(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: -)
إمتاع الأسماع بما للنبي من الأحوال والأموال والحفدة والمتاع القسم: السيرة النبوية
الكتاب: إمتاع الأسماع بما للنبي صلى الله عليه وسلم من الأحوال والأموال والحفدة والمتاع
المؤلف: تقي الدين أحمد بن علي بن عبد القادر بن محمد المقريزي (ت 845 هـ)
تحقيق وتعليق: محمد عبد الحميد النميسي
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1420 هـ - 1999 م
عدد الأجزاء: 15 (14 والفهارس)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবস্থা, সম্পদ, বংশধর ও আসবাবপত্র সম্পর্কে শ্রবণানন্দ বিভাগ: সিরাতে নববী
গ্রন্থ: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবস্থা, সম্পদ, বংশধর ও আসবাবপত্র সম্পর্কে শ্রবণানন্দ
লেখক: তাকিউদ্দিন আহমাদ ইবনে আলি ইবনে আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ আল-মাকরিজি (মৃ. ৮৪৫ হিজরি)
তাহকিক ও টীকা: মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ আন-নুমাইসি
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১৫ (১৪ খণ্ড এবং সূচিপত্র)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[إمتاع الأسماع بما للنبي من الأحوال والأموال والحفدة والمتاع]ـ
المؤلف: أحمد بن علي بن عبد القادر، أبو العباس الحسيني العبيدي، تقي الدين المقريزي (المتوفى: 845هـ)
المحقق: محمد عبد الحميد النميسي
الناشر: دار الكتب العلمية - بيروت
الطبعة: الأولى، 1420 هـ - 1999 م
عدد الأجزاء: 15
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
ـ[ইমতাউল আসমা: নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থা, সম্পদ, বংশধর ও আসবাবপত্রের বর্ণনা]ـ
লেখক: আহমদ বিন আলি বিন আব্দুল কাদির, আবুল আব্বাস আল-হুসাইনি আল-উবাইদি, তাকিউদ্দিন আল-মাকরিজি (মৃত্যু: ৮৪৫ হিজরি)
সম্পাদক: মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ আন-নামিসি
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১৫
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: -)
الكتاب: إمتاع الأسماع بما للنبي من الأحوال والأموال والحفدة والمتاع
المؤلف: أحمد بن علي بن عبد القادر، أبو العباس الحسيني العبيدي، تقي الدين المقريزي (المتوفى: 845هـ)
المحقق: محمد عبد الحميد النميسي
الناشر: دار الكتب العلمية - بيروت
الطبعة: الأولى، 1420 هـ - 1999 م
عدد الأجزاء: 15
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
গ্রন্থ: ইমতায়ুল আসমা বিমা লিন-নাবীয়ি মিনাল আহওয়ালি ওয়াল আমওয়ালি ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবস্থা, সম্পদ, বংশধর ও আসবাবপত্র সংক্রান্ত শ্রবণানন্দ)
লেখক: আহমদ বিন আলী বিন আব্দুল কাদির, আবুল আব্বাস আল-হুসাইনি আল-উবাইদি, তাকিউদ্দিন আল-মাকরিজি (মৃত্যু: ৮৪৫ হিজরি)
সম্পাদক: মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ আন-নুয়াইসি
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১৫
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১)
[المجلد الأول]
[مقدمة المحقق]بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ وَالَّذِينَ مَعَهُ أَشِدَّاءُ عَلَى الْكُفَّارِ رُحَماءُ بَيْنَهُمْ تَراهُمْ رُكَّعاً سُجَّداً يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِنَ اللَّهِ وَرِضْواناً سِيماهُمْ فِي وُجُوهِهِمْ مِنْ أَثَرِ السُّجُودِ ذلِكَ مَثَلُهُمْ فِي التَّوْراةِ وَمَثَلُهُمْ فِي الْإِنْجِيلِ كَزَرْعٍ أَخْرَجَ شَطْأَهُ فَآزَرَهُ فَاسْتَغْلَظَ فَاسْتَوى عَلى سُوقِهِ يُعْجِبُ الزُّرَّاعَ لِيَغِيظَ بِهِمُ الْكُفَّارَ وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحاتِ مِنْهُمْ مَغْفِرَةً وَأَجْراً عَظِيماً [الفتح: 29] .
صدق اللَّه العظيم
[প্রথম খণ্ড]
[সম্পাদকের ভূমিকা]পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল এবং তাঁর সাথে যারা আছে তারা কাফিরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে দয়াশীল। আপনি তাদেরকে রুকু ও সিজদাবনত অবস্থায় আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি অন্বেষণ করতে দেখবেন। তাদের মুখমণ্ডলে সিজদার চিহ্নে তাদের লক্ষণ বিদ্যমান। তাওরাতে তাদের উদাহরণ এটি। আর ইনজিলে তাদের উদাহরণ হলো একটি চারাগাছের মতো, যা তার অঙ্কুর বের করল, অতঃপর তাকে শক্তিশালী করল, এরপর তা পুষ্ট হলো, তারপর নিজ কাণ্ডের ওপর সোজা হয়ে উঠল, যা চাষীদেরকে মুগ্ধ করে; যাতে তিনি তাদের মাধ্যমে কাফিরদেরকে রাগান্বিত করতে পারেন। তাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, আল্লাহ তাদের জন্য ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। [আল-ফাতহ: ২৯] ।
মহান আল্লাহ সত্য বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২)
الإهداءإلى صاحب الخلق العظيم.. والخلق القويم.. إلي سيدنا ومولانا محمد، الفاتح لما أغلق.. والخاتم لما سبق ناصر الحق بالحق.. والهادي إلى صراط مستقيم.. وعلي آله وصحبه حقّ قدره ومقداره العظيم.
أهدي هذا الجهد المتواضع من عنايتي بسيرته العطرة، راجيا أن أنال به الشفاعة العظمى يوم الفزع الأكبر، آملا أن ألقاه علي الحوض- إن كنت أهلا لذلك- وحتى ذلك الحين، له مني صلاة وسلاما دائمين إلي يوم الدين، في كل نفس، ولمحة، وطرفة عين، كلما ذكره الذاكرون، وغفل عن ذكره الغافلون.
উৎসর্গমহান চরিত্র ও সুদৃঢ় স্বভাবের অধিকারীর প্রতি.. আমাদের নেতা ও অভিভাবক মুহাম্মাদের প্রতি, যিনি রুদ্ধ বিষয়ের উন্মোচনকারী এবং বিগত বিষয়ের সমাপ্তি আনয়নকারী; সত্যের মাধ্যমে সত্যের সাহায্যকারী এবং সরল পথের দিশারী.. এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের প্রতি, তাঁদের যথাযথ মর্যাদা ও মহান সম্মান অনুযায়ী।
তাঁর সুগন্ধময় সীরাতের প্রতি আমার গভীর মনোনিবেশের এই বিনম্র প্রচেষ্টা আমি উৎসর্গ করছি; এই আশায় যে, এর মাধ্যমে মহাতঙ্কের দিনে আমি মহান সুপারিশ লাভ করব এবং প্রত্যাশা করছি তাঁর সাথে হাওযের পাড়ে সাক্ষাৎ করার—যদি আমি তার যোগ্য হই—আর সেই সময় পর্যন্ত তাঁর প্রতি আমার পক্ষ থেকে বিচার দিবস পর্যন্ত নিরন্তর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক, প্রতিটি নিঃশ্বাসে, প্রতিটি পলকে এবং চোখের প্রতিটি নিমেষে, যতক্ষণ যিকিরকারীরা তাঁকে স্মরণ করবে এবং গাফেলরা তাঁর স্মরণ থেকে বিমুখ থাকবে।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ৩)
دعاء«لا أحوجك اللَّه إلي اقتضاء ثمن معروف أسديته، ولا ألجأك إلي قبض عوض عن جميل أوليته، ولا جعل يدك السفلي لمن كانت عليه هي العليا. وأعاذك من عز مفقود، وعيش مجهود. وأحياك ما كانت الحياة أجمل لك، وتوفاك إذا كانت الوفاة أصلح لك، بعد عمر مديد، وسموّ بعيد، وختم بالحسنى عملك، وبلغك في الأولى أملك، وسدد فيها مضطربك، وأحسن في الأخرى منقلبك، إنه سميع قريب، جواد مجيب» . التقي المقريزيّ، (السلوك في معرفة دول الملوك) : 1/ 1.
দোয়া«আল্লাহ আপনাকে আপনার কৃত কোনো অনুগ্রহের প্রতিদান কামনার মুখাপেক্ষী না করেন, এবং আপনি যে সদাচরণ করেছেন তার কোনো বিনিময় গ্রহণের জন্য আপনাকে বাধ্য না করেন। আর তিনি আপনার হাতকে সেই ব্যক্তির সামনে নিম্নগামী না করেন যার ওপর ইতিপূর্বে আপনার হাত উচ্চগামী ছিল। তিনি আপনাকে হারানো মর্যাদা এবং অতিশয় কষ্টসাধ্য জীবন থেকে রক্ষা করুন। তিনি আপনাকে ততদিন জীবিত রাখুন যতদিন জীবন আপনার জন্য অধিকতর সুন্দর হয়, এবং যখন মৃত্যু আপনার জন্য অধিকতর কল্যাণকর হয় তখন আপনাকে মৃত্যু দান করুন; দীর্ঘ আয়ু এবং সুউচ্চ মর্যাদার পর। তিনি আপনার কর্মসমূহকে কল্যাণের সাথে সমাপ্ত করুন, ইহকালে আপনার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করুন এবং এতে আপনার যাবতীয় অস্থিরতাকে সুস্থিরতায় রূপান্তর করুন, আর পরকালে আপনার প্রত্যাবর্তনস্থলকে উত্তম করুন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, অতি নিকটবর্তী, পরম দানশীল ও প্রার্থনা কবুলকারী।» আত-তাকি আল-মাকরিজি, (আস-সুলুক ফি মারিফাত দুওয়াল আল-মুলুক) : ১/ ১।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ৪)
تقديم* بقلم فضيلة الأستاذ الدكتور محمد جميل غازي [إن الحمد للَّه نحمده، ونستعين به ونستغفره، ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده اللَّه فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له. وأشهد أن لا إله إلا وأن محمدا عبد اللَّه ورسوله] .
أما بعد:
- فهذا كتاب من كتب التراث الإسلامي، عهد إلي بمراجعة تحقيقه، تمهيدا لإخراجه للدارسين والباحثين من أبناء هذه الأمة، والمنتفعين بعلمها وثقافتها، وهو واحد من الكتب التي منيت بما مني بها كثير من تراثنا الفكري والحضاريّ من الإهمال والضياع والتشويه.
- إنه كتاب: إمتاع الأسماع بما للرسول صلى الله عليه وسلم من الأبناء والأحوال والحفدة والمتاع.
لمؤلفه: أحمد بن علي بن عبد القادر، أبي العباس الحسيني. العبيدي، تقي الدين المقريزي، رحمه الله.
إنني أعلم- ويعلم مؤرخو الفكر البشري، وراصدو خطو الحركة الثقافية الإنسانية علي أرض اللَّه- ما لهذا التراث الإسلامي من ثراء، وقوة، وجدية، وقدرة علي الإعطاء، والإثراء، والزيادة.
وإنني أعلم- أيضا- مدى ما يعانيه هذا التراث المجيد من ضياع وإهمال، علي الرغم من كثرة المؤسسات القائمة علي نشره وإذاعته هذه المؤسسات التي يعمل كثير منها بدافع الكسب المادي قبل كل شيء، وفوق أي اعتبار- ولا يهمها أن يخرج الكتاب علي الناس موثقا أو غير موثق، محققا
উপস্থাপনা* মাননীয় প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ জামিল গাজি লিখিত [নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।]
অতঃপর:
- এটি ইসলামি ঐতিহ্যের এমন একটি কিতাব, যার তাহকিক বা সম্পাদনা পর্যালোচনার দায়িত্ব আমাকে অর্পণ করা হয়েছে; যেন এই উম্মতের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং এর জ্ঞান ও সংস্কৃতি থেকে যারা উপকৃত হতে চান, তাদের জন্য এটি প্রকাশের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা যায়। এটি এমন একটি কিতাব যা অবহেলা, বিলুপ্তি এবং বিকৃতির শিকার হয়েছে, যেমনটি আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অনেক নিদর্শনের ক্ষেত্রে ঘটেছে।
- কিতাবটি হলো: ইমতাউল আসমা বিমা লির-রাসূলি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা মিনাল আবনা-ই ওয়াল আহওয়ালি ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা।
এর লেখক: আহমাদ বিন আলী বিন আব্দুল কাদির, আবু আব্বাস আল-হুসাইনী, আল-উবাইদী, তাকিউদ্দীন আল-মাকরিজি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
আমি জানি—এবং মানব চিন্তাধারার ইতিহাসবিদগণ ও আল্লাহর জমিনে মানবীয় সাংস্কৃতিক আন্দোলনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণকারীগণও জানেন—এই ইসলামি ঐতিহ্যের কতটা ঐশ্বর্য, শক্তি, গাম্ভীর্য এবং জ্ঞান বিতরণের সক্ষমতা রয়েছে।
আমি আরও জানি—এই মহিমান্বিত ঐতিহ্য কতটা বিলুপ্তি ও অবহেলার শিকার হচ্ছে, যদিও বর্তমানে এটি প্রচার ও প্রকাশের জন্য অসংখ্য প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোই অন্য সব বিবেচনার ঊর্ধ্বে মূলত পার্থিব লাভের উদ্দেশ্যে কাজ করে—আর কিতাবটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য কি অনির্ভরযোগ্য, কিংবা যথাযথভাবে তাহকিককৃত হয়ে বের হলো কি না, তা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ৫)
أو غير محقق، بريئا من التحريف، أو يعتريه التحريف، في كل صفحاته وفقراته.
لقد عانى التراث العربيّ من هذه المؤسسات الكثيرة، وما زال يعاني، وكم كنا نود أن تقوم هيئة عليا لوضع برنامج لأولويات نشر التراث، يكون ملزما لجميع الناشرين، بحيث لا يخرج الكتاب الواحد في عدة طبعات في آن واحد!! في الوقت الّذي لا تري النور ألوف من المخطوطات!! وبحيث لا يخرج الكتاب علي الناس محرفا، غير مقروء قراءة صحيحة، تلك مهمة هيئة عليا، ننتظر أن تقوم، إن صلحت النيات، وقويت الرغبة في الخير، وأريد لهذه الأمة أن تسلك مسالك الصلاح والإصلاح.
وهذا الكتاب الّذي بين أيدينا، وأحد من آثار المقريزي العلمية، وجزء من تراثه الكبير. والمقريزي مؤخر، أديب، فقيه، رواية، له أثر كبير في نفسي، ونفوس الكثيرين من دراسيه وعارفي فضله.
ولقد وقفت وتعرفت علي كثير من أعماله التاريخية، والأدبية، والدينية، رأيته عالما جليلا، تأثر بمن سبقوه، وأثر فيمن جاءوا بعده، وكان لتأثره وتأثيره أثر كبير في إنتاجه الثقافي الّذي أربى علي مائتي مجلد!! إن المقريزي علم من الأعلام الذين ينبغي أن نعني بدراستهم، ونهتم بتراثهم وآرائهم، وقد آلمني- أثناء دراستي للرجل، ولحياته- أن أجد كتب التراجم قد هجرت الرجل هجرا غير جميل، فلم تشر إليه إلا إشارات عابرة لا تكفي في تكوين فكرة عن الرجل، أو إلقاء ضوء علي حياته! الأمر الّذي يجعل الدارسين لحياة الرجل، والكاتبين لترجمته، يجدون عناء شديدا فيما يقصدون إليه، ويريدون له، فإنّهم ينقبون فيما كتبه الرجل، لا فيما كتب عنه، فما كتبه كثير، وما كتب عنه قليل، بل دون القليل!.
...অথবা অসম্পাদিত, বিকৃতিমুক্ত, অথবা এর প্রতিটি পৃষ্ঠায় ও অনুচ্ছেদে বিকৃতি ঘটেছে।
আরবি ঐতিহ্য এই বহুসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। আমরা কতই না আকাঙ্ক্ষা করতাম যদি একটি উচ্চতর কর্তৃপক্ষ ঐতিহ্যের পাণ্ডুলিপি প্রকাশের অগ্রাধিকার নির্ধারণের জন্য একটি কর্মসূচি প্রণয়ন করত, যা সকল প্রকাশকের জন্য বাধ্যতামূলক হতো; যাতে একই বই একই সময়ে একাধিক সংস্করণে প্রকাশিত না হয়!! অথচ সেই সময়ে হাজার হাজার পাণ্ডুলিপি আলোর মুখ দেখছে না!! এবং যাতে বইগুলো মানুষের কাছে বিকৃত অবস্থায় বা ভুল পাঠসহ না পৌঁছায়। এটি একটি উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাজ, যার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি—যদি নিয়ত সৎ হয়, কল্যাণের আকাঙ্ক্ষা প্রবল হয় এবং এই উম্মাহর জন্য সংশোধন ও সংস্কারের পথ অনুসরণের ইচ্ছা করা হয়।
আমাদের হাতে থাকা এই বইটি মাকরিজির বৈজ্ঞানিক কীর্তিগুলোর অন্যতম এবং তাঁর বিশাল জ্ঞানভাণ্ডারের একটি অংশ। মাকরিজি ছিলেন একজন ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক, ফকিহ ও বর্ণনাকারী; আমার অন্তরে এবং তাঁর বহুসংখ্যক গবেষক ও তাঁর মর্যাদাবিদদের অন্তরে তাঁর বিশাল প্রভাব রয়েছে।
আমি তাঁর বহু ঐতিহাসিক, সাহিত্যিক ও ধর্মীয় কর্ম পর্যবেক্ষণ করেছি ও জেনেছি। আমি তাঁকে একজন মহান আলেম হিসেবে দেখেছি, যিনি তাঁর পূর্ববর্তীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং তাঁর পরবর্তীদের প্রভাবিত করেছিলেন। তাঁর এই প্রভাবিত হওয়া এবং প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি তাঁর সাংস্কৃতিক সৃষ্টিশীলতার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল, যা দুইশত খণ্ড ছাড়িয়ে গেছে!! মাকরিজি এমন এক ব্যক্তিত্ব যাঁকে নিয়ে আমাদের অধ্যয়ন করা উচিত এবং তাঁর জ্ঞানভাণ্ডার ও মতামতের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এই ব্যক্তিকে এবং তাঁর জীবন নিয়ে অধ্যয়ন করার সময় আমি ব্যথিত হয়েছি যখন দেখলাম যে জীবনীগ্রন্থগুলো তাঁকে অশোভনভাবে উপেক্ষা করেছে। তারা তাঁর সম্পর্কে কেবল কিছু ভাসা-ভাসা ইঙ্গিত দিয়েছে, যা এই ব্যক্তি সম্পর্কে কোনো ধারণা লাভ করার বা তাঁর জীবনের ওপর আলোকপাত করার জন্য যথেষ্ট নয়! এই বিষয়টি তাঁর জীবন নিয়ে গবেষণাকারী এবং তাঁর জীবনী লেখকদের চরম কষ্টের মুখে ফেলে দেয়; কারণ তাঁরা তিনি যা লিখেছেন তা তন্নতন্ন করে খুঁজছেন, তাঁর সম্পর্কে যা লেখা হয়েছে তা নয়। কারণ তিনি যা লিখেছেন তা অনেক, আর তাঁর সম্পর্কে যা লেখা হয়েছে তা খুবই নগণ্য, বরং নগণ্যর চেয়েও কম!।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ৬)
إن المقريزي معلم من معالم الكتابة التاريخية الإسلامية، له آراؤه الصائبة، ورؤيته الواضحة، ومنهجه البين، وشخصيته المتميزة، وتراثه، كان، وسيظل مثابة تهوي إليها عقول الدارسين، والباحثين، ورواد المعرفة، مع أن الّذي طبع منه ونشر قليل وضئيل، إذا قيس بما لم يطبع ولم ينشر. ولذا، فإن من حق المقريزي علينا- نحن الذين درسناه، وعرفناه، واستفدنا من علمه- أن نعني بتراثه، نشرا، وإخراجا، حتى يكون متاحا، وميسرا للعلماء وطلاب العلم، حيثما كانوا من ارض اللَّه. وقبل أن ارفع القلم عن هذه المقدمة القصيرة، أتمهل لأنوه بالمجهود المشكور الّذي قام به الأخ المحقق:
الأستاذ الشيخ/ محمد عبد الحميد النميسي، لقد عكف علي هذا الكتاب الكبير، المترامي الأطراف، في السيرة، والخصائص، والشمائل، دارسا لفصوله، محققا لأصوله، شارحا لغريبه، مناقشا لآرائه مخرجا لنقوله، وقد أحسن فيما قصد إليه، فجزاه اللَّه عن العلم وأهله خير الجزاء.
وإنني إذ أنهي هذه المقدمة، أرجو أن أكون قد وفقت، فيما إليه قصدت والحمد للَّه الّذي بحمده تتم الصالحات. ويا رب العالمين، إياك نعبد وإياك نستعين، اهدنا الصراط المستقيم، صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين آمين.
دكتور محمد جميل غازي رئيس المركز الإسلامي العام لدعاة التوحيد والسنة بمصر وكبير الباحثين بالمجلس الأعلى للثقافة [سابقا]
নিশ্চয়ই আল-মাকরিজি ইসলামি ঐতিহাসিক লিখনশৈলীর অন্যতম এক নিদর্শন। তাঁর রয়েছে সঠিক মতামত, স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি, স্পষ্ট কর্মপদ্ধতি, অনন্য ব্যক্তিত্ব এবং সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। তিনি জ্ঞানপিপাসু, গবেষক ও জ্ঞানান্বেষীদের জন্য এমন এক আশ্রয়স্থল ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন যেদিকে তাঁদের মেধা ও মনন ধাবিত হয়; যদিও তাঁর প্রকাশিত ও মুদ্রিত রচনার পরিমাণ অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপির তুলনায় খুবই নগণ্য। তাই আল-মাকরিজির প্রতি আমাদের হক—আমরা যারা তাঁকে অধ্যয়ন করেছি, তাঁকে চিনেছি এবং তাঁর জ্ঞান থেকে উপকৃত হয়েছি—হলো তাঁর জ্ঞানভাণ্ডার প্রকাশ ও প্রচারের প্রতি যত্নশীল হওয়া, যাতে তা আল্লাহর জমিনের যেখানেই হোক না কেন, আলেম ও তালিবে ইলমদের জন্য সহজলভ্য ও সুগম হয়। এই সংক্ষিপ্ত ভূমিকা শেষ করার আগে আমি একটু থামছি গবেষক ভাইয়ের প্রশংসনীয় প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করার জন্য:
উস্তাদ শাইখ মুহাম্মদ আবদুল হামিদ আল-নামিসি; তিনি সিরাত, বৈশিষ্ট্য এবং গুণাবলি বিষয়ক এই সুবৃহৎ ও বিস্তৃত গ্রন্থের ওপর একনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি এর অধ্যায়সমূহ অধ্যয়ন করেছেন, এর মূল উৎসসমূহ যাচাই করেছেন, এর কঠিন শব্দাবলির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, এর মতামত নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং এর উদ্ধৃতিসমূহ যাচাইপূর্বক সংকলন করেছেন। তিনি তাঁর মহৎ উদ্দেশ্যে সফল হয়েছেন। আল্লাহ তাঁকে জ্ঞান ও জ্ঞানীদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
আমি এই ভূমিকা শেষ করার মুহূর্তে আশা করি যে, আমি যা ইচ্ছা করেছি তাতে সফল হয়েছি। আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর প্রশংসার মাধ্যমেই সকল নেক কাজ সুসম্পন্ন হয়। হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক, আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং কেবল তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদের সরল পথ দেখাও, তাদের পথ যাদের ওপর তুমি নেয়ামত দান করেছ, তাদের পথ নয় যারা তোমার ক্রোধের শিকার এবং যারা পথভ্রষ্ট। আমিন।
ডক্টর মুহাম্মদ জামিল গাজি, মিশরের তাওহিদ ও সুন্নাহর দাঈদের জন্য গঠিত সাধারণ ইসলামি কেন্দ্রের সভাপতি এবং উচ্চতর সংস্কৃতি পরিষদের প্রধান গবেষক [সাবেক]
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ৭)
ترجمة المقريزي [ (1) ]
اسمه:هو أحمد بن علي بن عبد القادر بن محمد بن إبراهيم تقي الدين المقريزي، [بفتح الميم نسبة إلي مقريز- محلة من بعلبكّ] البعلي ثم المصري الفقيه المؤرخ الشافعيّ.
--------------------------------------------
আল-মাকরিজীর জীবনী [ (১) ] তাঁর নাম:তিনি হলেন আহমাদ বিন আলী বিন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম তাকীউদ্দীন আল-মাকরিজী, [মীম বর্ণে ফাতহা (যবর) সহকারে, এটি বালবাক্কের একটি এলাকা ‘মাকরিজ’-এর সাথে সম্পৃক্ত] আল-বালী অতঃপর আল-মিসরী, ফকিহ (আইনবিদ), ঐতিহাসিক এবং শাফিঈ মাযহাবের অনুসারী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ৮)
مولده:ولد سنة 766 هـ (1364 م) بحارة برجوان، بقسم الجمالية، بمحافظة القاهرة، بمصر.
نشأته:نشأ المقريزي في أسرة معروفة بالاشتغال بالعلم في دمشق وبعلبكّ والقاهرة. وعبر عشرين سنة- هي سنوات طفولته ومراهقته وشبابه- شهد المقريزي حوادث ذلك العصر الآفل من نافذته الفكرية المصرية البعيدة عن شئون الدولة المملوكية وأمرائها الذين جعلوا من السلاطين الأطفال وأشباه الأطفال وقتذاك، ستارا رقيقا شفافا ساذجا يعملون من ورائه لتحقيق مطامعهم.
ثقافته:وفي وسط تلك الحوادث الصاخبة المتقلبة، عكف الشاب أحمد المقريزي على الدراسة التقليدية لأبناء طبقته، وهي دراسة علوم الدين وحفظ القرآن ومعرفة النحو ودراسة الفقه والتفسير، والحديث، وبعض العلوم الأخرى مثلي التاريخ، وتقويم البلدان، والأدب، والحساب.
مصادر ثقافته:ترجع مصادر ثقافة المقريزي إلي:
1- أنه كان يملك مكتبة كبيرة ضخمة تضم العديد من الكتب في مختلف أنواع العلم والمعرفة المتداولة في عصره، والدليل واضح في الكثرة الكثيرة من المراجع التي أشارت في مؤلفاته إلي أنه رجع إليها وأخذ عنها.
2- أنه ولى وظائف كثيرة مختلفة، مكنته من التعرف علي دولاب العمل وكيف يدار، وعلي مختلف النظم الإدارية والمالية، وعلي أحوال الشعب الاجتماعية والاقتصادية.
3- اشتغاله بعلمي الحديث والتاريخ، وهما علمان يعتمدان أصلا علي الجرح والتعديل، والنقد والتحليل، والتثبت من كل قول، أو رواية أو حقيقة علمية.
তাঁর জন্ম:তিনি ৭৬৬ হিজরি (১৩৬৪ খ্রিস্টাব্দ) সালে মিশরের কায়রো প্রদেশের আল-জামালিয়া বিভাগের হারাত বারজুয়ানে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর বেড়ে ওঠা:আল-মাকরিজি দামেস্ক, বালবাক এবং কায়রোতে ইলমি চর্চার জন্য সুপরিচিত একটি পরিবারে বেড়ে ওঠেন। কুড়ি বছর ধরে—যা ছিল তাঁর শৈশব, কৈশোর এবং যৌবনকাল—মাকরিজি সেই অস্তমিত যুগের ঘটনাবলি তাঁর মিশরীয় বুদ্ধিবৃত্তিক বাতায়ন থেকে পর্যবেক্ষণ করেন, যা মামলুক রাষ্ট্র ও তার আমিরদের বিষয়াদি থেকে দূরে ছিল। সেই আমিররা তৎকালীন শিশু সুলতান ও শিশুদের মতো সুলতানদের একটি পাতলা, স্বচ্ছ ও কৃত্রিম পর্দার মতো ব্যবহার করত, যার আড়ালে থেকে তারা তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করত।
তাঁর জ্ঞান ও সংস্কৃতি:সেই কোলাহলপূর্ণ ও অস্থির ঘটনাবলির মাঝে, যুবক আহমদ আল-মাকরিজি তাঁর শ্রেণির সন্তানদের জন্য প্রচলিত শাস্ত্রীয় অধ্যয়নে মনোনিবেশ করেন। এর মধ্যে ছিল দ্বীনি ইলম অর্জন, কুরআন হিফজ করা, নাহু (ব্যাকরণ) জ্ঞান অর্জন এবং ফিকহ, তাফসির ও হাদিস অধ্যয়ন। এ ছাড়াও তিনি ইতিহাস, ভূগোল, সাহিত্য এবং গণিতের মতো আরও কিছু শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি লাভ করেন।
তাঁর সংস্কৃতির উৎসসমূহ:মাকরিজির পাণ্ডিত্যের উৎসসমূহ নিম্নরূপ:
১- তাঁর একটি বিশাল লাইব্রেরি ছিল যাতে তাঁর সমসাময়িক যুগে প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের জ্ঞান-বিজ্ঞানের বহু কিতাব সংরক্ষিত ছিল। এর সুস্পষ্ট প্রমাণ হলো তাঁর রচনাবলিতে উল্লিখিত অসংখ্য উৎস ও তথ্যসূত্র, যা নির্দেশ করে যে তিনি সেগুলোর দ্বারস্থ হয়েছেন এবং তা থেকে তথ্য গ্রহণ করেছেন।
২- তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, যা তাঁকে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও তার পরিচালনা পদ্ধতি, বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থা এবং জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভে সক্ষম করে তুলেছিল।
৩- হাদিস ও ইতিহাস শাস্ত্রের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা; এই দুটি শাস্ত্র মূলত 'জারহ ওয়া তাদিল' (যাচাই-বাছাই), সমালোচনা ও বিশ্লেষণ এবং প্রতিটি বক্তব্য, বর্ণনা বা বৈজ্ঞানিক সত্যের সুনিশ্চিত প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ৯)
شخصية المقريزي:أودع المقريزي في صفحة العنوان من كتاب [السلوك لمعرفة دول الملوك] ، شيئا من صفاته الشخصية، حيث يقول بعد كتابة اسم الكتاب واسمه هو، وكأنما يخاطب نفسه:
[لا أحوجك اللَّه إلي اقتضاء ثمن معروف أسديته، ولا ألجأك إلي قبض عوض عن جميل أوليته، ولا جعل يدك السفلي لمن كانت عليه هي العليا، وأعاذك من عز مفقود، وعيش مجهود، وأحياك ما كانت الحياة أجمل لك، وتوفاك إذا كانت الوفاة أصلح لك، بعد عمر مديد، وسمو بعيد، وختم بالحسنى عملك، وبلغك في الأولى أملك، وسدد فيها مضطربك، وأحسن في الأخرى منقلبك، إنه سميع قريب، جواد منيب] .
الوظائف التي تولاها المقريزي:التحق المقريزي بالخدمة الحكومية، بعد أن غدا بحكم طبقته وتعليمه من [أهل العلم والمعرفة] وهي التسمية المخصصة لهذه الطبقة تمييزا لها عن طبقة [أهل السيف] وهم المماليك وحدهم، دون غيرهم من سكان البلاد المصرية والشامية جميعا.
وأول عهد المقريزي بالخدم الحكومية كأبيه من قبله: [ديوان الإنشاء بالقلعة] ، وهو الديوان الّذي يقابله في العصر الحاضر [وزارة الخارجية] ، فعمل المقريزي الشاب سنة 1388 م موقعا- أي كاتبا- وهي وظيفة لا يبلغها وقتذاك سوى أصحاب الموهبة والمعرفة والتفوق في اللغة والأدب والتاريخ. ثم تعين المقريزي نائبا من نواب الحكم- أي قاضيا- عند قاضي قضاة الشافعية بسبب ما اشتهر عنه من الحماسة للمذهب الشافعيّ منذ أيام دراسته، وتحوله عن مذهب الحنفية الّذي نشأ فيه، ثم صار المقريزي إمام الجامع الحاكم الفاطمي، وهي وظيفة في ذلك العصر.
وتولى المقريزي بعد ذلك وظيفة مدرس للحديث بالمدرسة المؤيدية، وهي وظيفة يقابلها في المصطلح الجامعي في العصر الحاضر [أستاذ ذو كرسي] .
মাকরিজীর ব্যক্তিত্ব:মাকরিজী তাঁর [আস-সুলুক লি-মা‘রিফাতি দুওয়ালি আল-মুলুক] গ্রন্থের শিরোনাম পৃষ্ঠায় নিজের কিছু ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি গ্রন্থের নাম এবং নিজের নাম লেখার পর নিজেকে সম্বোধন করে যেন বলছেন:
[আল্লাহ আপনাকে আপনার করা কোনো উপকারের প্রতিদান চাওয়ার মুখাপেক্ষী না করেন, আর আপনার কৃত কোনো মহানুভবতার বিনিময়ে কিছু গ্রহণে আপনাকে বাধ্য না করেন। যাঁর ওপর আপনার হাত উপরে ছিল, তাঁর সামনে তিনি যেন আপনার হাতকে নিচে না করেন। তিনি আপনাকে হারানো মর্যাদা এবং কষ্টক্লেশপূর্ণ জীবন থেকে আশ্রয় দান করুন। জীবন যতক্ষণ আপনার জন্য অধিকতর সুন্দর ও কল্যাণকর হয় ততক্ষণ আপনাকে জীবিত রাখুন, আর যখন মৃত্যু আপনার জন্য অধিকতর মঙ্গলজনক হয় তখন দীর্ঘ জীবন ও সুউচ্চ মর্যাদার পর আপনার মৃত্যু দান করুন। তিনি উত্তম পরিণতির মাধ্যমে আপনার আমলসমূহ সমাপ্ত করুন, ইহকালে আপনার আশা পূর্ণ করুন, আপনার জীবনের অস্থিরতাগুলোকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং পরকালে আপনার প্রত্যাবর্তনস্থলকে সুন্দর করুন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী, পরম দাতা ও প্রত্যাবর্তনকারী।]
মাকরিজীর অধিষ্ঠিত পদসমূহ:মাকরিজী তাঁর সামাজিক স্তর এবং শিক্ষার গুণে [আহলুল ইলম ওয়াল মা‘রিফাহ] বা জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী হিসেবে স্বীকৃত হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। এই পরিভাষাটি সেই বিশেষ শ্রেণীর জন্য নির্ধারিত ছিল যারা [আহলুস সাইফ] বা তলোয়ারের অধিকারী অর্থাৎ মামলুকদের থেকে আলাদা ছিল; যারা মিশর ও সিরিয়ার অন্য সকল অধিবাসীদের থেকে পৃথক এক মর্যাদাবান শ্রেণী হিসেবে গণ্য হতো।
সরকারি চাকরিতে মাকরিজীর হাতেখড়ি তাঁর পিতার মতোই [দিওয়ানুল ইনশা বিল কালাহ] বা দুর্গের লিপি বিভাগের মাধ্যমে ঘটেছিল, যা বর্তমান যুগের [পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়]-এর সমমর্যাদার। যুবক মাকরিজী ১৩৮৮ সালে ‘মুয়াক্কি’ বা লেখক হিসেবে কাজ শুরু করেন; এটি এমন এক পদ ছিল যা সেই সময়ে ভাষা, সাহিত্য ও ইতিহাসে বিশেষ মেধা ও পাণ্ডিত্য ছাড়া লাভ করা সম্ভব ছিল না। এরপর ছাত্রজীবন থেকেই শাফিঈ মাযহাবের প্রতি তাঁর প্রবল অনুরাগ এবং তিনি যে হানাফী মাযহাবে লালিত-পালিত হয়েছিলেন তা পরিবর্তন করার কারণে, শাফিঈ প্রধান বিচারপতির অধীনে তিনি ‘নায়েবে হাকাম’ বা উপ-বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। অতঃপর মাকরিজী জামে আল-হাকিম আল-ফাতিমীর ইমাম নিযুক্ত হন, যা ছিল সেই যুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।
পরবর্তীতে মাকরিজী মাদ্রাসা আল-মুয়াইয়্যিদ্যাহ-তে হাদীসের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষায় এই পদটিকে [চেয়ার প্রফেসর] বা বিশেষ অধ্যাপক পদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১০)
- وربما كان تعين أحمد المقريزي في تلك الوظيفة التعليمية بتوصية خاصة من أستاذه [عبد الرحمن بن خلدون] لدى صديقه [السلطان برقوق] .
ثم انتقل المقريزي من التدريس إلي الحسبة حين عينه [السلطان برقوق] سنة 1398 م محتسبا للقاهرة والوجه البحري، فانتقل بذلك من دائرة الإدارة والاختلاط بمختلف طبقات المجتمع، ذلك أن وظيفة المحتسب التي يقابلها في الوقت الحاضر عدة وظائف وزارية شملت وقت ذاك النظر في الأسعار الجارية، وأحوال النقود، وضبط الموازين والمكاييل والمقاييس، ومراقبة الآداب العامة ونظافة الشوارع، وتنظيم حركة المرور، مع الإشراف علي المدارس والمدرسين والطلاب، والعناية بالمساجد والحمامات والوكالات، فضلا عن مراقبة أصحاب الصناعات الفنية من الأطباء، والصيادلة، والمعلمين [أي المهندسين المعماريين] .
ويضاف إلي هذه الواجبات الكثيرة الداخلة في اختصاص المحتسب أحوال الباعة الجائلين، والمتعيشين، والشحاذين، والمتعطلين الذين كانوا خطرا دائما علي الأمن.
ويتضح من ضخامة هذه الوظيفة ومسئوليتها أن أحمد بن علي المقريزي الّذي تعين عليها بأمر [السلطان برقوق] ، لا بدّ أنه اشتهر وقتذاك بالكفاية والدقة في الإدارة والأمانة في تطبيق الأحكام الشرعية.
غير أنه لم يلبث أن تنحى عن هذه الوظيفة مرتين في عامين متتالين، إذ ضاق بمسئوليتها التي شغلت وقته ليلا ونهارا، وصرفته عن القراءة، وتطلبت منه الجلوس في دكة المحتسب-[بوابة المتولي الحالية]- للفصل في شكاوى السوق والسوقة، وتوقيع عقوبات علي المخالفين، وإصدار الأوامر إلي العرفاء والأعوان والنقباء، مع العلم بأن وظيفة [محتسب القاهرة] شملت الوجه البحري كله.
مؤلفات المقريزي:ترك المقريزي- رحمه الله مؤلفات عديدة، في مجال التاريخ، والأنساب، والعقائد، والفقه، والأدب، والعلوم البحتة، زادت علي
সম্ভবত সেই শিক্ষাদান পদে আহমদ মাকরিযীর নিয়োগ তার উস্তাদ [আবদুর রহমান বিন খালদুন]-এর পক্ষ থেকে তার বন্ধু [সুলতান বারকুক]-এর নিকট বিশেষ সুপারিশের মাধ্যমে হয়েছিল।
অতঃপর মাকরিযী শিক্ষাদান থেকে হিসবাহ (তত্ত্বাবধান) বিভাগে চলে যান যখন [সুলতান বারকুক] ১৩৯৮ সালে তাকে কায়রো এবং নিম্ন মিশরের মুহতাসিব (তত্ত্বাবধায়ক) হিসেবে নিযুক্ত করেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক পরিমণ্ডল এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে মেলামেশার সুযোগ লাভ করেন। কারণ মুহতাসিবের পদটি—যার বিপরীতে বর্তমানে বেশ কয়েকটি মন্ত্রিত্বের পদ রয়েছে—তখনকার সময়ে বিদ্যমান বাজারমূল্য তদারকি, মুদ্রার অবস্থা যাচাই, ওজন ও পরিমাপ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা ও নৈতিকতা পর্যবেক্ষণ, রাস্তার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ট্রাফিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেইসাথে মাদরাসা, শিক্ষক ও ছাত্রদের তত্ত্বাবধান করা এবং মসজিদ, হাম্মামখানা ও মুসাফিরখানাগুলোর যত্ন নেওয়া ছাড়াও কারিগরি শিল্পের সাথে জড়িত চিকিৎসক, ঔষধ বিশেষজ্ঞ এবং স্থপতিদের ওপর নজরদারি করার দায়িত্বও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মুহতাসিবের কর্মপরিধিতে অন্তর্ভুক্ত এই অসংখ্য কর্তব্যের সাথে আরও যুক্ত ছিল ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা, জীবিকা অন্বেষণকারী, ভিক্ষুক এবং বেকারদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ, যারা নিরাপত্তার জন্য সর্বদা হুমকিস্বরূপ ছিল।
এই পদের বিশালতা এবং দায়িত্বশীলতা থেকে স্পষ্ট হয় যে, আহমদ বিন আলী মাকরিযী—যিনি [সুলতান বারকুক]-এর আদেশে এই পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন—নিশ্চয়ই সেই সময়ে প্রশাসনের দক্ষতা ও সূক্ষ্মতা এবং শরীয়তের বিধান প্রয়োগে বিশ্বস্ততার জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন।
তবে তিনি এই পদে বেশিদিন স্থায়ী হননি এবং টানা দুই বছরে দুইবার এই পদ থেকে ইস্তফা দেন। কারণ তিনি এই পদের দায়িত্ব পালনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন, যা দিনরাত তার পুরো সময় দখল করে রেখেছিল এবং তাকে পড়াশোনা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল। এই পদের জন্য তাকে মুহতাসিবের মঞ্চে—[বর্তমান বাবুল মুতাওয়াল্লি]—বসে বাজার ও সাধারণ জনগণের অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হতো, আইন লঙ্ঘনকারীদের শাস্তি প্রদান করতে হতো এবং সহকারী ও অধীনস্থ কর্মকর্তাদের আদেশ প্রদান করতে হতো। উল্লেখ্য যে, [কায়রোর মুহতাসিব] পদটি সমগ্র নিম্ন মিশর এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
মাকরিযীর রচনাবলি:মাকরিযী—রাহিমাহুল্লাহ—ইতিহাস, বংশপরম্পরা, আকীদা, ফিকহ, সাহিত্য এবং বিশুদ্ধ বিজ্ঞান বিষয়ে অসংখ্য গ্রন্থ রেখে গেছেন, যার সংখ্যা ছিল...
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১১)
نحو مائتي مجلدة كبار في مكتبات العالم، أو المثبت عنواناته لدى من ترجم له، أو اعتني بالفهرسة العامة للمؤلفات العربية، ويمكن إجمال مؤلفاته علي النحو التالي:
1- (اتعاظ الحنفاء بأخبار الأئمة الفاطميين الخلفاء) :أرخ فيه المقريزي للدولة الفاطمية منذ قيامها في المغرب العربيّ، وحتى سقوطها في مصر، مترجما لخلفائها، مشيرا من خلال ترجماتهم إلي الحوادث الواقعة في زمانهم، وقد انتظمتها عدة حوليات متتابعة، مقدما لترجماتهم بالحديث عن أولاد علي بن أبي طالب وأعقابهم، مع تحقيق نسب الخلفاء الفاطميين، والتعريف بنشأة دولتهم في المغرب العربيّ، ومذيلا عليها بالتعريف برسوم دولتهم في مصر، وما عابه الفقهاء والمؤرخون عليهم، فضلا عما صار إليه أمر أهليهم وذويهم، بعد سقوط دولتهم في مصر.
نشره بالقاهرة المجلس الأعلى للشئون الإسلامية، فيما بين سنتي (1967) ، (1973) ، في ثلاثة أجزاء بتحقيق الدكتور جمال الدين الشيال، والدكتور محمد حلمي عبد الهادي.
2- (أخبار قبط مصر) :وهو في تاريخ الأقباط، مستخرج من كتاب (المواعظ والاعتبار) .
نشره هماكر بأمستردام سنة (1824) ، ونشره وستنفيلد بغوطا سنة (1845) .
3- (الإخبار عن الأعذار) :عالج المقريزي من خلاله موضوعا تاريخيا اجتماعيا، يدور حول ما يقام من ولائم في البناء [الزواج] ، والختان. ذكره السخاوي في (الضوء اللامع) : 2/ 22.
4- (إزالة التعب والعناء في معرفة الحال في الغناء) :ذكره ابن تغري بردي في (المنهل الصافي) : 1/ 398، السخاوي في (الضوء اللامع) : 2/ 23
বিশ্বের গ্রন্থাগারসমূহে তার প্রায় দুইশত বড় খণ্ড বিদ্যমান, অথবা যারা তার জীবনী লিখেছেন বা যারা আরবি রচনাবলির সাধারণ নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করেছেন তাদের নিকট এর শিরোনামসমূহ প্রমাণিত রয়েছে। তার রচনাবলিকে নিম্নোক্তভাবে সারসংক্ষেপ করা যেতে পারে:
১- (ইত্তিআজুল হুনাফা বি-আখবারিল আইম্মাতিল ফাতিমিয়্যিন আল-খুলাফা - হানিফপন্থীদের শিক্ষা গ্রহণ: ফাতিমি ইমাম ও খলিফাদের সংবাদ প্রসঙ্গে) :এতে মাকরিজি ফাতিমি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় থেকে মাগরেবে (পশ্চিম আরব) এর শুরু এবং মিশরে এর পতন পর্যন্ত ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি এর খলিফাদের জীবনী বর্ণনা করেছেন এবং তাদের জীবনীর মাধ্যমে তৎকালীন সময়ে ঘটা ঘটনাবলির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। এটি ধারাবাহিক কয়েকটি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। তিনি খলিফাদের জীবনীর ভূমিকায় আলি বিন আবি তালিবের বংশধর ও তাদের উত্তরসূরিদের কথা উল্লেখ করেছেন। সেই সাথে ফাতিমি খলিফাদের বংশপরিচয় যাচাই করেছেন এবং মাগরেবে তাদের রাষ্ট্রের উত্থান সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন। পরিশেষে মিশরে তাদের রাষ্ট্রের রীতিনীতি, ফকিহ ও ঐতিহাসিকদের তাদের প্রতি সমালোচনা এবং মিশরে তাদের শাসন পতনের পর তাদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের পরিণতির বিবরণ দিয়ে গ্রন্থটি শেষ করেছেন।
এটি কায়রোতে সুপ্রিম কাউন্সিল ফর ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স কর্তৃক ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে ড. জামাল উদ্দিন আল-শাইয়াল এবং ড. মুহাম্মদ হিলমি আব্দুল হাদির সম্পাদনায় তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।
২- (আখবারু কিবতি মিসর - মিশরের কিবতিদের সংবাদ) :এটি কিবতিদের ইতিহাসের ওপর রচিত, যা (আল-মাওয়াইজ ওয়াল ইতিবার) গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।
১৮২৪ সালে আমস্টারডামে হামাকার এবং ১৮৪৫ সালে গোথায় ওয়েস্টেনফেল্ড এটি প্রকাশ করেন।
৩- (আল-ইখবার আনিল আজার - ওজর বা অনুষ্ঠানাদির সংবাদ) :মাকরিজি এর মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক-সামাজিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা বিবাহ এবং খতনার সময় আয়োজিত ভোজ বা উৎসবকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। সাখাভি এটি (আদ-দাও আল-লামি) গ্রন্থের ২/২২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন।
৪- (ইজালাতুত তা’আব ওয়াল আনা ফি মা’রিফাতিল হালি ফিল গিনা - সংগীতের অবস্থা উপলব্ধির মাধ্যমে ক্লান্তি ও কষ্ট দূরীকরণ) :ইবনে তাগরি বারদি এটি (আল-মানহালুস সাফি) গ্রন্থের ১/৩৯৮ পৃষ্ঠায় এবং সাখাভি (আদ-দাও আল-লামি) গ্রন্থের ২/২৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১২)
* منه نسخة في دار الكتب [فهرس الخديوية] : 7/ 564، ونسحة بالمكتبة الوطنية بباريس.
5- (الإشارة والإيماء في حل لغز الماء) :وهو رسالة لطيفة الحجم، كتبها المقريزي يوم الثلاثاء، لأربع عشر ليلة خلت من المحرم سنة (823 هـ، 1420 م) علي سبيل التسلية، مستعرضا من خلالها معارفه الأدبية، واللغوية، والبلاغية، والفقهية، والعلمية البحتة، وهي تدور حول حل [تفسير] لغز الماء. لكن يعيب هذا المؤلف ما تخلل مادته من التسليم ببعض الخرافات ومستغربات الحدوث، مع احتوائه علي بعض المعاني المستغلقة، بعيدة المرمى، تحتاج إلى إيضاح.
* توجد منه عدة نسخ خطية، في مسودتين، تحتفظ بهما مكتبة جامعة القاهرة، تحت رقمي (22075) و (26247) ضمن مجموع رسائل المقريزي- رحمه الله ومنه نسخة في دار الكتب المصرية [فهرس الدار] : 3/ 12، ونسخة في مكتبة نور العثمانية في استامبول برقم (4937/ 015) .
6- (الإشارة والإعلام ببناء الكعبة البيت الحرام) :أو تاريخ بناء الكعبة* ذكره المقريزيّ- رحمه الله في (الذهب المسبوك) : 26. منه نسخة خطية في دار الكتب الظاهرية بدمشق، وهي بخط المؤلف برقم (4805) ، وليدن برقم (943) .
7- (إغاثة الأمة بكشف الغمة) :وهي رسالة لطيفة الحجم، فرغ المقريزيّ- رحمه الله من تأليفها في المحرم سنة (808 هـ، 1405 م) كما ذكره هو في (إغاثة الأمة) : 43، 86، علي أثر المجاعات والكوارث الاقتصادية، التي لحقت بمصر فيما بين عامين (796 هـ) ، (808 هـ) عارضا من خلالها لما حل بمصر من غلاء، وما ترتيب عليه من مجاعات أو كوارث مجيحة فيما قبل نشوء الإسلام وبعده، حتى سنة ثمان وثمانمائة للهجرة، محصيا منها ستا وعشرين حادثة، خصّ مصر
* এর একটি অনুলিপি দারুল কুতুব-এ [খাদিভিয়া সূচি]: ৭/ ৫৬৪ রয়েছে এবং প্যারিসের ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে একটি অনুলিপি রয়েছে।
৫- (আল-ইশারা ওয়াল ইমা ফি হাল্লি লুগজিল মা) :এটি একটি ক্ষুদ্র কলেবরের পুস্তিকা, যা মাকরিজি বিনোদনের ছলে ৮২৩ হিজরির (১৪২০ খ্রিস্টাব্দ) মহররম মাসের ১৪ তারিখ মঙ্গলবার রাতে রচনা করেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি তাঁর সাহিত্যিক, ভাষাগত, অলঙ্কারশাস্ত্রীয়, ফিকহী এবং বিশুদ্ধ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান তুলে ধরেছেন এবং এটি পানির রহস্য সমাধানের [ব্যাখ্যার] ওপর আবর্তিত হয়েছে। তবে এই গ্রন্থটির ত্রুটি হলো এর বিষয়ের মাঝে কিছু কুসংস্কার এবং অদ্ভুত অলৌকিক ঘটনা মেনে নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি এতে কিছু জটিল ও সুদূরপ্রসারী অর্থ রয়েছে যা ব্যাখ্যা সাপেক্ষ।
* এর বেশ কয়েকটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যা দুটি খসড়া আকারে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—এর সংকলিত পুস্তিকাসমূহের মধ্যে (২২০৭৫) এবং (২৬২৪৭) নম্বরে সংরক্ষিত আছে। এছাড়া মিশরের দারুল কুতুব [সূচি]: ৩/ ১২-এ এর একটি অনুলিপি এবং ইস্তাম্বুলের নুর ওসমানিয়া লাইব্রেরিতে (৪৯৩৭/ ০১৫) নম্বরে একটি অনুলিপি রয়েছে।
৬- (আল-ইশারা ওয়াল ই'লাম বি-বিনায়িল কাবা আল-বাইতিল হারাম) :বা কাবার নির্মাণের ইতিহাস। মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—এটি 'আয-যাহাব আল-মাসবুক' (২৬) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। দামেস্কের দারুল কুতুব আল-জাহিরিয়াতে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যা লেখকের নিজ হাতে লিখিত (৪৮০৫) নম্বরে এবং লাইডেন-এ (৯৪৩) নম্বরে সংরক্ষিত।
৭- (ইগাসাতুল উম্মাহ বি-কাশফিল গুম্মাহ) :এটি একটি ক্ষুদ্র কলেবরের পুস্তিকা, মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—৮০৮ হিজরির (১৪০৫ খ্রিস্টাব্দ) মহররম মাসে এর রচনা সমাপ্ত করেন, যেমনটি তিনি নিজে 'ইগাসাতুল উম্মাহ' (৪৩, ৮৬)-তে উল্লেখ করেছেন। ৭৯৬ হিজরি থেকে ৮০৮ হিজরির মধ্যবর্তী সময়ে মিশরে যে দুর্ভিক্ষ ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে তিনি এটি লিখেছিলেন। এতে তিনি মিশরে যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হয়েছিল এবং এর ফলে যে দুর্ভিক্ষ বা ধ্বংসাত্মক দুর্যোগসমূহ সৃষ্টি হয়েছিল তা বর্ণনা করেছেন, যা ইসলামের আবির্ভাবের পূর্ব থেকে শুরু করে হিজরি ৮০৮ সাল পর্যন্ত ঘটেছিল। তিনি সেখানে মিশরের বিশেষ ছাব্বিশটি ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الإسلامية منها عشرين، وردت علي سبيل التمثيل لا الحصر وقد أشير من خلالها إلي أن فيها ما هو أشدّ وأنكى من المحن المعاصرة، معللا لهذه المحن بأسباب طبيعية، كقصور جري النيل في مصر، وعدم نزول المطر في الشام، والعراق، والحجاز، وما يصيب الغلال من الآفات وسمائم الرياح.
وأخرى غير طبيعية، ترجع إلى سوء تدبير ولاة الأمور، وتتحصر في أمور ثلاثة، هي:
1- ولاية الخطط السلطانية والمناصب الدينية بالرشاء.
2- غلاء إيجار الأطيان الزراعية علي مبلغ ما تغله الأرض من محصول.
3- رواج الفلوس النحاسية.
وفي هذا العامل الأخير يكمن لب المشكلة وحلها في رأي المقريزيّ- رحمه الله ولذا صرف جل اهتمامه إليه، مستطردا منه إلي ثلاثة موضوعات، هي:
1- النقد الإسلامي، وتطور سك العملة، وأثره في النظام النقدي في مصر.
2- نشأة الفلوس المضروبة من النحاس الأحمر في مصر، وتراجع الدراهم المضروبة من الذهب لعدم ضربها، وسبكها حليا.
3- أسعار النقد [ذهبا وفضة] ، وبعض السلع الرئيسية من المحاصيل الزراعية.
لكن شاب هذه الرسالة- كذلك- تسليم المقريزيّ- رحمه الله من خلال مادتها بكثير مما جاء في مصادره من المبالغات، أو مستغربات الحدوث، في مصر والشام. ومن ذلك إشارته إلي نطق ثور جبة عسال- قرية من قرى دمشق بالشام-.
منه نسخة خطية في دار الكتب المصرية [فهرس الدار] : 5/ 36، ونسخة خطية في مكتبة نور العثمانية برقم (4937/ 1) .
نشره في القاهرة لجنة التأليف والترجمة والنشر، ط 2، 1957 م، بتحقيق الدكتور محمد مصطفى زيادة، والدكتور جمال الدين الشيال.
ইসলামি ইতিহাসের দুর্যোগগুলোর মধ্যে বিশটি উদাহরণ হিসেবে এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সীমাবদ্ধ নয়। এগুলোর মাধ্যমে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, সেখানে এমন কিছু দুর্যোগ ছিল যা সমসাময়িক সংকটগুলোর চেয়েও অধিক তীব্র ও পীড়াদায়ক। তিনি এই দুর্যোগগুলোকে প্রাকৃতিক কারণ দ্বারা ব্যাখ্যা করেছেন, যেমন মিশরে নীল নদের প্রবাহ কমে যাওয়া এবং শাম (সিরিয়া), ইরাক ও হিজাজে বৃষ্টিপাত না হওয়া, আর শস্যের ওপর আপতিত বিভিন্ন রোগবালাই ও লু হাওয়া বা তপ্ত বাতাসের প্রবাহ।
এবং অন্যান্য অপ্রাকৃতিক কারণ, যা শাসনকর্তাদের অব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট এবং তিনটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ, সেগুলো হলো:
১- ঘুষের বিনিময়ে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক পদ ও ধর্মীয় পদমর্যাদা লাভ করা।
২- জমি থেকে উৎপাদিত ফসলের পরিমাণের তুলনায় কৃষিজমির খাজনা বা ভাড়ার উচ্চমূল্য।
৩- তাম্র মুদ্রার ব্যাপক প্রচলন।
আল-মাকরিজি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মতে, এই শেষোক্ত কারণটির মধ্যেই সমস্যার মূল এবং এর সমাধান নিহিত রয়েছে। তাই তিনি তাঁর মনোযোগের সিংহভাগ এই বিষয়ে নিবদ্ধ করেছেন এবং এ থেকে তিনটি প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন, সেগুলো হলো:
১- ইসলামি মুদ্রা ব্যবস্থা, মুদ্রা তৈরির বিবর্তন এবং মিশরের মুদ্রানীতির ওপর এর প্রভাব।
২- মিশরে লাল তামা দিয়ে তৈরি মুদ্রার উদ্ভব এবং স্বর্ণ দিয়ে তৈরি দিরহামের মুদ্রার বিলুপ্তি; যেহেতু সেগুলো আর তৈরি করা হচ্ছিল না এবং গয়না হিসেবে গলিয়ে ফেলা হচ্ছিল।
৩- মুদ্রার মান [স্বর্ণ ও রৌপ্য] এবং কৃষি ফসলের কিছু প্রধান পণ্যের দাম।
তবে এই পুস্তিকাটিতেও আল-মাকরিজি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর উৎসগুলোতে বর্ণিত অনেক অতিরঞ্জন বা মিশরে ও শামে ঘটা অদ্ভুত বিষয়গুলোকে সরাসরি গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো সিরিয়ার দামেস্কের উপকণ্ঠের জুব্বাত আসসাল নামক গ্রামের একটি ষাঁড়ের কথা বলার প্রতি তাঁর ইঙ্গিত।
এর একটি পাণ্ডুলিপি মিশরের 'দারুল কুতুব' [প্রতিষ্ঠানের ক্যাটালগ]: ৫/ ৩৬ এবং অন্য একটি পাণ্ডুলিপি 'নূর ওসমানিয়া' লাইব্রেরিতে (৪৯৩৭/ ১) নম্বরে সংরক্ষিত আছে।
এটি কায়রোতে 'কমিটি ফর কম্পোজিশন, ট্রান্সলেশন অ্যান্ড পাবলিকেশন' কর্তৃক ২য় সংস্করণ হিসেবে ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে; যা ডক্টর মুহাম্মদ মোস্তফা জিয়াদাহ এবং ডক্টর জামালুদ্দিন আল-শাইয়াল কর্তৃক সম্পাদিত।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
8- (الإلمام بأخبار من بأرض الحبشة من ملوك الإسلام) :هو رسالة لطيفة الحجم، كتبها المقريزي- رحمه الله أثناء مجاورته في مكة سنة تسع وثلاثين وثمانمائة (1435- 1436 م) ، مرتبا لها علي مقدمة، وثلاثة فصول، وخاتمة قصيرة جدا، اقتصر فيها علي الصلاة والتسليم.
* منه نسخ خطية في: مكتبة جامعة ليدن برقم (992) ، (993) ، مكتبة نور العثمانية برقم (4937/ 11) ، دار الكتب المصرية برقم (500) [فهرس الدار] :
(5/ 38) مكتبة باريس، نسخة تاريخها (841 هـ) . وظهرت لهذا الكتاب طبعتان: نشره رينك، ليدن، سنة (1790 م) ، نشر في القاهرة سنة (1313 هـ) .
9- (إمتاع الأسماع بما للرسول من الأنباء والأموال والحفدة والمتاع) :وهو مؤلف مطول في سيرة الرسول صلى الله عليه وسلم، جمع مادته من مصادر رئيسية ومتعددة، محررا فيه الخلاف حول كثير من الوقائع، مع العناية بتحقيق الكثير من المسائل الفقهية المتصلة بحوادث السيرة، حدّث به المقريزيّ في مكة، أثناء مجاورته فيها سنتي (834 هـ) (1431 م) ، (839 هـ) (1436 م) .
توجد منه نسخ خطية محتفظ بها في مكتبة كوبريللي- تركيا برقم (1004) ، كتبت في شوال سنة (839 هـ 1561 م) ، كوبريللي زاده محمد باشا كتابخانه سند محفوظ، صحيفة (66) وهي في جزء واحد ضخم، تقع في ستة أجزاء ضخمة، ضمت (919) ورقة، مقاسها 27* 40 سم، ومسطرتها نحو 35 سطرا، وعنها مصورتي: دار الكتب المصرية في القاهرة، برقم (886) تاريخ، ومعهد إحياء المخطوطات العربية في القاهرة، برقم (63) تاريخ، لكن عدد صفحاتها كما هو تحت يدي (1839) صفحة نسخة بمكتبة غوطا برقم (1830) ، وهي في ستة أجزاء، وهذه النسخة قد اعتمدناها في التحقيق، وهي ناقصة، وقد أنكر أمناء مكتبة غوطا أن تكون في ستة أجزاء، نسخة في مكتبة ليدن، برقم (871) ، وهي نسخة صغيرة ناقصة جدا، كما توجد نسخة أخرى في خزانة عموجة حسين باشا في الآستانة، برقم (354) طبع الجزء
৮- (আল-ইলমাম বি-আখবারি মান বি-আরদিল হাবাশা মিন মুলুকিল ইসলাম):এটি একটি নাতিদীর্ঘ পুস্তিকা, যা আল-মাকরিজি -রাহিমাহুল্লাহ- ৮৩৯ হিজরি (১৪৩৫-১৪৩৬ খ্রি.) সালে মক্কায় অবস্থানকালে রচনা করেছিলেন। তিনি এটি একটি ভূমিকা, তিনটি অধ্যায় এবং একটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত উপসংহারের ওপর বিন্যস্ত করেছেন, যেখানে তিনি কেবল সালাত ও সালামের (দরুদ ও সালামের) মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন।
* এর পাণ্ডুলিপিগুলো নিম্নোক্ত স্থানে রয়েছে: লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি নম্বর (৯৯২), (৯৯৩); নূর ওসমানিয়া লাইব্রেরি নম্বর (৪৯৩৭/ ১১); মিশরীয় দারুল কুতুব নম্বর (৫০০) [দারুল কুতুব সূচিপত্র]:
(৫/ ৩৮) প্যারিস লাইব্রেরি, ৮৪১ হিজরির একটি অনুলিপি। এই বইটির দুইটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে: রিংক ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে লাইডেন থেকে এটি প্রকাশ করেন এবং ১৩১৩ হিজরি সালে কায়রো থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
৯- (ইমতাউল আসমা বিমা লির-রাসুলি মিনাল আনবা ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদা ওয়াল মাতা):এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সিরাতের ওপর রচিত একটি বিশদ গ্রন্থ। তিনি এর উপাদানসমূহ বিভিন্ন প্রধান ও বহুমুখী উৎস থেকে সংগ্রহ করেছেন এবং এতে অনেক ঘটনার ব্যাপারে বিদ্যমান মতপার্থক্যগুলো নিরসন করেছেন। সেই সাথে সিরাতের ঘটনাবলির সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক ফিকহি মাসআলা তাহকিক বা সূক্ষ্ম পর্যালোচনার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছেন। আল-মাকরিজি ৮৩৪ হিজরি (১৪৩১ খ্রি.) এবং ৮৩৯ হিজরি (১৪৩৬ খ্রি.) সালে মক্কায় অবস্থানকালে এটি বর্ণনা করেছিলেন।
তুরস্কের কোপরুলু লাইব্রেরিতে (১০০৪) নম্বরে এর পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে, যা শাওয়াল ৮৩৯ হিজরি (১৫৬১ খ্রি.) সালে অনুলিপি করা হয়েছে। এটি কোপরুলু জাদা মুহাম্মদ পাশা লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত, পৃষ্ঠা (৬৬)। এটি মূলত ছয়টি বিশাল খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে, যাতে ৯১৯টি পাতা রয়েছে। এর মাপ ২৭*৪০ সেন্টিমিটার এবং প্রতি পৃষ্ঠায় প্রায় ৩৫টি লাইন রয়েছে। এর থেকে কায়রোর দারুল কুতুব আল-মিসরিয়া (ইতিহাস নম্বর ৮৮৬) এবং কায়রোর ইনস্টিটিউট অফ অ্যারাবিক ম্যানুস্ক্রিপ্টসে (ইতিহাস নম্বর ৬৩) ফটো কপি করা হয়েছে। তবে আমার হাতে থাকা অনুলিপিটির পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৮৩৯। গোথা লাইব্রেরিতে (১৮৩০) নম্বরে একটি পাণ্ডুলিপি আছে যা ছয় খণ্ডে সমাপ্ত; আমরা সম্পাদনার ক্ষেত্রে এই পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, যদিও এটি অপূর্ণাঙ্গ। গোথা লাইব্রেরির সংরক্ষকগণ এটি ছয় খণ্ডের হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। লাইডেন লাইব্রেরিতে (৮৭১) নম্বরে একটি পাণ্ডুলিপি আছে, যা ছোট এবং অত্যন্ত অসম্পূর্ণ। এছাড়া ইস্তাম্বুলের আমুজাজাদা হুসাইন পাশা লাইব্রেরিতে (৩৫৪) নম্বরে আরেকটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে। প্রথম খণ্ডটি মুদ্রিত...
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الأول منه بتحقيق الأستاذ محمود محمد شاكر، القاهرة (1941) ، علي نفقة السيدة قوت القلوب الدمر داشية. ثم طبع نفس الجزء مصورا علي الأوفست في دولة قطر بإشراف الشيخ عبد اللَّه الأنصاري. ثم طبع الجزء الأول مرة أخرى بتحقيقنا، نشرته دار الأنصار بالقاهرة (1981) ، ثم أعيد نشر الكتاب كاملا بالمقدمة والفهارس في سبعة عشر مجلدا، نشرته دار الكتب العلمية بيروت، لبنان، (1998) .
10- (الأوزان والأكيال الشرعية) :وهي رسالة في الموازين والمكاييل، منها نسخة خطية في: مكتبة ليدن، برقم (1014) ، دار الكتب المصرية، [فهرس الخديوية] :
(5/ 186) .
* نشرها تيكس، روستوك بألمانيا سنة (1797 م) ، (1800 م) .
11- (البيان المفيد في الفرق بين التوحيد والتلحيد) :منه نسختان خطيتان في ليدن، [فهرس أمين المدني] برقم 188، وهي بخط المؤلف، دار الكتب المصرية، [فهرس الخديوية] : 7/ 565، لكن جاء في فهرس المخطوطات المصورة بمعهد المخطوطات العربية بالقاهرة، أن هذه المخطوطة تصنيف أحد علماء المائة الثامنة الهجرية، وأن المقريزي- رحمه الله ناسخها فقط، (فهرس المخطوطات المصورة) :
1/ 119، عمود 2.
12- (البيان والإعراب عما بأرض مصر من الأعراب) :هي رسالة لطيفة الحجم، كتبها المقريزي- رحمه الله سنة (841 هـ 1437 م) مشيرا من خلالها إلي القبائل العربية التي دخلت مصر مع الفتح العربيّ، وأماكن وجودها في عصره، مقررا أن العرب الذين شهدوا فتح مصر قد أبادهم الدهر، وجهلت أكثر أعقابهم، وقد بقيت من العرب بقايا بأرض مصر حضرت لديه ست عشرة قبيلة، وهي ثعلبة، وجرم، وسنيس، وجذام وبني هلال، وبلى وجهينة، وقريش، وكنانة والأنصار، وعوف، وفزارة، ولواته، ولخم، وحرام، وبني سليم، غير مرتب لها
এর প্রথম খণ্ডটি উস্তাদ মাহমুদ মুহাম্মদ শাকিরের সম্পাদনায় কায়রো (১৯৪১) থেকে সাইয়্যেদাহ কুতুল কুলুব আদ-দামারদাশিয়াহর অর্থায়নে প্রকাশিত হয়। অতঃপর একই খণ্ডটি শেখ আবদুল্লাহ আল-আনসারীর তত্ত্বাবধানে কাতার রাষ্ট্রে অফসেট মুদ্রণে প্রকাশিত হয়। এরপর পুনরায় আমাদের সম্পাদনায় প্রথম খণ্ডটি কায়রোর দারুল আনসার (১৯৮১) থেকে প্রকাশিত হয়। সবশেষে ভূমিকা ও সূচিপত্রসহ সতেরো খণ্ডে সম্পূর্ণ বইটি লেবাননের বৈরুতস্থ দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ (১৯৯৮) থেকে পুনরায় প্রকাশিত হয়।
১০- (শরয়ী ওজন ও পরিমাপ):এটি ওজন ও পরিমাপ বিষয়ক একটি পুস্তিকা। এর পাণ্ডুলিপি রয়েছে: লাইডেন লাইব্রেরি, নম্বর (১০১৪), মিশরের দারুল কুতুব, [খাদিভী ক্যাটালগ]:
(৫/ ১৮৬)।
* এটি জার্মানির রস্টক থেকে ১৭৯৭ ও ১৮০০ সালে টেক্স কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে।
১১- (তাওহীদ ও ধর্মহীনতার পার্থক্যে ফলপ্রসূ বর্ণনা):এর দুটি পাণ্ডুলিপি লাইডেনে রয়েছে, [আমিন আল-মাদানি ক্যাটালগ] নম্বর ১৮৮, যা লেখকের স্বহস্তে লিখিত; মিশরের দারুল কুতুব, [খাদিভী ক্যাটালগ]: ৭/ ৫৬৫। তবে কায়রোস্থ আরবী পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউটের সচিত্র পাণ্ডুলিপি ক্যাটালগে এসেছে যে, এই পাণ্ডুলিপিটি হিজরী অষ্টম শতাব্দীর জনৈক আলেমের রচনা এবং আল-মাকরিজি—আল্লাহ তাকে রহম করুন—শুধুমাত্র এর অনুলিপিকারক ছিলেন, (সচিত্র পাণ্ডুলিপি ক্যাটালগ):
১/ ১১৯, কলাম ২।
১২- (মিশর ভূমির বেদুঈনদের পরিচয় ও বর্ণনা):এটি ক্ষুদ্রায়তনের একটি পুস্তিকা, যা আল-মাকরিজি—আল্লাহ তাকে রহম করুন—৮৪১ হিজরী (১৪৩৭ খ্রিস্টাব্দ) সালে লিখেছিলেন। এতে তিনি আরব্য বিজয়ের সময় মিশরে প্রবেশকারী আরব গোত্রসমূহ এবং তার যুগে তাদের অবস্থানের স্থানের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। তিনি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, যারা মিশর বিজয়ের সাক্ষী ছিলেন কালক্রমে তারা বিলুপ্ত হয়ে গেছেন এবং তাদের পরবর্তী প্রজন্মের অধিকাংশের পরিচয় বিলুপ্ত হয়েছে। তবে মিশর ভূমিতে আরবদের কিছু অবশিষ্টাংশ রয়ে গেছে; তার নিকট ১৬টি গোত্র উপস্থিত ছিল, সেগুলো হলো—সা’লাবাহ, জারম, সুনাইস, জুযাম, বনী হিলাল, বালি, জুহাইনা, কুরাইশ, কিনানাহ, আনসার, আওফ, ফাযারা, লুওয়াতাহ, লাখম, হারাম এবং বনী সুলাইম। এগুলো বিন্যস্ত অবস্থায় নেই।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
علي حروف المعجم، ولا علي أصول الأنساب: [قحطانية وعدنانية] ، أو بحسب منازلهم في مصر، فأتت أشبه شيء بمذكرات كتبت علي عجل، وعلي غير نظام واضح.
* منه نسخة خطية في: دار الكتب المصرية [فهرس الدار] : 5/ 64، مكتبة جامعة كمبرج، برقم (157) ، مكتبة نور العثمانية، برقم (4937/ 10) ، مكتبة ليدن، برقم (975) ، المكتبة الوطنية في باريس، برقم (1725) ، مكتبة فينة برقم (910) . ظهرت لهذا الكتاب طبعتان:
نشره وستنفلد، غوطا سنة (1847 م) ، نشر في القاهرة سنة (1334 هـ) ، ثم أعاد نشره محققا الدكتور عبد الحميد عابدين، القاهرة، عالم الكتب، ط 1 سنة 1961، مع دراسة عن تاريخ العروبة في وادي النيل.
12- (التاريخ الكبير المقفى في تاريخ أهل مصر والواردين عليها) :هو معجم تأريخي ضخم، أتي في ست عشرة مجلدة، ترجم المقريزي- رحمه الله فيه لمشاهير أهل مصر، فيما قبل الإسلام وبعده حتى وقته، علي اختلاف طبقاتهم وأجناسهم، ممن استقروا فيها، أو تحولوا عنها إلي غيرها من البلدان [ميتا محنطا] أو [رأسا مقطوعة] ، حيث يقول [لما دخل المعز لدين اللَّه أبو تميم معد إلي القاهرة، كان معه توابيت آبائه: المنصور إسماعيل- هذا- والقائم أبي القاسم محمد، والمهدي عبيد اللَّه، فدفنهم بتربة القصر من القاهرة، فلذلك ذكرته في كتابي هذا] . (المقفى) : كما ترجم لخلف بن جبير، أحد ثوار المغرب، وقد قتل في المغرب، وطيف برأسه في القيروان، ثم حملت إلي مصر فطيف بها في القاهرة. (المقفى) ، أشار المقريزي- رحمه الله إلى هذا الكتاب في (إمتاع الأسماع) : 12/ 266 بتحقيقنا.
* منه نسخة خطية في مكتبة باريس، برقم (2144) ، بخط المؤلف- رحمه الله ميونخ برقم (957) ، ليدن، بأرقام (1032) ، (1847) ، (1851) ، تم نشره بتحقيق محمد اليعلاوي، بيروت، الغرب الإسلامي، ط 1، سنة 1987.
13- (تاريخ بناء الكعبة) :
এটি বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো নয়, এবং বংশীয় মূলধারা (কাহতানি ও আদনানি) অনুযায়ীও নয়, কিংবা মিসরে তাদের অবস্থানের ভিত্তিতেও নয়। ফলে এটি দ্রুতগতিতে এবং কোনো স্পষ্ট শৃঙ্খলা ছাড়াই লেখা কোনো স্মারকলিপির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
* এর পাণ্ডুলিপি রক্ষিত আছে: দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ [ফাহরাসুদ দার]: ৫/৬৪, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি, নম্বর (১৫৭), নূর ওসমানিয়া লাইব্রেরি, নম্বর (৪৯৩৭/১০), লাইডেন লাইব্রেরি, নম্বর (৯৭৫), প্যারিসের জাতীয় লাইব্রেরি, নম্বর (১৭২৫), ভিয়েনা লাইব্রেরি, নম্বর (৯১০)। এই বইটির দুটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে:
এটি প্রকাশ করেছেন উস্টেনফেল্ড, গোথা ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে; কায়রোতে এটি প্রকাশিত হয়েছে ১৩৩৪ হিজরিতে; এরপর ডক্টর আব্দুল হামিদ আবিদিন এটি সম্পাদনা করে পুনরায় প্রকাশ করেন, কায়রো, আলমুল কুতুব, ১ম প্রকাশ ১৯৬১ সাল, নীল নদের উপত্যকায় আরববাদের ইতিহাস বিষয়ক একটি গবেষণা সহ।
১২- (আত-তারীখুল কাবীরুল মুকাফফা ফী তারীখি আহলি মিসর ওয়াল ওয়ারিদীনা আলাইহা):এটি একটি বিশাল ঐতিহাসিক অভিধান, যা ষোল খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। আল-মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—এতে ইসলাম-পূর্ব এবং পরবর্তী সময় থেকে তাঁর সময় পর্যন্ত মিসরের বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী সংকলন করেছেন, তাঁদের বিভিন্ন স্তর ও জাতিসত্তা নির্বিশেষে, যারা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করেছেন অথবা সেখান থেকে অন্য দেশে স্থানান্তরিত হয়েছেন [মৃত মমি হিসেবে] কিংবা [বিচ্ছিন্ন মস্তক হিসেবে]। তিনি বলেন: [যখন আল-মুয়িজ্জ লি-দিনিল্লাহ আবু তামিম মা'দ কায়রোতে প্রবেশ করেন, তখন তাঁর সাথে তাঁর পূর্বপুরুষদের কফিন ছিল: আল-মানসুর ইসমাইল—এই ব্যক্তি—এবং আল-কায়িম আবুল কাসিম মুহাম্মদ ও আল-মাহদি উবাইদুল্লাহ। তিনি তাঁদের কায়রোর রাজপ্রাসাদের কবরস্থানে দাফন করেন, এ কারণেই আমি আমার এই বইয়ে তাঁদের কথা উল্লেখ করেছি]। (আল-মুকাফফা): যেমন তিনি মাগরেবের অন্যতম বিপ্লবী খালাফ বিন জুবায়েরের জীবনী উল্লেখ করেছেন, যাকে মাগরেবে হত্যা করা হয়েছিল এবং তাঁর মস্তক কায়রোয়ানে ঘোরানো হয়েছিল, তারপর তা মিসরে আনা হলে কায়রোতে ঘোরানো হয়েছিল। (আল-মুকাফফা), আল-মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—আমাদের সম্পাদিত (ইমতাউল আসমা) গ্রন্থের ১২/২৬৬ পৃষ্ঠায় এই বইটির কথা উল্লেখ করেছেন।
* এর একটি পাণ্ডুলিপি লেখক—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—এর নিজ হস্তাক্ষরে প্যারিস লাইব্রেরিতে ২১৪৪ নম্বরে সংরক্ষিত আছে; মিউনিখে ৯৫৭ নম্বর, লাইডেনে ১০৩২, ১৮৪৭, ১৮৫১ নম্বরে। এটি মুহাম্মদ আল-ইয়ালাওয়ির সম্পাদনায় বৈরুতের আল-গারব আল-ইসলামি থেকে ১৯৮৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৩- (তারীখু বিনাইল কাবা):
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
منه نسخة خطية في: دار الكتب الظاهرية في دمشق، وهي بخط المؤلف، ونسخة في مكتبة ليدن، برقم (943) ، نسخة بالظاهرية في دمشق، برقم (4805) .
14- (تجريد التوحيد المفيد) :هو مؤلف لطيف الحجم، يدور موضوعة حول علم التوحيد، أجمل المقريزي- رحمه الله الإشارة إليه في مقدمته بقوله وبعد، فهذا كتاب جم الفوائد، بديع الفرائد، ينتفع به من أراد اللَّه والدار الآخرة، سميته: تجريد التوحيد المفيد، واللَّه أسأل العون علي العمل بمنه وكرمه.
وهذا المؤلف علي وجازته لم يأت مؤرخنا فيه بموضوع ديني تقليدي، وإنما أحاط فيه إلي جانب ذلك بالتعريف بكثير من الفرق الإسلامية، ذاكرا من خلالها مذاهبها وأدلتها، مناقشا لها.
* منه نسخة خطية في مكتبة جامعة القاهرة، برقم (26247/ 11) ، مكتبة البلدية بالإسكندرية، برقم (99/ 6) فنون، ومكتبة نور عثمانية، برقم (5937/ 02) ، مكتبة باريس برقم 012، مكتبة جامعة برنستن [مجموعة كاريت] برقم (01496) ، مكتبة ليدن [هوتسما] ، برقم (993) .
وقد طبع هذا الكتاب في القاهرة سنة (1343 هـ) ، ثم طبع في المطبعة المنيرية بالقاهرة، سنة (1373 هـ) بتحقيق طه الزيني.
15- (التذكرة) :هو مؤلف في التاريخ- كما يوهم ملخصه- أشار إليه ابن تغري بردي في (المنهل الصافي) : 1/ 398، غلي أنه كمل منه ثمانون مجلدا.
16- (تراجم ملوك المغرب) :احتوى علي بعض ترجمات ملوك المغرب العربيّ، وقد يكون مذكرات جمعها المقريزي- رحمه الله من المصادر للانتفاع بها في بعض مؤلفاته، مقدمة تحقيق (اتعاظ الحنفاء) : 1/ 14، بتحقيق الدكتور جمال الدين الشيال. فيه أخبار أبي حمو، وأخلافه من ملوك تلمسان.
17- (تلقيح العقول والآراء، في تنقيح، أخبار الجلة الوزراء) :
এর একটি পাণ্ডুলিপি দামেস্কের দারুল কুতুব আল-জাহিরিয়্যাহ-তে রয়েছে, যা লেখকের নিজ হাতের লেখা। এছাড়া লাইডেন লাইব্রেরিতে ৯৪৩ নম্বর এবং দামেস্কের জাহিরিয়্যাহ-তে ৪৮০৫ নম্বর হিসেবে একটি অনুলিপি সংরক্ষিত আছে।
১৪- (তাজরীদুত তাওহীদ আল-মুফীদ):এটি ছোট আকারের একটি রচনা, যার মূল বিষয়বস্তু তাওহীদ শাস্ত্রকে কেন্দ্র করে। মাকরিজী (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর ভূমিকার মাধ্যমে এর অত্যন্ত চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন: "অতঃপর, এটি বহু উপকার সংবলিত এবং অপূর্ব মুক্তাসম একটি গ্রন্থ। যারা আল্লাহ এবং পরকাল প্রত্যাশা করেন, তারা এর দ্বারা উপকৃত হবেন। আমি এর নাম দিয়েছি: তাজরীদুত তাওহীদ আল-মুফীদ। আমি আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায় এটি অনুযায়ী আমল করার তাওফীক কামনা করছি।"
এই সংক্ষিপ্ত রচনাটিতে আমাদের ইতিহাসবিদ কেবল প্রথাগত ধর্মীয় বিষয়বস্তুই তুলে ধরেননি, বরং এর পাশাপাশি তিনি ইসলামের অনেকগুলো ফিরকা বা দলের পরিচয়ও তুলে ধরেছেন; যেখানে তিনি তাদের মতবাদ ও দলিলসমূহ উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন।
* এর পাণ্ডুলিপি কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে (২৬২৪৭/ ১১) নম্বরে, আলেকজান্দ্রিয়ার মিউনিসিপ্যাল লাইব্রেরিতে শিল্পকলা বিভাগে (৯৯/ ৬) নম্বরে, নূর ওসমানিয়া লাইব্রেরিতে (৫৯৩৭/ ০২) নম্বরে, প্যারিস লাইব্রেরিতে ০১২ নম্বরে, প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে [ক্যারেট সংগ্রহ] (০১ ৪৯৬) নম্বরে এবং লাইডেন লাইব্রেরিতে [হুটসমা] (৯৯৩) নম্বরে সংরক্ষিত আছে।
এই বইটি ১৩৪৩ হিজরি সালে কায়রোতে মুদ্রিত হয়েছিল। এরপর ১৩৭৩ হিজরিতে কায়রোর আল-মাতবাআ আল-মুনীরিয়্যাহ থেকে ত্বহা আয-যাইনীর সম্পাদনায় পুনরায় মুদ্রিত হয়।
১৫- (আত-তাযকিরাহ):এটি ইতিহাসের উপর একটি রচনা—যেমনটি এর সংক্ষিপ্তসার থেকে প্রতীয়মান হয়। ইবনে তাগরি বারদি 'আল-মানহালুস সাফী' গ্রন্থের ১ম খণ্ডের ৩৯৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন যে, এর আশিটি খণ্ড সম্পন্ন হয়েছিল।
১৬- (তারাজিমু মুলুকিল মাগরিব):এটি মাগরিবের (উত্তর আফ্রিকা) আরব রাজাদের কিছু জীবনী সম্বলিত। সম্ভবত এগুলো মাকরিজী (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর অন্যান্য রচনায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। ডক্টর জামালুদ্দিন আশ-শাইয়ালের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'ইত্তিআযুল হুনাফা' গ্রন্থের ভূমিকার ১ম খণ্ডের ১৪ পৃষ্ঠায় এটি উল্লেখ আছে। এতে আবু হাম্মু এবং তিলিমসানের রাজাদের মধ্যে তাঁর উত্তরসূরিদের সংবাদ রয়েছে।
১৭- (তালকীহুল উকূল ওয়াল আরা, ফী তানকীহি আখবারিল জিল্লাতিল উযারা):
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ذكره المقريزي- رحمه الله في (الخطط) : 1/ 443، 2/ 223.
18- (جني الأزهار من الروض المعصار) :منه نسخة خطية في مكتبة برلين، برقم (6049) ، مكتبة فينه، برقم (1266) ، دار الكتب المصرية، [فهرس الدار] : 6/ 25، مكتبة باريس، نسخة تاريخها (841 هـ) .
19- (حصول الإنعام والمير، في سؤال خاتمة الخير) :هي رسالة لطيفة الحجم، يدور موضوعها حول سؤال العبد ربه- تعالى- أن يختم له ولأخيه المؤمن بخير، مستلهما ذلك من قول يوسف- عليه السلام مناجيا ربه: تَوَفَّنِي مُسْلِماً وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ [يوسف: 101] .
20- (الخبر عن البشر) :هو مؤلف ضخم، جعله المقريزي- رحمه الله مدخلا لكتاب (إمتاع الأسماع) ، مؤرخا من خلاله للخليفة حتى ظهور الإسلام، هادفا من وراء ذلك إلي التعريف بقبائل العرب، وتمييزها من سائر الأجناس، ليعرف لها حقها من المحبة والإعظام، والتجلة والإكرام لكونه صلى الله عليه وسلم هاشميا، قرشيا، عربيا.
قال عنه المقريزي- رحمه الله: ثم لما رأيت فضل اللَّه علي- بما علمني وفهمني- عظيما، ومنته وطوله- بما رزقني من كثرة الأشراف علي مقالات الخليقة- جسيما، جعلته كتابا مستقلا، لاتساعه وكثرة فوائده، وشرف أوضاعه، وسميته: (الخبر عن البشر) : ورقة 4 أ، مخطوطة تونس.
وترجع أهمية هذا الكتاب- كذلك- إلى احتوائه- فضلا عن ذلك- علي مادة رئيسية، تكشف عن مفهوم المقريزي- رحمه الله لموضوع ((علم التاريخ)) ، وأقسامه، وإقراره بفوائده، وتحمسه للدفاع عنه.
ومنه/ نسخة خطية في ليدن، برقم 01080، ونسخة في مكتبة أياصوفيا في الآستانة، تقع في ستة أجزاء متسلسلة، أرقام (3362) حتى (3341) ، وتشمل الأجزاء 1، 4، 5، 6 [غير متسلسلة] . (دفتر كتب خانة أياصوفيا) : ص 202، (دفتر فاتح كتبخانه سي) : ص 248.
আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) এটি (আল-খিতাত) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: ১/৪৪৩, ২/২২৩।
১৮- (জানি আল-আজহার মিন আর-রাওদ আল-মি’সার):এর একটি পাণ্ডুলিপি বার্লিন লাইব্রেরিতে রয়েছে, যার নম্বর (৬০৪৯); ভিয়েনা লাইব্রেরিতে, নম্বর (১২৬৬); মিশরের দারুল কুতুব-এ [দারুল কুতুবের ক্যাটালগ]: ৬/২৫; এবং প্যারিস লাইব্রেরিতে একটি কপি রয়েছে যার তারিখ (৮৪১ হিজরি)।
১৯- (হুসুলুল ইনআম ওয়াল মীর, ফী সুয়াল খাতিমাতিল খায়র):এটি একটি নাতিদীর্ঘ পুস্তিকা, যার মূল বিষয়বস্তু হলো বান্দার তার মহান রবের কাছে নিজের এবং তার মুমিন ভাইয়ের জন্য উত্তম পরিণাম (খাতমাহ বিল খায়র) কামনা করা। এটি ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর তাঁর রবের প্রতি করা সেই মিনতি থেকে অনুপ্রাণিত: "আপনি আমাকে মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দান করুন এবং আমাকে নেককারদের অন্তর্ভুক্ত করুন" [ইউসুফ: ১০১]।
২০- (আল-খাবারু আনিল বাশার):এটি একটি সুবিশাল গ্রন্থ, যা আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) 'ইমতউল আসমা' গ্রন্থের ভূমিকা হিসেবে তৈরি করেছেন। এতে তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে ইসলামের আবির্ভাব পর্যন্ত ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন। এর পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল আরব গোত্রগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য জাতি থেকে তাদের স্বাতন্ত্র্য তুলে ধরা, যাতে তাদের প্রাপ্য ভালোবাসা, সম্মান, শ্রদ্ধা ও মর্যাদা সম্পর্কে জানা যায়; যেহেতু তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাশেমি, কুরাইশি এবং আরব বংশোদ্ভূত ছিলেন।
আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) এটি সম্পর্কে বলেছেন: অতঃপর যখন আমি আমার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ অনেক বড় হিসেবে দেখতে পেলাম—যা তিনি আমাকে শিখিয়েছেন এবং বুঝিয়েছেন—এবং তাঁর দান ও প্রশস্ততা বিশাল হিসেবে পেলাম—যেহেতু তিনি আমাকে সৃষ্টির বিভিন্ন মতবাদ ও বিবরণ পর্যালোচনার প্রচুর সুযোগ দান করেছেন—তখন আমি একে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ হিসেবে সংকলন করলাম, এর বিশালতা, বহুবিধ উপকারিতা এবং বিষয়ের উচ্চমর্যাদার কারণে। আর আমি এর নাম দিলাম: (আল-খাবারু আনিল বাশার): পৃষ্ঠা ৪ ক, তিউনিস পাণ্ডুলিপি।
এই বইটির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ এতে—উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও—এমন কিছু প্রধান উপাদান রয়েছে যা 'ইতিহাস বিজ্ঞান' (ইলমুত তারিখ) সম্পর্কে আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ)-এর ধারণা, এর প্রকারভেদ, এর উপযোগিতার স্বীকৃতি এবং এর সপক্ষে তাঁর উৎসাহব্যঞ্জক প্রতিরক্ষাকে প্রকাশ করে।
এর একটি পাণ্ডুলিপি লাইডেনে রয়েছে, যার নম্বর ০১০৮০; এবং একটি কপি ইস্তাম্বুলের আয়া সোফিয়া লাইব্রেরিতে ছয়টি ধারাবাহিক খণ্ডে রয়েছে, নম্বর (৩৩৪২) থেকে (৩৩৪১) পর্যন্ত, এবং এতে ১, ৪, ৫, ৬ খণ্ড অন্তর্ভুক্ত [অধারাবাহিক]। (আয়া সোফিয়া কুতুবখানা রেজিস্টার): পৃষ্ঠা ২০২, (ফাতিহ কুতুবখানা রেজিস্টার): পৃষ্ঠা ২৪৮।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
21- (خلاصة التبر في كتاب السر) :أشار إليه المقريزي- رحمه الله في (الخطط) : 2/ 63.
22- (درر العقود الفريدة في تراجم الأعيان المفيدة) :هو معجم في ترجمات أعيان عصر المقريزي- رحمه الله أشار في مقدمته إلي دافعه لتأليفه، قائلا وبعد، فإنّي ما ناهزت من سنى العمر الخمسين، حتى فقدت معظم الأصحاب والأقربين، فاشتد حزني لفقدهم، وتنغص عيشي من بعدهم، فعزيت النفس عن لقائهم بتذكارهم، وعوضتها عن مشاهدتهم باستماع أخبارهم، وأمليت ما حضرني من أنبائهم في هذا الكتاب وسميته (درر العقود الفريدة في تراجم الأعيان المفيدة) .
* له نسخة في مكتبة غوطا، المجلد الأول منها بخط المؤلف- رحمه الله، ونسخة في الموصل، لدى الدكتور محمود الجليلي، في جزأين، تاريخهما (878 هـ) وعن هذه النسخة الأخيرة تم نشر (300) ترجمة- حيث يحتوي الكتاب علي [556] ترجمة- بعالم الكتب- بيروت سنة (1412 هـ 1992 م) ، بتحقيق الدكتور محمد كمال الدين عز الدين علي، بعد تصديره بدراسة وافية عن المؤلف والكتاب بشكل موسوعي يستحق التقدير.
23- (الدرر المضيئة في تاريخ الدولة الإسلامية) :منه نسخة خطية في كمبرج، برقم (365) ، أشار إليه السخاوي في (الضوء اللامع) : 2/ 23.
24- (الذهب المسبوك في ذكر من حج من الخلفاء والملوك) :رسالة لطيفة الحجم يدور موضوعها حول التأريخ لمن حج من الخلفاء والملوك في خلافته أو ملكه، فرغ المقريزي- رحمه الله من تصنيفها في ذي القعدة سنة (841 هـ 1438 م) ، مرتبا لها علي مقدمة وثلاثة فصول وخاتمة:
২১- (খুলাসাতুত তিবর ফি কিতাবিস সির) :আল-মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—‘আল-খিতাত’ (২/৬৩) গ্রন্থে এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
২২- (দুরারুল উকুদিল ফারিদাহ ফি তারাজিমিল আইয়ানিল মুফিদাহ) :এটি আল-মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—এর সমসাময়িক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনীর একটি অভিধান। তিনি এর ভূমিকায় এটি রচনার কারণ উল্লেখ করে বলেন: অতঃপর, আমি যখন আমার বয়সের পঞ্চাশের কাছাকাছি পৌঁছালাম, তখন আমার অধিকাংশ বন্ধু-বান্ধব ও নিকটাত্মীয়কে হারালাম। ফলে তাদের বিয়োগে আমার দুঃখ তীব্র হলো এবং তাদের পরে আমার জীবন বিষাদময় হয়ে উঠল। তাই আমি তাঁদের স্মরণের মাধ্যমে তাঁদের সাথে সাক্ষাতের অভাব পূরণ করে নিজেকে সান্ত্বনা দিলাম এবং তাঁদের সংবাদ শ্রবণের মাধ্যমে তাঁদের সচক্ষে দেখার অভাব মোচন করলাম। তাঁদের সম্পর্কে আমার স্মৃতিতে যা সংরক্ষিত ছিল, তা আমি এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করলাম এবং এর নাম রাখলাম ‘দুরারুল উকুদিল ফারিদাহ ফি তারাজিমিল আইয়ানিল মুফিদাহ’।
* এর একটি পাণ্ডুলিপি গোথা লাইব্রেরিতে রয়েছে, যার প্রথম খণ্ডটি লেখকের—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—স্বহস্তে লিখিত। আরেকটি পাণ্ডুলিপি মসুলে ড. মাহমুদ আল-জালিলির নিকট দুই খণ্ডে সংরক্ষিত আছে, যার অনুলিপির তারিখ ৮৭৮ হিজরি। এই শেষোক্ত পাণ্ডুলিপি থেকে ৩০০টি জীবনী প্রকাশিত হয়েছে—যদিও মূল গ্রন্থে ৫৫৬টি জীবনী রয়েছে—এটি বৈরুতের আলমুল কুতুব থেকে ১৪১২ হিজরি (১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দ) সালে ড. মুহাম্মদ কামালুদ্দীন ইজ্জুদ্দীন আলীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। এর শুরুতে লেখক ও গ্রন্থ সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ও তথ্যবহুল বিশ্বকোষীয় আলোচনা সংযোজন করা হয়েছে, যা প্রশংসার দাবিদার।
২৩- (আদ-দুরারুল মুদিআহ ফি তারিখিদ দাওলাতিল ইসলামিয়্যাহ) :এর একটি পাণ্ডুলিপি কেমব্রিজে সংরক্ষিত আছে, যার নম্বর (৩৬৫)। আল-সাখাভি ‘আদ-দাউ আল-লামি’ (২/২৩) গ্রন্থে এর উল্লেখ করেছেন।
২৪- (আদ-দাহাবুল মাসবুক ফি জিকর মান হাজ্জা মিনাল খুলাফা ওয়াল মুলুক) :এটি ক্ষুদ্র অবয়বের একটি রিসালা বা পুস্তিকা। এর বিষয়বস্তু হলো সেইসব খলিফা ও রাজাদের ইতিহাস বর্ণনা করা, যাঁরা তাঁদের খিলাফত বা রাজত্বকালে হজ সম্পাদন করেছিলেন। আল-মাকরিজি—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—৮৪১ হিজরির (১৪৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) জিলকদ মাসে এটি সংকলন সমাপ্ত করেন। তিনি গ্রন্থটিকে একটি ভূমিকা, তিনটি অধ্যায় এবং একটি উপসংহারের ওপর বিন্যস্ত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২০)
- أما المقدمة، فقد أشار فيها إلي تسميته للكتاب، مهديا إياه إلي شخصية كبيرة في عصره، عزمت علي الحج، لم يفصح عن اسمها.
- وأما الفصول، فقد أجمل في أولها الإشارة إلي [حجة الوداع] ، لكونه صلى الله عليه وسلم هو الّذي بين للناس معالم دينهم، مشيرا من خلال ذلك إلي بعض شعائر الحج والعمرة، كالقران، والتمتع، والهدي.
وجعل ثانيها من حج من الخلفاء في خلافته، مترجما من خلاله بترجمات قصيرة لثلاثة عشر خليفة، مؤرخا لحجهم.
وجعل ثالثها للترجمة لثلاثة عشر ملكا أو سلطانا ممن حج في ملكه أو سلطنته، منذ انقسمت الخلافة الإسلامية إلي دويلات يحكمها ملوك، وحتى عهد الأشرف شعبان- أحد سلاطين المماليك- مع التأريخ لحجهم.
- وأما الخاتمة، فقد أتت مقتضبة للغاية، تبين عن الفراغ من كتابته، وانتهاء مادته، علي النحو التالي:
"
… واللَّه- سبحانه- هو أعلم بالصواب، وإليه المرجع والمآب، وصلى اللَّه علي سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم- والحمد للَّه رب العالمين) .
* منه له نسخة خطية في: مكتبة الاسكوريال [في أسبانيا] ، برقم (1771) ، مكتبة كمبرج، برقم (442) ، (443) ، مكتبة نور عثمانية، برقم (6/ 4937) .
26- (رسالة في حرص النفوس علي الذكر) :رسالة لطيفة الحجم، أنشأها المقريزي- رحمه الله هادفا من خلالها إلي الترغيب في عمل الخير، مقدما لموضوعه بقوله:
".. وبعد فهذه مقالة لطيفة، وتحفة سنية شريفة، في حرص النفوس الفاضلة علي بقاء الذكر، أسأل اللَّه- تعالى- أن يجعل لنا ثناء حسنا في الصالحين، وأن يحبونا بالزلفى إلي يوم الدين بمنه وكرمه) .
متبعا ذلك بموضوع الكتاب، وقد أشار من خلال مادته إلي أن البقاء من أعظم وأحسن صفات اللَّه- تعالى- في حين ليس للعبد من نفسه إلا العدم، والفاضل هو الّذي يحرص علي بقاء ذكره دائما، علي النحو الوارد في القرآن الكريم
- ভূমিকার ক্ষেত্রে, তিনি তাতে কিতাবটির নামকরণের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং এটি তাঁর সমসাময়িক এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন যিনি হজের সংকল্প করেছিলেন, তবে তাঁর নাম প্রকাশ করেননি।
- আর অধ্যায়সমূহের ক্ষেত্রে, তিনি সেগুলোর শুরুতে সংক্ষেপে [বিদায় হজের] প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, কারণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ই মানুষের কাছে তাদের দ্বীনের নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি হজ ও উমরার কিছু বিধানের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, যেমন: কিরান, তামাত্তু এবং হাদয়ি (কুরবানির পশু)।
তিনি দ্বিতীয় অধ্যায়টি সেই খলিফাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন যারা তাদের খিলাফতকালে হজ করেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি তেরোজন খলিফার সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেছেন এবং তাদের হজের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন।
তিনি তৃতীয় অধ্যায়টি সেই তেরোজন বাদশাহ বা সুলতানের জীবনীর জন্য বরাদ্দ করেছেন যারা তাদের রাজত্ব বা সুলতানাতকালে হজ করেছিলেন—যে সময় থেকে ইসলামি খিলাফত বিভিন্ন ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত হয়ে বাদশাহদের দ্বারা শাসিত হতে শুরু করেছিল, মামলুক সুলতানদের অন্যতম আল-আশরাফ শাবানের যুগ পর্যন্ত—তাদের হজের ইতিহাসসহ।
- আর উপসংহারের ক্ষেত্রে, এটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্তভাবে এসেছে, যা কিতাবটির লেখনী সম্পন্ন হওয়া এবং এর বিষয়বস্তু সমাপ্ত হওয়ার কথা বর্ণনা করে, যা নিম্নরূপ:
"
… আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সঠিকভাবে পরিজ্ঞাত, আর তাঁর দিকেই সকলের প্রত্যাবর্তন ও ফিরে যাওয়ার স্থান। আর আল্লাহ সালাত (রহমত) বর্ষণ করুন আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর—আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের রব আল্লাহর জন্য।)
* এর একটি হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি রয়েছে: এসকোরিয়াল লাইব্রেরি [স্পেনে], নম্বর (১৭৭১), কেমব্রিজ লাইব্রেরি, নম্বর (৪৪২), (৪৪৩), নূর উসমানিয়া লাইব্রেরি, নম্বর (৬/ ৪৯৩৭)।
২৬- (নফস বা আত্মার যিকিরের প্রতি আগ্রহ বিষয়ক রিসালা):এটি কলেবরে একটি ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত রিসালা, যা আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) রচনা করেছেন। এর মাধ্যমে তাঁর উদ্দেশ্য হলো নেক আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা। তিনি এই বিষয়বস্তুর ভূমিকা দিয়েছেন এই বলে:
".. অতঃপর, এটি একটি চমৎকার নিবন্ধ এবং একটি উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন উপঢৌকন, যা যিকির বা উত্তম স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষেত্রে মহৎ প্রাণগুলোর আগ্রহ সম্পর্কে। আমি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করি যে, তিনি যেন আমাদের জন্য নেককারদের মাঝে উত্তম প্রশংসা অবশিষ্ট রাখেন এবং তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায় কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তাঁর নৈকট্যের মাধ্যমে আমাদের ধন্য করেন।"
এরপর তিনি কিতাবের মূল বিষয়বস্তু অনুসরণ করেছেন। তিনি এর বিষয়ের মাধ্যমে ইঙ্গিত করেছেন যে, 'চিরস্থায়ী হওয়া' বা 'অবিনশ্বরতা' হলো আল্লাহ তাআলার মহান ও উত্তম গুণাবলির অন্যতম, যেখানে বান্দার নিজের সত্তায় 'অনস্তিত্ব' ছাড়া আর কিছুই নেই। আর শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি তিনিই, যিনি সর্বদা নিজের উত্তম আলোচনা বা স্মৃতি বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকেন, যেমনটি পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২১)
علي لسان إبراهيم- عليه السلام وَاجْعَلْ لِي لِسانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ [الشعراء: 84] .
* منه نسخة خطية في: خزانة ولي الدين في الآستانة، ضمن مجموع خطي يشمل خمس عشرة رسالة كلها للمقريزي- رحمه الله برقم (3195) راجع دفتر كتابخانه. ولي الدين، صحيفة (195) ، مكتبة جامعة القاهرة برقم (11/ 26247) . وقد نشره في القاهرة الخانجي سنة (1955) بتحقيق الدكتور جمال الدين الشيال.
* منه نسخة خطية في خزانة ولي الدين في الآستانة، وقد جاء في (تاريخ آداب اللغة العربية) لجورجي زيدان: 3/ 187، أن اسم هذا المخطوط: (مقالة لطيفة في حرص النفوس الفاضلة علي بقاء الذكر) ، وأنه محفوظ في المتحف البريطاني في لندن.
27- (السلوك في معرفة دول الملوك) :منه نسخة خطية في: دار الكتب المصرية [فهرس الدار] : 5/ 129، المكتبة الظاهرية بدمشق، مجلد رقم (7304) ، مكتبة كوبريللي برقم (1137) ، مكتبة بني جامع [ضمن المكتبة السليمانية في استامبول] ، برقم (887) ، مكتبة باتنا في الهند، برقم 1/ 166 (2223) ، مكتبة غوطا، برقم (1620) ، (1621) ، مكتبة باريس، برقم (1726) ، (1728) ، مكتبة الفاتيكان، (5/ 725) ، مكتبة جستربتي في دبلن، [فيها المجلد الثامن منه] برقم (4102) ، مكتبة المتحف البريطاني، الذيل: (480) .
طبع هذا الكتاب بكماله في القاهرة في أربعة أجزاء علي النحو التالي:
- الجزء الأول في ثلاثة أقسام، بتحقيق محمد زيادة (1934- 1939) .
- الجزء الثاني في ثلاثة أقسام، بتحقيق محمد زيادة (1941- 1958) .
- الجزء الثالث في ثلاثة أقسام، بتحقيق سعيد عاشور (1970- 1972) .
- الجزء الرابع في ثلاثة أقسام، بتحقيق سعيد عاشور (1972- 1973) .
28- (شارع النجاة) :
ইবরাহিম আলাইহিস সালামের জবানিতে— "এবং পরবর্তীদের মধ্যে আমার সুখ্যাতি বজায় রাখুন" [আশ-শুআরা: ৮৪]।
* এটির একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে: ইস্তাম্বুলের ওয়ালীউদ্দিন কুতুবখানায়, পনেরোটি রিসালাহ সংবলিত একটি পাণ্ডুলিপি সংকলনের মধ্যে, যার সবকটিই আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ)-এর; নম্বর (৩১৯৫)। দেখুন: ওয়ালীউদ্দিন কুতুবখানার তালিকা, পৃষ্ঠা (১৯৫); কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি, নম্বর (১১/২৬২৪৭)। এটি ১৯৫৫ সালে কায়রোতে আল-খানজি কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে, যা ডক্টর জামালউদ্দিন আশ-শাইয়াল সম্পাদনা করেছেন।
* এটির একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে ইস্তাম্বুলের ওয়ালীউদ্দিন কুতুবখানায়। জর্জি জিদানের (তারিখু আদাবিল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ) গ্রন্থের ৩/১৮৭ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত হয়েছে যে, এই পাণ্ডুলিপিটির নাম: (মাকালা লতিফাহ ফি হিরসিন নুফুসিল ফাদিলাহ আলা বকায়িজ জিকর), এবং এটি লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।
২৭- (আস-সুলুক ফি মারিফাতি দুওয়ালিল মুলুক):এর পাণ্ডুলিপি রয়েছে: মিশরের দারুল কুতুব [দারুল কুতুব সূচিপত্র]: ৫/১২৯; দামেস্কের মাকতাবাতুয যাহিরিয়্যাহ, ভলিউম নম্বর (৭৩০৪); কুপরিলি লাইব্রেরি, নম্বর (১১৩৭); বনী জামে লাইব্রেরি [ইস্তাম্বুলের সুলাইমানিয়া লাইব্রেরির অন্তর্ভুক্ত], নম্বর (৮৮৭); ভারতের পাটনা লাইব্রেরি, নম্বর ১/১৬৬ (২২২৩); গোথা লাইব্রেরি, নম্বর (১৬২০), (১৬২১); প্যারিস লাইব্রেরি, নম্বর (১৭২৬), (১৭২৮); ভ্যাটিকান লাইব্রেরি, (৫/৭২৫); ডাবলিনের চেস্টার বিটি লাইব্রেরি [এটিতে এর অষ্টম খণ্ডটি রয়েছে], নম্বর (৪১০২); ব্রিটিশ মিউজিয়াম লাইব্রেরি, পরিশিষ্ট: (৪৮০)।
এই বইটি সম্পূর্ণভাবে কায়রোতে চার খণ্ডে নিম্নোক্তভাবে মুদ্রিত হয়েছে:
- প্রথম খণ্ড তিন ভাগে, মুহাম্মদ যিয়াদাহর সম্পাদনায় (১৯৩৪-১৯৩৯)।
- দ্বিতীয় খণ্ড তিন ভাগে, মুহাম্মদ যিয়াদাহর সম্পাদনায় (১৯৪১-১৯৫৮)।
- তৃতীয় খণ্ড তিন ভাগে, সাঈদ আশুরের সম্পাদনায় (১৯৭০-১৯৭২)।
- চতুর্থ খণ্ড তিন ভাগে, সাঈদ আশুরের সম্পাদনায় (১৯৭২-১৯৭৩)।
২৮- (শারিউন নাজাত):
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২২)
أشار السخاوي في (الضوء اللامع) : 2/ 23، إلي أنه يشتمل علي جميع ما اختلفت فيه البشر من أصول ديانتهم وفروعها، مع أدلتها، وتوجيه الحق منها، ذكره المقريزي- رحمه الله في (الذهب المسبوك) ، 5، 7.
29- (شذور العقود في ذكر النقود) :رسالة لطيفة الحجم، انقسمت إلي مقدمة وخاتمة، فيما بينها ثلاثة فصول.
- أما المقدمة فقد أشار فيها إلى موضوع الكتاب: «نبذة لطيفة في أمور النقود الإسلامية» . وأنه أنشأه تلبية [للأمر العالي] الّذي يرجح أن يكون شخصية كبيرة في بلاط المؤيد [شيخ المحمودي] .
- وأما الفصل الأول فقد جعله للحديث عن [النقود القديمة] ، التي كانت علي وجه الدهر، وجعل الفصل الثاني للتعريف ب [النقود الإسلامية]- نشأتها وتطورها- وجعل الفصل الثالث للحديث عن [النقود المصرية] ، وهو في هذه الفصول الثلاثة يشير إلى أنواع النقود، وأوزانها، وأعيرتها، وزيوفها، وما حدث فيها من التغيير والتبديل، علي اختلاف عصورها.
* منه نسخة خطية في: مكتبة نور العثمانية، برقم (4937) ، مكتبة برلين، برقم (6024) ، مكتبة ليدن، برقم (1012) ، (1013) ، مكتبة كمبرج، برقم (475) ، مكتبة الأسكوريال، برقم (1771) .
وقد ظهرت لهذا الكتاب طبعات مختلفة:
- نشرها تيكسن في روستك (1797 م) .
- نشرها أحمد فارس الشديقان، مطبعة الجوائب استامبول، (1298 هـ) ، ضمن ثلاث رسائل.
- نشرها ماير، الإسكندرية (1933) .
- نشرها محمد آل بحر العلوم، النجف (1938) ثم توالت طبعات لهذا الكتاب في النجف، فكانت الخامسة سنة (1967) .
- نشرها الأب أنستاس ماري الكرملي، ضمن كتابه (النقود العربية وعلم النميات، القاهرة (1939 م) .
আস-সাখাবী 'আদ-দাওউল লামি‘' গ্রন্থে (২/২৩) ইঙ্গিত করেছেন যে, এটি মানুষের দ্বীনের মূলনীতি ও শাখা-প্রশাখা বিষয়ক যাবতীয় মতভেদ এবং সেগুলোর প্রমাণাদি ও সঠিক দিকের নির্দেশনার সংকলন। আল-মাকরিজী (রাহিমাহুল্লাহ) 'আয-যাহাবুল মাসবুক' গ্রন্থে (৫, ৭) বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
২৯- (শুযুরুল উকুদ ফি যিকরিন নুকুুদ):এটি ক্ষুদ্রাকৃতির একটি পুস্তিকা, যা একটি ভূমিকা ও একটি উপসংহারে বিভক্ত এবং এর মধ্যবর্তী স্থানে তিনটি অধ্যায় রয়েছে।
- ভূমিকার কথা বললে, এতে তিনি কিতাবটির বিষয়বস্তু নির্দেশ করেছেন: "ইসলামী মুদ্রা বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ"। তিনি এটি [উচ্চতর আদেশ] পালনার্থে রচনা করেছেন, যা সম্ভবত আল-মুয়াইয়াদ [শাইখ আল-মাহমুদী]-এর দরবারের কোনো উচ্চপদস্থ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
- প্রথম অধ্যায়টি তিনি [প্রাচীন মুদ্রা] সম্পর্কে আলোচনার জন্য নির্ধারণ করেছেন, যা কালের পরিক্রমায় প্রচলিত ছিল। দ্বিতীয় অধ্যায়টি করেছেন [ইসলামী মুদ্রা]-এর পরিচিতি, তার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বর্ণনার জন্য। আর তৃতীয় অধ্যায়টি করেছেন [মিশরীয় মুদ্রা] সম্পর্কে আলোচনার জন্য। এই তিনটি অধ্যায়ে তিনি মুদ্রার প্রকারভেদ, সেগুলোর ওজন, মানদণ্ড, মেকি বা জাল মুদ্রা এবং বিভিন্ন যুগে এগুলোতে সংঘটিত পরিবর্তন ও রূপান্তর সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
* এর পাণ্ডুলিপি রয়েছে: নুর ওসমানিয়া লাইব্রেরি, নম্বর (৪৯৩৭); বার্লিন লাইব্রেরি, নম্বর (৬০২৪); লাইডেন লাইব্রেরি, নম্বর (১০১২), (১০১৩); কেমব্রিজ লাইব্রেরি, নম্বর (৪৭৫); এস্কোরিয়াল লাইব্রেরি, নম্বর (১৭৭১)।
এই বইটির বিভিন্ন সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে:
- টিকসেন এটি রোস্টক থেকে প্রকাশ করেন (১৭৯৭ খ্রি.)।
- আহমদ ফারিস আশ-শিদিয়াক এটি ইস্তাম্বুলের জাওয়ায়িব প্রেস থেকে (১২৯৮ হি.) তিনটি পুস্তিকার সংকলনে প্রকাশ করেন।
- মায়ার এটি আলেকজান্দ্রিয়া থেকে প্রকাশ করেন (১৯৩৩)।
- মুহাম্মদ আল বাহরুল উলুম এটি নাজাফ থেকে প্রকাশ করেন (১৯৩৮), এরপর নাজাফে বইটির একের পর এক সংস্করণ বের হয়, যার মধ্যে পঞ্চমটি ছিল ১৯৬৭ সালে।
- ফাদার আনাস্তাস মারি আল-কারমালি এটি তাঁর রচিত 'আন-নুকুুদুল আরাবিয়্যাহ ওয়া ইলমুন নুমিয়াত' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করে কায়রো থেকে প্রকাশ করেন (১৯৩৯ খ্রি.)।
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
30- (ضوء الساري في معرفة خبر تميم الداريّ) :رسالة لطيفة الحجم، يدور موضوعها حول صحابي جليل، هو [تميم ابن أوس الداريّ]رحمه الله وكان نصرانيا، جاء الرسول صلى الله عليه وسلم، ورأى الرسول صلى الله عليه وسلم وأسلم، وروي الرسول صلى الله عليه وسلم عنه حديث [الجساسة والمسيخ الدجال] ، فانفرد هو من دون الصحابة بذلك، وكانت روايته صلى الله عليه وسلم من باب رواية [الفاضل عن المفضول، والمتبوع عن تابعه] ، وقد استعرض المقريزي- رحمه الله من خلال مادتها الحديث عن أنساب الناس وأنساب العرب، وقدوم وفد الداريين علي رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم وإسلام تميم، وتحديثه- عليه السلام عنه، وإقطاعه إياه قريتي [جبرون وعينون] ، ولم يكن فتحهما حدث بعد!! وما كان من أحوال تميم في الجاهلية والإسلام، معددا لمآثره، مؤرخا لوفاته بسنة أربعين للهجرة، مناقشا من خلال تلك الرسالة [قضية الهبة] ، مناقشة فقهية قضائية، مختتما لها بالتعريف بما آل إليه مصير [حبرون وعينون] حتى وقته.
* له نسخة خطية في خزانة ولي الدين بالآستانة. تم طبع هذا المخطوط تحت اسم (ضوء الساري في خبر تميم الداريّ) ، بتحقيق الأستاذ محمد أحمد عاشور، في دار الاعتصام بالقاهرة وبيروت، سنة (1392 هـ) ، اعتمادا علي نسختين خطيتين: الأولى منقولة من الخزانة الوليدية في الآستانة- لعلها نفس خزانة ولي الدين آنفة الذكر- ويدل علي ذلك الرقم الّذي بينه المحقق، فهو نفس رقم المجموع الّذي منه (ضوء الساري) ، والأخرى منقولة عن المكتبة الأهلية في باريس.
31- (الطرفة الغريبة في أخبار وادي حضرموت العجيبة) :رسالة لطيفة الحجم، استفاد المقريزي- رحمه الله مادتها في مكة، أثناء مجاورته فيها سنة (839 هـ 1436 م) من بعض القادمين عليه من أهل حضرموت، ابتدأها بمقدمة موجزة، أشار فيها إلي ذلك قائلا:
৩০- (দ্বাউস সারি ফি মারিফাতি খাবারি তামিম আদ-দারি):এটি একটি ক্ষুদ্র কলেবরের পুস্তিকা, যার বিষয়বস্তু আবর্তিত হয়েছে একজন মহান সাহাবীকে কেন্দ্র করে, তিনি হলেন [তামিম ইবনে আওস আদ-দারি] রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি খ্রিস্টান ছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আগমন করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর থেকে [জাস্সাসা ও মাসিহুদ দাজ্জাল] সংক্রান্ত হাদিস বর্ণনা করেছেন। অন্যান্য সাহাবীদের মধ্যে তিনিই একমাত্র এই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন। তাঁর থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই হাদিস বর্ণনার বিষয়টি ছিল [উত্তম ব্যক্তি কর্তৃক অনুত্তমের নিকট থেকে বর্ণনা এবং অনুসরণীয় ব্যক্তি কর্তৃক অনুসারীর নিকট থেকে বর্ণনা] পর্যায়ের। আল-মাকরিজি রহমতুল্লাহি আলাইহি এই পুস্তিকার বিষয়বস্তুর মাধ্যমে মানুষের বংশলতিকা এবং আরবদের বংশ পরিচয় সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। এছাড়াও এতে দারীয়িন প্রতিনিধি দলের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে আগমন, তামিমের ইসলাম গ্রহণ, তাঁর থেকে রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালামের হাদিস বর্ণনা এবং তাঁকে [হিব্রুন ও আইনুন] নামক দুটি গ্রাম জায়গির হিসেবে প্রদানের কথা উল্লেখ করেছেন, যদিও তখনও সেই এলাকা দুটি বিজিত হয়নি!! তিনি জাহেলিয়াত ও ইসলামে তামিমের অবস্থা বর্ণনা করেছেন, তাঁর গৌরবময় কার্যাবলি গণনা করেছেন এবং তাঁর মৃত্যুর তারিখ হিজরি ৪০ সাল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই পুস্তিকার মাধ্যমে তিনি ফিকহি ও বিচারিক দৃষ্টিকোণ থেকে [হেবার মাসআলা] নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং তাঁর সময় পর্যন্ত [হিব্রুন ও আইনুন] এর সর্বশেষ অবস্থা বর্ণনার মাধ্যমে পুস্তিকাটি সমাপ্ত করেছেন।
* ইস্তাম্বুলের ওয়ালিউদ্দিন গ্রন্থাগারে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে। এই পাণ্ডুলিপিটি (দ্বাউস সারি ফি খাবারি তামিম আদ-দারি) নামে উস্তাদ মুহাম্মদ আহমদ আশুরের সম্পাদনায় কায়রো ও বৈরুতের দারুল ইতিসাম থেকে ১৩৯২ হিজরি সালে প্রকাশিত হয়েছে। এটি দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে সম্পাদিত হয়েছে: প্রথমটি ইস্তাম্বুলের ওয়ালিদিয়া গ্রন্থাগার থেকে সংগৃহীত—সম্ভবত এটি পূর্বে উল্লিখিত ওয়ালিউদ্দিন গ্রন্থাগারই হবে—সম্পাদক যে নম্বরটি উল্লেখ করেছেন তা সেটিই নির্দেশ করে, কারণ এটি সেই একই সংকলনের নম্বর যার অন্তর্ভুক্ত (দ্বাউস সারি)। আর দ্বিতীয়টি প্যারিসের জাতীয় গ্রন্থাগার থেকে সংগৃহীত।
৩১- (আত-তুফাতুল গারিবাহ ফি আখবারি ওয়াদি হাদরামাউত আল-আজিবা):এটি একটি ক্ষুদ্রাকৃতির পুস্তিকা। আল-মাকরিজি রহমতুল্লাহি আলাইহি এর বিষয়বস্তু মক্কায় অবস্থানকালীন সময়ে (৮৩৯ হিজরি/১৪৩৬ খ্রিস্টাব্দ) তাঁর নিকট আগমনকারী হাদরামাউতের কিছু অধিবাসীদের নিকট থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। তিনি এটি একটি সংক্ষিপ্ত ভূমিকা দিয়ে শুরু করেছেন, যাতে তিনি এই প্রসঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
«وبعد، فهذه جملة من اخبار وادي حضرموت، علقتها بمكة- شرفها اللَّه تعالى- أيام مجاورتي بها في عام [تسعة وثلاثين وثمانمائة] ، حدثني بها ثقات من قدم مكة من أهل حضرموت» .
ثم أتبعها بوصف جغرافي موجز لبلاد حضرموت، وما تردد في بعض المصادر من الاختلاف في نسب [حضرموت] ، وما شهرت به هذه البلاد من مزروعات أو حيوان [كالماشية والإبل] ، مذيلا عليها بطائفة كبيرة من الروايات الشفهية، المتضمنة الكثير من الخرافات أو مستغربات الحدوث، مما وثق مؤرخنا به، كنحو قوله:
«وفي جبال ظفار قوم يقال لهم القمر، أهل بادية، وقد جرت العادة في ظفار أنها تمطر ثلاثة أشهر متوالية ليلا ونهارا، مطرا غزيرا جدا فإذا أراد أحد أن يسافر في مدة المطر إلي جهة من الجهات، طلب واحدا من القمر، ودفع له مالا ليدفع عنه المطر، ثم سار معه والمطر نازل، فيصير عن يمينه وشماله ولا يصيبه هو ولا أحماله منه قطرة واحدة، حتى يبلغ حيث يريد.
له نسخة خطية في مكتبة جستربتي- برقم (4118/ 02) ، مكتبة نور العثمانية، برقم (4937/ 4) ، مكتبة ليدن، برقم (810) ، مكتبة كمبرج، برقم (654) ، (655) ، معهد المخطوطات العربية في الكويت، برقم (776/ 02) ، المصورة عن مخطوطة (شستربتي) ، ومخطوطة ولي الدين في مصورتها المحتفظ بها لدى جامعة القاهرة، برقم (26247) ، وقد نشرها [نوسكوى] مع ترجمة لاتينية في بون سنة (1866) .
32- (عجائب تيمور) :
33- (عقد جواهر الأسفاط في أخبار مدينة الفسطاط) :أشار إليه المقريزي- رحمه الله في صدر كتابه (اتعاظ الحنفاء) : 1/ 4 بقوله: «ضمنته ما وقفت عليه، وأرشدني اللَّه- سبحانه- إليه من أحوال مدينة الفسطاط، منذ افتتح أرض مصر أصحاب رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم وصارت دار إسلام، إلي أن قدمت جيوش الإمام المعز لدين اللَّه أبي تميم معد من بلاد المغرب، مع عبده وقائده وكاتبه، أبي الحسين جوهر القائد الصقلي، في سنة
«অতঃপর, এটি হাজরামাউত উপত্যকার খবরাখবরের একটি সংকলন, যা আমি মক্কায়—আল্লাহ তাআলা সেটিকে সম্মানিত করুন—অবস্থানকালে আটশ উনচল্লিশ হিজরি সনে লিপিবদ্ধ করেছি; হাজরামাউতের অধিবাসীদের মধ্য হতে যারা মক্কায় এসেছিলেন, এমন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিবর্গ এগুলো আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।» .
এরপর তিনি হাজরামাউত ভূখণ্ডের একটি সংক্ষিপ্ত ভৌগোলিক বর্ণনা প্রদান করেন এবং হাজরামাউতের বংশপরিচয় নিয়ে কিছু উৎসে যে মতভেদ রয়েছে তা উল্লেখ করেন। এছাড়াও এই অঞ্চল যেসব শস্য বা গবাদি পশু (যেমন উট ও অন্যান্য গবাদি পশু) এর জন্য প্রসিদ্ধ, তার বর্ণনা দিয়েছেন। পরিশেষে তিনি এক বিশাল মৌখিক বর্ণনার সমাবেশ ঘটিয়েছেন, যাতে অনেক রূপকথা বা আশ্চর্যজনক ঘটনার বিবরণ রয়েছে যা আমাদের এই ইতিহাসবিদ নির্ভরযোগ্য মনে করেছেন, যেমন তাঁর এই উক্তি:
«এবং জোফার পাহাড়ে একদল লোক বাস করে যাদের কামার বলা হয়, তারা যাযাবর। জোফারের প্রচলিত নিয়ম হলো সেখানে একটানা তিন মাস দিন-রাত অত্যন্ত প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টির এই সময়ে যদি কেউ কোনো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করতে চায়, তবে সে কামার গোত্রের একজনকে খুঁজে বের করে এবং বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য তাকে কিছু অর্থ প্রদান করে। এরপর সে তার সাথে পথ চলে এবং বৃষ্টি পড়তে থাকে, কিন্তু বৃষ্টি তার ডানে ও বামে সরে যায় এবং সে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত তার ওপর কিংবা তার আসবাবপত্রের ওপর একটি ফোঁটাও পড়ে না।
এটির একটি পাণ্ডুলিপি চেস্টার বিটি লাইব্রেরিতে নম্বর (০২/৪১১৮), নুর উসমানিয়া লাইব্রেরিতে নম্বর (৪/৪৯৩৭), লাইডেন লাইব্রেরিতে নম্বর (৮১০), কেমব্রিজ লাইব্রেরিতে নম্বর (৬৫৪), (৬৫৫), কুয়েতের ইনস্টিটিউট অফ অ্যারাবিক ম্যানুস্ক্রিপ্টসে নম্বর (০২/৭৭৬) (যা চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপি থেকে ছায়ালিপি করা), এবং কায়রো ইউনিভার্সিটিতে রক্ষিত ওয়ালিউদ্দিন পাণ্ডুলিপির ছায়ালিপি নম্বর (২৬২৪৭)-এ সংরক্ষিত আছে। নসকোভি এটি ল্যাটিন অনুবাদসহ ১৮৬৬ সালে বন থেকে প্রকাশ করেছেন।
৩২- (আজায়িবু তৈমুর - তৈমুরের আশ্চর্য ঘটনাবলী) :
৩৩- (ইকদু জাওয়াহিরিল আসফাত ফি আখবারি মদিনাতিল ফুসতাত - ফুসতাত নগরীর সংবাদে মোড়কজাত মণিমাণিক্যের মালা) :আল-মাকরিজি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) তাঁর ‘ইত্তিআযুল হুনাফা’ গ্রন্থের শুরুতে (১/৪) এটির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন: «ফুসতাত নগরীর সেই সকল অবস্থা যা আমি জানতে পেরেছি এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যেগুলোর দিশা দিয়েছেন, তা আমি এতে অন্তর্ভুক্ত করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ কর্তৃক মিশর বিজিত হওয়া এবং এটি ইসলামি ভূখণ্ডে পরিণত হওয়ার সময় থেকে শুরু করে মাগরিবের দেশ হতে ইমাম আল-মুইয লি-দীনিল্লাহ আবু তামিম মা'আদ-এর বাহিনী তাঁর দাস, সেনাপতি ও সচিব আবুল হুসাইন জাওহার আল-কায়েদ আস-সিকিল্লির সাথে আসার বছর পর্যন্ত...»
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ثمان وخمسين وثلاثمائة، ونزلت في شمالي الفسطاط بالمناخ، وأسس مدينة القاهرة، وحل بها» ، كما ذكره أيضا في (السلوك) : 1/ 28.
وقد اشتمل هذا المؤلف علي فترة من تاريخ مصر الإسلامية، امتدت فيما بين الفتحين الإسلامي والفاطمي لها.
34- (قرض سيرة المؤيد لابن ناهض) :ذكره السخاوي في (الضوء اللامع) : 2/ 23.
35- (ما شاهده وسمعه مما لم ينقل في كتاب) :يبدو أنه احتوى علي كثير من النوادر التاريخية وغير التاريخية، مما عايشه المقريزي- رحمه الله أو أخبر به، علي النحو المدرك من قول السخاوي: «
… ومن أعجب ما فيه أنه كان في رمضان سنة (إحدى وتسعين وسبعمائة) مارا بين القصرين، فسمع العوام يتحدثون أن الظاهر برقوق خرج من سجنه بالكرك، واجتمع عليه الناس. قال: فضبطت ذلك اليوم فكان كذلك. (الضوء اللامع) : 2/ 25- 24.
36- (مجمع الفرائد ومنبع الفوائد) :ذكره السخاوي، مشيرا إلي أنه يشتمل علمي على العقل والنقل، المحتوي علي فني الجد والهزل، بلغت مجلداته نحو المائة، بينما أشار ابن تغري بردي إلي أنه كمل منه نحو ثمانين مجلدا كالتذكرة.
(الضوء اللامع) : 2/ 23، (المنهل الصافي) : 1/ 398.
37- (مختصر الكامل في معرفة الضعفاء والمتروكين من الرواة لابن عدي) :* منه نسخة خطية بخط المقريزي- رحمه الله مؤلف هذا المختصر، كتبها سنة (759 هـ) ، وهي في مكتبة مراد ملا باستامبول، برقم (569) ، وعنها مصورة معهد إحياء المخطوطات العربية في القاهرة، برقم (456) تاريخ. أشار إليه المقريزي- رحمه الله في (إمتاع الأسماع) : 11/ 311 بتحقيقنا.
38- (معرفة ما يجب لآل البيت النبوي من الحق علي من عداهم) :
তিনশত আটান্ন (হিজরি), তিনি ফুসতাতের উত্তরে মানাখ নামক স্থানে অবতরণ করেন এবং কায়রো শহর প্রতিষ্ঠা করেন ও সেখানে বসবাস শুরু করেন। যেমনটি তিনি (আস-সুলুক) নামক গ্রন্থেও উল্লেখ করেছেন: ১/২৮।
এই রচনাটি ইসলামি মিশরের ইতিহাসের একটি বিশেষ কালপর্বকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা মিশরে ইসলামি বিজয় এবং ফাতেমি বিজয়ের মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
৩৪- (কারজ সিরাত আল-মুয়ায়্যাদ লি ইবনে নাহিদ):সাখাভি এটি (আদ-দউ আল-লামি) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: ২/২৩।
৩৫- (যা তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন এবং শুনেছেন যা কোনো কিতাবে বর্ণিত হয়নি):প্রতীয়মান হয় যে, এটি অনেক বিরল ঐতিহাসিক ও অনৈতিহাসিক ঘটনাবলি ধারণ করেছে, যা আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) প্রত্যক্ষ করেছেন অথবা তাকে জানানো হয়েছে। সাখাভির বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট হয়: «
… এবং এর মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, সাতশত একানব্বই হিজরির রমজান মাসে তিনি বাইনাল কাসরাইন অতিক্রম করছিলেন, তখন তিনি সাধারণ মানুষকে কথা বলতে শুনলেন যে, আজ-জাহির বারকুক কারাক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন এবং তার কাছে মানুষ একত্রিত হয়েছে। তিনি বলেন: আমি সেই দিনটি লিখে রেখেছিলাম এবং তা তেমনই ছিল। (আদ-দউ আল-লামি): ২/২৪-২৫।
৩৬- (মাজমাউল ফারিদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ):সাখাভি এটি উল্লেখ করেছেন এবং ইশারা করেছেন যে এটি আকলি (যুক্তিভিত্তিক) ও নাকলি (উদ্ধৃতিভিত্তিক) উভয় ইলমকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা গুরুত্ব ও কৌতুক উভয় বিষয়বস্তু সমৃদ্ধ। এর খণ্ডসংখ্যা প্রায় একশতে পৌঁছেছে, যেখানে ইবনে তাগরি বারদি উল্লেখ করেছেন যে এর প্রায় আশি খণ্ড সম্পন্ন হয়েছে যা তাজকিরার মতো।
(আদ-দউ আল-লামি): ২/২৩, (আল-মানহাল আস-সাফি): ১/৩৯৮।
৩৭- (ইবনে আদির ‘আল-কামিল ফি মারিফাতিদ দুয়াফা ওয়াল মাত্রুকিন মিনাল রুওয়াত’-এর সংক্ষিপ্তসার):* এর একটি পাণ্ডুলিপি এই সংক্ষিপ্তসারের লেখক আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ)-এর স্বহস্তে লিখিত রয়েছে, যা তিনি ৭৫৯ হিজরিতে লিখেছিলেন। এটি ইস্তাম্বুলের মুরাদ মোল্লা লাইব্রেরিতে ৫৬৯ নম্বরে সংরক্ষিত আছে এবং কায়রোর ইনস্টিটিউট অফ অ্যারাবিক ম্যানুস্ক্রিপ্টস-এ ৪৫৬ নম্বর ইতিহাসে এর অনুলিপি রয়েছে। আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সম্পাদিত (ইমতাউল আসমা) গ্রন্থের ১১/৩১১ পৃষ্ঠায় এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
৩৮- (নবী পরিবারের প্রতি অন্যদের ওপর ওয়াজিব বা আবশ্যকীয় হক বা অধিকারের পরিচিতি):
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২৬)
رسالة لطيفة الحجم، يدور موضوعها حول ما يجب لآل البيت النبوي علي المسلمين من حبهم وإجلالهم، ونصرتهم ومودتهم، فرغ المقريزي- رحمه الله من تأليفها في ذي القعدة سنة (841 هـ 1438 م) مرتبا لها علي مقدمة، أشار فيها إلي دافعه إلي تأليفها قائلا:
«
… وبعد فإنّي لما رأيت أكثر الناس في حق آل البيت مقصرين، وعما لهم من الحق معرضين، ولمقدارهم مضيعين، وبمكانتهم من اللَّه- تعالى- جاهلين، أحببت أن أقيد في ذلك نبذة تدل علي عظم مقدارهم، وترشد المتقي للَّه- تعالى- علي جليل أقدارهم ليقف عند حده، ويصدق بما وعدهم اللَّه ومن به عليهم من صادق وعده» .
تتبعها فصول خمسة، شارحة من خلال أقوال أئمة اللغة والتفسير لخمس آيات قرآنية، مع ما أتصل بها من الأحاديث النبويّة، عالج موضوعة من خلالها، وهي قوله تعالى:
- إِنَّما يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيراً [الأحزاب: 33] .
- وَالَّذِينَ آمَنُوا وَاتَّبَعَتْهُمْ ذُرِّيَّتُهُمْ بِإِيمانٍ أَلْحَقْنا بِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ [الطور: 21] .
- وَأَمَّا الْجِدارُ فَكانَ لِغُلامَيْنِ يَتِيمَيْنِ فِي الْمَدِينَةِ وَكانَ تَحْتَهُ كَنْزٌ لَهُما وَكانَ أَبُوهُما صالِحاً [الكهف: 82] .
- جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَها وَمَنْ صَلَحَ مِنْ آبائِهِمْ وَأَزْواجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ [الرعد: 23] .
- قُلْ لا أَسْئَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْراً إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبى [الشورى: 23] .
مختتما لهذه الرسالة بعدد من الرؤى والحكايات الشفهية- التي أمده بها شيوخه ورفقته- وتدور كلها حول الحث علي حب آل البيت النبوي وتعظيمهم.
* منه نسخة خطية في فينه، برقم (890) . طبع في دار الاعتصام، ط 2 سنة 1973 م بالقاهرة وبيروت بتحقيق محمد أحمد عاشور.
39- (المقاصد السنية في معرفة الأجسام المعدنية) :مؤلف علمي بحت يبحث في المعادن، أشار المقريزي- رحمه الله-
এটি ক্ষুদ্র কলেবরের একটি পুস্তিকা, যার বিষয়বস্তু নবী পরিবারের (আহলুল বাইত) প্রতি মুসলমানদের ভালোবাসা, সম্মান, সাহায্য এবং হৃদ্যতা প্রদর্শনের আবশ্যকতা নিয়ে আবর্তিত। আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) যিলকদ মাসে এটি রচনা শেষ করেন (৮৪১ হিজরি / ১৪৩৮ খ্রিস্টাব্দ)। তিনি এটি একটি ভূমিকার মাধ্যমে বিন্যস্ত করেছেন, যেখানে তিনি এটি রচনার কারণ উল্লেখ করে বলেছেন:
«
… অতঃপর, আমি যখন দেখলাম যে অধিকাংশ মানুষ নবী পরিবারের হকের ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শন করছে, তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, তাদের মর্যাদাকে নষ্ট করছে এবং আল্লাহর কাছে—তিনি অতি মহান—তাদের উচ্চ মাকাম সম্পর্কে অজ্ঞ থাকছে, তখন আমি এই বিষয়ে এমন কিছু বিষয় লিপিবদ্ধ করতে পছন্দ করলাম যা তাদের মর্যাদার মহত্ত্ব নির্দেশ করবে এবং আল্লাহর—যিনি অতি মহান—প্রতি মুত্তাকি ব্যক্তিকে তাদের সুমহান মর্যাদার পথ দেখাবে, যাতে সে তার সীমার মধ্যে অবস্থান করতে পারে এবং আল্লাহ তাদের সাথে যে সত্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ও তাদের প্রতি যে অনুগ্রহ করেছেন তা বিশ্বাস করে» ।
এর পর পাঁচটি অধ্যায় রয়েছে, যেখানে ভাষা ও তাফসিরের ইমামদের বক্তব্যের আলোকে পাঁচটি কোরআনি আয়াতের ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট হাদিসগুলো তুলে ধরা হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি বিষয়টির সমাধান করেছেন। আয়াতগুলো হলো আল্লাহর এই বাণীসমূহ:
- আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে, হে নবী পরিবার, এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পবিত্র করতে। [সূরা আল-আহযাব: ৩৩] ।
- আর যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের সন্তান-সন্ততি ঈমানের সাথে তাদের অনুগামী হয়েছে, আমি তাদের সন্তানদের তাদের সাথে যুক্ত করে দেব। [সূরা আত-তূর: ২১] ।
- আর দেয়ালটির ব্যাপার এই যে, তা ছিল শহরের দুই এতিম বালকের, তার নিচে ছিল তাদের জন্য রক্ষিত গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল নেককার। [সূরা আল-কাহাফ: ৮২] ।
- স্থায়ী জান্নাত, তারা তাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের পিতৃপুরুষ, স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে যারা নেককার তারাও। [সূরা আর-রা’দ: ২৩] ।
- বল, আমি এর বিনিময়ে তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না, কেবল নিকটাত্মীয়দের প্রতি ভালোবাসা ছাড়া। [সূরা আশ-শূরা: ২৩] ।
পুস্তিকাটি তিনি বেশ কিছু স্বপ্ন ও মৌখিক গল্পের মাধ্যমে সমাপ্ত করেছেন—যা তার শিক্ষক ও সঙ্গীরা তাকে শুনিয়েছেন—যার সবই নবী পরিবারকে ভালোবাসা ও সম্মান করার অনুপ্রেরণা নিয়ে আবর্তিত।
* ভিয়েনায় এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, নম্বর (৮৯০)। এটি কায়রো ও বৈরুতে মুহাম্মদ আহমদ আশুরের সম্পাদনায় ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় সংস্করণ হিসেবে দারুল ইতিসাম থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
৩৯- (আল-মাকাসিদ আস-সুন্নিইয়াহ ফি মা’রিফাতিল আজসাম আল-মা’দানিয়্যাহ):এটি খনিজ পদার্থ বিষয়ক একটি বিশুদ্ধ বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ, আল-মাকরিজি (রহিমাহুল্লাহ) এটি নির্দেশ করেছেন-
(খণ্ড: ১)
ইমতাউল আসমা বিমা লিন-নাবিয়্যি মিনাল আহওয়াল ওয়াল আমওয়াল ওয়াল হাফাদাতি ওয়াল মাতা
(পৃষ্ঠা: ২৭)
من خلاله إلي كروية الأرض، وحركتها، وإحاطة الماء باليابسة من سائر جهاتها، والأجسام المتولدة عليها، وتكويناتها، وصفاتها، وأمكنة وجودها، والقيمة العلمية والمادية والطبية لها.
ومنه نسخة خطية في مكتبة نور عثمانية، برقم (4937/ 9) ، ومكتبة باريس، نسخة تاريخها (842 هـ) ، مكتبة كمبرج، برقم (1082) ، مكتبة جامعة القاهرة، برقم (26247/ 10) .
40- (منتخب التذكرة في التاريخ) :مؤلف في التاريخ الإسلامي العام، اقتصر فيه المقريزي- رحمه الله علي ذكر العرب والفرس، دون غيرهم من الأمم المطيفة بهم في أطراف الأرض، اختصره من مؤلف أبسط منه سماه (التذكرة) ، فكان ما أودعه في هذا المؤلف اللب منه.
* منه نسخة خطية في: دار الكتب المصرية، (فهرس الدار) : (5/ 368) ، مكتبة باريس برقم (1514) عرب، ونسخة أخرى بدار الكتب المصرية، برقم (1658) ، تاريخ عن مخطوطة مكتبة باريس ذات الرقم (1514) عرب، وتقع في نحو 166 ورقة لطيفة الحجم، مزدوجة الصفحات، باستثناء أولها وآخرها، مسطرتها نحو أربعة عشر سطرا.
41- (المنتقى من أخبار مصر لابن ميسر) :يضم الفترة فيما بين سنتي (439 هـ 1047 م) ، (553 هـ 1159 م) ، انتقاه المقريزي- رحمه الله في ربيع الأول للآثار الشرقية سنة (814 هـ 1411 م) .
* طبع في القاهرة- المعهد الفرنسي للآثار الشرقية سنة (1981) بتحقيق أيمن فؤاد سيد.
42- (المواعظ والاعتبار بذكر الخطط والآثار)وتعرف بخطط المقريزي:
منها نسخة خطية في: دار الكتب المصرية، (فهرس الخديوية) :
(1/ 162) ، المكتبة العمومية بدمشق، الأرقام (3437) ، (5696) ، (5697) ، (7004) ، مكتبة أياصوفيا باستامبول، الأرقام (3471) ، (3484) ، مكتبة
এর মাধ্যমে পৃথিবীর গোলত্ব, এর গতি, এর চারপাশ থেকে স্থলভাগকে ঘিরে থাকা জলরাশি, এতে উৎপন্ন বস্তুসমূহ, তাদের গঠন ও বৈশিষ্ট্য, তাদের অবস্থানস্থল এবং তাদের বৈজ্ঞানিক, বস্তুগত ও চিকিৎসা সংক্রান্ত গুরুত্ব সম্পর্কে জানা যায়।
আর এর একটি পাণ্ডুলিপি নূর উসমানিয়া লাইব্রেরিতে (নম্বর ৪৯৩৭/৯), প্যারিস লাইব্রেরিতে যার তারিখ (৮৪২ হিজরী), ক্যামব্রিজ লাইব্রেরিতে (নম্বর ১০৮২) এবং কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে (নম্বর ২৬২৪৭/১০) সংরক্ষিত রয়েছে।
৪০- (মুনতাখাবুত তাযকিরাহ ফিত তারিখ):এটি সাধারণ ইসলামি ইতিহাসের ওপর একটি গ্রন্থ, যাতে আল-মাকরিজি (রাহিমাহুল্লাহ) কেবল আরব ও পারস্যবাসীদের বর্ণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছেন, পৃথিবীর প্রান্তীয় অঞ্চলে তাদের ঘিরে থাকা অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীকে বাদ দিয়েছেন। তিনি এটি তার ‘আত-তাযকিরাহ’ নামক এক বিস্তারিত গ্রন্থ থেকে সংক্ষেপিত করেছেন। ফলে এই গ্রন্থে তিনি যা কিছু সন্নিবেশ করেছেন তা মূলত সেই মূল গ্রন্থের নির্যাস।
* এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে: দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-তে (লাইব্রেরি সূচিপত্র: ৫/৩৬৮), প্যারিস লাইব্রেরিতে যার আরবী নম্বর ১৫১৪, এবং দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-তে আরেকটি কপি রয়েছে যার নম্বর ১৬৫৮। এটি প্যারিস লাইব্রেরির ১৫১৪ নম্বর আরবী পাণ্ডুলিপি থেকে সংগৃহীত। এটি প্রায় ১৬৬টি সুন্দর আকৃতির পাতায় বিস্তৃত, প্রথম ও শেষ পাতা বাদে প্রতিটি পৃষ্ঠা দ্বিমুখী এবং এর প্রতি পৃষ্ঠায় প্রায় চৌদ্দটি লাইন রয়েছে।
৪১- (ইবনে মুয়াসসারের মিসরের সংবাদ থেকে সংকলিত):এটি ৪৩৯ হিজরী (১০৪৭ খ্রিস্টাব্দ) থেকে ৫৫৩ হিজরী (১১৫৯ খ্রিস্টাব্দ) পর্যন্ত সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করে। আল-মাকরিজি (রাহিমাহুল্লাহ) ৮১৪ হিজরীর (১৪১১ খ্রিস্টাব্দ) রবিউল আউয়াল মাসে প্রাচ্য প্রত্নতত্ত্বের জন্য এটি নির্বাচন করেছেন।
* এটি কায়রোতে ফরাসি প্রাচ্য প্রত্নতত্ত্ব ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮১ সালে আইমান ফুয়াদ সাইয়িদের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে।
৪২- (আল-মাওয়াইজু ওয়াল ইতিবার বি যিকরিল খুতাতি ওয়াল আসার)যা ‘মাকরিজির খুতাত’ নামে পরিচিত:
এর পাণ্ডুলিপি রয়েছে: দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-তে (খেদিভিয়াল সূচিপত্র: ১/১৬২), দামেস্কের পাবলিক লাইব্রেরিতে যার নম্বরসমূহ হলো ৩৪৩৭, ৫৬৯৬, ৫৬৯৭, ৭০০৪, ইস্তাম্বুলের আয়া সোফিয়া লাইব্রেরিতে যার নম্বরসমূহ হলো ৩৪৭১, ৩৪৮৪, লাইব্রেরি...