(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: -)
التصغير في ألقاب الأسر القسم: الأنساب
الكتاب: التصغير في ألقاب الأسر
المؤلف: إبراهيم بن عبد الله المديهش
النشرة: الثانية، 1438 هـ
عدد الصفحات: 49
[البحث غير مطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 27 جُمادَى الأولى 1440
পারিবারিক উপাধিতে তাসগির (ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ) বিভাগ: বংশবিদ্যা
গ্রন্থ: পারিবারিক উপাধিতে তাসগির (ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ)
লেখক: ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-মুতায়হিশ
সংস্করণ: দ্বিতীয়، ১৪৩৮ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৯
[গবেষণাটি মুদ্রিত নয়]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ২৭ জুমাদাল উলা ১৪৪০
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১)
التصغير في ألقاب الأُسَر
النشرة الثانية ـ مزيدة ومصححة ـ
(25/ 7/ 1438 هـ)
পারিবারিক পদবিতে ক্ষুদ্রতাবাচক রূপ
দ্বিতীয় প্রকাশনা —পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত—
(২৫/ ০৭/ ১৪৩৮ হিজরী)
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، وعلى آل وأصحابه ومن اهتدى بهداه، واتبع سبيله إلى يوم الدين،
أما بعد
فهذه ورقات يسيرة في مسألة لطيفة: «التصغير في ألقَابِ الأُسَر»
باعثُها:ما طُرح في مجالس متعددة (1) من مجالس اثنينية معالي الشيخ: محمد بن ناصر العبودي ــ حفظه الله وبارك في علمه، ومتَّعَهُ بالعافية ـ، حيث تحدث عن تصغير ألقاب أسر بلدة: «ضارج القصيم= الشقة»
… ... وفي بعض المجالس سأل د. عبدالله بن صالح الوشمي (2) معالي الشيخ قائلاً: لماذا يكثر تصغير الأسماء والحاجيَّات عندنا في «نجد»؟ !
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর এবং যারা তাঁর হেদায়াতের অনুসারী হয়েছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর পথের অনুসরণ করেছে তাদের ওপর।
অতঃপর,
এগুলো একটি সূক্ষ্ম বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কয়েকটি পৃষ্ঠা: «পারিবারিক উপাধিতে ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপদান»
এর মূল কারণ:মহামান্য শাইখ মুহাম্মদ বিন নাসির আল-আবৌদী —আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন, তাঁর ইলমে বরকত দান করুন এবং তাঁকে সুস্থতার সাথে সুখে রাখুন— এর সোমবারের বিভিন্ন মজলিসে (১) যা উত্থাপিত হয়েছে, যেখানে তিনি ‘দারিজে কাসিম = আশ-শাক্কাহ’ শহরের পরিবারগুলোর উপাধিতে ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দের ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন
… ... এবং কোনো কোনো মজলিসে ডক্টর আবদুল্লাহ বিন সলিহ আল-ওয়াশমী (২) মহামান্য শাইখকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: আমাদের ‘নাজদ’ অঞ্চলে নাম এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দের আধিক্য কেন? !
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৫)
مثل: شغِيله، قِهِيوَه، حليبه، عِشي، دريهمات، مصيخِين
…قال الشيخ ـ رعاه الله ـ: للتصغير أغراض: التمليح أو التحقير، وغالباً ما يراد منه عندنا التمليح
وذكر قول الحريري:
وَإِن تُرِدْ تصغيرَ الاسمِ المُحتَقَرْ
… إِمَّا لتِهْوانٍ (1) وَإِمَّا لصِغَرْ
فضُمَّ مبدَاهُ لهذي الحَادِثَهْ
… وزِدهُ يَاءً تبْتديها (2) ثَالِثَهْ
تقولُ فِي فَلْسٍ فُلَيْسٌ يَا فتَى
… وَهَكَذَا كلُّ ثُلاثيٍّ أَتَى (3)
ثم قال الشيخ: العجيب ما يقصد الناس بقولهم للشايب: شويِّب! !
وتعجب الشيخ من ذلك! ! أهو تمليح أو تصغير أو تحقير.
فقال الأستاذ الشاعر: أبو قُصي إبراهيم التركي ـ على سبيل الطرفة ـ: عندنا صغِير، وصغيِّر، وصغنطوط! !
--------------------------------------------
উদাহরণস্বরূপ: ছোট কাজ, ছোট কফি, অল্প দুধ, রাতের ছোট খাবার, কিছু দিরহাম, সামান্য অসুস্থ ব্যক্তিগণ
…শায়খ —আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন— বলেন: তাসগির (শব্দকে ক্ষুদ্রতাজ্ঞাপক করা)-এর কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে: স্নেহ প্রকাশ বা তুচ্ছজ্ঞান করা, আর আমাদের নিকট অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর দ্বারা স্নেহ প্রকাশই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে।
তিনি হারীরীর উক্তিটি উল্লেখ করেন:
আর যদি তুমি কোনো তুচ্ছ বিশেষ্যকে ক্ষুদ্র করতে চাও
… হয় অবজ্ঞার জন্য অথবা ক্ষুদ্রতা বোঝানোর জন্য
তবে এই পরিবর্তনের জন্য তার প্রথমাংশকে পেশ প্রদান করো
… এবং তৃতীয় অবস্থানে একটি 'ইয়া' বৃদ্ধি করো
হে যুবক! তুমি 'ফালস' (মুদ্রা) এর ক্ষেত্রে বলবে 'ফুলাইস'
… আর এভাবেই প্রতিটি তিন অক্ষরবিশিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে (৩)
অতঃপর শায়খ বললেন: আশ্চর্যের বিষয় হলো মানুষ যখন কোনো বৃদ্ধ ব্যক্তিকে 'শুওয়াইয়িব' (ছোট বৃদ্ধ) বলে, তখন তারা এর দ্বারা কী উদ্দেশ্য নেয়!!
শায়খ এতে বিস্ময় প্রকাশ করলেন!! এটা কি স্নেহ প্রকাশ, নাকি ক্ষুদ্রতা প্রকাশ, নাকি তুচ্ছজ্ঞান করা?
তখন কবি উস্তাদ আবু কুসাই ইব্রাহিম আত-তুর্কি কৌতুকচ্ছলে বললেন: আমাদের কাছে রয়েছে ছোট, অতি ছোট এবং একদম পিচ্চি!!
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৬)
قال معالي الشيخ: ديرة «الشقة» معروف أُسَرُها بالتصغير: المديهش، والشويهي، والقصَيِّر، والسديس
… انتهى
وقد أبديت رأيي للشيخ مراراً بأن تصغير ألقاب الأسر ليس خاصاً
… ـ أو ميزة ـ بأسر ضارج =الشقة، بل هي صفة غالبة في «نجد» ـ كما سيأتي ـ.
ولأني لم أجد من تحدث عن هذه المسألة (1)، عزمت على الكتابة فيها
… لنفسي أولاً، ولمن يمتعه الحديث حول مواضيع الملح التي يتخفف ويستروح المرءُ بها وفيها من ثِقَل العلم والعمل.
--------------------------------------------
মান্যবর শায়খ বলেছেন: "আশ-শাক্কাহ" জনপদটি এর বংশনামগুলোর ক্ষুদ্রার্থবাচক রূপের (তাসগির) জন্য সুপরিচিত: আল-মুদাইহিশ, আশ-শুওয়াইহি, আল-কুসাইয়ির এবং আস-সুদাইস
… সমাপ্ত।
আমি শায়খের কাছে বারবার আমার মত ব্যক্ত করেছি যে, বংশীয় পদবিগুলোর এই ক্ষুদ্রার্থবাচক রূপ দান করা কেবল দারিজ (তথা আশ-শাক্কাহ) এর বংশগুলোর জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এটি "নজদ" অঞ্চলের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য—যা সামনে আলোচিত হবে।
যেহেতু আমি এই বিষয়টি (১) নিয়ে কাউকে আলোচনা করতে দেখিনি, তাই আমি এই বিষয়ে লেখার সংকল্প করেছি... প্রথমত নিজের জন্য, এবং তাদের জন্য যারা জ্ঞান ও কর্মের ভার থেকে মুক্তি পেতে এবং প্রফুল্লতা অর্জনের জন্য লঘু ও রসাত্মক আলোচনা উপভোগ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৭)
تمهيد في بيان أغراض التصغير عند أئمة اللغة:ذكر اللغويون أن للتصغير أغراضاً: التحقير، والتقليل، والتقريب، واللطافة، والرحمة، والإشفاق، والمحبة والعطف
…وذكروا أن الكوفيين أضافوا معنى آخر، وهو: التعظيم .... واستدلوا بأدلة، منها:
قول عمر عن ابن مسعود رضي الله عنهما كُنيِّف مُلئ عِلماً. (1)
وقول الأنصاري في البَيْعة: (
… أَنَا جُذَيْلُهَا المُحَكَّكُ، وَعُذَيْقُهَا المُرَجَّبُ، مِنَّا أَمِيرٌ، وَمِنْكُمْ أَمِيرٌ
… ). (2)
وغير ذلك من الأمثلة التي أوردوها
…من ذلك ما ورد في «أمالي» ابن الشجري: (وقد جاء التحقير فى كلامهم للتعظيم كقوله:
وكلّ أناس سوف تدخل بينهم * دويهية تصفرّ منها الأنامل
أراد بالدُّويهية الموت، ولا داهية أعظم منها،
--------------------------------------------
ভাষাবিদ ইমামগণের নিকট তাসগির (ক্ষুদ্রতাবাচক রূপ)-এর উদ্দেশ্যসমূহের বর্ণনায় ভূমিকা:ভাষাবিদগণ উল্লেখ করেছেন যে, তাসগিরের কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে: তুচ্ছতা প্রদর্শন, স্বল্পতা বুঝানো, নৈকট্য প্রকাশ, কোমলতা, দয়া, মমতা, ভালোবাসা এবং স্নেহ
…তাঁরা আরও উল্লেখ করেছেন যে, কুফী ভাষাবিদগণ এর আরেকটি অর্থ যোগ করেছেন, আর তা হলো: মহত্ব বা সম্মান প্রদর্শন (তা’জিম).... এবং তাঁরা এর সপক্ষে বেশ কিছু প্রমাণ পেশ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:
ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সম্পর্কে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর উক্তি: "তিনি ইলমে (জ্ঞানে) পরিপূর্ণ এক ক্ষুদ্র আধার।" (১)
এবং বায়াতের সময় আনসারী সাহাবীর উক্তি: (
… আমি হলাম এর সেই অভিজ্ঞতাপূর্ণ ক্ষুদ্র খুঁটি এবং ফলভারাবনত সেই ক্ষুদ্র খেজুর গাছ যাকে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে; আমাদের মধ্য থেকে একজন আমির হবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে একজন আমির হবে
… )। (২)
এ ছাড়াও তাঁরা আরও অনেক উদাহরণ পেশ করেছেন
…তার মধ্যে ইবনুল শাজারী-এর ‘আমালী’-তে যা বর্ণিত হয়েছে: (আর তাদের কথাবার্তায় সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেও তাসগির বা ক্ষুদ্রতাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন কবির উক্তি:
প্রত্যেক জনপদ বা মানুষের মাঝে এমন এক ক্ষুদ্র বিপদ প্রবেশ করবেই * যার ভয়ে আঙুলের ডগাগুলো হলদে হয়ে যায়।
এখানে 'দুওয়াইহিয়াহ' (ক্ষুদ্র বিপদ) দ্বারা তিনি মৃত্যুকে বুঝিয়েছেন, অথচ মৃত্যুর চেয়ে বড় কোনো বিপদ নেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৮)
وكقول أوس بن حجر:
فويق جبيل شامخ الرأس لم تكن
… لتبلغه حتى تكلَّ وتعملا
أي: لم تكن لتبلغ رأسه.
فتحقير اللُّتيّا هاهنا إنما هو تعظيم، ويبعد أن يكون أراد باللُّتيَّا الفعلة الهيِّنَة لقوله: «وكفيت جانيها اللّتيّا»، والفعلة الهيِّنة لا يكاد فاعلها يُسمَّى جانياً). (1)
قال أبو علي الفارسي (ت 377 هـ): (. . . دُوهِيَةٌ تصفَرُّ منها الأناملُ.
فاصفرارُ الأنامل يكون من أكبر الدواهي؛ لأنه يحدث عند الموت، وهذا يدل على أنَّ التحقيرَ قد يُعنى به تعظيم الأمر). (2)
ذكر أبو حيان (ت 745 هـ) أنه يقال: باب التصغير، وباب التحقير. (3)
--------------------------------------------
যেমন আওস ইবনে হাজরের উক্তি:
উন্নত মস্তক বিশিষ্ট এক ছোট পাহাড়ের একটু উপরে, যেখানে পৌঁছাতে তুমি ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত পারতে না
…অর্থাৎ: তুমি এর শিখরে পৌঁছাতে পারতে না।
এখানে 'আল-লুতাইয়া' শব্দের ক্ষুদ্রতাবোধক রূপটি মূলত এর ভয়াবহতা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। 'আল-লুতাইয়া' দ্বারা তিনি কোনো সাধারণ তুচ্ছ কাজ বুঝিয়েছেন—এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ, কারণ তাঁর উক্তি হলো: "আমি এর অপরাধীকে সেই ভয়াবহ বিপদ থেকে রক্ষা করেছি।" আর কোনো তুচ্ছ কাজের কর্তাকে সাধারণত 'অপরাধী' বলা হয় না)। (১)
আবু আলী আল-ফারিসি (মৃত্যু ৩৭৭ হি.) বলেছেন: (. . . এমন এক মহাবিপদ যাতে আঙুলের অগ্রভাগ বিবর্ণ হয়ে যায়।
আঙুলের অগ্রভাগ বিবর্ণ হওয়া বা হলুদ হওয়া বড় ধরনের বিপদের সময় ঘটে থাকে; কেননা এটি মৃত্যুর সময় হয়ে থাকে। এটি প্রমাণ করে যে, ক্ষুদ্রতাবোধক শব্দ (তাসগির) কখনো কোনো বিষয়ের ভয়াবহতা বা বিশালতা প্রকাশের জন্যও ব্যবহৃত হয়)। (২)
আবু হাইয়ান (মৃত্যু ৭৪৫ হি.) উল্লেখ করেছেন যে, একে 'বাবুত তাসগির' (ক্ষুদ্রতাবোধক পরিচ্ছেদ) এবং 'বাবুত তাহকির' (হীনতাবোধক পরিচ্ছেদ)-ও বলা হয়। (৩)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৯)
قال ابن يعيش (ت 643 هـ): (اعلم أنَّ التصغير والتحقير واحدٌ، وهو خلافُ التكبير والتعظيم.
وتصغيرُ الاسم دليلٌ على صِغَر مسمَّاه، فهو حِلْيَةٌ وصفةٌ للاسم؛ لأنك تريد بقولك: «رُجَيْلٌ» رجلاً صغيرَاً، وإنّما اختصرتَ بحذف الصفة، وجعلتَ تغييرَ الاسم والزيادةَ عليه عَلَمَاً على ذلك المعنى
… ). (1)
وذكر أبو حيَّان أن التصغير يأتي لتحقير شأن الشئ، نحو: زُييد ورُجيل، تضع من شأنه.
ولتقليل ذاته، نحو: كُليب. أو كمِّيتِه، نحو: دريهمات.
أو لتقريب زمانه، نحو: قُبيل وبُعيد. أو مسافته، نحو: فويق وتُحيت. أو منزلته: كأُخيَّ وصُدَيِّقِيَّ.
وزاد الكوفيون لتعظيم الشئ، نحو: دُويْهيِيَة، للمنِيَّة، وزعموا أنَّ من ذلك أُخَيَّ، وصُدَيِّقِيَّ. (2)
--------------------------------------------
ইবনে ইয়াইশ (মৃত্যু ৬৪৩ হি.) বলেন: (জেনে রাখুন যে, তাসগির (ক্ষুদ্রকরণ) এবং তাহকির (তুচ্ছকরণ) অভিন্ন বিষয়; আর এটি তাকবির (বড়ত্বারোপ) ও তাজিম (সম্মান প্রদর্শন)-এর বিপরীত।
বিশেষ্যের ক্ষুদ্রকরণ তার নামীয় বস্তুর ক্ষুদ্রতার প্রমাণবাহী, এটি নামের একটি অলংকার ও গুণ; কারণ আপনি যখন ‘রুজাইল’ বলেন, তখন আপনার উদ্দেশ্য থাকে একজন ছোট মানুষ। মূলত আপনি গুণবাচক শব্দটি বিলুপ্ত করে সংক্ষেপ করেছেন এবং নামের পরিবর্তন ও পরিবর্ধনকে সেই অর্থের নিদর্শন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন...)। (১)
আবু হাইয়ান উল্লেখ করেছেন যে, তাসগির কোনো বস্তুর গুরুত্ব তুচ্ছ করার জন্য আসে, যেমন: জুয়াইদ এবং রুজাইল, যা দ্বারা আপনি তার মর্যাদা হ্রাস করেন।
অথবা তার সত্তার ক্ষুদ্রতা প্রকাশের জন্য, যেমন: কুলাইব। অথবা তার পরিমাণের অল্পতা বোঝাতে, যেমন: দুরাইহামাত।
অথবা তার সময় নিকটবর্তী করার জন্য, যেমন: কুবাইল এবং বুয়াইদ। অথবা তার দূরত্ব নিকটবর্তী বোঝাতে, যেমন: ফুওয়াইক এবং তুহাইত। অথবা তার মর্তবা বা স্নেহের নৈকট্য প্রকাশে: যেমন ‘উখাইয়্যা’ এবং ‘সুদাইক্কিয়্যা’।
কুফীগণ কোনো বিষয়ের বিশালত্ব বা ভয়াবহতা প্রকাশের বিষয়টিকে এর সাথে যুক্ত করেছেন, যেমন: মৃত্যুর ক্ষেত্রে ‘দুয়াইহিয়া’ (মহাবিপদ) শব্দটির ব্যবহার। তারা দাবি করেছেন যে, ‘উখাইয়্যা’ এবং ‘সুদাইক্কিয়্যা’ও এরই অন্তর্ভুক্ত। (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১০)
ذكر ابن الأثير (ت 606 هـ): أن التصغير من خواصِّ الأسماء .... ثم أورد أغراضه فقال:
والنّحاة يسمُّونه «باب التصغير»، وباب «التحقير»؛ تسمية للشئ ببعضه، فإنَّه يقع في الكلام على أضرب:
الضرب الأول: التصغير، ويختصُّ بالجثث؛ لأنه ضد الكبير، نحو: جمل وجميل، وجبل وجبيل.
الضرب الثانى: التحقير، ويختصُّ بما يظنُّ عظيماً؛ لأنه ضد التعظيم، نحو: ملك ومليك، ورجل ورجيل إذا أريد الشجاعة.
الضرب الثالث: التقريب، ويختصُّ بما يظنُّ بعيداً، نحو: فويق السطح، ودوين السقف، وقبيل الشهر.
الضرب الرابع: التقليل، ويختصُّ بالمقادير، نحو: مويل، ودريهمات، وحنيطة، وأجيمال.
الضرب الخامس: التعظيم وفيه خلاف، كقول النّبيِّ صلى الله عليه وسلم لابن مسعود: «كنيف ملئ علماً»، وكقوله عليه السلام لعائشة: «يا حميراء». وكقولهم: «هو دويهية» إذا وصفوه بالدّهاء العظيم، قال الشاعر:
وكلّ أناس سوف تدخل بينهم
… دويهية تصفرّ منها الأنامل.
ومنه قولهم: يا أخيَّ، ويا بُنىَّ، ويا صُدَيِّقىَّ إذا أرادوا به المبالغة.
ইবনে আল-আসির (মৃত ৬০৬ হিজরি) উল্লেখ করেছেন যে: তাসহির (ক্ষুদ্রতাসূচক রূপ) বিশেষ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ... এরপর তিনি এর উদ্দেশ্যসমূহ বর্ণনা করে বলেন:
ব্যাকরণবিদরা একে «তাসহিরের অধ্যায়» এবং «তাহকিরের অধ্যায়» (তুচ্ছতাসূচক অধ্যায়) বলে অভিহিত করেন; এটি কোনো বস্তুর অংশবিশেষের মাধ্যমে তার নামকরণ করার অন্তর্ভুক্ত। কেননা এটি বাক্যে বিভিন্ন প্রকারে ব্যবহৃত হয়:
প্রথম প্রকার: তাসহির (ক্ষুদ্রতা), যা শরীরী বা সাকার বস্তুর সাথে নির্দিষ্ট; কারণ এটি বিশালতার বিপরীত। যেমন: উট ও ছোট উট, পাহাড় ও ছোট পাহাড়।
দ্বিতীয় প্রকার: তাহকির (তুচ্ছতা), যা সাধারণত বড় মনে করা হয় এমন বিষয়ের সাথে নির্দিষ্ট; কারণ এটি সম্মানের বিপরীত। যেমন: বাদশাহ ও ক্ষুদ্র বাদশাহ, এবং পুরুষ ও ক্ষুদ্র পুরুষ—যখন এর মাধ্যমে বীরত্বের অভাব বা তুচ্ছতা বোঝানো উদ্দেশ্য হয়।
层次তৃতীয় প্রকার: তাকরিব (নৈকট্য), যা দূরে মনে করা হয় এমন বিষয়ের সাথে নির্দিষ্ট। যেমন: ছাদের ঠিক উপরে, সিলিংয়ের ঠিক নিচে এবং মাসের ঠিক আগে।
চতুর্থ প্রকার: তাকলিল (স্বল্পতা), যা পরিমাণের সাথে নির্দিষ্ট। যেমন: সামান্য সম্পদ, সামান্য দিরহাম, সামান্য গম এবং গুটিকতক উট।
পঞ্চম প্রকার: তাজিম (মহত্ত্ব প্রকাশ), এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইবনে মাসউদকে বলা: «জ্ঞানে পরিপূর্ণ একটি ছোট আধার», এবং আয়েশা (রা.)-এর প্রতি তাঁর উক্তি: «হে হুমায়রা (রক্তিম আভার অধিকারিণী)»। এবং তাদের কথা: «সে এক মহাবিপদ»—যখন তারা তাকে চরম ধূর্ততার বিশেষণে বিশেষায়িত করেন। কবি বলেছেন:
আর প্রতিটি সম্প্রদায়ের মাঝে শীঘ্রই প্রবেশ করবে
… এক মহাবিপদ, যার ফলে আঙুলের ডগাগুলো বিবর্ণ হয়ে যাবে।
এর অন্তর্ভুক্ত হলো তাদের উক্তি: হে আমার ছোট ভাই, হে আমার প্রিয় পুত্র এবং হে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু—যখন তারা এর মাধ্যমে আধিক্য বা গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করতে চান।
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১১)
وقد يصغَّر الشئ لدنوه من الشئ وليس مثله، كقولك: هو أصيغر منك ودُوين هذا، وفُويق ذاك، يريد تقليل الذى بينهما، وتقول: هو أسيِّد أي قد قارب السَّواد، فأما قولهم: هو مُثيل ذاك، وأميثال ذاك، فإنَّما يريدون أن يخبروا أن المشبَّه به حقيرٌ). ا. هـ (1)
وقال ابن منظور: (والتصغير يجيء بمعان شتى:
منها: ما يجيء على التعظيم لها، وهو معنى قوله: فأصابتها سُنَيَّةٌ حمراء، وكذلك قول الأنصاري: أنا جُذيلها المحكك وعذيقها المرجب، ومنه الحديث: أتتكم الدهيماء، يعني الفتنة المظلمة فصغرها تهويلا لها.
ومنها: أن يصغر الشيء في ذاته كقولهم: دويرة وجحيرة.
ومنها: ما يجيء للتحقير في غير المخاطب، وليس له نقص في ذاته، كقولهم: هلك القوم إلا أهل بييت، وذهبت الدراهم إلا دريهما.
ومنها: ما يجيء للذم كقولهم: يا فويسق.
ومنها: ما يجيء للعطف والشفقة نحو: يا بني ويا أخي؛ ومنه قول عمر: أخاف على هذا السبب. وهو صُدَيّقِيُّ، أي: أخص أصدقائي.
ومنها: ما يجيء بمعنى التقريب كقولهم: دوين الحائط وقبيل الصبح.
--------------------------------------------
কখনো কোনো বস্তুকে অন্য বস্তুর নিকটবর্তী হওয়ার কারণে ক্ষুদ্রতাবাচক করা হয় যদিও তা তার হুবহু অনুরূপ নয়; যেমন আপনার বলা: সে আপনার চেয়ে সামান্য ছোট, এর কিছুটা নিচে, ওটার সামান্য উপরে। এর দ্বারা উভয়ের মাঝের ব্যবধান কমানো উদ্দেশ্য থাকে। আর আপনি বলেন: সে কিছুটা কালচে, অর্থাৎ সে কালো বর্ণের নিকটবর্তী হয়েছে। আর তাদের কথা: সে সেটার সদৃশ, বা সেগুলোর সদৃশ; এর মাধ্যমে তারা কেবল এ সংবাদ দিতে চান যে, যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে সে তুচ্ছ। (১)
ইবনে মানজুর বলেন: (ক্ষুদ্রতাবাচক রূপান্তর বা তাসগির বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়:
তার মধ্যে রয়েছে: যা মহত্ত্ব প্রকাশের জন্য আসে। এটিই হলো এই বাণীর মর্ম: 'তাকে একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষপীড়িত বছর আক্রান্ত করেছে'। অনুরূপভাবে আনসারীর উক্তি: 'আমিই সেটার সুপরীক্ষিত অভিজ্ঞ খুঁটি এবং ফলভারে অবনত সুসংরক্ষিত বৃক্ষ'। এ থেকেই হাদিসে এসেছে: 'তোমাদের কাছে ঘোর অন্ধকার ফিতনা আসবে', অর্থাৎ অন্ধকার ফিতনা; এখানে ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে একে ক্ষুদ্রতাবাচক শব্দে ব্যক্ত করা হয়েছে।
আরেকটি হলো: কোনো বস্তু তার নিজের সত্তায় ছোট হওয়া, যেমন তাদের উক্তি: ছোট ঘর এবং ছোট গর্ত।
আরেকটি হলো: সম্বোধিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে তুচ্ছতা প্রকাশের জন্য আসা, অথচ তার সত্তাগত কোনো ত্রুটি নেই। যেমন তাদের উক্তি: একটি ছোট পরিবার ছাড়া সব লোক ধ্বংস হয়ে গেল এবং একটি ছোট দিরহাম ছাড়া সব দিরহাম শেষ হয়ে গেল।
আরেকটি হলো: নিন্দার জন্য আসা, যেমন তাদের উক্তি: হে পাপিষ্ঠ।
আরেকটি হলো: মমতা ও করুণার জন্য আসা, যেমন: হে প্রিয় বৎস এবং হে প্রিয় ভাই। এ থেকেই উমরের উক্তি: 'আমি এই সম্পর্কের ব্যাপারে ভয় পাই'। আর সে আমার 'অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু', অর্থাৎ আমার বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে বিশেষ বন্ধু।
আরেকটি হলো: নৈকট্য বা কাছাকাছি হওয়ার অর্থে আসা, যেমন তাদের উক্তি: দেয়ালের ঠিক নিচে এবং ভোরের ঠিক আগে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১২)
ومنها: ما يجيء للمدح، من ذلك قول عمر لعبد الله: كنيف ملئ علماً). (1)
قال خالد الأزهري (ت 905 هـ): (أما فوائده فسِتٌّ:
1. تقليلُ ذات الشيء، نحو: كُليب.
2. وتحقير شأنه، نحو: رُجَيل.
3. وتقليل كمِّيتِه، نحو: دُريهمات.
4. وتقريب زمانه، نحو: قُبَيل العصر، وبُعَيد المغرب.
5. وتقريب مسافته، نحو: فُوَيْق المرحلة، وتُحَيْت البريد.
6. وتقريب منزلته، نحو: صُدَيِّقِي.
وزاد الكوفيون معنى آخر، وهو:
7. التعظيم، نحو: دُوَيْهِيَة.
وخرَّجها البصريون على التقليل؛ لأن الداهية إذا عَظُمَت؛ قلَّتْ مُدَّتُها.
وزاد بعضهم معنى آخر، وهو:
--------------------------------------------
এর মধ্যে রয়েছে: যা প্রশংসার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন আবদুল্লাহ সম্পর্কে ওমরের উক্তি: (তিনি হলেন) ইলম বা জ্ঞান দ্বারা পরিপূর্ণ একটি ছোট আধার। (১)
খালিদ আল-আযহারী (মৃত্যু ৯০৫ হিজরি) বলেন: (ক্ষুদ্রতাবাচক বিশেষণের) উপকারিতা ছয়টি:
১. কোনো বস্তুর সত্তাকে ছোট করা, যেমন: ছোট কুকুর।
২. তার মর্যাদাকে তুচ্ছ করা, যেমন: তুচ্ছ লোক।
৩. তার পরিমাণ কম বুঝানো, যেমন: সামান্য কয়েকটি দিরহাম।
৪. সময়কে নিকটবর্তী করা, যেমন: আসরের ঠিক আগে এবং মাগরিবের ঠিক পরে।
৫. দূরত্বকে নিকটবর্তী করা, যেমন: গন্তব্যের সামান্য উপরে এবং ডাক-চৌকির সামান্য নিচে।
৬. মর্যাদাকে নিকটবর্তী করা, যেমন: আমার প্রিয় বন্ধু।
কুফাবাসী ভাষাবিদগণ অন্য আরেকটি অর্থ বৃদ্ধি করেছেন, আর তা হলো:
৭. মহত্ব বা বিশালত্ব বুঝানো, যেমন: মহাবিপদ।
আর বসরার ভাষাবিদগণ এটিকে ক্ষুদ্রতা বা কমানোর অর্থেই বিশ্লেষণ করেছেন; কারণ বিপদ যখন অনেক বড় হয়, তখন তার স্থায়িত্বকাল কমে যায়।
কেউ কেউ অন্য আরেকটি অর্থ যোগ করেছেন, আর তা হলো:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
8. التحبُّبْ، نحو: بُنَيَّة). انتهى. (1)
وقد نفى البصريون وروده للتعظيم لأنه ينافي التصغير، وتأولوا ما ورد في ذلك
…وناقش ذلك المبرِّد (2) ـ فيما ذكره الخفاجي ـ وأنكر وروده للتعظيم
… (3)
--------------------------------------------
৮. স্নেহ বা ভালোবাসা প্রকাশ, যেমন: ছোট্ট মেয়ে)। সমাপ্ত। (১)
বসরীয় ব্যাকরণবিদগণ এর মহত্ত্ব (تعظيم) প্রকাশের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন, কারণ এটি শব্দকে ক্ষুদ্রতা (تصغير) প্রকাশের মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী। আর এ সংক্রান্ত যা কিছু বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোর তাঁরা ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন
…খাফাজি যা উল্লেখ করেছেন—তাতে মুবাররিদ (২) এটি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং মহত্ত্ব প্রকাশের অর্থে এর ব্যবহারকে অস্বীকার করেছেন
… (৩)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
فائدة: ذكر أبو حيان رحمه الله أن العرب نطقت بأسماء مُصغَّرة، ولم تنطق بها مكبَّرة مثل: كُميت، وجُميل، والثُّرَيَّا، والقُطيعاء، وسُكيْت .... (1)
--------------------------------------------
উপকারিতা: আবু হাইয়ান (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেছেন যে, আরবরা কিছু নাম ক্ষুদ্রতাবাচক (তাসগির) রূপে উচ্চারণ করেছে এবং সেগুলোকে মূল বা বড় (মুকাব্বার) রূপে উচ্চারণ করেনি যেমন: কুমাইত, জুমাইল, আস-সুরাইয়া, আল-কুতিআ’, সুকাইত .... (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وبأسماء فاعلين على صورة المصغَّر نحو: مُبيطر، ومسيطر، ومُبيقر، ومهيمن
…وقال أيضاً: (وكثر مجئ المصغَّر دون المكبَّر في الأعلام ك: قُريظة، وجُهينة، ووطُهية، وهُذيل، وسُليم. (1)
هذا، وإن للألقاب شأنَاً كبيراً عند أهل العلم، حتى أفردت بمصنفات عديدة، منها:
«الألقاب» لابن الفرضي (ت 403 هـ)، و «كشف النقاب عن الأسماء والألقاب» لابن الجوزي (ت 597 هـ)، و «مجمع الآداب في معجم الألقاب» لابن الفوطي (ت 723 هـ)، «نزهة الألباب في الألقاب» لابن حجر (ت 852 هـ)، وغيرها كثير ضمن مسمى الألقاب أو الأنساب أو مشتبه النسبة، ك «الإكمال» لابن ماكولا، و «تكملته» لابن نقطه، و
… «الفيصل في مشتبه النسبة» لأبي بكر الحازمي (ت 584 هـ)، و «تحفة ذوي
--------------------------------------------
এবং ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপে আসা কর্তৃবাচক বিশেষ্যসমূহ (ইসমে ফায়িল), যেমন: মুবাইতির, মুসাইতির, মুবাইকির এবং মুহাইমিন
…তিনি আরও বলেছেন: (ব্যক্তি বা স্থানের নামের ক্ষেত্রে মূল রূপের পরিবর্তে ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপের ব্যবহার অধিক দেখা যায়, যেমন: কুরাইজা, জুহাইনা, তুহয়্যাহ, হুযাইল এবং সুলাইম। (১)
বস্তুত, আলিমগণের নিকট উপাধি বা লকবসমূহের ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে, এমনকি এ বিষয়ে বহু স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ইবনুল ফারাদি (মৃত ৪০৩ হি.) রচিত «আল-আলকাব», ইবনুল জাওযি (মৃত ৫৯৭ হি.) রচিত «কাশফুন নিকাব আনিল আসমায়ি ওয়াল আলকাব», ইবনুল ফুতি (মৃত ৭২৩ হি.) রচিত «মাজমাউল আদাব ফি মুজামিল আলকাব», ইবনে হাজার (মৃত ৮৫২ হি.) রচিত «নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব», এবং এছাড়া লকব, বংশপরম্পরা অথবা সদৃশ নিসবত বিষয়ে আরও বহু গ্রন্থ রয়েছে, যেমন: ইবনে মাকুলা রচিত «আল-ইকমাল», ইবনে নুকতাহ রচিত এর «তাকমিলাহ», এবং
… আবু বকর আল-হাযিমি (মৃত ৫৮৪ হি.) রচিত «আল-ফায়সাল ফি মুশতাবিহিন নিসবাহ», এবং «তুহফাতু যাউয়ি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
الألباب» لابن خطيب الدهشة (ت في القرن 8 هـ)، و «تبصير المشتبه» لابن حجر، وغيرها، ولأحد المعاصرين «ألقاب المحدِّثين»، وغيرها كثير.
وفي مقيَّدات ابن خلكان في «وفيات الأعيان» بيان لعدد من الألقاب. (1)
ومع كثرة الألقاب، وتعدد الكتب المؤلفة فيها إلا أنها ـ أو غالبها ـ ألقاب أشخاص لم تنزل على أعقابهم، بخلاف زماننا فإن غالب الألقاب أصبحت أسراً كبيرة، ينتسب إليها مئات من الأشخاص وبعضها بالآلاف
…
والألقاب في سابق الدهور على ألوان شتى (2)، منها:
1. لقَبٌ منسوب إلى قبيلة، مثل: الوائلي = العنَزِي، القحطاني، التميمي، الدوسري، المطيري، الحربي، الشمري، الزهراني، الغامدي،
--------------------------------------------
ইবনে খাতিব আদ-দাহশাহ (মৃত্যু: ৮ম হিজরী শতাব্দী) রচিত ‘আল-আলবাব’, ইবনে হাজারের ‘তাবসিরুল মুশতাবিহ’ এবং অন্যান্য; আর সমসাময়িকদের মধ্যে একজনের রচিত ‘আলকাবুল মুহাদ্দিসিন’ (মুহাদ্দিসগণের উপাধি) সহ আরও অনেক গ্রন্থ রয়েছে।
ইবনে খাল্লিকানের ‘ওফায়াতুল আইয়ান’ গ্রন্থের টীকাগুলোতেও বেশ কিছু উপাধির বর্ণনা রয়েছে। (১)
উপাধির প্রাচুর্য এবং এ বিষয়ে রচিত গ্রন্থের সংখ্যা অনেক হওয়া সত্ত্বেও এগুলো—বা এর অধিকাংশই—ছিল নিছক ব্যক্তিকেন্দ্রিক উপাধি যা তাদের পরবর্তী বংশধরদের মাঝে সঞ্চারিত হয়নি। এটি আমাদের বর্তমান সময়ের বিপরীত, কারণ এখনকার অধিকাংশ উপাধিই বৃহৎ পরিবারে পরিণত হয়েছে, যার সাথে শত শত এবং ক্ষেত্রবিশেষে হাজার হাজার মানুষ নিজেদের সম্পৃক্ত করে
...
অতীত যুগে উপাধিগুলো বিভিন্ন ধরণের ছিল (২), যার মধ্যে রয়েছে:
১. গোত্রীয় সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রদত্ত উপাধি, যেমন: আল-ওয়াইলি = আল-আনাযী, আল-কাহতানি, আত-তামিমি, আদ-দাওসারি, আল-মুতাইরি, আল-হারবি, আশ-শাম্মারি, আয-যাহরানি, আল-গামিদি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
العجمي، الحربي، وهكذا.
2. منسوب إلى بلد: كالمكي، والمدني، والقاهري، والدمشقي، والبغدادي، والموصلي، والكوفي، والصنعاني، والحبشي، والأصبهاني، والجرجاني، والسجستاني، والسمرقندي، والبخاري، وهكذا.
3. منسوب إلى صنعة: كالحداد، والنجار، والنحاس، والصباغ، والدباغ، والسقاف، والوراق، والحطاب، والدقاق، والخراز، والهراس، والعطار، وهذه النسبة تغلب في بلاد الشام. ومنها: النسبة إلى المهنة: كالفوال، والخباز، والطباخ ....
4. منسوب إلى وظيفة: كالكاتب، والوزير، والقاضي، والحاجب، و «الشاويش، والخزندار، والعلم دار
… وغالب ذلك كان في العهد العثماني.
5. منسوب إلى عاهات خَلقية: كالأعمش، والضرير، والأكوع، والأعرج، والأخرس، والأعشى، والأصقه
…6. منسوب إلى لون: كالأشقر، والأسمر، والأحمر، والأصفر، والأسود
…
আজমি, হারবি এবং অনুরূপ।
২. কোনো শহরের দিকে সম্পর্কিত: যেমন মক্কি, মাদানি, কাহেরি, দামেশকি, বাগদাদি, মৌসুলি, কুফি, সানআনি, হাবশি, আসবাহানি, জুরজানি, সিজিস্তানি, সমরকন্দি, বুখারি এবং অনুরূপ।
৩. কোনো শিল্পের সাথে সম্পর্কিত: যেমন হাদ্দাদ (কামার), নাজ্জার (ছুতার), নাহহাস (তামা শিল্পী), সাববাগ (রঙমিস্ত্রি), দাব্বাগ (চামড়া প্রক্রিয়াজাতকারী), সাক্কাফ, ওয়াররাক (কাগজ বিক্রেতা), হাততাব (কাঠুরিয়া), দাক্কাক, খাররাজ, হাররাস, আত্তার; আর এই নিসবতটি শাম (সিরিয়া) অঞ্চলে অধিক প্রচলিত। এর মধ্যে রয়েছে পেশার সাথে সম্পর্কিত নিসবত: যেমন ফাওয়াল (ডাল বিক্রেতা), খাব্বাজ (রুটি বিক্রেতা), তাব্বাখ (রাঁধুনি) ....
৪. কোনো পদের সাথে সম্পর্কিত: যেমন কাতিব (লেখক), উজির, কাজি, হাজিব (দ্বাররক্ষী), এবং ‘শাওইশ’, ‘খাজান্দার’, ‘আলমদার’... যার অধিকাংশ উসমানীয় যুগে প্রচলিত ছিল।
৫. শারীরিক জন্মগত ত্রুটির সাথে সম্পর্কিত: যেমন আমাশ (ঝাপসা দৃষ্টিসম্পন্ন), জারির (অন্ধ), আকওয়া’ (বাঁকা কবজি), আ’রাজ (ল্যাংড়া), আখরাস (বোবা), আ’শা (রাতকানা), আসকাহ (বধির) ...
৬. রঙের সাথে সম্পর্কিত: যেমন আশকার (পিঙ্গল), আসমার (শ্যামলা), আহমার (লাল), আসফার (হলুদ), আসওয়াদ (কালো) ...
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
7. منسوب إلى أسماء الحيوانات: كالجربوع، والنملة، والباز، والعصفور، والشاهين، والذيب، والنمر، والكلب = الكليب، والسبع، والجراد، والأسد، والصقير، والفهد، والفهيد، والنمير
…8. منسوب إلى طرق صوفية ــ نسأل الله السلامة والعافية والثبات على منهج السنة والجماعة في اقتفاء أثر السلف الصالح ــ، مثال النسبة الطرقية البدعية الخلفية: كالشاذلي، والقادري، والنقشبندي، والرفاعي، والتيجاني، والجشتي، والسهروردي، والخلوتي
…9. منسوب إلى المذهب العقدي الخلَفي: كالزيدي، والأشعري، والماتريدي، والأباظي، والدرزي، والنصيري، والمعتزلي، والجعفري الرافضي، والإسماعيلي الباطني، ـ نسأل الله التوحيد الخالص والسنة النبوية بفهم سلف الأمة، ونسأله السلامة من الزيغ والضلالة ـ.
10. منسوب إلى المذهب الفقهي: كالحنفي، والمالكي، والشافعي، والحنبلي، والظاهري، والأثري.
11. منسوب إلى المدرسة العلمية: كالأزهري، والندْوي ـ ندوة العلماء في الهند ـ والمظاهري ـ وهذا يغلب في الأعاجم ـ
৭. প্রাণীর নামের সাথে সম্বন্ধযুক্ত: যেমন- জারবু, পিপীলিকা, বাজপাখি, চড়ুই, শাহিন, নেকড়ে, চিতা, কুকুর = কুলাইব, হিংস্র শিকারি প্রাণী, পঙ্গপাল, সিংহ, সাকির, চিতাবাঘ, ফুহাইদ, নুমাইর
…৮. সুফি তরীকার সাথে সম্বন্ধযুক্ত — আমরা আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা, সুস্থতা এবং সালাফে সালেহীনের পদাঙ্ক অনুসরণে সুন্নাহ ও জামাতের মানহাজের ওপর অটল থাকার প্রার্থনা করছি — উদাহরণস্বরূপ পরবর্তী প্রজন্মের (খালাফী) বিদআতী তরীকার নিসবত: যেমন- শাযিলি, কাদিরি, নকশবন্দি, রিফায়ী, তিজানি, চিশতি, সোহরাওয়ার্দী, খালওয়াতি
…৯. পরবর্তী প্রজন্মের (খালাফী) আকিদাগত মাযহাবের সাথে সম্বন্ধযুক্ত: যেমন- যায়দি, আশআরি, মাতুরিদি, ইবাদি, দ্রুজ, নুসাইরি, মুতাযিলি, জাফরি রাফেযি, ইসমাইলি বাতিনি — আমরা আল্লাহর কাছে বিশুদ্ধ তাওহীদ এবং উম্মতের সালাফদের বুঝ অনুযায়ী নববী সুন্নাহ প্রার্থনা করছি এবং তাঁর কাছে বিচ্যুতি ও পথভ্রষ্টতা থেকে নিরাপত্তা চাইছি —।
১০. ফিকহী মাযহাবের সাথে সম্বন্ধযুক্ত: যেমন- হানাফি, মালিকি, শাফিঈ, হাম্বলি, যাহিরি এবং আসারি।
১১. ইলমী বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্বন্ধযুক্ত: যেমন- আযহারি, নদভী — ভারতের নদওয়াতুল উলামা — এবং মাজাহিরি — এটি সাধারণত অনারবদের মধ্যে বেশি প্রচলিত —
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
12. النسبة إلى الأجداد، وهذه غلبت في القبائل العربية، الحاضرة منهم خاصة، أما البادية فالنسبة للفخذ أو القبيلة
… وفي الحاضرة تكون نسبة الأسرة إلى اسم الجد ـ خاصة إن كان غريباً أو مميزاً ـ أو لقبه
…وغالب الأسر النجدية ـ في وقتنا هذا ـ تنتسب إلى الجد: من (9) إلى
… (17) وأكثرها: (11 ـ 12 ـ 13) تقريباً
…فإن حفظ الله الأسرة من لقب جديد ــ لغرابته، أو عيارة (1)
أطلقها المجتمع على أحدهم ـ فإن الاسم سيستمر في أعقابهم، وإلا تفرعت إلى أسر أخرى، وهكذا تتشظى عدد من الأسر بسبب المعايير غالباً
--------------------------------------------
১২. পূর্বপুরুষদের সাথে সম্পৃক্ততা; এটি আরব গোত্রগুলোর মধ্যে অধিক প্রচলিত ছিল, বিশেষ করে যারা স্থায়ী জনবসতিতে বসবাস করত। তবে মরুবাসীদের ক্ষেত্রে সম্পৃক্ততা সাধারণত গোত্রের উপশাখা বা মূল গোত্রের সাথে হয়ে থাকে
… আর স্থায়ী জনবসতির ক্ষেত্রে পরিবারের সম্পৃক্ততা দাদার নামের সাথে হয়ে থাকে—বিশেষ করে যদি তা অপরিচিত বা স্বতন্ত্র হয়—অথবা তার উপাধির সাথে
…আমাদের বর্তমান সময়ে অধিকাংশ নজদি পরিবার তাদের পূর্বপুরুষের সাথে সম্পৃক্ত হয়: (৯) থেকে
… (১৭) পুরুষ পর্যন্ত এবং তাদের অধিকাংশই মোটামুটি (১১-১২-১৩) পুরুষ পর্যন্ত হয়ে থাকে
…আল্লাহ যদি পরিবারকে কোনো নতুন উপাধি থেকে রক্ষা করেন—তার অদ্ভুত হওয়ার কারণে অথবা কোনো বিদ্রূপাত্মক নামের (১) কারণে যা সমাজ তাদের কারো ওপর আরোপ করে—তবে সেই নামটিই তাদের উত্তরসূরিদের মাঝে বজায় থাকবে। অন্যথায় তা ভিন্ন ভিন্ন পরিবারে বিভক্ত হয়ে পড়বে। আর এভাবেই বিদ্রূপাত্মক উপাধির কারণে প্রায়শই অনেক পরিবার খণ্ডিত হয়ে যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২০)
من أسر «ضارج القصيم = الشقة»
--------------------------------------------
কাসিমের দরিজ = আশ-শিক্কার পরিবারসমূহ থেকে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২১)
مثلاً: جدِّي الثامن هو: (الحميدي بن حمد، من آل هويمل، من آل «أبو رباع»، من الحسني، من السلقا، من بشر، من بني وائل» توفي أواخر
… (القرن 11 هـ) في «ضارج القصيم = الشقة» له خمسة أولاد: ــ وهو الجد السابع أو الثامن ــ لخمس وعشرين أسرة تفرعَّت منه! ! غالبها بسبب المعايير: منها:
1. المديهش نسبة لجدي: مديهش «اسمٌ لا لقب» (1) بن محمد بن إبراهيم بن سالم الحميدي.
ومن أتى بعده يكتفي به ولا يرفع النسب، لتفرد الاسم وعدم وقوع الاشتراك.
ومن الأسر المتفرعة من الحميدي أيضاً:
2. القصيِّر ــ لقِصَرِه ـ
3. والجُوعي ــ قيل: لعدم قدرته وقت جوع وفقر على إطعام الضيوف من البادية بغير اللبن؛ فأطلقوا عليه: الجوعي،
--------------------------------------------
উদাহরণস্বরূপ: আমার অষ্টম পিতামহ হলেন: (আল-হুমায়দি বিন হামাদ, আল-হুয়াইমিল বংশের, ‘আবু রুবা’ গোত্রের, আল-হাসানি শাখার, আল-সালকা থেকে, বিশর থেকে, বনী ওয়াইল গোত্রের)। তিনি ১১তম হিজরি শতাব্দীর শেষের দিকে ‘দারিজ আল-কাসিম = আশ-শুক্কাহ’-তে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পাঁচটি সন্তান ছিল—তিনি সপ্তম বা অষ্টম পিতামহ—যাদের থেকে পঁচিশটি পরিবার শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়েছে! যাদের অধিকাংশের নামকরণ হয়েছে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে: তন্মধ্যে রয়েছে:
১. আল-মুতাইহিশ: এটি আমার পিতামহের সাথে সম্পর্কিত: মুতাইহিশ «একটি নাম, উপাধি নয়» (১) বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন সালিম আল-হুমায়দি।
যারা তাঁর পরে এসেছেন তারা এই নামেই সন্তুষ্ট থাকেন এবং বংশধারা উপরে উল্লেখ করেন না, নামের অনন্যতার কারণে এবং অন্য নামের সাথে সাদৃশ্য না থাকার ফলে।
আল-হুমায়দি থেকে শাখাভুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে:
২. আল-কুসাইয়ির — তার বেঁটে আকৃতির কারণে —
৩. এবং আল-জুয়ি — বলা হয়: ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের সময়ে মরুভূমির অতিথিদের দুধ ছাড়া অন্য কিছু খাওয়াতে অপারগ হওয়ার কারণে; তাই তারা তাকে 'আল-জুয়ি' (ক্ষুধার্ত) বলে অভিহিত করত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২২)
وقيل: لإطعامه الجوعى ومناداته بذلك: ياجوعان تفضَّل، وردَّ ذلك العبودي. (1)
4. الشويهي ـ نسبة للشاهي ـ.
5. الخَضِيري ـ لِلَونه ـ.
6. السديس ـ لمطالبته بسدسه من الميراث واستعجاله الارتحال عن «ضارج» إلى «البكيرية».
7. العقيل نسبة لجدهم: عقيل
8. الحُضَيف: الحِضف ذكَر الحيات، وهي من أشدها، وكانوا ـ أحياناً ـ يمدحون به الحاكم الجيِّد ـ كالملك عبدالعزيز، فقد قيل: هو حِضف. قاله الشيخ: العبودي. (2)
--------------------------------------------
এবং বলা হয়েছে: ক্ষুধার্তদের খাবার খাওয়ানোর কারণে এবং তিনি এভাবে ঘোষণা করতেন: হে ক্ষুধার্ত, আসুন গ্রহণ করুন। তবে আল-আবূদী এই মতটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। (১)
৪. আশ-শুওয়াইহী — আশ-শাহী-এর সাথে সম্পর্কিত —।
৫. আল-খাদীরী — তার রঙের কারণে —।
৬. আস-সুদাইস — উত্তরাধিকার থেকে তার ষষ্ঠাংশ দাবি করার জন্য এবং ‘দারিজ’ থেকে ‘বুখাইরিয়াহ’-তে দ্রুত প্রস্থান করার কারণে —।
৭. আল-আকীল — তাদের পূর্বপুরুষ আকীল-এর সাথে সম্পর্কিত —।
৮. আল-হুদাইফ: ‘হিদফ’ হলো পুরুষ সাপ, যা অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে থাকে। তারা কখনও কখনও এর মাধ্যমে দক্ষ শাসককে প্রশংসা করত — যেমন রাজা আবদুল আজিজ, তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: তিনি একজন ‘হিদফ’। এটি শায়খ আল-আবূদী বলেছেন। (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وأيضاً من أسر الحمادَى: الرعوجي، والصبحاوي، والسعود، والكلية، والبعيمي، والغازي، والرشيد، والطعيسان، والفهدي، والخويلدي، والفايزي، والحواس.
كل هذه التفرعات بدأت من الثلث الأول من (القرن 13 هـ) تقريباً، بينما نجد في مناطق أخرى غير «القصيم» بقاء الاسم من الجد (15، أو 12) واعتبر ذلك بمن تعرف، ستجد مصداقه، وأثر المعايير والألقاب الجديدة في تشظي الأسر
…ومن الأمثلة الكثيرة جداً: أسرة الرقيبة في «بريدة»، نسبة إلى: راشد بن سليمان السبيهين ذُكر أنه رأى «القرَع = الدباء» في السوق فسأل عنها قائلاً: وهذه أم رقيبة بكم؟
وكان في السوق بعض معارفه فالتقط الكلمة الغريبة، وأطلقها عليه،
আল-হাম্মাদা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত আরও রয়েছে: আর-রুআউজি, আস-সুবহাউয়ি, আস-সাউদ, আল-কুল্লিয়াহ, আল-বুআইমি, আল-গাজি, আর-রাশিদ, আত-তুআইসান, আল-ফাহদি, আল-খুয়াইলদি, আল-ফাইজি এবং আল-হাওয়াস।
এই সবকটি শাখা প্রায় (১৩শ হিজরি শতকের) প্রথম এক-তৃতীয়াংশ থেকে শুরু হয়েছিল, যেখানে আমরা ‘কাসিম’ ব্যতীত অন্য অঞ্চলগুলোতে পূর্বপুরুষদের (১৫তম বা ১২তম) নাম অবশিষ্ট থাকতে দেখি। আপনি যাদের চেনেন তাদের ক্ষেত্রে এটি বিবেচনা করে দেখুন, এর সত্যতা খুঁজে পাবেন; এবং লক্ষ্য করবেন কীভাবে নতুন মানদণ্ড ও উপাধিগুলো পরিবারগুলোর বিভাজনে প্রভাব ফেলেছে
…এমন অনেক উদাহরণের মধ্যে একটি হলো: ‘বুরাইদাহ’র আর-রুকাইবাহ পরিবার, যাদের সম্পর্ক হলো রাশিদ বিন সুলাইমান আস-সাবিহিনের সাথে। উল্লেখ করা হয় যে, তিনি বাজারে ‘লাউ’ দেখেছিলেন এবং সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: “এই উম্মু রুকাইবাহর দাম কত?”
বাজারে তার পরিচিত কিছু লোক ছিল যারা এই অদ্ভুত শব্দটি ধরে ফেলে এবং এটিই তার উপাধি হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে।
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
فأصبحت لقباً (1) عليه، ثم أسرة لأحفاده وأحفادهم حتى الآن
…كأن تلك الأجيال تفتح آذانها وأعينها لالتقاط أي كلمة غريبة، ليقتصر عليها؛ عيارةً إن كانت معيبة، أو تمييزاً إن كان الاسم غريباً، فيميز به عن الأسماء الأخرى المشابهة.
ومن نعمة الله علينا بالحضارة الحديثة أن ثبتت الأسماء في سجلات مدَنية، فلا مجال لذهاب أولادك وأحفادك باسم آخر بسبب عيارة أو لقب يطلق عليك أو عليهم
…ولو استمر الأمر ـ على ما كان ـ لزاد التحفظ عند الناس، فإن المسلم يتحفظ من كلمة حرام، أو من كلمة جارحة، أو معيبة
… فيجد معاناة يجاهد نفسه عليها، فكيف الجهد حينما يضطر إلى التحفظ من كلمة غريبة ولو كانت عربية فصيحة مليحة؟ ! لاشك أنه سيتركها فلا يقولها جاداً ولا
--------------------------------------------
ফলে এটি তার উপাধিতে (১) পরিণত হয়, অতঃপর এখন পর্যন্ত তার নাতি-পুতি ও তাদের বংশধরদের জন্য একটি বংশনামে রূপ নেয়
…মনে হয় যেন সেই প্রজন্মগুলো কোনো অদ্ভুত শব্দ ধরার জন্য তাদের কান ও চোখ খোলা রাখত, যাতে কেবল তাতেই সীমাবদ্ধ থাকা যায়; যদি সেটি দোষণীয় হয় তবে তা গালি হিসেবে, অথবা যদি নামটি অদ্ভুত হয় তবে তা বিশিষ্টতা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হতো, যাতে এর মাধ্যমে অন্যান্য সদৃশ নামগুলো থেকে আলাদা করা যায়।
আর আধুনিক সভ্যতার মাধ্যমে আমাদের ওপর আল্লাহর অন্যতম নিয়ামত হলো এই যে, নামগুলো নাগরিক নিবন্ধনে স্থায়ী করা হয়েছে, ফলে কোনো গালি বা উপাধি যা আপনার বা তাদের ওপর আরোপ করা হয়, তার কারণে আপনার সন্তান ও বংশধরদের অন্য নামে পরিচিত হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই
…আর বিষয়টি যদি আগের মতোই চলমান থাকত, তবে মানুষের মাঝে সতর্কতা আরও বেড়ে যেত। কেননা একজন মুসলিম হারাম শব্দ, অথবা মরমন্তুদ বা দোষণীয় শব্দ থেকে নিজেকে রক্ষা করে চলেন
… ফলে তিনি এক্ষেত্রে আত্মসংগ্রামের কষ্ট অনুভব করেন। তাহলে সেই প্রচেষ্টার অবস্থা কেমন হবে যখন তাকে কোনো অদ্ভুত শব্দ থেকে বেঁচে থাকতে বাধ্য হতে হয়, যদিও সেটি সাবলীল ও সুন্দর আরবি শব্দ হয়?! এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, তিনি সেটি বর্জন করবেন, তাই তিনি তা গুরুত্বের সাথেও বলবেন না এবং...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
هازلاً؛ لئلاً تؤخذ عليه «عيارة» فتكون لقباً، وتلتصق به لتنسخ اسمه الأصلي الذي سماه به والداه! !
سمعتُ أن إمام مسجد في بعض مدن القصيم كان يحدِّث على جماعة مسجده من كتاب يرد فيه كثيراً ذكر المحدِّث: القَعْنَبِيِّ عن الإمام مالك رحمه الله (ت 179 هـ)
… وأهلُ العلم يعرفون القعنبي
… لكن أحد الحضور ـ كبير السن ـ استغرب هذا الاسم، ولما تكرر عليه سماعه، أطلقه على إمام المسجد: جاء القعنبي، ذهب القعنبي، أين القعنبي؟ مرحباً بالقعنبي! !
فإذا كانت هذه المعايير تطلق سابقاً ــ من مناطق معروفة بعاداتها كنجد ـ فإن العيارة أو اللقب التمييزي يأتي منها غالباً بالتصغير للتقليل أو التحقير. ومما يدل على غلبة ذلك تصغير كثير من حاجياتها وكلامها
… ـ للتقليل والتقريب ـ، فليس الأمر مقتصراً على تصغير أسماء الرجال، التي أصبحت ـ فيما بعد ـ ألقاب أسر.
إنما المشكلة حينما يكون اللقب مصغراً، أطلق على الرجل لا على صبي، عيارة له، لا مدحة ..
পরিহাসচ্ছলে; পাছে তার ওপর কোনো ‘ব্যঙ্গনাম’ জেঁপে বসে যা পরবর্তীতে স্থায়ী উপাধিতে পরিণত হতে পারে এবং তার সাথে এমনভাবে লেপ্টে যেতে পারে যে তার পিতামাতা প্রদত্ত আসল নামটিকেও তা অপসারিত করে দেয়! !
আমি শুনেছি যে কাসিম প্রদেশের কোনো এক শহরের এক মসজিদের ইমাম তার মুসল্লিদের নিকট এমন একটি কিতাব পাঠ করছিলেন যাতে ইমাম মালিক (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) (মৃত্যু ১৭৯ হিজরি) থেকে বর্ণনাকারী মুহাদ্দিস আল-কা’নাবীর উল্লেখ বারবার আসছিল
… আলেম সমাজ আল-কা’নাবীকে চেনেন
… কিন্তু উপস্থিতদের মাঝে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি এই নামটি শুনে আশ্চর্যান্বিত হলেন, আর যখন বারবার এটি শুনতে পেলেন, তখন তিনি মসজিদের ইমামের ওপরই এটি প্রয়োগ করে বসলেন: আল-কা’নাবী এসেছেন, আল-কা’নাবী গিয়েছেন, আল-কা’নাবী কোথায়? স্বাগতম হে আল-কা’নাবী! !
যদি এই মানদণ্ডগুলো পূর্বে প্রচলিত হয়ে থাকে—নাজদের মতো নিজস্ব প্রথা-আচারের জন্য পরিচিত অঞ্চলগুলো থেকে—তবে সেই ব্যঙ্গনাম বা বৈষম্যমূলক উপাধিগুলো সেখানে সাধারণত ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে আসত, যা মূলত তুচ্ছতা বা অবজ্ঞা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হতো। এর ব্যাপক প্রসারের প্রমাণ হলো তাদের অনেক প্রয়োজনীয় বস্তু ও কথাবার্তায় ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দের আধিক্য
…—পরিমাণ হ্রাস বা নৈকট্য বুঝাতে—বিষয়টি কেবল পুরুষদের নামের ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপান্তরের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল না, যা পরবর্তীকালে বংশগত উপাধিতে রূপ লাভ করেছে।
মূলত সমস্যা তখনই বাধে যখন কোনো উপাধি ক্ষুদ্রার্থবোধক হয় এবং তা কোনো বালকের পরিবর্তে একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়—তাকে উপহাস করার উদ্দেশ্যে, প্রশংসা করার জন্য নয়...
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
ومن هنا أرى أن التصغير في ألقاب الأسر غلب على الأسر النجدية عامة، والقصيمية خاصة
…لهذا يُقال: كنُّوا أبناءكم قبل أن تلحقهم الألقاب. (1)
--------------------------------------------
এখান থেকে আমি দেখছি যে, পারিবারিক উপাধিতে তাসগির (ক্ষুদ্রতাবাচক রূপান্তর)-এর ব্যবহার সাধারণভাবে নজদি পরিবারগুলোতে এবং বিশেষভাবে কাসিমি পরিবারগুলোতে প্রবল হয়েছে
…একারণে বলা হয়: তোমাদের সন্তানদের উপনাম (কুনিয়াত) রাখো তাদের ওপর মন্দ উপাধি (লকব) লেগে যাওয়ার পূর্বেই। (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
فائدة: قد يطلق اللقب غير المقبول أو المستحسن، فلا يجد الملقَّب حرجاً، فينتشر اللقب، ويكون الملقَّب شريفاً جواداً ممدَّحاً فيُشَرِّف لقبَه، ويرفَعُه
… (1)
قال الأستاذ: محمد بن عبدالله الرشيد ــ من رشيد حائل، وفقه الله ـ في أوائل كتابه: (ظهر لي بعد جمع مادة هذا الكتاب أنه لا يمكن للباحث مهما بلغ من العلم أن يجتهد في بيان سبب اللقب أو يفسِّرْه اعتماداً على مجرَد كتب اللغة، أو العُرف والعادة الجارية؛ بل لا بد من التحقق في معرفة اللقب بالسبب الذي لأجله حصل اللقب في الواقع .... وذكر أمثلة). (2)
وذكر (ص 45) فصلاً في أن غالب الألقاب ليست على ظاهرها
…--------------------------------------------
উপকারিতা: কখনো কখনো কোনো অগ্রহণযোগ্য বা অপছন্দনীয় উপাধি দেওয়া হয়, কিন্তু উপাধিপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাতে কোনো সংকোচ বোধ করেন না, ফলে উপাধিটি ছড়িয়ে পড়ে। আর উপাধিপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি মহৎ, দানশীল ও প্রশংসিত হন, তবে তিনি তাঁর উপাধিকে সম্মানিত করেন এবং এর মর্যাদা বৃদ্ধি করেন
… (১)
উস্তাদ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-রাশীদ —হায়িলের রাশীদ বংশীয়, আল্লাহ তাঁকে তাওফিক দিন— তাঁর কিতাবের শুরুর দিকে বলেন: (এই কিতাবের উপাদানসমূহ সংগ্রহের পর আমার কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, একজন গবেষক ইলমের যে পর্যায়েই পৌঁছান না কেন, শুধুমাত্র অভিধান বা প্রচলিত রীতিনীতি ও অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে কোনো উপাধির কারণ বর্ণনা বা ব্যাখ্যা করার ইজতিহাদ করা সম্ভব নয়; বরং বাস্তবে যে কারণে উপাধিটি অর্জিত হয়েছে সেই কারণটি যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপাধি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি...। এবং তিনি কিছু উদাহরণ উল্লেখ করেছেন)। (২)
তিনি (৪৫ নং পৃষ্ঠায়) একটি অধ্যায় উল্লেখ করেছেন যে, অধিকাংশ উপাধি তার বাহ্যিক অর্থের ওপর নয়
…--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وفصلاً آخر جميلاً في (ص 76 ـ 85) عن عناية أهل العلم بمعرفة أسباب الألقاب والنِّسَب.
وأجدها فرصة لإعادة الاقتراح الذي ذكرتُه في بعض المقالات المنشورة أن يستدرك على كتاب «ألقاب الأسر» للأستاذ: محمد الرشيد
… ـ وفقه الله ـ، من: «معاجم الأسر» للعبودي وغيرها
… لأني تعجبت من قلة الأسر السعودية المبيَّنة فيه، مع أنها قريبة من المؤلف، خاصة أنه صدر قبل كتابِه، كتابُ: «معجم أسر بريدة» في (23) مجلداً، ثم بعد كتابه صدر «معجم أسر عنيزة» (17) مجلداً، وغيرها من كتب الأسر السعودية المجموعة على منطقة أو المفردة.
وليت المؤلف ـ وفقه الله ـ يستدرك ذلك؛ ليكون كتابه جامعاً لأسر جزيرة العرب، فإني رأيت الأسر السعودية في الكتاب، كأنها في الشواهد والمتابعات لا الأصول، والأقربون أولى بالمعروف.
عَودٌ على كلام العلامة العبودي في تصغير أسر الشقة
أقول: الأسر المنسوبة للحمادَى في «ضارج القصيم= الشقة» (25) أسرة، منها: 15 أسرة بالتصغير، و 10 غير مصغرة ــ كما سبق بيانه ـ
(পৃষ্ঠা ৭৬-৮৫ তে) উপাধি এবং বংশনামের কারণসমূহ জানার বিষয়ে আলেমদের গুরুত্বারোপ নিয়ে আরেকটি সুন্দর পরিচ্ছেদ রয়েছে।
ইতিপূর্বে প্রকাশিত কিছু প্রবন্ধে আমি যে প্রস্তাবটি দিয়েছিলাম, সেটি পুনরায় উল্লেখ করার এটি একটি সুযোগ বলে আমি মনে করি। আর তা হলো, উস্তাদ মুহাম্মদ আল-রশীদ
… —আল্লাহ তাঁকে তাওফিক দান করুন— রচিত ‘আলকাবুল উসার’ (পরিবারসমূহের উপাধি) গ্রন্থে আল-আবূদীর ‘মু’জামুল উসার’ এবং অন্যান্য উৎস থেকে
… সংযোজনী তৈরি করা। কেননা আমি সেই গ্রন্থে বর্ণিত সৌদি পরিবারসমূহের স্বল্পতায় বিস্মিত হয়েছি, অথচ সেগুলো লেখকের অতি নিকটবর্তী ছিল। বিশেষ করে তাঁর গ্রন্থের আগেই ২৩ খণ্ডে ‘মু’জামু উসারি বুরাইদাহ’ প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর তাঁর গ্রন্থের পরে ১৭ খণ্ডে ‘মু’জামু উসারি উনাইযাহ’ প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়াও কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল ভিত্তিক বা স্বতন্ত্রভাবে সংকলিত সৌদি পরিবারসমূহের আরও অনেক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
লেখক —আল্লাহ তাঁকে তাওফিক দিন— যদি এগুলো সংযোজন করতেন তবে ভালো হতো, যাতে তাঁর বইটি জাজিরাতুল আরবের সকল পরিবারের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহ হতে পারে। আমি বইটিতে সৌদি পরিবারগুলোকে মূল পাঠের পরিবর্তে যেন কেবল প্রাসঙ্গিক আলোচনা ও প্রমাণ হিসেবে দেখেছি। অথচ নিকটাত্মীয়রাই সদাচরণের বেশি হকদার।
আশ-শিক্কাহ-র পরিবারসমূহের নামের ক্ষুদ্রার্থবাচক রূপ (তাসগির) সম্পর্কে আল্লামা আল-আবূদীর বক্তব্যের দিকে পুনরায় ফিরে আসা
আমি বলছি: ‘দারিজ আল-কাসিম তথা আশ-শিক্কাহ’ অঞ্চলে আল-হামাদার সাথে সম্বন্ধযুক্ত পরিবার রয়েছে ২৫টি। যার মধ্যে ১৫টি পরিবার ক্ষুদ্রার্থবাচক নামে এবং ১০টি ক্ষুদ্রার্থবাচক নয়—যেমনটি আগে বর্ণনা করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
ومن الأسر المصغرة في «الشقة» ــ من غير أسر الحمادى ـ: السحيمان، الجريش، الزميع، الحصيني، والسويد، والوسيدي، والخْضِيري من تميم، والصويلحي، والمحيميد، والشعيبي، وغيرهم
… وهم تقريباً 35 % من أسر الشقة.
فلم تتميز «ضارج القصيم = الشقة» بالتصغير، بل هي سمة عامة في البلدان النجدية.
والظاهر ـ والله أعلم ـ أن غالب هذه الأسر المصغرة ألقاب أطلقت
… «عيارة» على الجد الأول ـ في حال الكبر ـ وليس من باب: التقليل أو التمليح، أو التعطف
…
ومنطقة «نجد» عامة شغوفة بالتصغير للأسماء (1)، ولكثير من حاجيات الإنسان ـ وقد أصبح بعض الأسماء المصغرة أسراً شهيرة ــ،
--------------------------------------------
আশ-শিক্কাহ’র ক্ষুদ্রার্থসূচক নামের পরিবারগুলোর মধ্যে—হামাদি পরিবারগুলো ব্যতীত—অন্যান্যরা হলো: আল-সুহাইমান, আল-জুরাইশ, আল-জুমাই‘, আল-হুসাইনি, আল-সুওয়াইদ, আল-ওয়াসিদি, তামিমি গোত্রের আল-খুদাইরি, আল-সুওয়াইলিহি, আল-মুহাইমিদ, আল-শুয়াইবি এবং অন্যান্যরা
… তারা আশ-শিক্কাহর পরিবারসমূহের প্রায় ৩৫ শতাংশ।
কেবল ‘কাসিমের দারিজি = আশ-শিক্কাহ’-ই ক্ষুদ্রার্থসূচক নামের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত নয়, বরং এটি নজদ অঞ্চলের জনপদগুলোর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
বাহ্যত—আর আল্লাহই ভালো জানেন—এই ক্ষুদ্রার্থসূচক নামের পরিবারগুলোর অধিকাংশ উপাধিই প্রদান করা হয়েছিল
… তাদের আদি পুরুষের বার্ধক্য অবস্থায় ব্যঙ্গাত্মক ডাকনাম বা ‘আইয়্যারা’ হিসেবে; এটি কোনো ক্ষুদ্রতা প্রকাশ, মাধুর্য দান কিংবা মমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নয়
…
আর সাধারণভাবে ‘নজদ’ অঞ্চল নামসমূহকে ক্ষুদ্রার্থসূচক করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আগ্রহী (১), এমনকি মানুষের অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ক্ষেত্রেও—আর কিছু ক্ষুদ্রার্থসূচক নাম তো বর্তমানে সুপ্রসিদ্ধ পরিবারে পরিণত হয়েছে—,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وللأسر القصيمية زيادة درجة أو درجتين؛ لحرصهم على المعايير أكثر من غيرهم ـ في رأيي ـ، ولا يمكن أن يكون غرض التصغير في ذلك: التمليح أو التعظيم ـ على رأي الكوفيين ــ! !
ومما سبق في ذكر أغراض التصغير أجد صعوبة في تنزيلها على سبب تصغير الرجال الذين أصبحت أسماؤهم أو معاييرهم لقباً لأسرة ممتدة الأطراف
…والذي أميل إليه ـ بعد التأمل في طبائع وعادات المجتمعات ـ أن التقليل= التحقير = الاستهانة مبدأ التصغير (1) في غالب هذه الأسماء، ويليه: التمليح والتعطف ـ وهو نادر في ظني ـ، ومثله في الندرة: التصغير للتمييز بين رجلين متشابهين في الاسم في أسرة أو قبيلة أو بلد، مثل: حمد وحميد، أو محمد ومحيميد، (2)؛ لأن غالب الألقاب ــ المشار إلى أمثلة منها ـ
--------------------------------------------
কাসিমের পরিবারগুলোর জন্য এক বা দুই ডিগ্রি বাড়তি মর্যাদা রয়েছে; আমার মতে, তারা অন্যদের তুলনায় মানদণ্ড বজায় রাখার ক্ষেত্রে বেশি আগ্রহী। এক্ষেত্রে শব্দকে ক্ষুদ্রার্থক (তাসগির) করার উদ্দেশ্য সুমিষ্টতা প্রকাশ বা সম্মান প্রদর্শন হওয়া সম্ভব নয়—কুফাবাসীদের মতানুসারে!!
ক্ষুদ্রার্থক রূপ ব্যবহারের যে উদ্দেশ্যসমূহ পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে, সেগুলো এমন সব ব্যক্তিদের নামের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা আমি কঠিন মনে করি, যাদের নাম বা মানদণ্ড পরবর্তীতে এক বিশাল বিস্তৃত পরিবারের উপাধিতে পরিণত হয়েছে
…সমাজের প্রকৃতি ও রীতিনীতি নিয়ে চিন্তা-ভাবনার পর আমি যে বিষয়ের দিকে ঝুঁকেছি তা হলো—এই নামগুলোর অধিকাংশের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রার্থককরণের মূলনীতি হলো কমানো = তুচ্ছজ্ঞান করা = অবজ্ঞা করা (১), এবং এর পরেই রয়েছে: সুমিষ্টতা ও মমতা প্রকাশ—যা আমার ধারণায় বিরল—। অনুরূপভাবে বিরল হলো: কোনো পরিবার, গোত্র বা শহরে সমনামধারী দুই ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য করার জন্য ক্ষুদ্রার্থক রূপ ব্যবহার করা, যেমন: হামদ এবং হুমাইদ, অথবা মুহাম্মদ এবং মুহাইমিদ (২); কারণ অধিকাংশ উপাধি—যার উদাহরণসমূহের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাসগীর ফী আলকাবিল আসারি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
ـ «عيارة» لا يتصور فيها التمليح والتعطف بل هي ألصق بالتحقير والتقليل من شأن الرجل.
هذا، ومن أمثلة التسمية بأسماء من جذر واحد، وتصغير أحدهما: حمد وحميد، ومحمد ومحيميد وأحمد وأحيمد
… ما روي في حديث أن النبي صلى الله عليه وسلم سمَّى أولاد فاطمة: حسن، وحُسين، ومحسِّن، وقال:
… «سميتهم بأسماء ولد هارون: شبَّر وشبير، ومشبِّر». (1)
--------------------------------------------
«ইয়ারা» (লজ্জাজনক ডাকনাম) শব্দটিতে কোনো মাধুর্য বা মমতা কল্পনা করা যায় না, বরং এটি ব্যক্তির মান-মর্যাদাহানি ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যের সাথেই বেশি ঘনিষ্ঠ।
তদুপরি, একই মূলধাতু থেকে উৎসারিত নাম রাখার এবং তাদের কোনো একটিকে ক্ষুদ্রার্থবোধক (তাসগির) করার উদাহরণ হলো: হামদ ও হুমাইদ, মুহাম্মাদ ও মুহাইমিদ এবং আহমাদ ও উহাইমিদ
… হাদিসে যা বর্ণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমার সন্তানদের নাম রেখেছিলেন: হাসান, হুসাইন এবং মুহাস্সিন। আর তিনি বলেছিলেন:
… «আমি হারুনের সন্তানদের নামানুসারে তাদের নাম রেখেছি: শাব্বার, শাব্বির এবং মুশাব্বির»। (১)
--------------------------------------------