(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: -)
ثبت مؤلفات الألباني   (عبد الله الشمراني)

القسم: فهارس الكتب والأدلة


الكتاب: ثبت مؤلفات الألباني

المؤلف: عبد الله بن محمد الشمراني

الناشر: دار ابن الجوزي - الدمام

الطبعة: الأولى، 1422هـ

[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 109

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আলবানীর রচনাবলির তালিকা   (আবদুল্লাহ আশ-শামরানী)

বিভাগ: গ্রন্থতালিকা ও নির্দেশিকা


গ্রন্থ: আলবানীর রচনাবলির তালিকা

লেখক: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আশ-শামরানী

প্রকাশক: দার ইবনুল জাওযি - দাম্মাম

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২২ হিজরি

[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত এবং মুদ্রিত কপির সাথে মিল নেই]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৯

শামিলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১)
"ثَبَتُ"

مُؤلَّفَاتِ الْمُحَدِّثِ الْكَبِيرِ الإِمَامِ:

مُحَمَّدٍ نَاصِرِ الدِّينِ الأَلْبَانِيّ الأَرْنَؤوطِيّ

(1332 ـ 1420هـ) رحمه الله

 

[قَائِمَةٌ شَامِلَةٌ لِـ: كُتُبِهِ، وَلِمَنْ كَتَبَ عَنْهُ، مِمَّنْ وَافَقَهُ، أَوْ خَالَفَهُ]

مع بيان سِمات كتبه، ومنهجه في التصنيف

جَمَعَهَا وَأَعَدَّهَا

عَبْدُاللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْشَّمْرَانِيّ

 

‌‌[المقدمة]

بسم الله الرحمن الرحيم

إنَّ الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مُضل له، ومن يُضلل فلا هادي له، وأشهد أنْ لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أنَّ محمداً عبده ورسوله.

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَاّ وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ (102) } [آل عمران] . {يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً (1) } [النساء] . {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيداً (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِيماً (71) } [الأحزاب] .

أما بعد (1) :

--------------------------------------------

(1) هذه هي خطبة الحاجة التي كان النبي صلى الله عليه وسلم يعلمها أصحابه رضي الله عنهم، وهي في الابتداء عامة، في خطبة النكاح، وغيرها، وهي مروية عن: ابن مسعود، وأبي موسى الأشعري، وابن عباس، وغيرهم رضي الله عنهم.

وقد أخرجها: أحمد، وأبو داود، والنسائي، والترمذي، وغيرهم.

انظرها مخرجة، تخريجاً، علمياً، متقناً، في جزء حديثي، باسم:

"خطبة الحاجة" لفضيلة محدث الأمة: محمد ناصر الدين الألباني رحمه الله.
"রচনাবলির তালিকা"

মহান মুহাদ্দিস ইমামের রচনাসমূহ:

মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী আল-আরনাউতি

(১৩৩২ - ১৪২০ হিজরি) রহিমাহুল্লাহ

 

[একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা: তাঁর রচিত কিতাবসমূহ এবং তাঁর সম্পর্কে যারা লিখেছেন—চাই তারা তাঁর সাথে একমত পোষণকারী হোন বা ভিন্নমত পোষণকারী]

তাঁর কিতাবসমূহের বৈশিষ্ট্য এবং গ্রন্থ রচনায় তাঁর পদ্ধতির বর্ণনাসহ

সংগ্রহ ও প্রস্তুতিতে

আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-শামরানি

 

‌‌[ভূমিকা]

পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও রাসুল।

{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না (১০২)} [আলে ইমরান] । {হে মানবকুল! তোমরা তোমাদের সেই প্রতিপালককে ভয় করো যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটিমাত্র সত্তা থেকে এবং তা থেকে সৃষ্টি করেছেন তার জোড়াকে এবং তাদের দু’জন থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় করো যাঁর দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের নিকট চেয়ে থাকো এবং সতর্ক থাকো রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা বন্ধন অটুট রাখতে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন (১)} [নিসা] । {হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করবে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য অর্জন করবে (৭১)} [আহজাব] ।

অতঃপর (১) :

--------------------------------------------

(১) এটি হলো 'খুতবাতুল হাজাহ' (প্রয়োজনীয় খুতবা), যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের শিক্ষা দিতেন। এটি প্রারম্ভিক আলোচনার ক্ষেত্রে সাধারণ, তা বিবাহের খুতবা হোক কিংবা অন্য কিছু। এটি ইবনে মাসউদ, আবু মুসা আল-াশ'আরি, ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম এবং অন্যদের থেকে বর্ণিত হয়েছে।

এটি সংকলন করেছেন: আহমাদ, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিজি এবং আরও অনেকে।

উম্মাহর মহান মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী রহিমাহুল্লাহ-এর "খুতবাতুল হাজাহ" নামক হাদিসের পুস্তিকায় এর নিখুঁত ও সূক্ষ্ম ইলমী তাহকীক দেখুন।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২)
فهذا "ثَبَتٌ" (1) بما وقفتُ عليه من:

مؤلفات، وتحقيقات، وتخريجات، وتعليقات، وردود، ومقالات، وفهارس محدث عصره:

الإمام، المجاهد بقلمه (2) :

أبي عبد الرحمن، محمد ناصر الدين بن الحاج نوح بن نجاتي بن آدم، الأشقودري (3) ، الألباني، الأرنؤوطي (4) .

الحنفي (قديماً) (5) ، ثم الإمام المجتهد (بعد) .

المولود بـ: "أشقودرة"، عام: (1332هـ) .

والمتوفى بـ: "عمَّان "، عام (1420هـ) .

وقد نشرْته ـ لأوّل مرة ـ في أوّل سنة (1421هـ) ، فلاقى قبولاً حسناً، ولله الحمد والمنة.

وقد وضعت عنواني في "النشرة" حتى يتسنى لمن لديه استدراك أن يراسلني وحصل ذلك ولله الحمد.

وقد عزمت أمري على إخراجه مرة ثانية، بزياداتٍ ـ كثيرةٍ ـ لم تكن في "النشرةِ الأولى"، وغيَّرت في صورته العامة، حتى خرج بهذه الصورة.

‌‌[خطة البحث]

قسمت البحث إلى: مقدمة، وخمسة فصول، وملاحق، على النحو الآتي:

المقدمة: وذكرت فيها:

ـ خطة البحث.

ـ مصادر "الثَّبَت": وذكرت فيه: المصادر التي رجعت إليها في ذكر مؤلفات الشيخ رحمه الله.

الفصل الأوّل: مصادر ترجمة الشيخ رحمه الله.

الفصل الثاني: "ثَبَت" الشيخ.

وهو مقصودي من هذا العمل.

وفيه تمهيد، وأربعة مباحث:

التمهيد: وذكرت فيه المنهج الذي سرت عليه في: "الثَبَت".

المبحث الأوّل: "ثَبَت" مؤلفاتِ الشيخ.

--------------------------------------------

(1) "ثَبَتٌ" بالتحريك، أمَّا "الثَّبْت" بالسكون فمن ألفاظ التعديل. انظر: ''فهرس الفهارس'' (1/68 ـ 69) للكتاني.

(2) هذا هو الغالب في حياة الشيخ، وإلا فقد كان مجاهداً بلسانه، ومناظراً لأهل البدع، وكانت له دروسه المشهودة في: العقيدة، والحديث، والفقه.

(3) ''أشقودرة'' عاصمة ''ألبانيا''، وبها ولد الشيخ رحمه الله، بل كان ينتسب إليها (قديماً) ، كما في هامش: ''الرد العلمي على حبيب الرحمن الأعظمي'' (ص 64) .

(4) انظر (ص 15) .

(5) كان الشيخ ـ قديماً ـ ينتسب إلى مذهب ''الحنفية''، وانظر (ص 16) .
এটি একটি "সাবাত" (রচনাবলির তালিকা) (১) যার সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি সে বিষয়ে:

তাঁর যুগের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসের রচনা, গবেষণা, তাখরিজাত (হাদিস সূত্রায়ন), টীকা-টিপ্পনী, খণ্ডনমূলক জবাব, প্রবন্ধ ও নির্ঘণ্টসমূহ:

ইমাম, তাঁর কলম দ্বারা জিহাদকারী (২):

আবু আব্দুর রহমান, মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন বিন আল-হাজ নুহ বিন নাজাতি বিন আদম, আল-আশকুন্দরী (৩), আল-আলবানি, আল-আরনাউতি (৪)।

হানাফি (পূর্বে) (৫), এরপর ইমাম মুজতাহিদ (পরবর্তীতে)।

জন্মগ্রহণ করেছেন: "আশকুন্দরা" শহরে, বছর: (১৩৩২ হিজরি)।

ইন্তেকাল করেছেন: "আম্মান" শহরে, বছর (১৪২০ হিজরি)।

এবং এটি আমি প্রথমবার প্রকাশ করেছিলাম ১৪২১ হিজরি সনের শুরুতে, যা অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছে, আল্লাহরই যাবতীয় প্রশংসা ও অনুগ্রহ।

এবং আমি "প্রকাশনাটিতে" আমার ঠিকানা প্রদান করেছিলাম যাতে কারো কোনো সংশোধনী বা সংযোজন থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং তা সম্পন্ন হয়েছে, আল্লাহরই সকল প্রশংসা।

এবং আমি এটি দ্বিতীয়বার প্রকাশের সংকল্প করেছি, অনেক সংযোজনীসহ যা "প্রথম প্রকাশনাটিতে" ছিল না, এবং এর সাধারণ অবয়বেও পরিবর্তন এনেছি, ফলে এটি এই রূপে প্রকাশিত হলো।

‌‌[গবেষণার রূপরেখা]

আমি গবেষণাকে নিম্নোক্তভাবে বিভক্ত করেছি: ভূমিকা, পাঁচটি অধ্যায় এবং পরিশিষ্টসমূহ:

ভূমিকা: এতে আমি উল্লেখ করেছি:

— গবেষণার রূপরেখা।

— "সাবাত"-এর উৎসসমূহ: এতে আমি উল্লেখ করেছি সেই উৎসসমূহ যেগুলোর ওপর শাইখের (রহিমাহুল্লাহ) রচনাবলি উল্লেখে আমি নির্ভর করেছি।

প্রথম অধ্যায়: শাইখের (রহিমাহুল্লাহ) জীবনীর উৎসসমূহ।

দ্বিতীয় অধ্যায়: শাইখের "সাবাত" (রচনাবলির তালিকা)।

এবং এটিই এই কর্মের মূল উদ্দেশ্য।

এতে রয়েছে একটি উপক্রমণিকা ও চারটি অনুচ্ছেদ:

উপক্রমণিকা: এতে আমি "সাবাত" বা তালিকা প্রণয়নে যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি তা উল্লেখ করেছি।

প্রথম অনুচ্ছেদ: শাইখের রচনাবলির "সাবাত" বা তালিকা।

--------------------------------------------

(১) "সাবাত" হরকতসহ (বা-এর ওপর জবরসহ), আর "সাবত" সাকিনসহ হলে তা 'তাদিল' বা নির্ভরযোগ্যতা প্রকাশের শব্দাবলির অন্তর্ভুক্ত। দেখুন: কাত্তানির 'ফিহরিসুল ফাহারিস' (১/৬৮-৬৯)।

(২) শাইখের জীবনে এটিই ছিল প্রধান দিক, নতুবা তিনি তাঁর জবান দ্বারাও জিহাদকারী ছিলেন এবং বিদআতিদের সাথে বিতর্ককারী ছিলেন। আকিদা, হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর প্রসিদ্ধ দরসসমূহ ছিল।

(৩) 'আশকুন্দরা' আলবেনিয়ার রাজধানী, এখানেই শাইখ (রহিমাহুল্লাহ) জন্মগ্রহণ করেছেন। বরং তিনি (পূর্বে) এর সাথেই নিজেকে সম্পৃক্ত করতেন, যেমনটি 'আর-রাদ্দুল ইলমি আলা হাবিবুর রহমান আল-আ'জমি' (পৃ. ৬৪)-এর টীকায় রয়েছে।

(৪) দেখুন (পৃ. ১৫)।

(৫) শাইখ পূর্বে 'হানাফি' মাজহাবের অনুসারী ছিলেন, দেখুন (পৃ. ১৬)।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৩)
المبحث الثاني: ”تتمةٌ” حول ”مؤلفات” الشيخ.

المبحث الثالث: تنبيه على ما ذكره الشيباني في: ”حياة الألباني”، فيما يتعلق بـ: ”ردود” الشيخ.

المبحث الرابع: سِمَات كتب الشيخ.

الفصل الثالث: ”مقالات” الشيخ.

مدخلٌ لـ: ”مقالاتِ” الشيخ.

”مقالاتُ” الشيخ.

الفصل الرابع: كتبٌ اهتمت بِعِلْمِ الشيخ، وبيان منهجه.

الفصل الخامس: كتبٌ اهتمت بـ: بالرَّدِّ على الشيخ رحمه الله، أو بالاستدراك عليه، أو بتعقبه في مسألة (أو مسائل) يخالفه مؤلفوها فيها.

الملاحق:

الملحق الأوّل: نماذج من ”خطِّ” الشيخ رحمه الله.

الملحق الثاني: ”تنبيهٌ” حول ما ورد في آخر كتيب: ”مجمل مسائل الإيمان العلمية”.

الملحق الثالث: ذكر فتاوى العلماء حول بعض الكتب.

الفهرس.

ثم عرضت هذا العمل ـ بعد الانتهاء منه ـ على بعض الأفاضل، للاستدراك والتعقيب؛ ومنهم:

فضيلة الشيخ: عبد الله بن مانع العتيبي، حَفِظَهُ اللهُ.

فأفادوني كثيراً، جزاهم الله خيراً.

ولا يفوتني أنْ أشكر أخانا الفاضل الكريم:

عبد العزيز بن عبد الله الغانم حَفِظَهُ اللهُ، لما قام به من مراجعةٍ عامة للكتاب في صورته النهائية.

وكما أشكر كل من كان له دورٌ في إتمام هذا العمل، وعلى رأسهم أخونا الشيخ الفاضل: ياسر بن عبد العزيز الثميري وفقه الله، الذي كان حريصاً على إصدار ”الثَّبَت”؛ لما فيه من خدمة جليلة لِعِلْمِ محدِّثِ الأمة الشيخ الألباني رحمه الله.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শাইখের “রচনাবলি” সংক্রান্ত একটি “পরিশিষ্ট”।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: “হায়াতুল আলবানি” গ্রন্থে আশ-শাইবানি শাইখের “খণ্ডনসমূহ” সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন, সে বিষয়ে একটি সতর্কবার্তা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: শাইখের বইসমূহের বৈশিষ্ট্যসমূহ।

তৃতীয় অধ্যায়: শাইখের “প্রবন্ধাবলি”।

শাইখের “প্রবন্ধাবলি”র উপক্রমণিকা।

শাইখের “প্রবন্ধাবলি”।

চতুর্থ অধ্যায়: শাইখের ইলম এবং তাঁর মানহাজ (পদ্ধতি) বর্ণনার বিষয়ে লিখিত গ্রন্থসমূহ।

পঞ্চম অধ্যায়: শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর খণ্ডন, তাঁর ওপর টিকা বা সংশোধন, অথবা এমন কোনো মাসআলায় (বা মাসায়েলসমূহে) তাঁর পর্যালোচনা করে লিখিত গ্রন্থসমূহ, যেখানে লেখকরা তাঁর সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন।

পরিশিষ্টসমূহ:

প্রথম পরিশিষ্ট: শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর “হস্তলিপির” নমুনা।

দ্বিতীয় পরিশিষ্ট: “মুজমাল মাসাইলুল ইমান আল-ইলমিয়্যাহ” পুস্তিকার শেষে যা বর্ণিত হয়েছে, সে বিষয়ে একটি “সতর্কবার্তা”।

তৃতীয় পরিশিষ্ট: কিছু গ্রন্থ সম্পর্কে উলামায়ে কেরামের ফতোয়া উল্লেখ।

সূচিপত্র।

অতঃপর এই কাজটি সমাপ্ত করার পর আমি তা সংশোধন ও পর্যালোচনার জন্য কয়েকজন গুণী ব্যক্তির নিকট পেশ করি; তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:

শাইখ আব্দুল্লাহ বিন মানি আল-উতাইবি (হাফিজাহুল্লাহ)।

তাঁরা আমাকে অনেক উপকৃত করেছেন, আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

সেই সঙ্গে আমাদের সম্মানিত ও দয়ালু ভাইকেও ধন্যবাদ জানাতে ভুলছি না:

আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আল-গানিম (হাফিজাহুল্লাহ), গ্রন্থটির চূড়ান্ত রূপরেখার ওপর সাধারণ পর্যালোচনার জন্য।

সেইসাথে এই কাজটি সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে যাদের অবদান রয়েছে তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, বিশেষ করে আমাদের শ্রদ্ধেয় ভাই শাইখ ইয়াসির বিন আব্দুল আজিজ আস-সুমাইরি (ওয়াফফাকাহুল্লাহ), যিনি এই “আস-সাবাত” প্রকাশের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন; কারণ এতে এই উম্মতের মুহাদ্দিস শাইখ আলবানি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ইলমের এক মহৎ খিদমত নিহিত রয়েছে।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৪)
وأخيراً فما في هذا "الثَّبَت"، هو كل ما وقفت عليه من مؤلفات الشيخ الألباني رحمه الله، بعد تعبٍ، وجهدٍ، وقد يكون فاتني شيءٌ، فلم أسعد بصحبة الشيخ رحمه الله وأنا بعيدٌ عنه (1) ، ولا أعلمُ من كتبه سوى المطبوع، ولكن أسأل الله أن يكون جمعي قريباً من الكمال، ومن وجد على هذا "الثَّبَت" استدراكاً، أو تعليقاً، فليرسله إليّ مشكوراً مأجوراً، إنْ شاء الله.

وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ.

أعدَّه:

أبو محمد، عبد الله بن محمد، الحوالي الشمراني

الرياض [ص. ب: 103871 ـ الرمز: 11616]

 

‌‌[مصادر "الثَّبَت"]

تتبعت مؤلفات الشيخ رحمه الله من المصادر الآتية:

(1) مكتبتي الخاصة، حيث إنَّني ـ كعامة طلبة العلم ـ حريصٌ على اقتناء كتب الشيخ أوّلاً بأوّل.

(2) مقدمات كتب الشيخ، وقد ذكر الكثير منها في مقدمة: "صحيح سنن ابن ماجه" (1/ط ـ ك) .

وقبل ذلك في مقدمة: "صحيح الجامع" (1/58 ـ 60) .

وفي بطون "كتبه" الإشارة إلى كثيرٍ منها.

(3) وبينما أنا أتصفح أحد المواقع في الشبكة العنكبوتية "الإنترنت" وجدتُ أنَّ أحد الإخوة ذكرَ الكثيرَ مِن كتبِ الشيخ، فأجادَ وأفادَ، وفاته الكثير، وقد استفدت منه.

(4) كما استفدت من كتاب: "حياة الألباني"، للشيباني كثيراً.

(5) وسردَ الدكتور: عاصم بن عبد الله القريوتي، في: "كوكبة من أئمة الهدى" عدداً كبيراً من مؤلفاته، فاستفدت منه أيضاً.

(6) وبعد صدور الكتاب في "نشرته" الأولى علمت بأنَّ علي بن حسن قام بسرد مصنفات الشيخ في: "الأصالة" في العددين (21 ـ 22) (1) ، ولم أكنْ قد اطلعت عليه من قبل، فقمت بمقابلة ما جمعته على العددين المذكورين، فاستفدت مما زاد.

[تنبيه] :

ذكري لهذه "المصادر" هنا؛ يغني عن الإحالة إليها عند سرد مصنفات الشيخ، فمنها أنقل.

وأحياناً أسمي مصدراً منها، بقصد التنبيه على شيء سأذكره عن الكتاب.

والله الموفق.

**********

--------------------------------------------

(1) وأسأل الله سبحانه وتعالى أنْ يجمعني به {فِي جَنَّاتٍ وَنَهَرٍ (54) فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِنْدَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍ (55) } [القمر] .
পরিশেষে, এই "তালিকায়" যা কিছু আছে, তা শায়খ আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর সংকলনসমূহের মধ্যে আমি দীর্ঘ ক্লান্তি ও প্রচেষ্টার পর যা পেয়েছি তার সবটুকু। হতে পারে আমার থেকে কিছু বাদ পড়েছে, কেননা শায়খের সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য আমার হয়নি এবং আমি তাঁর থেকে দূরে ছিলাম (১)। তাঁর মুদ্রিত গ্রন্থসমূহ ব্যতীত অন্য কিছু সম্পর্কে আমার জানা নেই। তবে আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন আমার এই সংগ্রহ পূর্ণতার কাছাকাছি হয়। কেউ যদি এই "তালিকায়" কোনো সংশোধন বা মন্তব্য পান, তবে তা যেন কৃতজ্ঞতা ও সওয়াবের আশায় আমার কাছে পাঠিয়ে দেন, ইনশাআল্লাহ।

সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য, এবং সালাম বর্ষিত হোক রাসূলগণের ওপর।

প্রস্তুতকারী:

আবু মুহাম্মাদ, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ, আল-হাওয়ালি আশ-শামরানি

রিয়াদ [পোস্ট বক্স: ১০৩৮৭১ — কোড: ১১৬১৬]

 

‌‌[তালিকায় ব্যবহৃত উৎসসমূহ]

আমি শায়খের (রাহিমাহুল্লাহ) সংকলনসমূহ নিম্নোক্ত উৎসসমূহ থেকে অনুসন্ধান করেছি:

(১) আমার ব্যক্তিগত লাইব্রেরি, যেহেতু আমি—সাধারণ ইলম অন্বেষণকারীদের মতো—শায়খের বইগুলো প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই সংগ্রহ করতে আগ্রহী।

(২) শায়খের বইগুলোর ভূমিকা; এর মধ্যে অনেকগুলোর কথা তিনি "সহীহ সুনানে ইবনে মাজাহ" (১/ত্ব-কাফ)-এর ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন।

আর তার আগে "সহীহুল জামি" (১/৫৮-৬০)-এর ভূমিকায়।

এছাড়া তাঁর বিভিন্ন কিতাবের ভেতরে অনেকগুলোর দিকে ইঙ্গিত রয়েছে।

(৩) যখন আমি ইন্টারনেটের একটি সাইট ব্রাউজ করছিলাম, তখন দেখলাম যে জনৈক ভাই শায়খের অনেকগুলো বইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি অত্যন্ত চমৎকারভাবে এবং উপকারী তথ্য প্রদান করেছেন, যদিও তাঁর থেকে অনেক কিছু বাদ পড়েছিল, তবে আমি তাঁর থেকে উপকৃত হয়েছি।

(৪) শায়বানি রচিত "হায়াতুল আলবানী" কিতাব থেকেও আমি অনেক উপকৃত হয়েছি।

(৫) ডক্টর আসিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কারিউতি তাঁর "কাওকাবাতুম মিন আইম্মাতিল হুদা" গ্রন্থে শায়খের বিপুল সংখ্যক সংকলনের বর্ণনা দিয়েছেন, আমি সেখান থেকেও উপকৃত হয়েছি।

(৬) বইটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশের পর আমি জানতে পারি যে, আলি বিন হাসান "আল-আসালাহ" পত্রিকার ২১-২২ সংখ্যায় শায়খের রচনাবলি তালিকাভুক্ত করেছেন। এর আগে আমি তা দেখিনি। তখন আমি আমার সংগৃহীত তথ্যগুলোকে উল্লিখিত দুই সংখ্যার সাথে মিলিয়ে দেখি এবং যা অতিরিক্ত পেয়েছি তা থেকে উপকৃত হই।

[সতর্কবার্তা] :

এখানে এই "উৎসগুলো" উল্লেখ করার মাধ্যমে শায়খের রচনাবলি বর্ণনার সময় সেগুলোর প্রতি আলাদাভাবে উদ্ধৃতি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দূর হয়েছে, কারণ আমি এগুলো থেকেই তথ্য গ্রহণ করছি।

কখনও কখনও আমি এর মধ্য থেকে কোনো নির্দিষ্ট উৎসের নাম উল্লেখ করব সেই কিতাব সম্পর্কে কোনো বিশেষ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যে।

আল্লাহই তাওফীক দানকারী।

**********

--------------------------------------------

(১) আমি মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে তাঁর সাথে জান্নাতে ও ঝরনাধারায় একত্রিত করেন (৫৪), সত্যের আসনে, সর্বশক্তিমান অধিপতির সান্নিধ্যে (৫৫) [সূরা আল-কামার]।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌الفصل الأوّل مصادر ترجمة الشيخ رحمه الله

[مصادر ترجمة الشيخ رحمه الله]

أفنى العلامة الألباني رحمه الله حياته في خدمة حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم، جمعاً، وتخريجاً، ودراسة، وتصحيحاً، وتضعيفاً.

فكانت سيرته مؤهلة لأنْ تكون أرضاً خصبة، لمن أراد أن يكتب لنموذج من النماذج الإسلامية، التي تُذّكرُه بالسلف الصالح، واجتهادهم في الدفاع عن حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم.

وقد حظي "محدث عصره" بعددٍ لا بأس به من الكتب التي تناولت سيرته، أو جوانب منها، ولكن ـ وللأسف الشديد ـ الأمرَ ما زال بحاجة إلى عناية أكثر، ومن أجمل ما وقفت عليه كتاب: "حياة الألباني وآثاره وثناء العلماء عليه"؛ للشيباني وسيأتي الكلام عليه.

إنَّ … حياةَ الألباني رحمه الله مليئةٌ بالكثير من الأحداث المثيرة، والتي هي بحاجة إلى دراسة بعمق، وتأنٍ لاستخلاص ما فيها من الدروس والعبر.

وهذه بعض النقاط التي يمكن أن تحتويها دراسة حياة الشيخ رحمه الله:

(1) إنَّ الشيخ أعجمي الأصل من: "ألبانيا"، وشعب "الألبان" ينتمي إلى "الأرنؤوط"، وقد هاجر مع أبيه "الحاج نوح" رحمه الله، إلى: "الشام".

فكيف أصبح هذا (الأعجمي) ، محدث وقته؟

وكيف أصبح مرجعاً لـ "الأمة الإسلامية" في معرفة صحيح الحديث وضعيفه؟

--------------------------------------------

(1) وعلى أنَّه فاته بعض الكتب، إلَاّ أنَّ جمعه يُعد أكمل ما وقفت عليه.
‌‌প্রথম অধ্যায়: শায়খের জীবনীর উৎসসমূহ আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন

[শায়খের জীবনীর উৎসসমূহ, আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন]

আল্লামা আলবানী (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের সংগ্রহ, উৎস অনুসন্ধান (তাখরীজ), অধ্যয়ন এবং হাদীসকে সহীহ ও যঈফ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার খিদমতে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেছেন।

ফলে তাঁর জীবনী এমন এক উর্বর ভূমিতে পরিণত হয়েছে তাদের জন্য, যারা এমন এক ইসলামী আদর্শ সম্পর্কে লিখতে চান যা সালাফে সালেহীন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস রক্ষায় তাঁদের কঠোর সাধনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

"সমসাময়িক যুগের মুহাদ্দিস" এমন বেশ কিছু কিতাব লাভ করেছেন যা তাঁর জীবনী বা এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, বিষয়টি এখনও আরও অধিক যত্ন ও পর্যালোচনার দাবি রাখে। আমি যা পেয়েছি তার মধ্যে শায়বানী রচিত "হায়াতুল আলবানী ওয়া আসারুহু ওয়া সানাউল উলামা আলাইহি" (আলবানীর জীবন, কর্ম এবং তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা) কিতাবটি অত্যন্ত চমৎকার, যার আলোচনা সামনে আসবে।

নিশ্চয়ই আলবানী (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)-এর জীবন এমন অনেক উদ্দীপনামূলক ঘটনায় পরিপূর্ণ, যা থেকে শিক্ষা ও উপদেশ আহরণের জন্য গভীর ও ধীরস্থির অধ্যয়ন প্রয়োজন।

শায়খের (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) জীবন পর্যালোচনায় যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, তার কিছু পয়েন্ট নিচে দেওয়া হলো:

(১) শায়খ ছিলেন অনারব বংশোদ্ভূত, তাঁর আদি নিবাস "আলবেনিয়া"। আর আলবেনীয় জাতি "আরনাউত" গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। তিনি তাঁর পিতা "আল-হাজ্জ নূহ" (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)-এর সাথে "শাম" (সিরিয়া) অভিমুখে হিজরত করেন।

তবে কীভাবে এই (অনারব) ব্যক্তিটি তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসে পরিণত হলেন?

এবং কীভাবে তিনি সহীহ ও যঈফ হাদীস চেনার ক্ষেত্রে "মুসলিম উম্মাহর" জন্য প্রধান নির্ভরস্থলে পরিণত হলেন?

--------------------------------------------

(১) যদিও এতে কিছু কিতাব বাদ পড়েছে, তবুও তাঁর এই সংকলনটি আমার দেখা কিতাবগুলোর মধ্যে সবচাইতে পূর্ণাঙ্গ বলে বিবেচিত হয়।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৬)
وكيف سلّم (العربُ) لـ: (أعجمي) القول بالتصحيح والتضعيف (1) ؟

(2) كان هذا الرجل ابناً لفقيهٍ حنفي، وكان هو كذلك حنفياً، تتلمذ على المذهب الحنفي (2) ، ثم أصبح محدثاًُ مجدداً.

فكيف كان ذلك؟

وكيف ترك سبيل الفقه (تقليداً) ، ليسلك طريق الحديث (اجتهاداً) ؟

وهل سلَّمَ له أبوه بذلك؟ أو دار بينهما خلاف؟

(3) خرج الشيخ في وقتٍ سيطرت فيه المذاهب على الأمة، فما من عالمٍ إلا وله مذهبٌ فقهي يسير عليه، ويفتي ـ تقليداً ـ من خلال أصوله.

فما موقفه من المتعصبين منهم؟ وما موقفهم منه؟

(4) كانت حياة الشيخ في: ”الشام”، وفيه الكثير من البدع، وأهلها، بل التقى برؤوس دعاتها.

فهل جاملهم على ما بينهم من خلاف؟

أو ناظرهم، وألَّف في الردِّ عليهم؟

وهل سكتوا عنه؟ أو كادوا له، وسجنوه؟

(5) كان الرجل فقيراً سلك مهنة النجارة، ثم تركها، واستقر به الأمر إلى إصلاح الساعات (3) ، وهي أسوأ مهنة من حيث الربح.

فيكف رضي بها؟ وكيف انتقل من مهنة إصلاح الساعات، إلى محدثٍ ضليع خضعت لعلمه الأمة؟

--------------------------------------------

(1) أجاب أحد الأفاضل عن هذا السؤال بقوله:

(كما سلَّمَت لـ: البخاري، ومسلم من قبل) .

(2) جاء في هامش: ’’الرد العلمي على حبيب الرحمن الأعظمي’’ (2/64) :

(إنَّ الناظر في بعض كتبه القديمة يرى أنَّه كتب عليها: ’’من كُتُبِ محمد ناصر الدين بن نوح، الحنفي مذهباً، الأشقودري مولداً’’) .

(3) تباً لمن نبزَ الشيخ بهذه المهنة، وغمَزَه بذلك، فوالذي لا إله غيره: إنَّ مصلح ساعاتٍ نقي العقيدة، خيرٌ عند الله مِمَّن ابتدع في دين الله، وأنكر صفاته، وأنكر أنَّ الله في السماء، مستوٍ على عرشه، بائن من خلقه، كما جاءت بذلك النصوص الصحيحة الصريحة، وخيرٌ من قبوري خَرِبٍ، جاحدٍ للتوحيد، مبغض لأهله، كائناً من كان.
এবং কীভাবে (আরবরা) একজন (অনারবের) নিকট সহিহ ও যয়িফ নির্ধারণের (১) বিষয়টি মেনে নিল?

(২) এই ব্যক্তি একজন হানাফি ফকিহের পুত্র ছিলেন এবং তিনিও তদ্রূপ হানাফি ছিলেন, হানাফি মাযহাব অনুযায়ী শিক্ষালাভ করেছিলেন (২), অতঃপর তিনি একজন মুজাদ্দিদ মুহাদ্দিস হলেন।

তো কীভাবে সেটি সম্ভব হলো?

এবং কীভাবে তিনি (তাকলিদ হিসেবে) ফিকহের পথ ত্যাগ করে (ইজতিহাদ হিসেবে) হাদিসের পথ অবলম্বন করলেন?

আর তার পিতা কি তার এই বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন? নাকি তাদের উভয়ের মধ্যে কোনো মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল?

(৩) শায়খ এমন এক সময়ে আবির্ভূত হলেন যখন উম্মতের ওপর মাযহাবসমূহ আধিপত্য বিস্তার করে ছিল, ফলে এমন কোনো আলেম ছিলেন না যার কোনো একটি ফিকহি মাযহাব ছিল না যার ওপর তিনি চলতেন এবং তার মূলনীতির আলোকে তাকলিদ স্বরূপ ফতোয়া দিতেন।

তো তাদের মধ্যকার গোঁড়াদের প্রতি তার অবস্থান কী ছিল? আর তার প্রতি তাদের অবস্থানই বা কী ছিল?

(৪) শায়খের জীবন অতিবাহিত হয়েছিল 'শাম' (সিরিয়া) অঞ্চলে, আর সেখানে প্রচুর বিদআত ও বিদআতি লোক ছিল, এমনকি তিনি বিদআতের বড় বড় প্রবক্তাদের সাথেও সাক্ষাৎ করেছিলেন।

তবে কি তিনি তাদের মধ্যকার বিদ্যমান মতপার্থক্য সত্ত্বেও তাদের সাথে তোষামোদ করেছিলেন?

নাকি তাদের সাথে বিতর্ক করেছিলেন এবং তাদের খণ্ডনে গ্রন্থ রচনা করেছিলেন?

আর তারা কি তার ব্যাপারে নিশ্চুপ ছিল? নাকি তারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল এবং তাকে কারারুদ্ধ করেছিল?

(৫) লোকটি দরিদ্র ছিলেন, তিনি কাঠমিস্ত্রির পেশা গ্রহণ করেছিলেন, অতঃপর তা ছেড়ে দেন এবং ঘড়ি মেরামতের (৩) কাজে স্থির হন, যা মুনাফার দিক থেকে অত্যন্ত নিম্নমানের পেশা।

তো কীভাবে তিনি এতে সন্তুষ্ট হলেন? এবং কীভাবে তিনি ঘড়ি মেরামতের পেশা থেকে এমন একজন প্রাজ্ঞ মুহাদ্দিসে পরিণত হলেন যার ইলমের কাছে উম্মত নত হয়েছে?

--------------------------------------------

(১) একজন সম্মানিত ব্যক্তি এই প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন:

(যেমনটি তারা ইতিপূর্বে বুখারি ও মুসলিমের বিষয়টি মেনে নিয়েছিল)।

(২) 'আর-রদ্দুল ইলমি আলা হাবিবুর রহমান আল-আজমি' (২/৬৪) গ্রন্থের টীকা অংশে এসেছে:

(নিশ্চয়ই কেউ যদি তার পূর্ববর্তী কিছু বইয়ের দিকে লক্ষ্য করে তবে সে দেখতে পাবে যে তিনি সেগুলোর ওপর লিখেছিলেন: 'মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন বিন নূহ-এর বইসমূহ হতে, মাযহাবে হানাফি, জন্মসূত্রে আশকোদরি')।

(৩) ধ্বংস সেই ব্যক্তির জন্য যে শায়খকে এই পেশার কারণে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছে এবং বিদ্রূপ করেছে। সেই সত্তার শপথ যার ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই: নিশ্চয়ই বিশুদ্ধ আকিদাবিশিষ্ট একজন ঘড়ি মেরামতকারী আল্লাহর নিকট সেই ব্যক্তির চেয়ে উত্তম যে আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে বিদআত সৃষ্টি করেছে, তাঁর গুণাবলি অস্বীকার করেছে এবং আল্লাহ আসমানে আছেন, তাঁর আরশের ওপর উঠেছেন ও তাঁর সৃষ্টিজগত থেকে আলাদা—এই বিষয়টি অস্বীকার করেছে, যেমনটি সহিহ ও সুস্পষ্ট দলিলসমূহে এসেছে; আর তিনি এমন ধ্বংসপ্রাপ্ত কবরপূজারীর চেয়েও উত্তম যে তাওহিদ অস্বীকার করে এবং তাওহিদপন্থিদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, সে যেই হোক না কেন।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৭)
(6) عُرِفَ الشيخ الألباني رحمه الله بقلة شيوخه (1) ، وبقلة إجازاته (2) .

فكيف استطاع أن يُلِّم بالعلوم، ولا سيما (علم الحديث) ، و (علم الجرح والتعديل) ، على صعوبته؟

--------------------------------------------

(1) من زعم بأنَّ الشيخ الألباني ليس له شيوخ؛ فقد كَذَبَ ورب الكعبة.

(2) قد يطعن البعض في الشيخ الألباني بأنَّه قليل الإجازات، وهذا ليس بمطعن إذ الإجازات أمرٌ ليس بالضروري في العصور المتأخرة؛ نظراً لقلة ـ أو انعدام ـ السماع عند المشايخ الذي هو أصل الإجازات.

وعلماء الأمة في العصر الحاضر لم يعنوا بالإجازات كعناية العلماء السابقين أصحاب السماع والقراءة؛ ومن هؤلاء:

الإمامان الجليلان: عبد العزيز بن عبد الله آل باز، ومحمد بن صالح العثيمين رَحِمَهُمَا اللهُ.

والعلامة الدكتور: عبد الله بن عبد الرحمن الجبرين حَفِظَهُ اللهُ.

وكذلك أكثر المشايخ كان على ذلك، والحمد لله رب العالمين.

وأعرف من تجاوزت إجازاتهم المائة بكثير، وهم ينفون عن الله ما أثبته لنفسه في ’’كتابه’’، وما أثبته له نبيه صلى الله عليه وسلم.

ويقولون بأمور لم يأتِ بها الشرع، ولم تثبتْ بها الأدلة.

بل أعرف أناساً عندهم عشرات الإجازات، وبأسانيد عالية، وهم يقولون:

(إنَّ الله في كل مكان) .

{سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يَقُولُونَ عُلُوًّا كَبِيرًا (43) } [الإسراء] .

وكَثْرَةُ الإجازات في (عصرنا) ليست دليلاً على شيء، سوى أنَّها (وصلة) ، وسنة من سنن السلف.

وقد تساهل المجيزون في (عصرنا) ، حتى إنَّ بعضهم أجازَ من يحلق لحيته، ومن أسبل إزاره، بل صار بعضهم يجيز بالهاتف، وبالمراسلة، وهو لا يعرف الشخص الْمُجَاز، ولاحاله.

وقد كنت في أوّل الطلب مولعاً بجمع الإجازات، حتى حصَّلت الكثير، ومن بلدان شتى، وبأسانيد عالية، ثم ظهر لي قلة فائدة ذلك، مع طول المدة التي قضيتها في الرحلة لتحصيل الإجازات، وسماع المسلسلات الضعيفة والموضوعة.
(৬) শায়খ আলবানী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) তাঁর অল্পসংখ্যক শিক্ষক (১) এবং অল্পসংখ্যক ইজাজতের (২) জন্য পরিচিত ছিলেন।

তবে কঠিন হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে তিনি জ্ঞানবিজ্ঞানে, বিশেষ করে (হাদিস শাস্ত্র) এবং (জারহ ও তা'দীল শাস্ত্রে) ব্যুৎপত্তি অর্জন করতে সক্ষম হলেন?

--------------------------------------------

(১) যে ব্যক্তি দাবি করে যে শায়খ আলবানীর কোনো শিক্ষক নেই, সে কাবার রবের কসম করে বলছি, মিথ্যা বলেছে।

(২) কেউ কেউ হয়তো শায়খ আলবানীর সমালোচনা করতে পারেন যে তাঁর ইজাজত কম ছিল। এটি কোনো সমালোচনার বিষয় নয়, কারণ পরবর্তী যুগগুলোতে ইজাজত থাকা কোনো আবশ্যকীয় বিষয় নয়; কারণ মাশায়েখদের কাছ থেকে সরাসরি শ্রবণ করার (সামা') অভাব বা অনুপস্থিতি, যা মূলত ইজাজতের মূল ভিত্তি।

বর্তমান যুগের উম্মাহর আলেমগণ ইজাজতের প্রতি আগের যুগের সেই আলেমদের মতো গুরুত্ব দেননি যারা সরাসরি শ্রবণ ও পাঠ করার অধিকারী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:

দুই মহান ইমাম: আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন বায এবং মুহাম্মদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন)।

এবং আল্লামা ডক্টর: আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আল-জিবরীন (আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করুন)।

অধিকাংশ মাশায়েখও এই পথেই ছিলেন, এবং সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।

আমি এমন ব্যক্তিদের চিনি যাদের ইজাজতের সংখ্যা একশরও অনেক বেশি, অথচ তারা আল্লাহর জন্য সেই গুণাবলি অস্বীকার করে যা তিনি তাঁর "কিতাবে" নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন এবং যা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্য সাব্যস্ত করেছেন।

তারা এমন সব কথা বলে যা শরিয়ত নিয়ে আসেনি এবং যার স্বপক্ষে কোনো দলিল নেই।

এমনকি আমি এমন লোকদের চিনি যাদের কাছে উচ্চ সনদে ডজন ডজন ইজাজত রয়েছে, অথচ তারা বলে:

(নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান)।

{তারা যা বলে তা থেকে তিনি পবিত্র এবং অতি উচ্চে, সুমহান। (৪৩)} [আল-ইসরা]

(আমাদের যুগে) ইজাজতের আধিক্য কোনো কিছুর দলিল নয়, বরং এটি কেবল একটি (যোগসূত্র) এবং পূর্বসূরিদের (সালাফদের) একটি রীতি মাত্র।

আমাদের যুগে ইজাজত প্রদানকারীরা অনেক শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন, এমনকি তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এমন ব্যক্তিকে ইজাজত দিয়েছেন যে দাড়ি মুণ্ডন করে এবং যে টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরে। এমনকি তাঁদের কেউ কেউ এখন ফোন ও চিঠিপত্রের মাধ্যমেও ইজাজত দিচ্ছেন, অথচ তিনি ইজাজতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে চেনেন না এবং তাঁর অবস্থাও জানেন না।

আমি ইলম অর্জনের শুরুর দিকে ইজাজত সংগ্রহের ব্যাপারে অত্যন্ত উৎসাহী ছিলাম, এমনকি আমি বিভিন্ন দেশ থেকে এবং উচ্চ সনদে অনেক ইজাজত সংগ্রহ করেছিলাম। পরবর্তীতে আমার কাছে এর উপযোগিতা সামান্যই প্রতিভাত হয়েছে, বিশেষ করে ইজাজত সংগ্রহের জন্য ভ্রমণে অতিবাহিত দীর্ঘ সময় এবং দুর্বল ও জাল মুসালসালাতগুলো শ্রবণের কারণে।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৮)
* وأخيراً: فحياة الشيخ حافلةٌ بقصصٍ، وغرائب، وأحدث مثيرة، تصلح لمن يكتب في المجتهدين، والمصلحين، والصالحين، والزاهدين، والمحدثين، والفقهاء، والمجاهدين، والمصنفين، والعصاميين، ولكل من يكتب عن نماذج لمن سلك سبيل المؤمنين.

أعود لأقول: إنَّ ما كُتِبَ في حياة الشيخ على أهمية بعضه، ليس بقدر ما بذل الشيخ في حياته.

ويمكن لمن أراد أن يترجم للشيخ ـ ترجمة حافلة ـ أن يستقي ترجمته من خلال الآتي (1) :

(1) مقدمات كتبه؛ حيث إنَّ الشيخ يذكر فيها بعض المواقف مع خصومه، أو غيرهم، ويذكر فيها بعض أسفاره، وبعض لقاءاته، وهي من أهم المصادر لأنَّها بقلمه.

وبطون (كتبه) كذلك، وإنَّما خصصت مقدماتها؛ لأهميتها وكثرة ما يورد

فيها، بخلاف بطون (كتبه) .

ومن أهمها السلسلتان: ”الصحيحة”، و ”الضعيفة”، ثم ”إرواء الغليل”، وهكذا.

(2) ثم يأتي بعد ذلك كتاب الشيخ محمد بن إبراهيم الشيباني: ”حياة الألباني وآثاره وثناء العلماء عليه”؛ وهو كتابٌ حافلٌ جداً، ضَمَّنَهُ ـ زيادة على ترجمتهِ، ومؤلفاتهِ ـ الكثيرَ من: آرائهِ، ومسائلهِ، وفتاويهِ، وما انفردَ به، وبعضَ: المسائلِ، والفتاوى، والردودِ، والتعقباتِ، وبعضها ـ كـ: ”الرد على رسالة: (إباحة التحلي بالذهب المحلق) ”؛ لفضيلة الشيخ: إسماعيل الأنصاري رحمه الله لا تجده في غير هذا الكتاب.

والكتابُ قد قُرِئ على المُتَرْجَم، وعلقَّ الشيخُ عليه، مما يضفي قيمة كبيرة للكتاب (2) .

--------------------------------------------

(1) ما سأذكره هو على سبيل الحصر، ولا أعلم أنَّ للشيخ ترجمة (مفردة) في كتاب غير ما ذكرته، والله أعلم.

(2) انظر: ’’حياة الألباني وآثاره’’ (1/19) .
পরিশেষে: শাইখের জীবন কাহিনী, অলৌকিক বিষয় এবং রোমাঞ্চকর ঘটনাবলীতে পরিপূর্ণ, যা মুজতাহিদ, সংস্কারক, নেককার, দুনিয়াত্যাগী, মুহাদ্দিস, ফকিহ, মুজাহিদ, লেখক, আত্মনির্ভরশীল ব্যক্তি এবং যারা মুমিনদের পথ অনুসরণকারীদের আদর্শ সম্পর্কে লেখেন, তাদের প্রত্যেকের জন্য উপযোগী।

আমি পুনরায় বলছি: শাইখের জীবন সম্পর্কে যা কিছু লেখা হয়েছে, তার কিছু অংশের গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও, তা শাইখ তাঁর জীবনে যা কিছু উৎসর্গ করেছেন সেই তুলনায় পর্যাপ্ত নয়।

যারা শাইখের একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনী লিখতে চান, তারা নিম্নলিখিত উৎসগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন (১):

(১) তাঁর বইসমূহের ভূমিকা; কেননা শাইখ সেগুলোতে তাঁর প্রতিপক্ষ বা অন্যদের সাথে তাঁর কিছু অবস্থান উল্লেখ করেছেন, এবং সেখানে তাঁর কিছু সফর ও কিছু সাক্ষাতের কথা বর্ণনা করেছেন। এগুলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস কারণ তা তাঁর নিজ কলমে লেখা।

এবং তাঁর (বইসমূহের) মূল অংশও তেমনি, তবে আমি ভূমিকাগুলোকে বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করেছি; কারণ সেগুলোর গুরুত্ব এবং তাতে যা বর্ণিত হয়েছে তার প্রাচুর্য তাঁর (বইসমূহের) মূল অংশের তুলনায় বেশি।

আর এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দুই সিলসিলা: ”আস-সহীহাহ” এবং ”আদ-দঈফাহ”, তারপর ”ইরওয়াউল গালীল”, এবং অনুরূপ অন্যান্য গ্রন্থ।

(২) এরপর আসে শাইখ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আশ-শাইবানি রচিত গ্রন্থ: ”হায়াতুল আলবানি ওয়া আসারুহু ওয়া সানাউল উলামা আলাইহি” (আলবানির জীবন, তাঁর কর্ম এবং তাঁর প্রতি আলেমদের প্রশংসা); এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থ, যাতে তাঁর জীবনী ও রচনাবলী ছাড়াও তাঁর অনেক মতামত, মাসআলা, ফতোয়া এবং তাঁর একক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেইসাথে কিছু মাসআলা, ফতোয়া, খণ্ডন ও পর্যালোচনাও রয়েছে, যার কিছু—যেমন: শাইখ ইসমাইল আল-আনসারি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ”গোল সোনার অলঙ্কার ব্যবহারের বৈধতা” বিষয়ক পুস্তিকার প্রতিবাদ—এই গ্রন্থ ছাড়া অন্য কোথাও আপনি পাবেন না।

গ্রন্থটি যাঁর জীবনী লেখা হয়েছে (শাইখ আলবানি) তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং শাইখ তাতে টিকা প্রদান করেছেন, যা বইটির গুরুত্ব বহুলাংশে বৃদ্ধি করেছে (২)।

--------------------------------------------

(১) আমি যা উল্লেখ করব তা সীমাবদ্ধতা অর্থে, এবং আমার জানা নেই যে উল্লেখিত বইগুলো ছাড়া শাইখের আর কোনো (স্বতন্ত্র) জীবনী গ্রন্থ আছে কি না, আল্লাহই ভালো জানেন।

(২) দেখুন: ’’হায়াতুল আলবানি ওয়া আসারুহু’’ (১/১৯)।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৯)
ولكنَّه ـ كغيرهِ مِمَّا كُتِبَ في تراجم الأحياء ـ يحتاج إلى مراجعةٍ وإضافةٍ؛ لأنَّه كُتِبَ قديماً، وطُبِعَ عام (1407هـ) ، أي قبل وفاة الشيخ رحمه الله بـ: (13) سنة، وقد استجد في حياة المُتَرْجَم في هذه الفترة الكثير مما يجب أن يُدْرج في هذا الكتاب (1) ، وليت مصنفه ينشط لذلك، ويولي كتابه هذا أهمية، فهو أجمعُ، وأحسنُ ما في الباب، وقد طُبِع من كتبِ الشيخ الكثير مِمَّا قاله عنه في كتابه: (مخطوط) .

(3) ثم كتاب: ”علماء ومفكرون عرفتهم”؛ لمحمد المجذوب رحمه الله (1/287 ـ 325) ، وتكمن أهميته في كون الترجمة ناتجة عن إجابات الشيخ نفسه على أسئلةٍ، وجهها إليه المجذوب، وإنَّما جعلتُ كتابَهُ في الدرجة الثالثة؛ لأنَّ ما قيل فيه لا يشمل جميع جوانب حياة الشيخ؛ إضافة إلى كون الترجمة قديمة جداً.

(4) وقد اطلعت على رسالة لطيفة كتبها ـ منذ زمن ـ أحد تلاميذ الشيخ، وهو الدكتور: عاصم بن عبد الله القريوتي.

(5) ثم نشرَ كتاباً حافلاً باسم: ”كوكبة من أئمة الهدى ومصابيح الدجى”؛ ضمنه تراجمَ (ستةٍ) من العلماء المعاصرين، منهم: الإمام ”الألباني”، وتظهرُ أهمية هذه الترجمة؛ لكونها بقلم أحد كبار تلاميذه، العارفين به.

(6) وللشيخ الفاضل: محمد عيد العباسي حَفِظَهُ المَوْلى، وعلي خشان: ”ترجمة موجزة لفضيلة الشيخ الألباني”.

(7) وله تراجم في بعض المصادر؛ منها:

جريدة: ”صوت العرب تسأل ومحدث الشام يجيب”.

--------------------------------------------

(1) سُئِلَ الشيخ: هل عندكم زيادة عمَّا كتبه الأخ الشيباني بالنسبة لحياتكم الشخصية؟

فأجاب: (ليس عندي زيادة، وما كتبه فيه الكفاية) .

جاء ذلك في حوارٍ أجرته معه مجلة: ’’البيان’’ عدد (33) ، (ص 13) .

وهذا من تواضع الشيخ رحمه الله فلمْ يحبَّ أنْ يُتَرْجَم له أكثر من ذلك.
কিন্তু এটি — জীবিতদের জীবনী হিসেবে যা কিছু লেখা হয় তার মতো — পরিমার্জন ও পরিবর্ধন প্রয়োজন; কারণ এটি অনেক আগে লেখা হয়েছে এবং ১৪০৭ হিজরি সালে মুদ্রিত হয়েছে, অর্থাৎ শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মৃত্যুর ১৩ বছর পূর্বে। এই সময়ের মধ্যে যাঁর জীবনী লেখা হচ্ছে তাঁর জীবনে এমন অনেক নতুন বিষয় ঘটেছে যা এই বইটিতে (১) অন্তর্ভুক্ত করা আবশ্যক। আশা করি এর রচয়িতা এই কাজে সচেষ্ট হবেন এবং তাঁর এই বইটিকে গুরুত্ব দেবেন; কেননা এটি এই বিষয়ে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও উত্তম কাজ। শাইখের অনেক বই এখন মুদ্রিত হয়েছে যেগুলোকে তিনি তাঁর বইতে 'পাণ্ডুলিপি' হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

(৩) এরপর মুহাম্মাদ আল-মাজযুব (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বই: ”উলামা ওয়া মুফাক্কিরুনা আরাফতুহুম” (১/২৮৭-৩২৫); এর গুরুত্ব এই কারণে যে, এই জীবনীটি আল-মাজযুবের করা প্রশ্নের উত্তরে স্বয়ং শাইখের দেওয়া জবাবের ওপর ভিত্তি করে রচিত। তবে আমি তাঁর বইটিকে তৃতীয় স্তরে রেখেছি কারণ এতে যা বলা হয়েছে তা শাইখের জীবনের সকল দিককে অন্তর্ভুক্ত করে না; তদুপরি এই জীবনীটি অনেক পুরনো।

(৪) এবং আমি শাইখের একজন ছাত্র ডক্টর আসেম বিন আব্দুল্লাহ আল-কারইউতি কর্তৃক দীর্ঘকাল আগে লিখিত একটি চমৎকার পুস্তিকা দেখেছি।

(৫) পরবর্তীতে তিনি ”কাওকাবাতুম মিন আইম্মাতিল হুদা ওয়া মাসাবিহিদ দুজা” নামে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থ প্রকাশ করেন; যেখানে তিনি বর্তমান যুগের ছয়জন আলিমের জীবনী অন্তর্ভুক্ত করেছেন, তাঁদের মধ্যে ইমাম ”আলবানী”ও রয়েছেন। এই জীবনীর গুরুত্ব ফুটে ওঠে কারণ এটি তাঁর সম্পর্কে সম্যক অবগত এমন একজন জ্যেষ্ঠ ছাত্রের কলমে রচিত।

(৬) এবং সম্মানিত শাইখ মুহাম্মাদ ঈদ আল-আব্বাসী (হাফিযাহুল্লাহ) ও আলী খাশশানের রচিত: ”শাইখ আলবানীর একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী”।

(৭) এবং কিছু উৎসে তাঁর জীবনী রয়েছে; যার মধ্যে রয়েছে:

পত্রিকা: ”সাওতুল আরব তাসআলু ওয়া মুহাদ্দিসুশ শাম ইউজিবু” (সাওতুল আরব প্রশ্ন করছে এবং শামের মুহাদ্দিস উত্তর দিচ্ছেন)।

--------------------------------------------

(১) শাইখকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: আপনার ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারে ভাই আশ-শাইবানী যা লিখেছেন তার বাইরে আপনার কাছে কি অতিরিক্ত কিছু আছে?

তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: (আমার কাছে কোনো অতিরিক্ত তথ্য নেই, তিনি যা লিখেছেন তা-ই যথেষ্ট)।

এটি ”আল-বায়ান” পত্রিকার ৩৩তম সংখ্যার (পৃষ্ঠা ১৩) একটি সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এটি শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বিনয় ছিল, তাই তিনি তাঁর সম্পর্কে এর চেয়ে বেশি কিছু লেখা হোক তা পছন্দ করেননি।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১০)
مقدمة كتاب: ”ردع الجاني المتعدي على الألباني” (1) ؛ لطارق بن عوض الله بن محمد …

(8) وسمعتُ محاضرة قيِّمةً جداً؛ لأخينا صاحب الفضيلة الشيخ الداعية المتفنن: محمد صالح المنجد ـ حَفِظَهُ اللهُ ـ بعنوان: ”أحداث مثيرة في حياة العلامة الألباني” في شريطين، جاء فيهما ما يجعلهما (مرجعاً أصلياً) من مراجع ترجمة الشيخ.

وكانت طريقة عرضه للمحاضرة جيدة.

وجاء فيها صورٌ عن: ورع الشيخ، وهمته، وجده في الطلب، وعبادته، ورقته، وبكائه من خشية الله (2) ، واحتسابه، ومناظراته، ومزاحه، وكرمه، وسخائه، وفيه ما لم يردْ في جميع المصادر السابقة.

ومما فيه: كلامه على طلاب الشيخ، وأنَّهم على ثلاث طبقات، فارجع إليه.

--------------------------------------------

(1) ويبدو أنَّ غالب ما فيه من كتاب: ’’حياة الألباني’’؛ للشيباني، وقد أشار المؤلف إلى المواضع التي أخذ منها.

ثم وقفتُ ـ مؤخراً ـ على ثلاث رسائل:

الأولى باسم: ’’صفحات بيضاء من حياة الإمام محمد ناصر الدين الألباني’’،

ومعها: ’’قطف الثمار بآخر ما حدّث به شيخنا الألباني من أخبار’’؛ لعطية بن صدقي علي.

والثانية باسم: ’’صفحات مشرقة من حياة شيخنا الألباني ودوره في الدفاع عن الحديث النبوي وتأصيل المنهج السلفي’’؛ لإبراهيم خليل الهاشمي.

والثالثة باسم: ’’محدث العصر العلامة محمد ناصر الدين الألباني’’؛ لسمير بن أمين الزهيري.

وهناك الكثير من المقالات التي كُتِبَت في: ’’الصحف’’، و ’’المجلات’’، (ولا سيما الإسلامية) ، لم أرَ الإشارة إليها.

وقد ذكر الأخ: نور الدين طالب جملة منها في آخر: ’’مقالات الألباني’’ (ص 173 ـ 243) .

وفي: مقدمة: ’’السنن الأربعة’’ التي نشرتها ’’بيت الأفكار الدولية’’ ترجمةٌ مختصرة للشيخ.

(2) وأكد المحاضر ـ حَفِظَهُ اللهُ ـ في هذا الموضع أنَّ ما عُرِفَ عن الشيخ من شدةٍ، وقسوةٍ في ردوده، بأنَّ ذلك لم يكن غالب حاله، واستشهد على ذلك ببعض المواقف التي حدثت للشيخ.
তারিক ইবনে আওয়াদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ রচিত ‘রাদ্দউল জানিল মু'তাদি আলাল আলবানী’ (১) গ্রন্থটির ভূমিকা ...

(৮) আমি আমাদের ভাই ফজিলাতশায়খ, বিজ্ঞ ও বহুবিদ্যায় পারদর্শী দাঈ মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ — আল্লাহ তাঁকে সংরক্ষণ করুন — এর ‘আল্লামা আলবানীর জীবনের রোমাঞ্চকর ঘটনাবলী’ শিরোনামের অত্যন্ত মূল্যবান একটি লেকচার দুইখণ্ডে শুনেছি। এতে এমন কিছু বিষয় এসেছে যা সেটিকে শায়খের জীবনীর অন্যতম (মূল উৎস) হিসেবে গণ্য করার উপযোগী করে তুলেছে।

লেকচারটি উপস্থাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত চমৎকার ছিল।

তাতে শায়খের তাকওয়া, উচ্চাকাঙ্ক্ষা, জ্ঞান অন্বেষণে তাঁর প্রচেষ্টা, ইবাদত, কোমলতা, আল্লাহর ভয়ে তাঁর ক্রন্দন (২), সওয়াবের আশা, তাঁর বিতর্কসমূহ, কৌতুক, মহানুভবতা ও দানশীলতার চিত্র ফুটে উঠেছে। এতে এমন কিছু বিষয় আছে যা পূর্ববর্তী অন্য কোনো উৎসে পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যে আরও রয়েছে শায়খের ছাত্রদের সম্পর্কে তাঁর আলোচনা এবং তাঁরা যে তিনটি স্তরে বিভক্ত সে প্রসঙ্গ; সুতরাং সেটি দেখে নিন।

--------------------------------------------

(১) প্রতীয়মান হয় যে, এর অধিকাংশ বিষয় আশ-শাইবানী রচিত ‘হায়াতুল আলবানী’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। লেখক যে সকল স্থান থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন তা উল্লেখ করেছেন।

সম্প্রতি আমি আরও তিনটি রিসালার (পুস্তিকা) সন্ধান পেয়েছি:

প্রথমটি আতিয়্যাহ ইবনে সিদকি আলী রচিত: ‘সাফাহাতুন বাইদাউ মিন হায়াতিল ইমাম মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী’,

এবং এর সাথে রয়েছে: ‘কাতফুল সিমার বি আখিরি মা হাদ্দাসা বিহি শায়খুনা আল-আলবানী মিন আখবার’।

দ্বিতীয়টি ইবরাহীম খলীল আল-হাশিমী রচিত: ‘সাফাহাতুন মুশরিকাতুন মিন হায়াতি শায়খিনা আল-আলবানী ওয়া দাওরুহু ফিদ দিফাই আনিল হাদিসিন নাবাবী ওয়া তাসীলিল মানহাজিস সালাফি’।

এবং তৃতীয়টি সামীর ইবনে আমীন আজ-জুহাইরী রচিত: ‘মুহাদ্দিসুল আসর আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী’।

এছাড়াও সংবাদপত্র এবং সাময়িকীতে (বিশেষ করে ইসলামি সাময়িকীগুলোতে) অনেক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে আমার চোখে পড়েনি।

ভাই নূরুদ্দীন তালিব ‘মাকালাতুল আলবানী’ (পৃষ্ঠা ১৭৩-২৪৩) গ্রন্থের শেষে এর একটি বড় অংশ উল্লেখ করেছেন।

‘বাইতুল আফকার আদ-দুওয়ালিয়া’ থেকে প্রকাশিত ‘সুনানুল আরবাআ’ এর ভূমিকায় শায়খের একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী রয়েছে।

(২) বক্তা — আল্লাহ তাঁকে সংরক্ষণ করুন — এই স্থানে জোর দিয়ে বলেছেন যে, শায়খের জবাবে যে কঠোরতা ও কর্কশভাব পরিলক্ষিত হয় বলে পরিচিত, তা তাঁর সাধারণ অবস্থা ছিল না; তিনি শায়খের জীবনের কিছু ঘটনার মাধ্যমে এর সপক্ষে প্রমাণ পেশ করেছেন।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১১)
علماً بأنَّ المحاضرَ لم يكنْ منهجه السرد التقليدي للسيرة، كما هو شأن غالب كتب التراجم، بل ما يكاد يخلص من حادثة للشيخ إلا ويستخلص منها الدروس والعبر، وللمُحَاضِر لمساتٌ تربويةٌ في المحاضرة، عالج فيها قصور بعض الجوانب لدى طلبة العلم، من خلال سيرة الشيخ الألباني.

(9) ثمّ إنَّ أصحاب الشيخ، وتلاميذه القدماء (وهم أحياء) ، عندهم الكثير عن حياة الشيخ الألباني، وجهاده، ويعرفون الكثير من أخباره، التي لم تُدوّن بعد.

فهم مصدرٌ مهمٌ ـ لا يُغفل عنه ـ من مصادر ترجمة الشيخ.

وإلى الآن لم أرَ كتاباً مبسوطاً كُتب بعد وفاة الشيخ (1) رحمه الله علماً بأنَّ من يدّعي محبته والتتلمذ عليه كثير، ومطبوعاتهم أكثر، وما ينشرونه من أوراق في الدفاع عما حكم عليهم به، يدل على وفرة الوقت عندهم، فهلا كان للشيخ شيءٌ من الوقت.

وقد وعد بعض الناس ـ منذ زمن بعيد ـ ممن لهم اعتناء بالشيخ الألباني أنَّ لهم تآليف فيه سيخرجونها، وحتى الآن لم نرَ شيئاً.

وأخشى أن يقول أحدٌ بأنَّ هذا من العقوق لشيخهم، والله المستعان (2) .

[تنبيه] :

المنهج العلمي للشيخ:

ما ذكرته هي مصادر ترجمة الشيخ رحمه الله، أما منهجه العلمي، وطريقته العلمية، وفكره، فليس لها سوى المصدر الأوّل، كمصدر أساس للباحث، فمؤلفاته ـ على كثرتها ـ خير من يتحدث عنه. مع مراعاة (المتقدم) ، و (المتأخر) حال التعارض.

أما باقي المصادر فهي فرعية، بالنسبة للأوّل، والله الموفق.

--------------------------------------------

(1) جاء في: ''كوكبة من أئمة الهدى'' (ص 185) ، أنَّ: زكي صلاحي، يحضر للدكتوراة عن (الألباني) ، في جامعة ''كاليكوت''، بـ: ''الهند''.

(2) وفي الوقت نفسه ـ عند وفاة شيخ الإسلام الإمام: عبد العزيز بن باز رحمه الله رأينا ما لا يحصى من المقالات التي نُشِرَت في: المجلات، والصُّحف اليومية، والأسبوعية، ناهيك عن مجلداتٍ عدة خرجت ـ وما زالت ـ عن حياة الشيخ، وعلمه، ومواقفه، و … حتى إنَّ بعضهم تركوا مشروعاتهم العلمية، وتحقيقاتهم؛ لأجل التفرغ لما هو أولى، وأبرّ بشيخهم، وإن كان ذلك لا يجني لهم الربح في الدنيا.

وفي هذه الأيام ـ أواخر (1421هـ) ـ فقدت الأمة سيد فقهاء عصره، الإمام: محمد بن صالح بن عثيمين رحمه الله، وسنرى ما يفعله تلاميذه من بعده.

فهلَاّ اقتدى القوم بهم؟
উল্লেখ্য যে, বক্তার পদ্ধতিটি জীবনীর গতানুগতিক বর্ণনা ছিল না, যা অধিকাংশ জীবনী গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য; বরং তিনি শাইখের কোনো ঘটনা শেষ করার সাথে সাথেই তা থেকে শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণ করতেন। এই বক্তৃতায় বক্তার কিছু শিক্ষামূলক স্পর্শ রয়েছে, যেখানে তিনি শাইখ আলবানীর জীবনীর মাধ্যমে ইলম অন্বেষণকারীদের কিছু দিকের অসম্পূর্ণতা সংশোধন করেছেন।

(৯) অতঃপর শাইখের সঙ্গী ও তাঁর পুরাতন ছাত্রবৃন্দ (যারা এখনও জীবিত আছেন), তাঁদের কাছে শাইখ আলবানীর জীবন ও জিহাদ সম্পর্কে অনেক কিছু রয়েছে এবং তাঁরা তাঁর অনেক সংবাদ জানেন যা এখনও লিপিবদ্ধ করা হয়নি।

তাই তাঁরা শাইখের জীবনী রচনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস—যা উপেক্ষা করার মতো নয়।

শাইখের (১) (রাহিমাহুল্লাহ) মৃত্যুর পর এখন পর্যন্ত আমি কোনো বিস্তারিত গ্রন্থ রচিত হতে দেখিনি, অথচ তাঁর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর কাছে ছাত্রত্ব গ্রহণের দাবিদারদের সংখ্যা অনেক এবং তাদের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আরও বেশি। তারা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে আত্মপক্ষ সমর্থনে যে পরিমাণ কাগজ প্রকাশ করে, তা তাদের হাতে থাকা সময়ের প্রাচুর্যের প্রমাণ দেয়; তবে কেন শাইখের জন্য সামান্য সময়ও হলো না?

শাইখ আলবানীর প্রতি যত্নশীল এমন কিছু লোক দীর্ঘ সময় আগে ওয়াদা করেছিলেন যে, তাঁর ব্যাপারে তাঁদের কিছু রচনা রয়েছে যা তাঁরা প্রকাশ করবেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা কিছুই দেখিনি।

আমি আশঙ্কা করছি যে, কেউ একে তাদের শাইখের প্রতি অকৃতজ্ঞতা বলে আখ্যায়িত করবে, আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি (২)।

[সতর্কবার্তা]:

শাইখের ইলমী মানহাজ (পদ্ধতি):

আমি যা উল্লেখ করেছি তা হলো শাইখের (রাহিমাহুল্লাহ) জীবনী রচনার উৎস। আর তাঁর ইলমী মানহাজ, ইলমী পদ্ধতি ও চিন্তাধারার জন্য গবেষকদের নিকট তাঁর প্রথম উৎসটিই মৌলিক উৎস হিসেবে গণ্য; তাঁর গ্রন্থসমূহ—তা সংখ্যায় যতই অধিক হোক না কেন—তাঁর সম্পর্কে বলার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম। এক্ষেত্রে কোনো মতপার্থক্য বা বিরোধ দেখা দিলে (পূর্ববর্তী) ও (পরবর্তী) মতের প্রতি লক্ষ্য রাখা বাঞ্ছনীয়।

আর বাকি উৎসগুলো প্রথমটির তুলনায় গৌণ, আল্লাহই তাওফিকদাতা।

--------------------------------------------

(১) ‘কাওকাবাতুন মিন আইম্মাতিল হুদা’ (পৃষ্ঠা ১৮৫) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে: যাকি সালাহী ভারতের ‘কালিকট’ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আলবানী’র ওপর পিএইচডি করছেন।

(২) একই সময়ে—শাইখুল ইসলাম ইমাম আব্দুল আজিজ বিন বাজ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ইন্তেকালের সময় আমরা অগণিত প্রবন্ধ দেখেছিলাম যা ম্যাগাজিন, দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল; শাইখের জীবন, ইলম ও তাঁর অবস্থানের ওপর প্রকাশিত এবং এখনও প্রকাশিত হচ্ছে এমন অনেক খণ্ডের কথা তো বলাই বাহুল্য... এমনকি তাঁদের কেউ কেউ শাইখের প্রতি অধিকতর দায়িত্বশীলতা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নিজেদের ইলমী প্রজেক্ট ও গবেষণা কর্ম স্থগিত করেছিলেন, যদিও তাতে দুনিয়াবী কোনো মুনাফা ছিল না।

আর এই দিনগুলোতে—১৪২১ হিজরীর শেষ ভাগে—উম্মত তার যুগের শ্রেষ্ঠ ফকীহ ইমাম মুহাম্মদ বিন সালিহ বিন উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-কে হারিয়েছে, এবং আমরা অচিরেই দেখব তাঁর ছাত্ররা তাঁর পরে কী করে।

তবে কেন এই সম্প্রদায় তাদের অনুসরণ করে না?
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌الفصل الثاني: "ثَبَتُ" مؤلفات الشيخ

وفيه: تمهيد وأربعة مباحث

‌‌التمهيد: المنهج الذي سرت عليه في: "الثَّبَت"

[المنهج الذي سرت عليه في: "الثَّبَت"]

في أثناء تتبع كتب الشيخ رحمه الله كنت أدون بعض الملحوظات على الكتاب؛ كـ: سبب التأليف، وذكر القصة في ذلك إنْ وُجِدت، وتاريخ الطبع، وعدد الطبعات، والناشر، وحجم الكتاب، مع بعض الملامح العامة عن الكتاب، ثم بدا لي أنَّ ذلك يطول، ويفوت مقصودي.

فاتخذت في ذلك منهجاً (مختصراً) ، حتى لا يطول الكتاب، ولا سيما أنَّ كُتب الشيخ في متناول طلبة العلم، وبإمكانهم تلمس الفائدة منها مباشرة.

والكلام عليها تفصيلاً غير مناسب، ومكانه دراسة موسعة عن الشيخ يقوم بها أحد الباحثين، يسَّر الله ذلك.

ويُلاحظ ـ في هذا الفصل (الثاني) ـ أثناء سرد كتب الشيخ ما يأتي:

(1) أغفلت ذكر الطبعات، ومكان الطبع، وتاريخه، والقصد هنا: جمع مصنفات الشيخ وتخريجاته في مكان واحد، والمطبوع منها في متناول طلبة الْعِلْمِ.

وغالب كتب الشيخ طُبِعَت (قديماً) في: "المكتب الإسلامي" بـ: "بيروت"، لصاحبه: الشيخ الفاضل: زهير الشاويش حَفِظَهُ اللهُ، والذي كان له فضلٌ كبيرٌ في نشر كتب السلف، ونشر مذهب "أهل السنة والجماعة"، كما كان له فضلٌ كبيرٌ في طبع ونشر كتب الشيخ الألباني.

(وحديثاً) في: "مكتبة المعارف" بـ: "الرياض"، لصاحبها: الشيخ الكريم: سعد بن عبد الرحمن الراشد حَفِظَهُ اللهُ.

والباقي ـ وهو قليل ـ في غيرهما؛ ومنها:

"دار الأرقم".

"الدار السلفية"، وكلتاهما بـ: "الكويت".

"دار الصديق" بـ: "الجبيل".
দ্বিতীয় অধ্যায়: শায়খের রচনাবলির "তালিকা"

এতে রয়েছে: একটি ভূমিকা এবং চারটি পরিচ্ছেদ

ভূমিকা: "তালিকায়" আমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি

[তালিকায় আমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি]

শায়খের (রহিমাহুল্লাহ) বইগুলো অনুসন্ধান করার সময় আমি বইগুলো সম্পর্কে কিছু বিষয় লিপিবদ্ধ করতাম; যেমন: রচনার কারণ, সে সম্পর্কিত কোনো ঘটনা থাকলে তার উল্লেখ, মুদ্রণের তারিখ, সংস্করণ সংখ্যা, প্রকাশক এবং বইয়ের কলেবর, সাথে বইটির কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য। তারপর আমার কাছে মনে হলো যে এটি দীর্ঘ হয়ে যাবে এবং আমার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

তাই আমি এক্ষেত্রে একটি (সংক্ষিপ্ত) পদ্ধতি গ্রহণ করেছি, যাতে বইটি দীর্ঘ না হয়, বিশেষ করে যেহেতু শায়খের বইগুলো ইলম অন্বেষণকারীদের হাতের নাগালেই রয়েছে এবং তারা সরাসরি সেগুলো থেকে উপকৃত হতে পারেন।

এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা এখানে অনুপযুক্ত; এর উপযুক্ত স্থান হলো শায়খকে নিয়ে কোনো গবেষকের করা বিস্তৃত কোনো গবেষণা, আল্লাহ তা সহজ করে দিন।

এই (দ্বিতীয়) অধ্যায়ে শায়খের বইগুলোর তালিকা বর্ণনার ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো লক্ষণীয়:

(১) আমি সংস্করণ, মুদ্রণ স্থান এবং তারিখ উল্লেখ করা পরিহার করেছি। এখানকার উদ্দেশ্য হলো শায়খের রচনা ও তাহকিকসমূহকে এক জায়গায় একত্র করা; আর এগুলোর মুদ্রিত কপি ইলম অন্বেষণকারীদের নাগালের মধ্যেই আছে।

শায়খের অধিকাংশ বই (অতীতে) বৈরুতের "আল-মাকতাব আল-ইসলামি" থেকে প্রকাশিত হয়েছে, যার স্বত্বাধিকারী হলেন সম্মানিত শায়খ যুহাইর আল-শাভিশ (হাফিজাহুল্লাহ)। সালাফদের কিতাবসমূহ এবং "আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ"-এর মানহাজ প্রচার-প্রসারে তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে; একইভাবে শায়খ আলবানীর বইসমূহ মুদ্রণ ও প্রকাশেও তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।

(বর্তমানে) রিয়াদের "মাকতাবাতুল মাআরিফ" থেকে, যার স্বত্বাধিকারী হলেন পরম শ্রদ্ধেয় শায়খ সাদ বিন আব্দুর রহমান আল-রাশিদ (হাফিজাহুল্লাহ)।

অবশিষ্টগুলো—যা সংখ্যায় খুবই কম—অন্যান্য প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে; যার মধ্যে রয়েছে:

"দারুল আরকাম"।

"আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ", উভয়টিই কুয়েতে অবস্থিত।

"দারুস সিদ্দিক", জুবাইলে অবস্থিত।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৩)
”المكتبة الإسلامية” بـ: ”عَمَّان”.

(2) اكتفيت بوضع (ط) في أواخر الكتبِ (المطبوعة) . وما خلا ذلك فهو (مخطوط) ، وأمَّا (المفقود) منها فقد بينته، وكذلك (ما لم يتمه) .

(3) بعض الكتب يُسمّيها الشيخ بأكثر من اسم، وذلك عندما يحيل إليها (1) ، فأذكرها في ”الثَّبَت” في جميع المواضع، مع ترقيمِ واحدٍ منها، والإحالة إليه عند ورود أسمائه الأخرى؛ ومن ذلك:

”تخريج مشكاة المصابيح” = ”مشكاة المصابيح”.

(4) كما أنِّي أجعل لبعض الكتب أكثر من مدخل؛ وذلك لسهولة العثور على الكتاب. ولا سيما كتب ”الردود”، فإنِّي أذكرها أحياناً باسم الكتاب المردود عليه، ثم أحيل إلى الردِّ؛ فأقول:

”الألباني: شذوذه وأخطاؤه” = ”الردُّ على رسالة: ”أرشد السلفي”.

”نصوصٌ حديثية في الثقافة العامة” = ”نقدُ: (نصوص حديثية في الثقافة العامة) ”.

وهكذا …

ونَبَّهْتُ على هذا هنا، حتى لا ينكر عليَّ أحدٌ، ولا مشاحة في الاصطلاح.

(5) بعض كتب الشيخ مفقود كما صرَّح هو بذلك في بعض كتبه؛ ومنها:

”مختصر صحيح مسلم” (أربعة أجزاء) ، وهو غير المطبوع (كما سيأتي) .

و”الردُّ على رسالة الشيخ التويجري في بحوث من صفة الصلاة”.

وغالب المفقود من كتب الشيخ (إن لم يكن كل المفقود) ، فُقِدَ منه أثناء انتقاله من ”دمشق” إلى ”عَمَّان” والله أعلم.

(6) وهناك بعض الطبعات لكتبه قديمة، ونادرة، بل شبيهة بالمفقود، ولا يملكها إلا بعض طلبة الْعِلْمِ، تصويراً من المكتبات الكبيرة؛ منها:

”الصراطُ المستقيم (رسالة فيما قرره الثقات الأثبات في ليلة النصف من شعبان) ”؛ لجماعة من علماء الأزهر.

و”لَفْتَةُ الكَبِد في نصيحة الولد”؛ لابن الجوزي.

(7) بعض كتبه لم يُطْبعْ على الرغم من قدمه، ولم يتمه الشيخ؛ ومنها:

--------------------------------------------

(1) ويبدو أنَّ الشيخ رحمه الله كانَ يكتبُ أسماء (مؤلفاته) من الذاكرة، أو قد يختصر في اسم الكتاب، أو يذكره بموضوعه.

وهي طرقٌ معروفةٌ عند أهل العلم.
”আম্মান”-এর ”আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ”।

(২) মুদ্রিত গ্রন্থগুলোর শেষে আমি কেবল (ত) বর্ণটি যুক্ত করে ক্ষান্ত হয়েছি। আর এর বাইরে যা আছে তা পাণ্ডুলিপি, আর যা হারিয়ে গেছে (নিখোঁজ) তা আমি স্পষ্ট করে দিয়েছি, একইভাবে যেগুলো তিনি সম্পন্ন করেননি (অসমাপ্ত) সেগুলোও।

(৩) শাইখ কিছু কিতাবকে একাধিক নামে অভিহিত করেছেন, যখন তিনি সেগুলোর উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন (১), তাই আমি সেগুলোকে ”আস-সাবাত” (গ্রন্থ-তালিকা)-এর সকল স্থানে উল্লেখ করেছি এবং সেগুলোর মধ্যে একটিকে নম্বরযুক্ত করেছি, আর অন্য নামগুলো আসার সময় সেই মূল নামটির দিকে সংকেত প্রদান করেছি; যেমন:

”তাখরিজু মিশকাতিল মাসাবিহ” = ”মিশকাতুল মাসাবিহ”।

(৪) একইভাবে আমি কোনো কোনো বইয়ের জন্য একাধিক প্রবেশপথ রেখেছি; যাতে বইটি খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। বিশেষ করে ”খণ্ডনমূলক” গ্রন্থগুলোর ক্ষেত্রে, কেননা আমি অনেক সময় যে বইটির খণ্ডন করা হয়েছে তার নামে তা উল্লেখ করেছি, তারপর মূল খণ্ডনমূলক বইটির দিকে উদ্ধৃতি দিয়েছি; যেমন আমি বলি:

”আলবানী: তাঁর বিচ্যুতি ও ভুলসমূহ” = ”’আরশাদুস সালাফি’ রিসালাহর খণ্ডন”।

”সাধারণ সংস্কৃতিতে হাদিসের পাঠসমূহ” = ”’সাধারণ সংস্কৃতিতে হাদিসের পাঠসমূহ’-এর সমালোচনা”।

এভাবেই ...

আমি এখানে এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছি, যাতে কেউ আমার প্রতি আপত্তি না করে; আর পরিভাষার ক্ষেত্রে কোনো বিবাদ নেই।

(৫) শাইখের কিছু বই হারিয়ে গেছে যেমনটি তিনি নিজেই তাঁর কিছু বইয়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন; সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:

”মুখতাসার সহিহ মুসলিম” (চার খণ্ড), এটি বর্তমানে মুদ্রিত কপিটি নয় (যেমনটি সামনে আসবে)।

এবং ”নামাজের বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত গবেষণায় শাইখ তুওয়াইজিরির রিসালাহর খণ্ডন”।

শাইখের বইগুলোর মধ্যে যা নিখোঁজ হয়েছে তার অধিকাংশ (যদি সবটুকু না-ও হয়), তা তাঁর ”দামেস্ক” থেকে ”আম্মান” স্থানান্তরের সময় হারিয়ে গেছে, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

(৬) তাঁর বইগুলোর কিছু সংস্করণ অত্যন্ত পুরাতন এবং দুষ্প্রাপ্য, এমনকি নিখোঁজের মতোই, যা বড় বড় লাইব্রেরি থেকে ফটোকপি করা ছাড়া কেবল গুটি কয়েক ইলম অন্বেষণকারীর সংগ্রহে আছে; সেগুলোর মধ্যে:

”আস-সিরাতুল মুস্তাকিম (শাবানের মধ্যরাত্রি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য আলেমদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে একটি পুস্তিকা)”; আল-আযহারের একদল আলেমের রচিত।

এবং ইবনুল জাওযি রচিত ”লাফতাতুল কাবাদ ফি নাসিহাতিল ওয়ালাদ”।

(৭) তাঁর কিছু বই পুরনো হওয়া সত্ত্বেও মুদ্রিত হয়নি এবং শাইখ সেগুলো সম্পন্নও করেননি; সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:

--------------------------------------------

(১) এবং এটি প্রতীয়মান হয় যে, শাইখ রহিমাহুল্লাহ তাঁর গ্রন্থাবলির নামগুলো স্মৃতি থেকে লিখতেন, অথবা কখনো বইয়ের নাম সংক্ষিপ্ত করতেন, অথবা সেটির বিষয়বস্তু অনুযায়ী উল্লেখ করতেন।

আর এগুলো জ্ঞানীদের নিকট সুপরিচিত পদ্ধতি।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৪)
”صحيح سنن أبي داود”، وهو غير ”الصحيح” المطبوع (كما سيأتي) .

وتحقيق: ”الأحاديث المختارة”؛ للضياء المقدسي.

(8) ما كان أصله الأشرطة، ولكن فُرِّغ، ونُسِخ، وطُبِع، فلم أجعلْ له رقماً، إلا إذا عَلِمْتُ أنَّه بعد نَسْخِهِ تمَّ عرضه على صاحبه ”الألباني”، فراجعه، أو أضاف إليه، أو أجرى عليه ما يدلُّ على إقراره له ككتابٍ، أو رسالةٍ تُنْسَب إليه (1) .

(9) إذا وجدتَ كلمة (تخريج) في أوّل الكتاب، فهذا يعني أنَّ هذا كتابٌ مستقلٌ للشيخ؛ ومنها:

”تخريج أحاديث فضائل الشام”.

و”تخريج أحاديث مشكلة الفقر”.

--------------------------------------------

(1) وبهذه المناسبة أقول:

من الصعوبة (والحرج) أن يسطو تلميذٌ (مبتدئ) على محاضرةٍ لشيخه، فيقوم بنسخها، ومن ثم طباعتها، ونشرها، دون مراجعة شيخه، أو علمه.

وذلك لأنَّ العلماء ـ ولا سيما الكبار ـ قد يُجيبون (شفاهة) من الذاكرة، وأمَّا عند الكتابة فيكون في كلامهم شيءٌ من التحرير، والدقة.

ولذلك كان ينهى سيد فقهاء عصره: العلامة: محمد بن صالح العثيمين رحمه الله أنْ تُنْسخ أشرطته، وتُطْبَع دون مراجعته.

وقال في مقدمته لـ: ’’شرح العقيدة الواسطية’’ (1/17 ـ 18) ، وقد كان أشرطة، ثم نُسِخت:

(من المعلوم أنَّ الشرح المتلقى من التقرير ليس كالشرح المكتوب بالتحرير؛ لأنَّ الأوّل يعتريه من النقص والزيادة ما لا يعتري الثاني …

(ثم قال) : رأيت من المهم أن أقرأ ’’الشرح’’ بتمهُّلٍ، من أجل إخراج ’’الشرح’’ على الوجه المَرْضِيَّ، ففعلت ذلك ولله الحمد، وحذفت ما لا يُحتاج إليه، وزدت ما يُحتاج إليه) أ. هـ

وقال العلامة الدكتور: صالح الفوزان حفظه اللهُ:

(الأشرطة لا تكفي مرجعاً يُعْتَمَدُ عليه في نقل كلام أهلِ العلم؛ لأنها غير محررة، وكم من كلامٍ في شريطٍ لو عُرِضَ على قائله، لتراجع عنه) أ. هـ

قاله ضمن مقال: ’’التحذير من كتاب: (هزيمة الفكر التكفيري) ؛ لخالد العنبري’’، ونُشِر بمجلة: ’’الدعوة’’، العدد رقم (1749) .
”সহীহ সুনানে আবু দাউদ”, আর এটি মুদ্রিত ”সহীহ” (যা সামনে আসবে) থেকে ভিন্ন।

এবং যিয়া আল-মাকদিসী রচিত ”আল-আহাদিস আল-মুখতারা”-এর তাহকীক।

(৮) যেসবের উৎস ছিল অডিও ক্যাসেট, কিন্তু পরে সেগুলো অনুলিপি করা হয়েছে, অনুলিখন করা হয়েছে এবং ছাপানো হয়েছে, সেগুলোকে আমি কোনো নম্বর দেইনি। তবে যদি আমি জানতে পারি যে, অনুলিখনের পর তা এর বক্তা ”আলবানী”-এর নিকট পেশ করা হয়েছিল, অতঃপর তিনি তা পর্যালোচনা করেছেন, অথবা তাতে কিছু সংযোজন করেছেন, অথবা এমন কিছু করেছেন যা একটি বই বা রিসালা হিসেবে তাঁর প্রতি সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে তাঁর অনুমোদনের প্রমাণ বহন করে (১)।

(৯) যদি আপনি বইয়ের শুরুতে (তাখরীজ) শব্দটি পান, তবে এর অর্থ হলো এটি শাইখের একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ; তার মধ্যে রয়েছে:

”তাখরীজ আহাদিস ফাদায়িলুশ শাম”।

এবং ”তাখরীজ আহাদিস মুশকিলাতুল ফাকর”।

--------------------------------------------

(১) এই প্রসঙ্গে আমি বলছি:

কোনো (নবীন) ছাত্রের জন্য তার শাইখের লেকচারের ওপর চড়াও হওয়া এবং শাইখের পর্যালোচনা বা অনুমতি ছাড়াই তা অনুলিখন করা, অতঃপর তা ছাপানো ও প্রকাশ করা অত্যন্ত কঠিন (ও বিব্রতকর) বিষয়।

কারণ আলেমগণ—বিশেষ করে বড় আলেমগণ—স্মৃতি থেকে (মৌখিকভাবে) উত্তর দিয়ে থাকেন, কিন্তু লেখার সময় তাদের বক্তব্যে এক ধরণের পরিমার্জন ও সূক্ষ্মতা থাকে।

এই কারণেই তাঁর যুগের ফকীহদের সরদার আল্লামা মুহাম্মাদ বিন সলিহ আল-উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর অডিও ক্যাসেটগুলো তাঁর পর্যালোচনা ছাড়া অনুলিখন ও মুদ্রণ করতে নিষেধ করতেন।

তিনি ’’শারহুল আকিদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ’’ (১/১৭-১৮)-এর ভূমিকায় বলেছেন—যা মূলত অডিও ক্যাসেট ছিল এবং পরে অনুলিখন করা হয়েছে—:

(এটি জানা কথা যে, আলোচনার মাধ্যমে প্রাপ্ত ব্যাখ্যা আর পরিমার্জিত লিখিত ব্যাখ্যা এক নয়; কারণ প্রথমটিতে এমন হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে যা দ্বিতীয়টিতে ঘটে না …

(অতঃপর তিনি বলেন): আমি ’’শারহ’’ বা ব্যাখ্যাটি সন্তোষজনকভাবে প্রকাশের জন্য তা ধীরস্থিরভাবে পড়া গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছি। আমি আলহামদুলিল্লাহ তাই করেছি, এবং যা প্রয়োজন নেই তা বাদ দিয়েছি আর যা প্রয়োজন তা যোগ করেছি।) উদ্ধৃতি সমাপ্ত

আল্লামা ডক্টর সালিহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) বলেছেন:

(আলেমদের কথা বর্ণনার ক্ষেত্রে অডিও ক্যাসেট নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে যথেষ্ট নয়; কারণ তা পরিমার্জিত নয়। ক্যাসেটের অনেক কথা এমন থাকে যা বক্তার নিকট পেশ করা হলে তিনি তা থেকে ফিরে আসতেন।) উদ্ধৃতি সমাপ্ত

তিনি এটি খালিদ আল-আনবারী রচিত নিবন্ধ: ’’তাহযীরু মিন কিতাবি: (হাযীমাতুল ফিকরিল তাকফীরী)’’-এর মধ্যে বলেছেন, যা ’’আদ-দাওয়াহ’’ ম্যাগাজিনের ১৭৪৯ নম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৫)
وإذا كان التخريج في آخر الكتاب بين معكوفين [] ، فهذا يعني أنَّ الكتاب لأحد العلماء وقد طُبِع كاملاً، وفي الحاشية تخريجات الشيخ.

(10) الكتاب المختوم بـ: [تحقيق] معناه أنَّ الشيخ هو الذي حقَّقه، وعلَّق عليه، وخرَّج أحاديثه لوحده، وما خُتِمَ بـ: [تخريج] معناه أنَّ دور الشيخ فيه هو تخريج أحاديثه فقط، أما تحقيقه، والتعليق عليه فلغيره؛ مثل: "كلمة الإخلاص" لابن رجب، "والاحتجاج بالقدر" لشيخ الإسلام.

(11) قولي على الكتاب: (لم يتمه) ، أو (مفقود) ، أي: بحسب ما وقفت عليه من المصادر التي ذَكَرَت كتب الشيخ، وقد يكون الشيخ أتمّ بعضها، ومن المصادر كتاب: "حياة الألباني" للشيباني، وقد طُبِع قبل وفاة الشيخ بـ: (13) سنة، (كما سيأتي) ، فقد يكون الشيخ ـ خلال هذه المدة ـ أتمّ الناقص، أو عثر على المفقود، والله أعلم.

(12) بعض كتب الشيخ له عليها مراجعات، وتعليقات جديدة ـ وذلك لدوام القراءة، والبحث، في كتب الحديث ـ ترتّبَ على بعضها تغير حكمه على بعض الأحاديث، ولم تُطبعْ هذه الكتب بالتعليق الجديد، فيُنْتَبه لهذا، ومنها: "مشكاة المصابيح"، و "صحيح الجامع"، و "المنتخب"، و "الرد على رسالة التعقيب الحثيث"، بل رأيته كثيراً ما يحيل إلى "المشكاة" بالتحقيق والتعليق الجديد، ولم تطبعْ بعد.

(13) وقد أوصى الشيخ رحمه الله بجميع ما في مكتبته من المطبوع، أو المخطوط لـ: "الجامعة الإسلامية"، بـ: "المدينة النَّبوية" (1) .

(14) عملي هذا خاص بسردِ كتب الشيخ رحمه الله إجمالاً، لا تفصيلاً، وكان غرضي منه نشر بيان بأسماء مؤلفاته مرتبة على الحروف، وقد استفدت من المصادر التي ترجمت للشيخ، في نقل بعض مؤلفاته، وقد يكون في عملي هذا بعض الوهم، أو الخطأ.

والله الموفق.

**********

--------------------------------------------

(1) انظر الملحق الأوّل في آخر ''الثَّبَت'' (ص 186) .
এবং যদি গ্রন্থের শেষে থার্ড ব্র্যাকেট [] এর মধ্যে তাখরিজ উল্লেখ থাকে, তবে এর অর্থ হলো বইটি অন্য কোনো আলেমের এবং এটি পূর্ণাঙ্গভাবে মুদ্রিত হয়েছে, আর পাদটীকায় শাইখের করা তাখরিজসমূহ রয়েছে।

(১০) যে বইটির শেষে [তাহকিক] লেখা আছে, তার অর্থ হলো শাইখ নিজেই এটি তাহকিক করেছেন, এর ওপর টিকা লিখেছেন এবং এককভাবে এর হাদিসসমূহের তাখরিজ করেছেন। আর যার শেষে [তাখরিজ] লেখা আছে, তার অর্থ হলো সেখানে শাইখের ভূমিকা কেবল হাদিসসমূহের তাখরিজ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ; পক্ষান্তরে এর তাহকিক ও টীকা প্রদান অন্য কারো। যেমন: ইবনে রজব-এর "কালিমাতুল ইখলাস" এবং শাইখুল ইসলামের "আল-ইহতিজাজু বিল কদর"।

(১১) কোনো বই সম্পর্কে আমার উক্তি: (তিনি এটি সমাপ্ত করেননি) অথবা (অপ্রাপ্ত), এর অর্থ হলো: শাইখের বইসমূহের উল্লেখ রয়েছে এমন যেসব উৎস আমি দেখতে পেয়েছি সে অনুযায়ী। হতে পারে শাইখ এর কোনো কোনোটি পূর্ণ করেছিলেন। এসব উৎসের মধ্যে একটি হলো শায়বানী রচিত "হায়াতুল আলবানী", যা শাইখের মৃত্যুর ১৩ বছর আগে মুদ্রিত হয়েছে (যেমন সামনে আসবে)। ফলে হতে পারে শাইখ এই সময়ের মধ্যে অসম্পূর্ণটি সম্পন্ন করেছেন অথবা হারিয়ে যাওয়াটি খুঁজে পেয়েছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

(১২) শাইখের কিছু কিতাবের ওপর তাঁর নতুন পর্যালোচনা ও টীকা রয়েছে—যা হাদিসের কিতাবসমূহে তাঁর নিরন্তর পাঠ ও গবেষণার ফল। এর ফলে কোনো কোনো হাদিসের ব্যাপারে তাঁর পূর্বের হুকুম পরিবর্তিত হয়েছে। এই বইগুলো নতুন টীকাসহ মুদ্রিত হয়নি, তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: "মিশকাতুল মাসাবিহ", "সহিহুল জামি", "আল-মুনতাখাব" এবং "আর-রাদ্দু আলা রিসালাতিত তাকিবিল হাসিছ"। বরং আমি তাঁকে অনেক সময় নতুন তাহকিক ও টীকাসহ "মিশকাত"-এর হাওয়ালা দিতে দেখেছি, যা এখনও মুদ্রিত হয়নি।

(১৩) শাইখ (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর লাইব্রেরিতে থাকা সমস্ত মুদ্রিত ও পাণ্ডুলিপি মদিনা মুনাওয়ারার "ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়"-এর জন্য অসিয়ত করে গেছেন (১)।

(১৪) আমার এই কাজটির বৈশিষ্ট্য হলো শাইখ (রহিমাহুল্লাহ)-এর বইগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা করা, বিস্তারিত বর্ণনা নয়। আমার উদ্দেশ্য ছিল বর্ণানুক্রমিকভাবে তাঁর রচনাবলির নাম প্রচার করা। শাইখের জীবনী নিয়ে লেখা উৎসগুলো থেকে আমি তাঁর কিছু রচনার নাম গ্রহণে উপকৃত হয়েছি। আমার এই কাজে কিছু ভ্রম বা ভুল থাকা সম্ভব।

আর আল্লাহই তাওফিকদাতা।

**********

--------------------------------------------

(১) 'আস-সাবাত'-এর শেষে প্রথম পরিশিষ্ট দেখুন (পৃষ্ঠা ১৮৬)।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌المبحث الأوّل: "ثَبَتُ" مؤلفات الشيخ رحمه الله

["ثَبَت" مؤلفات الشيخ رحمه الله]

( … ) "أحاديثُ الإسراء والمعراج" = "الإسراء والمعراج".

( … ) "أحاديثُ البيوع وآثاره" = "تخريج أحاديث البيوع".

"أحاديثُ التحري والبناء على اليقين في الصلاة"، [تأليف] .

"الأحاديثُ الضعيفة والموضوعة التي ضعفها أو أشار إلى ضعفها ابن تيمية في: (مجموع الفتاوى) "، [تأليف] .

"الأحاديث الضعيفة والموضوعة في أمهات الكتب الفقهية"، [تأليف] .

كتب له مقدمة كبيرة، ولم يتمه.

ويقصد بأمهات الكتب الفقهية:

1 ـ "الهداية"؛ للمرغيناني (فقه حنفي) .

2 ـ "المدونة"؛ لابن القاسم (فقه مالكي) .

3 ـ "شرح الوجيز"؛ للرافعي (فقه شافعي) .

4 ـ "المغني"؛ لابن قدامة (فقه حنبلي) .

5 ـ "بداية المجتهد"؛ لابن رشد (فقه موازن) .

وتلاحظ أنَّها شملت كتب المذاهب الأربعة، وزيادة، وقد وصل فيه إلى (ستة آلاف) حديث.

"الأحاديثُ المختارة"؛ (للضياء المقدسي) ، [تحقيق] .

لم يتمه.

"الاحتجاجُ بالقدر"؛ (لشيخ الإسلام) ، [تخريج]ـ (ط) .

( … ) "الإحسانُ في تقريب: (صحيح ابن حبان) " = "التعليقاتُ الحسان".

"أحكامُ الجنائز وبدعها"، [تأليف]ـ (ط) .

"أحكامُ الركاز"، [تأليف] .

وهو مفقود.

"الأحكامُ الصغرى"؛ (للأشبيلي) ، [تحقيق] .

"الأحكامُ الوسطى"؛ (للأشبيلي) ، [تحقيق] .

"الأجوبةُ النافعة عن أسئلة لجنة مسجد الجامعة"، [تأليف]ـ (ط) .

"أداءُ ما وجب من بيان وضع الوضّاعين في رجب"؛ (لابن دِحْيَةَ الكَلْبِيّ) ، [تخريج]ـ (ط) .

"آدابُ الزفاف في السنة المطهرة"، [تأليف]ـ (ط) .

"الأذكارُ"؛ (للنووي) ، [تعليق وتخريج] .

وهو في الأصل تلخيصٌ لكتاب: "نتائجُ الأفكار في تخريج أحاديث الأذكار"؛ للحافظ ابن حجر.

"إرشادُ النقاد في تيسر الاجتهاد"؛ (للصنعاني) ، [تخريج وتعليق] .

"إرواءُ الغليل في تخريج أحاديث: (منار السبيل) "، [تأليف]ـ (ط) .

وهو من أنفس كتب الشيخ رحمه الله، تناول فيه أحاديث كتاب "منار السبيل" لابن ضويان الحنبلي.

ومن عرف مكانة "المنار" عند علماء الحنابلة؛ عرف أهميّة "الإرواء".
‌‌প্রথম পরিচ্ছেদ: শাইখের (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) রচনাবলির "তালিকা"

[শাইখের (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) রচনাবলির "তালিকা"]

( … ) "আহাদিসুল ইসরা ওয়াল মিরাজ" = "আল-ইসরা ওয়াল মিরাজ"।

( … ) "আহাদিসুল বুয়ূ ওয়া আসারুহু" = "তাখরিজু আহাদিসিল বুয়ূ"।

"আহাদিসুত তাহারি ওয়াল বিনাউ আলাল ইয়াকিন ফিস সালাহ", [রচনা]।

"আল-আহাদিসুদ দয়িফাহ ওয়াল মাওদুয়াহ আল্লাতি দয়্যাফাহা আও আশারা ইলা দয়ফিহা ইবনু তাইমিয়্যাহ ফি: (মাজমুউল ফাতাওয়া)", [রচনা]।

"আল-আহাদিসুদ দয়িফাহ ওয়াল মাওদুয়াহ ফি উম্মাহাতিল কুতুবিল ফিকহিয়্যাহ", [রচনা]।

তিনি এর জন্য একটি দীর্ঘ ভূমিকা লিখেছিলেন, তবে এটি সম্পন্ন করেননি।

আর মৌলিক ফিকহ গ্রন্থসমূহ বলতে তিনি বুঝিয়েছেন:

১. "আল-হিদায়া"; মারগিনানি রচিত (হানাফি ফিকহ)।

২. "আল-মুদাওওয়ানা"; ইবনুল কাসিম রচিত (মালিকি ফিকহ)।

৩. "শারহুল ওয়াজিজ"; রাফেয়ি রচিত (শাফেয়ি ফিকহ)।

৪. "আল-মুগনি"; ইবনু কুদামাহ রচিত (হাম্বলি ফিকহ)।

৫. "বিদায়াতুল মুজতাহিদ"; ইবনু রুশদ রচিত (তুলনামূলক ফিকহ)।

আপনি লক্ষ্য করবেন যে এটি চার মাযহাবের কিতাবসমূহ এবং এর অতিরিক্ত কিতাবকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, এবং তিনি এতে (ছয় হাজার) হাদিস পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন।

"আল-আহাদিসুল মুখতারা"; (দিয়া আল-মাকদিসি রচিত), [তাহকিক]।

এটি সম্পন্ন করেননি।

"আল-ইহতিজাজু বিল কদর"; (শাইখুল ইসলাম রচিত), [তাখরিজ] - (মুদ্রিত)।

( … ) "আল-ইহসান ফি তাকরিব: (সহিহ ইবনু হিব্বান)" = "আত-তালিকাতুল হিসান"।

"আহকামুল জানাইয ওয়া বিদাউহা", [রচনা] - (মুদ্রিত)।

"আহকামুর রিকায", [রচনা]।

এটি অপ্রাপ্য।

"আল-আহকামুস সুগরা"; (ইশবিলি রচিত), [তাহকিক]।

"আল-আহকামুল উসতা"; (ইশবিলি রচিত), [তাহকিক]।

"আল-আজউয়িবাতুন নাফিয়াহ আন আসইলাতি লাজনাতি মাসজিদিল জামিআহ", [রচনা] - (মুদ্রিত)।

"আদাউ মা ওয়াজাবা মিন বায়ানি ওয়াদয়িল ওয়াদ্দায়িনা ফি রাজাব"; (ইবনু দিহয়াহ আল-কালবি রচিত), [তাখরিজ] - (মুদ্রিত)।

"আদাবুয যিফাফ ফিস সুন্নাতিল মুতাহহারাহ", [রচনা] - (মুদ্রিত)।

"আল-আযকার"; (নববী রচিত), [টীকা ও তাখরিজ]।

এটি মূলত হাফিজ ইবনু হাজার রচিত "নাতাইযুল আফকার ফি তাখরিজি আহাদিসিল আযকার" কিতাবটির সংক্ষিপ্তসার।

"ইরশাদুন নুক্কাদ ফি তায়সিরিল ইজতিহাদ"; (সানআনি রচিত), [তাখরিজ ও টীকা]।

"ইরওয়াউল গালিল ফি তাখরিজি আহাদিসি: (মানারুস সাবিল)", [রচনা] - (মুদ্রিত)।

এটি শাইখের (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) অত্যন্ত মূল্যবান কিতাবসমূহের অন্যতম, এতে তিনি ইবনু দুওয়াইয়ান হাম্বলি রচিত "মানারুস সাবিল" কিতাবের হাদিসসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আর যে ব্যক্তি হাম্বলি আলেমদের নিকট "মানার"-এর অবস্থান সম্পর্কে জানে, সে "ইরওয়া"-এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবে।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৭)
ولمعالي الشيخ الدكتور: صالح بن عبد العزيز آل الشيخ حَفِظَهُ اللهُ: ”التكميل لما فاتَ تخريجه من: (إرواء الغليل) ”، وهو ـ على صغر حجمه ـ نفيسٌ جداً، به تكمل فائدة ”الإرواء”.

”إزالةُ الدهش والوَلَه عن المتحيِّر في صحة حديث: ((مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ)) ”؛ (لمحمد بن إدريس القادري) ، [تخريج]ـ (ط) .

خَرَجَت هذه الطبعة بتخريجِ الشيخ رحمه الله، وتَمَّم هذا التخريج، وزادَ فيه: الناشرُ، الشيخُ الفاضلُ: زهير الشاويش حَفِظَهُ اللهُ، كما وضَّحَ ذلك في المقدمة (ص 10) .

وميَّز ـ الناشرُ ـ تخريجاتِ الشيخ عن إضافاته؛ فجعل تخريجات الشيخ تبدأ بـ: [ناصر] ، وتنتهي بـ: [ن] .

وما زادَ عن ذلك، فهو من تعليقاتِهِ، وزياداته على الشيخ.

وعلَّلَ ذلكَ بقوله (ص 10) :

(وذلك محافظة على تبعية كل واحد منا لعمله، وقوله) أ. هـ

وهو عملٌ سديدٌ، ولا سيما أنَّه يُتَمِّم كلاماً للشيخ ـ أحياناً ـ بكلامٍ للشيخِ نفسه في كتبه المطبوعة؛ كـ: ”إرواء الغليل”، و ”السِّلْسِلَتين”، أثابهما الله، وجعل عملهما ـ في نشر مذهب السلف ـ في موازين حسناتهما.

”إزالةُ الشكوك عن حديث البروك”، [تأليف] .

في مسألة البروك في السجود، مناقشة لابن القيم، في: ”زاد المعاد”، وهو مفقود.

”الأسئلة والأجوبة”، [تأليف] .

ومِمَّا جاء فيه: حكم قراءة القرآن على الموتى، وحكم المولد، وقضاء الصلاة الفائتة، وذهاب المرأة مع النساء إلى التراويح، وتكرار الجمعة …

”أسباب الخلاف”؛ (للحميدي) ، [تحقيق] .

لم يتمه.

”الإسراءُ والمعراج وذكر أحاديثهما وتخريجها وبيان صحيحها من سقيمها”، [تأليف]ـ (ط) .

انظر: ”صحيحُ الإسراء والمعراج” الآتي، والتنبيه عليه.

”أسماء شيوخ الطبراني في: (المعجم الأوسط) ”، [تأليف] .

وعددهم قرابة (الثمانمائة) ، وبجانب اسم أحدهم أرقام أحاديثه، بترقيمه هو، ليعلم من ذلك المقل منهم من المكثر، وهو مفيد في غير المشهورين منهم.
এবং মহামান্য শেখ ডক্টর সালিহ বিন আব্দুল আজিজ আল-শেখ (আল্লাহ তাকে হিফাজত করুন) এর একটি রচনা হলো: ”আত-তাকমিল লিমা ফাতা তাখরিজুহু মিন: (ইরওয়াউল গালিল)”, এটি ক্ষুদ্রাকৃতির হওয়া সত্ত্বেও অত্যন্ত মূল্যবান, এর মাধ্যমে ”ইরওয়া” এর উপকারিতা পূর্ণতা পায়।

”ইযালাতুদ দাহাশ ওয়াল ওয়ালাহ আনিল মুতাহাইয়ির ফি সিহহাতি হাদিস: ((মাউ যামযামা লিমা শুরিবা লাহু))”; (মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আল-কাদিরি রচিত), [তাখরিজ]— (মুদ্রিত)।

এই সংস্করণটি শেখ (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন)-এর তাখরিজ সহ প্রকাশিত হয়েছে। আর এই তাখরিজ সম্পন্ন করেছেন এবং এতে সংযোজন করেছেন প্রকাশক, সম্মানিত শেখ যুহাইর আশ-শাভিশ (আল্লাহ তাকে হিফাজত করুন), যেমনটি তিনি ভূমিকার (পৃষ্ঠা ১০) বর্ণনা করেছেন।

প্রকাশক শেখের তাখরিজসমূহকে তার নিজস্ব সংযোজন থেকে পৃথক করেছেন; তিনি শেখের তাখরিজসমূহ শুরু করেছেন [নাসির] দিয়ে এবং শেষ করেছেন [ন] দিয়ে।

আর এর বাইরে যা কিছু আছে, তা প্রকাশকের নিজস্ব টীকা এবং শেখের ওপর তার সংযোজন।

তিনি এর কারণ হিসেবে বলেছেন (পৃষ্ঠা ১০):

(তা করা হয়েছে আমাদের প্রত্যেকের কাজ এবং বক্তব্য যেন স্ব-স্ব নামে সংরক্ষিত থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য)। সমাপ্ত।

এটি একটি সঠিক কাজ, বিশেষ করে যখন তিনি মাঝেমধ্যে শেখের কথাকে শেখের নিজেরই অন্যান্য মুদ্রিত বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে পূর্ণতা দিয়েছেন; যেমন: ”ইরওয়াউল গালিল” এবং ”আস-সিলসিলাতাইন” (সহিহা ও যইফা), আল্লাহ তাদের উভয়কে উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং সালাফে সালেহীনের মানহাজ প্রচারের ক্ষেত্রে তাদের এই কাজকে তাদের নেক আমলের পাল্লায় যুক্ত করুন।

”ইযালাতুশ শুকুক আন হাদিসিল বুরূক”, [রচনালিপি]।

সিজদাহ করার সময় উটের মতো বসার মাসআলার ব্যাপারে এটি ইবনুল কাইয়্যিমের 'যাদুল মা'আদ'-এর আলোচনার একটি পর্যালোচনা, তবে এটি বর্তমানে নিখোঁজ।

”আল-আসইলাতু ওয়াল আজওয়িবা” (প্রশ্নোত্তর), [রচনালিপি]।

এতে যা বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে: মৃতদের জন্য কুরআন তিলাওয়াতের বিধান, মিলাদ বা মাওলিদ পালনের বিধান, ছুটে যাওয়া নামায কাযা করার বিধান, নারীদের অন্যান্য নারীদের সাথে তারাবিতে যাওয়ার বিধান এবং জুমুআহ পুনরায় আদায় করার বিধান …

”আসবাবুল ইখতিলাফ”; (হুমাইদি রচিত), [তাহকিক]।

তিনি এটি সম্পন্ন করতে পারেননি।

”আল-ইসরা ওয়াল মি'রাজ ওয়া যিকর আহাদিসিহিমা ওয়া তাখরিজিহা ওয়া বায়ানু সহিহিহা মিন সাকিমিহা”, [রচনালিপি]— (মুদ্রিত)।

সামনে আগত ”সহিহ আল-ইসরা ওয়াল মি'রাজ” এবং এ সংক্রান্ত সতর্কতা দেখুন।

”আসমাউ শুয়ুখিত তবারানি ফি: (আল-মু'জাম আল-আওসাত)”, [রচনালিপি]।

তাদের সংখ্যা প্রায় (আটশ), এবং প্রত্যেকের নামের পাশে তাদের বর্ণিত হাদিসের নম্বর দেওয়া হয়েছে তাঁর নিজস্ব নাম্বারিং অনুযায়ী, যাতে জানা যায় তাদের মধ্যে কার হাদিস সংখ্যা কম এবং কার বেশি। এটি বিশেষ করে যারা খুব বেশি পরিচিত নন তাদের ক্ষেত্রে বেশ উপকারী।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৮)
وقد أشار إليه في المجلد (السادس) من: ”سلسة الأحاديث الصحيحة”، حديث رقم: (2616) ، (ص 227) .

”أسماءُ الكتب المنسوخة من المكتبة الظاهرية”، [تأليف] .

”إصلاحُ المساجد من البدع والعوائد”؛ (للقاسمي) ، [تخريج، وتعليق]ـ (ط) .

( … ) ”أصولُ السنة واعتقاد الدين” = ”كتابُ أصول السنة”.

”الاعتكافُ”، [تأليف]ـ (ط) .

طُبِعَ بذيل: ”قيام رمضان” ـ الآتي ـ بعنوان: ”بحثٌ قيم عن: الاعتكاف”.

”إغاثةُ اللهفان من مصائد الشيطان”؛ (لابن القيم) ، [تخريج] .

”اقتضاءُ الْعِلْمِ العمل”؛ (للخطيب البغدادي) ، [تحقيق]ـ (ط) .

”الإكمالُ في أسماء الرجال”؛ (للخطيب التبريزي) ، [تحقيق]ـ (ط) .

( … ) ”الألباني: شذوذه وأخطاؤه” = ”الردُّ على رسالة: ”أرشد السلفي”.

”الأمثالُ النبوية”، [تأليف] .

جمع فيه: (اثنين وثلاثين ومائة) مثلٍ ”نبويٍ”.

لم يتمه.

”الآياتُ البيِّنات في عدم سماع الأموات على مذهب الحنفية السادات”؛ (لنعمان الألوسي) ، [تحقيق]ـ (ط) .

”الآياتُ والأحاديث في ذم البدعة”، [تأليف] .

وللشيخ الكثير من المحاضرات حول البدعة، وبعضها فرغ وطبع، وأصبح كتباً متداولة (1) .

”الإيمانُ”؛ (لشيخ الإسلام) ، [تخريج]ـ (ط) .

( … ) ”الإيمانُ”؛ (لأبي عُبَيْد) = ”كتابُ الإيمان”.

( … ) ”الإيمانُ”؛ (لابن أبي شيبة) = ”كتابُ الإيمان”.

”الباعثُ الحثيث شرح: (اختصار علوم الحديث) ”؛ (لأحمد شاكر) ، [تعليق]ـ (ط) .

”بدايةُ السُّول في تفضيل الرسول صلى الله عليه وسلم”؛ (للعز بن عبد السلام) ، [تحقيق]ـ (ط) .

”البدعةُ”، [تأليف] .

وهو جزء من: ”تسديد الإصابة”، (الآتي) .

”البرهانُ في رد العدوان”، [تأليف]ـ (ط) .

”بغيةُ الحازم في فهرسة: (مستدرك الحاكم) ”، [تأليف] .

[”بيان افتراءات وأخطاء أصحاب: (الإصابة في نصرة الخلفاء الراشدين والصحابة) ”] ، [ط] .

انظر التنبيه الثاني الوارد عند: ”تسديد الإصابة”.

”بينَ يدي التلاوة”، [تأليف] .

--------------------------------------------

(1) انظر: المبحث الثاني من هذا الفصل، (ص 97) .
তিনি এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন 'সিলসিলাতুল আহাদিস আস-সহিহা' এর (ষষ্ঠ) খণ্ডে, হাদিস নং: (২৬১৬), (পৃষ্ঠা ২২৭)।

'আসমাউল কুতুবিল মানসুখা মিনাল মাকতাবাতিজ জহিরিয়্যাহ', [রচনা]।

'ইসলাহুল মাসাজিদ মিনাল বিদা'ই ওয়াল আওয়ায়িদ'; (কাসেমী রচিত), [তাহরিজ ও টীকা প্রদান] (মুদ্রিত)।

( ... ) 'উসুলুস সুন্নাহ ওয়া ইতিয়াদুদ দিন' = 'কিতাবু উসুলুস সুন্নাহ'।

'আল-ইতিফাক', [রচনা] (মুদ্রিত)।

এটি সামনে আসতে যাওয়া 'কিয়ামু রমজান' এর পরিশিষ্টে 'বাহসুন কাইয়্যিম আনিল ইতিফাক' শিরোনামে মুদ্রিত হয়েছে।

'ইগাসাতুল লাহফান মিন মাসায়িদুশ শয়তান'; (ইবনুল কাইয়্যিম রচিত), [তাহরিজ]।

'ইকতিদাউল ইলমিল আমল'; (খতিব আল-বাগদাদি রচিত), [তাহকিক] (মুদ্রিত)।

'আল-ইকমাল ফি আসমাঈর রিজাল'; (খতিব আত-তুবরিজি রচিত), [তাহকিক] (মুদ্রিত)।

( ... ) 'আল-আলবানী: শাজুজুহু ওয়া আখতাউহু' = 'আরশাদ আস-সালাফি' নামক পুস্তিকার প্রত্যুত্তর।

'আল-আমসালুন নাবাবিয়্যাহ', [রচনা]।

এতে তিনি (একশত বত্রিশটি) 'নাবাবীয়' (নবী ﷺ সম্পর্কিত) প্রবাদ সংকলন করেছেন।

তিনি এটি সমাপ্ত করতে পারেননি।

'আল-আয়াতুল বাইয়্যিনাত ফি আদামি সামায়িল আমওয়াত আলা মাজহিবিল হানাফিয়্যাতিস সাদাত'; (নুমান আল-আলুসি রচিত), [তাহকিক] (মুদ্রিত)।

'আল-আয়াত ওয়াল আহাদিস ফি জাম্মিল বিদআহ', [রচনা]।

বিদআত সম্পর্কে শায়খের প্রচুর বক্তৃতা রয়েছে, যার কিছু অনুলিপি তৈরি ও মুদ্রিত হয়ে বর্তমানে প্রচলিত কিতাব হিসেবে গণ্য (১)।

'আল-ঈমান'; (শায়খুল ইসলাম রচিত), [তাহরিজ] (মুদ্রিত)।

( ... ) 'আল-ঈমান'; (আবু উবাইদ রচিত) = 'কিতাবুল ঈমান'।

( ... ) 'আল-ঈমান'; (ইবনে আবি শায়বাহ রচিত) = 'কিতাবুল ঈমান'।

'আল-বায়িসুল হাসিস শারহ: (ইখতিসার উলুমিল হাদিস)'; (আহমদ শাকির রচিত), [টীকা প্রদান] (মুদ্রিত)।

'বিদায়াতুস সুল ফি তাফদিলির রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম'; (ইজ্জুদ্দিন ইবনে আবদুস সালাম রচিত), [তাহকিক] (মুদ্রিত)।

'আল-বিদআহ', [রচনা]।

এটি সামনে আসতে যাওয়া 'তাসদিদুল ইসাবাহ' এর অংশ বিশেষ।

'আল-বুরহান ফি রাদ্দিল উদওয়ান', [রচনা] (মুদ্রিত)।

'বুগইয়াতুল হাজিম ফি ফিহরাসাতি: (মুস্তাদরাকুল হাকিম)', [রচনা]।

['বায়ান ইফতিরাআত ওয়া আখতাউ আসহাব: (আল-ইসাবাহ ফি নুসরাতিল খুলাফায়ির রাশিদিন ওয়াস সাহাবাহ)'], [মুদ্রিত]।

'তাসদিদুল ইসাবাহ' এর অধীনে বর্ণিত দ্বিতীয় সতর্কতাটি দেখুন।

'বাইনা ইয়াদাইত তিলাওয়াহ', [রচনা]।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, (পৃষ্ঠা ৯৭)।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৯)
( … ) ”التاجُ الجامع للأصول في أحاديث الرسول صلى الله عليه وسلم” = ”نقدُ كتاب: (التاج الجامع للأصول) ”.

”تاريخُ دمشق”؛ (لأبي زُرْعَة، رواية: أبي الميمون، عبد الرحمن بن عبد الله ابن عمر بن راشد البجلي) ، [تحقيق] .

وهو كامل، ويظن الشيخ أنَّه مفقود منه.

( … ) ”التاريخُ الكبير” = ”فهرس أحاديث كتاب: (التاريخ الكبير) ”.

”تأسيسُ الأحكام على ما صحَّ عن خير الأنام بشرح أحاديث: (عمدة الأحكام) ”؛ (لأحمد بن يحيى النجمي) ، [علَّق على أحاديثه]ـ (ط) الجزء الأوّل فقط.

”تحذيرُ الساجد من اتخاذ القبور مساجد”، [تأليف]ـ (ط) .

ولَعَلَّه أوّل بحث كتبه الشيخ.

انظر: ”علماء ومفكرون” للمجذوب (1/289 ـ 290) .

وهو جزء من: ”تسديد الإصابة” (الآتي) .

وهو: ”الصلاةُ في المساجد المبنية على القبور”.

وانظر التنبيه الأوّل في آخر: ”تسديد الإصابة”.

( … ) ”تحريرُ المرأة في عصر الرسالة” = ”الردُّ على كتاب: (تحرير المرأة في عصر الرسالة) ”.

”تحريمُ آلات الطرب”، [تأليف]ـ (ط) .

وسيرد باسم: ”الردُّ بالوحيين وأقوال أئمتنا”.

”تحقيقُ معنى السنة”؛ (لسليمان الندوي) ، [تخريج]ـ (ط) .

”تخريجُ أحاديث البيوع وآثاره”؛ [تأليف] .

عمله لـ: ”موسوعة الفقه الإسلامي”، بكلية الشريعة، في جامعة ”دمشق”، ثم توقف عنه عندما توقفت الكلية عن طبع ”الموسوعة”.

( … ) ”تخريجُ أحاديث: (سنن أبي داود) ” = وهو: ”صحيح”، و ”ضعيف أبي داود” الآتيان، وهو من أنفس كتبه، وسيأتي أنَّه غير المطبوع.

”تخريجُ أحاديث: (فضائل الشام ودمشق) ”؛ (للرَّبَعي) ، [تأليف]ـ (ط) .

”تخريجُ أحاديث: (مشكلة الفقر وكيف عالجها الإسلام) ”؛ (للقرضاوي) ، [تأليف]ـ (ط) .

”تخريجُ حديث أبي سعيد الخدري رضي الله عنه في سجود السهو”، [تأليف] .

( … ) ”تخريجُ: (الروضة الندية) ” = ”الروضةُ الندية”.

( … ) ”تخريجُ: (شرح العقيدة الطحاوية) ” = ”شرحُ العقيدة الطحاوية”.

( … ) ”تخريجُ: (الكلم الطيب) ” = ”الكلمُ الطيب”.
( … ) ”রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসসমূহের মৌলিক উৎসসমূহের সংকলন ‘আত-তাজুল জামি’ লিল উসুল’” = ”‘আত-তাজুল জামি’ লিল উসুল’ বইটির সমালোচনা”।

”তারিখে দামেশক”; (আবু যুরআ-র রচিত, বর্ণনা: আবুল মাইমুন, আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ওমর ইবনে রাশিদ আল-বাজালি), [তাহকিক বা পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা]।

এটি পূর্ণাঙ্গ, তবে শেখ মনে করেন যে এর কিছু অংশ হারিয়ে গেছে।

( … ) ”আত-তারিখুল কাবির” = ”‘আত-তারিখুল কাবির’ গ্রন্থের হাদিসসমূহের সূচিপত্র”।

”সর্বশ্রেষ্ঠ মানবের পক্ষ থেকে যা বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত তার ওপর ভিত্তি করে বিধানের ভিত্তি স্থাপন: ‘উমদাতুল আহকাম’-এর হাদিসসমূহের ব্যাখ্যা”; (আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া আন-নাজমি রচিত), [এর হাদিসসমূহের ওপর টীকা প্রদান করেছেন]— (মুদ্রিত) কেবল প্রথম খণ্ড।

”কবরকে মসজিদে পরিণত করা থেকে সেজদাকারীর প্রতি সতর্কবার্তা”, [রচনা]— (মুদ্রিত)।

সম্ভবত এটিই শেখের লেখা প্রথম গবেষণা।

দেখুন: মাজযুব রচিত ”উলামা ওয়া মুফাক্কিরুন” (১/২৮৯-২৯০)।

এটি ”তাসদিদুল ইসাবাহ” (যা সামনে আসছে) এর একটি অংশ।

এটি হলো: ”কবরের ওপর নির্মিত মসজিদে নামাজ পড়া”।

এবং দেখুন ”তাসদিদুল ইসাবাহ” এর শেষে প্রথম সতর্কতা।

( … ) ”রিসালাতের যুগে নারী মুক্তি” = ”‘রিসালাতের যুগে নারী মুক্তি’ নামক বইটির জবাব”।

”বাদ্যযন্ত্রের হারম হওয়া”, [রচনা]— (মুদ্রিত)।

এবং এটি সামনে এই নামে আসবে: ”ওহী ও আমাদের ইমামদের উক্তির মাধ্যমে খণ্ডন”।

”সুন্নাহর অর্থের বিশ্লেষণ”; (সুলাইমান নদভী রচিত), [তাখরিজ বা হাদিস যাচাইকরণ]— (মুদ্রিত)।

”বেচাকেনা সংক্রান্ত হাদিস ও আসারসমূহের যাচাইকরণ”; [রচনা]।

তিনি এটি ”দামেশক” বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ অনুষদের ”ইসলামি ফিকহ বিশ্বকোষ”-এর জন্য তৈরি করেছিলেন, পরবর্তীতে অনুষদ যখন ”বিশ্বকোষ” ছাপানো বন্ধ করে দেয়, তখন তিনিও এটি বন্ধ করে দেন।

( … ) ”সুনানে আবু দাউদ-এর হাদিসসমূহের যাচাইকরণ” = এটি হলো: সামনে আসা ”সহিহ” এবং ”যয়িফ আবু দাউদ”, এটি তার শ্রেষ্ঠ গ্রন্থগুলোর অন্তর্ভুক্ত, এবং সামনে আসবে যে এটি অমুদ্রিত।

”শাম ও দামেশকের ফজিলত বিষয়ক হাদিসসমূহের যাচাইকরণ”; (রাবাঈ রচিত), [রচনা]— (মুদ্রিত)।

”দারিদ্র্য সমস্যা এবং ইসলাম যেভাবে এর সমাধান করেছে বইটির হাদিসসমূহের যাচাইকরণ”; (কারাদাভি রচিত), [রচনা]— (মুদ্রিত)।

”সাহু সিজদা সম্পর্কে আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিসের যাচাইকরণ”, [রচনা]।

( … ) ”আর-রওদাতুন নাদিয়্যাহ-এর যাচাইকরণ” = ”আর-রওদাতুন নাদিয়্যাহ”।

( … ) ”শারহুল আকিদাহ আত-তহবিয়্যাহ-এর যাচাইকরণ” = ”শারহুল আকিদাহ আত-তহবিয়্যাহ”।

( … ) ”আল-কালিমুত তায়্যিব-এর যাচাইকরণ” = ”আল-কালিমুত তায়্যিব”।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২০)
( … ) ”تخريجُ: (مشكاة المصابيح) ” = ”مشكاةُ المصابيح”.

( … ) ”تخريجُ: (المصطلحات الأربعة في القرآن) ” = ”المصطلحاتُ الأربعة في القرآن”.

”ترجمةُ الصحابي أبي الغادية رضي الله عنه ودراسة مرويات قتله عمارَ بن ياسر رضي الله عنه”، [تأليف] .

( … ) ”تسديدُ الإصابة إلى من زعم نصرة الخلفاء الراشدين والصحابة”، [تأليف] .

هذا عنوانٌ عامٌ لمجموعةٍ من رسائله العلميَّة؛ وهي:

1 ـ ”البدعة”.

2 ـ ”تحذير الساجد من اتخاذ القبور مساجد”.

3 ـ ”التَّوَسُّل”.

وهذه الرِّسالة ـ ”التَّوَسُّل” ـ غَيْر كتاب: ”التَّوَسُّل أنواعه وأحكامه”، الآتي برقم: (70) .

وانظر ما علَّقْته عليه هناك.

4 ـ ”صلاة التراويح”.

5 ـ ”صلاة العيدين في المصلى خارج البلد هي السنة”.

6 ـ[بيان افتراءات وأخطاء أصحاب: ”الإصابة في نصرة الخلفاء الراشدين والصحابة”] .

وستجد كل رسالة في موضعها، من هذا ”الثَّبَت” (1) .

وعليه؛ فـ: ”تسديد الإصابة” ليس كتاباً مستقلاً.

وانظر: مقدمة: ”صلاة التراويح” (ص 3 ـ 4) .

[تنبيهان] :

[التنبيه الأوّل] :

هذه الرسائل (الخمس) نصَّ عليها مؤلفها في مقدمة: ”صلاة التراويح” (ص 3 ـ 4) .

وجاء في: ”حياة الألباني” للشيباني (2/688) ، نقلاً عن مقدمة الألباني لـ: ”صلاة التراويح”، ذِكْر هذه (الخمس) ، ولكنَّه ذَكَرَ: ”الصلاة في المساجد المبنية على القبور”، بدلاً من: ”تحذير الساجد من اتخاذ القبور مساجد”.

وقد ذَكَر ”تحذير الساجد” مفرداً في (2/727) ، برقم: (25) .

فأشكل عليَّ ذلك؛ أيهما أقدِّم:

تصريح المؤلف (الألباني) في كتابه؟

أم كلام التلميذ في كتابٍ قرأه على المؤلف؟

--------------------------------------------

(1) سوى الرسالة (السادسة) ، وهي محل (الإشكال) عندي، كما ستجده في التنبيه (الثاني) الآتي.
( … ) ”তাখরিজ: (মিশকাতুল মাসাবিহ)” = ”মিশকাতুল মাসাবিহ”।

( … ) ”তাখরিজ: (আল-মুসতালাহাতুল আরবাআ ফিল কুরআন)” = ”আল-মুসতালাহাতুল আরবাআ ফিল কুরআন”।

”সাহাবি আবু গাদিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জীবনী এবং আম্মার বিন ইয়াসির (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে তাঁর হত্যার বর্ণনাগুলোর পর্যালোচনা”, [রচনা]।

( … ) ”তাসদিদুল ইসাবাহ ইলা মান যা'আমা নুসরাতাল খুলাফা ইর-রাশিদিন ওয়াস-সাহাবাহ”, [রচনা]।

এটি তাঁর গবেষণামূলক প্রবন্ধ সংকলনের একটি সাধারণ শিরোনাম; সেগুলো হলো:

১- ”আল-বিদআহ”।

২- ”তাহযিরুস সাজিদ মিন ইত্তিখাযিল কুবুরি মাসাজিদ”।

৩- ”আত-তাওয়াসসুল”।

আর এই প্রবন্ধ— ”আত-তাওয়াসসুল” —আগামীতে ৭০ নম্বরে আসা ”আত-তাওয়াসসুল: আনওয়ায়ুহু ওয়া আহকামুহু” নামক কিতাব থেকে ভিন্ন।

সেখানে এ বিষয়ে আমার মন্তব্যটি দেখুন।

৪- ”সালাতুত তারাবিহ”।

৫- ”শহরের বাইরে ঈদগাহে দুই ঈদের সালাত আদায় করাই সুন্নাহ”।

৬- [”আল-ইসাবাহ ফি নুসরাতিল খুলাফা ইর-রাশিদিন ওয়াস-সাহাবাহ”-এর সংকলকদের অপবাদ ও ভুলসমূহের বর্ণনা]।

আর আপনি এই ”সাবাত” (তালিকা)-এর যথাস্থানে প্রতিটি প্রবন্ধ খুঁজে পাবেন (১)।

সেই অনুযায়ী; ”তাসদিদুল ইসাবাহ” কোনো স্বতন্ত্র কিতাব নয়।

দেখুন: ”সালাতুত তারাবিহ”-এর ভূমিকা (পৃষ্ঠা ৩-৪)।

[দুটি সতর্কতা]:

[প্রথম সতর্কতা]:

লেখক নিজে ”সালাতুত তারাবিহ”-এর ভূমিকা (পৃষ্ঠা ৩-৪)-এ এই (পাঁচটি) প্রবন্ধের কথা উল্লেখ করেছেন।

আর শায়বানীর রচিত ”হায়াতুল আলবানী” (২/৬৮৮)-তে আলবানীর ”সালাতুত তারাবিহ”-এর ভূমিকা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে এই (পাঁচটি) প্রবন্ধের কথা এসেছে, কিন্তু তিনি ”তাহযিরুস সাজিদ মিন ইত্তিখাযিল কুবুরি মাসাজিদ”-এর পরিবর্তে ”আস-সালাতু ফিল মাসাজিদ আল-মাব নিয়্যাতি আলাল কুবুর” উল্লেখ করেছেন।

অথচ তিনি (২/৭২৭)-এর ২৫ নম্বর ক্রমিকে স্বতন্ত্রভাবে ”তাহযিরুস সাজিদ”-এর কথা উল্লেখ করেছেন।

ফলে বিষয়টি আমার কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেল; আমি কোনটিকে অগ্রাধিকার দেব:

লেখকের (আলবানী) নিজ কিতাবের স্পষ্ট বক্তব্যকে?

নাকি ছাত্রের বর্ণনাকে, যা তিনি লেখকের কাছে পাঠ করা কিতাব থেকে উদ্ধৃত করেছেন?

--------------------------------------------

(১) ষষ্ঠ প্রবন্ধটি ব্যতীত, আর এটিই আমার কাছে অস্পষ্টতার বিষয়, যেমনটি আপনি সামনে দ্বিতীয় সতর্কবার্তায় দেখতে পাবেন।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২১)
ثم ظهرَ لي أنَّ ما ذكره الشيباني هو الاسم القديم لكتاب ”تحذير الساجد”، حيث كانت رسالة: ”الصلاة في المساجد المبنية على القبور” هي اللبنة الأولى لكتاب: ”تحذير الساجد”، ولمَّا أرادَ الشيخ رحمه الله طبع رسالة: ”الصلاة في المساجد المبنية على القبور” بشكل أبسط؛ فإنَّه راجعها، ونقَّحَها، وزادَ فيها، لتصبح بالشكل الجديد، وسَمَّاها بعد هذه الزيادات والتنقيحات: ”تحذير الساجد من اتخاذ القبور مساجد”.

وأصبحت رسالة: ”الصلاة في المساجد المبنية على القبور”، جزءاً من أجزاء هذا الكتاب الجديد ”تحذير الساجد”، ومكانها هو الفصل السادس منه، فانظرها (ص 121) .

وانظر كامل مقدمة: ”تحذير الساجد”، فإنَّها تُوحي بذلك، مع مراجعة ما كتبه الشيخ المجذوب ـ نقلاً عن الألباني نفسه ـ في: ”علماء ومفكرون” (1/289 ـ 290) .

ثم تيسر لي الاطلاع على كتاب: ”صلاة التراويح” في طبعته الأولى، فوجدت أنَّ الشيخ نفسه سمَّى الكتاب بـ: ”الصلاة في المساجد المبنية على القبور”.

وانظر مقدمة هذه الطبعة (ص 4) ، ومنها نقل الشيباني.

هذا ما ظَهَرَ لي ـ بعدَ تأمُّلٍ ـ والله أعلم.

[التنبيه الثاني] :

فهمتُ من مقدمةِ الشيخ الألباني رحمه الله لـ: ”صلاة التراويح”، أنَّ له كتاباً سبق سلسلة ”تسديد الإصابة”؛ حيث قال (ص 3 ـ 4) :
তারপর আমার নিকট স্পষ্ট হলো যে, শায়বানী যা উল্লেখ করেছেন তা "তাহযীরুস সাজিদ" কিতাবটির পুরাতন নাম। কারণ, "আস-সালাতু ফিল মাসাজিদিল মাবনিয়্যাতি আলাল কুবুর" (কবরসমূহের উপর নির্মিত মসজিদে সালাত আদায়) নামক পুস্তিকাটিই ছিল "তাহযীরুস সাজিদ" কিতাবটির প্রাথমিক ভিত্তি। আর শায়খ (রহিমাহুল্লাহ) যখন "আস-সালাতু ফিল মাসাজিদিল মাবনিয়্যাতি আলাল কুবুর" পুস্তিকাটিকে সহজতর আঙ্গিকে ছাপাতে চাইলেন, তখন তিনি সেটি পুনর্বিবেচনা ও পরিমার্জন করেন এবং এতে নতুন কিছু যোগ করেন, যাতে তা একটি নতুন রূপ লাভ করে। এই সংযোজন ও পরিমার্জনের পর তিনি এর নামকরণ করেন: "তাহযীরুস সাজিদ মিন ইত্তিখাযিল কুবুরি মাসাজিদ" (কবরসমূহকে মসজিদে রূপান্তর করার ব্যাপারে সিজদাকারীদের সতর্ককরণ)।

ফলে "আস-সালাতু ফিল মাসাজিদিল মাবনিয়্যাতি আলাল কুবুর" পুস্তিকাটি এই নতুন কিতাব "তাহযীরুস সাজিদ"-এর একটি অংশে পরিণত হয় এবং এর স্থান হলো বইটির ষষ্ঠ অধ্যায়। সুতরাং তা দেখে নিন (পৃষ্ঠা ১২১)।

আপনি "তাহযীরুস সাজিদ"-এর পুরো ভূমিকাটি দেখুন, কারণ তা এই বিষয়ের দিকেই ইঙ্গিত দেয়। পাশাপাশি শায়খ মাজযূব স্বয়ং আলবানী থেকে উদ্ধৃত করে "উলামা ওয়া মুফাক্কিরুন" গ্রন্থে (১/২৮৯-২৯০) যা লিখেছেন তাও দেখে নিন।

এরপর আমার জন্য "সালাতুত তারাবীহ" কিতাবটির প্রথম সংস্করণটি দেখার সুযোগ হয়। সেখানে আমি দেখতে পাই যে, শায়খ নিজেই কিতাবটির নাম উল্লেখ করেছেন: "আস-সালাতু ফিল মাসাজিদিল মাবনিয়্যাতি আলাল কুবুর" হিসেবে।

এই সংস্করণের ভূমিকাটি দেখুন (পৃষ্ঠা ৪), এবং এখান থেকেই শায়বানী উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনার পর আমার নিকট এটাই প্রতিভাত হয়েছে। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

[দ্বিতীয় সতর্কতা] :

শায়খ আলবানী (রহিমাহুল্লাহ)-এর "সালাতুত তারাবীহ" কিতাবটির ভূমিকা থেকে আমি বুঝতে পেরেছি যে, "তাসদীদুল ইসাবাহ" সিরিজের আগে তাঁর একটি কিতাব ছিল; যেখানে তিনি বলেছেন (পৃষ্ঠা ৩-৪) :
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২২)
(هذه هي الرسالة الثانية من الرسائل (الست) ، التي يتألف منها كتابنا: ”تسديد الإصابة إلى من زعم نصرة الخلفاء الراشدين والصحابة”، وكان موضوع الرسالة الأولى: بيان افتراءات وأخطاء أولئك المؤلفين الذي حاولوا الرد علينا في رسالتهم: ”الإصابة في نصرة الخلفاء الراشدين والصحابة”، فلم يصيبوا، ولم يفلحوا، كما بينته في الرسالة المشار إليها التي ما كادت تُطْبَع وتُنْشَر، حتى تلقاها أفاضل الناس على اختلاف مشاربهم بالرضا والقبول، لما رأوا فيها ـ على إيجازها ـ من بحوث نافعة، مدعمة بالحجج المقنعة، وإنصافٍ في الردِّ، واعتدالٍ في النَّقْدِ، وتَرَفُّعٍ عن مقابلةِ الاعتداء بالمثلِ، أسأل الله تبارك وتعالى أنْ يتقبلها منا …

وها نحن اليوم نُقَدِّم الرسالة (الثانية) ، وهي الأولى من الرسائل (الخمس) ، التي وعدنا بها في الرسالة الآنفة الذكر) أ. هـ

ولم أعرفْ هذه ”الرِّسالة”، فليُبْحَث عنها.

”تسهيلُ الانتفاع بكتاب: (ثقات ابن حبان) ”، [تأليف] .

رتّب أسماءه على الحروف الهجائية، وذكر طبقة كل مترجم عنده بجانب اسمه بالأرقام (1، 2، 3) ، ورتَّب أحاديثَه وآثارَه والرواة على الحروف.

انظر: ”حياة الألباني” للشيباني (2/583) .

”تصحيحُ حديث إفطار الصائم قبل سفره بعد الفجر والردُّ على من ضعفه”، [تأليف]ـ (ط) .

وقد نُشِرَت هذه الرسالة (أوّلاً) في: مجلة: ”التمدن الإسلامي”، في (ثلاثِ) مقالاتٍ متتابعةٍ، سنة: (1379هـ) (1) .

ثم طُبِعَت مستقلةً، بهذا العنوان.

--------------------------------------------

(1) انظر: مقدمة: ’’تصحيح حديث إفطار الصائم قبل سفره’’ (ص 4) .

وسها نور الدين طالب فعدَّ في: ’’مقالات الألباني’’ (ص 20 ـ 21) ؛ هذه الرسالة ـ ’’التصحيح’’ ـ من المقالات التي لم تُطْبَع مستقلة، ولم تُنْشر بعد.
(এটি সেই (ছয়টি) পুস্তিকার মধ্যে দ্বিতীয় পুস্তিকা, যা নিয়ে আমাদের বই: ‘তাসদীদুল ইসাবাহ ইলা মান যাআমা নুসরতাল খুলাফাউর রাশিদীন ওয়াস সাহাবাহ’ গঠিত। প্রথম পুস্তিকার বিষয়বস্তু ছিল: সেই সকল লেখকদের অপবাদ ও ভুলভ্রান্তি বর্ণনা করা, যারা তাদের ‘আল-ইসাবাহ ফী নুসরতিল খুলাফাউর রাশিদীন ওয়াস সাহাবাহ’ পুস্তিকায় আমাদের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তারা সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি এবং সফলও হয়নি, যেমনটি আমি পূর্বোক্ত পুস্তিকায় বর্ণনা করেছি। সেটি মুদ্রিত ও প্রকাশিত হতে না হতেই বিভিন্ন শ্রেণির গুণীজনরা একে সন্তুষ্টি ও কবুলের সাথে গ্রহণ করেছেন। কারণ তারা এতে লক্ষ্য করেছেন—সংক্ষিপ্ত হওয়া সত্ত্বেও—উপকারী গবেষণা, যা শক্তিশালী দলিল দ্বারা সমর্থিত, জবাবে ইনসাফ, সমালোচনায় পরিমিতিবোধ এবং অন্যায়ের পাল্টা জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকা। আমি আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এটি আমাদের পক্ষ থেকে কবুল করেন ...

আর আজ আমরা এই (দ্বিতীয়) পুস্তিকাটি পেশ করছি, যা সেই (পাঁচটি) পুস্তিকার মধ্যে প্রথম, যেগুলোর ওয়াদা আমরা পূর্বোক্ত পুস্তিকায় দিয়েছিলাম।) সমাপ্ত।

আমি এই ‘পুস্তিকাটি’ চিনতে পারিনি, তাই এটি সন্ধান করা উচিত।

‘তাসহীলুল ইনতিফা বি কিতাব: (সিকাত ইবনে হিব্বান)’, [রচনা]।

তিনি এর নামসমূহকে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছেন এবং প্রত্যেক বর্ণনাকারীর নামের পাশে সংখ্যার (১, ২, ৩) মাধ্যমে তার স্তর উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও তিনি এর হাদিসসমূহ, আসারসমূহ এবং রাবীদের বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছেন।

দেখুন: শায়বানী রচিত ‘হায়াতুল আলবানী’ (২/৫৮৩)।

‘তাসহীহু হাদীসি ইফতিরাস সায়িম কাবলা সাফারিহী বা’দাল ফাজর ওয়ার রাদ্দু আলা মান দা’আফাহু’ [ফজরের পর সফরের পূর্বে রোযাদারের ইফতার সংক্রান্ত হাদিসটি সহীহ সাব্যস্তকরণ এবং যারা এটিকে যয়ীফ বলেছেন তাদের খণ্ডন], [রচনা]— (মুদ্রিত)।

এই পুস্তিকাটি (প্রথমে) ‘আত-তামাদ্দুন আল-ইসলামী’ সাময়িকীতে ধারাবাহিকভাবে (তিনটি) প্রবন্ধে ১৩৭৯ হিজরী সালে (১) প্রকাশিত হয়েছিল।

অতঃপর এটি এই শিরোনামেই স্বতন্ত্রভাবে মুদ্রিত হয়।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: ‘তাসহীহু হাদীসি ইফতিরাস সায়িম কাবলা সাফারিহী’ এর ভূমিকা (পৃষ্ঠা ৪)।

নূরুদ্দীন তালিব ভুলবশত ‘মাকালাতুল আলবানী’ (পৃষ্ঠা ২০-২১)-তে এই ‘তাসহীহ’ পুস্তিকাটিকে এমন প্রবন্ধগুলোর অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা স্বতন্ত্রভাবে মুদ্রিত হয়নি এবং এখনও প্রকাশিত হয়নি।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৩)
وأصلُ هذه ”الرِّسالة” أنَّ للشيخ الألباني (تعليقاً) كتبه على فتوى ـ لعبد الله الهَرَري الحَبَشي ـ نُشِرَت بمجلة: ”التمدن الإسلامي” المجلد (20) ، (ص 501 ـ 502) (1) .

فردَّ عليها الهَرَري الحَبَشي، ثم علَّق الألباني على رده الثاني.

والمطبوع في هذه ”الرِّسالة” هو:

تعليق الهَرَري على تعليق الألباني الأوّل، ثم ردّ الألباني على تعليق الهرري.

أمَّا التعليق الأوّل للألباني على الفتوى، فلم يُطبعْ مع: ”الرِّسالة”، ولا أظنُّ أنَّ في طبعه فائدة؛ لأنَّ الرد الثاني متضمن للأوّل، وزيادة، والله أعلم.

”التصفيةُ والتربية وحاجة المسلمين إليهما”، [تأليف]ـ (ط) .

( … ) ”التعقيبُ على: (رسالة الحجاب) ”؛ (للمودودي) = ”الحجابُ”.

”التعقيبُ المبعوث على: (رسالة السيوطي) الطرثوث”، [تأليف] .

”التعليقُ الرغيب على: (الترغيب والترهيب) ”، [تأليف] .

وهو غير: ”صحيح الترغيب”، و ”ضعيفه” الآتيين.

وانظر: مقدمته لـ: ”صحيح سنن ابن ماجه” (1/ي ـ ك) ، فقد عدّهما كتابين.

( … ) التعليقُ على رسالة: (كلمة سواء) ” = ”كلمةٌ سواء”.

( … ) ”التعليقُ على: (سنن ابن ماجه) ” = ”سننُ ابن ماجه”.

”التعليقُ على: (الموسوعة الفلسطينية) ”، [تأليف] .

”التعليقُ الممجَّد على: (موطأ الإمام محمد) ”؛ (للكنوي) ، [تعليق وتخريج] .

لم يتمه.

”التعليقاتُ الجياد على: (زاد المعاد) ”؛ (لابن القيم) ، [تأليف] .

لم يتمه، وهو مفقود.

”التعليقاتُ الحسان على: (الإحسان في ترتيب: ”صحيح ابن حبان”) ”؛ (لابن بلبان الفارسي) ، [تأليف] .

( … ) ”التعليقاتُ الخيار” = ”رفعُ الأستار لإبطال أدلة القائلين بفناء النار”.

”التعليقاتُ الرَّضِيّة على: (الرَّوْضَة النَّدِية) ”؛ (لصديق حسن خان) ، [تأليف]ـ (ط) .

وانظر: ”الرَّوْضَة النَّدِية” الآتي.

[تنبيه] :

--------------------------------------------

(1) وهذا التعليقُ مطبوعٌ ضمن: ’’مقالات الألباني’’ (ص 65 ـ 67) .
এই "রিসালাহ" বা পুস্তিকাটির মূল উৎস হলো শায়খ আলবানী কর্তৃক আব্দুল্লাহ আল-হারারী আল-হাবাশীর একটি ফতোয়ার ওপর লিখিত (টীকা), যা "আত-তামাদ্দুন আল-ইসলামি" পত্রিকার ২০তম খণ্ডের ৫০১-৫০২ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছিল (১)।

অতঃপর হারারী আল-হাবাশী এর জবাব দেন এবং পরবর্তীতে আলবানী তার দ্বিতীয় জবাবের ওপর পুনরায় টীকা লেখেন।

এই "রিসালাহ" বা পুস্তিকাটিতে যা মুদ্রিত হয়েছে তা হলো:

আলবানীর প্রথম টীকার ওপর হারারীর করা টীকা এবং পরবর্তীতে হারারীর টীকার ওপর আলবানীর প্রতিত্তোর।

তবে ফতোয়ার ওপর আলবানীর প্রথম টীকাটি এই "রিসালাহ"-এর সাথে মুদ্রিত হয়নি এবং আমি মনে করি না যে এটি মুদ্রণে কোনো ফায়দা আছে; কারণ দ্বিতীয় প্রতিত্তোরটি প্রথমটিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং আরও অতিরিক্ত কিছু যোগ করেছে, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

"আত-তাসফিয়াহ ওয়াত-তারবিয়াহ ওয়াহাজাতুল মুসলিমিনা ইলাইহিমা" (পরিশোধন ও প্রতিপালন এবং মুসলমানদের জন্য এ দুটির প্রয়োজনীয়তা), [রচনা] - (মুদ্রিত)।

( … ) "আত-তাকীবু আলা: (রিসালাতুল হিজাব)"; (মাওদুদীর রচিত) = "আল-হিজাব"।

"আত-তাকীবুল মাবউস আলা: (রিসালাতুস সুয়ুতী) আত-তারসুস", [রচনা]।

"আত-তালিকুর রাগীব আলা: (আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব)", [রচনা]।

এবং এটি সামনে আসতে যাওয়া "সহীহ আত-তারগীব" এবং "যয়ীফ আত-তারগীব" থেকে ভিন্ন।

এবং দেখুন: "সহীহ সুনান ইবনে মাজাহ"-এর মুকাদ্দিমা বা ভূমিকা (১/ ইয়া — কাফ), সেখানে তিনি এ দুটিকে দুটি আলাদা কিতাব হিসেবে গণ্য করেছেন।

( … ) "আত-তালিকু আলা রিসালাহ: (কালিমাতুন সাওয়া)" = "কালিমাতুন সাওয়া"।

( … ) "আত-তালিকু আলা: (সুনান ইবনে মাজাহ)" = "সুনান ইবনে মাজাহ"।

"আত-তালিকু আলা: (আল-মাওসুয়াতুল ফিলিস্তিনিয়্যাহ)", [রচনা]।

"আত-তালিকুল মুমাজ্জাদ আলা: (মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মদ)"; (লাখনভী রচিত), [টীকা ও তাখরীজ]।

তিনি এটি সমাপ্ত করেননি।

"আত-তালিকাতুল জিয়াদ আলা: (যাদুল মাআদ)"; (ইবনুল কায়্যিম রচিত), [রচনা]।

তিনি এটি সমাপ্ত করেননি এবং এটি হারিয়ে গেছে।

"আত-তালিকাতুল হিসান আলা: (আল-ইহসান ফি তারতিবি: সহীহ ইবনে হিব্বান)"; (ইবনে বালবান আল-ফারিসী রচিত), [রচনা]।

( … ) "আত-তালিকাতুল খিয়ার" = "রাফউল আস্তার লি-ইবতালে আদিল্লাতিল কায়িলিনা বি-ফানাইন নার"।

"আত-তালিকাতুর রাদিয়্যাহ আলা: (আর-রওদাতুন নাদিয়্যাহ)"; (সিদ্দিক হাসান খান রচিত), [রচনা] — (মুদ্রিত)।

এবং সামনে আসতে যাওয়া "আর-রওদাতুন নাদিয়্যাহ" দেখুন।

[সতর্কীকরণ] :

--------------------------------------------

(১) এবং এই টীকাটি "মাকালাতুল আলবানী" (পৃষ্ঠা ৬৫-৬৭) এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৪)
طُبِعَت هذه التعليقات ضمن كتاب: ”الرَّوْضَة النَّدِية”، وهي ـ على أهميتها ـ يسيرة جداً بالنسبة للكتاب، وكان بالإمكان أن تخرج ”التعليقات” في جزءٍ مستقل، ليُستفاد منها (1) ، وخاصة إذا علمنا بأنَّ ”الرَّوْضَة” طُبِعَت، وخُدِمَت بما لا يدع مجالاً لطبعها مرة أخرى، وقد اشتراها طلبة العلم، ولكنهم اضطروا لشرائها من جديد، ومِمَّا زاد الأمرَ سوءاً أنَّ هذه الطبعة اشتملت في مقدمتها على متن ”الدرر البهية” (1/35 ـ 76) (كاملاً) ، وهو مدرج في الكتاب أصلاً.

كما أنَّ محققه ـ عفا الله عنَّا وعنه ـ لمْ يذكرِ الأصول الخطية، التي نَشر عليها ”الدرر”، و ”الروضة”، وقد أشار إشارة خفيفة إلى استفادته من طبعة محمد صبحي حلاق، وليته اعتمدها أصلاً له، ونَشر ”التعليقات الرَّضيَّة” مفردة في جزءٍ لطيف، ويُشير عند كل تعليقة إلى موضعها في طبعة حلاق.

قلت ما قلت؛ حتى لا تتبعثر الجهود، وينفق طالب العلم ماله في غير فائدة، والله المستعان.

”تلخيصُ: (أحكام الجنائز) ”، [تأليف]ـ (ط) .

”تلخيصُ: (حجاب المرأة المسلمة) ”، [تأليف] .

”تلخيصُ: ”صفة صلاة النبي صلى الله عليه وسلم) ”، [تأليف]ـ (ط) .

انظر التعليق على: ”صفة صلاة النبي صلى الله عليه وسلم” الآتي.

”تمامُ المنة في التعليق على: (فقه السنّة) ”، [تأليف]ـ (ط) .

--------------------------------------------

(1) وقد تمر بك صفحات عدة من ’’التعليقات الرضية’’ ولا تجد تعليقاً واحداً للشيخ، وانظر علىسبيل المثال:

(1/295 ـ 340) ، و (1/352 ـ 393) .

فهذه صفحات متتالية، ليس فيها تعليق للشيخ، مما يؤكد عدم فائدة طبع التعليقات مع كتاب ’’الروضة النديّة’’، والله أعلم.
এই মন্তব্যগুলো ‘আর-রওজাতুন নাদিয়্যাহ’ বইটির অংশ হিসেবে মুদ্রিত হয়েছে। বইটির তুলনায় এগুলোর গুরুত্ব থাকলেও পরিমাণের দিক থেকে তা অত্যন্ত সামান্য। এই ‘মন্তব্যগুলো’ স্বতন্ত্র একটি খণ্ড হিসেবে প্রকাশ করা সম্ভব ছিল, যাতে তা থেকে উপকৃত হওয়া যেত (১)। বিশেষ করে যখন আমরা জানি যে ‘আর-রওজাহ’ ইতিপূর্বে এমনভাবে মুদ্রিত ও সম্পাদিত হয়েছে যে, তা পুনরায় মুদ্রণের কোনো অবকাশ রাখে না। ইলম অন্বেষণকারীরা এটি ক্রয় করেছিলেন, কিন্তু তারা তা পুনরায় ক্রয় করতে বাধ্য হয়েছেন। বিষয়টি আরও গুরুতর হয়েছে একারণে যে, এই মুদ্রণটির ভূমিকায় ‘আদ-দুরারুল বাহিয়্যাহ’ (১/৩৫–৭৬) এর পূর্ণাঙ্গ মূল পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা মূলত বইটির ভেতরেই বিদ্যমান।

অনুরূপভাবে এর সম্পাদক—আল্লাহ আমাদের ও তাকে ক্ষমা করুন—সেই পাণ্ডুলিপিগুলোর উৎস উল্লেখ করেননি যার ওপর ভিত্তি করে তিনি ‘আদ-দুরার’ এবং ‘আর-রওজাহ’ প্রকাশ করেছেন। তিনি মুহাম্মাদ সুবহি হাল্লাকের মুদ্রণ থেকে উপকৃত হওয়ার বিষয়ে সামান্য ইঙ্গিত দিয়েছেন মাত্র। হায়! তিনি যদি সেটাকেই মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতেন এবং ‘আত-তালিকাতুর রাদিয়্যাহ’ একটি সুন্দর স্বতন্ত্র খণ্ডে প্রকাশ করতেন এবং প্রতিটি মন্তব্যের ক্ষেত্রে হাল্লাকের মুদ্রণে তার নির্দিষ্ট স্থানটি নির্দেশ করে দিতেন।

আমি যা বলেছি তা এই লক্ষ্যেই বলেছি যেন প্রচেষ্টাগুলো বিক্ষিপ্ত না হয় এবং ইলম অন্বেষণকারী যেন তার অর্থ নিষ্ফল কাজে ব্যয় না করে। আর আল্লাহই সাহায্যকারী।

‘তালখিস: আহকামুল জানাইয’ (জানাযার বিধানসমূহের সারসংক্ষেপ), [রচনা]—(মুদ্রিত)।

‘তালখিস: হিজাবুল মারআতিল মুসলিমাহ’ (মুসলিম নারীর পর্দার সারসংক্ষেপ), [রচনা]।

‘তালখিস: সিফাতু সালাতিন নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ (নবীর সালাতের পদ্ধতির সারসংক্ষেপ), [রচনা]—(মুদ্রিত)।

পরবর্তী ‘সিফাতু সালাতিন নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’-এর ওপর করা মন্তব্যটি দেখুন।

‘তামামুল মিন্নাহ ফিত তালিক আলা ফিকহিস সুন্নাহ’ (ফিকহুস সুন্নাহর ওপর মন্তব্যের ক্ষেত্রে অনুগ্রহের পূর্ণতা), [রচনা]—(মুদ্রিত)।

--------------------------------------------

(১) আপনার সামনে ‘আত-তালিকাতুর রাদিয়্যাহ’-এর এমন অনেক পৃষ্ঠা অতিক্রান্ত হতে পারে যেখানে শাইখের একটি মন্তব্যও খুঁজে পাবেন না। উদাহরণস্বরূপ দেখুন:

(১/২৯৫–৩৪০) এবং (১/৩৫২–৩৯৩)।

এগুলো এমন ধারাবাহিক পৃষ্ঠা যেখানে শাইখের কোনো মন্তব্য নেই, যা ‘আর-রওজাতুন নাদিয়্যাহ’ বইটির সাথে এই মন্তব্যগুলো মুদ্রণের নিরর্থকতাকে নিশ্চিত করে। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৫)
طُبِعَ منه جزءٌ (واحد) فقط، وينتهي التعليق عند آخر (كتاب الصيام) (1) ، من ”فقه السنّة”؛ وعليه فالتعليق يشمل (ربع) الكتاب، وقد طُبِع الكتاب ـ في ط. الثانية ـ عام (1409هـ) ، والشيخ ـ بَرَّدَ اللهُ مَضْجعَهُ ـ عاش بعد ذلك أكثر من (عشر) سنين، وكان عازماً على تتمة العمل إلى آخر الكتاب (2) ، ولا أدري هل أتم شيئاً، أو لا، فاللهُ أعلم.

”تمامُ (تمامِ المنة في التعليق على: ”فقه السنة”) ”، [تأليف] .

كذا في: ”الأصالة”، وهل هو (استدراك) على السابق، أو (تتمة) له؟ اللهُ أعلم.

”تمامُ النصح في أحكام المسح”، [تأليف]ـ (ط) .

طُبِعَ بذيل: ”المسح على الجوربين” الآتي.

”التمهيدُ في فرض رمضان”، [تأليف] .

”التنكيلُ لما في: (تأنيب) الكوثري من الأباطيل”؛ (للمعلمي) ، [تخريجٌ، وتعليقٌ، بمشاركة: محمد عبد الرزاق حمزة، وزهير الشاويش]ـ (ط) .

”تهذيبُ: (صحيح الجامع الصغير وزياداته) والاستدراك عليه”، [تأليف] .

”التوحيدُ”؛ (لمحمد أحمد العدوي) ، [تخريج وتعليق] .

”التَّوسلُ”، [تأليف]ـ (ط) .

رسالة.

وانظر الكلام على الكتاب (الآتي) .

”التَّوَسّلُ أنواعه وأحكامه”، [تأليف]ـ (ط) .

أصل هذا الكتاب محاضرتان ألقاهما الشيخ في صيف عام (1932م) ، في داره في ”مخيم اليرموك”، بمدينة ”دمشق”، ثم فُرِّغَت من آلة التسجيل، فنقَّحها الشيخ: محمد عيد العباسي، وأضاف إليها بعض الفوائد، وخرَّجَ الآياتِ وبعضَ الأحاديثِ.

ثم دفع إليه الشيخ ناصر رحمه الله رسالة مخطوطة بعنوان: ”التَّوَسُّل” (3) كان قد كتبها منذ زمن بعيد، وكانت ـ هذه الرسالة ـ حلقة من سلسلة: ”تسديد الإصابة” (السابق) .

فضمها العباسي إلى المحاضرتين، وألَّف بينها وبينهما.

ثم عرضَ البحث بشكله الجديد على الشيخ ناصر، فهذَّبه ونقَّحه، فكان هذا الكتاب.

--------------------------------------------

(1) وبقي منه: (ليلة القدر) ، و (الاعتكاف) .

(2) كما قال في مقدمة (ص 4) .

(3) وهي الرسالة السابقة برقم: (69) .
এর কেবল (একটি) খণ্ড মুদ্রিত হয়েছে এবং ‘ফিকহুস সুন্নাহ’ এর (সিয়াম অধ্যায়) (১) এর শেষে এর টীকা শেষ হয়েছে; সেই হিসেবে টীকাটি বইটির (এক-চতুর্থাংশ) জুড়ে বিস্তৃত। বইটি এর দ্বিতীয় সংস্করণে (১৪০৯ হিজরী) সালে মুদ্রিত হয়েছে। শায়খ—আল্লাহ তাঁর বিশ্রামস্থল শীতল করুন—এরপর আরও (দশ) বছরের বেশি সময় জীবিত ছিলেন। তিনি বইটির শেষ পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করার সংকল্প করেছিলেন (২), কিন্তু তিনি কিছু সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন কি না তা আমার জানা নেই; আল্লাহই ভালো জানেন।

“তামামু (তামামুল মিন্নাহ ফিত তালিকে আলা: ‘ফিকহুস সুন্নাহ’)”, [রচনা]।

‘আল-আসালাহ’ গ্রন্থে এভাবেই রয়েছে। এটি কি আগেরটির ওপর কোনো (পরিমার্জন), নাকি তার (পরিশিষ্ট)? আল্লাহই ভালো জানেন।

“তামামুন নুসহ ফি আহকামিল মাসহ”, [রচনা]—(মুদ্রিত)।

পরবর্তীতে উল্লিখিত “আল-মাসহু আলাল জাওরাবাইন” এর পরিশিষ্ট হিসেবে এটি মুদ্রিত হয়েছে।

“আত-তামহিদ ফি ফারদি রামাদান”, [রচনা]।

“আত-তাঙ্কিল লিমা ফি: (তানিবে) আল-কাওসারি মিনাল আবাতিল”; (মুআল্লিমী রচিত), [তাকরিজ ও টীকা প্রদান, অংশগ্রহণে: মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক হামজাহ এবং যুহাইর আশ-শাভিশ]—(মুদ্রিত)।

“তাহজিবু: (সহিহ আল-জামি আস-সগির ওয়া জিয়াদাতুহু) ওয়া আল-ইস্তিদরাকু আলাইহি”, [রচনা]।

“আত-তাওহিদ”; (মুহাম্মদ আহমদ আল-আদাওয়ী রচিত), [তাকরিজ ও টীকা প্রদান]।

“আত-তাওয়াসসুল”, [রচনা]—(মুদ্রিত)।

এটি একটি পুস্তিকা।

বইটির ব্যাপারে (পরবর্তী) আলোচনা দেখুন।

“আত-তাওয়াসসুল: আনওয়ায়ুহু ওয়া আহকামুহু”, [রচনা]—(মুদ্রিত)।

এই বইটির মূল ভিত্তি হলো দুটি বক্তৃতা, যা শায়খ ১৯৩২ (খ্রিস্টাব্দ) সালের গ্রীষ্মকালে “দামেস্ক” শহরের “ইয়ারমুক শরণার্থী শিবিরের” নিজ বাসভবনে প্রদান করেছিলেন। পরবর্তীতে রেকর্ডার থেকে তা অনুলিপিতে রূপান্তর করা হয় এবং শায়খ মুহাম্মদ ঈদ আল-আব্বাসী তা পরিমার্জন করেন এবং এতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যুক্ত করেন এবং আয়াত ও কিছু হাদিসের উৎস (তাকরিজ) উল্লেখ করেন।

অতঃপর শায়খ নাসির (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর কাছে “আত-তাওয়াসসুল” (৩) শিরোনামে একটি পাণ্ডুলিপি প্রদান করেন, যা তিনি অনেক আগে লিখেছিলেন। এই পুস্তিকাটি ছিল (পূর্বোল্লিখিত) “তাসদিদুল ইসাবাহ” সিরিজের একটি অংশ।

এরপর আল-আব্বাসী সেটিকে বক্তৃতা দুটির সাথে সংযুক্ত করেন এবং সেগুলোর মধ্যে সমন্বয় ঘটান।

অতঃপর তিনি নতুন রূপে গবেষণাটি শায়খ নাসিরের কাছে পেশ করেন, এরপর তিনি (শায়খ) এটিকে পরিমার্জন ও সংশোধন করেন, ফলে এই বইটি আত্মপ্রকাশ করে।

--------------------------------------------

(১) এবং এর মধ্যে বাকি রয়ে গেছে: (লাইলাতুল কদর) ও (ইতিকাফ) সংক্রান্ত আলোচনা।

(২) যেমনটি তিনি ভূমিকা (পৃষ্ঠা ৪)-এ বলেছেন।

(৩) আর এটি হলো পূর্বোল্লিখিত ৬৯ নম্বর পুস্তিকাটি।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৬)
* مِمَّا سبق يتبَيَّن لكَ أنَّ هذا الكتاب ـ ”التَّوَسُّل أنواعه وأحكامه” ـ غير رسالة ”التوسل” (السابقة) ، وبالله التوفيق.

وانظر مقدمة: ”التَّوَسُّل أنواعه وأحكامه” (ص 5 ـ 7) .

( … ) ”تيسيرُ انتفاع الخلان بترتيب: (ثقات ابن حبان) ” = ”تسهيل الانتفاع”.

( … ) ”الثقاتُ”؛ (لابن حبان) = ”تسهيل الانتفاع”.

”الثمرُ المستطاب في فقه السنة والكتاب”، [تأليف] .

لم يتمه.

( … ) ”الجامعُ الصغير وزياداته” = انظر: ”صحيح الجامع”، و ”ضعيفه” الآتيين، وانظر الكلام على: ”الفتح الكبير” الآتي.

”جامع المناسك الثلاثة”؛ (لأحمد المنقور النجدي) ، [تخريج، بمشاركة: ”المكتب الإسلامي”]ـ (ط) .

قال الناشر: فضيلة الشيخ: زهير الشاويش ـ حَفِظَهُ اللهُ ـ في مقدمته (ص د) :

(وذيلناه ـ أي: كتاب: ”جامع المناسك” ـ بتخريج الأحاديث النبوية الشريفة، وما قلنا فيه: ”قال ناصر الدين”؛ فهو من تخريج: المحدث، العلامة: محمد ناصر الدين الألباني) أ. هـ

قلت: بعد تتبع التخريجات وجدتها (24) تخريجاً، والذي ذُكِرَ فيه اسم الشيخ ناصر رحمه الله صراحة (تخريجان) فقط.

( … ) ”جزءُ صلاة الكسوف” = ”صفة صلاة الكسوف”.

”جلبابُ المرأة المسلمة”؛ [تأليف]ـ (ط) .

وكان اسمه في طبعاته القديمة: ”حجاب المرأة المسلمة في الكتاب والسنة”، وسيأتي.

”الجمعُ بين (ميزان الاعتدال) ، و (لسان الميزان) ”؛ (للحافظين: الذهبي، وابن حجر) ، [تأليف] .

ذَكَرَ الشيباني في: ”حياة الألباني” (2/581) أنَّ أصوله فُقِدَت في: ”دمشق”، ثم ترك العمل به بعد ذلك، والله أعلم.

”جواب حول الأذان وسنة الجمعة”، [تأليف] .

( … ) ”الحج الكبير” = ”حجة الوداع”.

”الحجُ المبرورُ”؛ (للعلوشي) ، [تحقيق] .

ذكره المجذوب رحمه الله في: ”علماء ومفكرون عرفتهم” (1/308) .

”الحجابُ”؛ (للمودودي) ، [تعقيب]ـ (ط) .

( … ) ”حجابُ المرأة المسلمة في الكتاب والسنة”.
উপরোক্ত আলোচনা থেকে আপনার নিকট এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, এই কিতাবটি — ”আত-তাওয়াসসুল: আনওয়ায়ুহু ওয়া আহকামুহু” — (পূর্বোল্লিখিত) ”আত-তাওয়াসসুল” নামক রিসালাটি থেকে ভিন্ন। আর আল্লাহর কাছেই তাওফীক প্রার্থনা করি।

দেখুন: ”আত-তাওয়াসসুল: আনওয়ায়ুহু ওয়া আহকামুহু” (পৃ. ৫ — ৭) এর ভূমিকা।

( … ) ”তAYSীরু ইনতিফায়িল খিলান বি-তারতীব: (সিকাত ইবনে হিব্বান)” = ”তাসহীলুল ইনতিফা”।

( … ) ”আস-সিকাত”; (ইবনে হিব্বান রচিত) = ”তাসহীলুল ইনতিফা”।

”আস-সামারুল মুসতাতাব ফী ফিকহিস সুন্নাহ ওয়াল কিতাব”, [রচনা]।

তিনি এটি সম্পন্ন করেননি।

( … ) ”আল-জামি'উস সাগীর ওয়া যিয়াদাতুহু” = দেখুন: পরবর্তীতে আসা ”সহীহুল জামি'” এবং ”যঈফুল জামি'”, এবং পরবর্তীতে আসা ”আল-ফাতহুল কবীর” এর আলোচনা দেখুন।

”জামি'উল মানাসিক আস-সালাসাহ”; (আহমাদ আল-মানকুর আন-নাজদী রচিত), [তাখরীজ করেছেন, ”আল-মাকতাবুল ইসলামী” এর সহযোগিতায়] — (মুদ্রিত)।

প্রকাশক ফযীলাতুশ শাইখ যুহাইর আশ-শাঈশ — আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন — তাঁর ভূমিকার (পৃ. দাল) তে বলেছেন:

(আর আমরা এটি অর্থাৎ ”জামি'উল মানাসিক” কিতাবটি মহানবী (সা.)-এর পবিত্র হাদীসসমূহের তাখরীজের মাধ্যমে পরিশিষ্ট যুক্ত করেছি। আর যেখানেই আমরা বলেছি: ”নাসিরুদ্দীন বলেছেন”, সেটি মুহাদ্দিস আল্লামা মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী-এর তাখরীজ থেকে নেওয়া।) সমাপ্ত।

আমি বলছি: তাখরীজগুলো অনুসরণের পর আমি সেগুলো (২৪) টি পেয়েছি, যার মধ্যে শাইখ নাসির (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নাম স্পষ্টভাবে মাত্র (দুটি তাখরীজে) উল্লেখ করা হয়েছে।

( … ) ”জুযউ সালাতিল কুসূফ” = ”সিফাতু সালাতিল কুসূফ”।

”জিলবাবুল মারআতুল মুসলিমাহ”; [রচনা] — (মুদ্রিত)।

এর পুরাতন সংস্করণগুলোতে এর নাম ছিল: ”হিজাবুল মারআতুল মুসলিমাহ ফিল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ”, যা সামনে আসবে।

”(মীযানুল ইতিদাল) এবং (লিসানুল মীযান) এর সমন্বয়”; (হাফিয যাহাবী এবং হাফিয ইবনে হাজার রচিত), [রচনা]।

শায়বানী ”হায়াতুল আলবানী” (২/৫৮১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এর মূল পাণ্ডুলিপিগুলো ”দামেস্কে” হারিয়ে গেছে, এরপর তিনি এ নিয়ে কাজ করা ছেড়ে দেন। আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

”জাওয়াবুন হাওলাল আযান ওয়া সুন্নাতিল জুমু'আহ”, [রচনা]।

( … ) ”আল-হাজ্জুল কবীর” = ”হাজ্জাতুল বিদা”।

”আল-হাজ্জুল মাবরূর”; (আলুসী রচিত), [তাহকীক]।

আল-মাজযূব (রাহিমাহুল্লাহ) ”উলামা ওয়া মুফাক্কিরূনা আরাফতুহুম” (১/৩০৮) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।

”আল-হিজাব”; (মওদূদী রচিত), [পর্যালোচনা] — (মুদ্রিত)।

( … ) ”হিজাবুল মারআতুল মুসলিমাহ ফিল কিতাবি ওয়াস সুন্নাহ”।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৭)
هذا هو الاسم القديم لـ: ”جلباب المرأة المسلمة”، السابق.

”حجابُ المرأة ولباسها في الصلاة”؛ (لشيخ الإسلام) ، [تحقيق]ـ (ط) .

”حجةُ النبي صلى الله عليه وسلم كما رواها عنه جابر رضي الله عنه”، [تأليف]ـ (ط) .

”حجةُ الوداع”، [تأليف] .

وهو أصل الكتاب السابق.

ولعله: ”الحج الكبير”.

ذكره الشيخ في فهارس ”تحذير الساجد” (ص 148) ، رقم: (68) ، وقال:

(لم ينجزْ) .

وكتاب ”تحذير الساجد” طُبِعَ قديماً، فالله أعلم.

”الحديثُ حجةٌ بنفسه في العقائد والأحكام”، [تأليف]ـ (ط) .

أصله محاضرة ألقاها الشيخ في: ”غرناطة”، بـ: ”الأندلس”.

”الحديثُ النبوي”؛ (لمحمد بن لطفي الصباغ) ، [تخريج] .

”حقوقُ النساء في الإسلام وحظهن من الإصلاح المحمدي العام”؛ (لمحمد رشيد رضا) ، [تعليق، وتخريج]ـ (ط) .

”حقيقةُ الصيام”؛ (لشيخ الإسلام) ، [تخريج]ـ (ط) .

( … ) ”حكمُ تارك الصلاة”، [تأليف]ـ (ط) .

سيأتي الكلامُ عليه في المبحث الثاني، من هذا الفصل، برقم: (3) .

( … ) ”حواشٍ على: (نزهةُ النظر في توضيح: (نخبة الفكر) ” = ”نزهةُ النظر في توضيح: (نخبة الفكر) ”.

”الحوضُ المورود في زوائد: (منتقى ابن الجارود) ”، [تأليف] .

وهو زوائد ”المنتقى” على: ”الصحيحين”.

لم يتمه، وهو مفقود.

”خطبةُ الحاجة التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمها أصحابه”، [تأليف]ـ (ط) .

وقد نُشِرَت هذه الرسالة (أوّلاً) في: مجلة: ”التمدن الإسلامي”، في حلقاتٍ متتابعة (1) .

ثم طُبِعَ مستقلاً، بهذا العنوان.

”خلاصةُ السيرة”، [تأليف]ـ (ط) .

”الدعوة السلفية أهدافها وموقفها من المخالفين لها”، [تأليف] .

--------------------------------------------

(1) انظر: مقدمة: ’’خطبة الحاجة’’ (ص 6) .

وسَهَا نور الدين طالب في: ’’مقالات الألباني’’ (ص 21) ؛ فعدّ هذه الرسالة ـ ’’خطبة الحاجة’’ ـ من المقالات التي لم تُطْبَع مستقلة، ولم تُنْشر بعد.
এটি "জিলবাবুল মারআহ আল-মুসলিমাহ" (মুসলিম নারীর জিলবাব) এর পূর্ববর্তী পুরাতন নাম।

”নারীর হিজাব ও সালাতে তার পোশাক”; (শাইখুল ইসলাম রচিত), [তাহকিক]- (মুদ্রিত)।

”নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হজ যেমনটি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন”, [রচনা]- (মুদ্রিত)।

”বিদায় হজ”, [রচনা]।

এবং এটি পূর্ববর্তী বইটির মূল উৎস।

সম্ভবত এটি: ”আল-হাজ্জুল কাবির” (বড় হজ)।

শাইখ এটি ”তাহজিরুস সাজিদ” এর নির্ঘণ্টে (পৃষ্ঠা ১৪৮), নম্বর: (৬৮) এ উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন:

(এটি সমাপ্ত হয়নি)।

আর ”তাহজিরুস সাজিদ” বইটি প্রাচীনকালে মুদ্রিত হয়েছে, আল্লাহই ভালো জানেন।

”আকিদাহ ও আহকামের ক্ষেত্রে হাদিস নিজেই এক স্বতন্ত্র দলিল”, [রচনা]- (মুদ্রিত)।

এর মূল উৎস হলো আন্দালুসের ”গ্রানাডা”-তে শাইখের দেওয়া একটি লেকচার।

”আল-হাদিসুন নাবাউয়ি”; (মুহাম্মদ বিন লুতফি আস-সাব্বাগ রচিত), [তাখরিজ]।

”ইসলামে নারীর অধিকার এবং মুহাম্মাদি সংস্কারে তাদের অংশ”; (মুহাম্মদ রশিদ রিদা রচিত), [টীকা ও তাখরিজ]- (মুদ্রিত)।

”হাকিকাতুস সিয়াম” (সিয়ামের হাকিকত); (শাইখুল ইসলাম রচিত), [তাখরিজ]- (মুদ্রিত)।

( … ) ”সালাত ত্যাগকারীর বিধান”, [রচনা]- (মুদ্রিত)।

এই পরিচ্ছেদের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে, ৩ নম্বর ক্রমিকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আসবে।

( … ) ”নুজহাতুন নজর ফি তাওদিহি নুখবাতিল ফিকার”-এর ওপর হাশিয়া (টীকা) = ”নুজহাতুন নজর ফি তাওদিহি নুখবাতিল ফিকার”।

”আল-হাওদুল মাওরুদ ফি জাওয়ায়িদি মুনতাকা ইবনিল জারুদ”, [রচনা]।

এটি ”সহিহাইন” (বুখারি ও মুসলিম)-এর অতিরিক্ত হাদিসগুলোর ওপর ”আল-মুনতাকা” এর জাওয়ায়িদ (সংযোজন)।

তিনি এটি শেষ করেননি এবং এটি বর্তমানে নিখোঁজ।

”খুতবাতুল হাজাহ যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের শিক্ষা দিতেন”, [রচনা]- (মুদ্রিত)।

এই রিসালাটি (সর্বপ্রথম) ”আত-তামাদ্দুন আল-ইসলামি” নামক ম্যাগাজিনে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল (১)।

অতঃপর এই শিরোনামে এটি স্বতন্ত্রভাবে মুদ্রিত হয়েছে।

”খুলাসাতুস সিরাহ” (সিরতের নির্যাস), [রচনা]- (মুদ্রিত)।

”দাওয়াতুস সালাফিয়্যাহ: এর উদ্দেশ্য এবং বিরোধীদের প্রতি এর অবস্থান”, [রচনা]।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: ”খুতবাতুল হাজাহ” এর ভূমিকা (পৃষ্ঠা ৬)।

নূরুদ্দিন তালিব ”মাকালাতুল আলবানি” (পৃষ্ঠা ২১) এ ভুল করেছেন; তিনি এই রিসালাটিকে—অর্থাৎ ”খুতবাতুল হাজাহ”-কে—এমন নিবন্ধের অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা স্বতন্ত্রভাবে মুদ্রিত হয়নি এবং এখনো প্রকাশিত হয়নি।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৮)
”دفاعٌ عن الحديث النبوي والسيرة في الرد على جهالات الدكتور البوطي في كتابه: (فقه السيرة) ”، [تأليف]ـ (ط) .

وقد نُشِرَ هذا الكتاب (أوّلاً) في: مجلة: ”التمدن الإسلامي”، في حلقاتٍ متتابعة سنة: (1390هـ) (1) .

ثم طُبِعَ مستقلاً، بهذا العنوان.

( … ) ”ديوانُ أسماء الضعفاء والمتروكين” = ”ديوان الضعفاء والمتروكين”.

”ديوانُ الضعفاء والمتروكين”؛ (للذهبي) ، [تحقيق] .

لم يتمه.

”الذبُّ الأحمد عن مسند الإمام أحمد”، [تأليف]ـ (ط) .

كتبه بناءً على طلبٍ من سماحة الإمام: عبد العزيز بن باز رحمه الله.

”رجال الجرح والتعديل”؛ (لابن أبي حاتم) ، [تأليف] .

لَعَلَّهُ فهرس لأسماء الرجال الواردين في الكتاب، والله أعلم.

( … ) ”الردُّ بالوحيين وأقوال أئمتنا على ابن حزم ومُقَلِّدَيْه المُبِيحَيْن للمعازف والغنا وعلى الصوفية الذين اتخذوه قربة ودينا”.

وهو كتاب: ”تحريم آلات الطرب” السابق.

وقصد بقوله: (ومُقَلِّدَيْه) : محمد أبو زهرة، ومحمداً الغزالي رَحِمَهُمَا اللهُ.

وفي الكتاب ـ أيضاً ـ ردٌ على الدكتور يوسف بن عبد الله القرضاوي هداه الله، في المسألة نفسها.

”الردُّ البديع في مسألة القبض بعد الركوع”، [تأليف] .

( … ) ”الردُّ على الجهمية”؛ (للدارمي) ، [تخريج]ـ (ط) .

أصدره ”المكتب الإسلامي”، بـ: ”بيروت” في طبعتين، بدون ذكرٍ لاسم المعتني به تحقيقاً أو تخريجاً.

ثم صدرت الطبعة (الثالثة) ، وقد كُتِبَ على غلافها:

(تخريج: محمد ناصر الدين الألباني) .

مع العلم بأنَّ الطبعة (الثالثة) صورة عن سابقتها، فعلى هذا يكون الشيخ هو الذي خرَّج أحاديث الكتاب من قبل، ولكن سقط اسمه من غلاف الكتاب سهواً.

هذا ما يُقال إذا أحسنا الظن في هذا الأمر (2) .

--------------------------------------------

(1) انظر: ’’مقالات الألباني’’؛ لنور الدين طالب (ص 21) .

(2) وانظر: مقدمة بدر البدر لـ: ’’الرد على الجهمية’’؛ للدارمي (ص 7) .
”হাদিসে নববী এবং সীরাতের প্রতিরক্ষা: ডক্টর বুতির ‘ফিকহুস সীরাহ’ বইয়ের অজ্ঞতাসমূহের খণ্ডন”, [রচনা]— (মুদ্রিত)।

এবং এই বইটি (সর্বপ্রথম) প্রকাশিত হয়েছিল: "আত-তামাদ্দুন আল-ইসলামী" নামক সাময়িকীতে, ১৩৯০ হিজরী সনে ধারাবাহিক কিস্তিতে (১)।

অতঃপর এই শিরোনামে এটি স্বতন্ত্রভাবে মুদ্রিত হয়।

( … ) ”দিওয়ানু আসমায়িদ দুয়াফা ওয়াল মাত্রুকীন” = ”দিওয়ানুয দুয়াফা ওয়াল মাত্রুকীন”।

”দিওয়ানুয দুয়াফা ওয়াল মাত্রুকীন”; (যাহাবীর), [তাহকীক]।

এটি তিনি সম্পন্ন করতে পারেননি।

”আয-যাব্বুল আহমাদ আন মুসনাদিল ইমাম আহমাদ”, [রচনা]— (মুদ্রিত)।

তিনি এটি মহামান্য ইমাম আব্দুল আজিজ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ)-এর অনুরোধে লিখেছিলেন।

”রিজালুল জারহি ওয়াত তা'দীল”; (ইবনে আবি হাতেমের), [রচনা]।

সম্ভবত এটি উক্ত গ্রন্থে উল্লিখিত বর্ণনাকারীদের নামের একটি নির্ঘণ্ট, আর আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

( … ) ”ইবনে হাজম এবং তার দুই অনুসারী—যারা বাদ্যযন্ত্র ও গানকে বৈধ করেছেন—এবং সুফীদের প্রতিবাদে ওহী ও আমাদের ইমামদের বাণীর মাধ্যমে জবাব, যারা এটিকে ইবাদত ও দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করেছে”।

এটি মূলত পূর্বোক্ত ”তাহরীমু আলাতিত তরাব” বইটি।

এবং ”তার দুই অনুসারী” বলতে তিনি মুহাম্মদ আবু জাহরা এবং মুহাম্মদ আল-গাজালী (রহিমাহুমাল্লাহ)-কে বুঝিয়েছেন।

এবং এই বইটিতে ডক্টর ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কারযাভী (আল্লাহ তাকে হেদায়েত দিন)-এর একই মাসআলায় খণ্ডন করা হয়েছে।

”আর-রাদ্দুল বাদী' ফী মাসআলাতিল ক্বাবযি বাদর রুকু”, [রচনা]।

( … ) ”আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ”; (দারেমীর), [তাখরীজ]— (মুদ্রিত)।

বৈরুতের ”আল-মাকতাবুল ইসলামী” এটি দুই সংস্করণে প্রকাশ করেছে, যাতে তাহকীক বা তাখরীজের দায়িত্ব পালনকারীর নাম উল্লেখ ছিল না।

পরবর্তীতে এর (তৃতীয়) সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং এর মলাটে লেখা হয়েছিল:

(তাখরীজ: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী)।

উল্লেখ্য যে, তৃতীয় সংস্করণটি পূর্ববর্তী সংস্করণেরই একটি অনুলিপি ছিল, সুতরাং বুঝা যায় শেখ ইতিপূর্বেই কিতাবটির হাদিসসমূহের তাখরীজ করেছিলেন, কিন্তু অসাবধানতাবশত কিতাবের মলাট থেকে তার নাম বাদ পড়ে গিয়েছিল।

বিষয়টি সম্পর্কে আমরা যদি সুধারণা পোষণ করি তবে এ কথাই বলা যায় (২)।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: নুরুদ্দীন তালেব রচিত ’’মাকালাতুল আলবানী’’; (পৃ. ২১)।

(২) আরও দেখুন: দারেমী রচিত ’’আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ’’-এর বদর আল-বদরের ভূমিকা (পৃ. ৭)।
(খণ্ড: ১) সাবতু মুআল্লাফাতিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৯)
ولا أظن أنَّ الشيخ زهيراً الشاويش ـ حَفِظَهُ اللهُ ـ (وهو شيخٌ فاضل) ، يجرؤ على وضع اسم الشيخ على كتابٍ ما نظر فيه، فضلاً عن كونه حقَّقه، أو راجعه.

ومِمَّا يؤكد هذا الظن الحسن؛ قول الشيباني في: ”حياة الألباني” (2/843) :

(هذا الكتاب من تحقيقات الشيخ: زهير الشاويش (1) ـ صاحب ”المكتب الإسلامي” ـ وقد عرضَ أحاديثَ الكتابِ على الشيخ ناصر الألباني، فخرَّجها تخريجاً علمياً، وأضاف إليها النافع المفيد، وخاصة أنَّه يناقش مسألة عظيمة من مسائل أصول الدين) أ. هـ

ثم عجبتُ من عدمِ ذكرِ هذا الكتاب ضمن مؤلفات الشيخ في: ”الأصالة”، وعلَّق علي بن حسن على ذلك بقوله:

(أما كتاب: ”الرد على الجهمية” للدارمي المثبت على غلافه اسم شيخنا: فإنَّ تحقيقه منسوب للشيخ، وليس له، كما أجابني شخصياً، قبل نحو عشر سنوات، أو زيادة، لما سألته عنه) أ. هـ

ويزداد الأمر غموضاً إذا عَلِمْتَ أنَّ ”كتاب الشيباني” قُرِئ على الْمُتَرْجَمِ (الألباني) ، فما أنكر ذلك، ولو تكلم في هذا التخريج، أو أنكر كونه له، لذكر ذلك الشيباني، وخاصة أنَّ صاحب الترجمة قرأ ما كُتِبَ فيه عنه قبل طباعة الترجمة ونشرها.

ولَعَلَّ الأمرَ فيه لبسٌ، والله أعلم.

[تنبيهٌ] :

على القول بأنَّ هذا التخريج للألباني؛ فإنَّ قول الشيباني:

(فخرَّجها تخريجاً علمياً، وأضاف إليها النافع المفيد) .

فيه مبالغة ظاهرة، ما كانت تليق بكتابه.

فالكتاب غير مُخَرَّج، ولكن فيه اليسير من التعليقات الحديثية، وغيرها، وخدمة هذا الكتاب في هذه الطبعة رديئة نصاً، وتعليقاً، وتخريجاً، والله أعلم.

وقد يُقال: إنَّ الشيخ ناصراً رحمه الله نظر نظرةً سريعةً في الكتاب، فوضع كلمة هنا، وأخرى هناك، على أنَّ هذا تعليقٌ خفيف سنحت به ذاكرته، ووقته، لا تحقيقاً علمياً، أو تخريجاً حديثياً. فلم يضع الناشر اسمه في الطبعات الأولى (تردداً) ، ثم وضعه أخيراً.

--------------------------------------------

(1) وانظر (أيضاً) : ’’حياة الألباني’’؛ (1/103) .
আমি মনে করি না যে শায়খ জুহাইর আল-শাভিশ —আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন— (যিনি একজন সম্মানিত শায়খ), কোনো কিতাবে শায়খের নাম বসানোর সাহস করবেন যেটিতে তিনি নজরই দেননি, বরং সেটি তাহকিক বা পর্যালোচনা করার কথা তো বলাই বাহুল্য।

এবং এই সুধারণাকে যা আরও সুদৃঢ় করে, তা হলো শায়বানী-এর উক্তি যা ‘হায়াতুল আলবানী’ (২/৮৪৩)-তে বর্ণিত হয়েছে:

(এই কিতাবটি ‘আল-মাকতাবুল ইসলামী’-এর স্বত্বাধিকারী শায়খ জুহাইর আল-শাভিশ (১)-এর তাহকিককৃত। তিনি এই কিতাবের হাদিসগুলো শায়খ নাসির আলবানী-এর সামনে পেশ করেছেন, অতঃপর তিনি সেগুলোর ইলমী তাখরিজ করেছেন এবং এতে অনেক উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যোগ করেছেন, বিশেষ করে যেহেতু এটি দ্বীনের মূলনীতিসমূহের একটি মহান মাসয়ালা নিয়ে আলোচনা করে।) সমাপ্ত।

এরপর আমি বিস্মিত হলাম যে ‘আল-আসালাহ’ ম্যাগাজিনে শায়খের রচনাসমূহর তালিকায় এই কিতাবটি উল্লেখ করা হয়নি। আলী বিন হাসান এই বিষয়ে মন্তব্য করে বলেছেন:

(ইমাম দারেমীর ‘আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ’ কিতাবটি, যার প্রচ্ছদে আমাদের শায়খের নাম যুক্ত আছে: এটির তাহকিক শায়খের দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে মাত্র, কিন্তু আসলে এটি তাঁর নয়। যেমনটি তিনি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে উত্তর দিয়েছিলেন আজ থেকে প্রায় দশ বছর বা তারও আগে, যখন আমি তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম।) সমাপ্ত।

বিষয়টি আরও রহস্যময় হয়ে ওঠে যখন আপনি জানবেন যে শায়বানী-এর কিতাবটি স্বয়ং জীবনীগ্রন্থের মূল ব্যক্তি (আলবানী)-এর সামনে পাঠ করা হয়েছে, কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করেননি। যদি তিনি এই তাখরিজ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতেন বা এটি তাঁর কাজ বলে অস্বীকার করতেন, তবে শায়বানী অবশ্যই তা উল্লেখ করতেন। বিশেষ করে জীবনীগ্রন্থের মূল ব্যক্তি এটি মুদ্রণ ও প্রকাশের আগেই তাঁর সম্পর্কে যা লেখা হয়েছে তা পড়ে দেখেছিলেন।

সম্ভবত বিষয়টি নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা রয়েছে, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

[সতর্কীকরণ]:

এই মতানুসারে যে এই তাখরিজটি আলবানী-এর; তবে শায়বানী-এর এই উক্তি:

(অতঃপর তিনি সেগুলোর ইলমী তাখরিজ করেছেন এবং এতে অনেক উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যোগ করেছেন) ।

এতে স্পষ্ট অতিরঞ্জন রয়েছে যা তাঁর কিতাবের সাথে মানানসই নয়।

কারণ কিতাবটির আসলে তাখরিজ করা হয়নি, বরং এতে হাদিস বিষয়ক এবং অন্যান্য কিছু সামান্য টিকা রয়েছে। এই সংস্করণে কিতাবটির কাজ পাঠ্য, টিকা এবং তাখরিজ—সব দিক থেকেই নিম্নমানের। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

এও বলা যেতে পারে যে: শায়খ নাসির (রাহিমাহুল্লাহ) কিতাবটির ওপর কেবল এক পলক দ্রুত নজর বুলিয়েছিলেন, ফলে এখানে-সেখানে দু-একটি কথা লিখেছিলেন; যা ছিল মূলত তাঁর স্মৃতি ও সময়ের প্রেক্ষিতে একটি সংক্ষিপ্ত মন্তব্য মাত্র, কোনো ইলমী তাহকিক বা হাদিস শাস্ত্রীয় তাখরিজ নয়। একারণেই প্রকাশক প্রথম দিকের সংস্করণগুলোতে (দ্বিধাবোধ থেকে) তাঁর নাম দেননি, এরপর সবশেষে সেটি যুক্ত করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আরও দেখুন (একইভাবে): ‘হায়াতুল আলবানী’; (১/১০৩)।