(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: -)
تذكرة المؤتسي فيمن حدث ونسي   (الجلال السيوطي)

القسم: علوم الحديث


الكتاب: تذكرة المؤتسي فيمن حدث ونسي

المؤلف: عبد الرحمن بن أبي بكر، جلال الدين السيوطي (ت 911 هـ)

المحقق: صبحي البدري السامرائي [ت 1434 هـ]

الناشر: الدار السلفية - الكويت

الطبعة: الأولى، 1404

عدد الصفحات: 35

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তাজকিরাতুল মুতাসি ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসি   (আল-জালাল আস-সুয়ূতী)

বিভাগ: হাদিস বিজ্ঞান (علوم الحديث)


গ্রন্থ: তাজকিরাতুল মুতাসি ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসি

লেখক: আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর, জালালুদ্দিন আস-সুয়ূতী (মৃত্যু ৯১১ হিজরি)

গবেষক: সুবহি আল-বদরি আস-সামাররাই [মৃত্যু ১৪৩৪ হিজরি]

প্রকাশক: আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ - কুয়েত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৪

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم

 

الْحَمد لله الَّذِي لَا يعزب عَن علمه شَيْء وَلَا يغيب وَالصَّلَاة وَالسَّلَام على سيدنَا مُحَمَّد وَآله وَصَحبه بأكمل تَهْذِيب

هَذَا جُزْء فِيمَن حدث بِحَدِيث ثمَّ نَسيَه لخصته من كتاب الْخَطِيب وَمَا توفيقي إِلَّا بِاللَّه عَلَيْهِ توكلت وَإِلَيْهِ أنيب 1 أخرج الْخَطِيب من طرق عَن الزُّهْرِيّ عَن أبي سَلمَة عَن أبي هُرَيْرَة أَنه قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم لَا يُورد ممرض على مصح فَقيل لأبي هُرَيْرَة ألم تحدث أَنه قَالَ لَا عدوى فَقَالَ إِنِّي لم أفعل قَالَ أَبُو سَلمَة قد حدث بِهِ وَمَا رَأَيْته نسي حَدِيثا قطّ غَيره أخرجه مُسلم نَحوه 2 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق أَيُّوب عَن الْحسن عَن صَخْر بن قدامَة قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم لَا يُولد فِي الْإِسْلَام بعد مئة سنه مَوْلُود لله تَعَالَى فِيهِ حَاجَة
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

 

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর জ্ঞান থেকে কোনো কিছুই বিচ্যুত হয় না এবং কোনো কিছুই অদৃশ্য হয় না। আর আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর অত্যন্ত সুসংস্কৃত সাহাবীদের ওপর পূর্ণাঙ্গ দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

এটি একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থ (جزء) তাদের সম্পর্কে যারা কোনো হাদিস বর্ণনা করার পর তা ভুলে গিয়েছেন; আমি এটি খতিব-এর কিতাব থেকে সংক্ষিপ্তসার হিসেবে সংকলন করেছি। আমার সাফল্য কেবল আল্লাহর সাহায্যেই; আমি তাঁরই ওপর ভরসা করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই। ১. খতিব বিভিন্ন সূত্রে (طرق) যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন (أخرج) যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "অসুস্থ উটকে সুস্থ উটের পালে নিয়ে আসা হবে না।" তখন আবু হুরায়রাকে বলা হলো: "আপনি কি বর্ণনা করেননি যে তিনি (সা.) বলেছেন, 'সংক্রমণ বলতে কিছু নেই'?" তখন তিনি বললেন: "আমি তা করিনি।" আবু সালামাহ বলেন: "তিনি অবশ্যই এটি বর্ণনা করেছিলেন, আর আমি তাকে এই হাদিসটি ব্যতীত অন্য কোনো হাদিস কখনো বিস্মৃত হতে দেখিনি।" মুসলিম অনুরূপ বর্ণনা করেছেন (أخرجه)। ২. খতিব আইয়ুবের সূত্র (طريق) থেকে, তিনি হাসান থেকে এবং তিনি সাখর ইবনে কুদামা থেকে বর্ণনা করেছেন (أخرج) যে, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "একশ বছর পর ইসলামে এমন কোনো সন্তান জন্মগ্রহণ করবে না, যার প্রতি মহান আল্লাহর কোনো প্রয়োজন থাকবে।"
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ١٨)
قَالَ أَيُّوب فَلَقِيت صَخْر بن قدامَة فَسَأَلته عَنهُ فَقَالَ لَا أعرفهُ 3 وَأخرج النَّسَائِيّ والخطيب عَن حَمَّاد بن زيد قَالَ قلت لأيوب أعلمت أحدا قَالَ أَمرك بِيَدِك إِنَّهَا ثَلَاث غير الْحسن قَالَ لَا إِلَّا أَن قَتَادَة حَدثنَا عَن كثير مولى ابْن
আইয়ুব (রহ.) বললেন, “অতঃপর আমি সাখর ইবনে কুদামার সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, ‘আমি তাঁকে চিনি না’।” ৩. নাসাঈ ও খাতিব হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আইয়ুবকে বললাম, “আপনি কি হাসান (বসরী) ছাড়া আর এমন কাউকেও জানেন (যিনি বলেন যে), ‘তোমার বিষয়টি তোমার হাতেই’—এটি তিন (তালাক হিসেবে গণ্য হবে)?” তিনি বললেন, “না; তবে কাতাদাহ আমাদের নিকট কাসীর—যিনি ইবনে... এর মুক্তদাস—তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।”
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ١٩)
سَمُرَة عَن أبي سَلمَة عَن أبي هُرَيْرَة عَن النَّبِي الله صلى الله عليه وسلم بِمثلِهِ فَقدم علينا كثير الْبَصْرَة فَأَتَيْته فَسَأَلته عَنهُ فَقَالَ مَا حدثت بِهَذَا فَأتيت قَتَادَة فَأَخْبَرته فَقَالَ نسي 4 وَأخرج الشَّافِعِي ثَنَا ابْن عُيَيْنَة عَن عَمْرو بن دِينَار عَن أبي معبد عَن ابْن عَبَّاس قَالَ كنت أعرف إنقضاء صَلَاة رَسُول الله صلى الله عليه وسلم بِالتَّكْبِيرِ

قَالَ عَمْرو بن دِينَار ثمَّ ذكرته لأبي معبد فَقَالَ لم أحدثكه قَالَ عَمْرو قد حدثتنيه وَكَانَ من أصدق موَالِي ابْن عَبَّاس قَالَ الشَّافِعِي كَأَنَّهُ نَسيَه بَعْدَمَا قد حَدثهُ إِيَّاه 5 وَأخرج أَبُو دَاوُد من طَرِيق مسعر عَن عبد الملك بن ميسرَة عَن عَمْرو بن دِينَار عَن جَابر قَالَ كُنَّا ننزعه عَن الغلمان ونتركه على الْجَوَارِي يَعْنِي الْحَرِير
সামুরা আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এরপর কাসীর আমাদের নিকট বসরায় আসলেন, তখন আমি তার নিকট গিয়ে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, "আমি এটি বর্ণনা করিনি।" তখন আমি কাতাদাহর নিকট এসে তাকে বিষয়টি জানালাম, তিনি বললেন, "তিনি ভুলে গিয়েছেন (نسي)।" ৪. ইমাম শাফিঈ বর্ণনা করেছেন (أخرج), ইবনে উয়ায়না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি আবু মাবাদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: "আমি তাকবীরের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সমাপ্ত হওয়া বুঝতে পারতাম।"

আমর ইবনে দীনার বলেন, অতঃপর আমি আবু মাবাদের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলাম, তিনি বললেন, "আমি এটি তোমার নিকট বর্ণনা করিনি।" আমর বললেন, "আপনি অবশ্যই এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।" আর তিনি (আবু মাবাদ) ইবনে আব্বাসের মুক্তদাসদের মধ্যে সবচেয়ে সত্যবাদী (أصدق) ছিলেন। ইমাম শাফিঈ বলেন, "মনে হচ্ছে তিনি এটি বর্ণনা করার পর ভুলে গিয়েছেন (نسيه)।" ৫. আবু দাউদ মিসআরের সূত্র (طريق) হয়ে আব্দুল মালিক ইবনে মাইসারা থেকে, তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন (أخرج); তিনি বলেন: "আমরা এটি বালকদের থেকে খুলে নিতাম এবং বালিকাদের জন্য রেখে দিতাম," অর্থাৎ রেশম।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
قَالَ مسعر فَسَأَلت عَمْرو بن دِينَار عَنهُ فَلم يعرفهُ 6 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق يحيى بن أَيُّوب عَن يحيى بن سعيد عَن عمْرَة بنت عبد الرحمن عَن عَائِشَة قَالَت كَانَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم يقْرَأ فِي وتره فِي الرَّكْعَة الأولى سبح اسْم رَبك الْأَعْلَى وَفِي الثَّانِيَة قل يَا أَيهَا الْكَافِرُونَ وَفِي الثَّالِثَة قل هُوَ الله أحد وَقل أعوذ بِرَبّ الفلق وَقل أعوذ بِرَبّ النَّاس

وَأخرج الْخَطِيب عَن عُثْمَان بن الحكم الجذامي قَالَ سَأَلت يحيى بن سعيد عَن حَدِيث عمْرَة عَن عَائِشَة أَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم كَانَ يقْرَأ فِي الْوتر سبح اسْم رَبك الْأَعْلَى وَقل يَا أَيهَا الْكَافِرُونَ وَقل هُوَ الله أحد فَلم يعرفهُ أَو قَالَ أنكرهُ 7 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق شُعْبَة عَن الحكم عَن حَمَّاد عَن ابراهيم عَن عَلْقَمَة قَالَ الْغناء ينْبت النِّفَاق فِي
মিসআর বলেন, আমি আমর ইবন দিনারকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাঁকে চিনতে পারেননি। ৬. এবং খতিব ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুবের সূত্রে ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে, তিনি আমরাহ বিনতে আবদুর রহমান থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর বিতর সালাতের প্রথম রাকাতে ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’, দ্বিতীয় রাকাতে ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন’ এবং তৃতীয় রাকাতে ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’, ‘কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক’ ও ‘কুল আউযু বিরাব্বিন নাস’ পাঠ করতেন।

এবং খতিব উসমান ইবন হাকাম আল-জুযামি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদকে আমরাহ থেকে আয়েশা (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, নবী (সা.) বিতর সালাতে ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’, ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন’ এবং ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ পাঠ করতেন; তখন তিনি সেটি চিনতে পারেননি অথবা বলেছেন যে, তিনি এটি অস্বীকার (أنكره) করেছেন। ৭. এবং খতিব শু’বাহর সূত্রে হাকাম থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে এবং তিনি আলকামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: গান অন্তরে নিফাক উৎপন্ন করে...
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢١)
الْقلب

قَالَ شُعْبَة فَأتيت حمادا فاستخبرته قَالَ لم أرو هَذَا فَرَجَعت إِلَى الحكم فَأَخْبَرته فَقَالَ بلَى قد حَدثنَا 8 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق ابْن جريج أَخْبرنِي سُلَيْمَان بن مُوسَى عَن الزُّهْرِيّ عَن عُرْوَة عَن عَائِشَة قَالَت قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم إِذا نكحت الْمَرْأَة بِغَيْر إِذن وَليهَا فنكاحها بَاطِل فَإِن أَصَابَهَا فلهَا مهرهَا بِمَا أصَاب مِنْهَا فَإِن اشتجروا فالسلطان ولي من لَا ولي لَهُ

قَالَ ابْن جريج فَلَقِيت الزُّهْرِيّ فَسَأَلته عَن هَذَا
বর্ণনার শব্দ বা সূত্রের পরিবর্তন (القلب)

শু'বাহ বলেন, অতঃপর আমি হাম্মাদের নিকট আসলাম এবং তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, "আমি এটি বর্ণনা করিনি।" তখন আমি আল-হাকামের নিকট ফিরে গেলাম এবং তাকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন, "অবশ্যই, তিনি আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।" ৮ এবং আল-খাতিব ইবনে জুরাইজ-এর সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান বিন মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আয-যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যদি কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করে, তবে তার বিবাহ বাতিল (باطل)। অতঃপর যদি স্বামী তার সাথে সহবাস করে, তবে সেই সহবাসের বিনিময়ে ওই নারী মোহর পাওয়ার অধিকারী হবে। আর যদি তারা বিবাদে লিপ্ত হয়, তবে যার কোনো অভিভাবক নেই, সুলতান (শাসক) তার অভিভাবক।"

ইবনে জুরাইজ বলেন, অতঃপর আমি আয-যুহরীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
الحَدِيث فَلم يعرفهُ

وَأخرج الْخَطِيب عَن يحيى بن معِين قَالَ كتب إِلَيّ يحيى بن أكتم هَل يَصح عنْدك حَدِيث الزُّهْرِيّ عَن عُرْوَة عَن عَائِشَة أَيّمَا امْرَأَة نكحت بِغَيْر إِذن وَليهَا فنكاحها بَاطِل فَكتب إِلَيْهِ نعم هُوَ صَحِيح سُلَيْمَان بن مُوسَى ثِقَة وَلَعَلَّ الزُّهْرِيّ نَسيَه بعد 9 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق وَكِيع عَن سُفْيَان عَن ابْن جريح عَن عَطاء عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم أَنه كره أَن يَأْخُذ من المختلعة أَكثر مِمَّا أَعْطَاهَا

قَالَ وَكِيع سَأَلت ابْن جريج عَنهُ فَلم يعرفهُ وَأنْكرهُ قَالَ الْخَطِيب قد رَوَاهُ أَيْضا سُفْيَان بن عُيَيْنَة وعبد الله بن الْمُبَارك عَن ابْن جريج 10 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق أبي بكر بن عَيَّاش عَن الْأَعْمَش عَن حُصَيْن بن عبد الرحمن عَن عبيد الله بن عبد الله بن عتبَة بن مَسْعُود قَالَ استدانت مَيْمُونَة ثَلَاثمِائَة دِرْهَم لَيْسَ عِنْدهَا وفاؤه فنهيتها عَن ذَلِك فَقَالَت إِنِّي سَمِعت
হাদিসটি; ফলে তিনি তা চিনতে পারেননি।

আল-খাতিব ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আকতাম আমার নিকট লিখে পাঠালেন, "যুহরি থেকে উরওয়াহ থেকে আয়েশা (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত—'যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করবে তার বিবাহ বাতিল (باطل)'—এই হাদিসটি কি আপনার নিকট সহিহ (صحيح) হিসেবে গণ্য?" তখন তিনি তাকে লিখে পাঠালেন, "হ্যাঁ, এটি সহিহ (صحيح)। সুলাইমান ইবনে মুসা নির্ভরযোগ্য (ثقة); সম্ভবত যুহরি পরবর্তীতে এটি ভুলে গিয়েছিলেন।" ৯ এবং আল-খাতিব ওকি’র সূত্রে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে এবং তিনি নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, খুলাকারী স্ত্রীর নিকট থেকে তাকে যা প্রদান করা হয়েছে তার চেয়ে অধিক গ্রহণ করাকে তিনি অপছন্দ করেছেন।

ওকি’ বলেন, আমি ইবনে জুরাইজকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা চিনতে পারেননি এবং এটি অস্বীকার করেছেন। আল-খাতিব বলেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ এবং আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারকও এটি ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন। ১০ এবং আল-খাতিব আবু বকর ইবনে আইয়াশের সূত্রে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি হুসাইন ইবনে আব্দুর রহমান থেকে এবং তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মায়মুনা (রা.) তিনশ দিরহাম ঋণ নিয়েছিলেন যা পরিশোধের সক্ষমতা তাঁর ছিল না। তখন আমি তাঁকে এ থেকে নিষেধ করলাম। তিনি বললেন: "আমি শুনেছি..."
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
رَسُول الله صلى الله عليه وسلم يَقُول من أدان دينا يُرِيد أداءه أَعَانَهُ الله عَلَيْهِ

قَالَ أَبُو بكر أتيت حصينا اسْمَع مِنْهُ فَقَالَ أَنا لم أحدث الْأَعْمَش بِهَذَا فَرَجَعت الى الْأَعْمَش فَأَخْبَرته فَقَالَ كذب وَالله لقد حَدثنِي 11 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق ابْن جريج قَالَ أَخْبرنِي يَعْقُوب ابْن عَطاء عَن عَطاء عَن ابْن عَبَّاس فِي الْإِيلَاء وَاحِدَة بَائِنَة قَالَ فَدخلت على أَبِيه فَأنكرهُ فَخرجت إِلَيْهِ فَقَالَ قد سمعته مني أَو قد حَدثنِي بِهِ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, "যে ব্যক্তি ঋণ গ্রহণ করে এবং তা আদায় করার ইচ্ছা রাখে, আল্লাহ তাকে সাহায্য করেন।"

আবু বকর বলেন, আমি হুসাইনের কাছে তার নিকট থেকে হাদিস শোনার জন্য আসলাম; কিন্তু সে বলল, আমি আল-আমাশকে এটি বর্ণনা করিনি। অতঃপর আমি আল-আমাশের নিকট ফিরে গিয়ে তাকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, সে মিথ্যা (كذب) বলেছে; সে অবশ্যই আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছে। এবং আল-খতিব ইবনে জুরাইজ-এর সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে আতা আমাকে আতা-এর সূত্রে ইবনে আব্বাস থেকে 'ঈলা' প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, এটি একটি তালাক-ই-বায়েন। তিনি বলেন, অতঃপর আমি তার পিতার নিকট গেলাম, কিন্তু তিনি তা অস্বীকার (أنكره) করলেন। আমি পুনরায় তার নিকট ফিরে এলাম, তখন সে বলল, সে আমার নিকট থেকেই এটি শুনেছে অথবা সে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছে।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
12 - وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق ابْن جريج قَالَ أَخْبرنِي يحيى ابْن صبيح قَالَ أَخْبرنِي عَمْرو بن دِينَار أَن ابْن عَبَّاس قَالَ إِذا سلم الإِمَام فَلَا يقومن من وَرَاءه حَتَّى يلْتَفت الإِمَام أَو يقوم فَسَأَلت عَن ذَلِك عَمْرو فَأنكرهُ وَقَالَ مَا حدثت أَنا ابْن صبيح فِي ذَلِك عَن ابْن عَبَّاس بِشَيْء

قَالَ أَبُو عبد الله النَّيْسَابُورِي الْحَافِظ يحيى بن صبيح ثِقَة وَعَمْرو نسي هَذَا الحَدِيث 13 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق شُعْبَة عَن سماك بن حَرْب عَن عِكْرِمَة مولى ابْن عَبَّاس قَالَ أجَاز رَسُول الله صلى الله عليه وسلم شَهَادَة أَعْرَابِي فِي رُؤْيَة الْهلَال بِصَوْم رَمَضَان 14 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق مُحَمَّد بن جَعْفَر ثَنَا شُعْبَة عَن صَدَقَة سَمِعت ابْن عمر وَسَأَلَهُ رجل فَقَالَ إِنِّي أَهلَلْت بهما
১২ - আল-খাতিব ইবনে জুরাইজের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাবিহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে দিনার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন: যখন ইমাম সালাম ফিরাবেন, তখন তাঁর পেছনের কেউ যেন উঠে না দাঁড়ায় যতক্ষণ না ইমাম (মুক্তাদিদের দিকে) ঘুরে বসেন অথবা দাঁড়িয়ে যান। অতঃপর আমি এ বিষয়ে আমরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা অস্বীকার করেছেন (أنكره) এবং বলেন: আমি ইবনে আব্বাসের সূত্রে ইবনে সাবিহকে এ সম্পর্কে কিছুই বর্ণনা করিনি।

আবু আব্দুল্লাহ আন-নাইসাবুরি হাফিজ (الحافظ) বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাবিহ নির্ভরযোগ্য (ثقة), আর আমর এই হাদিসটি ভুলে গিয়েছেন। ১৩ আল-খাতিব শু'বার সূত্রে সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের সিয়ামের জন্য চাঁদ দেখার বিষয়ে একজন গ্রাম্য মরুবাসীর সাক্ষ্য অনুমোদন করেছেন। ১৪ আল-খাতিব মুহাম্মদ ইবনে জাফরের সূত্রে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট শু'বাহ সাদাকাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে শুনেছি, এমতাবস্থায় যে এক ব্যক্তি তাঁকে প্রশ্ন করল এবং বলল: আমি উভয়টির (হজ ও ওমরাহর) জন্য ইহরাম বেঁধেছি।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
جَمِيعًا فَقَالَ لَو كنت اعْتَمَرت كَانَ أحب إِلَيّ ثمَّ أمره فَطَافَ بِالْبَيْتِ وبالصفا والمروة وَقَالَ لَا يحل مِنْهَا شَيْء دون يَوْم النَّحْر ثمَّ أَن شُعْبَة نسي هَذَا الحَدِيث فَقلت لَهُ إِنَّك حَدَّثتنِي بِهِ قَالَ إِن كنت حدثتك فَهُوَ كَمَا حدثتك 15 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق مُحَمَّد بن الْمُنْذر الْبَغْدَادِيّ ثَنَا بَقِيَّة ابْن الْوَلِيد أَخْبرنِي سُفْيَان بن عُيَيْنَة عَن عبد الله بن عمر عَن نَافِع عَن ابْن عمر قَالَ خَطَبنَا عمر فَقَالَ أَيهَا النَّاس إِن الله جعل مَا أَخْطَأت أَيْدِيكُم رَحْمَة لفقراءكم فَلَا تعودوا فِيهِ فَقَالَ مُحَمَّد سَأَلت ابْن عُيَيْنَة عَنهُ غير مرّة فَلم يعرفهُ قلت لبَقيَّة مَا تفسره قَالَ هَذَا الْحَصاد مَا أَخطَأ المنجل فَلَا تعد فِيهِ ودعه للْفُقَرَاء 16 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق أبي بكر مُحَمَّد بن خَلاد ثَنَا وَكِيع عَن سُفْيَان عَن عَمْرو بن دِينَار عَن عِكْرِمَة {من صياصيهم} قَالَ الْحُصُون قَالَ أَبُو بكر سَأَلت ابْن

সকলে একত্রে, অতঃপর তিনি বললেন: "তুমি যদি উমরাহ করতে তবে তা আমার নিকট অধিক প্রিয় হতো।" এরপর তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন, ফলে তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করলেন এবং সাফা ও মারওয়া সায়ি করলেন এবং বললেন: "কোরবানির দিন (يوم النحر) আসার আগে এর কোনো কিছুই হালাল হবে না।" পরবর্তীতে শু’বাহ এই হাদিসটি ভুলে গেলেন। আমি তাকে বললাম: "নিশ্চয়ই আপনি আমাকে এটি বর্ণনা করেছেন (حدثتني)।" তিনি বললেন: "যদি আমি তোমাকে এটি বর্ণনা করে থাকি (حدثتك), তবে তা তেমনই যেমনটি আমি তোমাকে বর্ণনা করেছি (حدثتك)।" ১৫. আল-খতিব মুহাম্মদ ইবনুল মুনজির আল-বাগদাদির সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা করেছেন; আমাদের বর্ণনা করেছেন (حدثنا) বাকিয়াহ ইবনুল ওয়ালিদ; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন (أخبرني) সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর (রা.) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং বললেন, "হে লোকসকল! (শস্য কাটার সময়) তোমাদের হাত যা ভুলবশত ছেড়ে দেয়, আল্লাহ তা তোমাদের দরিদ্রদের জন্য রহমত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন; সুতরাং তোমরা পুনরায় তা সংগ্রহ করতে ফিরে যেও না।" মুহাম্মদ বলেন: আমি ইবনে উইয়াইনাহকে এই হাদিস সম্পর্কে একাধিকবার জিজ্ঞাসা করেছি কিন্তু তিনি তা চিনতে পারেননি। আমি বাকিয়াহকে বললাম: আপনি এর কী ব্যাখ্যা করবেন? তিনি বললেন: এটি হলো ফসল কাটার বিষয়; কাস্তে যা কাটতে ভুল করে বা ছেড়ে যায়, তাতে তুমি পুনরায় ফিরে যেও না এবং তা দরিদ্রদের জন্য রেখে দাও। ১৬. আল-খতিব আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে খাল্লাদের সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা করেছেন; আমাদের বর্ণনা করেছেন (حدثنا) ওয়াকি’, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইকরামা থেকে {তাদের দুর্গসমূহ থেকে (من صياصيهم)} এর ব্যাখ্যায় বলেন: এর অর্থ হলো দুর্গসমূহ (الحصون)। আবু বকর বলেন: আমি ইবনে...

(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
عُيَيْنَة عَنهُ لَا أحفظه 17 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق عبد الوهاب الْفراء ثَنَا مُسلم بن سَالم عَن سُفْيَان بن عُيَيْنَة عَن ابْن أبي نجيح عَن مُجَاهِد {فلنحيينه حَيَاة طيبَة} قَالَ القناعة قَالَ عبد الْوَهَّاب أَتَيْنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة فسألنا عَنهُ فَقَالَ لَا أعرفهُ 18 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق أبي زرْعَة قَالَ سَمِعت رَجَاء الْحَافِظ حِين قدم علينا فحدثنا عَن عَليّ بن الْمَدِينِيّ عَن معَاذ بن هِشَام عَن أَبِيه عَن عَمْرو بن دِينَار عَن عِكْرِمَة عَن ابْن عَبَّاس قَالَ نهى النَّبِي صلى الله عليه وسلم أَن يطْرق الرجل أَهله لَيْلًا فَلَمَّا التقيت مَعَ عَليّ سَأَلته
ইউয়াইনাহ তার থেকে বর্ণিত সূত্রে বলেছেন: "আমি এটি মুখস্থ (أحفظه) রাখি না।" ১৭. আল-খাতিব আবদুল ওয়াহহাব আল-ফাররা-এর সূত্রে বর্ণনা (أخرج) করেছেন, তিনি বলেন: মুসলিম বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা (ثَنَا) করেছেন সুফিয়ান বিন ইউয়াইনাহ থেকে, তিনি ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে {আমি অবশ্যই তাকে পবিত্র জীবন দান করব} আয়াত প্রসঙ্গে; তিনি বলেন: (তা হলো) সন্তুষ্টি। আবদুল ওয়াহহাব বলেন: আমরা সুফিয়ান বিন ইউয়াইনাহ-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: "আমি এটি চিনি না (لا أعرفه)।" ১৮. আল-খাতিব আবু যুরআহ-এর সূত্রে বর্ণনা (أخرج) করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাফিজ (الحافظ) রাজাকে বলতে শুনেছি যখন তিনি আমাদের নিকট আসলেন; তখন তিনি আমাদের নিকট আলী বিন আল-মাদিনি থেকে বর্ণনা (حدثنا) করেছেন, তিনি মুয়ায বিন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি ইকরামা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোনো ব্যক্তির রাতে (সফর থেকে ফিরে) নিজ পরিবারের নিকট অতর্কিতে আসাকে নিষেধ করেছেন। অতঃপর যখন আমি আলীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম, আমি তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
فَقَالَ مَا حدثت بِهَذَا قطّ وَمَا سَمِعت هَذَا من معَاذ بن هِشَام

ذكر من نسي حَدِيثا حفظ عَنهُ فَرَوَاهُ عَمَّن سَمعه مِنْهُ 19 أخرج الْخَطِيب من طَرِيق حَمَّاد عَن عَاصِم عَن أنس

قَالَ حَدثنِي أبنائي عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم أَنه كَانَ يكره أَن يَجْعَل فص الْخَاتم مِمَّا سواهُ
তিনি বললেন, "আমি এটি কখনোই বর্ণনা করিনি এবং আমি এটি মুয়াজ ইবনে হিশাম থেকে শুনিনি।"

এমন ব্যক্তির আলোচনা যিনি এমন হাদিস ভুলে গেছেন যা তাঁর থেকে সংরক্ষিত (حفظ) করা হয়েছিল, অতঃপর তিনি তা এমন ব্যক্তির সূত্রে বর্ণনা করেছেন যিনি তাঁর নিকট থেকে তা শুনেছিলেন। ১৯. আল-খতিব হাম্মাদের সূত্রে (طريق), আসিমের মাধ্যমে আনাস থেকে এটি উদ্ধৃত (أخرج) করেছেন।

তিনি বলেন, "আমার সন্তানেরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثني) যে, তিনি আংটির পাথর আংটির মূল উপাদান ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা তৈরি করা অপছন্দ করতেন।"
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
20 - وَأخرج الشَّافِعِي وَأَبُو دَاوُد من طَرِيق عبد العزيز بن مُحَمَّد عَن ربيعَة بن أبي عبد الرحمن عَن سُهَيْل بن أبي صَالح عَن أَبِيه عَن أبي هُرَيْرَة أَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم قضى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِد

قَالَ عبد العزيز فَذكرت ذَلِك لسهيل فَقَالَ أَخْبرنِي ربيعَة وَهُوَ عِنْدِي ثِقَة إِنِّي حدثته إِيَّاه وَلَا أحفظه قَالَ عبد العزيز وَقد كَانَ أصَاب سهيلا عِلّة أذهبت بعض عقله وَنسي بعض حَدِيثه وَكَانَ سُهَيْل بعد يحدثه عَن ربيعَة عَنهُ عَن أَبِيه

وَأخرج الْخَطِيب من وَجه آخر عَن عبد العزيز بن مُحَمَّد عَن سُهَيْل بن أبي صَالح حَدثنِي ربيعَة عَن أبي هُرَيْرَة أَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم قضى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِد 21 وَأخرج الْخَطِيب عَن حُصَيْن قَالَ قَالَ لي مَنْصُور بن
২০ - ইমাম শাফেঈ ও আবু দাউদ আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি রাবিআ ইবনে আবি আব্দুর রহমান থেকে, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সা.) একজন সাক্ষীর সাথে শপথের মাধ্যমে ফয়সালা প্রদান করেছিলেন।

আব্দুল আজিজ বলেন, আমি সুহাইলের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন: রাবিআ আমাকে জানিয়েছেন—আর তিনি আমার নিকট নির্ভরযোগ্য (ثقة)—যে আমি তাকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছি, কিন্তু আমার তা স্মরণে নেই। আব্দুল আজিজ বলেন, সুহাইল এক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন যা তাঁর বিচারবুদ্ধির কিছুটা লোপ ঘটিয়েছিল এবং তিনি তাঁর বর্ণিত কিছু হাদিস ভুলে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে সুহাইল হাদিসটি রাবিআ-র সূত্রে নিজের বরাতে তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করতেন।

খতিব অন্য একটি সূত্রে আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে (বর্ণনা করেন): রাবিআ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা (রা.) থেকে যে, নবী (সা.) একজন সাক্ষীর সাথে শপথের মাধ্যমে ফয়সালা করেছিলেন। ২১ - এবং খতিব হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মানসুর ইবনে... আমাকে বলেছেন।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
الْمُعْتَمِر حَدَّثتنِي أَنْت يَا حُصَيْن عَن عبد الله بن أبي قَتَادَة عَن أَبِيه إِن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابه طافوا لجحهم وعمرتهم طَوافا وَاحِدًا 22 وَأخرج الْخَطِيب عَن سعيد بن أبي عرُوبَة حَدثنِي بعض أَصْحَابِي عَن أبي معشر عَن ابراهيم فِي الرجل يقر بِالْوَلَدِ ثمَّ يَنْفِيه قَالَ يلا عَن بِكِتَاب الله وَيلْزم الْوَلَد بِقَضَاء رَسُول الله صلى الله عليه وسلم 23 وَأخرج الْخَطِيب عَن مَالك بن مغول قَالَ حَدثنِي رجل عَن نَفسِي فَصدق إِن شَاءَ الله إِنِّي حدثته اني كنت أمسي أَنا وَطَلْحَة بن مصرف فَقَالَ لَو أعلم أَنَّك أكبر مني بِيَوْم مَا تقدمتك 24 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق طَلْحَة حَدثنِي روح أَنِّي

মু’তামির বলেন, ‘হে হুসাইন! আপনিই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثتني), আপনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ হতে (عن), তিনি তাঁর পিতা হতে (عن) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ তাঁদের হজ ও উমরার জন্য একবারই তাওয়াফ করেছিলেন।’

২২. এবং আল-খতিব উদ্ধৃত করেছেন (أخرج) সা’ঈদ ইবনে আবি আরুবাহ হতে (عن), তিনি বলেন: আমার জনৈক সাথী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثني) আবু মা’শার হতে (عن), তিনি ইব্রাহিম হতে (عن) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে সন্তানের স্বীকৃতি প্রদান করে এবং পরবর্তীতে তা অস্বীকার করে। তিনি বলেন: আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তাদের মধ্যে লিয়ান (يلاعن) কার্যকর করা হবে এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ফয়সালা অনুযায়ী সন্তান তার সাথে সম্পৃক্ত হবে।

২৩. এবং আল-খতিব উদ্ধৃত করেছেন (أخرج) মালিক ইবনে মিগওয়াল হতে (عن), তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি আমার নিজের সম্পর্কেই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثني) —এবং ইনশাআল্লাহ তিনি সত্যই বলেছেন— যে আমি তাকে বর্ণনা করেছিলাম আমি এবং তালহা ইবনে মুসাররিফ একসাথে সন্ধ্যা যাপন করতাম। তখন তিনি (তালহা) বলেছিলেন, ‘যদি আমি জানতাম যে আপনি আমার চেয়ে একদিনের বড়, তবে আমি আপনার অগ্রবর্তী হতাম না।’

২৪. এবং আল-খতিব তালহার সূত্র (طريق) হতে উদ্ধৃত করেছেন (أخرج): রাওহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثني) যে আমি...

(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
حدثته عَن زبيد بن مرّة عَن عبد الله قَالَ إِن هَذَا الدِّينَار وَالدِّرْهَم أهلكا من كَانَ قبلكُمْ وهما يهلكاكم 25 وَأخرج الْخَطِيب عَن عبد الله بن دَاوُد الْخُرَيْبِي قَالَ حَدثنِي الْحسن بن صَالح عني عَن الْأَعْمَش عَن ابراهيم قَالَ يغسل المَاء بِالْمَاءِ فَقلت لِلْحسنِ بن صَالح لَيْسَ أحفظ هَذَا قَالَ أَنْت حَدَّثتنِي بِهِ فكتبته عَنهُ وعني 26 وَأخرج الْخَطِيب عَن عبد الله بن دَاوُد الْخُرَيْبِي ثَنَا الْأَعْمَش عني عَن الْحسن بن صَالح عَن مُغيرَة عَن ابراهيم أَنه كَانَ إِذا تَوَضَّأ حرك خَاتمه 27 وَأخرج التِّرْمِذِيّ ثَنَا مُحَمَّد بن حميد ثَنَا جرير قَالَ حَدَّثَنِيهِ عَليّ بن مُجَاهِد عني وَهُوَ عِنْدِي ثِقَة عَن ثَعْلَبَة
আমি তাকে জুবায়দ ইবনে মুররাহ-এর সূত্রে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছি, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই এই দিনার এবং দিরহাম তোমাদের পূর্ববর্তীদের ধ্বংস করেছে এবং এই দুটি তোমাদেরকেও ধ্বংস করবে। ২৫. আল-খতিব আব্দুল্লাহ ইবনে দাউদ আল-খুরাইবি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনে সালিহ আমার থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (ইবরাহিম) বলেছেন: "পানি পানি দ্বারাই ধৌত করা হবে।" আমি হাসান ইবনে সালিহকে বললাম: "আমার এটি মুখস্থ নেই।" তিনি বললেন: "আপনিই এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।" ফলে আমি এটি তার থেকে এবং নিজের পক্ষ থেকে লিখে নিলাম। ২৬. আল-খতিব আব্দুল্লাহ ইবনে দাউদ আল-খুরাইবি থেকে বর্ণনা করেছেন: আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার থেকে, তিনি হাসান ইবনে সালিহ থেকে, তিনি মুগিরাহ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যখন অজু করতেন তখন তার আংটিটি নাড়াচাড়া করতেন। ২৭. তিরমিজি বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলি ইবনে মুজাহিদ এটি আমার পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি আমার নিকট নির্ভরযোগ্য (ثقة); তিনি সা'লাবা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٣١)
عَن الزُّهْرِيّ قَالَ إِنَّمَا كرة المنديل بعد الْوضُوء لِأَن الْوضُوء يُوزن 28 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق عَمْرو بن عُثْمَان ثَنَا سُفْيَان بن عُيَيْنَة عني عَن أبان بن أبي رَاشد الْقشيرِي قَالَ كنت إِذا أردْت الصائفة أتيت مَيْمُون بن مهْرَان أودعهُ فَمَا يزيدني على كَلِمَتَيْنِ إتق الله وَلَا يغيرك غضب وَلَا طمع 29 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق يحيى بن معِين ثَنَا مُعْتَمر بن سُلَيْمَان حَدثنِي منقذ قَالَ حَدثنِي منقذ قَالَ حَدَّثتنِي أَنْت عني عَن أَيُّوب عَن الْحسن قَالَ وَيْح كلمة رَحْمَة 30 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق سُفْيَان حَدثنِي وَكِيع عني أَنِّي حدثته عَن عَمْرو بن دِينَار عَن عِكْرِمَة {من صياصيهم} قَالَ من حصونهم فَإِن كَانَ حفظ فقد حفظ وَأما أَنا فقد نَسِيته 31 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق عبد الرزاق أَخْبرنِي ابْن عُيَيْنَة أَخْبرنِي ابْن الْمُبَارك عني عَن ابْن طَاوس عَن أَبِيه قَالَ لَيْسَ فِي القلس وضوء
জুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ওযুর পরে রুমাল ব্যবহার করা কেবল এজন্য অপছন্দ করা হয়েছে কারণ ওযুর (পানি) ওজন করা হবে। ২৮ এবং খতিব আমর ইবনে উসমান-এর সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা (أخرج) করেছেন: সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ আমার পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবান ইবনে আবি রাশিদ আল-কুশাইরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি যখন গ্রীষ্মকালীন যুদ্ধের অভিযানে যাওয়ার ইচ্ছা করতাম, তখন মাইমুন ইবনে মিহরানের নিকট বিদায় জানাতে আসতাম; তিনি আমাকে কেবল এই দু’টি কথা বলতেন: আল্লাহকে ভয় করো এবং রাগ ও লোভ যেন তোমাকে বিচ্যুত না করে। ২৯ এবং খতিব ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন-এর সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা (أخرج) করেছেন: মুতামির ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুনকিজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুনকিজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আপনি আমার পক্ষ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‘ওয়াইহ’ শব্দটি রহমতস্বরূপ। ৩০ এবং খতিব সুফিয়ানের সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা (أخرج) করেছেন: ওয়াকি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি তাঁর নিকট আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে {তাদের দুর্গসমূহ হতে}—এই আয়াতাংশ সম্পর্কে বর্ণনা করেছি যে, তিনি বলেছেন: অর্থাৎ তাদের কেল্লাসমূহ থেকে। সুতরাং তিনি যদি তা সংরক্ষণ (حفظ) করে থাকেন তবে করেছেন, আর আমি তা ভুলে গিয়েছি। ৩১ এবং খতিব আবদুর রাজ্জাকের সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা (أخرج) করেছেন: ইবনে উয়াইনাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে মুবারক আমার পক্ষ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: মুখভর্তি বমি হওয়ার কারণে ওযু করতে হয় না।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٣٢)
32 - وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق ابْن عُيَيْنَة قَالَ حَدثنِي أَبُو مُعَاوِيَة الضَّرِير عني عَن ابْن أبي نجيح عَن مُجَاهِد فِي قَوْله تَعَالَى {يَوْم تمور السَّمَاء مورا} قَالَ تَدور دورا 33 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق أبي شُعَيْب عَن عبيد الله بن عمر القواريري قَالَ حَدثنِي عَليّ بن الْمَدِينِيّ عَن سُفْيَان ابْن عُيَيْنَة عَن عَمْرو بن دِينَار قَالَ أدْركْت النَّاس مُنْذُ سبعين سنة يَقُولُونَ كل شَيْء دون الله مَخْلُوق مَا خلا
৩২ - এবং খতীব ইবনে উইয়াইনাহ-এর সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা (أخرج) করেছেন; তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর ইবনে আবি নাজিহ-এর বরাতে আমার থেকে (যা তিনি শুনেছিলেন তা) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুজাহিদ থেকে মহান আল্লাহর বাণী—{যেদিন আকাশ প্রবলভাবে আন্দোলিত হবে} সম্পর্কে বলেন: তা চক্রাকারে আবর্তিত হবে। ৩৩ এবং খতীব আবু শুআইবের সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা (أخرج) করেছেন; তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারীরী থেকে, তিনি বলেন: আলী ইবনুল মাদীনী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সত্তর বছর যাবত মানুষকে বলতে পেয়েছি যে, আল্লাহ ব্যতীত সবকিছুই সৃষ্টি (مخلوق), কেবল...
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
كَلَامه فَإِنَّهُ مِنْهُ وَإِلَيْهِ يعود 34 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق أبي حَاتِم مُحَمَّد بن إِدْرِيس الرَّازِيّ حَدثنِي أَبُو زرْعَة الرَّازِيّ عبد الله بن عبد الكريم عني عَن أبي الْجمَاهِر مُحَمَّد بن عُثْمَان التنوخي عَن إِسْمَاعِيل ابْن عَيَّاش عَن عبد العزيز عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم قَالَ رفع الْقَلَم عَن النَّائِم حَتَّى يَسْتَيْقِظ وَعَن الصَّبِي حَتَّى يَحْتَلِم وَعَن الْمَجْنُون حَتَّى يفِيق

قَالَ أَبُو حَاتِم كَانَ هَذَا عِنْدِي فِي قرطاس فَلَمَّا قدمت نظر فِيهِ أَبُو زرْعَة ليكتب مَا يسْأَل عَنهُ الْمَشَايِخ ثمَّ نظرت فَإِذا هُوَ عِنْدِي بنزول فَقَالَ أَنْت حَدَّثتنِي عَن أبي الْجمَاهِر وطلبته فَلم أَجِدهُ فَقَالَ بلَى هُوَ عنْدك فَلم أصبه 35 وَأخرج الْخَطِيب عَن إِبْرَاهِيم بن إِسْحَاق السراج حَدثنِي أخي مُحَمَّد عني عَن مُحَمَّد بن أبان عَن جرير بن حَازِم
তাঁর বক্তব্য, কেননা তা তাঁর থেকেই এবং তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করে। ৩৪. আল-খাতিব আবু হাতিম মুহাম্মদ বিন ইদরিস আল-রাজির সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা করেছেন (أخرج): আবু যুরআহ আল-রাজি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল কারিম আমার পক্ষ থেকে, তিনি আবু আল-জামাহির মুহাম্মদ বিন উসমান আল-তানুখি থেকে, তিনি ইসমাইল বিন আইয়াশ থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "তিন ব্যক্তি থেকে কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে: ঘুমন্ত ব্যক্তি যতক্ষণ না সে জাগ্রত হয়, শিশু যতক্ষণ না সে স্বপ্নদোষ বা সাবালকত্ব লাভ করে এবং পাগল যতক্ষণ না সে সুস্থতা ফিরে পায়।"

আবু হাতিম বলেন: "এটি আমার নিকট একটি কাগজে লিপিবদ্ধ ছিল। যখন আমি আসলাম, তখন আবু যুরআহ এতে দৃষ্টিপাত করলেন যাতে তিনি শায়খদের নিকট যা জিজ্ঞাসা করবেন তা লিখে নিতে পারেন। অতঃপর আমি লক্ষ্য করলাম এবং দেখলাম যে, এটি আমার নিকট নিম্নমানের সূত্রে (نزول) বিদ্যমান। তিনি বললেন: 'আপনিই আমার নিকট আবু আল-জামাহির থেকে বর্ণনা করেছেন।' আমি তা তালাশ করলাম কিন্তু পেলাম না। তিনি বললেন: 'অবশ্যই এটি আপনার নিকট আছে', কিন্তু আমি তা খুঁজে পেলাম না।" ৩৫. আল-খাতিব ইব্রাহিম বিন ইসহাক আল-সাররাজ থেকে বর্ণনা করেছেন (أخرج): আমার ভাই মুহাম্মদ আমার নিকট থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আবান থেকে এবং তিনি জারির বিন হাজিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
وَنَافِع عَن ابْن عمر قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم من أَتَى الْجُمُعَة فليغتسل 36 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق مُحَمَّد بن سُلَيْمَان بن الْحَارِث والواسطي ثَنَا الضَّحَّاك عَن مخلد ثَنَا يحيى بن رَاشد عَن الضَّحَّاك بن مخلد عَن عُثْمَان بن سعد إِن الزبير علق لواءين فِي الْكَعْبَة فَقيل لَهُ يَا أَبَا عَاصِم من الضَّحَّاك بن مخلد قَالَ أَنا حدثته بِهِ ونسيته فَحَدَّثَنِيهِ يحيى بن رَاشد مستملي 37 وَأخرج الْخَطِيب من طَرِيق هاورن بن عبد الله الزُّهْرِيّ قَاضِي مصر قَالَ كتب الْوَاقِدِيّ رقْعَة الى الْمَأْمُون يذكر فِيهَا غَلَبَة الدّين وغمه بذلك فَوَقع الْمَأْمُون على ظهرهَا فِيك خلَّتَانِ السخاء وَالْحيَاء فَأَما السخاء فَهُوَ الَّذِي أطلق مَا ملكت وَأما الْحيَاء فَهُوَ الَّذِي مَنعك من طلعنا مَا أَنْت عَلَيْهِ وَقد أمرنَا لَك بِكَذَا وَكَذَا فَإِن كُنَّا أصبْنَا إرادتك فِي بسط يدك فَإِن خَزَائِن الله مَفْتُوحَة وَإِن كنت حَدَّثتنِي وَأَنت على

নাফে‘ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "যে ব্যক্তি জুমার সালাতে আসবে, সে যেন গোসল করে।"

৩৬. এবং আল-খতিব মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতির সূত্র (طريق) ধরে বর্ণনা (أخرج) করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা (ثنا) করেছেন আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা (ثنا) করেছেন ইয়াহইয়া বিন রাশিদ, আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ থেকে, তিনি উসমান বিন সাদ থেকে বর্ণনা করেন যে, যুবাইর (রা.) কাবাঘরে দুটি পতাকা ঝুলিয়েছিলেন। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: হে আবু আসিম! আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ থেকে কে (এই হাদিসটি) বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: আমিই তাকে এটি বর্ণনা (حدثته) করেছিলাম এবং আমি তা ভুলে গিয়েছিলাম; অতঃপর আমার মুস্তামলি (مستملي) ইয়াহইয়া বিন রাশিদ সেটি আমাকে পুনরায় বর্ণনা (فحدثنيه) করেছেন।

৩৭. এবং আল-খতিব মিসরের বিচারক হারুন বিন আব্দুল্লাহ আল-জুহরির সূত্র (طريق) ধরে বর্ণনা (أخرج) করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়াকিদি আল-মামুনের নিকট একটি চিরকুট লিখলেন, যাতে তিনি ঋণের আধিক্য এবং সেই কারণে নিজের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। মামুন সেই চিরকুটের অপর পৃষ্ঠায় লিখলেন: "আপনার মধ্যে দুটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে—উদারতা এবং লজ্জা। আপনার উদারতা আপনার মালিকানাধীন সবকিছু দান করতে উদ্বুদ্ধ করেছে, আর আপনার লজ্জা আপনাকে আপনার অবস্থা আমাদের সামনে প্রকাশ করতে বাধা দিয়েছে। আমরা আপনার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের নির্দেশ দিয়েছি। আপনার বদান্যতার ইচ্ছার ক্ষেত্রে যদি আমরা আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে থাকি, তবে জেনে রাখুন আল্লাহর ভাণ্ডার উন্মুক্ত। আর আপনি যখন আমার নিকট বর্ণনা (حدثتني) করছিলেন এমতাবস্থায় যে আপনি..."

(খণ্ড: ১) তাযকিরাতুল মুতাসী ফীমান হাদ্দাসা ওয়া নাসী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
قَضَاء الرشيد عَن مُحَمَّد بن اسحاق عَن الزُّهْرِيّ عَن أنس ابْن مَالك أَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم قَالَ للزبير يَا زبير إِن بَاب الرزق مَفْتُوح بِبَاب الْعَرْش ينزل الله إِلَى الْعباد أَرْزَاقهم على قدر نفقاتهم فَمن قلل قلل عَلَيْهِ وَمن كثر كثر لَهُ

قَالَ الْوَاقِدِيّ وَكنت قد أنسيت هَذَا الحَدِيث وَكَانَ تَذكرته إيَّايَ أحب إِلَيّ من جائزته وَكَانَت الْجَائِزَة مائَة ألف دِرْهَم

وَالْحَمْد لله وَصلى الله على من لَا نَبِي من بعده وَآله وَسلم
হারুনুর রশীদের ফয়সালা, যা মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি যুহরী থেকে এবং তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে বললেন: "হে যুবাইর! নিশ্চয়ই রিযিকের দরজা আরশের তোরণ পর্যন্ত উন্মুক্ত। আল্লাহ বান্দাদের প্রতি তাদের ব্যয়ের পরিমাণ অনুপাতে রিযিক অবতীর্ণ করেন। অতএব, যে ব্যক্তি ব্যয় সংকুচিত করে, আল্লাহ তার রিযিক সংকুচিত করেন এবং যে ব্যক্তি আধিক্য দান করে, আল্লাহ তাকে প্রাচুর্য দান করেন।"

ওয়াকিদী বলেন: "আমি এই হাদিসটি বিস্মৃত হয়েছিলাম। তিনি আমাকে এটি স্মরণ করিয়ে দেওয়াটা আমার নিকট তাঁর প্রদত্ত উপঢৌকনের চেয়েও অধিক প্রিয় ছিল, আর সেই উপঢৌকনের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দিরহাম।"

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর ওপর যাঁর পরে আর কোনো নবী নেই, এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর।