(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: -)
تحفة المجالس في التعليقات علي فهرس الفهارس (الأركاني)
القسم: فهارس الكتب والأدلة
الكتاب: تحفة المجالس في التعليقات علي فهرس الفهارس
المؤلف: صالح أحمد بن إدريس بن محمد بن محمد إدريس بن عبد الرحمن الأركاني ثم المكي (ت 1418هـ)
عدد الصفحات: 65
[الكتاب مرقم آليا]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ফাহরাসুল ফাহারিস-এর টীকাসমূহের ওপর তুহফাতুল মাজালিস (আল-আরকানি)
বিভাগ: কিতাবসমূহের নির্ঘণ্ট ও প্রমাণাদি
কিতাব: ফাহরাসুল ফাহারিস-এর টীকাসমূহের ওপর তুহফাতুল মাজালিস
লেখক: সালিহ আহমাদ ইবনে ইদরিস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইদরিস ইবনে আবদুর রহমান আল-আরকানি অতঃপর আল-মাক্কি (মৃত্যু ১৪১৮ হিজরি)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৫
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বরযুক্ত]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيمالحمدلله رب العالمين، والصلاة والسلام رسوله أشرف الأنبياء والمرسلين، وعلى آله وأصحابه أجمعين، ومن تبعهم بإحسان إلي يوم الدينأمابعد: فيقول الفقيرإلي ربه: خادم كتاب رب العباد، وعلم الرواية والإسناد: المدعو: {صالح أحمدمحمدإدريس الأركاني المكي ثم الرابغي} لقدقرأت كتاب {فهرس الفهارس} لمؤلفه المحدث المسند السيد محمد عبد الحي بن عبد الكبيرالكتاني وكتبت عليه بعض التعليقات، أوالتوضيحات، فلمارآها شيخنا وصاحبنا المسند محمد ياسين الفاداني استحسنها وطلب منّي أن أجعلها في رسالة مستقلة، فلبيت طلبه، ونفذت رغبته، وسميت هذه التعليقات بـ:{تحفة المجالس في التعليقات علي فهرس الفهارس}وأسأل الله العلي القديرأن يجعل عملناهذاخالصاً لوجهه الكريم، وأن ينفع بهذه الرسالة خاصة المشتغلين بعلم الرواية والإسناد، وجميع المسلمين عامة، وأن يوفقنا دوماً وأبداً إلي مايحبه ويرضاه، وأن يرزقنا قبل الموت توبة وعندالموت شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمداَ رسول الله، إنه سميع مجيب الدعاء، وصلى الله وسلم على خيرخلقه وعلى آله وأصحابه أجمعين0فأقول وبالله التوفيق:1 ــ في (ج1 ص78و79) : عندما عد المؤلف الحفاظ من أهل القرن العاشرقال: السخاوي، السيوطي المصري، البرهان الناجي الشامي، عثمان الديمي المصري، الديمي الصغيرالمصري، يوسف بن شاهين المصري، النجم ابن فهدالمكي، … ألخ0
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর রাসূলের প্রতি, যিনি সকল নবী ও রাসূলদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর প্রতি, আর কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে।অতঃপর: তাঁর প্রতিপালকের মুখাপেক্ষী দরিদ্র বান্দা, বান্দাদের প্রতিপালকের কিতাব এবং বর্ণনা ও সনদ শাস্ত্রের সেবক: যাকে সালেহ আহমদ মুহাম্মদ ইদ্রিস আল-আরাকানি আল-মাক্কি অতঃপর আর-রাবেগী বলে অভিহিত করা হয়, সে বলছে: আমি মুহাদ্দিস ও মুসনিদ আস-সাইয়্যিদ মুহাম্মদ আবদুল হাই বিন আবদুল কাবীর আল-কাত্তানি রচিত {ফিহরিস আল-ফাহারিস} গ্রন্থটি পাঠ করেছি এবং এর ওপর কিছু টীকা বা ব্যাখ্যা লিখেছি। যখন আমাদের শাইখ ও সাথী মুসনিদ মুহাম্মদ ইয়াসিন আল-ফাদানি তা দেখলেন, তিনি তা পছন্দ করলেন এবং আমার নিকট অনুরোধ করলেন যেন আমি এগুলোকে একটি স্বতন্ত্র পুস্তিকায় রূপ দিই। অতঃপর আমি তাঁর অনুরোধ রক্ষা করলাম এবং তাঁর ইচ্ছা পূরণ করলাম। আর আমি এই টীকাগুলোর নামকরণ করেছি:{তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালি-কাত আলা ফিহরিস আল-ফাহারিস}আমি সুউচ্চ ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমাদের এই আমলটিকে একান্তই তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন এবং এই পুস্তিকাটি দিয়ে বিশেষত বর্ণনা ও সনদ শাস্ত্রে নিয়োজিত ব্যক্তিদের এবং সাধারণভাবে সকল মুসলিমকে উপকৃত করেন। তিনি যেন আমাদের সর্বদা ও চিরকাল তাঁর পছন্দনীয় ও সন্তুষ্টির কাজের তাওফিক দান করেন। আর আমাদের যেন মৃত্যুর পূর্বে তওবা করার এবং মৃত্যুর সময় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ সাক্ষ্য দেওয়ার নসিব করেন। নিশ্চয়ই তিনি শ্রবণকারী ও দোয়া কবুলকারী। আর আল্লাহর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সত্তার প্রতি এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর প্রতি আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।আমি বলছি এবং আল্লাহর কাছেই তাওফিক প্রার্থনা করছি:১ — (১ম খণ্ড, ৭৮ ও ৭৯ পৃষ্ঠায়): লেখক যখন দশম শতাব্দীর হাফেজগণের (হাদিস বিশারদ) তালিকা করছিলেন, তখন তিনি বলেন: আস-সাখাভি, আস-সুয়ুতি আল-মিসরি, আল-বুরহান আন-নাজি আশ-শামি, উসমান আদ-দাইমি আল-মিসরি, আদ-দাইমি আস-সগির আল-মিসরি, ইউসুফ বিন শাহিন আল-মিসরি, আন-নাজম ইবনে ফাহাদ আল-মাক্কি, ... ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২)
قلت: النجم بن فهد، هوالحافظ نجم الدين عمرابن الحافظ تقي الدين محمدبن النجم محمدابن فهدالهاشمي المكي، ولدسنة (812هـ) وتوفي سنة (885هـ) ، والحافظ يوسف بن شاهين المصري، ولدسنة (828هـ) ، وتوفي سنة (899هـ) ، والبرهان الناجي، هوالحافظ البرهان ابراهيم بن محمدابن محمودبن بدرالدمشقي المعروف بالناجي، ولدسة (810هـ) وتوفي سنة (900هـ) ، وهم من حفاظ القرن التاسع كمابينت، وعدهم من الحفاظ القرن العاشر ليس بجيد0 والله تعالى أعلم02 ــ وفي (ج1 ص79 سطر15) : عدالمؤلف: ابن سنة الفلاني السوداني، من حفاظ القرن الثاني عشر0قلت: ابن سنة هذا لايوصف بالحفظ، وقدقال المؤلف في ترجمة ابن سنة (ج2 ص1027 سطر19) : روي عنه (أي عن ابن سنة) الشيخ صالح الفلاني، وهوالذي شهرأسانيده ومن طريقه عرفهاالناس. أهـ. وقال المؤلف (في ج1ص77) : وقال الحافظ ابن حجر: الشروط التي إذا اجتمعت اليوم في الراوي سموه حافظاً هي: الشهرة بالطلب، أو الأخذ من أفواه الرجال لامن الصحف، ومعرفة التعديل والتجريح لطبقات الرواة ومراتبهم، وتمييزالصحيح من السقيم، حتى يكون مايستحضره من ذلك أكثرممالايستحضره، مع حفظ الكثيرمن المتون، فهذه الشروط من جمعها فهوحافظ. أهـ0 فهل يجتمع هذه الشروط في ابن سنة؟3 ــ وفي (ج1ص97 سطر14) : ويروي البابلي الجامع الصغيرعن السنهوري عن العلقي عن السيوطي. أهـ.قلت: صواب العبارة: عن السنهوري (هوسالم) عن الشمس العلقمي عن السيوطي04 ــ وفي (ج1ص 101سطر20) : وأرويهابأسانيدنا إلي السيدزين جمل الليل المدني0قلت: هوزين العابدين بن علوي باحسن جمل الليل المدني (ت1235هـ)5 ــ وفي (ج1ص111سطر10) : عن ابن أبىمحمدالقاسم بن المظفربن عساكر. أهـ.قلت: صواب العبارة: عن أبىمحمدالقاسم بن المظفربن عساكر، بحذف كلمة ابن بعدكلمة عن 0
আমি বলছি: আন-নাজম বিন ফাহাদ হলেন আল-হাফিজ নাজমুদ্দীন উমর ইবনুল হাফিজ তাকিউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আন-নাজম মুহাম্মদ বিন ফাহাদ আল-হাশিমী আল-মাক্কী। তিনি ৮১২ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮৮৫ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। আর আল-হাফিজ ইউসুফ বিন শাহীন আল-মিসরী ৮২৮ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮৯৯ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। আর আল-বুরহান আন-নাজী হলেন আল-হাফিজ বুরহান ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন বদর আদ-দিমাশকী, যিনি আন-নাজী নামে পরিচিত। তিনি ৮১০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৯০০ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। আমি যেমন বর্ণনা করেছি, তাঁরা নবম শতাব্দীর হাফিজদের অন্তর্ভুক্ত। তাঁদেরকে দশম শতাব্দীর হাফিজদের মধ্যে গণনা করা সঠিক নয়। আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।২ — এবং (১ম খণ্ড, ৭৯ পৃষ্ঠা, ১৫তম লাইন)-এ লেখক ইবনে সুন্নাহ আল-ফুলানি আস-সুদানিকে দ্বাদশ শতাব্দীর হাফিজদের মধ্যে গণনা করেছেন।আমি বলছি: এই ইবনে সুন্নাহকে হাফিজ হিসেবে বর্ণনা করা যায় না। লেখক ইবনে সুন্নাহর জীবনীতে (২য় খণ্ড, ১০২৭ পৃষ্ঠা, ১৯তম লাইন) নিজেই বলেছেন: তাঁর (অর্থাৎ ইবনে সুন্নাহর) নিকট থেকে শায়খ সালিহ আল-ফুলানি বর্ণনা করেছেন, এবং তিনিই তাঁর সনদগুলোকে প্রসিদ্ধ করেছেন এবং তাঁর মাধ্যমেই মানুষ তা জানতে পেরেছে। সমাপ্ত। এবং লেখক বলেছেন (১ম খণ্ড, ৭৭ পৃষ্ঠায়): হাফিজ ইবনে হাজার বলেছেন: বর্তমানে একজন রাবীর মধ্যে যে শর্তগুলো একত্রিত হলে তাকে হাফিজ বলা হয়, তা হলো: ইলম অর্জনে প্রসিদ্ধি লাভ করা, অথবা কিতাব দেখে নয় বরং সরাসরি উস্তাদদের মুখ থেকে গ্রহণ করা, রাবীদের স্তর ও মর্যাদা অনুযায়ী তাদের জারহ ও তাদীল (সমালোচনা ও গ্রহণযোগ্যতা) সম্পর্কে জ্ঞান থাকা, এবং সহীহ ও যয়ীফের মধ্যে পার্থক্য করতে পারা; এমনকি এসব বিষয়ে তাঁর মুখস্থ অংশ যেন বিস্মৃত অংশের চেয়ে বেশি হয়, এবং সেই সাথে প্রচুর মতন (মূল পাঠ) মুখস্থ থাকা। সুতরাং যার মধ্যে এই শর্তগুলো একত্রিত হবে, তিনিই হাফিজ। সমাপ্ত। এখন প্রশ্ন হলো, এই শর্তগুলো কি ইবনে সুন্নাহর মধ্যে পাওয়া যায়?৩ — এবং (১ম খণ্ড, ৯৭ পৃষ্ঠা, ১৪তম লাইন)-এ: আল-বাবিলি ‘আল-জামি আস-সাগীর’ বর্ণনা করেন আস-সানহুরী থেকে, তিনি আল-আলাকী থেকে, তিনি আস-সুয়ূতী থেকে। সমাপ্ত।আমি বলছি: বাক্যটির সঠিক রূপ হবে: আস-সানহুরী (যিনি সালেম) থেকে, তিনি আশ-শামস আল-আলকামী থেকে, তিনি আস-সুয়ূতী থেকে।৪ — এবং (১ম খণ্ড, ১০১ পৃষ্ঠা, ২০তম লাইন)-এ: আমি এগুলো আমাদের সনদসমূহের মাধ্যমে আস-সাইয়্যেদ যয়ন জামালুল লাইল আল-মাদানী পর্যন্ত বর্ণনা করি।আমি বলছি: তিনি হলেন যয়নুল আবিদীন বিন আলাভী বাহাসান জামালুল লাইল আল-মাদানী (মৃত্যু: ১২৩৫ হিজরী)।৫ — এবং (১ম খণ্ড, ১১১ পৃষ্ঠা, ১০ম লাইন)-এ: ইবনে আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম বিন আল-মুজাফফর বিন আসাকির থেকে। সমাপ্ত।আমি বলছি: বাক্যটির সঠিক রূপ হবে: আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম বিন আল-মুজাফফর বিন আসাকির থেকে; অর্থাৎ ‘থেকে’ শব্দের পর থাকা ‘ইবনে’ শব্দটি বাদ যাবে।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ৩)
6 ــ وفي (ج1ص112سطر17 وبعده) : عن أبى الحسن ابن الزبيرالغرناطي، عن أبىالحسين أحمدابن محمدبن بن السراج، عن خاله الإمام أحمدبن أبىبكربن خيرعن مؤلفها.. ألخ0قلت: صواب العبارة هكذا: عن أبىجعفرأحمدبن ابراهيم بن الزبيرالغرناطي (العاصمي) ، عن أبىالحسين أحمدبن محمدبن السراج، عن خاله الإمام أبىبكرمحمدبن خير (ابن عمر الأموي الاشبيلي) ، عن مؤلفها07 ــ وفي (ج1ص114 سطر19وبعده) : ومسند مكة الوجيه عبد الرحمن بن فهدالعلقمي، ونورالدين علي بن أحمدالقرافي كلاهما من أصحاب السيوطي. أهـ.قلت: عبد الرحمن بن فهد هو المكي، وليس العلقمي، واسمه الكامل: عبد الرحمن بن عبد القادرابن الحافظ عبد العزيزابن الحافظ النجم عمرابن الحافظ التقي محمدابن فهدالهاشمي المكي، توفي بمكةالمكرمة سنة (995هـ) وهولايروي عن الحافظ السيوطي، وإنمايروي عن عمه محمدجارالله ابن الحافظ عبد العزيزابن فهدالهاشمي المكي، وهوعن الحافظ السيوطي وغيره08 ــ وفي (ج1ص128سطر19) : عن الحافظ الزبيربن سيدالكل المهلبي الأسواني، عن أبىالحسن بن تامتيت. أهـ.قلت: الصواب هو: الحسين بن يحي بن أحمدتامتيت، أنظرذيل التقييدفي رواة السنن والمسانيد للحافظ تقي الدين أبىالطيب الفاسي المكي (ج1ص533) في ترجمة الزبيربن علي بن سيدالكل المهلبي الأسواني09 ــ وفي (ج1ص132) : ترجم للسيد أمين رضوان المدني، وذكرأنه ولدبالمدينة المنورة سنة (1252هـ) ، وفي آخرترجتمة قال: ولاأستحضروفاته0أهـ0قلت: إنه توفي سنة (1329هـ)10 ــ وفي (ج1ص148) في ترجمة أبي الحسن محمدبن عبد الهادي السندي المدني، قال وكانت وفاته سنة (1139هـ) . أهـ0 قلت: وفي سلك الدررأنه توفي سنة (1138هـ)11 ــ وفي (ج1ص160و161) : في ترجمة أبىالفتح المزي الإسكندري، قال: يروي المذكور عالياً عن عائشة بنت عبد الهادي، والشهاب الرسام، وجده علي بن صالح النويري كلهم عن الحجار. أهـ.
৬ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১১২ পৃষ্ঠা, ১৭তম লাইন ও এর পরে): আবুল হাসান ইবনুল জুবাইর আল-গারনাতি থেকে, তিনি আবুল হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুস সাররাজ থেকে, তিনি তাঁর মামা ইমাম আহমদ ইবনে আবু বকর ইবনে খাইর থেকে, তিনি এর গ্রন্থকার থেকে... ইত্যাদি।আমি বলছি: বাক্যটির সঠিক রূপ হবে এভাবে: আবু জাফর আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনুল জুবাইর আল-গারনাতি (আল-আসিমি) থেকে, তিনি আবুল হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুস সাররাজ থেকে, তিনি তাঁর মামা ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে খাইর (ইবনে উমর আল-উমাওয়ি আল-ইশবিলি) থেকে, তিনি এর গ্রন্থকার থেকে।৭ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১১৪ পৃষ্ঠা, ১৯তম লাইন ও এর পরে): মক্কার মুসনিদ ওয়াজিহ আবদুর রহমান ইবনে ফাহাদ আল-আলকামি এবং নুরউদ্দিন আলী ইবনে আহমদ আল-কারাফি—তাঁরা উভয়েই সুয়ুতির ছাত্র ও সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত। সমাপ্ত।আমি বলছি: আবদুর রহমান ইবনে ফাহাদ হলেন মক্কি, আলকামি নন। তাঁর পূর্ণ নাম হলো: আবদুর রহমান ইবনে আবদুল কাদির ইবনুল হাফেজ আবদুল আজিজ ইবনুল হাফেজ আন-নাজম উমর ইবনুল হাফেজ আত-তাকি মুহাম্মদ ইবনে ফাহাদ আল-হাশেমি আল-মক্কি। তিনি ৯৯৫ হিজরিতে মক্কাতুল মুকাররমায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি হাফেজ সুয়ুতি থেকে বর্ণনা করেন না; বরং তিনি তাঁর চাচা মুহাম্মদ জারুল্লাহ ইবনুল হাফেজ আবদুল আজিজ ইবনে ফাহাদ আল-হাশেমি আল-মক্কি থেকে বর্ণনা করেন, আর তিনি (চাচা) হাফেজ সুয়ুতি ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।৮ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১২৮ পৃষ্ঠা, ১৯তম লাইন): হাফেজ জুবাইর ইবনে সাইয়্যিদুল কুল আল-মুহাল্লাবি আল-আসওয়ানি থেকে, তিনি আবুল হাসান ইবনে তামতিত থেকে। সমাপ্ত।আমি বলছি: সঠিক হলো: আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আহমদ তামতিত। হাফেজ তাকিউদ্দিন আবুত্তিব আল-ফাসি আল-মক্কি রচিত 'যাইলুত তাকিদ ফি রুওয়াতিল সুনান ওয়াল মাসানিদ' (১ম খণ্ড, ৫৩৩ পৃষ্ঠা) গ্রন্থে জুবাইর ইবনে আলী ইবনে সাইয়্যিদুল কুল আল-মুহাল্লাবি আল-আসওয়ানির জীবনীতে দেখুন।৯ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা): সাইয়্যিদ আমিন রাদওয়ান আল-মাদানির জীবনী আলোচনা করা হয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি ১২৫২ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করেন। জীবনীর শেষে তিনি (গ্রন্থকার) বলেছেন: তাঁর মৃত্যুর তারিখ আমার স্মরণে নেই। সমাপ্ত।আমি বলছি: তিনি ১৩২৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন।১০ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১৪৮ পৃষ্ঠা): আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আবদুল হাদি আস-সিন্ধি আল-মাদানির জীবনীতে তিনি বলেছেন যে তাঁর মৃত্যু ১১৩৯ হিজরিতে হয়েছিল। সমাপ্ত। আমি বলছি: 'সিলকুদ দুরার' গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে তিনি ১১৩৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন।১১ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১৬০ ও ১৬১ পৃষ্ঠা): আবুল ফাতহ আল-মিজ্জি আল-ইসকান্দারির জীবনীতে তিনি বলেছেন: উক্ত ব্যক্তি উচ্চ সনদে আয়েশা বিনতে আবদুল হাদি, আশ-শিহাব আল-রাসসাম এবং তাঁর দাদা আলী ইবনে সালিহ আল-নুওয়াইরি—তাঁদের সবার থেকে বর্ণনা করেন, আর তাঁরা সবাই আল-হাজ্জার থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ৪)
قلت: أبوالفتح محمدبن محمدبن علي بن صالح المزي ولدسنة (810هـ) وتوفي سنة (906هـ) ، ولم أقف على ترجمة جده رغم البحث عنه، وعائشة بنت عبد الهادي المقدسية توفيت سنة (816هـ) ـ وأماالشهاب الرسام أظنه هو: أحمدبن أبىبكربن أحمدبن علي بن إسماعيل الحموي الأصل ثم الحلبي الحنبلي الشهيربابن الرسام، ولدتقريباً في سنة (763هـ) وتوفي في حماة سنة (844هـ) ، وهومن شيوخ الحافظ النجم عمربن فهدالمكي (ت885هـ) وذكره في معحم شيوخه (أنظر ص54 منه) ، والحجار هو: أحمدبن أبىطالب الحجارالصالحي توفي سنة (730هـ) ، فإن كان المراد من الشهاب الرسام، المذكورهنا فإنه لايروي عن الحجار، وإن كان المرادبالبرهان بن صديق الرسام (ت806هـ) وهويروي عن الحجار، ولكن لايروي عنه المزي الإسكندري المذكورلأنه ولدبعدوفاته0 والله تعالى أعلم.12 ــ وفي (ج1 ص 163 سطر7) : في ترجمة أبىالنصر الخطيب قال أنه مات سنة (1325هـ)قلت: الصواب أنه مات في 4 من شهرربيع الثاني سنة (1324هـ) ، والله أعلم013 ــ وفي (ج 1 ص169 سطر13) : نرويه عن أبىاليسرالمهنوي المدني، عن الأستاذمحمدبن علي الشلفي. أهـ.قلت: الصواب: محمدبن علي السنوسي، وليس الشلفي وهوخطأ مطبعي014 ــ وفي (ج 1 ص 171سطر10 ومابعده) قال: إتحاف الأكابربمرويات الشيخ عبد القادر: اسم فهرس شيخ الإسلام بمكة ومفتيهاالشيخ عبد القادربن أبىبكرالصديقي الحنفي أبوالفرج محي الدين،..... إلي أن قال المؤلف: أنه يرويه عن السكري عن الكزبري عن عبد الملك القلعي عنه0 (ح) وعن أبىالنصرعن عمرالغزي عن القلعي عنه 0 (ح) وبأسانيدناإلي ابن عابدين عن القلعي المذكورعنه … ألخ0
আমি বলছি: আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে সালিহ আল-মিজ্জি (৮১০ হিজরি) সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং (৯০৬ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। আমি অনেক খোঁজাখুঁজি সত্ত্বেও তাঁর দাদার জীবনী সম্পর্কে জানতে পারিনি। আয়েশা বিনতে আব্দুল হাদি আল-মাকদিসিয়্যাহ (৮১৬ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। আর শিহাব আল-রাস্সাম সম্পর্কে আমার ধারণা হলো তিনি হলেন: আহমাদ ইবনে আবি বকর ইবনে আহমাদ ইবনে আলি ইবনে ইসমাইল আল-হামাভি (মূল নিবাস), পরবর্তীতে হালবি এবং হাম্বলি মাজহাব অনুসারী, যিনি ইবনুর রাস্সাম নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি আনুমানিক (৭৬৩ হিজরি) সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং হামাহ-তে (৮৪৪ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি হাফেজ নাজমুদ্দিন উমর ইবনে ফাহাদ আল-মক্কি (মৃ. ৮৮৫ হিজরি)-র অন্যতম শিক্ষক ছিলেন এবং তিনি তাঁর শিক্ষকদের অভিধান বা ‘মু'জামু শুয়ুখ’ গ্রন্থে (উক্ত গ্রন্থের ৫৪ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য) তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন। আর আল-হাজ্জার হলেন: আহমাদ ইবনে আবি তালিব আল-হাজ্জার আল-সালিহি, যিনি (৭৩০ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। যদি এখানে উল্লেখিত শিহাব আল-রাস্সাম-কে উদ্দেশ্য করা হয়, তবে তিনি আল-হাজ্জার থেকে বর্ণনা করেননি। আর যদি বুরহান ইবনে সিদ্দিক আল-রাস্সাম (মৃ. ৮০৬ হিজরি) উদ্দেশ্য হয়, তবে তিনি আল-হাজ্জার থেকে বর্ণনা করেছেন ঠিকই, কিন্তু উল্লেখিত আল-মিজ্জি আল-ইসকান্দারি তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি, কারণ তিনি তাঁর মৃত্যুর পর জন্মগ্রহণ করেছেন। আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।১২ — এবং (১ম খণ্ড, ১৬৩ পৃষ্ঠা, ৭ম পঙক্তি)-তে: আবুল নাসর আল-খাতিব এর জীবনীতে বলা হয়েছে যে তিনি (১৩২৫ হিজরি) সনে মারা গেছেন।আমি বলছি: সঠিক হলো তিনি ১৩২৪ হিজরি সনের ৪ঠা রবিউস সানি মৃত্যুবরণ করেছেন। আল্লাহ ভালো জানেন।১৩ — এবং (১ম খণ্ড, ১৬৯ পৃষ্ঠা, ১৩তম পঙক্তি)-তে: আমরা এটি বর্ণনা করি আবুল ইয়াসার আল-মাহনুওয়ি আল-মাদানি থেকে, তিনি উস্তাদ মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-শালাফি থেকে। (সমাপ্ত)আমি বলছি: সঠিক হলো: মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-সেনুসি, আল-শালাফি নয়। এটি একটি মুদ্রণজনিত ভুল।১৪ — এবং (১ম খণ্ড, ১৭১ পৃষ্ঠা, ১০ম পঙক্তি ও পরবর্তী)-তে তিনি বলেছেন: ‘ইতিহাফুল আকাবির বি-মারউয়িইয়াতিশ শায়খ আব্দুল কাদির’ হলো মক্কার শায়খুল ইসলাম ও মুফতি শায়খ আব্দুল কাদির ইবনে আবি বকর আল-সিদ্দিকি আল-হানাফি আবুল ফারাজ মুহিউদ্দিনের ক্যাটালগ বা তালিকার নাম... লেখক এ পর্যন্ত বলেছেন যে: তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আল-সুক্কারি থেকে, তিনি আল-কুযবারি থেকে, তিনি আব্দুল মালিক আল-কালয়ি থেকে, তিনি তাঁর থেকে। (হ) এবং আবুল নাসর থেকে, তিনি উমর আল-গাজ্জি থেকে, তিনি আল-কালয়ি থেকে, তিনি তাঁর থেকে। (হ) এবং ইবনে আবিদিন পর্যন্ত আমাদের সনদসমূহের মাধ্যমে বর্ণিত যে, তিনি উল্লেখিত আল-কালয়ি থেকে, তিনি তাঁর থেকে … ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ৫)
قلت: المؤلف لم يذكرتاريخ ولادة المفتي عبد القادرالصديقي، ولاوفاته، فأقول: المفتي عبد القادربن أبىبكرالصديقي المكي الحنفي، ولد بمكة المكرمة سنة (1080هـ) ، وتوفي بهاسنة (1138هـ) ، وثبته المسمي (إتحاف الأكابربمرويات المفتي عبد القادر) ، هومن تخريج تلميذه الشيخ محمدهاشم بن عبد الغفورالسندي الحنفي، في مجلدين ضخمين وعندي نسخة منه، وعبد الملك القلعي، هومفتي مكة وقاضيها عبد الملك بن عبد المنعم بن تاج الدين بن عبد المحسن القلعي المكي الحنفي، توفي بمكة سنة (1228هـ) ، ولاتعرف سنة ولادته، فبين وفاته ووفاة المفتي عبد القادرالصديقي، تسعون سنة، وهذايقتضي أن عبد الملك القلعي عُمِّرَ أكثرمن تسعين سنة، وهذالم أجدفي كتب الأثبات والتواريخ، فرغم هذا قلد المؤلف شيوخنا وغيرهم من الشيوخ، وكذلك قلدته في كتابي فتح العلام وغيره من أثباتي ومؤلفاتي في علم الرواية والإسناد، والمعروف عندي: أن عبد الملك القلعي يروي عن أبيه عبد المنعم القلعي، والمفتي علي ابن المفتي عبد القادربن أبىبكرالصديقي المكي الحنفي (ت1187هـ) ، كلاهما عن والدالثاني المفتي عبد القادربن أبىبكرالصديقي المكي، صاحب الثبت المذكور، وعبد المنعم القلعي أيضاً عن أبيه القاضي تاج الدين القلعي بسنده، وإن ثبت حقاً أن عبد الملك القلعي يروي عاليا عن المفتي عبد القادرالصديقي، فهذا علو له ولمن روي من طريقه0 قلت: ورأيت أيضاصاحبناالشيخ ياسين الفاداني يروي في أثباته من طريق عبد الملك بن عبد المنعم بن تاج الدين القلعي، عن جده تاج الدين القلعي المكي (ت1149هـ) ، والمفتي عبد القادربن أبىبكرالصديقي المذكور، بأسانيدهما، وكذلك فعلت أناأيضا. وأسأل الله أن يوفقنا ولمحبي علم الرواية والإسناد لمعروفة ولادة القاضي عبد الملك القلعي، حتى نكون على بينة من روايته عن المفتي عبد القادربن أبىبكرالصديقي المكي، وجده القاضي تاج الدين القلعي المكي0
আমি বলছি: লেখক মুফতি আব্দুল কাদির আস-সিদ্দিকীর জন্ম বা মৃত্যুর তারিখ উল্লেখ করেননি, তাই আমি বলছি: মুফতি আব্দুল কাদির বিন আবু বকর আস-সিদ্দিকী আল-মাক্কী আল-হানাফী, মক্কা মুকাররমায় ১০৮০ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১১৩৮ হিজরি সনে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর 'সাবাত' (সনদগ্রন্থ) যার নাম 'ইতহাফুল আকাবির বি-মারউয়িয়াতিল মুফতি আব্দুল কাদির', এটি তাঁর ছাত্র শেখ মুহাম্মদ হাশেম বিন আব্দুল গাফুর আস-সিন্ধী আল-হানাফীর সংকলন, যা দুটি বিশাল খণ্ডে সমাপ্ত এবং আমার কাছে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে। আর আব্দুল মালিক আল-কালয়ী হলেন মক্কার মুফতি ও কাজী আব্দুল মালিক বিন আব্দুল মুনিম বিন তাজউদ্দীন বিন আব্দুল মুহসিন আল-কালয়ী আল-মাক্কী আল-হানাফী; তিনি ১২২৮ হিজরি সনে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন, তবে তাঁর জন্মের বছর জানা যায়নি। সুতরাং তাঁর মৃত্যু এবং মুফতি আব্দুল কাদির আস-সিদ্দিকীর মৃত্যুর মধ্যে ব্যবধান হলো নব্বই বছর। এটি দাবি করে যে, আব্দুল মালিক আল-কালয়ী নব্বই বছরেরও বেশি জীবন পেয়েছিলেন, কিন্তু জীবনী ও ইতিহাসের গ্রন্থগুলোতে আমি এমনটি খুঁজে পাইনি। তা সত্ত্বেও লেখক আমাদের শায়খগণ এবং অন্যান্য শায়খদের অনুসরণ করেছেন; একইভাবে আমিও আমার গ্রন্থ 'ফাতহুল আল্লাম' এবং রেওয়ায়েত ও ইসনাদ শাস্ত্রের অন্যান্য সনদগ্রন্থ ও রচনায় তাঁকে অনুসরণ করেছি। আমার জানামতে: আব্দুল মালিক আল-কালয়ী তাঁর পিতা আব্দুল মুনিম আল-কালয়ী এবং মুফতি আলী ইবন মুফতি আব্দুল কাদির বিন আবু বকর আস-সিদ্দিকী আল-মাক্কী আল-হানাফী (মৃত্যু ১১৮৭ হিজরি) থেকে বর্ণনা করেন; তাঁরা উভয়েই দ্বিতীয়জনের পিতা অর্থাৎ উল্লিখিত 'সাবাত'-এর রচয়িতা মুফতি আব্দুল কাদির বিন আবু বকর আস-সিদ্দিকী আল-মাক্কী থেকে বর্ণনা করেন। আর আব্দুল মুনিম আল-কালয়ীও তাঁর পিতা কাজী তাজউদ্দীন আল-কালয়ী থেকে তাঁর সনদে বর্ণনা করেছেন। আর যদি সত্যই প্রমাণিত হয় যে আব্দুল মালিক আল-কালয়ী উচ্চ সনদে মুফতি আব্দুল কাদির আস-সিদ্দিকী থেকে বর্ণনা করেন, তবে এটি তাঁর জন্য এবং যাঁরা তাঁর সূত্রে বর্ণনা করবেন তাঁদের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের সনদ (উলুউ) হিসেবে গণ্য হবে। আমি বলছি: আমি আমাদের সাথী শেখ ইয়াসিন আল-ফাদানীকেও তাঁর সনদগ্রন্থগুলোতে আব্দুল মালিক বিন আব্দুল মুনিম বিন তাজউদ্দীন আল-কালয়ীর সূত্রে তাঁর দাদা তাজউদ্দীন আল-কালয়ী আল-মাক্কী (মৃত্যু ১১৪৯ হিজরি) এবং উল্লিখিত মুফতি আব্দুল কাদির বিন আবু বকর আস-সিদ্দিকী থেকে তাঁদের সনদে বর্ণনা করতে দেখেছি; আমিও একইভাবে বর্ণনা করেছি। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যে, তিনি আমাদের এবং রেওয়ায়েত ও ইসনাদ শাস্ত্রের প্রেমীদের কাজী আব্দুল মালিক আল-কালয়ীর জন্মতারিখ জানার তাওফিক দান করেন, যাতে আমরা মুফতি আব্দুল কাদির বিন আবু বকর আস-সিদ্দিকী আল-মাক্কী এবং তাঁর দাদা কাজী তাজউদ্দীন আল-কালয়ী আল-মাক্কী থেকে তাঁর বর্ণনার ব্যাপারে সুনিশ্চিত হতে পারি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ৬)
15 ــ وفي (ج1 ص 172) قال: إتحاف سيدي محمدخليل بمواهب مولاناالجليل: لشيخ المحدثين بمصرالشيخ أبىمفلح خليل بن ابراهيم اللقاني المصري المالكي، ألفه باسم محمدبن خليل العجلوني، يروي عن والده، والبابلي،وسالم السنهوري، وأحمدالمكي، ومحمدحجازي الواعظ، وعلي الأجهوري وغيرهم. أهـ.قلت: خليل بن ابراهيم اللقاني توفي سنة (1105هـ) ، وهولايروي عن سالم السنهوري (ت1115هـ) ، ولا عن محمدحجازي الواعظ (ت1035هـ) ، وهمامن شيوخ شيوخه: وإنما يروي خليل اللقاني عن أبيه ابراهيم اللقاني (ت1041هـ) ، وشقيقه عبد السلام بن ابراهيم اللقاني، وشقيقه الثاني محمدبن ابراهيم اللقاني، والشمس محمدبن علاءالدين البابلي (1077هـ) وعبد الله الخرشي، والنورعلي الشبراملسي، وسلطان المزاحي، والشهاب أحمدالشوبري المصري، وياسين العليمي الحمصي، ومحمدعلي بن علان المكي، وعامرالشبراوي، والشهاب أحمدالقليوبي، وعبد الرحمن الخياري المدني، وتاج الدين المالكي المكي، وغرس الدين الخليلي، وعبد العزيزبن محمدالزمزمي المكي، والشمس محمدالشبراملسي المالكي، والنورعلي الأجهوري، والنورعلي الحلبي صاحب السيرة، وغيرهم016 ــ وفي (ج1 ص 188) قال: الإعلام بأسانيدالأعلام: لعلامةاليمن ومسنده الشهاب أحمدبن محمدقاطن الصنعاني اليمني، أرويه عن القاضي حسين السبعي اليمني الأنصاري عن محمدبن ناصرالحازمي، عن محمدبن علي العمراني، والوجيه الأهدل كلاهما عنه.ألخ0قلت: الشهاب أحمدقاطن الصنعاني ولدسنة (1118هـ) ، وتوفي سنة (1199هـ) ، ومحمدبن علي العمراني ولدسنة (1194هـ) ، وتوفي سنة (1264هـ) ،وهوعندي لايروي عنه 0
১৫ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১৭২ পৃষ্ঠায়) তিনি বলেছেন: ইতিহাফু সিয়্যিদী মুহাম্মাদ খলিল বি-মাওয়াহিবি মাওলানাল জলীল: এটি মিশরের শাইখুল মুহাদ্দিসীন শাইখ আবু মুফলিহ খলিল বিন ইব্রাহিম আল-লাক্কানি আল-মিসরি আল-মালিকির রচনা। তিনি এটি মুহাম্মাদ বিন খলিল আল-আজলুনির নামে রচনা করেছেন। তিনি বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা, আল-বাবিলি, সালিম আস-সানহুরি, আহমাদ আল-মাক্কি, মুহাম্মাদ হিজাজি আল-ওয়ায়িজ, আলি আল-উজহুরি এবং অন্যদের থেকে। সমাপ্ত।আমি বলছি: খলিল বিন ইব্রাহিম আল-লাক্কানি ১১০৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সালিম আস-সানহুরি (মৃত্যু ১১১৫ হি.) থেকে বর্ণনা করেন না, এবং মুহাম্মাদ হিজাজি আল-ওয়ায়িজ (মৃত্যু ১০৩৫ হি.) থেকেও বর্ণনা করেন না; বরং তাঁরা তাঁর উস্তাদদের উস্তাদ ছিলেন। খলিল আল-লাক্কানি মূলত বর্ণনা করেন তাঁর পিতা ইব্রাহিম আল-লাক্কানি (মৃত্যু ১০৪১ হি.), তাঁর সহোদর আব্দুস সালাম বিন ইব্রাহিম আল-লাক্কানি, তাঁর দ্বিতীয় সহোদর মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আল-লাক্কানি, শামস মুহাম্মাদ বিন আলাউদ্দীন আল-বাবিলি (১০৭৭ হি.), আব্দুল্লাহ আল-খারশি, নূর আলি আশ-শুবরামাল্লাসি, সুলতান আল-মাযাহি, শিহাব আহমাদ আশ-শুবারি আল-মিসরি, ইয়াসিন আল-আলিমি আল-হিমসি, মুহাম্মাদ আলি বিন আল্লান আল-মাক্কি, আমির আশ-শাবরাবি, শিহাব আহমাদ আল-কালিউবি, আব্দুর রহমান আল-খিয়ারি আল-মাদানি, তাজউদ্দীন আল-মালিকি আল-মাক্কি, গারসুদ্দীন আল-খলিলি, আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ আজ-যামযামি আল-মাক্কি, শামস মুহাম্মাদ আশ-শুবরামাল্লাসি আল-মালিকি, নূর আলি আল-উজহুরি, সীরাত গ্রন্থকার নূর আলি আল-হালাবি এবং অন্যদের থেকে।১৬ ــ এবং (১ম খণ্ড, ১৮৮ পৃষ্ঠায়) তিনি বলেছেন: আল-ইলাম বি-আশানিদিল আলাম: এটি ইয়ামেনের আল্লামা ও মুসনিদ শিহাব আহমাদ বিন মুহাম্মাদ কাতিন আস-সানয়ানি আল-ইয়ামানির রচনা। আমি এটি বর্ণনা করছি ইয়ামেনি আনসারি কাজি হুসাইন আস-সাবয়ি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন নাসির আল-হাযিমি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আলি আল-উমরানি থেকে, এবং ওয়াজিহ আল-আহদাল—তাঁরা উভয়ই তাঁর থেকে। ইত্যাদি।আমি বলছি: শিহাব আহমাদ কাতিন আস-সানয়ানি ১১১৮ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১১৯৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। অন্যদিকে মুহাম্মাদ বিন আলি আল-উমরানি ১১৯৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২৬৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আমার নিকট প্রমাণিত যে, তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেন না।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ৭)
قلت: وأناالفقيرإلي به/ صالح بن إدريس الأركاني، أروي عن شيخناالمفتي عبد الله بن علي باسندالعمودي، عن المفتي يوسف بن مبارك العريشي، عن القاضي حسن بن أحمدعاكش الضمدي، والسيدحسن بن عبد الباري الأهدل، كلاهما عن السيدعبد الرحمن بن سليمان الأهدل عن الشهاب أحمدقاطن الصنعاني0 {ح} ويوسف بن مبارك العريشي أيضا عن محمدبن علي العمراني (ت1264هـ) ،وهوعن محمدبن علي الشوكاني وغيره، ولم يقل شيخناالمفتي عبد الله العمودي أن العمراني يروي عن أحمدقاطن017 ــ وقال في (ج1 ص 197سطر4 وبعده) : ولنابه (أي بالبصري المكي) إتصال غريب عن السيدشمس الدين محمدبن محمدسرالختم بن عثمان المرغني لقيته بالإسكندرية، عن أبيه محمدعثمان عن أبيه أبىبكروعمه ياسين عن أبيهماأبىبكرعن أبيه عبد الله عن البصري0 أهـ.قلت: وصواب العبارة هكذا: عن السيدشمس الدين محمدبن محمدسرالختم بن عثمان المرعني لقيته بالإسكندرية، عن أبيه محمدسرالختم، عن أبيه عثمان، عن أبيه أبىبكر، وعمه ياسين، عن أبيهماعبد الله المحجوب الميرغني الطائفي عن البصري؛ هوعبد الله بن سالم البصري المكي018 ــ وقال في (ج1 ص 202) : وأتصل به (أي بالحافظ الزبيدي) أعلى من ذلك من الطريق المعمرالشهاب أحمدبن صالح بن علي بن محمدسعيدالسويدي البغدادي، وهويروي عن السيدمرتضى بحق إجازته لجده محمدسعيدوأولاده وأولادهم وأحفادهم، وهوآخرحفدة جده المنلاعلي المذكور، وكانت وفاته عن نيف وتسعين سنة 1324هـ، وإجازته لناكانت من مكة عام1321هـ لماوردهاحاجاً. أهـ.
আমি বলছি: আমি তাঁর (আল্লাহর) মুখাপেক্ষী অধম সালেহ ইবনে ইদ্রিস আল-আরকানি। আমি বর্ণনা করি আমাদের শাইখ মুফতি আব্দুল্লাহ ইবনে আলী বাসনাদ আল-আমউদি থেকে, তিনি মুফতি ইউসুফ ইবনে মুবারক আল-আরিশি থেকে, তিনি কাজি হাসান ইবনে আহমদ আকিদ আদ-দুমাদি এবং সাইয়্যেদ হাসান ইবনে আব্দুল বারি আল-আহদাল থেকে, তাঁরা উভয়ই সাইয়্যেদ আব্দুর রহমান ইবনে সুলাইমান আল-আহদাল থেকে, তিনি শিহাব আহমদ ক্বাতিন আস-সানআনি থেকে। {হ} এবং ইউসুফ ইবনে মুবারক আল-আরিশি আরও বর্ণনা করেন মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আমরানি (মৃত্যু ১২৬৪ হিজরি) থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আলী আশ-শাওকানি ও অন্যান্যদের থেকে। তবে আমাদের শাইখ মুফতি আব্দুল্লাহ আল-আমউদি বলেননি যে আমরানি আহমদ ক্বাতিন থেকে বর্ণনা করেছেন।১৭ — এবং তিনি (১ম খণ্ড, ১৯৭ পৃষ্ঠা, ৪ নম্বর লাইন এবং এর পরে) বলেছেন: আল-বাসরি আল-মাক্কির সাথে আমাদের একটি বিরল সূত্র রয়েছে সাইয়্যেদ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ সিররুল খাতাম ইবনে উসমান আল-মিরগনির মাধ্যমে। আমি তাঁর সাথে আলেকজান্দ্রিয়ায় সাক্ষাৎ করেছি। তিনি তাঁর পিতা মুহাম্মদ উসমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা আবু বকর এবং চাচা ইয়াসিন থেকে, তাঁরা উভয়ই তাঁদের পিতা আবু বকর থেকে, তিনি তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আল-বাসরি থেকে বর্ণনা করেছেন। (সমাপ্ত)আমি বলছি: বাক্যটির সঠিক রূপ হলো— সাইয়্যেদ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ সিররুল খাতাম ইবনে উসমান আল-মিরগনি থেকে, আমি তাঁর সাথে আলেকজান্দ্রিয়ায় সাক্ষাৎ করেছি; তিনি তাঁর পিতা মুহাম্মদ সিররুল খাতাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা উসমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা আবু বকর এবং তাঁর চাচা ইয়াসিন থেকে, তাঁরা উভয়ে তাঁদের পিতা আব্দুল্লাহ আল-মাহজুব আল-মিরগনি আত-তায়েফি থেকে, তিনি আল-বাসরি থেকে; আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে সালিম আল-বাসরি আল-মাক্কি।১৮ — এবং তিনি (১ম খণ্ড, ২০২ পৃষ্ঠায়) বলেছেন: হাফেজ আজ-জাবাইদির সাথে এর চেয়েও উচ্চতর একটি সূত্র যুক্ত হয়েছে দীর্ঘজীবী শিহাব আহমদ ইবনে সালেহ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ সাঈদ আস-সুয়াইদি আল-বাগদাদির মাধ্যমে। তিনি সাইয়্যেদ মুরতাজা থেকে বর্ণনা করেন তাঁর দাদা মুহাম্মদ সাঈদ, তাঁর সন্তানাদি এবং তাঁদের সন্তান ও নাতি-পুতিদের জন্য প্রদত্ত অনুমতির (ইজাজাহ) ভিত্তিতে। তিনি তাঁর উল্লেখিত দাদা মোল্লা আলীর সর্বশেষ বংশধরদের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ১৩২৪ হিজরিতে ৯০ বছরেরও বেশি বয়সে। ১৩২১ হিজরিতে যখন তিনি হজ করতে মক্কায় আসেন, তখন তিনি আমাদের এই অনুমতি প্রদান করেন। (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ৮)
قلت: لايجوزالراوية بهذاالسند لأمورأهمها: أن الشهاب أحمدبن صالح السويدي لم يدرك حياة الحافظ السيدمحمدمرتضى الزبيدي المصري (ت1205هـ) هذا أولا، وثانياً: عندماأجازالحافظ للمنلا محمدسعيدالسويدي ولأولاده وأولادهم وأحفادهم كمال قال، كان يقصد الحافظ الزبيدي الذين يولدون في حياته، ولا الذين يولدون لهم إلي يوم القيامة0 وقدقلدت الحافظ الزبيدي فأجزت لبعض الشيوخ ولأولاده وأحفاده، وقال لي بعض الحاضرين كيف تجيز لأحفاده وليس له أحفاد؟ فقلت له: قصدت ذلك الذين ولدوا أوسيولدون في حياتي، ولم أقصدمن سيولد بعدمماتي0 وهكذا فعل الحافظ مرتضى الزبيدي مع المنلامحمدسعيد السويدي0 تنبيه: لقدكنت أظن في بداية أمري أن الشهاب السويدي أدرك حياة الحافظ الزبيدي، ففرحنا بهذاالسند، إلا أن هذا الفرح قد تبدل إلي الحزن والأسى عندما تحققت من أمره وأنه ولد بعدوفاةالحافظ الزبيدي بعشرات السنين0وقدقال المؤلف عبد الحي الكتاني في (ج1 ص491 سطر11 ومابعده) : (وفي جميع الفهارس والمشيخات أن يحي بن يحي الليثي كان يروي الموطأ عن مالك عدا مافاته سماعه من مالك، وهومقدار يسير كان يرويه عن زياد ابن عبد الرحمن شبطون عن مالك لاعن مالك، فانظر إلي تحري من تقدم والصدق في الرواية وإلي ماوصل إليه الحال الآن من تعمد أحدهم إلي سياق أسانيدالكتب السنة من طريق شيخ عن شيخ له لم يحضرعليه إلا في فرائض المختصر، وليست له منه إجازة، فبمجرد الحضور عليه في دروس معينة روي عنه كل مالعله لم يروه هوأيضاً، وإنالله على ضياع العلم وانقطاع سلسلته، ثم إذاأرادوا وصل سلسلة وصلوهابالكذب والتزوير) .أنتهى كلامه.قلت: هذاكلام حسن وجيد، وكان أفضل وأحسن لوترك الرواية عن الشهاب السويدي عن الحافظ الزبيدي، لاسيماوعبد الحي الكتاني يروي بالإجازة الخاصة عن السكري عن الكزبري الحفيد، وعبد اللطيف البيروتي وعمرالآمدي، وحامدالعطار، كلهم عن الحافظ الزبيدي بالإجازة الخاصة0
আমি বলি: এই সনদের মাধ্যমে বর্ণনা করা বৈধ নয় কয়েকটি কারণে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো: প্রথমত, শিহাব আহমেদ বিন সালিহ আল-সুওয়াইদি হাফিজ সাইয়্যিদ মুহাম্মদ মুরতাজা আল-জুবাইদি আল-মিসরি (মৃত্যু ১২০৫ হিজরি)-এর জীবদ্দশা পাননি। দ্বিতীয়ত, হাফিজ যখন মোল্লা মুহাম্মদ সাঈদ আল-সুওয়াইদি, তাঁর সন্তানাদি এবং তাঁদের পৌত্র-প্রপৌত্রদের জন্য ইজাজত (অনুমতি) দিয়েছিলেন যেমনটি তিনি বলেছিলেন, তখন হাফিজ আল-জুবাইদি তাদের কথা বুঝিয়েছিলেন যারা তাঁর জীবদ্দশায় জন্মগ্রহণ করবে, কিয়ামত পর্যন্ত যারা জন্মগ্রহণ করবে তাদের নয়। আমি হাফিজ আল-জুবাইদির অনুকরণ করে কয়েকজন শায়খ এবং তাঁদের সন্তান ও পৌত্রদের ইজাজত দিয়েছিলাম। উপস্থিতদের একজন আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কীভাবে তাঁর পৌত্রদের ইজাজত দিচ্ছেন যখন তাঁর কোনো পৌত্রই নেই?" আমি তাকে বললাম: "আমি তাদের উদ্দেশ্য করেছি যারা আমার জীবদ্দশায় জন্মগ্রহণ করেছে বা করবে, আমার মৃত্যুর পর যারা জন্মগ্রহণ করবে তাদের আমি উদ্দেশ্য করিনি।" হাফিজ মুরতাজা আল-জুবাইদি মোল্লা মুহাম্মদ সাঈদ আল-সুওয়াইদির সাথে ঠিক এমনটিই করেছিলেন। সতর্কবার্তা: শুরুতে আমি মনে করেছিলাম যে শিহাব আল-সুওয়াইদি হাফিজ আল-জুবাইদির জীবদ্দশা পেয়েছিলেন, তাই আমরা এই সনদ পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু যখন আমি তাঁর বিষয়টি যাচাই করলাম এবং দেখলাম যে তিনি হাফিজ আল-জুবাইদির মৃত্যুর কয়েক দশক পরে জন্মগ্রহণ করেছেন, তখন সেই আনন্দ দুঃখ ও পরিতাপে পরিণত হলো।লেখক আব্দুল হাই আল-কাত্তানি (১ম খণ্ড, ৪৯১ পৃষ্ঠা, ১১তম লাইন ও পরবর্তী অংশে) বলেছেন: (সমস্ত ক্যাটালগ ও মাশাইখদের তালিকায় উল্লেখ আছে যে, ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আল-লাইসি ইমাম মালিকের কাছ থেকে মুওয়াত্তা বর্ণনা করতেন, তবে সামান্য কিছু অংশ বাদে যা তিনি মালিকের কাছ থেকে সরাসরি শুনতে পাননি। সেই সামান্য অংশটি তিনি মালিকের সরাসরি বর্ণনার পরিবর্তে যিয়াদ ইবনে আব্দুর রহমান শাবতুনের মাধ্যমে মালিক থেকে বর্ণনা করতেন। পূর্ববর্তীদের সতর্কতা এবং বর্ণনায় সত্যবাদিতার প্রতি লক্ষ্য করুন, আর বর্তমানে পরিস্থিতি কোথায় পৌঁছেছে তা দেখুন—যেখানে কেউ কেউ সুন্নাহর কিতাবসমূহের সনদ এমন একজন শায়খের মাধ্যমে বর্ণনা করতে উদ্যত হয় যার কাছে তিনি কেবল সংক্ষিপ্ত কিছু মাসআলা ব্যতীত উপস্থিত হননি এবং তাঁর থেকে কোনো ইজাজতও নেই। নিছক নির্দিষ্ট কিছু পাঠে উপস্থিত থাকার কারণে তিনি তাঁর কাছ থেকে এমন সবকিছুও বর্ণনা করে দেন যা সম্ভবত স্বয়ং সেই শায়খও বর্ণনা করেননি। আমরা আল্লাহর কাছেই ইলম হারিয়ে যাওয়া এবং এর সিলসিলা ছিন্ন হওয়ার ফরিয়াদ জানাই। অতঃপর তারা যখন এই সিলসিলা মেলাতে চায়, তখন তারা মিথ্যা ও জালিয়াতির আশ্রয় নেয়)। তাঁর বক্তব্য সমাপ্ত।আমি বলি: এটি একটি সুন্দর ও উত্তম কথা। যদি তিনি শিহাব আল-সুওয়াইদি থেকে হাফিজ আল-জুবাইদির মাধ্যমে বর্ণনা করা ত্যাগ করতেন তবে আরও ভালো ও উত্তম হতো। বিশেষ করে যেখানে আব্দুল হাই আল-কাত্তানি নিজে আস-সুক্কারি থেকে আল-কুজবারি আল-হাফিদ, আব্দুল লতিফ আল-বৈরুতি, উমর আল-আমিদি এবং হামিদ আল-আত্তার—যাঁরা প্রত্যেকেই হাফিজ আল-জুবাইদি থেকে বিশেষ ইজাজতের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন—তাঁদের মাধ্যমে বিশেষ ইজাজতে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ৯)
19 ــ وقال في (ج1 ص 211) : نتصل بالبابلي المذكور من طريق أبىسالم العياشي إلي أن قال: والبصري والنخلي والعجيمي، والقلعي والثعالبي، والرداني، والرزقاني..... ألخ 0قلت: لا أعلم حتى الآن مراد المؤلف بالقلعي، فإن كان مراده تاج الدين بن عبد المحسن القلعي المكي، فالمؤلف ترجمه في (ج1 ص97) وذكرأنه يروي عن: عيسي الثعالبي، ومحمدبن سليمان الرداني، وحسن العجيمي، وعبد الله البصري، ومحمدبن عبد الباقي الزرقاني، وأحمدبن محمدأبىالأخيرالمرحومي المصري، وأحمدبن محمدبن سالم القلعي، وقال عن الأخير: أنه يروي عن البابلي0 قلت: المؤلف لم يترجم أحمدبن محمدبن سالم القلعي في كتابه، فلذايتجه الذهن إلي أنه أرادبالقلعي التاج القلعي، والله تعالى أعلم020 ــ وجاء في (ج1 ص213 سطر9) : عيدبن عساكرالنمرسي0قلت: الصواب أنه عيدبن علي النمرسي الأزهري الشافعي (ت1140هـ)21 ــ وجاء في (ج1 ص 219) : ومن أعلى ماحصل له (أي للبدرالغزي) روايته عن الإمام أبىالفتح المزي الإسكندري عن عائشة بنت عبد الهادي، والشهاب بن صديق الرسام، وجده علي بن صالح النويري كلهم عن الحجار 0 أهـ0قلت: أبوالفتح محمدبن محمدبن علي بن صالح المزي الإسكندري ولدسنة (810هـ) وتوفي سنة (906هـ) ،وعائشة بنت عبد الهادي المقدسية توفيت سنة (816هـ) وهي تروي عن الحجار0 وأماالشهاب بن صديق الرسام، فإن كان المرادبه البرهان ابراهيم بن محمدبن صديق الرسام (ت806هـ) الراوي عن الحجار، فلايجوز لأبى الفتح المزي الرواية عنه لأنه لم يدرك حياته، وإن كان المرادبالشهاب الرسام: أحمدبن أبىبكربن أحمدبن علي بن إسماعيل الحموي الأصل ثم الحلبي الحنبلي الشهيربابن الرسام، (763 ـ 844هـ) فإنه لايروي عن الحجار0 والله تعالى أعلم022 ــ وجاء في (ج1 ص222 سطر18) : وكان للمترجم (أي الحافظ البرها ن ابراهيم بن محمدبن خليل الحلبي ت841هـ) ولداسمه أحمدوكنيته أبوذر، وصف أيضابالحفظ والإتقان والضبط0 أهـ0
১৯ — এবং তিনি (১ম খণ্ড ২১১ পৃষ্ঠায়) বলেছেন: আমরা আবু সালেম আল-আইয়াশির সূত্রে উল্লিখিত আল-বাবিলির সাথে সংযুক্ত হই; তিনি বলতে থাকেন: আল-বাসরি, আন-নাখলি, আল-উজাইমি, আল-কালায়ি, আস-সাআলাবি, আর-রুদ্দানি এবং আজ-যুরকানি... ইত্যাদি।আমি বলছি: কালায়ি বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন তা আমি এখন পর্যন্ত জানি না। যদি তার উদ্দেশ্য তাজউদ্দীন ইবনে আব্দুল মুহসিন আল-কালায়ি আল-মাক্কি হয়, তবে লেখক (১ম খণ্ড ৯৭ পৃষ্ঠায়) তার জীবনী আলোচনা করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে তিনি বর্ণনা করেন: ঈসা আস-সাআলাবি, মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আর-রুদ্দানি, হাসান আল-উজাইমি, আব্দুল্লাহ আল-বাসরি, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি আজ-যুরকানি, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আবুল আখির আল-মারহুমি আল-মিসরি এবং আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালেম আল-কালায়ি থেকে। এবং তিনি শেষোক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন: তিনি আল-বাবিলি থেকে বর্ণনা করেন। আমি বলছি: লেখক তার গ্রন্থে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালেম আল-কালায়ির জীবনী আলোচনা করেননি, তাই ধারণা করা যায় যে তিনি কালায়ি বলতে তাজ আল-কালায়িকে বুঝিয়েছেন, আর আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।২০ — এবং (১ম খণ্ড ২১৩ পৃষ্ঠা ৯ নং লাইনে) এসেছে: ঈদ ইবনে আসাকির আন-নামরাসি।আমি বলছি: সঠিক হলো তিনি হলেন ঈদ ইবনে আলী আন-নামরাসি আল-আজহারি আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ১১৪০ হিজরি)।২১ — এবং (১ম খণ্ড ২১৯ পৃষ্ঠায়) এসেছে: এবং তার (অর্থাৎ বদর আল-গাযযির) অর্জিত সর্বোচ্চ বর্ণনাসমূহের মধ্যে একটি হলো ইমাম আবুল ফাতহ আল-মিযযি আল-ইসকান্দারির সূত্রে বর্ণনা, তিনি আয়েশা বিনতে আব্দুল হাদি, শিহাব ইবনে সিদ্দিক আর-রাসসাম এবং তার দাদা আলী ইবনে সালেহ আন-নুওয়াইরি থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা সবাই আল-হাজ্জার থেকে বর্ণনা করেছেন। (সমাপ্ত)আমি বলছি: আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে সালেহ আল-মিযযি আল-ইসকান্দারি ৮১০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৯০৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আর আয়েশা বিনতে আব্দুল হাদি আল-মাকদিসিয়া ৮১৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি আল-হাজ্জার থেকে বর্ণনা করেন। তবে শিহাব ইবনে সিদ্দিক আর-রাসসামের ব্যাপারে কথা হলো, যদি এর দ্বারা বুরহান ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিদ্দিক আর-রাসসাম (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি) উদ্দেশ্য হয়—যিনি আল-হাজ্জার থেকে বর্ণনা করেন—তবে আবুল ফাতহ আল-মিযযির পক্ষে তার থেকে বর্ণনা করা বৈধ নয়, কারণ তিনি তার জীবনকাল পাননি। আর যদি শিহাব আর-রাসসাম বলতে আহমদ ইবনে আবু বকর ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে ইসমাইল আল-হামাউয়ি আল-আসল অতঃপর আল-হালাবি আল-হাম্বলি ইবনুর রাসসাম নামে পরিচিত (৭৬৩-৮৪৪ হিজরি) উদ্দেশ্য হন, তবে তিনি আল-হাজ্জার থেকে বর্ণনা করেন না। আর আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।২২ — এবং (১ম খণ্ড ২২২ পৃষ্ঠা ১৮ নং লাইনে) এসেছে: যার জীবনী আলোচনা করা হচ্ছে (অর্থাৎ হাফেজ বুরহান ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খলিল আল-হালাবি, মৃত্যু ৮৪১ হিজরি) তার আহমদ নামে একজন পুত্র ছিল যার উপনাম ছিল আবু যর; তাকেও মুখস্থ শক্তি, প্রখর মেধা ও নিখুঁত বর্ণনার বিশেষণে বিশেষায়িত করা হয়েছে। (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১০)
قلت: للحافظ البرهان الحلبي أولاد ثلاثة: الحافظ موفق الدين أبوذرأحمد وهوتوفي سنة (884هـ) ، والعلامة الفقيه ناصرالدين أبوحمزة أنس، والعلامة الفقيه جمال الدين أبوحامدعبد الله0 وكلهم عن والدهم الحافظ البرهان الحلبي وعن غيره، بل استجازلهم الحافظ النجم عمربن فهدالمكي عن شيوخ كثيرين، وذكرهم في معجم الشيوخ، وهومطبوع 023 ــ وجاء في (ج1 ص225 سطر20) : وأحمدبن يعقوب 0 (أي أنه من شيوخ محمدبن عبد السلام البناني الفاسي ت1163) أهـ0قلت: أحمدبن يعقوب هوالولالي، وهويروي عن قاضي فاس الجديد العلامة أحمدبن سعيدالمكيدي (ت1094هـ) وهوعن عبد القادربن علي الفاسي، وأبىسالم العياشي، وأحمدبن أبىبكرالدلائي، وأحمدبن عمران الفاسي، وعيسي الثعالبي، والشهاب أحمدالخفاجي، وغيرهم.24 ــ وجاء في (ج1 ص 237 سطر12 ومابعده، في ترجمة البوني أحمدبن قاسم) : ويروي عن الشيخين المعمرين أكثرمن من مائة وعشرين سنة أبىالحسن علي الخضري الرشيدي الحنفي، وأبىعبد الله محمدابن عبد العزيزالمنوفي الشافعي، الأول: عن الشيخ عبد الروؤف المناوي عن الشعراني عن زكريا، والثاني: عن عبد الواحدالبرجي الرشيدي الشافعي المعمرمات سنة (1023هـ) عن نحومائة سنة، والشمس الرملي، الأول عن الحافظ السيوطي، والثاني: عن زكرياالأنصاري، كلاهماعن الحافظ ابن حجر) أهـ 0 قلت: عبد الواحدالبرجي لايروي عن الحافظ السيوطي لأنه ولدبعدوفاة السيوطي، والسيوطي لايروي عن الحافظ ابن حجرالعسقلاني بالإجازة الخاصة025 ــ وقال في (ج1 ص245 ومابعده) : الباقيات الصالحات في المسانيدوالأوائل والمسلسلات لمعاصرنامحمدقيام الدين عبد الباري الأنصاري اللكنوي الهندي، إلي أن قال: أرويه عن جامعه بالإجازة العامة لأهل العصرعلى مذهب من يرى ذلك ولاعلم لي بخبره إلا من فهرسه المذكور) أهـ0
আমি বলছি: হাফেজ বুরহান আল-হালাবির তিন সন্তান ছিল: হাফেজ মুওয়াফফাকুদ্দিন আবু যর আহমদ যিনি ৮৮৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, আল্লামা ফকিহ নাসিরুদ্দিন আবু হামজা আনাস এবং আল্লামা ফকিহ জামালুদ্দিন আবু হামিদ আবদুল্লাহ। তাঁরা সকলেই তাঁদের পিতা হাফেজ বুরহান আল-হালাবি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। বরং হাফেজ নাজমুদ্দিন ওমর বিন ফাহদ আল-মাক্কি অনেক শাইখের কাছ থেকে তাঁদের জন্য ইজাযত (অনুমতি) প্রার্থনা করেছিলেন এবং 'মু'জামুশ শুয়ুখ' গ্রন্থে তাঁদের উল্লেখ করেছেন, যা মুদ্রিত হয়েছে।২৩ — (১ম খণ্ড, ২২৫ পৃষ্ঠা, ২০তম লাইনে) এসেছে: এবং আহমদ বিন ইয়াকুব। (অর্থাৎ তিনি মুহাম্মদ বিন আবদুস সালাম আল-বান্নানি আল-ফাসি (মৃত্যু ১১৬৩ হিজরি)-এর শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত)। সমাপ্ত।আমি বলছি: আহমদ বিন ইয়াকুব হলেন আল-ওয়ালালি। তিনি ফাস আল-জাদিদের কাজি আল্লামা আহমদ বিন সাঈদ আল-মাকিদি (মৃত্যু ১০৯৪ হিজরি) থেকে বর্ণনা করেন। আর তিনি (মাকিদি) বর্ণনা করেন আবদুল কাদির বিন আলি আল-ফাসি, আবু সালিম আল-আইয়াশি, আহমদ বিন আবু বকর আদ-দিলাঈ, আহমদ বিন ইমরান আল-ফাসি, ঈসা আস-সা'আলিবি, শিহাব আহমদ আল-খাফাজি এবং অন্যদের থেকে।২৪ — (১ম খণ্ড, ২৩৭ পৃষ্ঠা, ১২তম লাইন এবং পরবর্তী অংশে আল-বুনি আহমদ বিন কাসিমের জীবনীতে) এসেছে: তিনি একশ বিশ বছরেরও বেশি দীর্ঘজীবী দুই শাইখ আবুল হাসান আলি আল-খুদরি আর-রাশিদি আল-হানাফি এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদিল আজিজ আল-মানুফি আশ-শাফিয়ি থেকে বর্ণনা করেন। প্রথমজন: শাইখ আবদুর রউফ আল-মুনাউয়ি থেকে, তিনি আশ-শা'রানি থেকে, তিনি জাকারিয়া থেকে। দ্বিতীয়জন: দীর্ঘজীবী আবদুল ওয়াহিদ আল-বুরজি আর-রাশিদি আশ-শাফিয়ি থেকে (যিনি ১০২৩ হিজরিতে প্রায় একশ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন) এবং শামস আল-রামলি থেকে। প্রথমজন হাফেজ আস-সুয়ুতি থেকে এবং দ্বিতীয়জন জাকারিয়া আল-আনসারি থেকে; তাঁরা উভয়েই হাফেজ ইবনে হাজার থেকে বর্ণনা করেন। সমাপ্ত। আমি বলছি: আবদুল ওয়াহিদ আল-বুরজি হাফেজ আস-সুয়ুতি থেকে বর্ণনা করেননি কারণ তিনি সুয়ুতির মৃত্যুর পর জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আর আস-সুয়ুতি হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি থেকে বিশেষ অনুমতি (ইজাযাহ খাসসাহ) সূত্রে বর্ণনা করেন না।২৫ — (১ম খণ্ড, ২৪৫ পৃষ্ঠা এবং পরবর্তী অংশে) তিনি বলেছেন: 'আল-বাকিয়াতুস সালিহাত ফিল মাসানিদি ওয়াল আওয়াইলি ওয়াল মুসালসালাত' গ্রন্থটি আমাদের সমসাময়িক মুহাম্মদ কিয়ামুদ্দিন আবদুল বারি আল-আনসারি আল-লাখনবি আল-হিন্দি রচিত। তিনি আরও বলেন: আমি এটি এর সংকলকের কাছ থেকে ওই মত অনুযায়ী সমসাময়িকদের জন্য সাধারণ অনুমতির (ইজাযাহ আম্মাহ) ভিত্তিতে বর্ণনা করছি যারা এটি বৈধ মনে করেন। উল্লিখিত ক্যাটালগ (ফিহরিস) ব্যতীত তাঁর সম্পর্কে আমার আর কোনো সংবাদ জানা নেই। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১১)
وقال المؤلف في (ج2 ص868 سطر2) : وأروي عنه (أي السيدعيدروس بن عمرالحبشي (ت1314هـ) بإعتبار إجازته العامة لأهل العصرالتي أخبرني بهاالشيخ أحمدبن عثمان العطار) لأهـ0قلت: فكلام المؤلف الكتاني يرد قول بعض القائلين أنه (أي المؤلف) مان كان يروي عن أحد بالإجازة العامة لأهل العصر0 وقدأخبرني صاحبناالشيخ محمدياسين الفاداني مراراً أن عبد الحي الكتاني أجازلأهل عصره عامة، ولأهل مكة خاصة، فإن صح قوله دخلت أناأيضا في إجازته العامة026 ــ وجاء في (ج1 ص259 سطر17) : وأبىعبد الله محمدبن خالدالجعفري المكي ووالده أبىبكر0 أهـ0قلت: وصواب العبارة هكذا: وأبىعبد الله محمدبن أبىبكربن خالدالجعفري المكي، ووالده أبىبكر027 ــ وجاء في (ج1ص270 سطر6) : وسمع (أي الحافظ تقي الدين ابن فهد) من الأبنوسى، وابن صديق، والزين المراغي، وأبىاليمن الطبري 0 أهـ0قلت: الأبنوسي: هوالبرهان ابراهيم بن موسي بن أيوب الأبناسي ثم القاهري الشافعي، ولدسنة (725هـ) تقريباً، وتوفي سنة (802هـ) ، وابن صديق: هوالبرهان ابراهيم بن محمدين صديق الرسام الدمشقي ثم المكي الشافعي، ولدسنة (719هـ) وتوفي بمكة سنة (806هـ) ،والزين المراغي: هوأبوبكربن الحسين المراغي العثماني المدني الشافعي، ولدسنة (727هـ) ، وتوفي بالمدينة المنورة سنة (816هـ) ، وأبواليمن الطبري: هومحمدبن أحمدابن الرضي ابراهيم بن محمدبن ابراهيم بن أبىبكرالطبري المكي الشافعي، ولدبمكة سنة (730هـ) وتوفي بهاسنة (809هـ)28 ــ وجاء في (ج1 ص270سطر16 ومابعده) : وأعلى مابينناوبينه (أي بالحافظ التقي بن فهد) ستة وسائط، وذلك عن الشهاب السويدي، عن ابن سنة، عن الواولاتي عن ابن أركماش، عن السراج عمر، عن أبيه تقي الدين ماله، وهوأعلى مايوجدفي الدنيا0 أهـ0
এবং গ্রন্থকার (২য় খণ্ড, ৮৬৮ পৃষ্ঠা, ২য় লাইন)-এ বলেছেন: "আমি তাঁর থেকে বর্ণনা করি (অর্থাৎ সাইয়িদ আইদারুস ইবনে উমর আল-হাবাশি (মৃত্যু: ১৩১৪ হিজরি) তাঁর সমসাময়িকদের জন্য সাধারণ ইজাজতের প্রেক্ষিতে, যা আমাকে শাইখ আহমাদ ইবনে উসমান আল-আত্তার অবহিত করেছেন)।" শেষ।আমি বলছি: গ্রন্থকার আল-কাত্তানির এই বক্তব্য সেই সব ব্যক্তিদের কথাকে খণ্ডন করে যারা বলেন যে তিনি (অর্থাৎ গ্রন্থকার) সমসাময়িকদের জন্য সাধারণ ইজাজতের মাধ্যমে কারো থেকে বর্ণনা করতেন না। আমাদের সাথী শাইখ মুহাম্মদ ইয়াসিন আল-ফাদানি আমাকে বারবার অবহিত করেছেন যে, আব্দুল হাই আল-কাত্তানি তাঁর সমসাময়িকদের জন্য সাধারণভাবে এবং মক্কাবাসীদের জন্য বিশেষভাবে ইজাজত প্রদান করেছেন। যদি তাঁর কথা সঠিক হয়, তবে আমিও তাঁর সাধারণ ইজাজতের অন্তর্ভুক্ত হই।২৬ — এবং (১ম খণ্ড, ২৫৯ পৃষ্ঠা, ১৭তম লাইন)-এ এসেছে: "এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আল-জাফারি আল-মাক্কি ও তাঁর পিতা আবু বকর।" শেষ।আমি বলছি: বাক্যটির সঠিক রূপ হলো: "এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে খালিদ আল-জাফারি আল-মাক্কি এবং তাঁর পিতা আবু বকর।"২৭ — এবং (১ম খণ্ড, ২৭০ পৃষ্ঠা, ৬ষ্ঠ লাইন)-এ এসেছে: "এবং তিনি (অর্থাৎ হাফেজ তাকিউদ্দিন ইবনে ফাহাদ) আল-আবনুসি, ইবনে সিদ্দিক, আয-যাইন আল-মারাগি এবং আবু আল-ইয়ামান আত-তাবারির নিকট শ্রবণ করেছেন।" শেষ।আমি বলছি: আল-আবনুসি হলেন বুরহান ইবরাহিম ইবনে মুসা ইবনে আইয়ুব আল-আবনাাসি, পরবর্তীতে আল-কাহিরি আশ-শাফিঈ; তিনি আনুমানিক (৭২৫ হিজরি) সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং (৮০২ হিজরি) সনে ইন্তেকাল করেন। ইবনে সিদ্দিক হলেন বুরহান ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিদ্দিক আর-রাসসাম আদ-দিমাশকি, পরবর্তীতে আল-মাক্কি আশ-শাফিঈ; তিনি (৭১৯ হিজরি) সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং (৮০৬ হিজরি) সনে মক্কায় ইন্তেকাল করেন। আয-যাইন আল-মারাগি হলেন আবু বকর ইবনে আল-হুসাইন আল-মারাগি আল-উসমানি আল-মাদানি আশ-শাফিঈ; তিনি (৭২৭ হিজরি) সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং (৮১৬ হিজরি) সনে মদিনা মুনাওয়ারায় ইন্তেকাল করেন। আর আবু আল-ইয়ামান আত-তাবারী হলেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনুল রাযি ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবু বকর আত-তাবারী আল-মাক্কি আশ-শাফিঈ; তিনি (৭৩০ হিজরি) সনে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই (৮০৯ হিজরি) সনে ইন্তেকাল করেন।২৮ — এবং (১ম খণ্ড, ২৭০ পৃষ্ঠা, ১৬তম লাইন এবং পরবর্তী অংশ)-এ এসেছে: "আমাদের এবং তাঁর (অর্থাৎ হাফেজ আত-তাকি ইবনে ফাহাদ) মাঝে সর্বোচ্চ সনদ হলো ছয়টি মাধ্যমের; আর তা হলো: আশ-শিহাব আস-সুওয়াইদি থেকে, তিনি ইবনে সুন্নাহ থেকে, তিনি আল-ওয়াওলাতি থেকে, তিনি ইবনে আরকামাশ থেকে, তিনি আস-সিরাজ উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা তাকিউদ্দিন থেকে বর্ণনা করেছেন, আর এটিই দুনিয়াতে বিদ্যমান সর্বোচ্চ সনদ।" শেষ।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১২)
قلت: هذاالسندضعيف جداً، لأمورأهمها: أن الشهاب السويدي لم يدرك حياة الحافظ السيدمحمدمرتضى الزبيدي المصري (ت1205هـ) ، ثم أن الحافظ الزبيدي المذكور، لايروي عن ابن سنة بالإجازة الخاصة، ولاروى عنه في أثباته وإجازاته بالإجازةالعامة، وإنماهومن صنع المؤلف، وابن سنة هذا، يروي عنه صالح الفلاني، ثم رواية الواولاتي عن ابن أركماش أيضا بالإجازةالعامة لأهل العصر، وهذاإ ن صح فعلاً أن الواولاتي أدرك حياة ابن أركماش، وأنه (أي الواولاتي) عُمّر أكثرمن (143) ، وقدولد ابن أركماش في (سنة (842هـ) ويقال عنه أنه عُمّرأكثرمن مائة سنة، فإذا أفترضنامثلا أن ابن أركماش هذا عاش 115 سنة، وتوفي سنة (957هـ) فهل يجوزللواولاتي أن يروي عنه؟ كلا 0
আমি বলছি: এই সনদটি কয়েকটি কারণে অত্যন্ত দুর্বল, যার মধ্যে প্রধান হলো: শিহাব আস-সুওয়াইদি হাফেজ সাইয়্যেদ মুহাম্মদ মুর্তজা আজ-জাবিদি আল-মিসরি (মৃত্যু ১২০৫ হিজরি)-এর জীবনকাল পাননি। এছাড়া উল্লিখিত হাফেজ জাবিদি ইবনু সুন্নাহ থেকে ‘ইজাযাহ খাসসাহ’ (বিশেষ অনুমতি) সূত্রে কোনো বর্ণনা করেননি এবং তাঁর সংকলিত ‘আসবাত’ ও ‘ইজাযাত’ গ্রন্থসমূহে ‘ইজাযাহ আম্মাহ’ (সাধারণ অনুমতি) সূত্রেও তাঁর থেকে কোনো বর্ণনা করেননি; বরং এটি কেবল লেখকেরই মনগড়া উদ্ভাবন। আর এই ইবনু সুন্নাহ থেকে সালিহ আল-ফুলানি বর্ণনা করেন। এরপর ইবনু আরকামাশ থেকে আল-ওয়াওলাতির বর্ণনাটিও সমসাময়িকদের জন্য প্রদত্ত সাধারণ অনুমতির (ইজাযাহ আম্মাহ) অন্তর্ভুক্ত। এটি কেবল তখনই সঠিক হওয়া সম্ভব যদি আল-ওয়াওলাতি প্রকৃতপক্ষে ইবনু আরকামাশের জীবদ্দশা পেয়ে থাকেন এবং তিনি (অর্থাৎ আল-ওয়াওলাতি) ১৪৩ বছরেরও বেশি দীর্ঘায়ু লাভ করে থাকেন। অথচ ইবনু আরকামাশ ৮৪২ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি একশ বছরেরও বেশি সময় বেঁচে ছিলেন। সুতরাং আমরা যদি উদাহরণস্বরূপ ধরে নেই যে ইবনু আরকামাশ ১১৫ বছর বেঁচে ছিলেন এবং ৯৫৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেছেন, তবে কি আল-ওয়াওলাতির পক্ষে তাঁর থেকে বর্ণনা করা সম্ভব? কখনোই নয়।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وقدقال المؤلف الكتاني في (ج2ص 1073 في ترجمة الشريف الواولاتي المذكور) : ولد المترجم كمافي ثبت الفلاني الكبير، سنة 961هـ ومات سنة1101 هـ، وفي الغررالغالية في المحاسن القاوقجية، أنه ولد سنة981هـ، ومات سنة1102 هـ، ونحوه لأحد من تدبج معه الفلاني وهوالنورعلي بن عبد البرالونائي في المنح الإلهية في شرح الأورادالبكرية، ولماترجم الشيخ صالح الفلاني في ثبته الكبير خاله الشيخ عثان بن عبد الله الفلاني وهوأول شيوخه قال: إنه أخذ عن أعلام شهيرة أجلهم مولاي الشريف محمدبن عبد الله الواولاتي، ولدالشريف عام 1046هـ، وتوفي في رجب سنة1146هـ. أهـ. من خط الفلاني0 وفي ثبت المذكورأيضا حين ترجم لشيخه ابن سنة الفلاني قال: ولازم الشريف أباعبد الله الواولاتي اثنتين وثلاثين سنة، وكانت ولادة الشريف محمدعام 960هـ، … إلي أن قال المؤلف الكتاني في (ص1074) : أماترددالفلاني في تاريخ ولادته (أي الشريف الواولاتي) فمشكلة المشكلات وعقدة العقد وربما يتساءل هل لابن سنة متابع عن المترجم له مولاي الشريف؟ فالجواب: أن الفلاني لماترجم خاله ومجيزه الشيخ عثمان الفلاني الشهيرقال: أخذ عن مولاي الشريف محمدبن عبد الله الواولاتي، ولماترجم لشيخه ابن سنة وأخذه عن المترجم قال: لازمه إلي أن مات ثم لازم ولده محمدبن محمدبن عبد الله إلي أن مات.أهـ. ومن خط الفلاني نقلت. وربمايكون ولدالمترجم محمدبن محمدبن عبد الله الشريف هوالذي أرخ الفلاني ولادته بسنة 46 بعدالألف والله أعلم بغيبه وأحوال عبيده 0 أنتهي كلام المؤلف0قلت: فتبين مماذكر الإختلا ف في ولادة الشريف الواولاتي، وكذلك في وفاته، فلم الإصرار إذاً في الرواية بالإجازة العامة لأهل العصر من طريقه عن ابن أركماش، والشمس العلقمي0
লেখক আল-কাত্তানি (২য় খণ্ড, ১০৭৩ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত আশ-শরিফ আল-ওয়াউলাতির জীবনীতে) বলেছেন: আল-ফুলানির বড় সাবাত (জীবনীগ্রন্থ) অনুযায়ী জীবনীকারের জন্ম ৯৬১ হিজরিতে এবং মৃত্যু ১১০১ হিজরিতে। আর 'আল-গুরার আল-গালিয়াহ ফি আল-মাহাসিন আল-কাউকাজিয়াহ' গ্রন্থে আছে যে, তিনি ৯৮১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১১০২ হিজরিতে মারা যান। তাঁর সাথে ইলম অর্জনকারী নূর আলী বিন আব্দুল বার আল-উনাই তাঁর 'আল-মিনাহ আল-ইলাহিয়্যাহ ফি শারহিল আওরাদ আল-বাকরিয়াহ' গ্রন্থে অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। শেখ সালেহ আল-ফুলানি যখন তাঁর বড় সাবাতে তাঁর প্রথম উস্তাদ এবং মামা শেখ উসমান বিন আব্দুল্লাহ আল-ফুলানির জীবনী লিখেছেন, তখন বলেছেন: তিনি বহু বিখ্যাত ইমামদের থেকে ইলম নিয়েছেন, যাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলেন মাওলাই আশ-শরিফ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ওয়াউলাতি। শরিফ ১০৪৬ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১১৪৬ হিজরির রজব মাসে মারা যান। - সমাপ্ত। এটি ফুলানির স্বহস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া। উক্ত সাবাতে তাঁর উস্তাদ ইবনে সুন্নাহ আল-ফুলানির জীবনী আলোচনা করার সময় তিনি আরও বলেছেন: তিনি আশ-শরিফ আবু আব্দুল্লাহ আল-ওয়াউলাতির সান্নিধ্যে বত্রিশ বছর কাটান। শরিফ মুহাম্মদের জন্ম ছিল ৯৬০ হিজরিতে, ... লেখক আল-কাত্তানি (১০৭৪ পৃষ্ঠায়) বলেন: তাঁর (অর্থাৎ শরিফ আল-ওয়াউলাতির) জন্ম তারিখ নিয়ে আল-ফুলানির এই দ্বিধা একটি অত্যন্ত জটিল সমস্যা ও বড় ধরনের গোলকধাঁধা। সম্ভবত প্রশ্ন উঠতে পারে যে, জীবনীকার মাওলাই শরিফের বিষয়ে ইবনে সুন্নাহর কোনো সমর্থক (মুতাবি') আছে কি? উত্তর হলো: আল-ফুলানি যখন তাঁর মামা ও এজাজতদাতা বিখ্যাত শেখ উসমান আল-ফুলানির জীবনী লিখেছেন, তখন বলেছেন: তিনি মাওলাই আশ-শরিফ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ওয়াউলাতি থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। আর যখন তিনি তাঁর উস্তাদ ইবনে সুন্নাহ এবং জীবনীকারের নিকট থেকে তাঁর শিক্ষা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন, তখন বলেছেন: তিনি তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর সাথে ছিলেন, অতঃপর তাঁর ছেলে মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহর সাথে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত ছিলেন। - সমাপ্ত। এটি আল-ফুলানির হাতের লেখা থেকে নকল করা হয়েছে। সম্ভবত জীবনীকারের পুত্র মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ শরিফের জন্ম তারিখটিই আল-ফুলানি ১০৪৬ হিজরি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহই তাঁর অদৃশ্যের বিষয় এবং তাঁর বান্দাদের অবস্থা সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। লেখকের কথা এখানেই শেষ।আমি বলি: উপরোক্ত আলোচনা থেকে শরিফ আল-ওয়াউলাতির জন্ম ও মৃত্যু তারিখ নিয়ে বিদ্যমান মতভেদ স্পষ্ট হলো। তাহলে ইবনে আরকামাশ এবং আশ-শামস আল-আলকামি থেকে তাঁর সূত্রের মাধ্যমে সে যুগের লোকদের জন্য সাধারণ এজাজতের বর্ণনার ক্ষেত্রে এতো জেদ কেন?
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১৪)
29 ــ وجاء في (ج1 ص273سطر3،في ترجمة التهامي ابن رحمون) : والسيدحسين بن محمودالهزاري القادري البغدادي، وذكرله إسناداً عاليا مسلسلاً بالمعمرين، بينه وبين الشيخ عبد القادر فيه ثلاثة وسائط عن شيخه المعمرخمسمائة سنة على ماذكر، وهومحمدالطاهربن عبد الله بن حمدان الأصبهاني المولود عام 731 والمتوفى عام 1235، عن المعمر169 شهاب الدين أحمدبن علي الموصلي،عن المعمر139 شمس الدين محمدالطويل الهروي عن الشيخ عبد القادر، وهومن الغرابة بمكان 0أنتهي كلام المؤلف0 قلت: هذاالسند فيه نظر ولايعتدبه030 ــ وجاء في (ج1 ص278 سطر18 ومابعده) : وبأسانيدناإلي القاضي زكريا عن النجم عمرابن فهد، عن الشيخ زين بن سليمان بن داودبن عبد الله الموصلي الدمشقي، عن الحافظ ابن رجب … ألخ0قلت: والصواب أن يقال: عن الشيخ زين الدين داودبن سليمان بن عبد الله الموصلي الدمشقي الحنبلي، عن الحافظ ابن رجب 0 والشيخ داودبن سليمان الموصلي المذكور، ولدتقريبا سنة (764هـ) ، وتوفي سنة (844هـ)31 ــ وجاء في (ج1 ص 299 سطر3و4) : عن حميدالمؤلف المعمرمحي الدين بن ولي الدين بن جمال الدين.. ألخ0قلت: الصواب حفيدالمؤلف، وليس بحميدالمؤلف، وهوخطأ مطبعي 032 ــ وفي (ج1 ص 300) : الجمل: هو الشيخ أبوداودسليمان الجمل المصري الشافعي محشي الجلالين … ألخ 0قلت: ترجمه ولم يذكرتاريخ وفاته، فأقول: توفي سليمان الجمل في سنة (1204 هـ)33 ــ وجاء في (ج1ص305 سطر15 ومابعده) : وبأسانيدناإلي القصاروالأجهوري عن البدرالقرافي عن المعمرقريش البصيرالعثماني عنه (أي عن الشمس ابن الجزري ت 833هـ)وقال المؤلف في ترجمة ابن جماعة (هوالعزعبد العزيزابن جماعة) (ج1ص306) : أروي بأسانيدناإلي أبىالحسن علي الأجهوري والقصار، كلاهماعن البدرالقرافي، عن المعمرفوق المائة قريش البصيرالعثماني المقري، عن الحافظ ابن الجزري عنه0 أهـ0
২৯ — (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৭৩, ৩য় লাইন, তুহামী ইবনে রাহমুনের জীবনীতে) এসেছে: এবং আস-সায়্যিদ হুসাইন ইবনে মাহমুদ আল-হাজারী আল-কাদরী আল-বাগদাদী; তিনি তাঁর জন্য দীর্ঘজীবী ব্যক্তিদের মাধ্যমে একটি উচ্চ ও অবিচ্ছিন্ন সনদ উল্লেখ করেছেন, যাতে তাঁর এবং শেখ আব্দুল কাদিরের মাঝে তিন ব্যক্তি রয়েছেন। তিনি তাঁর শেখ থেকে বর্ণনা করেছেন যার বয়স উল্লেখ অনুযায়ী পাঁচশত বছর ছিল, তিনি হলেন মুহাম্মদ আত-তহির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হামদান আল-আসবাহানী, যিনি ৭৩১ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২৩৫ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন; তিনি বর্ণনা করেন ১৬৯ বছর বয়সী শিহাব উদ্দিন আহমদ ইবনে আলী আল-মাওসিলী থেকে; তিনি ১৩৯ বছর বয়সী শামস উদ্দিন মুহাম্মদ আত-তাবীল আল-হারাওয়ী থেকে; তিনি শেখ আব্দুল কাদির থেকে। আর এটি অত্যন্ত আশ্চর্যজনক বিষয়। — লেখকের কথা সমাপ্ত হলো। আমি বলছি: এই সনদটি ত্রুটিপূর্ণ এবং এটি গ্রহণযোগ্য নয়।৩০ — (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৭৮, ১৮তম লাইন ও পরবর্তী অংশ) এসেছে: এবং আমাদের সনদসমূহ কাযী যাকারিয়ার মাধ্যমে নাজম উমর ইবনে ফাহদ থেকে, তিনি শেখ জাইন ইবনে সুলাইমান ইবনে দাউদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাওসিলী আদ-দিমাশকী থেকে, তিনি হাফিজ ইবনে রজব থেকে ... ইত্যাদি।আমি বলছি: সঠিক হলো এভাবে বলা: শেখ জাইন উদ্দিন দাউদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাওসিলী আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী থেকে, তিনি হাফিজ ইবনে রজব থেকে। আর উল্লিখিত শেখ দাউদ ইবনে সুলাইমান আল-মাওসিলী আনুমানিক ৭৬৪ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮৪৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।৩১ — (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৯৯, ৩য় ও ৪র্থ লাইনে) এসেছে: হুমাইদ আল-মুআল্লিফ আল-মুয়াম্মার মুহিউদ্দিন ইবনে ওয়ালী উদ্দিন ইবনে জামাল উদ্দিন... ইত্যাদি থেকে।আমি বলছি: সঠিক হলো হাফীদ আল-মুআল্লিফ (লেখকের পৌত্র), হুমাইদ আল-মুআল্লিফ নয়; এটি একটি মুদ্রণজনিত ভুল।৩২ — (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০০-তে): আল-জামাল: তিনি হলেন শেখ আবু দাউদ সুলাইমান আল-জামাল আল-মিসরী আশ-শাফি'ঈ, যিনি জালালাইন-এর ব্যাখ্যাকার ... ইত্যাদি।আমি বলছি: তিনি তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন কিন্তু তাঁর মৃত্যুর তারিখ উল্লেখ করেননি, তাই আমি বলছি: সুলাইমান আল-জামাল ১২০৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন।৩৩ — (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০৫, ১৫তম লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: এবং আমাদের সনদসমূহ আল-কাসসার ও আল-আজহুরীর মাধ্যমে আল-বদর আল-কারাফী থেকে, তিনি দীর্ঘজীবী কুরাইশ আল-বাসীর আল-উসমানী থেকে, তিনি তাঁর থেকে (অর্থাৎ শামস ইবনুল জাজারী থেকে, মৃত্যু ৮৩৩ হিজরী)।এবং লেখক ইবনে জামা'আহ (যিনি হলেন আল-ইযয আব্দুল আযীয ইবনে জামা'আহ)-এর জীবনীতে (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০৬) বলেছেন: আমি আমাদের সনদসমূহের মাধ্যমে আবুল হাসান আলী আল-আজহুরী ও আল-কাসসার থেকে বর্ণনা করছি, তাঁরা উভয়েই আল-বদর আল-কারাফী থেকে, তিনি একশত বছরের অধিক বয়সের দীর্ঘজীবী কুরাইশ আল-বাসীর আল-উসমানী আল-মুকরী থেকে, তিনি হাফিজ ইবনুল জাজারী থেকে, তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেন। — সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قلت: البدرالقرافي، هوبدرالدين محمدبن يحي بن عمربن يونس القرافي المصري شيخ المالكية في عصره المولود سنة (938هـ) وقيل سنة (939هـ) ،والمتوفى سنة (1008هـ) ، وروايته عن قريش العثماني، لاأدري بالإجازة الخاصة أم بالإجازة العامة لأهل العصر، وكذلك رواية قريش العثماني عن ابن الجزري034 ــ وجاء في (ج1 ص 305 سطر23) : ح ونتصل به (أي بابن الجزري) عاليا إلي ابن العجل عن القطب النهروالي عن أبيه عن أبىالفتوح الطاوسي عنه0قلت: رواية ابن العجل عن النهروالي بالإجازة العامة لأهل العصر، ورواية والدالقطب النهوالي عن أبىالفتوح الطاووسي أيضا بالإجازة العامة لأهل العصرلابالإجازة الخاصة035 ــ وفي (ج1 ص306 سطر1) ابن جزي: هوالإمام العالم الحافظ المدرس الشهيرخطيب الجامع الأعظم بغرناطة أبوالقاسم محمدبن أحمدبن محمدبن عبد الله بن يحي بن جزي الكلبي الغرناطي الأندلسي المتوفي شهيدا سنة741هـ 0 أهـ0قلت: ترجمه المؤلف ولم يذكرأحداً من شيوخه، فأقول ومن شيوخ أبىالقاسم ابن جزي: أبوجعفرأحمدبن ابراهيم بن الزبيرالعاصمي الغرناطي (ت708هـ) وغيره036 ــ وجاء في (ج1 ص 306سطر15 ومابعده) : ابن جماعة:هوالحافظ عبد العزيزبن القاضي البدرمحمدبن ابراهيم بن جماعة المقدسي أحدمن عني بهذاالشأن وأكثرالسماع وبلغ شيوخه إلي ثلاثمائة، مات بمكة سنة667هـ،أروي بأسانيدناإلي أبىالحسن علي الأجهوري والقصار، كلاهماعن البدرالقرافي عن المعمرفوق المائة قريش البصيرالعثماني المقرئ، عن ابن الجزري عنه، وبأسانيدناإلي الحافظ الأسيوطي عن أحمدبن محمدبن علي الشهاب الحجازي، ومحمدبن أحمدالبوصيري، والجمال يوسف بن علي السعيدي وغيرهم كلهم عنه، وإلي شيخ الإسلام زكرياالأنصاري عن علي بن ابراهيم بن علي بن راشدالأبي والنجم عمربن محمدبن فهد وغيرهما عنه، أهـ0
আমি বলছি: বদর আল-কারাফি হলেন বদরুদ্দিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন উমর বিন ইউনুস আল-কারাফি আল-মিসরি, যিনি তাঁর যুগের মালিকি মাশায়েখদের প্রধান ছিলেন। তিনি ৯৩৮ হিজরিতে (মতান্তরে ৯৩৯ হিজরিতে) জন্মগ্রহণ করেন এবং ১০০৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। কুরাইশ আল-উসমানি থেকে তাঁর বর্ণনাটি বিশেষ অনুমতির (ইজাজত) মাধ্যমে নাকি সে যুগের সাধারণ মানুষের জন্য প্রদত্ত সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে, তা আমি জানি না। একইভাবে ইবনুল জাজারি থেকে কুরাইশ আল-উসমানির বর্ণনাটির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।৩৪ – (১ম খণ্ড, ৩০৫ পৃষ্ঠা, ২৩তম চরণে) এসেছে: ‘হা’ (সনদ পরিবর্তনের চিহ্ন) এবং আমরা তাঁর (অর্থাৎ ইবনুল জাজারির) সাথে উচ্চ সনদে ইবনুল আজল-এর মাধ্যমে সংযুক্ত হই, তিনি কুতুব আন-নাহরাওয়ালি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবুল ফুতুহ আত-তাউসি থেকে, তিনি তাঁর থেকে।আমি বলছি: নাহরাওয়ালি থেকে ইবনুল আজল-এর বর্ণনাটি সে যুগের সমসাময়িকদের জন্য সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে এবং আবুল ফুতুহ আত-তাউসি থেকে কুতুব আন-নাহরাওয়ালির পিতার বর্ণনাটিও সমসাময়িকদের জন্য সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে, বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে নয়।৩৫ – এবং (১ম খণ্ড, ৩০৬ পৃষ্ঠা, ১ম চরণে) ইবনে জুযাই: তিনি হলেন ইমাম, আলেম, হাফেজ ও প্রখ্যাত শিক্ষক, গ্রানাডার জামে আযমের খতিব, আবুল কাসিম মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন জুযাই আল-কালবি আল-গারনাতি আল-আন্দালুসি, যিনি ৭৪১ হিজরিতে শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন। সমাপ্ত।আমি বলছি: লেখক তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন কিন্তু তাঁর কোনো শিক্ষকের (শায়েখ) নাম উল্লেখ করেননি। আমি বলছি, আবুল কাসিম ইবনে জুযাই-এর শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: আবু জাফর আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন আয-যুবাইর আল-আসিম আল-গারনাতি (মৃত্যু ৭০৮ হিজরি) এবং আরও অনেকে।৩৬ – এবং (১ম খণ্ড, ৩০৬ পৃষ্ঠা, ১৫তম চরণ ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: ইবনে জামাআহ: তিনি হলেন হাফেজ আব্দুল আজিজ বিন কাজি বদর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন জামাআহ আল-মাকদিসি। তিনি এই শাস্ত্রের (হাদিস ও রিজাল) প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগী এবং অধিক শ্রবণকারী ছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের সংখ্যা তিনশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। তিনি ৬৬৭ হিজরিতে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন। আমি আমাদের সনদসমূহের মাধ্যমে আবুল হাসান আলি আল-উঝহুরি এবং আল-কাসসার পর্যন্ত বর্ণনা করি, তাঁরা উভয়েই বদর আল-কারাফি থেকে, তিনি শতবর্ষী দীর্ঘজীবী কুরাইশ আল-বাসীর আল-উসমানি আল-মুকরি থেকে, তিনি ইবনুল জাজারি থেকে, তিনি তাঁর থেকে। এবং আমাদের সনদসমূহের মাধ্যমে হাফেজ সুয়ুতি থেকে, তিনি আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আশ-শিহাব আল-হিজাজি, মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-বুসিরি এবং আল-জামাল ইউসুফ বিন আলি আস-সাঈদি ও অন্যান্যদের থেকে, তাঁরা সকলেই তাঁর থেকে। এবং শায়খুল ইসলাম জাকারিয়া আল-আনসারি পর্যন্ত, তিনি আলি বিন ইবরাহিম বিন আলি বিন রাশিদ আল-আবি এবং আন-নাজম উমর বিন মুহাম্মদ বিন ফাহাদ ও অন্যান্যদের থেকে, তাঁরা তাঁর থেকে। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১৬)
قلت: وصف المؤلف للعزعبد العزيز بن جماعة بالمقدسي فيه نظر، وإنماهوالكناني الحموي ثم المصري الشافعي، قاضي قضاة الديارالمصرية، وأما شيوخ الحافظ السيوطي، الشهاب أحمدبن محمدبن علي الحجازي، ولدسنة (790هـ) بالقاهرة، وتوفي سنة (875هـ) ، ومحمدبن أحمدالبوصيري، ويوسف بن علي السعيدي، كلهم ماولدوا في حياة العزعبد العزيز ابن جماعة، ولا أدركوا جزءاً من حياته، ولارواية لهم عنه لابالإجازة الخاصة ولابالعامة لأهل العصر0وأما الموفق أبوالحسن علي بن ابراهيم بن علي بن راشدالأبي اليمني ثم المكي، ولدقبل سنة (790هـ) بتعز، وتوفي بمكة سنة (859هـ) ،والحافظ النجم عمربن محمدابن فهد المكي، ولدسنة (812هـ) وتوفي سنة (885هـ) وهماأيضا لايرويان عن العزعبد العزيزبن جماعة، لابالإجازة الخاصة ولابالإجازةالعامة لأهل العصر، وإنمايرويان بواسطة واحدة من طرق عديددة وكثرة0قلت: وهناك عزالدين ابن جماعة آخرويعرف بالحفيد، هوالعزأبوعبد الله محمدبن الشرف أبىبكربن العزعبد العزيز بن جماعة الكناني الحموي الأصل المصري الشافعي، حفيدالعزعبد العزيزابن جماعة، وهذاالحفيد ولد بينبع سنة (749هـ) وتوفي سنة (819هـ) وهويروي عن جده العزعبد العزيزابن جماعة (ت767هـ) سماعاً، ويروي عن العزالحفيد هذا جماعة منهم: الموفق علي بن ابراهيم بن راشدالأبي (ت859هـ) ، والحافظ النجم عمرابن التقي محمدبن فهدالمكي (ت885هـ) ،ووالده الحافظ التقي محمدابن فهدالمكي (ت871هـ) وولده المحدب أبوبكرأحمدبن الحافظ التقي محمدابن فهدالمكي (ت890هـ) والحافظ ابن حجرالعسقلاني (ت852هـ) ، وابنه البدرمحمدابن الحافظ الشهاب أحمدبن حجر (ت 869هـ) ، ورضوان بن محمدالعقبي (ت852هـ) وشعبان بن محمدابن حجرالعسقلاني (ت859هـ) والكمال ابن الهمام الحنفي (ت861هـ) ، وغيرهم كلهم عن العزأبىعبد الله محمدبن أبىبكربن عبد العزيزبن جماعة وهوعن جده العزعبد العزيزبن جماعة 0
আমি বলছি: লেখক কর্তৃক ইজ্জ আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ-কে ‘মাকদিসি’ হিসেবে অভিহিত করা ত্রুটিমুক্ত নয়। বরং তিনি হলেন আল-কিনানি আল-হামাউয়ি, অতঃপর আল-মিসরি আশ-শাফেয়ি; তিনি মিসর ভূখণ্ডের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। আর হাফিজ আস-সুয়ুতির শায়খগণের মধ্যে—শিহাব আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আলি আল-হিজাজি, যিনি ৭৯০ হিজরিতে কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮৭৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন; এবং মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ আল-বুসিরি ও ইউসুফ ইবন আলি আস-সাঈদি—তাদের কেউই ইজ্জ আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ-র জীবদ্দশায় জন্মগ্রহণ করেননি এবং তারা তার জীবনের কোনো অংশও পাননি। এমনকি ইজাজা-ই-খাসসাহ (বিশেষ অনুমতি) কিংবা সমসাময়িকদের জন্য ইজাজা-ই-আম্মাহ (সাধারণ অনুমতি)—কোনো মাধ্যমেই তার থেকে তাদের কোনো বর্ণনা নেই। আর আল-মুওয়াফফাক আবুল হাসান আলি ইবন ইবরাহিম ইবন আলি ইবন রাশিদ আল-আব্বি আল-ইয়ামানি, অতঃপর আল-মাক্কি—যিনি ৭৯০ হিজরির পূর্বে তা'ইয নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮৫৯ হিজরিতে মক্কায় ইন্তেকাল করেন; এবং হাফিজ আন-নাজম উমার ইবন মুহাম্মাদ ইবন ফাহদ আল-মাক্কি—যিনি ৮১২ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮৮৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। তারাও ইজ্জ আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ থেকে ইজাজা-ই-খাসসাহ কিংবা সমসাময়িকদের জন্য ইজাজা-ই-আম্মাহ—কোনো মাধ্যমেই সরাসরি বর্ণনা করেননি। বরং তারা বিভিন্ন ও বহুবিধ সূত্রের মাধ্যমে এক ব্যক্তির মধ্যস্থতায় বর্ণনা করেছেন।আমি বলছি: এখানে ইজ্জুদ্দীন ইবন জামাআহ নামে অপর একজন রয়েছেন যিনি ‘আল-হাফিদ’ (পৌত্র) হিসেবে সুপরিচিত। তিনি হলেন আল-ইজ্জ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন আশ-শারাফ আবু বকর ইবন আল-ইজ্জ আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ আল-কিনানি। তিনি মূলে হামাউয়ি এবং পরবর্তীতে মিসরি শাফেয়ি; তিনি ইজ্জ আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ-র পৌত্র। এই পৌত্র ৭৪৯ হিজরিতে ইয়ানবুতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮১৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। তিনি তার পিতামহ ইজ্জ আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ (ওফাত ৭৬৭ হি.) থেকে সরাসরি শ্রবণের (সামা‘) মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আর এই ইজ্জ আল-হাফিদ থেকে একদল আলিম বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন: আল-মুওয়াফফাক আলি ইবন ইবরাহিম ইবন রাশিদ আল-আব্বি (ওফাত ৮৫৯ হি.), হাফিজ আন-নাজম উমার ইবনুত তাকি মুহাম্মাদ ইবন ফাহদ আল-মাক্কি (ওফাত ৮৮৫ হি.), তার পিতা হাফিজ আত-তাকি মুহাম্মাদ ইবন ফাহদ আল-মাক্কি (ওফাত ৮৭১ হি.), তার পুত্র আল-মুহাদ্দিস আবু বকর আহমাদ ইবন হাফিজ আত-তাকি মুহাম্মাদ ইবন ফাহদ আল-মাক্কি (ওফাত ৮৯০ হি.), হাফিজ ইবন হাজার আল-আসকালানি (ওফাত ৮৫২ হি.), তার পুত্র আল-বদর মুহাম্মাদ ইবনুল হাফিজ আশ-শিহাব আহমাদ ইবন হাজার (ওফাত ৮৬৯ হি.), রিজওয়ান ইবন মুহাম্মাদ আল-উকবি (ওফাত ৮৫২ হি.), শা'বান ইবন মুহাম্মাদ ইবন হাজার আল-আসকালানি (ওফাত ৮৫৯ হি.), আল-কামাল ইবনুল হুমাম আল-হানাফি (ওফাত ৮৬১ হি.) এবং আরও অনেকে। তারা সবাই আল-ইজ্জ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন আবু বকর ইবন আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তার পিতামহ ইজ্জ আবদ আল-আজিজ ইবন জামাআহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১৭)
فائدة: قلت الحافظ السيوطي لايروي عن العزعبد العزيزبن جماعة الإ بواسطتين فأكثر، وأماالقاضي زكرياالأنصاري فإنه يروي عنه بواسطتين، وكذلك بواسطة واحدة، كرواية زكرياالأنصاري عن مسندالديارالمصرية العزعبد الرحيم بن محمدابن الفرات القاهري الحنفي وهوعن العزعبد العزيزابن جماعة (ت767هـ) 0والله تعالى أعلم 037 ــ وجاء في (ج1 ص310 سطر18) : أنبأناالصلاح بن أبىعمرو0قلت: هو الصلاح بن أبىعمرالمقدسي، وليس ابن أبىعمرو038 ــ وجاء في (ج1 ص 312 سطر4 و5) : ح: وأروي عالياعن المعمرالسيد صافي الجفري المدني عن السيد طاهرالمذكور (أي ابن حسين العلوي) 0 أهـ0قلت: السيدطاهربن حسين بن طاهر العلوي الحضرمي الشافعي توفي سنة (1247هـ) ، ولاأعلم كيفية رواية السيدصافي الجفري، أهي بالإجازة العامة لأهل العصرأم بالخاصة، أوأدرك حياته أم لا، ولابين ذلك المؤلف، ولا أفصح عن ولادة شيخه صافي الجفري039 ــ وجاء في (ج1 ص325 وص326) : اتصالاتنابه (أي بالحافظ ابن حجر) : نتصل به من طرق منها بأسانيدناإلي الحافظ السخاوي، والسيوطي، والديمي، وابن مرزوق الكفيف، والبرهان القلقشندي وغيرهم عنه0 أهـ0قلت: الحافظ السيوطي لايروي عن الحافظ ابن حجربالإجازة الخاصة040 ــ وجاء في (ج1 ص327 سطر4 ومابعده) : أخبرني نورالحسنين بن محمدحيدركتابة من الهند، وكان بقية المسندين به، عن الشيخ عبد الحفيظ العجيمي عن عبد القادرالصديقي، عن عارف الفتني عن حسن العجيمي عن زيدالعابدين الطبري عن المعمرالمسندعبد الواحدبن أحمدبن ابراهيم الحصاري الشافعي الأثري الخطيب المولو مستهل رجب عام 910 إجازة له بمكة سنة1011هـ عن المعمرمحمدبن ابراهيم الغمري عنه (أي عن الحافظ ابن حجر) ، والغمري المذكور آخرأصحاب الحافظ كمافي شرح ألفية السندللحافظ الزبيدي.أهـ.
বিশেষ জ্ঞাতব্য: আমি বলছি, হাফেজ সুয়ূতী আল-ইয্য আব্দুল আযীয বিন জামাআহ থেকে দুই বা ততোধিক মাধ্যম ছাড়া বর্ণনা করেন না। আর কাজী জাকারিয়া আল-আনসারী তাঁর থেকে দুই মাধ্যমে বর্ণনা করেন, তেমনিভাবে এক মাধ্যমেও বর্ণনা করেন; যেমন জাকারিয়া আল-আনসারীর বর্ণনা মিসরের মুসনিদ আল-ইয্য আব্দুর রহীম বিন মুহাম্মাদ ইবনুল ফুরাত আল-কাহিরাহ আল-হানাফী থেকে, আর তিনি আল-ইয্য আব্দুল আযীয ইবনে জামাআহ (মৃত্যু ৭৬৭ হিজরি) থেকে। আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। ৩৭ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৩১০ পৃষ্ঠা, ১৮তম লাইনে) এসেছে: আস-সালাহ বিন আবি আমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আমি বলছি: তিনি হলেন আস-সালাহ বিন আবি উমর আল-মাকদিসী, ইবনে আবি আমর নন। ৩৮ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৩১২ পৃষ্ঠা, ৪ ও ৫ নম্বর লাইনে) এসেছে: (হ): আমি সুউচ্চ সনদে দীর্ঘজীবী আস-সৈয়্যদ সাফী আল-জাফরী আল-মাদানী থেকে, তিনি উল্লিখিত সৈয়্যদ তাহের (অর্থাৎ ইবনে হুসাইন আল-আলাওয়ী) থেকে বর্ণনা করছি। সমাপ্ত। আমি বলছি: সৈয়্যদ তাহের বিন হুসাইন বিন তাহের আল-আলাওয়ী আল-হাদরামী আশ-শাফেয়ী ১২৪৭ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন। আর সৈয়্যদ সাফী আল-জাফরীর বর্ণনার ধরন সম্পর্কে আমি অবগত নই, তা কি সেই যুগের সাধারণ মানুষের জন্য প্রাপ্ত সাধারণ অনুমতি (ইজাযাহ আম্মাহ) ছিল নাকি বিশেষ অনুমতি (ইজাযাহ খাসসাহ), অথবা তিনি কি তাঁর জীবনকাল পেয়েছিলেন নাকি পাননি; লেখক বিষয়টি স্পষ্ট করেননি এবং তাঁর উস্তাদ সাফী আল-জাফরীর জন্ম সম্পর্কেও স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি। ৩৯ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৩২৫ ও ৩২৬ পৃষ্ঠায়) এসেছে: তাঁর (অর্থাৎ হাফেজ ইবনে হাজার) সাথে আমাদের সূত্রসমূহ: আমরা তাঁর সাথে বিভিন্ন পথে যুক্ত হই, যার মধ্যে রয়েছে হাফেজ সাখাবী, সুয়ূতী, দাইমী, ইবনে মারযূক আল-কাফীফ, বুরহান আল-কালকাশান্দী এবং অন্যদের থেকে আমাদের সনদের মাধ্যমে তাঁর পর্যন্ত। সমাপ্ত। আমি বলছি: হাফেজ সুয়ূতী হাফেজ ইবনে হাজার থেকে বিশেষ অনুমতির (ইজাযাহ খাসসাহ) মাধ্যমে বর্ণনা করেন না। ৪০ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৩২৭ পৃষ্ঠা, ৪ নম্বর লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: নূরুল হাসনাইন বিন মুহাম্মাদ হায়দার ভারত থেকে লিখিতভাবে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—যিনি সেখানে মুসনিদদের অবশিষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি শেখ আব্দুল হাফীয আল-উজাইমী থেকে, তিনি আব্দুল কাদির আস-সিদ্দীকী থেকে, তিনি আরিফ আল-ফাতানী থেকে, তিনি হাসান আল-উজাইমী থেকে, তিনি যায়দুল আবেদীন আত-তাবারী থেকে, তিনি দীর্ঘজীবী মুসনিদ আব্দুল ওয়াহেদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আল-হিসারী আশ-শাফেয়ী আল-আসারী আল-খতিব (জন্ম ৯১০ হিজরির রজব মাসের শুরুতে, মক্কায় ইজাযাহ প্রাপ্তি ১০১১ হিজরিতে) থেকে, তিনি দীর্ঘজীবী মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আল-গুমরী থেকে, তিনি তাঁর (অর্থাৎ হাফেজ ইবনে হাজার) থেকে। আর উল্লিখিত গুমরী হলেন হাফেজের (ইবনে হাজার) ছাত্রদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি, যেমনটি হাফেজ যুবাইদীর 'শারহু আলফিয়্যাতিস সানাদ' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১৮)
قلت: نورالحسنين اللكنوي عن أبيه محمدحيدراللكنوي عن عبد الحفيظ العجيمي به0 وأما رواية المعمرمحمدالغمري عن الحافظ ابن حجر، فأقول عنهامادمنالانعرف تاريخ ولادة الغمري المذكورولاعن كيفية روايته عن ابن حجر، يجب أن لانتسرع بأخذهاوالرواية بها، والله أعلم041 ــ وجاء في (ج1 ص 327 سطر11 ومابعده) : وأعلى منه عن الشيخ محمدسعيدالقعقاعي عن محمدبن عمربن عبد الرسول المكي عن أبيه عن خديجة الطبرية عن الحصاري المذكور عن الغمري عن ابن حجر0 أهـ0قلت: عمرالعطارالمكي ولدبمكة سنة (1185هـ) وتوفي بهاسنة (1247هـ) ، وخديجة هي ابنة عبد الوهاب بن علي بن عبد القادرالطبرية المكية وهي ولدت بعدوفاة الحصاري بعشرات السنين ولاتروي عنه لابالإجازة الخاصة ولابالإجازةالعامةلأهل العصر، وإنمايروي عن الحصاري إجازة جدهاعلي بن عبد القادرالطبري المكي المتوفي بمكة سنة (1070هـ) ووالده الإمام عبد القادربن محمدبن يحي الطبري المكي0والله أعلم042 ــ وجاء في (ج1 ص 327 السطرالأخير) : محمدبن سنة عن مولاي الشريف عن ابن أركماش عنه (أي عن الحافظ ابن حجر) أهـ0 قلت: قدتقدم الكلام على رواية الشريف عن ابن أركماش، فانظرهناك043 ــ وجاء في (ج1ص328 سطر1 ومابعده) : وأعلى منه بدرجة، وهوأعلى مايوجد في الدنيا عن الشهاب أحمدبن صالح السويدي البغدادي، عن السيدمرتضى بإجازته العامة التي فيها نوع تخصيص عن ابن سنة بالعامة، فبينناوبين الحافظ على هذا خمس وسائط ولاشك أن خمس وسائط لمن بينك وبينه خمسة قرون، واحد للقرن، نهاية العلو0 أهـ0قلت: هذاالسند أضعف من خيوط العنكبوت، فالسويدي لم يدرك الحافظ محمدمرتضى الزبيدي (ت1205هـ) ، ثم هولم يرو في أثباته عن ابن سنة بالإجازة العامة، ثم رواية الشريف عن ابن أركماش فيه نظر، كمابينافيماتقدم0 والله تعالى أعلم0
আমি বলি: নূরুল হাসনাইন আল-লাখনবী তাঁর পিতা মুহাম্মদ হাইদার আল-লাখনবী থেকে, তিনি আব্দুল হাফিজ আল-উজাইমী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আর হাফেজ ইবনে হাজার থেকে আল-মুয়াম্মার মুহাম্মদ আল-গামরীর বর্ণনার ব্যাপারে আমি বলি: যেহেতু আমরা উল্লিখিত আল-গামরীর জন্মের তারিখ জানি না এবং ইবনে হাজার থেকে তাঁর বর্ণনার পদ্ধতি সম্পর্কেও অবগত নই, তাই এটি গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এবং এর মাধ্যমে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে আমাদের তাড়াহুড়া করা উচিত হবে না। আল্লাহই ভালো জানেন।৪১ — (১ম খণ্ড, ৩২৭ পৃষ্ঠা, ১১তম লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: এর চেয়েও উচ্চতর সনদ হলো শেখ মুহাম্মদ সাঈদ আল-কাকায়ী থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন উমর বিন আব্দুল রাসুল আল-মাক্কী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি খাদিজা আত-তাবারিয়া থেকে, তিনি উল্লিখিত আল-হিসারী থেকে, তিনি আল-গামরী থেকে, তিনি ইবনে হাজার থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।আমি বলি: উমর আল-আত্তার আল-মাক্কী ১১৮৫ হিজরিতে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২৪৭ হিজরিতে সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। আর খাদিজা হলেন আব্দুল ওয়াহাব বিন আলী বিন আব্দুল কাদির আত-তাবারিয়া আল-মাক্কীয়ার কন্যা। তিনি আল-হিসারীর মৃত্যুর কয়েক দশক পরে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর থেকে বিশেষ অনুমতি বা সমসাময়িকদের জন্য প্রদত্ত সাধারণ অনুমতির মাধ্যমেও কোনো বর্ণনা করেন না। প্রকৃতপক্ষে আল-হিসারী থেকে তাঁর দাদা আলী বিন আব্দুল কাদির আত-তাবারী আল-মাক্কী (মৃত ১০৭০ হিজরি) এবং তাঁর পিতা ইমাম আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আত-তাবারী আল-মাক্কী ইজাজতপ্রাপ্ত হয়ে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন।৪২ — (১ম খণ্ড, ৩২৭ পৃষ্ঠা, শেষ লাইন) এসেছে: মুহাম্মদ বিন সুন্নাহ্, মাওলাই আশ-শরীফ থেকে, তিনি ইবনে আরকমাস থেকে, তিনি তাঁর (অর্থাৎ হাফেজ ইবনে হাজার) থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত। আমি বলি: ইবনে আরকমাস থেকে আশ-শরীফের বর্ণনার বিষয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে, সেখানে দেখুন।৪৩ — (১ম খণ্ড, ৩২৮ পৃষ্ঠা, ১ম লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: এর চেয়েও এক স্তর উচ্চতর, যা পৃথিবীতে বিদ্যমান সর্বোচ্চ পর্যায়ের সনদ, যা শিহাব আহমদ বিন সালেহ আস-সুওয়াইদী আল-বাগদাদী থেকে, তিনি সাইয়্যেদ মুরতাজা থেকে তাঁর এমন সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে যাতে এক প্রকার বিশেষত্ব রয়েছে, তিনি ইবনে সুন্নাহ থেকে সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমাদের এবং হাফেজের মধ্যে এই হিসেবে পাঁচটি যোগসূত্র থাকে। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, আপনার এবং যাঁর মধ্যে পাঁচ শতাব্দীর ব্যবধান, সেখানে পাঁচটি যোগসূত্র থাকা—শতাব্দী প্রতি একজন করে—এটি উচ্চতার চূড়ান্ত পর্যায়। সমাপ্ত।আমি বলি: এই সনদটি মাকড়সার জালের চেয়েও দুর্বল। কারণ আস-সুওয়াইদী হাফেজ মুহাম্মদ মুরতাজা আজ-জাবিদীকে (মৃত ১২০৫ হিজরি) পাননি। অধিকন্তু, তিনি তাঁর আসবাতসমূহে ইবনে সুন্নাহ থেকে সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে কোনো বর্ণনা করেননি। তাছাড়া ইবনে আরকমাস থেকে আশ-শরীফের বর্ণনার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ, যেমনটি আমি ইতিপূর্বে স্পষ্ট করেছি। মহান আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ১৯)
44 ــ وجاء في (ج1 ص 329سطر5 -16) : وأغرب من مسألة الوسيمي والغمري وأعجب بكثير، ماأخبرنابه العالم الفاضل سليل المجدوالرفعة السيدأحمدالشريف بن محمدالشريف بن الأستاذمحمدبن علي السنوسي الخطابي الطرابلسي في كتابه إليَّ من بلاد الأناضول، أن جده المذكورأخذعن شريف معمر اسمه عبد العزيزنزيل أرض الحبشة عاش أزيد من خمسمائة سنة، كتب للشيخ السنوسي إجازة عامة كماهي له من ابن حجرالحافظ، وأن الرجل المذكورمات في 21صفرعام 1276 بعد موت جده المذكور بثلاث عشريوماً، ثم وجدت السيدأحمدالسنوسي المذكور نقل في ثبته عن جده الأستاذ السنوسي في حق عبد العزيز المذكور أنه ولدبوادي فاطمة في القرن الثامن سنة 56 وعاش من العمرخمسمائة وعشرين سنة، ونقل لي السيد أحمدالشريف صورة إجازة المعمرلجده، وهي عامة، فعلى هذا نروي عن المعمرالناسك عبد الهادي بن العربي العواد عن الأستاذ السنوسي عن الحبشي المذكورعن الحافظ ابن حجر) 0 أنتهي كلام المؤلف0قلت: فيماذكرأن عبد العزيز الحبشي ولدسنة756هـ، وتوفي سنة1276هـ، وأنه أجازله الحافظ ابن حجرالعسقلاني، الذي كانت ولادته في سنة (773هـ) ، وإذا افترضناأن الحبشي المذكور ولد في السنة المذكورة كان بإمكانه أن يأخذ عن شيوخ شيوخ الحافظ ابن حجر، وأيضا عن شيوخه كالحافظ العراقي والحافظ الهيثمي، وغيرهماالكثير فلماذا لم يفعل؟ فأمّاأن يكتفي الحبشي المذكور بإجازة الحافظ ابن حجر، ويبقى إلي هذه السنين الطويلة ولايجيزإلاقبل وفاته عن ابن حجر، فهذا لايقبله عقل عاقل فهيم ولاذوصدرسليم 045 ــ وجاء في (ج1 ص 338 سطر6 ومابعده) : ويروي (أي ابن حجرالمكي) عن القاضي زكريا، والمعمرالزين عبد الحق السنباطي، وشيخ الإسلام كمال الدين بن حمزة، والشمس المشهدي، والشمس السمنودي، وابن عزالدين السنباطي، والأمين الغمري كلهم من تلاميذ الحافظ ابن حجر.... ألخ 0
৪৪ — এবং (১ম খণ্ড, ৩২৯ পৃষ্ঠা, ৫-১৬ লাইনে) বর্ণিত হয়েছে: ওয়াসিমি এবং গামরির মাসআলার চেয়েও অদ্ভুত এবং অনেক বেশি বিস্ময়কর বিষয় হলো যা আমাদের জানিয়েছেন গুণী আলেম, মর্যাদা ও উচ্চবংশের অধিকারী সাইয়্যেদ আহমদ আল-শরিফ বিন মুহাম্মদ আল-শরিফ বিন আল-উস্তাদ মুহাম্মদ বিন আলী আল-সানুসি আল-খাত্তাবি আল-তারাবুলুসি আনাতোলিয়া থেকে আমার কাছে লেখা তাঁর কিতাবে। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর উল্লিখিত দাদা জনৈক দীর্ঘজীবী শরিফ থেকে ইলম অর্জন করেছেন যার নাম আব্দুল আজিজ, যিনি হাবাশা ভূমিতে বসবাস করতেন এবং পাঁচশ বছরেরও বেশি সময় জীবিত ছিলেন। তিনি শেখ সানুসিকে একটি সাধারণ ইজাজাহ লিখে দিয়েছিলেন, যেমনটি তাঁর কাছে হাফেজ ইবনে হাজার থেকে ছিল। উল্লিখিত ব্যক্তি ১২৭৬ হিজরীর ২১ সফর তারিখে তাঁর উল্লিখিত দাদার মৃত্যুর তেরো দিন পর ইন্তেকাল করেন। অতঃপর আমি দেখলাম যে, উল্লিখিত সাইয়্যেদ আহমদ আল-সানুসি তাঁর সংকলনে তাঁর দাদা উস্তাদ সানুসি থেকে উল্লিখিত আব্দুল আজিজের ব্যাপারে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি অষ্টম শতাব্দীর ৫৬ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৫২০ বছর জীবনকাল অতিবাহিত করেন। সাইয়্যেদ আহমদ আল-শরিফ আমার কাছে সেই দীর্ঘজীবী ব্যক্তির পক্ষ থেকে তাঁর দাদাকে দেওয়া ইজাজাহর অনুলিপি পাঠিয়েছেন, যা একটি সাধারণ ইজাজাহ ছিল। সে অনুযায়ী আমরা দীর্ঘজীবী দরবেশ আব্দুল হাদি বিন আল-আরবি আল-আওয়াদ থেকে, তিনি উস্তাদ সানুসি থেকে, তিনি উল্লিখিত হাবাশি থেকে, তিনি হাফেজ ইবনে হাজার থেকে বর্ণনা করি। (লেখকের বক্তব্য সমাপ্ত)।আমি বলছি: যে বর্ণনায় বলা হয়েছে আব্দুল আজিজ আল-হাবাশি ৭৫৬ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২৭৬ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন, এবং তিনি নাকি হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি থেকে ইজাজাহ লাভ করেছিলেন—যার জন্ম হয়েছিল ৭৭৩ হিজরীতে; এখন আমরা যদি ধরে নেই যে উল্লিখিত হাবাশি উল্লিখিত বছরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তবে তাঁর পক্ষে হাফেজ ইবনে হাজারের উস্তাদদের উস্তাদদের থেকেও ইলম গ্রহণ করা সম্ভব ছিল। এমনকি তাঁর উস্তাদগণ যেমন হাফেজ আল-ইরাকি, হাফেজ আল-হাইসামি এবং আরও অনেকের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব ছিল। তবে তিনি কেন তা করলেন না? আর উল্লিখিত হাবাশির জন্য কি এটি সম্ভব যে তিনি কেবল হাফেজ ইবনে হাজারের ইজাজাহ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকবেন এবং এই সুদীর্ঘকাল বেঁচে থাকা সত্ত্বেও নিজের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইবনে হাজারের পক্ষ থেকে কাউকে ইজাজাহ দেবেন না? এটি কোনো বিবেকবান ও বুদ্ধিমান মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং সুস্থ হৃদয়ের অধিকারী কেউ এটি মেনে নিতে পারে না।৪৫ — এবং (১ম খণ্ড, ৩৩৮ পৃষ্ঠা, ৬ ও পরবর্তী লাইনগুলোতে) বর্ণিত হয়েছে: তিনি (অর্থাৎ ইবনে হাজার আল-মাক্কি) বর্ণনা করেন কাজী জাকারিয়া, দীর্ঘজীবী জাইন আব্দুল হক আল-সিনবাতি, শায়খুল ইসলাম কামালুদ্দিন বিন হামজাহ, শামস আল-মাশহাদি, শামস আল-সামান্নুদি, ইবনে ইজ্জুদ্দিন আল-সিনবাতি এবং আল-امین আল-গামরি থেকে; তাঁরা সকলেই হাফেজ ইবনে হাজারের ছাত্র ছিলেন... ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২০)
قلت: المشهدي هوالبدرمحمدبن البهاء محمدبن أبىبكربن علي بن عبد الله المشهدي القاهري الشافعي (862 ــ 943هـ) وهولايروي عن الحافظ ابن حجر مباشرة وإنمابواسطة واحدة، وابن عزالدين السنباطي هوالشهاب أحمدبن عبد العزيز بن يوسف بن عبد الغفارالسنباطي (837 ــ 928هـ) وهويروي عن الحافظ ابن حجرالعسقلاني والحافظ التقي محمدبن فهدالمكي، وولده الحافظ النجم عمربن فهدالمكي، وغيرهم، والشمس محمدالسمنودي المصري الشافعي توفي سنة (921هـ) 0 والله تعالى أعلم046 ــ وجاء في (ج1 ص 340 و341) : الحجار: هومسندالدنيافي وقته ورحلتهاأحمدبن أبىطالب بن نعمة الصالحي الدمشقي المعروف بالحجارالشهيربابن الشحنة المتوفى سنة (733هـ)قلت: الحجار توفي سنة (730هـ) وليس في (سنة733هـ) كماقال المؤلف047 ــ وجاء في (ج1 ص347 سطر3 ومابعده) : الحصني: هوأبوالحسن علي بن محمد، أروي فهرسته عن السكري عن سعيدالحلبي عن شاكرالعقادعن علي التركماني، عن علاء الدين الحصكفي عن والده علي بن محمدالحصني0 أهـ0قلت: علي التركماني هوعلي بن محمدبن سالم بن ولي الدين التركماني الدمشقي الحنفي المتوفى سنة (1182هـ) وهوعن عبد الرحمن المجلدالسليمي الدمشقي الحنفي، وهوعن علاءالدين الحصكفي بسنده، فالتركماني لايروي عن الحصكفي مباشرة وإنمابواسطة عبد الرحمن المجلد048 ــ وجاء في (ج1ص347 سطر6 ومابعده) : الحصكفي: هوالشيخ علاءالدين محمدبن علي الحصني الأصل المعروف بالحصكفي الدمشقي الملقب علاءالدين مفتي الحنفية بدمشق، ولدالذي قبله، المحدث الكثير الحفظ والمرويات … إلي أن قال: أروي فهرسته هو عن السكري عن الحلبي عن الشيخ شاكرالعقاد عن عبد الرحمن المجلد عن علاءالدين الحصكفي المذكور، مات بدمشق سنة (1088هـ) عن 63 سنة) 0 أهـ0قلت: شاكرالعقاد ولدبدمشق سنة (1157هـ) وتوفي بهاسنة (1222هـ) وهولايروي
আমি বলছি: আল-মাশহাদী হলেন আল-বদর মুহাম্মদ বিন আল-বাহা মুহাম্মদ বিন আবু বকর বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-মাশহাদী আল-কাহিরী আল-শাফেঈ (৮৬২ – ৯৪৩ হিজরি)। তিনি হাফিজ ইবনে হাজার থেকে সরাসরি বর্ণনা করেন না, বরং একজনের মাধ্যমে বর্ণনা করেন। আর ইবনে ইজ্জুদ্দিন আস-সুনবাতী হলেন আশ-শিহাব আহমাদ বিন আব্দুল আজিজ বিন ইউসুফ বিন আব্দুল গাফফার আস-সুনবাতী (৮৩৭ – ৯২৮ হিজরি)। তিনি হাফিজ ইবনে হাজার আল-আসকালানী এবং হাফিজ আত-তাকি মুহাম্মদ বিন ফাহদ আল-মাক্কী ও তাঁর পুত্র হাফিজ আন-নাজম উমর বিন ফাহদ আল-মাক্কী এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আশ-শামস মুহাম্মদ আস-সামান্নুদী আল-মিসরী আল-শাফেঈ ৯২১ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেছেন। আর আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।৪৬ — (১ম খণ্ড, ৩৪০ ও ৩৪১ পৃষ্ঠায়) এসেছে: আল-হাজ্জার: তিনি তাঁর সময়ের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মুসনিদ এবং যাঁর কাছে সফরের গন্তব্য ছিল।আহমাদ বিন আবু তালিব বিন নেয়ামাহ আস-সালিহী আদ-দিমাশকী, যিনি আল-হাজ্জার হিসেবে পরিচিত এবং ইবনে আশ-শুহনা হিসেবে প্রসিদ্ধ, যিনি (৭৩৩ হিজরি) সালে মৃত্যুবরণ করেন।আমি বলছি: আল-হাজ্জার (৭৩০ হিজরি) সালে মৃত্যুবরণ করেছেন, (৭৩৩ হিজরি) সালে নয়, যেমনটি লেখক বলেছেন।৪৭ — (১ম খণ্ড, ৩৪৭ পৃষ্ঠা, ৩য় লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: আল-হিসনী: তিনি হলেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ। আমি তাঁর ফাহরাসাত বর্ণনা করি আস-সুককারী থেকে, তিনি সাঈদ আল-হালাবী থেকে, তিনি শাকির আল-আক্কাদ থেকে, তিনি আলী আত-তুর্কমানী থেকে, তিনি আলাউদ্দীন আল-হাসকাফী থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা আলী বিন মুহাম্মদ আল-হিসনী থেকে। (সমাপ্ত)আমি বলছি: আলী আত-তুর্কমানী হলেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন সালিম বিন ওয়ালিউদ্দীন আত-তুর্কমানী আদ-দিমাশকী আল-হানাফী, যিনি (১১৮২ হিজরি) সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি আব্দুর রহমান আল-মুজাল্লিদ আস-সুলাইমী আদ-দিমাশকী আল-হানাফী থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি আলাউদ্দীন আল-হাসকাফী থেকে তাঁর সনদে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আত-তুর্কমানী আল-হাসকাফী থেকে সরাসরি বর্ণনা করেন না, বরং আব্দুর রহমান আল-মুজাল্লিদ-এর মাধ্যমে বর্ণনা করেন।৪৮ — (১ম খণ্ড, ৩৪৭ পৃষ্ঠা, ৬ষ্ঠ লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: আল-হাসকাফী: তিনি হলেন শাইখ আলাউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আলী, মূলে আল-হিসনী এবং দিমাশকে আল-হাসকাফী নামে পরিচিত, যাঁর উপাধি আলাউদ্দীন। তিনি দিমাশকের হানাফী মুফতি ছিলেন, পূর্বোক্ত ব্যক্তির পুত্র, বহু মুখস্থ ও বর্ণনার অধিকারী মুহাদ্দিস … তিনি এ পর্যন্ত বলেছেন যে: আমি তাঁর ফাহরাসাত বর্ণনা করি আস-সুককারী থেকে, তিনি আল-হালাবী থেকে, তিনি শাইখ শাকির আল-আক্কাদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান আল-মুজাল্লিদ থেকে এবং তিনি উক্ত আলাউদ্দীন আল-হাসকাফী থেকে। তিনি দিমাশকে (১০৮৮ হিজরি) সালে ৬৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। (সমাপ্ত)আমি বলছি: শাকির আল-আক্কাদ (১১৫৭ হিজরি) সালে দিমাশকে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানে (১২২২ হিজরি) সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বর্ণনা করেন না...
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২১)
عن عبد الرحمن المجلد (ت1140هـ) ، وإنمايروي شاكرالعقادعن علي التركماني عن عبد الرحمن المجلد عن علاء الدين الحصكفي 049 ــ وجاء في (ج1 ص356 سطر11و12) : حياة السندي: هومحمدحياة بن ابراهيم السندي الأصل المدني الداروالوفاة الحنفي المذهب … ألخ0قلت: الصواب أن محمدحياة، ولدبالسند لابالمدينة، وكانت وفاته بالمدينة سنة1163هـ050 ــ وجاء في (ج1ص357 سطر1و2) : ح: وعن الشيخ أبىالنصرالخطيب عن محمدالغزي عن محمدسعيدالسويدي عنه (أي عن محمدحيات السندي)قلت: شيخ أبوالنصر إسمه عمربن عبد الغني الغزي وهوعن السويدي المذكور0 ويقال للغزي أيضا محمدعمر0 والله تعالى أعلم051 ــ وجاء في (ج1 ص 362سطر19و20) : فإن صاحب اليانع الجني، سبقه إلي التأليف في ذلك لأنه أتم اليانع سنة (1208هـ) … ألخ0قلت: الصواب في سنة (1280هـ)52 ــ وجاء في (ج1 ص363سطر9) : عن الشيخ أبىالنصر عن محمدالغزي … الخ0قلت: الصواب:محمدعمربن عبد الغني الغزي 053 ــ وجاء في (ج1 ص365سطر14) : الشمس محمدبن عبد الله المغربي مات سنة (1201هـ)قلت: هومحمدبن محمدبن عبد الله المغربي ثم المدني 054 ــ وجاء في (ج1ص365 سطر19) : الأول: الشيخ عبد الغني الدهلوي المدني العمري لقيه بالمدينة المنورة عام (1205هـ) 0أهـ0قلت: صواب العبارة: لقيه سنة (1250هـ) ، وأقول: عبد الغني الدهلوي ولد بدهلي سنة (1235هـ) ، وتوفي بالمدينة المنورة سنة (1296هـ)55 ــ وجاء في (ج 1 ص366 سطر15) :السادس: مفتي الحنفية بمكة الشيخ جمال بن عمرالمكي. أهـقلت: هو جمال بن عبد الله بن عمرالمكي الحنفي، المتوفي بمكة سنة (1284هـ)56 ــ وجاء في (ج1 ص 368سطر7) : وأجازهولولده محمدالحسنين0 أهـ0قلت: صواب العبارة هكذا: وأجازهولولده نورالحسنين، هوابن محمدحيدربن المنلامبين الأنصاري الحيدرآبادي الحنفي057 ــ وجاءفي (ج1 ص 383 سطر18) :عن عبد الله الشبراوي عن سالم السنهوري0 ألخ0
আবদুর রহমান আল-মুজাল্লাদ (মৃত্যু ১১৪০ হিজরি) থেকে বর্ণিত, প্রকৃতপক্ষে শাকির আল-আক্কাদ বর্ণনা করেছেন আলি আত-তুর্কমানি থেকে, তিনি আবদুর রহমান আল-মুজাল্লাদ থেকে, তিনি আলাউদ্দীন আল-হাসকাফি থেকে।৪৯ — (১ম খণ্ড, ৩৫৬ পৃষ্ঠা, ১১ ও ১২ নং লাইনে) এসেছে: হায়াত আস-সিন্ধি: তিনি হলেন মুহাম্মাদ হায়াত ইবনে ইবরাহিম আস-সিন্ধি, মূলে সিন্ধি, মদিনায় বসবাস ও মৃত্যু, মাযহাবে হানাফি … ইত্যাদি।আমি বলি: সঠিক হলো যে মুহাম্মাদ হায়াত সিন্ধুতে জন্মগ্রহণ করেছেন, মদিনায় নয়। আর তার মৃত্যু হয়েছে মদিনায় ১১৬৩ হিজরি সালে।৫০ — (১ম খণ্ড, ৩৫৭ পৃষ্ঠা, ১ ও ২ নং লাইনে) এসেছে: হা: এবং শাইখ আবু নসর আল-খতিব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ আল-গাজ্জি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ সাঈদ আস-সুওয়াইদি থেকে, তিনি তার (অর্থাৎ মুহাম্মাদ হায়াত আস-সিন্ধি) থেকে।আমি বলি: শাইখ আবু নসরের নাম হলো উমর ইবনে আবদুল গনি আল-গাজ্জি, তিনি উল্লিখিত আস-সুওয়াইদি থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-গাজ্জিকে মুহাম্মাদ উমরও বলা হয়। আর মহান আল্লাহ অধিক জ্ঞাত।৫১ — (১ম খণ্ড, ৩৬২ পৃষ্ঠা, ১৯ ও ২০ নং লাইনে) এসেছে: কারণ 'আল-ইয়ানি আল-জানি' এর লেখক এই বিষয়ে রচনায় তার অগ্রগামী ছিলেন, কারণ তিনি 'ইয়ানি' সম্পন্ন করেছিলেন (১২০৮ হিজরি) সালে … ইত্যাদি।আমি বলি: সঠিক হলো (১২৮০ হিজরি) সালে।৫২ — (১ম খণ্ড, ৩৬৩ পৃষ্ঠা, ৯ নং লাইনে) এসেছে: শাইখ আবু নসর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ আল-গাজ্জি থেকে … ইত্যাদি।আমি বলি: সঠিক হলো: মুহাম্মাদ উমর ইবনে আবদুল গনি আল-গাজ্জি।৫৩ — (১ম খণ্ড, ৩৬৫ পৃষ্ঠা, ১৪ নং লাইনে) এসেছে: আশ-শামস মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাগরিবি (১২০১ হিজরি) সালে মৃত্যুবরণ করেন।আমি বলি: তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাগরিবি, অতঃপর আল-মাদানি।৫৪ — (১ম খণ্ড, ৩৬৫ পৃষ্ঠা, ১৯ নং লাইনে) এসেছে: প্রথম জন: শাইখ আবদুল গনি আদ-দেহলভী আল-মাদানি আল-উমরি, তার সাথে মদিনা মুনাওয়ারায় (১২০৫ হিজরি) সালে সাক্ষাৎ হয়। সমাপ্ত।আমি বলি: বাক্যটির সঠিক রূপ হলো: তার সাথে সাক্ষাৎ হয় (১২৫০ হিজরি) সালে। আর আমি বলি: আবদুল গনি আদ-দেহলভী (১২৩৫ হিজরি) সালে দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং (১২৯৬ হিজরি) সালে মদিনা মুনাওয়ারায় মৃত্যুবরণ করেন।৫৫ — (১ম খণ্ড, ৩৬৬ পৃষ্ঠা, ১৫ নং লাইনে) এসেছে: ষষ্ঠ জন: মক্কার হানাফি মুফতি শাইখ জামাল ইবনে উমর আল-মাক্কি। সমাপ্ত।আমি বলি: তিনি হলেন জামাল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-মাক্কি আল-হানাফি, যিনি (১২৮৪ হিজরি) সালে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন।৫৬ — (১ম খণ্ড, ৩৬৮ পৃষ্ঠা, ৭ নং লাইনে) এসেছে: এবং তিনি তাকে ও তার পুত্র মুহাম্মাদ আল-হাসানাইনকে ইজাজত প্রদান করেন। সমাপ্ত।আমি বলি: বাক্যটির সঠিক রূপ এইরকম: এবং তিনি তাকে ও তার পুত্র নুর আল-হাসানাইনকে ইজাজত প্রদান করেন; তিনি হলেন মুহাম্মাদ হায়দার ইবনে আল-মুল্লা মুবিন আল-আনসারি আল-হায়দ্রাবাদি আল-হানাফির পুত্র।৫৭ — (১ম খণ্ড, ৩৮৩ পৃষ্ঠা, ১৮ নং লাইনে) এসেছে: আব্দুল্লাহ আশ-শাবরাউয়ি থেকে, তিনি সালিম আস-সানহুরি থেকে ... ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২২)
قلت: الصواب: عن عامربن شرف الدين الشبراوي المصري الشافعي (ت1062هـ) وهويروي عن سالم السنهوري (ت1015 هـ) به، وأما عبد الله الشبراوي، هوعبد الله بن محمدبن عامرالشبراوي القاهري الأزهري الشافعي ولدسنة (1091هـ) وتوفي سنة (1172هـ) وهولايروي عن سالم السنهوري058 ــ وجاء في (ج1 ص387سطر1) : وأروي فهرسته عالياعن السكري عن الحلبي عن العقادعن التركماني عن العلاء الحصكفي عنه (أي عن خيرالدين الرملي الحنفي)قلت: في السندسقط، فالتركماني عن عبد الرحمن المجلد عن الحصكفي عنه059 ــ وجاء في (ج1 ص392 سطر13 و14) : ونتصل به من طريق المكتبي عن والده أبىالحسن علي، عن الإمام الداودي0 هوالحافظ الشمس محمدالداودي المصري ت 945هـ0قلت: السندالذي ذكره المؤلف فيه نظر، والمكتبي هوالشمس محمدبن علي بن سعدالدين بن رجب ابن علوان الدمشقي المعروف بالمكتبي (1020 ــ 1096هـ) ، ووالده أبوالحسن علي بن سعدالدين المكتبي ولدسنة (991هـ) ، وتوفي سنة (1074هـ) ، فكيف يروي هذا عن الشمس الداودي0وأقول: أناالفقيرإلي ربه/ صالح بن إدريس الأركاني أروي بأسانيدنا إلي الشمس محمدبن سراج الدين الحانوتي الحنفي (928 ــ 1010هـ) وهوعن الحافظ شمس الدين محمدبن علي بن أحمدالداودي المصري الشافعي (ت945هـ) ، صاحب طبقات المفسرين، وهوعن الحافظ السيوطي، والحافظ عثمان الديمي، وغيرهما060 ــ وجاء في (ج1 ص410سطر3ومابعده) : وهويروي (أي الحافظ عثمان الديمي) عن ابن حجر وأبىعبد الله الرشيدي، والمسندالمعمرعبد الرحيم بن جمال الدين الأسيوطي، والحافظ قطب الدين الجوجري، وبرهان بن صدقة الحنبلي الصالحي، وتقي الدين بن فهدالهاشمي، وعبد الرحيم بن الفرات وهاجربنت محمدالمقدسي وغيرهم، إلي أن قال: قلت: لاأحفظ وفاة الديمي ولكن كان حيا عام907) 0 أهـ0
আমি বলছি: সঠিক হলো: আমির বিন শরাফ উদ্দিন আশ-শাবরাভি আল-মিসরি আশ-শাফিয়ি (মৃত্যু ১০৬২ হিজরি) থেকে, এবং তিনি এর মাধ্যমে সালিম আস-সানহুরি (মৃত্যু ১০১৫ হিজরি) থেকে বর্ণনা করেন। আর আব্দুল্লাহ আশ-শাবরাভি হলেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আমির আশ-শাবরাভি আল-কাহেরি আল-আজহারি আশ-শাফিয়ি, তিনি ১০৯১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১১৭২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, আর তিনি সালিম আস-সানহুরি থেকে বর্ণনা করেন না।৫৮ ــ (১ম খণ্ড, ৩৮৭ পৃষ্ঠা, ১ নং সারিতে) এসেছে: আমি তাঁর ফিহরিসত উচ্চ সনদে আস-সুক্কারি থেকে, তিনি আল-হালাবি থেকে, তিনি আল-আক্কাদ থেকে, তিনি আত-তুর্কমানি থেকে, তিনি আল-আলা আল-হাসকাফি থেকে, তিনি তাঁর (অর্থাৎ খাইরুদ্দিন আর-রামলি আল-হানাফি) থেকে বর্ণনা করি।আমি বলছি: সনদে কিছু বাদ পড়েছে, সুতরাং আত-তুর্কমানি বর্ণনা করেন আব্দুর রহমান আল-মুজাল্লিদ থেকে, তিনি আল-হাসকাফি থেকে, তিনি তাঁর থেকে।৫৯ ــ (১ম খণ্ড, ৩৯২ পৃষ্ঠা, ১৩ ও ১৪ নং সারিতে) এসেছে: আমরা তাঁর সাথে আল-মাকতাবি-এর সূত্রে তাঁর পিতা আবুল হাসান আলী থেকে, তিনি ইমাম আদ-দাউদি থেকে যুক্ত হই। তিনি হলেন হাফেজ শামস মুহাম্মদ আদ-দাউদি আল-মিসরি (মৃত্যু ৯৪৫ হিজরি)।আমি বলছি: লেখক যে সনদটি উল্লেখ করেছেন তাতে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে। আল-মাকতাবি হলেন শামস মুহাম্মদ বিন আলী বিন সাদ উদ্দিন বিন রজব ইবনে আলওয়ান আদ-দিমাশকি, যিনি আল-মাকতাবি নামে পরিচিত (১০২০-১০৯৬ হিজরি)। এবং তাঁর পিতা আবুল হাসান আলী বিন সাদ উদ্দিন আল-মাকতাবি ৯৯১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১০৭৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, এমতাবস্থায় তিনি কীভাবে শামস আদ-দাউদি থেকে বর্ণনা করবেন?আর আমি বলছি: আমি তাঁর রবের মুখাপেক্ষী দরিদ্র বান্দা সালেহ বিন ইদ্রিস আল-আরকানি। আমি আমাদের সনদসমূহের মাধ্যমে শামস মুহাম্মদ বিন সিরাজ উদ্দিন আল-হানুতি আল-হানাফি (৯২৮-১০১০ হিজরি) পর্যন্ত বর্ণনা করি, আর তিনি বর্ণনা করেন ‘তাবাকাতুল মুফাসসিরিন’-এর লেখক হাফেজ শামস উদ্দিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ আদ-দাউদি আল-মিসরি আশ-শাফিয়ি (মৃত্যু ৯৪৫ হিজরি) থেকে, আর তিনি হাফেজ সুয়ুতি, হাফেজ উসমান আদ-দাইমি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেন।৬০ ــ (১ম খণ্ড, ৪১০ পৃষ্ঠা, ৩ নং সারি ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: এবং তিনি (অর্থাৎ হাফেজ উসমান আদ-দাইমি) ইবনে হাজার, আবু আব্দুল্লাহ আর-রশিদি, দীর্ঘজীবী মুসনিদ আব্দুর রহিম বিন জামাল উদ্দিন আল-আসয়ুতি, হাফেজ কুতুব উদ্দিন আল-জুযারি, বুরহান বিন সাদাকা আল-হাম্বলি আস-সালিহি, তাকি উদ্দিন বিন ফাহাদ আল-হাশেমি, আব্দুর রহিম বিন আল-ফুরাত, হাজার বিনতে মুহাম্মদ আল-মাকদিসি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেন। কথাটি এভাবে শেষ হয়েছে যে: আমি বলছি: আদ-দাইমি-এর মৃত্যুর তারিখ আমার স্মরণে নেই, তবে তিনি ৯০৭ হিজরি সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২৩)
قلت: أبوعبد الله الرشيدي، هوالشمس محمدبن عبد الله بن محمدبن ابراهيم بن لاجين الرشيدي الشافعي، ولدبالقاهرة سنة (767هـ) وتوفي سنة (854هـ) ، والزين عبد الرحيم بن الجمال ابراهيم ابن محمدبن عبد الرحيم المكي المعروف بالأميوطي، وليس بالأسيوطي كماقال المؤلف، وهولدبمكة سنة (778هـ) وتوفي بهاسنة (867هـ) ، وتوفي الحافظ عثمان بن محمدالديمي في سنة (908هـ) وهويروي أيضا عن شيوخ آخرين061 ــ وجاء في (ج1 ص428 سطر1، ومابعده) : ووقفت في مكتبة المسجدالحرام بمكةالمكرمة على نسخة أخرى من الصلة (أي للرداني) عليهاخط الشيخ صالح الفلاني المدني، وعليهابخطه إجازته بهالعلي ابن عبد الفتاح القباني قال: (حسبماأجازنيه الشيخ الشريف سليمان بن محمدالدراوي، عن مؤلفه محمدبن محمدبن سليمان الدراوي، (الصواب الردانيِ) وكتبه صالح بن محمدالفلاني) أهـ0 من خطه0 ثم قال المؤلف: ونرويهامن طريق الفلاني عن سليمان الدرعي (الصواب الدراوي) المذكور من مؤلفها وهوسياق غريب، ثم قال المؤلف بعد كلام: ومنهاعن الشهاب أحمدالبرزنجي وغيره عن أبيه، عن (قلت: كلمة عن هنا وقعت خطأ) اسماعيل، عن صالح الفلاني عن ابن سنة، وسليمان الدراوي عن مؤلفهاعاليا0 أهـ0قلت: للمحدث المسند محمدبن سليمان الرداني (ت1090هـ) صاحب صلة الخلف، ولد اسمه محمد ولقبه وفدالله، أخذعنه محدث الهند الشاه ولي الله أحمدبن عبد الرحيم الدهلوي، والذي يروي سليمان الدراوي هوأيضا إسمه محمدبن محمدبن سليمان الرداني، لعله هو محمدوفدالله بن محمدبن سليمان الرداني، الذي يروي عنه ولي الله الدهلوي، ثم أن صالح الفلاني لم يبين وجه الحمل جهلاً منه أوتجاهلاً، وكذلك تاريخ ولادته ووفاته، فإن كان قد بين تبين لنا0والله تعالى أعلم062 ــ وجاء في (ج1 ص451 سطر6) : وعبد الرحمن المرشدي الحنبلي المكي0أهـ0قلت: هوعبد الرحمن المرشدي الحنفي مفتي مكة المكرمة، وليس بالحنبلي كماقال المؤلف0
আমি বলছি: আবু আব্দুল্লাহ আল-রাশিদী হলেন আশ-শামস মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন লাজীন আল-রাশিদী আল-শাফিঈ। তিনি কায়রোতে (৭৬৭ হিজরী) জন্মগ্রহণ করেন এবং (৮৫৪ হিজরী) মৃত্যুবরণ করেন। আর আয-যাইন আব্দুল রহীম বিন আল-জামাল ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল রহীম আল-মাক্কী 'আল-আমিউতী' হিসেবে পরিচিত, তিনি 'আল-আসইউতী' নন যেমনটি লেখক বলেছেন। তিনি মক্কায় (৭৭৮ হিজরী) জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই (৮৬৭ হিজরী) ইন্তেকাল করেন। হাফেজ উসমান বিন মুহাম্মদ আদ-দীমী ৯০৮ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনিও অন্য আরও শায়খদের থেকে বর্ণনা করেন।৬১ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৪২৮ পৃষ্ঠা, ১ম লাইন এবং পরবর্তী অংশে) এসেছে: আমি মক্কা মুকাররমার মসজিদে হারামের লাইব্রেরিতে 'আস-সিলাহ' (অর্থাৎ আর-রুদ্দানীর কিতাব) এর আরেকটি পাণ্ডুলিপি দেখেছি যার উপর শায়খ সালিহ আল-ফুলানী আল-মাদানী-র হাতের লেখা রয়েছে এবং তাতে তার নিজ হাতের লেখায় আলী ইবনুল আব্দুল ফাত্তাহ আল-কাব্বানীর জন্য ইজাজত রয়েছে। তিনি বলেছেন: (যেভাবে শায়খ আশ-শরীফ সুলাইমান বিন মুহাম্মদ আদ-দারাবী আমাকে ইজাজত দিয়েছেন, এর লেখক মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আদ-দারাবী (সঠিক হলো: আর-রুদ্দানী) থেকে; আর এটি লিখেছেন সালিহ বিন মুহাম্মদ আল-ফুলানী)। শেষ—তার হস্তাক্ষর থেকে। এরপর লেখক বললেন: আমরা এটি আল-ফুলানীর সূত্রে সুলাইমান আদ-দিরঈ (সঠিক হলো: আদ-দারাবী) থেকে বর্ণনা করি, যিনি এর লেখকের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন—যা একটি অদ্ভুত বর্ণনাধারা। এরপর লেখক কিছু আলোচনার পর বললেন: এবং এর মধ্য হতে আশ-শিহাব আহমদ আল-বারযাঞ্জী ও অন্যদের সূত্রে তার পিতার পক্ষ থেকে, (আমি বলছি: এখানে 'আন' (সূত্রে) শব্দটি ভুলবশত এসেছে) ইসমাইল থেকে, তিনি সালিহ আল-ফুলানী থেকে, তিনি ইবনু সুন্নাহ থেকে, এবং সুলাইমান আদ-দারাবী এর লেখকের পক্ষ থেকে উচ্চ সনদে বর্ণনা করেছেন। শেষ।আমি বলছি: মুহাদ্দিস আল-মুসনিদ মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আর-রুদ্দানী (মৃত্যু ১০৯০ হিজরী), যিনি 'সিলাতুল খালাফ' এর লেখক, তার মুহাম্মদ নামে এক পুত্র ছিল এবং তার উপাধি ছিল ওয়াফদুল্লাহ। তার থেকে ভারতের মুহাদ্দিস শাহ ওয়ালিউল্লাহ আহমদ বিন আব্দুল রহীম আদ-দেহলভী ইলম গ্রহণ করেছেন। আর সুলাইমান আদ-দারাবী যার থেকে বর্ণনা করেন তার নামও মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আর-রুদ্দানী, সম্ভবত তিনি হলেন সেই মুহাম্মদ ওয়াফদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আর-রুদ্দানী, যার থেকে ওয়ালিউল্লাহ আদ-দেহলভী বর্ণনা করেছেন। অধিকন্তু, সালিহ আল-ফুলানী তার অজ্ঞতা বা অবহেলার কারণে বর্ণনার পদ্ধতিটি স্পষ্ট করেননি, এবং তার জন্ম ও মৃত্যুর তারিখও উল্লেখ করেননি; যদি তিনি এটি স্পষ্ট করতেন তবে আমাদের নিকট তা প্রতীয়মান হতো। আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।৬২ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৪৫১ পৃষ্ঠা, ৬ষ্ঠ লাইন) এসেছে: এবং আব্দুল রহমান আল-মুরশিদী আল-হাম্বলী আল-মাক্কী। শেষ।আমি বলছি: তিনি হলেন মক্কা মুকাররমার মুফতি আব্দুল রহমান আল-মুরশিদী আল-হানাফী, লেখক যেমনটি বলেছেন তিনি হাম্বলী নন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২৪)
63 ــ وجاء في (ج1ص 456 سطر4 ومابعده) : الزرقاني: هومحدث الديارالمصرية العلامة النحريرالطائرالصيت أبوعبد الله محمدبن عبد الباقي بن يوسف بن أحمدبن علوان الزرقاني المالكي المصري المتوفي بمصر سنة1122، إلي أن قال: سمع حديث الأولية على والده والنورعلي الشبراملسي بشرطها، كلاهماعن الأجهوري، وأخذها هوعن الفتح البيلوني الحلبي، عن أحمدالشماع الحلبي وابراهيم الربعي الحلبي وابن أبىبكرالعزازي، عن مسندالحجازمحمدبن عمربن فهد، عن جده تقي الدين ابن فهد، والمراغي، والمرشدي بأسانيدهم.... ألخ0قلت: النورعلي الأجهوري توفي سنة (1066هـ) ، روي الحديث الأولية عن الشيخ محمودبن محمدالبيلوني الحلبي (ت1007هـ) وهوأول عن البرهان ابراهيم بن حسن العمادي الحلبي الشهيربابن العمادي (ت954هـ) وهوأول، وهوعن الحافظ العزعبد العزيزبن الحافظ النجم عمربن فهدالمكي، وهوأول عن جده الحافظ التقي محمدبن فهدالمكي وهوأول بسنده 0أماقول المؤلف أن النورعلي الأجهوري أخذ عن الفتح بن محمودالبيلوني الحلبي (977 ــ 1042هـ) ، وهوخطأ، والله تعالى أعلم 064 ــ وجاء في (ج1 ص460 سطر10) : زينب بنت الكمال أحمدبن عبد الرحيم المقدسي0ألخقلت: توفيت زينب بنت الكمال المقدسية هذه في سنة (740هـ) عن 94 سنة065 ــ وجاء في (ج1ص 465سطر1ومابعده) : زادالمسير: للحافظ السيوطي.. إلي أن قال: أرويهابالسندإلي الدرعي المذكور، عن أبىسالم، عن الخفاجي، عن الشمس العلقمي عن أخيه البرهان ابراهيم عن السيوطي0 أهـ0قلت: الشهاب أحمدالخفاجي عن البرهان ابراهيم العلقمي عن أخيه الشمس محمدالعلقمي عن الحافظ السيوطي0 وهذاهوالصواب، والبرهان العلقمي لم يدرك حياة السيوطي ولاأخذعنه وإنماأخذ عن السيوطي شقيقه الشمس العلقمي0 والله أعلم066 ــ وجاء في (ج1 ص 472سطر13و14) : ويروي ابن طولون عن كمال الدين ابن حمزةالدمشقي، وأبىالفتح المزي، ومحمدبن محمدبن ثابت، وأبىالبقاء محمدبن العمادالعمري.. ألخ0
৬৩ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৪৫৬ পৃষ্ঠা, ৪ নম্বর লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: আল-যুরকানী: তিনি হলেন মিসরের সমসাময়িক বিজ্ঞ মুহাদ্দিস, সুপ্রসিদ্ধ আল্লামা আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকী বিন ইউসুফ বিন আহমাদ বিন আলওয়ান আল-যুরকানী আল-মালিকী আল-মিসরী, যিনি ১১২২ হিজরি সনে মিসরে মৃত্যুবরণ করেন। সেখানে আরও বলা হয়েছে: তিনি তাঁর পিতা এবং নূর আলী আশ-শুবরামালসীর নিকট থেকে নির্দিষ্ট শর্তে 'হাদীসে আউয়ালিয়্যাহ' শ্রবণ করেছেন, তাঁরা উভয়ে আল-আজহুরী থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি (আজহুরী) তা গ্রহণ করেছেন ফাতহ আল-বায়লুনী আল-হালাবীর নিকট থেকে, তিনি আহমাদ আশ-শাম্মা আল-হালাবী, ইবরাহীম আর-রাবায়ী আল-হালাবী এবং ইবনে আবু বকর আল-আযযাযী থেকে, তাঁরা হিজাযের মুসনিদ (বিখ্যাত বর্ণনাকারী) মুহাম্মাদ বিন উমর বিন ফাহাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতামহ তাকীউদ্দীন ইবনে ফাহাদ থেকে এবং আল-মারাগী ও আল-মুরশিদী থেকে তাঁদের নিজ নিজ সনদে... শেষ পর্যন্ত।আমি বলছি: নূর আলী আল-আজহুরী ১০৬৬ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি 'হাদীসে আউয়ালিয়্যাহ' বর্ণনা করেছেন শায়খ মাহমুদ বিন মুহাম্মাদ আল-বায়লুনী আল-হালাবী (মৃত্যু ১০০৭ হি.) থেকে, যিনি এটি গ্রহণ করেছেন বুরহান ইবরাহীম বিন হাসান আল-ইমাদী আল-হালাবী থেকে—যিনি ইবনুল ইমাদী (মৃত্যু ৯৫৪ হি.) নামে প্রসিদ্ধ—তিনি বর্ণনা করেছেন হাফেয ইজ্জু আব্দুল আযীয বিন হাফেয নাজম উমর বিন ফাহাদ আল-মাক্কী থেকে, আর তিনি তাঁর পিতামহ হাফেয আত-তাকী মুহাম্মাদ বিন ফাহাদ আল-মাক্কী থেকে তাঁর নিজ সনদে। পক্ষান্তরে লেখকের এই কথা যে, নূর আলী আল-আজহুরী ফাতহ বিন মাহমুদ আল-বায়লুনী আল-হালাবী (৯৭৭ ــ ১০৪২ হি.) থেকে গ্রহণ করেছেন—তা ভুল। আল্লাহ তাআলাই সর্বজ্ঞ।৬৪ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৪৬০ পৃষ্ঠা, ১০ নম্বর লাইন) এসেছে: যায়নাব বিনতে আল-কামাল আহমাদ বিন আব্দুর রাহীম আল-মাকদিসী... শেষ পর্যন্ত।আমি বলছি: এই যায়নাব বিনতে আল-কামাল আল-মাকদিসীয়াহ ৭৪০ হিজরি সনে ৯৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।৬৫ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৪৬৫ পৃষ্ঠা, ১ নম্বর লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: যাদ আল-মাসীর: হাফেয সুয়ূতী রচিত... সেখানে আরও বলা হয়েছে: আমি এটি উল্লিখিত দির'য়ীর সনদে বর্ণনা করছি, তিনি আবু সালিম থেকে, তিনি খাফাজী থেকে, তিনি শামস আল-আলকামী থেকে, তিনি তাঁর ভাই বুরহান ইবরাহীম থেকে, তিনি সুয়ূতী থেকে। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।আমি বলছি: শিহাব আহমাদ খাফাজী বর্ণনা করেছেন বুরহান ইবরাহীম আল-আলকামী থেকে, তিনি তাঁর ভাই শামস মুহাম্মাদ আল-আলকামী থেকে, তিনি হাফেয সুয়ূতী থেকে। আর এটিই সঠিক। কেননা বুরহান আল-আলকামী সুয়ূতীর জীবনকাল পাননি এবং তাঁর থেকে সরাসরি শিক্ষা গ্রহণও করেননি, বরং সুয়ূতীর নিকট থেকে তাঁর সহোদর শামস আল-আলকামী শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।৬৬ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৪৭২ পৃষ্ঠা, ১৩ ও ১৪ নম্বর লাইন) এসেছে: ইবনে তুলুন বর্ণনা করেন কামালুদ্দীন ইবনে হামযা আদ-দিমাশকী, আবুল ফাতহ আল-মিযযী, মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সাবিত এবং আবুল বাকা মুহাম্মাদ বিন আল-ইমাদ আল-উমারী থেকে... শেষ পর্যন্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قلت: ابن العماد، هوالقاضي ناصرالدين أبوالبقاء محمدبن العمادأبىبكربن الزين عبد الرحمن بن محمدبن أحمدبن التقي سليمان بن حمزة المقدسي الصالحي الحنبلي المعروف بابن زريق، ولدسنة (812هـ) ، وتوفي سنة (900هـ) ، وهويروي عن أخويه عبد الله، وعبد الرحمن، والحافظ ابن حجر، والحافظ شمس الدين بن ناصرالدين الدمشقي، وعلاءالدين ابن بردس البعلي، وعبد الرحمن ابن الطحان، وأبىشعر عبد الرحمن بن سليمان الصالحي الحنبلي، والشرف ابن مفلح، وابن ناظرالصاحبة، والحافظ البرهان ابراهيم بن محمدبن خليل الحلبي، والشمس محمدبن أحمدابن الأشقر، والشمس محمدبن سليمان الأذرعي، وعلاءالدين ابن خطيب الناصرية، والمحب أحمدبن نصرالله الحنبلي، والزين داودبن سليمان بن عبد الله الموصلي الدمشقي الحنبلي الراوي عن الحافظ ابن رجب الحنبلي، وغيرهيم067 ــ وجاء في (ج1ص476 سطر14و15) : طرق السلامة إلي مشيخة الفقيه علي ابن سلامة: تخريج الحافظ تقي الدين محمدبن محمدبن أبىالخيرابن فهدالهاشمي الكي0ألخ0
আমি বলছি: ইবনে আল-ইমাদ হলেন কাযী নাসিরুদ্দিন আবুল বাকা মুহাম্মদ ইবনে আল-ইমাদ আবু বকর ইবন আল-যাইন আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আত-তাকি সুলাইমান ইবনে হামজাহ আল-মাকদিসি আস-সালিহি আল-হাম্বলি, যিনি ইবনে যুরাইক নামে পরিচিত। তিনি (৮১২ হিজরি) সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং (৯০০ হিজরি) সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি তাঁর দুই ভাই আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান, হাফিজ ইবনে হাজার, হাফিজ শামসুদ্দিন ইবনে নাসিরুদ্দিন আদ-দিমাশকি, আলাউদ্দিন ইবনে বারদাস আল-বালি, আব্দুর রহমান ইবনুত তাহ্হান, আবু শা'র আব্দুর রহমান ইবনে সুলাইমান আস-সালিহি আল-হাম্বলি, আশ-শারাফ ইবনে মুফলিহ, ইবনে নাযিরুস সাহিবা, হাফিজ বুরহান ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খলিল আল-হালাবি, আশ-শামস মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল আশকার, আশ-শামস মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-আজরুয়ি, আলাউদ্দিন ইবনে খতিব আন-নাসিরিয়্যাহ, আল-মুহিব আহমদ ইবনে নাসরুল্লাহ আল-হাম্বলি, এবং যাইন দাউদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাওসিলি আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি —যিনি হাফিজ ইবনে রজব আল-হাম্বলি থেকে বর্ণনা করেছেন— এবং তাঁদের ছাড়া আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন।৬৭ — এবং (১ম খণ্ড, ৪৭৬ পৃষ্ঠা, ১৪ ও ১৫ লাইনে) এসেছে: ফকিহ আলি ইবনে সালামাহর উস্তাদদের তালিকার (মাশয়াখাহ) অভিমুখে সালামতের পথসমূহ: হাফিজ তাকিউদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবুল খায়ের ইবনে ফাহাদ আল-হাশেমি আল-মাক্কির সংকলন (তাখরিজ)... ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২৬)
قلت: لم يترجم المؤلف لابن سلامة هذا، فلذا أقول: ابن سلامة، هوالنورعلي بن أحمدبن محمدابن سلامة السلمي المكي الشافعي، ولدبمكة سنة (746هـ) وتوفي بهاسنة (828هـ) ، وهوأخذسماعاً عن عمربن حسن بن أميلة بن مزيدالمراغي، والصلاح بن أبىعمرالمقدسي، وعبد الرحمن بن علي بن محمدابن هارون الثعلبي، والبدرمحمدبن عيسى بن قواليج، ومحمدبن أحمدابن عبد المعطي المكي، والكمال محمدبن عمربن حبيب، وخليل بن طرنطاي العادلي، والبهاء عبد الله بن أبىبكرالدماميني، وتقي الدين عبد الرحمن ابن احمدالبغدادي المقرئ، وقرأعليه بالسبع، ومن شيوخه أيضا: العزعبد العزيز ابن جماعة، والعفيف عبد الله اليافعي المكي، والسراج عمربن الملقن، والسراج عمربن علي القزويني، وعبد الدائم ابن عبد المحسن الدواليبي، والحافظ العمادإسماعيل بن كثيرالدمشقي، والحافظ تقي الدين ابن رافع السلامي، والجمال الحارثي، والشمس محمدابن قاضي شهبة، وابن قاضي الزبداني، ومحمدبن عبد الله الصفوي، وغيرهم الكثير0 وأخذوروي عن النورعلي ابن سلامة السلمي المكي جماعة منهم: الحافظ التقي محمدابن فهدالمكي (ت871هـ) وولده الحافظ النجم عمربن التقي محمدابن فهدالمكي (ت885هـ) ، وشقيقه المحب أبوبكرأحمدبن التقي محمدابن فهدالمكي (ت890هـ) كلهم سماعا، وكذلك أخذعنه أيضا الإمام المحب محمدبن الرضي محمدبن المحب محمدبن الشهاب أحمدبن الرضي ابراهيم الطبري المكي (ت894هـ) ، ورضوان بن محمدالعقبي القاهري، والموفق علي بن ابراهيم ابن راشدالأبي المكي وغيرهم كلهم عن النورعلي بن سلامة السلمي المكي068 ــ وجاء في (ج1 ص 477سطر5) : ومحمدمحمودالحمزاوي0 أهـ0قلت: الصواب هوالمفتي محمودبن محمدنسيب الحمزاوي الدمشقي (ت1305هـ) ، وليس في شيوخ جمال الدين القاسمي من اسمه محمدمحمودالحمزاوي069 ــ وجاء في (ج1ص477 سطر9و10) : مات في نحوسنة (1338هـ) 0 أهـ0قلت: جمال الدين القاسمي توفي سنة (1332هـ) ،وليس كماقال المؤلف0
আমি বলছি: লেখক এই ইবনে সালামার জীবনী উল্লেখ করেননি, তাই আমি বলছি: ইবনে সালামা হলেন আন-নূর আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালামা আস-সুলামি আল-মাক্কি আশ-শাফিঈ। তিনি ৭৪৬ হিজরীতে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ৮২৮ হিজরীতে সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে উমর ইবনে হাসান ইবনে উমাইলা ইবনে মাজিদ আল-মারাগি, আস-সালাহ ইবনে আবু উমর আল-মাকদিসি, আবদুর রহমান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন আস-সা'লাবি, আল-বদর মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে কাওয়ালিজ, মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল মুতি আল-মাক্কি, আল-কামাল মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হাবিব, খলিল ইবনে তরনতাই আল-আদিলি, আল-বাহা আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর আদ-দামামিনি, তাকিউদ্দিন আবদুর রহমান ইবনে আহমদ আল-বাগদাদি আল-মুকরি-এর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তার নিকট সাত কিরাতে কুরআন পাঠ করেছেন। তার শিক্ষকদের মধ্যে আরও রয়েছেন: আল-ইযয আব্দুল আজিজ ইবনে জামাআহ, আল-আফিফ আবদুল্লাহ আল-ইয়াফি আল-মাক্কি, আস-সিরাজ উমর ইবনুল মুলাক্কিন, আস-সিরাজ উমর ইবনে আলী আল-কাযউইনি, আবদুদ দায়িম ইবনে আব্দুল মুহসিন আদ-দুওয়ায়লিবি, হাফেজ আল-ইমাদ ইসমাইল ইবনে কাসির আদ-দিমাশকি, হাফেজ তাকিউদ্দিন ইবনে রাফে আস-সালামি, আল-জামাল আল-হারিসি, আশ-শামস মুহাম্মদ ইবনে কাদি শুহবাহ, ইবনে কাদি আয-যাবাদানি, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আস-সাফাউই এবং আরও অনেকে। আর আন-নূর আলী ইবনে সালামা আস-সুলামি আল-মাক্কি থেকে একদল লোক বর্ণনা ও শ্রবণ করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন: হাফেজ আত-তাকি মুহাম্মদ ইবনে ফাহাদ আল-মাক্কি (মৃত্যু ৮৭১ হিজরী), তার পুত্র হাফেজ আন-নাজম উমর ইবনে আত-তাকি মুহাম্মদ ইবনে ফাহাদ আল-মাক্কি (মৃত্যু ৮৮৫ হিজরী), তার সহোদর আল-মুহিব আবু বকর আহমদ ইবনে আত-তাকি মুহাম্মদ ইবনে ফাহাদ আল-মাক্কি (মৃত্যু ৮৯০ হিজরী)—তারা সবাই সরাসরি শুনে গ্রহণ করেছেন। একইভাবে তার নিকট থেকে আরও গ্রহণ করেছেন ইমাম আল-মুহিব মুহাম্মদ ইবনে আর-রাদি মুহাম্মদ ইবনে আল-মুহিব মুহাম্মদ ইবনে আশ-শিহাব আহমদ ইবনে আর-রাদি ইব্রাহিম আত-তাবারী আল-মাক্কি (মৃত্যু ৮৯৪ হিজরী), রিদওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আল-উকবি আল-কাহিরি, আল-মুওয়াফফাক আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে রাশিদ আল-আবি আল-মাক্কি এবং আরও অনেকে; তারা সকলেই আন-নূর আলী ইবনে সালামা আস-সুলামি আল-মাক্কি থেকে জ্ঞানার্জন করেছেন।৬৮ ─ এবং (১ম খণ্ড, ৪৭৭ পৃষ্ঠা, ৫ নং লাইনে) এসেছে: এবং মুহাম্মদ মাহমুদ আল-হামযাভী। সমাপ্ত।আমি বলছি: সঠিক হলো মুফতি মাহমুদ ইবনে মুহাম্মদ নাসিব আল-হামযাভী আদ-দিমাশকি (মৃত্যু ১৩০৫ হিজরী), আর জামালুদ্দিন আল-কাসিমির শিক্ষকদের মধ্যে মুহাম্মদ মাহমুদ আল-হামযাভী নামে কেউ নেই।৬৯ ─ এবং (১ম খণ্ড, ৪৭৭ পৃষ্ঠা, ৯ ও ১০ নং লাইনে) এসেছে: তিনি আনুমানিক (১৩৩৮ হিজরী) সালে মৃত্যুবরণ করেন। সমাপ্ত।আমি বলছি: জামালুদ্দিন আল-কাসিমি ১৩৩২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন, লেখক যা বলেছেন তা সঠিক নয়।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২৭)
70 ــ وجاء في (ج1ص 479سطر6ومابعده) : كمال الدين بن حمزة … إلي أن قال مولده في حدودالخمسين وثمانمائة ووفاته عام 933 ألخ0قلت: ولدالكمال بن حمزة الدمشقي، في جمادي الأولى سنة (850هـ)71 ــ وجاء في (ج1 ص484سطر15 ومابعده) : الكردي: هوالعلامةالمسندمحمدبن سليمان الكردي المدني … إلي أن قال: وتوفي سنة (1094هـ) 0أهـ0قلت: الصواب أنه توفي سنة (1194هـ)72 ــ وجاء في (ج1 ص 485سطر3) : وعبد القادرالمجلدالتغلبي، وعبد الرحمن السلمي الحنفي0قلت: عبد القادر، هوابن عمرالتغلبي الدمشقي الحنبلي، ولايعرف بالمجلدكماقال المؤلف، وإنمايعرف بالمجلد، هوعبد الرحمن السلمي الدمشقي الحنفي0 والله أعلم073 ــ وجاء في (ج1 ص 488سطر2و3) : وأحمدبن عبد الرحمن بن عيدروس الباعلوي البار0أهـ0قلت: الصواب هو: السيدأحمدبن عبد الله بن عيدروس البارالحضرمي الشافعي، المتوفي في المحرم سنة (1311هـ) 0 والله تعالى أعلم073 ــ وجاء في (ج1 ص 492 سطر22ومابعده) : وقدسمعت حديث الأولية عن جماعة من أشياخناأصحاب أبىالمحاسن القاوقجي الطرابلسي الشامي، وهوعن الشيخ الكوهن بسماعه منه بمصرلمادخلها يريدالحج عام 1253هـ) … ألخ0
৭০ ── এবং (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৭৯, লাইন ৬ ও পরবর্তী অংশে) বর্ণিত হয়েছে: কামালুদ্দীন ইবন হামযাহ … তার বক্তব্য অনুযায়ী তার জন্ম আটশ পঞ্চাশ হিজরীর কাছাকাছি এবং মৃত্যু ৯৩৩ হিজরী ইত্যাদি।আমি বলছি: কামাল ইবন হামযাহ আদ-দিমাশকী ৮৫০ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে জন্মগ্রহণ করেন।৭১ ── এবং (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৮৪, লাইন ১৫ ও পরবর্তী অংশে) বর্ণিত হয়েছে: আল-কুর্দী: তিনি হলেন প্রখ্যাত আলেম ও মুসনিদ মুহাম্মাদ বিন সুলায়মান আল-কুর্দী আল-মাদানী … তার বক্তব্য অনুযায়ী: এবং তিনি ১০৯৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। সমাপ্ত।আমি বলছি: সঠিক হলো তিনি ১১৯৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।৭২ ── এবং (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৮৫, লাইন ৩) বর্ণিত হয়েছে: এবং আবদুল কাদির আল-মুজাল্লিদ আত-তাগলিবী, এবং আবদুর রহমান আস-সুলামী আল-হানাফী।আমি বলছি: আবদুল কাদির হলেন ইবন উমর আত-তাগলিবী আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী, লেখক যেমনটি বলেছেন তিনি ‘আল-মুজাল্লিদ’ হিসেবে পরিচিত নন, বরং যিনি ‘আল-মুজাল্লিদ’ হিসেবে পরিচিত তিনি হলেন আবদুর রহমান আস-সুলামী আদ-দিমাশকী আল-হানাফী। আর আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।৭৩ ── এবং (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৮৮, লাইন ২ ও ৩) বর্ণিত হয়েছে: এবং আহমাদ বিন আবদুর রহমান বিন আইদারুস আল-বাআলাবী আল-বার। সমাপ্ত।আমি বলছি: সঠিক হলো: আস-সাইয়্যিদ আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আইদারুস আল-বার আল-হাদরামী আশ-শাফিঈ, যিনি ১৩১১ হিজরীর মুহররম মাসে মৃত্যুবরণ করেন। মহান আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।৭৩ ── এবং (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৯২, লাইন ২২ ও পরবর্তী অংশে) বর্ণিত হয়েছে: আমি আমাদের একদল শাইখের নিকট থেকে হাদীস আল-আউয়ালিয়্যাহ্ শ্রবণ করেছি যারা আবু আল-মাহাসিন আল-কাউকাজী আত-তারাবুলসী আশ-শামীর ছাত্র, তিনি শাইখ আল-কুহুন থেকে হজ্জের সংকল্প করে ১২৫৩ হিজরীতে যখন মিসরে প্রবেশ করেন তখন তার নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন … ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২৮)
قلت: الكوهن هو: عبد القادربن أحمدبن أبىجيدة الكوهن الفاسي، المتوفي بالمدينة المنورة سنة (1253 هـ) ، وسنده ذكره الشيخ محمدعبد الباقي اللكنوي في المناهل السلسلة في الأحاديث المسلسلة، في أول صفحة 6 من المسلسل بالأولية فقال:حدثناالعلامة علم الدين صالح بن عبد الله العباسي السناري المكي، وهوأول حديث سمعته منه قال: حدثني أبوالمحاسن محمدبن خليل القاوقجي الطرابلسي وهوأول حديث سمعته منه قال حدثناعبد القادربن أحمدالكوهن الفاسي وهوأول حديث سمعته منه قال: حدثني أبوزيدعبد الرحمن بن أحمدالشنقيطي الصديقي وهوأول حديث حدثني به، عن صالح بن محمدالفلاني قال: وهوأول حديث سمعته منه حدثني به عن محمدبن سنة الفلاني وهوأول حديث حدثني به عن مولاي الشريف محمدبن عبد الله الولاتي قال: وهوأول حديث حدثني به عن محمدبن أركماش قال: وهوأول حديث حدثني به عن الحافظ شهاب الدين أبىالفضل أحمدبن علي بن حجرالعسقلاني قال: وهوأول حديث حدثني به.قلت: هذاالسندفيه نظر، لأن الشريف محمدبن عبد الله الولاتي لم يسمع من محمدابن أركماش، الحديث المسلسل بالأولية، ولاغيره، ولارآه ولا أجازله إجازة خاصة، فكيف يصح قول الشريف محمد الولاتي: وهوأول حديث حدثني به محمدابن أركماش، عن الحافظ ابن حجرالعسقلاني074 ــ وجاء في (ج1 ص514سطر12 في ترجمة الإمام محمدبن إسماعيل الأميرالصنعاني) : ولماظهرفي زمانه محمدبن عبد الوهاب صاحب المذهب الوهابي مدحه بقصيدة طنانة وبعث له بها، ثم لمابلغه أنه يكفرأهل الأرض كلهم ويفتي بسفك دمائهم إلا من اعتنق مذهبه رجع عنها وعن مدحه0 أهـ0قلت: لقدقرأت معظم مؤلفات شيخ الإسلام محمدبن عبد الوهاب، فلم أجدفيها ماقاله المؤلف 075 ــ وجاء في (ج1ص 516سطر9ومابعده) : وقدشاركته في جميع هولآء المشارقة ماعدا الشيخ بدرالدين فإني لقيته بدمشق وحضرت درسه بالجامع الأموي يوم الجمعة ولم أستجزه لأني لم أجد عنده رواية عن غيرالبرهان السقا0 أهـ0
আমি বলেছি: আল-কোহান হলেন: আব্দুল কাদির ইবনে আহমদ ইবনে আবি জাইদাহ আল-কোহান আল-ফাসি, যিনি ১২৫৩ হিজরি সালে মদিনা মুনাওয়ারায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর সনদ সম্পর্কে শায়খ মুহাম্মদ আব্দুল বাকি আল-লাখনভী ‘আল-মানাহিল আস-সালসালাহ ফিল আহাদিস আল-মুসালসালাহ’ গ্রন্থের ৬ষ্ঠ পৃষ্ঠার শুরুতে ‘মুসালসাল বিল আউয়ালিয়্যাহ’ অধ্যায়ে উল্লেখ করে বলেছেন: আমাদের নিকট আল্লামা আলম উদ্দিন সালিহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আব্বাসি আস-সিন্নারি আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন, আর এটিই তাঁর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস; তিনি বলেন: আমার নিকট আবু আল-মাহাসিন মুহাম্মদ ইবনে খলিল আল-কাওয়ুকজি আত-তারাবুলসি বর্ণনা করেছেন, এটি তাঁর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস; তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল কাদির ইবনে আহমদ আল-কোহান আল-ফাসি বর্ণনা করেছেন, এটি তাঁর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস; তিনি বলেন: আমার নিকট আবু জাইদ আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ আশ-শানকিতী আস-সিদ্দিকী বর্ণনা করেছেন এবং এটিই তিনি আমার নিকট বর্ণিত প্রথম হাদিস; তিনি সালিহ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফুল্লানি থেকে, তিনি বলেন: এটি তাঁর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস; তিনি মুহাম্মদ ইবনে সুন্নাহ আল-ফুল্লানি থেকে, তিনি বলেন: এটিই তিনি আমার নিকট বর্ণিত প্রথম হাদিস; তিনি মাওলাই আশ-শরিফ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ওয়ালাতি থেকে, তিনি বলেন: এটিই তিনি আমার নিকট বর্ণিত প্রথম হাদিস; তিনি মুহাম্মদ ইবনে আরকামাশ থেকে, তিনি বলেন: এটিই তিনি আমার নিকট বর্ণিত প্রথম হাদিস; তিনি হাফিজ শিহাব উদ্দিন আবু আল-ফজল আহমদ ইবনে আলী ইবনে হাজার আল-আসকালানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি (ইবনে হাজার) বলেন: এটিই তিনি আমার নিকট বর্ণিত প্রথম হাদিস।আমি বলেছি: এই সনদে ত্রুটি রয়েছে, কারণ শরিফ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ওয়ালাতি ‘মুসালসাল বিল আউয়ালিয়্যাহ’ হাদিসটি বা অন্য কোনো হাদিস মুহাম্মদ ইবনে আরকামাশ থেকে শ্রবণ করেননি, তাকে দেখেনওনি এবং তিনি তাকে কোনো বিশেষ ইজাজতও প্রদান করেননি। এমতাবস্থায় শরিফ মুহাম্মদ আল-ওয়ালাতির এই কথাটি কীভাবে সঠিক হতে পারে যে: "এটিই প্রথম হাদিস যা মুহাম্মদ ইবনে আরকামাশ হাফিজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন"?৭৪ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৫১৪ পৃষ্ঠা, ১২তম লাইনে ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-আমির আস-সানআনির জীবনীতে) এসেছে: যখন তাঁর সময়ে ওয়াহাবি মতাদর্শের প্রবর্তক মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের আবির্ভাব ঘটল, তখন তিনি একটি ঝংকৃত কবিতার মাধ্যমে তাঁর প্রশংসা করেন এবং তা তাঁর কাছে পাঠান। পরবর্তীতে যখন তাঁর কাছে এই সংবাদ পৌঁছাল যে, তিনি (মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব) পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে কাফির মনে করেন এবং যারা তাঁর মতাদর্শ গ্রহণ করবে না তাদের রক্ত প্রবাহিত করা বৈধ বলে ফতোয়া দেন, তখন তিনি সেই কবিতা এবং তাঁর প্রশংসা থেকে ফিরে আসেন। (সমাপ্ত)আমি বলেছি: আমি শায়খুল ইসলাম মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের অধিকাংশ রচনা পাঠ করেছি, কিন্তু লেখক যা বলেছেন তার কোনো প্রমাণ আমি তাতে পাইনি।৭৫ ــ এবং (১ম খণ্ড, ৫১৬ পৃষ্ঠা, ৯ নম্বর লাইন ও তৎপরবর্তী অংশে) এসেছে: আমি এসকল পূর্বাঞ্চলীয় আলেমদের সকলের সাথেই সম্পৃক্ত ছিলাম, কেবল শায়খ বদর উদ্দিন ব্যতীত; কারণ আমি তাঁর সাথে দামেস্কে সাক্ষাৎ করেছি এবং জুমার দিন উমাইয়া মসজিদে তাঁর পাঠদানে উপস্থিত হয়েছি, তবে আমি তাঁর থেকে ইজাজত প্রার্থনা করিনি, কারণ আমি তাঁর নিকট বুরহান আস-সাক্কা ব্যতীত অন্য কারো থেকে কোনো বর্ণনা পাইনি। (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুল মাজালিস ফিত তালীকাতি আলা ফিহরিসিল ফাহারিস
(পৃষ্ঠা: ২৯)
قلت: محدث الشام بدرالدين بن يوسف المغربي الأصل الدمشقي المولدوالوفاة، ولدسنة (1267هـ) وتوفي سنة (1354هـ) يروي عامة عن أبيه المحدث المسنديوسف بن بدرين المغربي ثم الدمشقي المتوفى سنة (1279هـ) وقيل سنة (1278هـ) ، والبرهان ابراهيم السقاالأزهري (ت1298هـ) والعلامة السيدعبد القادربن صالح بن عبد الرحيم الخطيب الدمشقي الشافعي (1215 ــ 1288هـ) وغيرهم من الشيوخ، وأماقول المؤلف: لم أستجزه لأني لم أجد عنده رواية عن غيرالبرهان السقا، فهذا وهم أوتجاوزمنه، وهل المؤلف الكتاني سأله عن شيوخه؟ كلا، وقدوقفت على إجازة السيدعبد القادرالخطيب للشيخ بدرالدين بن يوسف في آخرثبت مجيزناالسيدمحمدصالح الخطيب الدمشقي، وقال لي بعض تلاميذه أن الشيخ بدرالدين أجازه جماعة من أهل الشام والحجازومصروغيرهم0 والله تعالى أعلم076 ــ وجاءفي (ج1 ص 541سطر20 وبعده) : وأنبأناالمسندنورالحسنين بن محمدحيدرالأنصاري الحيدر ابادي كتابة من الهند عن شيخ والده قاضي مكة عبد الحفيظ العجيمي بإجازته لأبيه وأولاده عنه (أي عن الحافظ مرتضىالزبيدي المصري) ؛ ح: وأنبأنا أعلى من ذلك كله الشهاب أحمدبن صالح السويدي البغدادي في إجازته إلي من مكة عام 1321 عنه (أي عندالحافظ مرتضى الزبيدي) بإعتبار إجازته لجده وأولاده وأحفاده0 أهـ0قلت: نورالحسنين عن أبيه محمدحيدر عن عبد الحفيظ العجيمي، وهذاأجود، وأما رواية الشهاب أحمدالسويدي عن الحافظ مرتضى الزبيدي، فيه نظر، لأن السويدي هذا لم يدرك حياة الحافظ الزبيدي، فكيف يروي عنه، وأما قول المؤلف: بإعتبارإجازته لجده وأولاده وأحفاده: قلت: هذاالإعتبار يعتدبه لوكان الشهاب السويدي أدرك حياة الحافظ مرتضى الزبيدي، وعندما لم يدرك حياته فلا يعتدبه0والله تعالى أعلم077 ــ وجاء في (ج2 ص550سطر1) : وأخذابن مقبل هذا أيضا عن الحجارعالياً كمافي ثبت الفلاني0 أهـ0
আমি বলব: শামের মুহাদ্দিস বদরুদ্দীন বিন ইউসুফ, যাঁর মূল নিবাস মাগরিব (মরক্কো), জন্ম ও মৃত্যু দিমাশকে (দামেস্ক)। তিনি (১২৬৭ হিজরী) সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং (১৩৫৪ হিজরী) সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সাধারণত তাঁর পিতা মুসনিদ মুহাদ্দিস ইউসুফ বিন বদরাইন আল-মাগরিবী অতঃপর আদ-দিমাশকী (মৃত্যু ১২৭৯ হিজরী, মতান্তরে ১২৭৮ হিজরী), বুরহান ইবরাহীম আস-সাক্কা আল-আযহারী (মৃত্যু ১২৯৮ হিজরী) এবং আল্লামা সায়্যিদ আব্দুল কাদির বিন সালিহ বিন আব্দুর রহীম আল-খাতীব আদ-দিমাশকী আশ-শাফিয়ী (১২১৫–১২৮৮ হিজরী) ও অন্যান্য শায়খদের থেকে বর্ণনা করেন। আর গ্রন্থকারের এই উক্তি: "আমি তাঁর থেকে ইজাযত (অনুমতি) গ্রহণ করিনি কারণ আমি বুরহান আস-সাক্কা ছাড়া অন্য কারও থেকে তাঁর বর্ণনা পাইনি", এটি একটি ভ্রম অথবা তাঁর পক্ষ থেকে অতিরঞ্জন। গ্রন্থকার আল-কাত্তানী কি তাঁকে তাঁর শায়খদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন? মোটেও না। আমি আমাদের ইজাযতদাতা সায়্যিদ মুহাম্মদ সালিহ আল-খাতীব আদ-দিমাশকীর বর্ণনাসূত্র সংকলনের (সাবাত) শেষে শেখ বদরুদ্দীন বিন ইউসুফের প্রতি সায়্যিদ আব্দুল কাদির আল-খাতীবের প্রদত্ত ইজাযতটি দেখেছি। তাঁর জনৈক ছাত্র আমাকে বলেছেন যে, শেখ বদরুদ্দীনকে শাম, হিজাজ, মিশর ও অন্যান্য অঞ্চলের একদল আলেম ইজাযত প্রদান করেছেন। আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে ভালো জানেন।৭৬—এবং (১ম খণ্ড, ৫৪১ পৃষ্ঠা, ২০তম লাইন ও পরবর্তী অংশে) এসেছে: "এবং মুসনিদ নূরুল হাসনাইন বিন মুহাম্মদ হায়দার আল-আনসারী আল-হায়দারাবাদী ভারত থেকে লিখিতভাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতার শায়খ মক্কার কাযী আব্দুল হাফীয আল-উজাইমী থেকে, তিনি (অর্থাৎ হাফেয মুরতাযা আয-যাবীদী আল-মিসরী) থেকে তাঁর পিতা ও সন্তানদের অনুকূলে প্রদত্ত ইজাযতের সূত্রে; (বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন): এর চেয়েও উচ্চতর সনদে আশ-শিহাব আহমদ বিন সালিহ আস-সুওয়াইদী আল-বাগদাদী ১৩২১ হিজরীতে মক্কা থেকে প্রেরিত তাঁর ইজাযতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি (অর্থাৎ হাফেয মুরতাযা আয-যাবীদী) থেকে তাঁর দাদা, সন্তান ও নাতিদের অনুকূলে প্রদত্ত ইজাযতের ভিত্তিতে।" সমাপ্ত।আমি বলব: নূরুল হাসনাইন তাঁর পিতা মুহাম্মদ হায়দার থেকে, তিনি আব্দুল হাফীয আল-উজাইমী থেকে—এটি অধিকতর শক্তিশালী। তবে হাফেয মুরতাযা আয-যাবীদী থেকে শিহাব আহমদ আস-সুওয়াইদীর বর্ণনাটি পর্যালোচনার দাবি রাখে, কারণ এই সুওয়াইদী হাফেয আয-যাবীদীর জীবদ্দশা পাননি, সুতরাং তিনি কীভাবে তাঁর থেকে বর্ণনা করবেন? আর গ্রন্থকারের উক্তি: "তাঁর দাদা, সন্তান ও নাতিদের অনুকূলে প্রদত্ত ইজাযতের ভিত্তিতে"; আমি বলব: এই বিষয়টি তখনই ধর্তব্য হতো যদি শিহাব আস-সুওয়াইদী হাফেয মুরতাযা আয-যাবীদীর জীবদ্দশা পেতেন। যেহেতু তিনি তাঁর জীবদ্দশা পাননি, তাই এটি ধর্তব্য হবে না। আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে ভালো জানেন।৭৭—এবং (২য় খণ্ড, ৫৫০ পৃষ্ঠা, ১ম লাইন)-এ এসেছে: "এবং এই ইবনে মুকবিল আল-হাজ্জার থেকেও উচ্চতর সনদে বর্ণনা গ্রহণ করেছেন যেমনটি আল-ফুলানীর বর্ণনাসূত্র সংকলনে (সাবাত) উল্লেখ রয়েছে।" সমাপ্ত।