(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: -)
نزهة الألباب في الألقاب القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: نزهة الألباب في الألقاب
المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (ت 852هـ)
المحقق: عبد العزيز محمد بن صالح السديري
الناشر: مكتبة الرشد - الرياض
الطبعة: الأولى، 1409هـ-1989م
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব বিভাগ: জীবনী ও স্তরবিন্যাস
বই: নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
লেখক: আবুল ফজল আহমদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাজার আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি)
সম্পাদক: আবদুল আজিজ মুহাম্মদ বিন সালিহ আস-সুদাইরি
প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৯ হিজরি-১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
[বইটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
(مُقَدّمَة الْمُؤلف)
" بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم "
الْحَمد لله الَّذِي لَهُ الْأَسْمَاء الْحسنى، والعز الأسمى؛ وَالصِّفَات الْعليا، وَالْفضل الأنمى.
وَأشْهد أَن لَا إِلَه إِلَّا الله وَحده لَا شريك لَهُ وَلَا وَرَاءه مرمى، وَأشْهد أَن مُحَمَّدًا عَبده وَرَسُوله الَّذِي كشفت ببعثته الغمى، وَبسطت بِوُجُودِهِ النعمى، صلى الله عَلَيْهِ وعَلى آله وَصَحبه وَسلم تَسْلِيمًا كثيرا يزكو وينمى.
أما بعد: فَإِن من أجل الْعُلُوم معرفَة فنون الحَدِيث النَّبَوِيّ، والتنقيب عَن أسانيده تضعيفا وتصحيحا، وأحوال رُوَاته تعديلا وتجريحا، والمرقاة إِلَى ذَلِك تَمْيِيز الْمُتَّفق مِنْهُم والمفترق، والمؤتلف مِنْهُم والمختلف، ليعرف الْقوي من الضَّعِيف، والنبيل من السخيف.
وَمن أنفس ذَلِك معرفَة ألقابهم، لِأَنَّهَا قد تَأتي فِي سِيَاق الْأَسَانِيد مُجَرّدَة من أسمائهم وَقد لَا يعرفهَا الطَّالِب الحصيف.
(লেখকের ভূমিকা)
" পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে "
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ এবং সুউচ্চ মর্যাদা; রয়েছে সমুন্নত গুণাবলি এবং ক্রমবর্ধমান অনুগ্রহ।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং তাঁর ঊর্ধ্বে কোনো লক্ষ্য নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল; যাঁর প্রেরণের মাধ্যমে দুঃখ-কষ্ট দূরীভূত হয়েছে এবং যাঁর উপস্থিতিতে নিয়ামত বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীবর্গের ওপর আল্লাহর অজস্র দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক, যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি ও পরিশুদ্ধ হতে থাকে।
অতঃপর: নিশ্চয়ই সর্বশ্রেষ্ঠ ইলমসমূহের অন্তর্ভুক্ত হলো নববী হাদীসের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা এবং হাদীসের সনদসমূহকে দুর্বল ও সহীহ হিসেবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে অনুসন্ধান করা, আর বর্ণনাকারীদের অবস্থা অনুযায়ী তাদের বিশ্বস্ততা (তাদীল) ও অযোগ্যতা (তাজরীহ) নিরূপণ করা। আর এর সোপান হলো বর্ণনাকারীদের মধ্য থেকে 'মুত্তাফিক ও মুফতারিক' (নামে মিল কিন্তু ব্যক্তি ভিন্ন) এবং 'মু'তালিফ ও মুখতালিফ' (বানানে মিল কিন্তু উচ্চারণে ভিন্ন) এর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা; যাতে সবল থেকে দুর্বল এবং বিজ্ঞ থেকে অপটু ব্যক্তি পৃথক হয়ে যায়।
আর এই শাস্ত্রের সবচেয়ে মূল্যবান বিষয়গুলোর অন্যতম হলো বর্ণনাকারীদের উপাধি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা। কেননা হাদীসের সনদে অনেক সময় মূল নাম ছাড়াই শুধু উপাধি উল্লিখিত হয়, যা অনেক সময় একজন বিচক্ষণ ছাত্রের কাছেও অজানা থেকে যেতে পারে।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
وتنقسم الألقاب إِلَى أَسمَاء وكنى، وأنساب إِلَى قبائل وبلدان، ومواطن، وصنائع، وَإِلَى صِفَات فِي الملقب.
وَقد صنف جمَاعَة من الْأَئِمَّة فِي ذَلِك، فوقفت على تصنيف لأبي بكر الشِّيرَازِيّ، و " مُخْتَصره " لأبي الْفضل بن طَاهِر، وَآخر لأبي الْفضل بن الفلكي، وَآخر لأبي الْوَلِيد بن الفرضي مُحدث الأندلس، وَآخر لأبي الْفرج بن الْجَوْزِيّ وَهُوَ أوسعها، فلخصت جَمِيعهَا فِي هَذَا الْمُخْتَصر، وأضفت إِلَيْهَا شَيْئا كثيرا مِمَّن فَاتَ الْمَذْكُورين ذكره مستدركا عَلَيْهِم، وَطَائِفَة كَثِيرَة مِمَّن حدث بعدهمْ، مذيلا عَلَيْهِم.
এবং উপাধিগুলো নাম, কুনিয়াত (উপনাম), এবং গোত্র, দেশ, আবাসস্থল ও পেশার সাথে সম্পৃক্ত বংশপরিচয়, এবং উপাধিপ্রাপ্ত ব্যক্তির গুণাবলীর ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রকারে বিভক্ত।
নিশ্চয়ই ইমামগণের একটি জামাত এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন। আমি আবু বকর আশ-শিরাজীর একটি সংকলন, আবু আল-ফজল বিন তাহিরের সংকলিত সেটির একটি ‘সংক্ষিপ্তসার’, আবু আল-ফজল বিন আল-ফালাকীর একটি গ্রন্থ, আন্দালুসের মুহাদ্দিস আবু আল-ওয়ালীদ বিন আল-ফারাদীর একটি কিতাব এবং আবু আল-ফারাজ বিন আল-জাওযীর একটি রচনা দেখেছি, যা এগুলোর মধ্যে সর্বাধিক বিস্তৃত। অতঃপর আমি এই সংক্ষিপ্ত গ্রন্থে সেগুলোর সারসংক্ষেপ সংকলন করেছি এবং উল্লিখিত লেখকগণের অগোচরে থাকা অনেক বিষয় পরিপূরক হিসেবে এতে যোগ করেছি। পাশাপাশি তাদের পরবর্তী যুগের এক বিশাল সংখ্যক বর্ণনাকারীর তথ্যও এতে সংযোজন করেছি।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
ووقفت على جُزْء لطيف لِلْحَافِظِ الأوحد أبي مُحَمَّد عبد الْغَنِيّ بن سعيد الْأَزْدِيّ الْمصْرِيّ سَمَّاهُ " أَسبَاب الْأَسْمَاء "، فاستفدت مِنْهُ جملَة.
وَقد رَوَاهُ لنا الشَّيْخ أَبُو الْفرج بن الْغَزِّي بِسَمَاعِهِ لَهُ على يَعْقُوب بن أَحْمد بن يَعْقُوب الصَّابُونِي بِسَمَاعِهِ لَهُ على الْمِقْدَاد ابْن هبة الله الْقَيْسِي، بِسَمَاعِهِ على أبي الْفتُوح نصر بن أبي الْفرج الحصري عَن مُحَمَّد بن عبد الْبَاقِي بن البطي وَغَيره، عَن أبي عبد الله
আমি অনন্য হাফিয আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি ইবনে সাঈদ আল-আজদি আল-মিসরির একটি চমৎকার পুস্তিকা দেখতে পেয়েছি, যেটির নাম তিনি দিয়েছেন "আসবাবুল আসমা", এবং আমি তা থেকে অনেক উপকৃত হয়েছি।
আর এটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ আবুল ফারাজ ইবনুল গাজ্জি, তিনি এটি ইয়াকুব ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াকুব আস-সাবুনির নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি এটি শ্রবণ করেছেন মিকদাদ ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-কায়সির নিকট, তিনি শ্রবণ করেছেন আবুল ফুতুহ নাসর ইবনে আবুল ফারাজ আল-হুসরির নিকট, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনুল বাত্তি ও অন্যদের সূত্রে, তারা আবু আব্দুল্লাহর নিকট থেকে।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
الْحميدِي سَمَاعا عَن عبد الرَّحِيم بن أَحْمد البُخَارِيّ سَمَاعا عَن مُؤَلفه، وَيَقَع لشَيْخِنَا بِالْإِجَازَةِ عَالِيا عَن أبي النُّون الدبابيسي، عَن أبي الْحسن ابْن المقير عَن ابْن البطي.
ثمَّ وقفت على بَاب فِي الألقاب فِي أثْنَاء كتاب: " الْمُسْتَخْرج " لأبي الْقَاسِم بن مَنْدَه، فتتبعت مَا فِيهِ، فألحقته فِي أماكنه، ونبهت على بعض مَا وَقع لَهُ فِيهِ من وهم، وألحقت أَشْيَاء كَثِيرَة من أَمَاكِن شَتَّى.
হুমাইদী আবদুর রহীম বিন আহমদ আল-বুখারী থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে এবং তিনি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে গ্রন্থকার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আমাদের শাইখ এটি উচ্চ সনদে ইজাযতের মাধ্যমে আবুন্নূন আদ-দাবাবিসী থেকে, তিনি আবুল হাসান ইবনুল মুকাইর থেকে এবং তিনি ইবনুল বাত্তী থেকে এটি লাভ করেছেন।
অতঃপর আমি আবুল কাসিম বিন মান্দাহর "আল-মুস্তাখরাজ" গ্রন্থের ভেতরে উপাধি সংক্রান্ত একটি অধ্যায় দেখতে পাই। আমি সেখানে যা ছিল তা বিশদভাবে অনুসরণ করি এবং সেগুলোকে যথাযথ স্থানে যুক্ত করি। এতে তাঁর যে সব ভুলভ্রান্তি হয়েছিল, তার মধ্য থেকে কিছু বিষয়ের প্রতি আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে আরও অনেক বিষয় এতে সংযোজন করেছি।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
ورتبته على ثَلَاثَة أَبْوَاب:
الأول: فِي الألقاب بِأَلْفَاظ الْأَسْمَاء، وألحقت بهَا الصَّنَائِع والحرف كالبقال، وَالصِّفَات كالأعمش.
وَالثَّانِي: فِي الألقاب بِأَلْفَاظ الكنى.
وَالثَّالِث: فِي الألقاب بِأَلْفَاظ الْأَنْسَاب إِلَى الْقَبَائِل والبلدان وَغَيرهَا.
وكل من الْأَبْوَاب مُرَتّب على حُرُوف المعجم، وقدمت فصلا فِي التَّعْرِيف باللقب وَحكمه.
وَالْأَصْل فِي ذَلِك قَوْله سبحانه وتعالى:
{يَا أَيهَا الَّذين آمنُوا لَا يسخر قوم من قوم عَسى أَن يَكُونُوا خيرا مِنْهُم وَلَا نسَاء من نسَاء عَسى أَن يكن خيرا مِنْهُنَّ، وَلَا تلمزوا أَنفسكُم وَلَا تنابزوا بِالْأَلْقَابِ} .
وَكَانَ السَّبَب فِي ذَلِك مَا رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو دَاوُد وَغَيرهمَا من حَدِيث أبي جبيرَة بن الضَّحَّاك رضي الله عنه قَالَ: (فِينَا نزلت هَذِه الْآيَة فِي بني سَلمَة: [وَلَا تنابزوا بِالْأَلْقَابِ] قدم رَسُول الله صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَة، وَلَيْسَ منا رجل إِلَّا وَله اسمان أَو ثَلَاثَة، فَكَانَ إِذا دَعَا أحدا مِنْهُم باسم من تِلْكَ الْأَسْمَاء، قَالُوا: إِنَّه يغْضب من هَذَا فَنزلت هَذِه الْآيَة) .
আমি একে তিনটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছি:
প্রথমটি: নামের শব্দের মাধ্যমে গঠিত উপাধিগুলো নিয়ে, এবং আমি এর সাথে পেশা ও বৃত্তিসমূহ (যেমন মুদি) এবং বৈশিষ্ট্যসমূহ (যেমন ঝাপসা দৃষ্টিসম্পন্ন) যুক্ত করেছি।
দ্বিতীয়টি: উপনামের শব্দের মাধ্যমে গঠিত উপাধিগুলো নিয়ে।
তৃতীয়টি: গোত্র, দেশ এবং অন্যান্য বিষয়ের দিকে সম্বন্ধযুক্ত বংশীয় শব্দের মাধ্যমে গঠিত উপাধিগুলো নিয়ে।
প্রতিটি অধ্যায়ই বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো হয়েছে, এবং আমি উপাধির সংজ্ঞা ও এর বিধান সম্পর্কে একটি প্রারম্ভিক পরিচ্ছেদ প্রদান করেছি।
এ বিষয়ে মূল ভিত্তি হলো মহান আল্লাহ তাআলার বাণী:
{হে মুমিনগণ, কোনো সম্প্রদায় যেন অন্য কোনো সম্প্রদায়কে বিদ্রূপ না করে, হতে পারে তারা তাদের চেয়ে উত্তম; আর নারীরাও যেন অন্য নারীদের বিদ্রূপ না করে, হতে পারে তারা তাদের চেয়ে উত্তম। তোমরা একে অন্যের নিন্দা করো না এবং একে অপরকে মন্দ উপনামে ডেকো না।}।
এর প্রেক্ষাপট ছিল যা আহমাদ, আবু দাউদ ও অন্যান্যরা আবু জুবাইরা ইবনে দাহহাক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (এই আয়াতটি আমাদের অর্থাৎ বনু সালামাহ সম্পর্কে নাযিল হয়েছে: [তোমরা একে অপরকে মন্দ উপনামে ডেকো না]। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মদিনায় আসলেন, তখন আমাদের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি ছিল না যার দুটি বা তিনটি নাম ছিল না। ফলে তিনি যখন তাদের কাউকে সেই নামগুলোর কোনো একটি ধরে ডাকতেন, তখন তারা বলত: সে এই নামে রাগান্বিত হয়। তখন এই আয়াতটি নাযিল হয়)।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
وروى ابْن الْجَارُود فِي " تَفْسِيره " عَن الْحسن أَن أَبَا ذَر كَانَ عِنْد النَّبِي صلى الله عليه وسلم، وَبَينه وَبَين رجل مُنَازعَة، فَقَالَ لَهُ أَبُو ذَر رضي الله عنه: يَا ابْن الْيَهُودِيَّة، فَقَالَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم: (مَا ترى أَحْمَر وَلَا أسود أَنْت أفضل مِنْهُ إِلَّا بالتقوى، وَنزلت هَذِه الْآيَة: {وَلَا تنابزوا بِالْأَلْقَابِ} ) .
وروى عبد الرَّزَّاق فِي " تَفْسِيره " عَن الْحسن نَحوه.
وَعَن قَتَادَة فِي تَفْسِيرهَا: لَا تقل لأخيك الْمُسلم: يَا فَاسق، يَا مُنَافِق.
وَعَن مُجَاهِد فِي تَفْسِيرهَا: لَا تدعوا الرجل بالْكفْر وَهُوَ مُسلم.
ইবনে আল-জারুদ তাঁর "তাফসীর"-এ হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু যার নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ছিলেন এবং তাঁর ও এক ব্যক্তির মধ্যে বিবাদ চলছিল। তখন আবু যার (রা.) তাকে বললেন: "হে ইহুদি মহিলার সন্তান।" তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "তাকওয়া ব্যতীত লাল কিংবা কালো কারো ওপর তোমার কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই।" আর এই আয়াতটি অবতীর্ণ হলো: {তোমরা একে অপরকে মন্দ উপাধিতে ডেকো না}।
এবং আবদুর রাজ্জাক তাঁর "তাফসীর"-এ হাসান থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
আর কাতাদাহ থেকে এই আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে বর্ণিত হয়েছে: তোমার মুসলিম ভাইকে বলো না: "হে ফাসেক, হে মুনাফিক।"
এবং মুজাহিদ থেকে এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বর্ণিত হয়েছে: কোনো ব্যক্তিকে কুফরীর নামে ডেকো না (কাফের বলো না) যখন সে একজন মুসলিম।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤١)
وَزعم مقَاتل بن سُلَيْمَان أَن كَعْب بن مَالك كَانَ بَينه وَبَين عبد الله بن أبي حَدْرَد الْأَسْلَمِيّ كَلَام، فَقَالَ لَهُ: يَا أَعْرَابِي، فَقَالَ لَهُ عبد الله: يَا يَهُودِيّ، فَنزلت فيهمَا: " وَلَا تنابزوا بِالْأَلْقَابِ ".
وَرُوِيَ عَن ابْن مَسْعُود فِي تَفْسِيرهَا: كَانَ الرجل يَقُول للرجل وَقد كَانَ يَهُودِيّا فَأسلم: يَا يَهُودِيّ، وَيَقُول للرجل الْمُسلم: يَا فَاسق، فَنزلت هَذِه الْآيَة.
وروى الدَّارَقُطْنِيّ الْأَفْرَاد " من حَدِيث ابْن عمر رَفعه: (بَادرُوا أَوْلَادكُم بالكنى قبل أَن تغلب عَلَيْهِم الألقاب) ، وَإِسْنَاده ضَعِيف، وَالصَّحِيح عَن ابْن عمر قَوْله.
মুকাতিল বিন সুলায়মান দাবি করেছেন যে, কাব বিন মালিক এবং আব্দুল্লাহ বিন আবি হাদরাদ আল-আসলামীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। তখন তিনি তাকে বলেছিলেন: হে গ্রাম্য আরব, আর আব্দুল্লাহ তাকে বলেছিলেন: হে ইহুদি। ফলে তাদের উভয়ের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়: "তোমরা একে অপরকে মন্দ উপনামে ডেকো না।"
আর এর তাফসিরে ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত হয়েছে: কোনো ব্যক্তি এমন একজনকে—যে পূর্বে ইহুদি ছিল এবং পরে ইসলাম গ্রহণ করেছে—বলত: হে ইহুদি; এবং কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে বলত: হে ফাসিক। ফলে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।
আর দারাকুতনী 'আল-আফরাদ'-এ ইবনে উমরের হাদিস থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন: (তোমরা তোমাদের সন্তানদের ওপর মন্দ উপনামগুলো প্রবল হওয়ার পূর্বেই তাদের কুনিয়ত বা উপনাম প্রদানে ত্বরান্বিত হও)। এর সনদ দুর্বল, আর সঠিক হলো এটি ইবনে উমরের নিজস্ব উক্তি।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
وَفِي البُخَارِيّ عَن هِلَال الْوزان: كناني عُرْوَة قبل أَن يُولد لي. فَكَأَنَّهُ لحظ هَذَا.
وروى الدولابي فِي " الكنى " عَن معمر بن حييه.
قَالَ: قَالَ لي أَبُو جَعْفَر مُحَمَّد بن عَليّ بن الْحُسَيْن: بِمَ تكنى؟ قلت: مَا اكتنيت، وَمَالِي من ولد، فَقَالَ: وَمَا يمنعك من ذَلِك؟ إِنَّا لنكني أَوْلَادنَا فِي الصغر مَخَافَة اللقب أَن يلْحق بِهِ، أَلا أكنيك؟ قلت: بلَى، قَالَ: أَنْت أَبُو مُحَمَّد.
وروى الْحَاكِم من حَدِيث ابْن عمر رَفعه " مَا من رجل رمى رجلا بِكَلِمَة تشينه إِلَّا حَبسه الله يَوْم الْقِيَامَة فِي طِينَة الخبال حَتَّى يخرج مِنْهَا ".
وَهَذَا كُله إِذا كَانَ الملقب يكره اللقب، فَأَما إِن كَانَ يُحِبهُ، وَيُوجب لَهُ الْمَدْح، فَهُوَ جَائِز بِشَرْط الْأَمْن من الإطراء فِي ذَلِك.
وَقد لقب رَسُول الله صلى الله عليه وسلم جمَاعَة من أَصْحَابه مِنْهُم: خَالِد بن الْوَلِيد: سيف الله، وَأَبُو عُبَيْدَة بن الْجراح: أَمِين هَذِه
বুখারীতে হিলাল আল-ওয়াজ্জান থেকে বর্ণিত হয়েছে: আমার কোনো সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই উরওয়াহ আমাকে উপনাম দিয়েছিলেন। মনে হয় তিনি এই বিষয়টিই লক্ষ্য করেছিলেন।
আদ-দুলাবি তাঁর 'আল-কুনা' গ্রন্থে মা'মার ইবনে হাইয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন আমাকে বললেন, "তোমার উপনাম কী?" আমি বললাম, "আমি কোনো উপনাম গ্রহণ করিনি, আর আমার কোনো সন্তানও নেই।" তখন তিনি বললেন, "তোমাকে এতে কিসে বাধা দিচ্ছে? আমরা তো আমাদের সন্তানদের শৈশবেই উপনাম দিয়ে দিই, যাতে তাদের নামের সাথে অন্য কোনো (মন্দ) উপাধি যুক্ত হতে না পারে। আমি কি তোমার একটি উপনাম দেব না?" আমি বললাম, "অবশ্যই।" তিনি বললেন, "তুমি হলে আবু মুহাম্মদ।"
ইমাম আল-হাকিম ইবনে উমর (রা.) থেকে একটি মারফু হাদীস বর্ণনা করেছেন, "কোনো ব্যক্তি যদি অপর কোনো ব্যক্তিকে তাকে কলঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে এমন কোনো কথা বলে যা তাকে লাঞ্ছিত করে, তবে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে 'তিনাতুল খাবাল' (জাহান্নামীদের রক্ত ও পুঁজের কাদা)-এ বন্দি করে রাখবেন, যতক্ষণ না সে তার সেই কৃতকর্মের দায় থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।"
আর এই সবকিছুই তখন প্রযোজ্য যখন যাকে উপাধি দেওয়া হচ্ছে সে সেই উপাধিটি অপছন্দ করে। কিন্তু যদি সে তা পছন্দ করে এবং সেটি তার প্রশংসার কারণ হয়, তবে তা জায়েয; শর্ত হলো এতে যেন অতিরঞ্জিত চাটুকারিতার আশঙ্কা না থাকে।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাহাবীদের মধ্য থেকে একদলকে বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ: 'সাইফুল্লাহ' (আল্লাহর তলোয়ার), এবং আবু উবাইদাহ বিন আল-জাররাহ: 'এই উম্মতের আমীন' (বিশ্বস্ত ব্যক্তি)।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
الْأمة، وَأَبُو بكر: بِالصديقِ، وَعمر: بالفاروق، وَعُثْمَان: بِذِي النورين وَحَمْزَة بأسد الله. وجعفر: بِذِي الجناحين، وسمى قبيلتي الْأَوْس والخزرج: الْأَنْصَار، فغلب عَلَيْهِم، وعَلى حلفائهم.
উম্মাহর ব্যক্তিবর্গ; এবং আবু বকরকে 'সিদ্দিক', উমরকে 'ফারুক', উসমানকে 'জুন-নুরাইন' এবং হামযাহকে 'আল্লাহর সিংহ' হিসেবে [অভিহিত করেছেন]। জাফরকে 'দুই ডানা বিশিষ্ট' এবং আউস ও খাজরাজ গোত্রদ্বয়কে 'আনসার' নামে অভিহিত করেছেন, যা তাদের এবং তাদের মিত্রদের পরিচয়ে প্রাধান্য লাভ করেছে।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
وَكَانَ الْحسن الْبَصْرِيّ يُسَمِّي مُحَمَّد بن وَاسع: زين الْقُرَّاء.
وسُفْيَان الثَّوْريّ يَدْعُو الْمعَافى بن عمرَان: ياقوتة الْعلمَاء.
وَابْن الْمُبَارك يلقب مُحَمَّد بن يُوسُف الْأَصْبَهَانِيّ عروس الزهاد.
وأشرف من اشْتهر باللقب الْجَمِيل: إِبْرَاهِيم الْخَلِيل، ومُوسَى الكليم وَعِيسَى الْمَسِيح.
হাসান বসরী মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসি‘কে 'কারিবৃন্দের অলঙ্কার' হিসেবে অভিহিত করতেন।
সুফিয়ান সাওরী মু‘আফা ইবনে ইমরানকে 'আলিমদের পদ্মমণি' বলে সম্বোধন করতেন।
ইবনুল মুবারক মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-আসবাহানীকে 'তাপসদের নববধূ' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
আর সুন্দর উপাধিতে যারা খ্যাতি লাভ করেছেন তাদের মাঝে সর্বাধিক মর্যাদাবান হলেন: ইব্রাহীম আল-খলীল, মূসা আল-কালীম এবং ঈসা আল-মসীহ।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
(فصل)
من لقب بِمَا يكرههُ لم يجز أَن يدعى بِهِ إِلَّا عِنْد قصد التَّعْرِيف بِهِ، ليتميز من غَيره بِغَيْر قصد ذمّ، قَالَ أَبُو حَاتِم الرَّازِيّ: ثَنَا عَبدة بن عبد الرَّحِيم، سَأَلت عبد الله بن الْمُبَارك عَن الرجل يَقُول: حميد الطَّوِيل، وَحميد الْأَعْرَج، فَقَالَ: إِذا أَرَادَ صفته وَلم يرد عَيبه فَلَا بَأْس.
وَقَالَ الْأَثْرَم: سَمِعت أَحْمد سُئِلَ عَن الرجل يعرف بلقبه، قَالَ: إِذا لم يعرف إِلَّا بِهِ جَازَ، ثمَّ قَالَ: الْأَعْمَش إِنَّمَا يعرفهُ النَّاس بِهَذَا، فسهل فِي مثله إِذا اشْتهر بِهِ.
وَسُئِلَ عبد الرَّحْمَن بن مهْدي: هَل فِيهِ غيبَة لأهل الْعلم؟ قَالَ: لَا، وَرُبمَا سَمِعت شُعْبَة يَقُول ليحيى بن سعيد: يَا أَحول، مَا تَقول فِي كَذَا؟ .
(পরিচ্ছেদ)
কাউকে যদি এমন কোনো উপাধিতে ভূষিত করা হয় যা সে অপছন্দ করে, তবে কেবল তাকে পরিচিত করানোর উদ্দেশ্য ছাড়া সেই নামে ডাকা বৈধ নয়, যাতে নিন্দার উদ্দেশ্য ব্যতিরেকে তাকে অন্য ব্যক্তি হতে পৃথক করা যায়। আবু হাতিম আর-রাজি বলেন: আবদাহ বিন আব্দুর রহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারককে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে বলে: 'হুমাইদ আত-তবিল' এবং 'হুমাইদ আল-আ'রাজ'; তিনি বললেন: "যদি সে তার পরিচয় প্রদান করতে চায় এবং তার দোষ চর্চা করতে না চায়, তবে এতে কোনো অসুবিধা নেই।"
আল-আশরাম বলেন: আমি আহমাদকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি যাকে তার উপাধির মাধ্যমে চেনা যায়; তিনি বললেন: "যদি সে এটি ছাড়া পরিচিত না হয় তবে তা বৈধ।" তারপর তিনি বললেন: "আল-আমাশকে মানুষ কেবল এই নামেই চেনে; সুতরাং যখন কেউ এ জাতীয় নামে প্রসিদ্ধ হয়ে যায়, তখন তিনি বিষয়টিকে সহজভাবে গ্রহণ করেছেন।"
আব্দুর রহমান বিন মাহদীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "ইলমের অধিকারীদের ক্ষেত্রে এতে কি গীবত হবে?" তিনি বললেন: "না, আমি অনেক সময় শু'বাকে ইয়াহইয়া বিন সাঈদকে বলতে শুনেছি: 'হে টেরা চোখ বিশিষ্ট ব্যক্তি, আপনি এই বিষয়ে কী বলেন?'।"
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
قلت: هَذَا لَا يدل على جَوَاز دُعَاء من بِهِ عاهة بذلك وَأحسن أَحْوَال هَذَا أَن يُقَال: لَعَلَّه كَانَ يرى جَوَازه إِذا رَضِي من بِهِ ذَلِك.
وَمَتى لم يكن التَّعْرِيف بِعَين اللقب فَهُوَ أولى بل إِذا أمكن بِغَيْرِهِ وَهُوَ يكره ذَلِك حرم، وسلك الشَّافِعِي فَهُوَ مسلكا حسنا، فَكَانَ يَقُول: أَخْبرنِي إِسْمَاعِيل الَّذِي يُقَال لَهُ: ابْن علية، فَجمع بَين التَّعْرِيف والتبري من التلقيب رَحمَه الله تَعَالَى.
وَهَذَا أَوَان الشُّرُوع فِي سِيَاق هَذِه الْأَبْوَاب، وَلم أقتصر على أَسمَاء الروَاة، بل أضفت إِلَيْهِم من يَأْتِي فِي أثْنَاء الرِّوَايَات، وَالْأَخْبَار، وَإِن لم تكن لَهُ رِوَايَة تكميلا للفائدة، وَالله الْمُسْتَعَان.
আমি বলছি: এটি কোনো শারীরিক ত্রুটিসম্পন্ন ব্যক্তিকে সেই ত্রুটিসূচক নামে ডাকার বৈধতা প্রমাণ করে না। এর সর্বোত্তম ব্যাখ্যা হলো এই বলা যে, সম্ভবত তিনি এটি তখন বৈধ মনে করতেন যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাতে সন্তুষ্ট থাকতেন।
যখন সুনির্দিষ্ট উপাধিটি ব্যতিরেকে অন্য কোনোভাবে পরিচয় প্রদান করা সম্ভব হয়, তখন সেটিই অধিকতর শ্রেয়। বরং যদি অন্য কোনো উপায়ে পরিচয় দেওয়া সম্ভব হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ওই উপাধিটি অপছন্দ করেন, তবে তা ব্যবহার করা হারাম। ইমাম শাফিঈ রহমাতুল্লাহি আলাইহি এক্ষেত্রে একটি উত্তম পন্থা অবলম্বন করেছেন; তিনি বলতেন: "আমাকে ইসমাঈল সংবাদ দিয়েছেন, যাকে ইবনে উলয়্যাহ বলা হয়।" এভাবে তিনি পরিচয় প্রদান এবং উপাধি আরোপ থেকে মুক্ত থাকা—উভয় বিষয়ের সমন্বয় করেছেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন।
এখন এই অধ্যায়গুলোর ধারা বর্ণনা শুরু করার সময়। আমি কেবল বর্ণনাকারীদের নামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকিনি, বরং উপকারের পূর্ণতার জন্য বর্ণনা ও সংবাদগুলোর মাঝে যাদের উল্লেখ এসেছে তাদেরও যুক্ত করেছি, যদিও তাদের সরাসরি কোনো বর্ণনা নেই। আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
(الْبَاب الأول فِي الألقاب بِأَلْفَاظ الْأَسْمَاء يبْدَأ برقم " 1 " وَيَنْتَهِي برقم " 2950 ")
(প্রথম অধ্যায়: নামবাচক শব্দের মাধ্যমে উপাধি প্রসঙ্গে, যা ১ নম্বর হতে শুরু হয়ে ২৯৫০ নম্বরে সমাপ্ত হয়েছে)
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ١)
1 -
১ -
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
- حرف الْهمزَة
-
يبْدَأ برقم 1 وَيَنْتَهِي برقم 284
- হামযা বর্ণ
-
১ নম্বর থেকে শুরু এবং ২৮৪ নম্বরে শেষ
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥١)
- الْبَاب الأول
-
-
حرف الْهمزَة-
بَاب آا 1 - آبي الْخَسْف
وَهُوَ خويلد بن أَسد بن عبد الْعُزَّى بن قصي بن كلاب وَالِد خَدِيجَة زوج النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَفِيه يَقُول يحيى بن عُرْوَة بن الزبير بن الْعَوام بن خويلد ابْن أَسد
(أَب لي آبى الْخَسْف لَو يعلمونه
… وَفَارِس مَعْرُوف رَئِيس الْكَتَائِب)
مَعْرُوف اسْم فرس
প্রথম পরিচ্ছেদ
-
-
হামযা বর্ণ-
পরিচ্ছেদ আ-আ ১ - আবি আল-খাসফ
তিনি হলেন খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ ইবনে আবদিল উযযা ইবনে কুসাই ইবনে কিলাব, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী খাদীজার পিতা। তার সম্পর্কে ইয়াহইয়া ইবনে উরওয়া ইবনুল যুবায়ের ইবনুল আওয়াম ইবনে খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ বলেন:
(আমার এক পিতা আছেন যিনি হীনতা বা অপমান প্রত্যাখ্যানকারী, যদি তারা জানত... এবং মা'রুফের আরোহী, যিনি সেনাদলের প্রধান)
মা'রুফ একটি ঘোড়ার নাম
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
2 - آبي اللَّحْم
صَحَابِيّ اسْمه عبد الله وَقيل خلف وَقيل الْحُوَيْرِث يكنى أَبَا عبد الله وَقد غلط من ذكره فِي الكنى وظنها أَدَاة كنية كَمَا بيّنت ذَلِك فِي كتابي فِي الصَّحَابَة
3 - الْآمِر بِأَحْكَام الله
من خلفاء المصريين اسْمه مَنْصُور بن المستعلي بن الْمُسْتَنْصر
4 - آنِية الْعَسَل وآنية النَّحْل
مُصعب بن الزبير ذكر عبد الْغَنِيّ بن سعيد أَنه لقب بذلك لكرمه
بَاب أَب 5 - أبه بِفَتْح أَوله وَتَشْديد الْمُوَحدَة
২ - আবি আল-লাহম
তিনি একজন সাহাবী, তাঁর নাম আব্দুল্লাহ; মতান্তরে খালাফ, আবার মতান্তরে আল-হুয়াইরিস। তাঁর কুনিয়া বা উপনাম হলো আবু আব্দুল্লাহ। যারা তাঁকে কুনিয়ার তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং একে নিছক একটি কুনিয়ার শব্দ হিসেবে গণ্য করেছেন তারা ভুল করেছেন, যেমনটি আমি সাহাবীদের জীবনী বিষয়ক আমার গ্রন্থে স্পষ্ট করেছি।
৩ - আল-আমির বি-আহকামিল্লাহ
মিসরীয় খলিফাদের একজন, তাঁর নাম মানসুর বিন আল-মুস্তা’লি বিন আল-মুস্তানসির।
৪ - আনিয়াহ আল-আসাল এবং আনিয়াহ আন-নাহল
মুসআব বিন আল-যুবাইর; আব্দুল গনি বিন সাইদ উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর অত্যন্ত দানশীলতার কারণে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
আলিফ-বা (আব) পরিচ্ছেদ ৫ - আব্বাহ (প্রথম বর্ণে ফাতহা এবং দ্বিতীয় বর্ণে তাশদীদ সহকারে)
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
هُوَ إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن فيره أَبُو إِسْحَاق الْأَصْبَهَانِيّ الطيان عَن أبي مَسْعُود الرَّازِيّ
6 - الْأَبَّار
عمر بن حَفْص قديم من طبقَة ابْن عُيَيْنَة
7 - الْأَبَّار
صَاحب التصانيف مِنْهَا تَكْمِلَة الصِّلَة لِابْنِ بشكوال
هُوَ أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن عبد الله بن أبي بكر الْقُضَاعِي البلنسي مَاتَ
তিনি হলেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ফাইরাহ আবু ইসহাক আল-আসবাহানি আল-তাইয়ান, তিনি আবু মাসউদ আল-রাজি থেকে বর্ণনা করেছেন।
৬ - আল-আব্বার
উমর বিন হাফস, তিনি ইবনে উয়াইনার স্তরের একজন প্রাচীন ব্যক্তি।
৭ - আল-আব্বার
বহু গ্রন্থের রচয়িতা, যার মধ্যে ইবনে বাশকুওয়ালের 'তাকমিলাত আল-সিলাহ' অন্তর্ভুক্ত।
তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর আল-কুদায়ি আল-বালানসি, তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
سنة ثَلَاثِينَ وسِتمِائَة
8 - الْأَبَح
هُوَ حَمَّاد بن يحيى الْبَصْرِيّ
9 - الْأَبَح
آخر اسْمه مُحَمَّد بن مُحَمَّد بن جَعْفَر الْأَصْبَهَانِيّ الْوَاعِظ مُحدث مَشْهُور مَاتَ سنة 377
10 - الأبجر
مغن مَشْهُور فِي زمن بني أُميَّة هُوَ عبيد بن الْقَاسِم ابْن مُنَبّه يكنى أَبَا طَالب ذكره صَاحب الأغاني
11 - أبرجة بتَخْفِيف الْجِيم هُوَ
أَبُو إِسْحَاق إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن الْحَارِث الْأَصْبَهَانِيّ وَيُقَال لَهُ ابْن نائلة وَهِي أمه من شُيُوخ أبي الشَّيْخ
৬৩০ হিজরি সন
৮ - আল-আবাহ
তিনি হলেন হাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আল-বাসরি
৯ - আল-আবাহ
অপর একজন, তাঁর নাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-আসবাহানি; তিনি একজন ওয়ায়েজ (উপদেশক) ও প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস, তিনি ৩৭৭ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
১০ - আল-আবজার
বনু উমাইয়াদের যুগের একজন প্রসিদ্ধ গায়ক, তিনি হলেন উবাইদ বিন আল-কাসিম ইবনে মুনাব্বিহ, তাঁর উপনাম আবু তালিব, 'আল-আগানি' গ্রন্থের লেখক তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।
১১ - আবরাজাহ (জীম বর্ণটি হালকা উচ্চারণে), তিনি হলেন
আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-হারিস আল-আসবাহানি, তাঁকে ইবনে নাইলাহ বলা হয় (নাইলাহ তাঁর মাতা); তিনি আবুশ শাইখের শিক্ষকদের অন্যতম ছিলেন।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
12 - أبرجة آخر
اسْمه أَيْضا إِبْرَاهِيم بن يُوسُف الْأَصْبَهَانِيّ روى عَنهُ ابْنه أَبُو عَليّ
13 - الأبرش جمَاعَة مِنْهُم
سَلمَة بن الْفضل صَاحب ابْن إِسْحَاق
14 - وَآخر مُحَمَّد بن حَرْب صَاحب الزبيدِيّ شَامي
15 - وَأحمد بن مُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم بن حَكِيم الْأَصْبَهَانِيّ يكنى أَبَا عَمْرو ويلقب ممك مَاتَ سنة 333 هـ
16 - الأبرش
جذيمة ملك الْحيرَة جاهلي
১২ - অপর একজন আবরাজাহ
তাঁর নামও ইব্রাহিম বিন ইউসুফ আল-আসফাহানি, তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আবু আলী বর্ণনা করেছেন।
১৩ - আল-আবরাশ, তাদের মধ্যে একদল রয়েছেন
সালামাহ বিন আল-ফাদল, ইবনে ইসহাকের সহচর
১৪ - এবং অন্যজন মুহাম্মদ বিন হারব, আজ-জুবায়দির সহচর, সিরীয়
১৫ - এবং আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন হাকিম আল-আসফাহানি, তাঁর উপনাম আবু আমর এবং উপাধি মাম্মাক, তিনি ৩৩৩ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন
১৬ - আল-আবরাশ
জাযিমা, হিরার রাজা, জাহেলি যুগের অনুসারী।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
17 - الإبريق
لقب الْفضل بن صَالح
18 - الأبيرد
هُوَ الْأَبْرَد بن قُرَّة شَاعِر
19 - ابريونه
مُحَمَّد بن جَعْفَر بن مُحَمَّد النهاوندي أَبُو بكر القَاضِي عَن عَليّ بن سعيد العسكري
20 - أَبيض الركْبَان
هُوَ معقل بن الْأَعْشَى لَهُ ذكر فِي فتوح الْعرَاق مَعَ خَالِد بن الْوَلِيد
بَاب ات 21 - أترج هُوَ بِضَم أَوله وَتَشْديد الْجِيم
إِسْمَاعِيل بن إِسْحَاق بن سهل الْكُوفِي نزيل مصر
أترجة
كَالْأولِ لَكِن بِزِيَادَة الْهَاء اثْنَان
22 - أَحدهمَا عِيسَى بن خشنام يكنى أَبَا مُوسَى
১৭ - আল-ইবরিক
আল-ফজল বিন সালিহ-এর উপাধি
১৮ - আল-উবাইরিদ
তিনি হলেন আল-আবরাদ বিন কুররাহ, একজন কবি
১৯ - ইবরিয়ূনাহ
মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ আন-নাহাওয়ান্দি আবু বকর আল-কাজী, আলী বিন সাঈদ আল-আসকারি থেকে বর্ণনা করেছেন
২০ - আবয়াদ আল-রুকবান
তিনি মা'কাল বিন আল-আশা, খালিদ বিন আল-ওয়ালিদের সাথে ইরাক বিজয়ে তাঁর উল্লেখ রয়েছে
পরিচ্ছেদ: আত ২১ - উতরুজ্জ, এটি প্রথম বর্ণে পেশ এবং 'জীম' বর্ণে তাশদীদ সহ উচ্চারিত হয়
ইসমাঈল বিন ইসহাক বিন সাহল আল-কুফি, মিশরের অধিবাসী
উতরুজ্জাহ
প্রথমটির মতোই কিন্তু শেষে 'হা' যুক্ত, এই নামে দুইজন ব্যক্তি রয়েছেন
২২ - তাঁদের একজন ঈসা বিন খুশনাম, যাঁর উপনাম আবু মূসা
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
23 - وَالْآخر دَاوُد بن عِيسَى بغداديان
24 - وثالث وَهُوَ عبد الله بن مُحَمَّد بن دَاوُد
25 - أتش بِفتْحَتَيْنِ ومعجمة
يحيى بن أَحْمد بن مُوسَى الْبَلْخِي أَبُو الْقَاسِم سمع حم بن نوح وَعنهُ شُعَيْب بن إِدْرِيس
بَاب أث 26 - الأثبج بِمثلِهِ ثمَّ موحده ثمَّ جِيم
هُوَ خَالِد بن عبد الله بن مُحرز الْمَازِني
الْأَثِير جمَاعَة مِنْهُم
27 - أثير الدّين مُحَمَّد بن عبد الْكَرِيم الْجَزرِي الْموصِلِي وَالِد الْفُضَلَاء
صَاحب النِّهَايَة وَصَاحب أَسد الغابة وَصَاحب الْمثل السائر
28 - وَمِنْهُم أثير الدّين الْحلَبِي وَالِد عَلَاء الدّين عَليّ بن أَحْمد ابْن سعيد كَاتب السِّرّ فِي دولة النَّاصِر بن قلاون وَأَبوهُ وأقاربه
29 - وَمِنْهُم الْعَلامَة أثير الدّين أَبُو حَيَّان النَّحْوِيّ
২৩ - এবং অপরজন হলেন দাউদ বিন ঈসা, তাঁরা উভয়েই বাগদাদী।
২৪ - এবং তৃতীয় জন হলেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন দাউদ।
২৫ - 'আতশ' (আলিফ ও তা-এর উপর) দুই ফাতহাহ এবং মু'জামাহ (শীন) যোগে।
ইয়াহইয়া বিন আহমাদ বিন মুসা আল-বালখি আবুল কাসিম, তিনি হাম্ম বিন নুহ থেকে হাদীস শুনেছেন এবং তাঁর থেকে শুআইব বিন ইদরিস বর্ণনা করেছেন।
পরিচ্ছেদ: আস (أث) ২৬ - 'আল-আসবাজ' পূর্বের ন্যায় (আলিফ ও সা), এরপর মুওয়াহহাদাহ (এক নুকতাওয়ালা 'বা'), অতঃপর জীম যোগে।
তিনি হলেন খালিদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহরিয আল-মাযিনী।
'আল-আসির' একটি গোষ্ঠী, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
২৭ - আসীরুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম আল-জাযারী আল-মাওসিলী, যিনি গুণীজনদের পিতা।
তিনি 'আন-নিহায়াহ'র লেখক, 'উসদুল গাবাহ'র লেখক এবং 'আল-মাসালুস সাঈর'-এর লেখকগণের পিতা।
২৮ - তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন আসীরুদ্দীন আল-হালাবী; তিনি আলাউদ্দীন আলী বিন আহমাদ বিন সাঈদের পিতা, যিনি নাসির বিন কালাউনের শাসনামলে প্রধান সচিব (কাতিবুস সিরর) ছিলেন, এবং তাঁর পিতা ও আত্মীয়বর্গ।
২৯ - তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন আল্লামা আসীরুদ্দীন আবু হাইয়ান আন-নাহবী।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
الْأَثْرَم جمَاعَة مِنْهُم
30 - أَبُو بكر صَاحب أَحْمد بن حَنْبَل وَهُوَ أَحْمد بن مُحَمَّد بن هَانِئ
وَمِنْهُم
31 - عَليّ بن الْمُغيرَة النَّحْوِيّ صَاحب أبي عُبَيْدَة
وَمِنْهُم
32 - مُحَمَّد بن الْمُعَلَّى صَاحب أبي بكر بن أبي شيبَة
وَمِنْهُم
33 - عمر بن دِينَار التَّابِعِيّ الْمَشْهُور
وَمِنْهُم
34 - حَكِيم الْأَثْرَم مُحدث قديم
بَاب أج 35 - إجاص اسْمه
আল-আছরাম উপনামের একদল ব্যক্তি তাদের অন্তর্ভুক্ত
৩০ - আবু বকর, আহমদ ইবনে হাম্বলের সঙ্গী, আর তিনি হলেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হানি
এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত
৩১ - আলী ইবনুল মুগীরা আন-নাহবী, আবু উবাইদাহর সঙ্গী
এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত
৩২ - মুহাম্মদ ইবনুল মুআল্লা, আবু বকর ইবনে আবি শায়বার সঙ্গী
এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত
৩৩ - আমর ইবনে দিনার, প্রসিদ্ধ তাবিঈ
এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত
৩৪ - হাকীম আল-আছরাম, প্রাচীন একজন মুহাদ্দিস
পরিচ্ছেদ: আলিফ-জীম ৩৫ - ইজাস তার নাম
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
أَحْمد بن حَكِيم يرْوى عَن ابْن عيينه
36 - الأجرم بِالْجِيم وَالرَّاء مغوية ابْن ناهس الْخَثْعَمِي
337 - الْأَجْلَح الْكِنْدِيّ اسْمه يحيى بن عبد الله بن حسان
بَاب أح الأحدب جمَاعَة مِنْهُم
38 - وَاصل بن حَيَّان
39 - وَمُحَمّد بن عبيد وَغَيرهمَا
40 - الأحرد
আহমদ ইবনে হাকিম, তিনি ইবনে উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেন।
৩৬ - আল-আজরাম (জীম এবং রা বর্ণের সাথে), মাগউইয়াহ ইবনে নাহিস আল-খাসআমি।
৩৩৭ - আল-আজলাহ আল-কিন্দি, তাঁর নাম ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান।
পরিচ্ছেদ: আলিফ ও হা আল-আহদাব; তাদের একদল হলেন:
৩৮ - ওয়াসিল ইবনে হাইয়ান
৩৯ - এবং মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ও অন্যান্যরা
৪০ - আল-আহরাদ
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
مُسلم بن عبد الله أَبُو حسان الْبَصْرِيّ الْأَعْرَج عَن ابْن عَبَّاس الْأَحْمَر جمَاعَة مِنْهُم
41 - مُحَمَّد بن يزِيد يرْوى عَن عُبَيْدَة بن حميد
وَمِنْهُم
42 - أَبُو خَالِد سُلَيْمَان بن حَيَّان مَشْهُور
وَمِنْهُم
43 - خلف بن حَيَّان نحوي مَشْهُور
وَمِنْهُم
44 - إِسْحَاق بن مُحَمَّد النَّخعِيّ كُوفِي يرْمى بالرفض والزندقة
وَمِنْهُم
45 - عَليّ بن الْمُبَارك النَّحْوِيّ صَاحب الْكسَائي مَاتَ سنة 194
وَمِنْهُم
মুসলিম বিন আবদুল্লাহ আবু হাসসান আল-বাসরি আল-আ'রাজ, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন; আল-আহমার, তাদের মধ্য থেকে একটি দল।
41 - মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ, উবাইদাহ বিন হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেন।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন
42 - আবু খালিদ সুলায়মান বিন হাইয়ান, তিনি প্রসিদ্ধ।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন
43 - খালাফ বিন হাইয়ান, প্রসিদ্ধ নাহুবিদ।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন
44 - ইসহাক বিন মুহাম্মদ আন-নাখয়ী, কুফাবাসী, যার বিরুদ্ধে রাফয ও যানদাকাহ-এর (ধর্মদ্রোহিতা) অভিযোগ রয়েছে।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন
45 - আলী বিন আল-মুবারক আন-নাহবী, আল-কিসায়ীর সহচর, ১৯৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٦١)
46 - أَبُو إِسْحَاق سَلمَة بن صَالح الْكُوفِي قديم يروي عَن أبي إِسْحَاق السبيعِي
وَمِنْهُم
47 - جَعْفَر الْكُوفِي
48 - أَحْمَر قُرَيْش هُوَ عمر بن عبيد الله بن معمر التَّيْمِيّ
49 - أَحْمَر الْعين هُوَ عتبَة ابْن أبي وَقاص الزُّهْرِيّ
50 - الأحمس آخِره مُهْملَة
هوعيسى بن مُسلم الصفار يرْوى عَن مَالك
51 - أَحمَق قُرَيْش هُوَ الْعَاصِ بن هِشَام بن الْمُغيرَة
52 - أحمولة بِضَم أَوله اسْمه أَحْمد بن مُحَمَّد بن الْحُسَيْن بن حَفْص روى عَن أبي نعيم بن دُكَيْن وجده الْحُسَيْن بن حَفْص الْأَصْبَهَانِيّ الْمُحدث الْمَشْهُور
الْأَحْنَف جمَاعَة مِنْهُم
46 - আবু ইসহাক সালামাহ বিন সালিহ আল-কুফি; তিনি প্রাচীন (বর্ণনাকারী), আবু ইসহাক আস-সাবিঈ থেকে বর্ণনা করেন।
এবং তাদের মধ্য থেকে:
47 - জাফর আল-কুফি
48 - আহমার কুরাইশ; তিনি হলেন উমর বিন উবায়দুল্লাহ বিন মা'মার আত-তাইমি
49 - আহমারুল আইন; তিনি হলেন উতবাহ ইবনে আবি ওয়াক্কাস আজ-জুহরি
50 - আল-আহমাস; এর শেষ বর্ণটি নুক্তাবিহীন (সীন)
তিনি ঈসা বিন মুসলিম আস-সাফফার, যিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেন
51 - আহমাকে কুরাইশ; তিনি হলেন আল-আস বিন হিশাম বিন আল-মুগিরা
52 - আহমূলাহ; এর প্রথম বর্ণে পেশ (যম্মাহ) রয়েছে, তাঁর নাম আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন হাফস; তিনি আবু নুয়াইম বিন দুকাইন এবং তাঁর দাদা বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল-হুসাইন বিন হাফস আল-আসবেহানি থেকে বর্ণনা করেছেন
আল-আহনাফ; তাদের মধ্যে একটি দল রয়েছে
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
53 - الْمَشْهُور بالحلم التَّمِيمِي واسْمه الضَّحَّاك وَيُقَال صَخْر يكنى أَبَا بَحر مخضرم
54 - وثابت بن عِيَاض تَابِعِيّ
وَمِنْهُم
55 - عقيل بن مُحَمَّد العكبراوي مُتَأَخّر
الْأَحْوَص جمَاعَة مِنْهُم
56 - الشَّاعِر الْمَشْهُور عبد الله بن مُحَمَّد بن عبد الله بن عَاصِم بن ثَابت الْأنْصَارِيّ كَانَ فِي زمن عمر بن عبد الْعَزِيز
وَمِنْهُم
57 - ربيعَة بن جَعْفَر بن كلاب جاهلي وَهُوَ جد عَلْقَمَة بن علاثة العامري
৫৩ - ধৈর্য বা আল-হিলম গুণের জন্য প্রসিদ্ধ আত-তামিমি; তার নাম আদ-দাহহাক, আবার বলা হয় সাখর; তার উপনাম আবু বাহর এবং তিনি একজন মুখাদরাম।
৫৪ - এবং সাবিত বিন ইয়াদ, তিনি একজন তাবিঈ।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন
৫৫ - আকিল বিন মুহাম্মাদ আল-উকবরাওয়ি, যিনি পরবর্তী যুগের (মুতাআখখিরিন) অন্তর্ভুক্ত।
আল-আহওয়াস, তাদের একদল
৫৬ - প্রখ্যাত কবি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আসিম বিন সাবিত আল-আনসারি; তিনি উমর বিন আব্দুল আজিজের যুগে ছিলেন।
এবং তাদের মধ্যে রয়েছেন
৫৭ - রাবিআহ বিন জাফর বিন কিলাব, তিনি জাহেলি যুগের ব্যক্তি এবং তিনি আলক্বামাহ বিন উলাসাহ আল-আমিরির দাদা।
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
الصَّحَابِيّ كَانَ يُقَال لَهُ الْأَحْوَص قَالَه ابْن سعد
الْأَحول جمَاعَة مِنْهُم
58 - عَاصِم بن سُلَيْمَان التَّابِعِيّ
59 - وعامر بن عبد الْوَاحِد
60 - وَسليمَان بن أبي مُسلم
61 - وَهِشَام بن عبد الْملك
62 - وَمُحَمّد بن الحكم الْمروزِي
63 - وَعَاصِم بن النَّضر
64 - أحيح بمهملتين مصغر هُوَ خَالِد بن خَالِد بن عقبَة بن أبي معيط ذكره البلاذري
بَاب أَخ 65 - الأخرم
এই সাহাবীকে আল-আহওয়াস বলা হতো, ইবনে সাদ এটি বলেছেন।
আল-আহওয়াল উপনামে একদল ব্যক্তি রয়েছেন, তাদের মধ্যে হলেন:
৫৮ - আসিম ইবনে সুলাইমান আত-তাবেয়ি
৫৯ - এবং আমির ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ
৬০ - এবং সুলাইমান ইবনে আবি মুসলিম
৬১ - এবং হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক
৬২ - এবং মুহাম্মদ ইবনে আল-হাকাম আল-মারওয়াজি
৬৩ - এবং আসিম ইবনে আন-নাদর
৬৪ - উহায়হা (উভয় বর্ণ নুক্তাবিহীন এবং শব্দটি তাসগির বা ক্ষুদ্রতাবাচক), তিনি হলেন খালিদ ইবনে খালিদ ইবনে উকবা ইবনে আবি মুআইত; আল-বালাজুরি এটি উল্লেখ করেছেন।
অনুচ্ছেদ: আখ ৬৫ - আল-আখরাম
(খণ্ড: ١)
নুযহাতুল আলবাব ফিল আলকাব
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
فَارس رَسُول الله صلى الله عليه وسلم اسْمه مُحرز بن نَضْلَة وَقيل ابْن وهب
66 - وَيَعْقُوب بن يُوسُف الشَّيْبَانِيّ وَالِد عبد الله مُحَمَّد بن يَعْقُوب بن الأخرم الْحَافِظ النَّيْسَابُورِي ذكره ابْن مَاكُولَا
67 - والأخرم
مُحَمَّد بن الْعَبَّاس بن أَيُّوب بن شَيبَان الْأَصْبَهَانِيّ
68 - أخشع
لقب أبي بكر مُحَمَّد بن سعيد الْمُسْتَمْلِي دمشقي من أَقْرَان أبي عَليّ بن شُعَيْب
69 - الأخشيد
أَبُو بكر مُحَمَّد بن جف الفرغاني أَمِير مصر وَمولى كافور أميرها
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অশ্বারোহী, তাঁর নাম মুহরিজ বিন নাদলাহ, এবং বলা হয় ইবনে ওয়াহাব।
৬৬ - ইয়াকুব বিন ইউসুফ আশ-শায়বানি, তিনি হাফেজ নিশাপুরী আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন আল-আখরামের পিতা, ইবনে মাকুলা তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।
৬৭ - এবং আল-আখরাম
মুহাম্মদ বিন আব্বাস বিন আইয়ুব বিন শায়বান আল-আসফাহানি
৬৮ - আখশা
আবু বকর মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-মুস্তামলির উপাধি, তিনি দামেস্কের অধিবাসী এবং আবু আলী বিন শুয়াইবের সমসাময়িকদের অন্তর্ভুক্ত।
৬৯ - আল-ইখশিদ
আবু বকর মুহাম্মদ বিন জাফ আল-ফারগানি, মিশরের আমির এবং এর শাসনকর্তা কাফুরের মুনিব।