(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: -)
النهاية في اتصال الرواية القسم: فهارس الكتب والأدلة
الكتاب: النهاية في اتصال الرواية (مطبوع ضمن مجموع رسائل ابن عبد الهادي)
المؤلف: يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن ابن عبد الهادي الصالحي، جمال الدين، ابن المِبْرَد الحنبلي (ت 909 هـ)
عناية: لجنة مختصة من المحققين بإشراف: نور الدين طالب
الناشر: دار النوادر، سوريا
الطبعة: الأولى، 1432 هـ - 2011 م
عدد الصفحات: 302
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 29 رمضان 1436
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ বিভাগ: গ্রন্থতালিকা ও নির্দেশিকা
বই: আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ (ইবনু আবদিল হাদির রিসালাহ সমূহের সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত)
লেখক: ইউসুফ বিন হাসান বিন আহমদ বিন হাসান ইবনু আবদিল হাদি আস-সালিহি, জামালুদ্দিন, ইবনুল মুবাররিদ আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৯০৯ হিজরি)
সম্পাদনা: বিশেষজ্ঞ গবেষক দলের তত্ত্বাবধানে: নুরুদ্দিন তালিব
প্রকাশক: দারুন নাওয়াদির, সিরিয়া
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩২ হিজরি - ২০১১ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩০২
[বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৯ রমজান ১৪৩৬
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: -)
مجموعة مؤلفات الإمام يوسف بن عبد الهادي الحنبلي رحمه الله[7]
«النهاية في اتصال الرواية»
تأليف
الإمام يوسف بن حسن بن عبد الهادي المقدسي الدمشقي الحنبلي
المولود سنة 841 هـ - والمتوفى سنة 909 هـ
رحمه الله تعالى
بعناية
لجنة مختصة من المحققين
بإشراف
نور الدين طالب
دار النوادر
ইমাম ইউসুফ বিন আব্দুল হাদী আল-হাম্বলী (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর রচনাবলী সংকলন [৭]
«আন-নিহায়াহ ফী ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ»
রচনা
ইমাম ইউসুফ বিন হাসান বিন আব্দুল হাদী আল-মাকদিসী আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী
জন্ম ৮৪১ হিজরী - এবং মৃত্যু ৯০৯ হিজরী
আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন
সম্পাদনায়
মুহাক্কিকগণের একটি বিশেষ কমিটি
তত্ত্বাবধানে
নূরুদ্দীন তালিব
দারুন নাওয়াদির
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
«النِّهَايَةُ فِي اتِّصَالِ الرِّوَايَةِ»
«বর্ণনা পরম্পরার নিরবচ্ছিন্নতা প্রসঙ্গে চূড়ান্ত গ্রন্থ»
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
جَمِيعُ الحُقُوقِ مَحْفُوظَة
الطَّبْعَةُ الأُولَى
1432 هـ - 2011 م
ردمك: 8 - 17 - 418 - 9933 - 978 lSBN
دَار النَّوَادِر
سورية - لبنان - الكويت
مُؤسَّسَة دَار النَّوَادِر م. ف - سُورية * شَرِكَة دَار النَّوَادِر الُّلبْنَانِيَّة ش. م. م - لُبْنَان * شَرِكَة دَار النَّوادِرِ الكُوَيْتِيَةٍ ذ. م. م - الكُوَيْت
سورية - دمشق - ص. ب: 34306 - هاتف: 2227001 - فاكس: 2227011 (0096311)
لبنان - بيروت - ص. ب: 14/ 5180 - هاتف: 652528 - فاكس: 652529 (009611)
الكويت - الصالحية - برج السحاب - ص. ب: 4316 حولي - الرمز البريدي: 32046
هاتف: 22273725 - فاكس: 22273726 (00965)
www.daralnawader.com - info@daralnawader.com
أسَّسَهَا سَنَة: 1426 هـ - 2006 م نُورُ الدِّيْن طَالِب المُدِير العَام وَالرَّئيس التَّنفيذي
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪৩২ হি. - ২০১১ খ্রি.
আইএসবিএন: ৮ - ১৭ - ৪১৮ - ৯৯৩৩ - ৯৭৮ ISBN
দার আল-নাওয়াদির
সিরিয়া - লেবানন - কুয়েত
দার আল-নাওয়াদির প্রতিষ্ঠান এম. এফ - সিরিয়া * দার আল-নাওয়াদির লেবানিজ কোম্পানি এস. এম. এম - লেবানন * দার আল-নাওয়াদির কুয়েতি কোম্পানি ডব্লিউ. এল. এল - কুয়েত
সিরিয়া - দামেস্ক - ডাক বাক্স: ৩৪৩০৬ - ফোন: ২২২৭০০১ - ফ্যাক্স: ২২২৭০১১ (০০৯৬৩১১)
লেবানন - বৈরুত - ডাক বাক্স: ১৪/ ৫১৮০ - ফোন: ৬৫২৫২৮ - ফ্যাক্স: ৬৫২৫২৯ (০০৯৬১১১)
কুয়েত - সালেহিয়া - আস-সাহাব টাওয়ার - ডাক বাক্স: ৪৩১৬ হাওয়ালি - পোস্টাল কোড: ৩২০৪৬
ফোন: ২২২৭৩৭২৫ - ফ্যাক্স: ২২২৭৩৭২৬ (০০৯৬৫)
www.daralnawader.com - info@daralnawader.com
এটি ১৪২৬ হি. - ২০০৬ খ্রি. সালে প্রতিষ্ঠা করেন নূরুদ্দিন তালিব, মহাপরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة التحقيقإنَّ الحمدَ للهِ نحمدُه، ونستعينُه ونستغفرُهُ، ونعوذُ باللهِ من شُرورِ أنفسِنا وسيئاتِ أعمالنا، مَنْ يَهْدِه اللهُ فلا مُضِلَّ له ومَنْ يُضْلِلْ فلا هاديَ له، وأشهدُ أن لا إله إلا اللهُ، وأشهدُ أنَّ محمَّدًا عبدُهُ ورسولُه.
أمّا بعد:
فإنَّ الإسنادَ خَصيصةٌ فاضلةٌ من خصائص هذه الأمَّة، وسُنَّةٌ بالغةٌ من السُّنن المؤكَّدة (1)، ولم يكن في أمَّةٍ من الأمم مُنْذُ خَلَقَ اللهُ آدمَ عليه السلام أمناءُ يحفظونَ آثارَ الرسُلِ إلا في هذه الأمَّة (2)، قال أبو علي الجَيَّاني: خَصَّ اللهُ هذه الأمةَ بثلاثةِ أشياءَ لم يُعْطِها مَنْ قَبْلَها: الإسنادِ والأنسابِ والإعرابِ (3).
وقد حَرَصَ العلماءُ على هذه الفضيلة، فتطلَّبوا الأسانيدَ وَقَطعوا المَفاوِزَ والقِفَار في سبيلِ تحصيلها، وأثنَوا على مُحصِّليها، وعَابوا على
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
তাহক্বীকের ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন তার কোনো পথভ্রষ্টকারী নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার কোনো পথপ্রদর্শক নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোনো ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
অতঃপর:
নিশ্চয়ই ইসনাদ (সনদ পরম্পরা) এই উম্মতের বৈশিষ্ট্যসমূহের মধ্যে একটি অতি শ্রেষ্ঠ বৈশিষ্ট্য এবং সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ সমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি সুদূরপ্রসারী সুন্নাহ (১)। আল্লাহ তাআলা আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সৃষ্টি করার পর থেকে কোনো উম্মতের মধ্যেই এমন আমানতদার ছিল না যারা রাসূলদের নিদর্শনসমূহ (আসার) সংরক্ষণ করবে, কেবল এই উম্মত ছাড়া (২)। আবু আলী আল-জায়্যানী বলেন: আল্লাহ এই উম্মতকে এমন তিনটি জিনিস দিয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছেন যা তিনি তাঁর পূর্ববর্তীদের দেননি: ইসনাদ, আনসাব (বংশলতিকা) এবং ইরাব (৩)।
আর ওলামায়ে কেরাম এই ফযিলত অর্জনে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন, ফলে তাঁরা উচ্চ সনদসমূহ তালাশ করেছেন এবং তা অর্জনের পথে মরুভূমি ও প্রান্তরসমূহ পাড়ি দিয়েছেন, এবং তাঁরা সনদ অর্জনকারীদের প্রশংসা করেছেন এবং তাদের দোষারোপ করেছেন যারা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
تاركيها، قال إسحاقُ بن إبراهيم الحَنْظَليُّ: كان عبدُ الله بن طاهرٍ إذا سألني عن حديث فذكرتُه له بلا إسناد، سألني عن إسنادِه ويقولُ: روايةُ الحديث بلا إسنادٍ مِنْ عَمَلِ الزَّمَنْى، فإنَّ إسنادَ الحديثِ كرامةٌ من الله عز وجل لأمَّةِ محمَّدٍ (1).
ولم تزلْ هذه السنةُ المحمودةُ في الأمة إلى يومنا هذا، وقد حَفِظَ لنا التاريخُ الإسلاميُّ في ذلك المصنفاتِ والدواوينَ الكثيرةَ لجم غفيرٍ من المصنِّفين المتقنين؛ كالذَّهبي وابن حجر وغيرهما.
وكان للإمام المُسْنِد يوسفَ بنِ عبد الهادي -المعروفِ بإيراد الأحاديث والآثار بأسانيدهِ المتصلةِ في جُلِّ كتبه- مؤلَّفٌ طريفٌ في هذا الباب سَمَّاه: "النهاية في اتصال الرواية" حَفَلَ بذكرِ أسانيده المتصلة إلى الأئمة الأعلام وأصحاب المصنَّفاتِ والكتبِ المشهورة، فقد أوردَ فيه جَمهرةً من أَسماء الأنبياءِ والصَّحابة والتابعين والقُراء والمفسِّرين والمحدّثين والفقهاء والأدباء والحُكماء والشعراء والقضاة والصالحين، مُوردًا عن كلِّ واحدٍ إسنادَه المتصلَ إليه مع سَوقِ روايةٍ حديثيةٍ من تلك الطريق، أو أثرٍ، أو قصَّة، أو أبياتٍ شعريةٍ ونحو ذلك.
وذكرَ فيه طائفةً من شيوخه بالسَّماع أو الإجازة، ويُعَدُّ هذا المؤلَّف بهذه الخَصيصة من أبرز مصادِر شيوخه الذين أخَذَ عنهم، كما أنه مُعرّق بأسانيد وطُرق المصنفاتِ المتداولة، كالبخاريِّ ومسلم وأبي داود والترمذيِّ وأحمد وغيرهم من أصحاب المعاجم والمسانيد والسُّنن والأجزاء.
--------------------------------------------
...বর্জনকারীদের বিষয়ে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-হানজালি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে তাহির যখন আমাকে কোনো হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন আর আমি তা সনদ ছাড়াই তাঁর কাছে বর্ণনা করতাম, তখন তিনি আমাকে সেটির সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন এবং বলতেন: "সনদ ছাড়া হাদিস বর্ণনা করা অক্ষমদের কাজ। কেননা, হাদিসের সনদ হলো মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য একটি বিশেষ সম্মান।" (১)
এই প্রশংসনীয় রীতিটি আজ পর্যন্ত এই উম্মতের মধ্যে অব্যাহত রয়েছে। ইসলামী ইতিহাস এ বিষয়ে বহু দক্ষ গ্রন্থকারের অসংখ্য সংকলন ও সংকলিত গ্রন্থাবলি আমাদের জন্য সংরক্ষণ করেছে; যেমন যাহাবী, ইবনে হাজার এবং আরও অনেকে।
ইমাম মুসনিদ ইউসুফ ইবনে আবদিল হাদি—যিনি তাঁর অধিকাংশ বইয়ে নিরবচ্ছিন্ন সনদে হাদিস ও আসার (সাহাবী ও তাবেয়ীদের বাণী) বর্ণনার জন্য সুপরিচিত—এই বিষয়ে একটি চমৎকার গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার নাম দিয়েছেন: "আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ"। এতে তিনি প্রখ্যাত ইমামগণ এবং প্রসিদ্ধ গ্রন্থ ও সংকলনসমূহের রচয়িতাদের নিকট পৌঁছানোর তাঁর নিরবচ্ছিন্ন সনদসমূহ উল্লেখ করেছেন। তিনি এতে বিপুল সংখ্যক নবী, সাহাবী, তাবেয়ী, ক্বারী, মুফাসসির, মুহাদ্দিস, ফকীহ, সাহিত্যিক, প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি, কবি, বিচারক এবং নেককার ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করেছেন। তিনি তাঁদের প্রত্যেকের নিকট পৌঁছানোর জন্য নিজের নিরবচ্ছিন্ন সনদ বর্ণনা করেছেন এবং সেই সূত্রে একটি হাদিস, অথবা আসার, অথবা কোনো কাহিনী, কিংবা কোনো কাব্যপদ ইত্যাদি উল্লেখ করেছেন।
তিনি এতে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে অথবা ইজাজতের (অনুমতি) মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর একদল শায়খের কথা উল্লেখ করেছেন। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এই গ্রন্থটি তাঁর সেইসব শায়খদের জানার অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হয় যাদের কাছ থেকে তিনি জ্ঞান অর্জন করেছেন। পাশাপাশি এটি প্রচলিত গ্রন্থাবলির সনদ ও সূত্রের মাধ্যমে সমৃদ্ধ, যেমন: বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ এবং মু'জাম, মুসনাদ, সুনান ও আজজা (ক্ষুদ্র হাদিস সংকলন) সমূহের অন্যান্য রচয়িতাগণ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
هذا وقد تمَّ -بفضل الله تعالى- الوقوفُ على النسخة الخطيَّة الفريدةِ لهذا الكتاب، وهي النسخةُ المحفوظة بدار الكتب والوثائق القومية في القاهرة تحت رقم (222 - مصطلح - تيمور)، وهي بخطِّ المؤلِّف المعروف بغرابة الشَّكل، وصُعوبة القراءةِ، وقلَّةِ الإعجام، وتقع في (96) ورقة. وقد أثبت في آخرها سماعات الكتاب على المؤلِّف بخطّ يدهِ، وبخطّ تلميذه الشيخِ يوسفَ بنِ أحمد بن الصَّيداوي البَعْلي.
* * *
هذا وقد تمَّ تحقيقُ هذا الكتاب وفق الخِطة الآتية:
1 - نسخُ الأصل المخطوط اعتمادًا على النسخة الخطيَّة المُشَار إليها، وذلك بحسب رسم وقواعد الإملاء الحديثة.
2 - معارضةُ المنسوخِ بالمخطوط؛ للتأكُّد من صحة النص وسلامته.
3 - عزو الآيات القرآنية بذكر اسمِ السُّورة ورقم الآية، وجَعْلها بين معكوفتين في صُلْب النص، وإدراجها برسم المصحف الشريف.
4 - تخريج الأحاديث النبوية الشريفة بالاقتصار على الرواية أو الطريق المذكورة لدى المصنف، والزيادةِ عليها عند الحاجة، وذلك بذكر رقم الحديث أو الجزء والصفحة من مصدر التخريج.
5 - توثيقُ الآثارِ والحكايات المرويَّة في ثنايا الكتاب.
এর পাশাপাশি, মহান আল্লাহর অনুগ্রহে এই কিতাবের অনন্য পাণ্ডুলিপির সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি কায়রোর ‘দারুল কুতুব ওয়াল ওয়াসাইকুল কওমিয়্যাহ’ (জাতীয় গ্রন্থাগার ও আর্কাইভস)-এ (২২২ - মুসতলাহ - তাইমুর) নম্বরে সংরক্ষিত রয়েছে। পাণ্ডুলিপিটি খোদ লেখকের হস্তাক্ষরে লিখিত, যা এর অদ্ভুত গঠনশৈলী, পাঠোদ্ধারে কঠিনতা এবং নুকতাহীনতার জন্য পরিচিত। এটি (৯৬)টি পৃষ্ঠা সম্বলিত। এর শেষে লেখকের নিজের হাতে এবং তাঁর ছাত্র শেখ ইউসুফ বিন আহমদ বিন আস-সাইদাউয়ী আল-বালির হাতে লিখিত লেখকের কাছে কিতাবটি শ্রবণের (সামা‘আত) বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
* * *
উল্লেখ্য যে, নিম্নোক্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই কিতাবটি তাহকীক করা হয়েছে:
১ - উল্লিখিত পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে মূল পাণ্ডুলিপিটির অনুলিপি তৈরি করা হয়েছে এবং এতে আধুনিক বানানরীতি ও নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
২ - মূল পাঠের নির্ভুলতা ও শুদ্ধতা নিশ্চিত করতে অনুলিপি করা পাঠটিকে মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।
৩ - সূরার নাম এবং আয়াত নম্বর উল্লেখ করে কুরআনের আয়াতগুলোর উদ্ধৃতি প্রদান করা হয়েছে; মূল পাঠে সেগুলোকে বন্ধনীভুক্ত করা হয়েছে এবং পবিত্র মুসহাফের লিপি অনুযায়ী সেগুলোকে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
৪ - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসগুলোর তাখরীজ করার ক্ষেত্রে গ্রন্থকারের উল্লিখিত বর্ণনা বা সূত্রের ওপর সীমাবদ্ধ থাকা হয়েছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত তথ্য যোগ করা হয়েছে; আর তা করা হয়েছে তাখরীজের মূল উৎস থেকে হাদীস নম্বর অথবা খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখের মাধ্যমে।
৫ - কিতাবের ভেতরে বর্ণিত আসার এবং ঘটনাবলীর সূত্র ও প্রামাণ্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
6 - ترقيمُ المرويات ترقيمًا تسلسليًا، وقد بلغت (472) رواية.
7 - كتابة مقدمة للكتابِ مشتملة على ترجمةٍ مختصرة للمؤلف، وتقدمةٍ موجزَة عن الكتاب.
هذا وصلَّى الله على نبينا محمّد وعلى آله وصحبه وسلَّم.
حَرًّرُه
نور الدين طالب
17 / صفر/ 1432 هـ
22/ 1 / 2011 م
৬ - বর্ণনাসমূহকে ধারাবাহিকভাবে সংখ্যায়ন করা হয়েছে এবং তা (৪৭২)টি বর্ণনায় পৌঁছেছে।
৭ - গ্রন্থের জন্য একটি ভূমিকা লিখন, যাতে লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনী এবং গ্রন্থ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সহচরদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
এটি প্রস্তুত করেছেন
নূরুদ্দীন তালিব
১৭ / সফর / ১৪৩২ হিজরি
২২ / ১ / ২০১১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
ترجمة المؤلف (1)
* هو الإمام يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن بن أحمد بن عبد الهادي المقدشي الأصل، الدمشقي المولد، الحنبلي المذهب، المعروف بـ: "ابن عبد الهادي"، والملقب بـ: "ابن المِبْرَد".
*ولد سنة (841 هـ) في أول يوم منها، وقد نشأ في بيئة علمية معروفة، فتفقه على أبيه وجده، وسمع عليهما الحديث.
وكان ملازماً للعلماء والصالحين؛ فحفظ "المقنع" لابن قدامة
--------------------------------------------
লেখকের জীবনী (১)
* তিনি হলেন ইমাম ইউসুফ বিন হাসান বিন আহমদ বিন হাসান বিন আহমদ বিন আব্দুল হাদি, যিনি মূলত মাকদিসি (জেরুজালেম) বংশোদ্ভূত, দামেস্কে জন্মগ্রহণকারী এবং মাযহাবে হানবালি। তিনি "ইবন আব্দুল হাদি" নামে পরিচিত এবং "ইবনুল মিবরাদ" উপাধিতে ভূষিত।
* তিনি ৮৪১ হিজরি সালের প্রথম দিনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এক সুপ্রসিদ্ধ ইলমি (জ্ঞানালোকিত) পরিবেশে বেড়ে ওঠেন; ফলে তিনি তাঁর পিতা ও দাদার নিকট ফিকহ শাস্ত্রের ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন এবং তাঁদের কাছ থেকেই হাদিস শ্রবণ করেন।
তিনি সর্বদা আলেম ও নেককার ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে থাকতেন; তিনি ইবনে কুদামা রচিত "আল-মুকনি" গ্রন্থটি মুখস্থ করেছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
على عدد من العلماء، وقرأ على مشايخ كثر "صحيح البخاري"، و"مسند الحميدي"، و"الدارمي"، وغيرها.
* فمن مشايخه الذين قرأ وحفظ عليهم: الشيخ علاء الدين المرداوي صاحب "الإنصاف"، وتقي الدين ابن قندس صاحب الحاشية المشهورة على "الفروع"، وزين الدين أبو الفرج ابن الحبال، وغيرهم.
* وقد تخرج على يديه جماعات من التلامذة؛ الذي صاروا فيما بعد أعلاماً كباراً؛ كـ: ابن طولون، وعبد القادر النعيمي، وغيرهما.
* أثنى عليه جماعة من أهل العلم، ووصفوه بالإمامة والحفظ والإتقان:
قال فيه تلميذه ابن طولون: "هو الشيخ الإمام، علم الأعلام، المحدث الرحالة، العلامة الفهامة، العالم العامل، المتقن الفاضل".
وقال فيه ابن العماد: "كان إماماً علامة، يغلب عليه علم الحديث والفقه، ويشارك في النحو والتصريف والتفسير، وله مؤلفات كثيرة".
وقال الشطي: "أجمعت الأمة على تقدمه وإمامته، وأطبقت الأئمة على فضله وجلالته".
* ترك الإمام ابن عبد الهادي كتباً كثيرة بلغت أسماؤها مجلداً، كما قال ابن طولون، ومن أهم تلك الكتب:
1 - "جمع الجوامع في الفقه على مذهب الإمام أحمد" في ثلاثة وسبعين مجلداً، غالبه مفقود.
তিনি বহু আলেমের নিকট শিক্ষালাভ করেছেন এবং অনেক শায়খের কাছে "সহীহ আল-বুখারী", "মুসনাদ আল-হুমাইদী", "আদ-দারেমী" ও অন্যান্য গ্রন্থ পাঠ করেছেন।
* তাঁর ঐসকল শায়খদের মধ্যে যাদের কাছে তিনি পাঠ করেছেন এবং হিফজ করেছেন তারা হলেন: "আল-ইনসাফ" গ্রন্থের রচয়িতা শেখ আলাউদ্দিন আল-মারদাভী, "আল-ফুরু" গ্রন্থের ওপর প্রসিদ্ধ টীকা (হাশিয়া)-র রচয়িতা তাকিউদ্দিন ইবনে কুনদুস, যয়নুদ্দিন আবুল ফারাজ ইবনুল হাব্বাল এবং অন্যান্যরা।
* তাঁর হাতে একদল ছাত্র শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন যারা পরবর্তীতে বড় বড় মনিষী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন; যেমন: ইবনে তুলুন, আব্দুল কাদির আন-নুয়াইমি এবং অন্যান্যরা।
* একদল আলেম তাঁর প্রশংসা করেছেন এবং তাঁকে ইমামত, হিফজ (স্মৃতিশক্তি) ও নিপুণ পাণ্ডিত্যের গুণে ভূষিত করেছেন:
তাঁর সম্পর্কে তাঁর ছাত্র ইবনে তুলুন বলেছেন: "তিনি হলেন শায়খ, ইমাম, শ্রেষ্ঠ মনিষী, পরিব্রাজক মুহাদ্দিস, প্রজ্ঞাবান আল্লামা, আমলকারী আলেম এবং অতি নিপুণ ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।"
ইবনুল ইমাদ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি ছিলেন একজন আল্লামা ইমাম, তাঁর ওপর ইলমে হাদীস ও ফিকহ-এর প্রভাব ছিল প্রবল, এবং তিনি নাহু (ব্যাকরণ), সরফ (রূপতত্ত্ব) ও তাফসীর শাস্ত্রেও পারদর্শী ছিলেন; আর তাঁর বহু গ্রন্থ রয়েছে।"
আশ-শাত্তি বলেছেন: "উম্মাহ তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও ইমামতের বিষয়ে একমত হয়েছে এবং ইমামগণ তাঁর মর্যাদা ও মহত্ত্বের বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছেন।"
* ইমাম ইবনে আব্দুল হাদী অনেক কিতাব রেখে গেছেন যেগুলোর নামের তালিকাই এক খণ্ডে সমাপ্ত হবে, যেমনটি ইবনে তুলুন বলেছেন। আর সেই কিতাবসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো:
১ - "জামউল জাওয়ামি ফিল ফিকহি আলা মাযহাবিল ইমাম আহমাদ", এটি তিয়াত্তর খণ্ডে রচিত, যার অধিকাংশ বর্তমানে বিলুপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
2 - "الدر النقي في شرح ألفاظ الخرقي".
3 - "مغني ذوي الأفهام" في الفقه.
4 - "هداية الإنسان إلى الإستغناء بالقرآن".
5 - "إرشاد السالك إلى مناقب مالك".
6 - "الدر النفيس في أصحاب محمد بن إدريس".
7 - "محض الصواب في فضائل أمير المؤمنين عمر بن الخطاب".
8 - "زبد العلوم وصاحب المنطوق والمفهوم".
9 - "زينة العرائس من الطرف والنفائس".
* توفي رحمه الله بصالحية دمشق، سادس عشر المحرم، من سنة تسع وتسع مئة، وصلي عليه بجامع الحنابلة، ودفن بسفح جبل قاسيون رحمه الله، ورضي عنه.
২ - "আদ-দুররুন নাকি ফী শারহি আলফাজিল খিরাকি"।
৩ - ফিকহ শাস্ত্রের গ্রন্থ "মুগনি যাউইল আফহাম"।
৪ - "হিদায়াতুল ইনসান ইলাল ইস্তিগনা বিল কুরআন"।
৫ - "ইরশাদুস সালিক ইলা মানাকিবি মালিক"।
৬ - "আদ-দুররুন নাফিস ফী আসহাবি মুহাম্মাদ বিন ইদরিস"।
৭ - "মাহদুস সাওয়াব ফী ফাদায়িলি আমিরিল মুমিনিন উমর ইবনুল খাত্তাব"।
৮ - "জুবদাতুল উলুম ওয়া সাহিবুল মানতুক ওয়াল মাফহুম"।
৯ - "যিনাতুল আরাইস মিনাত তুরাফি ওয়ান নাফাইস"।
* তিনি ৯০৯ হিজরি সালের ১৬ই মুহাররাম দামেস্কের সালিহিয়াতে ইন্তেকাল করেন (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন)। হানাবিলা জামে মসজিদে তার জানাযার নামায পড়া হয় এবং তাকে কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে দাফন করা হয়; আল্লাহ তার ওপর রহম করুন এবং তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
صُوَر المَخْطُوْطَاتْ
পাণ্ডুলিপির চিত্রসমূহ
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
صورة غلاف النسخة الخطية للمكتبة الظاهرية
জাহিরিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি সংস্করণের প্রচ্ছদ চিত্র
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
صورة اللوحة الأولى من النسخة الخطية للمكتبة الظاهرية
জাহিরিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি সংস্করণের প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র।
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
صورة اللوحة الأخيرة من النسخة الخطية بخطِّ المؤلِّف رحمه الله-
গ্রন্থকার (রহিমাহুল্লাহ)-এর স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠার চিত্র—
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
«النهاية في اتصال الرواية»
تأليف
الإمام يوسف بن حسن بن عبد الهادي المقدسي الدمشقي الحنبلي
المولود سنة 841 هـ - والمتوفى سنة 909 هـ
رحمه الله تعالى
بعناية
لجنة مختصة من المحققين
بإشراف
نور الدين طالب
«আন-নিহায়াহ ফী ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ»
রচনায়
ইমাম ইউসুফ বিন হাসান বিন আব্দুল হাদি আল-মাকদিসি আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি
জন্ম ৮৪১ হিজরি - এবং মৃত্যু ৯০৯ হিজরি
আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন
সম্পাদনায়
গবেষকদের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি
তত্ত্বাবধানে
নূরুদ্দীন তালিব
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
بسم الله الرحمن الرحيم
وهو حَسْبي
الحمدُ لله الذي مَنِ اتَّصلَ بهِ وَصَل، وَمَنْ لاذَ ببابِ كَرَمِه نَهَل، ومَنْ وقفَ ببابِه ذَليلاً نال الأَمَل، أَمَرَ خَلْقَه بِالعَمَل، وبِقِصَرِ الأَمَل، على لسانِ نبيّهِ مُزيلِ العِلَل، وجعلَ الإسنادَ وُصْلَةً للأَوامرِ والنَّواهي ونَفْي الخَلَل.
أحمدُه على ما خصَّنا من إزالةِ الزَّلَل، وأشكرُه على ما منحَنا من دفع الفَشَل.
وأشهدُ أنْ لا إلهَ إلا الله وحدَه لا شريكَ له مزيلُ الكَلَل، وأشهدُ أَنَّ محمداً عبدُه ورسولُه صاحبُ التاج والحُلَل، صلَّى الله عليه وعلى آلهِ وأصحابِه كلَّما حَدَرَ قَطْرٌ ونزل، وسَلمَ تسليماً.
أَمَّا بَعْد:
فإنَّ السَّنَدَ من الدين، وهو [واجب] على كلِّ أحدٍ من العلماءِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন তিনি গন্তব্যে পৌঁছে যান, এবং যিনি তাঁর মহানুভবতার দুয়ারে আশ্রয় নেন তিনি পরিতৃপ্ত হন, আর যে তাঁর দুয়ারে বিনীতভাবে দাঁড়ায় সে আকাঙ্ক্ষা লাভ করে। তিনি তাঁর সৃষ্টিকে কর্মের নির্দেশ দিয়েছেন এবং আশাকে সংক্ষিপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন তাঁর সেই নবীর মাধ্যমে যিনি বিচ্যুতি দূরকারী। আর তিনি সনদকে আদেশ ও নিষেধের জন্য সংযোগস্থল এবং ত্রুটি দূরীকরণের উপায় সাব্যস্ত করেছেন।
আমি তাঁর প্রশংসা করি কারণ তিনি আমাদের বিচ্যুতি দূরীকরণের মাধ্যমে বিশিষ্টতা দান করেছেন এবং আমি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি কারণ তিনি আমাদের ব্যর্থতা রোধ করার তৌফিক দিয়েছেন।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক এবং অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তিনি ক্লান্তি অপনোদনকারী। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যিনি মুকুট ও মর্যাদাপূর্ণ পরিচ্ছদের অধিকারী। আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর ওপর, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর, যতক্ষণ বৃষ্টিধারা বর্ষিত হয়।
অতঃপর:
নিশ্চয়ই সনদ দীনের অন্তর্ভুক্ত, এবং এটি প্রত্যেক আলেমের ওপর [ওয়াজিব]।
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
العامِلين، ومن وصلَ نفسَه بقوم، [وُصل بهم] برحمةِ أرحمِ الراحمين، فأردتُ أن أذكرَ اتصالَ [رواياتنا] بهم، جعلَنا الله معهم، إنه على كلِّ شيءٍ قدير، وأسأل الله أن يجعلَ ذلك خالِصاً لوجهِه الكريم، وهو حَسْبُنا ونعمَ الوكيل.
1 - اتصالُ روايتِنا بالله عز وجل-
أخبرنا جماعة من شيوخنا بالقراءة على بعضِهم، والسماعِ من بعضِهم، والإجازةِ من بعضِهم، قال جماعة منهم: أنا سلطانُ بن الزَّعْبوبِ سماعاً، وقال آخرون: أخبرتنا عائشةُ بنتُ عبد الهادي إجازةً، وقال آخرون: أنا ابن اليونانيةِ سماعاً، قالوا: أنا أبو العباسِ الحَجَّارُ: أنا ابن الزَّبيديِّ سماعاً، والقطيعيُّ والفاروثيُّ إجازةً: أنا أبو الوقتِ عبد الأولِ بن عيسى السِّجْزِيُّ: أنا أبو الحسنِ عبد الرحمن بن محمدٍ الداوديُّ: أنا أبو محمدٍ عبدُ الله بن أحمدَ السَّرَخْسِيُّ: ثنا أبو عبد الله محمدُ بن عبد الله بن يوسفَ الفِرَبْرِيُّ: ثنا أبو عبد الله محمدُ بن إسماعيلَ البخاريُّ: ثنا محمدُ بن عبد الرحيمِ، ثنا أبو زيدٍ سعيدُ بن الربيع: ثنا شعبةُ، عن قتادةَ، عن أنسٍ رضي الله عنه، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم يرويه عن ربه عز وجل، قال: "إِذَا تَقَرَّبَ العَبْدُ إِلَيَّ شِبْراً، تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعاً، وَإِذَا تَقَرَّبَ مِنِّي ذِرَاعاً، تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعاً، وَإِذا أتانِي مَشْياً، أَتيْتُهُ هَروَلَةً" (1).
--------------------------------------------
কর্মীবৃন্দ, এবং যে ব্যক্তি নিজেকে কোনো সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত করেছে, পরম দয়ালু আল্লাহর রহমতে [তাকে তাদের সাথেই যুক্ত করা হবে]। সুতরাং আমি তাদের সাথে [আমাদের বর্ণনাসমূহের] যোগসূত্র উল্লেখ করতে চেয়েছি; আল্লাহ আমাদের তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, নিশ্চয়ই তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আর আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি একে তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন। তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।
১ - মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে আমাদের বর্ণনার যোগসূত্র-
আমাদের শিক্ষকদের একটি দল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁদের কারো নিকট পাঠ করে, কারো নিকট থেকে শুনে এবং কারো নিকট থেকে অনুমতির মাধ্যমে। তাঁদের একদল বলেছেন: সুলতান ইবনে আজ-জাবুব শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। অন্য একদল বলেছেন: আয়েশা বিনতে আব্দুল হাদি অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। অন্য একদল বলেছেন: ইবনে আল-ইউনানিয়্যাহ শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা সকলে বলেছেন: আবু আল-আব্বাস আল-হাজ্জার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইবনে আজ-জাবাইদি শ্রবণের মাধ্যমে এবং আল-কাতিয়ি ও আল-ফারুসি অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল ইবনে ঈসা আস-সিজজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-হাসান আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দাউদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আস-সারাখসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আল-ফিরাবরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাইদ সাঈদ ইবনে আর-রাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: শু’বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহর সূত্রে, তিনি আনাস (রা.) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, আর তিনি তাঁর মহান ও পরাক্রমশালী রবের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ বলেছেন: "যখন কোনো বান্দা আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ নিকটবর্তী হয়, আমি তার দিকে এক হাত পরিমাণ নিকটবর্তী হই। যখন সে আমার দিকে এক হাত পরিমাণ নিকটবর্তী হয়, আমি তার দিকে দুই হাতের প্রসারের সমপরিমাণ নিকটবর্তী হই। আর যখন সে আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই" (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وبه إلى البخاريِّ: ثنا آدمُ: ثنا شعبةُ: ثنا محمدُ بن زيادٍ، قال: سمعتُ أبا هريرةَ عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم -يرويه عن ربِّكم عز وجل، قال: "كُلِّ عَمَلٍ كَفَّارَةٌ، وَالصَّوْمُ لِي، وَأَنَا أَجْزِي بِهِ، وَلَخَلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ الله مِنْ رِيحِ المِسْكِ" (1).
* * *
2 - اتِّصالُ روايتِنا بجبريلَ عن الله عز وجل-
قرأتُ على الشيخةِ الأصيلةِ فاطمةَ بنتِ الحرستانيِّ: أخبركِ ابن الحرستانيِّ، وابن البالِسِىِّ، وعليُّ بن أحمدَ المرداويُّ إجازةً: أنا أبو الحَجَّاجِ المِزِّيُّ، وأبو محمدِ بن المحبِّ، وغيرُهما إجازةً أيضاً: أنا شيخُ الإسلامِ شمس الدين، عبد الرحمن بن أبي عمرَ إجازةً، قال: سألتُ شيخَنا أبا مرتضى ابن أبي الجودِ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ شيخَنا أبا أحمدَ ابن عبد الرحمن الحضرميَّ عن الإخلاصِ ما هو؟ فقال: أنا الشيخُ سعدُ بن علي الإسفرايينيُّ، وسألتُه عن الإخلاصِ: ما هو؟ فقال: أنا محبُّ الدينِ أبو الحسنِ عبد الغافرِ الفارسيُّ، وسألتُه عن الإخلاصِ: ما هو؟ فقال: أنا الإمامُ أبو سعدٍ عبد الرحمن بن رامشٍ، وسألتُه عن الإخلاصِ: ما هو؟ فقال: أنا الشيخُ أبو عبد الرحمن محمدُ بن حسينٍ السلميُّ، وسألتُه عن الإخلاصِ: ما هو؟ فقال: سمعتُ عليَّ بن سعيدٍ، وأحمدَ بن
--------------------------------------------
এবং এই সনদে ইমাম বুখারী পর্যন্ত: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ, তিনি বলেন: আমি আবু হুরাইরা থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সূত্রে শুনেছি—তিনি তোমাদের রব মহা প্রতাপশালী ও মহিমান্বিত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "প্রত্যেক আমলই কাফফারা (পাপমোচনকারী), আর রোজা কেবল আমারই জন্য, এবং আমিই এর প্রতিদান প্রদান করব। আর নিশ্চয়ই রোজা পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়।" (১)।
* * *
২ - আল্লাহ মহা প্রতাপশালী ও মহিমান্বিত-এর পক্ষ থেকে জিবরাঈলের মাধ্যমে আমাদের বর্ণনার সংযোগ-
আমি বিদুষী শাইখা ফাতিমা বিনতে আল-হারাসতানির নিকট পাঠ করেছি: (তিনি বলেন) ইবনুল হারাসতানি, ইবনুল বালিসি এবং আলী ইবন আহমাদ আল-মারদাউই ইজাযত সূত্রে তোমাদের জানিয়েছেন: আবু আল-হাজ্জাজ আল-মিযযি, আবু মুহাম্মাদ ইবনুল মুহিব্ব এবং অন্যান্যরা ইজাযত সূত্রে আমাকে জানিয়েছেন: শাইখুল ইসলাম শামসুদ্দিন আব্দুর রহমান ইবন আবি উমর ইজাযত সূত্রে আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমাদের শাইখ আবু মুরতাদা ইবন আবি আল-জুদকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: তা কী? তিনি বললেন: আমি আমাদের শাইখ আবু আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-হাদরামিকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি: তা কী? তিনি বললেন: আমাকে শাইখ সা'দ ইবন আলী আল-ইসফারাঈনি জানিয়েছেন এবং আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: তা কী? তিনি বললেন: আমাকে মুহিব্বুদ্দিন আবু আল-হাসান আব্দুল গাফির আল-ফারিসি জানিয়েছেন এবং আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: তা কী? তিনি বললেন: আমাকে ইমাম আবু সা'দ আব্দুর রহমান ইবন রামেশ জানিয়েছেন এবং আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: তা কী? তিনি বললেন: আমাকে শাইখ আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মাদ ইবন হুসাইন আস-সুলামি জানিয়েছেন এবং আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: তা কী? তিনি বললেন: আমি আলী ইবন সা'ঈদ এবং আহমাদ ইবন... কে বলতে শুনেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
محمدِ بن زكريا، وسألتُهما عن الإخلاصِ: ما هو؟ فقالا: سمعْنا عليَّ بن إبراهيمَ الشقيقيَّ، وسألناه عن الإخلاصِ: ما هو؟ فقال: سمعتُ محمدَ بن جعفرٍ الخصَّافَ، وسألتُه عن الإخلاصِ، قال: سألتُ أحمدَ بن بشارٍ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ أبا يعقوبَ السَّرَقُسْطِيَّ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ أحمدَ بن قسَّامٍ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ أحمدَ بن عطاءٍ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ عبد الواحدِ بن زيدٍ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ الحسنَ البصريَّ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ حُذيفةَ عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: سألتُ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم عن الإخلاصِ: ما هو؟ قال: "سَألتُ جِبْرِيلَ عليه السلام عَنِ الإِخْلاصِ: ما هُوَ؟ قَالَ: سَألتُ رَبَّ الْعِزَّة عَنِ الإِخْلاصِ: ما هُوَ؟ قَالَ: هُوَ سِرٌّ مِنْ سِرِّي اسْتَوْدَعْتُهُ قَلْبَ مَنْ أَحْبَبْتُ مِنْ عِبَادِي" (1).
* * *
3 - اتِّصالُ روايتِنا بالنبيّ صلى الله عليه وسلم عن جبريلَ، عن الله عز وجل-
قرأتُ على النظامِ ابن مُفْلحٍ: أخبركم الحافظُ أبو بكرِ بن المحبِّ
--------------------------------------------
মুহাম্মাদ বিন যাকারিয়া এবং আমি তাঁদের উভয়কে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তাঁরা বললেন: আমরা আলী বিন ইব্রাহিম আশ-শাকিকীকে বলতে শুনেছি, এবং আমরা তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-খাসসাফকে বলতে শুনেছি, আর আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আমি আহমাদ বিন বাশশারকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি আবু ইয়াকুব আস-সাকুস্তিকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি আহমাদ বিন কাসসামকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি আহমাদ বিন আতাকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি আব্দুল ওয়াহিদ বিন যায়িদকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি হাসান বসরীকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি হুযাইফাকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: "আমি জিবরীল আলাইহিস সালামকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি রব্বুল ইজ্জতকে (মহিমাময় প্রতিপালক) ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম: এটি কী? তিনি বললেন: এটি আমার গোপন রহস্যসমূহের মধ্য হতে একটি রহস্য, যা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ভালোবাসি তার হৃদয়ে গচ্ছিত রাখি" (১)।
* * *
৩ - জিবরীল ও আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের বর্ণনার যোগসূত্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত-
আমি আন-নিযাম ইবনুল মুফলিহের নিকট পাঠ করেছি: হাফেজ আবু বকর ইবনুল মুহিব্ব তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
إجازةً: أنا أبو بكرِ بن الرضيِّ، وزيتبُ بنتُ الكمالِ، وأبو العباسِ أحمدُ بن إبراهيمَ بن أبي عمرَ، والمحبُّ محمدُ بن المحبِّ عبد الله، والقاضي سليمانُ بن حمزةَ، قال الأربعةُ: الأولُ: أنا عبد الرحمن بن مَكَيٍّ إجازةً: أنا جدي السِّلَفِيُّ حُضوراً، وقال الخامسُ: أنا جعفر الهمدانيُّ: أنا السلفيُّ: أنا أبو بكرِ بن مردويْهِ، وأبو العلاءِ السرائيُّ، وأبو طالبٍ الشعيريُّ سبط الرازيِّ، وأبو عليٍّ الحدادُ، قالوا: أنا أبو نعيمٍ: أنا عبد الله بن جعفرٍ: ثنا إسماعيلُ بن عبد الله سمُّويه: ثنا عبد الملكِ بن مسلمةَ: ثنا إبراهيمُ بن أبي بكرِ بن المنكدرِ: سمعتُ عمي محمدَ بن المنكدرِ: سمعتُ جابرَ بن عبد الله يقول: سمعتُ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم يقول: "قَالَ جِبْرِيلُ عليه السلام: قَالَ الله-عز وجل: هذا الدِّين ارْتَضَيْتُهُ لِنَفْسِي، وَلَنْ يُصْلِحَهُ إِلا السَّخَاءُ وَحُسْنُ الخُلُقِ، فَأَكْرِمُوهُ بِهِمَا ما صَحِبْتُمُوهُ" (1).
* * *
4 - اتِّصالُ روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن جِبْرِيلَقرأت على الشيخةِ فاطمةَ بنتِ الحرستانيِّ: أخبركِ المشايخُ الثلاثة: ابن الحرستانيِّ، وابن البالِسِيِّ، والمرْداويُّ إجازةً: أنا أبو محمدِ بن المحبِّ كذلك: أنا عبد الله الواسطيُّ. أنا ابن أبي لقمةَ: أنا أبو القاسمِ نصرُ بن أحمدَ السوسِيُّ: أنا أبو الفَرَجِ الإسفرايينيُّ: أنا أبو عبد الله محمّد بن الحسنِ بن عمرَ الناقد، أنا أبو الطيبِ الحريريُّ: أنا
--------------------------------------------
অনুমতিসূত্রে: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আর-রাদি, যয়নাব বিনত আল-কামাল, আবুল আব্বাস আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আবি উমর, আল-মুহিব্ব মুহাম্মদ বিন আল-মুহিব্ব আবদুল্লাহ এবং বিচারক সুলাইমান বিন হামযাহ। এই চারজন বলেছেন: প্রথমজন বলেছেন: আমাকে আবদুর রহমান বিন মাক্কি অনুমতিসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমি আমার দাদা আস-সিলাফির উপস্থিতিতে তাঁর থেকে (প্রাপ্ত হয়েছি)। পঞ্চম ব্যক্তি বলেছেন: আমাকে জাফর আল-হামাদানি সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আস-সিলাফি সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আবু বকর বিন মারদুওয়াইহি, আবুল আলা আস-সারায়ি, আর-রাজির দৌহিত্র আবু তালিব আশ-শাইরি এবং আবু আলি আল-হাদ্দাদ সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা সকলে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম: তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন জাফর: তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসমাইল বিন আবদুল্লাহ সামমুওয়াইহি: তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল মালিক বিন মাসলামাহ: তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবরাহিম বিন আবি বকর বিন আল-মুনকাদির: তিনি বলেন, আমি আমার চাচা মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদিরকে বলতে শুনেছি: আমি জাবির বিন আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "জিবরীল আলাইহিস সালাম বলেছেন: আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলেছেন: এই দ্বীনকে আমি নিজের জন্য পছন্দ করেছি, আর দানশীলতা ও উত্তম চরিত্র ছাড়া অন্য কিছুই একে সংশোধন করতে পারবে না। সুতরাং যতক্ষণ তোমরা এই দ্বীনের সাথে থাকবে, ততক্ষণ এই দুটি গুণের মাধ্যমে একে সম্মানিত করো।" (১).
* * *
৪ - জিবরীলের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত আমাদের বর্ণনাসূত্রের সংযোগআমি শায়খা ফাতিমা বিনত আল-হারিস্তানির নিকট পাঠ করেছি: তাঁকে তিন শায়খ—ইবনে আল-হারিস্তানি, ইবনুল বালিসি এবং আল-মারদাউয়ি অনুমতিসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আবু মুহাম্মদ বিন আল-মুহিব্ব একইভাবে সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আবদুল্লাহ আল-ওয়াসিতি সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাকে ইবনে আবি লুকমাহ সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আবুল কাসিম নাসর বিন আহমদ আস-সুসি সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আবুল ফারাজ আল-ইসফারায়িনি সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন উমর আন-নাক্কাদ সংবাদ দিয়েছেন: তিনি বলেন, আমাকে আবু তাইয়িব আল-হারিরি সংবাদ দিয়েছেন: তিনি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
أبو جعفرٍ الطَّحاوِيُّ: ثنا يوسفُ بن زيدٍ: ثنا عليُّ بن سعيدٍ: ثنا عبيدُ الله بن عمرِو، عن زيدِ بن أبي أنيسةَ، عن محمدِ بن قيسٍ النَّخَعِيِّ، قال: سمعت أبا حكمٍ البَجَلِيَّ يقول: دخلتُ على أبي هريرةَ وهو يحتجِمُ، فقال لي: يا أبا الحكمِ! أتحتجمُ؟ فقلت: ما احتجمتُ قَطُّ، فقال: ثنا أبو القاسمِ صلى الله عليه وسلم: "أَنَّ جِبْرِيلَ عليه السلام أَخْبَرَهُ: أَنَّ الحَجْمَ مِنْ أَنْفَعِ ما يتدَاوَى بِهِ النَّاسُ" (1).
* * *
5 - روايتنا عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم عن آدمَأخبرنا جماعةٌ من شيوخنا، قالوا: أنا ابن الزَّعْبوبِ، وعائشةُ، قالا: أنا الحَجَّارُ: أنا الزَّبيديُّ، أنا السِّجْزِيُّ، أنا الداودِيُّ، أنا السَّرَخْسِيُّ، أنا الفِرَبْرِيُّ: أنا البخاريُّ: ثنا أحمدُ بن صالحٍ: ثنا عَنْبَسَةُ: ثنا يونسُ، عن ابن شهاب، عن أنسٍ، عن أبي ذَرٍّ فَي حديثِ المعراجِ: أن النبيَّ صلى الله عليه وسلم وجدَ رجلاً عن يمينه أَسْوِدَةٌ، وعن يسارِه أسودةٌ، فإذا نظرَ قِبَلَ يمينه، ضحكَ، وإذا نظرَ قِبَلَ شِمالهِ، بَكى فقالَ: مَرْحَباً بالنبيِّ الصالح، والإبن الصالحِ، قلتُ: "مَنْ هذا يا جِبْرِيلُ؟ قَالَ: هذا آدَمُ، وَهذهِ الأَسْوِدَةُ عَنْ يَمِينهِ وَعَنْ شِمَالِهِ نَسَمُ بنيهِ، فَأَهْلُ اليَمِينِ مِنْهُمْ أَهْلُ الجَنَّةِ، وَالأَسْوِدَةُ الَّتِي عَنْ شِمَالِهِ أَهْلُ النَّارِ، فَإِذَا نَظَرَ قِبَلَ يَمِينهِ، ضَحِكَ، وَإِذَا نَظَرَ قِبَلَ شِمَالِهِ، بَكَى" (2).
--------------------------------------------
আবু জাফর আত-তহাবী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন যায়েদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন সাঈদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন আমর, যায়েদ বিন আবি আনিসাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন কায়েস আন-নাখয়ী থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু হাকাম আল-বাজালীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রার কাছে গেলাম যখন তিনি হিজামা (সিঙা) লাগাচ্ছিলেন। তখন তিনি আমাকে বললেন: হে আবু হাকাম! তুমি কি হিজামা করাও? আমি বললাম: আমি কখনো হিজামা করাইনি। তখন তিনি বললেন: আমাদের নিকট আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বর্ণনা করেছেন: "জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) তাঁকে অবহিত করেছেন যে: মানুষের চিকিৎসার জন্য হিজামা সর্বাধিক উপকারী মাধ্যমগুলোর অন্তর্ভুক্ত।" (১)।
* * *
৫ - আদম (আলাইহিস সালাম) প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আমাদের বর্ণিত রেওয়ায়াতআমাদেরকে আমাদের একদল শিক্ষক সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট ইবনুল জাবুব এবং আয়েশা বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আল-হাজ্জার বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আয-যাবয়দী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আস-সিজজী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আদ-দাউদী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আস-সারখাসী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-ফিরাবরী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-বুখারী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আহমদ বিন সালেহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আনবাসাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইউনুস বর্ণনা করেছেন, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি আবু যার থেকে মেরাজের হাদীসে বর্ণনা করেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একজন ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন যার ডান পাশে অনেকগুলো কৃষ্ণবর্ণ অবয়ব এবং বাম পাশে অনেকগুলো কৃষ্ণবর্ণ অবয়ব রয়েছে। যখন তিনি তাঁর ডান দিকে তাকান, হাসেন; আর যখন তাঁর বাম দিকে তাকান, কাঁদেন। অতঃপর তিনি বললেন: "স্বাগতম নেককার নবী এবং নেককার সন্তানের প্রতি।" আমি বললাম: "হে জিবরাঈল, ইনি কে?" তিনি বললেন: "ইনি আদম, আর তাঁর ডানে ও বামে এই অবয়বগুলো হলো তাঁর সন্তানদের রূহ। তাদের মধ্যে যারা ডান দিকে রয়েছে তারা জান্নাতবাসী, আর যে অবয়বগুলো তাঁর বাম দিকে রয়েছে তারা জাহান্নামবাসী। তাই যখন তিনি তাঁর ডান দিকে তাকান, হাসেন; আর যখন তাঁর বাম দিকে তাকান, কাঁদেন।" (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
6 - روايتُنا عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم، عن نوحٍ عليه السلام-
وبالسند المتقدِّم إلى البخاريِّ: ثنا عبدانُ: ثنا عبد الله، عن يونسَ، عن الزهريِّ، قال سالمٌ: وقال ابن عمرَ: قامَ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم في الناسِ، فأثنى على الله بما هو أهلُه، ثم ذكر الدجَّالَ، فقال: "إِنِّي أُنْذِرُكُمُوهُ، وَمَا مِنْ نَبِيٍّ إِلا أَنْذَرَهُ قَوْمَهُ، لَقَدْ أَنْذَرَ نُوحٌ قَوْمَهُ، وَلكني أَقُولُ لَكُمْ فِيهِ قَوْلاً لَمْ يَقُلْهُ نَبِيٌّ لِقَوْمِهِ، تَعْلَمُونَ أَنّهُ أَعْوَرُ، وَإِنَّ الله لَيْسَ بِأَعْوَرَ" (1).
* * *
7 - ذكرُ اتصالِ روايتِنا عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم عن إدريس عليه السلام-
وبالسندِ الأولِ في حديثِ آدمَ إلى أبي ذَرٍّ: أن جبريلَ مرَّ بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم بِإِدْرِيسَ، فَقَالَ: مَرْحَباً بالنبيِّ الصالحِ والأخِ الصالحِ، فقلتُ: "مَنْ هذا؟ قَالَ: هذا إِدْرِيسُ" (2).
* * *
8 - اتصال روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن إبراهيمَ عليه السلام-
وبه إلى البخاريِّ: ثنا سعيدُ بن تليدٍ: أخبرني ابن وهبٍ: أخبرني جريرُ بن حازمٍ، عن أيوبَ، عن محمدٍ، عن أبي هريرةَ، قال: قالَ
--------------------------------------------
৬ - নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে নুহ আলাইহিস সালাম সম্পর্কে আমাদের বর্ণনা-
বুখারি পর্যন্ত পূর্বোল্লিখিত সনদের মাধ্যমে: আমাদের নিকট আবদান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন ইউনুস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, সালিম বলেন: এবং ইবনে উমর বলেছেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মাঝে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা করলেন, এরপর তিনি দাজ্জালের আলোচনা করলেন এবং বললেন: "আমি তোমাদেরকে তার সম্পর্কে সতর্ক করছি। এমন কোনো নবি নেই যিনি তার জাতিকে তার সম্পর্কে সতর্ক করেননি। অবশ্যই নুহ তার জাতিকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু আমি তোমাদেরকে তার সম্পর্কে এমন একটি কথা বলব যা কোনো নবি তার জাতিকে বলেননি। তোমরা জেনে রেখো যে, সে একচোখা, আর আল্লাহ একচোখা নন" (১)।
* * *
৭ - নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইদ্রিস আলাইহিস সালাম সম্পর্কে আমাদের বর্ণনার নিরবচ্ছিন্নতার উল্লেখ-
আদম আলাইহিস সালামের হাদিসে বর্ণিত প্রথম সনদের মাধ্যমে আবু যার থেকে বর্ণিত: জিবরাইল নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে ইদ্রিস আলাইহিস সালামের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। ইদ্রিস আলাইহিস সালাম বললেন: "স্বাগতম হে নেককার নবি ও নেককার ভাই।" আমি (রাসুলুল্লাহ) জিজ্ঞেস করলাম: "উনি কে?" তিনি (জিবরাইল) বললেন: "উনি ইদ্রিস" (২)।
* * *
৮ - নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম সম্পর্কে আমাদের বর্ণনার নিরবচ্ছিন্নতা-
এবং এর মাধ্যমেই বুখারি পর্যন্ত: আমাদের নিকট সাঈদ বিন তালিদ বর্ণনা করেছেন: আমাকে ইবনে ওয়াহাব সংবাদ দিয়েছেন: আমাকে জারির বিন হাযিম সংবাদ দিয়েছেন আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ বলেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "لَمْ يَكْذِبْ إِبْرَاهِيمُ إِلا ثَلاثاً، ثِنْتَيْنِ منهُنَّ فِي الله؛ قولُه: {فَقَالَ إِنِّي سَقِيمٌ} [الصافات: 89]، وقولُه: {قَالَ بَلْ فَعَلَهُ كَبِيرُهُمْ هَذَا} [الأنبياء: 63]. وَبَيْنَا هُوَ ذَاتَ يَوْمٍ وَسَارةٌ، إِذْ أَتَى عَلَى جَبَّارٍ مِنَ الجَبَابِرَةِ، فَقِيلَ لَهُ: إِنَّ هذا رَجُلٌ مَعَهُ امْرَأَةٌ مِنْ أَحْسَنِ النَّاسِ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ، فَسَأَلهُ عَنْهَا، فَقَالَ: مَنْ هذهِ؟ قَالَ: أُخْتِي، فَأَتَى سَارة، فَقَالَ: يا سَارة لَيْسَ عَلَى وَجْهِ الأَرْضِ مُؤمِنٌ غَيْرِي وَغَيْرُكِ، وَإِنَّ هذا سَأَلنِي، فَأَخْبَرْتُهُ أَنّكِ أُخْتِي، فَلا تكذِّبِيني، فَأَرْسَلَ إِلَيْهِمَا، فَلَمَّا دَخَلَتْ عَلَيْهِ، ذَهَبَ يَتناوَلُهَا بِيَدِهِ، فَأُخِذَ، فَقَالَ: ادْعِي الله وَلا أَضُرُّكِ، فَدَعَتِ الله، فَأُطْلِقَ. ثُمَّ تَنَاوَلَهَا ثَانِيَةً، فَأُخِذَ مِثْلَهَا أَوْ أَشَدَّ، فَقَالَ: ادْعِي الله لِي وَلا أَضُرُّكِ، فَدَعَتْ، فَأُطْلِقَ، فَدَعَا بَعْضَ حَجَبَتِهِ فَقَالَ: إِنَكمْ لَمْ تَأْيني بِإِنْسَانٍ، إِنَّمَا أتيْتَنِي بِشَيْطَانٍ، فَأَخْدَمَهَا هَاجَرَ، فَأَتَتْهُ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلّي، فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ: مَهْيَم؟ قَالَتْ: رَدَّ الله كَيْدَ الْكَافِرِ -أَوِ الفَاجِرِ- في نَحْرِهِ، وَأَخْدَمَ هَاجَرَ" (1).
* * *
9 - اتِّصال روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن إسماعيلَ وإسحاقَ عليهما السلام-
وبه إلى البخاريّ: ثنا عثمانُ بن أبي شيبةَ: ثنا جرير، عن منصورٍ، عن المِنْهالِ، عن سعيدِ بن جُبيرٍ، عن ابن عباسٍ، قال: كان النبيُّ صلى الله عليه وسلم يُعَوّذُ الحسنَ والحسينَ، ويقول: "إِنَّ أباكُمْ كَانَ يُعَوِّذُ بِهَا
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম) মাত্র তিনটি মিথ্যা বলেছিলেন, যার মধ্যে দুটি ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে; তাঁর এই কথা: {নিশ্চয়ই আমি অসুস্থ} [আস-সাফফাত: ৮৯], এবং তাঁর এই কথা: {বরং তাদের এই বড়টিই এটি করেছে} [আল-আম্বিয়া: ৬৩]। একদিন তিনি ও সারা (আলাইহাস সালাম) পথ চলছিলেন, এমন সময় তিনি এক স্বৈরাচারী শাসকের এলাকায় পৌঁছালেন। তাকে (শাসককে) বলা হলো: এখানে একজন লোক এসেছে যার সাথে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরী এক নারী রয়েছে। শাসক তাঁর কাছে লোক পাঠালেন এবং তাঁর (সারা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন: এ নারী কে? তিনি বললেন: আমার বোন। অতঃপর তিনি সারার কাছে আসলেন এবং বললেন: হে সারা, এই যমীনে আমি আর তুমি ছাড়া অন্য কোনো মুমিন নেই। এই লোক আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, তাই আমি তাকে বলেছি যে তুমি আমার বোন। সুতরাং তুমি আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করো না। অতঃপর শাসক তাঁদের দুজনকে ডেকে পাঠালেন। যখন সারা তাঁর কাছে প্রবেশ করলেন, সে তাঁর দিকে হাত বাড়ালো, অমনি সে পাকড়াও হলো (তার হাত অবশ হয়ে গেল)। সে বলল: আল্লাহর কাছে দুয়া করো, আমি তোমার কোনো ক্ষতি করব না। তিনি আল্লাহর কাছে দুয়া করলেন এবং সে মুক্ত হলো। অতঃপর সে দ্বিতীয়বার তাকে স্পর্শ করতে গেল, তখন সে আগের মতো বা তার চেয়েও কঠোরভাবে পাকড়াও হলো। সে বলল: আমার জন্য আল্লাহর কাছে দুয়া করো, আমি তোমার কোনো ক্ষতি করব না। তিনি দুয়া করলেন এবং সে মুক্ত হলো। এরপর সে তার একজন রক্ষীকে ডাকল এবং বলল: তোমরা আমার কাছে কোনো মানুষ আননি, বরং তোমরা আমার কাছে এক শয়তান এনেছ। অতঃপর সে হাজেরাকে তাঁর (সারার) খিদমতের জন্য দান করল। সারা ফিরে এসে দেখলেন যে তিনি (ইব্রাহিম) দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছেন। তিনি হাত দিয়ে ইশারা করলেন: কী খবর? তিনি বললেন: আল্লাহ কাফিরের—অথবা ফাজিরের—ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন এবং হাজেরাকে খিদমতের জন্য দিয়েছেন।" (১).
* * *
৯ - ইসমাঈল ও ইসহাক (আলাইহিমাস সালাম)-এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত আমাদের বর্ণনার নিরবচ্ছিন্নতা (ইত্তিসাল)-
এবং একই সনদে ইমাম বুখারি পর্যন্ত: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আবি শাইবাহ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জারির, মানসুর থেকে, তিনি মিনহাল থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসান ও হুসাইনকে আল্লাহর আশ্রয়ে সমর্পণের মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক করতেন এবং বলতেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের পিতা (ইব্রাহিম আ.) এই বাক্যগুলোর মাধ্যমে তাঁদের (ইসমাঈল ও ইসহাককে) আল্লাহর আশ্রয়ে রাখতেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
إِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ الله التَّامَّةِ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةً، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لامَّةٍ" (1).
* * *
10 - اتصالُ روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن يعقوبَ عليه السلام-
وبه إلى البخاريِّ: ثنا عبدةُ: ثنا عبد الصمدِ، عن عبد الرحمن، عن أبيه، عن ابن عمرَ رضي الله عنهما، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم، قال: "الكَرِيمُ ابنُ الكَرِيمِ ابنِ الكَرِيمِ ابنِ الكَرِيمِ يُوسُفُ بن يَعْقُوبَ بن إِسْحَاقَ بن إِبْرَاهِيمَ" (2).
* * *
11 - اتِّصال روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن يوسفَ ولوط عليهما السلام-
أخبرنا جَدِّي، وابن عقيلٍ إجازةً: أنا الصلاحُ بن أبي عمرَ كذلك: أنا ابن البخاريِّ: أنا حنبلٌ الرصافيُّ: أنا أبو القاسمِ هبةُ الله: أنا أبو علي التميميُّ: أنا أبو بكرٍ القطيعيُّ: أنا أبو عبد الرحمن يوسفُ بن محمدٍ: ثنا أبي: ثنا محمدُ بن بشرٍ: ثنا محمدُ بن عمرٍو: ثنا أبو سلمةَ، عن أبي هريرةَ، قال: قالَ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "إِنَّ الكَرِيمَ ابنَ الكَرِيمِ ابنِ الكَرِيمِ ابنِ الكَرِيمِ يُوسُفُ بنُ يَعْقُوبَ بنِ إِسْحَاقَ بنِ إِبْرَاهِيمَ خَلِيلِ الرحمن".
--------------------------------------------
ইসমাঈল এবং ইসহাক (এর জন্য): আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করছি প্রত্যেক শয়তান এবং বিষধর প্রাণী হতে এবং প্রত্যেক অনিষ্টকারী চোখ হতে" (১)।
* * *
১০ - ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম)-এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত আমাদের বর্ণনাসূত্রের সংযোগ-
এবং তাঁর মাধ্যমে বুখারি পর্যন্ত: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ, আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "সম্মানিতর পুত্র সম্মানিত, তাঁর পুত্র সম্মানিত, তাঁর পুত্র সম্মানিত; তিনি হলেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম" (২)।
* * *
১১ - ইউসুফ এবং লুত (আলাইহিমাস সালাম)-এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত আমাদের বর্ণনাসূত্রের সংযোগ-
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা, এবং ইবনে আকীল ইজাযতস্বরূপ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস-সালাহ ইবনে আবি উমর একইভাবে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল বুখারি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্বল আর-রুসাফি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আত-তামিমি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-কুতায়ি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বিশর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই সম্মানিতর পুত্র সম্মানিত, তাঁর পুত্র সম্মানিত, তাঁর পুত্র সম্মানিত; তিনি হলেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম, যিনি রহমানের খলিল (বন্ধু)"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وقال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "لَوْ لَبِثْتُ فِي السِّجْنِ طُولَ ما لَبِثَ يُوسُفُ، ثُمَّ جَاءَني الدَّاعِي، لأَجَبْتُهُ، إِذْ جَاءَهُ الرَّسُولُ فَقَالَ: {ارْجِعْ إِلَى رَبِّكَ فَاسْأَلْهُ مَا بَالُ النِّسْوَةِ اللَّاتِي قَطَّعْنَ أَيْدِيَهُنَّ إِنَّ رَبِّي بِكَيْدِهِنَّ عَلِيمٌ} [يوسف: 50]، وَرَحْمَةُ الله عَلَى لُوطٍ، إِنْ كَانَ لَيَأْوِي إِلَى رُكْنٍ شَدِيدٍ إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِ صلى الله عليه وسلم {لَوْ أَنَّ لِي بِكُمْ قُوَّةً أَوْ آوِي إِلَى رُكْنٍ شَدِيدٍ} [هود: 80]، وَمَا بَعَثَ الله مِنْ بَعْدِهِ مِنْ نَبِيٍّ إِلا فِي ذِرْوَةٍ مِنْ قَوْمِهِ" (1).
* * *
12 - اتّصال روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن أيوبَ عليه السلام-
أخبرنا الشيخُ عمرُ السُّلَيميُّ وغيرُه: أنا ابن الَّزعْبوبِ: أنا الحَجَّارُ: أنا ابن الزَّبيديِّ: أنا السِّجْزِيُّ، أنا الداوديُّ: أنا السَّرَخْسِيُّ: أنا الفِرَبْرِيُّ: أنا البخاريُّ: ثنا عبد الله بن محمدٍ: ثنا عبد الرزاقِ: أنا معمرٌ، عن هَمَّامٍ، عن أبي هريرةَ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم، قال: "بَيْنَمَا أَيُّوبُ يَغْتَسِلُ عُرْيَاناً، خَرَّ عَلَيْهِ رِجْلُ جَرَادٍ مِنْ ذَهَب، فَجَعَلَ يَحْثي فِي ثَوْبِهِ، فناداهُ ربَهُ: يا أَيُّوبُ! ألمْ أَكُنْ أَغْنَيْتك عَمَّا تَرَى؟ قَالَ: بَلَى يا رَبِّ، وَلكن لا غِنَى لِي عَنْ بَرَكَتِكَ" (2).
* * *
--------------------------------------------
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ইউসুফ যতদিন কারাগারে অবস্থান করেছিলেন, আমি যদি সেখানে ততদিন থাকতাম এবং এরপর আমার নিকট আহ্বানকারী আসতেন, তবে আমি অবশ্যই তার আহ্বানে সাড়া দিতাম। যখন তাঁর (ইউসুফের) নিকট দূত এসেছিল তখন তিনি বলেছিলেন: {তুমি তোমার প্রতিপালকের নিকট ফিরে যাও এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করো, ঐ নারীদের অবস্থা কী যারা নিজেদের হাত কেটে ফেলেছিল? নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সম্যক অবগত।} [ইউসুফ: ৫০]। আর লুতের প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, তিনি এক শক্তিশালী আশ্রয়ের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করতেন, যখন তিনি তাঁর কওমকে বলেছিলেন: {হায়, তোমাদের বিরুদ্ধে যদি আমার শক্তি থাকতো অথবা আমি যদি কোনো শক্তিশালী স্তম্ভের আশ্রয় নিতে পারতাম!} [হুদ: ৮০]। আর আল্লাহ তাঁর পরে এমন কোনো নবী প্রেরণ করেননি যিনি তাঁর সম্প্রদায়ের একটি প্রভাবশালী ও শক্তিশালী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।" (১)।
* * *
১২ - আইয়ুব (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণিত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমাদের বর্ণনাসূত্রের সংযোগ-
শাইখ উমর আস-সুলাইমি ও অন্যরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইবনুল জাবুব আমাদের জানিয়েছেন: আল-হাজ্জার আমাদের জানিয়েছেন: ইবনুয জাবাইদি আমাদের জানিয়েছেন: আস-সিজজি আমাদের জানিয়েছেন: আদ-দাউদি আমাদের জানিয়েছেন: আস-সারাখসি আমাদের জানিয়েছেন: আল-ফিরাবরি আমাদের জানিয়েছেন: আল-বুখারি আমাদের জানিয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মা'মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমাম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "একদা আইয়ুব নগ্নাবস্থায় গোসল করছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর ওপর একঝাঁক সোনার পঙ্গপাল পতিত হয়। তখন তিনি তা নিজ কাপড়ে খুঁটে খুঁটে জমা করতে লাগলেন। তখন তাঁর প্রতিপালক তাঁকে ডেকে বললেন: হে আইয়ুব! তুমি যা দেখছ তা থেকে কি আমি তোমাকে অভাবমুক্ত করিনি? তিনি বললেন: অবশ্যই, হে আমার প্রতিপালক! কিন্তু আপনার বরকত থেকে আমি অমুখাপেক্ষী হতে পারি না।" (২)।
* * *
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
13 - اتِّصالُ روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن موسىوبه إلى البخاريِّ: ثنا عبد العزيزِ بن عبد الله: ثنا إبراهيمُ بن سعدٍ، عن ابن شهابٍ، عن حميدِ بن عبد الرحمن: أَنَّ أبا هريرةَ قالَ: قالَ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "احْتَجَّ آدَمُ وَمُوسَى، فَقَالَ لَهُ مُوسَى: أَنْتَ آدَمُ الَّذِي أَخْرَجَتْكَ خَطِيئَتك مِنَ الجَنَّةِ، فَقَالَ لَهُ آدَمُ: أَنْتَ مُوسَى الَّذِي اصْطَفَاكَ الله بِرِسَالاتِهِ وَبِكَلامِهِ، ثُمَّ تَلُومُنِي عَلَى أَمْرٍ قُدِّرَ عَلَيَّ قَبْلَ أَنْ أُخْلَقَ؟! "، قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "فَحَجَّ آدَمُ مُوسَى مَرَّتَيْنِ" (1).
* * *
14 - اتِّصالُ روايتِنا بالنبيّ صلى الله عليه وسلم عن هارونَوبه إلى البخاريِّ: ثنا هُدْبةُ بن خالدٍ: ثنا هَمَّامٌ: ثنا قتادةُ، عن أنسٍ، عن مالكِ بن صعصعةَ: أن نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم حدَّثهم عن ليلةِ أُسْرِي به حتى أتى السماءَ الخامسةَ، فماذا هارونُ، قال: هذا هارونُ، فسلِّمْ عليه، فسلَّمْتُ عليه، فَرَدَّ، ثم قالَ: مَرْحَباً بالأخِ الصالحِ والنبيِّ الصالحِ (2).
* * *
--------------------------------------------
১৩ - মূসা (আলাইহিস সালাম) সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের বর্ণনার যোগসূত্রএবং এর মাধ্যমে ইমাম বুখারী পর্যন্ত: আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবরাহিম ইবনে সা’দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে: আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আদম ও মূসা পরস্পর বিতর্ক করলেন। মূসা তাঁকে বললেন: আপনিই কি সেই আদম যাকে আপনার ভুল জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছে? আদম তাঁকে বললেন: আপনিই কি সেই মূসা যাকে আল্লাহ তাঁর রিসালাত ও তাঁর কালামের (সরাসরি কথা বলা) মাধ্যমে মনোনীত করেছেন? এরপরও কি আপনি আমাকে এমন এক বিষয়ের জন্য তিরস্কার করছেন যা আমার সৃষ্টির পূর্বেই আমার ওপর নির্ধারিত ছিল?!" আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "অতঃপর আদম মূসার ওপর তর্কে জয়ী হলেন (কথাটি তিনি দুইবার বললেন)" (১)।
* * *
১৪ - হারুন (আলাইহিস সালাম) সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের বর্ণনার যোগসূত্রএবং এর মাধ্যমে ইমাম বুখারী পর্যন্ত: হুদবা ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: কাতাদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি মালিক ইবনে সা’সা’আ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের কাছে সেই রাতের ঘটনা বর্ণনা করেছেন যে রাতে তাঁকে পরিভ্রমণ করানো হয়েছিল, যতক্ষণ না তিনি পঞ্চম আসমানে পৌঁছালেন। সেখানে হারুন (আলাইহিস সালাম) ছিলেন। জিবরাঈল বললেন: ইনি হারুন, আপনি তাঁকে সালাম দিন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম, তিনি উত্তর দিলেন। অতঃপর বললেন: সৎ ভাই ও সৎ নবীর জন্য স্বাগতম (২)।
* * *
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
15 - اتِّصالُ روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن يونسَ عليه السلام-
قرأتُ علي بنتِ الحرستاني: أخبركِ ابن البالِسِيِّ إجازةً: أنا ابن المحبِّ كذلك، وأنا جماعة من شيوخِنا إجازةً: أنا ابن المحبِّ كذلك: ثنا بهاءُ بن محمودِ بن الوالي: أنا أبو عبد الله بن محمدٍ، وأبو بكرِ بن محمدِ بن طرخانَ: أنا الضياءُ: أنا أبو القاسمِ بن السبطِ: أنا أبي: أنا أبي أبو سعيدٍ: أنا أبو عبد الله الطبريُّ: أنا أبو بكرٍ الإسماعيليُّ: أنا أبو بكرٍ البصريُّ: أنا عَمْرُو بن الحصينِ العقيليُّ: أنبأ معتمرُ بن سليمانَ: ثنا معمرٌ، عن الزهريِّ، عن أبي أُمامةَ، عن سعدِ بن أبي وقاصٍ، قال: قالَ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "إِنِّي لأَعْرِفُ كَلِمَةً لا يَقُولُهَا مَكْرُوبٌ إِلا فَرَّجَ الله كَرْبَهُ: كَلِمَةُ أَخِي يُونُسَ: {فَنَادَى فِي الظُّلُمَاتِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ} [الأنبياء: 87]، قال الله عز وجل {فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْغَمِّ وَكَذَلِكَ نُنْجِي الْمُؤْمِنِينَ} [الأنبياء: 88] (1).
* * *
16 - اتّصال روايتِنا بالنبيِّ صلى الله عليه وسلم عن داودَ عليه السلام-
أنا الجماعةُ: أنا ابن الزعبوبِ: أنا الحجارُ: أنا ابن الزبيديِّ: أنا
--------------------------------------------
১৫ - ইউনুস আলাইহিস সালামের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত আমাদের বর্ণনার ধারাবাহিকতা-
আমি বিনতে আল-হারিস্তানির সামনে পাঠ করেছি: ইবনুল বালিসি আপনাকে অনুমতিক্রমে সংবাদ দিয়েছেন: ইবনুল মুহিব্বও একইভাবে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, এবং আমাদের একদল শাইখ অনুমতিক্রমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন: ইবনুল মুহিব্বও একইভাবে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন: বাহা বিন মাহমুদ বিন আল-ওয়ালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ এবং আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন তারখান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আদ-দিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবুল কাসিম বিন আস-সিবত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আমার পিতা আবু সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আবদুল্লাহ আত-তবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর আল-ইসমাঈলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর আল-বসরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আমর বিন আল-হুসাইন আল-উকাইলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুতামির বিন সুলাইমান আমাদের খবর দিয়েছেন: মা'মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে, তিনি সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি এমন একটি বাক্য জানি, কোনো বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি তা পাঠ করলেই আল্লাহ তার বিপদ দূর করে দেন; সেটি হলো আমার ভাই ইউনুসের বাক্য: {অতঃপর তিনি অন্ধকারের মধ্য থেকে ডাক দিয়ে বললেন: আপনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, আপনি পবিত্র মহান, নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম} [আল-আম্বিয়া: ৮৭], মহান আল্লাহ বলেন: {অতঃপর আমি তার ডাকে সাড়া দিলাম এবং তাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম; আর এভাবেই আমি মুমিনদের নাজাত দিয়ে থাকি} [আল-আম্বিয়া: ৮৮] (১)।
* * *
১৬ - দাউদ আলাইহিস সালামের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত আমাদের বর্ণনার ধারাবাহিকতা-
আমাদের একদল শাইখ সংবাদ দিয়েছেন: ইবনুয যা'বুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-হাজ্জার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইবনুয যুবাইদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আমি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
السِّجْزِيُّ: أنا الداوديُّ: أنا السَّرَخْسِيُّ: أنا الفِرَبْرِيُّ: أنا البخاريُّ: ثنا عبد الله (1).
* * *
16 / م - اتصال روايتِنا بالنبي صلى الله عليه وسلم، عن قُسِّ بن ساعدةمَنْ عَاشَ مَاتَ، وَمَن مَاتَ فَاتَ، وَكُلُّ ما هُوَ آتٍ آت، أَمَّا بَعْدُ: فَإِنَّ فِي السَّمَاءِ لَخَبَراً، وَإِنَّ في الأَرْضِ لَعِبَراً، نُجُومٌ تَغُورُ وَلا تَفُورُ، وَبِحَارٌ تَفُورُ وَلا تَغُورُ، وَسَقْفٌ مَرْفُوعٌ، وَمِهَادٌ مَوْضوعٌ، وَنَهَارٌ مَتْبُوعٌ، أَقْسَمَ قُسٌّ قَسَماً بِالله لا كَاذِباً وَلا آثماً، ليتبعنَّ الأمرَ سَخَطٌ، ولئنْ كانَ في بعضِه رِضًا، إِنَّ في بَعْضِه لَسَخَطاً، وَمَا هذا بِاللَّعِبِ، وَإِنَّ مِنْ وَرَاءِ هذا لَعَجَباً.
أقسمَ قسُّ بالله لا كَذِباً وَلا إِثْماً، إِنَّ للهِ دِيناً هُوَ أَرْضَى لَهُ مِنْ دِينٍ نَحْنُ عَلَيْهِ، ما بَالُ النَّاسِ يَذْهَبُونَ وَلا يَرْجِعُونَ؟ أَرَضوا فَأَقَامُوا؟ أَمْ تُرِكُوا فَنَامُوا؟
قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "ثمَّ أَنْشَدَ قُسُّ بن سَاعِدَةَ أبياتاً مِنَ الشِّعْرِ لَمْ أَخفَظْهَا عَنْهُ".
فقامَ أبو بكرٍ الصدِّيقُ رضي الله عنه، فقال: أنا حضرتُ ذلك المقام، وحفظتُ تلكَ المقالةَ. فقالَ له رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "ما هي؟ ".
فقالَ أبو بكر- رضي الله عنه: قال قسُّ بن ساعدةَ في آخرِ كلامِه:
--------------------------------------------
সিজজি: আমাকে দাঊদী সংবাদ দিয়েছেন: আমাকে সারাখসী সংবাদ দিয়েছেন: আমাকে ফিরাবরী সংবাদ দিয়েছেন: আমাকে বুখারী সংবাদ দিয়েছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ (১)।
* * *
১৬ / ম - কুস বিন সায়েদাহ-র বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আমাদের বর্ণনার যোগসূত্রযে জীবিত থাকে সে মারা যায়, আর যে মারা যায় সে গত হয়ে যায়, এবং যা কিছু আগত তা আসবেই। অতঃপর: নিশ্চয়ই আকাশে সংবাদ রয়েছে এবং জমিনে রয়েছে শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। নক্ষত্ররাজি যা অস্তমিত হয় কিন্তু উথলে ওঠে না, সমুদ্রসমূহ যা উত্তাল হয় কিন্তু শুকিয়ে যায় না। সুউচ্চ ছাদ, বিছানো শয্যা এবং অনুগামী দিবস। কুস আল্লাহর নামে শপথ করেছেন—মিথ্যাবাদী বা পাপী হিসেবে নয়—অবশ্যই বিষয়ের অনুগামী হবে অসন্তুষ্টি, আর যদিও এর কোনো অংশে সন্তুষ্টি থাকে, তবে নিশ্চয়ই এর কোনো অংশে অসন্তুষ্টি রয়েছে। এটি কোনো তামাশা নয়, এবং এর পশ্চাতে নিশ্চয়ই বিস্ময়কর কিছু রয়েছে।
কুস আল্লাহর নামে শপথ করেছেন—মিথ্যা বা পাপ হিসেবে নয়—নিশ্চয়ই আল্লাহর জন্য এমন এক ধর্ম রয়েছে যা তাঁর নিকট সেই ধর্মের চেয়ে অধিক পছন্দনীয় যার ওপর আমরা বর্তমান আছি। মানুষের কী হলো যে তারা চলে যায় কিন্তু আর ফিরে আসে না? তারা কি সেখানে সন্তুষ্ট হয়ে অবস্থান করছে? নাকি তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ফলে তারা ঘুমিয়ে পড়েছে?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "অতঃপর কুস বিন সায়েদাহ কিছু কাব্য চরণে আবৃত্তি করলেন যা আমি তাঁর থেকে মুখস্থ রাখিনি।"
তখন আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে বললেন: আমি সেই মজলিসে উপস্থিত ছিলাম এবং সেই কথাগুলো মুখস্থ রেখেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: "সেগুলো কী?"।
তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: কুস বিন সায়েদাহ তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেছিলেন:
--------------------------------------------