(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: -)
مسند عمر بن الخطاب للنجاد (أبو بكر النجاد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مسند عمر بن الخطاب
المؤلف: أبو بكر النجاد، أحمد بن سلمان بن الحسن بن إسرائيل بن يونس البغدادي (ت 348 هـ)
تحقيق: محفوظ الرحمن زين الله [ت 1418 هـ]
الناشر: مكتبة العلوم والحكم - المدينة المنورة
الطبعة: الأولى، 1415 هـ-1994 م
عدد الصفحات: 100
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আন-নাজ্জাদের মুসনাদে উমর ইবনুল খাত্তাব (আবু বকর আন-নাজ্জাদ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মুসনাদে উমর ইবনুল খাত্তাব
লেখক: আবু বকর আন-নাজ্জাদ, আহমাদ বিন সালমান বিন আল-হাসান বিন ইসরাঈল বিন ইউনুস আল-বাগদাদী (মৃ. ৩৪৮ হি.)
তাহকীক: মাহফুজুর রহমান যয়নুল্লাহ [মৃ. ১৪১৮ হি.]
প্রকাশক: মাকতাবাতুল উলূম ওয়াল হিকাম - মদিনা মুনাওয়ারা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৫ হি.-১৯৯৪ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০০
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
قُرِئَ عَلَى الشَّيْخَيْنِ الْأَجَلَّيْنِ أَبِي الْمَعَالِي عُمَرَ، وَأَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ ابْنَيْ بِنْيَمَانِ بْنِ عُمَرَ الْمُسْتَعَمَلِ، قِيلِ لَهُمَا: أَخْبَرَكُمَا الشَّيْخُ أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَاقِلَّانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ؟ قَالَ: أَبَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي جُمَادَى الْآخِرَةِ سَنَةَ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ أَبَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ النَّجَّادُ الْمُفْتِي الْفَقِيهُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ يَوْمَ الْأَرْبِعَاءِ لِإِحْدَى عَشْرَةَ بَقِينَ مِنْ جُمَادَى الْآخِرَةِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزَّبْرَقَانِ وَأَنَا أَسْمَعُ أَبَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أبنا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ، وَهِيَ حَائِضٌ، فَسَأَلَ عُمَرُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ: «مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا، ثُمَّ يُمْسِكْهَا حَتَّى تَطْهُرَ مِنْ حَيْضَتِهَا، إِنْ شَاءَ طَلَّقَهَا وَإِنْ شَاءَ أَمْسَكَهَا عِنْدَهُ، وَهِيَ وَاحِدَةٌ وَإِنْ أَرَادَ أَنْ يُطَلِّقَهَا، فَلَا يَقَعَنَّ عَلَيْهَا عِنْدَ طُهْرِهَا، فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ ⦗ص: 48⦘ تَعَالَى أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ»
দুই অত্যন্ত সম্মানিত শায়খ আবুল মাআলি উমর এবং আবুল আব্বাস আহমাদ—বিনইয়ামান ইবনে উমর আল-মুস্তামিলের দুই পুত্র—তাদের নিকট পাঠ করা হয়েছে। তাদেরকে বলা হলো: শায়খ আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ আল-বাকিল্লানি কি পাঠের মাধ্যমে আপনাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বললেন: আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে শাযান চারশত পঁচিশ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বললেন: মুফতি ও ফকিহ আবু বকর আহমাদ ইবনে সালমান আন-নাজ্জাদ তিনশত চুয়াল্লিশ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসের এগারো দিন বাকি থাকতে বুধবার দিন তাঁর নিজ গৃহে পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফর ইবনে যাবরাকানের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: ইয়াযিদ ইবনে হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনে আবি যিব থেকে, তিনি নাফি থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুস্রাব অবস্থায় তালাক প্রদান করেছিলেন। তখন উমর (রা.) এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: “তাকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে নেয়, অতঃপর সে যেন তাকে নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না সে তার ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হয়। এরপর চাইলে সে তাকে তালাক দিতে পারে অথবা চাইলে নিজের কাছে রেখে দিতে পারে। আর এটি এক তালাক হিসেবে গণ্য হবে।” আর যদি সে তাকে তালাক দিতেই চায়, তবে যেন তার পবিত্রতার সময় তার সাথে সহবাস না করে। এটিই সেই ইদ্দত, যা মহান আল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ নির্দেশ দিয়েছেন যে সময়ে স্ত্রীদের তালাক দিতে হবে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا شَيْبَانُ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: طَلَّقْتُ امْرَأَتِي عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ حَائِضٌ، فَأَخْبَرَ عُمَرُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ فَقَالَ لِي: «ارْتَجِعْهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ، فَإِنَّهَا الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ بِهَا»
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, আইয়ুব এবং উবাইদুল্লাহ বিন উমার থেকে, তাঁরা নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আমার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলাম যখন সে ঋতুবতী ছিল। অতঃপর উমর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে অবহিত করলেন। তখন তিনি আমাকে বললেন: «তাকে ফিরিয়ে নাও যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়, অতঃপর পুনরায় ঋতুবতী হয়। নিশ্চয়ই এটাই হলো সেই ইদ্দত যার আদেশ আল্লাহ দিয়েছেন»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
3 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، ثنا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، ح وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ، ثنا يَحْيَى ⦗ص: 50⦘، وَسَعِيدٌ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا عَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَمَعْمَرٌ، ح وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، ثنا ابْنُ إِدْرِيسَ كُلُّهُمْ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مُرْ عَبْدَ اللَّهِ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لِيُمْسِكْهَا حَتَّى تَطْهُرَ مِنْ حَيْضَتِهَا هَذِهِ، ثُمَّ تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى، فَإِذَا طَهُرَتْ فَإِنْ شَاءَ فَلْيُفَارِقْهَا قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا، وَإِنْ شَاءَ فَلْيُمْسِكْهَا، فَإِنَّ تِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ تُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ» ⦗ص: 51⦘ قَالَ ابْنُ إِدْرِيسَ فِي حَدِيثِهِ: قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ: وَكَانَ تَطْلِيقُهُ إِيَّاهَا فِي الْحَيْضِ وَاحِدَةً غَيْرَ أَنَّهُ خَالَفَ فِيهَا السُّنَّةَ
৩ - আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে মাইসারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; (অন্য সূত্রে) এবং আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ ও সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাস ইবনুল ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ও মা'মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; (অন্য সূত্রে) এবং আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে ইদরীস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তারা সকলে উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফি' থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আবদুল্লাহকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে নেয়, অতঃপর তাকে নিজের কাছে রাখে যতক্ষণ না সে এই ঋতু থেকে পবিত্র হয়, এরপর সে পুনরায় ঋতুবর্তী হয়। অতঃপর সে যখন পবিত্র হবে, তখন যদি সে চায় তবে সহবাস করার আগেই তাকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে, আর যদি চায় তবে তাকে রেখে দিতে পারে। কেননা এটিই সেই ইদ্দত (সময়কাল), যার প্রতি লক্ষ্য রেখে আল্লাহ নারীদের তালাক দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।’ ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ ইবনে ইদরীস তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেছেন: উবাইদুল্লাহ বলেন, ঋতুকালীন তাঁর সেই তালাকটি এক তালাক হিসেবেই গণ্য হয়েছিল, তবে তিনি এক্ষেত্রে সুন্নাতের পরিপন্থী কাজ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ ⦗ص: 52⦘ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ ثُمَّ حَاضَتْ، ثُمَّ طَهُرَتْ، فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُمْسِكَهَا فَلْيُمْسِكْهَا، وَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلْيُطَلِّقْهَا، فَإِنَّهَا الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ بِهَا» ، 5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، ثنا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بِذَلِكَ
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া আল-হিমমানী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। অতঃপর উমর (রা.) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন: “তাকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে নেয়। অতঃপর সে যখন পবিত্র হবে, এরপর পুনরায় ঋতুবতী হবে, পুনরায় পবিত্র হবে, তখন যদি সে তাকে রেখে দিতে চায় তবে যেন রেখে দেয়, আর যদি সে তালাক দিতে চায় তবে যেন তালাক দেয়। কেননা এটিই সেই ইদ্দত (সময়কাল), যার নির্দেশ আল্লাহ দিয়েছেন।” ৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন নুমাইর, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবন ইদরীস, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে উক্ত সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
6 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، كَانَ إِذَا سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ: «يُرْجِعُهَا ثُمَّ يُمْسِكُهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ فَإِذَا طَهُرَتْ طَلَّقَهَا إِنْ شَاءَ، فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ بِهَا، وَإِنْ طَلَّقَهَا وَاحِدَةً أَوِ اثْنَتَيْنِ فَقَدْ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُرَاجِعَهَا، وَأَمَّا إِنْ طَلَّقْتَ امْرَأَتَكَ ثَلَاثًا، فَقَدْ بَانَتْ مِنْكَ امْرَأَتُكَ، وَعَصَيْتَ رَبَّكَ»
৬ - ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান ইবন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন যায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব থেকে, নাফে থেকে, ইবন উমর থেকে বর্ণিত; তাকে যখন এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হতো যে তার স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছে, তখন তিনি বলতেন: «সে তাকে ফিরিয়ে নেবে, অতঃপর তাকে নিজের কাছে রেখে দেবে যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়, তারপর ঋতুবতী হয়, তারপর পবিত্র হয়, পুনরায় ঋতুবতী হয়; অতঃপর যখন সে পবিত্র হবে, তখন সে চাইলে তাকে তালাক দিতে পারবে। আর এটিই হলো সেই ইদ্দত (নির্ধারিত সময়কাল) যা আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন। আর যদি সে তাকে এক তালাক বা দুই তালাক দিয়ে থাকে, তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু যদি তুমি তোমার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে দাও, তবে তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং তুমি তোমার রবের অবাধ্যতা করলে।’
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
7 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا زُهَيْرٌ، ثنا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «فَأَمَرَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا، ثُمَّ يُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ، ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَحِيضَ عِنْدَهُ حَيْضَةً، ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ، فَإِنْ أَرَادَ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلْيُطَلِّقْهَا قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا»
৭ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, যুহাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনে উকবা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নাফি থেকে বর্ণিত যে, ইবনে উমর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। «অতঃপর তিনি তাঁকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাঁকে ফিরিয়ে নেন, তারপর তাঁকে নিজের কাছে রাখেন যতক্ষণ না তিনি পবিত্র হন, এরপর তাঁকে পুনরায় সময় দেন যতক্ষণ না তিনি তাঁর নিকট একবার ঋতুবতী হন, অতঃপর তাঁকে পুনরায় সময় দেন যতক্ষণ না তিনি পবিত্র হন। এরপর যদি তিনি তাঁকে তালাক দিতে চান, তবে যেন তাঁর সাথে সহবাস করার পূর্বেই তাঁকে তালাক দেন।’
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
8 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَسُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ: «مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا، ثُمَّ يُمْسِكْهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ تَطْهُرَ، ثُمَّ إِنْ شَاءَ طَلَّقَ»
৮ - আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-কানাবি থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি নাফে থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «তাকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে নেয়, অতঃপর তাকে নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়, তারপর পুনরায় ঋতুবতী হয় এবং পুনরায় পবিত্র হয়। এরপর সে চাইলে তাকে তালাক দিতে পারে।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَسَأَلَ عُمَرُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لِيُمْسِكْهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ أَمْسَكَ بَعْدَ ⦗ص: 55⦘ ذَلِكَ، وَإِنْ شَاءَ طَلَّقَ قَبْلَ أَنْ يَمَسَّ، فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ تُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ» 10 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ يُوسُفَ، ثنا مُصْعَبٌ، ثنا مَالِكٌ، بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ
৯ - আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান বিন মাহদী মালিক থেকে, তিনি নাফি থেকে, ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। অতঃপর উমর (রা.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়, অতঃপর তাকে নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়, এরপর পুনরায় ঋতুবতী হয়। এরপর সে চাইলে তাকে নিজের কাছে রেখে দিতে পারে ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘, আর যদি চায় তবে তাকে স্পর্শ করার পূর্বেই তালাক দিতে পারে। এটাই হলো সেই ইদ্দত (নির্ধারিত সময়কাল), যার প্রতি লক্ষ্য রেখে আল্লাহ নারীদের তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন» ১০ - ইয়াকুব বিন ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক তাঁর সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شَاذَانَ، ثنا مُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ⦗ص: 56⦘، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَطْلِيقَةً وَهِيَ حَائِضٌ، فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُرَاجِعَهَا ثُمَّ يُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى، ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ مِنْ حَيْضَتِهَا فَإِنْ أَرَادَ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلْيُطَلِّقْهَا حِينَ تَطْهُرَ قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ تُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ "
১১ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে শাযান বর্ণনা করেছেন, মুআল্লা ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘, নাফি‘ থেকে বর্ণিত, ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক তালাক দিয়েছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে আদেশ করেন যেন তিনি তাঁকে ফিরিয়ে আনেন, অতঃপর তাঁকে নিজের কাছে রাখেন যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়, এরপর পুনরায় ঋতুবতী হয়, অতঃপর তাঁর ঋতু থেকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তাঁকে অবকাশ দেন। এরপর যদি তিনি চান যে তাঁকে তালাক দেবেন, তবে যেন তাঁকে পবিত্র অবস্থায় সহবাস করার পূর্বেই তালাক দেন। আর এটিই সেই ইদ্দত (সময়কাল), যে অনুযায়ী আল্লাহ নারীদের তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا ابْنُ إِدْرِيسَ، ثنا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ تَطْلِيقَةً وَاحِدَةً عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ عُمَرُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْيَوْمَ وَهِيَ حَائِضٌ تَطْلِيقَةً وَاحِدَةً، فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُرَاجِعَهَا وَيُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ، ثُمَّ تَحِيضَ عِنْدَهُ حَيْضَةً أُخْرَى، ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ مِنْ حَيْضَتِهَا، فَإِنْ أَرَادَ أَنْ يُطَلِّقَهَا طَلَّقَهَا حِينَ تَطْهُرُ قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ تُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ " وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ إِذَا سُئِلَ عَنْ ذَلِكَ قَالَ لِأَحَدِهِمْ: أَمَّا أَنْتَ طَلَّقْتَ امْرَأَتَكَ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ، فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَنِي بِهَا فَإِنْ كُنْتَ طَلَّقْتَهَا ثَلَاثًا فَقَدْ حُرِّمَتْ عَلَيْكَ حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَكَ، وَعَصَيْتَ اللَّهَ فِيمَا أَمَرَكَ مِنْ طَلَاقِ امْرَأَتِكَ "
১২ - আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন ইদ্রিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লায়স আমাদের নিকট নাফি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আব্দুল্লাহ তাঁর স্ত্রীকে ঋতুস্রাব অবস্থায় এক তালাক দিয়েছিলেন। অতঃপর উমর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আব্দুল্লাহ আজ তাঁর স্ত্রীকে ঋতুস্রাব অবস্থায় এক তালাক দিয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দিলেন যেন—সে তাকে ফিরিয়ে নেয় এবং নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়, এরপর সে তার নিকট থাকাবস্থায় পুনরায় ঋতুবর্তী হয়, অতঃপর সে তার সেই ঋতু থেকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তাকে সময় দেয়। এরপর যদি সে চায় তাকে তালাক দিতে, তবে সে যেন সহবাস করার পূর্বেই পবিত্র অবস্থায় তাকে তালাক দেয়। আর এটাই হলো সেই ইদ্দত যে অনুযায়ী আল্লাহ স্ত্রীদের তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।" আব্দুল্লাহকে যখন এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হতো, তখন তিনি তাদের কাউকে বলতেন: "তুমি যদি তোমার স্ত্রীকে একবার বা দুইবার তালাক দিয়ে থাকো, তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরুপ নির্দেশই দিয়েছিলেন। আর যদি তুমি তাকে তিন তালাক দিয়ে থাকো, তবে সে তোমার জন্য হারাম হয়ে গেছে যতক্ষণ না সে অন্য কোনো স্বামীকে বিবাহ করে, আর তুমি তোমার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার বিষয়ে আল্লাহ তোমাকে যা নির্দেশ দিয়েছেন তাতে তুমি আল্লাহর নাফরমানি করেছ।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
13 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّرْجُمَانِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا قَالَ لِعُمَرَ: إِنِّي طَلَّقْتُ امْرَأَتِي الْبَتَّةَ، وَهِيَ حَائِضٌ، فَقَالَ: «عَصَيْتَ رَبَّكَ وَفَارَقْتَ امْرَأَتَكَ» ، فَقَالَ الرَّجُلُ: فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ حِينَ فَارَقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ يَأْمُرُهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا، فَقَالَ لَهُ عُمَرُ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ أَنْ يُرَاجِعَهَا فِي طَلَاقٍ بَقِيَ لَهُ، فَأَنْتَ لَمْ يَبْقَ لَكَ مَا تُرْجِعُ بِهِ امْرَأَتَكَ» 14 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، ثنا سَعِيدُ بْنُ ⦗ص: 58⦘ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ عُمَرَ ذَكَرَ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْبَتَّةَ وَهِيَ حَائِضٌ، ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَهُ، وَلَمْ يَذْكُرِ ابْنَ عُمَرَ
১৩ - আমাদের নিকট হাসান ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনে ইবরাহিম আত-তারজুমানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি উমরকে বললেন: আমি আমার স্ত্রীকে চূড়ান্তভাবে তালাক দিয়েছি, এমতাবস্থায় যে সে ঋতুবতী ছিল। তিনি বললেন: «তুমি তোমার প্রতিপালকের অবাধ্যতা করেছ এবং তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে», তখন লোকটি বলল: কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুল্লাহকে যখন তিনি তার স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন, তখন তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। উমর তাকে বললেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন এমন তালাকের ক্ষেত্রে যা তার অবশিষ্ট ছিল, কিন্তু তোমার জন্য তো এমন কিছু অবশিষ্ট নেই যার মাধ্যমে তুমি তোমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পার। ১৪ - আমাদের নিকট হাসান ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি উমরকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং উল্লেখ করলেন যে তিনি তার স্ত্রীকে চূড়ান্তভাবে তালাক দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে সে ঋতুবতী ছিল, অতঃপর তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন, তবে তিনি (বর্ণনাসূত্রে) ইবনে উমরের নাম উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُلَيْمَانَ، ثنا مِنْجَابٌ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: طَلَّقْتُ امْرَأَتِي تَطْلِيقَةً، وَهِيَ فِي دَمِهَا، فَذَكَرْتُهُ لِعُمَرَ، فَذَكَرَهُ عُمَرُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «بِئْسَ مَا صَنَعَ، مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا طَاهِرًا فِي غَيْرِ جِمَاعٍ»
১৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান হাদীস বর্ণনা করেছেন, মিনজাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুসহির আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমার স্ত্রীকে এক তালাক দিয়েছিলাম এমতাবস্থায় যে সে ঋতুবতী ছিল। আমি বিষয়টি উমরের নিকট উল্লেখ করি, অতঃপর উমর তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উল্লেখ করেন। তখন তিনি বললেন: «সে যা করেছে তা কতই না মন্দ! তাকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে নেয়। অতঃপর যখন সে পবিত্র হবে, তখন যেন তাকে সহবাস করা ছাড়াই পবিত্র অবস্থায় তালাক দেয়।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا سُفْيَانُ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ⦗ص: 59⦘ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ تَطْلِيقَةً عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَاسْتَفْتَى عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «فَأَمَرَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا، ثُمَّ يُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا»
১৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে থেকে যে, আবদুল্লাহ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ উমর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক তালাক প্রদান করেছিলেন। তখন উমর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফতোয়া চাইলেন। «অতঃপর তিনি তাঁকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাঁকে ফিরিয়ে নেন, এরপর তাঁকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দেন; অতঃপর যদি তাঁকে তালাক দেওয়ার সংকল্প করেন এর পূর্বেই যে তাঁর সাথে সহবাস করেন»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
17 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا عَمَّارُ بْنُ زَرْبِيٍّ الْمَازِنِيُّ، ثنا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " الْتَقَى آدَمُ وَمُوسَى، فَقَالَ لَهُ مُوسَى: أَنْتَ آدَمُ الَّذِي خَلَقَكَ اللَّهُ بِيَدِهِ، وَأَسْجَدَ لَكَ مَلَائِكَتَهُ، وَأَدْخَلَكَ جَنَّتَهُ، ثُمَّ أَخْرَجْتَنَا مِنْهَا؟ فَقَالَ لَهُ آدَمُ: أَنْتَ مُوسَى الَّذِي اصْطَفَاكَ اللَّهُ بِرِسَالَتِهِ، وَقَرَّبَكَ نَجِيًّا، فَأَنْزَلَ عَلَيْكَ فِي التَّوْرَاةِ، فَأَسْأَلُكَ بِالَّذِي أَعْطَاكَ ذَلِكَ بِكَمْ تَجِدُهُ كُتِبَ عَلَيَّ قَبْلَ أَنْ أُخْلَقَ؟ قَالَ: أَجِدُهُ كُتِبَ عَلَيْكَ فِي التَّوْرَاةِ قَبْلَ أَنْ تُخْلَقَ بِأَلْفَيْ عَامٍ "، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «فَحَاجَّ آدَمُ مُوسَى، فَحَاجَّ آدَمُ مُوسَى، فَحَجَّ آدَمُ مُوسَى»
১৭ - আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আম্মার ইবনে যারবি আল-মাযিনী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, বিশর ইবনে মানসুর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: " আদম ও মূসার সাক্ষাৎ হলো, তখন মূসা তাকে বললেন: আপনিই সেই আদম যাকে আল্লাহ তাঁর হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, আপনার জন্য তাঁর ফেরেশতাদের সেজদাহ করিয়েছেন এবং আপনাকে তাঁর জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন, তারপর আপনি আমাদের তা থেকে বের করে দিলেন? তখন আদম তাকে বললেন: আপনিই সেই মূসা যাকে আল্লাহ তাঁর রিসালাতের মাধ্যমে মনোনীত করেছেন এবং একান্তে কথা বলার মাধ্যমে আপনার নৈকট্য দান করেছেন, এরপর আপনার ওপর তাওরাত অবতীর্ণ করেছেন; আমি আপনাকে সেই সত্তার শপথ দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি যিনি আপনাকে এগুলো দান করেছেন, আমি সৃষ্টি হওয়ার কতকাল আগে আপনি এটি আমার ওপর লিপিবদ্ধ অবস্থায় পেয়েছেন? তিনি বললেন: আমি তাওরাতে পেয়েছি যে আপনার সৃষ্টির দুই হাজার বছর আগে আপনার ওপর এটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।" আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "অতঃপর আদম মূসার ওপর তর্কে জয়ী হলেন, আদম মূসার ওপর তর্কে জয়ী হলেন, আদম মূসার ওপর তর্কে জয়ী হলেন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
18 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا خَلَفُ بْنُ سَالِمٍ، وَمَسْرُوقٌ قَالَا: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ عُمَرُ: «لَوْ لَمْ يَكُنِ الْحَجَرُ مِنَ الْبَيْتِ مَا طُفْتُ»
১৮ - হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে সালিম এবং মাসরুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর (রা.) বলেছেন: «যদি পাথরটি (হিজর) বায়তুল্লাহর অংশ না হতো, তবে আমি তওয়াফ করতাম না»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
19 - نَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ ⦗ص: 61⦘، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: إِنَّ عُمَرَ قَالَ لِلْمُهَاجِرِينَ: «لَا تَتَّخِذُوا مِنْ وَرَاءِ الرَّوْحَا مَالًا وَلَا تَرْتَدُّوا عَلَى أَعْقَابِكُمْ بَعْدَ الْهِجْرَةِ، وَلَا تُزَوِّجُوا طُلَقَاءَ مَكَّةَ نِسَاءَكُمْ، وَتَزَوَّجُوا نِسَاءَهُمْ، وَائْتُوا بِهِنَّ» 20 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ: أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ بِذَلِكَ
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আলী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ ⦗পৃ: ৬১⦘, উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর (রা.) মুহাজিরদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন: «তোমরা রাওহা-এর ওপারে কোনো সম্পদ বা জমি গ্রহণ করো না এবং হিজরতের পর পুনরায় নিজেদের পূর্বাবস্থায় ফিরে যেয়ো না। মক্কার মুক্তপ্রাপ্তদের (তুলাকা) সাথে তোমাদের নারীদের বিয়ে দিয়ো না, তবে তোমরা তাদের নারীদের বিয়ে করো এবং তাদের (নিজেদের সাথে) নিয়ে আসো।» ২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে খাল্লাদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি বলেন: নাফে ইবনে উমর থেকে আমাকে অনুরূপ সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬১)
21 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ قَالَ لِلْمُهَاجِرِينَ: " مَنْ كَانَ لَهُ بِخَيْبَرَ نَصِيبٌ فَلْيَحْضُرْ حَتَّى نُقَسِّمَهَا بَيْنَكُمْ، فَإِنَّهُمْ قَدْ فَعَلُوا وَفَعَلُوا، وَغَشَّوُا الْمُسْلِمِينَ وَعَالُوهُمْ فَانْطَلَقُوا حَتَّى أَتَوْا، قَالَ: انْجَلُوا عَنْهَا، فَقَالُوا: لَا تَفْعَلْ، فَأَخْرَجَهُمْ مِنْهَا وَقَسَّمَهَا بَيْنَ أَهْلِهَا، وَكَانَتْ لِمَنْ شَهِدَ الْحُدَيْبِيَةَ " 22 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، عَنْ حَمَّادٍ، ح ⦗ص: 62⦘ وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ أَبُو سَلَمَةَ: أَحْسَبُهُ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، فَقَالَ عَبْدُ الْأَعْلَى فِي حَدِيثِهِ: شَكَّ أَبُو سَلَمَةَ فِي نَافِعٍ، وَقَالَ عَبْدُ الْوَاحِدِ فِيمَا يَحْسَبُ أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ قَالَ: مَنْ كَانَ لَهُ سَهْمٌ فِي خَيْبَرَ ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ
২১ - হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুদবাহ ইবনে খালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে যে, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুহাজিরদের উদ্দেশ্যে বললেন: "খায়বারে যার কোনো অংশ রয়েছে, সে যেন উপস্থিত হয় যাতে আমরা তা তোমাদের মাঝে বণ্টন করে দিতে পারি। কেননা তারা (খায়বারের ইহুদিরা) নানা অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ড করেছে, তারা মুসলিমদের সাথে প্রতারণা করেছে এবং তাদের ওপর চড়াও হয়েছে।" অতঃপর তারা সেখানে গমন করলেন। তিনি (উমর) বললেন: "তোমরা এখান থেকে চলে যাও।" তারা বলল: "এমনটা করবেন না।" কিন্তু তিনি তাদের সেখান থেকে বহিষ্কার করলেন এবং এর প্রকৃত পাওনাদারদের মাঝে তা বণ্টন করে দিলেন। আর এটি (খায়বারের জমি) তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল যারা হুদাইবিয়ায় উপস্থিত ছিল। ২২ - হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আ'লা ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ থেকে, [হ] ⦗পৃষ্ঠা: ৬২⦘ এবং হাসান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে গিয়াস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ থেকে, আবু সালামাহ বলেন: আমি মনে করি তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। আব্দুল আ'লা তার বর্ণিত হাদীসে বলেছেন: আবু সালামাহ নাফে'র ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন। আর আব্দুল ওয়াহিদ বলেছেন: আবু সালামাহ যা মনে করেন তা হলো নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে যে, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: "খায়বারে যার কোনো অংশ রয়েছে..." অতঃপর তিনি পূর্বের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
23 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ قَالَا: ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: «مَا بُلْتُ قَائِمًا مُنْذُ أَسْلَمْتُ» 24 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، ثنا ابْنُ إِدْرِيسَ ⦗ص: 63⦘، وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا عُثْمَانُ، ثنا ابْنُ إِدْرِيسَ، وَابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بِذَلِكَ
২৩ - হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন উমর এবং আবু বকর বিন খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: «আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে কখনও দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি» ২৪ - হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে ইদ্রিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৬৩⦘ , এবং হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে ইদ্রিস ও ইবনে নুমাইর উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে উক্ত বিষয়ে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
25 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، ثنا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَمْنَعُوا إِمَاءَ اللَّهِ مَسَاجِدَ اللَّهِ عز وجل»
২৫ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল আলা ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নাফে হতে বর্ণিত, ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা আল্লাহর দাসীদের মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর মাসজিদসমূহ হতে বারণ করো না»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
26 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا زَحْمَوَيْهِ زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ ⦗ص: 64⦘ عُمَرَ، قَالَ: كَانَتِ امْرَأَةُ عُمَرَ جَسِيمَةً، وَكَانَتْ إِذَا خَرَجَتْ إِلَى الصَّلَاةِ عُرِفَتْ بِطُولِهَا، فَقِيلَ لَهَا: لَوْ أَنَّكِ لَمْ تَخْرُجِي فَإِنَّ عُمَرَ يُؤْذِيهِ ذَلِكَ، فَقَالَتْ: لَوْ نَهَانِي عُمَرُ مَرَّةً وَاحِدَةً مَا خَرَجْتُ، فَقِيلَ لِعُمَرَ: لَوْ نَهَيْتَهَا، فَقَالَ عُمَرُ: لَوْلَا أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لَا تَمْنَعُوا إِمَاءَ اللَّهِ مَسَاجِدَ اللَّهِ»
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাহমাওয়ায়হ যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে মুসলিম, উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৬৪⦘ উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমরের স্ত্রী দীর্ঘদেহী ছিলেন। যখন তিনি সালাতের জন্য বের হতেন, তখন তাঁর উচ্চতার কারণে তাঁকে চিনে নেওয়া যেত। তাঁকে বলা হলো: আপনি যদি বের না হতেন (তবে ভালো হতো), কারণ এতে উমর কষ্ট পান। তিনি বললেন: উমর যদি আমাকে একবারও নিষেধ করতেন, তবে আমি বের হতাম না। তখন উমরকে বলা হলো: আপনি যদি তাঁকে নিষেধ করতেন। তখন উমর বললেন: আমি যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে না শুনতাম যে: «তোমরা আল্লাহর দাসীদের আল্লাহর মাসজিদসমূহ থেকে বাধা দিও না»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
27 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا عُثْمَانُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ قَالَا: ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: كَانَتِ امْرَأَةٌ لِعُمَرَ تَشْهَدُ صَلَاةَ الصُّبْحِ وَالْعِشَاءِ فِي جَمَاعَةٍ فِي الْمَسْجِدِ، فَقِيلَ لَهَا: قَدْ تَعْلَمِينَ أَنَّ عُمَرَ يَكْرَهُ ذَلِكَ وَيَغَارُ، فَقَالَتْ: فَمَا يَمْنَعُهُ أَنْ يَنْهَانِيَ؟ قَالُوا: قَوْلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَمْنَعُوا إِمَاءَ اللَّهِ مَسَاجِدَ اللَّهِ» لَمْ يَذْكُرْ عُمَرَ
২৭ - হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান এবং মুহাম্মদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমরের একজন স্ত্রী মসজিদে জামাতের সাথে ফজর ও এশার সালাতে উপস্থিত হতেন। তখন তাঁকে বলা হলো: আপনি তো জানেন যে উমর এটি অপছন্দ করেন এবং আত্মমর্যাদাবোধ পোষণ করেন। তিনি বললেন: তবে কিসে তাঁকে আমাকে নিষেধ করা থেকে বিরত রেখেছে? তাঁরা বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: “তোমরা আল্লাহর দাসীদের আল্লাহর মসজিদে আসতে বাধা দিও না।” তিনি উমরের কথা উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
28 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا مُحْرِزُ بْنُ سَلَمَةَ، وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ، ثنا مُصْعَبٌ الزُّبَيْرِيُّ قَالَا: ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: " فَرَضَ عُمَرُ لِأُسَامَةَ أَكْثَرَ مِمَّا فَرَضَ لِي، فَقُلْتُ لَهُ: هِجْرَتِي وَهِجْرَتُهُ وَاحِدَةٌ، قَالَ: فَإِنَّهُ كَانَ أَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْكَ، وَأَبُوهُ كَانَ أَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَبِيكَ، وَإِنَّمَا هَاجَرَ بِكَ أَبُوكَ " وَاللَّفْظُ لِمُحْرِزِ بْنِ سَلَمَةَ
২৮ - আমাদের কাছে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, মুহরিজ বিন সালামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, এবং আল-হাসান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুসআব আজ-জুবাইরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের কাছে আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "উমর উসামার জন্য আমার চেয়ে বেশি ভাতা নির্ধারণ করেছিলেন। তখন আমি তাঁকে বললাম: আমার হিজরত এবং তাঁর হিজরত তো একই। তিনি বললেন: সে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তোমার চেয়ে বেশি প্রিয় ছিল এবং তার পিতা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তোমার পিতার চেয়ে বেশি প্রিয় ছিল। আর তোমার পিতা তোমাকে সাথে নিয়ে হিজরত করেছিলেন।" এবং শব্দবিন্যাস মুহরিজ বিন সালামাহর।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
29 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا سُفْيَانُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ فَضَّلَ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ ⦗ص: 66⦘، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: لِمَ فَضَّلْتَ عَلَيَّ أُسَامَةَ، فَوَاللَّهِ مَا سَبَقَنِي إِلَى مَشْهَدٍ؟ قَالَ: «لَأَنَّ أُسَامَةَ كَانَ أَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْكَ» 30 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا سُفْيَانُ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ نَحْوَ حَدِيثِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ وَلَمْ يَذْكُرِ ابْنَ عُمَرَ
২৯ - মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে বকর থেকে, তিনি ইবনে জুরায়জ থেকে, তিনি যায়দ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উমর উসামা ইবনে যায়দকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘, তখন আবদুল্লাহ ইবনে উমর বললেন: আপনি কেন উসামাকে আমার ওপর অগ্রাধিকার দিলেন? আল্লাহর কসম, তিনি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে আমার আগে অগ্রসর হননি। তিনি বললেন: «কারণ উসামা আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তোমার চেয়ে অধিক প্রিয় ছিলেন» ৩০ - আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে বকর থেকে, তিনি ইবনে জুরায়জ থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে যায়দ ইবনে আসলামের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ইবনে উমরের কথা উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
31 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَبِي سَمِينَةَ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: لَمَّا مَاتَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَيٍّ، أَتَى ابْنُهُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَبِي مَاتَ فَأَعْطِنِي قَمِيصَكَ أُكَفِّنْهُ فِيهِ، وَصَلِّ عَلَيْهِ، فَأَعْطَاهُ قَمِيصَهُ، فَلَمَّا ذَهَبَ لِيُصَلِّيَ عَلَيْهِ جَذَبَهُ عُمَرُ وَقَالَ: أَلَمْ يَنْهَكَ اللَّهُ عَنِ الْمُنَافِقِينَ، فَقَالَ: " يَا عُمَرُ خُيِّرْتُ: {اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لَا تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ} [التوبة: 80] ، قَالَ: فَنَزَلَتْ: {وَلَا تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ} [التوبة: 84] إِلَى آخِرِ الْآيَةِ "
৩১ - মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু আবি সামিনাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনু উমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনু উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা গেল, তখন তার পুত্র নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা মারা গেছেন, আপনি আমাকে আপনার জামাটি দান করুন যাতে আমি তাঁকে তাতে কাফন দিতে পারি এবং আপনি তাঁর জানাযার সালাত আদায় করুন। তখন তিনি তাঁকে নিজের জামাটি দান করলেন। অতঃপর যখন তিনি তাঁর জানাযার সালাত আদায়ের জন্য অগ্রসর হলেন, তখন উমর (রা.) তাঁকে টেনে ধরলেন এবং বললেন: আল্লাহ কি আপনাকে মুনাফিকদের জানাযা পড়তে নিষেধ করেননি? তিনি বললেন: "হে উমর, আমাকে এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে: {আপনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন অথবা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না করুন} [আত-তাওবাহ: ৮০]। তিনি বলেন: অতঃপর অবতীর্ণ হলো: {তাদের মধ্যে কেউ মারা গেলে আপনি কখনো তার ওপর জানাযার সালাত আদায় করবেন না} [আত-তাওবাহ: ৮৪] আয়াতের শেষ পর্যন্ত।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
32 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا أَبُو بَكْرٍ، وَحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْأَوَّلِ قَالَا: ثنا أَبُو أُسَامَةَ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: لَمَّا تُوُفِّيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَيٍّ، جَاءَ ابْنُهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ أَنْ يُعْطِيَهُ قَمِيصَهُ حَتَّى يُكَفِّنَهُ فِيهِ، فَأَعْطَاهُ ثُمَّ سَأَلَهُ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَيْهِ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُصَلِّيَ عَلَيْهِ، فَقَامَ عُمَرُ فَأَخَذَ بِثَوْبِهِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ تُصَلِّي عَلَيْهِ وَقَدْ نَهَاكَ اللَّهُ أَنَّ تُصَلِّيَ عَلَيْهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّمَا خَيَّرَنِي فَقَالَ: إِنْ شِئْتَ {اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لَا تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً} [التوبة: 80] فَأَنَا أَزِيدُ عَلَى سَبْعِينَ مَرَّةً "، فَقَالَ: إِنَّهُ مُنَافِقٌ فَلَا تُصَلِّ عَلَيْهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى {وَلَا تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَّاتَ أَبَدًا} [التوبة: 84] الْآيَةَ لَفْظُ حُسَيْنٍ
৩২ - মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর এবং হুসাইন ইবন আব্দুল আউয়াল আমাদের বলেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: যখন আব্দুল্লাহ ইবন উবাই ইন্তেকাল করল, তখন তার পুত্র নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁর কাছে একটি জামা প্রার্থনা করল যেন সে তাকে তাতে কাফন পরাতে পারে। তিনি তাকে তা প্রদান করলেন। এরপর সে তাঁর নিকট আবেদন করল যেন তিনি তার জানাযার সালাত পড়ান। ফলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযার সালাত পড়ানোর জন্য দাঁড়ালেন। তখন উমর (রা.) দাঁড়িয়ে তাঁর কাপড় ধরলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি তার জানাযার সালাত পড়াবেন, অথচ আল্লাহ আপনাকে তার ওপর সালাত পড়তে নিষেধ করেছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয় আল্লাহ আমাকে ইখতিয়ার দিয়েছেন এবং বলেছেন: {তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো অথবা না করো; যদি তুমি তাদের জন্য সত্তর বারও ক্ষমা প্রার্থনা করো} [আত-তাওবাহ: ৮০] সুতরাং আমি সত্তর বারের চেয়েও বেশি বার করব।" তখন উমর বললেন: সে তো মুনাফিক, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি তার জানাযার সালাত পড়াবেন না। এরপর মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন: {এবং তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে আপনি কখনও তার জন্য সালাত পড়বেন না} [আত-তাওবাহ: ৮৪] আয়াতের শেষ পর্যন্ত। এই বর্ণনাটি হুসাইনের শব্দে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
33 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ مِنْ أَصْلِ كِتَابِهِ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «أَسْهَمَ يَوْمَ خَيْبَرَ لِلْفَارِسِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ، لَهُ سَهْمٌ وَلِفَرَسِهِ سَهْمَانِ»⦗ص: 69⦘ 34 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا جُمْهُورُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا سُلَيْمُ بْنُ أَخْضَرَ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَلَمْ يَذْكُرْ عُمَرَ
৩৩ - মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হান্নাদ ইবনুস সারী তাঁর মূল কিতাব থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহর সূত্রে, তিনি নাফি'র সূত্রে, তিনি ইবনে উমরের সূত্রে, তিনি উমরের সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «খায়বারের যুদ্ধের দিন অশ্বারোহীর জন্য তিনটি অংশ নির্ধারণ করেছিলেন; তাঁর নিজের জন্য একটি অংশ এবং তাঁর ঘোড়ার জন্য দুটি অংশ»⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘ ৩৪ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, জুমহুর ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইম ইবনে আখদার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফি'র সূত্রে, তিনি ইবনে উমরের সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে তিনি উমরের উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
35 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا هِشَامُ بْنُ يُونُسَ مِنْ أَصْلِ كِتَابِهِ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَابَقَ بَيْنَ الْخَيْلِ الْمُضَمَّرَةِ مِنْ ثَنِيَّةِ الْوَدَاعِ إِلَى الْحَفْيَاءِ، وَأَرْسَلَ الَّتِي لَمْ تُضَمَّرُ إِلَى مَسْجِدِ بَنِي زُرَيْقٍ "
৩৫ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন ইউনুস তাঁর মূল কিতাব থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি নাফি’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সানিয়াতুল বিদা থেকে হাফইয়া পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়াগুলোর মধ্যে দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন এবং যে ঘোড়াগুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি সেগুলোকে বনু জুরাইক এর মসজিদ পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় নিযুক্ত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
36 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا حُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْأَوَّلِ، ثنا الْمُحَارِبِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ أَوْضَعَ فِي وَادِي مُحَسِّرٍ " قَالَ: حُسَيْنٌ رَفَعَهُ مَرَّةً وَأَحْيَانًا لَمْ يَرْفَعْهُ
৩৬ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে আব্দুল আউয়াল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুহারিবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ওয়াদিয়ে মুহাস্সিরে দ্রুত চলেছিলেন। তিনি বলেন: হুসাইন একবার একে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং কখনো তা মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে উমর বিন আল-খাত্তাব লিন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
37 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ ⦗ص: 71⦘ عُبَيْدِ اللَّهِ، أبنا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه " ضَرَبَ لِلْيَهُودِ وَالنَّصَارَى وَالْمَجُوسِ أَجَلًا: ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ بِالْمَدِينَةِ، يَبِيعُونَ فِيهَا، فَزَعَمَ أَنَّ عُمَرَ أَجْلَاهُمْ مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ "
৩৭ - হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৭১⦘ উবাইদুল্লাহ থেকে, নাফে’ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণিত যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) "ইয়াহুদি, নাসারা এবং মজুসিদের জন্য মদিনায় তিন দিনের এক সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন, যাতে তারা সেখানে বেচাকেনা করতে পারে। আর তিনি বর্ণনা করেছেন যে, উমর তাদের বহিষ্কার করেছিলেন আরব উপদ্বীপ থেকে।"