(খণ্ড: ১)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: -)
الجامع لعلوم الإمام أحمد - أصول الفقه القسم: أصول الفقه
الكتاب: الجامع لعلوم الإمام أحمد - أصول الفقه
الإمام: أبو عبد الله أحمد بن حنبل
المؤلف: خالد الرباط، سيد عزت عيد [بمشاركة الباحثين بدار الفلاح]
الناشر: دار الفلاح للبحث العلمي وتحقيق التراث، الفيوم - جمهورية مصر العربية
الطبعة: الأولى، 1430 هـ - 2009 م
عدد الأجزاء: 22 (هذا القسم هو من الجزء 5 من الكتاب)
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 21 جُمادَى الأولى 1438
ইমাম আহমাদ (রহ.)-এর ইলমের সংকলন - উসূলুল ফিকহ বিভাগ: উসূলুল ফিকহ
কিতাব: ইমাম আহমাদ (রহ.)-এর ইলমের সংকলন - উসূলুল ফিকহ
ইমাম: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন হাম্বল
লেখক: খালিদ আর-রিবাত, সাইয়িদ ইজ্জাত ঈদ [দারুল ফালাহ-এর গবেষকদের সহযোগিতায়]
প্রকাশক: দারুল ফালাহ লিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকীকিত তুরাস, আল-ফাইয়ুম - আরব প্রজাতন্ত্র মিসর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩০ হিজরি - ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২২ (এই বিভাগটি বইটির ৫ নং খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত)
শামেলার জন্য প্রস্তুতকরণে: রাবিতা আন-নুসসাখ দল (মার্কাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ-এর তত্ত্বাবধানে)
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২১ জুমাদাল উলা ১৪৩৮
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: -)
مدونة الحنابلة (1)
الجامع لعلوم الإمام أحمد
تأليف
خالد الرباط - سيد عزت عيد
(بمشاركة الباحثين بدار الفلاح)
«قسم الفقه 1»
[المجلد الخامس]
হাম্বলি শাস্ত্রীয় সংকলন (১)
ইমাম আহমদের জ্ঞানসমূহের পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহ
রচনায়
খালিদ আল-রিবাত - সাইয়্যেদ ইজ্জাত ঈদ
(দারুল ফালাহ-এর গবেষকবৃন্দের সহযোগিতায়)
«ফিকহ বিভাগ ১»
[পঞ্চম খণ্ড]
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ২)
جَمِيع الْحُقُوق مَحْفُوظَة لدار الْفَلاح وَلَا يجوز نشر هَذَا الْكتاب بِأَيّ صِيغَة أَو تَصْوِيره PDF إِلَّا بِإِذن خطي من صَاحب الدَّار الْأُسْتَاذ/ خَالِد الرِّبَاط
الطبعة الأولى
1430 هـ - 2009 م
رقم الْإِيدَاع بدار الْكتب
19194/ 2009
دَار الْفَلاح للبحث العلمي وَتَحْقِيق التراث
18 شَارِع أحمس - حَيّ الجامعة - الفيوم
ت: 01000059200
Kh_rbat@hotmail.com
দারুল ফালাহ-এর জন্য সকল স্বত্ব সংরক্ষিত এবং এই কিতাবটি কোনো মাধ্যমে প্রকাশ করা বা এর পিডিএফ (PDF) চিত্রায়ন করা বৈধ নয়, কেবল প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী উস্তাদ খালিদ আর-রিবাত-এর লিখিত অনুমতি ব্যতিরেকে।
প্রথম সংস্করণ
১৪৩০ হিজরী - ২০০৯ ঈসায়ী
জাতীয় গ্রন্থাগার নিবন্ধন নম্বর
১৯১৯৪/ ২০০৯
বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং ঐতিহ্য সম্পাদনার জন্য দারুল ফালাহ
১৮ আহমাস সড়ক - বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা - আল-ফাইয়ুম
টেলিফোন: ০১০০০০৫৯২০০
Kh_rbat@hotmail.com
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
الْجَامِعُ لِعُلوْم الإِمَامِ أَحْمد
[5]
ইমাম আহমদের ইলমসমূহের সংকলন
[5]
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
الجامع لعلوم الإمام أحمد
جمع وإعداد وتصنيف
خالد الرباط
سيد عزت عيد. . . وائل إمام عبد الفتاح
محمد أحمد عبد التواب. . . محمد عبد الفتاح علي
أحمد محمود عبد المجيد. . . إبراهيم النحاس
خرج أحاديثه
هاني رمضان هاشم. . . أحمد فوزي إبراهيم. . . أحمد روبي عبد العظيم
أحمد عويس جنيدي. . . ربيع محمد عوض اللَّه. . . شعبان محمد جنيدي
شارك في المقابلات
خالد مصطفى توفيق - عصام حمدي - رجب شعبان محمد
شارك في جمع المادة العلمية والأعمال المساندة
سامح محمد عيد. . . شريف محمد عبد اللطيف. . . خالد حشيش. . . أحمد يحيى ساعدي
علي يوسف محمد. . . عادل حمدي إبراهيم. . . مصطفى ربيع عبد الفتاح. . . علي صبحي عويس
محمد سعد هيبة. . . حسام عبد الفتاح حمزة. . . أحمد محمد مصطفى. . . محمد زكريا يوسف
عادل غريني. . . ياسر عبد التواب عويس. . . أحمد رمضان. . . يحيى حسن بكر
سيد قطب محمود. . . حسام كمال توفيق. . . عبد اللَّه فؤاد الحمراني. . . مصطفى عبد الحميد
عادل أحمد التلاوي. . . ماجد عويس القرني. . . محمود محمد حمزة. . . أحمد محمد منير
محمود محمد بيومي. . . محمود محمد عوض اللَّه. . . مصطفى محمد جمعة. . . محمد علي عبد الحافظ
شارك في الإشراف الإداري
د. جمعة فتحي عبد الحليم - أحمد عبد اللَّه محمد علي
আল-জামি লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ
সংকলন, প্রস্তুতি ও বিন্যাস
খালিদ আল-রিবাত
সাইয়্যেদ ইজ্জত ঈদ... ওয়ায়েল ইমাম আবদ আল-ফাত্তাহ
মুহাম্মদ আহমাদ আবদ আত-তাওয়াব... মুহাম্মদ আবদ আল-ফাত্তাহ আলী
আহমাদ মাহমুদ আবদ আল-মাজিদ... ইব্রাহিম আন-নাহহাস
হাদিসসমূহের তাখরিজ করেছেন
হানি রামাদান হাশিম... আহমাদ ফাওজি ইব্রাহিম... আহমাদ রুবি আবদ আল-আজিম
আহমাদ উওয়াইস জুনাইদি... রবি মুহাম্মদ আওয়াদুল্লাহ... শাবান মুহাম্মদ জুনাইদি
পাণ্ডুলিপি পাঠ ও যাচাইয়ে অংশ নিয়েছেন
খালিদ মুস্তফা তাওফিক - ইসাম হামদি - রজব শাবান মুহাম্মদ
ইলমি উপকরণ সংগ্রহ এবং আনুষঙ্গিক কাজে অংশগ্রহণ করেছেন
সামিহ মুহাম্মদ ঈদ... শরিফ মুহাম্মদ আবদ আল-লাতিফ... খালিদ হাশিশ... আহমাদ ইয়াহইয়া সায়িদি
আলী ইউসুফ মুহাম্মদ... আদিল হামদি ইব্রাহিম... মুস্তফা রবি আবদ আল-ফাত্তাহ... আলী সুবহি উওয়াইস
মুহাম্মদ সাদ হাইবা... হুসাম আবদ আল-ফাত্তাহ হামজা... আহমাদ মুহাম্মদ মুস্তফা... মুহাম্মদ জাকারিয়া ইউসুফ
আদিল গুরিনি... ইয়াসির আবদ আত-তাওয়াব উওয়াইস... আহমাদ রামাদান... ইয়াহইয়া হাসান বকর
সাইয়্যেদ কুতুব মাহমুদ... হুসাম কামাল তাওফিক... আবদুল্লাহ ফুয়াদ আল-হামরানি... মুস্তফা আবদ আল-হামিদ
আদিল আহমাদ আত-তিল্লাবি... মাজিদ উওয়াইস আল-কারনি... মাহমুদ মুহাম্মদ হামজা... আহমাদ মুহাম্মদ মুনির
মাহমুদ মুহাম্মদ বায়ুমি... মাহমুদ মুহাম্মদ আওয়াদুল্লাহ... মুস্তফা মুহাম্মদ জুমা... মুহাম্মদ আলী আবদ আল-হাফিজ
প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে অংশ নিয়েছেন
ড. জুমা ফাতহি আবদ আল-হালিম - আহমাদ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ আলী
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
بين يدي قسم الفقه
هذا القسم من أهم مقاصد هذه الموسوعة، فهو بمثابة كتاب الفقه الحنبلي الأول، ونظرًا لأن أقوال الإمام أحمد بمثابة فتاوى في أغلبها فتجدها متفرعة ولو اتبعنا تقسيمها على حالها لكانت فروعًا ومسائل كثيرة جدًّا، لذلك راعينا عند تقسيم المسائل جمع عدة روايات تحت المسألة الواحدة وقد يحتاج ذلك إلى صيغة عامة لعنوان المسألة.
وبالرغم من محاولتنا الالتزام بالترتيب الفقهي عند الحنابلة، إلا أننا قدمنا الترتيب الفقهي المنطقي العام بما يوافق تسلسل المسائل في الكتاب الواحد؛ ليسهل الوصول للمسألة بصرف النظر عن مذهب الباحث، كما أن هذه الطريقة تيسر إدراج ما يظهر من أقوال ليست هنا دون الإخلال بالترتيب أو ترقيم المسائل، كما يسهل إتمام أي قول فقدنا بعضه رغمًا عنا.
وراعينا قدر الإمكان الحفاظ على ألفاظ واصطلاحات المذهب عند تسمية المسائل، كذلك ترتيبنا للمسائل داخل أبوابها وكتبها.
أما ما يتعلق بالمصادر فهي مع مقدمات الموسوعة، وكما أوضحنا في مقدمة الموسوعة فإنَّ هذا القسم -كغيره من باقي الأقسام- له ترقيم مستقل يبدأ من المجلد الخامس حتى المجلد الثالث عشر، وهذه
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ফিকহ বিভাগের প্রারম্ভে
এই বিভাগটি এই বিশ্বকোষের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, এটি হাম্বলী ফিকহের প্রথম কিতাবের সমতুল্য। যেহেতু ইমাম আহমাদের অধিকাংশ উক্তি ফতোয়া স্বরূপ, তাই আপনি সেগুলোকে বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত পাবেন। যদি আমরা সেগুলোর বিভাজনকে বর্তমান অবস্থায় অনুসরণ করতাম, তবে তা অসংখ্য শাখা ও মাসআলায় পরিণত হতো। তাই মাসআলাগুলো বিন্যাসের সময় আমরা একটি মাসআলার অধীনে একাধিক বর্ণনাকে একত্রিত করার বিষয়টি বিবেচনা করেছি, যার ফলে মাসআলার শিরোনামের জন্য একটি সাধারণ ভাষ্যের প্রয়োজন হয়েছে।
হাম্বলী ফিকহের বিন্যাস অনুসরণ করার চেষ্টা করা সত্ত্বেও আমরা একটি কিতাবের মাসআলাগুলোর ধারাবাহিকতার সাথে সংগতি রেখে সাধারণ যৌক্তিক ফিকহি বিন্যাসকে অগ্রাধিকার দিয়েছি; যাতে গবেষকের মাযহাব যাই হোক না কেন, মাসআলাটি খুঁজে পাওয়া তার জন্য সহজ হয়। পাশাপাশি এই পদ্ধতিটি বিন্যাস বা মাসআলার ক্রম ঠিক রেখে এখানে বিদ্যমান নেই এমন কোনো নতুন বক্তব্য সংযোজন করাকে সহজতর করে, তদ্রূপ আমাদের অনিচ্ছাসত্ত্বেও অসম্পূর্ণ রয়ে যাওয়া কোনো বক্তব্য পূর্ণ করাকেও সহজ করে।
আমরা মাসআলাগুলোর নামকরণের ক্ষেত্রে মাযহাবের শব্দ ও পরিভাষাগুলো বজায় রাখার যথাসম্ভব চেষ্টা করেছি, একইভাবে অধ্যায় ও কিতাবসমূহের ভেতরে মাসআলাগুলোর বিন্যাসের ক্ষেত্রেও এটি অনুসরণ করা হয়েছে।
আর উৎসসমূহের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি বিশ্বকোষের ভূমিকার সাথে রয়েছে। যেমনটি আমরা বিশ্বকোষের ভূমিকায় স্পষ্ট করেছি যে, এই বিভাগটি—অন্যান্য বিভাগের ন্যায়—একটি স্বতন্ত্র সংখ্যায়ন পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত, যা পঞ্চম খণ্ড থেকে শুরু হয়ে ত্রয়োদশ খণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। আর এটি...
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
المجلدات التسعة ترقيم المسائل فيها من (1) إلى (3262) وقد أضفنا في هذا القسم أقساما أخرى قد لا تكون منه لكنها أقرب إليه؛ وذلك لصغر حجمها، فلم نرد أن نجعلها قسما مستقلا، بل جعلناها كتبا من ضمن قسم الفقه، وهي:
كتاب العلم - وهو أول كتاب في قسم الفقه
كتاب أصول الفقه - وهو ثاني كتاب في قسم الفقه
كتاب علوم القرآن والتفسير - وهو آخر كتاب في قسم الفقه
ومما ينبغي الإشارة إليه في هذا السياق أننا وضعنا (كتاب معاني الأحاديث والآثار) مع قسم الحديث، وقد يكون فيه شيء يسير له صلة بالفقه.
واللَّه نسأل التوفيق والقبول
وصلى اللَّه على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم
নয়টি খণ্ডে মাসআলাগুলোর নম্বর (১) থেকে (৩২৬২) পর্যন্ত। আমরা এই বিভাগে আরও কিছু বিভাগ যুক্ত করেছি যা সম্ভবত এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে এর অধিকতর নিকটবর্তী; আর তা করা হয়েছে এগুলোর ক্ষুদ্র আয়তনের কারণে। তাই আমরা সেগুলোকে স্বতন্ত্র বিভাগ করতে চাইনি, বরং ফিকহ বিভাগের অন্তর্গত গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করেছি, আর সেগুলো হলো:
ইলম অধ্যায় - যা ফিকহ বিভাগের প্রথম গ্রন্থ
উসূলে ফিকহ অধ্যায় - যা ফিকহ বিভাগের দ্বিতীয় গ্রন্থ
উলূমুল কুরআন ও তাফসীর অধ্যায় - যা ফিকহ বিভাগের সর্বশেষ গ্রন্থ
এই প্রসঙ্গে যা উল্লেখ করা প্রয়োজন তা হলো, আমরা (কিতাব মাআনী আল-আহাদিস ওয়াল আসার) গ্রন্থটিকে হাদিস বিভাগের সাথে যুক্ত করেছি, যদিও এতে ফিকহের সাথে সংশ্লিষ্ট সামান্য কিছু বিষয় থাকতে পারে।
আমরা আল্লাহর নিকট তাওফিক ও কবুলিয়ত প্রার্থনা করছি
আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
المجلد الأول من (قسم الفقه)
1 - كتاب العلم.
2 - كتاب أصول الفقه.
3 - كتاب الطهارة.
4 - أول كتاب الصلاة.
ফিকহ বিভাগের প্রথম খণ্ড
১ - ইলম অধ্যায়।
২ - উসূলে ফিকহ অধ্যায়।
৩ - পবিত্রতা অধ্যায়।
৪ - সালাত অধ্যায়ের প্রথমাংশ।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
كتاب العلم
1 - بيان فضل العلم ومنزلته والتحذير من الجهلقال صالح: قال له إنسان: التعليم أحب إليك أو المسألة؟
قال: التعليم أحب إلي من المسألة.
"مسائل صالح" (431)
قال صالح: رجل له ولد يُعلَّم بلا مشارطة، وهو يسأل والده الخروج إلى الثغر، فتكره خروجه؟
قال: لا يخرج، فالتعليم أحب إلي من المسألة.
"مسائل صالح" (1090)
قال ابن هانئ: قيل له: يطلب الرجل الحديث بقدر ما يظن أنه قد انتفع به؟
قال: العلم لا يعدله شيء.
"مسائل ابن هانئ" (1931)
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد الرحمن، عن بشر بن منصور، عن ثور بن يزيد، وقال غير عبد الرحمن: عن عبد العزيز بن ظبيان قال: قال المسيح عليه السلام: من تعلم وعمل وعلم، فذاك يسمى أو يدعى عظيمًا في ملكوت السماء.
"الزهد" ص 76 - 77
قال عبد اللَّه: أخبرني أبي، أخبرنا سيار، حدثنا جعفر، حدثنا عبد الجليل، عن أبي عبد السلام، عن كعب -يعني: كعب الأحبار- قال: أوحى اللَّه عز وجل إلى موسى أن عَلِّم الخير وتعلمه؛ فإنه منور لمعلم
ইলম বা জ্ঞান অধ্যায়
১ - ইলমের ফযীলত ও মর্যাদা বর্ণনা এবং মূর্খতা সম্পর্কে সতর্কতাসালিহ বলেন: এক ব্যক্তি তাঁকে (ইমাম আহমাদকে) জিজ্ঞেস করলেন: আপনার কাছে শিক্ষাদান বেশি পছন্দনীয় নাকি মাসআলা অন্বেষণ করা?
তিনি বললেন: মাসআলা অন্বেষণ করার চেয়ে শিক্ষাদান আমার নিকট অধিকতর পছন্দনীয়।
"মাসাইলু সালিহ" (৪৩১)
সালিহ বলেন: জনৈক ব্যক্তির একটি পুত্র রয়েছে যে কোনো বিনিময় ছাড়াই শিক্ষা দান করে, সে তার পিতার কাছে সীমান্ত পাহারার (জিহাদের) উদ্দেশ্যে যাওয়ার অনুমতি চায়; আপনি কি তার বেরিয়ে যাওয়া অপছন্দ করেন?
তিনি বললেন: সে বের হবে না, কেননা মাসআলা অন্বেষণের চেয়ে শিক্ষাদান আমার নিকট অধিকতর পছন্দনীয়।
"মাসাইলু সালিহ" (১০৯০)
ইবনুল হানি বলেন: তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: কোনো ব্যক্তি কি ততটুকুই হাদিস অন্বেষণ করবে যতটুকু সে মনে করে যে তা দ্বারা সে উপকৃত হয়েছে?
তিনি বললেন: ইলমের সমতুল্য কোনো কিছুই নেই।
"মাসাইলু ইবনিল হানি" (১৯৩১)
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মানসুর থেকে, তিনি সাওর ইবনে ইয়াজিদ থেকে; আর আবদুর রহমান ব্যতীত অন্য একজন বলেন: আবদুল আজিজ ইবনে যাবইয়ান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মাসীহ আলাইহিস সালাম বলেছেন: যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জন করল, সে অনুযায়ী আমল করল এবং শিক্ষা দিল, আসমানি রাজত্বে তাকে 'মহান' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৭৬ - ৭৭
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, সাইয়্যার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল জলিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুস সালাম থেকে, তিনি কাব—অর্থাৎ কাব আল-আহবার—থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা মূসার প্রতি ওহী অবতীর্ণ করলেন যে, তুমি কল্যাণ শিক্ষা দাও এবং তা শেখো; কেননা তা শিক্ষাদাতার জন্য আলোকবর্তিকা স্বরূপ...
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
الخير ومتعلمه في قبورهم حتى لا يستوحشوا لمكانهم.
"الزهد" ص 86
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا معاوية، عن أبي الزاهرية، عن جبير بن نفير، عن أبي الدرداء قال: العالم والمتعلم في الأجر سواء ولا خير فيما سواهما.
"الزهد" ص 169
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا شجاع -يعني: صاحب السابري قال: سمعت معاوية بن قرة يقول: قال أبو الدرداء: اطلبوا العلم فإن لم تطلبوه فأحبوا أهله، فإن لم تحبوهم فلا تبغضوهم.
"الزهد" ص 110
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا هاشم، حدثنا حريز، عن عبد الرحمن ابن أبي عوف، عن عبد الرحمن بن منصور الفزاري، عن أبي الدرداء أنه قال: ما من رجل يغدو إلى المسجد بخير يتعلمه أو يُعلمه إلا كتب اللَّه له أجر المجاهد، ولا ينقلب إلا غانمًا.
"الزهد" ص 174
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد الرحمن، عن أبي عوانة، عن الأعمش، عن تميم بن سلمة، عن أبي عبيدة، عن عبد اللَّه قال: من يرد اللَّه به خيرًا يفقهه في الدين.
"الزهد" ص 198
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا محمد بن عبد اللَّه، حدثنا سفيان، عن عمر بن عبد العزيز قال: من عمل بغير علم كان ما يفسد أكثر مما يصلح.
"الزهد" ص 366
কল্যাণ এবং তার শিক্ষার্থীরা তাদের কবরে এমন অবস্থায় থাকবে যাতে তারা তাদের স্থানের কারণে একাকীত্ব বা আতঙ্ক বোধ না করে।
"আল-জুহদ" পৃষ্ঠা ৮৬
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুর রহমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুআবিয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু যাহিরিয়্যাহ থেকে, তিনি জুবায়ের ইবনে নুফায়ের থেকে, তিনি আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলেম এবং শিক্ষার্থী সওয়াবের ক্ষেত্রে সমান, আর এ দুই শ্রেণি ব্যতীত অন্য কোনো কিছুতে কল্যাণ নেই।
"আল-জুহদ" পৃষ্ঠা ১৬৯
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুস সামাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, শুজা—অর্থাৎ সাহিবুস সাবিরি—আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মুআবিয়া ইবনে কুররাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু দারদা (রা.) বলেছেন: তোমরা জ্ঞান অন্বেষণ করো; যদি অন্বেষণ না করো তবে জ্ঞানীদের ভালোবাসো; আর যদি তাদের ভালোবাসতে না পারো তবে তাদের ঘৃণা করো না।
"আল-জুহদ" পৃষ্ঠা ১১০
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, হাশেম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হারীয আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আবি আওফ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে মানসুর আল-ফাজারি থেকে, তিনি আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কল্যাণ শেখার বা শেখানোর উদ্দেশ্যে মসজিদে যায়, তবে আল্লাহ তার জন্য একজন মুজাহিদের সওয়াব লিখে দেন, এবং সে লাভবান হয়েই ফিরে আসে।
"আল-জুহদ" পৃষ্ঠা ১৭৪
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুর রহমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আওয়ানাহ থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি তামীম ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন।
"আল-জুহদ" পৃষ্ঠা ১৯৮
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উমর ইবনে আবদুল আজিজ থেকে, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি জ্ঞান ব্যতীত আমল করে, সে সংশোধনের চেয়ে নষ্টই বেশি করে।
"আল-জুহদ" পৃষ্ঠা ৩৬৬
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن عبيد بن عمير قال: من يرد اللَّه به خيرًا يفقهه في الدين ويلهمه رشده.
"الزهد" ص 454
قال أبو الحارث: سمعت أبا عبد اللَّه يقول: إنما العلم مواهب يؤتيه اللَّه من أحب من خلقه، وليس يناله أحد بالحسب، ولو كان لعلة الحسب لكان أولى الناس به أهل بيت النبي صلى الله عليه وسلم.
"طبقات الحنابلة" 1/ 28
نقل عنه أبو داود: العلم: تعلمه وتعليمه أفضل من الجهاد وغيره.
"الفروع" 1/ 523 - 524، "الإنصاف" 4/ 100 - 101
ونقل المروذي ويوسف بن موسى، في رجل أراد أن يصوم تطوعًا فأفطر لطلب العلم، فقال: إذا احتاج إلى طلب العلم فهو أحب إلي.
"الفروع" 1/ 527
2 - منزلة العلماءقال صالح: حدثني أبي، قال: حدثنا يحيى بن عبد الملك بن حميد ابن أبي غنية، قال: حدثنا زمعة بن صالح، قال: قال الزهري لسليمان بن هشام: ألا تسأل أبا حازم ما قال في العلماء؟
قال: يا أبا حازم ما قلت في العلماء؟
قال: وما عسيت أن أقول في العلماء إِلا خيرًا، إِني أدركت العلماء وقد استغنوا بعلمهم عن أهل الدنيا، ولم يستغن أهل الدنيا بدنياهم عن علمهم فلما رأى ذلك هذا وأصحابه تعلموا العلم، فلم يستغنوا به،
আবদুল্লাহ বলেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি উবায়েদ বিন উমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন এবং তাকে সঠিক পথের দিশা প্রদান করেন।
"কিতাবুয যুহদ" পৃষ্ঠা ৪৫৪
আবু আল-হারিস বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই ইলম হলো মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ দান যা তিনি তাঁর সৃষ্টির মধ্যে যাকে ভালোবাসেন তাকে প্রদান করেন। বংশমর্যাদার মাধ্যমে কেউ তা লাভ করতে পারে না। যদি বংশমর্যাদাই এর মানদণ্ড হতো, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবারবর্গই এর সবচেয়ে যোগ্য হতেন।
"তাবাক্বাতুল হানাবিলা" ১/ ২৮
আবু দাউদ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইলম শিক্ষা করা এবং শিক্ষা দান করা জিহাদ ও অন্যান্য আমলের চেয়ে উত্তম।
"আল-ফুরু" ১/ ৫২৩ - ৫২৪, "আল-ইনসাফ" ৪/ ১০০ - ১০১
আল-মারওয়াযী এবং ইউসুফ বিন মুসা বর্ণনা করেছেন—এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে নফল রোজা রাখার ইচ্ছা করেছিল কিন্তু ইলম অন্বেষণের জন্য রোজা ভঙ্গ করল, তখন তিনি বললেন: যদি তার ইলম অর্জনের প্রয়োজন থাকে, তবে এটিই আমার নিকট অধিক প্রিয়।
"আল-ফুরু" ১/ ৫২৭
২ - আলেমদের মর্যাদাসালিহ বলেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া বিন আব্দুল মালিক বিন হুমাইদ ইবন আবি গুনইয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যামআহ বিন সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যুহরী সুলাইমান বিন হিশামকে বললেন: আপনি কি আবু হাযিমকে জিজ্ঞাসা করবেন না যে তিনি আলেমদের সম্পর্কে কী বলেছেন?
তিনি বললেন: হে আবু হাযিম, আপনি আলেমদের সম্পর্কে কী বলেছেন?
তিনি বললেন: আলেমদের সম্পর্কে কল্যাণকর কথা ছাড়া আর কী-ই বা বলতে পারি? আমি এমন আলেমদের পেয়েছি যারা তাদের ইলমের মাধ্যমে দুনিয়াদারদের থেকে অমুখাপেক্ষী ছিলেন, অথচ দুনিয়াদাররা তাদের দুনিয়া থাকা সত্ত্বেও আলেমদের ইলমের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত হতে পারেনি। অতঃপর যখন এই ব্যক্তি ও তার সঙ্গীরা তা দেখল, তখন তারা ইলম শিক্ষা করল, কিন্তু তারা তার (ইলমের) মাধ্যমে অমুখাপেক্ষী হতে পারল না,
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
واستغنى أهل الدنيا بدنياهم عن علمهم، فلما رأوا ذلك قذفوا بعلمهم إِلى أهل الدنيا، ولم ينلهم أهل الدنيا من دنياهم شيئًا.
إن هذا وأصحابه ليسوا علماء إِنما هم رواة.
قال الزهري: إِنه لجاري بيت ببيت، وما علمت أن هذا عنده.
قال: صدق، أما أني لو كنت غنيًّا عرفتني، قال: فقال له سليمان: ما المخرج مما نحن فيه؟
قال: تمضي ما في يديك بما أمرت به، وتكف عما نهيت عنه. فقال: سبحان اللَّه ومن يطيق هذا؟
قال: من طلب الجنة وفر من النار. وما هذا فيما يطلب ويفر منه.
"مسائل صالح" (884)
قال المروذي: قال أبو عبد اللَّه: العالم يقتدى به، ليس العالم مثل الجاهل.
"الورع" (63)
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عطاء بن السائب، عن أبي البختري، عن سلمان رحمه الله قال: لا يزال الناس بخير ما بقي الأول حتى يتعلم الآخر، فإذا ذهب الأول قبل أن يتعلم الآخر فذاك حين هلكوا.
"الزهد" ص 189
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا أبو عبيدة، حدثنا هشام، عن الحسن قال: كانوا يقولون: موت العالم ثلمة في الإسلام لا يسدها شيء ما اختلف الليل والنهار.
"الزهد" ص 321
পার্থিব জগতের মানুষ তাদের দুনিয়ার মোহে আলেমদের ইলম থেকে বিমুখ হয়ে গেল। আলেমগণ যখন এটি দেখলেন, তখন তাঁরা তাঁদের ইলম দুনিয়াদারদের দিকে ছুঁড়ে দিলেন, কিন্তু দুনিয়াদাররা তাদের দুনিয়া থেকে তাঁদের কিছুই দিল না।
নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি এবং তার সঙ্গীরা আলেম নন, বরং তারা কেবল বর্ণনাকারী।
যুহরী রহ. বলেন: তিনি আমার ঘরের পাশের প্রতিবেশী ছিলেন, অথচ আমি জানতামই না যে তাঁর কাছে এই ইলম ছিল।
তিনি বললেন: তিনি সত্য বলেছেন; আমি যদি ধনী হতাম তবে আপনি আমাকে চিনতেন। বর্ণনাকারী বলেন: তখন সুলাইমান তাঁকে বললেন: আমরা যে অবস্থার মধ্যে আছি তা থেকে উত্তরণের পথ কী?
তিনি বললেন: আপনার হাতে যা আছে তা দিয়ে আপনি তা-ই করবেন যা আপনাকে আদেশ করা হয়েছে, এবং যা থেকে আপনাকে নিষেধ করা হয়েছে তা থেকে বিরত থাকবেন। তখন তিনি বললেন: সুবহানাল্লাহ! কার সামর্থ্য আছে এটি করার?
তিনি বললেন: যে ব্যক্তি জান্নাত চায় এবং জাহান্নাম থেকে পলায়ন করে। আর যা চাওয়া হচ্ছে এবং যা থেকে পালানো হচ্ছে, তার তুলনায় এটি তো কিছুই নয়।
"মাসায়িলে সালিহ" (৮৮৪)
আল-মারওয়াযী বলেন: আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) বলেছেন: আলেম হলেন এমন ব্যক্তি যাকে অনুসরণ করা হয়, আলেম আর জাহিল (অজ্ঞ) সমান নয়।
"আল-ওয়ারা" (৬৩)
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী আমাদের নিকট সুফইয়ান থেকে, তিনি আতা ইবনুস সাইব থেকে, তিনি আবুল বাখতারী থেকে, তিনি সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত কল্যাণের ওপর থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ববর্তী আলেমগণ জীবিত থাকবেন যাতে পরবর্তী প্রজন্ম তাঁদের থেকে শিখতে পারে। আর যখন পরবর্তীরা শেখার আগেই পূর্ববর্তীরা চলে যাবেন, তখনই তারা ধ্বংস হয়ে যাবে।
"আয-যুহদ", পৃষ্ঠা ১৮৯
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উবায়দাহ আমাদের নিকট হিশাম থেকে, তিনি হাসান বসরী রহ. থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তাঁরা (সালাফগণ) বলতেন: একজন আলেমের মৃত্যু ইসলামের মধ্যে এমন এক ফাটল বা অপূরণীয় ক্ষতি, যা দিন-রাতের আবর্তনের মাঝে কোনো কিছু দিয়েই পূরণ করা সম্ভব নয়।
"আয-যুহদ", পৃষ্ঠা ৩২১
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
3 - الحث على طلب العلم والرحلة إليهقال صالح: سمعت أبي يقول: بلغني أن شعبة أقام على الحكم بن عتيبة ثمانية عشر شهرًا حتى باع جذوع بيته.
"مسائل صالح" (872)
قال عبد اللَّه: سألت أبي عمن طلب العلم، ترى له أن يلزم رجلًا عنده علم فيكتب عنه، أو ترى له أن يرحل إلى المواضع التي فيها العلم فيسمع منهم؟
قال: يرحل، يكتب عن كل من الكوفيين، والبصريين، وأهل المدينة، ومكة، والشام، يشام الناس، يسمع منهم.
"مسائل عبد اللَّه" (1588)
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو ابن عمرو أبو الزعراء، عن عمه أبي الأحوص قال: قال عبد اللَّه: إن أحدًا لا يولد عالمًا، وإنما العلم بالتعلم.
"الزهد" ص 203
قال حرب: حدثنا أحمد قال: حدثنا أبو قطن قال: ثنا أبو خُلدة، عن أبي العالية قال: كنا نسمع الرواية عن أصحاب رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم بالبصرة فلم نرض حتى ركبنا إلى المدينة فسمعناها من أفواههم.
"مسائل حرب" ص 483
قال صالح: عزم أبي على الخروج إلى مكة ليقضي حجة الإسلام، ورافق يحيى بن معين فقال: نمضي إن شاء اللَّه فنقضي حَجَّتنَا، ونمضي إلى عبد الرزاق إلى صنعاء نسمع منه، وكان يحيى بن معين يعرفُ عبد الرزاق، وقد سمع منه، فوردنا مكة وطفنا طواف الورود، فإذا
৩ - ইলম অর্জনে উৎসাহ প্রদান এবং ইলম অন্বেষণে সফর করাসালিহ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, শু’বাহ হাকাম ইবন উতাইবাহর নিকট আঠারো মাস অবস্থান করেছিলেন, এমনকি তিনি তার ঘরের কড়িকাঠও বিক্রি করে দিয়েছিলেন।
"মাসাইলু সালিহ" (৮৭২)
আবদুল্লাহ বলেন: আমি আমার পিতাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে ইলম অর্জন করতে চায়, আপনি কি মনে করেন যে সে কোনো একজন আলিমের নিকট লেগে থাকবে এবং তার থেকে ইলম লিপিবদ্ধ করবে, নাকি আপনি মনে করেন যে সে ঐ সকল স্থানে সফর করবে যেখানে ইলম রয়েছে এবং তাদের থেকে শ্রবণ করবে?
তিনি বললেন: সে সফর করবে। সে কুফাবাসী, বসরাবাসী, মদিনাবাসী, মক্কাবাসী এবং শামবাসীদের প্রত্যেকের থেকে ইলম লিপিবদ্ধ করবে; সে মানুষের সাথে মেলামেশা করবে এবং তাদের থেকে শ্রবণ করবে।
"মাসাইলু আবদুল্লাহ" (১৫৮৮)
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ওকী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবন আমর আবুয যার’আ তাঁর চাচা আবুল আহওয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ বলেছেন: নিশ্চয়ই কেউ আলিম হয়ে জন্মগ্রহণ করে না; বরং শিক্ষাগ্রহণের মাধ্যমেই ইলম অর্জিত হয়।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ২০৩
হারব বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ক্বাতান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু খুলদাহ আবুল আলিয়াহ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা বসরায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের নিকট থেকে রেওয়ায়েত বা বর্ণনা শুনতাম, কিন্তু আমরা তাতে সন্তুষ্ট হতে পারতাম না যতক্ষণ না আমরা মদিনায় সফর করতাম এবং তাঁদের মুখ থেকে সরাসরি তা শ্রবণ করতাম।
"মাসাইলু হারব" পৃষ্ঠা ৪৮৩
সালিহ বলেন: আমার পিতা ইসলামের ফরয হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কার দিকে রওয়ানা হওয়ার সংকল্প করলেন এবং ইয়াহইয়া ইবন মা’ইন তাঁর সফরসঙ্গী হলেন। তিনি (ইয়াহইয়া) বললেন: ইনশাআল্লাহ আমরা যাত্রা করব এবং আমাদের হজ পালন করব, এরপর আমরা সানআয় আবদুর রাজ্জাকের কাছে যাব এবং তাঁর থেকে ইলম শ্রবণ করব। ইয়াহইয়া ইবন মা’ইন আবদুর রাজ্জাককে চিনতেন এবং তাঁর থেকে শ্রবণ করেছিলেন। অতঃপর আমরা মক্কায় পৌঁছালাম এবং তাওয়াফে কুদুম সম্পন্ন করলাম, এমন সময়...
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
عبد الرزاق في الطواف يطوف، فطاف وخرج إلى المقام فصلى ركعتين، وجلس فتممنا طوافنا أنا وأحمد، وجئنا وعبد الرزاق جالس عند المقام، فقلت لأحمد: هذا عبد الرزاق، قد أربحك اللَّه مسيرة شهر ذاهبًا وجائيًا والنفقة.
فقال: ما كان اللَّه يراني، وقد نويت له نية أفسدُها ولا أدعُها.
"طبقات الحنابلة" 1/ 465
قال الحسن بن ثواب: قال لي أحمد بن حنبل: ما أعلم الناس في زمان أَحوج منهم إلى طلب الحديث من هذا الزمان.
قلت: ولم؟ قال: ظهرت بدع، فمن لم يكن عنده حديث وقع فيها.
"مناقب الإمام أحمد" لابن الجوزي ص 236 - 239
قال أبو بكر بن زنجويه: قدمت مصر فأتيت أحمد بن صالح، فسألني من أين أنت؟
قلت: من بغداد.
قال: أين منزلك من منزل أحمد بن حنبل؟ فقلت: أنا من أصحابه.
قال: تكتب لي موضع منزلك، فإني أريد أوافي العراق، حتى تجمع بيننا. فكتبت له.
فوافى أحمد بن صالح سنة اثنتي عشرة ومائتين إلى عفان. فسأل عني فلقيني، فقال: الموعد الذي بيني وبينك، فذهبت به إلى أحمد بن حنبل، واستأذنت له، فقلت: أحمد بن صالح بالباب. فأذن له، فقام إليه، ورحب به وقربه، ثم قال له: بلغني أنك جمعت حديث الزهري، فتعال حتى نذكر ما روى الزهري عن أصحاب رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم فجعلا يتذاكران ولا يغرب أحدهما على الآخر، حتى فرغا، فما رأيت أحسن من مذاكرتهما. ثم
আবদুর রাজ্জাক তাওয়াফ করছিলেন। তিনি তাওয়াফ শেষ করে মাকামে (ইব্রাহিমের) দিকে গেলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, এরপর সেখানে বসলেন। আমি এবং আহমদ আমাদের তাওয়াফ সম্পন্ন করলাম। আমরা যখন ফিরে এলাম, তখন আবদুর রাজ্জাক মাকামের কাছে বসা ছিলেন। আমি আহমদকে বললাম: "ইনিই আবদুর রাজ্জাক। আল্লাহ আপনাকে এক মাসের যাতায়াতের পথ এবং পাথেয় সাশ্রয় করে দিয়েছেন।"
তিনি বললেন: "আল্লাহ আমাকে এমন অবস্থায় দেখবেন না যে, আমি তাঁর জন্য একটি নিয়ত করেছি আর এখন তা নষ্ট করে দেব, না, আমি তা ছাড়ব না।"
"তাবাকাতুল হানাবিলা" ১/ ৪৬৫
হাসান ইবনে সাওয়াব বলেন: আহমদ ইবনে হাম্বল আমাকে বলেছেন: "আমি বর্তমান সময়ের চেয়ে মানুষকে হাদীস অন্বেষণের ক্ষেত্রে অধিক মুখাপেক্ষী আর কোনো সময়ে আছে বলে জানি না।"
আমি বললাম: "কেন?" তিনি বললেন: "বিদআত প্রকাশ পেয়েছে, তাই যার কাছে হাদীসের জ্ঞান নেই, সে এর মধ্যে নিপতিত হবে।"
ইবনুল জাওজি রচিত "মানাকিবুল ইমাম আহমদ" পৃষ্ঠা ২৩৬ - ২৩৯
আবু বকর ইবনে জানজুওয়াইহ বলেন: আমি মিসরে এসে আহমদ ইবনে সালিহের নিকট গেলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কোথা থেকে এসেছো?"
আমি বললাম, "বাগদাদ থেকে।"
তিনি বললেন, "আহমদ ইবনে হাম্বলের বাড়ি থেকে তোমার বাড়ি কত দূরে?" আমি বললাম, "আমি তাঁর শিষ্যদের একজন।"
তিনি বললেন, "তুমি আমার জন্য তোমার বাড়ির ঠিকানা লিখে দাও, কারণ আমি ইরাকে যাওয়ার ইচ্ছা করছি, যেন তুমি আমাদের মধ্যে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করতে পারো।" তখন আমি তাঁর জন্য তা লিখে দিলাম।
অতঃপর আহমদ ইবনে সালিহ ২১২ হিজরি সনে আফফানের কাছে আসলেন। তিনি আমার কথা জিজ্ঞেস করলেন এবং আমার সাথে দেখা হলো। তিনি বললেন, "আমাদের মধ্যে যে ওয়াদা হয়েছিল।" তখন আমি তাঁকে আহমদ ইবনে হাম্বলের কাছে নিয়ে গেলাম এবং তাঁর জন্য অনুমতি চাইলাম। আমি বললাম, "আহমদ ইবনে সালিহ দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন।" তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন, তাঁর দিকে উঠে দাঁড়ালেন, তাঁকে স্বাগত জানালেন এবং নিজের কাছে বসালেন। এরপর তিনি তাঁকে বললেন, "আমি জানতে পেরেছি যে আপনি যুহরীর হাদীসগুলো সংগ্রহ করেছেন; আসুন, আমরা আলোচনা করি যুহরী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের থেকে কী কী বর্ণনা করেছেন।" অতঃপর তাঁরা উভয়ে আলোচনা শুরু করলেন এবং একজন অপরজনের কাছে কোনো কিছুতেই অজানা রইলেন না, যতক্ষণ না তাঁরা শেষ করলেন। আমি তাঁদের আলোচনার চেয়ে সুন্দর আর কোনো আলোচনা দেখিনি। তারপর...
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
قال أحمد بن حنبل: تعال حتى نذكر ما روى الزهري عن أولاد الصحابة. فجعلا يتذاكران ولا يغرب أحدهما على الآخر، إلى أن قال لأحمد بن صالح: عند الزهري عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه، عن عبد الرحمن بن عوف: قال النبي صلى الله عليه وسلم "ما يسرُّني أَنَّ لِي حُمْرَ النَّعَمِ، وأَنَّ لِي حِلْفَ المُطَيَّبِينَ" (1). فقال أحمد بن صالح لأحمد بن حنبل: أنت الأستاذ، وتذكر مثل هذا؟ ! فجعل أحمد يبتسم، ويقول: رواه عن الزهري رجل مقبول أو صالح: عبد الرحمن بن إسحاق.
فقال: من رواه عن عبد الرحمن؟ فقال: حدثنا ثقتان إسماعيل بن علية، وبشر بن المفضل، فقال أحمد بن صالح: سألتك باللَّه إلا أمليته علي. فقال أحمد: من الكتاب. فقام، ودخل فأخرج الكتاب وأملى عليه، فقال أحمد بن صالح: لو لم أستفد بالعراق إلا هذا الحديث لكان كثيرًا، ثم ودعه وخرج.
"سير أعلام النبلاء" 12/ 169 - 170
قال بقي بن مخلد: أتيت العراق وقد منع أحمد بن حنبل من الحديث، فسألته أن يحدثني وكان بيني وبينه خلة، فكان يحدثني بالحديث في زي السؤال ونحن خلوة حتى اجتمع لي عنه نحو من ثلاث مائة.
"سير أعلام النبلاء" 13/ 292 - 294
--------------------------------------------
আহমাদ ইবন হানবাল বললেন: এসো, আমরা যুহরী সাহাবীগণের সন্তানদের থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা নিয়ে আলোচনা করি। এরপর তাঁরা দুজনে আলোচনা শুরু করলেন এবং একে অপরের তুলনায় কেউ পিছিয়ে ছিলেন না, পরিশেষে তিনি আহমাদ ইবন সালিহকে বললেন: যুহরী মুহাম্মাদ ইবন জুবাইর ইবন মুতইম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন আউফ থেকে বর্ণনা করেছেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "লাল উট পাওয়ার চেয়ে আমার কাছে অধিক আনন্দের বিষয় হলো 'হিলফুল মুতায়্যাবীন' (সুগন্ধি মাখানোদের জোট)-এ আমার সম্পৃক্ত থাকা।" (১)। তখন আহমাদ ইবন সালিহ আহমাদ ইবন হানবালকে বললেন: আপনি উস্তাদ হয়েও এই ধরণের হাদিস বর্ণনা করছেন?! আহমাদ মুচকি হাসলেন এবং বললেন: যুহরী থেকে এটি একজন গ্রহণযোগ্য ও সৎ ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, তিনি হলেন আবদুর রহমান ইবন ইসহাক।
তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আবদুর রহমান থেকে এটি কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: আমাদের কাছে দুইজন নির্ভরযোগ্য রাবী বর্ণনা করেছেন—ইসমাঈল ইবন উলাইয়্যাহ এবং বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল। তখন আহমাদ ইবন সালিহ বললেন: আমি আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আপনি আমাকে এটি লিখে দিন। আহমাদ বললেন: মূল পাণ্ডুলিপি থেকে (লিখে দিচ্ছি)। এরপর তিনি উঠে ভেতরে গেলেন এবং পাণ্ডুলিপি বের করে এনে তাঁকে তা লিখে দিলেন। তখন আহমাদ ইবন সালিহ বললেন: যদি ইরাক থেকে আমি এই একটি হাদিস ছাড়া আর কিছুই না শিখতাম, তবে তা-ই অনেক হতো। এরপর তিনি তাঁকে বিদায় জানিয়ে প্রস্থান করলেন।
"সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" ১২/ ১৬৯ - ১৭০
বাকি ইবন মাখলাদ বলেন: আমি যখন ইরাকে আসি, তখন আহমাদ ইবন হানবালকে হাদিস বর্ণনা করতে নিষেধ করা হয়েছিল। আমি তাঁকে হাদিস শোনানোর জন্য অনুরোধ করলাম এবং আমার ও তাঁর মাঝে গভীর বন্ধুত্ব ছিল। তিনি ভিক্ষুকের ছদ্মবেশ ধারণ করে আমার কাছে আসতেন এবং আমরা যখন নির্জনে থাকতাম তখন তিনি আমাকে হাদিস শোনাতেন, এভাবে আমি তাঁর থেকে প্রায় তিনশত হাদিস সংগ্রহ করলাম।
"সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" ১৩/ ২৯২ - ২৯৪
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
4 - هل يشترط إذن الوالدين في الخروج لطلب العلم؟
قال المروذي: وسمعت أبا عبد اللَّه، وسئل عن رجل له والدة، يستأذنها أن يرحل يطلب العلم؟ فقال: إن كان جاهلًا، لا يدري كيف يطلق ولا يصلي، فطلب العلم أوجب، وإن كان عرف، فالمقام عليها، أحب إلي.
"الورع" (182)
قال ابن هانئ: سمعت أبا عبد اللَّه وسئل عن الرجل يستأذن والديه في الخروج في طلب الحديث، وفيما ينفعه؟
قال: إن كان في طلب علم فلا أرى به بأسًا إن لم يستأمرهما في طلب العلم، وما ينفعه.
"مسائل ابن هانئ" (1910)
قال ابن هانئ: وسألته عن الرجل يكون له أبوان موسران يريد أن يطلب الحديث، فلا يأذنون له في طلب الحديث؟
قال: يطلب منه بقدر ما ينفعه.
"مسائل ابن هانئ" (1932)
5 - الواجب عليه طلبه من العلمقال إسحاق: قلت لأحمد: من قال: تذاكرُ العلم بعض ليلة أحب إليَّ من إحيائها؟
قال: العلمُ الذي ينتفعُ به الناس في أمر دينهم.
قلت: في الوضوء، والصلاة والصوم والحج، والطلاق، ونحو هذا؟
قال: نعم. قال إسحاق: كما قال.
৪ - ইলম অন্বেষণে বের হওয়ার জন্য কি পিতামাতার অনুমতি শর্ত?
মাররুজী বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যার মা আছে, সে কি ইলম অন্বেষণের জন্য সফরে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁর অনুমতি প্রার্থনা করবে? তিনি বললেন: যদি সে অজ্ঞ হয়, কীভাবে তালাক দিতে হয় বা কীভাবে সালাত আদায় করতে হয় তা না জানে, তবে ইলম অন্বেষণ করা অধিকতর আবশ্যক (ওয়াজিব)। আর যদি সে এসব জেনে থাকে, তবে মায়ের নিকট অবস্থান করা আমার কাছে অধিক প্রিয়।
"আল-ওয়ারা" (১৮২)
ইবনে হানি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে হাদিস অন্বেষণে এবং তার উপকারে আসবে এমন বিষয়ের জন্য বের হতে পিতামাতার অনুমতি চায়?
তিনি বললেন: যদি তা ইলম অন্বেষণের উদ্দেশ্যে হয়, তবে ইলম এবং যা তার উপকারে আসবে তা অন্বেষণের ক্ষেত্রে তাদের অনুমতি না নেওয়ায় আমি কোনো দোষ দেখি না।
"মাসায়িলে ইবনে হানি" (১৯১০)
ইবনে হানি বলেন: আমি তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যার পিতামাতা সচ্ছল, সে হাদিস অন্বেষণ করতে চায় কিন্তু তারা তাকে হাদিস অন্বেষণের অনুমতি দেন না?
তিনি বললেন: সে ততটুকু অন্বেষণ করবে যা তার উপকারে আসবে।
"মাসায়িলে ইবনে হানি" (১৯৩২)
৫ - ইলমের মধ্য থেকে যা অর্জন করা তার জন্য আবশ্যক (ওয়াজিব)ইসহাক বলেন: আমি আহমাদকে বললাম: কে বলেছেন যে রাতের কিছু অংশ ইলম চর্চা করা আমার কাছে সারা রাত জেগে ইবাদত করার চেয়ে অধিক প্রিয়?
তিনি বললেন: সেই ইলম যার মাধ্যমে মানুষ তাদের দ্বীনের বিষয়ে উপকৃত হয়।
আমি বললাম: ওজু, সালাত, সাওম, হজ, তালাক এবং এই জাতীয় বিষয়ে?
তিনি বললেন: হ্যাঁ। ইসহাক বলেন: তিনি যেমনটি বলেছেন।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
قال إسحاق: "طَلَبُ العِلْمِ فَرِيضَةٌ" (1) لم يصح الخبر فيه إلا أن معناه قائم، يلزمُه طلبُ علم ما يحتاجُ إليه من وضوئه، وصلاته، وزكاته إن كان له مالٌ، وكذلك الحج وغيره، وإنَّما معنى الواجب أنَّها إذا وقعت فلا طاعة للأبوين في ذلك، وأمَّا من خرج يبتغي علمًا فلا بدَّ له من الخروج بإذن الأبوين؛ لأنه فضيلة ما لم تحل به البلية، والنوافل لا تُبتغى إلا بإذن الآباء.
"مسائل الكوسج" (3272)
قال عبد اللَّه: سألت أبي عن الرجل يجب عليه طلب العلم؟
فقال: أي ما يقيم به الصلاة، وأمر دينه من الصوم والزكاة، وذكر شرائع الإسلام، وقال: ينبغي له أن يتعلم ذلك.
"مسائل عبد اللَّه" (1589)
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا النضر بن شميل، عن بعض البصريين قال قال مالك بن دينار: من طلب العلم لنفسه فالقليل منه يكفي، ومن طلب العلم لحوائج الناس فحوائج الناس كثيرة.
"الزهد" ص 390
قال الشالنجي: قال أبو عبد اللَّه: الذي يجب على الإنسان من تعليم القرآن والعلم ما لابد منه في صلاته وإقامة دينه، وأقل ما يجب على الرجل من تعليم القرآن فاتحة الكتاب وسورتان.
"طبقات الحنابلة" 1/ 275، "الآداب الشرعية" 2/ 34، "الفروع" 1/ 525
--------------------------------------------
ইসহাক বলেন: "ইলম অন্বেষণ করা ফরজ" (১) এই মর্মে বর্ণিত হাদিসটি বিশুদ্ধ নয়, তবে এর অর্থ সুপ্রতিষ্ঠিত। একজন ব্যক্তির জন্য তার প্রয়োজনীয় জ্ঞান অন্বেষণ করা আবশ্যক; যেমন—অজু, নামাজ, সম্পদ থাকলে জাকাত, এবং তেমনিভাবে হজ ও অন্যান্য বিষয়াদি। এই 'ওয়াজিব' (আবশ্যক) হওয়ার অর্থ হলো, যখন এগুলোর সময় উপস্থিত হয়, তখন সে ক্ষেত্রে মাতা-পিতার আনুগত্য করার অবকাশ থাকে না (অর্থাৎ তাদের অনুমতি ছাড়াও শিখতে হবে)। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি ইলম অর্জনের উদ্দেশ্যে বের হতে চায়, তাকে অবশ্যই মাতা-পিতার অনুমতি নিয়ে বের হতে হবে; কারণ এটি একটি ফযিলতের কাজ যতক্ষণ না কোনো বিপদ আপতিত হয়। আর নফল ইলম মাতা-পিতার অনুমতি ছাড়া অন্বেষণ করা যায় না।
"মাসায়িলে কুসাজ" (৩২৭২)
আবদুল্লাহ বলেন: আমি আমার পিতাকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যার ওপর ইলম অন্বেষণ করা ওয়াজিব?
তিনি বললেন: অর্থাৎ যার মাধ্যমে সে নামাজ কায়েম করতে পারবে এবং তার দ্বীনের বিষয়াবলি যেমন রোজা ও জাকাত। তিনি ইসলামের বিধানসমূহ উল্লেখ করলেন এবং বললেন: তার জন্য এগুলো শিক্ষা করা উচিত।
"মাসায়িলে আবদুল্লাহ" (১৫৮৯)
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নজর ইবনে শুমাইল থেকে, তিনি জনৈক বসরীবাসীর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, মালিক বিন দিনার বলেছেন: যে ব্যক্তি নিজের (সংশোধনের) জন্য ইলম অন্বেষণ করে, তার জন্য অল্প ইলমই যথেষ্ট; আর যে ব্যক্তি মানুষের প্রয়োজনের জন্য ইলম অন্বেষণ করে, তবে মানুষের প্রয়োজন তো অঢেল।
"আয-জুহদ" পৃষ্ঠা ৩৯০
শালানজি বলেন: আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: মানুষের ওপর কুরআন ও ইলম শিক্ষার যতটুকু ওয়াজিব তা হলো যা ছাড়া তার নামাজ ও দ্বীন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আর একজন ব্যক্তির জন্য কুরআন শিক্ষার সর্বনিম্ন যতটুকু ওয়াজিব তা হলো সূরা ফাতিহা এবং আরও দুটি সূরা।
"তাবাকাতুল হানাবিলা" ১/ ২৭৫, "আল-আদাবূশ শারইয়্যাহ" ২/ ৩৪, "আল-ফুরু" ১/ ৫২৫
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
قال مهنا: سألته عن مسألة: فغضب، وقال: خذ ويحك فيما ينتفع به، وإياك وهذِه المسائل المحدثة وخذ فيما فيه حديث.
"معونة أولي النهى" 11/ 291
6 - كيفية مذاكرة العلمقال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا أبو الجهم عبد القدوس بن بكر، عن محمد بن النضر الحارثي قال: كان يقال: أول العلم الإنصات له، ثم الاستماع له، ثم حفظه، ثم العمل به، ثم بثه.
"الزهد" ص 441
7 - استحباب ترديد العلم لتفهمهقال عبد اللَّه: سمعت أبي يقول: سمعت عبد الرحمن بن مهدي يقول: عليكم بالتفهم مرتين. يعني في الفقه.
"مسائل عبد اللَّه" (1257)
قال عبد اللَّه: حدثني أبي قال: حدثنا إسحاق بن عيسى الطباع قال: حدثني مالك بن أنس قال: لقيت ابن شهاب يومًا في موضع الجنائز وهو على بغلةٍ له، فسألته عن حديث فيه طول، فحدثني به قال: فأخذت بلجام بغلته، فلم أحفظه.
قلت: يا أبا بكر، أعِدْهُ علي. فأبى.
মুহান্না বলেন: আমি তাঁকে একটি মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: তোমার প্রতি আফসোস, যা উপকারে আসবে তা গ্রহণ করো। এই নতুন উদ্ভাবিত মাসআলাগুলো থেকে বিরত থাকো এবং যাতে হাদীস রয়েছে তা গ্রহণ করো।
"মাউনাতু উলিন নুহা" ১১/ ২৯১
৬ - ইলম চর্চা করার পদ্ধতিআবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল জাহম আবদুল কুদ্দুস ইবনে বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে নাদর আল-হারিসি থেকে, তিনি বলেন: বলা হতো: ইলমের প্রথম ধাপ হলো তার প্রতি নীরবতা অবলম্বন করা, অতঃপর মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করা, অতঃপর তা মুখস্থ করা, অতঃপর তদনুযায়ী আমল করা এবং পরিশেষে তা প্রচার করা।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৪৪১
৭ - অনুধাবনের জন্য ইলম বারবার পাঠ করা মুস্তাহাবআবদুল্লাহ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি: তোমরা দ্বিগুণ অনুধাবনের প্রতি মনোযোগী হও। অর্থাৎ ফিকহের ক্ষেত্রে।
"মাসাইলু আবদুল্লাহ" (১২৫৭)
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে ঈসা আত-তাব্বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদিন জানাযার স্থানে ইবনে শিহাবের সাথে আমার দেখা হলো, তিনি তাঁর খচ্চরের পিঠে আরোহণ করেছিলেন। আমি তাঁকে একটি দীর্ঘ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তিনি তা আমার নিকট বর্ণনা করলেন। মালিক বলেন: আমি তাঁর খচ্চরের লাগাম ধরেছিলাম, তবুও আমি তা মুখস্থ করতে পারলাম না। আমি বললাম: হে আবু বকর, হাদীসটি আমার কাছে পুনরায় বর্ণনা করুন। কিন্তু তিনি তা করতে অস্বীকার করলেন।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
فقلت: أما كنت تُحب أن يُعاد عليك الحديث؟ فأعاده عليّ فحفظِتُه.
"العلل" (1586)
8 - النهي عن التكلف في المسألةقال المروذي: سألت أبا عبد اللَّه عن شيء، قال: لا تبحث عما لا تعلم فهو خير.
"الآداب الشرعية" 3/ 270
سأل المروذي أحمد عن شيء من أمر العدل، فقال: لا تسأل عن هذا فإنك لا تدركه.
"معونة أولي النهى" 11/ 292
9 - جواز كتم بعض العلم عن غير أهلهقال إسحاق بن منصور: قُلْتُ لأحمدَ: أيسعك أن لا تحدث؟
قالَ: لم يسعني، أنا قد حدثت.
"مسائل الكوسج" (3388)
قال ابن هانئ: قلت: إن أصحاب الحديث فيهم قوم ما ينبغي لمحدث أن يحدثهم؟
فقال لي: الحديث لا يئول إلا إلى خير.
"مسائل ابن هانئ" (1113).
قال ابن هانئ: دخلت يومًا على أبي عبد اللَّه، وعنده مثنَّى ومعه كتابه، فلما رآني خبأه.
আমি বললাম: "আপনি কি পছন্দ করতেন না যে আপনার নিকট হাদিসটি পুনরায় বর্ণনা করা হোক?" অতঃপর তিনি সেটি আমার নিকট পুনরায় বর্ণনা করলেন এবং আমি তা মুখস্থ করে নিলাম।
"আল-ইলাল" (১৫৮৬)
৮ - প্রশ্নে অনর্থক পাণ্ডিত্য বা বাড়াবাড়ি করার নিষেধমাররুজী বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে কোনো একটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "যা তুমি জানো না সে বিষয়ে অনুসন্ধান করো না, কারণ সেটিই তোমার জন্য উত্তম।"
"আল-আদাব আশ-শারইয়্যাহ" ৩/ ২৭০
মাররুজী ইমাম আহমাদকে আদল (ন্যায়বিচার/তকদীর) সংক্রান্ত কোনো বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: "এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো না, কারণ তুমি এটি অনুধাবন করতে পারবে না।"
"মাউনাতু উলিন নুহা" ১১/ ২৯২
৯ - অনুপযুক্ত ব্যক্তির কাছে ইলমের কিছু অংশ গোপন রাখার বৈধতাইসহাক বিন মনসুর বলেন: আমি আহমাদকে বললাম: "আপনার জন্য কি হাদিস বর্ণনা না করার অবকাশ আছে?"
তিনি বললেন: "আমার জন্য অবকাশ নেই, আমি তো বর্ণনা করে ফেলেছি।"
"মাসায়িলুল কাউসাজ" (৩৩৮৮)
ইবনে হানি বলেন: আমি বললাম: "হাদিস অন্বেষণকারীদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যাদের নিকট কোনো মুহাদ্দিসের হাদিস বর্ণনা করা সমীচীন নয় কি?"
তিনি আমাকে বললেন: "হাদিসের পরিণতি কেবল কল্যাণের দিকেই ধাবিত হয়।"
"মাসায়িলু ইবনি হানি" (১১১৩)।
ইবনে হানি বলেন: একদিন আমি আবু আব্দুল্লাহর নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তাঁর নিকট মুসান্না উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর কিতাব ছিল। তিনি যখন আমাকে দেখলেন, তখন সেটি লুকিয়ে ফেললেন।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
فقال له أبو عبد اللَّه: أبو يعقوب ليس ممن يخبأ منه.
"مسائل ابن هانئ" (2009)
وقال عبد اللَّه: حدثني أبي قال: حدثنا غسان بن الربيع قال: حدثنا أبو إسرائيل، عن عبد الملك بن عمير قال: كان يقال: نكد الحديث الكذب، وآفته النسيان، وإضاعته أن تحدث به من ليس له بأهل.
"العلل" رواية عبد اللَّه (935).
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا محمد بن عبد اللَّه بن الزبير، ويحيى ابن آدم، حدثنا سفيان قال: كان عيسى ابن مريم عليه السلام يقول إنما أحدثكم لتعلموا، ولم أحدثكم لتعجبوا.
قال يحيى: ولست أحدثكم.
"الزهد" ص 119
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن أيوب، عن أبي قلابة قال: لا تحدث الحديث من لا يعرفه، يضره ولا ينفعه (1).
"الزهد" ص 368
قال إسحاق بن إبراهيم -يعني: المعروف بلؤلؤ: حضر مجلس أبي عبد اللَّه كبش الزنادقة، فقلت له: أي عدو اللَّه، أنت في مجلس أبي عبد اللَّه ما تصنع؟ فسمعني أحمد، فقال: ما لك؟
فقلت: هذا عدو اللَّه كبش الزنادقة قد حضر المجلس؛ فقال: من أمركم بهذا؟ عمن أخذتم هذا؟ دعوا الناس يأخذون العلم وينصرفون لعل اللَّه ينفعهم به.
"الآداب الشرعية" 2/ 8 - 9
--------------------------------------------
আবু আবদুল্লাহ তাকে বললেন: আবু ইয়াকুব এমন কেউ নন যার কাছ থেকে কিছু গোপন করতে হবে।
"মাসাইলু ইবনে হানি" (২০০৯)
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট গাসসান ইবনুর রবি' বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসরাঈল বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি বলেন: বলা হতো, হাদিসের গ্লানি হলো মিথ্যা, তার বিপদ হলো ভুলে যাওয়া এবং তার অপচয় হলো এমন ব্যক্তির কাছে বর্ণনা করা যে তার যোগ্য নয়।
"আল-ইলাল" আবদুল্লাহর বর্ণনা (৯৩৫)।
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর এবং ইয়াহইয়া ইবনে আদম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম বলতেন, আমি তোমাদের নিকট বর্ণনা করি যাতে তোমরা শিখতে পারো, আর আমি তোমাদের নিকট বর্ণনা করি না যাতে তোমরা কেবল আশ্চর্যান্বিত হও।
ইয়াহইয়া বলেন: আর আমি তোমাদের নিকট বর্ণনা করছি না।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ১১৯
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফি বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি হাদিস বোঝে না তার কাছে তা বর্ণনা করো না, কারণ এটি তার ক্ষতি করবে এবং তার কোনো উপকারে আসবে না (১)।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৩৬৮
ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম—অর্থাৎ যিনি লুলু নামে পরিচিত—বলেন: আবু আবদুল্লাহর মজলিসে যিনদীকদের একজন সর্দার উপস্থিত হলো। আমি তাকে বললাম: হে আল্লাহর শত্রু, তুমি আবু আবদুল্লাহর মজলিসে কী করছো? আহমাদ আমার কথা শুনতে পেলেন এবং বললেন: তোমার কী হয়েছে?
আমি বললাম: এই আল্লাহর শত্রু যিনদীকদের সর্দার মজলিসে উপস্থিত হয়েছে। তখন তিনি বললেন: তোমাদেরকে এই কাজের আদেশ কে দিয়েছে? তোমরা এটি কার কাছ থেকে শিখেছো? মানুষকে জ্ঞান অর্জন করতে এবং ফিরে যেতে দাও, হতে পারে আল্লাহ এর মাধ্যমে তাদের কোনো উপকার করবেন।
"আল-আদাব আশ-শারইয়্যাহ" ২/ ৮ - ৯
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
10 - تواضع العالم للطلابقال الخطيب البغدادي: أخبرني عبد الغفار بن محمد بن جعفر المؤدب، حدثنا عمر بن أحمد الواعظ، حدثنا أحمد بن محمد بن الفضل أبو العباس المؤذن جارنا قال: سمعت هارون بن عبد اللَّه الحمال يقول جاءني أحمد بن حنبل بالليل فدق الباب عليَّ فقلت: من هذا؟ فقال: أنا أحمد، فبادرت أن خرجت إليه فمساني ومسيته.
قلت: حاجة يا أبا عبد اللَّه؟
قال: شغلت اليوم قلبي.
قلت: بماذا يا أبا عبد اللَّه؟
قال: جزت عليك اليوم وأنت قاعد تحدث الناس في الفيء، والناس في الشمس بأيديهم الأقلام والدفاتر، لا تفعل مرة أخرى إذا قعدت فاقعد مع الناس.
"تاريخ بغداد" 14/ 22
১০ - ছাত্রদের প্রতি আলেমের বিনয়খতিব আল-বাগদাদি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল গাফফার ইবন মুহাম্মদ ইবন জাফর আল-মুয়াদ্দিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবন আহমাদ আল-ওয়াইজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল আবু আব্বাস আল-মুয়াযযিন—যিনি আমাদের প্রতিবেশী ছিলেন। তিনি বলেন: আমি হারুন ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাম্মালকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন হাম্বল রাতে আমার কাছে আসলেন এবং আমার দরজায় করাঘাত করলেন। আমি বললাম: কে? তিনি বললেন: আমি আহমাদ। আমি দ্রুত বের হয়ে তাঁর কাছে গেলাম। তিনি আমাকে অভিবাদন জানালেন এবং আমিও তাঁকে অভিবাদন জানালাম।
আমি বললাম: হে আবু আব্দুল্লাহ! কোনো প্রয়োজন আছে কি?
তিনি বললেন: আজ আপনি আমার অন্তরকে চিন্তিত করে রেখেছিলেন।
আমি বললাম: কোন বিষয়ে, হে আবু আব্দুল্লাহ?
তিনি বললেন: আজ আমি আপনার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম যখন আপনি ছায়ায় বসে লোকজনকে হাদীস শোনাচ্ছিলেন, আর মানুষ রোদের মধ্যে হাতে কলম ও খাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। এমনটি আর করবেন না; যখন বসবেন, তখন মানুষের সাথেই বসবেন।
"তারিখু বাগদাদ" ১৪/ ২২
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪০)
باب: الآداب التي ينبغي أن يتحلى بها طالب العلم
11 - النية في طلب العلمقال ابن خيثمة: حدثنا أحمد بن حنبل قال: نا عبد الرزاق، قال: نا معمر، قال: إن كان الرجل ليعلم العلم لغير اللَّه فيأبى العلم حتى يكون للَّه.
"تاريخ ابن خيثمة" 1/ 327 (1204)
ونقل مهنا: طلب العلم أفضل الأعمال لمن صحت نيته.
قيل: فأي شيء تصحيح النية؟ قال: ينوي بتواضع، وينفي عنه الجهل.
"الفروع" 1/ 523 - 524، "الإنصاف" 4/ 100 - 101
12 - ينبغي أن يتعلم العلم للعملقال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا أبو عبد الصمد، حدثنا مالك بن دينار قال: وجدت في بعض الحكمة: لا خير لك في أن تعلم ما لم تعلم ولما تعمل بما قد علمت، قال: مثل ذلك مثل رجل احتطب حطبًا، فحزم حزمة، ثم ذهب يحملها، فعجز عنها، فضم إليها أخرى.
"الزهد" ص 65
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا سيار، حدثنا جعفر، حدثنا هشام الدستوائي قال: إن في حكمة عيسى ابن مريم عليه السلام: تعملون للدنيا وأنتم ترزقون فيها بغير عمل، ولا تعملون للآخرة وأنتم لا ترزقون فيها إلا بالعمل، ويحكم علماء السوء، الأجر تأخذون، والعمل تضيعون،
অনুচ্ছেদ: ইলম অন্বেষণকারীর যে সকল আদব বা শিষ্টাচার অবলম্বন করা উচিত১১ - ইলম অন্বেষণে নিয়তইবনে খাইসামা বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ বিন হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মা'মার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করতে চাইলে ইলম তা অস্বীকার করত, যতক্ষণ না তা আল্লাহর জন্য হতো।
"তারিখু ইবনি খাইসামা" ১/ ৩২৭ (১২০৪)
মুহান্না বর্ণনা করেছেন: যার নিয়ত শুদ্ধ হয়েছে তার জন্য ইলম অন্বেষণ করা সর্বোত্তম আমল।
জিজ্ঞাসা করা হলো: নিয়ত শুদ্ধ করা কী? তিনি বললেন: বিনয়ের সাথে নিয়ত করা এবং নিজের থেকে অজ্ঞতা দূর করা।
"আল-ফুরু" ১/ ৫২৩ - ৫২৪, "আল-ইনসাফ" ৪/ ১০০ - ১০১
১২ - আমল করার উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করা উচিতআবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুস সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন দিনার বলেন: আমি কিছু হিকমতের বাণীতে পেয়েছি: যা তুমি জানো না তা শেখার মধ্যে তোমার কোনো কল্যাণ নেই যতক্ষণ না তুমি যা জেনেছ সে অনুযায়ী আমল করো। তিনি বলেন: এর উদাহরণ হলো সেই ব্যক্তির ন্যায় যে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করে একটি আঁটি বাঁধল, অতঃপর সেটি বহন করতে চাইল কিন্তু অক্ষম হলো, এরপর সে তার সাথে আরও একটি আঁটি যুক্ত করল।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৬৫
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সাইয়্যার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী বলেন: ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম-এর হিকমতের অন্তর্ভুক্ত হলো: তোমরা দুনিয়ার জন্য কাজ করছ অথচ সেখানে তোমরা কাজ ছাড়াই রিযিকপ্রাপ্ত হচ্ছ, আর তোমরা আখিরাতের জন্য কাজ করছ না অথচ সেখানে কাজ ব্যতীত তোমাদের রিযিক দেওয়া হবে না। হে মন্দ আলিম সমাজ, তোমাদের ধ্বংস হোক! তোমরা বিনিময় গ্রহণ করছ অথচ আমল নষ্ট করছ।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪১)
توشكون أن تخرجوا من الدنيا إلى ظلمة القبور وضيقها، واللَّه نهاكم عن المعاصي، كما أمركم بالصوم والصلاة، فكيف يكون من أهل العلم من دنياه آثر عنده من آخرته، وهو في الدنيا أفضل رغبة؟ كيف يكون من أهل العلم من مسيره إلى آخرته، وهو مقبل على دنياه؟ وما يضره أشهى إليه مما ينفعه؟ ! كيف يكون من أهل العلم من سخط رزقه، واحتقر منزلته، وهو يعلم أن ذلك من علم اللَّه وقدرته؟ ! كيف يكون من أهل العلم من آتهم اللَّه سبحانه في إصابته؟ ! كيف يكون من أهل العلم من طلب الكلام ليحدث به، ولم يطلبه ليعمل به؟ ! .
"الزهد" ص 66
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا بكار قال: سمعت وهبا يحدث أن الرب قال لعلماء بني إسرائيل: تفقهون لغير الدين، وتعلمون لغير العمل، وتبتغون الدنيا بعمل الآخرة، تلبسون مسوك الضأن، وتخفون أنفس الذئاب، وتنقون القذاء من شرابكم، وتبتلعون أمثال الجبال من المحارم، وتثقلون الدين على الناس أمثال الجبال، ولا تعينوهم برفع الخناصر، تبيضون الثياب، وتطيلون الصلاة، تنتقصون بذلك مال اليتيم والأرملة، فبعزتي حلفت لأضربنكم بفتنة يضل فيها رأي ذي الرأي، وحكمة الحكيم.
"الزهد" ص 69
قال عبد اللَّه: أخبرنا أبي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا سلام قال: سمعت يزيد -يعني: الضبي- يقول: قالت امرأة لعيسى عليه السلام وهو يصنع مما قد أعطي وسخر له: طوبى لبطن حملتك، وطوبى لثدي أرضعتك. فقال عيسى، وأقبل عليها: طوبى لمن قرأ كتاب اللَّه واتبع ما فيه.
শীঘ্রই তোমরা দুনিয়া থেকে বের হয়ে কবরের অন্ধকার ও সংকীর্ণতার দিকে চলে যাবে। আল্লাহ তোমাদেরকে পাপাচার থেকে নিষেধ করেছেন, যেমন তিনি তোমাদেরকে রোজা ও সালাতের নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং সে ব্যক্তি কীভাবে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যার কাছে আখিরাতের চেয়ে দুনিয়া অধিক প্রিয় এবং যার আসক্তি দুনিয়াতেই প্রবল? সে কীভাবে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যার যাত্রা আখিরাতের দিকে হওয়ার কথা অথচ সে দুনিয়ার দিকে অভিমুখী হয়ে আছে? এবং তার জন্য যা ক্ষতিকর, তা-ই কি তার কাছে উপকারী জিনিসের চেয়ে অধিক প্রিয় হতে পারে? ! সে কীভাবে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যে নিজের রিজিকের ওপর অসন্তুষ্ট এবং নিজের অবস্থাকে তুচ্ছজ্ঞান করে, অথচ সে জানে যে তা আল্লাহর ইলম ও কুদরতের মাধ্যমেই নির্ধারিত? ! সে কীভাবে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যে আল্লাহর ফয়সালায় তাঁকে অভিযুক্ত করে? ! সে কীভাবে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যে কেবল মানুষের কাছে বলার জন্য জ্ঞান অন্বেষণ করে, কিন্তু আমল করার জন্য তা করে না? ! .
"আজ-জুহদ" পৃষ্ঠা ৬৬
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বক্কার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি ওয়াহবকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, রব বনী ইসরাইলের আলেমদের বলেছিলেন: তোমরা দ্বীন ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে ফিকহ অর্জন করছ, আমল ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে জ্ঞান অর্জন করছ এবং আখিরাতের আমল দিয়ে দুনিয়া অন্বেষণ করছ। তোমরা ভেড়ার চামড়া পরিধান করো অথচ তোমাদের অন্তরে নেকড়ের হিংস্রতা লুকিয়ে রাখো। তোমরা তোমাদের পানীয় থেকে অতি ক্ষুদ্র খড়কুটা পরিষ্কার করো, অথচ পাহাড়সম হারাম বস্তু গ্রাস করে ফেলো। তোমরা মানুষের ওপর পাহাড়ের মতো দ্বীনকে বোঝা করে দাও, অথচ সামান্য আঙুল দিয়েও তাদের সাহায্য করো না। তোমরা পোশাক সাদা করো এবং সালাত দীর্ঘ করো, আর এর মাধ্যমে তোমরা ইয়াতীম ও বিধবাদের সম্পদ আত্মসাৎ করো। সুতরাং আমি আমার ইজ্জতের কসম করে বলছি, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে এমন এক ফিতনায় নিপতিত করব যাতে বুদ্ধিমানের বুদ্ধি এবং প্রাজ্ঞ ব্যক্তির প্রজ্ঞা বিভ্রান্ত হয়ে পড়বে।
"আজ-জুহদ" পৃষ্ঠা ৬৯
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুস সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি ইয়াজিদকে—অর্থাৎ আদ-দ্বব্বীকে—বলতে শুনেছি: জনৈক নারী ঈসা আলাইহিস সালামের অলৌকিক ক্ষমতা ও তাঁর প্রতি অনুগত বিষয়সমূহ দেখে তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলল: ধন্য সেই উদর যা আপনাকে ধারণ করেছে এবং ধন্য সেই স্তন যা আপনাকে দুগ্ধ পান করিয়েছে। তখন ঈসা আলাইহিস সালাম তার দিকে ফিরে বললেন: ধন্য সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর কিতাব পাঠ করে এবং তাতে যা আছে তা অনুসরণ করে।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪২)
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، أخبرنا معاوية بن عمرو، أخبرنا زائدة، عن الأعمش، عن خيثمة قال: مرت امرأة على عيسى عليه السلام، فقالت: طوبى لثدي أرضعك، وحجر حملك. قال عيسى: طوبى لمن قرأ القرآن، ثم عمل بما فيه.
"الزهد" ص 75
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد اللَّه بن يزيد قال: سمعت زيادا أبا عمر يقول: بلغني أن عيسى ابن مريم قال: إنه ليس بنافعك أن تعلم ما لم تعلم، ولما تعمل بما قد علمت؛ إن كثرة العلم لا تزيد إلا كبرًا إذا لم يعمل به.
"الزهد" ص 76
حدثنا عبد اللَّه، حدثني أبي، حدثنا سفيان: قال عيسى ابن مريم عليه السلام للقراء: يا ملح الأرض، لا تفسدوا، فإن الشيء إذا فسد إنما يصلحه الملح، وإن الملح إذا فسد لم يصلحه شيء.
"الزهد" ص 111
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا أبو الربيع، حدثنا أبو الأشهب، عن محمد بن واسع قال: قال لقمان لابنه: لا تتعلم ما لم تعلم حتى تعمل بما تعلم.
"الزهد" ص 121
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا وكيع، حدثنا عمر بن السعدي، عن أوفى بن دلهم العدوي قال: بلغني عن علي رضي الله عنه أنه قال: تعلموا العلم تعرفوا به، واعملوا به تكونوا من أهله، فإنه سيأتي من بعدكم زمان ينكر الحق فيه تسعة أعشارهم، لا ينجو فيه إلا كل نؤمة، أولئك أئمة الهدى
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া ইবনে আমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যায়িদা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আ’মাশ থেকে, তিনি খাইসামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জনৈক নারী ঈসা আলাইহিস সালামের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: ধন্য সেই স্তন যা আপনাকে দুগ্ধপান করিয়েছে এবং ধন্য সেই কোল যা আপনাকে বহন করেছে। ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন: ধন্য সেই ব্যক্তি যে কুরআন পাঠ করে, অতঃপর তাতে যা আছে তদানুযায়ী আমল করে।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৭৫
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি যিয়াদ আবু উমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে ঈসা ইবনে মারইয়াম বলেছেন: যা তুমি জানো না তা শেখা তোমার কোনো উপকারে আসবে না যতক্ষণ না তুমি যা জেনেছ তদানুযায়ী আমল করো; কেননা আমল করা না হলে ইলমের আধিক্য কেবল অহংকারই বৃদ্ধি করে।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৭৬
আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম ক্বারীগণের উদ্দেশে বললেন: হে পৃথিবীর লবণ! তোমরা নষ্ট হয়ো না, কেননা কোনো জিনিস নষ্ট হয়ে গেলে লবণই তা সংশোধন করে। আর লবণ যখন নষ্ট হয়ে যায়, তখন কোনো কিছুই তাকে সংশোধন করতে পারে না।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ১১১
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু রাবী’ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল আশহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসি’ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: লোকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন: যা তুমি জানো না তা শিখতে যেয়ো না যতক্ষণ না তুমি যা জানো সে অনুযায়ী আমল করো।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ১২১
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি’ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে সা’দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওফা ইবনে দালহাম আল-আদাউয়ি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে তিনি বলেছেন: তোমরা ইলম অর্জন করো যেন তদ্দ্বারা পরিচিত হতে পারো, এবং ইলম অনুযায়ী আমল করো যেন তোমরা ইলমের প্রকৃত অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারো। কেননা অচিরেই তোমাদের পরে এমন এক সময় আসবে যখন দশ ভাগের নয় ভাগ লোকই সত্যকে অস্বীকার করবে। তখন কেবল সেই নিভৃতচারী (ফেতনা থেকে দূরে থাকা ব্যক্তি) মুক্তি পাবে; তারাই হলো হেদায়েতের ইমাম।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
ومصابيح العلم.
"الزهد" ص 162
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا وكيع، عن جعفر، عن ميمون قال: قال أبو الدرداء: ويل للذي لا يعلم مرة، وويل للذي يعلم، ثم لا يعمل سبع مرات.
"الزهد" ص 176
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثني الحصين، عن سالم بن أبي الجعد، عن أبي الدرداء قال: ما لي أرى علماءكم يذهبون، وأرى جهالكم لا يتعلمون؟ تعلموا العلم قبل أن يرفع، فإن رفع العلم ذهاب العلماء، ما لي أراكم تحرصون على ما قد تكفل لكم به، وتضيعون ما وكلتم به؛ لأنا أعلم بشراركم من البيطار بالخيل؛ هم الذين لا يأتون الصلاة إلا دبرًا، ولا يسمعون القرآن إلا هجرًا.
"الزهد" ص 180
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا يزيد، حدثنا المسعودي، عن القاسم ابن عبد الرحمن قال: قال عبد اللَّه: كفى بخشية اللَّه علمًا، وكفى بالاغترار جهلًا.
"الزهد" ص 197
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا وكيع، عن مسعر، عن معن قال: قال عبد اللَّه: إن استطعت أن تكون أنت المحدث، وإذا سمعت اللَّه يقول: {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا} [البقرة: 104] فارعها سمعك؛ فإنه خير يأمر به، أو شر ينهى عنه.
এবং ইলমের প্রদীপসমূহ।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ১৬২
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ওয়াকী‘ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, জাফর থেকে, তিনি মাইমূন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু দারদা বলেছেন: ধ্বংস তার জন্য যে জানে না একবার, আর ধ্বংস তার জন্য যে জানে কিন্তু সে অনুযায়ী আমল করে না সাতবার।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ১৭৬
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুস সামাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল আযীয ইবন মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হুসাইন আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, সালিম ইবন আবুল জাদ থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার কী হলো যে আমি দেখছি তোমাদের আলেমগণ বিদায় নিচ্ছেন, আর তোমাদের মূর্খরা শিখছে না? তোমরা ইলম উঠে যাওয়ার পূর্বেই তা শিক্ষা করো, কেননা ইলম উঠে যাওয়া মানে হলো আলেমদের প্রস্থান। আমার কী হলো যে আমি তোমাদের সেই জিনিসের প্রতি লালায়িত হতে দেখছি যার দায়িত্ব তোমাদের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, আর তোমরা অবহেলা করছ সেই বিষয়কে যার ভার তোমাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে; নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মধ্য থেকে মন্দদের সম্পর্কে ঘোড়া বিশেষজ্ঞ অপেক্ষা অধিক অবগত; তারা হলো সেই সব লোক যারা সলাতে কেবল শেষের দিকে আসে এবং কুরআন কেবল অবজ্ঞার সাথেই শোনে।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ১৮০
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াযীদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মাসউদী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, কাসিম ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বলেছেন: আল্লাহর ভয়ই ইলম হিসেবে যথেষ্ট, আর আল্লাহর ব্যাপারে ধোঁকায় থাকাই মূর্খতা হিসেবে যথেষ্ট।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ১৯৭
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ওয়াকী‘ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মিসআর থেকে, তিনি মা’ন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বলেছেন: তুমি যদি সক্ষম হও তবে তুমিই সেই ব্যক্তি হও যাকে সম্বোধন করা হয়, আর যখন তুমি আল্লাহকে বলতে শুনবে: {হে মুমিনগণ!} [আল-বাকারা: ১০৪], তখন তা কান পেতে শোনো; কারণ হয় এটি কোনো কল্যাণকর বিষয় যার তিনি নির্দেশ দিচ্ছেন, অথবা কোনো মন্দ বিষয় যা থেকে তিনি নিষেধ করছেন।
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
وقال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا قرة، عن عون ابن عبد اللَّه بن عتبة قال: قال عبد اللَّه: ليس العلم بكثرة الرواية، ولكن العلم الخشية.
وقال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا معاوية بن صالح، عن عدي بن عدي قال: قال عبد اللَّه بن مسعود: ويل لمن لا يعلم، ولو شاء اللَّه لعلمه، وويل لمن يعلم ولا يعمل سبع مرات.
"الزهد" ص 198
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا وكيع، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن عمران بن أبي الجعد، ومسعر، عن معن بن عبد الرحمن قال:
قال عبد اللَّه: إن الناس قد أحسنوا القول كلهم، فمن وافق قوله فعله فذاك الذي أصاب حظه، ومن خالف قوله فعله فإنما يوبخ نفسه.
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا حجاج، حدثنا المسعودي، عن القاسم، وغيره، عن عبد اللَّه أنه كان يقول: قولوا الخير تعرفوا به، واعملوا به تكونوا من أهله، ولا تكونوا عجلًا مذايع بذرًا.
"الزهد" ص 200
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثني حجاج بن محمد قال: سمعت جرير ابن حازم، عن وهب المكي أن رجلا شابًا كان سأل أم الدرداء، قال: فأكثر، قال: فقالت له أم الدرداء: أتعمل بكل ما تسأل عنه؟ قال: فقال: لا.
قال: فقالت: فما ازديادك من حجة اللَّه عليك.
"الزهد" ص 219
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আউন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) বলেছেন: প্রচুর বর্ণনার নাম জ্ঞান নয়, বরং আল্লাহর প্রতি ভয়ই হচ্ছে প্রকৃত জ্ঞান।
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআবিয়া ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আদি ইবনে আদি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বলেছেন: ধ্বংস তার জন্য যে জানে না, আর আল্লাহ চাইলে তাকে শেখাতে পারতেন; এবং ধ্বংস তার জন্য যে জানে কিন্তু সে অনুযায়ী আমল করে না—এ কথাটি তিনি সাতবার বলেছেন।
"কিতাবুয যুহদ" পৃষ্ঠা ১৯৮
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইমরান ইবনে আবি আল-জা'দ ও মিসআর থেকে বর্ণিত, মা'ন ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) বলেছেন: সকল মানুষই সুন্দর কথা বলে। সুতরাং যার কথা তার কাজের সাথে মিলে যায়, সেই তার সৌভাগ্য লাভ করল। আর যার কথা তার কাজের পরিপন্থী হয়, সে তো কেবল নিজেকেই তিরস্কৃত করে।
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাসউদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাসিম ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) বলতেন: তোমরা কল্যাণের কথা বলো, তবে তোমরা তার মাধ্যমে পরিচিত হবে; এবং কল্যাণকর কাজ করো, তবে তোমরা কল্যাণীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। তোমরা তাড়াহুড়াকারী, গোপনীয়তা ফাঁসকারী এবং বাচাল হয়ো না।
"কিতাবুয যুহদ" পৃষ্ঠা ২০০
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি জারীর ইবনে হাযিমকে ওহব আল-মাক্কী থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, জনৈক যুবক উম্মুদ দারদাকে প্রশ্ন করত। সে অনেক প্রশ্ন করল। উম্মুদ দারদা তাকে বললেন: তুমি যে বিষয়ে প্রশ্ন করছ, তার সবকিছুর ওপর কি আমল করো? সে বলল: না।
তখন তিনি বললেন: তবে তোমার বিরুদ্ধে আল্লাহর প্রমাণ কেন বৃদ্ধি করছ?
"কিতাবুয যুহদ" পৃষ্ঠা ২১৯
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا الجريري، عن أبي السوار أنهم أتوا جنديا في قراء أهل البصرة، فقال: أرى هديًا حسنًا وسمتًا حسنًا، فإياكم وهذِه الأهواء، ثم قال: مثل الذي يعلم الناس ولا يعمل كمثال السراج يضيء للناس ويحرق نفسه.
"الزهد" ص 251
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا روح، حدثنا هشام، عن الحسن: قد كان الرجل يسمع بالباب من أبواب العلم فيتعلمه ويعمل به، فيكون خيرا له من الدنيا وما فيها لو كانت له فوضعها في آخرة.
"الزهد" ص 320
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا سيار، حدثنا جعفر قال: سمعت مالكا، يقول: إن العالم إذا لم يعمل بعلمه زلت موعظته عن القلوب كما يزل القطر عن الصفا.
قال: وسمعت مالكا يقول: إنك إذا طلبت العلم لتعمل به سرك العلم، وإذا طلبته لغير العمل لم يزدك إلا فخرًا.
"الزهد" ص 390
قال عبد اللَّه: حدثنا أبي، حدثنا فياض بن محمد، عن جعفر، عن صالح بن مسمار البصري قال: قلت لصاحب: انطلق بنا إلى الحسن فسمع من حديثه، قال: قد سمعنا فانطلق بنا فلنعمل.
"الزهد" ص 396
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا عبد الرحمن، قال سفيان، عن الأعمش، عن عبد اللَّه بن مرة، عن مسروق قال: بحسب الرجل من
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুস সামাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-জুরারি বর্ণনা করেছেন, আবুস সাওয়ার থেকে বর্ণিত যে, তারা বসরার ক্বারীগণের অন্তর্ভুক্ত জুনদুবের নিকট আসলেন। তিনি বললেন: আমি উত্তম পথনির্দেশ ও উত্তম বেশভূষা দেখতে পাচ্ছি, সুতরাং তোমরা এসব খেয়াল-খুশি বা প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থেকো। অতঃপর তিনি বললেন: যে ব্যক্তি মানুষকে শিক্ষা দেয় কিন্তু নিজে আমল করে না, তার উদাহরণ হলো সেই প্রদীপের মতো যা মানুষকে আলো দেয় কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে ফেলে।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ২৫১
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট রাউহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হিশাম বর্ণনা করেছেন, হাসান থেকে বর্ণিত: কোনো ব্যক্তি ইলমের অধ্যায়সমূহ হতে কোনো একটি অধ্যায় শ্রবণ করত, অতঃপর তা শিখত এবং সেই অনুযায়ী আমল করত; যা তার জন্য দুনিয়া ও তার মধ্যকার সবকিছুর চেয়ে উত্তম হতো—যদি তা তার মালিকানাধীন হতো এবং সে তা আখিরাতের পাথেয় হিসেবে পেশ করত।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৩২০
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সাইয়্যার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিককে বলতে শুনেছি: আলেম যখন তার ইলম অনুযায়ী আমল করে না, তখন তার উপদেশ অন্তর থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, যেভাবে মসৃণ পাথর থেকে বৃষ্টির পানি গড়িয়ে পড়ে যায়।
তিনি বলেন: আমি মালিককে বলতে শুনেছি: তুমি যদি আমল করার জন্য ইলম অন্বেষণ করো, তবে ইলম তোমাকে আনন্দিত করবে। আর যদি আমল ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তা অন্বেষণ করো, তবে তা তোমার কেবল অহংকারই বৃদ্ধি করবে।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৩৯০
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ফায়্যাদ ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, জাফর থেকে, সালেহ ইবনে মিসমার আল-বসরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি এক সাথীকে বললাম: চলো আমরা হাসানের নিকট যাই এবং তার কথা শুনি। সে বলল: আমরা তো শুনেছিই, এখন চলো আমরা আমল করি।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৩৯৬
আবদুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি মাসরুক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তির জন্য...
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
العلم أن يخشى اللَّه عز وجل، وبحسب الرجل من الجهل أن يعجب بعلمه.
"الزهد" ص 419
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا ابن حفص، أنبأنا سفيان الثوري، عن ابن أبي خالد، عن الشعبي قال: يشرف أهل الجنة في الجنة على قوم في النار فيقولون: ما لكم في النار، وإنما كنا نعمل بما تعلمونا؟ فيقولون: إنا كنا نعلمكم ولا نعمل به.
"الزهد" ص 442
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا الخفاف، عن عثمان أبي سلمة، عن منصور بن زاذان قال: نبئت أن بعض من يلقى في النار يتأذى أهل النار بريحه، فيقال له: ويلك ما كنت تعمل؟ ! أما يكفينا ما نحن فيه من الشر حتى ابتلينا بك وبنتن ريحك؟ ! فيقول: كنت عالما فلم أنتفع بعلمي.
"الزهد" ص 451
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا حسين بن علي، عن ليث بن أبي سليم قال: كان مجاهد يقول: الفقيه من يخاف اللَّه عز وجل.
"الزهد" ص 452
قال عبد اللَّه: حدثني أبي، حدثنا هاشم، حدثنا جرير، عن حبيب بن عبيد الرحبي قال: تعلموا العلم واعقلوه وانتفعوا به، ولا تعلموه لتجملوا به؛ فإنه يوشك إن طال بكم عمر أن يتجمل ذو العلم بعلمه، كما يتجمل ذو البزة ببزته.
"الزهد" ص 463
قال ابن بطة: حدثنا أبو عمر حمزة بن القاسم -خطيب جامع المنصور- حدثنا حنبل بن إسحاق، حدثنا أبو عبد اللَّه، حدثنا سفيان بن
প্রকৃত জ্ঞান হলো মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহকে ভয় করা, আর কোনো ব্যক্তির মূর্খতার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে সে নিজের জ্ঞান নিয়ে গর্ববোধ করে।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৪১৯
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বলেছেন, ইবনে হাফস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান সাওরি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি শাবি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জান্নাতিরা জান্নাত থেকে জাহান্নামের একদল লোকের দিকে উঁকি দিয়ে দেখবে এবং বলবে, "তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা জাহান্নামে? অথচ আমরা তো তোমাদের শেখানো জ্ঞান অনুযায়ী আমল করতাম!" তারা বলবে, "আমরা তোমাদের শিক্ষা দিতাম কিন্তু নিজেরা তা আমল করতাম না।"
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৪৪২
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বলেছেন, খাফফাফ আমাদের বলেছেন, উসমান আবু সালামাহ থেকে, তিনি মানসুর ইবনে জাযান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে জানানো হয়েছে যে, জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত কোনো কোনো ব্যক্তির দুর্গন্ধের কারণে জাহান্নামিরাও কষ্ট পাবে। তখন তাকে বলা হবে, "ধিক তোমাকে! তুমি কী আমল করতে? আমরা যে আযাবের মধ্যে আছি তা কি যথেষ্ট নয় যে এখন তোমার দুর্গন্ধের পরীক্ষায়ও আমাদের পড়তে হলো?" সে বলবে, "আমি একজন আলেম ছিলাম কিন্তু আমি আমার জ্ঞান থেকে উপকৃত হইনি।"
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৪৫১
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বলেছেন, হুসাইন ইবনে আলী আমাদের বলেছেন, লাইস ইবনে আবি সুলাইম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মুজাহিদ বলতেন, "ফকিহ (প্রকৃত বিজ্ঞ) তো সেই ব্যক্তিই যে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহকে ভয় করে।"
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৪৫২
আব্দুল্লাহ বলেন: আমার পিতা আমাকে বলেছেন, হাশেম আমাদের বলেছেন, জারির আমাদের বলেছেন, হাবিব ইবনে উবাইদ আর-রাহবি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তোমরা জ্ঞান অর্জন করো, তা অনুধাবন করো এবং তা দ্বারা উপকৃত হও। তবে তা নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য শিখো না; কারণ সম্ভবত তোমাদের আয়ু দীর্ঘ হলে এমন সময় আসবে যখন কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি তার জ্ঞানকে সেভাবেই নিজের সৌন্দর্য হিসেবে ব্যবহার করবে যেভাবে পোশাকধারী ব্যক্তি তার পোশাক দিয়ে সৌন্দর্য প্রকাশ করে।
"আয-যুহদ" পৃষ্ঠা ৪৬৩
ইবনে বাত্তাহ বলেন: আবু ওমর হামজা ইবনে কাসেম—জামে মানসুরের খতিব—আমাদের বলেছেন, হাম্বল ইবনে ইসহাক আমাদের বলেছেন, আবু আব্দুল্লাহ আমাদের বলেছেন, সুফিয়ান ইবনে...
(খণ্ড: ৫)
আল-জামিউ লি-উলুমিল ইমাম আহমাদ - উসুলুল ফিকহ
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
عيينة قال: سمعت أيوب يقول: سمعت الحسن يقول: ما رأيت فقيهًا قط يداري ولا يماري، إنما يفشي حكمته، فإن قبلت حمد اللَّه، وإن ردت حمد اللَّه (1).
قال: وسمعت الحسن يقول: ما رأيت فقيها قط. وإنما الفقيه الزاهد في الدنيا الراغب في الآخرة الدائب على العبادة، المتمسك بالسنة.
"إبطال الحيل" ص 65 - 66 (17)
قال ابن بطة: حدثنا أبو عبد اللَّه بن مخلد، حدثنا أبو بكر المروذي، حدثنا حبان بن موسى قال: سئل عبد اللَّه بن المبارك: هل للعلماء علامة يعرفون بها؟ قال: علامة العالم من عمل بعلمه، واستقل كثير العلم والعمل من نفسه، ورغب في علم غيره، وقبل الحق من كل من أتاه به، وأخذ العلم حيث وجده، فهذِه علامة العالم وصفته.
قال المروذي: فذكرت ذلك لأبي عبد اللَّه؛ فقال: هكذا هو.
وقال ابن بطة: حدثنا ابن مخلد، حدثنا المروذي قال: قلت لأبي عبد اللَّه: قيل لابن المبارك: كيف يعرف العالم الصادق؟ فقال: الذي يزهد في الدنيا ويعقل أمر آخرته.
فقال: نعم، كذا يريد أن يكون.
"إبطال الحيل" ص 75 (31، 32)
--------------------------------------------
উয়াইনাহ বলেন: আমি আইয়ুবকে বলতে শুনেছি: আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: আমি কখনো এমন কোনো ফকিহকে (তত্ত্বজ্ঞানী) দেখিনি যিনি তোষামোদ করেন অথবা বিতর্ক করেন; বরং তিনি কেবল তাঁর প্রজ্ঞা প্রকাশ করেন। যদি তা গ্রহণ করা হয় তবে তিনি আল্লাহর প্রশংসা করেন, আর যদি তা প্রত্যাখ্যান করা হয় তবে তিনি আল্লাহর প্রশংসা করেন (১)।
তিনি বলেন: আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: আমি কখনো (প্রকৃত) ফকিহ দেখিনি। প্রকৃত ফকিহ তো তিনিই যিনি দুনিয়ার প্রতি বিরাগী, আখিরাতের প্রতি আগ্রহী, ইবাদতে একনিষ্ঠ এবং সুন্নাহর অনুসারী।
"ইবতালুল হিয়াল" পৃষ্ঠা ৬৫ - ৬৬ (১৭)
ইবনে বাত্তাহ বলেন: আবু আব্দুল্লাহ বিন মাখলাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আল-মাররুজি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হিব্বান বিন মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারককে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: আলেমদের কি কোনো চিহ্ন আছে যার মাধ্যমে তাঁদের চেনা যায়? তিনি বলেন: আলেমের চিহ্ন হলো—যিনি তাঁর জ্ঞান অনুযায়ী আমল করেন, নিজের অধিক জ্ঞান ও আমলকে নগণ্য মনে করেন, অন্যের জ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হন, সত্য যার মাধ্যমেই আসুক তা গ্রহণ করেন এবং যেখানেই জ্ঞান পান তা গ্রহণ করেন; এটাই হলো আলেমের নিদর্শন ও বৈশিষ্ট্য।
আল-মাররুজি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহর (ইমাম আহমাদ) কাছে এটি উল্লেখ করলাম; তিনি বললেন: বিষয়টি এমনই।
ইবনে বাত্তাহ বলেন: ইবনে মাখলাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-মাররুজি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: ইবনুল মুবারককে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: সত্যনিষ্ঠ আলেমকে কীভাবে চেনা যায়? তিনি উত্তরে বলেছিলেন: "যিনি দুনিয়ার প্রতি বিরাগী এবং নিজের আখিরাতের বিষয়গুলো অনুধাবন করেন।"
তিনি (ইমাম আহমাদ) বললেন: হ্যাঁ, তাঁকে এমনই হতে হবে।
"ইবতালুল হিয়াল" পৃষ্ঠা ৭৫ (৩১, ৩২)
--------------------------------------------