(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: -)
مجلس من أمالي أبي عبد الله العطار (محمد بن مخلد العطار)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلس من أمالي أبي عبد الله العطار
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن مخلد بن حفص العطار الدوري البغدادي (ت 331هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 17
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আব্দুল্লাহ আল-আত্তারের আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে একটি মজলিস (মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ আল-আত্তার)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
বই: আবু আব্দুল্লাহ আল-আত্তারের আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে একটি মজলিস
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার আদ-দাওরি আল-বাগদাদি (মৃত্যু: ৩৩১ হি.)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি; যা ইসলাম ওয়েব সাইটের অধীনস্থ বিনামূল্যে বিতরিত জাওয়ামি' আল-কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[বইটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১)
مَجْلِسٌ مِنْ أَمَالِي أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدِ بْنِ حَفْصٍ الْعَطَّارِ، عَنْ شُيُوخِهِ.رِوَايَةُ أَبِي عُمَرَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ الْفَارِسِيِّ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْخَطِيبِ الْأَنْبَارِيِّ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي الْفَتْحِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ بْنِ الْبَطِّيِّ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي طَالِبٍ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَمْزَةَ بْنِ الْقُبَّيْطِيِّ، وَالْأَنْجَبِ بْنِ أَبِي السَّعَادَاتِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَمَامِيِّ، وَالْمُبَارَكِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُطَرِّزِ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي طَالِبِ بْنِ أَبِي النَّعْمِ بْنِ الشَّحْنَةِ، وَوَالِدِي أَبِي زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ الْمَقْدِسِيِّ، عَنْهُمْ إِجَازَةً.وَرِوَايَةُ أَبِي عَبْدِ اللَّّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْعِمَادِ الْكَاتِبِ، عَنِ ابْنِ الْقُبَّيْطِيِّ وَحْدَهُ، إِجَازَةً.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ رَبِّ يَسِّرْ أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ الْجَلِيلانِ الصَّدْرُ الْكَبِيرُ الأَصِيلُ مَجْدُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَامِدٍ الْقُرَشِيُّ، عُرِفَ جَدُّهُ بِالْعِمَادِ الْكَاتِبِ، وَوَالِدِي سَعْدُ الدِّينِ أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَقْدِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالا: أَنْبَا أَبُو طَالِبٍ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَمْزَةَ بْنِ الْقُبَّيْطِيِّ، إِجَازَةً، وَقَالَ الثَّانِي: أَنْبَا الأَنْجَبُ بْنُ أَبِي السَّعَادَاتِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَمَامِيُّ، وَأَبُو عَلِيٍّ الْمُبَارَكُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُطَرِّزِ الْخُرَيْمِيُّ، إِجَازَةً، قَالُوا ثَلاثَتُهُمْ: أنبا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ بْنِ الْبَطِّيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْخَطِيبِ الْأَنْبَارِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أنبا أَبُو عُمَرَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَهْدِيٍّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدِ بْنِ حَفْصٍ الْعَطَّارُ، إِمْلاءً يَوْمَ الثُّلاثَاءِ لِلَيْلَتَيْنِ خَلَتَا مِنْ صَفَرٍ سَنَةَ ثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ.
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার-এর তাঁর উস্তাদদের থেকে বর্ণিত হাদিস বর্ণনার (আমালি) একটি মজলিস।তাঁর থেকে আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাহদী আল-ফারিসির বর্ণনা।তাঁর থেকে আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-খতিব আল-আনবারির বর্ণনা।তাঁর থেকে আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমদ বিন সালমান বিন আল-বাত্তির বর্ণনা।তাঁর থেকে আবু তালিব আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হামযা বিন আল-কুব্বাইতি, আল-আনজাব বিন আবুল সাআদাত বিন মুহাম্মদ আল-হামামি এবং আল-মুবারক বিন আলী বিন আল-মুতাররিজের বর্ণনা।তাঁদের থেকে ইজাজতসূত্রে আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবু তালিব বিন আবু নুয়াইম বিন আশ-শাহনা এবং আমার পিতা আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সা'দ আল-মাকদিসির বর্ণনা।এবং কেবল ইবনুল কুব্বাইতি থেকে ইজাজতসূত্রে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ইমাদ আল-কাতিবের বর্ণনা।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আমার রব, সহজ করে দিন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই মহান শায়খ, বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, উচ্চ বংশীয় মজদুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হামিদ আল-কুরাশি—তাঁর দাদা ইমাদ আল-কাতিব নামে পরিচিত—এবং আমার পিতা সাদউদ্দীন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সা'দ বিন আব্দুল্লাহ আল-মাকদিসি; তাঁদের প্রত্যেকের কাছে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হামযা বিন আল-কুব্বাইতি, ইজাজতসূত্রে। দ্বিতীয়জন (আমার পিতা) বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আনজাব বিন আবু সাআদাত বিন মুহাম্মদ আল-হামামি এবং আবু আলী আল-মুবারক বিন আলী বিন আল-মুতাররিজ আল-খুরাইমি, ইজাজতসূত্রে। তাঁরা তিনজনই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমদ বিন সালমান বিন আল-বাত্তি; তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-খতিব আল-আনবারি; চারশত চুরাশি হিজরি সনের যিলহজ মাসে তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মাহদী; তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার, তিনশত ত্রিশ হিজরি সনের সফর মাসের দুই রাত অতিবাহিত হওয়ার পর মঙ্গলবারে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ بْنِ يَزِيدَ الْعَبْدِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أُعْطِيَ عَطَاءً فَوَجَدَ فَلْيَجْزِ بِهِ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَلْيُثْنِ بِهِ، فَإِنَّهُ إِذَا أَثْنَى بِهِ فَقَدْ شَكَرَهُ، وَمَنْ كَتَمَهُ فَقَدْ كَفَرَهُ، وَمَنْ تَحَلَّى بِمَا لَمْ يُعْطَ فَهُوَ كَلابِسِ ثَوْبَيْ زُورٍ»
১ - হাসান ইবন আরাফাহ ইবন ইয়াযীদ আল-আবদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবন আয়্যাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমারা ইবন গাজিয়াহ আল-আনসারী থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যাকে কোনো দান প্রদান করা হয়, সে যদি (বিনিময় দেওয়ার মতো কিছু) পায় তবে সে যেন তার প্রতিদান দেয়। আর যদি সে তা না পায়, তবে সে যেন তার প্রশংসা করে। কেননা যখন সে তার প্রশংসা করল, তখন সে তার কৃতজ্ঞতা আদায় করল। আর যে ব্যক্তি তা গোপন করল, সে মূলত অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। আর যে ব্যক্তি এমন কিছু দ্বারা নিজেকে সুশোভিত করল যা তাকে প্রদান করা হয়নি, সে যেন মিথ্যার দুটি পোশাক পরিধানকারীর ন্যায়।’
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنِي الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، أَخُو سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعِيدٍ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، عَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: " لأُحَدِّثَنَّكُمْ بِحَدِيثٍ لَوْ أَنِّي لَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا، حَتَّى بَلَغَ سَبْعَ مِرَارٍ، لَمْ أُحَدِّثْكُمْ بِهِ: " مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ أُثْبِتَتْ لَهُ عَشْرُ حَسَنَاتٍ، وَمَنْ قَالَهَا عَشْرَ مِرَارٍ أُثْبِتَتْ لَهُ مِائَةُ حَسَنَةٍ، وَمَنْ قَالَهَا مِائَةَ مَرَّةٍ أُثْبِتَتْ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ، وَمَنْ زَادَ زَادَهُ اللَّهُ وَمَنِ اسْتَغْفَرَ اللَّهَ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ، وَمَنْ أَعَانَ عَلَى خُصُومَةٍ بِظُلْمٍ فَقَدْ بَاءَ بِغَضَبٍ مِنَ اللَّهِ حَتَّى يَنْزِعَ، وَمَنْ حَالَتْ شَفَاعَتُهُ دُونَ حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ عز وجل فَقَدْ ضَادَّ اللَّهَ عز وجل فِي حُكْمِهِ، وَمَنْ قَذَفَ مُؤْمِنًا أَوْ مُؤْمِنَةً حُبِسَ فِي طِينَةِ الْخَبَالِ حَتَّى يَأْتِيَ بِالْمَخْرَجِ، وَمَنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ أُخِذَ مِنْ حَسَنَاتِهِ لَيْسَ ثَمَّ دِينَارٌ وَلا دِرْهَمٌ "
২ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে আরাফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুবারাক ইবনে সাঈদ ইবনে মাসরুক —যিনি সুফিয়ান আস-সাওরীর ভাই— আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে সাঈদ আস-সাওরী থেকে, তিনি মাতার আল-ওয়াররাক থেকে, তিনি আতা আল-খুরাসানী থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: "আমি তোমাদের অবশ্যই এমন একটি হাদীস বর্ণনা করব যা আমি যদি রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) থেকে মাত্র একবার, দু'বার বা তিনবার শুনতাম—এমনকি তিনি সাতবার পর্যন্ত গণনা করলেন—তবে আমি তা তোমাদের নিকট বর্ণনা করতাম না: যে ব্যক্তি বলবে: 'আল্লাহ অতি পবিত্র এবং সমস্ত প্রশংসা তাঁরই', তার জন্য দশটি নেকি লিপিবদ্ধ করা হয়; আর যে ব্যক্তি এটি দশবার বলবে, তার জন্য একশত নেকি লিপিবদ্ধ করা হয়; আর যে ব্যক্তি এটি একশত বার বলবে, তার জন্য এক হাজার নেকি লিপিবদ্ধ করা হয়। আর যে ব্যক্তি আমল বাড়িয়ে দেবে, আল্লাহ তার প্রতিদান বাড়িয়ে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো বিবাদে সাহায্য করবে, সে আল্লাহর ক্রোধের শিকার হবে যতক্ষণ না সে তা পরিহার করে। আর যার সুপারিশ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নির্ধারিত কোনো দণ্ডবিধি বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, সে তার ফয়সালার ক্ষেত্রে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বিরোধিতা করল। আর যে ব্যক্তি কোনো মুমিন পুরুষ বা মুমিন নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করবে, তাকে জাহান্নামীদের রক্ত ও পুঁজের পঙ্কিলতায় বন্দি করে রাখা হবে যতক্ষণ না সে তার অপবাদের সপক্ষে কোনো নিষ্কৃতির পথ নিয়ে আসে। আর যে ব্যক্তি এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে যে তার ওপর ঋণের বোঝা রয়েছে, তবে (পরকালে) তার নেকি থেকে তা গ্রহণ করা হবে; কেননা সেখানে কোনো দিনার বা দিরহাম থাকবে না।"
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثنا هُشَيْمٌ، أنبا يُونُسُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ، وَإِذَا أُحِلْتَ عَلَى مَلِيٍّ فَاتْبَعْهُ، وَلا تَبِعْ بَيْعَتَيْنِ فِي بَيْعَةٍ»
৩ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউনুস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে‘র সূত্রে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ধনী ব্যক্তির (ঋণ পরিশোধে) গড়িমসি করা জুলুম; আর যখন তোমাদের কাউকে কোনো সচ্ছল ব্যক্তির নিকট (ঋণ আদায়ের জন্য) সোপর্দ করা হয়, তবে সে যেন তা গ্রহণ করে। আর তোমরা এক কেনাবেচার মধ্যে দুই কেনাবেচা করো না।»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثنا زَافِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ شَبِيبِ بْنِ أَبِي بِشْرٍ، كَذَا قَالَ ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «النَّفَقَةُ كُلُّهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل إِلا هَذَا الْبِنَاءَ فَلا خَيْرَ فِيهِ»
৪ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফির বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল থেকে বর্ণিত, শাবিব বিন আবি বিশর থেকে বর্ণিত—তিনি এভাবেই বলেছেন—আনাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যাবতীয় ব্যয়ই মহান আল্লাহর পথে, তবে এই নির্মাণ কাজ ব্যতীত; এতে কোনো কল্যাণ নেই»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثنا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لا يَكَادُ يَدَعُ فِي بَيْتِهِ يَوْمَ عِيدٍ مِنْ أَهْلِهِ أَحَدًا إِلا أَخْرَجَهُ»
৫ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ ইবনুল আওয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবন আরতাত থেকে, আতা থেকে, জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিনে তাঁর পরিবারের কাউকেই প্রায় ঘরে রেখে যেতেন না, বরং তাঁদের সকলকে বের করে নিয়ে যেতেন।»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثنا عَمَّارُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ الْمُعْتَمِرِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْتِينَا وَنَحْنُ فِي الصَّلاةِ وَيَمْسَحُ صُدُورَنَا وَمَنَاكِبَنَا، وَيَقُولُ: «لا تَخْتَلِفْ صُفُوفُكُمْ فَتَخْتَلِفَ قُلُوبُكُمْ»
৬ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আম্মার বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসুর বিন আল-মুতামির থেকে, তিনি তালহা বিন মুসাররিফ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আওসাজাহ থেকে, তিনি আল-বারা বিন আযিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট আসতেন যখন আমরা সালাতে থাকতাম এবং তিনি আমাদের বুক ও কাঁধে হাত বুলিয়ে দিতেন এবং বলতেন: «তোমরা তোমাদের কাতারগুলো অগোছালো করো না, অন্যথায় তোমাদের অন্তরসমূহের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হবে»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - وَكَانَ يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى الصُّفُوفِ الْأُوَلِ»
৭ - এবং তিনি বলতেন: «নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ প্রথম সারিসমূহের ওপর রহমত বর্ষণ করেন।»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - وَكَانَ يَقُولُ: «زَيِّنُوا الْقُرْآنَ بِأَصْوَاتِكُمْ»
৮ - এবং তিনি বলতেন: «তোমাদের কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে কুরআনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করো»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - وَكَانَ يَقُولُ: " مَنْ مَنَحَ وَرَقًا أَوْ سَقَى لَبَنًا أَوْ هَدَى رِقَاقًا كَانَ كَعَدْلِ رَقَبَةٍ، وَمَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ كَانَ كَعَدْلِ رَقَبَةٍ "
৯ - এবং তিনি বলতেন: " যে ব্যক্তি রৌপ্যমুদ্রা দান করল অথবা দুধ পান করাল অথবা পথ দেখিয়ে দিল, তা একটি গোলাম আজাদ করার সমতুল্য হবে। আর যে ব্যক্তি বলল: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান, তা একটি গোলাম আজাদ করার সমতুল্য হবে।"
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا حُمَيْدُ بْنُ الرَّبِيعِ، ثنا هُشَيْمٌ، أنا أَبُو الْجَهْمِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «امْرُؤُ الْقَيْسِ صَاحِبُ لِوَاءِ الشُّعَرَاءِ إِلَى النَّارِ»
১০ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ ইবনুর রাবী' বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল জাহাম সংবাদ দিয়েছেন যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ইমরুল কায়েস কবিদের পতাকাবাহী হিসেবে জাহান্নামের দিকে যাবে»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ جُنَيْدُ بْنُ حَكِيمٍ الْأَوْدِيُّ، ثنا أَبُو هَفَّانَ الشَّاعِرُ، ثنا الْأَصْمَعِيُّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «امْرُؤُ الْقَيْسِ بْنُ حُجْرٍ قَائِدُ لِوَاءِ الشُّعَرَاءِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَى النَّارِ»
১১ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর জুনাইদ ইবন হাকীম আল-আওদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কবি আবু হাফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আসমাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আওন থেকে, তিনি মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «ইমরুল কায়েস ইবন হুজর কিয়ামতের দিন কবিদের পতাকাবাহী নেতা হিসেবে তাদের জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا حُمَيْدُ بْنُ الرَّبِيعِ، ثنا أَبُو عَلْقَمَةَ الْفَرَّاءُ، ثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ بُسْرَةَ، قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ مَسَّ فَرْجَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ»
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমায়দ বিন আর-রাবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলকামা আল-ফাররা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি বুসরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজ লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, সে যেন ওযু করে»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا حُمَيْدٌ، ثنا أَبُو عَلْقَمَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَكَلَ طَعَامًا مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ ، ثُمَّ رَأَيْتُ أَبَا بَكْرٍ رضي الله عنه مِنْ بَعْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَكَلَ طَعَامًا مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ، وَرَأَيْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه مِنْ بَعْدِ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه» .يَعْنِي أَكَلَ طَعَامًا مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ، ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ
১৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আলক্বামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি আগুন স্পর্শ করেছে এমন খাবার খেলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন এবং ওযু করলেন না। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে আবু বকর (রাযিআল্লাহু আনহু)-কেও দেখেছি, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে আগুন স্পর্শ করেছে এমন খাবার খেলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন এবং ওযু করলেন না। আর আমি আবু বকর (রাযিআল্লাহু আনহু)-এর পরে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিআল্লাহু আনহু)-কেও দেখেছি»।অর্থাৎ, তিনি আগুন স্পর্শ করেছে এমন খাবার খেলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন এবং ওযু করলেন না।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا حُمَيْدُ بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ مَالِكٍ، ثنا هُشَيْمٌ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
১৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হুমায়দ ইবনুর রাবী' ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল আজীজ ইবনে সুহাইব বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসন নির্ধারণ করে নেয়»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا حُمَيْدٌ، ثنا هُشَيْمٌ، أنبا أَبُو هَارُونَ الْعَبْدِيُّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
১৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন, আমাদের আবু হারুন আল-আবদি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা নির্ধারণ করে নেয়»
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুন মিন আমালি আবি আবদিল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثَنَا حُمَيْدٌ، ثنا هُشَيْمٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: دَخَلَ الأَقْرَعُ بْنُ حَابِسٍ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَرَآهُ يُقَبِّلُ إِمَّا حَسَنًا وَإِمَّا حُسَيْنًا ، قَالَ: تُقَبِّلُهُ وَلِي عَشْرَةٌ مِنَ الْوَلَدِ مَا قَبَّلْتُ وَاحِدًا مِنْهُمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ لا يَرْحَمُ لا يُرْحَمُ»
১৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আকরা ইবনে হাবিস নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলেন। তিনি তাকে হাসান অথবা হুসাইনকে চুম্বন করতে দেখলেন। তিনি বললেন: আপনি কি তাকে চুম্বন করছেন? অথচ আমার দশটি সন্তান রয়েছে, আমি তাদের কাউকেই কখনো চুম্বন করিনি। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «যে দয়া করে না, তার প্রতি দয়া করা হয় না»