(খণ্ড: ১)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: -)
الوحدان - ضمن «آثار المعلمي» القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الوحدان
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (13)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: علي بن محمد العمران
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - عادل بن عبد الشكور الزرقي
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
আল-উহদান - ‘আসারুল মুয়াল্লিমী’-এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: জীবনী ও স্তরাভিধান
গ্রন্থ: আল-উহদান
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানীর রচনাবলি (১৩)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
পাণ্ডুলিপি সম্পাদন: আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
নিরীক্ষণ করেছেন: মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহী - আদিল বিন আবদুল শাকুর আল-জুরকী
প্রকাশক: দারু আলামিল ফাওয়ায়িদ প্রকাশনা ও বিতরণ
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৪ হিজরি
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছে: «আতাআতুল ইলম» ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١)
كتاب الوُحْدان
تأليف
الشيخ العلامة عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني
(1313 - 1386 هـ)
رحمه الله تعالى
تحقيق
علي بن محمد العمران
কিতাবুল উহদান
রচনায়
আশ-শাইখ আল-আল্লামা আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী
(১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন
সম্পাদনায়
আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٣)
راجع هذا الجزء
محمد أجمل الإصلاحي
عادل بن عبد الشكور الزرقي
এই অংশটি পর্যালোচনা করেছেন
মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহী
আদিল বিন আব্দুল শাকুর আল-জুরকী
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٥)
مقدمة التحقيقالحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، وبعد.
فهذا كتاب جديد على نحو مبتكر للشيخ العلامة عبد الرحمن المعلمي رحمه الله تعالى، جمع فيه الرواة الذين ليس لهم إلا راوٍ واحدٌ، وهو ما يُعرف في علم مصطلح الحديث باسم «الوحدان».
وقد كتب جمعٌ من الأئمة في هذا الباب عدة مصنفات ــ سيأتي ذكرها ــ لكن تميّز كتابنا هذا بميزات عديدة، أهمها: أنه لم يقتصر على مجرّد جمع الأسماء، بل جعل كتابه تحقيقًا لأحوالهم من حيث الثقة والضعف، والقبول والرد.
ومما يعكّر على الفرح بهذا العِلْق النفيس، وعلى تمام النفع به: أنه لم يزل في مسوّدته، لم يستوفِ المؤلف القولَ في تراجمه، ولا بلغ فيه الغاية التي كان قد بدأها في أوائل التراجم، ولا التي كان يرجوها.
نعم؛ الكتاب كامل من حيث استيعاب التراجم وجمعها وترتيبها من الألف إلى باب الكنى، لكنّه لم يستوف الكلام على العديد من التراجم، فتراه يترك بياضًا لإمكان إلحاق بقية الكلام عليها، بل لم يكتب تحت بعض التراجم شيئًا، والله المستعان.
وسأتكلم عن الكتاب في عدة مباحث تكشف لنا جوانب مما يتعلق به، وهي:
- اسم الكتاب.
সম্পাদকের ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর। অতঃপর:
এটি শাইখ আল্লামাহ আব্দুর রহমান আল-মুয়াল্লিমী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর একটি অভিনব ও নতুন কিতাব। এতে তিনি এমন সব বর্ণনাকারীদের একত্র করেছেন যাদের মাত্র একজন বর্ণনাকারী রয়েছে; হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষায় যা ‘আল-উহদান’ নামে পরিচিত।
আইম্মায়ে কেরামের একটি জামাত এই বিষয়ে বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন—যার আলোচনা সামনে আসবে—তবে আমাদের এই কিতাবটি বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে অনন্য। এর মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো: এটি কেবল নাম সংগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি তার এই কিতাবটিকে বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা ও দুর্বলতা এবং গ্রহণযোগ্যতা ও বর্জনের নিরিখে তাদের অবস্থার একটি পর্যালোচনামূলক গ্রন্থে পরিণত করেছেন।
এই মূল্যবান সম্পদটি অর্জনের আনন্দ এবং এর দ্বারা পূর্ণাঙ্গ উপকৃত হওয়ার পথে যা কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় তা হলো: এটি এখনও তার প্রাথমিক খসড়া রূপেই রয়ে গেছে। লেখক জীবনীগুলোর বর্ণনায় পূর্ণতা দান করতে পারেননি এবং শুরুর দিকের জীবনীগুলোতে তিনি যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন কিংবা যা তিনি প্রত্যাশা করেছিলেন, সেই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেননি।
হ্যাঁ; জীবনীসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা, সংগ্রহ করা এবং ‘আলিফ’ বর্ণ থেকে শুরু করে ‘কুনিয়াত’ (উপনাম) অধ্যায় পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজানোর দিক থেকে কিতাবটি পূর্ণাঙ্গ। কিন্তু অনেক জীবনীর আলোচনা তিনি সমাপ্ত করতে পারেননি। ফলে দেখা যায়, তিনি অবশিষ্ট আলোচনা যোগ করার জন্য খালি জায়গা রেখে দিয়েছেন; এমনকি কিছু জীবনীর অধীনে তিনি কিছুই লিখেননি। আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
আমি এই কিতাবটি নিয়ে কয়েকটি পরিচ্ছেদে আলোচনা করব, যা আমাদের সামনে এর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক উন্মোচন করবে। আর সেগুলো হলো:
- কিতাবটির নাম।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٦)
- تاريخ تأليفه.
- موضوع الكتاب ومنهج المؤلف.
- المؤلفات في الوحدان.
- مسوّدات الكتاب.
- منهج التحقيق.
ثمّ أردفت هذه المقدمة بمُلحق ذكرت فيه الفوائد التي قيّدها المؤلف في أوراق ملحقة بنسخة الكتاب الخطية.
وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
وكتب
علي بن محمد العمران
في مكة المكرمة حرسها
22 ذو القعدة 1433 هـ
- রচনার তারিখ।
- গ্রন্থের বিষয়বস্তু ও লেখকের কর্মপদ্ধতি।
- আল-উহদান (একক বর্ণনাকারী) বিষয়ক রচনাবলি।
- গ্রন্থের খসড়াসমূহ।
- সম্পাদনা পদ্ধতি।
এরপর আমি এই ভূমিকার সাথে একটি পরিশিষ্ট যুক্ত করেছি, যাতে আমি সেই ফায়দাগুলো উল্লেখ করেছি যা লেখক গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপির কপির সাথে সংযুক্ত কাগজসমূহে লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও তাঁর সাহাবীবর্গের ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।
লিখছেন
আলী বিন মুহাম্মাদ আল-উমরান
মক্কা আল-মুকাররামাহ-তে, আল্লাহ একে হিফাজত করুন
২২ যুল-কাদা ১৪৩৩ হিজরি
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٧)
*
اسم الكتابليس على نسختَي الكتاب أيّ أثر لتسميته، ولم يتمكّن المؤلف من كتابة مقدمة له فهو لا يزال في مسوّدته، لكنني وقفت على تسمية المؤلف لكتابه هذا في كتاب آخر له، وهو الكتاب الذي انتخب فيه جملة من التراجم من كتابَي «تهذيب التهذيب» و «ميزان الاعتدال»، وهو ضمن موسوعتنا هذه وأسميناه «تراجم منتخبة من التهذيب والميزان»، فقد قال هناك (رقم 185): «عبد الرحمن بن نمر، في الوحدان» وترجمته هنا في كتاب الوحدان (رقم 90).
*
تاريخ تأليفهمن المتيقّن أن المؤلف كتب كتابه هذا إبَّان إقامته بالهند، وبالتحديد قبل طباعة المجلدين الخامس والسادس من «التاريخ الكبير» للبخاري اللذين يحتويان على حرف العين كما صرح بذلك (ص 118) قال: «ولم أجد الجزء الذي فيه باب عبد الله من تاريخ البخاري»، وهذان الجزءان طُبِعا سنة (1360 - 1364). وفي هذه الفترة كان المؤلف في الهند.
وأيضًا قبل أن يُطبع كتاب «الجرح والتعديل» بدليل أنه صرح (ص 136 وغيرها) بالنقل منه ما هو خلاف المطبوع، بل هو موافق لنسخة (ك) الخطية؛ فكأنه كان ينقل من هذه النسخة. ولم يعزُ إلى المطبوع. وكتابُ الجرح والتعديل لم يطبع إلا بين سنتي (1371 - 1373).
وهذا يعني أن المؤلف قد بدأ في تأليف كتابه في وقت مبكّر، أي قبل سنة 1360، ولا يمنع ذلك من الإلحاق والإضافة بعد هذا التاريخ، فقد عزا
*
গ্রন্থের নামগ্রন্থের পাণ্ডুলিপিদ্বয়ের কোনোটিতেই এর নামকরণের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। লেখক এর কোনো ভূমিকা লিখতে সক্ষম হননি, কারণ এটি তখনো খসড়া অবস্থাতেই ছিল। তবে আমি লেখকের অন্য একটি গ্রন্থে তাঁর এই গ্রন্থের নামকরণের সন্ধান পেয়েছি। সেটি এমন একটি গ্রন্থ যাতে তিনি «তাহজিবুত তাহজিব» ও «মিযানুল ইতিদাল» গ্রন্থদ্বয় থেকে একগুচ্ছ জীবনী চয়ন করেছেন। এটি আমাদের এই বিশ্বকোষের অন্তর্ভুক্ত এবং আমরা এর নাম রেখেছি «তরাজিমে মুনতাখাবাহ মিনাত তাহজিব ওয়াল মিযান» (তাহজিব ও মিযান থেকে নির্বাচিত জীবনী)। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন (নং ১৮৫): "আবদুর রহমান ইবনে নামির, আল-উহদান গ্রন্থে।" আর তাঁর জীবনী এখানে «কিতাবুল উহদান»-এ (নং ৯০) বর্ণিত হয়েছে।
*
রচনার তারিখএটি নিশ্চিত যে, লেখক এই গ্রন্থটি ভারতে অবস্থানকালে রচনা করেছিলেন। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, বুখারীর «আত-তারিখুল কাবীর»-এর পঞ্চম ও ষষ্ঠ খণ্ড মুদ্রিত হওয়ার আগে, যেগুলোতে «আঈন» বর্ণটি রয়েছে; যেমনটি তিনি নিজেই (পৃষ্ঠা ১১৮) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: "আমি বুখারীর তারিখ-এর সেই খণ্ডটি পাইনি যেখানে আবদুল্লাহ অনুচ্ছেদটি রয়েছে।" আর এই খণ্ড দুটি ১৩৬০ - ১৩৬৪ হিজরি সালে মুদ্রিত হয়েছে। এই সময়ে লেখক ভারতেই ছিলেন।
এছাড়াও «আল-জারহ ওয়াত তাদিল» গ্রন্থটি মুদ্রিত হওয়ার আগে এটি রচিত হয়েছে; এর প্রমাণ হলো, তিনি (পৃষ্ঠা ১৩৬ ও অন্যান্য স্থানে) সেখান থেকে এমন উদ্ধৃতি দিয়েছেন যা বর্তমানে মুদ্রিত কপির পাঠের বিপরীত, বরং তা পাণ্ডুলিপি «কাফ»-এর পাঠের অনুরূপ। ফলে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি এই পাণ্ডুলিপি থেকেই উদ্ধৃত করছিলেন এবং তিনি মুদ্রিত কপির কোনো তথ্যসূত্র দেননি। আর «আল-জারহ ওয়াত তাদিল» গ্রন্থটি ১৩৭১ থেকে ১৩৭৩ হিজরি সালের মধ্যেই কেবল মুদ্রিত হয়েছিল।
এর অর্থ হলো লেখক তাঁর গ্রন্থটি বেশ আগেই রচনা শুরু করেছিলেন, অর্থাৎ ১৩৬০ হিজরির আগে। তবে এটি উক্ত তারিখের পরে কোনো সংযোজন বা পরিবর্ধন করার ক্ষেত্রে বাধা নয়; কারণ তিনি তথ্যসূত্র দিয়েছেন...
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٨)
المؤلف إلى كتاب ابن أبي حاتم مرارًا بعد أن استقر في مكة المكرمة من سنة 1371 وما بعدها.
*
موضوع الكتاب ومنهج المؤلفموضوع الكتاب خاصّ بتراجم الرواة الذين لم يرو عنهم إلا راوٍ واحد، وقد اصطُلِح على تسمية هذا النوع من الرواة بـ «الوحدان»
(1)، وألَّف فيه جمعٌ من الأئمة، كما سيأتي.
1 - فجمع المؤلف في كتابه هذا مائتَي وثلاث تراجم، وتكلم عليها بما يكشف عن منزلة هؤلاء الرواة من حيث الثقة أو الضعف أو الجهالة.
2 - رتّب المؤلف كتابه على حروف المعجم، وأعطى كلّ ترجمة رقمًا، يسوق بعده اسم العَلَم، وليس له في ذلك قاعدة مطردة، فقد يذكر الاسم والنسبة، أو الاسم واسم الأب فقط، أو مع الكنية، أو يسوق جرّ النسب وهو قليل، وقبل ذكر الاسم يذكر رموز مَن أخرج له من أصحاب الكتب، كما هو اصطلاح صاحب «تهذيب الكمال» وفروعه.
3 - وقد يرمز بعد الاسم لمن ذكره ممن ألَّف في الوحدان، مثل رمز (م) لمسلم، و (ن) للنسائي، و (فتح) لـ «فتح المغيث»، أو يكتبه كاملًا (فتح المغيث) أو (كفاية).
--------------------------------------------
লেখক ১৩৭১ হিজরী এবং তার পরবর্তী সময়ে মক্কা মুকাররমায় বসতি স্থাপনের পর ইবনে আবি হাতেমের গ্রন্থের দিকে বারবার প্রত্যাবর্তন করেছেন।
*
গ্রন্থের বিষয়বস্তু এবং লেখকের পদ্ধতিগ্রন্থের বিষয়বস্তু নির্দিষ্টভাবে সেই বর্ণনাকারীদের জীবনী সংক্রান্ত, যাদের থেকে মাত্র একজন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। এ ধরনের বর্ণনাকারীদের পরিভাষায় ‘উহদান’ (একক বর্ণনাকারী) বলা হয়
(১), এবং একদল ইমাম এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা সামনে আসবে।
১ - লেখক এই গ্রন্থে দুইশত তিনটি জীবনী একত্র করেছেন এবং তাদের সম্পর্কে এমন আলোচনা করেছেন যা বিশ্বস্ততা, দুর্বলতা অথবা পরিচয়হীনতা (জাহালাত) অনুযায়ী এই বর্ণনাকারীদের মর্যাদা উন্মোচন করে।
২ - লেখক তাঁর গ্রন্থটিকে বর্ণানুক্রমে বিন্যস্ত করেছেন এবং প্রতিটি জীবনীকে একটি নম্বর দিয়েছেন, যার পরে ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। এক্ষেত্রে তাঁর কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই; কখনো নাম ও বংশ পরিচয় উল্লেখ করেছেন, কখনো শুধু নাম ও পিতার নাম, আবার কখনো উপনামসহ (কুনিয়াত) উল্লেখ করেছেন, অথবা বংশপরম্পরা দীর্ঘ করেছেন যা খুব কম। নাম উল্লেখের পূর্বে তিনি সেই গ্রন্থকারদের প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করেছেন যারা তাঁর থেকে হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, যেমনটি ‘তাহজীবুল কামাল’ ও এর সংশ্লিষ্ট গ্রন্থসমূহের রচয়িতার পরিভাষা।
৩ - নামের পর তিনি তাদের জন্য প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করেছেন যারা ‘উহদান’ (একক বর্ণনাকারী) বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন, যেমন ‘মীম’ (ম) মুসলিমের জন্য, ‘নুন’ (ন) নাসায়ীর জন্য এবং ‘ফাতহ’ (ফাতহ) ‘ফাতহুল মুগিস’-এর জন্য, অথবা পূর্ণনাম (ফাতহুল মুগিস) বা (কিফায়া) লিখেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٩)
4 - ثم يذكر غالبًا كلامَ أربعة من الأئمة وهم البخاري وابن أبي حاتم وابن حبان وصاحب «تهذيب التهذيب».
5 - أما كلام الأئمة الثلاثة فيذكر منه ــ غالبًا ــ اسم الراوي ومن روى عنه وعمن روى، وذلك بالقدر الذي يميّز الترجمة عن غيرها، ويثبت أن هذا الراوي لم يرو عنه إلا واحد، فيدخل في شرط الكتاب.
6 - ثم ينقل عن «تهذيب التهذيب» ــ غالبًا وقد ينقل عن غيره ــ ما قيل في الراوي من جرح أو تعديل، ثم يذكر المؤلف الحديثَ الذي رواه هذا الراوي، وينظر هل له متابعات أو شواهد، فيذكرها، وهل في متنه نكارة أو له ما يشهد له من الأحاديث أو الأصول العامة، حتى إن كان الحديث طويلًا أو يحوي ألفاظًا عدة فإنه يذكر ما يشهد لكل لفظ منها، وإن كان في بعضها نكارة بيَّنها.
7 - وقد كان المؤلف في أوائل تراجم الكتاب بعد أن يذكر كلام الأئمة ويناقش الحديث الذي تفرّد به أو الأحاديث التي رويت عنه= يذكر الخلاصةَ بقوله: «فحاصل حال فلان
… » ويذكر ما تحصّل له في حاله في عدة نقاط كقوله ــ مثلًا ــ في أول ترجمة: «فحاصل حال
… ليس بثقة». لكنه لم يستمر على هذا المنوال إلا في تراجم قليلة.
8 - سار المؤلف على هذا النهج في عموم تراجم الكتاب، وما قد يلاحظه القارئ مما يخالف هذه الطريقة إنما سببه أن الكتاب لم يزل في مسوّدته، ولم يستوف المؤلف تحريرَه ولا الاطراد في كتابة تراجمه.
4 - এরপর তিনি সাধারণত চারজন ইমামের উক্তি উল্লেখ করেন, তাঁরা হলেন আল-বুখারী, ইবনে আবি হাতিম, ইবনে হিব্বান এবং ‘তহজীবুত তহজীব’-এর লেখক।
5 - আর প্রথম তিন ইমামের উক্তির ক্ষেত্রে তিনি সাধারণত বর্ণনাকারীর নাম, তাঁর থেকে কে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি কার থেকে বর্ণনা করেছেন—তা ওই পরিমাণ উল্লেখ করেন যার মাধ্যমে এই জীবনীটি অন্যদের থেকে পৃথক করা যায় এবং এটি প্রমাণিত হয় যে, এই বর্ণনাকারী থেকে মাত্র একজনই বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি গ্রন্থের শর্তের অন্তর্ভুক্ত হয়।
6 - এরপর তিনি সাধারণত ‘তহজীবুত তহজীব’ থেকে—কখনো কখনো অন্য উৎস থেকেও হতে পারে—বর্ণনাকারী সম্পর্কে বর্ণিত ‘জারহ’ (সমালোচনা) বা ‘তাদিল’ (প্রশংসা) উদ্ধৃত করেন। অতঃপর লেখক ওই বর্ণনাকারীর বর্ণিত হাদিসটি উল্লেখ করেন এবং দেখেন যে সেটির কোনো ‘মুতাবায়াত’ (সমর্থনকারী বর্ণনা) বা ‘শাওয়াহিদ’ (সাক্ষ্য প্রদানকারী বর্ণনা) আছে কি না; থাকলে তিনি তা উল্লেখ করেন। এছাড়া এর মূল পাঠে (মাতন) কোনো ‘নাকারা’ (অস্বাভাবিকতা) আছে কি না, অথবা অন্যান্য হাদিস বা সাধারণ মূলনীতির মধ্যে এর কোনো সমর্থনকারী আছে কি না তা পর্যালোচনা করেন। এমনকি হাদিসটি যদি দীর্ঘ হয় বা এতে অনেক শব্দ থাকে, তবে তিনি প্রতিটি শব্দের স্বপক্ষে যা পাওয়া যায় তা উল্লেখ করেন এবং কোনো অংশে যদি ‘নাকারা’ থাকে তবে তা স্পষ্ট করে দেন।
7 - গ্রন্থের শুরুর দিকের জীবনীগুলোতে লেখক ইমামদের উক্তি উল্লেখ করার পর এবং ওই বর্ণনাকারীর এককভাবে বর্ণিত হাদিস বা তাঁর থেকে বর্ণিত হাদিসগুলো নিয়ে আলোচনার পর সারসংক্ষেপ উল্লেখ করতেন এই বলে: «অমুকের অবস্থার নির্যাস হলো
… » এবং তাঁর অবস্থা সম্পর্কে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তগুলো কয়েকটি পয়েন্টে উল্লেখ করতেন। যেমন—উদাহরণস্বরূপ প্রথম জীবনীর ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন: «সারকথা হলো
… তিনি নির্ভরযোগ্য নন।» তবে তিনি খুব অল্প সংখ্যক জীবনীর ক্ষেত্রেই এই ধারা অব্যাহত রেখেছেন।
8 - লেখক গ্রন্থের অধিকাংশ জীবনীর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। পাঠক যদি এই পদ্ধতির ব্যতিক্রম কিছু লক্ষ্য করেন, তবে তার কারণ হলো গ্রন্থটি তখনো খসড়া অবস্থায় ছিল এবং লেখক এর চূড়ান্ত সম্পাদনা সম্পন্ন করতে পারেননি কিংবা জীবনীগুলো লেখার ক্ষেত্রে পূর্ণ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেননি।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
*
المؤلفات في الوُحدانكَتَب في هذا النوع من علم تاريخ الرجال جمعٌ من الأئمة، نذكر من بلَغَنا خبرُ كتابه على سِنيّ وفَيَاتهم، وغالب هذه الكتب لم يصلنا سوى عنواناتُها أو اهتدينا إليها من نقول بعض الأئمة منها. وهذه الكتب على أنواع فمنها ما أُلّف في الوحدان من الصحابة خاصة، ومنها ما هو خاص برواة الحديث، ومنها ما جمع بين الطائفتين.
1) محمد بن إسماعيل البخاري (256). له «أسامي الصحابة الوحدان».
2) «الوحدان» ويسمى «المنفردات والوحدان» لمسلم بن الحجاج (261). وهو أشهر الكتب المؤلفة في الباب، وقد طبع قديمًا في الهند، وأعيد مرات.
3) أبو زرعة الرازي (266). ذكره أبو نعيم في «معرفة الصحابة».
4) عبد الله بن واصل أبو الفضل (272). ذكره ابن عبد البر في «الاستيعاب» (4/ 1858).
5) يونس بن حبيب الأصبهاني (276). نقل منه في «الجرح والتعديل» (5/ 273).
6) «الوحدان» أو «مسند الوحدان». لأبي حاتم الرازي (277)، نقل عنه ابنه في كتاب «الجرح والتعديل» انظر: (4/ 150، 320، 6/ 364، 7/ 79)، وفي كتاب «المراسيل».
7) «الآحاد والمثاني» لابن أبي عاصم (282). مطبوع في ست مجلدات.
উহদান বিষয়ে সংকলনসমূহবর্ণনাকারীদের ইতিহাস শাস্ত্রের (ইলমে আসমাউর রিজাল) এই বিশেষ শাখায় একদল ইমাম গ্রন্থ রচনা করেছেন। যাদের গ্রন্থের সংবাদ আমাদের কাছে পৌঁছেছে, তাঁদের মৃত্যুসন অনুযায়ী আমরা তাঁদের নাম উল্লেখ করছি। এই গ্রন্থগুলোর অধিকাংশেরই কেবল শিরোনাম আমাদের কাছে পৌঁছেছে, অথবা কোনো কোনো ইমামের উদ্ধৃতি থেকে আমরা এগুলোর হদিস পেয়েছি। এই গ্রন্থগুলো বিভিন্ন প্রকারের: কোনোটি কেবল ‘উহদান’ সাহাবীদের (যাদের থেকে মাত্র একজন বর্ণনাকারী হাদিস বর্ণনা করেছেন) বিষয়ে রচিত, কোনোটি কেবল হাদিস বর্ণনাকারীদের জন্য নির্দিষ্ট, আবার কোনোটি উভয় শ্রেণিকে একত্রিত করেছে।
১) মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি (২৫৬ হি.)। তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম ‘আসামী আস-সাহাবাহ আল-উহদান’।
২) মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ (২৬১ হি.)-এর ‘আল-উহদান’, যা ‘আল-মুনফারিদাত ওয়াল-উহদান’ নামেও পরিচিত। এটি এই বিষয়ে রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। এটি পূর্বে ভারতে মুদ্রিত হয়েছে এবং বারবার পুনঃমুদ্রিত হয়েছে।
৩) আবু জুরআ আর-রাজি (২৬৬ হি.)। আবু নুআইম ‘মা‘রিফাতুস সাহাবাহ’ গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।
৪) আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াসিল আবুল ফজল (২৭২ হি.)। ইবনে আব্দুল বার তাঁর ‘আল-ইসতিয়াব’ (৪/১৮৫৮) গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।
৫) ইউনুস ইবনে হাবিব আল-আসবাহানি (২৭৬ হি.)। ‘আল-জারহ ওয়াত তাদিল’ (৫/২৭৩) গ্রন্থে তাঁর থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করা হয়েছে।
৬) আবু হাতিম আর-রাজি (২৭৭ হি.)-এর ‘আল-উহদান’ বা ‘মুসনাদ আল-উহদান’। তাঁর পুত্র ‘আল-জারহ ওয়াত তাদিল’ গ্রন্থে তাঁর থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দেখুন: (৪/১৫০, ৩২০, ৬/৩৬৪, ৭/৭৯) এবং ‘আল-মারাসিল’ গ্রন্থে।
৭) ইবনে আবি আসিম (২৮২ হি.)-এর ‘আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি’। এটি ছয় খণ্ডে মুদ্রিত।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١١)
8) «الوحدان» للحسين بن محمد بن زياد القبّاني (289). نقل عنه ابن عبد البر في الاستيعاب (ترجمة شريك بن طارق الحنظلي).
9) محمد بن عثمان بن أبي شيبة (297). ذكره أبو نعيم في «معرفة الصحابة» وابن حجر في «تهذيب التهذيب» (6/ 97).
10) محمد بن عبد الله الحضرمي مُطَيَّن (297). نقل منه أبو نعيم في «معرفة الصحابة» (1/ 188).
11) محمد بن حُرَيث بن حاشد (302). ذكره الذهبي في «تاريخ الإسلام» (23/ 98).
12) «من ليس له إلا راوٍ واحد» للنسائي (303). وهو مطبوع بذيل كتاب الضعفاء له، وهو جزء صغير.
13) «الوحدان» للحسن بن سفيان النَّسَوي (303) نقل عنه أبو نعيم في «معرفة الصحابة» وغيره.
14) الوحدان للخلال (307).
15) أبو القاسم ابن منيع البغوي (317). ذكره أبو نعيم في «معرفة الصحابة» وابن منده في «معرفة الصحابة» (241).
16) أبو القاسم الطبراني (360). نقل منه في «معرفة الصحابة» لأبي نعيم.
17) الوحدان لأبي الفتح لأزدي (374). نقل منه في «إكمال تهذيب الكمال» (4/ 80).
18) زوائد على كتاب (الوحدان لمسلم) للعراقي (806) قال: إنه «سيفردها بمؤلف مستقل»
(1).
--------------------------------------------
8) হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আল-কাব্বানি (২৮৯) রচিত «আল-উহদান»। ইবনে আব্দুল বার ‘আল-ইস্তিআব’ গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন (শারিক ইবনে তারিক আল-হানজালি-এর জীবনীতে)।
9) মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে আবি শায়বাহ (২৯৭)। আবু নুআইম ‘মারিফাতুস সাহাবাহ’ গ্রন্থে এবং ইবনে হাজার ‘তাহযিবুত তাহযিব’ (৬/ ৯৭) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।
10) মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি মুতাইয়্যান (২৯৭)। আবু নুআইম ‘মারিফাতুস সাহাবাহ’ (১/ ১৮৮) গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
11) মুহাম্মদ ইবনে হুরাইস ইবনে হাশেদ (৩০২)। আয-যাহাবি ‘তারিখুল ইসলাম’ (২৩/ ৯৮) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।
12) আন-নাসায়ি (৩০৩) রচিত «মান লাইসা লাহু ইল্লা রাউইন ওয়াহিদ»। এটি তাঁর ‘আদ-দুয়াফা’ কিতাবের পরিশিষ্টে মুদ্রিত হয়েছে এবং এটি একটি ছোট খণ্ড।
13) আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান আন-নাসাউয়ি (৩০৩) রচিত «আল-উহদান»। আবু নুআইম ‘মারিফাতুস সাহাবাহ’ ও অন্যান্য গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
14) আল-খাল্লাল (৩০৭) রচিত আল-উহদান।
15) আবুল কাসিম ইবনে মানি’ আল-বাগাউয়ি (৩১৭)। আবু নুআইম ‘মারিফাতুস সাহাবাহ’ গ্রন্থে এবং ইবনে মানদাহ ‘মারিফাতুস সাহাবাহ’ (২৪১) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।
16) আবুল কাসিম আত-তাবারানি (৩৬০)। আবু নুআইম তাঁর ‘মারিফাতুস সাহাবাহ’ গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
17) আবুল ফাতহ আল-আযদি (৩৭৪) রচিত আল-উহদান। ‘ইকমালু তাহযিবিল কামাল’ (৪/ ৮০) গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
18) আল-ইরাকি (৮০৬) রচিত ‘জাওয়ায়েদ আলা কিতাবি (আল-উহদান লি-মুসলিম)’। তিনি বলেছেন: তিনি এটি «স্বতন্ত্র একটি কিতাবে আলাদা করে লিখবেন»
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
*
مسوّدات الكتابللكتاب مسوّدتان كلتاهما محفوظة في مكتبة الحرم المكي، الأولى برقم [4935]، والثانية برقم [4728].
الأولى: تقع في (34 ق) بترقيم المؤلف، وهي أشبه بالفهرس للأسماء مرتبة على حروف المعجم، جعل كلّ اسم في سطر. وكأن هذا الفهرس هو الحصيلة الأولية لجرد كتاب «تهذيب التهذيب» واستخراج هذه الأسماء. ثم عاد المؤلف على هذا الفهرس بالتعليق والتهميش وتقييد الملحوظات في طرر صفحات المخطوط وبين الأسطر، ووضع جملة من الرموز والتخريجات.
المسوّدة الثانية: وتقع في (315 ص) في دفتر من القطع المتوسط، عدد الأسطر يتراوح ما بين 17 و 19 سطرًا في كل صفحة، يبدأ الدفتر بورقتين فيهما بعض التقييدات والفوائد، ثم يبدأ الكتاب بالبسملة، ثم شرع في سرد التراجم، فذكر أول ترجم لـ «أسامة بن خُرَيم»، وينتهي سرد الأسماء والكلام عليها عند الورقة (315) ثم بعده عدة أوراق فيها تقييدات وفوائد وإحصائيات يظهر لي أنه قيّدها لتكون تمهيدًا لكتابة مقدمة الكتاب.
قد يترك المؤلف فراغًا بمقدار صفحة كاملة أو نصف صفحة، والنسخة مليئة بالتخريج والتهميش والضرب كعادة المسوّدات، وتتفاوت تراجمه، فمنها ما هو كامل المادة، ومنها ما يعتوره النقص، كما أن هناك تراجم مقيّدة إما في الهوامش أو بين الأسطر لم يكتب المؤلف تحتها شيئًا ولم يدخلها تحت الترقيم العام لتراجم الكتاب.
গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিসমূহগ্রন্থটির দুটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে এবং উভয়টিই মক্কার হারাম লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। প্রথমটির নম্বর [৪৯৩৫] এবং দ্বিতীয়টির নম্বর [৪৭২৮]।
প্রথমটি: এটি লেখকের নিজস্ব সংখ্যায়ন অনুযায়ী ৩৪টি পত্র নিয়ে গঠিত। এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো নামসমূহের একটি সূচিপত্রের মতো, যেখানে প্রতিটি নাম একটি করে লাইনে রাখা হয়েছে। মনে হয় যেন এই সূচিপত্রটি ‘তাহযীবুত তাহযীব’ গ্রন্থটি পর্যালোচনা করে সেখান থেকে নামগুলো সংগ্রহের প্রাথমিক নির্যাস। পরবর্তীতে লেখক এই সূচিপত্রের ওপর পুনরায় কাজ করেছেন এবং পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠার প্রান্তসীমায় ও লাইনের মাঝখানে বিভিন্ন টীকা ও নোট যুক্ত করেছেন এবং অনেকগুলো সংকেত ও তথ্যসূত্র স্থাপন করেছেন।
দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি: এটি মাঝারি আকারের একটি খাতায় ৩১৫ পৃষ্ঠায় বিস্তৃত। প্রতি পৃষ্ঠায় লাইনের সংখ্যা ১৭ থেকে ১৯টির মধ্যে। খাতাটি শুরু হয়েছে দুটি পাতা দিয়ে যেখানে কিছু নোট ও শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। এরপর বিসমিল্লাহর মাধ্যমে মূল গ্রন্থটি শুরু হয়েছে এবং তারপর তিনি জীবনীসমূহ ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করতে শুরু করেছেন। তিনি প্রথম জীবনী হিসেবে ‘উসামাহ বিন খুরাইম’-এর জীবনী উল্লেখ করেছেন। ৩১৫ নম্বর পৃষ্ঠায় গিয়ে নামসমূহের বর্ণনা ও সেগুলোর ওপর আলোচনা শেষ হয়েছে। এরপর আরও কয়েকটি পাতা রয়েছে যেখানে কিছু নোট, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিসংখ্যান রয়েছে; আমার কাছে মনে হয় যে, তিনি এগুলো গ্রন্থের ভূমিকা লেখার প্রস্তুতি হিসেবে লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
লেখক কখনও কখনও একটি পূর্ণ পৃষ্ঠা বা অর্ধেক পৃষ্ঠা পরিমাণ জায়গা খালি রেখে দিয়েছেন। পাণ্ডুলিপিটি তথ্যসূত্র প্রদান, টীকা সংযোজন এবং কাটাছেঁড়ায় ভরপুর, যেমনটা সাধারণত খসড়া পাণ্ডুলিপিগুলোতে হয়ে থাকে। জীবনীগুলোর বর্ণনায় ভিন্নতা রয়েছে; কোনোটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যে সমৃদ্ধ, আবার কোনোটি অসম্পূর্ণ। এছাড়া এমন কিছু জীবনী মার্জিনে অথবা লাইনের মাঝখানে লিখে রাখা হয়েছে যেগুলোর নিচে লেখক কিছুই লিখেননি এবং গ্রন্থের জীবনীসমূহের সাধারণ ক্রমিক নম্বরের অধীনেও সেগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেননি।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
وقد يضيق المكان بالترجمة بحسب ترتيبها من الكتاب، فيؤخر المؤلف الكلام عليها إلى آخر الدفتر.
*
منهج التحقيقاعتمدت في إخراج الكتاب على المسوّدة الثانية فقط؛ لأن المسوّدة الأولى ليست سوى فهرس أوّلي، مع تقييدات وتهميشات تمهيدية، فلم ننتفع بها في المقابلة ولا في تصحيح النص. وإن كانت كشفت لنا مرحلة من مراحل طريقة المؤلف في تأليف الكتاب.
إذا نقل المؤلف من المصادر فإنه يذكر رقم الجزء والصفحة في كثير من الأحيان، وقد يغفلها، ففي الثاني أُحيل إلى ما أغفله منها.
وللمؤلف طرق في الإحالة أو النقل من مصادر ترجمة الراوي ــ كما سبق ــ وقد تساوقتُ مع المؤلف في طرق عزوي وإحالاتي على المراجع؛ فالعَلَم الذي لم يذكر مصادر ترجمته وضعتُ على اسم العَلَم رقمًا وذكرت في الهامش مصادر ترجمته من الكتب الآتية غالبًا (التاريخ الكبير للبخاري، والمنفردات والوحدان لمسلم، والجرح والتعديل لابن أبي حاتم، والثقات لابن حبان، والميزان للذهبي، وتهذيب التهذيب للحافظ ابن حجر)، وقد أحيل إلى غيرها إن نقل المؤلف عنها، أو نقل عن أصحابها كثقات العجلي أو ابن شاهين أو تهذيب الكمال أو تعجيل المنفعة أو غيرها.
أما التراجم التي يسوق المؤلف مصادرها فيها، فإن أحال على الجزء والصفحة فذاك، وإلا أحلتُ عليها، ثم زدت بعده المصادر التي لم يُحِل عليها من الكتب التي سبق ذكرها. ولا أضع رقمًا عند اسم الراوي وذلك تخفّفًا من كثرة الهوامش.
কখনও কখনও গ্রন্থের ক্রমবিন্যাস অনুযায়ী জীবনী আলোচনার স্থান সংকীর্ণ হয়ে পড়ে, ফলে লেখক সে বিষয়ে আলোচনা খাতার শেষের দিকে পিছিয়ে দেন।
*
সম্পাদনা পদ্ধতিগ্রন্থটি প্রকাশের ক্ষেত্রে আমি কেবল দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি; কারণ প্রথম পাণ্ডুলিপিটি একটি প্রাথমিক সূচিপত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যাতে কিছু প্রাথমিক টীকা ও পার্শ্বটীকা ছিল। তাই পাঠ্য মিলাতে বা পাঠ সংশোধনের ক্ষেত্রে আমরা তা থেকে কোনো উপকৃত হইনি। যদিও এটি আমাদের সামনে গ্রন্থ রচনায় লেখকের কর্মপদ্ধতির একটি পর্যায় উন্মোচন করেছে।
লেখক যখন মূল উৎস থেকে উদ্ধৃতি দেন, তখন তিনি প্রায়শই খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করেন, আবার কখনও তা উল্লেখ করতে ভুলে যান। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে আমি সেই অনুক্ত তথ্যগুলোর বরাত প্রদান করেছি।
রাবীর জীবনীর উৎস থেকে তথ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে লেখকের নিজস্ব কিছু পদ্ধতি রয়েছে—যেমনটি আগে গত হয়েছে। আমিও আমার সূত্র নির্দেশ ও উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে লেখকের পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্য বজায় রেখেছি। সুতরাং, যে ব্যক্তির জীবনীর উৎস তিনি উল্লেখ করেননি, সেখানে আমি ওই নামের ওপর একটি নম্বর দিয়েছি এবং পাদটীকায় সাধারণত নিচের কিতাবগুলো থেকে তাঁর জীবনীর সূত্র উল্লেখ করেছি (বুখারীর 'আত-তারিখুল কাবির', মুসলিমের 'আল-মুনফারিদাত ওয়াল ওয়াহদান', ইবনে আবি হাতিমের 'আল-জারহু ওয়াত তাদিল', ইবনে হিব্বানের 'আস-সিকাত', যাহাবীর 'আল-মিজান' এবং হাফেজ ইবনে হাজারের 'তাহজিবুত তাহজিব')। এছাড়া লেখক যদি অন্য কোনো উৎস থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে থাকেন বা সেই গ্রন্থকারদের থেকে বর্ণনা করে থাকেন, তবে আমি সেগুলোরও বরাত দিয়েছি—যেমন ইজলী বা ইবনে শাহীনের 'আস-সিকাত', 'তাহজিবুল কামাল', 'তাজিলুল মানফায়াহ' বা অন্যান্য গ্রন্থ।
আর যে সমস্ত জীবনী আলোচনায় লেখক নিজেই উৎসসমূহ উল্লেখ করেছেন, সেখানে যদি তিনি খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর দিয়ে থাকেন তবে তো ভালোই, অন্যথায় আমি তা যুক্ত করে দিয়েছি। অতঃপর আমি সেখানে পূর্বে উল্লিখিত গ্রন্থগুলো থেকে আরও কিছু অতিরিক্ত উৎস যোগ করেছি যা লেখক উল্লেখ করেননি। পাদটীকোর আধিক্য কমানোর জন্য এ ক্ষেত্রে আমি রাবীর নামের পাশে কোনো নম্বর প্রদান করিনি।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
كثيرًا ما يلحق المؤلف اسم الراوي برمز يدلّ على من ذكره في الوحدان، وذلك إما برمز (م) أو (ن) أو غيره من الرموز التي أشرت إليها قريبا، فأحيل إلى هذه المصادر برقم فوق ذاك الرمز.
عند ذكر المؤلف لحديث الراوي وذِكْره من أخرجه، فإن أغفل الإحالة على الجزء والصفحة أو أحال إليهما أحلت إلى رقم الحديث في الجميع، ثم أضيف مَن خرّجه غير مَن ذكرهم المؤلف من كتب الحديث المشهورة، فإن تكلم المؤلف على الحديث وهو الغالب فذاك، وإلا نقلتُ من كلام العلماء في تصحيحه أو تضعيفه ما وجدته، أو نظرتُ في إسناده وبيّنتُ درجةَ إسناده باختصار.
وليس غرض المؤلف من ذِكر الحديث بيان صحة لفظه، بل النظر في الحديث هل تفرّد به الراوي أو لا؟ وهل تابعه غيره على روايته؟ وهل للفظه شواهد تشهد له؟ وهل في متنه نكارة من جهة معناه؟ فلم يكن له غرض في التوسع في تخريجه والكلام عليه إلا من هذه الجهة.
استخدم المؤلف بعض الرموز اختصارًا للإشارة إلى عَلَم أو كتاب، فأعدنا هذه الاختصارات إلى أصولها إلا رموز أصحاب الكتب الستة، وقد أشرت إلى ذلك في بعض المواضع دلالة على الباقي، ومن تلك الاختصارات (خ) إشارة إلى البخاري أو «تاريخه الكبير»، و (حا) إلى ابن أبي حاتم وكتابه «الجرح والتعديل»، و (ت) إلى «تهذيب التهذيب».
ضبطتُ ما يُشكل من الأسماء والأنساب ضبطَ قلمٍ، وإن لزم الأمر قيدته في الهامش بالحروف.
লেখক প্রায়শই বর্ণনাকারীর নামের সাথে এমন একটি সংকেত যুক্ত করেন যা নির্দেশ করে যে তাকে 'আল-উহদান' গ্রন্থে কে উল্লেখ করেছেন। এটি (ম) বা (ন) অথবা অনুরূপ অন্যান্য সংকেতের মাধ্যমে করা হয় যা আমি ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। আমি সেই সংকেতের উপরে একটি সংখ্যা ব্যবহার করে এই উৎসগুলোর দিকে নির্দেশ করেছি।
লেখক যখন কোনো বর্ণনাকারীর হাদিস এবং তা কে সংকলন করেছেন তা উল্লেখ করেন, তখন যদি তিনি খণ্ড ও পৃষ্ঠার উদ্ধৃতি দিতে বাদ দেন অথবা যদি তা দিয়েও থাকেন, আমি সবক্ষেত্রেই হাদিস নম্বরের দিকে নির্দেশ করেছি। এরপর লেখক যাদের কথা উল্লেখ করেছেন তাদের বাইরে প্রসিদ্ধ হাদিস গ্রন্থসমূহ থেকে যারা উক্ত হাদিসটি সংকলন করেছেন তাদের নাম যুক্ত করেছি। লেখক যদি হাদিসটি সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করে থাকেন—যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঘটেছে—তবে তাই যথেষ্ট; অন্যথায় হাদিসটি শুদ্ধ বা দুর্বল হওয়ার বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের যে বক্তব্য আমি পেয়েছি তা উদ্ধৃত করেছি, অথবা এর সনদ পর্যালোচনা করে সংক্ষেপে এর মান স্পষ্ট করেছি।
হাদিসটি উল্লেখ করার মাধ্যমে লেখকের উদ্দেশ্য এর শব্দের বিশুদ্ধতা বর্ণনা করা নয়, বরং হাদিসটি পর্যালোচনার মূল লক্ষ্য হলো—বর্ণনাকারী কি এটি বর্ণনায় একক কি না? অন্য কেউ কি তার বর্ণনার সমর্থন করেছে? এর শব্দের স্বপক্ষে কোনো সাক্ষী আছে কি না? এবং এর মূল পাঠে অর্থের দিক থেকে কোনো অসংগতি আছে কি না? তাই এই দিকটি ছাড়া হাদিসের তাখরিজ বা এর ওপর বিস্তারিত আলোচনার কোনো উদ্দেশ্য লেখকের ছিল না।
লেখক কোনো ব্যক্তি বা কিতাবকে সংক্ষেপে নির্দেশ করার জন্য কিছু সংকেত ব্যবহার করেছেন। আমরা 'কুতুবুত সিত্তা' বা ছয়টি হাদিস গ্রন্থের সংকলকদের সংকেত ব্যতীত বাকি সংক্ষেপিত রূপগুলোকে তাদের পূর্ণরূপে ফিরিয়ে এনেছি। অবশিষ্টগুলোর নির্দেশিকা হিসেবে আমি কিছু স্থানে বিষয়টি উল্লেখ করেছি। সেই সংক্ষেপিত রূপগুলোর মধ্যে রয়েছে (খ) যা দ্বারা বুখারি বা তাঁর 'তারিখুল কাবির' নির্দেশ করা হয়েছে, (হা) যা দ্বারা ইবনে আবি হাতিম ও তাঁর কিতাব 'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল' বোঝানো হয়েছে এবং (ত) যা দ্বারা 'তাহজিবুত তাহজিব' বুঝানো হয়েছে।
অস্পষ্ট নাম ও বংশপরিচয়গুলো আমি লেখনীর মাধ্যমে যথাযথভাবে স্বরচিহ্নযুক্ত করেছি, এবং প্রয়োজনবোধে পাদটিককায় অক্ষরের মাধ্যমে তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছি।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
عدتُ إلى المصادر التي ينقل منها المؤلف وقابلت النصوص عليها، وأصلحت ما وقع من سهو أو غلط في النقل مع الإشارة إلى ذلك، خاصة أن المؤلف اعتمد على كتاب «تهذيب التهذيب» وفيها أغلاط كثيرة، كما نبّه المؤلف على ذلك في مواضع عديدة من كتبه.
وقد جرى المؤلف على طريقته في وضع علامة الاستفهام (؟) عندما يستشكل كلمةً منقولة من مصدرها، وقد يجتهد في التصحيح أو يتركه غُفلًا تنبيهًا لنفسه عند التبييض أو للقارئ لو وقف على الكتاب.
هذا مجمل العمل في الكتاب، وقد ختمناه بفهارس عديدة، للآيات والأحاديث والآثار والأعلام والكتب، قام بعملها الباحث في المشروع الشيخ نبيل السندي.
والحمد لله الذي بنعمته تتم الصالحات.
আমি মূল উৎসসমূহের দিকে প্রত্যাবর্তন করেছি যেখান থেকে লেখক উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন এবং পাঠ্যগুলোকে সেগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখেছি। উদ্ধৃতি প্রদানকালে অসতর্কতাবশত যে সকল বিচ্যুতি বা ভুল সংঘটিত হয়েছে, আমি সেগুলোর দিকে ইঙ্গিত করার পাশাপাশি তা সংশোধন করেছি; বিশেষত লেখক 'তহজীবুত তহজীব' গ্রন্থের ওপর নির্ভর করেছেন যাতে অনেক ভুল রয়েছে, যেমনটি লেখক তাঁর কিতাবসমূহের বিভিন্ন স্থানে এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
লেখক তাঁর চিরাচরিত পদ্ধতি অনুযায়ী কোনো উৎস থেকে উদ্ধৃত শব্দে অস্পষ্টতা বা সংশয় দেখা দিলে সেখানে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) ব্যবহার করেছেন। কখনো তিনি তা সংশোধনের প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, আবার কখনো তা সংশোধনহীন অবস্থায় ছেড়ে দিয়েছেন—হয়তো পাণ্ডুলিপি চূড়ান্ত করার সময় নিজের সতর্কতার জন্য অথবা পাঠকের জন্য যদি তিনি কিতাবটি পাঠ করেন।
এই হলো কিতাবটির ওপর সম্পাদিত কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। আমরা গ্রন্থটি আয়াত, হাদিস, আছার, প্রসিদ্ধ ব্যক্তি ও কিতাবসমূহের নানাবিধ নির্ঘণ্টের মাধ্যমে সমাপ্ত করেছি, যা প্রস্তুত করেছেন এই প্রকল্পের গবেষক শাইখ নাবিল আল-সিন্দি।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহে সকল নেক কাজ সুসম্পন্ন হয়।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
ملحقبأهم الفوائد التي قيّدها المؤلف في أوراق ملحقة بالكتاب (1)[من قيل: إنه لم يرو عنه إلا واحد، أو ليس له إلا حديث واحد
ووُجِد له غير ذلك]
- داود بن علي بن عبد الله بن عباس:
قال ابن معين: ليس يحدث إلا بحديث واحد.
وقال ابن عدي: روى غير هذا بضعة عشر حديثًا.
- علي بن أعبد:
قال ابن المديني: ليس بمعروف، ولا أعرف له غير هذا الحديث.
[قال الحافظ] قلت: له حديث آخر.
- عيسى بن عبد الله بن مالك الدار:
روى عنه ابن إسحاق وجماعة. وقال ابن المديني: مجهول، لم يرو عنه غير محمد بن إسحاق.
- غيلان بن أنس:
روى عنه الأوزاعي وجماعة. وقال ابن معين: ليس يروي عنه غير الأوزاعي.
--------------------------------------------
পরিশিষ্টগ্রন্থের সাথে সংযুক্ত পাতাসমূহে লেখক কর্তৃক সংকলিত গুরুত্বপূর্ণ ফায়দাহসমূহ (১)[যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তাদের থেকে কেবল একজন বর্ণনা করেছেন, অথবা তাদের কেবল একটি হাদিস রয়েছে
অথচ এর বিপরীতে আরও বর্ণনা পাওয়া গিয়েছে]
- দাউদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস:
ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি কেবল একটি হাদিসই বর্ণনা করেন।
ইবনে আদী বলেছেন: তিনি এটি ছাড়াও আরও দশটির অধিক হাদিস বর্ণনা করেছেন।
- আলী বিন আবদ:
ইবনুল মাদীনী বলেছেন: তিনি পরিচিত নন, এবং এই হাদিসটি ছাড়া তার অন্য কোনো হাদিস আমার জানা নেই।
[হাফেজ বলেছেন] আমি বলি: তার অন্য একটি হাদিসও রয়েছে।
- ঈসা বিন আব্দুল্লাহ বিন মালিক আদ-দার:
তার থেকে ইবনে ইসহাক এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মাদীনী বলেছেন: তিনি মাজহুল (অপরিচিত), মুহাম্মদ বিন ইসহাক ছাড়া অন্য কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি।
- গায়লান বিন আনাস:
তার থেকে আওযাঈ এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: আওযাঈ ছাড়া অন্য কেউ তার থেকে বর্ণনা করেন না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
- عبد الله بن عبيدة الربذي:
قال ابن معين وابن حبان: إنه لم يرو عنه إلا أخوه موسى. وقد روى البخاري من طريق صالح بن كيسان عنه، وذكر في «التهذيب» آخرين رووا عنه.
- محمد بن أبي سفيان بن العلاء بن جارية:
قال علي بن المديني: لا أعلم روي عنه شيء من العلم إلا حديث واحد: «من يُرِد هوان قريش يهنه الله».
قال ابن حجر: قلت: قد ذكر له البخاري حديثًا آخر
…- قطبة بن مالك الثعلبي:
ذكره الدارقطني وجماعة أنه لم يرو عنه إلا زياد بن حدير. وذكر المزي له روايًا آخر. وقال ابن حجر: وظفرت بثالث.
* * * *
[من لم يرو عنه إلا واحد ووُصِف بالجهالة]
- ابن أبي خزامة:
قال الترمذي: مجهول، لم يرو عنه غير الزهري.
- عياض أبو خالد:
قال المديني: شيخ مجهول، لم يرو عنه غير شعبة.
- আব্দুল্লাহ বিন উবাইদাহ আর-রাবাজি:
ইবনে মাঈন এবং ইবনে হিব্বান বলেছেন: তাঁর ভাই মুসা ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি। ইমাম বুখারি সালিহ বিন কাইসানের সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং ‘আত-তাহযিব’ গ্রন্থে অন্যদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
- মুহাম্মদ বিন আবি সুফিয়ান বিন আল-আলা বিন জারিয়া:
আলি বিন আল-মাদিনি বলেছেন: একটি হাদিস ব্যতীত তাঁর থেকে ইলমের কোনো কিছু বর্ণিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই: "যে ব্যক্তি কুরাইশদের অপমান কামনা করবে, আল্লাহ তাকে অপমানিত করবেন।"
ইবনে হাজার বলেছেন: আমি বলছি: আল-বুখারি তাঁর জন্য অন্য একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন
…- কুতবাহ বিন মালিক আস-সা’লাবি:
আদ-দারা কুতনি এবং একদল আলিম উল্লেখ করেছেন যে, যিয়াদ বিন হুদাইর ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি। আল-মিযযি তাঁর জন্য অন্য একজন বর্ণনাকারীর কথা উল্লেখ করেছেন। ইবনে হাজার বলেছেন: আমি তৃতীয় একজনের সন্ধান পেয়েছি।
* * * *
[যাদের থেকে মাত্র একজন বর্ণনা করেছেন এবং যাদের অজ্ঞাত (মাজহুল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে]
- ইবনে আবি খুযামাহ:
আত-তিরমিযি বলেছেন: তিনি মাজহুল (অজ্ঞাত), আয-যুহরি ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি।
- ইয়াদ আবু খালিদ:
আল-মাদিনি বলেছেন: তিনি একজন মাজহুল (অজ্ঞাত) শাইখ, শু’বাহ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
[من روى عنه أكثر من واحد ووصف بالجهالة]
- عياض بن هلال:
قال ابن المديني: عياض بن أبي زهير الفهري مجهول لم يرو عنه غير يحيى بن أبي كثير، وزيد بن أسلم.
- (ت ق) عثمان بن عبد الرحمن الجمحي:
روى عنه علي بن المديني، وبشر بن الحكم، وأحمد بن عبدة الضبي، ويوسف بن حماد المعنى، وأبو كامل الجحدري، و
…قال البخاري: مجهول (؟!).
- عيسى بن أبي رزين:
روى عنه جماعة، وقال أبو زرعة: هو مجهول.
- عصام بن طليق:
روى عنه جماعة. وقال البخاري: مجهول، منكر الحديث، [وقال ابن حبان: كان ممن يأتي بالمعضلات عن أقوام ثقات حتى إذا سمعها من الحديث صناعيه شهد أنها]
(2) معمولة أو مقلوبة.
- كثير بن زاذان النخعي:
روى عنه ثلاثة. وقال أبو زرعة وأبو حاتم: مجهول.
--------------------------------------------
[যাদের থেকে একের অধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন এবং যাদের ‘মাজহুল’ (অজ্ঞাত) হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে]
- ইয়াদ বিন হিলাল:
ইবনুল মাদিনী বলেছেন: ইয়াদ বিন আবি যুহাইর আল-ফিহরি মাজহুল (অজ্ঞাত); ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির এবং যায়দ বিন আসলাম ছাড়া আর কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি।
- (ত, ক্ব) উসমান বিন আব্দুর রহমান আল-জুমাহি:
তার থেকে আলী বিন আল-মাদিনী, বিশর বিন আল-হাকাম, আহমাদ বিন আবদাহ আদ-দব্বি, ইউসুফ বিন হাম্মাদ আল-মাআনি, আবু কামিল আল-জাহদারি এবং
... বর্ণনা করেছেন।
ইমাম বুখারি বলেছেন: মাজহুল (অজ্ঞাত) (?!।)
- ঈসা বিন আবি রাযিন:
একদল বর্ণনাকারী তার থেকে বর্ণনা করেছেন, আর আবু যুরআ বলেছেন: তিনি মাজহুল (অজ্ঞাত)।
- ইসাম বিন ত্বলিক্ব:
একদল বর্ণনাকারী তার থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি বলেছেন: মাজহুল (অজ্ঞাত), মুনকারুল হাদিস, [এবং ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে বিভ্রান্তিকর বর্ণনা নিয়ে আসতেন, এমনকি যখন কোনো হাদিস বিশারদ সেই হাদিসগুলো শুনতেন তখন সাক্ষ্য দিতেন যে সেগুলো]
(২) বানোয়াট অথবা ওলটপালট করা।
- কাসির বিন যাযান আন-নাখায়ি:
তিনজন তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবু যুরআ এবং আবু হাতিম বলেছেন: মাজহুল (অজ্ঞাত)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
- علي بن عروة الدمشقي القرشي:
روى عنه جماعة. قال البخاري: مجهول.
- يوسف بن سعد:
روى عنه جماعة. وقال الترمذي: مجهول.
- أبو سلمان مؤذن الحجاج:
عن زيد بن أرقم. وعنه الحكم بن عتيبة، وعثمان بن المغيرة، ومسعر. قال الدارقطني: مجهول.
- يوسف بن الزبير:
عن الزبير، وابنه عبد الله، وغيرهما. وعنه بكر بن عبد الله المزني، ومجاهد. قال ابن جرير: مجهول، لا يحتج به.
- محمد بن عثمان بن سيار:
روى عنه جماعة، وقال الدارقطني: مجهول.
* ممن روى عنه جماعة، وقال البخاري: «مجهول»:
1 - عثمان بن عبد الرحمن الجمحي.
2 - عصام بن طليق.
3 - علي بن عروة الدمشقي.
* * * *
- আলী ইবনে উরওয়াহ আদ-দিমাশকি আল-কুরাশি:
তার থেকে একদল বর্ণনা করেছেন। বুখারি বলেছেন: মাজহুল।
- ইউসুফ ইবনে সাদ:
তার থেকে একদল বর্ণনা করেছেন। এবং তিরমিজি বলেছেন: মাজহুল।
- আবু সালমান মুয়াজ্জিন আল-হাজ্জাজ:
যায়েদ ইবনে আরকাম থেকে। এবং তার থেকে হাকাম ইবনে উতাইবাহ, উসমান ইবনে আল-মুগিরাহ এবং মিসআর বর্ণনা করেছেন। দারাকুতনি বলেছেন: মাজহুল।
- ইউসুফ ইবনে আজ-জুবাইর:
জুবাইর, তার পুত্র আবদুল্লাহ এবং অন্যান্যদের থেকে। এবং তার থেকে বকর ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুজানি এবং মুজাহিদ বর্ণনা করেছেন। ইবনে জারির বলেছেন: মাজহুল, তার দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না।
- মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে সাইয়ার:
তার থেকে একদল বর্ণনা করেছেন, এবং দারাকুতনি বলেছেন: মাজহুল।
* যাদের থেকে একদল বর্ণনা করেছেন, অথচ বুখারি বলেছেন: «মাজহুল»:
১ - উসমান ইবনে আবদুর রহমান আল-জুমাহি।
২ - ইসাম ইবনে তলিক।
৩ - আলী ইবনে উরওয়াহ আদ-দিমাশকি।
* * * *
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
[استقامة مرويات الرواة الوُحدان أو نكارتها هي ميزان الحكم عليهم]
- إبراهيم بن عكاشة:
قال ابن أبي حاتم: وجدت الخبر الذي رواه منكرًا دلّ على أن الرجل ليس بصدوق.
- داود بن أبي صالح:
لا يعرف له إلا حديثٌ عن نافع عن ابن عمر، ولم يتابع عليه؛ فسموه منكرًا، وقال بعضهم: موضوع.
- رواد بن الجراح:
قال: جاءني قومٌ فقالوا: عندنا حديث عجيب، فقرؤوه، وذهبوا فرووه عني!
- الربيع بن يحيى بن مقسم:
قول الدارقطني: هذا يسقط مائة ألف حديث.
- ناصح بن العلاء:
اضطراب الأئمة في التوثيق والجرح بحسب اختلاف نظرهم في حديثه، أمنكرٌ أم لا، وهو حديث واحد.
- عتي بن ضمرة:
قال ابن المديني: مجهول
… ، وحديثه [يُشبه] حديث أهل الصدق، وإن كان لا يُعرف.
[একক বর্ণনাকারীদের বর্ণিত হাদীসের সঠিকতা বা ত্রুটিপূর্ণ হওয়া তাদের বিষয়ে বিচার করার মানদণ্ড]
- ইবরাহীম বিন উকাশাহ:
ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি তার বর্ণিত হাদীসটি 'মুনকার' (অগ্রহণযোগ্য) হিসেবে পেয়েছি, যা প্রমাণ করে যে ব্যক্তিটি সত্যবাদী নন।
- দাউদ বিন আবি সালিহ:
নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে বর্ণিত একটি হাদীস ছাড়া তার আর কোনো হাদীস পরিচিত নয়, আর সেই বর্ণনায় কেউ তার অনুসরণ করেনি; তাই তারা এটিকে 'মুনকার' বলে অভিহিত করেছেন, আর তাদের কেউ কেউ বলেছেন এটি 'মাওজু' (বানোয়াট)।
- রাওয়াদ বিন আল-জাররাহ:
তিনি বলেছেন: আমার কাছে একদল লোক এল এবং বলল: আমাদের কাছে একটি আশ্চর্যজনক হাদীস আছে, অতঃপর তারা সেটি পড়ল এবং চলে গেল; এরপর তারা সেটি আমার পক্ষ থেকে বর্ণনা করতে লাগল!
- আর-রাবী বিন ইয়াহইয়া বিন মিকসাম:
আদ-দারাকুতনীর উক্তি: এটি এক লক্ষ হাদীসকে বাতিল করে দেয়।
- নাসিহ বিন আল-আলা:
ইমামগণের নির্ভরযোগ্যতা প্রদান ও ত্রুটি বর্ণনার (জারহ ও তা'দীল) ক্ষেত্রে যে দোদুল্যমানতা রয়েছে তা তার হাদীসের বিষয়ে তাদের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে—সেটি কি 'মুনকার' নাকি নয়, অথচ সেটি মাত্র একটি হাদীস।
- উতি বিন দামরাহ:
ইবনুল মাদীনী বলেছেন: মাজহুল (অপরিচিত)
… , আর তার হাদীস সত্যবাদী লোকদের হাদীসের [সদৃশ], যদিও তিনি পরিচিত নন।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
* في ترجمة ثابت بن [عجلان]: «أما من وُثِّق فانفراده لا يضره
… » إلخ.
* «مستدرك» (4/ 457) من لم يوثق ولم يجرح.
* * * *
[هل رواية الراوي الثقة ترفع الجهالة؟]
* في ترجمة «مشاش» من كتاب ابن أبي حاتم قول أبيه: إذا رأيت شعبة يحدث عن رجل فاعلم أنه ثقة، إلا نفرًا بأعيانهم. قلت: فما تقول فيه ــ يعني مشاشًا ــ؟ قال: صدوق، صالح الحديث.
* (خ س) أبو يزيد المدني: من أهل البصرة، روى عنه أيوب السختياني، وجماعة.
قال أبو داود: سألت أحمد عنه، فقال: تسأل عن رجلٍ روى عنه أيوب؟! وقال أبو حاتم: سئل عنه مالك، فقال: لا أعرفه. ثم قال أبو حاتم: يكتب حديثه. وقال أبو زرعة: لا أعلم له اسمًا.
* ممن قيل: «مجهول»، وقد روى عنه ثقة أو ثقتان، ومن يجهلهم الترمذي:
1 - عبيدة بن مسافع.
2 - يوسف بن الزبير.
3 - ابن أبي خزامة.
* সাবিত ইবনে [আজলান]-এর জীবনীতে: «তবে যাকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করা হয়েছে, তার একক বর্ণনা তার জন্য ক্ষতিকর নয়
… » ইত্যাদি।
* «মুস্তাদরাক» (৪/ ৪৫৭) যাকে নির্ভরযোগ্যও বলা হয়নি এবং যার সমালোচনাও করা হয়নি।
* * * *
[নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বর্ণনা কি অজ্ঞাতাবস্থা (জাহালাত) দূর করে?]
* ইবনে আবি হাতিমের কিতাবে «মুশাশ»-এর জীবনীতে তার পিতার উক্তি: যখন আপনি শু'বাহকে কোনো ব্যক্তি থেকে হাদিস বর্ণনা করতে দেখবেন, তবে জেনে রাখুন যে সে নির্ভরযোগ্য, কেবল নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি ছাড়া। আমি বললাম: তবে তার (অর্থাৎ মুশাশের) ব্যাপারে আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: সত্যবাদী (সাদুক), হাদিসের ক্ষেত্রে সৎ (সালিহুল হাদিস)।
* (খ সি) আবু ইয়াজিদ আল-মাদানি: বসরার অধিবাসী, তার থেকে আইয়ুব আল-সাখতিয়ানি এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন।
আবু দাউদ বলেন: আমি আহমাদকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: আপনি এমন একজন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন যার থেকে আইয়ুব বর্ণনা করেছেন?! আবু হাতিম বলেন: মালিককে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: আমি তাকে চিনি না। অতঃপর আবু হাতিম বলেন: তার হাদিস লেখা হবে। আবু জুরআহ বলেন: আমি তার কোনো নাম জানি না।
* যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে: «অজ্ঞাত» (মাজহুল), অথচ তাদের থেকে একজন বা দুইজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, এবং যাদের তিরমিজি অজ্ঞাত হিসেবে গণ্য করেছেন:
১ - উবাইদাহ ইবনে মুসাফে।
২ - ইউসুফ ইবনে আল-জুবাইর।
৩ - ইবনে আবি খুজামাহ।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
4 - يوسف بن سعد: روى عنه جماعة، وقال الترمذي: مجهول.
5 - أبو الجارية.
6 - أبو سلمان، مؤذن الحجاج: عن زيد بن أرقم. وعنه: الحكم بن عتيبة، وعثمان بن أبي المغيرة، ومسعر.
قال الدارقطني: مجهول.
7 - أبو المبارك.
8 - أبو المختار الطائي.
9 - هبيرة بن يريم.
10 - محمد بن عثمان بن سيار.
* * * *
[من وُثِّق وله حديث واحد فقط]
- (دس) سعيد بن زياد الشيباني:
قال ابن معين مرة: صالح. وقال مرة: ثقة. وكذا قال العجلي. وقال النسائي: ليس به بأس. وقال الدارقطني: يعتبر به ولا يحتج به، لا أعرف له إلا حديث التصليب.
- أبو بسرة الغفاري.
- يوسف بن الحكم، والد الحجاج:
قال العجلي: «ثقة». وإنما روى حديثًا واحدًا عن محمد بن سعد،
৪ - ইউসুফ বিন সাদ: একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিজি বলেছেন: তিনি অপরিচিত (মাজহুল)।
৫ - আবু আল-জারিয়াহ।
৬ - আবু সালমান, হাজ্জাজের মুয়াজ্জিন: যাইদ বিন আরকাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: হাকাম বিন উতাইবাহ, উসমান বিন আবি আল-মুগিরাহ এবং মিসআর।
দারাকুতনি বলেছেন: তিনি অপরিচিত (মাজহুল)।
৭ - আবু আল-মুবারক।
৮ - আবু আল-মুখতার আত-তাই।
৯ - হুবাইরাহ বিন ইয়ারিম।
১০ - মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন সাইয়্যার।
* * * *
[যাঁরা নির্ভরযোগ্য বিবেচিত হয়েছেন এবং যাঁদের কেবল একটি মাত্র হাদিস রয়েছে]
- (দা, সা) সাঈদ বিন জিয়াদ আশ-শাইবানি:
ইবনে মাঈন একবার বলেছেন: নেককার (সালিহ)। আবার অন্যবার বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। আল-ইজলিও অনুরূপ বলেছেন। আন-নাসায়ি বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। দারাকুতনি বলেছেন: তাঁর বর্ণনা অনুসরণযোগ্য (বিবেচনায় রাখা যায়), কিন্তু তা দলীল হিসেবে পেশ করার মতো নয়; আমি তাঁর 'তাসলিব' (ক্রুশবিদ্ধ করা) বিষয়ক হাদিসটি ছাড়া আর কোনো হাদিস জানি না।
- আবু বাসরাহ আল-গিফারি।
- ইউসুফ বিন আল-হাকাম, হাজ্জাজের পিতা:
আল-ইজলি বলেছেন: «নির্ভরযোগ্য»। তিনি কেবল মুহাম্মাদ বিন সাদ থেকে একটি মাত্র হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
عن أبيه: «من أراد هوان قريش». وقال ابن حبان: روى عن جماعة من الصحابة.
* * * *
[فوائد متفرقة]
* «المستدرك» (1/ 219) من أمثلة الغريب المقبول.
- محمد بن القاسم الأسدي:
طعن فيه أحمد والجمهور، ووثقه ابن معين؟
- المهاجر بن عكرمة:
للكلام على المجهول.
* في ترجمة حميد بن هلال من «التهذيب» قول ابن سيرين: كان أربعة يصدقون من حدثهم ولا يبالون ممن يسمعون: الحسن، وأبو العالية، وحميد بن هلال، وداود بن أبي هند.
- خالد بن إلياس:
أمّ في مسجد النبي صلى الله عليه وآله وسلم نحوًا من ثلاثين سنة، وهو ساقط عندهم!
* وأخرجها ابن خزيمة في «صحيحه»، ومقتضى ذلك أن يكون (يعني أن يكون إسماعيل بن ربيعة بن هشام) عنده مقبول، فكأنه أخرج له في المتابعات.
তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত: "যে ব্যক্তি কুরাইশদের অবমাননা কামনা করে।" ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি একদল সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।
* * * *
[বিবিধ ফায়দা]
* "আল-মুস্তাদরাক" (১/ ২১৯) গ্রহণযোগ্য গারীব (অপরিচিত) বর্ণনার উদাহরণগুলোর অন্তর্ভুক্ত।
- মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আল-আসাদী:
আহমাদ ও জুমহুর (অধিকাংশ আলেম) তাঁর সমালোচনা করেছেন, আর ইবনে মাঈন কি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন?
- আল-মুহাজির ইবনে ইকরামা:
মাজহুল (অজ্ঞাত) বর্ণনাকারী বিষয়ক আলোচনার জন্য।
* "আত-তাহযীব"-এ হুমায়দ ইবনে হিলালের জীবনীতে ইবনে সিরীনের উক্তি: এমন চারজন ব্যক্তি ছিলেন যারা তাদের নিকট বর্ণনাকারীকে সত্যবাদী মনে করতেন এবং তারা কার থেকে শুনছেন সে বিষয়ে ভ্রূক্ষেপ করতেন না: আল-হাসান, আবুল আলিয়াহ, হুমায়দ ইবনে হিলাল এবং দাউদ ইবনে আবি হিন্দ।
- খালিদ ইবনে ইলিয়াস:
তিনি প্রায় ত্রিশ বছর যাবৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের মসজিদে ইমামতি করেছেন, অথচ তিনি তাঁদের নিকট পরিত্যাজ্য!
* ইবনে খুজায়মাহ এটি তাঁর "সহীহ"-এ বর্ণনা করেছেন এবং এর দাবি হলো যে, তিনি (অর্থাৎ ইসমাঈল ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হিশাম) তাঁর নিকট গ্রহণযোগ্য; তাই মনে হয় তিনি তাঁর বর্ণনা মুতাবাআত (সমর্থনমূলক বর্ণনা) হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
- عبد العزيز بن عبيد الله:
قال أحمد: كنت أظن أنه مجهول، حتى سألت عنه بحمص، فإذا هو عندهم معروف، ولا أعلم أحدًا روى عنه غير إسماعيل.
* لمعرفة مذهب أبي زرعة: تراجم:
- سعيد بن شفي.
- طليق بن قيس.
- عاصم بن حميد الكوفي الحناط.
- عبد الملك بن جابر بن عبيدة. «مسند» (3/ 324).
- قيس بن حبتر.
- عثمان بن حاضر.
- مسلم بن المثنى.
- موسى بن سلمة بن المحبق.
- عنترة بن عبد الرحمن.
- الفضل بن يزيد الثمالي.
- بشر بن حرب.
- بكير بن فيروز.
- صالح بن أبي صالح مهران.
- عاصم بن شميخ.
- يزيد بن أبي سمية.
আব্দুল আজিজ ইবনে উবাইদুল্লাহ:
আহমদ বলেছেন: আমি মনে করতাম যে তিনি অপরিচিত (মাজহুল), যতক্ষণ না আমি হিমসে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন দেখলাম তিনি তাদের কাছে সুপরিচিত, এবং আমি ইসমাইল ছাড়া অন্য কাউকে তাঁর থেকে বর্ণনা করতে জানি না।
* আবু জুরআর মাযহাব (মতাদর্শ) জানার জন্য: জীবনবৃত্তান্ত:
- সায়ীদ ইবনে শাফি।
- তালিক ইবনে কায়েস।
- আসিম ইবনে হুমায়দ আল-কুফি আল-হান্নাত।
- আব্দুল মালিক ইবনে জাবির ইবনে উবাইদাহ। «মুসনাদ» (৩/ ৩২৪)।
- কায়েস ইবনে হাবতার।
- উসমান ইবনে হাদির।
- মুসলিম ইবনে আল-মুসান্না।
- মুসা ইবনে সালামাহ ইবনে আল-মুহাব্বিক।
- আনতারাহ ইবনে আব্দুর রহমান।
- আল-ফাদল ইবনে ইয়াজিদ আস-সুমালি।
- বিশ্র ইবনে হারব।
- বুকাইর ইবনে ফাইরুজ।
- সালিহ ইবনে আবি সালিহ মিহরান।
- আসিম ইবনে শামায়খ।
- ইয়াজিদ ইবনে আবি সুমাইয়াহ।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
- سليمان بن محمد بن كعب بن عجرة.
- حصين والد داود.
- زبان بن فائد.
- زياد بن عبد الله النميري.
- سلمة بن وردان.
- صالح بن أبي صالح مهران.
- عاصم بن شميخ.
- عبد الله بن بسر السكسكي.
- عطية.
- أفلت بن خليفة.
- عمرو بن عبد الله بن يعلى.
- عيسى بن جارية.
- الفضل بن مبشر.
- ميناء.
- محمد بن عون.
- موسى بن عبيدة.
- موسى بن وردان.
- المهاجر بن عكرمة.
- সুলাইমান বিন মুহাম্মাদ বিন কা'ব বিন উজরাহ।
- হুসাইন, দাউদের পিতা।
- যাব্বান বিন ফায়েদ।
- যিয়াদ বিন আব্দুল্লাহ আন-নুমাইরী।
- সালামাহ বিন ওয়ারদান।
- সালেহ বিন আবু সালেহ মিহরান।
- আসিম বিন শামাইখ।
- আব্দুল্লাহ বিন বুসর আস-সাকসাকী।
- আতিয়্যাহ।
- আফলাত বিন খলীফাহ।
- আমর বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়া'লা।
- ঈসা বিন জারিয়াহ।
- ফাদল বিন মুবাশশির।
- মীনা।
- মুহাম্মাদ বিন আউন।
- মূসা বিন উবাইদাহ।
- মূসা বিন ওয়ারদান।
- আল-মুহাজির বিন ইকরিমাহ।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
- ميمون بن سياه.
- ميمون أبو عبد الله.
- هبيرة بن يريم.
- هلال بن أبي هلال أبو ظلال.
- أبو البزري.
- أبو غالب صاحب أبي أمامة.
- أبو ماجد.
- أبو المهزم.
* مما يدل على أن الإمام أحمد يطلق «المنكر» على التفرد:
1 - العوام بن حمزة: قال أحمد: له ثلاثة أحاديث مناكير. وقال أبو داود: ما نعرف له حديثًا منكرًا.
2 - يزيد بن عبد الله بن خصيفة: قال الأثرم عن أحمد: ثقة. وقال الآجري عن أبي داود عن أحمد: منكر الحديث.
* ممن تُكلِّم فيه لخطئه في حديث:
1 - محمد بن إبراهيم بن مسلم بن سلم.
2 - محمد بن ثابت العبدي.
3 - محمد بن بكر البرساني.
মায়মুন বিন সিয়াহ।
মায়মুন আবু আব্দুল্লাহ।
হুবাইরা বিন ইয়াইরীম।
হিলাল বিন আবি হিলাল আবু জিলাল।
আবু আল-বিযরী।
আবু গালিব, আবু উমামার সাথী।
আবু মাজিদ।
আবু আল-মুহায্যিম।
* যা প্রমাণ করে যে ইমাম আহমাদ ‘মুনকার’ শব্দটি একক বর্ণনার (তাফাররুদ) ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেন:
১ - আল-আওয়াম বিন হামযা: আহমাদ বলেছেন: তার তিনটি ‘মুনকার’ হাদিস রয়েছে। আবু দাউদ বলেছেন: আমরা তার কোনো মুনকার হাদিস সম্পর্কে জানি না।
২ - ইয়াযীদ বিন আব্দুল্লাহ বিন খুসাইফাহ: আল-আসরাম ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য। আল-আজুরী আবু দাউদ থেকে এবং তিনি ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি ‘মুনকারুল হাদীস’ (হাদিস বর্ণনায় অস্বীকারযোগ্য)।
* হাদিস বর্ণনায় ভুলের কারণে যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে:
১ - মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহীম বিন মুসলিম বিন সালাম।
২ - মুহাম্মাদ বিন সাবিত আল-আবদী।
৩ - মুহাম্মাদ বিন বাকর আল-বুরসানী।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
4 - عمرو بن يحيى بن عمارة.
5 - عمرو بن هاشم البيروتي.
* الموثِّقون للمجاهيل:
1 - العجلي: (ص: 1، 11، 13، 18، 21، 27، 34، 44، 48، 51، 53، 55، 70، 72، 73، 76، 78، 84، 86).
2 - ابن معين: (ص: 3، 5، 7، 49، 61، 63، 68، 85).
3 - أحمد: (ص: 7، 50، 72،).
4 - النسائي: (22، 35، 50، 70، 73، 68).
5 - الترمذي: (26، 35، 45)
6 - الحاكم: (8، 12، 13، 19، 36، 81).
7 - ابن خزيمة: (30، 36).
8 - ابن سعد: (12).
9 - أبو زرعة: (12، 69).
10 - البخاري: (12، 69).
11 - مسلم: (59).
12 - الدارقطني: (59، 88).
4 - আমর বিন ইয়াহইয়া বিন আমারা।
5 - আমর বিন হাশিম আল-বৈরুতী।
* অজ্ঞাত বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্য ঘোষণাকারীগণ:
1 - আল-ইজলী: (পৃ: 1, 11, 13, 18, 21, 27, 34, 44, 48, 51, 53, 55, 70, 72, 73, 76, 78, 84, 86)।
2 - ইবনে মাঈন: (পৃ: 3, 5, 7, 49, 61, 63, 68, 85)।
3 - আহমাদ: (পৃ: 7, 50, 72)।
4 - আন-নাসায়ী: (22, 35, 50, 70, 73, 68)।
5 - আত-তিরমিযী: (26, 35, 45)
6 - আল-হাকিম: (8, 12, 13, 19, 36, 81)।
7 - ইবনে খুযাইমাহ: (30, 36)।
8 - ইবনে সাদ: (12)।
9 - আবু যুরআহ: (12, 69)।
10 - আল-বুখারী: (12, 69)।
11 - মুসলিম: (59)।
12 - আদ-দারা কুতনী: (59, 88)।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
13 - ابن المديني: (87).
14 - ابن البرقي: (88).
15 - ابن عبد البر: (88).
* المعروفون ممن جهلهم أبو حاتم: في الدفتر الصغير (ص: 40).
* ممن قيل: «مجهول».
- ربيعة بن النابغة.
-محمد بن أبي سفيان بن العلاء بن جارية.
- كليب بن ذهل.
- عبيد بن جبير.
- قطبة بن مالك.
- كثير بن زاذان.
- كثير بن أبي كثير البصري.
- محمد بن عبد الله بن أبي عتيق.
- علاق بن أبي مسلم.
- عياض بن هلال. أو ابن أبي زهير.
- عيسى بن عبد الله بن مالك الدار.
১৩ - ইবনুল মাদিনী: (৮৭)।
১৪ - ইবনুল বারকি: (৮৮)।
১৫ - ইবনে আবদিল বার: (৮৮)।
* প্রসিদ্ধ ব্যক্তিবর্গ যাদের সম্পর্কে আবু হাতিম অজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন: আদ-দাপ্তারুস সগীর গ্রন্থে (পৃষ্ঠা: ৪০)।
* যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে: «অজ্ঞাত»।
- রাবিআহ ইবনুন নাবিগাহ।
- মুহাম্মাদ ইবনে আবি সুফিয়ান ইবনুল আলা ইবনে জারিইয়াহ।
- কুলাইব ইবনে যুহাল।
- উবাইদ ইবনে জুবায়ের।
- কুতবাহ ইবনে মালিক।
- কাসীর ইবনে জাযান।
- কাসীর ইবনে আবি কাসীর আল-বাসরী।
- মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আতিক।
- আল্লাক ইবনে আবি মুসলিম।
- আইয়াদ ইবনে হিলাল। অথবা ইবনে আবি জুহাইর।
- ঈসা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক আদ-দার।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
- غيلان بن أنس.
- محمد بن عثمان بن سيار.
- عثمان بن عبد الرحمن الجمحي.
- عصام بن طليق.
- علي بن عروة الدمشقي.
- عبيد بن تعلى.
- هبيرة بن يريم.
- الضحاك بن شراحيل الشرقي ..
- عبيدة بن مسافع.
- يوسف بن الزبير.
- ابن أبي خزامة.
- يوسف بن سعد.
- أبو الجارية.
- أبو سلمان مؤذن الحجاج.
- أبو المبارك.
- أبو المختار الطائي.
- مسحاج.
- গায়লান বিন আনাস।
- মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন সাইয়ার।
- উসমান বিন আব্দুর রহমান আল-জুমাহি।
- ইসাম বিন তালীক।
- আলী বিন উরওয়াহ আদ-দিমাশকি।
- উবাইদ বিন তা'লা।
- হুবাইরাহ বিন ইয়ারিম।
- আদ-দাহহাক বিন শুরাহীল আশ-শারকি ..
- উবাইদাহ বিন মুসাফি'।
- ইউসুফ বিন আয-যুবাইর।
- ইবনে আবি খুযামাহ।
- ইউসুফ বিন সাদ।
- আবু আল-জারিয়াহ।
- আবু সালমান, হাজ্জাজের মুয়াযযিন।
- আবু আল-মুবারক।
- আবু আল-মুখতার আত-তাই।
- মিসহাজ।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
- علي بن أعبد.
- إسحاق بن أسيد.
- أبان بن طارق.
- أسيد بن المتشمس.
- محمد بن عمير المحاربي.
- يزيد بن الحوتكية.
- أبو يزيد المخزومي.
- أبو قرة الأسدي.
- ربيعة بن النابغة، ذكر غير واحد أنه تفرد بالرواية عنه علي بن زيد بن جدعان، وقال ابن حبان في «الثقات»: «عداده في أهل الكوفة، روى عنه واحد من أهلها، وهو علي بن زيد».
* قول ابن معين: «لا أعرفه» يريد: لا أخبره.
* ممن سهَّل فيهم ابنُ معين:
1 - عبد السلام بن صالح أبو الصلت.
2 - محمد بن القاسم الأسدي.
3 - مسلم بن خالد الزنجي.
4 - مسلمة بن علقمة.
5 - موسى بن يعقوب الزمعي.
আলী ইবনে আবদ।
ইসহাক ইবনে আসীদ।
আবান ইবনে তারিক।
আসীদ ইবনুল মুতাশাম্মিস।
মুহাম্মাদ ইবনে উমাইর আল-মুহারিবি।
ইয়াযীদ ইবনুল হুতাকিয়্যাহ।
আবু ইয়াযীদ আল-মাখযূমি।
আবু কুররাহ আল-আসাদি।
রাবীআহ ইবনুন নাবিগাহ, একাধিক ব্যক্তি উল্লেখ করেছেন যে, তার থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে যায়েদ ইবনে জুদআন, এবং ইবনে হিব্বান ‘আত-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: «তিনি কুফাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত, তাঁর থেকে সেখানকার একজন বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন আলী ইবনে যায়েদ»।
* ইবনে মাঈনের উক্তি: «আমি তাকে চিনি না» এর অর্থ হলো: আমি তাঁর সম্পর্কে অবহিত নই।
* যাদের ব্যাপারে ইবনে মাঈন শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন:
১ - আবদুস সালাম ইবনে সালিহ আবুস সালত।
২ - মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম আল-আসাদি।
৩ - মুসলিম ইবনে খালিদ আয-যানজি।
৪ - মাসলামাহ ইবনে আলক্বামাহ।
৫ - মূসা ইবনে ইয়াকুব আয-যাময়ি।
(খণ্ড: ١٣)
আল-উহদান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
6 - مؤمل بن إسماعيل.
7 - يحيى بن عبد الحميد الحماني.
8 - داود بن المحبر.
9 - يزيد بن عبد الملك النوفلي.
* [ممن سهَّل فيهم] أبو حاتم:
1 - ميمون بن سياه: قال أبو حاتم: ثقة. وقد قال ابن معين ويعقوب بن سفيان: ضعيف. وقال أبو داود: ليس بذاك. وقال ابن حبان في «الثقات»: يخطئ ويخالف. وقال في «الضعفاء»: ينفرد بالمناكير عن المشاهير، لا يحتج به إذا انفرد.
2 - أبو خالد الدالاني: قال أبو حاتم: صدوق ثقة. وقال أحمد: لا بأس به. وقال ابن معين والنسائي: ليس به بأس. وقال الحاكم أبو أحمد: لا يتابع في بعض حديثه. وقال ابن سعد: منكر الحديث. وذكره ابن حبان في «الضعفاء» فحط عليه. وقال ابن عبد البر: ليس بحجة.
3 - نائل بن نجيح.
4 - يوسف بن محمد بن يزيد بن صيفي: قال البخاري: فيه نظر. وقال أبو حاتم: لا بأس به. وذكر له البخاري حديثًا، وذكر في «الميزان» حديثًا آخر منكرًا جدًا.
* ممن توسَّع فيه يحيى القطان:
يحيى بن أبي أنيسة.
6 - মুআম্মিল বিন ইসমাঈল।
7 - ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামিদ আল-হিমানী।
8 - দাউদ বিন আল-মুহাব্বার।
9 - ইয়াযীদ বিন আব্দুল মালিক আন-নাওফালী।
* [যাদের ব্যাপারে আবু হাতিম শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন]:
1 - মাইমুন বিন সিয়াহ: আবু হাতিম বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। ইবনে মাঈন এবং ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেছেন: দুর্বল (যয়ীফ)। আবু দাউদ বলেছেন: তিনি তেমন (মজবুত) নন। ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি ভুল করেন এবং (অন্যদের) বিরোধিতা করেন। আর ‘আদ-দুআফা’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি প্রসিদ্ধ বর্ণনাকারীদের বরাতে এককভাবে অস্বীকৃত (মুনকার) বর্ণনা প্রদান করেন; যখন তিনি একক হয়ে যান, তখন তাকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
2 - আবু খালিদ আদ-দালানী: আবু হাতিম বলেছেন: সত্যবাদী ও নির্ভরযোগ্য (সাদুক সিকাহ)। আহমাদ বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে মাঈন এবং নাসাঈ বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। হাকিম আবু আহমাদ বলেছেন: তার কিছু হাদীসের ক্ষেত্রে তাকে অনুসরণ করা যায় না। ইবনে সাদ বলেছেন: তিনি মুনকারুল হাদীস (অস্বীকৃত হাদীস বর্ণনাকারী)। ইবনে হিব্বান ‘আদ-দুআফা’ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করে তার সমালোচনা করেছেন। ইবনে আব্দুল বারর বলেছেন: তিনি দলিলযোগ্য নন।
3 - নায়েল বিন নাজীহ।
4 - ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াযীদ বিন সাইফী: ইমাম বুখারী বলেছেন: তার ব্যাপারে আপত্তি (ফীহি নাযার) রয়েছে। আবু হাতিম বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। বুখারী তার একটি হাদীস উল্লেখ করেছেন এবং ‘আল-মিযান’ গ্রন্থে তার অন্য একটি অত্যন্ত মুনকার হাদীসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
* যাদের ব্যাপারে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান প্রশস্ততা অবলম্বন করেছেন:
ইয়াহইয়া বিন আবি আনীসাহ।