(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
الرد على الجهمية لابن منده - ط المكتبة الأثرية   (ابن منده محمد بن إسحاق)

القسم: العقيدة


الكتاب: الرد على الجهمية

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن مَنْدَه العبدي (ت 395 هـ)

المحقق: علي محمد ناصر الفقيهي [ت 1446 هـ]

الناشر: المكتبة الأثرية - باكستان

عدد الصفحات: 54

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে মান্দাহর আল-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ - মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ সংস্করণ   (ইবনে মান্দাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক)

বিভাগ: আকীদা


কিতাব: আল-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মান্দাহ আল-আবদী (মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি)

সম্পাদক: আলী মুহাম্মাদ নাসির আল-ফাকীহি [মৃত্যু ১৪৪৬ হিজরি]

প্রকাশক: মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ - পাকিস্তান

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৪

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
قَوْلُ اللَّهِ جَلَّ وَعَزَّ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] وَمَا ثَبَتَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي ذَلِكَ، واخْتِلَافُ الصَّحَابَةِ، وَالتَّابِعِينَ فِي مَعْنَى تَأْوِيلِهِ
মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী {যেদিন আল্লাহর পা উন্মোচিত করা হবে} [আল-ক্বলম: ৪২], এবং এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা সাব্যস্ত হয়েছে, এবং এর ব্যাখ্যার অর্থের ক্ষেত্রে সাহাবী ও তাবেয়ীগণের মতপার্থক্য।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
2 - أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَةَ قَالَ: قَوْلُ اللَّهِ جَلَّ وَعَزَّ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] وَمَا ثَبَتَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي ذَلِكَ، واخْتِلَافُ الصَّحَابَةِ، وَالتَّابِعِينَ فِي مَعْنَى تَأْوِيلِهِ. حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الْأَصَمُّ، بِنَيْسَابُورَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ حَبِيبٍ النَّيْسَابُورِيُّ الْبَصْرِيُّ، ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، ثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، وَثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّيْبُلِيُّ، بِمَكَّةَ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عِيسَى الشَّيْبَانِيُّ الْبَصْرِيُّ، ثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ الصَّنْعَانِيُّ، جَمِيعًا، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ. أَنَّهُمْ سَألُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: هَلْ نَرَى رَبَّنَا عز وجل يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ قَالَ: «هَلْ تُضَامُونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ صَحْوًا لَيْسَ فِيهَا سَحَابٌ؟» قَالُوا: لَا. قَالَ: «فَإنَّكُمْ لَا تُضَامُونَ فِي رُؤْيَةِ أَحَدِهِمَا. فَإِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ نُودِيَ لِيَتْبَعْ كُلُّ أُمَّةٍ مَا كَانَتْ تَعْبُدُ، فَلَا يَبْقَى أَحَدٌ كَانَ يَعْبُدُ شَيْئًا إِلَّا تَبِعَهُ، حَتَّى لَا يَبْقَى إِلَّا الْمُؤْمِنُونَ، فَيَأْتِيهِمُ اللَّهُ عز وجل» فَيَقُولُ: «أَنَا رَبُّكُمْ» فَيقُولُونَ: نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْكَ لَا نُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا. فَيَقُولُ: «هَلْ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُ آيَةٌ؟» فَيقُولُونَ: نَعَمْ. «يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ» ، فَلَا يَبْقَى أَحَدٌ مِمَّنْ كَانَ يَعْبُدُ اللَّهَ عز وجل إِلَّا خَرَّ لَهُ سَاجِدًا ". وَذَكَرَ الْحَدِيثَ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، بِمِصْرَ، ثَنَا رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ، وَثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الْوَرْدِيُّ، بِمِصْرَ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ الْمِصْرِيُّ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، ثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَقَالَ فِيهِ: «وَيَكْشِفُ عَنْ سَاقَيْهِ جَلَّ وَعَزَّ» ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: وَهَذَا حَدِيثٌ ثَابِتٌ بِاتِّفَاقٍ مِنَ الْبُخَاريِّ، وَمُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ، وَقَدْ رَوَاهُ آدَمُ بْنُ أَبِي إيَاسٍ، عَنْ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ مِثْلَهُ، وَقَالَ: يَكْشِفُ عَنْ سَاقِهِ جَلَّ وَعَزَّ وَقَدِ اخْتَلَفَ الصَّحَابَةُ فِي مَعْنَى قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ {يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42]
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক ইবন ইয়াহইয়া ইবন মানদাহ, তিনি বলেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী: {যেদিন পায়ের গোছা উন্মুক্ত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] এবং এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা সাব্যস্ত হয়েছে, এবং এর ব্যাখ্যার অর্থের ব্যাপারে সাহাবী ও তাবিঈগণের মতপার্থক্য। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইয়াকুব ইবন ইউসুফ আল-আসাম নিশাপুরে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব ইবন হাবীব আন-নিশাপুরি আল-বাসরি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন আউন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন সাদ; এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মাদ আদ-দাইবলি মক্কায়, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন ঈসা আশ-শায়বানি আল-বাসরি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন হাফস ইবন মাইসারা আস-সানআনি—সকলেই যায়েদ ইবন আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন: আমরা কি কিয়ামতের দিন আমাদের মহান ও পরাক্রমশালী রবকে দেখতে পাব? তিনি বললেন: “মেঘহীন পরিষ্কার আকাশে পূর্ণিমার রাতে চাঁদ দেখতে কি তোমাদের কোনো কষ্ট হয়?” তারা বললেন: না। তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই তোমরা তাঁকে দেখতেও সেরূপ কোনো কষ্টের সম্মুখীন হবে না। অতঃপর যখন কিয়ামতের দিন আসবে, তখন ঘোষণা দেওয়া হবে যে, প্রত্যেক উম্মত যেন তার অনুসরণ করে যার ইবাদত তারা করত। সুতরাং যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর ইবাদত করত তারা তাদের অনুসরণ করবে, এমনকি কেবল মুমিনগণ ছাড়া আর কেউ অবশিষ্ট থাকবে না। তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাদের নিকট আসবেন এবং বলবেন: ‘আমি তোমাদের রব’। তারা বলবে: ‘আমরা তোমার থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমরা আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করি না’।” তখন তিনি বলবেন: “তোমাদের ও তাঁর মাঝে কি কোনো নিদর্শন আছে?” তারা বলবে: হ্যাঁ। এরপর “আল্লাহর পায়ের গোছা উন্মুক্ত করা হবে”, তখন যারা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ইবাদত করত তারা সকলেই তাঁর উদ্দেশ্যে সিজদায় লুটিয়ে পড়বে।” এরপর তিনি অবশিষ্ট হাদীস উল্লেখ করলেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন আল-হাসান ইবন উতবা আর-রাজি মিসরে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন রাওহ ইবনুল ফারাজ; এবং আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন জাফর আল-ওয়ার্দি মিসরে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব আল-মিসরি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন বুকাইর, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস ইবন সাদ—খালিদ ইবন ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবন হিলাল থেকে, তিনি যায়েদ ইবন আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। আর তাতে তিনি বলেছেন: “এবং মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর দুই পায়ের গোছা উন্মুক্ত করবেন।” আবু আব্দুল্লাহ বলেন: এই হাদীসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ উভয়ের ঐকমত্যে প্রমাণিত। আদম ইবন আবি ইয়াস এটি লাইস ইবন সাদ থেকে, তিনি খালিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবি হিলাল থেকে, তিনি যায়েদ ইবন আসলাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এবং তিনি বলেছেন: “মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর পায়ের গোছা উন্মুক্ত করবেন।” আর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী {যেদিন পায়ের গোছা উন্মুক্ত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২]—এর অর্থের ব্যাপারে সাহাবীগণ মতপার্থক্য করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
3 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ الْأَشْعَثِ الْغَزِّيُّ، بِغَزَّةَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادٍ الطَّهْرَانِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَ الثَّوْرِيُّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي الزَّعْرَاءِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، فِي قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] قَالَ: «عَنْ سَاقَيْهِ» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: «هَكَذَا فِي قِرَاءَةِ ابْنِ مَسْعُودٍ، وَيَكْشِفُ بِفَتْحِ الْيَاءِ وَكَسْرِ الشِّينِ»
৩ - আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আলী ইবনুল আব্বাস ইবনুল আশ’আস আল-গাজ্জী, গাজ্জায়; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু হাম্মাদ আত-তহরানী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস-সাওরী, সালামাহ ইবনু কুহাইল থেকে, তিনি আবুয যা’রা থেকে, তিনি ইবনু মাসউদ থেকে; মহা মহিমান্বিত আল্লাহর বাণী {যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] প্রসঙ্গে তিনি বলেন: «আল্লাহর দুই পা থেকে»। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: «ইবনু মাসউদের পাঠরীতিতে এভাবেই বর্ণিত; আর ‘ইয়াকশিফু’ শব্দটি ‘ইয়া’ বর্ণে ফাতহা এবং ‘শীন’ বর্ণে কাসরা দিয়ে পঠিত হয়েছে»।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
4 - وَأَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْعَبَّاسِ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادٍ، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَ ابْنُ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «يُكْشَفُ عَنْ أَمْرٍ عَظِيمٍ» ، ثُمَّ قَالَ: «قَدْ قَامِتِ الْحَرْبُ عَلَى سَاقٍ»
4 - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আল-আব্বাস, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হাম্মাদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুত তাইমি, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুগিরা থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণী {যেদিন পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, ইবনে আব্বাস বলেছেন: "একটি মহান বিষয় উন্মোচিত হবে", অতঃপর তিনি বলেন: "যুদ্ধ তার পায়ের নলার উপর দাঁড়িয়ে গেছে"।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
قَالَ إِبْرَاهِيمُ: وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: «يَكْشِفُ عَنْ سَاقِهِ، فَيَسْجُدُ كُلُّ مُؤْمِنٍ، وَيَقْسُو كُلُّ كَافِرٍ فَيَكُونُ عَظْمًا وَاحِدًا»
ইবরাহিম বলেন: এবং ইবনে মাসউদ বলেন: «তিনি তাঁর পা অনাবৃত করবেন, তখন প্রত্যেক মুমিন সিজদা করবে এবং প্রত্যেক কাফিরের পিঠ শক্ত হয়ে যাবে, ফলে তা একটি একক হাড়ের মতো হয়ে যাবে»
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
5 - ثَنَا عُمَرُ بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ سُلَيْمَانَ، بِمِصْرَ، ثَنَا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ، ثَنَا عَبْدُ الْغَنِيِّ بْنُ سَعِيدٍ، ثَنَا مُوسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَنْ مُقَاتِلٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِهِ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] قَالَ ⦗ص: 17⦘: «شِدَّةُ الْآخِرَةِ»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনুর রাবী ইবনে সুলাইমান, মিসরে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকর ইবনে সাহল; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল গণি ইবনে সাঈদ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে আবদুর রহমান, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে; এবং মুকাতিল থেকে, তিনি দাহহাক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে: {যেদিন পায়ের নলা উন্মুক্ত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২]। তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘: «পরকালের ভয়াবহতা»
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
6 - وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ حَبِيبٍ الرَّقِّيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، ثَنَا وَرْقَاءُ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، فِي قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] ، قَالَ: عَنْ شِدَّةِ الْأَمْرِ. قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «أَشَدُّ سَاعَةٍ تَكُونُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
৬ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব ইবনে হাবিব আর-রাক্কী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আল-ফিরইয়াবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা, তিনি ইবনে আবি নাজীহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে: {যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচন করা হবে} [আল-কালাম: ৪২], তিনি বলেন: "কঠিন পরিস্থিতি সম্পর্কে।" ইবনে আব্বাস বলেন: "কিয়ামতের দিন সংঘটিত হওয়া সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
7 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْعَبَّاسِ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادٍ، أَنْبَأَ عَبْدُ الرَّازِقِ، أَنْبَأَ مَعْمَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ: فِي قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] قَالَ: «عَنْ شِدَّةِ الْأَمْرِ» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: اخْتَلَفَتِ الرِّوَايَاتُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42]
৭ - আলী ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনু হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাজ্জাক আমাদের জানিয়েছেন, মা'মার আমাদের জানিয়েছেন, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী {যেদিন পা উন্মোচন করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] প্রসঙ্গে তিনি বলেন: "তা হচ্ছে বিষয়ের ভয়াবহতা সম্পর্কে।" আবু আব্দুল্লাহ বলেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী {যেদিন পা উন্মোচন করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত বর্ণনাগুলোতে মতভেদ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
فَرَوَى أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] «بِالْيَاءِ وَضَمِّهَا»
উসামা ইবনে যায়েদ, ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: {যেদিন পা উন্মুক্ত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] «ইয়া বর্ণ এবং তাতে পেশ প্রদানের মাধ্যমে»।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
قَالَ: يَعْقُوبُ الْحَضْرَمِيُّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ " قَرَأَ {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] بِالتَّاءِ مَفْتُوحَةً "

তিনি বলেন: ইয়াকুব আল-হাদরামি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি {যেদিন আল্লাহর পা উন্মোচিত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] আয়াতটি ‘তা’ বর্ণে ফাতহা দিয়ে পাঠ করেছেন।

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «مَنْ قَرَأَ بِالتَّاءِ أَيْ تَكْشِفُ الْآخِرَةُ عَنْ سَاقٍ، يَسْتَبِينُ مِنْهَا مَا هُوَ غَائِبٌ عَنْهُ، وَمَنْ قَرَأَ يُكْشَفُ يُبَيِّنُ عَنْ شِدَّةٍ وَهِيَ قِرَاءَةُ الْأَئِمَّةِ السَّبْعةِ، وَكَذَلِكَ قَرَأَ طَلْحَةُ بْنُ مُصَرِّفٍ، وَالْأَعْمَشُ»
আবু হাতিম বলেন: «যিনি 'তা' বর্ণ দিয়ে পাঠ করেছেন অর্থাৎ আখেরাত পায়ের নলা উন্মোচন করবে, তা থেকে এমন বিষয় স্পষ্ট হবে যা তার নিকট অনুপস্থিত ছিল। আর যিনি 'ইউকশাফু' পাঠ করেছেন, তা কোনো ভয়াবহতা ব্যক্ত করে এবং এটিই সাত ইমামের কিরাআত। অনুরূপভাবে তালহা ইবনে মুসাররিফ ও আমাশ পাঠ করেছেন।»
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، {يَوْمَ يَكْشِفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] «بِفَتْحِ الْيَاءِ وَكَسْرِ الشِّينِ»

আবু আব্দুল্লাহ বলেন: ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত, {যেদিন পায়ের নলি উন্মোচিত করা হবে} [আল-কলাম: ৪২] «‘ইয়া’ বর্ণে ফাতহা এবং ‘শীন’ বর্ণে কাসরা যোগে»

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
قَالَ أَبُو حَاتِمٍ السِّخْتِيَانِيُّ: وَقَرَأَ الْأَخْفَشُ: «نَكْشِفُ عَنْ سَاقٍ بِالنُّونِ» عَلَى مَعْنَى قِرَاءَةِ عَبْدِ اللَّهِ
আবু হাতিম আস-সিখতিয়ানী বলেছেন: এবং আল-আখফাশ তিলাওয়াত করেছেন: "'নুন' অক্ষরযোগে 'আমরা পায়ের নলা উন্মোচন করব'", যা আব্দুল্লাহর কিরাআতের অর্থ অনুযায়ী।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
8 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْأَزْرَقِ، بِمِصْرَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَرْوَانَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، ثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: {يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ} [القلم: 42] قَالَ: «يَكْشِفُ اللَّهُ عز وجل عَنْ ⦗ص: 18⦘ سَاقِهِ»
৮ - আলী ইবনে আহমাদ ইবনুল আজরাক মিসরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি আবদিল্লাহ আল-বাগদাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে হাম্মাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: {যেদিন পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে} [আল-কালাম: ৪২] তিনি বলেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ পায়ের নলা উন্মোচিত করবেন»
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
بَابٌ فِي قَوْلِهِ عز وجل {يَوْمَ نَقُولُ لِجَهَنَّمَ هَلِ امْتَلَأْتِ وَتَقُولُ هَلْ مِنْ مَزِيدٍ} [ق: 30] . وَذِكْرِ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «أَنَّ اللَّهَ عز وجل يَضَعُ رِجْلَهُ فِي النَّارِ» فَتَقُولُ: قَطْ قَطْ
মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী {যেদিন আমি জাহান্নামকে বলব, তুমি কি পূর্ণ হয়েছ? এবং সে বলবে, আরও কি কিছু আছে?} [কাফ: ৩০] এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীর উল্লেখ: "নিশ্চয় মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর পা জাহান্নামে রাখবেন", তখন সেটি (জাহান্নাম) বলবে: "যথেষ্ট, যথেষ্ট" সংক্রান্ত অধ্যায়।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْقَطَّانُ، بِنَيْسَابُورَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ: هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «تَحَاجَّتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ» ، فَقَالَتِ النَّارُ: أُوثِرْتُ بِالْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ، وَقَالِتِ الْجَنَّةُ: فَإِنِّي لَا يَدْخُلُنِي إِلَّا ضُعَفَاءُ النَّاسِ وَسَقْطُهُمْ، " فَقَالَ جَلَّ وَعَزَّ لِلنَّارِ: " إِنَّمَا أَنْتِ عَذَابِي أُعَذِّبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ مِنْ عِبَادِي، وَقَالَ لِلْجَنَّةِ: أَنْتِ رَحْمَتِي أَرْحَمُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ مِنْ عِبَادِي، وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مَلْؤُهَا، فَأَمَّا النَّارُ فَلَا تَمْتَلِئُ حَتَّى يَضَعَ اللَّهُ فِيهَا رِجْلَهُ فَتَقُولُ: قَطْ قَطْ، فَهُنَالِكَ تَمْتَلِئُ وَيَزْوِي بَعْضُهَا إلَى بَعْضٍ، وَلَا يَظْلِمُ اللَّهُ جَلَّ وَعَزَّ ⦗ص: 19⦘ مِنْ خَلْقِهِ أَحَدًا، وَأَمَّا الْجَنَّةُ فَإِنَّ اللَّهَ جَلَّ وَعَزَّ يُنْشِئُ لَهَا خَلْقًا. " وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ عَلَى صُورَتِهِ طُولُهُ سِتُّونَ ذِرَاعًا،» فَلَمَّا خَلَقَهُ قَالَ: «اذْهَبْ فَسَلِّمْ عَلَى أُولَئِكَ النَّفَرِ، وَهُمْ نَفَرٌ مِنَ الْمَلَائِكَةِ جُلُوسٌ، فَاسْتَمِعْ مَا يُحَيُّونَكَ، فَإنَّهَا تَحِيَّتُكَ وَتَحِيَّةُ ذُرِّيَّتِكَ» قَالَ: «فَذَهَبَ إِلَيْهِمْ» فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَالُوا: عَلَيكَ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ قَالَ: «فَزَادُوهُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ» فَكُلُّ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَةِ آدَمَ طُولُهُ سِتُّونَ ذِرَاعًا، فَلَا يَزَالُ الْخَلْقُ يَنْقُصُ بَعْدَهُ حَتَّى الْآنَ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: وَهَذَا حَدِيثٌ ثَابِتٌ بِاتِّفَاقٍ مِنْ أَهْلِ الْمَعْرَفَةِ بِالْأَثَرِ
মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল হাসান আল-কাত্তান নিশাপুরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনু ইউসুফ আস-সুলামী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুর রাজ্জাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মা'মার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ থেকে, তিনি বলেন: এটিই সেই হাদীস যা আবু হুরায়রা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: "জান্নাত এবং জাহান্নাম পরস্পর বিতর্ক করল।" জাহান্নাম বলল: "অহঙ্কারী ও উদ্ধতদের মাধ্যমে আমাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।" জান্নাত বলল: "আমার অবস্থা এই যে, কেবল দুর্বল ও অবহেলিত লোকেরাই আমার মধ্যে প্রবেশ করছে।" তখন পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহ জাহান্নামকে বললেন: "নিশ্চয়ই তুমি আমার আযাব, তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেই।" আর তিনি জান্নাতকে বললেন: "তুমি আমার রহমত, তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করি। তোমাদের উভয়ের জন্যই রয়েছে পূর্ণতা।" অতঃপর জাহান্নামের কথা হলো, এটি পূর্ণ হবে না যতক্ষণ না আল্লাহ তাতে তাঁর পা রাখবেন। তখন জাহান্নাম বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট। তখন সেটি পূর্ণ হয়ে যাবে এবং এর এক অংশ অন্য অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে যাবে। আর পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ তাঁর সৃষ্টির কারো প্রতি জুলুম করেন না। আর জান্নাতের কথা হলো, নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহ এর জন্য নতুন সৃষ্টি সৃষ্টি করবেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ আদমকে তাঁর নিজ সুরতে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর দৈর্ঘ্য ছিল ষাট হাত।" অতঃপর যখন তিনি তাকে সৃষ্টি করলেন, তখন বললেন: "যাও এবং ঐ দলটিকে সালাম দাও, তাঁরা ফেরেশতাদের একটি দল যারা উপবিষ্ট আছেন। তাঁরা তোমাকে কী অভিবাদন জানায় তা শোনো, কারণ সেটিই হবে তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন।" তিনি বলেন: "অতঃপর তিনি তাঁদের নিকট গেলেন এবং বললেন: আসসালামু আলাইকুম। তাঁরা উত্তরে বললেন: আলাইকাস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।" তিনি বলেন: "তাঁরা 'ওয়া রহমাতুল্লাহ' শব্দটুকু বাড়িয়ে বলেছিলেন।" সুতরাং যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তারা আদমের আকৃতিতেই প্রবেশ করবে, যাদের দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। আদমের পর থেকে সৃষ্টির উচ্চতা কমতে শুরু করেছে যা বর্তমান সময় পর্যন্ত অব্যাহত আছে। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: হাদীস বিশারদদের ঐকমত্যে এটি একটি সুপ্রমাণিত হাদীস।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْوَرَّاقُ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى، ثَنَا الْمُقَدَّمِيُّ، ثَنَا أَشْعَثُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُرَاسَانِيُّ، ثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " يُلْقَى فِي النَّارِ، وَتَقُولُ: هَلْ مِنْ مَزِيدٍ حَتَّى يَضَعَ رِجْلَهُ أوْ قَدَمَهُ فَتَقُولُ: قَطْ قَطْ "
আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-ওয়াররাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-মুকাদ্দামি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আশ'আছ ইবনে আবদুল্লাহ আল-খুরাসানি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "জাহান্নামে (জাহান্নামীদের) নিক্ষেপ করা হবে এবং সেটি বলবে: ‘আরও কি কিছু আছে?’ যতক্ষণ না তিনি তাঁর পা অথবা তাঁর পা স্থাপন করবেন, তখন সেটি বলবে: ‘যথেষ্ট, যথেষ্ট’।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
وَرَوَاهُ الْقَوَارِيرِيُّ، عَنْ حِرْمِيِّ بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " يَضَعُ اللَّهُ رِجْلَهُ فِي النَّارِ فَتَقُولُ: قَطْ قَطْ " قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: وَهَذَا حَدِيثٌ ثَابِتٌ بِاتِّفَاقٍ
আল-কাওয়ারীরী এটি বর্ণনা করেছেন হিরমী ইবনে উমারা থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "আল্লাহ তাঁর পা আগুনের মধ্যে রাখবেন, তখন তা বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট।" আবু আব্দুল্লাহ বলেন: "এবং এটি সর্বসম্মতভাবে একটি সাব্যস্ত হাদীস।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌ذِكْرُ خَبَرٍ آخَرَ يَدُلُّ عَلَى مَا تَقَدَّمَ
অপর একটি বর্ণনার উল্লেখ যা পূর্বোক্ত বিষয়ের সপক্ষে প্রমাণ দেয়
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي اللَّيْثِ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ الْأَخْنَسِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أنْشَدَ قَوْلَ أُمَيَّةَ بْنِ أَبِي الصَّلْتِ: رَجُلٌ وَثَوْرٌ تَحْتَ رِجْلِ يَمِينِهِ وَالنِّسْرُ لِلْأُخْرَى وَلَيْثٌ مُرْصِدٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صَدَقَ صَدَقَ» . وَقَالَ وَالشَّمْسُ تَطْلُعُ كُلَّ آخِرِ لَيْلَةٍ حَمْرَاءَ يُصْبِحُ لَوْنُهَا يَتَوَرَّدُ تَأْتِي فَمَا تَطْلُعُ لَنَا فِي رُسُلِهَا إِلَّا مُعَذَّبَةً وَإِلَّا تَجَلَّدَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: صَدَقَ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: وَهَذَا حَدِيثٌ مَشْهُورٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، رَوَاهُ عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَيُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ، وَغَيْرُهُمَا أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَذْلَمٍ، ثنا أَبُو زُرْعَةَ، ثنا يُوسُفُ بْنُ بُهْلُولٍ، ثنا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، صَدَّقَ أُمَيَّةَ بْنَ أَبِي الصَّلْتِ فِي شِعْرِهِ حَيثُ قَالَ: رَجُلٌ وَثَوْرٌ تَحْتَ رِجْلِ يَمِينِهِ وَالنِّسْرُ لِلْأُخْرَى وَلَيْثٌ مُرْصِدُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: صَدَقَ. ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ

আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহিম বিন আবিল লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহিম বিন সা’দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াকুব বিন উতবা বিন মুগিরা বিন আল-আখিনাস থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমাইয়া বিন আবিস সালতের এই পঙক্তিটি পাঠ করেছেন: "এক ব্যক্তি ও একটি ষাঁড় তার ডান পায়ের নিচে, এবং অন্যটির (পায়ের) জন্য একটি ঈগল ও একটি ওত পেতে থাকা সিংহ।" অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "সে সত্য বলেছে, সে সত্য বলেছে।" এবং তিনি আরও (উমাইয়ার কবিতা থেকে) পাঠ করলেন: "সূর্য প্রতি রাতের শেষে রক্তিম অবস্থায় উদিত হয়, ভোরে তার রঙ গোলাপী হয়ে যায়। সে আসে, কিন্তু সে তার স্বাভাবিক গতিতে আমাদের নিকট উদিত হয় না, যতক্ষণ না তাকে বাধ্য করা হয় অথবা সে কঠোরতা অবলম্বন করে।" তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "সে সত্য বলেছে।" আবু আবদুল্লাহ বলেন: এটি একটি প্রসিদ্ধ হাদিস যা মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে বর্ণিত। এটি আবদাহ বিন সুলাইমান, ইউনুস বিন বুকাইর এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বিন সুলাইমান বিন হাযলাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু যুরআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইউসুফ বিন বুহলুল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদাহ বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াকুব বিন উতবা থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমাইয়া বিন আবিস সালতকে তার কবিতার বিষয়ে সত্যায়ন করেছেন যেখানে সে বলেছিল: "এক ব্যক্তি ও একটি ষাঁড় তার ডান পায়ের নিচে, এবং অন্যটির জন্য একটি ঈগল ও একটি ওত পেতে থাকা সিংহ।" তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "সে সত্য বলেছে।" অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করলেন।

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ، ثنا أَبُو النَّضْرِ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ رَبِيعَةَ، ثَنَا أَبُو الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيُّ، سَمِعْتُ ثَوْبَانَ، يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ يُقْبِلُ الْجَبَّارُ عز وجل فَيَثْنِي رِجْلَهُ عَلَى الْجِسْرِ، فَيَقُولُ: «وَعِزَّتِي وَجَلَالِي لَا يُجَاوِزُنِي الْيَوْمَ ظُلْمٌ فَيُنْصَفُ الْخَلْقُ بَعْضُهُمْ مِنْ بَعْضٍ حَتَّى إِنَّهُ لَيُنْصَفُ الْجَمَّاءُ مِنَ الْعَضْبَاءِ تَنْطِحُهَا النَّطْحَةَ»

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ আল-বাজালি, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুস সামাদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আন-নাদর ইসহাক ইবনে ইবরাহিম, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে রাবিআহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-আশআস আস-সানআনি, আমি সাওবানকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, পরাক্রমশালী আল্লাহ তাআলা আগমন করবেন এবং সেতুর ওপর তাঁর পা রাখবেন। অতঃপর তিনি বলবেন: «আমার মর্যাদা ও মহত্বের শপথ! আজ কোনো জুলুমই আমার সামনে দিয়ে পার হতে পারবে না। অতঃপর সৃষ্টিজীবের একে অপরের পাওনা মিটিয়ে ইনসাফ করা হবে, এমনকি শিংহীন পশুকে শিংওয়ালা পশুর গুঁতো দেওয়ার প্রতিশোধ পাইয়ে দিয়ে ইনসাফ করা হবে।»

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَذْلَمٍ، ثنا أَبُو زُرْعَةَ، ثنا أَبُو صَالِحٍ، ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَنَّ اللَّهَ عز وجل يَطْوِي الْمَظَالْمَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَيَجْعَلُهَا تَحْتَ قَدَمِهِ، إِلَّا مَا كَانَ مِنْ أَجْرِ الْأَجِيرِ وَعَقْرِ الْبَهِيمَةِ وَفَضِّ الْخَتْمِ يَعْنِي الْأَبْكَارَ»

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন সুলাইমান বিন হাযলাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালেহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া বিন সালেহ, রাশেদ বিন সা'দ থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ জুমার দিনে অবিচারসমূহ গুটিয়ে ফেলবেন, অতঃপর সেগুলোকে তাঁর পায়ের নিচে রাখবেন; তবে শ্রমিকের মজুরি, পশুর অঙ্গহানি এবং মোহর উন্মোচন অর্থাৎ কুমারী মেয়েদের সাথে অবৈধ মিলন ব্যতীত।”

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌خَبَرٌ آخَرُ يَدُلُّ عَلَى مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذِكْرِ الْقَدَمَيْنِ
আল্লাহর দুই পা সংক্রান্ত ইতিপূর্বে যা আলোচিত হয়েছে, তার সপক্ষে অপর একটি বর্ণনা
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
أَخْبَرَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ سَيَّارٍ النَّصِيبِيِّ، ثنا أَبُو حَاتِمٍ وَثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَارَةَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الصُّوفِيُّ، ثنا شُجَاعُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ شُجَاعٌ فِي حَدِيثِهِ: إِنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، عَنْ قَوْلِ اللَّهِ جَلَّ وَعَزَّ {وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ} قَالَ: «كُرْسِيُّهُ مَوْضِعُ قَدَمِهِ، وَالْعَرْشُ لَا يُقَادِرُ قَدْرَهُ» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: هَكَذَا رَوَاهُ شُجَاعُ بْنُ مَخْلَدٍ فِي التَّفْسِيرِ مَرْفُوعًا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ إِسْحَاقُ بْنُ سَيَّارٍ فِي حَدِيثِهِ عَنْ أَبِي عَاصِمٍ مِنْ قَوْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَصْحَابُ الثَّوْرِيِّ عَنْهُ وَكَذَلِكَ رُوِيَ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ مَوْقُوفًا، وَرَوَاهُ أَبُو بَكْرٍ الْهُذَلِيُّ وَغَيْرُهُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ مِنْ قَوْلِهِ قَالَ: «الْكُرْسِيُّ مَوْضِعُ الْقَدَمَيْنِ» ، وَرَوَاهُ جَعْفَرُ بْنُ أَبِي الْمُغِيرَةِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: الْكُرْسِيُّ عِلْمُهُ. وَلَمْ يُتَابِعْ عَلَيْهِ جَعْفَرٌ وَلَيْسَ هُوَ بِالْقَوِيِّ فِي سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খায়সামা ইবনে সুলায়মান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে সাইয়ার আল-নাসিবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাতিম। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমারা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আস-সুফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুজা ইবনে মাখলাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, সুফিয়ান থেকে, তিনি আম্মার আদ-দুহনি থেকে, তিনি মুসলিম আল-বাতিন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। শুজা তাঁর বর্ণিত হাদিসে বলেন: তিনি আল্লাহ জাল্লা ওয়া আজ্জার বাণী—{তাঁর কুরসি আসমানসমূহ ও জমিনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে}—সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছেন। তিনি বললেন: "তাঁর কুরসি হলো তাঁর পা রাখার জায়গা, আর আরশের পরিমাপ কেউ নিরূপণ করতে পারে না।" আবু আব্দুল্লাহ বলেন: শুজা ইবনে মাখলাদ তাফসিরের বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মারফু হিসেবে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। ইসহাক ইবনে সাইয়ার আবু আসিম থেকে বর্ণিত হাদিসে এটিকে ইবনে আব্বাসের নিজস্ব উক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একইভাবে সাওরির ছাত্ররাও তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং আম্মার আদ-দুহনি থেকেও এটি মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। আবু বকর আল-হুজালি ও অন্যান্যেরা সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে তাঁর নিজস্ব উক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "কুরসি হলো দুই পা রাখার জায়গা।" জাফর ইবনে আবিল মুগিরা সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে: কুরসি হলো তাঁর জ্ঞান। তবে জাফর এই বর্ণনায় অদ্বিতীয় (সমর্থনহীন) এবং সাঈদ ইবনে জুবায়েরের বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি শক্তিশালী নন।

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
أَخْبَرَنَا بِذَلِكَ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، عَنِ ابْنِ أَبِي تَمَّامٍ، ثنا آدَمُ بْنُ أَبِي إيَاسٍ، ثَنَا هَشِيمٌ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي الْمُغِيرَةِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ {وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ} قَالَ: عِلْمُهُ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: وَهَذَا حَدِيثٌ مَشْهُورٌ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي الْمُغِيرَةِ لَمْ يُتَابَعْ عَلَيْهِ

বনী হাশিমের মুক্তদাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আমাদের এ সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবি তাম্মাম থেকে, আদম ইবনে আবি ইয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশায়ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতাররিফ থেকে, জাফর ইবনে আবি আল-মুগীরা থেকে, সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, ইবনে আব্বাস হতে মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর বাণী {তাঁর কুরসি আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টন করে আছে} সম্পর্কে বর্ণিত: তিনি বলেছেন, "তা হলো তাঁর জ্ঞান।" আবু আবদুল্লাহ বলেন: এটি মুতাররিফ থেকে জাফর ইবনে আবি আল-মুগীরার বর্ণিত একটি প্রসিদ্ধ হাদীস, যার কোনো মুতাবিয়াত (সমর্থনকারী বর্ণনা) নেই।

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
وَرُوِيَ عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ «أَنَّ الْكُرْسِيَّ مَوْضِعُ الْقَدَمَيْنِ»
এবং আবু মুসা আল-আশআরি হতে বর্ণিত হয়েছে যে, «কুরসি হলো দুই পা রাখার স্থান»।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
9 - أَخْبَرَنَا بِذَلِكَ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَغْدَادِيُّ، بِمَكَّةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ: " الْكُرْسِيُّ مَوْضِعُ الْقَدَمَيْنِ وَلَهُ أَطِيطٌ كَأَطِيطِ الرَّحْلِ
৯ - মক্কায় আহমদ বিন ইবরাহীম আল-বাগদাদী আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন ইয়াজীদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী বিন মুসলিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুস সামাদ বিন আব্দুল ওয়ারিস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন জুহাদাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সালামাহ বিন কুহাইল থেকে, তিনি উমারাহ বিন উমায়ের থেকে, তিনি আবু মূসা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "কুরসী হলো আল্লাহর দুই পা রাখার স্থান এবং এর ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ রয়েছে যেমনটা উটের জিনের ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হয়।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَرَوَى نَهْشَلٌ، عَنْ الضَّحَّاكِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ {وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَوَاتِ} قَالَ: «عِلْمُهُ» . " وَهَذَا خَبَرٌ لَا يَثْبُتُ؛ لِأَنَّ الضَّحَّاكَ لَمْ يَسْمَعْ مِنَ ابْنِ ⦗ص: 22⦘ عَبَّاسٍ، نَهْشَلٌ مَتْرُوكٌ
আবু আব্দুল্লাহ বলেন, নাহশাল যাহহাক থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে {তাঁর কুরসি আসমানসমূহকে পরিবেষ্টন করে আছে} প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «তাঁর জ্ঞান»। আর এই বর্ণনাটি সাব্যস্ত নয়; কারণ যাহহাক ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ আব্বাস থেকে শ্রবণ করেননি এবং নাহশাল পরিত্যক্ত।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিইবনি মানদাহ - ত মাকতাবাতুল আসারিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
وَمِمَّا يَدُلُّ عَلَى صِحَّةِ قَوْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَأَبِي مُوسَى فِي الْكُرْسِيِّ مَا ذَكَرَهُ الرَّبِيعُ بْنُ أنَسٍ، عَنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُمْ قَالُوا للنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: هَذَا الْكُرْسِيُّ وَسِعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ فَكَيْفَ بِالْعَرْشِ؟ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل: {وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ} [الأنعام: 91]
আর কুরসি সম্পর্কে ইবনে আব্বাস ও আবু মুসার বক্তব্যের যথার্থতার অন্যতম প্রমাণ হলো রবী বিন আনাস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের সূত্রে যা বর্ণনা করেছেন। তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "এই কুরসি তো আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টন করে আছে, তাহলে আরশের বিশালতা কেমন হবে?" তখন মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন: "আর তারা আল্লাহকে তাঁর যথাযথ মর্যাদা দেয়নি।" [আল-আনআম: ৯১]