(খণ্ড: ১)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: -)
تراجم منتخبة من «التهذيب» و «الميزان» - ضمن «آثار المعلمي» القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: تراجم منتخبة من «التهذيب» و «الميزان» والتعليق عليها
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (14)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: علي بن محمد العمران
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - عادل بن عبد الشكور الزرقي
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
«আত-তাহযীব» এবং «আল-মীযান» থেকে নির্বাচিত জীবনীসমূহ - «আসারুল মুয়াল্লিমী»-এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: জীবনী এবং স্তরসমূহ
বই: «আত-তাহযীব» এবং «আল-মীযান» থেকে নির্বাচিত জীবনীসমূহ এবং তার ওপর টীকা
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানীর রচনাবলি (১৪)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
সম্পাদক: আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
পর্যালোচক: মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহী - আদিল বিন আবদুশ শাকুর আয-যুরকী
প্রকাশক: দার আলামুল ফাওয়াইদ প্রকাশনা ও বিতরণ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রদান করেছে: «আতাআতুল ইলম» সংস্থা, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন
[বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١)
تراجم منتخبة من «التهذيب» و «الميزان»
والتعليق عليها
انتخبها وعلَّق عليها
الشيخ العلامة عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني
(1312 - 1386)
رحمه الله تعالى
تحقيق
علي بن محمد العمران
‘আত-তাহজীব’ এবং ‘আল-মিজান’ হতে নির্বাচিত জীবনীসমূহ
এবং এগুলোর উপর টীকা-টিপ্পনী
নির্বাচন ও টীকা প্রদান করেছেন
শায়খ আল্লামা আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমি আল-ইয়ামানি
(১৩১২ - ১৩৮৬)
আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন
তাহকিক
আলি বিন মুহাম্মাদ আল-উমরান
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٣)
راجع هذا الجزء
محمد أجمل الإصلاحي
عادل بن عبد الشكور الزرقي
এই অংশটি পর্যালোচনা করেছেন
মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহী
আদিল বিন আব্দুশ শাকুর আল-জুরকী
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٥)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
مقدمة التحقيقالحمد لله، اللهم صل على محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
أما بعد، فهذا كتاب منتخبٌ في تراجم رواة الحديث، انتخب المصنف تراجمه من كتابين يُعدّان من أشهر كتب الرجال، وهما "ميزان الاعتدال" للحافظ الذهبي (ت 748 هـ)، و"تهذيب التهذيب" للحافظ ابن حجر العسقلاني (ت 852 هـ).
وواضح من هذا المنتخب أن المصنف قد مرّ على ذينك الكتابين قراءةً وتدبّرًا ونقدًا، مكّنه أولًا من انتخاب (321) ترجمة من آلاف التراجم، ومكّنه ثانيًا من الانتخاب من الترجمة نفسها.
فلم يعمد المصنف لاختصار الكتابين ولا لتهذيبهما، بل كان غرضه تقييد ما مرّ به في تلك التراجم من ملاحظات تفيد في التفقّه في علم الجرح والتعديل، ومعرفة مناهج الأئمة، وأسباب الطعن في الرواة، واختلاف أقوال الإمام الواحد
… وغير ذلك. ولم يقتصر عمله على مجرّد الانتخاب بل كان له تعليقات ومناقشات وفوائد مهمة، سيأتي بيان سبيله فيها.
ويأتي هذا الكتاب وغيره من كتب الشيخ في التراجم والرواة تتميمًا لدراسته الاستقرائية لرجال الحديث، فلم تتأتّ للمؤلف هذه المَلَكة القوية في الجرح والتعديل والبصر بهذا الفنّ إلا بعد طول مُثافنةٍ لكتب الفنّ دراسةً
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সম্পাদকের ভূমিকাসকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। হে আল্লাহ, মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সঙ্গীর ওপর রহমত বর্ষণ করুন।
অতঃপর, এটি হাদিস বর্ণনাকারীদের জীবনী বিষয়ক একটি নির্বাচিত গ্রন্থ। লেখক এই জীবনীগুলো রিজাল শাস্ত্রের প্রসিদ্ধতম দুটি গ্রন্থ থেকে নির্বাচন করেছেন। গ্রন্থ দুটি হলো হাফেজ জাহাবির (মৃত্যু ৭৪৮ হি.) ‘মিজানুল ইতিদাল’ এবং হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানির (মৃত্যু ৮৫২ হি.) ‘তাহজিবুত তাহজিব’।
এই সংকলন থেকে এটা স্পষ্ট যে, লেখক গ্রন্থ দুটি গভীর পাঠ, চিন্তা ও সমালোচনার সাথে অধ্যয়ন করেছেন। এটি তাঁকে প্রথমত কয়েক হাজার জীবনী থেকে ৩২১টি জীবনী নির্বাচন করতে সক্ষম করেছে এবং দ্বিতীয়ত খোদ একটি নির্দিষ্ট জীবনীর ভেতর থেকেও তথ্য নির্বাচনে পারঙ্গম করেছে।
লেখক গ্রন্থ দুটির সংক্ষিপ্তকরণ কিংবা পরিমার্জনের সংকল্প করেননি; বরং তাঁর উদ্দেশ্য ছিল সেই জীবনীগুলোতে বর্ণিত এমন সব পর্যবেক্ষণ লিপিবদ্ধ করা, যা ‘জারহ ও তাদিল’ (দোষ ও গুণ বিচার) শাস্ত্রে গভীর জ্ঞান লাভে, ইমামগণের কর্মপন্থা অনুধাবনে, বর্ণনাকারীদের ওপর আপত্তির কারণসমূহ জানতে এবং একই ইমামের বিভিন্ন বক্তব্যের ভিন্নতা অনুধাবন করতে সহায়ক হয়
… ইত্যাদি। তাঁর কাজ কেবল নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এতে তাঁর নিজস্ব টীকা, আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ ফায়দা (উপকারিতা) রয়েছে, যার বিবরণ সামনে আসবে।
জীবনী ও বর্ণনাকারীদের বিষয়ে শায়খের এই গ্রন্থটি এবং তাঁর অন্যান্য গ্রন্থগুলো হাদিসের বর্ণনাকারীদের ওপর তাঁর অনুসন্ধানমূলক গবেষণার পূর্ণতা স্বরূপ। জারহ-তাদিল শাস্ত্রে লেখকের এই শক্তিশালী দক্ষতা এবং এই বিদ্যায় প্রজ্ঞা দীর্ঘকাল যাবৎ এই শাস্ত্রের কিতাবগুলো গভীর অধ্যয়ন ও পর্যালোচনার পরেই অর্জিত হয়েছে।
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٦)
وتحقيقًا وتمحيصًا، حتى إنه يضارع أئمة النقد الكبار كالذهبي وابن حجر، فهو في عصرنا هذا مثلما كان أولئك النقاد في عصورهم، وقد لقَّبَه شيخنا العلامة بكر أبو زيد رحمه الله بـ"ذهبي العصر". وقد أطلق على الشيخ هذا اللقب ــ وهو حقيق به ــ ولم يكن قد طُبع له إلا كتابان: "التنكيل" و"الأنوار" ورسالتان: "مقام إبراهيم" و"علم الرجال". وها نحن اليوم نضع بين يدي القراء جملة أخرى من الكتب تؤكِّد استحقاقه لهذا اللقب، واستحقاقه لأن يكون هو رائد هذا الفن غير مُدافَع في هذا العصر.
ومع أن المؤلّف ترَكَ كتابَه هذا مسوّدة يعوزها بعض الترتيب والتحرير، وتكميل بعض التراجم
… إلى غير ذلك، إلا أنَّ فيه مادة مفيدة وتعليقات مهمة تستحق أن يُطلع عليها ويُستفاد منها.
وسأقيد هنا بعض المباحث التي تفيد في كشف جوانب من منهج الكتاب وطريقة تدوينه وغرض انتخابه ونسخته الخطية وهي:
- أولًا: اسم الكتاب وثبوته للمؤلف.
- ثانيًا: ما يتعلّق بالترتيب.
- ثالثًا: طريقته في الانتخاب.
- رابعًا: طريقته في النقد.
- خامسًا: النسخة الخطية.
- سادسًا: منهج التحقيق.
وختمتُ المقدمة بذكر الفوائد التي قيَّدها الشيخ في آخر النسخة.
এবং গবেষণা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণে তিনি এতটাই পারদর্শী যে, তিনি আয-যাহাবী ও ইবনে হাজারের মতো বড় বড় সমালোচক ইমামগণের সমকক্ষ। বর্তমান যুগে তিনি তেমন, যেমনটি ঐ সমালোচকগণ তাদের যুগে ছিলেন। আমাদের শায়খ আল্লামা বকর আবু যায়েদ (রাহিমাহুল্লাহ) তাকে "যুগের যাহাবী" উপাধিতে ভূষিত করেছেন। শায়খকে এই উপাধিটি দেওয়া হয়েছিল —যার তিনি যোগ্যও বটে— যখন তার কেবল দুটি বই: "আত-তানকীল" ও "আল-আনোয়ার" এবং দুটি পুস্তিকা: "মাকামে ইবরাহীম" ও "ইলমুর রিজাল" প্রকাশিত হয়েছিল। আজ আমরা পাঠকদের সামনে তার আরও কিছু কিতাব উপস্থাপন করছি যা এই উপাধির প্রতি তার যোগ্যতাকে এবং বর্তমান যুগে এই শাস্ত্রের অবিসংবাদিত পথপ্রদর্শক হওয়ার যোগ্যতাকে নিশ্চিত করে।
যদিও লেখক তার এই গ্রন্থটিকে একটি খসড়া হিসেবে রেখে গেছেন, যাতে কিছুটা বিন্যাস, সম্পাদনা এবং কিছু জীবনী পূর্ণ করার প্রয়োজন ছিল
… ইত্যাদি, তবুও এতে এমন কিছু উপকারী উপাদান ও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য রয়েছে যা পড়ার ও তা থেকে উপকৃত হওয়ার যোগ্য।
আমি এখানে কিছু পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করব যা কিতাবটির কর্মপদ্ধতি, এটি সংকলনের পদ্ধতি, সংকলনের উদ্দেশ্য এবং এর পাণ্ডুলিপি বিষয়ক বিভিন্ন দিক উন্মোচনে সহায়ক হবে, আর সেগুলো হলো:
- প্রথমত: কিতাবের নাম এবং লেখকের প্রতি এর সম্পৃক্ততার প্রমাণ।
- দ্বিতীয়ত: বিন্যাস সংক্রান্ত বিষয়।
- তৃতীয়ত: সংকলনে তার অনুসৃত পদ্ধতি।
- চতুর্থত: সমালোচনার ক্ষেত্রে তার অনুসৃত পদ্ধতি।
- পঞ্চমত: পাণ্ডুলিপি।
- ষষ্ঠত: সম্পাদনা পদ্ধতি।
শায়খ পাণ্ডুলিপির শেষে যে সকল জ্ঞাতব্য বিষয় লিখেছিলেন, তা উল্লেখ করার মাধ্যমে আমি ভূমিকার সমাপ্তি টেনেছি।
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٧)
ثم ختمتُ الكتاب بالفهارس التفصيلية المتنوّعة.
وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
وكتب
علي بن محمد العمران
11 ربيع الأول 1432 هـ
অতঃপর আমি গ্রন্থটি বিভিন্ন বিস্তারিত নির্ঘণ্টের মাধ্যমে সমাপ্ত করেছি।
আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
লিখেছেন
আলি বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
১১ রবিউল আউয়াল ১৪৩২ হিজরি
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٨)
*
أولًا: اسم الكتاب وثبوته للمؤلف:لم يسمّ المؤلف كتابه في النسخة التي بين أيدينا، ولا ذكره في أيٍّ من كُتبه، فلعله كان ينوي تسميته حال تبييضه، ولم يتمكن من ذلك. فاجتهدت في اختيار اسم يُناسب موضوعه فسميته "تراجم منتخبة من "التهذيب والميزان" والتعليق عليها".
والكتاب بخط الشيخ المعروف في عامة كتبه، وفيه من الدلائل ما يُثبت أنه من تأليفه فمنها:
1 - استعماله لفظ (أقول) عند التعليق أو التعقيب .. كما هو شأنه في باقي كتبه، وقد يستعمل اسمه الصريح "قال عبد الرحمن" كما في رقم (148).
2 - أحال على كتابه "الوحدان" في ترجمة رقم (185).
3 - نَفَس الشيخ في التعليق والتعقيب والمناقشة لا يخفى على مَن قرأ كتبه وخبرها.
*
ثانيًا: ما يتعلّق بالترتيب:الكتاب مرتّب على حروف المعجم كأصْلَيه، هذا من حيث الجملة، لكن وقع في ذلك بعض الخلل يتضح بالآتي:
1 - التراجم ليست مطَّردة الترتيب في داخل الحرف الواحد، فقد يتقدم إسماعيل على إسحاق، ثم يذكر إسماعيل ثم يعود إلى
প্রথমত: গ্রন্থের নাম এবং লেখকের নিকট এর সাব্যস্ত হওয়া:আমাদের হাতে থাকা পাণ্ডুলিপিতে লেখক তাঁর গ্রন্থের কোনো নাম দেননি এবং তাঁর অন্য কোনো কিতাবেও এর উল্লেখ করেননি। সম্ভবত তিনি কিতাবটি চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি করার সময় এর নামকরণের ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন, কিন্তু তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তাই আমি এর বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নাম নির্বাচনের চেষ্টা করেছি এবং এর নামকরণ করেছি "তাহযীব ও মিযান থেকে নির্বাচিত জীবনী এবং তার ওপর টীকা"।
গ্রন্থটি শায়খের নিজস্ব হস্তলিপিতে রচিত যা তাঁর অন্যান্য কিতাবের হস্তলিপির মতোই পরিচিত। এতে এমন কিছু প্রমাণ রয়েছে যা সাব্যস্ত করে যে এটি তাঁরই রচনা, তার মধ্যে কয়েকটি হলো:
১ - টীকা বা মন্তব্য প্রদানের সময় তাঁর 'আমি বলছি' (আকূলু) শব্দের ব্যবহার... যেমনটি তাঁর অন্যান্য কিতাবের ক্ষেত্রেও তাঁর বৈশিষ্ট্য। কখনো কখনো তিনি নিজের স্পষ্ট নামও ব্যবহার করেছেন যেমন "আবদুর রহমান বলেছেন", যা ১৪৮ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত হয়েছে।
২ - ১৮৫ নম্বর জীবনীর বর্ণনায় তিনি তাঁর "আল-উহদান" নামক কিতাবের উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
৩ - টীকা, মন্তব্য এবং পর্যালোচনার ক্ষেত্রে শায়খের নিজস্ব শৈলী বা মেজাজ সেই ব্যক্তির কাছে অস্পষ্ট নয় যিনি তাঁর কিতাবসমূহ পড়েছেন এবং সে সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
*
দ্বিতীয়ত: বিন্যাস সংক্রান্ত বিষয়:বইটি এর মূল উৎসগ্রন্থদ্বয়ের মতো বর্ণানুক্রমে সাজানো হয়েছে, এটি মূলত সামগ্রিক বিচারে। তবে বিন্যাসের ক্ষেত্রে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে যা নিচের পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়:
১ - একই বর্ণের অন্তর্ভুক্ত জীবনীগুলো ধারাবাহিকভাবে বিন্যস্ত নয়। দেখা যায় ইসহাক-এর আগে ইসমাঈল চলে এসেছে, আবার ইসমাঈল উল্লেখ করার পর পুনরায় ফিরে গিয়ে...
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٩)
إسحاق وهكذا. كما في (6، 7). وكذا في اسم غالب حيث ذكره ثم ذكر عيسى ثم عاد إلى غالب رقم (221 و 222).
2 - قد تقع بعض الأسماء في غير حروفها، كما وقع لاسم (76 أسيد) فقد وقع بين حرفي التاء والثاء. وكما وقع في اسم (55 بهز) ذكره في حرف الألف.
3 - أحيانًا يذكر الأسماء في حرف، ثم يدخل في حرف آخر، ثم يعود للأول كما في حرف (د، ر).
4 - قد يعيد الترجمة مرتين كما في ترجمة إبراهيم الهروي، فقد ذكره مرتين، انظر رقم (25 و 50). وترجمة إبراهيم بن مهاجر فقد ذكر برقم (30 و 67). وقد يعيد الترجمة ثم يشير إلى تقدمها انظر ترجمة غالب بن حجرة (ص 146).
5 - استقرَّ ترتيب الكتاب في الجملة غير أنه عاد فوقع في آخره بعض الاضطراب، فبعد ما انتهى إلى الكنى عاد إلى حرف الياء، ثم عاد إلى الكنى، ثم ختم بترجمتين من "الميزان" و"لسانه".
أقول: وسبب هذا الخلل في الترتيب أن الكتاب لا يزال مسوّدة لم يبيّض بعد. وسبب آخر هو أن المؤلف كان يقرأ في "التهذيب" فينتخب بعض التراجم ثم يعود إلى "الميزان" فينتخب أخرى فيكتبها ولا تكون في ترتيبها المعجميّ. وسبب ثالث أنّه بعد أن يفرغ من الحرف قد يعود إلى الحرف الذي قبله لمناسبة معينة أو إعادة تصفّح؛ فيرى ما هو جدير بالانتخاب فيذكره في غير مكانه. وكان في النية أن أرتّب التراجم على
ইসহাক এবং অনুরূপ। যেমন (৬, ৭) নং-এ রয়েছে। একইভাবে গালিব নামের ক্ষেত্রেও, যেখানে তিনি প্রথমে তাকে উল্লেখ করেছেন, তারপর ঈসাকে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর পুনরায় গালিবের দিকে ফিরে গেছেন (২২১ এবং ২২২ নং)।
২ - কখনো কখনো কিছু নাম তাদের নির্দিষ্ট বর্ণের বাইরে স্থান পেয়েছে, যেমনটি ঘটেছে (৭৬ উসাইদ) নামের ক্ষেত্রে; এটি তা এবং ছা বর্ণের মাঝে অবস্থিত হয়েছে। আবার (৫৫ বাহয) নামের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে, যা তিনি আলিফ বর্ণের অধীনে উল্লেখ করেছেন।
৩ - কখনো কখনো তিনি একটি বর্ণের অধীনে নামগুলো উল্লেখ করেন, এরপর অন্য একটি বর্ণে প্রবেশ করেন, অতঃপর পুনরায় প্রথম বর্ণে ফিরে আসেন; যেমনটি হয়েছে দাল এবং রা বর্ণের ক্ষেত্রে।
৪ - কখনো কখনো তিনি একই জীবনী দুইবার উল্লেখ করেন, যেমনটি হয়েছে ইবরাহিম আল-হারাউয়ির জীবনীর ক্ষেত্রে; তিনি তাকে দুইবার উল্লেখ করেছেন, দেখুন (২৫ এবং ৫০) নং। আবার ইবরাহিম ইবনে মুহাজিরের জীবনী (৩০ এবং ৬৭) নং-এ বর্ণিত হয়েছে। কখনো তিনি জীবনী পুনরায় উল্লেখ করার পর তার পূর্ববর্তী বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করেন, দেখুন গালিব ইবনে হুজরার জীবনী (পৃষ্ঠা ১৪৬)।
৫ - সামগ্রিকভাবে বইটির বিন্যাস স্থিতিশীল থাকলেও এর শেষাংশে কিছুটা বিশৃঙ্খলা পরিলক্ষিত হয়েছে। উপনামের (কুনিয়াত) আলোচনা শেষ করার পর তিনি পুনরায় ইয়া বর্ণের দিকে ফিরে গেছেন, তারপর আবার উপনামের আলোচনায় ফিরে এসেছেন এবং পরিশেষে "আল-মিজান" ও "লিসান" থেকে দুটি জীবনীর মাধ্যমে গ্রন্থটি সমাপ্ত করেছেন।
আমি বলছি: বিন্যাসের এই ত্রুটির কারণ হলো, বইটি এখনও খসড়া অবস্থাতেই আছে, এটি চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার করে লেখা হয়নি। দ্বিতীয় কারণ হলো, লেখক "আত-তাহজিব" পড়তেন এবং সেখান থেকে কিছু জীবনী নির্বাচন করতেন, এরপর পুনরায় "আল-মিজান"-এ ফিরে গিয়ে অন্য কিছু জীবনী নির্বাচন করে লিখতেন, যা আভিধানিক ক্রমানুসারে হতো না। তৃতীয় কারণ হলো, তিনি একটি বর্ণের কাজ শেষ করার পর কোনো বিশেষ কারণবশত অথবা পুনরায় পাতা উল্টানোর সময় তার পূর্ববর্তী বর্ণে ফিরে যেতেন; ফলে যা নির্বাচনের যোগ্য মনে করতেন তা তার সঠিক স্থান ব্যতীত অন্য স্থানে উল্লেখ করতেন। আমার ইচ্ছা ছিল জীবনীগুলোকে নির্দিষ্ট ক্রমে বিন্যস্ত করার...
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
الجادة لكن رأيتُ إبقاءها كما تركها المؤلف، ثم أصنع لها فهرسًا على الترتيب المعجميّ.
* * * *
*
ثالثًا: طريقته في الانتخاب:1 - سبق أن ذكرنا أن المؤلف انتخب هذه التراجم من كتابي "الميزان والتهذيب".
2 - يذكر المؤلف اسم المترجَم ثم أبيه وجده ونسبته ويقتصر كثيرًا على اسم الأب أو النسبة وقد يذكر جرّ نسبه.
3 - لم يلتزم المؤلف بذكر من أخرج للمترجم، فقد يذكره بحسب الرموز المعروفة في "التهذيب" و"الميزان" وقد يغفله وهو الأكثر، ولم يظهر لي تعليل واضح في ذلك.
4 - يبدأ الترجمة بذكر الأقوال في الراوي جرحًا وتعديلًا وهو الأغلب، وقد يبدؤها بذكر من روى عن المترجَم. ولا يستوعب الأقوال في الترجمة بل يذكر جملةً منها. وقد يذكر الاسم ويترك تحته بياضًا، وقد يذكره ويقول: سيأتي بعد كذا ..
5 - أغلب تراجم الكتاب انتقاء دون تعليق للشيخ، وبتأمّل الانتقاء وحده يُفْهَم غرض الشيخ منه. وقد يعلّق مصدِّرًا ذلك بـ "أقول" كما هي عادته، أو بـ "قال عبد الرحمن" وهو قليل. وقد يَطُول التعليق ليبلغ صفحات، وقد يكون في بضعة أسطر.
এটিই প্রচলিত পদ্ধতি, তবে আমি একে লেখক যেভাবে রেখে গেছেন সেভাবেই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি; অতঃপর আমি বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে এর জন্য একটি সূচিপত্র তৈরি করব।
* * * *
*
তৃতীয়ত: তাঁর চয়ন পদ্ধতি:১ - আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি যে, লেখক এই জীবনীসমূহ "আল-মিজান" এবং "আত-তাহজিব" গ্রন্থদ্বয় থেকে চয়ন করেছেন।
২ - লেখক জীবনীকারের নাম, অতঃপর তাঁর পিতা, পিতামহ এবং বংশপরিচয় উল্লেখ করেন; তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কেবল পিতার নাম বা বংশপরিচয়ের ওপর সীমাবদ্ধ থাকেন এবং কখনও কখনও তাঁর পূর্ণ বংশলতিকা বর্ণনা করেন।
৩ - জীবনীকারের হাদিস কারা সংকলন করেছেন তা উল্লেখ করার ব্যাপারে লেখক কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করেননি; কখনো তিনি "তাহজিব" ও "মিজান" গ্রন্থের প্রচলিত সংকেত অনুযায়ী তা উল্লেখ করেন, আবার কখনো তা উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকেন—যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়। এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো স্পষ্ট কারণ ধরা পড়েনি।
৪ - তিনি সাধারণত রাবীর বিষয়ে 'জারহ ও তাদীল' (সমালোচনা ও নির্ভরযোগ্যতা) সংক্রান্ত উক্তিগুলো উল্লেখ করার মাধ্যমে জীবনী শুরু করেন; আবার কখনো জীবনীকার যার থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁর আলোচনার মাধ্যমেও শুরু করেন। তিনি জীবনীর সকল উক্তি বিস্তারিতভাবে আনেন না, বরং উক্তির একটি অংশ বা সারসংক্ষেপ উল্লেখ করেন। কখনো কখনো তিনি নাম উল্লেখ করে তার নিচে ফাঁকা জায়গা রেখে দেন, আবার কখনো নাম উল্লেখ করে বলেন: এটি অমুক আলোচনার পর আসবে...।
৫ - গ্রন্থের অধিকাংশ জীবনীই শায়খের কোনো মন্তব্য ছাড়াই কেবল সংকলন করা হয়েছে; আর কেবল তাঁর এই চয়নকৃত অংশগুলো পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেই শায়খের উদ্দেশ্য অনুধাবন করা যায়। কখনো কখনো তিনি তাঁর অভ্যাস অনুযায়ী "আমি বলছি" শব্দ দিয়ে মন্তব্য শুরু করেন, অথবা "আবদুর রহমান বলেছেন" বলে মন্তব্য করেন—যা সংখ্যায় অত্যন্ত কম। কখনো মন্তব্য দীর্ঘ হয়ে কয়েক পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, আবার কখনো তা মাত্র কয়েক লাইনের হয়ে থাকে।
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١١)
6 - قد يترك الشيخ بعض الفراغات في بعض الحروف أملًا في إلحاق ترجمة أو فائدة، وقد يترك ورقة بكاملها للغرض نفسه.
7 - قد يذكر المؤلف فوائد لا تعلّق لها بترتيب التراجم كما في رقم (56)، وقد يستطرد فيذكر فوائد لها تعلق بالترجمة وإن كانت من تراجم أخرى.
8 - قد يذكر رواةً شاركوا صاحب الترجمة في الحكم وإن كانوا خارج الحرف استطرادًا. انظر رقم (84).
9 - يلاحظ أنه لم يذكر في بعض الحروف أحدًا كما في حرف الجيم والذال، وذكر في حرف الدال واحدًا ثم عاد فذكر ثلاثة، ولم يذكر في حرف الخاء غير ثلاثة.
10 - غالب التراجم المنتخبة هي للضعفاء أو المتكلم فيهم، وقد يذكر بعض الثقات لفائدة في الترجمة كما في (201 و 202 و 203).
11 - في موضع واحد من الكتاب ترجمة رقم (189) جعل لأئمة الجرح والتعديل رموزًا ولم يذكرهم بأسمائهم.
* * * *
*
رابعًا: طريقته في النقد:1 - الحكم على الراوي (149).
2 - يلاحظ أنه يهتمّ بذكر الأقوال التي تفصّل حال الراوي خاصة كلام ابن عدي وابن حبان، ويسوق الأحاديث المنتقدة عليه. وعمدته فيها "ميزان الاعتدال" انظر (80).
৬ - শাইখ কোনো কোনো বর্ণের (অধ্যায়ের) ক্ষেত্রে কিছু শূন্যস্থান রেখে গিয়েছেন এই আশায় যে, পরবর্তীতে সেখানে কোনো জীবনী বা উপকারিতা যুক্ত করবেন। আবার একই উদ্দেশ্যে তিনি কখনো কখনো একটি পূর্ণ পৃষ্ঠাও খালি রেখে দিয়েছেন।
৭ - লেখক কখনো কখনো এমন কিছু ফায়দা বা উপকারিতা উল্লেখ করেন যার সাথে জীবনীসমূহের বিন্যাসের কোনো সম্পর্ক নেই, যেমনটি ৫৬ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। আবার কখনো তিনি প্রাসঙ্গিকভাবে এমন কিছু ফায়দা উল্লেখ করেন যা উক্ত জীবনীর সাথে সংশ্লিষ্ট, যদিও তা অন্য কোনো জীবনী থেকে নেওয়া।
৮ - কখনো কখনো তিনি এমন সব বর্ণনাকারীদের উল্লেখ করেন যারা হুকুমের ক্ষেত্রে জীবনীর মূল ব্যক্তির সাথে অংশীদার, যদিও তারা বর্ণানুক্রমিকভাবে ওই বর্ণের অন্তর্ভুক্ত নন; এটি তিনি প্রাসঙ্গিকভাবেই উল্লেখ করেন। দেখুন ক্রমিক নং (৮৪)।
৯ - লক্ষ্য করা যায় যে, তিনি কিছু বর্ণের অধীনে কাউকে উল্লেখ করেননি, যেমন 'জিম' এবং 'যাল' বর্ণে। আর 'দাল' বর্ণে একজনকে উল্লেখ করার পর পুনরায় ফিরে এসে তিনজনকে উল্লেখ করেছেন এবং 'খা' বর্ণে তিনজনের বেশি উল্লেখ করেননি।
১০ - নির্বাচিত জীবনীগুলোর অধিকাংশই দুর্বল অথবা যাদের ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে তাদের। তবে জীবনীতে কোনো বিশেষ ফায়দার জন্য তিনি কখনো কখনো কিছু নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর কথাও উল্লেখ করেছেন, যেমন (২০১, ২০২ এবং ২০৩) নম্বর ক্রমিকে।
১১ - কিতাবটির এক স্থানে ১৮৯ নম্বর জীবনীতে তিনি জারহ ও তাদিলের ইমামগণের নামের পরিবর্তে সংকেত ব্যবহার করেছেন এবং তাদের নাম উল্লেখ করেননি।
* * * *
*
চতুর্থত: তাঁর সমালোচনা পদ্ধতি:১ - বর্ণনাকারীর ব্যাপারে হুকুম বা সিদ্ধান্ত প্রদান (১৪৯)।
২ - লক্ষ্য করা যায় যে, তিনি বর্ণনাকারীর অবস্থা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে এমন উক্তিগুলো উল্লেখ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন, বিশেষ করে ইবনে আদি এবং ইবনে হিব্বানের উক্তিগুলো; আর তিনি বর্ণনাকারীর ওইসব হাদিসগুলোকেও উপস্থাপন করেন যেগুলোর কারণে তার সমালোচনা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তার প্রধান অবলম্বন হলো "মিযানুল ইতিদাল"। দেখুন (৮০)।
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
3 - يناقش المناكير التي تُذْكر في ترجمة الراوي (60، 70، 166).
4 - يناقش الأئمة في التعليل والحكم على الرواة (150). وقد أطال جدًّا في نقاش ما وهم فيه عاصم بن ضمرة رقم (159) (ص 66 - 71). وكذا في ترجمة عبد الملك العرزمي (191) (ص 91 - 98).
5 - يفسر كلام أئمة الجرح والتعديل ويفسّر اصطلاحاتهم (137 و 201).
6 - يذكر من ضعّف الراوي ثم يقول: ومع هذا قال فلان: ثقة (103). يعني تفرّد بتوثيقه. وكذا يذكر من وثّق الراوي ثم يقول: ضعّفه فلان. يعني تفرّد بتضعيفه (163 و 200).
7 - أولى المؤلف اهتمامًا بذكر اختلاف الروايات عن الإمام الواحد، وقد يغفلها في بعض الأحيان.
8 - لم يقتصر المؤلف على كتاب الذهبي وابن حجر بل كان يعود للأصول كـ"الجرح والتعديل" و"تاريخ البخاري" و"اللسان"، وكتب الحديث كالسنن والمسند والمستدرك وغيرها
…9 - النسخة المطبوعة من "تهذيب التهذيب" كثيرة الخطأ، فكان المؤلف كثير التشكّك مما يقع فيها؛ فكان أحيانًا يصلح الخطأ إذا كان ظاهرًا، أو يضع فوق الكلمة علامة التضبيب كصنيع المحدثين، أو بين هلالين مع علامة الاستفهام. ومع ذلك فقد فاتت تصحيفات بيَّنْتُها في التعليقات، ولم تكن لتتبيَّن لولا مراجعة الأصول، وكثير منها لم يكن مطبوعًا في حياة الشيخ رحمه الله، كالكامل لابن عدي والمجروحين لابن حبان والضعفاء للعقيلي وغيرها.
3 - বর্ণনাকারীর জীবনীতে উল্লিখিত মুনকার (অপ্রামাণ্য) বর্ণনাগুলো নিয়ে তিনি আলোচনা করেন (৬০, ৭০, ১৬৬)।
4 - তিনি 'ইল্লাত' (ত্রুটি) অন্বেষণ এবং বর্ণনাকারীদের বিষয়ে হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে ইমামগণের সাথে আলোচনা করেন (১৫০)। আসিম বিন দামরা (নম্বর ১৫৯) যে বিষয়ে বিভ্রান্ত হয়েছেন, সে সম্পর্কে তিনি দীর্ঘ আলোচনা করেছেন (পৃষ্ঠা ৬৬ - ৭১)। তদ্রূপ আব্দুল মালিক আল-আরযামী-এর (১৯১) জীবনীতেও দীর্ঘ আলোচনা করেছেন (পৃষ্ঠা ৯১ - ৯৮)।
5 - তিনি জারহ ও তা'দীল (বর্ণনাকারীদের সমালোচনা ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই) শাস্ত্রের ইমামদের বক্তব্য ও পরিভাষাগুলোর ব্যাখ্যা প্রদান করেন (১৩৭ এবং ২০১)।
6 - তিনি এমন ব্যক্তিদের কথা উল্লেখ করেন যারা বর্ণনাকারীকে দুর্বল বলেছেন, অতঃপর বলেন: "এতদসত্ত্বেও অমুক ব্যক্তি তাকে সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) বলেছেন" (১০৩)। অর্থাৎ, তিনি তাকে নির্ভরযোগ্য বলার ক্ষেত্রে একক মত পোষণ করেছেন। একইভাবে তিনি এমন ব্যক্তিদের কথা উল্লেখ করেন যারা বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, অতঃপর বলেন: "অমুক তাকে দুর্বল বলেছেন।" অর্থাৎ, তিনি তাকে দুর্বল বলার ক্ষেত্রে একক মত পোষণ করেছেন (১৬৩ এবং ২০০)।
7 - লেখক একজন ইমাম থেকে বর্ণিত বিভিন্ন বর্ণনার মধ্যকার পার্থক্যসমূহ উল্লেখ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন, তবে কখনো কখনো তিনি এ বিষয়ে উদাসীনও থেকেছেন।
8 - লেখক কেবল যাহাবী ও ইবনে হাজার-এর কিতাবের ওপর সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং তিনি মূল উৎসগ্রন্থের দিকে প্রত্যাবর্তন করেছেন, যেমন: "আল-জারহ ওয়াত তা'দীল", "তারীখুল বুখারী" ও "আল-লিসান"; এবং হাদীসের গ্রন্থসমূহ যেমন: সুনান, মুসনাদ, মুস্তাদরাক ইত্যাদি
…9 - "তাহযীবুত তাহযীব"-এর মুদ্রিত সংস্করণে অসংখ্য ভুল রয়েছে, তাই লেখক এতে বিদ্যমান বিষয়গুলোর ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দিহান ছিলেন; ফলে কখনো কখনো তিনি প্রকাশ্য ভুলগুলো সংশোধন করতেন, অথবা মুহাদ্দিসগণের ন্যায় শব্দের উপরে 'তাদবীব' (সংশয়সূচক চিহ্ন) দিতেন, অথবা প্রথম বন্ধনীর মাঝে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করতেন। তা সত্ত্বেও কিছু তাসহীফ (শব্দগত ভুল) বাদ পড়ে গিয়েছে যা আমি টীকায় স্পষ্ট করেছি, আর মূল উৎসগ্রন্থগুলো পর্যালোচনা না করলে সেগুলো স্পষ্ট হতো না। এর মধ্যে অনেকগুলো শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর জীবদ্দশায় মুদ্রিত ছিল না, যেমন: ইবনে আদীর "আল-কামিল", ইবনে হিব্বানের "আল-মাজরুহীন", উকায়লীর "আদ-দুয়াফা" ইত্যাদি।
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
*
خامسًا: النسخة الخطية:نسخة الكتاب محفوظة ضمن مؤلفات الشيخ المعلمي في مكتبة الحرم المكي الشريف برقم (4659) تقع في (308 ص) حسب ترقيمنا، وكان المؤلف قد بدأ بترقيمها بنفسه لكنه وقف عند ص 40. ويبدأ الكتاب من ص 4 وقبلها ثلاث ورقات فيها بعض التقييدات في الرواة، وفوائد تتعلق بتوثيق العجلي وكلامه على الرواة.
والنسخة مسوّدة المؤلف كما هو ظاهر من كثرة الضرب والتخريج واللحَق
(1) وسرعة الخط والبياضات التي يتركها لما يمكن إلحاقه من التراجم أو إضافته من التعليقات، وقد ألحقَ صفحتين بعد الورقة (84) تتعلقان بحديث كان قد ناقشه هناك.
وفي آخر الرسالة مجموعة أوراق عددها 24 صفحة فيها بعض الفوائد في الرواة في ثلاث صفحات وسأثبتها في آخر المقدمة، ثم في باقي الصفحات جَمْعٌ لطرق حديث: "خير الناس بعد نبيها أبو بكر وبعد أبي بكر عمر"
… ولم نثبته لأن البحث لم يزل في مراحله الأولى لم يحرّر بعد.
* * * *
*
سادسًا: منهج التحقيق:قمت باستخراج الكتاب من مسوّدته، وقابلته بأصله، وتركته كما تركه مصنِّفه، فلم أصلح خلل الترتيب الأبجدي، وإنما صنعتُ فهرسًا للتراجم مرتبًا على المعجم. وعند كلّ ترجمة أُحيل على مكانها من كتابَي "ميزان
--------------------------------------------
*
পঞ্চম: পাণ্ডুলিপি:গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিটি মক্কার পবিত্র হারাম শরীফ লাইব্রেরিতে শায়খ মুয়াল্লিমীর রচনাবলির মধ্যে (৪৬৫৯) নম্বরে সংরক্ষিত রয়েছে। আমাদের গণনা অনুযায়ী এটি (৩০৮ পৃষ্ঠা) সম্বলিত। গ্রন্থকার নিজেই এর পৃষ্ঠা নম্বর দেওয়া শুরু করেছিলেন, তবে তিনি ৪০ নম্বর পৃষ্ঠায় গিয়ে থেমে যান। মূল গ্রন্থটি ৪ নম্বর পৃষ্ঠা থেকে শুরু হয়েছে এবং এর আগে তিনটি পাতা রয়েছে, যাতে বর্ণনাকারীদের বিষয়ে কিছু সীমাবদ্ধতা এবং আল-ইজলীর নির্ভরযোগ্যতা ও বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে তাঁর বক্তব্যের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ফায়দা বা উপকারিতা বিদ্যমান।
পাণ্ডুলিপিটি লেখকের একটি খসড়া কপি, যা এর মধ্যে থাকা প্রচুর কাটাকাটি, উদ্ধৃতি, অতিরিক্ত সংযোজন
(১), দ্রুত হস্তাক্ষর এবং জীবনী সংযোজন বা টীকা যোগ করার জন্য রাখা শূন্যস্থানগুলো থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়। তিনি ৮৪ নম্বর পাতার পর আরও দুটি পৃষ্ঠা যুক্ত করেছেন, যা সেখানে আলোচিত একটি হাদিসের সাথে সম্পর্কিত।
রিসালার শেষে ২৪ পৃষ্ঠার একটি পত্রসমষ্টি রয়েছে, যার তিন পৃষ্ঠায় বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে কিছু ফায়দা রয়েছে; আমি তা ভূমিকার শেষে যুক্ত করব। এরপর অবশিষ্ট পৃষ্ঠাগুলোতে এই হাদিসের বিভিন্ন সূত্র বা সনদ সংকলন করা হয়েছে: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পর মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলেন আবু বকর, আর আবু বকরের পর শ্রেষ্ঠ হলেন উমর" ... তবে আমরা এটি অন্তর্ভুক্ত করিনি, কারণ এই গবেষণাটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং তা চূড়ান্তভাবে সম্পাদিত হয়নি।
* * * *
*
ষষ্ঠ: সম্পাদনা পদ্ধতি:আমি লেখকের খসড়া থেকে বইটি উদ্ধার করেছি এবং একে মূল কপির সাথে মিলিয়েছি। গ্রন্থকার একে যেভাবে রেখে গিয়েছেন, আমি একে সেভাবেই রেখেছি। বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসের ত্রুটিগুলো আমি সংশোধন করিনি, বরং আমি বর্ণনাকারীদের জীবনীর জন্য অভিধানের আদলে একটি নির্ঘণ্ট তৈরি করেছি। প্রতিটি জীবনীর ক্ষেত্রে আমি "মিজান" গ্রন্থদ্বয়ে এর মূল স্থানের প্রতি নির্দেশ করেছি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
الاعتدال" و"تهذيب التهذيب" باعتبارهما أصْلَي المؤلف، وزدت الإحالة إلى "تهذيب الكمال" لأنه عمدة ما جاء بعده في كتب الرجال. وقد رجعتُ إلى أصول المؤلف فوثَّقت النقولَ منها، ومن غيرها من أُمّات كتب الرجال، ورجعت لبعض الأصول الخطية منها عند الشكّ في كلمة أو عبارة، واستدعاني إلى ذلك سقم طبعة "تهذيب التهذيب"، وسقم طبعات غالب الأصول الرجالية كالكامل لابن عدي والمجروحين لابن حبان والضعفاء للعقيلي.
وحافظت على نص المؤلف فلم أتصرف فيه بالتغيير أو نحوه إلا إن وقع نقص نتيجة لانتقال النظر، أو سقط لابد من تكميله، أو سبق قلم؛ فأصلح ذلك مع الإشارة إليه، أو أبقيه على حاله إن لم أجسر على تعديله وأشير إلى صوابه في الهامش.
"আল-ইতিদাল" এবং "তাহজিবুত তাহজিব" লেখকের রচনার মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করে আমি এতে "তাহজিবুল কামাল"-এর উদ্ধৃতিসমূহ বৃদ্ধি করেছি; কারণ ইলমুর রিজাল বা জীবনী-অভিধান বিষয়ক পরবর্তী কিতাবসমূহের জন্য এটিই হলো প্রধান অবলম্বন। আমি লেখকের মূল উৎসগুলোর দিকে প্রত্যাবর্তন করেছি এবং সেখান থেকে ও ইলমুর রিজালের অন্যান্য আকর গ্রন্থাবলী থেকে উদ্ধৃতিসমূহ যাচাইপূর্বক প্রামাণ্য রূপ দান করেছি। কোনো শব্দ বা বাক্যের ব্যাপারে সংশয় দেখা দিলে আমি সেগুলোর পাণ্ডুলিপির সাহায্য নিয়েছি। মূলত "তাহজিবুত তাহজিব"-এর মুদ্রণের ত্রুটি এবং রিজাল শাস্ত্রের অধিকাংশ মূল গ্রন্থ যেমন— ইবনে আদীর "আল-কামিল", ইবনে হিব্বানের "আল-মাজরুহিন" ও উকাইলির "আদ-দুআফা"-এর সংস্করণগুলোর অশুদ্ধতা আমাকে এই গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করেছে।
আমি লেখকের মূল পাঠ অবিকৃত রেখেছি এবং এতে কোনো পরিবর্তন বা পরিমার্জন করিনি। তবে দৃষ্টিবিভ্রমের কারণে কোনো ঘাটতি সৃষ্টি হলে, বা কোনো অংশ বাদ পড়লে যা পূর্ণ করা আবশ্যক, অথবা লেখনী প্রমাদের ক্ষেত্রে আমি তা সংশোধন করেছি এবং সেদিকে ইঙ্গিত প্রদান করেছি। আর যেক্ষেত্রে আমি সংশোধনের সাহস করতে পারিনি, সেক্ষেত্রে মূল পাঠ অপরিবর্তিত রেখে পাদটীকায় সঠিক পাঠটির প্রতি নির্দেশ করেছি।
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
الفوائد المدوَّنة في آخر النسخة- الحسن بن بشر بن سَلْم الهَمْداني البجلي
(1).
قال ابن حجر: كان ينبغي أن يقول: الهَمْداني وقيل: البجلي [لأن النِّسْبَتين لا تجتمعان إلا على تأويل بعيد].
- قال ابن معين: إذا حدّث الشعبي عن رجل فسمّاه فهو ثقة
(2).
- "فتح الباري"
(3) أول باب ما جاء في السهو:
عبد الله ابن بُحينة
… بُحينة اسم أمه أو أم أبيه، وعلى هذا فينبغي أن يكتب (ابن بحينة) بألف.
وكذا في "التهذيب"
(4) في سعيد ابن مرجانة.
- إسماعيل بن صَبيح الحنفي
(5).
ضبطه عبد الغني بفتح أوله، وهو مقتضى صنيع ابن ماكولا.
- في ترجمة إسماعيل بن عيّاش
(6).
أن ثياب نيسابور يرقم على الثوب المائة وأقل وثمنه دون عشرة.
--------------------------------------------
সংস্করণের শেষে লিপিবদ্ধ ফায়দাসমূহ- আল-হাসান ইবনে বিশর ইবনে সালম আল-হামদানী আল-বাজালী
(১)।
ইবনে হাজার বলেন: তার উচিত ছিল 'আল-হামদানী' বলা, আর বলা হয়েছে: 'আল-বাজালী' [কারণ এই দুটি নিসবত (বংশীয় সম্পর্ক) দূরবর্তী ব্যাখ্যা ব্যতীত একত্রিত হয় না]।
- ইবনে মাঈন বলেন: শাবী যখন কোনো ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন এবং তার নাম উল্লেখ করেন, তবে তিনি সিকাহ (নির্ভরযোগ্য)
(২)।
- "ফাতহুল বারী"
(৩) 'সিজদায়ে সাহু' সম্পর্কিত অধ্যায়ের শুরুতে:
আবদুল্লাহ ইবনে বুহাইনা... বুহাইনা হলো তার মায়ের নাম অথবা তার পিতার মায়ের নাম। এই ভিত্তিতে (ইবনে বুহাইনা) শব্দটি আলিফসহ লেখা উচিত।
অনুরূপভাবে "তাজীব"
(৪) গ্রন্থে সাঈদ ইবনে মারজানাহ-এর ক্ষেত্রেও রয়েছে।
- ইসমাঈল ইবনে সাবিহ আল-হানাফী
(৫)।
আবদুল গনি একে প্রথম বর্ণে ফাতহা (যবর) দিয়ে চিহ্নিত করেছেন, আর এটিই ইবনে মাকুলার কর্মের দাবি।
- ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ-এর জীবনীতে
(৬)।
নিশাপুরের কাপড়ের ক্ষেত্রে কাপড়ে একশ বা তার কম সংখ্যা লিখে রাখা হতো, অথচ তার মূল্য ছিল দশের নিচে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
- إسماعيل بن موسى
(1).
قال ابن حجر: لم أر في النسخة التي بخط الحافظ أبي علي البكري. [يعني من كتاب "الثقات" لابن حبان].
- إسحاق بن الفرات
(2).
قال الشافعي: أشرتُ على بعض الولاة أن يولّي إسحاق بن الفرات القضاء وقلت: إنه يتخيّر وهو عالم باختلاف من مضى.
- وفي ترجمة سعيد بن المسيب
(3).
مرسلات إبراهيم صحيحة إلا حديث الضحك في الصلاة، وحديث تاجر البحرين.
- إسحاق بن وهب بن زياد العلاف
(4).
روى عنه البخاري في الصحيح وأبو زرعة وأبو حاتم. وإسحاق بن حاتم بن بيان العلاف روى عنه ابن خزيمة وغيره.
- إسحاق بن يحيى بن طلحة
(5).
تزوَّج امرأتين بين زواجه هذه وزواجه هذه خمس وسبعون سنة.
--------------------------------------------
- ইসমাইল বিন মুসা
(১)।
ইবনে হাজার বলেন: হাফেজ আবু আলী আল-বাকরির হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপিতে আমি এটি দেখিনি। [অর্থাৎ ইবনে হিব্বানের "আস-সিকাত" গ্রন্থ থেকে]।
- ইসহাক বিন আল-ফুরাত
(২)।
ইমাম শাফেঈ বলেন: আমি কোনো এক শাসকের নিকট প্রস্তাব করেছিলাম যেন তিনি ইসহাক বিন আল-ফুরাতকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেন এবং আমি বলেছিলাম: তিনি শ্রেষ্ঠত্ব যাচাই করতে সক্ষম এবং পূর্বসূরিদের মতভেদ সম্পর্কে বিজ্ঞ।
- এবং সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িবের জীবনীতে
(৩)।
ইব্রাহিমের মুরসাল বর্ণনাগুলো সহীহ, কেবল নামাজে হাসির হাদিস এবং বাহরাইনের ব্যবসায়ীর হাদিসটি ব্যতীত।
- ইসহাক বিন ওয়াহাব বিন জিয়াদ আল-আল্লাফ
(৪)।
তাঁর থেকে বুখারি তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে এবং আবু জুরআ ও আবু হাতিম বর্ণনা করেছেন। আর ইসহাক বিন হাতেম বিন বায়ান আল-আল্লাফ থেকে ইবনে খুজাইমা ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।
- ইসহাক বিন ইয়াহইয়া বিন তালহা
(৫)।
তিনি দুজন নারীকে বিয়ে করেছিলেন, তাঁর এক বিবাহ এবং অন্য বিবাহের মাঝখানে পঁচাত্তর বছরের ব্যবধান ছিল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
- أبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن الحارث بن أسماء بن خارجة بن حصن بن حذيفة بن بدر الفَزَاري
(1).
له كتاب "السِّيَر" نظَرَ فيه الشافعي وأملى كتابًا على ترتيبه ورَضِيَه.
ويقال: إنه أول من عمل في الإسلام أصطرلابًا.
- أُبي بن عمارة
(2).
ذكر أبو الفتح الأزدي في "المخزون": لا يحفظ أنه روى عنه غير أيوب بن قطن.
- أجلح بن عبد الله
(3).
قال شريك عنه: سمعنا أنه ما يسبّ أحدٌ أبا بكر وعمر إلا مات قتلًا أو فقيرًا.
- أحمد بن إسحاق السّرماري
(4).
قال: أعلم يقينًا أني قتلت به ألف تركيّ، ولولا أن يكون بدعة لأمرت أن يُدفن معي، يعني سيفَه.
- أحمد بن إسحاق بن يزيد
(5).
وقال ابن منجويه: [كان يحفظ حديثه].
--------------------------------------------
- আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হারিস ইবনে আসমা ইবনে খারিজা ইবনে হিসন ইবনে হুযাইফা ইবনে বদর আল-ফাজারি
(১).
তার "আস-সিয়ার" নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে, যা ইমাম শাফেয়ী পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং এর বিন্যাস অনুযায়ী একটি গ্রন্থ শ্রুতলিপি করিয়েছেন ও তা পছন্দ করেছেন।
বলা হয় যে, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি ইসলামে অ্যাস্ট্রোলেব (দিকনির্ণয় যন্ত্র) তৈরি করেছিলেন।
- উবাই ইবনে উমারা
(২).
আবুল ফাতহ আল-আযদি "আল-মাখযুন" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: আইয়ুব ইবনে কাতান ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে বর্ণনা করেছেন বলে জানা নেই।
- আজলাহ ইবনে আব্দুল্লাহ
(৩).
শারিক তার সূত্রে বলেন: আমরা শুনেছি যে, যে ব্যক্তিই আবু বকর ও উমরকে গালি দিয়েছে, সে হয় নিহত হয়ে অথবা দরিদ্র অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
- আহমাদ ইবনে ইসহাক আস-সারমারি
(৪).
তিনি বলেন: আমি নিশ্চিতভাবে জানি যে, আমি এটি দিয়ে এক হাজার তুর্কিকে হত্যা করেছি। আর যদি এটি বিদআত না হতো, তবে আমি এটি আমার সাথে সমাহিত করার নির্দেশ দিতাম; অর্থাৎ তার তলোয়ারটি।
- আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াযিদ
(৫).
ইবনে মানজুয়াইহ বলেন: [তিনি তার হাদিস মুখস্থ রাখতেন]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
قلت (أي ابن حجر): وبهذا ذكره ابن حبان في "الثقات" وعنه ينقل ابن منجويه.
- بُكَير بن عبد الله بن الأشج
(1).
قال أحمد بن صالح المصري: إذا رأيت بكير بن عبد الله روى عن رجل فلا تسأل عنه فهو الثقة الذي لا شكَّ فيه.
أقول: يحتمل أن يريد أن شيوخ بكير الذين يسميهم كلهم ثقات، ويحتمل أن يريد لا تطلب لبكير متابعًا، فبكير الثقة الذي لا يُشَكّ فيه، وكأنّ هذا أقرب.
- الحسين بن علي بن الأسود العجلي
(2).
ذكر ابن حجر أن أبا داود لا يروي إلا عن ثقة عنده، واستدلّ بذلك على أنه لم يرو عن الحسين أو لم يقصد الرواية عنه.
- في ترجمة الحسن بن بشر من "التهذيب"
(3).
ذكر بعض زيادات ابن سفيان في "صحيح مسلم".
- زائدة بن قدامة، ذكر الحاكم في "المستدرك" (1/ 141) أنه لا يحدّث إلا عن الثقات.
--------------------------------------------
আমি (অর্থাৎ ইবনে হাজার) বলছি: এবং এভাবেই ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর থেকে ইবনে মানজুওয়াইহ বর্ণনা গ্রহণ করেছেন।
- বুকাইর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল আশাজ্জ
(১)।
আহমাদ ইবনে সালেহ আল-মিসরি বলেন: যখন আপনি দেখবেন যে বুকাইর ইবনে আব্দুল্লাহ কোনো ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করছেন, তখন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন না; কারণ তিনি (বুকাইর) এমন নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) যার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
আমি বলছি: এটি সম্ভবত এই অর্থ প্রকাশ করে যে, বুকাইরের সেই সকল শিক্ষকই নির্ভরযোগ্য যাদের নাম তিনি উল্লেখ করেন। আবার এটিও হতে পারে যে, তিনি বুঝাতে চেয়েছেন বুকাইরের বর্ণনার জন্য কোনো সমর্থক (মুতাবি‘) অনুসন্ধান করো না, কারণ বুকাইর এমন নির্ভরযোগ্য যার বিষয়ে কোনো সংশয় নেই; আর দ্বিতীয় মতটিই অধিকতর সঠিক বলে মনে হয়।
- আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনুল আসওয়াদ আল-ইজলি
(২)।
ইবনে হাজার উল্লেখ করেছেন যে, আবু দাউদ কেবল তাঁর নিকট নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ব্যক্তি ছাড়া বর্ণনা করেন না। তিনি এর দ্বারা এই দলিল পেশ করেছেন যে, আবু দাউদ আল-হুসাইন থেকে বর্ণনা করেননি অথবা তাঁর থেকে বর্ণনা করার ইচ্ছা পোষণ করেননি।
- 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে হাসান ইবনে বিশরের জীবনবৃত্তান্তের মধ্যে
(৩)।
'সহীহ মুসলিম'-এ ইবনে সুফিয়ানের বর্ণিত কিছু অতিরিক্ত (যিয়াদাত) অংশের কথা উল্লেখ করেছেন।
- যায়িদাহ ইবনে কুদামাহ; হাকেম 'আল-মুস্তাদরাক' (১/ ১৪১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কেবল নির্ভরযোগ্য (সিকাত) রাবিদের থেকেই হাদিস বর্ণনা করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
نماذج من النسخة الخطية
পাণ্ডুলিপির অনুলিপি থেকে কিছু নমুনা
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الورقة الأولى من "تراجم منتخبة"
"নির্বাচিত জীবনীসমূহ" এর প্রথম পাতা
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
الورقة الأخيرة من "تراجم منتخبة"
“নির্বাচিত জীবনীমালা”-র সর্বশেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: -)
تراجم منتخبة من «التهذيب» و «الميزان» - ضمن «آثار المعلمي» القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: تراجم منتخبة من «التهذيب» و «الميزان» والتعليق عليها
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (14)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: علي بن محمد العمران
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - عادل بن عبد الشكور الزرقي
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
«আত-তাহজিব» ও «আল-মিজান» থেকে নির্বাচিত জীবনীসমূহ - «আসারুল মুয়াল্লিমি»-এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
বই: «আত-তাহজিব» ও «আল-মিজান» থেকে নির্বাচিত জীবনীসমূহ এবং সেগুলোর ওপর টীকা
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানির রচনাবলি (১৪)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
সম্পাদক ও গবেষক: আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
পর্যালোচনা করেছেন: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি - আদিল বিন আব্দুশ শাকুর আজ-জুরাকি
প্রকাশক: দার আলম আল-ফাওয়াইদ প্রকাশনা ও বিতরণ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামেলা লাইব্রেরির জন্য পেশ করেছেন: «আতাআত আল-ইলম» ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١)
تراجم منتخبة من «التهذيب» و «الميزان»
والتعليق عليها
انتخبها وعلَّق عليها
الشيخ العلامة عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني
(1312 - 1386)
رحمه الله تعالى
تحقيق
علي بن محمد العمران
«আত-তাহজীব» ও «আল-মিজান» থেকে নির্বাচিত জীবনীসমূহ
এবং তার ওপর টীকা
নির্বাচন ও টীকা প্রদান করেছেন
শাইখ আল্লামা আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমি আল- ইয়ামানি
(১৩১২ - ১৩৮৬)
রহিমাহুল্লাহ তায়ালা
সম্পাদনা ও তাহকিক
আলি বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٣)
1 - [ص 2]
إسحاق بن يحيى (1):
يقول البخاري: أحاديثه معروفة
(2). ويقول ابن عديّ: غير محفوظة؟
2 - في ترجمة
إسماعيل بن إبراهيم بن مَعْمر من «التهذيب»
(3):
قال أبو زُرعة: كان أحمد لا يرى الكتابة عن أبي نَصْر التمَّار، ولا عن أبي مَعْمر، ولا عن يحيى بن معين، ولا أحدٍ ممن امْتُحِن فأجاب.
وفي ترجمة أبي كُريب محمد بن العلاء
(4): «قال حجّاج بن الشاعر: سمعت أحمد بن حنبل يقول: لو حدَّثتُ عن أحدٍ ممن أجاب في المحنة لحدثتُ عن أبي مَعْمر، وأبي كُريب»
(5).
--------------------------------------------
১ - [পৃষ্ঠা ২]
ইসহাক বিন ইয়াহইয়া (১):
বুখারী বলেন: তাঁর হাদীসসমূহ সুপরিচিত
(২)। আর ইবনে আদী বলেন: [তাঁর হাদীসসমূহ] সংরক্ষিত নয়? (অর্থাৎ মুনকার বা অপরিচিত)।
২ - «আত-তাহযীব»
(৩) গ্রন্থে
ইসমাঈল বিন ইব্রাহীম বিন মা’মার -এর জীবনীতে বর্ণিত হয়েছে:
আবু যুর’আহ বলেন: আহমাদ (ইবনে হাম্বল) আবু নাসর আত-তাম্মার, আবু মা’মার, ইয়াহইয়া বিন মা’ঈন কিংবা পরীক্ষায় (মিহনা) পড়ে যারা ইতিবাচক উত্তর দিয়েছিল তাদের কারো কাছ থেকে [হাদীস] লিখে নেয়া সমীচীন মনে করতেন না।
এবং আবু কুরাইব মুহাম্মাদ বিন আল-আ’লা-এর জীবনীতে
(৪) রয়েছে: «হাজ্জাজ বিন আশ-শা’ইর বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: যদি আমি পরীক্ষায় (মিহনা) ইতিবাচক উত্তর প্রদানকারী ব্যক্তিদের কারো থেকে হাদীস বর্ণনা করতাম, তবে আবু মা’মার এবং আবু কুরাইবের থেকে বর্ণনা করতাম»
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٤)
3 - في ترجمة
إسماعيل بن إبراهيم بن عُليَّة (1):
قال أبو داود السجستاني: ما أحدٌ من المحدثين إلا قد أخطأ إلا إسماعيل بن عُليَّة، وبِشْر بن المفضَّل
…وقال أحمد بن سعيد الدارمي: لا يُعرف لابن عُليَّة غلط إلا في حديث جابر في المُدبَّر
(2)، جعل اسم الغلام اسم المولى، واسم المولى اسم الغلام.
4 -
إسماعيل بن حَفْص بن عمر بن دينار (3):
قال أبو حاتم: كتبت عنه عن أبيه، وكان أبوه يكذب، وهو بخلاف ابنه. قال ابن أبي حاتم: فقلت: لا بأس به؟ فقال: لا يمكنني أن أقول: لا بأس به
(4).
5 -
إسماعيل بن أبي خالد الأَحْمَسي (5):
من أجلة التابعين، كان طحّانًا
(6)، كان لا يروي إلا عن ثقة، ويدلس،
--------------------------------------------
৩ - ইসমাঈল বিন ইবরাহীম বিন উলাইয়্যাহ এর জীবনীতে
(১):
আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি বলেন: মুহাদ্দিসগণের মধ্যে এমন কেউ নেই যে ভুল করেনি, কেবল ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ এবং বিশর বিন আল-মুফাদদ্বাল ব্যতীত
...আহমাদ বিন সাঈদ আদ-দারিমি বলেন: মুদাব্বার সংক্রান্ত জাবির (রা.) এর হাদিসটি ছাড়া ইবনে উলাইয়্যাহর অন্য কোনো ভুল জানা নেই
(২), যেখানে তিনি দাসের নামকে মালিকের নাম এবং মালিকের নামকে দাসের নাম বানিয়ে ফেলেছিলেন।
৪ -
ইসমাঈল বিন হাফস বিন উমর বিন দীনার (৩):
আবু হাতিম বলেন: আমি তার থেকে তার পিতার সূত্রে হাদিস লিখেছি, অথচ তার পিতা মিথ্যা বলতেন, কিন্তু তিনি তার পিতার বিপরীত ছিলেন। ইবনে আবি হাতিম বলেন: আমি বললাম: তিনি কি নির্ভরযোগ্য (লা বাসা বিহি)? তিনি বললেন: আমার পক্ষে 'লা বাসা বিহি' (তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই) বলা সম্ভব নয়
(৪)।
৫ -
ইসমাঈল বিন আবি খালিদ আল-আহমাসি (৫):
তিনি শ্রেষ্ঠ তাবেঈদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি ময়দা পিষাইকারী (তাহহান) ছিলেন
(৬), তিনি নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ছাড়া কারো থেকে বর্ণনা করতেন না এবং তিনি তাদলিস করতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٥)
ومرسلاته ليست بشيء.
6 -
إسحاق بن راهويه (1):
أملى أحد عشر ألف حديث من حفظه، ثم قُوبلت على كتابه فما زاد حرفًا ولا نقص. وقد خُطِّئ في حديث.
7 -
إسحاق بن إبراهيم بن نَصْر البخاري (2):
روى عنه البخاري في «الصحيح»
(3)، ولم يذكروا عنه راويًا آخر.
8 - [ص 3]
إسماعيل بن رافع (4):
يضعِّفه الجمُّ الغفير، ويقول الترمذي عن البخاري: ثقة مقارب الحديث؟
(5).
9 -
إسماعيل بن سُمَيع الحنفي (6):
خارجيٌّ، أخرج له مسلم.
--------------------------------------------
এবং তাঁর মুরসাল বর্ণনাগুলো ধর্তব্য নয়।
৬ -
ইসহাক বিন রাহওয়াইহ (১):
তিনি তাঁর মুখস্থ স্মৃতি থেকে এগারো হাজার হাদিস লিখিয়েছেন, অতঃপর সেগুলো তাঁর কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে কিন্তু তাতে একটি অক্ষরও বাড়েনি বা কমেনি। তবে একটি হাদিসের ক্ষেত্রে তাঁর ভুল ধরা হয়েছিল।
৭ -
ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন নাসর আল-বুখারি (২):
ইমাম বুখারি তাঁর থেকে ‘সহিহ’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁরা (মুহাদ্দিসগণ) তাঁর থেকে অন্য কোনো বর্ণনাকারীর উল্লেখ করেননি।
৮ - [পৃষ্ঠা ৩]
ইসমাইল বিন রাফি (৪):
এক বিশাল জনগোষ্ঠী তাঁকে দুর্বল বলেছেন, এবং ইমাম তিরমিজি ইমাম বুখারি থেকে বর্ণনা করেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও হাদিস বর্ণনায় মধ্যমপন্থী?
(৫)।
৯ -
ইসমাইল বিন সুমাই আল-হানাফি (৬):
তিনি খারিজি ছিলেন, ইমাম মুসলিম তাঁর থেকে বর্ণনা গ্রহণ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٦)
10 -
إسحاق بن سليمان بن أبي سليمان الشيباني (1):
قال البخاري في «الصحيح»
(2): قال عمر:
… ووصله في «التاريخ»
(3) من طريق إسحاق هذا.
11 - خ «مقرونًا حديثًا واحدًا» م د س.
إسحاق بن سويد (4):
تابعي. وثّقه أحمد وابن معين والنسائي. وقال العجلي: ثقة كان يحمل على عليٍّ رضي الله عنه. وقال أبو العرب: كان يحمل على علي تحاملًا شديدًا، [و] قال: لا أحبّ عليًّا
(5).
ومن لم يحبّ الصحابة فليس بثقةٍ ولا كرامة.
12 -
إسماعيل بن عبد الملك (6):
قال أحمد: منكر الحديث. قيل: أي شيءٍ من منكره؟ قال: يروي عن عطاء: «الشَّرْبةُ التي تُسكِر حرام». قيل: وهذا منكر؟ قال: نعم. عن عطاء خلاف هذا.
--------------------------------------------
১০ -
ইসহাক বিন সুলায়মান বিন আবি সুলায়মান আল-শায়বানি (১):
বুখারী তাঁর 'আস-সহীহ' গ্রন্থে
(২) বলেছেন: উমর বলেছেন:
… এবং তিনি তা 'আত-তারীখ' গ্রন্থে
(৩) এই ইসহাকের সূত্রের মাধ্যমে সংযুক্ত করেছেন।
১১ - বুখারী «অন্য বর্ণনার সাথে মিলিয়ে একটি হাদিস», মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ।
ইসহাক বিন সুওয়াইদ (৪):
তাবেয়ী। আহমাদ, ইবনে মাঈন এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আল-আজলী বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, তবে তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করতেন। আবু আল-আরব বলেন: তিনি আলীর প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতেন, এবং তিনি বলতেন: আমি আলীকে ভালোবাসি না
(৫)।
আর যে ব্যক্তি সাহাবায়ে কেরামকে ভালোবাসে না, সে নির্ভরযোগ্যও নয় এবং তার কোনো মর্যাদাও নেই।
১২ -
ইসমাইল বিন আব্দুল মালিক (৬):
আহমাদ বলেছেন: তাঁর হাদিস মুনকার (প্রত্যাখ্যাত)। জিজ্ঞাসা করা হলো: তাঁর হাদিসের মধ্যে কোনটি মুনকার? তিনি বললেন: তিনি আতা থেকে বর্ণনা করেন: «যে পানীয় নেশাগ্রস্ত করে তা হারাম»। বলা হলো: এটিও কি মুনকার? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আতা থেকে এর বিপরীত বর্ণনা পাওয়া যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٧)
13 - في ترجمة
إسماعيل بن عياش (1):
قال عبد الله بن أحمد: عرضتُ على أبي حديثًا حدثناه الفضل بن زياد ثنا ابن عياش عن موسى بن عُقبة عن نافع عن ابن عمر مرفوعًا: «لا تقرأ الحائض ولا الجُنب شيئًا من القرآن» فقال أبي: هذا باطل.
14 -
في ترجمة إسماعيل بن مجالد (2):
قال العُقيلي: لا يتابع على حديثه. واستنكر له حديثَه عن هلال الوزَّان عن عروة عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لحسّان: «اهجهم فإنّ روح القدس سيعينك».
15 -
إسحاق بن إبراهيم بن يونس (3):
نا بشر بن هلال ثنا داود بن الزبرقان عن داود بن أبي هند عن ثابت عن أنس [ص 4]: «أن النبي صلى الله عليه وسلم مرَّ بصبيانٍ فسلَّم عليهم».
قال ابن عديّ
(4): لم أكتبه إلا عن إسحاق
… وأخاف أن يكون «داود» تكرر في كتابه، فظنه ابن أبي هند، وإلا فالحديث عند داود بن الزِّبْرِقان عن ثابت بغير واسطة.
* إبراهيم بن طَهْمان: حديثٌ غلط. (الصفحة الآتية). [رقم 22].
--------------------------------------------
১৩ - ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ এর জীবনীতে
(১):
আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ বলেন: আমি আমার পিতার নিকট একটি হাদিস পেশ করলাম যা ফাদল ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি মুসা ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: «ঋতুবতী নারী এবং অপবিত্র (জুনুবি) ব্যক্তি কুরআনের কিছুই পাঠ করবে না»। তখন আমার পিতা বললেন: এটি বাতিল।
১৪ -
ইসমাঈল ইবনে মুজালিদ এর জীবনীতে
(২):
উকাইলি বলেন: তার হাদিস অনুসরণযোগ্য নয়। এবং তিনি তার বর্ণিত হিলাল আল-ওয়াজ্জান থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটিকে মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) সাব্যস্ত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসসানকে বলেছিলেন: «তাদেরকে ব্যঙ্গ করো (কবিতার মাধ্যমে), কেননা রুহুল কুদুস (পবিত্র আত্মা) অবশ্যই তোমাকে সাহায্য করবেন»।
১৫ -
ইসহাক ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইউনুস (৩):
বিশর ইবনে হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ ইবনুল জিব্রিকান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন [পৃষ্ঠা ৪]: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল বালকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তাদের সালাম দিলেন»।
ইবনে আদি
(৪) বলেন: আমি এটি কেবল ইসহাকের সূত্রেই লিখেছি... এবং আমি আশঙ্কা করছি যে তার কিতাবে 'দাউদ' নামটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে, ফলে তিনি তাকে ইবনে আবি হিন্দ মনে করেছেন; অন্যথায় দাউদ ইবনুল জিব্রিকান থেকে সাবিতের সূত্রে হাদিসটি কোনো মাধ্যম ছাড়াই বর্ণিত।
* ইবরাহিম ইবনে তাহমান: ভুল হাদিস। (পরবর্তী পৃষ্ঠা)। [নম্বর ২২]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٨)
16 -
إبراهيم بن مَرزوق بن دينار (1):
من شيوخ النسائي فيما ذكر صاحب «النبل»
(2).
قال النسائي في موضع: صالح، وفي آخر: لا بأس به، وفي ثالث: ليس لي به علم.
17 -
إسحاق بن إسماعيل بن عبد الله بن زكريا المَذْحِجي (3):
قال النسائي في موضع: صالح، وفي آخر: لا أدري ما هو، وفي ثالث: كتبت عنه ولم أقف عليه.
18 -
إسحاق بن إسماعيل الطالْقاني (4):
قول أحمد: قد يكون صغيرًا يضبط
(5).
19 -
إسحاق بن أَسِيد (6):
عن جماعة، وعنه حَيْوة بن شُريح والليث وغيرهما.
--------------------------------------------
১৬ -
ইব্রাহিম বিন মারযূক বিন দীনার (১):
'আন-নুবল' গ্রন্থের লেখক যা উল্লেখ করেছেন, সেই অনুযায়ী তিনি আন-নাসায়ীর শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত।
(২)আন-নাসায়ী এক স্থানে বলেছেন: সালিহ (যোগ্য), অন্য স্থানে বলেছেন: তার মধ্যে কোনো দোষ নেই, এবং তৃতীয় এক স্থানে বলেছেন: তার সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই।
১৭ -
ইসহাক বিন ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ বিন যাকারিয়া আল-মাযহিজী (৩):
আন-নাসায়ী এক স্থানে বলেছেন: সালিহ, অন্য স্থানে বলেছেন: আমি জানি না তিনি কেমন, এবং তৃতীয় স্থানে বলেছেন: আমি তার নিকট থেকে লিখেছি কিন্তু তার অবস্থা সম্পর্কে অবগত হতে পারিনি।
১৮ -
ইসহাক বিন ইসমাইল আল-তালকানী (৪):
ইমাম আহমাদ এর উক্তি: তিনি বয়সে ছোট হতে পারেন তবে তিনি নির্ভুল বর্ণনাকারী।
(৫) ১৯ -
ইসহাক বিন আসীদ (৬):
তিনি একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তার থেকে হাইওয়াহ বিন শুরাইহ, আল-লায়স এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٩)
قال أبو حاتم: شيخ ليس بالمشهور ولا يُشْتغَل به. وقال ابن عديّ: مجهول، وكذا قال الحاكم أبو أحمد. وعن يحيى بن بُكَير: لا أدري حاله.
20 -
إسحاق بن راشد الجَزَريّ (1):
الوجادة والتحديث بها، [و] حُسْن رأي الباقر في الزهري، وتعظيم الزهري أهلَ البيت
(2).
21 -
إسحاق بن عبد الله بن أبي فَرْوة (3):
تالفٌ، كتب عليُّ ابن المديني عن رجلٍ عنه، وقال: أعرفها لا تقلب.
22 -
إبراهيم بن طَهْمان (4):
قال ابن عمّار: ضعيف مضطرب الحديث، تعقَّبه
(5) جَزَرة: ابن عمّار من أين يعرف حديث إبراهيم؟ إنما وقع إليه حديث إبراهيم في الجمعة ــ يعني الذي رواه ابن عمّار عن المعافى عن إبراهيم عن محمد بن زياد عن أبي هريرة: أول جمعة جُمعت بجُواثا ــ والغلط فيه من المعافى؛ لأن جماعةً رووه عن إبراهيم عن أبي حمزة عن ابن عباس. وكذا هو في تصنيفه.
وقال السليماني: أنكروا عليه حديثه عن أبي الزبير عن جابر في رفع
--------------------------------------------
আবু হাতিম বলেছেন: তিনি এমন একজন শাইখ যিনি প্রসিদ্ধ নন এবং তাকে নিয়ে ব্যস্ত হওয়া হয় না। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি অজ্ঞাত (মাজহুল), হাকিম আবু আহমদও অনুরূপ বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন বুকাইর থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি তার অবস্থা সম্পর্কে জানি না।
২০ -
ইসহাক বিন রাশিদ আল-জাযারি (১):
লিখিত পান্ডুলিপি পাওয়া (উিজাদাহ) এবং তার মাধ্যমে হাদীস বর্ণনা করা, [এবং] যুহরির ব্যাপারে আল-বাকিরের উত্তম ধারণা পোষণ, এবং আহলে বাইতের প্রতি যুহরির সম্মান প্রদর্শন
(২)।
২১ -
ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি ফারওয়াহ (৩):
পরিত্যক্ত (তালিফ), আলী ইবনুল মাদিনি তার থেকে জনৈক ব্যক্তির সূত্রে লিখেছেন এবং বলেছেন: আমি এই বর্ণনাগুলো চিনি, এগুলো পরিবর্তন করা যায় না।
২২ -
ইবরাহিম বিন তাহমান (৪):
ইবনে আম্মার বলেছেন: তিনি দুর্বল এবং তার বর্ণিত হাদীস বিশৃঙ্খল (মুতদারিব), জাযারাহ তার সমালোচনা করে
(৫) বলেছেন: ইবনে আম্মার ইবরাহিমের হাদীস সম্পর্কে কীভাবে জানলেন? তার কাছে ইবরাহিমের হাদীস কেবল জুমুআ সংক্রান্ত বিষয়েই পৌঁছেছে—অর্থাৎ যা ইবনে আম্মার মুআফা থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে: "জুওয়াসাতে প্রথম জুমুআ অনুষ্ঠিত হয়েছিল"—আর এখানে ভুলটি মুআফার পক্ষ থেকে হয়েছে; কারণ একদল বর্ণনাকারী এটি ইবরাহিম থেকে, তিনি আবু হামযাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তার সংকলনেও বিষয়টি এভাবেই আছে।
আর সুলাইমানি বলেছেন: তারা জাবির থেকে আবু যুবাইরের সূত্রে বর্ণিত [হাত] তোলার বিষয়ে তার হাদীসটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٤)
তারাজিমুম মুনতাখাবাহ মিনাত তাহযীব ওয়াল মীযান - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
اليدين، وحديثه عن شُعبة عن قتادة عن أنس: «رُفِعَت لي سدرة المنتهى»
(1).
23 - خ ت ق.
إسحاق بن محمد بن إسماعيل (2):
قال أبو داود: لو جاء بذاك الحديث عن مالكٍ يحيى بن سعيد لم يُحْتمل له، ما هو من حديث عبيدالله بن عمر، ولا من حديث يحيى بن سعيد، ولا من حديث مالك. يعني حديثَ الإفك الذي حدّث به عن مالك وعبيدالله عن الزهري.
وقال الدارقطني: ضعيف. وقد روى عنه البخاري، ويُوَبِّخونه على هذا
(3). وقال الحاكم: عِيبَ على محمدٍ إخراج حديثه.
--------------------------------------------
আল্লাহর দুই হাত, এবং শু’বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণিত তাঁর হাদিস: «আমার সামনে সিদরাতুল মুনতাহা তুলে ধরা হলো»
(১).
২৩ - খ ত ক্ব।
ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল (২):
আবু দাউদ বলেছেন: যদি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ মালিকের সূত্রে সেই হাদিসটি নিয়ে আসতেন, তবে সেটি তার পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হতো না; এটি ওবায়দুল্লাহ বিন উমরের হাদিস নয়, ইয়াহইয়া বিন সাঈদের হাদিস নয়, আর মালিকের হাদিসও নয়। অর্থাৎ ইফকের (মিথ্যা অপবাদের) সেই হাদিসটি যা তিনি জুহরির সূত্রে মালিক ও ওবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং দারা কুতনি বলেছেন: তিনি দুর্বল (যয়িফ)। তবে বুখারি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এ কারণে অন্যান্যরা তাঁকে (বুখারিকে) ভর্ৎসনা করেন
(৩)। হাকেম বলেছেন: মুহাম্মদের (ইমাম বুখারি) জন্য তাঁর হাদিস গ্রহণ করাকে দোষণীয় মনে করা হয়েছে।
--------------------------------------------