(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: -)
بحر الدم فيمن تكلم فيه الإمام أحمد بمدح أو ذم القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: بحر الدم فيمن تكلم فيه الإمام أحمد بمدح أو ذم
المؤلف: يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن ابن عبد الهادي الصالحي، جمال الدين، ابن ابن المِبْرَد الحنبلي (ت 909هـ)
تحقيق وتعليق: الدكتورة روحية عبد الرحمن السويفي
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1413 هـ - 1992 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 197
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বাহরুদ দাম (রক্তের সমুদ্র): ইমাম আহমদ যাদের সম্পর্কে প্রশংসা বা সমালোচনা করেছেন বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
বই: বাহরুদ দাম: ইমাম আহমদ যাদের সম্পর্কে প্রশংসা বা সমালোচনা করেছেন
লেখক: ইউসুফ বিন হাসান বিন আহমদ বিন হাসান ইবনে আব্দুল হাদি আস-সালিহি, জামালুদ্দিন, ইবনুল মুবাররিদ আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৯০৯ হিজরি)
গবেষণা ও টীকা: ডক্টর রুহিয়্যাহ আব্দুর রহমান আস-সুওয়াইফি
প্রকাশনী: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরি - ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯৭
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
المقدمة
المؤلف في سطوراسمه ونسبه ومولده: يوسف بن الحسن بن أحمد بن الحسن بن أحمد بن عبد الهادي بن عبد الحميد بن يوسف بن محمد بن قدامة بن مقدام بن نصر بن فتح بن حذيفة بن محمد بن يعقوب بن القاسم بن إبراهيم بن إسماعيل بن يحيى بن محمد بن سالم بن عبد الله بن عمر بن الخطاب العدوي القرشي.
يعرف بابن المبرد، أو المحاسن جمال الدين.
ولد سنة 840 هـ في دمشق.
طلبه للعلم: طلب العلم وتعلم على أبيه ومشايخ بلدته، واشتغل بالتحصيل والدرس والافتاء والقضاء، فبرع في شتى مجالات العلم.
أقوال العلماء فيه: قال نجم الدين الغزي في الكواكب السائرة: الامام العلامة المصنف المحدث) .
وقال ابن العماد في الشذرات: " كان إماما علامة يغلب عليه علم الحديث والفقه ويشارك في النحو والتعريف والتصوف والتفسير
…وألف تلميذه شمس
দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ভূমিকা
সংক্ষেপে লেখকতাঁর নাম, বংশপরিচয় ও জন্ম: ইউসুফ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল হাদি ইবনে আব্দুল হামিদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা ইবনে মিকদাম ইবনে নাসর ইবনে ফাতহ ইবনে হুযাইফা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব ইবনুল কাসিম ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব আল-আদাবী আল-কুরাশী।
তিনি ইবনুল মুবাররিদ বা আল-মাহাসিন জামালুদ্দীন নামে পরিচিত।
তিনি ৮৪০ হিজরিতে দামেস্কে জন্মগ্রহণ করেন।
ইলম অর্জন: তিনি তাঁর পিতা ও নিজ শহরের শায়খদের নিকট ইলম অর্জন ও শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ইলম অন্বেষণ, পাঠদান, ফতোয়া প্রদান ও বিচারকার্য পরিচালনার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারদর্শিতা অর্জন করেন।
তাঁর সম্পর্কে উলামায়ে কিরামের মন্তব্য: নাজমুদ্দীন আল-গাযযী 'আল-কাওয়াকিব আস-সাইয়িরাহ' গ্রন্থে বলেন: (ইমাম, আল্লামা, গ্রন্থকার, মুহাদ্দিস)।
ইবনুল ইমাদ 'আশ-শাযারাত' গ্রন্থে বলেন: "তিনি ছিলেন একজন ইমাম ও আল্লামা, তাঁর ওপর হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্রের জ্ঞান প্রবল ছিল এবং তিনি নাহু (ব্যাকরণ), সারফ (শব্দরূপান্তর), তাসাউফ ও তাফসির শাস্ত্রেও অবদান রাখতেন
…এবং তাঁর ছাত্র শামস রচনা করেন...
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٤)
الدين بن طولون في ترجمته مؤلفأ ضخما) .
بعض آثاره العلمية:
1 - آداب الحمام وأحكامه.
2 - آداب الدعاء.
3 - الاتقان في أدوية اللثة واللسان.
4 - الاحاديث النبوية بالاسانيد الصحيحة.
5 - أخبار الاذكياء.
6 - الاختلاف بين رواة البخاري.
7 - أدب العالم والمتعلم.
8 - أربعون حديثا من مسند أنس.
9 - الاربعون المختارة من صحيح مسلم.
10 - الاربعون المسلسلة بالقول.
11 - إرشاد السالك إلى مناقب مالك.
12 - إرشاد الحائر إلى علم الكبائر.
13 - الاقتباس في وصيته صلى الله عليه وسلم.
14 - إيضاح طرق السلامة في بيان أحكام الولاية والامامة.
15 - بحر الدم فيمن تكلم فيه أحمد بمدح أو ذم (وهو كتابنا) .
16 - بلغة الحثيث في علم الحديث.
17 - تاريخ الصالحية.
18 - التبيين في طبقات المحدثين المتقدمين والمتأخرين.
19 - تذكرة الحفاظ وتبصرة الايقاظ.
20 - تلخيص توضيح المشتبه لابن حجر.
21 - الثلاثين التي رويت عن الامام أحمد في صحيح مسلم.
22 - جمع الجوامع في الفقه.
23 - الجوهر المنضد في طبقات متأخري أصحاب الامام أحمد.
24 - الدر النقي في شرح ألفاظ الحزقي
25 - رسالة في فضل العلم.
(ইবনে তুলুন তার জীবনীতে একটি বিশাল গ্রন্থ রচনা করেছেন)।
তাঁর কিছু ইলমি রচনাবলি:
১ - গোসলখানার আদব ও এর বিধানসমূহ।
২ - দোয়ার আদবসমূহ।
৩ - মাড়ি ও জিহ্বার ওষুধ বিষয়ে পারদর্শিতা।
৪ - সহিহ সনদসহ হাদিসে নববী।
৫ - বুদ্ধিমানদের সংবাদ।
৬ - বুখারীর বর্ণনাকারীদের মধ্যকার মতপার্থক্য।
৭ - শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর আদব।
৮ - মুসনাদে আনাস থেকে চল্লিশটি হাদিস।
৯ - সহিহ মুসলিম থেকে নির্বাচিত চল্লিশটি হাদিস।
১০ - মৌখিকভাবে বর্ণিত ধারাবাহিক চল্লিশটি হাদিস।
১১ - ইমাম মালিকের গুণাবলি বর্ণনায় পথিকের নির্দেশনা।
১২ - কবিরা গুনাহ সম্পর্কে বিভ্রান্তদের পথনির্দেশনা।
১৩ - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওসিয়ত থেকে উদ্ধৃতি।
১৪ - রাষ্ট্রপরিচালনা ও ইমামতের বিধান বর্ণনায় নিরাপত্তার পথসমূহের স্পষ্টীকরণ।
১৫ - বাহরুদ দাম: ইমাম আহমদ যাদের প্রশংসা বা সমালোচনা করেছেন তাদের বিবরণ (এটিই আমাদের বর্তমান গ্রন্থ)।
১৬ - হাদিস শাস্ত্রে ত্বরান্বিত পাথেয়।
১৭ - সালিহিয়ার ইতিহাস।
১৮ - পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মুহাদ্দিসগণের স্তরের বর্ণনা।
১৯ - হাফেজগণের স্মারক ও সচেতনদের অন্তর্দৃষ্টি।
২০ - ইবনে হাজারের 'তাওজিহুল মুশতাবিহ' গ্রন্থের সারসংক্ষেপ।
২১ - সহিহ মুসলিমে ইমাম আহমদ থেকে বর্ণিত ত্রিশটি হাদিস।
২২ - ফিকহ শাস্ত্রের জামউল জাওয়ামি।
২৩ - ইমাম আহমদের পরবর্তী অনুসারীদের স্তরবিন্যাসে সুবিন্যস্ত রত্নরাজি।
২৪ - আল-হিযকি-এর শব্দাবলির ব্যাখ্যায় স্বচ্ছ মুক্তো।
২৫ - ইলমের ফজিলত বিষয়ক রিসালাহ।
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٥)
26 - الرعاية في اختصار تخريج أحاديث الهداية.
27 - شرح ألفية ابن مالك.
28 - صدق التشوق إلى علم التصوف.
29 - الضبط والتبيين لذوي العلل والعاهات من المحدثين.
30 - طبقات الحفاظ.
31 - عمدة المبتدئ في فقه الحنبلي.
32 - غاية السؤال إلى علم الاصول.
33 - فضاثل الشام.
34 - المشتبه في الطب.
35 - المشيخة الكبرى، والصغرى.
36 - معجم الصنائع.
37 - النجاة بحمد الله.
38 - النهاية في اتصال الرواية.
39 - وفاة النبي صلى الله عليه وسلم.
40 - الوقوف على لبس الصوف.
إلى غير ذلك من المؤلفات التي تبلغ قرابة المئتي مؤلف.
كتاب بحر الدم:كتاب (بحر الدم) هو أحد مخطوطات مكتبة برلين بألمانيا، ويقع ضمن مجلد به مجموعة كتب، كتابنا يبدأ باللوحة رقم 153 وبنتهي باللوحة رقم 200.
والكتاب بخط مؤلفه وهو خط سئ جدا غير مقروء إلا بعناء شديد، فرغ من كتابته سنة 866 هـ في شهر ذي القعدة.
وموضوع الكتاب كما هو واضح من العنوان هو تراجم بعض الرجال الذين ذكرهم الامام أحمد بمدح أو ذم وأغلب هذه الروايات لا نجدها في المراجع التي تحت أيدينا الان.
خطة العمل:
1 - بعد نسخ الكتاب وضبطه وتخليصه من الأخطاء التي عج بها الكتاب
২৬ - আর-রিআয়াহ ফি ইখতিসার তাখরিজ আহাদিসিল হিদায়াহ।
২৭ - শারহু আলফিয়্যাতি ইবনে মালিক।
২৮ - সিদকুত্তাশাউক ইলা ইলমিত তাসাউউফ।
২৯ - আদ-দাবতু ওয়াত তিবয়িন লিযাউইল ইলাল ওয়াল আহাত মিনাল মুহাদ্দিসিন।
৩০ - তাবাকাতুল হুফফাজ।
৩১ - উমদাতুল মুবতাদি ফি ফিকহিল হাম্বালি।
৩২ - গায়াতুস সুআল ইলা ইলমিল উসুল।
৩৩ - ফাদায়েলুশ শাম।
৩৪ - আল-মুশতাবাহ ফিত তিব।
৩৫ - আল-মাশইয়াখাতুল কুবরা ওয়াস সুগরা।
৩৬ - মু'জামুস সানায়ি'।
৩৭ - আন-নাজাতু বিহামদিল্লাহ।
৩৮ - আন-নিহায়াহ ফি ইত্তিসালির রিওয়ায়াহ।
৩৯ - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাত।
৪০ - আল-উকুফ আলা লুবসিস সুফ।
এ ছাড়া আরও অন্যান্য অনেক রচনা রয়েছে যা প্রায় দুইশত গ্রন্থের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
বাহরুদ দাম কিতাব:‘বাহরুদ দাম’ কিতাবটি জার্মানির বার্লিন লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপিগুলোর একটি। এটি এমন এক ভলিউমের অন্তর্ভুক্ত যাতে বেশ কিছু কিতাব সংগৃহীত রয়েছে। আমাদের আলোচ্য কিতাবটি ১৫৩ নম্বর ফলিও থেকে শুরু হয়ে ২০০ নম্বর ফলিওতে শেষ হয়েছে।
কিতাবটি লেখকের স্বহস্তে লিখিত এবং এর হাতের লেখা খুবই অস্পষ্ট, যা অত্যন্ত পরিশ্রম ছাড়া পড়া যায় না। তিনি ৮৬৬ হিজরি সনের জিলকদ মাসে এটি লিখে শেষ করেন।
কিতাবটির বিষয়বস্তু যেমনটি শিরোনাম থেকে স্পষ্ট, তা হলো এমন কিছু ব্যক্তির জীবনী যাদের ইমাম আহমাদ প্রশংসা বা নিন্দার সাথে উল্লেখ করেছেন। এই বর্ণনাগুলোর অধিকাংশ আমাদের হাতে বর্তমানে বিদ্যমান উৎসগ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায় না।
কর্মপরিকল্পনা:
১ - কিতাবটি অনুলিপি করার পর এবং এটিকে সুসংবদ্ধ ও ভুলের আবর্জনা থেকে মুক্ত করার পর, যা কিতাবটিতে প্রচুর পরিমাণে ছিল...
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٦)
قمت بترقيم تراجمه برقم مسلسل.
2 - نقلت بعض آراء علماء الرجال كما جاءت في كتب الرجال مثل الميزان والتهذيب والتاريخ الكبير وغيرهم.
3 - عزوت صاحب الترجمة لموضعه في كتب الرجال.
4 - ضبطت بعض الكلمات التي احتاجت لذلك.
5 - قدمت للكتاب بمقدمة عرفت فيها بالمؤلف والكتاب.
أرجو من الله أن يتقبل هذا العمل خالصا لوجهه.
وأن يكون إضافة جديدة للمكتبة الاسلامية العامرة.
د.
روحية عبد الرحمن السويفي
আমি তাঁর জীবনীগুলোকে একটি ক্রমিক নম্বর দিয়ে বিন্যস্ত করেছি।
২ - আমি রিজাল শাস্ত্রের পণ্ডিতদের কিছু মতামত উদ্ধৃত করেছি, যেমনটি তা আল-মিজান, আত-তাহজিব, আত-তারিখুল কবির ও অন্যান্য রিজাল গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
৩ - আমি সংশ্লিষ্ট জীবনীকে রিজাল শাস্ত্রের কিতাবসমূহে তার নির্দিষ্ট স্থানের দিকে নিস্পত্তি করেছি।
৪ - প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর সঠিক পাঠ নির্ধারণ (যব্ত) সম্পন্ন করেছি।
৫ - আমি গ্রন্থটির জন্য একটি ভূমিকা পেশ করেছি, যাতে লেখক এবং কিতাবটির পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এই আমলটিকে কেবল তাঁর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কবুল করে নেন।
এবং এটি যেন সমৃদ্ধ ইসলামি পাঠাগারে একটি নতুন সংযোজন হয়।
ড.
রুহিয়্যাহ আবদুর রহমান আস-সুওয়াইফি
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٧)
بسم الله الرحمن الرحيمالحمد لله رب العالمين، وصلى الله على سيدنا محمد خاتم النبيين، وسيد المرسلين وعلى آله وصحبه أجمعين.
وبعد: فهذا مختصر فيمن تكلم فيه الامام أحمد من الرجال، وسميته (بحر الدم فيمن تكلم فيه أحمد بمدح أو ذم) والله حسبنا ونعم الوكيل.
فصل لا بد لك قبل ذلك من أن تعلم: أن
الكلام في الرجال، ليس هو من باب الغيبة المحرم، وإنما هو من باب تصحيح الحديث.
سأل رجل الامام أحمد بن حنبل عن أبي البختري، فقال: كان كذابا، يضع الحديث، فقال الرجل: أنا ابن عمه لحا، قال أبو عبد الله: الله المستعان، ولكن ليس في الدين محاباة.
وقال المروذي: قال أبو عبد الله: لا ينبغي للرجل إذا لم يعرف الحديث أن يحدث به.
ثم قال: صار الحديث يحدث به من لا يعرفه! !.
وقال الاثرم: قال لي أبو عبد الله: الحديث شديد، سبحان الله ما أشده! ! أو كما قال، ثم قال: يحتاج إلى ضبط وذهن وكلام يشبه هذا..وسأل أحمد رجلا عن موت ابن المبارك، فقال: ما تصنع بهذا يا أبا
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামেসকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর, যিনি নবীগণের মোহর এবং রাসূলগণের সরদার, এবং তাঁর পরিবার ও তাঁর সকল সাহাবীর উপর।
অতঃপর: এটি এমন এক সংক্ষিপ্ত সংকলন যেখানে ইমাম আহমাদ যে সকল রাবীদের (বর্ণনাকারীদের) বিষয়ে আলোচনা করেছেন তাদের কথা বর্ণিত হয়েছে। আমি এর নামকরণ করেছি 'বাহরুদ দাম ফিমান তাকাল্লামা ফিহি আহমাদ বি মাদহিন আও যাম' (ইমাম আহমাদ যাদের প্রশংসা বা সমালোচনা করেছেন তাদের বর্ণনায় রক্ত-সমুদ্র)। আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।
পরিচ্ছেদ: এর পূর্বে আপনার এটি জেনে নেওয়া আবশ্যক যে:
বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা হারাম গীবতের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি হাদীস বিশুদ্ধকরণের অন্তর্ভুক্ত।
এক ব্যক্তি ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলকে আবুল বাখতারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: সে ছিল চরম মিথ্যাবাদী, সে হাদীস জাল করত। তখন সেই ব্যক্তি বলল: আমি তার আপন চাচাতো ভাই। আবু আবদুল্লাহ বললেন: আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি, তবে দ্বীনের বিষয়ে কোনো পক্ষপাত বা স্বজনপ্রীতি নেই।
আল-মারুযী বর্ণনা করেন: আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: কোনো ব্যক্তির যখন হাদীস সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান নেই, তখন তার পক্ষে হাদীস বর্ণনা করা সমীচীন নয়।
অতঃপর তিনি বললেন: এখন এমন সব লোক হাদীস বর্ণনা করছে যারা এটি বোঝেই না! !
আল-আশরাম বর্ণনা করেন: আবু আবদুল্লাহ আমাকে বললেন: হাদীস অত্যন্ত কঠিন বিষয়, সুবহানাল্লাহ এটি কতই না কঠিন! ! অথবা তিনি যেমনটি বলেছিলেন। এরপর তিনি বললেন: এর জন্য প্রয়োজন মুখস্থ রাখার প্রখর শক্তি (যাবত), মেধা এবং এই জাতীয় গুণাবলী। আর ইমাম আহমাদ এক ব্যক্তিকে ইবনুল মুবারকের ইন্তেকাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, তখন সে ব্যক্তি বলল: হে আবু (আবদুল্লাহ), আপনি এটি দিয়ে কী করবেন...
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٨)
عبد الله؟ قال: نعرف به الكذابين.
وقال يحيى بن سعيد: سألت شعبة، وسفيان بن سعيد، وسفيان بن عيينة، ومالك بن أنس عن: الرجل يحدث بالحديث يخطئ فيه؟ فقالوا جميعا: بين أمره.
قال أحمد في رواية مهنا: هو كما قالوا، فقلت له: أما تخاف أن يكون هذا من الفاحشة؟ قال: لا، هذا دين.
ونقل غيره عن أحمد: أنه سأله عن معنى الغيبة؟ فقال: إذا لم يرد بها غيب الرجل، قلت: قدحا، يقول: فلان لم يسمع، وفلان يخطئ، فقال: لو ترك هذا لم يعرف الصحيح من غيره.
وقال محمد بن بندار: قلت لأحمد: إني ليشتد علي أن أقول: فلان ضعيف، فلان كذاب، فقال: إذا سكت أنت، وسكت أنا فمتى يعرف الجاهل الصحيح من السقيم؟ وقال عبد الله ابن الامام أحمد: جاء أبو تراب النخشبي إلى أبي، فجعل أبي يقول: (فلان ضعيف وفلان ثقة) ، فقال أبو تراب: يا شيخ لا تغتت العلماء، فالتفت أبي إليه، فقال له: ويحك هذا نصيحة، ليس هذا غيبة.
فصل هذا المتقدم كله إذا تكلم بما فيه، فأما إذا ضد جرح الرجل بما فيه، فإنه يحرم ذلك.
وهو كما فعل الخطيب البغدادي في بعض أصحابنا فإنه قصد جرحهم بما ليس فيهم، وذكر فيهم أشياء لا يعول عليها وقد رد عليه ابن الجوزي.
وفيما رده عليه كفاية، وسمى ابن الجوزي كتابه " السهم المصيب في تعقيب الخطيب ".
قال أبو الحارث: سمعت أبا عبد الله غير مرة يقول: ما تكلم أحد في الناس، إلا سقط وذهب حديثه.
قد كان بالبصرة رجل، يقال له: الافطس، وكان يروي عن الاعمش،
আব্দুল্লাহ? তিনি বললেন: এর মাধ্যমে আমরা মিথ্যুকদের চিনতে পারি।
এবং ইয়াহইয়া বিন সাঈদ বলেছেন: আমি শু'বা, সুফিয়ান বিন সাঈদ, সুফিয়ান বিন উয়াইনা এবং মালিক বিন আনাসকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি যে হাদিস বর্ণনা করে কিন্তু তাতে ভুল করে? তারা সবাই বললেন: তার অবস্থা স্পষ্ট করে দাও।
মুহান্নার বর্ণনায় আহমাদ বলেন: বিষয়টি তারা যেমন বলেছেন তেমনই। আমি তাঁকে বললাম: আপনি কি এটি অশ্লীল কাজ হওয়ার ভয় পান না? তিনি বললেন: না, এটি দ্বীন।
অন্য একজন আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাকে গীবতের অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন? তিনি বললেন: যখন এর দ্বারা ব্যক্তির গীবত করা উদ্দেশ্য না হয়—আমি বললাম: দোষারোপ করা, যেমন বলা: অমুক শোনেনি, এবং অমুক ভুল করে—তখন তিনি বললেন: যদি এটি বর্জন করা হয় তবে সহীহ থেকে গায়ের-সহীহ (অন্যান্য) বর্ণনাকে আলাদা করা যাবে না।
এবং মুহাম্মাদ বিন বুন্দার বলেন: আমি আহমাদকে বললাম: 'অমুক দুর্বল', 'অমুক মিথ্যুক' বলা আমার নিকট অত্যন্ত কঠিন লাগে। তিনি বললেন: যদি আপনিও চুপ থাকেন এবং আমিও চুপ থাকি, তবে মূর্খ ব্যক্তি কখন অসুস্থ বর্ণনা থেকে সহীহ বর্ণনাকে চিনতে পারবে? এবং ইমাম আহমাদের পুত্র আব্দুল্লাহ বলেন: আবু তুরাব আন-নাখশাবী আমার পিতার কাছে আসলেন। তখন আমার পিতা বলতে লাগলেন: (অমুক দুর্বল এবং অমুক নির্ভরযোগ্য)। আবু তুরাব বললেন: হে শায়খ, আলেমদের গীবত করবেন না। তখন আমার পিতা তাঁর দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন: তোমার নাশ হোক! এটি নসিহত, এটি গীবত নয়।
পরিচ্ছেদ: পূর্বের এই সব বিষয় তখনই প্রযোজ্য যখন কারো মধ্যকার প্রকৃত দোষ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পক্ষান্তরে যখন কারো মধ্যকার দোষের বিপরীত কোনো বিষয় নিয়ে (অর্থাৎ যা নেই তা নিয়ে) সমালোচনা করা হয়, তবে তা হারাম।
এবং এটি খতিব আল-বাগদাদি আমাদের কিছু সাথীর ব্যাপারে যা করেছেন তার অনুরূপ। কেননা তিনি তাদের এমন বিষয় দিয়ে সমালোচনার সংকল্প করেছিলেন যা তাদের মধ্যে নেই, এবং তিনি তাদের সম্পর্কে এমন কিছু উল্লেখ করেছেন যা নির্ভরযোগ্য নয়; ইবনুল জাওযী তার প্রতিবাদ করেছেন।
এবং তিনি যা প্রতিবাদ করেছেন তা-ই যথেষ্ট। ইবনুল জাওযী তাঁর বইটির নাম দিয়েছেন "আস-সাহমুল মুসীব ফী তাকীবিল খাতীব"।
আবুল হারিস বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে একাধিকবার বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি মানুষের কুৎসা রটনায় লিপ্ত হয়েছে, সে নিজেই পতিত হয়েছে এবং তার হাদিস বিলুপ্ত হয়েছে।
বসরায় আল-আফতাস নামক একজন লোক ছিল, সে আমাশ থেকে বর্ণনা করত,
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٩)
والناس، وكانت له مجالس،، وكان صحيح الحديث، إلا أنه كان لا يسلم على لسانه أحد، فذهب حديثه وذكره.
وقال في رواية الاثرم، وذكر الافطس، واسمه عبد الله بن سلمة، قال: إنما سقط بلسانه، فليس يسمع أحد يذكره.
وتكلم يحيى بن معين في أبي بدر، فدعا عليه، قال أحمد: فأراه استجيب له.
قال بعض أصحابنا: نصوص أحمد هنا فيما إذا لم يتثبت، واستغاب بغير حق.
فصل الضعفاء أقسام: منهم: من ضعف لكذبه الصراح.
ومنهم: من لم يتعمد الكذب، لكن روى عن الكذابين، ولم يتحرز من ذلك.
ومنهم: من ترك لقلة أمانته.
ومنهم: من ضعف لقلة دينه.
ومنهم: من ضعف لبدعة ارتكبها، وقد يكون مع ارتكابه البدعة يتوخى الكذب.
ثم الضفاء منهم: من هو ضعيف إلى الغاية.
ومنهم: من هو متوسط في الضعف.
ومنهم: من الضعف فيه قليل.
كما أن في الصحة: من هو مرتفع إلى الغاية.
ومنهم: من هو متوسط.
ومنهم: من هو دون ذلك - والله الموفق -.
এবং মানুষ, তার অনেক মজলিস ছিল, এবং তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে সহীহ (নির্ভরযোগ্য) ছিলেন, তবে তার জিহ্বা থেকে কেউ নিরাপদ ছিল না, ফলে তার হাদীস ও সুনাম বিলুপ্ত হয়ে যায়।
এবং তিনি আল-আছরামের বর্ণনায় আল-আফতাস সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন—যার নাম আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ—তিনি বলেন: তিনি কেবল তার জিহ্বার কারণেই পরিত্যক্ত হয়েছেন, তাই কাউকে তাকে স্মরণ করতে শোনা যায় না।
ইয়াহইয়া বিন মাঈন আবু বদর সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেন, ফলে তিনি (আবু বদর) তার বিরুদ্ধে বদদোয়া করেন। আহমাদ বলেন: আমি মনে করি তার সেই দোয়া কবুল করা হয়েছে।
আমাদের কিছু সাথী বলেছেন: আহমাদের এই বক্তব্যগুলো তখন প্রযোজ্য, যখন কেউ বিষয়টি যাচাই না করে এবং অন্যায়ভাবে গীবত করে।
পরিচ্ছেদ: দুর্বল বর্ণনাকারীদের প্রকারভেদ: তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যাকে তার স্পষ্ট মিথ্যার কারণে দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলেননি, তবে তিনি মিথ্যাবাদীদের থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এ ব্যাপারে সতর্ক ছিলেন না।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যাকে আমানতদারিতার অভাবের কারণে বর্জন করা হয়েছে।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যাকে তার দ্বীনদারির ঘাটতির কারণে দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যাকে তার লিপ্ত হওয়া বিদআতের কারণে দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে, আর হতে পারে বিদআতে লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি তিনি মিথ্যার আশ্রয়ও নিতেন।
অতঃপর দুর্বল বর্ণনাকারীদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যিনি চরম পর্যায়ের দুর্বল।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যিনি মাঝারি পর্যায়ের দুর্বল।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যার মধ্যে দুর্বলতা সামান্য।
যেমন নির্ভরযোগ্যতার ক্ষেত্রেও কেউ এমন আছেন: যিনি সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করেন।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এমন আছেন: যিনি মাঝারি স্তরের।
এবং তাদের মধ্যে কেউ এর চেয়েও নিম্নস্তরের—আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٠)
(حرف الالف)1 - أحمد بن إسحاق الحضرمي: قيل له في رواية المروذي: كتبت عنه؟ قال: لا، تركته على عمد، قيل له: فإيش أنكرت عليه؟ قال: كان عندي - إن شاء الله - صدوقا ولكن تركته من أجل ابن أكثم دخل له في شئ.
وسئل في رواية المروذي عن يعقوب بن إسحاق؟ فقدم أخاه أحمد عليه، وقال: لم يكن بأحمد بأس، ولكن تركته من أجل ابن أكثم.
2 - أحمد بن صالح المصري: قال علي بن محمود الهروي: قلت لاحمد بن حنبل: من أعرف الناس بأحاديث ابن شهاب؟ قال أحمد بن صالح، ومحمد بن يحيى الذهلي.
3 - أحمد بن عبد الله بن يونس التميمي، اليربوعي، الكوفى: قال الفضل بن زياد: سمعت أحمد بن حنبل، وقال له رجل عمن أكتب؟ فقال: أخرج إلى أحمد بن يونس، فإنه شيخ الاسلام.
4 - أحمد بن عبد الملك بن واقد الحراني: قال الميموني: سألت أحمد بن حنبل عنه؟ فقال: رأيته حافظا لحديثه، وهو صاحب سنة، فقلت: أهل حران يسيئون الثناء عليه، فقال: أهل حران، قل ما يرضون عن إنسان، من يغشى السلطان، يسبب ضعفه له، قال: فرأيت أنه عند أبي عبد الله حسنا، يتكلم فيه بكلام حسن.
--------------------------------------------
(আলিফ বর্ণ)১ - আহমাদ ইবন ইসহাক আল-হাদরামি: আল-মাররুযীর বর্ণনায় তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: আপনি কি তাঁর থেকে লিখেছেন? তিনি বললেন: না, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে বর্জন করেছি। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি তাঁর মাঝে কী অপছন্দ করেছেন? তিনি বললেন: আমার নিকট তিনি—ইনশাআল্লাহ—সত্যবাদী ছিলেন, কিন্তু ইবন আকসামের সাথে কোনো বিষয়ে জড়ানোর কারণে আমি তাঁকে বর্জন করেছি।
আল-মাররুযীর বর্ণনায় তাঁকে ইয়াকুব ইবন ইসহাক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তাঁর ভাই আহমাদকে তাঁর ওপর প্রাধান্য দিলেন এবং বললেন: আহমাদের মাঝে কোনো সমস্যা ছিল না, কিন্তু ইবন আকসামের কারণে আমি তাঁকে বর্জন করেছি।
২ - আহমাদ ইবন সালিহ আল-মিসরি: আলী ইবন মাহমুদ আল-হারাওয়ী বলেন: আমি আহমাদ ইবন হাম্বলকে বললাম: ইবন শিহাবের (যুহরী) হাদিস সম্পর্কে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি কে? আহমাদ বললেন: আহমাদ ইবন সালিহ এবং মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া আয-যুহলী।
৩ - আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন ইউনুস আত-তামিমি, আল-ইয়ারবুয়ি, আল-কুফি: আল-ফাদল ইবন যিয়াদ বলেন: আমি আহমাদ ইবন হাম্বলকে বলতে শুনেছি, যখন এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করল আমি কার থেকে লিখব? তখন তিনি বললেন: আহমাদ ইবন ইউনুসের কাছে যাও, কেননা তিনি শাইখুল ইসলাম।
৪ - আহমাদ ইবন আব্দুল মালিক ইবন ওয়াকিদ আল-হাররানি: আল-মাইমুনি বলেন: আমি আহমাদ ইবন হাম্বলকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: আমি তাঁকে তাঁর হাদিসের হাফেয (সংরক্ষণকারী) হিসেবে দেখেছি এবং তিনি সুন্নাহর অনুসারী। আমি বললাম: হাররানবাসীরা তাঁর প্রশংসা করতে কার্পণ্য করে (বিরূপ সমালোচনা করে)। তিনি বললেন: হাররানবাসীরা খুব কমই কোনো মানুষের প্রতি সন্তুষ্ট হয়; যারা সুলতানের কাছে যাতায়াত করে, তারা একে তার দুর্বলতার কারণ বানিয়ে দেয়। বর্ণনাকারী বলেন: আমি দেখলাম যে আবু আব্দুল্লাহর নিকট তিনি উত্তম ছিলেন এবং তিনি তাঁর সম্পর্কে প্রশংসাসূচক কথা বলতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١١)
5 - أحمد بن الفرات بن خالد الرازي، أبو مسعود الضبي: قال أبوعمران الطوسي: سمعت أحمد بن حنبل يقول: ما تحت أديم السماء أحفظ لاخبار رسول الله صلى الله عليه وسلم من أبي مسعود.
تنبيه: وقال أحمد بن الفرات: سمعت أحمد بن حنبل يقول: من دل على صاحب رأي، فقد أعان على هدم الاسلام.
6 - أحمد بن محمد بن هاني الاثرم: قال المروذي: سألت أحمد بن حنبل، عن الاثرم، قلت: نهيت أن يكتب عنه؟ قال: لم أقل إنه لا يكتب عنه الحديث، إنما أكره هذه المسائل.
7 - أحمد بن نصر بن مالك الخزاعي، أبو عبد الله البغدادي: قال المروذي: سمعت أبا عبد الله يقول، وذكر أحمد بن نصر رحمه الله: ما كان أسخاه لقد جاد بنفسه.
8 - أحمد بن أبي داؤد، القاضي: قال أحمد: كافر بالله العظيم.
9 - أحمد ابن أخت عبد الرزاق: قال إسحاق بن إبراهيم، سمعته يقول: ابن أخت عبد الرزاق كذاب، فأما ابن أخته الاخر، المعلم، لم يكن به بأس.
10 - أحمد بن علي، أبو علي الانصاري: قال أحمد: واه.
--------------------------------------------
৫ - আহমদ বিন আল-ফুরাত বিন খালিদ আল-রাজি, আবু মাসউদ আদ-দাব্বি: আবু ইমরান আত-তুসি বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: আসমানের নিচে আবু মাসউদের চেয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস অধিক মুখস্থকারী আর কেউ নেই।
সতর্কতা: আহমদ বিন আল-ফুরাত বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি কোনো রায়-পন্থীর (প্রবৃত্তি অনুসারীর) দিকে পথ দেখাল, সে ইসলাম ধ্বংস করতে সাহায্য করল।
৬ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হানি আল-আছরাম: আল-মাররুজি বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে আল-আছরাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি বললাম: আপনি কি তার থেকে লিখতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন: আমি এটা বলিনি যে তার থেকে হাদীস লেখা যাবে না, আমি কেবল এই মাসআলাগুলো অপছন্দ করি।
৭ - আহমদ বিন নাসর বিন মালিক আল-খুজায়ি, আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি: আল-মাররুজি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, যখন তিনি আহমদ বিন নাসর রহ.-এর কথা উল্লেখ করলেন: তিনি কতই না দানশীল ছিলেন, তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।
৮ - আহমদ বিন আবি দাউদ, বিচারক: আহমদ বলেন: মহান আল্লাহর প্রতি কাফের।
৯ - আব্দুর রাজ্জাকের ভাগ্নে আহমদ: ইসহাক বিন ইব্রাহিম বলেন: আমি তাকে বলতে শুনেছি: আব্দুর রাজ্জাকের ভাগ্নে চরম মিথ্যাবাদী, তবে তার অন্য ভাগ্নে, যিনি শিক্ষক, তার মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না।
১০ - আহমদ বিন আলি, আবু আলি আল-আনসারি: আহমদ বলেন: অত্যন্ত দুর্বল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - أحمد بن عمرو: قال إسحاق بن إبراهيم بن هاني: قيل له: فأحمد بن عمرو عندك إمام؟ قال: نعم، رحم الله أحمد، ما علمت إلا خيرا، هو عندي إمام.
12 - أبان بن أبي عياش العيدي، مزاحم البصري: قال أحمد متروك، وقال الذهبي: قال أحمد: تركوا حديثه.
13 - أبان بن يزيد العطار، أبو يزيد البصري: قال أحمد بن حنبل: ثبت في كفاح المشايخ.
14 - أبان بن تغلب: قال الذهبي: وثقه أحمد.
15 - أبان العطار: قال إسحاق بن إبراهيم: قلت لاحمد: فأبان العطار؟ قال: هو مثل همام وشيبان.
16 - أبان بن عثمان: قال الاثرم: قلت لابي عبد الله: أبان بن عثمان سمع من أبيه؟ قال: من أين سمع منه؟.
--------------------------------------------
১১ - আহমদ বিন আমর: ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন হানি বলেছেন: তাকে (ইমাম আহমদকে) জিজ্ঞেস করা হলো: আহমদ বিন আমর কি আপনার নিকট ইমাম? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহ আহমদের প্রতি দয়া করুন, আমি তার সম্পর্কে কল্যাণ ছাড়া আর কিছুই জানি না, তিনি আমার নিকট একজন ইমাম।
১২ - আবান বিন আবি আইয়াশ আল-উবদি, মুজাহিম আল-বাসরি: আহমদ বলেছেন তিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক), এবং যাহাবি বলেছেন: আহমদ বলেছেন: তারা তার হাদিস বর্জন করেছেন।
১৩ - আবান বিন ইয়াজিদ আল-আত্তার, আবু ইয়াজিদ আল-বাসরি: আহমদ বিন হাম্বল বলেছেন: তিনি শায়খদের মোকাবিলায় সুদৃঢ় ছিলেন।
১৪ - আবান বিন তাগলিব: যাহাবি বলেছেন: আহমদ তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।
১৫ - আবান আল-আত্তার: ইসহাক বিন ইব্রাহিম বলেছেন: আমি আহমদকে বললাম: তাহলে আবান আল-আত্তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: তিনি হাম্মাম এবং শায়বানের মতো।
১৬ - আবান বিন উসমান: আল-আছরাম বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আবান বিন উসমান কি তার পিতা থেকে হাদিস শুনেছেন? তিনি বললেন: তিনি কোত্থেকে তার নিকট থেকে শুনবেন?।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٣)
17 - إبراهيم بن أدهم: لما ذكر قوله لاحمد في النكاح: قال: وقعت في بنيات الطريق.
ونقل أبو محمد الشعراني: عن أحمد: كان إبراهيم بن أدهم يبيع ثيابه وينفقها على أصحابه، وكانت الدنيا أهون عليه من ذلك العدد.
18 - إبراهيم بن إسماعيل بن أبي حبيبة الانصاري: قال أبو طالب: عن أحمد بن حنبل: ثقة.
19 - إبراهيم بن بشار الرمادي: قال عبد الله بن أحمد: سمعت أبي يقول: كان سفيان - الذي يروي عنه إبراهيم بن بشار - ليس هو ابن عيينة.
كان إبراهيم يحضر معنا عند ابن عيينة، وكان يملي على الناس ما يسمعون من سفيان، وكان ربما أملى عليهم ما لم يسمعوا، فقلت له يوما: ألا تتقي الله - ويحك - تملي عليهم ما لم يسمعوا ولم يحمده أبي في ذلك، وذمه ذما شديدا.
وقال الذهبي: ضعفه أحمد واتهمه.
20 - إبراهيم بن الحارث العبادي: قال الخلال: كان أحمد يعظمه ويرفع قدره، وكان يتوقف أبو عبد الله، فيجيب هو ويحضره أبي عبد الله، فيعجب أبو عبد الله، وقال: جزاك الله خيرا يا أبا إسحاق، حكى ذلك الاثرم.
21 - إبراهيم بن الحكم بن أبان: قال المروذي: سألته عنه، فقال: ليس بذاك، قد كتبت عنه، وأقمت عليه
--------------------------------------------
১৭ - ইবরাহিম বিন আদহাম: যখন আহমাদ বিন হাম্বলের নিকট বিবাহের বিষয়ে তাঁর উক্তি উল্লেখ করা হলো, তিনি বললেন: তিনি ছোটখাটো ভুল পথে পতিত হয়েছেন।
আবু মুহাম্মাদ আশ-শা'রানি আহমাদ থেকে বর্ণনা করেন: ইবরাহিম বিন আদহাম তাঁর কাপড় বিক্রি করতেন এবং তা তাঁর সাথীদের জন্য ব্যয় করতেন। তাঁর কাছে পার্থিব জগত এই সামান্য বিষয়ের চেয়েও অতি তুচ্ছ ছিল।
১৮ - ইবরাহিম বিন ইসমাইল বিন আবি হাবিবা আল-আনসারি: আবু তালিব আহমাদ বিন হাম্বল থেকে বর্ণনা করেন: তিনি নির্ভরযোগ্য।
১৯ - ইবরাহিম বিন বাশশার আর-রামানি: আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: সুফিয়ান—যাঁর থেকে ইবরাহিম বিন বাশশার বর্ণনা করেন—তিনি ইবনে উয়াইনাহ ছিলেন না।
ইবরাহিম ইবনে উয়াইনাহর মজলিসে আমাদের সাথে উপস্থিত থাকতেন। তিনি মানুষের কাছে সুফিয়ানের নিকট যা শুনেছিলেন তা লিখে দিতেন, আর কখনো কখনো যা শোনেননি তাও লিখে দিতেন। আমি একদিন তাঁকে বললাম: তুমি কি আল্লাহকে ভয় করো না? ধিক তোমার ওপর! তুমি তাদের কাছে এমন কিছু বর্ণনা করছ যা তারা শোনেনি। আমার পিতা এই বিষয়ে তাঁর প্রশংসা করেননি এবং তাঁর কঠোর নিন্দা করেছেন।
আয-যাহাবি বলেন: আহমাদ তাঁকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন এবং তাঁর প্রতি অভিযোগ তুলেছেন।
২০ - ইবরাহিম বিন আল-হারিস আল-আব্বাদি: আল-খাল্লাল বলেন: আহমাদ তাঁকে সম্মান করতেন এবং তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করতেন। আবু আবদুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) অনেক সময় চুপ থাকতেন এবং তিনি উত্তর দিতেন, আবু আবদুল্লাহ তাঁকে উপস্থিত রাখতেন এবং এতে তিনি (ইমাম আহমাদ) বিস্মিত ও আনন্দিত হতেন। তিনি বলতেন: হে আবু ইসহাক, আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। আল-আছরাম এটি বর্ণনা করেছেন।
২১ - ইবরাহিম বিন আল-হাকাম বিন আবান: আল-মারওয়াযি বলেন: আমি তাঁর সম্পর্কে তাঁকে (ইমাম আহমাদকে) জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: তিনি তেমন (নির্ভরযোগ্য) নন। আমি তাঁর থেকে লিখেছি এবং তাঁর ওপর অবস্থান করেছি (অর্থাৎ পর্যবেক্ষণ করেছি)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٤)
إماما.
قال: وسألته عن يزيد ابن أبي حكيم؟ فقال: ثقة كتبت عنه أقل مما كتبت عن إبراهيم، اتكيت على إبراهيم ثم حدث إبراهيم بعد بأحاديث منكرة، وضعف أمره وقدم يزيد بن أبي حكيم عليه.
22 - إبراهيم بن خالد بن عبيد أبو محمد الصنعاني: وثقه أحمد.
23 - إبراهيم بن خالد أبو ثور الكلبي: قال ابن خاقان: سألت أحمد بن حنبل عن أبي ثور؟ فقال: لم يبلغني إلا خيرا، إلا أنه لا يعجبني الكلام الذي يصيرونه في كتبهم.
وقال أبو بكر الاعين: سألت أحمد عنه؟ فقال: أعرفه بالسنة منذ خمسين سنة، وهو عندي في مسلاخ الثوري.
وقال أبو العباس البراثي: كنت عند أحمد بن حنبل فسأله رجل في مسألة في الحلال والحرام، فقال: سل غيرنا، فقال: إنما نريد جوابك، فقال: ما أتفقه، سل أبا ثور.
24 - إبراهيم بن زياد بن إسحاق البغدادي سبلان: قال أحمد بن عثمان: سمعت أحمد بن حنبل يقول: إذا مات سبلان، ذهب علم عياد بن عياد.
25 - إبراهيم بن سعد بن إبراهيم الزهري أبو إسحاق المدني: وثقه أحمد، وقال في رواية ابن إبراهيم: إبراهيم بن سعد من أحسن الناس حديثا عن محمد بن إسحاق، فإذا جمع بين رجلين، يقول: حدثني فلان وفلان لم يحكمه.
--------------------------------------------
ইমাম হিসেবে।
তিনি বলেন: আমি তাকে ইয়াজিদ ইবনে আবি হাকিম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি বললেন: সে নির্ভরযোগ্য, আমি তার থেকে ইব্রাহিমের চেয়ে কম লিখেছি। আমি ইব্রাহিমের ওপর নির্ভর করেছিলাম, কিন্তু পরবর্তীতে ইব্রাহিম কিছু প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদিস বর্ণনা করেন, ফলে তার অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ইয়াজিদ বিন আবি হাকিমকে তার ওপর প্রাধান্য দেওয়া হয়।
২২ - ইব্রাহিম বিন খালিদ বিন উবাইদ আবু মুহাম্মদ আস-সানআনি: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
২৩ - ইব্রাহিম বিন খালিদ আবু সাওর আল-কালবি: ইবনে খাকান বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে আবু সাওর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি বললেন: তার সম্পর্কে আমার কাছে কল্যাণ ব্যতীত অন্য কিছু পৌঁছেনি, তবে তারা তাদের কিতাবগুলোতে যে কালাম (তর্কশাস্ত্রীয় আলোচনা) অন্তর্ভুক্ত করে তা আমার পছন্দ নয়।
আবু বকর আল-আইয়ান বলেন: আমি আহমাদকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি বললেন: আমি তাকে পঞ্চাশ বছর ধরে সুন্নাহর ওপর (প্রতিষ্ঠিত) হিসেবে জানি, এবং তিনি আমার কাছে আস-সাওরির সমতুল্য।
আবু আব্বাস আল-বারাসি বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলের কাছে ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি তাকে হালাল ও হারামের একটি মাসআলা জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেন: আমাদের ছাড়া অন্য কাউকে জিজ্ঞাসা করো। সে বলল: আমরা কেবল আপনার উত্তরই চাই। তিনি বললেন: আমি বিজ্ঞ ফকিহ নই, তুমি আবু সাওরকে জিজ্ঞাসা করো।
২৪ - ইব্রাহিম বিন জিয়াদ বিন ইসহাক আল-বাগদাদি সাবলান: আহমাদ বিন উসমান বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: যখন সাবলান মারা যাবে, তখন ইয়াদ বিন ইয়াদের জ্ঞান হারিয়ে যাবে।
২৫ - ইব্রাহিম বিন সাদ বিন ইব্রাহিম আজ-জুহরি আবু ইসহাক আল-মাদানি: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে ইব্রাহিমের বর্ণনায় তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে ইব্রাহিম বিন সাদ সবচেয়ে সুন্দর (নির্ভুল) ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত। তবে যখন তিনি দুই ব্যক্তিকে একত্রিত করেন এবং বলেন: 'অমুক ও অমুক আমাকে বর্ণনা করেছেন', তখন তিনি তা সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে পারতেন না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٥)
26 - إبراهيم بن سليمان بن رزين البغدادي: قال أحمد: ليس به بأس.
27 - إبراهيم بن شماس السمرقندي أبو إسحاق الغازي: قال الاثرم: ذكره أحمد بن حنبل، فأحسن الثناء عليه.
قال: كتب إلي بعض أصحابنا أنه أوصى بمائة ألف يشتري بها أسرى من الترك، فاشترينا مائة نفس أو نحوا.
قال أبو عبد الله: قتلته الترك أيضا، فانظر ما ختم الله له به مع القتل.
28 - إبراهيم بن طهمان الخراساني الهروي: قال الامام أحمد: كان مرجئا، شديدا على الجهمية.
وقال أبو زرعة: كنت عند أحمد بن حنبل وذكر إبراهيم بن طهمان، - وكان متكيا من علة - فجلس، وقال: لا ينبغي أن يذكر الصالحون فيتكأ.
29 - إبراهيم بن عبد الاعلى الجعفي مولاهم الكوفى: وثقه أحمد.
30 - إبراهيم بن عبد الرحمن بن إسماعيل السكسكي: ضعفه أحمد.
31 - إبراهيم بن أبي العباس: قال في رواية ابن إبراهيم: كان رجلا صالحا، (كان ينزل دار فهد بن الاحمري) .
--------------------------------------------
২৬ - ইব্রাহীম বিন সুলায়মান বিন রাযীন আল-বাগদাদী: আহমাদ বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
২৭ - ইব্রাহীম বিন শাম্মাস আস-সামারকান্দী আবু ইসহাক আল-গাযী: আল-আছরাম বলেছেন: আহমাদ বিন হাম্বল তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর অত্যন্ত প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেছেন: আমাদের জনৈক সাথী আমার কাছে লিখে পাঠিয়েছেন যে, তিনি এক লক্ষ (মুদ্রা) অসিয়ত করেছেন যা দিয়ে তুর্কিদের থেকে যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হবে; অতঃপর আমরা একশ জন বা এর কাছাকাছি ব্যক্তিকে মুক্ত করেছি।
আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: তুর্কিরা তাকে হত্যাও করেছে; সুতরাং লক্ষ্য করুন হত্যার (শাহাদাতের) মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর জীবনের সমাপ্তি কী চমৎকারভাবে করেছেন।
২৮ - ইব্রাহীম বিন তাহমান আল-খুরাসানী আল-হারাওয়ী: ইমাম আহমাদ বলেছেন: তিনি মুরজিয়া ছিলেন, তবে জাহমিয়াদের ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন।
আবু যুরআহ বলেছেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলের কাছে ছিলাম এবং তিনি ইব্রাহীম বিন তাহমানের কথা উল্লেখ করলেন - তিনি অসুস্থতার কারণে হেলান দিয়ে ছিলেন - অতঃপর তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন: নেককার লোকদের যখন আলোচনা করা হয় তখন হেলান দিয়ে থাকা সমীচীন নয়।
২৯ - ইব্রাহীম বিন আব্দুল আ'লা আল-জু'ফী তাদের আযাদকৃত গোলাম আল-কূফী: আহমাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
৩০ - ইব্রাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন ইসমাঈল আস-সাকসাকী: আহমাদ তাঁকে দুর্বল বলেছেন।
৩১ - ইব্রাহীম বিন আবিল আব্বাস: ইবনে ইব্রাহীমের বর্ণনায় তিনি বলেছেন: তিনি একজন নেককার মানুষ ছিলেন, (তিনি ফাহাদ বিন আল-আহমারীর বাড়িতে অবস্থান করতেন)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٦)
32 - إبراهيم بن عقبة المدني، أخو موسى: وثقه أحمد.
33 - إبراهيم بن عطية الثقفي: كتب عنه أحمد، ورمى به.
34 - إبراهيم بن الفضل المخزومي المدني: ضعفه أحمد، وقال الذهبي: تركه أحمد.
35 - إبراهيم بن الفضل بن سليمان: قال أحمد: ليس بقوي.
36 - إبراهيم بن محمد بن عرعرة بن البرند، أبو إسحاق القرشي: تكلم فيه أحمد لاجل حديث منكر رواه.
37 - إبراهيم بن عيينة: أنكر أحاديث حدث بها في رواية المروذي، ولين القول فيها.
38 - إبراهيم بن محمد بن المنتشر بن الاجدع الهمداني: وثقه أحمد.
39 - إبراهيم بن محمد بن أبي يحيى سمعان الاسلمي، مولاهم، المدني، أبو إسحاق: قال عبد الله بن أحمد عن أبيه: كان قدريا، معتزليا، جهميا، كل بلاء فيه.
وقال أبو طالب عن أحمد: ترك الناس حديثه، وكان يأخذ أحاديث الناس فيضعها في كتبه.
--------------------------------------------
32 - ইব্রাহিম বিন উকবাহ আল-মাদানি, মুসার ভাই: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
33 - ইব্রাহিম বিন আতিয়্যাহ আস-সাকাফি: আহমাদ তার থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তাকে বর্জন করেছেন।
34 - ইব্রাহিম বিন আল-ফাদল আল-মাখজুমি আল-মাদানি: আহমাদ তাকে দুর্বল বলেছেন এবং যাহাবি বলেছেন: আহমাদ তাকে পরিত্যাগ করেছেন।
35 - ইব্রাহিম বিন আল-ফাদল বিন সুলাইমান: আহমাদ বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন।
36 - ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আরআরাহ বিন আল-বারান্দ, আবু ইসহাক আল-কুরাশি: তার বর্ণিত একটি মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) হাদিসের কারণে আহমাদ তার সমালোচনা করেছেন।
37 - ইব্রাহিম বিন উইয়াইনাহ: আল-মাররুজি-এর বর্ণনায় তার বর্ণিত হাদিসগুলোকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং সেগুলোর ব্যাপারে নমনীয় মন্তব্য করেছেন।
38 - ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুনতাশির বিন আল-আজদা আল-হামদানি: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
39 - ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আবি ইয়াহইয়া সামআন আল-আসলামি, তাদের মুক্তদাস, আল-মাদানি, আবু ইসহাক: আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন: সে ছিল কাদারি, মুতাজিলি ও জাহমি; সকল প্রকার মন্দ তার মধ্যে বিদ্যমান ছিল।
আবু তালিব আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন: মানুষ তার হাদিস বর্জন করেছে; সে অন্য মানুষের হাদিস নিয়ে নিজ কিতাবে জুড়ে দিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٧)
40 - إبراهيم بن المنذر بن عبد الله بن المنذر: ذمه أحمد لكونه خلط في القرآن.
41 - إبراهيم بن ميمون: قال في رواية الميموني: لا نعرفه.
42 - إبراهيم بن مهاجر أبو إسحاق: قال أحمد: لا بأس به.
وقال إسحاق بن إبراهيم: قلت لاحمد: أيما أحب إليك إبراهيم بن مهاجر، أو أبو معشر؟ قال: أبو معشر أحب إلي.
وقال المروذي: سألته عنه: فليق أمره.
43 - إبراهيم بن ميسرة الطائفي: وثقه أحمد.
44 - إبراهيم بن يزيد الخولي: قال أحمد: متروك.
45 - إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني: قال أبو بكر الخلال: جليل جدا، كان أحمد بن حنبل يكاتبه، ويكرمه إكراما شديدا، حدثنا عنه الشيوخ المتقدمون وعنده عن أبي عبد الله جزءان مسائل.
وقال
--------------------------------------------
৪০ - ইবরাহিম বিন আল-মুনজির বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুনজির: আহমাদ তার নিন্দা করেছেন কারণ তিনি কুরআন বিষয়ে বিভ্রান্তি ঘটিয়েছিলেন।
৪১ - ইবরাহিম বিন মাইমুন: আল-মাইমুনির বর্ণনায় বলা হয়েছে: আমরা তাকে চিনি না।
৪২ - ইবরাহিম বিন মুহাজির আবু ইসহাক: আহমাদ বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
ইসহাক বিন ইবরাহিম বলেন: আমি আহমাদকে বললাম: ইবরাহিম বিন মুহাজির এবং আবু মা'শার—এই দুইজনের মধ্যে আপনার কাছে কে বেশি পছন্দনীয়? তিনি বললেন: আবু মা'শার আমার কাছে বেশি প্রিয়।
আল-মাররুজি বলেন: আমি তাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: তার অবস্থা দুর্বল।
৪৩ - ইবরাহিম বিন মাইসারা আত-তায়েফি: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
৪৪ - ইবরাহিম বিন ইয়াজিদ আল-খাওলি: আহমাদ বলেছেন: পরিত্যক্ত (মাতরুক)।
৪৫ - ইবরাহিম বিন ইয়াকুব আল-জুজজানি: আবু বকর আল-খাল্লাল বলেন: অত্যন্ত মর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব, আহমাদ বিন হাম্বল তাকে পত্র লিখতেন এবং তাকে অত্যন্ত সম্মান করতেন। আমাদের নিকট তার সূত্রে পূর্ববর্তী শায়খগণ বর্ণনা করেছেন এবং তার কাছে আবু আব্দুল্লাহর মাসআলা সম্বলিত দুই জুজ (অংশ) রয়েছে।
এবং বলা হয়েছে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٨)
ابن عدي: كان يسكن دمشق، يحدث على المنبر وكان يكاتبه أحمد بن حنبل، ويتقوى بكتابه، وبقراءته على المنبر.
46 - إبراهيم بن أبي الليث: أشكل على أحمد.
47 - إبراهيم بن موسى المروزي: قال أحمد بن حنبل: هو كذاب.
48 - إبراهيم الخوزي: قال أحمد في رواية إسحاق بن إبراهيم: متروك الحديث.
49 - أبي بن عباس: قال أحمد: منكر الحديث.
50 - أجلح بن عبد الله، أبو حجية الكندي: قال أحمد: ما أقربه من فطر.
51 - الاحوص بن حكيم: قال ابن إبراهيم: سألته عنه فقال: ضعيف لا يسوى حديثه شيئا، وقال: كان له عندي شئ فخرقته.
52 - آدم بن أبي إياس: قال أحمد كان معنا عند شعبة، وكان في الستة الذين يضبطون الحديث عنه.
--------------------------------------------
ইবনে আদি: তিনি দামেস্কে বসবাস করতেন, মিম্বারে বসে হাদিস বর্ণনা করতেন এবং আহমাদ ইবনে হাম্বল তাঁকে চিঠি লিখতেন, তাঁর কিতাবের মাধ্যমে শক্তি অর্জন করতেন এবং মিম্বারে তাঁর পাঠের মাধ্যমেও।
৪৬ - ইবরাহিম ইবনে আবিল লাইস: আহমাদের নিকট তিনি সংশয়পূর্ণ ছিলেন।
৪৭ - ইবরাহিম ইবনে মুসা আল-মারওয়াযি: আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: সে চরম মিথ্যাবাদী।
৪৮ - ইবরাহিম আল-খুযি: ইসহাক ইবনে ইবরাহিমের বর্ণনায় আহমাদ বলেছেন: তার হাদিস পরিত্যক্ত।
৪৯ - উবাই ইবনে আব্বাস: আহমাদ বলেছেন: সে মুনকারুল হাদিস (অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী)।
৫০ - আজলাহ ইবনে আব্দুল্লাহ, আবু হুজাইয়্যাহ আল-কিন্দি: আহমাদ বলেছেন: ফিতরের সাথে তার কতই না সাদৃশ্য।
৫১ - আহওয়াস ইবনে হাকিম: ইবনে ইবরাহিম বলেন: আমি তাঁকে (আহমাদকে) তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: সে দুর্বল, তার হাদিস কোনো মূল্যেরই নয়। তিনি আরও বলেন: আমার কাছে তার কিছু (লেখা) ছিল, যা আমি ছিঁড়ে ফেলেছি।
৫২ - আদম ইবনে আবি ইয়াস: আহমাদ বলেন, তিনি শু’বার মজলিসে আমাদের সাথে ছিলেন এবং তিনি সেই ছয়জন ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা শু’বার নিকট থেকে হাদিস অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সংরক্ষণ করতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ١٩)
53 - أرطاة بن المنذر بن الاسود: وثقه أحمد.
54 - أزهر بن سنان: قال المروزي: سألته عنه، فلينه.
55 - أزهر بن القاسم أبو بكر: وثقه أحمد.
56 - أسامة بن زيد بن أسلم: ضعفه أحمد.
57 - أسامة بن زيد الليثي مولاهم المدني: قال أحمد: ليس بشئ، وراجع عبد الله بن أحمد أباه فيه، فقال: إذا تدبرت حديثه، تعرف فيه النكرة.
وقال المروذي: سألته عن أسامة بن زيد، قال: الليثي أقوى من ذا يريد ابن زيد بن أسلم.
وقال في رواية الميموني: عليه عامة الناس، قد رووا عنه، إلا يحيى بن سعيد تركه، وقال الميموني: قلت له: أسامة بن زيد يروي عن القاسم؟ قال: وهذا أيضا يحتمله الناس إلا أن يحيى القطان تركه.
58 - أسباط بن نصر الهمداني: توقف فيه أحمد.
--------------------------------------------
৫৩ - আরতাহ বিন আল-মুনজির বিন আল-আসওয়াদ: আহমাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
৫৪ - আজহার বিন সিনান: আল-মারওয়াজি বলেন: আমি তাঁকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি তাঁকে দুর্বল বলেছেন।
৫৫ - আজহার বিন আল-কাসিম আবু বকর: আহমাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
৫৬ - উসামা বিন যায়েদ বিন আসলাম: আহমাদ তাঁকে দুর্বল বলেছেন।
৫৭ - উসামা বিন যায়েদ আল-লাইসি, তাঁদের আযাদকৃত দাস, আল-মাদানি: আহমাদ বলেন: তিনি কিছুই নন। আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ তাঁর পিতার কাছে এ বিষয়ে পুনরায় জানতে চাইলে তিনি বলেন: তুমি যদি তাঁর হাদিস নিয়ে চিন্তা করো, তবে তাতে মুনকার (অস্বাভাবিকতা) খুঁজে পাবে।
আল-মাররুতি বলেন: আমি তাঁকে উসামা বিন যায়েদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: আল-লাইসি এই ব্যক্তির চেয়ে বেশি শক্তিশালী, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ইবনে যায়েদ বিন আসলাম।
তিনি আল-মাইমুনির বর্ণনায় বলেন: অধিকাংশ মানুষ তাঁর উপরেই (তথা তাঁর থেকে হাদিস গ্রহণ করেন), তাঁরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ তাঁকে বর্জন করেছেন। এবং আল-মাইমুনি বলেন: আমি তাঁকে বললাম: উসামা বিন যায়েদ কি আল-কাসিম থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: এটিও মানুষ সহ্য করে (তথা গ্রহণ করে), তবে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান তাঁকে বর্জন করেছেন।
৫৮ - আসবাত বিন নাসর আল-হামদানি: আহমাদ তাঁর ব্যাপারে থমকে গেছেন (তথা কোনো সিদ্ধান্ত দেননি)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
59 - إسحاق بن إبراهيم: قال محمد بن عبد الرحمن الشامي: سئل وأنا حاضر عن إسحاق بن إبراهيم، فقال: مثل إسحاق يسأل عنه؟ إسحاق بن راهويه.
قال أحمد: ما أعلم لاسحاق بالعراق نظير، وقال إسحاق عندنا إمام من أئمة المسلمين.
وقال: إذا حدثك أبو يعقوب أمير المؤمنين بحديث فتمسك به.
قال ابن إبراهيم: قلت: إسحاق بن راهويه هو عندك إمام؟ قال: نعم، إن كثيرأ مما كان فيه، كان عندي به إماما.
وقال في رواية أبي داود الخفاف.
لم يعبر الجسر مثل إسحاق.
وقال في رواية الفضل بن عبد الله: أما إسحاق بن راهويه فلم تر مثله.
60 - إسحاق بن حازم: وثقه أحمد.
61 - إسحاق بن راشد: قال المروذي: سألته عنه، فقال: ثقة.
62 - إسحاق بن سويد: قال أحمد في رواية الميموني: ثبت.
63 - إسحاق بن عبد الله بن أبي فروة: نهى أحمد عن حديثه، وقال إبراهيم الجوزجاني: سمعت أحمد بن حنبل
--------------------------------------------
৫৯ - ইসহাক বিন ইব্রাহিম: মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আশ-শামী বলেন: আমি উপস্থিত থাকা অবস্থায় ইসহাক বিন ইব্রাহিম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: ইসহাকের মতো ব্যক্তি সম্পর্কে কি জিজ্ঞাসা করা হয়? তিনি হলেন ইসহাক বিন রাহওয়াইহ।
আহমদ বলেন: ইরাকে ইসহাকের সমকক্ষ কেউ আছে বলে আমার জানা নেই। তিনি আরও বলেন: ইসহাক আমাদের নিকট মুসলিমদের ইমামগণের মধ্যে একজন ইমাম।
তিনি আরও বলেন: যখন আমীরুল মুমিনীন আবু ইয়াকুব তোমাকে কোনো হাদিস বর্ণনা করেন, তখন তা দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো।
ইবনে ইব্রাহিম বলেন: আমি বললাম: ইসহাক বিন রাহওয়াইহ কি আপনার নিকট একজন ইমাম? তিনি বললেন: হ্যাঁ, অনেক বিষয়েই তিনি আমার নিকট ইমাম ছিলেন।
আবু দাউদ আল-খাফফাফের বর্ণনায় তিনি বলেন:
ইসহাকের মতো আর কেউ (বাগদাদের) সেতু পার হয়নি।
ফজল বিন আবদুল্লাহর বর্ণনায় তিনি বলেন: ইসহাক বিন রাহওয়াইহের কথা যদি বলি, তবে তুমি তাঁর মতো আর কাউকে দেখবে না।
৬০ - ইসহাক বিন হাজিম: আহমদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
৬১ - ইসহাক বিন রাশিদ: আল-মাররুজি বলেন: আমি তাঁকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: নির্ভরযোগ্য।
৬২ - ইসহাক বিন সুওয়াইদ: আল-মায়মুনির বর্ণনায় আহমদ বলেন: সুদৃঢ়।
৬৩ - ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবি ফারওয়াহ: আহমদ তাঁর হাদিস বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন। ইব্রাহিম আল-জুজাজানি বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢١)
يقول: لا تحل الرواية عندي عن إسحاق بن أبي فروة، وضعفه في رواية المروذي، ونفض يده، وأنكره.
64 - إسحاق بن نجيح الاسدي الملطي: قال أحمد: هو من أكذب الناس، - كذا ذكره عنه في التهذيب.
65 - إسحاق بن ناصح: قال أحمد: من أكذب الناس - كذا ذكره الذهبي في الضعفاء وذكره بعده: ابن نجيح، ولم يذكر فيه قول أحمد السابق -.
66 - إسحاق بن يحيى بن طلحة بن عبيد الله أبو محمد التيمي: قال أحمد: متروك، وقال في رواية ابن إبراهيم: ضعيف الحديث.
وقال في رواية المروذي: ليس حديثه بشئ.
67 - إسحاق بن يوسف الازرق: قيل لاحمد: أثقة هو؟ قال: إي والله.
68 - إسحاق بن الحارث الكوفي: ضعفه أحمد.
69 - إسرائيل بن يونس السبيعي: قال أحمد: كان ثقة، وكان يعجب من حفظه، وقال مرة: ثبت الحديث.
--------------------------------------------
তিনি বলেন: আমার কাছে ইসহাক বিন আবু ফারওয়া থেকে বর্ণনা করা হালাল নয়। আল-মারওয়াযীর বর্ণনায় তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন, হাত ঝেড়ে ফেলেছেন এবং তাকে অস্বীকার করেছেন।
৬৪ - ইসহাক বিন নাজিহ আল-আসাদি আল-মালতি: আহমদ বলেছেন: সে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী - এভাবেই 'তাহযীব' গ্রন্থে তার সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬৫ - ইসহাক বিন নাসিহ: আহমদ বলেছেন: সে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী - এভাবেই যাহাবী 'আদ-দুয়াফা' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি এর পরে ইবনে নাজিহ-কে উল্লেখ করেছেন, তবে সেখানে আহমদের পূর্বোক্ত কথাটি উল্লেখ করেননি।
৬৬ - ইসহাক বিন ইয়াহইয়া বিন তালহা বিন উবায়দুল্লাহ আবু মুহাম্মদ আত-তায়মি: আহমদ বলেছেন: মাতরুক (পরিত্যাজ্য)। ইবনে ইবরাহিমের বর্ণনায় তিনি বলেছেন: হাদিসে দুর্বল।
মারওয়াযীর বর্ণনায় তিনি বলেছেন: তার হাদিস কিছুই নয়।
৬৭ - ইসহাক বিন ইউসুফ আল-আযরাক: আহমদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: তিনি কি নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর কসম।
৬৮ - ইসহাক বিন আল-হারিস আল-কুফি: আহমদ তাকে দুর্বল বলেছেন।
৬৯ - ইসরাঈল বিন ইউনুস আস-সাবিঈ: আহমদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, এবং তিনি তার মুখস্থ শক্তির জন্য বিস্মিত হতেন। তিনি একবার বলেছেন: হাদিসে সুদৃঢ়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
70 - إسماعيل بن أمية: قال في رواية المروذي: إسماعيل بن أمية وأيوب بن موسى من أهل مكة، وهما ابنا عم، وكان أيوب بن موسى أنفع للناس، وكان إسماعيل أوثق منه وأثبت.
71 - إسماعيل بن أبان الوراق: وثقه أحمد.
72 - إسماعيل بن أبان الخياط: قال البخاري: تركه أحمد.
73 - إسماعيل بن علية: قال أحمد: إليه المنتهى في الثبت بالبصرة.
74 - إسماعيل بن جعفر الزرقى: وثقه أحمد.
75 - إسماعيل بن أبي خالد: قال أحمد: أصح الناس حديثا عن الشعبي.
76 - إسماعيل بن رافع المدني: ضعفه أحمد، وقال المروذي: سألته عنه فقال: ليس حديث ذا بشئ.
--------------------------------------------
৭০ - ইসমাইল বিন উমাইয়া: আল-মারওয়াযী বর্ণিত রেওয়ায়াতে তিনি বলেছেন: ইসমাইল বিন উমাইয়া এবং আইয়ুব বিন মুসা মক্কাবাসী ছিলেন এবং তারা একে অপরের চাচাতো ভাই ছিলেন। আইয়ুব বিন মুসা মানুষের জন্য বেশি উপকারী ছিলেন, আর ইসমাইল তার চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় ছিলেন।
৭১ - ইসমাইল বিন আবান আল-ওয়াররাক: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।
৭২ - ইসমাইল বিন আবান আল-খাইয়াত: বুখারী বলেছেন: আহমাদ তাকে বর্জন করেছেন।
৭৩ - ইসমাইল বিন উলাইয়্যাহ: আহমাদ বলেছেন: বসরায় সুদৃঢ় বর্ণনাকারী হিসেবে তার স্থান সবার শীর্ষে।
৭৪ - ইসমাইল বিন জাফর আল-যারকী: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।
৭৫ - ইসমাইল বিন আবি খালিদ: আহমাদ বলেছেন: আশ-শা'বী থেকে বর্ণিত হাদীসের ক্ষেত্রে তিনি সবচেয়ে বিশুদ্ধ বর্ণনাকারী।
৭৬ - ইসমাইল বিন রাফি আল-মাদানী: আহমাদ তাকে দুর্বল বলেছেন, আর আল-মারওয়াযী বলেছেন: আমি তাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: এর বর্ণিত হাদীস কিছুই নয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
77 - إسماعيل بن زكريا بن مرة أبو زياد الاسدي: قال أحمد: ما به بأس، وقال الميموني: قلت لاحمد: كيف؟ قال: أما الاحاديث المشهورة التي يرويها فهو فيها مقارب الحديث، ولكنه ليس ينشرح له الصدر.
وقال عبد الله بن أحمد عن أبيه: حديثه مقارب.
78 - إسماعيل بن سعيد الشالنجي: قال أحمد في رواية الفضل بن عبد الله: فقيه عالم.
79 - إسماعيل بن سميع الحنفي: قال أحمد: ثقة، تركه زائدة لمذهبه، وقال في رواية المروذي: ليس به بأس.
80 - إسماعيل بن أبي أويس عبد الله بن عبد الله بن أويس: قال أحمد: لا بأس به.
81 - إسماعيل بن سالم: قال أحمد في رواية المروذي: ليس به بأس.
--------------------------------------------
77 - ইসমাইল বিন জাকারিয়া বিন মুররা আবু জিয়াদ আল-আসাদি: আহমাদ বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আল-মাইমুনি বলেন: আমি আহমাদকে জিজ্ঞেস করলাম: তিনি কেমন? তিনি বললেন: তিনি যে প্রসিদ্ধ হাদিসগুলো বর্ণনা করেন, সেগুলোর ক্ষেত্রে তিনি গ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী, তবে তার ব্যাপারে অন্তর প্রশান্ত হয় না।
وقال আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন: তার হাদিস গ্রহণযোগ্য মানের।
78 - ইসমাইল বিন সাঈদ আশ-শালানজি: ফাদল বিন আব্দুল্লাহর বর্ণনায় আহমাদ বলেন: তিনি একজন ফকিহ ও আলিম।
79 - ইসমাইল বিন সামি আল-হানাফি: আহমাদ বলেন: নির্ভরযোগ্য; যায়িদা তার মতাদর্শের কারণে তাকে বর্জন করেছেন। আর মারওয়াযির বর্ণনায় তিনি বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
80 - ইসমাইল বিন আবি উওয়াইস আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উওয়াইস: আহমাদ বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
81 - ইসমাইল বিন সালিম: মারওয়াযির বর্ণনায় আহমাদ বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
82 - إسماعيل بن عياش: قال المروذي: سألته عنه فحسن روايته عن الشاميين، وقال: هو عنهم أحسن حالا مما روى عن المدنيين وغيرهم.
83 - إسماعيل أبو المنذر: قال أحمد: ربما كان يصلي حتى ترم قدماه.
84 - إسماعيل بن كثير أبو هاشم المكي: وثقه أحمد.
85 - إسماعيل بن مجالد: سئل عنه في رواية المروذي، فقال: لا أدري، قد روي عنه.
86 - إسماعيل بن مسلم البصري: قال أحمد: منكر الحديث.
87 - إسماعيل بن عبد الرحمن السدي: وثقه أحمد.
--------------------------------------------
৮২ - ইসমাইল বিন আইয়াশ: মাররুজী বলেন: আমি তাকে (ইমাম আহমাদকে) তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি শামবাসীদের (সিরিয়াবাসী) থেকে তার বর্ণিত হাদিসগুলোর প্রশংসা করেন এবং বলেন: তাদের থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি মদিনাবাসী ও অন্যদের থেকে বর্ণিত হাদিসের তুলনায় অধিক ভালো অবস্থায় আছেন।
৮৩ - ইসমাইল আবু আল-মুনজির: আহমাদ বলেন: তিনি কখনো কখনো এত অধিক সালাত আদায় করতেন যে তার পা ফুলে যেত।
৮৪ - ইসমাইল বিন কাসীর আবু হাশিম আল-মাক্কী: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
৮৫ - ইসমাইল বিন মুজালিদ: মাররুজীর বর্ণনায় তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: আমি জানি না, তবে তার থেকে হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে।
৮৬ - ইসমাইল বিন মুসলিম আল-বাসরী: আহমাদ বলেন: তিনি মুনকার আল-হাদিস (প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী)।
৮৭ - ইসমাইল বিন আব্দুর রহমান আস-সুদ্দী: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
88 - أسد بن عمرو أبو المنذر: قال أحمد: صدوق.
89 - أسود بن عامر أبو عبد الرحمن شاذان: قال أحمد: ثقة.
90 - أشعث بن سعيد، أبو الربيع، السمان: قال الامام أحمد: مضطرب ليس بذاك.
91 - أشعث بن أبي الشعثاء، سليم بن أسود المحاربي: وثقه أحمد، وقال في رواية الميموني: صالح الحديث.
92 - أشعث بن سوار، الكوفي، الافرق: ضعفه أحمد، وقال ابن إبراهيم: سألت أبا عبد الله عن أشعث الاثرم: فقال: يقال له: أشعث بن سوار، وليس هو بالقوي.
93 - أشعث بن طلق: الذي روى عن ابن عمر، قال المروذي: تكلم فيه بكلام لين.
94 - أصرم بن غياث النيسابوري: قال أحمد: منكر الحديث.
--------------------------------------------
৮৮ - আসাদ বিন আমর আবু আল-মুনজির: আহমদ বলেছেন: সদুক (সত্যবাদী)।
৮৯ - আসওয়াদ বিন আমির আবু আবদুর রহমান শাযান: আহমদ বলেছেন: সিকাহ (নির্ভরযোগ্য)।
৯০ - আশ'আস বিন সাঈদ, আবু আর-রবি, আস-সাম্মান: ইমাম আহমদ বলেছেন: মুজতারিব (বিপর্যস্ত), তিনি তেমন সবল নন।
৯১ - আশ'আস বিন আবি আশ-শা'সা, সুলাইম বিন আসওয়াদ আল-মুহারিবি: আহমদ তাকে সিকাহ বলেছেন, এবং মাইমুনির বর্ণনায় বলেছেন: সালেহুল হাদিস (উত্তম হাদিস বর্ণনাকারী)।
৯২ - আশ'আস বিন সাওয়ার, আল-কুফি, আল-আফরাক: আহমদ তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং ইবনে ইব্রাহিম বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে আশ'আস আল-আশরাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তাকে আশ'আস বিন সাওয়ার বলা হয়, এবং তিনি শক্তিশালী নন।
৯৩ - আশ'আস বিন তালক: যিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, মারওয়াযি বলেছেন: তার সম্পর্কে কিছুটা নমনীয় ভাষায় সমালোচনা করা হয়েছে।
৯৪ - আসরাম বিন গিয়াস আন-নাইসাবুরি: আহমদ বলেছেন: মুনকারুল হাদিস (অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
95 - الاغر بن الصباح: قال ابن إبراهيم: قلت له كيف هو؟ قال: ما أعلم إلا خيرا.
96 - أفلح بن حميد: قال في رواية الميموني: صالح يحتمل.
97 - إياس بن أبي تميمة: قال أحمد: ثقة.
98 - إياس بن دغفل الحارثي، البصري: قال أحمد: ثقة ثقة.
99 - إياس بن عبد الله بن أبي ذباب: قال الاثرم: قلت لابي عبد الله: إياس بن عبد الله هذا إياس بن عبد الله بن أبي ذباب؟ قال: نعم، وليست له صحبة، روى عن أهل المدينة، وذلك روى عنه أهل مكة يعني إياس بن عبد.
100 - أيوب بن جابر بن سيار اليمامي: قال أحمد: حديثه يشبه حديث أهل الصدق.
وقال في رواية المروذي: حدثني بعض أصحابنا عن عيسى بن يونس، أنه كان يرميه بالكذب، قيل له: فإيش كان حاله إيش أنكروا عليه؟ ؟ قال: رأوا لحوقا في كتابه.
101 - أيوب بن سويد الرملي: ضعفوه.
--------------------------------------------
৯৫ - আল-আগার ইবনে আস-সাবাহ: ইবনে ইবরাহিম বলেন: আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কেমন? তিনি বললেন: আমি তার সম্পর্কে কল্যাণ ছাড়া আর কিছুই জানি না।
৯৬ - আফলাহ ইবনে হুমাইদ: আল-মাইমুনি-র বর্ণনায় তিনি বলেছেন: তিনি সৎ এবং তার হাদিস গ্রহণযোগ্য।
৯৭ - ইয়াস ইবনে আবি তামিমা: আহমাদ বলেন: নির্ভরযোগ্য।
৯৮ - ইয়াস ইবনে দাগফাল আল-হারিছি, আল-বাসরি: আহমাদ বলেন: নির্ভরযোগ্য, নির্ভরযোগ্য।
৯৯ - ইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি জুবাব: আল-আছরাম বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: এই ইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ কি ইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি জুবাব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি সাহাবী ছিলেন না, তিনি মদিনার অধিবাসীদের থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং মক্কার অধিবাসীরা তার থেকে বর্ণনা করেছে, অর্থাৎ ইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ।
১০০ - আইয়ুব ইবনে জাবির ইবনে সাইয়্যার আল-ইয়ামামি: আহমাদ বলেন: তার বর্ণিত হাদিস সত্যবাদীদের হাদিসের সদৃশ।
এবং আল-মারওয়াযি-র বর্ণনায় তিনি বলেছেন: আমাদের জনৈক সাথী আমার কাছে ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাকে মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করতেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: তবে তার অবস্থা কী ছিল এবং তারা তার কোন বিষয়টি অস্বীকার করত? তিনি বললেন: তারা তার কিতাবে পরবর্তী সংযোজন দেখেছিল।
১০১ - আইয়ুব ইবনে সুওয়াইদ আর-রামলি: তারা তাকে দুর্বল বলেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
102 - أيوب بن بشير العدوي: قال في رواية المروذي: لا أعرفه.
103 - أيوب بن عتبة اليمامي، قاض اليمامة: ضعفه أحمد، وقال مرة: ثقة لا يقيم حديث يحيى بن أبي كثير.
104 - أيوب بن خالد بن صدقة الانصاري: قال في رواية المروذي: لا أعرفه.
105 - أيوب بن مسكين أو ابن أبي مسكين أبو العلاء: وثقه أحمد، وقال: كان مفتي أهل واسط.
106 - أيوب بن موسى القرشي: قال في رواية المروذي: ثقة.
107 - أيوب بن موسى بن عمرو بن سعيد بن العاصي: قال أحمد: ثقة، وكان فقيها، مفتيا، كبير القدر، وقال: مات، قبل المسودة أو قال: قتلته المسودة.
(حرف الباء)108 - بحير بن سعد أبو خالد السحولي: قال الامام أحمد: ليس بالشام أثبت من حريز، إلا أن يكون بحير.
109 - بحر السقاء: قال ابن إبراهيم: سئل عن حسن وعن بحر السقاء فقال: حسن أحب إلي وأصح حديثا.
--------------------------------------------
১০২ - আইয়ুব ইবনে বশির আল-আদাবি: আল-মাররুযির বর্ণনায় তিনি বলেছেন: আমি তাকে চিনি না।
১০৩ - আইয়ুব ইবনে উতবা আল-ইয়ামামি, ইয়ামামার বিচারক: আহমাদ তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং একবার বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য তবে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসিরের হাদিস সঠিকভাবে বর্ণনা করতে পারেন না।
১০৪ - আইয়ুব ইবনে খালিদ ইবনে সাদাকা আল-আনসারি: আল-মাররুযির বর্ণনায় তিনি বলেছেন: আমি তাকে চিনি না।
১০৫ - আইয়ুব ইবনে মিসকিন অথবা ইবনে আবি মিসকিন আবু আল-আলা: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং বলেছেন: তিনি ওয়াসিতবাসীদের মুফতি ছিলেন।
১০৬ - আইয়ুব ইবনে মুসা আল-কুরাশি: আল-মাররুযির বর্ণনায় তিনি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য।
১০৭ - আইয়ুব ইবনে মুসা ইবনে আমর ইবনে সাইদ ইবনুল আস: আহমাদ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, এবং তিনি ফকিহ, মুফতি ও উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ছিলেন। তিনি আরও বলেছেন: তিনি আল-মুসাউয়িদার (আব্বাসীয় কালো পতাকাবাহীদের) আগে মারা গেছেন অথবা বলেছেন: আল-মুসাউয়িদা তাকে হত্যা করেছে।
(বা অক্ষর)১০৮ - বুহাইর ইবনে সাদ আবু খালিদ আস-সুহুলি: ইমাম আহমাদ বলেছেন: সিরিয়াতে হারিজের চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য কেউ নেই, যদি না সে বুহাইর হয়।
১০৯ - বাহর আস-সাক্কা: ইবনে ইব্রাহিম বলেছেন: তাকে হাসান এবং বাহর আস-সাক্কা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: হাসান আমার নিকট অধিক প্রিয় এবং তার হাদিস অধিক বিশুদ্ধ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
110 - البراء بن عبد الله بن يزيد الغنوي، البصري: ضعفه أحمد.
111 - بشار بن موسى الخفاف: قال أبو داود: كان أحمد حسن الرأي فيه.
112 - بشر بن رافع الحارثي: قال في رواية الميموني: ما أراه قويا في الحديث.
113 - بشر بن الحارث: قال أحمد: لو تزوج كان قد تم أمره، وقال محمد بن أحمد المثنى: قلت لاحمد: ما تقول في بشر، فقال سألتني عن رابع سبعة من الابدال.
وقال الحسن بن الليث: قيل لاحمد يجيئك بشر يعنون ابن الحارث،، فقال: لا تعنون الشيخ نحن أحق أن نذهب إليه.
قيل له: نجئ به؟ قال: لا، أكره أن يجئ إلي أو أذهب إليه، فيتصنع لي أو يتصنع له، فنهلك.
114 - بشر بن حرب أبو عمرو: قال أحمد: ليس بقوي.
وقال المروذي: سألته عن بشر بن حرب، فقال: نحن صيام وضعفه.
115 - بشر بن السري: قال في رواية المروذي: ثبت.
--------------------------------------------
১১০ - আল-বারা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-গানাওয়ী, আল-বাসরি: আহমাদ তাকে দুর্বল বলেছেন।
১১১ - বাশার ইবনে মুসা আল-খাফফাফ: আবু দাউদ বলেছেন: আহমাদ তার সম্পর্কে ভালো ধারণা পোষণ করতেন।
১১২ - বিশর ইবনে রাফে আল-হারিসি: আল-মায়মুনির বর্ণনায় তিনি বলেছেন: আমি তাকে হাদিসে শক্তিশালী মনে করি না।
১১৩ - বিশর ইবনে আল-হারিস: আহমাদ বলেছেন: যদি তিনি বিয়ে করতেন তবে তার বিষয়টি পূর্ণতা পেত। মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-মুসান্না বলেছেন: আমি আহমাদকে বললাম: বিশর সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: তুমি আমাকে আবদালগণের সাতজনের মধ্যে চতুর্থজন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ।
আল-হাসান ইবনে আল-লাইস বলেছেন: আহমাদকে বলা হলো বিশর (অর্থাৎ ইবনে আল-হারিস) আপনার কাছে আসতে চান, তিনি বললেন: শায়খকে কষ্ট দিও না, বরং আমাদেরই তার কাছে যাওয়া বেশি উচিত।
তাকে বলা হলো: আমরা কি তাকে নিয়ে আসব? তিনি বললেন: না, আমি অপছন্দ করি যে তিনি আমার কাছে আসুন অথবা আমি তার কাছে যাই, ফলে তিনি আমার জন্য লৌকিকতা করবেন অথবা আমি তার জন্য লৌকিকতা করব, আর আমরা ধ্বংস হয়ে যাব।
১১৪ - বিশর ইবনে হারব আবু আমর: আহমাদ বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন।
আল-মাররুজি বলেছেন: আমি তাকে বিশর ইবনে হারব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন: আমরা রোজা রেখেছি (অর্থাৎ গিবত পরিহার করছি) এবং তাকে দুর্বল বললেন।
১১৫ - বিশর ইবনে আস-সাররি: আল-মাররুজি’র বর্ণনায় তিনি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
116 - بشر بن رافع ابو الاسباط الحارثي: قال أحمد: ضعيف.
117 - بشر بن المفضل الرقاشي البصري: قال أحمد: إليه المنتهى في الثبت بالبصرة.
وقال ابن إبراهيم: قيل لابي عبد الله: بشر بن المفضل؟ فقال: ثقة، ثقة.
118 - بشر بن منصور البصري: قال أحمد: ثقة، وزيادة.
119 - بشر بن نمير: قال أحمد: ترك الناس حديثه.
وقال في رواية محمد بن سهل: بشر بن نمير أسوأ حالا من يحيى بن العلاء: كذاب، رافضي، يضع الحديث.
وقال في رواية عبيد الله بن أحمد الحلبي - وقد سأله رجل عن حديث من حديث بشر بن نمير - فقال: لا تذكر الكذابين.
120 - بشير بن سلمان أبو إسماعيل الكندي: وثقه أحمد.
121 - بشير بن المهاجر الغنوي: قال أحمد: منكر الحديث يجئ بالعجب.
122 - بشير بن ميمون الخراساني: قال أحمد: ليس بشئ وقد كتبت عنه فلم نرو عنه.
--------------------------------------------
১১৬ - বিশর বিন রাফি আবু আল-আসবাত আল-হারিসি: আহমাদ বলেছেন: যয়ীফ (দুর্বল)।
১১৭ - বিশর বিন আল-মুফাদদাল আর-রাকাশি আল-বাসরি: আহমাদ বলেছেন: নির্ভরযোগ্যতার চচূড়ান্ত শিখর হিসেবে তাকে বসরায় গণ্য করা হয়।
ইবনে ইব্রাহিম বলেন: আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: বিশর বিন আল-মুফাদদাল সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: নির্ভরযোগ্য (সিক্বাহ), নির্ভরযোগ্য (সিক্বাহ)।
১১৮ - বিশর বিন মানসুর আল-বাসরি: আহমাদ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (সিক্বাহ), এবং তার চেয়েও ঊর্ধ্বে।
১১৯ - বিশর বিন নুমায়র: আহমাদ বলেছেন: জনগণ তার হাদিস বর্জন করেছে।
মুহাম্মদ বিন সহলের বর্ণনায় তিনি বলেছেন: বিশর বিন নুমায়রের অবস্থা ইয়াহইয়া বিন আল-আলার চেয়েও জঘন্য: সে একজন চরম মিথ্যাবাদী, রাফেযি এবং হাদিস জালকারী।
উবাইদুল্লাহ বিন আহমাদ আল-হালাবির বর্ণনায় আছে - এক ব্যক্তি তাকে বিশর বিন নুমায়রের একটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: মিথ্যাবাদীদের নাম উল্লেখ করো না।
১২০ - বাশির বিন সালমান আবু ইসমাইল আল-কিন্দি: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য (সিক্বাহ) বলেছেন।
১২১ - বাশির বিন আল-মুহাজির আল-গানাওয়ি: আহমাদ বলেছেন: সে মুনকারুল হাদিস (অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী), সে অদ্ভুত সব বর্ণনা নিয়ে আসে।
১২২ - বাশির বিন মাইমুন আল-খুরাসানি: আহমাদ বলেছেন: সে কিছুই নয় (মূল্যহীন); আমি তার থেকে লিখেছিলাম কিন্তু আমরা তার থেকে বর্ণনা করি না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
123 - بقية بن الوليد الكلاعي: قال أحمد: بقية أحب إلي من إسماعيل بن عياش.
وقال أيضا: له مناكير عن الثقات.
124 - بكر بن مضر بن محمد البصري مولى شر حبيل: وثقه أحمد.
125 - بكير بن معروف الاسدي: روى البخاري وغيره عن أحمد، قال: ما به بأس.
126 - بهز بن أسد العمي: قال أحمد: إليه المنتهى في التثبيت.
وقال ابن إبراهيم: سمعته يقول: كان بهز بن أسد من أسرع الناس خطأ، كان يكتب عند شعبة، وكان عفان معه نسخة يسمع فيها، فكان عفان يجئ بأخبار وحديث، وكان ربما سقط على بهز من خفة يده.
قال: وسمعته يقول: ما رأيت في بيت بهز شيئا أحسن من كتبه، وكان في بيته قماش، لو رميت به في الطريق، لم يكن يؤخذ من الفقر الذي كان به.
وسئل في رواية المروذي: أيهما أثبت بهز أو سليمان بن حرب؟ فقال: بهز أثبت، أين يقاس سليمان من بهز.
127 - بلال بن سعد: قال في رواية الميموني: رجل صالح.
128 - بيان بن بشر الاحمسي: قال أحمد: ثقة.
--------------------------------------------
১২৩ - বাকিয়্যাহ ইবনে আল-ওয়ালিদ আল-কিলাঈ: আহমাদ বলেন: বাকিয়্যাহ আমার কাছে ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ অপেক্ষা অধিক প্রিয়।
তিনি আরও বলেন: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতিতে তাঁর কিছু আপত্তিকর (মুনকার) বর্ণনা রয়েছে।
১২৪ - বাকর ইবনে মুদার ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাসরি, শুরাহবিলের মুক্তদাস: আহমাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
১২৫ - বুকাইর ইবনে মা’রুফ আল-আসাদি: বুখারি এবং অন্যান্যরা আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
১২৬ - বাহজ ইবনে আসাদ আল-আম্মি: আহমাদ বলেন: দৃঢ়তা ও নির্ভুলতার ক্ষেত্রে তিনি চূড়ান্ত পর্যায়ের।
ইবনে ইবরাহিম বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: বাহজ ইবনে আসাদ লেখার ক্ষেত্রে দ্রুততম ব্যক্তিদের একজন ছিলেন, তিনি শু’বাহর নিকট লিখতেন। আফফানের কাছে একটি পাণ্ডুলিপি থাকত যা থেকে তিনি শুনতেন, আফফান বিভিন্ন সংবাদ ও হাদিস নিয়ে আসতেন, আর হাতের দ্রুততার কারণে মাঝে মাঝে বাহজের থেকে কিছু বাদ পড়ে যেত।
তিনি বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: আমি বাহজের ঘরে তাঁর কিতাবগুলোর চেয়ে সুন্দর আর কিছু দেখিনি। তাঁর ঘরে কিছু আসবাবপত্র ছিল, যা যদি রাস্তায় ফেলে দেওয়া হতো, তবে তাঁর চরম দারিদ্র্যের কারণে কেউ তা কুড়িয়ে নিত না।
মাররুজির বর্ণনায় জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: বাহজ এবং সুলাইমান ইবনে হারব—এই দুজনের মধ্যে কে বেশি নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: বাহজ অধিক নির্ভরযোগ্য; বাহজের সাথে সুলাইমানের তুলনা কোথায়!
১২৭ - বিলাল ইবনে সাদ: আল-মাইমুনির বর্ণনায় তিনি বলেছেন: এক নেককার ব্যক্তি।
১২৮ - বায়ান ইবনে বিশর আল-হমাসি: আহমাদ বলেন: নির্ভরযোগ্য।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
বাহরুদ দাম ফীমান তাকাল্লামা ফীহিল ইমামু আহমাদ বি-মাদহিন আও যাম্মিন
(পৃষ্ঠা: ٣١)
وقال ابن إبراهيم: قلت لاحمد: أيما أحب إليك بيان أو فراس؟ قال: ما فيهما إلا ثقة.
(حرف التاء)129 - تليد بن سليمان المحاربي: وثقه أحمد.
وقال في رواية المروذي: كان مذهبه التشيع، قال: ولم ير به بأسا.
130 - تمام بن نجيح: سأله المروذي: ما حاله؟ قال: لا أدري.
(حرف الثاء)131 - ثابت البناني: وثقه أحمد، وقال أيضا: كان ثبتا في الحديث، وكان يقص، وكان قتادة يقص.
قال ابن إبراهيم: سئل هل سمع ثابت البناني من عبد الله بن مغفل؟ قال: ما أرى سمع منه شيئا.
قال: قلت له: ثابت البناني سمع من ابن عمر؟ قال: نعم، وقد سمع من ابن الزبير أيضا.
132 - ثابت بن أبي صفية دينار: قال أحمد: ليس بشئ.
--------------------------------------------
এবং ইবনে ইব্রাহিম বলেন: আমি আহমাদকে বললাম: বায়ান নাকি ফিরাস—আপনার কাছে কোনটি অধিক প্রিয়? তিনি বললেন: তাদের উভয়ের মধ্যেই নির্ভরযোগ্যতা ছাড়া আর কিছু নেই।
(তা বর্ণ)১২৯ - তালিদ বিন সুলাইমান আল-মুহারিবি: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
এবং আল-মাররুযির বর্ণনায় তিনি বলেন: তার মাযহাব ছিল শিয়া মতাদর্শী; তিনি আরও বলেন: এতে তিনি কোনো সমস্যা দেখেননি।
১৩০ - তাম্মাম বিন নাজিহ: আল-মাররুযি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তার অবস্থা কেমন? তিনি বললেন: আমি জানি না।
(সা বর্ণ)১৩১ - সাবিত আল-বুনানি: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং আরও বলেছেন: তিনি হাদিসে সুদৃঢ় ছিলেন এবং তিনি উপদেশমূলক কথা শোনাতেন, আর কাতাদাহ-ও উপদেশমূলক কথা শোনাতেন।
ইবনে ইব্রাহিম বলেন: তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, সাবিত আল-বুনানি কি আবদুল্লাহ বিন মুগাফফাল থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: আমি মনে করি না যে তিনি তার থেকে কিছু শুনেছেন।
তিনি বলেন: আমি তাকে বললাম: সাবিত আল-বুনানি কি ইবনে উমর থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং তিনি ইবনে আল-যুবায়ের থেকেও শুনেছেন।
১৩২ - সাবিত বিন আবি সাফিয়্যাহ দিনার: আহমাদ বলেছেন: তিনি গুরুত্বহীন।
--------------------------------------------