(খণ্ড: ১) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
تهذيب التهذيب - ط الهندية   (ابن حجر العسقلاني)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: تهذيب التهذيب

المؤلف: شهاب الدين أبو الفضل أحمد بن علي بن حجر العسقلاني (ت 852 هـ)

الناشر: مطبعة دائرة المعارف النظامية، حيدرآباد الدكن - الهند

الطبعة: الأولى، 1325 - 1327 هـ

عدد الأجزاء: 12

تنبيه: هذه النسخة الإلكترونية (تامّة)؛ خلافا لكثير من النُسَخ الإلكترونية لهذه الطبعة

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তাহযীবুত তাহযীব - ভারতীয় সংস্করণ   (ইবনে হাজার আল-আসকালানী)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


গ্রন্থ: তাহযীবুত তাহযীব

লেখক: শিহাবুদ্দীন আবুল ফজল আহমদ ইবনে আলী ইবনে হাজার আল-আসকালানী (মৃত্যু: ৮৫২ হিজরি)

প্রকাশক: দাইরাতুল মাআরিফ আন-নিযামিয়া প্রেস, হায়দ্রাবাদ দাক্ষিণাত্য - ভারত

সংস্করণ: প্রথম, ১৩২৫ - ১৩২৭ হিজরি

খণ্ড সংখ্যা: ১২

সতর্কবার্তা: এই ডিজিটাল সংস্করণটি (পূর্ণাঙ্গ); যা এই মুদ্রণের অন্যান্য অনেক ডিজিটাল সংস্করণের বিপরীত

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١)
الحمد لله الذي وفقنا ويسر لنا طبع

(الجزء الأول)

*من كتاب*

تهذيب التهذيب

 

للإمام الحافظ الحجة شيخ الإسلام شهاب الدين أبي الفضل أحمد بن علي بن حجر العسقلاني المتوفى سنة 852 رحمه الله تعالى

بمنه وكرمه آمين.

 

ومن تصانيفه:

• في الحديث: فتح البارى شرح صحيح البخارى

• وفي أسماء الرجال: لسان الميزان وتعجيل المنفعة برجال الأربعة وتقريب التهذيب والإصابة في تمييز الصحابة وتبصير المنتبه وتجريد أسماء الضعفاء والدرر الكامنة في أعيان المائة الثامنة

 

(الطبعة الأولى)

بمطبعة مجلس دائرة المعارف النظامية الكائنة فى الهند بمحروسة حيدرآباد الدكن عمرها الله إلى أقصى الزمن

سنة (1325) هجرية
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের তাওফিক দিয়েছেন এবং আমাদের জন্য মুদ্রণ সহজ করেছেন

(প্রথম খণ্ড)

*গ্রন্থ হতে*

তাহযীবুত তাহযীব

 

ইমাম, হাফিয, হুজ্জাত, শাইখুল ইসলাম শিহাবুদ্দীন আবুল ফযল আহমদ ইবনে আলী ইবনে হাজার আল-আসকালানী (মৃত্যু ৮৫২ হিজরী), আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন

তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায়, আমীন।

 

এবং তাঁর রচনাবলির অন্তর্ভুক্ত:

• হাদীস শাস্ত্রে: ফাতহুল বারী শারহু সহীহিল বুখারী

• আসমাউর রিজাল (বর্ণনাকারীদের জীবনী) শাস্ত্রে: লিসানুল মীযান, তা'জীলুল মানফায়াহ বি-রিজালিল আরবা'আহ, তাকরীবুত তাহযীব, আল-ইসাবাহ ফী তামীযিস সাহাবাহ, তাবসীরুল মুনতাব্বিহ, তাজরীদু আসমায়িদ দু'আফা এবং আদ-দুরাহ আল-কামিনাহ ফী আ'য়ানিল মায়াতিস সামিনাহ

 

(প্রথম সংস্করণ)

ভারতের সুরক্ষিত হায়দ্রাবাদ ডেকানে অবস্থিত মাজলিসু দায়িরাতিল মা'আরিফ আন-নিযামিইয়াহ প্রেস হতে মুদ্রিত, আল্লাহ একে মহাকাল পর্যন্ত আবাদ রাখুন

১৩২৫ হিজরী সাল
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الذي تفرد بالبقاء والكمال. وقسم بين عباده الأرزاق والآجال.

وجعلهم شعوبا وقبائل ليتعارفوا. وملوكا وسوقة ليتناصفوا.

وبعث الرسل مبشرين ومنذرين لئلا يكون للناس على الله حجة. وختمهم بخيرته من خليقته السالك بتأييده الطريق المستقيم على المحجة. وأشهد أن لا إله إلا الله على الإطلاق. وأشهد أن محمدا عبده ورسوله المبعوث إلى أهل الآفاق. المنعوت بتهذيب الأخلاق ومكارم الأعراق. صلى الله عليه وسلم وعلى آله وصحبه صلاة وسلاما متعاقبين إلى يوم التلاق*

(أما بعد) فإن كتاب (الكمال في أسماء الرجال) الذي ألفه الحافظ الكبير أبو محمد عبد الغني بن عبد الواحد بن سرور المقدسي وهذبه الحافظ الشهير أبو الحجاج يوسف بن الزكي المزي من أجل المصنفات في معرفة حملة الآثار وضعا. وأعظم المؤلفات في بصائر ذوي الألباب وقعا. ولا سيما التهذيب
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি স্থায়িত্ব ও পূর্ণতায় একক এবং যিনি তাঁর বান্দাদের মাঝে রিযিক ও আয়ু বণ্টন করেছেন।

তিনি তাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছেন যাতে তারা পরস্পর পরিচিত হতে পারে এবং তাদের রাজা ও প্রজা বানিয়েছেন যাতে তারা একে অপরের সাথে ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ করে।

তিনি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে রাসূলগণকে প্রেরণ করেছেন যাতে আল্লাহর বিরুদ্ধে মানুষের কোনো অজুহাত না থাকে। আর তিনি তাঁদের সমাপ্তি ঘটিয়েছেন তাঁর সৃষ্টির মধ্য থেকে মনোনীত শ্রেষ্ঠ সত্তার মাধ্যমে, যিনি আল্লাহর সহায়তায় সুস্পষ্ট ও সরল পথে পরিচালিত। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিরঙ্কুশভাবে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে জগতের সকল প্রান্তের মানুষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি পরিশীলিত চরিত্র ও মহান বংশীয় বৈশিষ্ট্যের গুণে গুণান্বিত। তাঁর প্রতি এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর কিয়ামত দিবস পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

(অতঃপর) নিশ্চয়ই 'আল-কামাল ফি আসমাইর রিজাল' নামক গ্রন্থটি, যা রচনা করেছেন মহান হাফেজ আবু মুহাম্মদ আবদুল গনি ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে সুরূর আল-মাকদিসী এবং যা পরিমার্জন করেছেন সুপ্রসিদ্ধ হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে আজ-জাকি আল-মিযযী; এটি সংকলনশৈলীর বিচারে হাদীস বর্ণনাকারীদের পরিচিতি বিষয়ক গ্রন্থরাজির মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রজ্ঞাবানদের নিকট অত্যন্ত প্রভাবশালী ও মহান একটি রচনা, বিশেষ করে এই 'তাহযীব' (পরিমার্জিত সংস্করণটি)।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٣)
فهو الذي وفق بين اسم الكتاب ومسماه. وألف بين لفظه ومعناه. بيدانه أطال وأطاب. ووجد مكان القول ذا سعة فقال وأصاب. ولكن قصرت الهمم عن تحصيله لطوله فاقتصر بعض الناس على الكشف من الكاشف الذي اختصره منه الحافظ أبو عبد الله الذهبي. ولما نظرت في هذه الكتب وجدت تراجم (الكاشف) إنما هي كالعنوان تتشوق النفوس إلى الاطلاع على ما وراءه ثم رأيت للذهبي كتابا سماه (تذهيب التهذيب) أطال فيه العبارة ولم يعد ما في التهذيب غالبا وإن زاد ففي بعض الأحايين وفيات بالظن والتخمين. أو مناقب لبعض المترجمين. مع إهمال كثير من التوثيق والتجريح. اللذين عليهما مدار التضعيف والتصحيح. هذا وفي التهذيب عدد من الأسماء لم يعرف الشيخ بشيء من أحوالهم بل لا يزيد على قوله رُوي عن فلان روى عنه فلان. أخرج له فلان. وهذا لا يروي الغلة. ولا يشفي العلة. فاستخرت الله تعالى في اختصار التهذيب على طريقة أرجو الله أن تكون مستقيمة وهو أنني اقتصر على ما يفيد الجرح والتعديل خاصة وأحذف منه ما أطال به الكتاب من الأحاديث التي يخرجها من مروياته العالية من الموافقات والأبدال وغير ذلك من أنواع العلو فإن ذلك بالمعاجم والمشيخات أشبه منه بموضوع الكتاب وإن كان لا يلحق المؤلف من ذلك عاب(1) حاشا وكلا بل هو والله العديم النظير. المطلع النحرير. لكن العمر يسير. والزمان قصير. فحذفت هذا جملة وهو نحو ثلث الكتاب ثم إن الشيخ رحمه الله قصد استيعاب شيوخ صاحب الترجمة واستيعاب

--------------------------------------------

(1) العيب والعاب العار 12 قاموس
তিনিই সেই সত্তা যিনি গ্রন্থের নাম ও নামীয় বিষয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করেছেন এবং এর শব্দ ও অর্থের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়েছেন। তবে তিনি বিষয়টিকে দীর্ঘায়িত ও সুন্দর করেছেন। আলোচনার প্রশস্ত ক্ষেত্র পেয়ে তিনি দীর্ঘ আলোচনা করেছেন এবং সঠিক সিদ্ধান্তেই উপনীত হয়েছেন। কিন্তু এর দীর্ঘতার কারণে তা আয়ত্ত করার ব্যাপারে মানুষের সংকল্প সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে কিছু মানুষ কেবল 'আল-কাশেফ' গ্রন্থের ওপর নির্ভর করেছে, যা হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ আয-যাহাবি এটি থেকে সংক্ষেপ করেছেন। আমি যখন এই গ্রন্থগুলো পর্যবেক্ষণ করলাম, তখন দেখলাম যে 'আল-কাশেফ'-এর জীবনীগুলো অনেকটা শিরোনামের মতো, যা এর অন্তরালে কী আছে তা জানার জন্য মনকে উৎসুক করে তোলে। অতঃপর আমি আয-যাহাবির 'তাযহিবুত তাহযিব' নামক একটি গ্রন্থ দেখলাম, যেখানে তিনি বর্ণনা দীর্ঘ করেছেন, তবে সাধারণত 'আত-তাহযিব'-এ যা আছে তার বাইরে যাননি। যদি কিছু বাড়িয়ে থাকেন, তবে তা মাঝেমধ্যে ধারণা ও অনুমানের ভিত্তিতে মৃত্যুর তারিখ সংক্রান্ত তথ্য, অথবা কিছু জীবনীকারের গুণাবলি বর্ণনা; অথচ তিনি নির্ভরযোগ্যতা যাচাই (তাউসিক) ও ত্রুটি অন্বেষণ (তাজরিহ)-এর অনেক কিছু উপেক্ষা করেছেন, যে দুটির ওপর হাদিস দুর্বল বা সহিহ হওয়ার বিষয়টি আবর্তিত হয়। এছাড়া 'আত-তাহযিব'-এ এমন কিছু নাম রয়েছে যাদের অবস্থা সম্পর্কে শায়খ কিছুই উল্লেখ করেননি; বরং তিনি কেবল এটুকু বলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন যে, 'অমুক থেকে বর্ণনা করা হয়েছে, অমুক তার থেকে বর্ণনা করেছেন, অমুক তার হাদিস উদ্ধৃত করেছেন'। এটি তৃষ্ণা মেটায় না এবং রোগও সারায় না। তাই আমি 'আত-তাহযিব' গ্রন্থটিকে এমন এক পদ্ধতিতে সংক্ষেপ করার ব্যাপারে মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করেছি, যা সঠিক হবে বলে আমি আশা করি। আর তা হলো, আমি কেবল 'জারহ ও তাদিল' (ত্রুটি ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই) সংক্রান্ত বিশেষ উপকারী তথ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকব এবং গ্রন্থটি থেকে সেই সব দীর্ঘ হাদিসগুলো বাদ দেব যা তিনি তার উচ্চ সনদসম্বলিত বর্ণনা—যেমন মুয়াফাকাত, আবদাল এবং অন্যান্য প্রকারের উচ্চ সনদ—থেকে উদ্ধৃত করেছেন। কারণ এগুলো এই গ্রন্থের মূল বিষয়ের চেয়ে 'মু'জাম' ও 'মাশয়াখাত' গ্রন্থের সাথেই অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। যদিও এর কারণে লেখকের কোনো দোষ(১) হয় না—কখনোই না! বরং আল্লাহর কসম, তিনি অতুলনীয় এবং প্রাজ্ঞ পণ্ডিত। কিন্তু জীবন সংক্ষিপ্ত এবং সময় অল্প। তাই আমি এই অংশগুলো পুরোপুরি বাদ দিয়েছি, যা গ্রন্থের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এরপর শায়খ (রহিমাহুল্লাহ) জীবনী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শিক্ষকদের এবং... পূর্ণাঙ্গভাবে উল্লেখ করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন।

--------------------------------------------

(১) আল-আইব ও আল-আব অর্থ হলো কলঙ্ক। ১২, কামুস।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٤)
الرواة عنه ورتب ذلك على حروف المعجم في كل ترجمة وحصل من ذلك على الأكثر لكنه شيء لا سبيل إلى استيعابه ولا حصره وسببه انتشار الروايات وكثرتها وتشعبها وسعتها فوجد المتعنت بذلك سبيلا إلى الاستدراك على الشيخ بما لا فائدة فيه جليلة ولا طائلة فإن أجل فائدة في ذلك هو في شيء واحد وهو إذا اشتهر أن الرجل لم يرو عنه إلا واحد فإذا ظفر المفيد له براو آخر أفاد رفع جهالة عين ذلك الرجل برواية راويين عنه فتتبع مثل ذلك والتنقيب عليه مهم وأما إذا جئنا إلى مثل سفيان الثوري وأبي داود الطيالسي ومحمد بن إسماعيل وأبي زرعة الرازي ويعقوب بن سفيان وغير هؤلاء ممن زاد عدد شيوخهم على الألف فأردنا استيعاب ذلك تعذر علينا غاية التعذر فإن اقتصرنا على الأكثر والأشهر بطل ادعاء الاستيعاب ولا سيما إذا نظرنا إلى ما روى لنا عن من لا يدفع قوله أن يحيى بن سعيد الأنصاري راوي حديث الأعمال حدث به عنه سبعمائة نفس وهذه الحكاية ممكنة عقلا ونقلا لكن لو أردنا أن نتبع من روى عن يحيى بن سعيد فضلا عن من روى هذا الحديث الخاص عنه لما وجدنا هذا القدر ولا ما يقاربه فاقتصرت من شيوخ الرجل ومن الرواة عنه إذا كان مكثرا على الأشهر والأحفظ والمعروف فإن كانت الترجمة قصيرة لم أحذف منها شيئا في الغالب وإن كانت متوسطة اقتصرت على ذكر الشيوخ والرواة الذين عليهم رقم في الغالب. وانى كانت طويلة اقتصرت على من عليه رقم الشيخين مع ذكر جماعة غيرهم ولا أعدل عن ذلك إلا لمصلحة

তাঁর থেকে যারা বর্ণনা করেছেন এবং প্রতিটি জীবনীতে অভিধানের বর্ণানুক্রমে তা বিন্যস্ত করা হয়েছে; এর মাধ্যমে অধিকাংশ বর্ণনা সংগৃহীত হয়েছে, কিন্তু এটি এমন একটি বিষয় যা পূর্ণাঙ্গভাবে আয়ত্ত করা বা সীমাবদ্ধ করা সম্ভব নয়। এর কারণ হলো বর্ণনাসমূহের ব্যাপক বিস্তার, আধিক্য, শাখা-প্রশাখা এবং বিস্তৃতি। ফলে খুঁতখুঁতে সমালোচক শাইখের ভুল ধরার এমন সুযোগ পেয়ে যায় যাতে মহান কোনো উপকার বা বিশেষ গুরুত্ব নেই। কেননা এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উপকারটি মাত্র একটি বিষয়ে নিহিত; আর তা হলো—যখন এটি প্রসিদ্ধ হয় যে কোনো ব্যক্তির নিকট থেকে মাত্র একজন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, এমতাবস্থায় গবেষক যদি অন্য একজন রাবি খুঁজে পান, তবে দুইজন রাবির বর্ণনার মাধ্যমে ঐ ব্যক্তির সত্তাগত অজ্ঞাত অবস্থা (জাহালাতে আইন) দূর করার ফায়দা পাওয়া যায়। তাই এই জাতীয় বিষয়গুলোর অনুধাবন ও অনুসন্ধান করা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যখন আমরা সুফিয়ান সাওরি, আবু দাউদ তায়ালিসি, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল, আবু যুরআ আর-রাজি, ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান এবং তাঁদের মতো অন্যান্যদের প্রসঙ্গে আসি—যাঁদের উস্তাদদের সংখ্যা এক হাজারেরও বেশি—এবং আমরা যদি তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিতে চাই, তবে তা আমাদের জন্য চূড়ান্তভাবে দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় যদি আমরা কেবল অধিকাংশ ও প্রসিদ্ধদের বর্ণনার ওপর সীমাবদ্ধ থাকি, তবে পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহের দাবিটি আর টেকে না। বিশেষ করে যখন আমরা এমন ব্যক্তির বর্ণনার দিকে লক্ষ্য করি যাঁর কথা প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ নেই যে, আমল বিষয়ক হাদিসের বর্ণনাকারী ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আনসারি থেকে সাতশত জন ব্যক্তি সেই হাদিস বর্ণনা করেছেন। আর এই ঘটনাটি যুক্তি ও ঐতিহ্যের বিচারে সম্ভবপর। কিন্তু আমরা যদি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনাকারীদের অনুসরণ করতে চাই—এমনকি শুধু তাঁর কাছ থেকে বর্ণিত এই নির্দিষ্ট হাদিসটির বর্ণনাকারীদের কথা বাদ দিলেও—তবে আমরা এই পরিমাণ বা এর কাছাকাছি সংখ্যাও খুঁজে পাব না। তাই বর্ণনাকারীর সংখ্যা অধিক হলে আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উস্তাদ ও ছাত্রদের মধ্য থেকে কেবল অধিক প্রসিদ্ধ, প্রখর স্মৃতিধর এবং সুপরিচিতদের ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছি। যদি জীবনীটি সংক্ষিপ্ত হয় তবে আমি সাধারণত তা থেকে কিছুই বাদ দিইনি। আর যদি তা মাঝারি হয় তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঐ সকল উস্তাদ ও ছাত্রদের বর্ণনার ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছি যাঁদের নামের পাশে (নির্দিষ্ট কিতাবের) সংকেত চিহ্ন রয়েছে। আর যখন জীবনীটি দীর্ঘ হয়েছে, তখন আমি শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এর সংকেত থাকা ব্যক্তিদের বর্ণনার ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছি এবং তাঁদের সাথে অন্য একটি দলকেও উল্লেখ করেছি। কোনো বিশেষ কল্যাণ ব্যতিরেকে আমি এই নীতি থেকে বিচ্যুত হইনি।

(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥)
مثل أن يكون الرجل قد عرف من حاله إنه لا يروى إلا عن ثقة فإنني اذكر جمع شيوخه أو أكثرهم كشعبة ومالك وغيرهما ولم ألتزم سياق الشيخ ولرواة في الترجمة الواحدة على حروف المعجم لأنه لزم من ذلك تقديم الصغير على الكبير فأحرص على أن أذكر في أول الترجمة اكثر شيوخ الرجل وأسندهم وأحفظهم إن تيسر معرفة ذلك إلا أن يكون للرجل ابن أو قريب فإنني أقدمه في الذكر غالبا وأحرص على أن أختم الرواة عنه بمن وصف بأنه آخر من روى عن صاحب الترجمة وربما صرحت بذلك وأحذف كثير من أثناء الترجمة إذا كان الكلام المحذوف لا يدل على توثيق ولا تجريح ومهما ظفرت به بعد ذلك من تجريح وتوثيق ألحقته. وفائدة إيراد كل ما قيل في الرجل من جرح وتوثيق يظهر عند المعارضة وربما أوردت بعض كلام الأصل بالمعنى مع استيفاء المقاصد وربما زدت ألفاظا يسيرة في أثناء كلامه لمصلحة في ذلك واحذف كثير من الخلاف في وفاة لرجل إلا لمصلحة تقتضي عدم الاختصار ولا أحذف من رجال التهذيب أحدا بل ربما زدت فيهم من هو على شرطه فما كان من ترجمة زائدة مستقلة فإنني أكتب اسم صاحبها واسم أبيه بأحمر وما زدته في أثناء التراجم قلت في أوله (قلت) فجميع ما بعد قلت فهو من زياداتي إلى آخر الترجمة.

 

‌‌(فصل)

وقد ذكر المؤلف الرقوم فقال للستة (ع) وللأربعة (4) وللبخاري (خ) ولمسلم (م) ولأبي داود (د) وللترمذي (ت) وللنسائي (س)
যেমন কোনো ব্যক্তির অবস্থা সম্পর্কে এটি জানা যায় যে, তিনি কেবল নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির মাধ্যমেই বর্ণনা করেন, তখন আমি তাঁর সকল শিক্ষক বা তাঁদের অধিকাংশের নাম উল্লেখ করি, যেমন শু'বাহ, মালিক এবং অন্যান্যরা। আমি একটি জীবনবৃত্তান্তের অধীনে শিক্ষক ও বর্ণনাকারীদের বিন্যাস বর্ণানুক্রমিকভাবে বজায় রাখা অপরিহার্য মনে করিনি; কারণ এতে বয়সে ছোট ব্যক্তিকে বড়র ওপর প্রাধান্য দেওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে। তাই আমি চেষ্টা করি জীবনবৃত্তান্তের শুরুতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকাংশ শিক্ষক এবং তাঁদের মধ্যে যারা অধিক নির্ভরযোগ্য ও হাফেজ, তাঁদের উল্লেখ করতে, যদি তা জানা সম্ভব হয়। তবে যদি সেই ব্যক্তির কোনো পুত্র বা নিকটাত্মীয় থাকে, তবে আমি সাধারণত তাকেই বর্ণনায় প্রথমে স্থান দিই। আর আমি তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের তালিকাটি এমন ব্যক্তির মাধ্যমে শেষ করার চেষ্টা করি, যাঁকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির থেকে সর্বশেষ বর্ণনাকারী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, এবং কখনো আমি তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করি। আমি জীবনবৃত্তান্তের মধ্য থেকে অনেক কথা বাদ দিয়েছি যদি সেই বর্জিত অংশটি নির্ভরযোগ্যতা প্রদান বা অযোগ্যতা সাব্যস্ত করার কোনো অর্থ প্রকাশ না করে। পরবর্তীতে যদি আমি কোনো অযোগ্যতা বা নির্ভরযোগ্যতা বিষয়ক তথ্য লাভ করি, তবে তা আমি সংযোজন করেছি। কোনো ব্যক্তির সম্পর্কে জারহ (সমালোচনা) ও তাওসিক (নির্ভরযোগ্যতা) বিষয়ক যা কিছু বলা হয়েছে তা উল্লেখ করার উপকারিতা বর্ণনার বিরোধপূর্ণ অবস্থায় প্রকাশ পায়। কখনো কখনো আমি মূল গ্রন্থের কিছু কথা উদ্দেশ্য ঠিক রেখে সারমর্ম হিসেবে উল্লেখ করেছি। আবার কখনো বিশেষ প্রয়োজনে লেখকের বক্তব্যের মাঝে সামান্য কিছু শব্দ বৃদ্ধি করেছি। কোনো ব্যক্তির মৃত্যু নিয়ে মতভেদসমূহ আমি অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্জন করেছি, যদি না সংক্ষেপ না করার কোনো বিশেষ কারণ থাকে। আমি 'তাহজিব' গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের মধ্য থেকে কাউকে বাদ দেইনি, বরং কখনো কখনো তাঁর শর্ত অনুযায়ী অতিরিক্ত বর্ণনাকারীকে সেখানে যুক্ত করেছি। যে জীবনবৃত্তান্তটি অতিরিক্ত ও স্বতন্ত্র, আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তাঁর পিতার নাম লাল রঙে লিখেছি। আর জীবনবৃত্তান্তের ভেতরে আমি যা বৃদ্ধি করেছি, তার শুরুতে লিখেছি 'আমি বলছি' (কুলতু)। সুতরাং 'আমি বলছি' শব্দের পর থেকে জীবনবৃত্তান্তের শেষ পর্যন্ত যা কিছু আছে তা আমারই সংযোজন।

 

‌‌(পরিচ্ছেদ)

লেখক এখানে কিছু সংকেত চিহ্ন উল্লেখ করেছেন; তিনি বলেছেন: ছয়টি কিতাবের জন্য (আ), চারটির জন্য (৪), বুখারীর জন্য (খ), মুসলিমের জন্য (ম), আবু দাউদের জন্য (দ), তিরমিযীর জন্য (ত) এবং নাসাঈর জন্য (স)।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦)
ولابن ماجه (ق) وللبخاري في التعاليق (خت) وفي الأدب المفرد (بخ) وفي جزء رفع اليدين (ي) وفي خلق أفعال العباد (عخ) وفي جزء القراءة خلف الامام (ز) ولمسلم في مقدمة كتابه (مق) ولأبي داود في المراسيل (مد) وفي القدر (قد) وفي الناسخ والمنسوخ (خد) وفي كتاب التفرد (ف) وفي فضائل الأنصار (صد) وفي المسائل (ل) وفي مسند مالك (كد) وللترمذي في الشمائل (ثم) وللنسائي في اليوم والليلة (سي) وفي مسند مالك (كن) وفي خصائص علي (ص) وفي مسند علي (عس) ولابن ماجه في التفسير (فق). هذا الذي ذكره المؤلف من تآليفهم وذكر أنه ترك تصانيفهم في التواريخ عمدا لأن الأحاديث التي تورد فيها غير مقصودة بالاحتجاج وبقي عليه من تصانيفهم التي على الأبواب عدة كتب منها (بر الوالدين) للبخاري و (كتاب الانتفاع بأهب السباع) لمسلم و (كتاب الزهد) و (دلائل النبوة) و (الدعاء) و (ابتداء الوحي) و (أخبار الخوارج) من تصانيف أبي داود وكأنه لم يقف عليها والله الموفق وأفرد عمل اليوم والليلة للنسائي عن السنن وهو من جملة كتاب السنن في رواية ابن الأحمر وابن سيار وكذلك أفرد خصائص علي وهو من جملة المناقب في رواية ابن سيار ولم يفرد التفسير وهو من رواية حمزة وحده ولا (كتاب الملائكة والاستعاذة) و (الطب) وغير ذلك وقد تفرد بذلك راو دون راو عن النسائي فما تبين لي وجه إفراده الخصائص وعمل اليوم والليلة والله الموفق*
এবং ইবনে মাজাহর জন্য (কফ), বুখারীর জন্য ‘তালীকাত’-এর ক্ষেত্রে (খ-তা), ‘আল-আদাবুল মুফরাদ’-এর ক্ষেত্রে (বা-খা), ‘জুজউ রাফইল ইয়াদাইন’-এর ক্ষেত্রে (ইয়া), ‘খালকু আফআলিল ইবাদ’-এর ক্ষেত্রে (আইন-খা), ‘জুজউল কিরাআতি খালফাল ইমাম’-এর ক্ষেত্রে (যা), মুসলিমের জন্য তাঁর কিতাবের মুকাদ্দিমার ক্ষেত্রে (মিম-কাফ), আবু দাউদের জন্য ‘আল-মারাসিল’-এর ক্ষেত্রে (মিম-দাল), ‘আল-কাদার’-এর ক্ষেত্রে (কাফ-দাল), ‘আন-নাসিখ ওয়াল মানসুখ’-এর ক্ষেত্রে (খা-দাল), ‘কিতাবুত তাফাররুদ’-এর ক্ষেত্রে (ফা), ‘ফাযায়েলুল আনসার’-এর ক্ষেত্রে (সদ-দাল), ‘আল-মাসায়েল’-এর ক্ষেত্রে (লাম), ‘মুসনাদু মালিক’-এর ক্ষেত্রে (কাফ-দাল), তিরমিযীর জন্য ‘আশ-শামায়েল’-এর ক্ষেত্রে (সা-মিম), নাসাঈর জন্য ‘আল-ইয়াওমু ওয়াল লাইলাহ’-এর ক্ষেত্রে (সিন-ইয়া), ‘মুসনাদু মালিক’-এর ক্ষেত্রে (কাফ-নুন), ‘খাসায়েসু আলী’-র ক্ষেত্রে (সদ), ‘মুসনাদু আলী’-র ক্ষেত্রে (আইন-সিন) এবং ইবনে মাজাহর জন্য তাফসীরের ক্ষেত্রে (ফা-কাফ)। লেখক তাঁদের রচনাবলি থেকে যা উল্লেখ করেছেন তা এগুলোই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তাঁদের ইতিহাসের কিতাবগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে বর্জন করেছেন; কারণ সেগুলোতে বর্ণিত হাদিসসমূহ দলিল হিসেবে পেশ করার উদ্দেশ্যে আনা হয়নি। তবে অধ্যায়ভিত্তিকভাবে রচিত তাঁদের কিতাবসমূহের মধ্য থেকে বেশ কিছু কিতাব তাঁর আলোচনার বাইরে রয়ে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে: বুখারীর ‘বিররুল ওয়ালিদাইন’, মুসলিমের ‘কিতাবুল ইনতিফাউ বি-উহুবিস সিবা’, এবং আবু দাউদের রচনাবলির মধ্য থেকে ‘কিতাবুজ জুহদ’, ‘দালাইলুন নুবুওয়াহ’, ‘আদ-দুআ’, ‘ইবতিদাউল ওয়াহি’ এবং ‘আখবারুল খাওয়ারিজ’। মনে হয় তিনি এগুলোর নাগাল পাননি, আর আল্লাহই তাওফিকদাতা। তিনি নাসাঈর ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ’ কিতাবটিকে ‘সুনান’ থেকে পৃথক করে উল্লেখ করেছেন, অথচ ইবনুল আহমার এবং ইবনে সাইয়ারের বর্ণনা অনুযায়ী এটি ‘সুনান’ কিতাবেরই অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে তিনি ‘খাসায়েসু আলী’-কে পৃথক করেছেন, অথচ ইবনে সাইয়ারের বর্ণনা মতে এটি ‘আল-মানাকিব’-এরই অন্তর্ভুক্ত। তিনি তাফসীরকে পৃথক করেননি, অথচ এটি কেবল হামযাহর একক বর্ণনা। আবার ‘কিতাবুল মালাইকা ওয়াল ইসতিআযা’, ‘আত-তিব্ব’ এবং এই জাতীয় অন্যান্য কিতাবগুলোকেও তিনি পৃথক করেননি। নাসাঈ থেকে একজন বর্ণনাকারী অন্যজনের পরিবর্তে এগুলোর ক্ষেত্রে একক বর্ণনা করেছেন। সুতরাং ‘খাসায়েস’ এবং ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ’-কে তাঁর পৃথক করার কারণ আমার কাছে স্পষ্ট নয়, আর আল্লাহই তাওফিকদাতা।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧)
*ثم*ذكر المؤلف الفائدة في خلطه الصحابة بمن بعدهم خلافا لصاحب الكمال وذلك أن للصحابي رواية عن النبي صلى الله عليه وآله وسلم وعن غيره فإذا رأى من لا خبرة له رواية الصحابي عن الصحابي ظن الأول تابعيا فيكشفه في التابعين فلا يجده فكان سياقهم كلهم مساقا واحدا على الحروف أولى.

*قال*وما في كتابنا هذا مما لم نذكر له إسنادا فما كان بصيغة الجزم فهو مما لا نعلم بإسناده إلى قائله المحكي عنه بأسا وما كان بصيغة التمريض فربما كان في إسناده نظر. ثم. قال وابتدأت في حرف الهمزة بمن اسمه أحمد وفي حرف الميم بمن اسمه محمد فإن كان في أصحاب الكنى من اسمه معروف من غير خلاف فيه ذكرناه في الأسماء ثم نبهنا عليه في الكنى وأن كان فيهم من لا يعرف اسمه أو اختلف فيه ذكرناه في الكنى ونبهنا على ما في اسمه من الاختلاف ثم النساء كذلك وربما كان بعض الأسماء يدخل في ترجمتين فأكثر فنذكره في أولى التراجم به ثم ننبه عليه في الترجمة الأخرى وبعد ذلك فصول فيمن اشتهر بالنسبة إلى أبيه أو جده أو أمه أو عمه أو نحو ذلك وفيمن اشتهر بالنسبة إلى قبيلة أو بلدة أو صناعة وفيمن اشتهر بلقب أو نحوه وفيمن أبهم مثل فلان عن أبيه أو عن جده أو أمه أو عمه أو خاله أو عن رجل أو امرأة ونحو ذلك مع التنبيه على اسم من عرف اسمه منهم والنساء كذلك. هذا المتعلق بديباجة الكتاب. ثم. ذكر المؤلف بعد ذلك ثلاثة فصول (أحدها) في شروط الأئمة الستة (والثاني) في الحث على الرواية عن الثقات (والثالث) في الترجمة النبوية فأما الفصلان الأولان فإن الكلام
অতঃপর লেখক 'আল-কামাল' গ্রন্থের রচয়িতার বিপরীত পন্থা অবলম্বন করে সাহাবীগণকে তাদের পরবর্তী স্তরের বর্ণনাকারীদের সাথে মিশ্রিত করে উল্লেখ করার উপকারিতা বর্ণনা করেছেন। কারণ হলো, একজন সাহাবীর বর্ণনা আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) এবং অন্য সাহাবীদের থেকেও হয়ে থাকে। ফলে রেওয়াত শাস্ত্র সম্পর্কে যার অভিজ্ঞতা নেই, সে যখন কোনো সাহাবীকে অন্য সাহাবী থেকে বর্ণনা করতে দেখে, তখন সে প্রথম সাহাবীকে তাবিঈ মনে করে বসে। এরপর সে তাকে তাবিঈদের তালিকায় খুঁজতে থাকে কিন্তু পায় না। তাই বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে তাদের সকলকে একই ধারায় ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করাই অধিকতর উত্তম ছিল।

তিনি বলেন, আমাদের এই কিতাবে আমরা যেগুলোর সনদ উল্লেখ করিনি, তার মধ্যে যা জজম বা নিশ্চয়তাবোধক শব্দে বর্ণিত হয়েছে, সেটি এমন যার মূল বক্তা পর্যন্ত পৌঁছানোর সনদে আমাদের জানামতে কোনো সমস্যা নেই। আর যা তামরীদ বা অনিশ্চয়তাবোধক শব্দে বর্ণিত হয়েছে, সেটির সনদে সম্ভবত পর্যালোচনা বা ত্রুটি রয়েছে। এরপর তিনি বলেন, আমি হামজা বর্ণে 'আহমদ' নামের ব্যক্তিদের দিয়ে এবং মিম বর্ণে 'মুহাম্মদ' নামের ব্যক্তিদের দিয়ে শুরু করেছি। আর যাদের উপনাম (কুনিয়া) প্রসিদ্ধ এবং সে ব্যাপারে কোনো মতভেদ নেই, আমরা তাদের মূল নামের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছি এবং উপনামের অধ্যায়ে সেদিকে ইঙ্গিত দিয়েছি। আর যাদের নাম জানা নেই অথবা নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে, আমরা তাদের উপনামের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছি এবং নামের মতভেদের বিষয়টি স্পষ্ট করেছি। নারীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। অনেক সময় একটি নাম দুই বা ততোধিক শিরোনামের অধীনে আসার সম্ভাবনা থাকে, সেক্ষেত্রে আমরা তাকে প্রথম সংশ্লিষ্ট শিরোনামে উল্লেখ করে পরবর্তীতে অন্য শিরোনামে সেদিকে ইঙ্গিত করেছি। এরপর সে সকল ব্যক্তিদের জন্য আলাদা পরিচ্ছেদ রয়েছে যারা তাদের পিতা, পিতামহ, মাতা, চাচা বা এ জাতীয় পরিচয়ে প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন। আরও রয়েছে যারা তাদের গোত্র, শহর, পেশা বা উপাধির মাধ্যমে পরিচিত। এছাড়া যাদের নাম অস্পষ্ট রাখা হয়েছে, যেমন: অমুক তার পিতা, পিতামহ, মাতা, চাচা, মামা বা কোনো পুরুষ কিংবা নারী থেকে বর্ণনা করেছেন—তাদেরও উল্লেখ করা হয়েছে এবং যাদের নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের নামের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তদ্রূপ। এই বিষয়গুলো গ্রন্থের ভূমিকার সাথে সংশ্লিষ্ট। এরপর লেখক তিনটি পরিচ্ছেদ উল্লেখ করেছেন: প্রথমটি ছয় ইমামের শর্তাবলি সম্পর্কে, দ্বিতীয়টি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের থেকে রেওয়াত করার উৎসাহ প্রদান বিষয়ে এবং তৃতীয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবনী প্রসঙ্গে। প্রথম দুটি পরিচ্ছেদের আলোচনা হলো—
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٨)
عليهما مستوفى في علوم الحديث وأما الترجمة النبوية فلم يعد المؤلف ما في كتاب ابن عبد البر وقد صنف الأئمة قديما وحديثا في السيرة النبوية عدة مؤلفات مبسوطات ومختصرات فهي أشهر من أن تذكر وأوضح من أن تشهر ولها محل غير هذا نستوفي الكلام عليها فيه إن شاء الله تعالى. وقد ألحقت. في هذا المختصر ما التقطته من تذهيب التهذيب للحافظ الذهبي فإنه زاد قليلا فرأيت ان اضم زياد انه لكمل الفائدة ثم وجدت صاحب التهذيب حذف عدة تراجم من أصل الكمال ممن ترجم لهم بناء على أن بعض الستة أخرج لهم فمن لم يقف المزي على روايته في شيء من هذه الكتب حذفه فرأيت أن أثبتهم وأنبه على ما في تراجمهم من عوز(1) وذكرهم على الاحتمال أفيد من حذفهم وقد نبهت على من وقفت على روايته منهم في شيء من الكتب المذكورة وزدت تراجم كثيرة أيضا القطنها من الكتب الستة مما ترجم المزي لنظيرهم تكملة للفائدة أيضا. وقد انتفعت. في هذا الكتاب المختصر بالكتاب الذي جمعه الإمام العلامة علاء الدين مغلطاي على تهذيب الكمال مع عدم تقليدي له في شيء مما ينقله وإنما استعنت به في العاجل. وكشفت الأصول التي عزا النقل إليها في الآجل. فما وافق أثبته وما باين أهملته فلو لم يكن في هذا المختصر إلا الجمع بين هذين الكتابين الكبيرين في حجم لطيف لكان معنى

--------------------------------------------

(1) يقال عوز الشئ كفرح لم يوجد والرجل افتقر كعاوز والامر اشتد واذا لم تجد شيئا قل عازنى 12 قاموس
ঐ দুইটির ওপর ইলমে হাদিসে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জীবনী সংক্রান্ত আলোচনার ক্ষেত্রে লেখক ইবনে আবদিল বার-এর কিতাবে যা রয়েছে তার অতিরিক্ত কিছু করেননি। প্রাচীন ও আধুনিক ইমামগণ সীরাতে নববীর ওপর অনেক বিস্তারিত ও সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা উল্লেখ করার চেয়েও অধিক প্রসিদ্ধ এবং প্রকাশ করার চেয়েও অধিক স্পষ্ট। এগুলোর আলোচনার জন্য স্বতন্ত্র স্থান রয়েছে, যেখানে ইনশাআল্লাহ আমরা এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করব। আমি এই সংক্ষিপ্ত গ্রন্থে হাফেজ জাহাবির 'তাজহিবুত তাহজিব' থেকে যা চয়ন করেছি তা সংযোজন করেছি; কারণ তিনি এতে কিছু পরিবর্ধন করেছিলেন। ফলে উপকারিতা পূর্ণ করার লক্ষ্যে আমি তাঁর সেই পরিবর্ধিত অংশটুকু যুক্ত করা সমীচীন মনে করেছি। এরপর আমি দেখলাম যে, 'তাহজিব' গ্রন্থের রচয়িতা (মিযযি) 'আল-কামাল' গ্রন্থের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বেশ কিছু জীবনী বাদ দিয়েছেন, যাদের জীবনী সেখানে এই ভিত্তিতে ছিল যে কুতুবে সিত্তার কোনো কোনো ইমাম তাদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। মিযযি এই কুতুবে সিত্তার কোনো কিতাবে যাদের বর্ণনার সন্ধান পাননি, তাদের তিনি বাদ দিয়েছেন। ফলে আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের জীবনীতে যে ঘাটতি বা অপ্রাপ্যতা(১) রয়েছে সে বিষয়ে সতর্ক করা সমীচীন মনে করেছি। তাদের বাদ দেওয়ার চেয়ে সম্ভাব্যতা বজায় রেখে উল্লেখ করা অধিক ফলপ্রসূ। আমি তাদের মধ্য থেকে যাদের বর্ণনা উল্লিখিত কিতাবসমূহে পেয়েছি সে বিষয়ে সতর্ক করেছি এবং কুতুবে সিত্তা থেকে আরও অনেক জীবনী বৃদ্ধি করেছি যা মিযযি তাদের সমপর্যায়ের বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রে করেছেন; এটিও উপকারিতা পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে। এই সংক্ষিপ্ত কিতাবটি রচনায় আমি ইমাম আল্লামা আলাউদ্দিন মুঘলতাই 'তাহজিবুল কামাল'-এর ওপর যে গ্রন্থটি সংকলন করেছেন তা থেকে উপকৃত হয়েছি; তবে তিনি যা উদ্ধৃত করেছেন তার কোনো কিছুতেই আমি তাঁর অন্ধ অনুকরণ করিনি। বরং তাৎক্ষণিকভাবে আমি তাঁর সহায়তা নিয়েছি এবং পরবর্তীতে তিনি যে মূল উৎসগুলোর দিকে বর্ণনাগুলোকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন সেগুলো যাচাই করেছি। সুতরাং যা (মূল উৎসের সাথে) সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে তা বহাল রেখেছি এবং যা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ হয়েছে তা বর্জন করেছি। এই সংক্ষিপ্ত সারে যদি একটি মনোরম অবয়বে এই দুই বৃহৎ গ্রন্থের সমন্বয় ছাড়া আর কিছু নাও থাকত, তবে সেটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হতো।

--------------------------------------------

(১) বলা হয়, 'আউয়িযাশ শাইউ' (ফারিহা-এর ওজনে) অর্থ কোনো কিছু না পাওয়া যাওয়া। আর ব্যক্তিটি অভাবগ্রস্ত হয়েছে (আওয়াযা-এর মতো)। আর বিষয়টি কঠিন হওয়া। যখন তুমি কোনো কিছু না পাও তখন বলবে 'আযা-নী'। ১২ কামুস।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٩)
مقصودا هذا مع الزيادات التي لم تقع لهما والعلم مواهب والله الموفق*

 

‌‌(حرف الألف)

‌‌(ذكر من اسمه أحمد)

‌‌(1) (دفق-أحمد)

بن إبراهيم بن خالد أبو علي الموصلي نزيل بغداد. روى عن محمد بن ثابت العبدي وفرج بن فضالة وحماد بن زيد وعبد الله بن جعفر المديني ويزيد بن زريع وأبي عوانة وإبراهيم بن سعد وغيرهم. روى عنه أبو داود حديثا واحدا وروى ابن ماجه في التفسير عن ابن أبي الدنيا عنه وأبو زرعة الرازي ومحمد بن عبد الله الحضرمي وموسى بن هارون وأبو يعلى الموصلي وأبو القاسم البغوي وآخرون وكتب عنه أحمد بن حنبل ويحيى بن معين وقال لا بأس به وقال صاحب تاريخ الموصل كان ظاهر الصلاح والفضل. قال موسى بن هارون مات ليلة السبت لثمان مضين من ربيع الأول سنة (236). قلت. وذكره ابن حبان في الثقات وقال إبراهيم بن الجنيد عن ابن معين ثقة صدوق*

 

‌‌(2) (كن-أحمد)

بن إبراهيم بن فيل الأسدي أبو الحسن البالسي نزيل أنطاكية والد القاضي أبي طاهر. روى عن أحمد بن أبي شعيب الحراني وأبي جعفر النفيلي وأبي النضر الفراديسي(1) ودحيم وأبي مصعب الزهري في آخرين وسمع أبا توبة وعنه النسائي ثلاثة أحاديث من حديث مالك

--------------------------------------------

(1) بفتحتين وكسر المهملة وسين كذلك نسبة إلى باب الفراد يس بدمشق 12 لب اللباب
উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটি (করা হয়েছে) সেই সকল অতিরিক্ত তথ্যসহ যা তাঁদের দুজনের নিকট ছিল না। ইলম বা জ্ঞান হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ দান, আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।*

 

‌‌(আলিফ বর্ণ)

‌‌(যাদের নাম আহমাদ তাদের বর্ণনা)

‌‌(১) (দা-ফা-কা - আহমাদ)

বিন ইবরাহীম বিন খালিদ আবু আলী আল-মাওসিলি, বাগদাদে অবস্থানকারী। তিনি মুহাম্মাদ বিন সাবিত আল-আবদি, ফারাজ বিন ফাদালাহ, হাম্মাদ বিন যায়েদ, আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-মাদিনি, ইয়াযিদ বিন যুরাই, আবু আওয়ানা, ইবরাহীম বিন সা'দ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু দাউদ একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং ইবনু মাজাহ তাফসীর গ্রন্থে ইবনু আবুদ দুনইয়ার মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া আবু যুরআহ আর-রাযী, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি, মুসা বিন হারুন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আবু আল-কাসিম আল-বাগাউয়ি এবং আরও অনেকে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল এবং ইয়াহইয়া বিন মাইন তাঁর থেকে হাদীস লিপিবদ্ধ করেছেন এবং ইবনু মাইন বলেছেন, "তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।" তারীখে মাওসিল-এর লেখক বলেছেন, তিনি বাহ্যিকভাবে নেককার ও মর্যাদাবান ছিলেন। মুসা বিন হারুন বলেছেন, তিনি ২৩৬ হিজরী সনের রবিউল আউয়াল মাসের আট দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর শনিবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি, ইবনু হিব্বান তাঁকে ‘আস-সিকাত’ (নির্ভরযোগ্যদের তালিকা) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং ইবরাহীম বিন আল-জুনাইদ ইয়াহইয়া বিন মাইন থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নির্ভরযোগ্য ও অতি সত্যবাদী।*

 

‌‌(২) (কা-নু - আহমাদ)

বিন ইবরাহীম বিন ফীল আল-আসাদি আবু আল-হাসান আল-বালিসি, আন্তাকিয়ায় অবস্থানকারী, তিনি কাযী আবু তাহিরের পিতা। তিনি আহমাদ বিন আবু শুআইব আল-হাররানি, আবু জাফর আন-নুফাইলি, আবু আন-নাদর আল-ফারাদিসি(১), দুহাইম এবং আবু মুসআব আয-যুহরি সহ আরও অনেকের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি আবু তাওবাহ থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন এবং ইমাম নাসাঈ তাঁর থেকে ইমাম মালিকের সূত্রে বর্ণিত তিনটি হাদীস বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) দুই ফাতহা (যবর) এবং মুহমালাহ (দাল) বর্ণে কাসরা (যের) ও সীন-এর সাথে; এটি দামেস্কের ‘বাবুল ফারাদিস’-এর দিকে সম্পৃক্ততা নির্দেশ করে। ১২ লুববুল লুবাব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٠)
وأبو عوانة الأسفرائني وأبو سعيد بن الأعرابي وخيثمة بن سليمان وأبو القاسم الطبراني وآخرون. مات سنة (284). قال ابن عساكر كان ثقة وقال في التاريخ روى عنه النسائي ولم يذكره في الشيوخ النبل*

. قلت. وروى عنه محمد بن الحسن الهمداني وقال إنه صالح وذكره ابن حبان في الثقات وقال النسائي في أسامي شيوخه رواية حمزة(1) لا بأس به وذكر من عفته وورعه وثقته*

 

‌‌(3) (م د ت ق-أحمد)

بن إبراهيم بن كثير بن زيد الدورقي النكري البغدادي أبو عبد الله. روى عن حفص بن غياث وجرير وهشيم وإسماعيل وربعي ابني علية وشبابة ويزيد بن هارون ومبشر بن إسماعيل الحلبي وخالد بن مخلد وغيرهم. روى عنه مسلم وأبو داود والترمذي وابن ماجه وبقي بن مخلد وعبد الله بن أحمد بن حنبل ويعقوب بن شيبة وغيرهم. قال أبو حاتم صدوق وقال صالح جزرة كان أحمد أكثرهما حديثا وأعلمهما بالحديث وكان يعقوب يعني أخاه أسندهما وكانا جميعا ثقتين كان مولد أحمد سنة (168) ومات في شعبان سنة (246). قلت. وفيها أرخه السراج وقال العقيلي ثقة وقال الخليلي في الإرشاد ثقة متفق عليه وذكره ابن حبان في الثقات. والنكري بضم النون نسبة إلى بني نكروهم بطن من عبد القيس والدورقي قال ابن الجارود في مشيخته هومن أهل دورق من أعمال الأهواز وهي معروفة وإليها تنسب القلانس الدورقية ويقال بل هو منسوب إلى صنعة القلانس لا إلى البلد والله أعلم وقال اللالكائي كان يلبس

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل ولعله احمد او سقط بعض الالفاظ 12 الحسن النعماني
এবং আবু আওয়ানা আল-ইসফারাঈনী, আবু সাঈদ ইবনুল আরাবি, খাইসামাহ বিন সুলাইমান, আবুল কাসিম আত-তাবারানি এবং আরও অনেকে। তিনি ২৮৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবন আসাকির বলেছেন যে তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন এবং তিনি আল-তারিখে বলেছেন যে নাসাঈ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি মর্যাদাবান শিক্ষকদের তালিকায় তাঁর উল্লেখ করেননি*

। আমি বলছি: মুহাম্মাদ বিন হাসান আল-হামদানি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি নেককার ছিলেন। ইবন হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। নাসাঈ তাঁর শিক্ষকদের নামের তালিকায় হামযাহর বর্ণনায়(১) বলেছেন যে তাঁর মাঝে কোনো সমস্যা নেই এবং তিনি তাঁর চারিত্রিক পবিত্রতা, পরহেজগারি ও নির্ভরযোগ্যতার কথা উল্লেখ করেছেন*

 

‌‌(৩) (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ - আহমদ)

বিন ইব্রাহিম বিন কাসির বিন যাইদ আদ-দাওরাকি আন-নুকরি আল-বাগদাদি, আবু আব্দুল্লাহ। তিনি হাফস বিন গিয়াস, জারির, হুশাইম, ইসমাইল ও রাবি (উলাইয়াহর দুই পুত্র), শাবাবাহ, ইয়াযিদ বিন হারুন, মুবাশশির বিন ইসমাইল আল-হালাবি, খালিদ বিন মাখলাদ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ, বাকি বিন মাখলাদ, আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, ইয়াকুব বিন শাইবাহ এবং আরও অনেকে। আবু হাতিম বলেছেন যে তিনি সত্যবাদী। সালিহ জাযরাহ বলেছেন যে আহমদ তাঁদের মধ্যে অধিক হাদিস বর্ণনাকারী এবং হাদিস বিষয়ে বেশি অভিজ্ঞ ছিলেন এবং ইয়াকুব (অর্থাৎ তাঁর ভাই) ছিলেন তাঁদের মধ্যে বয়সে বড় এবং তাঁরা উভয়েই নির্ভরযোগ্য ছিলেন। আহমদের জন্ম ১৬৮ হিজরিতে এবং তিনি ২৪৬ হিজরির শাবান মাসে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি: আল-সাররাজও তাঁর মৃত্যুর তারিখ এটিই উল্লেখ করেছেন। আল-উকাইলি বলেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য। আল-খালিলে আল-ইরশাদ গ্রন্থে বলেছেন তিনি সর্বসম্মতভাবে নির্ভরযোগ্য এবং ইবন হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। 'আন-নুকরি' শব্দটি নুন বর্ণে পেশ সহকারে 'বনু নুকর'-এর দিকে সম্বন্ধিত, যারা আব্দুল কাইস গোত্রের একটি শাখা। 'আদ-দাওরাকি' সম্পর্কে ইবনুল জারুদ তাঁর মাশইয়াখাহ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি আহওয়াযের অন্তর্গত দাওরাক এলাকার অধিবাসী, যা অত্যন্ত পরিচিত এবং এর দিকেই 'দাওরাকি' টুপি সম্বন্ধিত করা হয়। আবার বলা হয় যে, তিনি মূলত টুপি তৈরির পেশার দিকে সম্বন্ধিত, কোনো এলাকার দিকে নয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন। আল-লালকাঈ বলেছেন যে তিনি পরিধান করতেন

--------------------------------------------

(১) মূল কপিতে এভাবেই রয়েছে। সম্ভবত এটি আহমদ হবে অথবা কিছু শব্দ বাদ পড়েছে। ১২ হাসান আন-নুমানি
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١١)
القلانس الطوال*

 

‌‌(4) (س-أحمد)

بن إبراهيم بن محمد بن عبد الله بن بكار بن عبد الملك بن الوليد بن بسر(1) بن أبي أرطاة العامري أبو عبد الملك القرشي البسري الدمشقي روى عن أبي النضر الفراديسي ومحمد بن عائذ الدمشقي ويزيد ابن خالد الرملي وأبي مصعب الزهري وإبراهيم بن المنذر الحزامي وابى الطاهر ابن السرح وجماعة. روى عنه النسائي وأبو عوانة وابن جوصا وأبو بكر أحمد ابن مروان الدينوري صاحب المجالسة وأبو جعفر العقيلي وأبو القاسم بن أبي العقب وأبو القاسم الطبراني وغيرهم. قال النسائي لا بأس به وقال ابن عساكر كان ثقة مات في شوال سنة (289) *

 

‌‌(5) (أحمد)

بن إبراهيم التيمي صوابه إبراهيم بن محمد التيمي يأتي. والحديث في أوائل النكاح من (د) *

 

‌‌(6) (س ق-أحمد)

بن الأزهر بن منيع بن سليط بن إبراهيم العبدي أبو الأزهر النيسابوري. روى عن عبد الله بن نمير وروح بن عبادة ويعقوب ابن إبراهيم بن سعد وعبد الرزاق وآدم بن أبي إياس والهيثم بن جميل وأبي عاصم النبيل وأبي صالح كاتب الليث وجماعة. وعنه النسائي وابن ماجه والذهلي وهو من أقرانه والبخاري ومسلم خارج الصحيح والدارمي وأبو زرعة الرازي وأبو عوانة الأسفرائني ومحمد بن جرير الطبري وأبو حامد ابن الشرقي وآخرون. قال ابن الشرقي سمعت أبا الأزهر يقول كتب عني يحيى بن يحيى وقال الحاكم أبو أحمد ما حدث من أصل

--------------------------------------------

(1) بسر بن أرطاة ويقال ابن أبي ارطاة 12 تقريب
দীর্ঘ টুপি পরিধানকারীগণ*

 

‌‌(৪) (স-আহমদ)

বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন বাক্কার বিন আবদ আল-মালিক বিন আল-ওয়ালিদ বিন বুসর(১) বিন আবি আরতাহ আল-আমিরি আবু আবদ আল-মালিক আল-কুরাশি আল-বূসরি আদ-দিমাশকি। তিনি আবু আন-নাদর আল-ফারাদিসি, মুহাম্মদ বিন আইজ আদ-দিমাশকি, ইয়াজিদ ইবনে খালিদ আর-রামলি, আবু মুসআব আজ-জুহরি, ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির আল-হিযামি, আবু আত-তাহির ইবনে আস-সারহ এবং একটি জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন নাসায়ি, আবু আওয়ানাহ, ইবনে জাওসা, 'আল-মুজালাসাহ' গ্রন্থের রচয়িতা আবু বকর আহমদ ইবনে মারওয়ান আদ-দিনাওয়ারি, আবু জাফর আল-উকায়লি, আবুল কাসিম বিন আবিল আকাব, আবুল কাসিম আত-তাবারানি এবং আরও অনেকে। নাসায়ি বলেন, "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।" ইবনে আসাকির বলেন, "তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।" তিনি ২৮৯ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন। *

 

‌‌(৫) (আহমদ)

বিন ইব্রাহিম আত-তাইমি; এর সঠিক রূপ হলো ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আত-তাইমি, যা সামনে আসবে। আর হাদিসটি (আবু দাউদ-এর) বিবাহ পর্বের শুরুতে রয়েছে। *

 

‌‌(৬) (স ক-আহমদ)

বিন আল-আজহার বিন মানি বিন সালিদ বিন ইব্রাহিম আল-আবদি আবু আল-আজহার আন-নাইসাবুরি। তিনি আবদুল্লাহ বিন নুমাইর, রাওহ বিন উবাদাহ, ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম বিন সাদ, আবদুর রাজ্জাক, আদম বিন আবি ইয়াস, হাইসাম বিন জামিল, আবু আসিম আন-নাবিল, লাইসের লেখক আবু সালিহ এবং একটি জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন নাসায়ি, ইবনে মাজাহ, আয-যুহলি—যিনি তাঁর সমসাময়িক ছিলেন, বুখারি ও মুসলিম (তাঁদের সহিহ গ্রন্থের) বাইরে, দারেমি, আবু জুরআ আর-রাজি, আবু আওয়ানাহ আল-ইসফারায়িনি, মুহাম্মদ বিন জারির আত-তাবারানি, আবু হামিদ ইবনুল শারকি এবং আরও অনেকে। ইবনুল শারকি বলেন, "আমি আবু আল-আজহারকে বলতে শুনেছি: ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আমার থেকে (লিখে) নিয়েছেন।" হাকিম আবু আহমদ বলেন, "তিনি কেবল মূল পাণ্ডুলিপি থেকেই হাদিস বর্ণনা করতেন।"

--------------------------------------------

(১) বুসর বিন আরতাহ, তাঁকে ইবনে আবি আরতাহ-ও বলা হয়। ১২ তাকরিব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٢)
كتابه فهو أصح. قال وكان قد كبر فربما يلقن وقال ابن خراش سمعت محمد بن يحيى يثني عليه وقال أبو عمرو المستملي عن محمد بن يحيى أبو الأزهر من أهل الصدق والأمانة نرى أن يكتب عنه وقال مكي بن عبدان سألت مسلم بن الحجاج عن أبي الأزهر فقال اكتب عنه. قال الحاكم هذا رسم مسلم في الثقات وقال إبراهيم بن أبي طالب كان من أحسن مشايخنا حديثا وقال أحمد بن سيار حسن الحديث وقال صالح جزرة صدوق وقال النسائي والدارقطني لا بأس به وقال الدارقطني قد أخرج في الصحيح عن من هو دونه وشر منه ولما ذكر ابن الشرقي بنادرة الحديث عده فيهم وقال أحمد بن يحيى بن زهير التستري لما حدث أبو الأزهر بحديث عبد الرزاق في الفضائل يعني عن معمر عن الزهري عن عبيد الله عن ابن عباس قال نظر النبي صلى الله عليه وآله وسلم إلى علي رضي الله عنه فقال أنت سيد في الدنيا سيد في الآخرة الحديث أخبر بذلك يحيى بن معين فبينا هو عنده في جماعة من أهل الحديث إذ قال يحيى من هذا الكذاب النيسابوري الذي يحدث عن عبد الرزاق بهذا الحديث فقام أبو الأزهر فقال هو ذا أنا فتبسم يحيى فقال أما إنك لست بكذاب وتعجب من سلامته وقال الذنب لغيرك في هذا الحديث. قال أبو حامد ابن الشرقي هو حديث باطل والسبب فيه أن معمرا كان له ابن أخ رافضي وكان معمر يمكنه من كتبه فأدخل عليه هذا الحديث. قال الخطيب أبو بكر وقد رواه محمد ابن حمدون النيسابوري عن محمد بن علي النجاري الصنعاني عن عبد الرزاق

তাঁর কিতাবই সবচেয়ে সঠিক। তিনি বলেন, তিনি বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন ফলে অনেক সময় তাঁকে ত্বলকীন (স্মরণ করিয়ে দেওয়া) করা হতো। ইবনে খিরাশ বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়াকে তাঁর প্রশংসা করতে শুনেছি। আবু আমর আল-মুস্তামলী মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু আল-আজহার সত্যবাদিতা ও বিশ্বস্ততার অধিকারী, আমরা মনে করি তাঁর থেকে হাদিস লিখে রাখা উচিত। মক্কী ইবনে আবদান বলেন, আমি মুসলিম ইবনে হাজ্জাজকে আবু আল-আজহার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: তাঁর থেকে হাদিস লেখো। হাকেম বলেন, নির্ভরযোগ্যদের ক্ষেত্রে মুসলিমের এটাই নিয়ম। ইবরাহিম ইবনে আবু তালিব বলেন, তিনি আমাদের উস্তাদদের মধ্যে হাদিসের দিক থেকে অন্যতম উত্তম ছিলেন। আহমদ ইবনে সাইয়্যার বলেন, তিনি হাসানুল হাদিস (উত্তম হাদিস বর্ণনাকারী)। সালিহ জাযারাহ বলেন, তিনি সদুক (সত্যবাদী)। নাসায়ী এবং দারাকুতনী বলেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। দারাকুতনী বলেন, সহিহ গ্রন্থে এমন ব্যক্তিদের থেকে হাদিস গ্রহণ করা হয়েছে যারা তাঁর চেয়ে নিম্নমানের এবং আরও দুর্বল। ইবনে শারকী যখন বিরল হাদিস বর্ণনাকারীদের কথা উল্লেখ করেন, তখন তাঁকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে জুহাইর আত-তুস্তারী বলেন, যখন আবু আল-আজহার ফাযায়েলের ব্যাপারে আব্দুর রাজ্জাকের হাদিস বর্ণনা করলেন—অর্থাৎ মা’মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর দিকে তাকিয়ে বললেন: "তুমি দুনিয়াতে নেতা এবং আখিরাতেও নেতা" (পুরো হাদিসটি)—তখন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বিষয়টি জানানো হলো। এমতাবস্থায় যে তিনি একদল হাদিস বিশারদের মাঝে বসা ছিলেন, তখন ইয়াহইয়া বললেন: "এই নিসাপুরী মিথ্যাবাদী কে যে আব্দুর রাজ্জাক থেকে এই হাদিস বর্ণনা করছে?" তখন আবু আল-আজহার দাঁড়িয়ে বললেন: "আমিই সেই ব্যক্তি।" তখন ইয়াহইয়া মুচকি হাসলেন এবং বললেন: "শোনো, তুমি তো মিথ্যাবাদী নও।" তিনি তাঁর সততায় বিস্মিত হলেন এবং বললেন: "এই হাদিসের দায় তোমার নয়, বরং অন্য কারো।" আবু হামিদ ইবনে শারকী বলেন, এটি একটি বাতিল হাদিস। এর কারণ হলো, মা’মারের এক ভাতিজা ছিল রাফেযী, আর মা’মার তাকে নিজের কিতাব নাড়াচাড়া করতে দিতেন, ফলে সে এই হাদিসটি তাতে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। খতিব আবু বকর বলেন, মুহাম্মদ ইবনে হামদুন আন-নিসাপুরী এটি মুহাম্মদ ইবনে আলী আন-নাজ্জারী আস-সানআনী থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন।

(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٣)
فبرئ أبو الأزهر من عهدته. وقال ابن عدي أبو الأزهر بصورة أهل الصدق عند الناس. وأما هذا الحديث فعبد الرزاق من أهل الصدق وهو ينسب إلى التشيع فلعله شبه عليه. قال أحمد بن سيار مات أبو الأزهر في أول سنة (61) وقال حسين القباني توفي سنة (63). قلت. وقال أبو حاتم صدوق وقال ابن شاهين في الأفراد له ثقة نبيل وقال أبو الأزهر رأيت سفيان بن عيينة ولم يحدثني وذكره ابن حبان في الثقات وقال يخطئ وكان ابن خزيمة إذا حدث عنه قال ثنا أبو الأزهر من أصل كتابه*

 

‌‌(7) (تمييز-أحمد)

بن الأزهر البلخي. روى عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد ومعروف بن حسان. روى عنه أبو بكر محمد بن إسحاق بن خزيمة وإبراهيم ابن نصر العنبري وأحمد بن محمد بن المغلس. ذكره ابن حبان في (الثقات) مفردا عن الذي قبله وقال كان ينتحل مذهب أهل الرأي يخطئ ويخالف وأخرج له الحاكم في (المستدرك) *

 

‌‌(8) (خ-أحمد)

بن إسحاق بن الحصين بن جابر السلمي أبو إسحاق السرماري كان يضرب بشجاعته المثل. روى عن يعلى بن عبيد وعثمان بن عمر بن فارس وعبد الله بن موسى وغيرهم. روى عنه البخاري وابنه أبو صفوان إسحاق بن أحمد وبكر بن منير وعبيد الله بن واصل وعدة قال أبو صفوان وهب المأمون لأبي ثلاثين ألف درهم فلم يقبلها. مات يوم السبت لست بقين من ربيع الآخر سنة (242). قلت. أخباره في المغازي والشجاعة كثيرة وذكره ابن حبان في (الثقات) فقال كان
আবু আল-আজহার তার দায়ভার থেকে মুক্ত হলেন। ইবনে আদি বলেন, আবু আল-আজহার মানুষের নিকট সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য। আর এই হাদিসটির ক্ষেত্রে বলা যায় যে, আবদুর রাজ্জাক সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তবে তার প্রতি শিয়া মতবাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তাই সম্ভবত বিষয়টি তার নিকট অস্পষ্ট হয়ে পড়েছিল। আহমাদ ইবনে সাইয়্যার বলেন, আবু আল-আজহার ৬১ হিজরি সালের শুরুতে মৃত্যুবরণ করেন। হুসাইন আল-কাব্বানি বলেন, তিনি ৬৩ হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন। আমি বলি, আবু হাতিম বলেছেন তিনি সত্যবাদী। ইবনে শাহিন ‘আল-আফরাদ’ গ্রন্থে তাকে নির্ভরযোগ্য ও উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন বলেছেন। আবু আল-আজহার বলেন, আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে দেখেছি কিন্তু তিনি আমাকে হাদিস বর্ণনা করেননি। ইবনে হিব্বান তাকে ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ভুল করতেন। ইবনে খুজাইমা যখন তার থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন, তখন বলতেন: আবু আল-আজহার তার মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন।*

 

‌‌(৭) (পার্থক্যকারী-আহমাদ)

বিন আল-আজহার আল-বালখি। তিনি ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম ইবনে সাদ এবং মারুফ ইবনে হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমা, ইবরাহিম ইবনে নাসর আল-আনবারি এবং আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুগাল্লিস। ইবনে হিব্বান তাকে পূর্ববর্তী বর্ণনাকারী থেকে পৃথকভাবে ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ‘আহলে রায়’-এর মাযহাব গ্রহণ করেছিলেন, তিনি ভুল করতেন এবং (অন্যদের) বিরোধিতা করতেন। আল-হাকিম ‘আল-মুস্তাদরাক’ গ্রন্থে তার থেকে হাদিস চয়ন করেছেন।*

 

‌‌(৮) (খ-আহমাদ)

বিন ইসহাক বিন আল-হুসাইন বিন জাবির আস-সুলামি আবু ইসহাক আস-সারমারি। বীরত্বের ক্ষেত্রে তার উদাহরণ দেওয়া হতো। তিনি ইয়ালা ইবনে উবাইদ, উসমান ইবনে উমর ইবনে ফারিস, আবদুল্লাহ ইবনে মুসা এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন আল-বুখারি, তার পুত্র আবু সাফওয়ান ইসহাক ইবনে আহমাদ, বকর ইবনে মুনির, উবাইদুল্লাহ ইবনে ওয়াসিল এবং আরও অনেকে। আবু সাফওয়ান বলেন, (খলিফা) আল-মামুন আমার পিতাকে ত্রিশ হাজার দিরহাম প্রদান করেছিলেন কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি ২৪২ হিজরি সালের রবিউস সানি মাসের ছয় দিন অবশিষ্ট থাকতে শনিবার মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলি, যুদ্ধাভিযান এবং বীরত্ব বিষয়ে তার অনেক বিবরণ রয়েছে এবং ইবনে হিব্বান তাকে ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেন যে তিনি ছিলেন...
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٤)
من الغزائين وكان من أهل الفضل والنسك مع لزوم الجهاد وقال البخاري ما يعلم في الإسلام مثله وقال عبيد الله بن واصل سمعته يقول أعلم يقينا أني قتلت به ألف تركي ولولا أن يكون بدعة لأمرت أن يدفن معي يعني سيفه. قلت. والسرماري بضم السين وإسكان الراء قيده ابن السمعاني نسبة إلى سرمار قرية من بخارى وضبطه أبو علي الغساني بفتح السين وكذا هو بخط المزي وحكى الرشاطي(1) فيه كسر السين*

 

‌‌(9) (م د ت س-أحمد)

بن إسحاق بن زيد بن عبد الله بن أبي إسحاق الحضرمي أبو إسحاق البصري. روى عن حماد بن سلمة وعبد العزيز وأبي عوانة بن المختار وهمام ووهب والقطان. وعنه إبراهيم الجوهري وأبو خيثمة وابنا أبي شيبة ويعقوب بن شيبة وأحمد بن الحسن بن خراش والحارث ابن أبي أسامة وغيرهم. قال أحمد كان عندي إن شاء الله صدوقا ولكني تركته من أجل ابن أكثم دخل له في شيء. وقال يعقوب بن شيبة وأبو زرعة وأبو حاتم والنسائي ومحمد بن سعد ثقة. وقال النسائي أيضا ليس به بأس. وقال ابن سعد مات بالبصرة سنة (211) وقال المروزي عن أحمد لم يكن بأحمد بأس. وقال ابن منجويه كان يحفظ حديثه قلت وبهذا ذكره ابن حبان في (الثقات) ومنه ينقل ابن منجويه*

 

‌‌(10) (د-أحمد)

بن إسحاق بن عيسى الاهوازى البزار أبو إسحاق صاحب السلعة. روى عن حجاج بن نصير وأبي أحمد الزبيري والمقرى وغيرهم.

روى عنه أبو داود. وذكر صاحب النبل أن النسائي روى عنه ولم أقف على

--------------------------------------------

(1) الرشاطى نسبة الى رشاطة بلد بالغرب 12 لب اللباب
তিনি যোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং জিহাদে অবিচল থাকার পাশাপাশি ফযীলত ও ইবাদতগুজার এক ব্যক্তি ছিলেন। আল-বুখারী বলেন, ইসলামে তাঁর মত আর কাউকে জানা নেই। উবাইদুল্লাহ বিন ওয়াসিল বলেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, "আমি নিশ্চিতভাবে জানি যে আমি এটি দিয়ে এক হাজার তুর্কিকে হত্যা করেছি। আর যদি এটি বিদআত না হতো, তবে আমি আদেশ দিতাম যেন আমার সাথে এটি দাফন করা হয়" অর্থাৎ তাঁর তলোয়ার। আমি (গ্রন্থকার) বলছি, 'আস-সারমারি' শব্দটি 'সিন' বর্ণে পেশ এবং 'রা' বর্ণে সুকুন যোগে; ইবনে আস-সামআনি একে বুখারার 'সারমার' নামক গ্রামের সাথে সম্বন্ধযুক্ত বলে সীমাবদ্ধ করেছেন। আবু আলী আল-গাসসানি 'সিন' বর্ণে যবর দিয়ে এটি নির্ধারণ করেছেন এবং আল-মিযযির হস্তলিপিতেও তেমনই রয়েছে। আর আর-রিশাতি(১) এতে 'সিন' বর্ণে যের হওয়ার কথা বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌(৯) (ম, দ, ত, স-আহমাদ)

বিন ইসহাক বিন যায়েদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু ইসহাক আল-হাদরামি আবু ইসহাক আল-বাসরি। তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ, আব্দুল আযীয, আবু আওয়ানাহ বিন আল-মুখতার, হাম্মাম, ওয়াহাব এবং আল-কাত্তান থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তাঁর থেকে ইব্রাহিম আল-জাওহারি, আবু খাইসামাহ, আবু শায়বার দুই পুত্র, ইয়াকুব বিন শায়বাহ, আহমাদ বিন আল-হাসান বিন খারাশ, আল-হারিস ইবনে আবু উসামাহ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বলেছেন, আমার কাছে তিনি ইনশাআল্লাহ সত্যবাদী ছিলেন, কিন্তু ইবনুল আকসাম কোনো এক বিষয়ে তাঁর সাথে জড়িয়ে পড়ায় আমি তাঁকে বর্জন করেছি। ইয়াকুব বিন শায়বাহ, আবু যুরআহ, আবু হাতিম, নাসায়ি এবং মুহাম্মদ বিন সাদ বলেছেন যে তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। নাসায়ি আরও বলেছেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে সাদ বলেছেন, তিনি ২১১ হিজরি সনে বসরায় মৃত্যুবরণ করেন। আল-মারওয়াযি আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আহমাদে কোনো সমস্যা ছিল না। ইবনে মানজুয়াইহ বলেছেন, তিনি তাঁর বর্ণিত হাদীস মুখস্থ রাখতেন। আমি বলছি, এ কারণেই ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আস-সিকাত' (নির্ভরযোগ্যদের তালিকা) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং ইবনে মানজুয়াইহ সেখান থেকেই তা গ্রহণ করেছেন।*

 

‌‌(১০) (দ-আহমাদ)

বিন ইসহাক bin ঈসা আল-আহওয়াযি আল-বাযযার আবু ইসহাক 'সাহিবুস সিলআহ'। তিনি হাজ্জাজ বিন নুসায়ের, আবু আহমাদ আয-যুবাইরি, আল-মুকরি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন। 'আন-নুবলা' গ্রন্থের লেখক উল্লেখ করেছেন যে নাসায়ি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু আমি তা খুঁজে পাইনি...

--------------------------------------------

(১) আর-রিশাতি: এটি পশ্চিমের (মাগরেব) শহর 'রিশাতাহ' এর সাথে সম্পৃক্ত। ১২ লুব্বুল লুবাব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٥)
ذلك والبزار وابن أبي الدنيا وعبدان الجواليقي(1) وغيرهم*قال النسائي صالح وقال ابن أبي عاصم مات سنة (250). قلت. نقل بعض المتأخرين عن مسلمة بن قاسم أنه ذكره في شيوخ النسائي في السنن وقد ذكره النسائي في شيوخه وقال كتبنا عنه شيئا يسيرا صدوق لكن لا يلزم منه أنه روى عنه في كتاب السنن*

 

‌‌(11) (ق-أحمد)

بن إسماعيل بن محمد بن نبيه بن عبد الرحمن السهمي أبو حذافة المدني نزيل بغداد. روى عن مالك الموطأ وهو آخر من روى عنه من أهل الصدق ومسلم بن خالد الزنجي وابن أبي الزناد وجماعة. وعنه ابن ماجه والعمري ويعقوب الجصاص والحسين بن إسماعيل المحاملي(2) ومحمد ابن مخلد وهو آخر أصحابه. قال الحاكم أبو أحمد متروك الحديث. وقال ابن عدي حدث عن مالك بالموطأ وحدث عن عمه بالبواطيل. وقال الدارقطني ضعيف الحديث كان مغفلا أدخلت عليه أحاديث في غير الموطأ فقبلها لا يحتج به وقال البرقاني كان الدارقطني حسن الرأي فيه وأمرني أن أخرج عنه في الصحيح. وقال المحاملي عن أبيه سألت أبا مصعب عن أبي حذافة فقال كان يحضر معنا العرض على مالك. قال محمد بن مخلد مات

--------------------------------------------

(1) بالفتح نسبة الى الجواليق جمع جوالق بكسر الجيم واللام وبضم الجيم وفتح اللام وكسرها وعاء 12 قاموس ولب اللباب

(2) بالفتح وكسر الميم الثانية نسبة إلى بيع المحامل التى يحمل فيه الناس في السفر 12 لب اللباب
এটি আল-বাজ্জার, ইবনু আবুদ দুনিয়া, আবদান আল-জাওয়ালিকি(১) এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী বলেছেন, তিনি সৎ (সালিহ)। ইবনু আবু আসিম বলেছেন, তিনি ২৫০ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি, পরবর্তীকালের কোনো কোনো আলিম মাসলামাহ ইবনু কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাকে আস-সুনানে আন-নাসায়ীর শাইখদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন। আর আন-নাসায়ী তাকে তার শাইখদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আমরা তার থেকে সামান্য কিছু লিখেছি, তিনি সত্যবাদী (সাদুক), তবে এর মানে এই নয় যে তিনি তার থেকে সুনান গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌(১১) (ক্ব-আহমদ)

ইসমাইল ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু নাবিহ ইবনু আবদুর রহমান আস-সাহমি আবু হুযাফা আল-মাদানি, বাগদাদের অধিবাসী। তিনি মালিক থেকে মুওয়াত্তা বর্ণনা করেছেন এবং সত্যবাদীদের মধ্যে তিনিই ছিলেন মালিক থেকে (মুওয়াত্তা) বর্ণনাকারী সর্বশেষ ব্যক্তি। এছাড়াও তিনি মুসলিম ইবনু খালিদ আজ-জানজি, ইবনু আবুয যিনাদ এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন ইবনু মাজাহ, আল-উমারি, ইয়াকুব আল-জাসসাস, আল-হুসাইন ইবনু ইসমাইল আল-মাহামিলি(২) এবং মুহাম্মাদ ইবনু মাখলাদ; আর তিনি (ইবনু মাখলাদ) ছিলেন তার শাগরিদদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি। আল-হাকিম আবু আহমাদ বলেছেন, তার হাদিস পরিত্যক্ত (মাতরুকুল হাদিস)। ইবনু আদি বলেছেন, তিনি মালিক থেকে মুওয়াত্তা বর্ণনা করেছেন এবং তার চাচার পক্ষ থেকে বাতিল বর্ণনা করেছেন। আদ-দারাকুতনি বলেছেন, তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল (যঈফুল হাদিস), তিনি অমনোযোগী ছিলেন, তার মুওয়াত্তা বহির্ভূত বর্ণনাসমূহের মধ্যে কিছু হাদিস ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল যা তিনি গ্রহণ করেছিলেন, সুতরাং তার দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না। আল-বারকানি বলেছেন, আদ-দারাকুতনি তার ব্যাপারে সুধারণা পোষণ করতেন এবং আমাকে তার থেকে আস-সহিহ গ্রন্থে হাদিস সংকলন করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। আল-মাহামিলি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি আবু মুসআবকে আবু হুযাফা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি বলেছিলেন যে তিনি মালিকের নিকট আমাদের সাথে পাঠকালে উপস্থিত থাকতেন। মুহাম্মাদ ইবনু মাখলাদ বলেছেন, তিনি মারা গেছেন...

--------------------------------------------

(১) ফাতহাহ যোগে, এটি জাওয়ালিক-এর সাথে সম্পর্কিত, যা জাওয়াল্লাক্ব-এর বহুবচন—জিম এবং লামের কাসরাহ যোগে অথবা জিমের যম্মাহ ও লামের ফাতহাহ বা কাসরাহ যোগে—যার অর্থ থলে। ১২ ক্বামুস ও লুব্বুল লুবাব।

(২) ফাতহাহ যোগে এবং দ্বিতীয় মিমে কাসরাহ যোগে, এটি 'মাহামিল' বিক্রির সাথে সম্পর্কিত, যা মানুষ সফরের সময় আরোহণের জন্য ব্যবহার করে। ১২ লুব্বুল লুবাব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٦)
يوم عيد الفطر سنة (259). قلت. وقال ابن قانع مات سنة (8) وقال الخطيب لم يكن ممن يتعمد الكذب ولا يدفع عن صحة السماع عن مالك ولفظ ابن عدي حدث عن مالك وغيره بالأباطيل وامتنع ابن صاعد من التحديث عنه مدة وقال السراج سمعت الفضل بن سهل ذكر أبا حذافة فكذبه وقال كل شيء يقول به يقول حدثني مالك عن نافع عن ابن عمر. وقال ابن خزيمة كنت أحدث عنه إلى أن عرض علي من روايته عن مالك ما أنكره قلبي فتركته وقال ابن عدي في ترجمة سعد بن سعيد المقبري إثر حديث ذكره أبو حذافة ضعيف جد العل البلاء منه. روى العتيقي عن الدارقطني روى الموطأ عن مالك مستقيما. وقال ابن حبان يروي عن (الثقات) ما ليس يشبه حديث الأثبات وقال ابن قانع كان ضعيفا وقال الذهبي سماعه للموطأ صحيح في الجملة عمر نحوا من مائة سنة*

 

‌‌(12) (خ-أحمد)

بن إشكاب(1) الحضرمي أبو عبد الله الصفار الكوفي نزيل مصر وقيل اسم أبيه معمر وقيل عبيد الله وقيل اسم إشكاب مجمع.

روى عن محمد بن فضيل وأبي بكر بن عياش وشريك وغيرهم. وعنه البخاري وأبو حاتم وبكر بن سهل الدمياطي وأبو أمية الطرسوسي ويعقوب ابن سفيان ويعقوب بن شيبة وقال كوفي ثقة. وقال أبو زرعة صاحب حديث أدركته ولم أكتب عنه وقال أبو حاتم ثقة مأمون صدوق وقال عباس الدوري كتب عنه يحيى بن معين كثيرا وقال البخاري آخر ما لقيته

--------------------------------------------

(1) بكسر الهمزة بعدها معجمة 12 تقريب
২৫৯ হিজরির ঈদুল ফিতরের দিন। আমি বলছি, ইবনে কানি‘ বলেছেন যে তিনি ২৫৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। খতিব (বাগদাদী) বলেছেন, তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না যারা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলে, আর ইমাম মালেকের নিকট থেকে তাঁর শ্রুতির (সামা‘) বিশুদ্ধতাও অস্বীকার করা যায় না। ইবনে আদীর ভাষ্যমতে, তিনি মালেক ও অন্যদের সূত্রে বাতিল হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনে সায়িদ এক সময় তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সিরাজ বলেন, আমি ফজল ইবনে সহলকে আবু হুজাফাহ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি, তখন তিনি তাঁকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, তিনি যা-ই বলেন তা ‘মালেক আমাকে নাফে‘র সূত্রে ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেছেন’ এই সনদে বলেন। ইবনে খুজাইমা বলেছেন, আমি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করতাম যতক্ষণ না মালেক থেকে তাঁর বর্ণিত এমন কিছু হাদিস আমার সামনে আসলো যা আমার অন্তর প্রত্যাখ্যান করল, ফলে আমি তাঁকে ত্যাগ করলাম। ইবনে আদি, সাদ ইবনে সাঈদ আল-মাকবুরীর জীবনীতে আবু হুজাফাহর উল্লেখিত একটি হাদিসের পর বলেছেন যে, তিনি অত্যন্ত দুর্বল, সম্ভবত এই ত্রুটি তাঁর পক্ষ থেকেই। আতীকী দারাকুতনী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মালেকের নিকট থেকে মুয়াত্তা সঠিকভাবে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্যদের (সিক্বাহ) সূত্রে এমন সব হাদিস বর্ণনা করেন যা সুদৃঢ় বর্ণনাকারীদের হাদিসের মতো নয়। ইবনে কানি‘ বলেছেন যে তিনি দুর্বল ছিলেন। যাহাবী বলেছেন, সামগ্রিকভাবে মুয়াত্তার ক্ষেত্রে তাঁর শ্রবণ (সামা‘) সঠিক। তিনি প্রায় একশ বছর জীবনকাল লাভ করেছিলেন।*

 

‌‌(১২) (বুখারি-আহমাদ)

ইবনে ইশকাব(১) আল-হাদরামি, আবু আব্দুল্লাহ আস-সাফফার আল-কুফি, মিসরে বসবাসকারী। বলা হয় তাঁর পিতার নাম মুয়াম্মার, আবার বলা হয় উবায়দুল্লাহ, আর ‘ইশকাব’ নামটি হলো মাজমা।

তিনি মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল, আবু বকর ইবনে আইয়াশ, শারীক এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন বুখারি, আবু হাতিম, বকর ইবনে সহল আদ-দামিয়াতি, আবু উমাইয়া আত-তারসুসি, ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান এবং ইয়াকুব ইবনে শায়বাহ। তিনি (ইয়াকুব ইবনে শায়বাহ) বলেছেন: তিনি কুফি এবং নির্ভরযোগ্য (সিক্বাহ)। আবু জুর'আ বলেছেন: তিনি হাদিসের অধিকারী (বিদ্বান), আমি তাঁকে পেয়েছিলাম কিন্তু তাঁর থেকে কিছু লিখে রাখিনি। আবু হাতিম বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (সিক্বাহ), বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী। আব্বাস আদ-দাওরি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তাঁর থেকে প্রচুর লিখেছেন। বুখারি বলেছেন: তাঁর সাথে আমার শেষ সাক্ষাত...

--------------------------------------------

(১) হামজার নিচে কাসরা (ই-কার) এবং পরবর্তী বর্ণটি শীন। ১২ তাকরীব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٧)
بمصر سنة (217 و) قال ابن يونس مات سنة سبع أو ثمان عشرة ومائتين. قلت. زعم مغلطاي أن الذي في كتاب ابن يونس مات سنة تسع عشرة أو ثمان عشرة كذا هو في عدة نسخ من التاريخ بتقديم التاء على السين. وقال العجلي ثقة. وقال ابن حبان في (الثقات) مات سنة سبع عشرة. ربما أخطأ*

 

‌‌(13) (بخ-أحمد)

بن أيوب بن راشد الضبي الشعيري البصري. روى عن عبد الوارث بن سعيد وشبابة. وعنه البخاري في (كتاب الأدب) وأبو زرعة والحسن بن علي المعمري وأبو يعلى وغيرهم. قلت. وروى عنه عبد الله بن أحمد في زيادات المسند وذكره ابن حبان في (الثقات) فقال ربما أغرب وكناه أبا الحسن*

 

‌‌(14) (ت ق-أحمد)

بن بديل بن قريش بن بديل بن الحارث أبو جعفر اليامي(1) قاضي الكوفة وهمدان. روى عن أبي بكر بن عياش وحفص بن غياث وابن نمير ووكيع وأبي أسامة وابن إدريس وغيرهم. روى عنه الترمذي وابن ماجه وإبراهيم بن دينار صاحبه وعلي بن عيسى بن الجراح الوزير وابن صاعد وأبو بكر صاحب أبي صخرة وجماعة. قال النسائي لا بأس به وقال ابن أبي حاتم محله الصدق وقال ابن عقدة رأيت إبراهيم بن إسحاق الصواف ومحمد بن عبد الله بن سليمان وداود بن يحيى لا يرضونه وقال ابن عدي حدث عن حفص بن غياث وغيره أحاديث أنكرت عليه وهو ممن يكتب حديثه على ضعفه وقال الدارقطني لين. وقال صالح جزرة كان يسمى راهب الكوفة فلما تقلد القضاء قال خذلت على كبر السن وقال النضر

--------------------------------------------

(1) اليامي نسبة الى يام بطن من همدان 12 لب اللباب
মিশরে ২১৭ হিজরিতে। ইবনে ইউনুস বলেছেন, তিনি দুইশত সতেরো বা আঠারো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি বলছি, মুগলতাই দাবি করেছেন যে ইবনে ইউনুসের কিতাবে আছে যে তিনি উনিশ বা আঠারো হিজরিতে মারা গেছেন; তারিখের বিভিন্ন পাণ্ডুলিপিতে ‘ত’ অক্ষরকে ‘স’ এর আগে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি বর্ণিত হয়েছে। ইজলি বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য। ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন, তিনি সতেরো হিজরিতে মারা গেছেন; সম্ভবত তিনি ভুল করেছেন।*

 

‌‌(১৩) (বুখারি [আল-আদাবুল মুফরাদ]-আহমাদ)

ইবনে আইয়ুব ইবনে রাশিদ আদ-দাব্বি আশ-শুআইরি আল-বাসরি। তিনি আব্দুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ এবং শাবাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বুখারি ‘কিতাবুল আদাব’-এ, আবু যুরআহ, হাসান ইবনে আলী আল-মামারি, আবু ইয়ালা এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আমি বলছি, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ‘যাওয়াইদুল মুসনাদ’-এ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করে বলেছেন যে, সম্ভবত তিনি অদ্ভুত বর্ণনা করতেন এবং তাঁর উপনাম দিয়েছেন আবুল হাসান।*

 

‌‌(১৪) (তিরমিযি, ইবনে মাজাহ-আহমাদ)

ইবনে বুদাইল ইবনে কুরাইশ ইবনে বুদাইল ইবনে আল-হারিস আবু জাফর আল-ইয়ামি(১) কুফা ও হামাদানের বিচারক। তিনি আবু বকর ইবনে আইয়াশ, হাফস ইবনে গিয়াস, ইবনে নুমাইর, ওয়াকি, আবু উসামা, ইবনে ইদ্রিস এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তিরমিযি, ইবনে মাজাহ, তাঁর সঙ্গী ইব্রাহিম ইবনে দিনার, উজির আলী ইবনে ঈসা ইবনুল জাররাহ, ইবনে সায়েদ, আবু সাখরার সঙ্গী আবু বকর এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি বলেছেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন, তাঁর অবস্থান সততার স্তরে। ইবনে উকদাহ বলেছেন, আমি ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক আস-সাওয়াফ, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান এবং দাউদ ইবনে ইয়াহইয়াকে দেখেছি যে তাঁরা তাঁকে গ্রহণ করতেন না। ইবনে আদি বলেছেন, তিনি হাফস ইবনে গিয়াস ও অন্যদের থেকে এমন সব হাদিস বর্ণনা করেছেন যা তাঁর ক্ষেত্রে অস্বীকৃত (মুনকার) গণ্য হয়েছে; দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও তাঁর হাদিস লিখে রাখা হয়। দারা কুতনি বলেছেন, তিনি শিথিল। সালেহ জাযারাহ বলেছেন, তাঁকে কুফার দরবেশ বলা হতো, কিন্তু যখন তিনি বিচারকের পদ গ্রহণ করলেন, তখন তিনি বললেন, বৃদ্ধ বয়সে আমি লাঞ্ছিত হলাম। নাদর বলেছেন...

--------------------------------------------

(১) আল-ইয়ামি: হামাদানের একটি শাখা ইয়াম-এর সাথে সম্পর্কিত, ১২ লুব্বুল লুবাব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٨)
قاضي همدان ثنا أحمد بن بديل عن حفص بن غياث عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وآله وسلم كان يقرأ في المغرب بقل يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وقل هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ. فذكرته لأبي زرعة فقال من حدثك قلت ابن بديل قال شر له. قال الدارقطني تفرد به أحمد عن حفص قال مطين مات (258). قلت. ذكره النسائي في أسماء شيوخه وذكره ابن حبان في (الثقات) وقال مستقيم الحديث*

 

‌‌(15) (أحمد)

بن بشر هو ابن أبي عبيد الله يأتي*

 

‌‌(16) (خ ت ق-أحمد)

بن بشير القرشي المخزومي مولى عمرو بن حريث ويقال الهمداني أبو بكر الكوفي قدم بغداد. روى عن هشام بن عروة وهاشم ابن هاشم الزهري وابن شبرمة وعبد الله بن عمر وإسماعيل بن خالد وغيرهم.

روى عنه الحسن بن عرفة وأبو موسى ومحمد بن سلام وأبو سعيد الأشج ويوسف بن موسى وغيرهم*قال ابن معين لم يكن به بأس وكان يقين وقال عثمان الدارمي قلت لابن معين عطاء بن المبارك تعرفه قال من يروي عنه قلت ذاك الشيخ أحمد بن بشير فتعجب وقال لا أعرفه. قال عثمان أحمد كان من أهل الكوفة ثم قدم بغداد وهو متروك. قال الخطيب ليس أحمد بن بشير مولى عمرو بن حريث هو الذي روى عن عطاء بن المبارك ذاك بغدادي وأما مولى عمرو بن حريث فليست حاله الترك وإنما له أحاديث تفرد بروايتها وقد كان موصوفا بالصدق وقال ابن نمير كان صدوقا حسن المعرفة بأيام الناس حسن الفهم إنما وضعه عند الناس الشعوبية
হামাদানের বিচারক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে বুদাইল, তিনি হাফস ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) মাগরিবের নামাজে 'কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন' এবং 'কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ' পাঠ করতেন। আমি এটি আবু যুরআহ-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন, কে তোমাকে এটি বর্ণনা করেছেন? আমি বললাম, ইবনে বুদাইল। তিনি বললেন, তার জন্য এটি অত্যন্ত মন্দ। দারা কুতনী বলেন, আহমাদ এটি হাফস থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। মুতাইন বলেন, তিনি (২৫৮ হিজরিতে) মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি, নাসাঈ তাকে তার শিক্ষকদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং ইবন হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, তার হাদিস সঠিক।*

 

‌‌(১৫) (আহমাদ)

ইবনে বিশর, তিনি হলেন ইবনে আবি উবায়দুল্লাহ, তার আলোচনা সামনে আসবে।*

 

‌‌(১৬) (বুখারি, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ- আহমাদ)

ইবনে বশীর আল-কুরাশী আল-মাখযূমী, আমর ইবনে হুরাইসের মুক্তদাস, তাকে আল-হামাদানীও বলা হয়, আবু বকর আল-কূফী, তিনি বাগদাদে এসেছিলেন। তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ, হাশিম ইবনে হাশিম আয-যুহরী, ইবনে শুবরুমাহ, আবদুল্লাহ ইবনে উমর, ইসমাঈল ইবনে খালিদ এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তার থেকে বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আরাফাহ, আবু মুসা, মুহাম্মাদ ইবনে সালাম, আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ, ইউসুফ ইবনে মুসা এবং অন্যরা।*ইবনে মাঈন বলেন, তার মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না এবং তিনি দৃঢ় ছিলেন। উসমান আদ-দারিমি বলেন, আমি ইবনে মাঈনকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি আতা ইবনুল মুবারককে চেনেন? তিনি বললেন, তার থেকে কে বর্ণনা করেন? আমি বললাম, সেই শায়খ আহমাদ ইবনে বশীর। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করলেন এবং বললেন, আমি তাকে চিনি না। উসমান বলেন, আহমাদ কূফার অধিবাসী ছিলেন, তারপর বাগদাদে আসেন এবং তিনি পরিত্যক্ত। খতিব বলেন, আমর ইবনে হুরাইসের মুক্তদাস আহমাদ ইবনে বশীর সেই ব্যক্তি নন যিনি আতা ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি ছিলেন বাগদাদের অধিবাসী। আর আমর ইবনে হুরাইসের মুক্তদাসের অবস্থা পরিত্যক্ত হওয়ার মতো নয়, বরং তার এমন কিছু হাদিস আছে যা তিনি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি সততার গুণে গুণান্বিত ছিলেন। ইবনে নুমাইর বলেন, তিনি সত্যবাদী ছিলেন, মানুষের ইতিহাস সম্পর্কে তার উত্তম জ্ঞান ছিল এবং তিনি প্রখর বুঝসম্পন্ন ছিলেন; মূলত শুউবিয়্যাহ (আভিজাত্যবাদী আন্দোলন) এর কারণেই মানুষের নিকট তার মর্যাদা হ্রাস পেয়েছিল।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٩)
وقال أبو زرعة صدوق وقال أبو حاتم محله الصدق وقال النسائي ليس بذاك القوي وقال أبو بكر بن أبي داود كان ثقة كثير الحديث ذهب حديثه فكان لا يحدث وقال الدارقطني ضعيف يعتبر بحديثه وأورد له ابن عدي حديثين منكرين قال وله أحاديث أخر قريبة من هذين. قال مطين أخبرت أنه مات سنة (197) زاد غيره في المحرم. قلت. الشعوبية هم الذين يفضلون العجم على العرب وقوله يقين أي يبيع القينات وقال ابن الجارود تغير وليس حديثه بشيء وقال العقيلي ضعيف ونقل أبو العرب عن النسائي أنه قال ليس به بأس.

 

‌‌(17) (تمييز-أحمد)

بن بشير البغدادي أبو جعفر المؤدب هو الذي أشار الخطيب إليه. روى عن عطاء بن المبارك. وعنه ابن أبي الدنيا.

 

‌‌(18) (س-أحمد)

بن بكار بن أبي ميمونة واسمه زيد القرشي الأموي مولاهم أبو عبد الرحمن الحضرمي الحراني(1) روى عن مخلد بن يزيد وأبي سعيد مولى بني هاشم ووكيع وأبي معاوية وغيرهم. روى عنه النسائي وقال لا بأس به وأبو عروبة وأبو بكر الباغندي وغيرهم وقال أبو زيد يحيى بن روح الحراني سألت أبا عبد الرحمن بن بكار حراني من الحفاظ ثقة وكان مخلد ابن يزيد يسأله لم لا تكتب عن يعلى بن الأشدق فذكر قصة. قال أبو عروبة مات في صفر سنة (244). قلت. وذكره ابن حبان في الثقات.

 

‌‌(19) (ت ق س-أحمد)

بن بكار الدمشقي هو أحمد بن عبد الرحمن ابن بكار يأتي*

--------------------------------------------

(1) الحراني بالفتح والنشئة نسبة الى حران مدينة بالجزيرة 12
আবু যুরআ বলেছেন তিনি সত্যবাদী। আবু হাতিম বলেছেন তার স্তর হলো সত্যবাদিতা। নাসায়ি বলেছেন তিনি ততোটা শক্তিশালী নন। আবু বকর ইবন আবি দাউদ বলেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য ও প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন, তার হাদিসসমূহ হারিয়ে গিয়েছিল ফলে তিনি আর হাদিস বর্ণনা করতেন না। দারাকুতনি বলেছেন তিনি দুর্বল, তবে তার হাদিস বিবেচনা করা যায়। ইবন আদি তার বর্ণিত দুটি মুনকার (পরিত্যক্ত) হাদিস উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন তার আরও কিছু হাদিস আছে যা এই দুইটির কাছাকাছি। মুতায়্যিন বলেছেন আমাকে জানানো হয়েছে যে তিনি (১৯৭) হিজরিতে ইন্তেকাল করেছেন, অন্যরা এর সাথে মুহাররম মাস যুক্ত করেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: শুউবিয়া হলো তারা যারা আরবদের উপর অনারবদের শ্রেষ্ঠত্ব দেয়। এবং তার সম্পর্কে 'ইয়াকিন' কথাটির অর্থ হলো তিনি গায়িকা দাসী বিক্রয় করতেন। ইবনুল জারুদ বলেছেন তার (স্মৃতিশক্তির) পরিবর্তন ঘটেছিল এবং তার হাদিস গ্রহণযোগ্য কিছু নয়। উকাইলি বলেছেন তিনি দুর্বল। আবু আল-আরব নাসায়ি থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন এতে কোনো সমস্যা নেই।

 

‌‌(১৭) (তাময়িজ-আহমাদ)

ইবন বশির আল-বাগদাদি আবু জাফর আল-মুয়াদ্দিব, ইনিই সেই ব্যক্তি যার দিকে আল-খাতিব ইশারা করেছেন। তিনি আতা ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে ইবন আবিদ দুনইয়া বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌(১৮) (সিন-আহমাদ)

ইবন বক্কার ইবন আবি মাইমুনা, তার নাম যাইদ আল-কুরাশি আল-উমাবি তাদের মুক্তদাস আবু আবদির রহমান আল-হাদরামি আল-হাররানি(১)। তিনি মাখলাদ ইবন ইয়াযিদ, বনু হাশিমের মুক্তদাস আবু সাঈদ, ওয়াকি এবং আবু মুয়াবিয়া ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে নাসায়ি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, এছাড়া আবু আরুবা, আবু বকর আল-বাগিন্দি ও অন্যান্যরা তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু যাইদ ইয়াহইয়া ইবন রুহ আল-হাররানি বলেন, আমি আবু আবদির রহমান ইবন বক্কার হাররানিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যিনি হাফিজ ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন। মাখলাদ ইবন ইয়াযিদ তাকে জিজ্ঞেস করতেন কেন আপনি ইয়ালা ইবনুল আশদাক থেকে হাদিস লিখেন না? এরপর তিনি একটি ঘটনা উল্লেখ করলেন। আবু আরুবা বলেন তিনি (২৪৪) হিজরির সফর মাসে ইন্তেকাল করেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইবন হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌(১৯) (তা, কফ, সিন-আহমাদ)

ইবন বক্কার আদ-দিমাশকি হলেন আহমাদ ইবন আবদির রহমান ইবন বক্কার, তার আলোচনা সামনে আসবে।*

--------------------------------------------

(১) হাররানি শব্দটি জবর এবং পরবর্তী হরফে তাশদিদ যোগে জাজিরা অঞ্চলের হাররান শহরের দিকে সম্বন্ধিত। ১২
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
‌‌(20) (تمييز-أحمد)

بن بكار الباهلي. عن عمر أن بن عيينة وعنه عبد الله بن قحطبة وغيره. قال ابن حبان في الثقات مستقيم الحديث وقال أحمد بن الحسين الصوفي الصغير ثنا أبو هانئ أحمد بن بكار الباهلي وكان سيد أهل البصرة ذكرته للتمييز.

 

‌‌(21) (ع-أحمد)

بن أبي بكر واسمه القاسم بن الحارث بن زرارة بن مصعب بن عبد الرحمن بن عوف أبو مصعب الزهري المدني. روى عن مالك الموطأ والدراوردي وابن أبي حازم والمغيرة بن عبد الرحمن ومحمد بن إبراهيم بن دينار وجماعة. روى عنه الجماعة لكن النسائي بواسطة خياط السنة وأبو إسحاق الهاشمي راوية الموطأ عنه وبقي بن مخلد وأبو زرعة وأبو حاتم وقالا صدوق والذهلي وزكريا السجزي(1) وعبد الله بن أحمد وغيرهم. قال الزبير بن بكار مات وهو فقيه أهل المدينة غير مدافع قال السراج مات في رمضان سنة (242) وله (92) سنة. قلت. وكذا ذكر البخاري وابن أبي عاصم وفاته وقال صاحب الميزان ما أدري ما معنى قول أبي خيثمة لابنه لا تكتب عن مصعب واكتب عن من شئت انتهى ويحتمل أن يكون مراد أبي خيثمة دخوله في القضاء أو إكثاره من الفتوى بالرأي وقال الحاكم كان فقيها متقشفا عالما بمذاهب أهل المدينة وكذا ذكر ابن حبان في الثقات وقال ابن حزم في موطئه زيادة على مائة حديث وقدمه

--------------------------------------------

(1) زكريا بن يحيى بن إياس بن سلمة السجزى بكسر المهملة وسكون الجيم بعدها زاى أبو عبد الرحمن نزيل دمشق يعرف بخياط السنة 12 تقريب
‌(২০) (পার্থক্যকরণ-আহমাদ)

ইবনে বাক্কার আল-বাহিলি। ওমর ইবনে উয়াইনা থেকে এবং তার থেকে আবদুল্লাহ ইবনে কাহতাবা ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাত' গ্রন্থে বলেছেন যে তিনি সঠিক হাদিস বর্ণনাকারী। আহমাদ ইবনুল হুসাইন আস-সুফি আস-সাগির বলেছেন: আমাদের কাছে আবু হানি আহমাদ ইবনে বাক্কার আল-বাহিলি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বসরাবাসীদের নেতা ছিলেন। পার্থক্যের খাতিরে আমি তাকে উল্লেখ করেছি।

 

‌‌(২১) (জামাআত-আহমাদ)

ইবনে আবি বকর এবং তার নাম হলো আল-কাসিম ইবনুল হারিস ইবনে যুরারা ইবনে মুসআব ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ আবু মুসআব আজ-যুহরি আল-মাদানি। তিনি মালেকের কাছ থেকে মুয়াত্তা বর্ণনা করেছেন এবং আদ-দারাওয়ারদি, ইবনে আবি হাযিম, আল-মুগিরা ইবনে আবদুর রহমান, মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে দিনার এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে জামাআত (প্রধান হাদিস সংকলকগণ) বর্ণনা করেছেন, তবে নাসায়ি বর্ণনা করেছেন খইয়াতুস সুন্নাহর মাধ্যমে। আর আবু ইসহাক আল-হাশেমি তাঁর থেকে মুয়াত্তার বর্ণনাকারী। এ ছাড়াও বাকি ইবনে মাখলাদ, আবু যুরআ ও আবু হাতিম বর্ণনা করেছেন; তাঁরা দুজন তাকে সত্যবাদী বলেছেন। আজ-যুহলি, যাকারিয়া আস-সিজজি(১), আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ এবং অন্যান্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। জুবাইর ইবনে বাক্কার বলেছেন: তিনি মদিনাবাসীদের অবিসংবাদিত ফকিহ (আইনজ্ঞ) হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন। আস-সাররাজ বলেছেন: তিনি ২৪২ হিজরি সনের রমজান মাসে ৯২ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইমাম বুখারি এবং ইবনে আবি আসিমও একইভাবে তাঁর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেছেন। 'আল-মিজান' গ্রন্থের লেখক বলেছেন: আবু খাইসামা তাঁর ছেলেকে যে বলেছিলেন "মুসআব থেকে লিখো না, বরং যার থেকে ইচ্ছা লিখো" এর অর্থ কী তা আমি জানি না। সমাপ্ত। সম্ভবত আবু খাইসামার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর বিচারকের দায়িত্বে প্রবেশ করা অথবা ব্যক্তিগত রায়ের ভিত্তিতে ফতোয়া প্রদানের আধিক্য। আল-হাকিম বলেছেন: তিনি ছিলেন একজন বিলাসবর্জিত ফকিহ এবং মদিনাবাসীদের মাজহাব সম্পর্কে বিজ্ঞ। ইবনে হিব্বানও 'আস-সিকাত' গ্রন্থে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। ইবনে হাযম তাঁর মুয়াত্তা সম্পর্কে বলেছেন যে, এতে একশোরও বেশি অতিরিক্ত হাদিস রয়েছে এবং তিনি তাকে অগ্রগণ্য করেছেন...

--------------------------------------------

(১) যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াস ইবনে সালামাহ আস-সিজজি (সিন অক্ষরে জের এবং জিম অক্ষরে সুকুন, তারপর যা), আবু আবদুর রহমান, দামেস্কের বাসিন্দা, তিনি 'খইয়াতুস সুন্নাহ' নামে পরিচিত। ১২ (স্তর), তাকরিব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢١)
الدارقطني في الموطأ على يحنى بن بكير*

 

‌‌(22) (ق-أحمد)

بن ثابت الجحدري(1) أبو بكر البصري. رُوي عن سفيان ابن عيينة وعبد الوهاب الثقفي وغندر والقطان وغيرهم. روى عنه ابن ماجه والبخاري في التاريخ وابن صاعد وأبو عروبة وعمر بن بجير وابن خزيمة وأبو بكر بن أبي داود وغيرهم كان حيا في سنة (255). قلت. قال ابن حبان في الثقات كان مستقيم الأمر في الحديث وذكره أبو علي الغساني في شيوخ (د) وقال أنه روى عنه في كتاب بدء الوحي له*

 

‌‌(23) (م-أحمد)

بن جعفر المعقري(2) أبو الحسن نزيل مكة ومعقر ناحية من اليمن. روى عن النضر بن محمد وإسماعيل بن عبد الكريم بن معقل بن منبه.

وعنه مسلم والمفضل بن محمد الجندي ومحمد بن إسحاق بن العباس الفاكهي المكي كان حيا سنة (255) وذكر عبد الغني في ترجمته أنه روى عن سعيد ابن بشير وقيس بن الربيع وهو وهم فإنه لم يدركهما. قلت. إنما روى عن النضر عنهما وقال اللالكائي يكنى أبا أحمد*

 

‌‌(24) (تمييز-أحمد)

بن جعفر الحلواني البزار. روى عن جعفر بن عون وأبي عاصم. قال ابن حبان في (الثقات) حدثنا عنه محمد بن المسيب وهو مستقيم الأمر في الحديث*

 

‌‌(25) (م د س-أحمد)

بن جناب(3) بن المغيرة المصيصي أبو الوليد

--------------------------------------------

(1) الجحدرى بفتح اوله وثالثه ومهملات نسبة الى جحدر قبيلة 12 تقريب

(2) المعقرى بفتح الميم وكسر القاف 12

(3) جناب بفتح الجيم وتخفيف النون 12 تقريب
ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইরের বর্ণনায় মুওয়াত্তার উপর আদ-দারা কুতনি*

 

‌‌(২২) (ক্ব-আহমাদ)

বিন সাবিত আল-জাহদারি(১) আবু বকর আল-বাসরি। সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আব্দুল ওয়াহহাব আস-সাকাফি, গুন্দার, আল-কাত্তান এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত হয়েছে। তাঁর থেকে ইবনে মাজাহ, আল-বুখারি তাঁর 'তারিখ' গ্রন্থে, ইবনে সায়েদ, আবু আরুবাহ, উমর ইবনে বুজাইর, ইবনে খুজাইমাহ, আবু বকর ইবনে আবি দাউদ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৫৫ হিজরিতে জীবিত ছিলেন। আমি বলছি, ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাতি' গ্রন্থে বলেছেন যে তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত ছিলেন। আবু আলি আল-গাসসানি তাকে আবু দাউদের উস্তাদদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি তাঁর 'বাদউল ওয়াহি' (ওহির সূচনা) কিতাবে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।*

 

‌‌(২৩) (ম-আহমাদ)

বিন জাফর আল-মুয়াক্কিরি(২) আবু আল-হাসান, মক্কায় বসবাসকারী; আর মুয়াক্কির হলো ইয়ামেনের একটি অঞ্চল। তিনি আন-নাদর ইবনে মুহাম্মদ এবং ইসমাইল ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে মাকিল ইবনে মুনাব্বিহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর তাঁর থেকে মুসলিম, আল-মুফাদ্দাল ইবনে মুহাম্মদ আল-জানদি এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে আল-আব্বাস আল-ফাকিহি আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৫৫ হিজরিতে জীবিত ছিলেন। আব্দুল গনি তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন যে তিনি সাঈদ ইবনে বাশির এবং কায়েস ইবনে আর-রাবি থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে এটি একটি ভুল ধারণা, কারণ তিনি তাঁদের পাননি। আমি বলছি, তিনি মূলত আন-নাদরের মাধ্যমে তাঁদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-লালকায়ি বলেছেন যে তাঁর উপনাম ছিল আবু আহমাদ।*

 

‌‌(২৪) (তাময়িয-আহমাদ)

বিন জাফর আল-হালওয়ানি আল-বাযযার। তিনি জাফর ইবনে আউন এবং আবু আসিম থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাতি' গ্রন্থে বলেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আল-মুসাইয়িব আমাদের নিকট তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি হাদিসের বিষয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত ছিলেন।*

 

‌‌(২৫) (ম দ স-আহমাদ)

বিন জুনাব(৩) বিন আল-মুগিরা আল-মাসসিসি আবু আল-ওয়ালিদ।

--------------------------------------------

(১) আল-জাহদারি—এর প্রথম ও তৃতীয় বর্ণে ফাতহা এবং বিন্দুহীন বর্ণ সহযোগে; এটি 'জাহদার' নামক একটি গোত্রের সম্বন্ধসূচক নাম। ১২ তাকরিব।

(২) আল-মুয়াক্কিরি—মিম বর্ণে ফাতহা এবং ক্বাফ বর্ণে কাসরা সহযোগে। ১২।

(৩) জুনাব—জিম বর্ণে ফাতহা এবং নুন বর্ণে তাশদিদহীন (হালকা) উচ্চারণ সহযোগে। ১২ তাকরিব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
الحدثي يقال إنه بغدادي الأصل. روى عن عيسى بن يونس والحكم بن ظهير وغيرهما. وعنه مسلم وأبو داود والنسائي بواسطة ويعقوب بن شيبة وصاعقة وأبو زرعة وعثمان بن خرزاذ(1) والدراوردي وكتب عنه أحمد بن حنبل وابنه عبد الله وآخر من روى عنه أحمد بن الحسن بن عبد الجبار الصوفي.

قال صالح جزرة صدوق وقال ابن أبي عاصم مات سنة (230) قلت. نقل الذهبي أن آخر من روى عنه أبو يعلى الموصلي وقال الحاكم ثقة وذكره ابن حبان في الثقات وقال ابن أبي حاتم روى عنه أبي وقال هو صدوق*

 

‌‌(26) (م د-أحمد)

بن جواس(2) الحنفي أبو عاصم الكوفي. روى عن أبي الأحوص وعبد الله بن إدريس وابن المبارك وأبي معاوية وأبي بكر بن عياش وغيرهم. روى عنه مسلم وأبو داود وأبو زرعة وابن وارة وأحسن الثناء عليه وأبو بكر الأثرم والحسن بن سفيان وغيرهم قال مطين مات لثلاث خلون من المحرم سنة (238) ثقة. قلت. وذكره ابن حبان في الثقات وروى عنه بقي بن مخلد وقد قال إنه لم يحدث إلا عن ثقة*

 

‌‌(27) (تمييز-أحمد)

بن جواس الأستوائي أبو جعفر. روى عن يحيى بن يحيى وإسماعيل بن أبي أويس وغيرهما. وعنه أبو محمد بن الشرقي وموسى بن العباس الجويني ذكره الحاكم في تاريخ نيسابور*ذكر للتمييز*

 

‌‌(28) (خ-أحمد)

بن الحجاج البكري الذهلي الشيباني أبو العباس المروزي.

روى عن أبي ضمرة وحاتم بن إسماعيل وابن عيينة والدراوردي وابن مهدي وغيرهم. وعنه البخاري وإبراهيم الحربي والدارمي وعلي بن عبد العزيز

--------------------------------------------

(1) بضم المعجمة وتشديد الراء بعدها زاى

(2) بفتح الجيم وتشديد الواو آخره مهملة /2 تقريب
আল-হাদাসি সম্পর্কে বলা হয় যে তিনি মূলত বাগদাদী ছিলেন। তিনি ঈসা ইবনে ইউনুস, আল-হাকাম ইবনে জুহাইর এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মুসলিম, আবু দাউদ এবং আন-নাসায়ী (মধ্যস্থতায়) এবং ইয়াকুব ইবনে শায়বাহ, সা’ইকাহ, আবু যুরআহ, উসমান ইবনে খারাযায(১) ও আদ-দারাওয়ার্দি বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আহমাদ ইবনে হাম্বল ও তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ (হাদিস) লিখেছেন এবং তাঁর থেকে সর্বশেষ বর্ণনাকারী হলেন আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সুফি।

সালিহ জাযরাহ বলেছেন যে তিনি সত্যবাদী (সদুক), আর ইবনে আবি আসিম বলেছেন যে তিনি ২৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি, আয-যাহাবি উল্লেখ করেছেন যে তাঁর থেকে সর্বশেষ বর্ণনাকারী হলেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি। আল-হাকিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় (আস-সিকাত) উল্লেখ করেছেন। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন, তাঁর থেকে আমার পিতা বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন যে তিনি সত্যবাদী (সদুক)*

 

‌‌(২৬) (মুসলিম, আবু দাউদ-আহমাদ)

ইবনে জাওওয়াস(২) আল-হানাফি আবু আসিম আল-কুফি। তিনি আবু আল-আহওয়াস, আব্দুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস, ইবনুল মুবারক, আবু মুআবিয়াহ, আবু বকর ইবনে আইয়াশ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মুসলিম, আবু দাউদ, আবু যুরআহ এবং ইবনে ওয়ারাহ বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (ইবনে ওয়ারাহ) তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এছাড়া আবু বকর আল-আছরাম, আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান এবং আরও অনেকে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। মুতাইন বলেছেন, তিনি ২৩৮ হিজরির মুহাররম মাসের তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। আমি বলছি, ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় (আস-সিকাত) উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর থেকে বাকি ইবনে মাখলাদ বর্ণনা করেছেন; আর তিনি (বাকি) বলেছেন যে তিনি কেবল নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বর্ণনাকারী ছাড়া কারো থেকে বর্ণনা করেন না।*

 

‌‌(২৭) (পার্থক্যকারী-আহমাদ)

ইবনে জাওওয়াস আল-উস্তুওয়ায়ী আবু জাফর। তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া, ইসমাইল ইবনে আবি উয়াইস এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু মুহাম্মদ ইবনুল শারকি এবং মুসা ইবনুল আব্বাস আল-জুওয়াইনি বর্ণনা করেছেন। আল-হাকিম তাঁকে তারিখু নাইসাপুর-এ উল্লেখ করেছেন। *পার্থক্য করার জন্য এটি উল্লেখ করা হলো*

 

‌‌(২৮) (বুখারি-আহমাদ)

ইবনে আল-হাজ্জাজ আল-বাকরি আদ-যুহলি আশ-শায়বানি আবু আল-আব্বাস আল-মারওয়াযি।

তিনি আবু দামরাহ, হাতিম ইবনে ইসমাইল, ইবনে উইয়াইনাহ, আদ-দারাওয়ার্দি, ইবনে মাহদি এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বুখারি, ইব্রাহিম আল-হারবি, আদ-দারিমি এবং আলী ইবনে আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মুজাম বর্ণে (খ-এ) পেশ এবং রা-বর্ণে তাশদীদ সহকারে, অতঃপর ঝা।

(২) জিম-এ ফাতহা এবং ওয়াও-এ তাশদীদ সহকারে, শেষে হারফে মোহমালাহ (সীন)। /২ তাকরিব
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
وجماعة. قال الخطيب قدم بغداد وحدث بها فأثنى عليه أحمد وقال ابن أبي خيثمة كان رجل صدق. قال البخاري مات يوم عاشوراء سنة (222). قلت. وذكره ابن حبان في (الثقات) *

 

‌‌(29) (س-أحمد)

بن حرب بن محمد بن علي بن حبان بن مازن بن الغضوبة الطائي أبو علي ويقال أبو بكر الموصلي أخو علي ولجده مازن صحبة. روى عن ابن عيينة وأبي معاوية وابن إدريس وابن فضيل والمحاربي وابن علية وغيرهم. روى عنه النسائي وأخوه علي وعبد الرحمن ابن أخي الإمام ومكحول البيروتي وأبو بكر بن أبي داود وغيرهم. قال النسائي لا بأس به وهو أحب إلي من أخيه علي وقال ابن أبي حاتم أدركته ولم أكتب عنه وكان صدوقا وقال صاحب تاريخ الموصل هجره أخوه علي لمسألة اللفظ وقد شارك عليا في شيوخه وتفرد عنه بابن علية فإن عليا لم يسمع منه.

ولد سنة (174) ومات بأذنة(1) سنة (263). قلت. وذكره ابن حبان في الثقات وخرج له في صحيحه وأرخ وفاته كذلك*

 

‌‌(30) (تمييز-أحمد)

بن حرب بن محمد البخاري يكنى أبا إسحاق. روى عن أبيه وعيسى بن موسى الحافظ المعروف بغنجار وشداد بن حكيم وعصام بن يونس وغيرهم*روى عنه سعيد بن ذاكر والفتح بن الحسن النجاريان ذكره الخطيب وذكرته للتمييز لاتفاقه مع الطائي في اسمه واسم أبيه وجده وذكر الخطيب اثنين آخرين لكن جداهما مفترقان أحدهما اسم جده عبد الله ابن سهل بن فيروز وهو نيسابوري وهو من طبقة الطائي والآخر اسم جده

--------------------------------------------

(1) اذنه بلد بساحل الشام عند طرطوس 12 لب اللباب
এবং একটি জামাত। খতিব বলেন, তিনি বাগদাদে এসেছিলেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন, ফলে আহমাদ তাঁর প্রশংসা করেছেন। ইবনে আবি খাইসামাহ বলেন, তিনি একজন সত্যবাদী মানুষ ছিলেন। বুখারি বলেন, তিনি ২২২ হিজরি সনের আশুরার দিনে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি, ইবনে হিব্বান তাঁকে (আস-সিকাত) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌(২৯) (সিন-আহমাদ)

বিন হারব বিন মুহাম্মাদ বিন আলি বিন হিব্বান বিন মাজিন বিন আল-গাজুবা আত-তাঈ আবু আলি, তাঁকে আবু বকর আল-মাওসিলিও বলা হয়। তিনি আলির ভাই এবং তাঁর দাদা মাজিনের সাহচর্য (সাহাবি হওয়ার মর্যাদা) ছিল। তিনি ইবনে উইয়াইনাহ, আবু মুয়াবিয়া, ইবনে ইদ্রিস, ইবনে ফুদাইল, আল-মুহারিবি, ইবনে উলাইয়াহ এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন নাসাঈ, তাঁর ভাই আলি, ইমামের ভাতিজা আবদুর রহমান, মাকহুল আল-বাইরুতি, আবু বকর বিন আবি দাউদ এবং অন্যান্যরা। নাসাঈ বলেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই এবং তিনি আমার কাছে তাঁর ভাই আলির চেয়ে অধিক পছন্দনীয়। ইবনে আবি হাতিম বলেন, আমি তাঁকে পেয়েছি কিন্তু তাঁর থেকে কিছু লিখিনি এবং তিনি সত্যবাদী ছিলেন। 'তারিখে মাওসিল' এর লেখক বলেন, তাঁর ভাই আলি 'লফজ' (কুরআন পাঠের শব্দ) সংক্রান্ত মাসআলার কারণে তাঁর সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেছিলেন। তিনি আলির সাথে তাঁর শিক্ষকদের বিষয়ে অংশীদার ছিলেন, তবে ইবনে উলাইয়াহর বর্ণনায় তিনি স্বতন্ত্র ছিলেন, কারণ আলি তাঁর থেকে শোনেননি।

তিনি ১৭৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২৬৩ হিজরিতে আদানা(১) সালে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি, ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর 'সহিহ' গ্রন্থে তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর মৃত্যুর তারিখও একইভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন।

 

‌‌(৩০) (তাময়ীয-আহমাদ)

বিন হারব বিন মুহাম্মাদ আল-বুখারি, তাঁর উপনাম আবু ইসহাক। তিনি তাঁর পিতা, গুঞ্জার নামে পরিচিত হাফিজ ঈসা বিন মুসা, শাদ্দাদ বিন হাকিম, ইসাম বিন ইউনুস এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সাঈদ বিন জাকির এবং আল-ফাতহ বিন আল-হাসান আন-নাজ্জারিদ্বয় বর্ণনা করেছেন। খতিব তাঁকে উল্লেখ করেছেন, আর আমি তাঁকে পার্থক্যের জন্য (তাময়ীয) উল্লেখ করেছি কারণ তাঁর নাম এবং তাঁর পিতা ও দাদার নাম আত-তাঈ-এর সাথে মিলে যায়। খতিব আরও দুজনকে উল্লেখ করেছেন কিন্তু তাদের দাদাদের নাম ভিন্ন; তাদের একজনের দাদার নাম আবদুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে ফিরোজ, তিনি নিশাপুরি এবং তিনি আত-তাঈ-এর সমসাময়িক স্তরের, আর অন্যজনের দাদার নাম...

--------------------------------------------

(১) আদানা সিরিয়ার উপকূলীয় একটি শহর যা তারতুসের নিকটে অবস্থিত ১২ লুব্বুল লুবাব
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
مسمع وهو بغدادي من طبقة البخاري*

 

‌‌(31) (خ ت-أحمد)

بن الحسن بن جنيدب(1) أبو الحسن الترمذي الحافظ الرحال صاحب أحمد بن حنبل. روى عنه وعن حجاج بن نصير والقعنبي وأبي عاصم وعبد الله بن نافع وطائفة. وعنه البخاري والترمذي وابن خزيمة وأبو حاتم وأبو زرعة وابن جرير وجعفر بن محمد بن المستفاض وجماعة. قال الحاكم ورد نيسابور سنة إحدى وأربعين ومائتين فحدث في ميدان الحسين ثم حج وانصرف إلى نيسابور فكتب عنه كافة مشايخنا وسألوه عن علل الحديث والجرح والتعديل وقال ابن خزيمة كان أحد أوعية الحديث. قلت. وقال أبو حاتم صدوق وذكره ابن حبان في الثقات وقال الذهبي توفي قبل سنة (250) *

 

‌‌(32) (م ت-أحمد)

بن الحسن بن خراش البغدادي أبو جعفر خراساني الأصل. روى عن شبابة وأبي عامر العقدي وابن مهدي وعبد الصمد بن عبد الوارث وجماعة. وعنه مسلم والترمذي وعبيد العجلي وعبد الله بن أحمد والسراج وقال مات سنة (243) عن ستين سنة. قال الخطيب كان ثقة. قلت. وذكره ابن حبان في الثقات*

 

‌‌(33) (خ د س-أحمد)

بن حفص بن عبد الله بن راشد السلمي أبو علي بن أبي عمر والنيسابورى قاضيها. عن أبيه والحسين بن الوليد القرشي والجارود بن يزيد العامري وغيرهم. وعنه البخاري وأبو داود والنسائي ومسلم في غير الصحيح وأبو حاتم وأبو عوانة وزكريا السجزي وصالح جزرة وأبو حامد

--------------------------------------------

(1) بالجيم والنون مصغرا 2/ تقريب
মুসমা’, তিনি একজন বাগদাদী এবং ইমাম বুখারির সমসাময়িক স্তরের বর্ণনাকারী।*

 

‌‌(৩১) (খ ত-আহমাদ)

ইবনুল হাসান ইবনে জুনাইদাব(১) আবু হাসান আত-তিরমিযী; তিনি হাফিজ, দেশভ্রমণকারী এবং আহমাদ ইবনে হাম্বলের সঙ্গী ছিলেন। তিনি তাঁর থেকে এবং হাজ্জাজ ইবনে নুসাইর, আল-কায়নাবী, আবু আসিম, আব্দুল্লাহ ইবনে নাফি এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে ইমাম বুখারি, তিরমিজি, ইবনে খুযাইমা, আবু হাতিম, আবু যুরআহ, ইবনে জারীর, জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুস্তাফাদ এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। আল-হাকিম বলেন, তিনি ২৪১ হিজরি সালে নিশাপুরে আগমন করেন এবং আল-হুসাইন ময়দানে হাদিস বর্ণনা করেন। অতঃপর তিনি হজ সম্পাদন করে পুনরায় নিশাপুরে ফিরে আসেন। আমাদের সকল শিক্ষক তাঁর থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তাঁকে হাদিসের ত্রুটি (ইল্লাত) এবং জারহ-তাদিল (বর্ণনাকারীর সমালোচনা ও গ্রহণযোগ্যতা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন। ইবনে খুযাইমা বলেন, তিনি হাদিসের অন্যতম আধার ছিলেন। আমি বলছি, আবু হাতিম বলেছেন তিনি সত্যবাদী (সাদুক)। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের (সিকাত) তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং আয-যাহাবী বলেছেন যে তিনি ২৫০ হিজরির পূর্বে ইন্তেকাল করেন।*

 

‌‌(৩২) (ম ত-আহমাদ)

ইবনুল হাসান ইবনে খারাশ আল-বাগদাদী আবু জাফর, তিনি মূলে খোরাসানি ছিলেন। তিনি শাবাবাহ, আবু আমির আল-আকাদী, ইবনে মাহদী, আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে ইমাম মুসলিম, তিরমিজি, উবাইদ আল-ইজলী, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ এবং আস-সাররাজ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি ২৪৩ হিজরিতে ষাট বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। আল-খতিব বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ছিলেন। আমি বলছি, ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন।*

 

‌‌(৩৩) (খ দ স-আহমাদ)

ইবনে হাফস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রাশিদ আস-সুলামী আবু আলী ইবনে আবু উমর আন-নিশাপুরি, তিনি সেখানকার বিচারক (কাযী) ছিলেন। তিনি তাঁর পিতা, হুসাইন ইবনুল ওয়ালীদ আল-কুরাশী, আল-জারুদ ইবনে ইয়াযীদ আল-আমিরী এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে ইমাম বুখারি, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইমাম মুসলিম (সহিহ গ্রন্থ ব্যতীত অন্য গ্রন্থে), আবু হাতিম, আবু আওয়ানাহ, যাকারিয়া আস-সিজযী, সালিহ জাযরাহ এবং আবু হামিদ বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) জীম ও নূন যোগে ক্ষুদ্রার্থক (তাসগীর) রূপে। ২/ তাকরীব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
ابن الشرقي وأبو حامد بن بلال البزار وأبو بكر بن زياد الفقيه وأبو بكر بن أبي داود وابن خزيمة*قال النسائي لا بأس به صدوق قليل الحديث وقال أبو عمرو المستملي مات ليلة الأربعاء لأربع خلون من المحرم سنة (258) وخيل إلي أنه امتلأ الميدان من الخلق. قلت وقال الكلاباذي فيه السلمي مولاهم. وقال مسدد بن قطن ما رأيت أحدا أتم صلاة منه وأمر مسلم بالكتابة عنه وقال النسائي في أسماء شيوخه ثقة وكذا قال مسلمة وزعم الجياني في أسماء شيوخ ابن الجارود أنه مات سنة (55) وقيل ستين والأول هو المعتمد.

 

‌‌(34) (س-أحمد)

بن حفص بن المغيرة بن عبد الله بن عمر بن مخزوم المخزومي يكنى أبا عمرو وهو مشهور بكنيته يأتي.

 

‌‌(35) (أحمد)

بن الحكم البصري هو ابن عبد الله بن الحكيم يأتي.

 

‌‌(36) (س-أحمد)

بن حماد بن مسلم بن عبد الله بن عمر والتجيبى أبو جعفر المصري مولى بني سعد من تجيب وهو أخو عيسى بن حماد زغبة(1) روى عن سعيد بن أبي مريم وسعيد بن عفير ويحيى بن بكير وأبي صالح عبد الغفار الحراني وغيرهم. روى عنه النسائي فيما ذكر صاحب النبل وأبو بكر بن أبي الموت وأبو سعيد بن يونس والحسن بن رشيق وأبو القاسم الطبراني وعدة. قال النسائي صالح وقال ابن يونس توفي يوم السبت لخمس بقين من

--------------------------------------------

(1) زغبة بضم الزاي وسكون المعجمة بعدها موحدة لقب له وهو لقب أبيه ايضا 12 تقريب
ইবনে আশ-শারকি, আবু হামিদ বিন বিলাল আল-বাযযার, আবু বকর বিন যিয়াদ আল-ফকিহ, আবু বকর বিন আবি দাউদ এবং ইবনে খুযাইমাহ। নাসাঈ বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তিনি সত্যবাদী, অল্প হাদিস বর্ণনাকারী। আবু আমর আল-মুস্তামলি বলেন: তিনি ২৫৮ হিজরি সালের মহরম মাসের চার দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বুধবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন। আমার মনে হয় যে, (জানাজায়) মানুষের ভিড়ে মাঠ পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আল-কালাবাযি তার সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি সুলামি, তাদের আযাদকৃত দাস। মুসাদ্দাদ বিন কাতান বলেন: আমি তার চেয়ে বেশি পূর্ণাঙ্গ সালাত আদায়কারী আর কাউকে দেখিনি। ইমাম মুসলিম তার নিকট থেকে (হাদিস) লিখে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নাসাঈ তার উস্তাদদের নামের তালিকায় তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন, এবং মাসলামাহ-ও অনুরূপ বলেছেন। আল-জায়ানি ইবনুল জারুদের উস্তাদদের নামের তালিকায় দাবি করেছেন যে, তিনি ৫৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন; আবার বলা হয়েছে যে, ৬০ হিজরিতে। তবে প্রথম অভিমতটিই নির্ভরযোগ্য।

 

‌‌(৩৪) (সীন-আহমদ)

বিন হাফস বিন আল-মুগিরা বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন মাখযুম আল-মাখযুমি। তার উপনাম আবু আমর এবং তিনি তার উপনামেই প্রসিদ্ধ। তার আলোচনা সামনে আসবে।

 

‌‌(৩৫) (আহমদ)

বিন আল-হাকাম আল-বাসরি। তিনি হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ বিন আল-হাকিম। তার আলোচনা সামনে আসবে।

 

‌‌(৩৬) (সীন-আহমদ)

বিন হাম্মাদ বিন মুসলিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর আত-তুজিবি আবু জাফর আল-মিসরি, তুজিব গোত্রের বনু সা’দ-এর আযাদকৃত দাস। তিনি ঈসা বিন হাম্মাদ যাগবাহ-এর(১) ভাই। তিনি সাঈদ বিন আবি মারইয়াম, সাঈদ বিন উফাইর, ইয়াহইয়া বিন বুকাইর, আবু সালিহ আব্দুল গাফফার আল-হাররানি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন নাসাঈ (যেমনটি 'আন-নুবলা'র লেখক উল্লেখ করেছেন), আবু বকর বিন আবুল মাউত, আবু সাঈদ বিন ইউনুস, হাসান বিন রাশিদ, আবুল কাসিম আত-তাবারানি এবং আরও অনেকে। নাসাঈ তাকে সৎ (সালিহ) বলেছেন। ইবনে ইউনুস বলেন: তিনি শনিবার মৃত্যুবরণ করেন যখন (মাসের) পাঁচ দিন বাকি ছিল...

--------------------------------------------

(১) যাগবাহ: যা (ز) বর্ণে পেশ এবং মু'জাম (غ) বর্ণে সুকুন, এরপর মুওয়াহহাদাহ (ب) বর্ণ। এটি তার লকব (উপাধি), এবং এটি তার পিতারও লকব ছিল। ১২ তাকরিব।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
جمادى الأولى سنة (296) وكان ثقة مأمونا بلغ أربعا وتسعين سنة. قلت.

ذكره النسائي في شيوخه وأخرج له الحاكم في المستدرك*

 

‌‌(37) (خ سي-أحمد)

بن حميد الطريثيثي(1) أبو الحسن ختن عبيد الله بن موسى يعرف بدار أم سلمة كان من حفاظ الكوفة. روى عن حفص بن غياث وابن فضيل والأشجعي وأبي بكر بن عياش وغيرهم. روى عنه البخاري والنسائي بواسطة محمد بن يزيد الأدمي وأبو إسماعيل الترمذي وحنبل ابن إسحاق وكتب عنه يحيى الحماني وأبو حاتم الرازي وقال كان ثقة رضي وقال العجلي ثقة وقال مطين مات سنة (220). قلت. لقب بدار أم سلمة لأنه جمع حديث أم سلمة وغلط الحاكم فيه فقال جار أم سلمة وأما ابن عدي فقال كان له اتصال بأم سلمة وقال مطين في تاريخه كان يعد من حفاظ الكوفة وكان ثقة. توفي سنة تسع وعشرين ومائتين وقال أحمد بن صالح المصري ثقة وقال الخطيب هو من حفاظ الكوفيين ومتثبتيهم. روى عنه أحمد ابن حنبل وأحمد بن أبي خيثمة وذكره ابن حبان في (الثقات) *

 

‌‌(38) (أحمد)

بن أبي الحواري هو أحمد بن عبد الله بن ميمون*(2)

 

‌‌(39) (4 - أحمد)

بن خالد بن موسى ويقال ابن محمد الوهبي الكندي أبو سعيد ابن أبي مخلد الحمصي*روى عن محمد بن إسحاق وشيبان ويونس بن أبي إسحاق وغيرهم. روى عنه البخاري في جزء القراءة وغيره والذهلي وعمرو

--------------------------------------------

(1) الطريثيثى بضم اوله وراء ومثلثتين مصغرا 12 تقريب

(2) مات سنة (246) 12 تقريب والخلاصة
জুমাদাল উলা ২৯৬ হিজরি এবং তিনি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, তিনি চুরানব্বই বছর বয়সে পৌঁছেছিলেন। আমি বলছি।

ইমাম নাসাঈ তাঁকে তাঁর শায়েখদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন এবং আল-হাকিম আল-মুস্তাদরাক গ্রন্থে তাঁর বর্ণনা সংকলন করেছেন।*

 

‌‌(৩৭) (বুখারি, নাসাঈর সুনানে কুবরা - আহমাদ)

বিন হুমাইদ আত-তরাইছীছি(১) আবু আল-হাসান, উবাইদুল্লাহ বিন মুসার জামাতা, তিনি 'দারু উম্মে সালামাহ' নামে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি কুফার হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি হাফস বিন গিয়াস, ইবনে ফুদাইল, আল-আশজাঈ, আবু বকর বিন আইয়াশ এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারি এবং নাসাঈ (মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-আদামী-এর মাধ্যমে), আবু ইসমাঈল আত-তিরমিযী এবং হাম্বল ইবনে ইসহাক। ইয়াহইয়া আল-হিমানী এবং আবু হাতিম আর-রাযী তাঁর থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন; আবু হাতিম বলেন, তিনি বিশ্বস্ত ও সন্তোষজনক ছিলেন। আল-ইজলি বলেন, তিনি বিশ্বস্ত। মুতাইয়্যান বলেন, তিনি ২২০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি, তাকে 'দারু উম্মে সালামাহ' উপাধি দেওয়া হয়েছিল কারণ তিনি উম্মে সালামাহর হাদিসগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। আল-হাকিম এ বিষয়ে ভুল করেছেন এবং তাঁকে 'জারু উম্মে সালামাহ' বলেছেন। অন্যদিকে ইবনে আদি বলেন, উম্মে সালামাহর সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল। মুতাইয়্যান তাঁর ইতিহাসে বলেছেন, তিনি কুফার হাফেজদের মধ্যে গণ্য হতেন এবং তিনি বিশ্বস্ত ছিলেন। তিনি ২২৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আহমাদ বিন সালেহ আল-মিসরি তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন। আল-খতিব বলেন, তিনি কুফাবাসী হাফেজদের মধ্যে অন্যতম এবং অত্যন্ত দৃঢ় ছিলেন। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল এবং আহমাদ বিন আবি খাইসামা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আছ-ছিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের তালিকা) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। *

 

‌‌(৩৮) (আহমাদ)

বিন আবিল হাওয়ারি, তিনি হলেন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাইমুন।*(২)

 

‌‌(৩৯) (৪ - আহমাদ)

বিন খালিদ বিন মুসা, যাকে ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াহবী আল-কিন্দিও বলা হয়, আবু সাঈদ ইবনে আবি মাখলাদ আল-হিমসি।* তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক, শায়বান, ইউনুস বিন আবি ইসহাক এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি তাঁর 'জুযউল কিরাত' ও অন্যান্য গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, এছাড়াও আয-যুহলি এবং আমর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আত-তরাইছীছি: প্রথম অক্ষরে পেশ, এরপর রা এবং দুটি 'ছা' (ث) যোগে তাসগীর বা ক্ষুদ্রতাবাচক রূপ। ১২ তাকরীব।

(২) তিনি ২৪৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ১২ তাকরীব এবং আল-খুলাসাহ।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
ابن عثمان الحمصي ومحمد بن عون ومحمد بن المصفى وعمران بن بكار وأبو زرعة الدمشقي ونقل عن يحيى بن معين أنه ثقة وقال ابن أبي عاصم مات سنة (214) قلت. وقال أبو زرعة الدمشقي سنة (15) وقال الدارقطني لا بأس به وأخرج له ابن خزيمة في صحيحه وذكره ابن حبان في (الثقات) ونقل أبو حاتم الرازي أن أحمد امتنع من الكتابة عنه ووقع في كلام بعض شيوخنا أن أحمد اتهمه ولم أقف على ذلك صريحا فالله أعلم*

 

‌‌(40) (ت س-أحمد)

بن خالد الخلال أبو جعفر البغدادي الفقيه. روى عن ابن عيينة ومعن بن عيسى القزاز وإسحاق الأزرق العسكري والشافعي ويزيد ابن هارون وغيرهم. روى عنه الترمذي والنسائي وأبو حاتم الرازي وأبو العباس ابن الأخرم وعبد الله بن أحمد وأبو العباس بن مسروق ويعقوب بن سفيان وأبو جعفر بن جرير وغيرهم. قال العجلي ثقة وقال أبو حاتم كان خيرا فاضلا عدلا ثقة صدوقا رضى وقال ابن خراش كان امرأ صالحا وقال الدارقطني ثقة نبيل قديم الوفاة. قال ابن قانع مات سنة (247) وقال غيره مات سنة (63) قلت. هكذا قال الخطيب وقال النسائي لا بأس به وقال مرة عسكري ثقة وقال أبو داود ثقة لم أسمع منه وقال داود بن علي الأصبهاني في أسماء أصحاب الشافعي كان من أهل الحديث والأمن والأمانة والورع وقال الحاكم كان من جلة الفقهاء وذكره ابن حبان في (الثقات)

 

‌‌(41) (س-أحمد)

بن الخليل أبو علي التاجر البغدادي. روى عن يزيد بن هارون وحجاج بن محمد وروح بن عبادة وأبي النضر وزكريا بن عدي وغيرهم
ইবনে উসমান আল-হিমসি, মুহাম্মদ বিন আউন, মুহাম্মদ বিন আল-মুসাফ্ফা, ইমরান বিন বাক্কার এবং আবু জুরআ আদ-দিমাশকি। ইয়াহইয়া বিন মাইন থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি নির্ভরযোগ্য। ইবনে আবি আসিম বলেছেন, তিনি ২১৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আমি বলছি—আবু জুরআ আদ-দিমাশকি বলেছেন ২১৫ সালে। আদ-দারা কুতনি বলেছেন, তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে খুজাইমা তার সহিহ গ্রন্থে তার হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আবু হাতিম আর-রাজি বর্ণনা করেছেন যে, আহমদ তার থেকে হাদিস লিখে নিতে বিরত থেকেছেন। আমাদের কোনো কোনো শিক্ষকের বক্তব্যে পাওয়া যায় যে, আহমদ তাকে অভিযুক্ত করেছেন, তবে আমি স্পষ্টভাবে তা জানতে পারিনি; আল্লাহই ভালো জানেন।*

 

‌‌(৪০) (ত, স - আহমদ)

বিন খালিদ আল-খাল্লাল আবু জাফর আল-বাগদাদি আল-ফকিহ। তিনি ইবনে উইয়াইনাহ, মান বিন ঈসা আল-কাযযায, ইসহাক আল-আযরাক আল-আসকারি, আশ-শাফিঈ, ইয়াজিদ বিন হারুন এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তিরমিজি, নাসাঈ, আবু হাতিম আর-রাজি, আবু আব্বাস ইবনুল আখরাম, আবদুল্লাহ বিন আহমদ, আবু আব্বাস বিন মাসরুক, ইয়াকুব বিন সুফিয়ান, আবু জাফর বিন জারির প্রমুখ বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন, তিনি ছিলেন উত্তম, মহৎ, ন্যায়পরায়ণ, নির্ভরযোগ্য, সত্যবাদী ও পছন্দনীয়। ইবনে খিরাশ বলেছেন, তিনি ছিলেন একজন নেককার মানুষ। আদ-দারা কুতনি বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, সুমহান এবং প্রাচীনকালে মৃত্যুবরণকারী। ইবনে কানি' বলেছেন যে, তিনি ২৪৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, আর অন্যজন বলেছেন ২৬৩ হিজরিতে। আমি বলছি—আল-খতিব এমনই বলেছেন। আন-নাসাঈ বলেছেন, তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই এবং একবার বলেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য আসকারি। আবু দাউদ বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য তবে আমি তার থেকে কিছু শুনিনি। দাউদ বিন আলি আল-আসফাহানি 'আশ-শাফিঈর সঙ্গীদের নাম' গ্রন্থে বলেছেন, তিনি ছিলেন হাদিসের অনুসারী, শান্তিপ্রিয়, বিশ্বস্ত ও পরহেজগার। আল-হাকিম বলেছেন, তিনি উচ্চপদস্থ ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌(৪১) (স - আহমদ)

বিন আল-খলিল আবু আলি আত-তাজির আল-বাগদাদি। তিনি ইয়াজিদ বিন হারুন, হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ, রওহ বিন উবাদাহ, আবু আন-নাদর, জাকারিয়া বিন আদি প্রমুখ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
روى عنه النسائي وابن خزيمة ومطين ويعقوب بن سفيان وحسين القباني وقاسم بن أصبغ وإبراهيم بن أبي طالب وعدة. قال النسائي وأبو يحيى الخفاف والحاكم ثقة. زاد الحاكم مأمون وقال القباني مات لثلاث بقين من ربيع الأول سنة (248) قلت. لم أر له في أسماء شيوخ النسائي ذكرا بل الذي فيه أحمد ابن الخليل نيسابوري كتبنا عنه لا بأس به وقد قال الدارقطني قديم لم يحدث عنه من البغداديين أحد وإنما حديثه بخراسان فلعله سكن خراسان وذكره ابن حبان في (الثقات) *

 

‌‌(42) (تمييز-أحمد)

بن الخليل بن ثابت أبو جعفر البُرْجُلاني(1) بغدادي روى عن أسود بن عامر والحسن بن موسى الأشيب والواقدي وغيرهم. وعنه أبو البختري والنجاد وعثمان بن السماك وأبو بكر بن الهيثم الأنباري وهو خاتمة أصحابه. قال الخطيب كان ثقة وقال ابن قانع مات في شهر ربيع الأول سنة (277) ذكر للتمييز*

 

‌‌(43) (تمييز-أحمد)

بن الخليل بن حرب بن عبد الله بن سوار بن سابق القرشي أبو عبد الله القومسي(2). روى عن عبد الله بن يزيد المقبري والأصمعي وعلى ابن الحسن بن شقيق وأبي النضر وغيرهم. روى عنه محمد بن الحسن بن الفرج وأبو زكريا يحيى بن يحيى بن حبويه الحافظ ويحيى بن عبد الأعظم. ضعفه أبو زرعة ونسبه أبو حاتم إلى الكذب. قلت. وله حديث منكر في فوائد

--------------------------------------------

(1) بضم اوله والجيم بينهما راء ساكنة 12 تقريب

(2) بضم اوله وفتح ميم قبل السين المهملة 12 مغنى
তাঁর থেকে নাসাঈ, ইবনে খুজাইমা, মুতাইয়িন, ইয়াকুব বিন সুফিয়ান, হুসাইন আল-কাব্বানি, কাসিম বিন আসবাগ, ইব্রাহিম বিন আবি তালিব এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ, আবু ইয়াহইয়া আল-খাফফাফ এবং আল-হাকিম বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য। আল-হাকিম আরও যোগ করেছেন যে তিনি বিশ্বস্ত। আল-কাব্বানি বলেছেন, তিনি ২৪৮ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাস শেষ হতে তিন দিন বাকি থাকতে মৃত্যুবরণ করেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি, আমি নাসাঈর উস্তাদদের নামের তালিকায় তাঁকে উল্লেখ থাকতে দেখিনি; বরং সেখানে যিনি আছেন তিনি হলেন আহমদ ইবনে আল-খলিল আল-নিশাপুরি, তাঁর থেকে আমরা লিখেছি এবং তিনি মন্দ নন। আদ-দারাকুতনি বলেছেন, তিনি প্রাচীন আমলের, বাগদাদিদের মধ্যে কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি, তাঁর হাদিস কেবল খুরাসানেই পাওয়া যায়, সম্ভবত তিনি খুরাসানে বসবাস করতেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আত-সিকাত' (নির্ভরযোগ্যদের তালিকা) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌(৪২) (স্বতন্ত্রকরণ-আহমদ)

বিন আল-খলিল বিন সাবিত আবু জাফর আল-বুরজুলানি(১) বাগদাদি। তিনি আসওয়াদ বিন আমির, হাসান বিন মুসা আল-আশইয়াব, ওয়াকিদি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু আল-বাখতারি, আন-নাজ্জাদ, উসমান বিন আস-সাম্মাক এবং আবু বকর বিন আল-হাইসাম আল-আনবারি বর্ণনা করেছেন, যিনি তাঁর ছাত্রদের মধ্যে সর্বশেষ মৃত্যুবরণকারী। আল-খতিব বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। ইবনে কানি’ বলেছেন, তিনি ২৭৭ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন। এটি পার্থক্য করার জন্য উল্লেখ করা হয়েছে।

 

‌‌(৪৩) (স্বতন্ত্রকরণ-আহমদ)

বিন আল-খলিল বিন হারব বিন আবদুল্লাহ বিন সাওয়ার বিন সাবিক আল-কুরাশি আবু আবদুল্লাহ আল-কুমুসি(২)। তিনি আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আল-মুকরি, আল-আসমাঈ, আলি বিন হাসান বিন শাকিক, আবু আন-নাদর এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আল-ফারাজ, আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বিন হাবুবিয়াহ আল-হাফিজ এবং ইয়াহইয়া বিন আবদ আল-আজম বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ তাঁকে দুর্বল বলেছেন এবং আবু হাতিম তাঁর প্রতি মিথ্যারারোপ করেছেন। আমি বলছি, 'ফাওয়াইদ' গ্রন্থে তাঁর একটি মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) হাদিস রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) প্রথম বর্ণ এবং জিম-এ পেশ, উভয়ের মাঝে রা সাকিন। ১২ তাকরিব।

(২) প্রথম বর্ণে পেশ এবং সিন বর্ণের আগের মিম-এ জবর। ১২ মুগনি।
(খণ্ড: ١) তাহযীবুত তাহযীব - ত. আল-হিন্দিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
تمام متنه سيد الإدام اللحم. أخرجه من حديث بريدة*

 

‌‌(44) (عخ-أحمد)

بن خلاد. عن يزيد بن هارون. وعنه أبو جعفر المخرمي.

روى له البخاري في خلق أفعال العباد ليس له ذكر في التواريخ وكأنه أحمد بن خالد الخلال الذي تقدم ذكره*

 

‌‌(45) (أحمد)

بن أبي داود المنادي في محمد بن عبيد الله بن يزيد*

 

‌‌(46) (أحمد)

بن أبي رجاء المقري هو أحمد بن نصر بن شاكر*

 

‌‌(47) (أحمد)

بن أبي رجاء الهروي هو أحمد بن عبد الله بن أيوب*

 

‌‌(48) (أحمد)

بن زنجويه النسائي. قدم مصر. روى عنه بقي بن مخلد وذكره أبو علي الجياني(1) في شيوخ أبي داود. قلت. أظنه حميد بن زنجويه وسيأتي وللبغداديين شيخ يقال له

 

‌‌(49) (أحمد)

بن رنجويه بن موسى القطان المخرمي. روى عن داود بن رشيد ومحمد بن بكار الرماني وعبد الأعلى بن حماد وجماعة. وعنه أبو بكر الشافعي وأبو بكر الجعابي وابن لؤلؤ وابن المظفر وآخرون. وثقه الخطيب مات سنة (304) وهو متأخر الطبقة عن حميد بن زنجويه.

 

‌‌(50) (أحمد)

بن أبي سريج الرازي هو أحمد بن الصباح*

 

‌‌(51) (د س-أحمد)

بن سعد بن الحكم بن محمد بن سالم المعروف بابن أبي مريم الجمحي أبو جعفر المصري ابن أخي سعيد رحال. روى عن عمه وأبي اليمان وبكر بن خلف والعلاء بن الفضل المنقري(2) وجماعة. وعنه أبو داود

--------------------------------------------

(1) بالفتح والتشديد ونون نسبة الى جيان بلد بالاندلس وقرية بالرى 12

(2) بكسر الميم وسكون النون وفتح القاف 12 تقريب
সম্পূর্ণ মতনটি হলো: তরকারির প্রধান হলো গোশত। তিনি এটি বুরাইদাহর হাদিস থেকে সংকলন করেছেন।

 

‌‌(৪৪) (আখ-আহমাদ)

বিন খাল্লাদ। ইয়াযিদ বিন হারুন থেকে। তার নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আল-মুখাররামী।

ইমাম বুখারি ‘খালকু আফআলিল ইবাদ’-এ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইতিহাসগ্রন্থগুলোতে তার কোনো উল্লেখ নেই। মনে হচ্ছে তিনি সেই আহমাদ বিন খালিদ আল-খাল্লাল যার কথা পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।*

 

‌‌(৪৫) (আহমাদ)

বিন আবু দাউদ আল-মুনাদি; মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন ইয়াযিদের বর্ণনায়।*

 

‌‌(৪৬) (আহমাদ)

বিন আবু রাজা আল-মুকরি, তিনি হলেন আহমাদ বিন নাসর বিন শাকির।*

 

‌‌(৪৭) (আহমাদ)

বিন আবু রাজা আল-হারাউয়ি, তিনি হলেন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আইয়ুব।*

 

‌‌(৪৮) (আহমাদ)

বিন যানজুওয়াহ আন-নাসাঈ। তিনি মিশরে পদার্পণ করেন। বাক্বি বিন মাখলাদ তার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আবু আলী আল-জাইয়ানি(১) তাকে আবু দাউদের উস্তাদদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি, আমার ধারণা তিনি হুমায়দ বিন যানজুওয়াহ এবং অচিরেই তার সম্পর্কে বিস্তারিত আসবে। তবে বাগদাদবাসীদের নিকট একজন উস্তাদ আছেন যাকে বলা হয়:

 

‌‌(৪৯) (আহমাদ)

বিন রানজুওয়াহ বিন মুসা আল-কাত্তান আল-মুখাররামী। তিনি দাউদ বিন রাশিদ, মুহাম্মাদ বিন বাক্কার আর-রুমমানি, আব্দুল আ'লা বিন হাম্মাদ এবং এক জামাত (রাবি) থেকে বর্ণনা করেছেন। তার নিকট থেকে আবু বকর আশ-শাফিঈ, আবু বকর আল-জুআবি, ইবনুল লুলু, ইবনুল মুযাফফর ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আল-খতিব তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ৩০৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি স্তরের (তবাকাহ) দিক থেকে হুমায়দ বিন যানজুওয়াহ অপেক্ষা পরবর্তী যুগের রাবি।

 

‌‌(৫০) (আহমাদ)

বিন আবু সুরাইজ আর-রাজি, তিনি হলেন আহমাদ বিন আস-সাব্বাহ।*

 

‌‌(৫১) (দা, সা-আহমাদ)

বিন সা'দ বিন আল-হাকাম বিন মুহাম্মাদ বিন সালিম, যিনি ইবনে আবু মারইয়াম আল-জুমাহি নামে পরিচিত, আবু জাফর আল-মিসরি। তিনি সাঈদ রাহহাল-এর ভ্রাতুষ্পুত্র। তিনি তার চাচা, আবু আল-ইয়ামান, বাকর বিন খালাফ, আল-আলা বিন আল-ফাদল আল-মুনকারি(২) এবং এক জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। তার নিকট থেকে আবু দাউদ (বর্ণনা করেছেন)...

--------------------------------------------

(১) ফাতহাহ (যবর) ও তাশদিদ সহযোগে এবং ‘নুন’ হলো আন্দালুসের জাইয়ান নামক শহর অথবা রাই-এর একটি গ্রামের সাথে সম্বন্ধযুক্ত। ১২

(২) মীম-এর নিচে কাসরা (যের), নুন-এর ওপর সুকুন এবং ক্বফ-এর ওপর ফাতহাহ (যবর) যোগে। ১২ তাকরিব।