের সকলেই চিকিৎসক ছিলেন। ‘তাবাকাতুল আতিব্বা’ গ্রন্থ অনুযায়ী ইবনুল বাইতার ৬৪৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
•
পৃষ্ঠা ২৬৬, লাইন ৪: কাজিজাদা রুমি রচিত ‘আশকালুত তাসিস’-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘তুহফাতুর রইস’। এতে আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ হাদির একটি হাশিয়া (টীকা) রয়েছে এবং মাওলা হুসাইন বিন আহমদ আল-কুর্দি পরিবর্ধনসহ এই হাশিয়াটি সংস্কার করেছেন।
কুর্দির অনুলিপিটি ‘খিজানা আর-রাযাবিয়্যাহ’-তে রয়েছে। এর শুরু হয়েছে এভাবে: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি স্বীয় প্রজ্ঞার দ্বারা সকল বস্তুর পরিমাপ নির্ধারণকারী।
•
পৃষ্ঠা ৩৬৬, লাইন ১০: মহামারী সংক্রান্ত বিষয়ে আবু ইয়াহিয়া জাকারিয়া আনসারি আশ-শাফিয়ি রচিত ‘তুহফাতুর রাগিবিন ফি বায়ানিত তাওয়াইন’। এর একটি পাণ্ডুলিপি মাওলা মুহাম্মদ আলী আল-খুনসারির কিতাবসমূহের মধ্যে সংরক্ষিত আছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৬৭, লাইন ২৭: তাঁর জনৈক সমসাময়িক ব্যক্তি এটি চুরি করেছিলেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে কুতুব এ বিষয়ে একটি বই লেখেন যার নাম দেন ‘ফাআলতু ফালা তালাম’; কারণ সেই সমসাময়িক ব্যক্তি ‘তিবিয়ানু মাকাসিদিত তাযকিরা’ নামে যা লিখেছিলেন তা মূলত ‘তুহফা’ গ্রন্থের হুবহু অনুলিপি ছাড়া আর কিছুই ছিল না।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
الشاهية بجميع ألفاظها من دون نسبة إليه إلا في مواضع ظن المعاصر فسادها فنسبها الى صاحب التحفة ويورد عليه اعتراضات باردة غير واردة فعمد القطب الى دفعها والنسخة بخطه في الخزانة الغروية في النجف الأشرف أوله «رب أنعمت فزد أما بعد حمد الله خالق الافلاك ومدبرها ومزبنها بثواقب الكواكب» ذكر انه قسم التحفة في نظره الى قسمين صحيح نسبه الى نفسه وسقيم نسبه الى مؤلف التحفة.
•
صفحة 369 سطر 3: تحفة الطلاب في شرح نزهة الحساب الذي هو مختصر المرشد لابن الهائم كما يأتى والشرح لأبي الفضل كمال الدين محمد بن شهاب الدين احمد بن أيوب الدمشقي الشافعي أوله: الحمد لله سريع الحساب جزيل الثواب وهو شرح مزج ناقص الآخر عند الشيخ هادى آل كشف الغطاء بالنجف الأشرف.
•
صفحة 371 سطر 4: تحفة الغريب فيما على مغنى اللبيب للشيخ بدر الدين محمد بن أبي بكر الدمامينى ذكره صاحب كتاب المنصف من الكلام.
•
صفحة 373 سطر 8: تحفة المبتدي في مذهب الشافعي اختصر منه بعض اصحابنا وهو الشيخ عبد الرزاق بن محمد ابن سعيد المقابي قبل سنة 1115 فانه ألّف في هذا التاريخ مجموعة دوّن فيها بعض تصانيفه منها ما سماه (مختصر واجبات الصلاة ومندوباتها عند الشافعي وادرج فيها جملة نقلها عن هذا الكتاب ولم يذكر مؤلفه، ونقل أيضا عن كتاب عمدة الطالب في الاعتقاد الواجب تأليف محمد بن عبد الرحمن بن محمد الجيشى المدحجي الشافعي.
•
صفحة 377 سطر 16: التحقيق فيما احتج به أمير المؤمنين عليه السلام مع نجباء الصحابة يوم الشورى لأبي نصر منصور بن محمد بن محمد الحربي، نقل عنه السيد ابن طاووس في كتاب اليقين في الباب الثامن والعشرين يروي مصنفه عن أبي العباس احمد بن محمد بن سعيد بن عقدة الذي الذي توفى سنة 333 والنسخة التي نقل السيد عنها تاريخ كتابتها 372.
•
صفحة 382 سطر 6: في اصول علم الحديث للسيوطي
'আশ-শাহিয়্যাহ' এর সকল শব্দসহ, তাঁর প্রতি কোনো নিসবত (সম্পর্ক আরোপ) করা ছাড়াই; কেবল সেই স্থানগুলো ব্যতীত যেখানে সমসাময়িক ব্যক্তিরা তার ত্রুটি মনে করেছিলেন এবং তা 'তুহফাহ' এর লেখকের দিকে নিসবত করেছিলেন। তিনি তাঁর বিরুদ্ধে কিছু অসার ও অপ্রাসঙ্গিক আপত্তি উত্থাপন করেন, যা কুতুব খণ্ডন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পাণ্ডুলিপিটি তাঁর নিজ হাতের লেখা, যা নাজাফে আশরাফের গারাওয়ীয়্যাহ কুতুবখানায় সংরক্ষিত রয়েছে। এর শুরুটা এমন: "হে প্রতিপালক! আপনি অনুগ্রহ করেছেন, তাই তা আরও বৃদ্ধি করুন। এরপর আল্লাহর প্রশংসা, যিনি আকাশমণ্ডলীর স্রষ্টা, এর ব্যবস্থাপক এবং উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজির মাধ্যমে একে সুশোভিতকারী।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তাঁর দৃষ্টিতে 'তুহফাহ' গ্রন্থটিকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন—সঠিক অংশটুকু নিজের দিকে নিসবত করেছেন এবং ত্রুটিপূর্ণ অংশটুকু 'তুহফাহ' এর মূল লেখকের দিকে নিসবত করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৬৯, লাইন ৩: 'তুহফাতুত তুল্লাব ফি শারহি নুঝহাতিল হিসাব', যা ইবনুল হাইয়িম রচিত 'আল-মুরশিদ'-এর সংক্ষিপ্তসার, যেমনটি সামনে আসছে। এর ব্যাখ্যাগ্রন্থটি (শারহ) আবুল ফজল কামালুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে শিহাবুদ্দিন আহমদ ইবনে আইয়ুব আদ-দিমাশকি আশ-শাফেয়ি-এর লেখা। এর শুরুটা হলো: "সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী ও প্রচুর প্রতিদান দানকারী।" এটি একটি সংমিশ্রিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যার শেষাংশ অসম্পূর্ণ এবং এটি নাজাফে আশরাফে শায়খ হাদি আল কাশিফুল গিতার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৭১, লাইন ৪: শায়খ বদরুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আদ-দামামিনি রচিত 'তুহফাতুল গারিব ফিমা আলা মুগনিল লাবিব'। এটি 'আল-মুনসিফ মিনাল কালাম' গ্রন্থের লেখক উল্লেখ করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৭৩, লাইন ৮: শাফেয়ি মাযহাবের ওপর রচিত 'তুহফাতুল মুবতাদি'। আমাদের কিছু সহকর্মী এটি সংক্ষিপ্ত করেছেন, তিনি হলেন শায়খ আবদুর রাজ্জাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মাকাবি, ১১১৫ হিজরির পূর্বে। কারণ তিনি এই তারিখে একটি সংকলন তৈরি করেছিলেন যাতে তিনি তাঁর কিছু রচনা লিপিবদ্ধ করেছিলেন। তার মধ্যে একটির নাম দিয়েছিলেন 'মুখতাসারু ওয়াজিবাতুস সালাতি ওয়া মানদুবাতিহা ইনদাশ শাফেয়ি' (শাফেয়ি মাযহাবে নামাজের ওয়াজিব ও মুস্তাহাবসমূহের সংক্ষিপ্তসার) এবং এতে তিনি এই গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত করেছেন কিন্তু এর লেখকের নাম উল্লেখ করেননি। তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-জাইশি আল-মাদহাজি আশ-শাফেয়ি রচিত 'উমদাতুত তালিব ফিল ইতিকাদিল ওয়াজিব' গ্রন্থ থেকেও উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৭৭, লাইন ১৬: আবু নাসর মনসুর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারবি রচিত 'আত-তাহকিকু ফিমা ইহতাহাজ্জা বিহি আমিরুল মুমিনিন আলাইহিস সালাম মাআ নুজাবায়িস সাহাবা ইয়াউমাশ শুরা' (শূরার দিনে অভিজাত সাহাবীদের সাথে আমিরুল মুমিনীন আলাইহিস সালাম যে প্রমাণাদি পেশ করেছিলেন তার বিশ্লেষণ)। সাইয়্যেদ ইবনে তাউস তাঁর 'আল-ইয়াকিন' গ্রন্থের আটাশতম অধ্যায়ে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। এর গ্রন্থকার আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে উকদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি ৩৩৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। যে পাণ্ডুলিপি থেকে সাইয়্যেদ উদ্ধৃতি দিয়েছেন, তার অনুলিপিকরণের তারিখ ছিল ৩৭২ হিজরি।
•
পৃষ্ঠা ৩৮২, লাইন ৬: সুয়ুতি রচিত হাদিস শাস্ত্রের মূলনীতি বিষয়ক গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
طبع سنة 1307.
•
صفحة 383 سطر 3: (توجد نسخة منه بمكتبة جامعة طهران وفي النجف نسخة مصورة عنها في مكتبة السيد الحكيم العامة).
•
صفحة 383 سطر 19: توجد نسخة عتيقة من تذكرة ابن حمدون في مدرسة فاضلخان بعنوان تذكرة الأديب أوله:
الحمد لله الملك الديان وقف سنة 1065 (وقد طبع قسم منها بمصر).
•
صفحة 384 سطر 14: تذكرة ابن الوردي في غاية الاختصار في علوم الحديث وهو أبو حفص عمر بن أبي الحسن علي بن الوردي فرغ منه يوم الجمعة السابع والعشرين من جميدى سنة 763 في مجموعته من وقف المرحوم السيد عباس الخرسان النجفي في بيتهم في النجف.
•
صفحة 386 سطر 16: في الاعلام انه ولد سنة 600 وتوفى سنة 670 (توجد نسختها) عند المولوي حسن يوسف بكربلا ذكر في أوله اسماء الحكماء الذين ينقل أقوالهم وهم زهاء اربعمائة رجل وعد منهم علي بن موسى الرضا عليه السلام، ومختصره للامام عبد الوهاب بن احمد بن علي الشعراني الصوفي المتوفى سنة 973 طبع في سنة 1314.
•
صفحة 388 سطر 24: نقل عنه في نسمة السحر قصيدة طلائع بن رزيك.
صفخة 390 سطر 26: الكحال النصراني كتبه في نيف واربعمائة جوابا عما سئل كما هو مصرح في نسخته في الرضوية لكن أوله الحمد لله رب الخ ويظهر من اسمه انه غيّر دينه بالاسلام وسمى نفسه عليا.
•
صفحة 397 سطر 7: ترجمان القرآن فارسي مختصر في مشكلات لغاته على ترتيب السور من الفاتحة الى الناس مكتوب عليه انه تأليف أبي القاسم البقالي الخوارزمى (توجد منه نسخة) بقلم محمود بن عبد الله (تاريخها 1006) في مكتبة السيد البروجردى رحمه الله.
•
صفحة 397 سطر 10: الترجمان في لغات القرآن فارسي للمحقق المير سيد شريف الجرجاني (توجد منه نسخة)
১৩১৭ সালে মুদ্রিত।
•
পৃষ্ঠা ৩৮৩, লাইন ৩: (তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে এর একটি পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান এবং নাজাফে আল-সায়্যিদ আল-হাকিম পাবলিক লাইব্রেরিতে এর একটি ফটোকপি সংস্করণ রয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ৩৮৩, লাইন ১৯: ফাদিলখান মাদরাসায় ইবনে হামদুনের 'তাযকিরাহ'-এর একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি 'তাযকিরাতুল আদীব' শিরোনামে বিদ্যমান, যার শুরুতে রয়েছে:
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি অধিপতি ও প্রতিদানদাতা; ১০৬৫ হিজরীতে ওয়াকফকৃত (এবং এর একটি অংশ মিসরে মুদ্রিত হয়েছে)।
•
পৃষ্ঠা ৩৮৪, লাইন ১৪: উলূমুল হাদীসের (হাদীস শাস্ত্র) অত্যন্ত সংক্ষিপ্তসার হিসেবে ইবনুল ওয়ার্দীর 'তাযকিরাহ'; আর তিনি হলেন আবু হাফস উমর বিন আবিল হাসান আলী বিন আল-ওয়ার্দী। নাজাফে তাদের বাড়িতে মারহুম সায়্যিদ আব্বাস আল-খারসান আল-নাজাফীর ওয়াকফকৃত তাঁর সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত একটি পাণ্ডুলিপি অনুযায়ী তিনি ৭৬৩ হিজরীর ২৭শে জুমাদা, শুক্রবার এটি সমাপ্ত করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৮৬, লাইন ১৬: আল-আলাম গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি ৬০০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৭০ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন (এর পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান), কারবালায় মৌলভী হাসান ইউসুফের নিকট। এর শুরুতে সেই সমস্ত মনীষীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যাদের উক্তি তিনি উদ্ধৃত করেছেন এবং তারা সংখ্যায় প্রায় চারশত ব্যক্তি; এবং তাদের মধ্যে তিনি আলী বিন মুসা আল-রিদা আলাইহিস সালামকে গণ্য করেছেন। আর এর সংক্ষিপ্তসারটি ইমাম আব্দুল ওয়াহাব বিন আহমদ বিন আলী আল-শারানী আল-সুফী (মৃত্যু ৯৭৩ হিজরী) কর্তৃক রচিত, যা ১৩১৪ সালে মুদ্রিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৩৮৮, লাইন ২৪: 'নাসমাতুস সাহার' গ্রন্থে এটি থেকে তালাঈ বিন রুযযীকের কাসিদা উদ্ধৃত করা হয়েছে।
পৃষ্ঠা ৩৯০, লাইন ২৬: আল-কাহহাল আল-নাসরানী এটি চারশ হিজরীর কিছু পরে তাঁকে করা প্রশ্নের উত্তর হিসেবে লিখেছিলেন, যেমনটি রাজাভীয়াহ লাইব্রেরিতে রক্ষিত এর পাণ্ডুলিপিতে স্পষ্ট করা হয়েছে; তবে এর শুরুতে "সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক..." প্রভৃতি রয়েছে এবং তাঁর নাম থেকে প্রতীয়মান হয় যে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন এবং নিজের নাম আলী রেখেছিলেন।
•
পৃষ্ঠা ৩৯৭, লাইন ৭: 'তরজুমানুল কুরআন' হলো কুরআনের কঠিন শব্দাবলির একটি ফারসি সংক্ষিপ্তসার, যা সূরা ফাতিহা থেকে সূরা নাস পর্যন্ত সূরার ক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত। এতে লেখা আছে যে, এটি আবুল কাসিম আল-বাক্কালী আল-খাওয়ারিজমীর সংকলন (এর একটি পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান), যা মাহমুদ বিন আব্দুল্লাহর হস্তাক্ষরে (তারিখ ১০০৬ হিজরী) সায়্যিদ আল-বুরুজারদী (রহ.)-এর লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত।
•
পৃষ্ঠা ৩৯৭, লাইন ১০: আল-মুহাক্কিক আল-মীর সায়্যিদ শরীফ আল-জুরজানী রচিত 'আল-তরজুমান ফি লুগাতিল কুরআন' ফারসি ভাষায় (এর একটি পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান)
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
في الخزانة الرضوية وقف أمير جبرئيل سنة 1037 أوله الحمد لله رب الخ بدأ بسورة الفاتحة ثم بسورة الناس ورجع القهقري على غير القياس حتى انتهى بالآخرة الى سورة البقرة.
•
صفحة 397 سطر 11: موجود في الخزانة الرضوية بالمشهد الرضوى.
•
صفحة 399 سطر 19: الترصيف ارجوزة في التصريف شرحه من الاصحاب ميرزا محمّد تقي المشهدي صاحب تفسير كنز الدقائق والمجاز من العلامة المجلسي سنة 1107 وشرحه الشيخ ابراهيم الباجوري المتوفى سنة 1277 والمتن نظمه الشيخ عبد الرحمن عيسى مرشد الحنفي مفتي الحرم في مكة سنة 1000.
•
صفحة 402 سطر 25: تسمية من روى عن النبي صلى الله عليه وآله من أولاد العشرة وغيرهم من اصحابه لأبي الحسن علي بن عبد الله بن جعفر المديني البصري حافظ عصره ولد سنة 161 بالبصرة وتوفي بسامراء سنة 234 كما في أعلام الزركلي، رأيت نسخة منه في المكتبة الظاهرية بدمشق الشام في محرم سنة 1365 ضمن مجموعة كتبت على ظهرها بلاغات الى سنة 606، روى الكتاب أبو شاكر يحيى بن أحمد بن يوسف السقلاطولى في داره بشارع الرقيق بغربي بغداد في 27 قعدة 563 وهو سمعه عن أبي الحسين المبارك بن عبد الجبار الصيرفي في 498 وذكر الصير في انهم قرأوا الكتاب على أبي عمرو عثمان بن أحمد بن عبد الله المعروف بابن السماك في الخميس 27 من المحرم 344 وذكر ابن السماك انه روى ابو على حنبل بن اسحاق بن حنبل عن عمه احمد بن حنبل انه نظر في هذا الكتاب فتعجب في تخليص علي بن المديني هذه الأسماء ومعرفته بها، اقول توفي ابن حنبل بعد موت ابن المديني بسبع سنين فظهر ان أول من ألف في اسماء خصوص الصحابة مطلقا هو علي بن المديني، واما يحيى بن معين المتوفى سنة 233 فهو مؤلف لمطلق رجال الحديث قال ابن حنبل: انه كان أعلمنا بالرجال، وهذا المدينى معاصر مع سميه المدائنى وهو أبو الحسن علي بن محمّد بن عبد الله بن أبي سيف المدائني الاخباري المتوفى سنة 225 ترجمه ابن النديم ص 147 وأورد
রাজাউয়ি পাঠাগারে ১০৩৭ হিজরিতে আমির জিবরাইল কর্তৃক ওয়াকফকৃত একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যার শুরুতে 'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য' ইত্যাদি রয়েছে। এটি সূরা ফাতিহা দিয়ে শুরু হয়েছে, এরপর সূরা নাস থেকে বিপরীত ক্রমে নিয়মবহির্ভূতভাবে অগ্রসর হয়ে পরিশেষে সূরা বাকারায় গিয়ে শেষ হয়েছে।
•
৩৯৭ পৃষ্ঠা ১১তম লাইন: এটি মাশহাদে রাজাউয়ি-র রাজাউয়ি পাঠাগারে সংরক্ষিত আছে।
•
৩৯৯ পৃষ্ঠা ১৯তম লাইন: আত-তারসিফ হলো শব্দরূপান্তর (তাসরিফ) বিষয়ক একটি কাব্যগ্রন্থ, যার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন আমাদের সঙ্গীদের অন্যতম মির্জা মুহাম্মদ তাকি আল-মাশহাদি, যিনি কানযুদ দাকায়িক তাফসিরের রচয়িতা এবং ১১০৭ হিজরিতে আল্লামা মাজলিসি কর্তৃক অনুমতিপ্রাপ্ত। এর ওপর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখেছেন শেখ ইবরাহিম আল-বাজুরি (মৃত্যু ১২৭৭ হি.) এবং মূল গ্রন্থটি ১০০০ হিজরিতে মক্কার হারামের মুফতি শেখ আবদুর রহমান ঈসা মুরশিদ আল-হানাফি কাব্যিক আকারে রচনা করেছেন।
•
৪০২ পৃষ্ঠা ২৫তম লাইন: "দশজন সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীর সন্তান এবং অন্যান্য সাহাবীদের মধ্যে যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন তাদের নাম" - এটি আবুল হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-মাদিনি আল-বসরির রচনা, যিনি তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ হাফিজ ছিলেন। তিনি ১৬১ হিজরিতে বসরায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ২৩৪ হিজরিতে সামাররায় মৃত্যুবরণ করেন, যেমনটি যিরিকলির আল-আলাম গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। আমি সিরিয়ার দামেস্কের জাহিরিয়া লাইব্রেরিতে ১৩৬৫ হিজরির মহররম মাসে এর একটি অনুলিপি দেখেছি, যা একটি পাণ্ডুলিপি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এর প্রচ্ছদে ৬০৬ হিজরি পর্যন্ত পাঠদানের বিবরণ লিপিবদ্ধ ছিল। এই গ্রন্থটি আবু শাকির ইয়াহইয়া বিন আহমদ বিন ইউসুফ আস-সাকলাতুলি ৫৬৩ হিজরির ২৭শে জিলকদ তারিখে পশ্চিম বাগদাদের শারিউর রাকিক-এ অবস্থিত নিজ বাসভবনে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি ৪৯৮ হিজরিতে আবুল হুসাইন আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফি থেকে শ্রবণ করেছেন। সাইরাফি উল্লেখ করেছেন যে, তারা ৩৪৪ হিজরির ২৭শে মহররম বৃহস্পতিবার আবু আমর উসমান বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ, যিনি ইবনুল সাম্মাক নামে পরিচিত, তাঁর নিকট কিতাবটি পাঠ করেছিলেন। ইবনুল সাম্মাক বর্ণনা করেছেন যে, আবু আলী হানবাল বিন ইসহাক বিন হানবাল তাঁর চাচা আহমদ বিন হানবাল থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এই কিতাবটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন এবং আলী ইবনুল মাদিনির এই নামগুলো পৃথকীকরণ ও এ বিষয়ে তাঁর গভীর জ্ঞানের প্রতি বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। আমি বলছি, ইবনে হানবাল ইবনুল মাদিনির ইন্তেকালের সাত বছর পর মৃত্যুবরণ করেন, সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, সাহাবীদের সুনির্দিষ্ট নাম নিয়ে প্রথম গ্রন্থ রচয়িতা হলেন আলী ইবনুল মাদিনি। আর ইয়াহইয়া বিন মাইন (মৃত্যু ২৩৩ হি.) হলেন হাদিস শাস্ত্রের বর্ণনাকারীদের সাধারণ জীবনীকার। ইবনে হানবাল তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি আমাদের মধ্যে বর্ণনাকারীদের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ ছিলেন।" আর এই মাদিনি তাঁর সমনামধারী আল-মাদাইনির সমসাময়িক ছিলেন, যিনি হলেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু সাইফ আল-মাদাইনি আল-আখবারি (মৃত্যু ২২৫ হি.)। ইবনু নাদিম তাঁর গ্রন্থের ১৪৭ পৃষ্ঠায় তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন এবং বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
فهرس كتبه قرب أربعمائة أو أزيد.
•
صفحة 404 سطر 10: في الحكم المأثورة بالعدد من الواحد الى العشرة للعلامة الكراجكي المتوفى سنة 449.
•
صفحة 409 سطر 30: في ص 595.
• صفحة 409 سطر 30: تشنيف المسامع في شرح جمع الجوامع الذي في الاصول الفقهية من تآليف قاضى القضاة أبي نصر عبد الوهاب بن الشيخ الامام أبي الحسن السبكي المتوفى 771 والشرح للعلامة الشيخ بدر الدين الزركشى الشافعى المتوفى 749 أوله الحمد لله رب العالمين حمدا يليق بجلاله الخ رأيت نسخة عتيقة منه في مكتبة الحرم الشريف بمكة المعظمة في 14 حجة 1364 والشارح هو محمّد بن عبد الله ابن بهادر الزر كشى المولود 745 والمتوفى 794 وهو تركى الاصل مصري المولد والمدفن، والنسخة من وقف الشريف عبد المطلب بن الشريف غالب الحسنى فى سنة 1252.
•
صفحة 411 سطر 29: التصريح في شرح التوضيح الموسوم بأوضح المسالك في شرح ألفية ابن مالك والتصريح هذا لخالدين عبد الله الأزهري فرغ من تأليفه 896 (رأيت نسخة منه) بقلم الشيخ سالم بن احمد بن عبد الله بن محمّد بن ابراهيم بن يحيى بن يوسف بن علي بن محمّد بن يحيى الحميري نسبا الامامى مذهبا في مدرسة السيد البروجردى فى النجف.
•
صفحة 426 سطر 9: أوله باب اقسام العربية رأيته بالكاظمية.
•
صفحة 428 سطر 35: ملخص من النوع الثمانين في طبقات بلفسرين من كتاب الاتقان في علوم القرآن للعلامة السيوطى وزيادات من المصنف في ذكره تواريخهم ونسبهم.
•
صفحة 432 سطر 4: من قوله: ومن ذلك القبيل ليس في الإتقان.
•
صفحة 437 سطر 9: كان عند السيد ابن طاووس نسخة عتيقة منه ينقل عنها في كتابه سعد السعود المؤلف سنة 651 هـ.
•
صفحة 441 سطر 23: كان عند السيد ابن طاووس وينقل عنه الى الجزء الثاني والثلاثين منه في سعد السعود الذي
তাঁর কিতাবসমূহের সূচিপত্র চারশর কাছাকাছি বা তার বেশি।
•
৪০৪ পৃষ্ঠা ১০ম লাইন: আল্লামা কারাজকি (মৃত্যু ৪৪৯ হিজরী) এর এক থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যার ভিত্তিতে বর্ণিত হিকমতসমূহ প্রসঙ্গে।
•
৪০৯ পৃষ্ঠা ৩০তম লাইন: ৫৯৫ পৃষ্ঠায়।
• ৪০৯ পৃষ্ঠা ৩০তম লাইন: উসূলুল ফিকহ-এর কিতাব 'জামউল জাওয়ামি'-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'তাশনিফুল মাসামি', যা প্রধান বিচারপতি আবু নাসর আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে শায়খ ইমাম আবুল হাসান আস-সুবকি (মৃত্যু ৭৭১ হিজরী) এর রচনা। আর এর ব্যাখ্যাটি আল্লামা শায়খ বদরুদ্দীন আজ-যারকাশি আশ-শাফিয়ি (মৃত্যু ৭৯৪ হিজরী) এর রচিত। এর শুরু: "সকল প্রশংসা আল্লাহ রব্বুল আলামীনের জন্য, এমন প্রশংসা যা তাঁর মহিমার উপযুক্ত..." ইত্যাদি। আমি মক্কা মুয়াজ্জমার হারাম শরীফের লাইব্রেরিতে ১৩৬৪ হিজরীর ১৪ জিলহজ তারিখে এর একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি দেখেছি। ব্যাখ্যাকার হলেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বাহাদুর আজ-যারকাশি, যার জন্ম ৭৪৫ হিজরীতে এবং মৃত্যু ৭৯৪ হিজরীতে। তিনি বংশগতভাবে তুর্কি কিন্তু জন্ম ও মৃত্যু মিশরে। পাণ্ডুলিপিটি ১২৫২ হিজরীতে শরীফ আব্দুল মুত্তালিব ইবনে শরীফ গালিব আল-হাসানি কর্তৃক ওয়াকফকৃত।
•
৪১১ পৃষ্ঠা ২৯তম লাইন: 'আত-তাসরিহ ফি শারহিত তাওদিহ', যা ইবনে মালিকের আলফিয়ার ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'আওদাহুল মাসালিক'-এর ব্যাখ্যা। এই তাসরিহ গ্রন্থটি খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযহারীর লেখা, যা তিনি ৮৯৬ হিজরীতে সম্পন্ন করেন। আমি নাজাফের সাইয়্যেদ বুরুজারদি মাদরাসায় শায়খ সালিম ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইউসুফ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-হিময়ারি (বংশগতভাবে হিময়ারি এবং মাযহাবগতভাবে ইমামি) এর হাতে লেখা এর একটি পাণ্ডুলিপি দেখেছি।
•
৪২৬ পৃষ্ঠা ৯তম লাইন: এর শুরু 'আরবি ভাষার প্রকারভেদ' অধ্যায় দিয়ে। আমি এটি কাজিমিয়াতে দেখেছি।
•
৪২৮ পৃষ্ঠা ৩৫তম লাইন: আল্লামা সুয়ুতির 'আল-ইতকান ফি উলূমিল কুরআন' কিতাবের আশি নম্বর প্রকার অর্থাৎ মুফাসসিরদের স্তরসমূহের সারাংশ এবং গ্রন্থকারের পক্ষ থেকে তাঁদের তারিখ ও বংশ পরিচয়ের কিছু সংযোজন।
•
৪৩২ পৃষ্ঠা ৪র্থ লাইন: তাঁর উক্তি থেকে: "এবং সেই প্রকার যা ইতকান-এ নেই।"
•
৪৩৭ পৃষ্ঠা ৯তম লাইন: সাইয়্যেদ ইবনে তাউসের কাছে এর একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি ছিল, যেখান থেকে তিনি তাঁর কিতাব 'সাদ আল-সুউদ'-এ (যা ৬৫১ হিজরীতে রচিত) উদ্ধৃতি প্রদান করতেন।
•
৪৪১ পৃষ্ঠা ২৩তম লাইন: সাইয়্যেদ ইবনে তাউসের নিকট এটি ছিল এবং তিনি 'সাদ আল-সুউদ'-এ এর বত্রিশতম খণ্ড পর্যন্ত উদ্ধৃতি প্রদান করতেন যা...
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৩২)
ألفه في 651 هـ.
•
صفحة 442 سطر 6: للمولى كمال الدين حسين بن الخواجه شرف الدين عبد الحق الأردبيلي فارسى كبير في مجلدين وآخر عربي في مجلد ذكره صاحب رياض العلماء وتوفى سنة 940.
•
صفحة 443 سطر 7: تفسير آية الكرسى اسمه مفتاح كنوز الأسماء.
•
صفحة 445 سطر 8: تفسير أبي على الجبائي في عشر مجلدات ينقل عنه السيد ابن طاووس فى سعد السعود الذي ألفه فى سنة 651.
•
صفحة 448 سطر 29: لعله السدي الكبير اسماعيل ابن عبد الرحمن بن أبي كريمة المتوفى 127 وتفسيره من أمثل التفاسير كما ذكره السيوطى، ويحتمل كونه الصغير وهو محمّد بن مروان المتوفى بعد الكبير في سنة 186 وهو ما رواه عن الكلبى عن أبي صالح عن ابن عباس وهو المطبوع المشهور بتفسير ابن عباس والموسوم بتنوير الاقتباس في النسخة المطبوعة في سنة 1280.
•
صفحة 449 سطر 15: هو ابو عبد الله محمّد بن عمر بن الحسين وتفسيره في أربعة مطالب، رأيت النسخة فى مجموعة من كتب الشيخ عبد الحسين الحلي أوله تفسير التوحيد في الاخلاص ثم تفسير الالهيات والنبوات والمعاد فى سورة الأعلى ثم فى تقرير المعاد فى سورة التين، ثم في ضبط الاعمال في سورة العصر وآخره: فقد ذكرت لك تفسير هذه السور الاربعة فى المطالب الأربعة.
•
صفحة 455 سطر 6: تفسير الفاتحة للمولى معين الفراهي المتوفى 907 ذكره في روضة الصفا اسمه الواضحة كما ذكره فى أول كتابه قصص موسى.
•
صفحة 457 سطر 23: توجد قطعة منه من سورة العنكبوت الى الحجرات من موقوفة مدرسة النواب بالمشهد الرضوي وعليها تملك محمّد بن محمد بن أبي طالب الطبيب في رجب 782 يتعرض فيه للاختلاف فى عدد الآيات والقرآن.
•
صفحة 459 سطر 4: المفسر ابن سليمان وابن حبان
৬৫১ হিজরিতে এটি সংকলিত হয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৪৪২, লাইন ৬: মাওলা কামালুদ্দীন হুসাইন বিন খাজা শরাফুদ্দীন আবদুল হক আল-আরদাবিলী-এর রচিত, দুই খণ্ডে একটি বৃহৎ ফারসি গ্রন্থ এবং এক খণ্ডে অপর একটি আরবি গ্রন্থ; রিয়াদুল উলামা-এর প্রণেতা এটি উল্লেখ করেছেন এবং তিনি ৯৪০ সালে ইন্তেকাল করেন।
•
পৃষ্ঠা ৪৪৩, লাইন ৭: আয়াতুল কুরসীর তাফসীর, যার নাম 'মিফতাহু কুনুযিল আসমা'।
•
পৃষ্ঠা ৪৪৫, লাইন ৮: আবু আলী আল-জুব্বায়ী-এর তাফসীর যা দশ খণ্ডে সমাপ্ত; সায়্যিদ ইবন তাউস তাঁর 'সা'দুস সুউদ' গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন, যা তিনি ৬৫১ হিজরিতে রচনা করেন।
•
পৃষ্ঠা ৪৪৮, লাইন ২৯: সম্ভবত এটি সুদ্দী আল-কাবীর তথা ইসমাঈল ইবন আবদুর রহমান ইবন আবি কারীমা (মৃত্যু ১২৭), এবং তাঁর তাফসীরটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাফসীর যেমনটি সুয়ূতী উল্লেখ করেছেন। আবার এটি সুদ্দী আস-সাগীর হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে, যিনি হলেন মুহাম্মদ বিন মারওয়ান, যিনি আল-কাবীরের পরে ১৮৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। এটিই তিনি কালবী থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন; যা ইবনে আব্বাসের তাফসীর নামে সুপরিচিত ও মুদ্রিত এবং ১২৮০ সালে মুদ্রিত সংস্করণে 'তানবীরুল মিকবাস' নামে অভিহিত।
•
পৃষ্ঠা ৪৪৯, লাইন ১৫: তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-হুসাইন এবং তাঁর তাফসীরটি চারটি মূল লক্ষ্যবস্তুর (মাতালিব) উপর বিন্যস্ত। আমি পাণ্ডুলিপিটি শেখ আব্দুল হুসাইন আল-হিল্লীর গ্রন্থসংগ্রহের একটি সংকলনে দেখেছি; এর শুরুতে সূরা আল-ইখলাসে তাওহীদের তাফসীর, তারপর সূরা আল-আ'লা-তে ইলাহিয়াত, নবুওয়াত ও মা'আদ (পরকাল)-এর তাফসীর, এরপর সূরা আত-তীন-এ মা'আদ-এর সপক্ষে আলোচনা এবং পরিশেষে সূরা আল-আসর-এ আমল সংরক্ষণের বর্ণনা রয়েছে। এর শেষে বলা হয়েছে: "আমি তোমার নিকট এই চারটি সূরার তাফসীর চারটি লক্ষ্যবস্তুর অধীনে বর্ণনা করলাম।"
•
পৃষ্ঠা ৪৫৫, লাইন ৬: মাওলা মুঈন আল-ফারাহীর (মৃত্যু ৯০৭) সূরা ফাতিহার তাফসীর; রাওদাতুস সাফা গ্রন্থে এর উল্লেখ রয়েছে এবং এর নাম 'আল-ওয়াদিহা', যেমনটি তিনি তাঁর 'কাসাসু মূসা' গ্রন্থের শুরুতে উল্লেখ করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৪৫৭, লাইন ২৩: মাশহাদ আর-রাদাবীর মাদরাসাতুন নাওয়াব-এর ওয়াকফকৃত পাণ্ডুলিপি থেকে এর একটি অংশ পাওয়া যায়, যা সূরা আল-আনকাবুত থেকে আল-হুজুরাত পর্যন্ত বিস্তৃত। এর ওপর রজব ৭৮২ হিজরিতে মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি তালিব আত-তাবীব-এর মালিকানা স্বত্ব রয়েছে। এতে তিনি আয়াত সংখ্যা ও কুরআনের বিভিন্ন পাঠভেদ সংক্রান্ত মতভেদ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
•
পৃষ্ঠা ৪৫৯, লাইন ৪: মুফাসসির ইবনে সুলাইমান এবং ইবনে হিব্বান।
(খণ্ড: ১)
যাইলু কাশফিজ জুনুন - আত তিহরানি
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
كان عالم خراسان كما ذكره في طبقات تذكرة الحفاظ طبع حيدرآباد ج 1 ص 151 قال مقاتل بن سليمان المفسر متروك الحديث وقد لطخ بالتجسيم مع كونه بحرا فى التفسير.
•
صفحة 460 سطر 19: تفسير النيسابورى المؤلف في سنة 727 كما صرح في تفسيره لسورة القدر وليس هو غريب القران لنظام الاعرج النيسابورى الذي ألفه سنة 828 رأيته في موقوفة المولى نوروزعلي البسطامي بمكتبة الرضا عليه السلام.
•
صفحة 463 سطر 27: ارخ الجزار ابن حجة الحموى في خزانة الأدب المطبوع: سنة 672 وولد سنة 601 وجمع اشعاره السيد البارع الماهر السيد محمد صادق آل بحر العلوم يقرب من أربعمائة بيت وفي اشعاره تصريح بتشيعه.
•
صفحة 464 سطر 10: تقريب الأحكام للهروى.
أقول التقريب أو غاية الاختصار اسم لكتاب واحد فى فقه الشافعية وهو تصنيف أبي شجاع الاصفهانى المولود سنة 533 والمتوفى سنة 593 طبع مكررا وطبعت ترجمته الفر نساوية والألمانية أوله الحمد لله رب العالمين وصلى الله على سيدنا محمّد خاتم النبيين وعلى آله واصحابه اجمعين
… سألني بعض الأصدقاء ان اعمل مختصرا في الفقه على مذهب الامام الشافعي
… ابو عبد الله محمّد بن ادريس المطلبي ولد سنة 150 ومات بمصر يوم الجمعة سلخ رجب 204 وهو ابن 54 سنة ودفن بقرافة مصر وانا زرته في سنة 1364.
رأيت الشرح المزجى لهذا الكتاب في مكتبة الجزائرى فى النجف /2 ع 2/ 1386 ولم اعرف الشارح.
•
صفحة 468 سطر 15: موجود في الخزانة الرضوية بالمشهد الرضوي.
•
صفحة 470 سطر 3: تقويم اللسان لأبي الفرج ابن الجوزي المتوفى سنة 597 نظير درة الغواص للحريري حكى عنه الشيخ البهائي فى كشكوله.
•
صفحة 471 سطر 3: تكملة التذكرة في الهيئة بالفارسية للقطب الشيرازي محمّد بن مسعود المتوفى سنة 710 قال في كتابه (فعلت فلا تلم) دخلت تبريز سنة 706 واطلعت على اوضاع الكواكب وكتبت تكملة التذكرة بالفارسية.
তিনি খোরাসানের আলেম ছিলেন, যেমনটি হায়দ্রাবাদ থেকে মুদ্রিত তাজকিরাতুল হুফফাজ-এর ১ম খণ্ড, ১৫১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেন: মুফাসসির মুকাতিল ইবনে সুলাইমান এর হাদিস বর্জনীয় এবং তিনি তাজসিম (আল্লাহর দেহ সাব্যস্ত করা) এর অভিযোগে কলঙ্কিত ছিলেন, যদিও তিনি তাফসীরের ক্ষেত্রে ছিলেন এক বিশাল সমুদ্র।
•
পৃষ্ঠা ৪৬০, ১৯তম লাইন: নিসাবুরীর তাফসীর, যা ৭২৭ হিজরিতে রচিত হয়েছে, যেমনটি তিনি সূরা কদরের তাফসীরে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। এটি নিজামুল আরায নিসাবুরীর 'গারাইবুল কুরআন' নয়, যা তিনি ৮২৮ হিজরিতে রচনা করেছিলেন। আমি এটি মাশহাদের ইমাম রেযা (আলাইহিস সালাম) লাইব্রেরিতে মাওলা নওরোজ আলী বাস্তামীর ওয়াকফকৃত সংকলনে দেখেছি।
•
পৃষ্ঠা ৪৬৩, ২৭তম লাইন: আল-জাযযার সম্পর্কে ইবনে হিজ্জাহ আল-হামাউয়ী মুদ্রিত 'খিজানাতুল আদব'-এ তারিখ উল্লেখ করেছেন: মৃত্যু ৬৭২ হিজরি এবং জন্ম ৬০১ হিজরি। তাঁর কবিতাগুলো দক্ষ ও অভিজ্ঞ সাইয়্যিদ মুহাম্মদ সাদিক আল বাহরুল উলুম সংকলন করেছেন, যা প্রায় চারশ পংক্তির কাছাকাছি এবং তাঁর কবিতাসমূহে তাঁর শিয়া মতাদর্শের স্পষ্ট ঘোষণা রয়েছে।
•
পৃষ্ঠা ৪৬৪, ১০ম লাইন: আল-হারাবীর 'তাকরীবুল আহকাম'।
আমি বলছি, 'তাকরীব' বা 'গায়াতুল ইখতিসার' হলো শাফিয়ী ফিকহের একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম। এটি আবু শুজা আল-আসবাহানীর রচনা, যিনি ৫৩৩ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৫৯৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এটি বারবার মুদ্রিত হয়েছে এবং এর ফরাসি ও জার্মান অনুবাদও প্রকাশিত হয়েছে। এর শুরুতে রয়েছে: সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নেতা নবীকুল শিরোমণি মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক
… আমার কিছু বন্ধু আমাকে ইমাম শাফিয়ীর মাযহাব অনুযায়ী ফিকহশাস্ত্রের একটি সংক্ষিপ্ত সার রচনা করার অনুরোধ জানান
… আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আল-মুত্তালিবী (ইমাম শাফিয়ী) ১৫০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০৪ হিজরির রজব মাসের শেষ শুক্রবার ৫৪ বছর বয়সে মিশরে ইন্তেকাল করেন। তাঁকে মিশরের কারাফায় দাফন করা হয়েছে এবং আমি ১৩৬৪ হিজরিতে তাঁর মাজার যিয়ারত করেছি।
আমি নাজাফের আল-জাযায়েরী লাইব্রেরিতে এই বইটির একটি শারহে মাজজি (মূল পাঠ ও ব্যাখ্যার মিশ্রণ) দেখেছি (২ রবিউস সানি ১৩৮৬ হিজরি), তবে আমি ব্যাখ্যাকারীকে চিনতে পারিনি।
•
পৃষ্ঠা ৪৬৮, ১৫তম লাইন: এটি মাশহাদে অবস্থিত রিজভী লাইব্রেরিতে বিদ্যমান।
•
পৃষ্ঠা ৪৭০, ৩য় লাইন: ৫৯৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযীর 'তাকভীমূল লিসান'; এটি হারীরীর 'দুররাতুল গাওয়াস'-এর অনুরূপ। শেখ বাহাউদ্দীন আল-আমিলি তাঁর 'কাশকুল' গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
•
পৃষ্ঠা ৪৭১, ৩য় লাইন: ৭১০ হিজরিতে ইন্তেকালকারী কুতুবুদ্দীন আল-শিরাজী মুহাম্মদ ইবনে মাসউদের রচিত জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক ফারসি গ্রন্থ 'তাকমিলাতুত তাজকিরা'। তিনি তাঁর 'ফায়ালতু ফালা তালাম' গ্রন্থে বলেছেন: আমি ৭০৬ হিজরিতে তাবরিজে প্রবেশ করি এবং নক্ষত্রমণ্ডলীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করি এবং ফারসি ভাষায় 'তাকমিলাতুত তাজকিরা' রচনা করি।