(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: -)
دليل مؤلفات مختار السوسي   (عبد الوافي المختار السوسي)

القسم: فهارس الكتب والأدلة


الكتاب: دليل مؤلفات ومخطوطات العلامة رضى الله محمد المختار السوسي

المؤلف: محمد المختار السوسي

أعده ونشره: ابنه رضي الله عبد الوافي المختار السوسي

الطبعة: الثانية مزيدة ومنقحة

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 9 محرم 1432

মুখতার আস-সুসির রচনাবলির নির্দেশিকা   (আবদুল ওয়াফি আল-মুখতার আস-সুসি)

বিভাগ: কিতাবসমূহের নির্ঘণ্ট ও নির্দেশিকা


বই: আল্লামা রাদিয়াল্লাহ মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসির রচনাবলি ও পাণ্ডুলিপির নির্দেশিকা

লেখক: মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসি

প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছেন: তাঁর পুত্র রাদিয়াল্লাহ আবদুল ওয়াফি আল-মুখতার আস-সুসি

সংস্করণ: দ্বিতীয়, বর্ধিত ও পরিমার্জিত

খণ্ড সংখ্যা: ১

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৯ মহররম ১৪৩২

(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم

والصلاة والسلام على سيدنا محمد وآله وصحبه

"الحمد لله الذي هدانا لهذا وما كنا لنهتدي لولا أن هدانا الله"

صدق الله العظيم

 

‌‌تقديم

هذه هي الطبعة الثانية من هذا الدليل، كتيب صغير الحجم كبير الفائدة، عبارة عن بيبليوغرافيا كل آثار والدنا - قدس الله روحه - العلامة رضى الله محمد المختار السوسي المتوفى يوم 17 - 11 - 1963 م، نعيد نشره لكثرة الطلب عليه، به إضافات عديدة، وتبيان لأمور كانت غير واضحة، وحرصنا فيه على الدقة ما استطعنا، محاولين جهدنا في إعطاء فكرة عامة حول كل ما تركه والدنا من مؤلفات ومخطوطات، المنشورة منها وغير المنشورة، إلى جانب آثار أخرى له متنوعة، واضعين أسماءها مع تعريف موجز لها.

ونختم كلمتنا الموجزة بما كنا قد ختمنا به الطبعة الأولى من هذا الدليل وهي أن ييسر الله لنا نشر هذه الأعمال كلها، رغم الصعوبات التي نواجهها والتي تكون أحيانا فوق طاقتنا، خصوصا قلة ذات اليد، وتجاهل الآخرين - رغم كثرة الإلحاح - إلا أن عزيمتنا وإصرارنا وإيماننا بالمسئولية الملقاة على عاتقنا هي التي تخفف علينا تلك المصاعب والعراقيل التي لا تخفى على كل ذي لب وغيرة.

- إمضاء -

رضى الله عبد الوافي المختار السوسي

- المكلف بنشر تراث والده -
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও তাঁর সঙ্গীদের উপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক

"সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের এই পথের দিশা দিয়েছেন। আল্লাহ আমাদের দিশা না দিলে আমরা হেদায়াত পেতাম না।"

মহান আল্লাহ সত্য বলেছেন

 

‌‌ভূমিকা

এটি এই নির্দেশিকার দ্বিতীয় সংস্করণ; একটি ক্ষুদ্রাকৃতির পুস্তিকা যা অত্যন্ত উপকারী। এটি আমাদের পিতা —আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন— আল্লামা রিদা আল্লাহ মুহাম্মদ আল-মুখতার আল-সুসি (মৃত্যু ১৭-১১-১৯৬৩ খ্রি.)-র সকল রচনার একটি গ্রন্থপঞ্জি। ব্যাপক চাহিদার কারণে আমরা এটি পুনঃপ্রকাশ করছি। এতে বহু নতুন সংযোজন এবং ইতিপূর্বে অস্পষ্ট থাকা বিষয়গুলোর স্পষ্টীকরণ রয়েছে। আমরা এতে যথাসাধ্য নির্ভুলতা বজায় রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হয়েছি এবং আমাদের পিতার রেখে যাওয়া প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত সকল পাণ্ডুলিপি ও রচনার একটি সাধারণ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, পাশাপাশি সেগুলোর নামের সাথে একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতিও যুক্ত করেছি।

আমরা আমাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য সেই কথাটি দিয়েই শেষ করছি যা দিয়ে এই নির্দেশিকার প্রথম সংস্করণের ইতি টেনেছিলাম; আর তা হলো—আল্লাহ যেন আমাদের জন্য এই সমস্ত কাজ প্রকাশ করা সহজ করে দেন, যদিও আমরা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি যা মাঝেমধ্যে আমাদের সামর্থ্যের বাইরে চলে যায়। বিশেষ করে আর্থিক অস্বচ্ছলতা এবং অন্যদের অবহেলা —বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও— তবে আমাদের সংকল্প, দৃঢ়তা এবং আমাদের কাঁধে অর্পিত দায়িত্বের প্রতি বিশ্বাসই সেই সকল বাধা ও প্রতিকূলতাকে আমাদের জন্য সহজ করে দেয় যা প্রত্যেক বুদ্ধিমান ও সচেতন ব্যক্তির কাছে স্পষ্ট।

- স্বাক্ষর -

রিদা আল্লাহ আব্দুল ওয়াফি আল-মুখতার আল-সুসি

- তাঁর পিতার ঐতিহ্য প্রকাশের দায়িত্বপ্রাপ্ত -
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২)
‌‌الجانب الموسوعي

‌‌1 - المعسول:

في عشرين جزءا أشرف على طبعه رحمه الله، وهو عبارة عن موسوعة يجد فيها الباحث كل ما يريد معرفته عن سوس من جميع النواحي: الاجتماعية والأدبية والثقافية والسياسية والتراثية وغيرها، وبه العديد من الآثار والوثائق الهامة وأدخل فيه الكثير من المؤلفات مختصرة أحيانا أو كاملة أحيانا أخرى، وهو من المراجع الهامة التي لا يمكن الاستغناء عنها -ولييسر الله إعادة طبعه-.

 

‌‌الجانب الأدبي وفنونه

‌‌2 - مترعات الكئوس في آثار طائفة من أدباء سوس (مخطوط في جزأين):

سجل فيه منتخبات شعرية ونثرية، مما يمثل في نظره الأدب العالي، بالإضافة إلى تراجم مختصرة لأصحابها، وقد حرص أن لا يذكر فيه من هم على الشرط في المعسول إلا القليل منهم، وكانت نيته رحمه الله أن يجعله أول كتاب ممن نوعه في سوس - على حد تعبيره - (مهيأ للطبع في جزأين).

 

‌‌3 - المجموعة الإلغية في الآداب والآثار (مخطوط في جزأين):

هكذا وجدناه معنونا في فهرسيه، وهو كتاب ضخم في جزأين، ويقع في أكثر من 500 صفحة من الحجم الكبير، وبه من الآثار الأدبية ما يفوق 900 أثر ما بين قصيدة أو أبيات شعرية أو تقريظ أو مساجلة أو تعزية، وعدد كبير من الرسائل والوفيات، وغالبه لأدباء سوسيين إلا القليل منهم، يقول عنه جامعه أنه كان ينسخ فيه كل ما يتعلق بالأدب … فصار يأخذ منه لكتاب المترعات ولمعلمته المعسول … فلم يبق فيها إلا ما لم يدخل في دينك الكتابين … وتكون في نصف ذلك.

ووجدنا كذلك في خزانة والدنا مجلدا ثالثا شبيها ببرنامج هذا الكتاب، وعدة دفاتر صغيرة وأوراق منفردة ومقيدات في نفس موضوع هذه الذخيرة.
বিশ্বকোষীয় দিক

১ - আল-মাসুল:

বিশ খণ্ডে বিভক্ত এই গ্রন্থটির মুদ্রণ কাজ মরহুম (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) স্বয়ং তত্ত্বাবধান করেছেন। এটি একটি বিশ্বকোষীয় রচনা, যেখানে গবেষক সুস অঞ্চল সম্পর্কে সামাজিক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং ঐতিহ্যগতসহ সকল দিকের প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাবেন। এতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ও নথিপত্র সন্নিবেশিত হয়েছে। লেখক এখানে অনেক গ্রন্থ কখনও সংক্ষিপ্ত আকারে, আবার কখনও পূর্ণাঙ্গ আকারে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এটি এমন এক গুরুত্বপূর্ণ আকর গ্রন্থ যা কোনোভাবেই উপেক্ষা করা সম্ভব নয়—আল্লাহ যেন এর পুনর্মুদ্রণ সহজ করে দেন—।

 

সাহিত্যিক দিক ও তার কলাসমূহ

২ - মুতরাআতুল কুউস ফি আসার তাইফাতিন মিন উদাবাই সুস (দুই খণ্ডে পাণ্ডুলিপি):

এতে তিনি কবিতা ও গদ্যের এমন কিছু নির্বাচিত অংশ লিপিবদ্ধ করেছেন, যা তাঁর দৃষ্টিতে উচ্চাঙ্গের সাহিত্যের প্রতিনিধিত্ব করে। এর পাশাপাশি তিনি লেখকদের সংক্ষিপ্ত জীবনীও উল্লেখ করেছেন। তিনি সজাগ ছিলেন যেন আল-মাসুল গ্রন্থের শর্তানুযায়ী যাদের বর্ণনা সেখানে এসেছে, তাদের খুব অল্প সংখ্যকই এখানে স্থান পায়। মরহুমের ইচ্ছা ছিল তাঁর ভাষ্যমতে—সুস অঞ্চলে এ ধরনের প্রথম বই হিসেবে এটিকে গড়ে তোলা (এটি দুই খণ্ডে মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত)।

 

৩ - আল-মাজমুআতুল ইলগিয়্যাহ ফিল আদাবি ওয়াল আসার (দুই খণ্ডে পাণ্ডুলিপি):

তাঁর সূচিপত্রে আমরা এটিকে এই নামেই নামাঙ্কিত পেয়েছি। এটি দুই খণ্ডে সমাপ্ত একটি বিশাল গ্রন্থ, যা বড় আকারের ৫০০ পৃষ্ঠারও বেশি। এতে কবিতা, পঙক্তিমালা, প্রশংসামূলক প্রবন্ধ, সাহিত্যিক বিতর্ক কিংবা শোকবার্তাসহ ৯০০-এরও বেশি সাহিত্যিক নিদর্শন এবং বিপুল সংখ্যক পত্র ও মৃত্যুসংবাদ রয়েছে। এর অধিকাংশ রচয়িতাই সুস অঞ্চলের, কেবল অল্প কয়েকজন ব্যতীত। এর সংকলক এটি সম্পর্কে বলেন যে, সাহিত্য সংশ্লিষ্ট যা কিছু পেতেন তিনি এতে অনুলিপি করে রাখতেন... পরবর্তীতে তিনি এখান থেকেই তাঁর ‘আল-মুতরাআত’ গ্রন্থ এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি ‘আল-মাসুল’-এর জন্য উপাদান গ্রহণ করতে থাকেন... ফলে বর্তমানে এতে কেবল সেই অংশগুলোই অবশিষ্ট আছে যা ওই দুই কিতাবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি... এবং তা আয়তনে মূল গ্রন্থের অর্ধেক হবে।

অনুরূপভাবে আমরা আমাদের পিতার পাঠাগারে এই গ্রন্থের রূপরেখার মতো একটি তৃতীয় খণ্ড, বেশ কিছু ছোট ছোট খাতা, বিচ্ছিন্ন কিছু কাগজপত্র এবং এই মূল্যবান ভাণ্ডারের একই বিষয়ের ওপর কিছু টীকাও খুঁজে পেয়েছি।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌4 - (نهضة جزولة العلمية والدينية اليوم) أو (مدارس سوس والعلماء الذين درسوا فيها) -مخطوط-.

كما نعتقد أن والدنا لم يؤلف عن المدارس العتيقة إلا الكتاب الذي كنا قد نشرناه ألا وهو (مدارس سوس العتيقة نظامها وأساتذتها) إلى أن وجدنا أخيرا في آخر مخطوط الجزء الثاني من الإلغيات فصلا طويلا لم ينشر معنون بـ (نهضة جزولة العلمية والدينية اليوم) وعند قراءتنا له علمنا وتيقنا أنه هو نفسه المذكور في سوس العالمة صفحة 223 تحت عنوان (مدارس سوس والعلماء الذين درسوا فيها) والذي عرف فيه مؤلفه بأنه تتبع فيه مدارس سوس، فذكر من درس في كل واحدة منها في رواية خيالية كسياحة يمر فيها على كل مدرسة، فيذكر من يعرفه عنها، كان يكتب ذلك ولكن لم يستتم الموضوع، وبوده -على حد تعبيره- لو وجد فراغا لتفرغ لإتمامه.

وفعلا فإن ما وجدناه في مخطوط الإلغيات غير تام وترك فيه عدة صفحات بيضاء كان ينوي إتمامه، وقد قال عنه في الفهرس بأنه خيال نطلب الله أن يجعله حقيقة فيه تسمية كثيرة من المدارس السوسية.

والفصل الموجود في الإلغيات هو عبارة عن رواية خيالية على لسان أحد حفدة الشيخ سيدي وكاك، وهو تونسي المولد كان جده قد هاجر إلى تونس للتجارة فطابت له، فألقى مراسيه هناك وانخرط في الكلية الزيتونية، وجمع بذلك بين العلم والتجارة، والرواية مجملا تتحدث عن هذا التونسي الذي قرأ مرة مقالة في جريدة تونسية تحدث فيها مراسل من المغرب كان قد كتب ما شاهده عند حضوره للحفلة السنوية التي كانت تقيمها الجامعة الوكاكية ووصف ما شاهده فيها وعن أحوالها مما زرع في بطل الرواية حب الشوق إلى زيارة المغرب وزيارة أجداده، وخصوصا الجامعة الوكاكية وفعلا نزل في أكادير أولا وزار هذه الجامعة برفقة تاجر سوسي وبعدها عمل رحلته إلى كبريات المدارس السوسية حسب برنامج سطر له أثناء مقامه بالجامعة وهكذا زار عددا من المدارس السوسية هو ورفيقه التاجر الذي يعرفه بكل مدرسة مَرَّا بها، ويحدثه عن برامج التعليم فيها وعن كل من مر بها من الأساتذة و … وعددها في المخطوط ناهز الثلاثين مدرسة، وفي
৪ - (জাজুলার বর্তমান ইলমি ও দ্বীনি জাগরণ) অথবা (সুসের মাদরাসাসমূহ এবং সেখানে যারা অধ্যয়ন করেছেন সেই ওলামায়ে কেরাম) - পাণ্ডুলিপি-।

আমরা মনে করতাম যে, আমাদের পিতা প্রাচীন মাদরাসাসমূহ সম্পর্কে কেবল সেই কিতাবটিই রচনা করেছেন যা আমরা ইতিপূর্বে প্রকাশ করেছি, আর তা হলো (সুসের প্রাচীন মাদরাসাসমূহ: এর নেজাম ও শিক্ষকবৃন্দ)। অবশেষে আমরা 'আল-ইলগিয়্যাত'-এর দ্বিতীয় খণ্ডের পাণ্ডুলিপির শেষে একটি দীর্ঘ অপ্রকাশিত অধ্যায় খুঁজে পাই, যার শিরোনাম হলো (জাজুলার বর্তমান ইলমি ও দ্বীনি জাগরণ)। সেটি পড়ার পর আমরা জানতে পারি এবং নিশ্চিত হই যে, এটি হুবহু সেই লেখা যা 'সুস আল-আলিমা'র ২২৩ নম্বর পৃষ্ঠায় (সুসের মাদরাসাসমূহ এবং সেখানে যারা অধ্যয়ন করেছেন সেই ওলামায়ে কেরাম) শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে লেখক সুসের মাদরাসাসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান করেছেন বলে পরিচয় দিয়েছেন। এতে তিনি একটি কাল্পনিক বর্ণনার মাধ্যমে একটি পর্যটনের ন্যায় প্রতিটি মাদরাসা পরিভ্রমণের কথা উল্লেখ করেছেন; সেখানে তিনি প্রত্যেকটি মাদরাসার পরিচিত ব্যক্তিবর্গ এবং যারা সেখানে অধ্যয়ন করেছেন তাদের কথা আলোচনা করেছেন। তিনি এটি লিখছিলেন কিন্তু বিষয়টি সম্পন্ন করতে পারেননি। তার নিজের ভাষায়—তিনি যদি অবসর পেতেন তবে এটি পূর্ণ করার জন্য নিজেকে নিয়োজিত করতেন।

প্রকৃতপক্ষে, 'আল-ইলগিয়্যাত'-এর পাণ্ডুলিপিতে আমরা যা পেয়েছি তা অসম্পূর্ণ এবং সেখানে বেশ কিছু সাদা পৃষ্ঠা খালি রাখা হয়েছে যা তিনি পূর্ণ করার ইচ্ছা পোষণ করতেন। সূচিপত্রে তিনি এ সম্পর্কে বলেছেন যে, এটি একটি কল্পনা এবং আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি এটিকে বাস্তবে রূপদান করেন; যাতে সুসের বহু মাদরাসার নাম রয়েছে।

'ইলগিয়্যাত'-এ বিদ্যমান অধ্যায়টি শায়খ সিদি ওয়াক্কাক-এর জনৈক বংশধরের জবানিতে বর্ণিত একটি কাল্পনিক কাহিনী। তিনি তিউনিশিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি, যার দাদা ব্যবসার উদ্দেশ্যে তিউনিশিয়ায় হিজরত করেছিলেন এবং সেখানকার পরিবেশ তার পছন্দ হয়েছিল। ফলে তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে আসন গাড়েন এবং যাইতুনা কলেজে ভর্তি হন। এভাবে তিনি ইলম ও ব্যবসার মধ্যে সমন্বয় ঘটান। এই কাহিনীটি সংক্ষেপে সেই তিউনিশীয় ব্যক্তিকে নিয়ে, যিনি একবার তিউনিশীয় এক সংবাদপত্রে মরক্কোর এক সংবাদদাতার লেখা একটি প্রবন্ধ পড়েন। সেখানে সংবাদদাতা ওয়াক্কাকিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক মাহফিলে উপস্থিত থেকে যা দেখেছিলেন তা লিখেছিলেন। তিনি সেখানে যা দেখেছিলেন এবং সেখানকার অবস্থার যে বর্ণনা দিয়েছিলেন, তা গল্পের নায়কের মনে মরক্কো ভ্রমণ এবং তার পূর্বপুরুষদের স্মৃতিবিজড়িত স্থান, বিশেষ করে ওয়াক্কাকিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে। প্রকৃতপক্ষে তিনি প্রথমে আগাদিরে অবতরণ করেন এবং সুসের একজন ব্যবসায়ীর সাহচর্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি যিয়ারত করেন। এরপর তিনি সেখানে অবস্থানের সময় নিজের জন্য নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সুসের বড় বড় মাদরাসাগুলোতে সফর করেন। এভাবে তিনি এবং তার সাথী সেই ব্যবসায়ী সুসের বেশ কিছু মাদরাসা যিয়ারত করেন। তারা যে মাদরাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, ব্যবসায়ী তাকে সেই মাদরাসার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন এবং সেখানকার শিক্ষা কার্যক্রম ও সেখানে অবস্থানকারী সকল উস্তাদদের সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন এবং ...। পাণ্ডুলিপিতে বর্ণিত এই মাদরাসাগুলোর সংখ্যা ছিল প্রায় ত্রিশটির কাছাকাছি। এবং...
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ৪)
الرواية مستطرفات كوجود السينما مثلا في الجامعة الوكاكية ومشاهدتهم لفيلم عن اليابان، وكذلك أيضا ذهابهم بالطائرة ونزولهم بمطار المدرسة الرخاوية و … وهو تسجيل لكل ما عاينه وأوصاف أخرى عديدة، وعند نشرنا إن شاء الله لهذا الكتاب سنضيف إليه أسماء المدارس السوسية المنبثة في القبائل وهي أكثر من 200 مدرسة، وجدناه كفصل في مخطوط رجالات العلم العربي في سوس (في صيغته الأولى)، لم ينشر.

 

‌‌5 - سوس العالمة:

تناول فيه النهضة العلمية والأدبية في سوس بإيجاز، ويعد مدخلا لكل مؤلفاته، وبالأخص الأدبية والتاريخية (قام بطبعه رحمه الله في جزء وقد أعدنا طبعه).

 

‌‌6 - جوف الفرا (مخطوط):

وهو مجموعة أدبية تضم من القصائد والرسائل ما لا يهش له إلا المؤرخون -على حد تعبيره- أدخل فيه ما عنده من الآثار العديدة التي لم ينشرها في كتبه وخصوصا المعسول ومترعات الكئوس.

 

‌‌7 - نضائد الديباج في المراسلات بين المختار والقباج (مخطوط):

ويضم المراسلات التي كانت بينه وبين الأديب محمد بن العباس القباج الرباطي، وهو مهم في النقد الأدبي (وقد كان بدأ إعداده المرحوم ابن عمنا درقاوي عبد الله). - أعددناه للطبع وأضفنا عليه ما حصلنا عليه من الرسائل فيما بينهما -.

 

‌‌8 - اللُّبَابَة في شرح قصيدة بابة (مخطوط):

قصيدة نبوية في مدح سيدنا محمد المختار صلى الله عليه وسلم، كان قد صدرت عن كاتبها سنة 1341هـ، ولم يراجعها قط إلا بعد مرور عشرين سنة أي في 1260هـ - على حد تعبيره - حيث راجعها ووضع لها هذا الشرح لفهم كلماتها اللغوية ولا نتفر منه الآن إلا على صفحته الأولى، وهذه القصيدة كنا لا نتوفر من قبل إلا على بعض أبياتها الأولى، إلى أن حصلنا أخيرا على تتمتها وهي في حوالي 76 بيتا وهذا مطلعها:
বর্ণনাটি কৌতূহলোদ্দীপক, যেমন ওয়াকাকিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেমার উপস্থিতি এবং জাপানের ওপর একটি চলচ্চিত্র দেখা, একইভাবে বিমানে তাদের গমন এবং রাখাবিয়া মাদ্রাসা বিমানবন্দরে অবতরণ এবং … এটি তার প্রত্যক্ষ করা সবকিছুর একটি সংকলন এবং আরও অনেক বর্ণনা। ইনশাআল্লাহ, যখন আমরা এই বইটি প্রকাশ করব, তখন আমরা বিভিন্ন গোত্রে ছড়িয়ে থাকা সুসি মাদ্রাসাসমূহের নাম যোগ করব, যার সংখ্যা ২০০-এরও বেশি। আমরা এটি 'সুস অঞ্চলের আরবি জ্ঞানজগতের ব্যক্তিবর্গ' (এর প্রথম সংস্করণে) পাণ্ডুলিপির একটি অধ্যায় হিসেবে পেয়েছি যা প্রকাশিত হয়নি।

 

‌‌৫ - সুস আল-আলিমা:

এতে তিনি সংক্ষেপে সুস অঞ্চলের বৈজ্ঞানিক ও সাহিত্যিক জাগরণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এটি তার সমস্ত রচনার, বিশেষ করে সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক রচনার প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত (মরহুম লেখক এটি এক খণ্ডে ছাপিয়েছিলেন এবং আমরা এটি পুনরায় মুদ্রণ করেছি)।

 

‌‌৬ - জাওফুল ফাররা (পাণ্ডুলিপি):

এটি একটি সাহিত্য সংকলন যা এমন সব কবিতা ও পত্রাবলি ধারণ করে যা—তার ভাষ্যমতে—কেবল ঐতিহাসিকদেরই আনন্দ দেয়। এতে তিনি তার কাছে থাকা এমন অনেক নিদর্শন অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা তিনি তার বইগুলোতে, বিশেষ করে 'আল-মাসুল' এবং 'মুতরাআত আল-কুউস'-এ প্রকাশ করেননি।

 

‌‌৭ - নাদাইদ আদ-দিবাজ ফি আল-মুরাসালত বাইন আল-মুখতার ওয়াল-কাব্বাজ (পাণ্ডুলিপি):

এটি সাহিত্যিক মুহাম্মাদ বিন আল-আব্বাস আল-কাব্বাজ আর-রিবাতী এবং লেখকের মধ্যকার পত্রাবলি ধারণ করে। এটি সাহিত্য সমালোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ (আমাদের প্রয়াত চাচাতো ভাই দারকাউই আবদুল্লাহ এর প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন)। আমরা এটি মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করেছি এবং তাদের মধ্যকার যেসব চিঠিপত্র আমরা সংগ্রহ করতে পেরেছি তা এতে যোগ করেছি।

 

‌‌৮ - আল-লুবাবাহ ফি শারহি কাসিদাতি বাবদ (পাণ্ডুলিপি):

এটি আমাদের নেতা মুহাম্মদ আল-মুখতার সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রশংসায় একটি নাতিয়া কবিতা। এটি ১৩৪১ হিজরিতে লেখকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং তিনি বিশ বছর অতিবাহিত হওয়ার আগে অর্থাৎ ১২৬০ হিজরি পর্যন্ত—তার বর্ণনা অনুযায়ী—এটি সংশোধন করেননি। তখন তিনি এটি সংশোধন করেন এবং এর ভাষাগত শব্দাবলি বোঝার জন্য এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি রচনা করেন। বর্তমানে আমরা এর কেবল প্রথম পৃষ্ঠাটিই সংগ্রহ করতে পেরেছি। আগে এই কবিতার মাত্র প্রথম কয়েকটি পঙক্তি আমাদের কাছে ছিল, অবশেষে আমরা এর পূর্ণাঙ্গ রূপটি পেয়েছি যা প্রায় ৭৬ পঙক্তিবিশিষ্ট এবং এর প্রারম্ভিক অংশটি হলো:
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ৫)
أتمي القتل أيتها الصبابة … فقد أبقيت من رمقي صبابة

أديبي اللحم في جسمي ومن … بعظمي إن تفتته الأبابة

إلى أن يقول في آخرها:

فإن جدتم فيا سعدي لقلب … يزيح حيا الوصول به حبابه

على علياكم أزكى صلاة … وتسليم بلا حد وبابه

 

‌‌9 - الثريدة في شرح قصيدة العصيدة (مخطوط):

تحليل وشرح لقصيدته العصيدة المنشورة في الجزء الأول من كتابه المعسول، (صفحات 47 - 52) وفي شرحه هذا بين وفسر الكلمات اللغوية والمعاني المقصودة في تراكيبها (بيتا بيتا)، وعند كل لفظ لغوي كان يستشهد ببعض الأبيات الشعرية، وأحيانا يأتي ببعض الأمثال والحكايات المستطرفة، وقد اعتنى بهذه القصيدة أيضا أدباء إلغيون، فلثلاثة منهم شروح عليها أيضا.

 

‌‌10 - رسالة الشباب (مخطوط):

رواية كتبها في منفاه بإلغ في مهمة الشباب نحو أمته - ضاعت منه على حد تعبيره -.

 

‌‌11 - بين الجمود والميع:

رواية في أفكار إسلامية، نشرها في حلقات في مجلة دعوة الحق سنتي 1957 و 1958م، وهي التي من قامت بنشرها تحت عنوان (بين الجمود والجحود) على غرار مقالة في نفس العنوان نشرت قبلها.

وقد أخبرني أحد تلامذة كاتبها أن أحداث الرواية واقعية، وأن الأخ الضال المذكور فيها معلوم، وأن الرواية لم تعرف نهايتها كما يريد كاتبها، لأن الضال المذكور في الرواية لم يعهده الله إلى الرجوع عن أفكاره. (هيأناها للطبع في شكل كتاب).

 

‌‌12 - المختار من شعر السوسي محمد المختار (مخطوط):

جمعنا فيه كل القصائد والأبيات الشعرية التي لم ينشرها في ثنايا كتبه، وهي كثيرة العدد والمواضيع، وهي ممن وجدنا غالبها في محتويات خزانته،
হে প্রগাঢ় অনুরাগ, হত্যা সমাপ্ত করো … তুমি তো আমার শেষ নিঃশ্বাসের অবশিষ্টাংশই কেবল বাকি রেখেছ।

আমার দেহের মাংস গলিয়ে দাও এবং … আমার হাড়ের যা কিছু আছে, যদি গভীর আকুলতা তা চূর্ণ করে দেয়।

এর শেষে তিনি বলেন:

যদি আপনারা উদারতা প্রদর্শন করেন, তবে আমার হৃদয়ের কী যে সৌভাগ্য! … সাক্ষাতের লজ্জা যার ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে দেয়।

আপনাদের সুউচ্চ মর্যাদার ওপর বর্ষিত হোক পবিত্রতম সালাত … এবং সীমাহীন ও অবারিত সালাম।

 

‌‌৯ - আস-সারিদাহ ফি শারহি কাসিদাতিল আসিদা (পাণ্ডুলিপি):

তার 'আল-মাসুল' গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে (৪৭ - ৫২ পৃষ্ঠা) প্রকাশিত 'আল-আসিদা' কবিতার বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা। এই ব্যাখ্যায় তিনি ভাষাগত শব্দসমূহ এবং সেগুলোর বাক্যের উদ্দেশ্যমূলক অর্থ বিশ্লেষণ করেছেন (প্রতিটি পঙক্তি আলাদাভাবে)। প্রতিটি ভাষাগত শব্দের ক্ষেত্রে তিনি কিছু কাব্যিক পঙক্তি উদ্ধৃত করেছেন এবং কখনো কখনো কিছু আকর্ষণীয় প্রবাদ ও কিচ্ছা বর্ণনা করেছেন। ইল্ঘ অঞ্চলের সাহিত্যিকগণও এই কবিতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন, তাদের মধ্য থেকে তিনজনের এই কবিতার ওপর ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে।

 

‌‌১০ - রিসালাতুশ শাবাব (পাণ্ডুলিপি):

একটি উপন্যাস যা তিনি ইল্ঘ-এ নির্বাসিত থাকাকালীন উম্মাহর প্রতি যুবকদের দায়িত্ব সম্পর্কে লিখেছিলেন - তার ভাষ্যমতে এটি তার কাছ থেকে হারিয়ে গেছে।

 

‌‌১১ - বাইনাল জুমুদ ওয়াল মাই‘ (স্থবিরতা ও শিথিলতার মাঝে):

ইসলামী চিন্তাধারা বিষয়ক একটি উপন্যাস, যা ১৯৫৭ ও ১৯৫৮ সালে 'দাওয়াতুল হক' সাময়িকীতে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। এটিই পরবর্তীকালে 'বাইনাল জুমুদ ওয়াল জুহুদ' (স্থবিরতা ও অস্বীকৃতির মাঝে) শিরোনামে প্রকাশিত হয়, যা ইতিপূর্বে একই শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধের আদলে নামাঙ্কিত।

লেখকের জনৈক ছাত্র আমাকে জানিয়েছেন যে, উপন্যাসের ঘটনাগুলো বাস্তব এবং এতে উল্লেখিত পথভ্রষ্ট ভাইটি সুপরিচিত। উপন্যাসটির সমাপ্তি লেখকের ইচ্ছানুযায়ী জানা যায়নি, কারণ উক্ত পথভ্রষ্ট ব্যক্তি তার ভ্রান্ত চিন্তা থেকে ফিরে আসেননি। (আমরা এটিকে বই আকারে মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করেছি)।

 

‌‌১২ - আল-মুখতার মিন শিরিস সুসি মুহাম্মাদ আল-মুখতার (পাণ্ডুলিপি):

এতে আমরা সেই সমস্ত কবিতা ও পঙক্তি সংকলন করেছি যা তিনি তার বইগুলোর মাঝে প্রকাশ করেননি। এগুলোর সংখ্যা ও বিষয়বস্তু অনেক। এগুলোর অধিকাংশই আমরা তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরির সংগ্রহশালায় পেয়েছি।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ৬)
أو ممن حصلنا عليه، وللعلم فإن ما نشره من قصائد وأبيات في ثنايا كتبه يقارب (8000) بيتا شعريا.

 

‌‌13 - محمد المختار السوسي في ذكراه الأربعين (مخطوط):

مجموع جمعنا فيه كل الكلمات والقصائد التي قيلت في أربعينية وفاته وهي تقارب الخمسين، ما بين كلمة وقصيدة، والتي أقيمت بمسرح محمد الخامس (29 - 12 - 1963م) وقد افتتح الحفل بكلمة تأبينية للمغفور له الحسن الثاني، وأضفنا إلى المجموع رسائل التعازي وقصاصات الأخبار الواردة في الموضوع، خصوصا ما في الصحف والجرائد، ووصف لجنازة تأبينه، وما قيل أثناء تشييع جثمانه.

 

‌‌14 - ديوان الزهر البليل فيما نفث به الفكر الكليل (مخطوط):

ديوان في أولياته، جمعه سنة1341هـ (نشر بعضه ضمن ثنايا كتبه) وقد كان جمعه بإذن سيدي سعيد التناني الذي حثه على أن لا يفرط فيما قرضه.

 

‌‌15 - ديوان قصائد (مخطوط):

حاول أن يجمع فيه أعماله الشعرية التي قيلت في المناسبات المختلفة (نشر غالبيته في ثنايا كتبه).

 

‌‌16 - ديوان التلميذيات (مخطوط):

مجموعة قصائد ومقطعات كان يخاطب بها تلامذته أو يجيبهم بها، أو يقولها على ألسنة صغارهم تفاخرا، وغالبية هذا كله في زاوية الرميلة بمراكش (إلا القليل)، وقد كان جمعه أولا تلميذه سيدي سالم بن يعيش الرحماني المراكشي بإذنه، ووجدنا في عدة مقيدات عندنا تدوين بعض هذه القصائد (نشر جله القليل منه في الجزء الثالث من كتابه الإلغيات).

 

‌‌17 - ديوان معتقل الصحراء:

وهي القصائد والمقطعات التي قالها في معتقلي تنجداد وأغبالو نكردوس وهي مجموع ما أودعه في كتابه الجزء الأول من معتقل الصحراء المطبوع.
অথবা আমরা যা সংগ্রহ করতে পেরেছি। জ্ঞাতব্য যে, তিনি তাঁর বইগুলোর মধ্যে যে সকল কবিতা ও পঙক্তি প্রকাশ করেছেন, তার পরিমাণ প্রায় (৮০০০) আট হাজার পঙক্তির মতো।

 

‌‌১৩ - মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসি তাঁর চল্লিশতম মৃত্যুবার্ষিকীতে (পাণ্ডুলিপি):

এটি একটি সংকলন যাতে আমরা তাঁর মৃত্যুর চল্লিশতম দিনে পঠিত সকল বক্তব্য ও কবিতা একত্রিত করেছি, যার সংখ্যা বক্তব্য ও কবিতা মিলিয়ে প্রায় পঞ্চাশটির মতো। এই অনুষ্ঠানটি মুহাম্মদ পঞ্চম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল (২৯-১২-১৯৬৩ খ্রি.)। মারহুম হাসান দ্বিতীয় এর শোকবার্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়েছিল। আমরা এই সংকলনে শোকবার্তা এবং এই বিষয়ক সংবাদপত্রের কাটিংগুলো যুক্ত করেছি, বিশেষ করে সাময়িকী ও সংবাদপত্রগুলোতে যা প্রকাশিত হয়েছে। সেই সাথে তাঁর শোকসভা এবং জানাজা ও দাফনকার্য চলাকালীন পঠিত বিষয়গুলোর বর্ণনাও যুক্ত করা হয়েছে।

 

‌‌১৪ - দিওয়ান আয-যাহর আল-বালিল ফীমা নাফাসা বিহি আল-ফিকর আল-কালিল (পাণ্ডুলিপি):

এটি তাঁর প্রাথমিক জীবনের একটি কাব্যসংকলন, যা তিনি ১৩৪১ হিজরি সালে সংকলন করেছিলেন (এর কিছু অংশ তাঁর বিভিন্ন বইয়ের মাঝে প্রকাশিত হয়েছে)। এটি সাইয়্যিদি সাঈদ আত-তানানি এর অনুমতিক্রমে সংকলন করা হয়েছিল, যিনি তাঁকে তাঁর রচিত কাব্যগুলো অবহেলা না করে সংরক্ষণ করতে উৎসাহিত করেছিলেন।

 

‌‌১৫ - দিওয়ান কাসাইদ বা কবিতা সংকলন (পাণ্ডুলিপি):

তিনি এতে তাঁর বিভিন্ন উপলক্ষ্যে রচিত কাব্যকর্মগুলো একত্রিত করার চেষ্টা করেছেন (যার অধিকাংশ তাঁর বইগুলোর ভেতরেই প্রকাশিত হয়েছে)।

 

‌‌১৬ - দিওয়ান আত-তিলমিযিয়াত (পাণ্ডুলিপি):

এটি কাসিদা ও খণ্ড কবিতার এক সমষ্টি যার মাধ্যমে তিনি তাঁর ছাত্রদের সম্বোধন করতেন অথবা তাদের উত্তর দিতেন, কিংবা তাদের ছোটদের পক্ষ থেকে গর্বভরে আবৃত্তি করতেন। এর অধিকাংশ মারাকেশের যাউইয়া আর-রুমাইলাহ-তে রচিত (খুব সামান্য অংশ ব্যতীত)। এটি সর্বপ্রথম তাঁর ছাত্র সাইয়্যিদি সালিম বিন ইয়াঈশ আল-রাহমানি আল-মারাকেশি তাঁর অনুমতিক্রমে সংগ্রহ করেছিলেন। আমাদের কাছে থাকা বেশ কিছু পাণ্ডুলিপিতে আমরা এই কবিতাগুলোর কিছু অংশ লিপিবদ্ধ পেয়েছি (এর সামান্য কিছু অংশ তাঁর 'আল-ইলগিয়াত' গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে)।

 

‌‌১৭ - দিওয়ান মু'তাক্বল আস-সাহারা (সাহারা বন্দিশিবিরের কাব্যসংকলন):

এগুলো হলো সেই সকল কাসিদা ও খণ্ড কবিতা যা তিনি তিনজদাদ এবং আগবালু নাকারদুস বন্দিশিবিরে থাকাকালীন রচনা করেছিলেন। এটি তাঁর মুদ্রিত 'মু'তাক্বল আস-সাহারা' গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে সংকলিত সামগ্রিক কাব্যসমষ্টি।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌18 - ديوان الشيخ الإلغي (مخطوط):

جمع في فصله الأول كل ما صدر عن والده الشيخ سيدي الحاج علي الدرقاوي الإلغي من الأشعار، وفي فصله الثاني كل ما قيل فيه من الأمداح ومن المراثي عند وفاته، وكذا كل ما قيل في طريقته (شعرا)، وقد كان هذا الديوان في الأصل جزءا من أجزاء كتابه من أفواه الرجال ذي العشرة أجزاء (ننشره قريبا إن شاء الله وسنضيف عليه ما قيل في الشيخ وفي طريقته من القصائد المتأخرة).

 

‌‌19 - وصف الحضارة الحاضرة بما لها وما عليها (مخطوط):

قصيدة جيمية طويلة في حوالي 253 بيتا، ضاعت منه على حد تعبيره في كتابه معتقل الصحراء ص 159 الجزء الأول.

ووجدنا بين أوراق خاصة بمقيدات عن كتاباته عن معتقل الصحراء في ظهر صفحة، مسودة بها أبيات شعرية مرقمة كبداية لقصيدة نظنها أنها هي هذه المذكورة ومطلعها:

حضارة الضوضاء والبهرجة … فيا لها حضارة محرجه

 

‌‌20 - العرشية النونية الكبرى (مخطوط):

قصيدة طويلة لم يتممها، على حد تعبيه على ظهر الظرف الذي وجدناها فيه، وما وجد منها فيه 130 بيتا، وقد عنون على رأس كل مجموعة من الأبيات فيها ما يلي:

العرش والشعب- تأسيس العرش- العلويون على العرش- المحافظة على العرش- مهمة الجنوب للعرش من قديم- سجلماسة منبث العظماء دائما.

ومطلعها جاء فيه:

ارفع الرأس شامخ العرنين … أو ما تستبين عين اليقين؟

أو ما تبصر الحقائق في مغربـ … ـك الشهم ناصعات الجبين؟
‌১৮ - দিওয়ান আশ-শাইখ আল-ইলগি (পাণ্ডুলিপি):

এর প্রথম পরিচ্ছেদে তাঁর পিতা শাইখ সিদি আল-হাজ আলি আদ-দারকাওয়ি আল-ইলগির সকল কাব্য সংকলন করা হয়েছে। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে তাঁর সম্পর্কে রচিত সকল প্রশংসা গাথা এবং তাঁর মৃত্যুর পর রচিত শোকগাথা, সেইসাথে তাঁর তরীকা সম্পর্কে (কবিতায়) যা কিছু বলা হয়েছে তা সংকলিত হয়েছে। এই দিওয়ানটি মূলত তাঁর দশ খণ্ডের বই ‘মিন আফওয়াহির রিজাল’-এর একটি অংশ ছিল (ইনশাআল্লাহ আমরা শীঘ্রই এটি প্রকাশ করব এবং এতে শাইখ ও তাঁর তরীকা সম্পর্কে রচিত পরবর্তী সময়ের কাসিদাসমূহ সংযোজন করব)।

 

‌‌১৯ - বর্তমান সভ্যতার বর্ণনা: এর ভালো ও মন্দ দিকসমূহ (পাণ্ডুলিপি):

প্রায় ২৫৩টি পঙক্তির একটি দীর্ঘ 'জিমিয়া' কাসিদা, তাঁর নিজের বর্ণনা অনুযায়ী এটি হারিয়ে গেছে, যেমনটি তিনি তাঁর ‘মু’তাকালুস সাহারা’ বইয়ের প্রথম খণ্ডের ১৫৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন।

আমরা তাঁর সাহারা কারাগার সংক্রান্ত লেখার ব্যক্তিগত কাগজপত্রের মধ্যে একটি পৃষ্ঠার উল্টো পাশে একটি খসড়া খুঁজে পেয়েছি, যেখানে কিছু সংখ্যাযুক্ত কবিতাংশ রয়েছে। আমাদের ধারণা, এটিই সেই উল্লিখিত কবিতা। এর সূচনাটি হলো:

কোলাহল ও চাকচিক্যের সভ্যতা … হায়, এ তো এক সংকটময় সভ্যতা

 

‌‌২০ - আল-আরশিয়্যাহ আন-নুনিয়্যাহ আল-কুবরা (পাণ্ডুলিপি):

এটি একটি দীর্ঘ কাসিদা যা তিনি সম্পন্ন করতে পারেননি, যে খামটির মধ্যে আমরা এটি পেয়েছি তার উপরে তাঁর নিজের বর্ণনা অনুযায়ী এটি জানা যায়। এতে ১৩০টি পঙক্তি পাওয়া গেছে। প্রতিটি পঙক্তিগুচ্ছের শুরুতে তিনি নিম্নোক্ত শিরোনামগুলো দিয়েছেন:

আরশ ও জনগণ- আরশের প্রতিষ্ঠা- আরশের উপর আলাওয়িগণ- আরশ সংরক্ষণ- প্রাচীনকাল থেকে আরশের প্রতি দক্ষিণাঞ্চলের ভূমিকা- সিজিলমাসা সর্বদা মহান ব্যক্তিদের উৎপত্তিস্থল।

এর সূচনাটি নিম্নরূপ:

তোমার মস্তক উন্নত করো, গর্বিত করো তোমার নাসিকা … অথবা তোমার ইয়াকিনের চোখে কি তা স্পষ্ট নয়?

অথবা তুমি কি তোমার সাহসী মরক্কোর সত্যসমূহ … উজ্জ্বল ললাটে অবলোকন করছ না?
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌21 - معتقل الصحراء (الجزء الأول):

مذكراته في معتقل تنجداد وأغبالو نكردوس، ووصف لحياته مع المعتقلين، وأورد فيه عددا من القصائد (نشرناه في جزء).

 

‌‌22 - مدارس سوس العتيقة نظامها وأساتذتها:

يضم فصلين، فصل في نظام المدارس وكيفية التدريس بها، وفصل في ذكر مشهورات المدارس العتيقة (100 مدرسة) مع ذكر الأساتذة الذين مروا فيها (نشرناه في جزء) - راجع الكتاب رقم 4 المذكور هنا -.

 

‌‌23 - أسانيد وإجازات سوسية (مخطوط):

جمعها أولا مما وقف عليه في مجلده في أوليات نفيه إلى إلغ، وزاد عليها كثيرا، وهي إجازات وأسانيد علماء سوس إلا القليل منهم (نشر بعضها ضمن مؤلفاته). ووجدنا في خزانته الخاصة أيضا الكثير منها إما مدونا في دفاتر حاصة أو في ورقات على حدة، وسنعمل بحول الله على تبيان ذلك عند نشرنا لهذا الكتاب.

 

‌‌24 - عقود العقيان في إجازاتي للإخوان (مخطوط):

جمع في مجلدة خاصة كل الإجازات التي أجاز بها طلبته، وكل من طلبها منه، وأول إجازة وجدناها في المخطوط هي التي أجاز بها السيد إدريس ابن الحاج الوعلي الصوابي مؤرخة بتاريخ 5 ذي الحجة 1361هـ.

 

‌‌25 - الإجازات الموجز بها (مخطوط):

جمعنا فيه الإجازات التي أجيز بها، وعندنا منها 16 إجازة، منها إجازة ابن زيدان والمدني بن الحسني، والطاهر الإفراني وابن عاشور التونسي، والطاهر الباعمراني ومحمد سداتي وغيرهم.

 

‌‌26 - أنا والأدب:

محاضرة كان قد ألقاها على ثلة من أدباء الحمراء 24 شعبان عام 1355هـ، بين فيها عن علاقته بالأدب وتدرجه فيه والمراحل التي قطعها، مبرزا دور شيوخه في هذا الباب، كالطاهر الإفراني وابنه ومولاي عبد الرحمن البزكارني (وقد اعتنى بإعدادها ابن عمنا المرحوم درقاوي عبد الله وقد نشرت في الكتاب الذي أهدي للدكتور عباس الجراري).
‌২১ - মরুভূমির বন্দিশালা (প্রথম অংশ):

তিজদাদ এবং আগবালু নকরদুস বন্দিশালায় তাঁর স্মৃতিকথা, এবং বন্দিদের সাথে তাঁর জীবনের বর্ণনা। এতে তিনি বেশ কিছু কবিতা অন্তর্ভুক্ত করেছেন (আমরা এটি এক খণ্ডে প্রকাশ করেছি)।

 

‌‌২২ - সুসের প্রাচীন মাদরাসা: এর পদ্ধতি ও শিক্ষকবৃন্দ:

এটি দুটি অধ্যায় নিয়ে গঠিত: একটি অধ্যায় মাদরাসাগুলোর পদ্ধতি এবং সেখানে পাঠদানের ধরন সম্পর্কে, এবং অন্যটি বিখ্যাত প্রাচীন মাদরাসাগুলো (১০০টি মাদরাসা) ও সেখানে শিক্ষকতা করা ব্যক্তিদের বর্ণনায় (আমরা এটি এক খণ্ডে প্রকাশ করেছি) - এখানে উল্লিখিত ৪ নম্বর বইটি দেখুন।

 

‌‌২৩ - সুসের আসানিদ ও ইজাযতসমূহ (পাণ্ডুলিপি):

ইলিগ-এ তাঁর নির্বাসনের শুরুর দিকে তিনি যা সংগ্রহ করেছিলেন, প্রথমে তা থেকে এটি সংকলন করেন এবং পরবর্তীতে এতে অনেক কিছু যোগ করেন। এটি সুসের আলেমদের ইজাযত ও আসানিদ, যার মধ্যে খুব অল্প সংখ্যকই বাদ পড়েছে (এর কিছু অংশ তাঁর রচনাবলীর মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে)। আমরা তাঁর ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারেও এর অনেকগুলো পেয়েছি, যা হয় বিশেষ খাতায় লিপিবদ্ধ অথবা আলাদা পাতায় সংরক্ষিত। আল্লাহ চাহেন তো এই বইটি প্রকাশের সময় আমরা তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরব।

 

‌‌২৪ - উকুদুল উকিয়ান ফি ইজাযাতি লিল ইখওয়ান (পাণ্ডুলিপি):

তিনি তাঁর ছাত্রদের এবং যারা তাঁর কাছে আবেদন করেছিলেন, তাঁদেরকে দেওয়া সকল ইজাযত একটি বিশেষ খণ্ডে সংগ্রহ করেছেন। এই পাণ্ডুলিপিতে আমরা প্রথম যে ইজাযতটি পেয়েছি, তা হলো ৫ যিলহজ ১৩৬১ হিজরিতে সাইয়্যিদ ইদরিস ইবনে আল-হজ আল-ওয়ালি আল-সাওয়াবি-কে দেওয়া ইজাযত।

 

‌‌২৫ - আল-ইজাযাতুল মুজায বিহা (পাণ্ডুলিপি):

তাঁকে যে ইজাযতগুলো প্রদান করা হয়েছিল, আমরা এতে সেগুলো সংগ্রহ করেছি। আমাদের কাছে ১৬টি ইজাযত রয়েছে, যার মধ্যে ইবনে যাইদান, আল-মাদানি বিন আল-হাসানি, আত-তাহির আল-ইফরানি, তিউনিসিয়ার ইবনে আশুর, আত-তাহির আল-বা-আমিরানি, মুহাম্মদ সাদাতি এবং অন্যদের ইজাযত অন্তর্ভুক্ত।

 

‌‌২৬ - আমি ও সাহিত্য:

এটি একটি বক্তৃতা যা তিনি ২৪ শাবান ১৩৫৫ হিজরিতে আল-হামরার একদল সাহিত্যিকের সামনে প্রদান করেছিলেন। এতে তিনি সাহিত্যের সাথে তাঁর সম্পর্ক, এর ক্রমবিকাশ এবং তিনি যেসব পর্যায় অতিক্রম করেছেন তা বর্ণনা করেছেন। পাশাপাশি এই ক্ষেত্রে তাঁর উস্তাদদের ভূমিকাও তুলে ধরেছেন, যেমন আত-তাহির আল-ইফরানি ও তাঁর পুত্র এবং মাওলাই আবদুর রহমান আল-বিজকারনি (আমাদের চাচাতো ভাই মরহুম দারকাউয়ি আবদুল্লাহ এটি সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং এটি ডক্টর আব্বাস আল-জারারিকে উৎসর্গ করা বইটিতে প্রকাশিত হয়েছে)।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌27 - المؤلفون السوسيون (مخطوط):

ذكر ووصف فيه عددا كبيرا من المؤلفات السوسية لزهاء 600 مؤلفا رتبه على القرون (نشر بعض أسمائها في سوس العالمة دون ذكر وصفها).

 

‌‌28 - أدبيات ورسائل وقت الوزارة في الأوقاف (مخطوط):

جمعه في مجموع وجدناه في ملف ضم الرسائل والقصائد الشعرية التي توصل بها بعد الاستقلال أثناء توليه منصب وزير الأوقاف ومنصب وزير التاج بعده، وهي رسائل وقصائد للتهنئة بهذين المنصبين، وفي المجموع كذلك قصائد عديدة رفعت إليه كتهنئة باستقلال المغرب ومنها بعض تهانئ لمحمد الخامس - قدس الله روحه - عند زيارته للأقاليم الجنوبية السوسية، وقد أضفنا الكثير إلى هذا الملف من بين ما وجدناه في خزانته أو مما حصلنا عليه.

 

‌‌29 - في النقد والأدب:

أربع مقالات طويلة حاول فيها إبداء رأيه في النقد الأدبي، وتناول فيها كذلك نقده وتحليله لعدد من القصائد العرشية لسنة 1949م (نشرها في جريدة رسالة الأمة سنة 1950م، شهري فبراير ومارس أعداد 49 - 50 - 51 - 52).

 

*‌‌ مجموعة دروس أغبالونكردوس:

وهي في الدروس التي كان يلقيها على المعتقلين معه في أغبالو نكردوس وأهمها:

 

‌‌30 - دروس في التصريف (مخطوط):

وهي حوالي 26 درسا كبيرا، حاول فيها استخلاص كل ما يحوم حول التصريف أفعالا ومصادر ومشتقات وتصريف أفعال، وقد اقتصر فيها على القياس لينتفع بها المبتدئون -على حد تعبيره- (أنظر معتقل الصحراء الجزء الأول ص 196 وكذلك الجزء الثالث من الإلغيات ص 195).
২৭ - সুসি লেখকগণ (পাণ্ডুলিপি):

এতে প্রায় ৬০০ লেখকের বিপুল সংখ্যক সুসি রচনার উল্লেখ ও বর্ণনা করা হয়েছে, যা তিনি শতাব্দী অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন (এর কিছু নাম 'সুস আল-আলিমা' গ্রন্থে বর্ণনা ছাড়াই প্রকাশিত হয়েছে)।

 

২৮ - আওকাফ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালীন সাহিত্য ও পত্রাবলি (পাণ্ডুলিপি):

তিনি এগুলোকে একটি সংকলনে একত্রিত করেছেন যা আমরা একটি ফাইলে পেয়েছি। এতে স্বাধীনতার পর আওকাফ মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে রাজকীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর কাছে আসা পত্রাবলি ও কবিতা সংকলিত হয়েছে। এগুলো মূলত এই দুই পদে নিযুক্ত হওয়ার অভিনন্দনমূলক পত্র ও কবিতা। এই সংকলনে মরক্কোর স্বাধীনতা উপলক্ষে তাঁকে নিবেদিত অসংখ্য কবিতাও রয়েছে, যার মধ্যে পঞ্চম মুহাম্মাদ—আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন—এর সুসি দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো সফরের সময়কার কিছু অভিনন্দন বার্তাও অন্তর্ভুক্ত। তাঁর লাইব্রেরিতে যা পেয়েছি বা আমরা যা সংগ্রহ করেছি তা থেকে এই ফাইলে অনেক কিছু যুক্ত করা হয়েছে।

 

২৯ - সমালোচনা ও সাহিত্যে:

চারটি দীর্ঘ প্রবন্ধ যাতে তিনি সাহিত্য সমালোচনার বিষয়ে তাঁর মতামত ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছেন। এতে ১৯৪৯ সালের বেশ কিছু রাজকীয় কবিতার সমালোচনা ও বিশ্লেষণও স্থান পেয়েছে (এগুলো ১৯৫০ সালে 'রিসালাতুল উম্মাহ' পত্রিকায় ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের ৪৯, ৫০, ৫১ ও ৫২ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে)।

 

*আগবালু নাকারদুস পাঠমালা:

এটি সেইসব পাঠের সংকলন যা তিনি আগবালু নাকারদুসে তাঁর সাথে বন্দি থাকা ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে প্রদান করতেন, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো:

 

৩০ - ইলমুত তাসরিফ বা শব্দতত্ত্বের পাঠ (পাণ্ডুলিপি):

এটি প্রায় ২৬টি বৃহৎ পাঠের সমষ্টি। এতে তিনি ক্রিয়া, মূল ধাতু (মাসদার), বুৎপন্ন শব্দ এবং ক্রিয়ার রূপান্তর সংক্রান্ত সবকিছুর সারসংক্ষেপ করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর ভাষ্যমতে, এটি কেবল ব্যাকরণগত নিয়মের (কিয়াস) মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে যাতে নবীনরা উপকৃত হতে পারে (দেখুন: 'মু'তাকাল আস-সাহারা', ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৯৬ এবং 'আল-ইলগিয়াত', ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৯৫)।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌31 - دروس في النحو المبسط (مخطوط):

دروس للمبتدئين كالثانوي، افتتحه لبعضهم، يكتب لهم ويعطيهم التمارين (أنظر معتقل الصحراء الجزء الأول ص200).

 

‌‌32 - دروس ملحقة بالقواعد (مخطوط):

دروس أخرى على بعض المعتقلين، أقرأ فيها علم البيان والمعاني والبديع مع مراجعة الحاضرين للبلاغة الواضحة (أنظر كذلك معتقل الصحراء الجزء الأول ص200).

 

‌‌33 - دروس من اللغة والأدب (مخطوط):

كمثيلاتها دروس على بعض المعتقلين في هذا الموضوع (أنظر كذلك كتابه معتقل الصحراء الجزء الأول ص200).

 

*‌‌ كبريات رسائله الإلغية:

سنعرف هنا فقط بعض رسائله الكبرى الطويلة في مواضيع شتى دونها في منفاه بقريته إلغ:

 

‌‌34 - الأجوبة الحاضرة البادية، في تفضيل الحاضرة اليوم لمثلي على البادية:

كتب هذه الرسالة تنبيها لابن عمه سيدي عبد الله بن إبراهيم الإلغي وهي رسالة يعارض فيها جزءا من رسالة اليوسي إلى المولى إسماعيل، ابتدأها بتلخيص ما أريد من رسالة اليوسي في تفضيل البادية على الحاضرة، ثم جاء الفصل الأول في الموازنة بين البادية والحاضرة مطلقا، وفي الفصل الثاني على تفضيل الحاضرة على البادية في نظر كاتبها، ثم أخيرا ما بين شخصيتي اليوسي والكاتب (انظر الجزء الثاني من الإلغيات صفحات 100 - 135).

 

‌‌35 - نوازع الغربة:

رسالة جوابية إخوانية أرسلها إلى صنوه وشقيقه سيدي إبراهيم بن علي الإلغي ناقشه في مسائل أخوية كان قد ذكرها في رسالته، وبث فيها أشواقه
৩১ - সহজবোধ্য নাহু পাঠ (পাণ্ডুলিপি):

মাধ্যমিক পর্যায়ের মতো নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ, যা তিনি কয়েকজনের জন্য শুরু করেছিলেন। তিনি তাদের জন্য পাঠ লিখতেন এবং অনুশীলনী প্রদান করতেন (দেখুন: মরুভূমির কারাগার, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০০)।

 

৩২ - ব্যাকরণ সংশ্লিষ্ট পাঠসমূহ (পাণ্ডুলিপি):

কয়েকজন বন্দীর জন্য প্রদত্ত অন্য কিছু পাঠ, যাতে আমি ইলমুল বায়ান, মা’আনি এবং বাদী’ পড়াতাম এবং উপস্থিতরা 'আল-বালাগাতুল ওয়াদিহা' পর্যালোচনা করত (দেখুন: পূর্বোক্ত, মরুভূমির কারাগার, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০০)।

 

৩৩ - ভাষা ও সাহিত্যের পাঠসমূহ (পাণ্ডুলিপি):

পূর্বের পাঠগুলোর মতোই এই বিষয়ে কয়েকজন বন্দীর জন্য প্রদত্ত পাঠ (দেখুন: পূর্বোক্ত, তাঁর গ্রন্থ মরুভূমির কারাগার, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০০)।

 

*তাঁর বৃহত্তর ইলগি পত্রাবলি:

আমরা এখানে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লিখিত সুদীর্ঘ ও বড় কিছু পত্রের সাথে পরিচিত হব, যা তিনি ইলগ গ্রামে তাঁর নির্বাসিত জীবনে লিপিবদ্ধ করেছিলেন:

 

৩৪ - আল-আজওয়িবাতুল হাদিরাতিল বাদিয়াহ (আমার মতো ব্যক্তির জন্য বর্তমানে পল্লী অঞ্চলের চেয়ে শহুরে জীবনকে অগ্রাধিকার প্রদানের সপক্ষে তাৎক্ষণিক উত্তরসমূহ):

তিনি এই পত্রটি তাঁর চাচাতো ভাই সিদি আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-ইলগির দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য লিখেছিলেন। এটি এমন একটি পত্র যেখানে তিনি মৌলা ইসমাইলের কাছে প্রেরিত আল-ইউসির পত্রের একটি অংশের বিরোধিতা করেছেন। তিনি আল-ইউসির পত্রের সারসংক্ষেপ দিয়ে এটি শুরু করেছেন, যেখানে পল্লী অঞ্চলকে শহরের ওপর অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রথম পরিচ্ছেদে সাধারণভাবে পল্লী ও শহরের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে লেখকের দৃষ্টিতে পল্লীর ওপর শহরের শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করা হয়েছে। পরিশেষে আল-ইউসি এবং লেখকের ব্যক্তিত্বের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে (দেখুন: আল-ইলগিয়্যাত এর দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১০০ - ১৩৫)।

 

৩৫ - নাওয়াযিউল গুরবাহ (প্রবাসের তাড়না):

এটি একটি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ জবাবী পত্র যা তিনি তাঁর সহোদর ভাই সিদি ইব্রাহিম বিন আলি আল-ইলগির কাছে পাঠিয়েছিলেন। এতে তিনি তাঁর ভাইয়ের পত্রে উল্লিখিত বিভিন্ন ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং তাঁর ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছেন।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১১)
إليه وشوقه إلى الحرية المطلقة التي يعانيها في غربته بمنفاه بإلغ (الجزء الثاني من الإلغيات صفحات 136 - 151).

 

‌‌36 - الوظيفة محاسنها ومساوئها:

رسالة في شكل مقالة أرسلها إلى الشاعر الحسن البونعماني بين فيها مساوئ الوظيفة ومحاسنها، وهل للوظيفة فوائد حقيقة، ثم بين نفسية الشعراء والوظيفة (أنظر كتابه الإلغيات الجزء الثالث صفحات 63 - 73).

 

‌‌37 - من ضمير إلى ضمير:

رسالة كبرى حول الفضيلة كتبها إلى تلميذه الأديب أحمد شوقي المراكشي (راجعها في الجزء الثالث من الإلغيات ابتداء من صفحة 119).

 

‌‌38 - الرسالتان البونعمانية والشوقية:

كان قد سماه في الأول نجوى الصديقين، كتبه إثر الرحلة الأولى من رحلات خلال جزولة بث فيه رسالة كبرى إلى الأديب الحسن البونعماني وأخرى إلى الأديب أحمد شوقي المراكشي ويقول بأنه أودع فيها مما يجول إذ ذاك في خاطره، … وفيهما أيضا أدبيات إلغية وفوائد عديدة، وقد أخرجه على حد تعبيره كتتمة للرحلة الأولى من رحلات خلال جزولة (طبعه في جزء وسط).

 

‌‌39 - الرسائل المختارية (مخطوط):

جمعنا فيه كل الرسائل التي توصل بها أو التي أرسلها -على حد ما حصلنا عليه- وفي نيتنا ترتيبها وتبيان ما تم نشره في ثنايا كتبه، وما لم ينشر فنخرجه للوجود بحول الله، لأننا وجدنا بعض هذه الرسائل تحتوي على معلومات هامة و …

 

‌‌جانب التراجم السير

‌‌40 - رجالات العلم العربي في سوس:

وهو في شكل فهرس لعلماء سوس مرتب على الطبقات، ويغطي من القرن الخامس الهجري إلى منتصف القرن الرابع عشر، يضم تراجم
তার প্রতি এবং পরম স্বাধীনতার প্রতি তার আকুলতা যা তিনি ইল্গের প্রবাস জীবনে পরবাসে থাকাকালীন ভোগ করেছেন (আল-ইলগিয়াত দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৩৬ - ১৫১)।

 

‌‌৩৬ - চাকরি: এর গুণাবলী ও দোষসমূহ:

প্রবন্ধের আকারে একটি পত্র যা তিনি কবি আল-হাসান আল-বুনুমানির নিকট প্রেরণ করেছিলেন, যাতে তিনি চাকরির দোষ-গুণ এবং চাকরির প্রকৃত কোনো উপকারিতা আছে কি না তা বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি কবিদের মনস্তত্ত্ব ও চাকরির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন (দেখুন তার গ্রন্থ আল-ইলগিয়াত, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৬৩ - ৭৩)।

 

‌‌৩৭ - বিবেক থেকে বিবেকের কাছে:

নৈতিক উৎকর্ষ বা ফযীলত বিষয়ে একটি দীর্ঘ পত্র যা তিনি তার ছাত্র সাহিত্যিক আহমদ শাওকি আল-মাররাকুশির নিকট লিখেছেন (আল-ইলগিয়াতের তৃতীয় খণ্ডের ১১৯ পৃষ্ঠা থেকে এটি দেখুন)।

 

‌‌৩৮ - আল-বুনুমানিয়া এবং আশ-শাওকিয়া পত্রদ্বয়:

শুরুতে তিনি এর নাম দিয়েছিলেন 'নাজওয়াস সিদ্দিকীন' (বন্ধুদের গোপন আলাপ)। এটি তিনি 'খিলালা জাযুলা' ভ্রমণের প্রথম সফর শেষে লিখেছিলেন, যাতে তিনি সাহিত্যিক হাসান আল-বুনুমানির নিকট একটি দীর্ঘ পত্র এবং সাহিত্যিক আহমদ শাওকি আল-মাররাকুশির নিকট আরেকটি পত্র অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বলেন যে, সেই সময়ে তার মনে যা উদিত হচ্ছিল তা তিনি এতে নিহিত করেছেন, … এবং এই পত্র দুটিতে ইল্গের সাহিত্যিক উপাদান ও অনেক উপকারিতা রয়েছে। তার বর্ণনা মতে, তিনি এটি 'খিলালা জাযুলা' সফরের প্রথম অংশের পরিশিষ্ট হিসেবে প্রকাশ করেছেন (এটি একটি মাঝারি খণ্ডে মুদ্রিত)।

 

‌‌৩৯ - আর-রাসায়েল আল-মুখতারিয়া (পাণ্ডুলিপি):

আমরা এতে সেই সমস্ত পত্র সংগ্রহ করেছি যা তিনি পেয়েছেন অথবা পাঠিয়েছেন—যতটুকু আমরা সংগ্রহ করতে পেরেছি। আমাদের ইচ্ছা আছে এগুলো বিন্যস্ত করার এবং তার বইয়ের ভেতরে যা প্রকাশিত হয়েছে আর যা প্রকাশিত হয়নি তা স্পষ্ট করার, যাতে আল্লাহর শক্তিতে আমরা তা প্রকাশ করতে পারি। কারণ আমরা দেখেছি যে এই পত্রগুলোর কিছু কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধারণ করে এবং …

 

‌‌জীবনী ও জীবনচরিত বিভাগ

‌‌৪০ - সুসের আরবি ইলমের ব্যক্তিবর্গ:

এটি সুস অঞ্চলের আলেমদের একটি সূচিপত্র যা স্তরবিন্যাস অনুযায়ী সাজানো। এটি হিজরি পঞ্চম শতাব্দী থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত সময়কালকে আবৃত করে এবং এতে জীবনচরিত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১২)
مختصرة لأزيد من 1815 عالم وعالمة، بما فيهم كبار الصوفية والقراء، وقد قال مؤلفه بأنه يريده أن يكون كمعجم لعلماء سوس (نشرناه في جزء).

 

‌‌41 - الترياق المداوي في أخبار الشيخ سيدي الحاج علي الدرقاوي:

في سيرة والده، ألقى فيه نظرة على نشاطه الصوفي والتربوي العام، وذلك في ضوء نظرته السلفية ويقول بأنه شفى فيه بعض غليله لما علم من مبدئه الخاص في هذا الموضوع، وذيله بما كتبه سيدي مبارك بن علي المجاطي في كتابه " السرالجلي في أحوال الشيخ سيدي الحاج علي " (أشرف بنفسه على طبعه ونشره).

 

‌‌42 - منية المتطلعين إلى من في الزاوية الإلغية من الفقراء المنقطعين:

جمع فيه زهاء 170 ترجمة من الفقراء المنقطعين إلى والده الشيخ الإلغي من المتجردين، والذين كانوا مظهر تربيته (طبعه في جزء).

 

‌‌43 - الصالحون المتبرك بهم في سوس أخيرا (مخطوط):

في حوالي ستين ترجمة لأولياء الله الصالحين، لم يبلغ فيه مراده ليتمه -على حد تعبيره- إما بالزيادة أو التنقيح وهو في جزء وسط. (نشر بعضه ضمن مؤلفاته).

 

‌‌44 - إتحاف النبيه لبعض مآثر سيدي أحمد الفقيه (مخطوط):

في سيرة هذا الشيخ الجليل والصوفي الكبير، وهو من أصحاب والده، ويقول بأنه رأى العجائب في تيسير جمعه في يومين (هيأه للطبع في جزء) ويحتوي المخطوط كذلك على مقالة لجامع الكتاب وهي (معنى الولي في الشرع) - نشرناها ضمن رسالة والده الإلغي (عقد الجمان لمريد العرفان).

 

‌‌45 - مشيخة الإلغيين من الحضريين (مخطوط):

فهرس موسع لتراجم أساتذته الحضريين من فاس والرباط ومراكش، وعددهم سبعة وعشرون عالما منهم: محمد بن العربي العلوي - أبو شعيب
১৮১৫ জনেরও বেশি আলেম ও আলেমার সংক্ষিপ্ত জীবনী, যাদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সুফি ও ক্বারিগণ রয়েছেন। এর লেখক বলেছেন যে, তিনি এটিকে সুস অঞ্চলের আলেমদের একটি অভিধান হিসেবে সংকলন করতে চেয়েছিলেন (আমরা এটি এক খণ্ডে প্রকাশ করেছি)।

 

‌‌৪১ - আত-তিরইয়াকুল মুদাওয়ি ফি আখবারিশ শাইখ সিদি আল-হাজ্জ আলি আদ-দারকাউয়ি:

এটি তাঁর পিতার জীবনী গ্রন্থ, যেখানে তিনি তাঁর পিতার সাধারণ সুফিবাদী ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করেছেন, এবং তা তাঁর নিজস্ব সালাফি দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে। তিনি বলেন যে, এই বিষয়ে তাঁর বিশেষ মূলনীতির কারণে তিনি এতে তাঁর জ্ঞানতৃষ্ণার কিছুটা নিবারণ করেছেন। তিনি এই গ্রন্থের পরিশিষ্টাংশে সিদি মুবারক বিন আলি আল-মাজ্জাতির রচিত "আস-সিররুল জালি ফি আহওয়ালিশ শাইখ সিদি আল-হাজ্জ আলি" গ্রন্থটি সংযোজন করেছেন (তিনি নিজেই এর মুদ্রণ ও প্রকাশনার তদারকি করেছেন)।

 

‌‌৪২ - মুনিয়াতুল মুতাতাল্লি'ইন ইলা মান ফিজ-জাউইয়াতিল ইলগিয়্যাহ মিনাল ফুক্বারাইল মুনকাতি'ইন:

তিনি এতে প্রায় ১৭০ জন দুনিয়াত্যাগী দরবেশের জীবনী সংকলন করেছেন, যারা তাঁর পিতা শাইখ আল-ইলগির কাছে নিবেদিত ছিলেন এবং যারা ছিলেন তাঁর আধ্যাত্মিক তরবিয়ত বা প্রশিক্ষণের বাস্তব উদাহরণ (এটি এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে)।

 

‌‌৪৩ - আস-সালিহুন আল-মুতাবাররাকু বিহিহিম ফি সুস আখিরান (পাণ্ডুলিপি):

এতে আল্লাহর নেককার ওলিদের প্রায় ষাটটি জীবনী রয়েছে। তাঁর নিজের ভাষায়—পরিবর্ধন বা পরিমার্জনের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করার যে ইচ্ছা ছিল, তা তিনি পুরোপুরি অর্জন করতে পারেননি। এটি একটি মাঝারি মানের খণ্ডে রয়েছে। (এর কিছু অংশ তাঁর রচনাবলির অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে)।

 

‌‌৪৪ - ইতহাফুন নাবিহ লি-বাদি মাসিরি সিদি আহমাদ আল-ফাকিহ (পাণ্ডুলিপি):

এই গ্রন্থটি একজন মহান শাইখ ও উচ্চমর্যাদার সুফির জীবনী নিয়ে রচিত, যিনি তাঁর পিতার সাথীদের একজন ছিলেন। তিনি বলেন যে, মাত্র দুই দিনে এটি সংকলন করার সহজসাধ্যতার ক্ষেত্রে তিনি অলৌকিক বিষয় প্রত্যক্ষ করেছেন (তিনি এটি এক খণ্ডে মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করেছেন)। এই পাণ্ডুলিপিতে সংকলকের একটি প্রবন্ধও রয়েছে যার শিরোনাম হলো "শরীয়তের দৃষ্টিতে ওলির পরিচয়"—এটি আমরা তাঁর পিতা আল-ইলগির রিসালাহ "ইকদুজ জুমান লি-মুরিদিল ইরফান"-এর অন্তর্ভুক্ত করে প্রকাশ করেছি।

 

‌‌৪৫ - মাশইয়াখাতুল ইলগিয়্যিন মিনাল হাদারিইয়িন (পাণ্ডুলিপি):

এটি ফাস, রাবাত ও মারাকাসের শহুরে উস্তাদদের জীবনী সম্বলিত একটি বিস্তারিত তালিকা। তাঁদের সংখ্যা সাতাশ জন আলেম, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: মুহাম্মদ বিন আল-আরাবি আল-আলাউয়ি এবং আবু শুআইব।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১৩)
الدكالي - عباس بناني - أحمد البلغيتي - المدني بن الحسني - السائح الرباطي - فتح الله الرباطي، وخاتمة مسكهم العلامة النقيب عبد الرحمن بن زيدان.

وهذا الكتاب هو في الأصل جزء من فصل من فصول المعسول (شيوخ الإلغيين)، تركه مؤلفه على حدة، لأن المذكورين فيه ليسوا على شرط المعسول لأن جلهم ليسوا بسوسيين (هيأناه للطبع في جزء كبير).

 

‌‌46 - الجزء الثاني من معتقل الصحراء (مخطوط):

ترجم فيه كل من اعتقلوا معه في معتقلي تنجداد وأغبالو نكردوس، وهم زهاء أربعين معتقلا كالشيخ إبراهيم الكتاني - محمد الفاسي - المهدي بنبركة -عمر بن الشمسي - علي بركاش - فضول الصايغ - محمد الحلو - أحمد بناني و ..... وأهمية هذه التراجم هي أنها تراجم من أفواه المترجمين، وتختتم غالبا بسؤالهم عن أمنيتهم في المستقبل (مهيأ للطبع في جزء).

 

‌‌47 - علماء تافيلالت (مخطوط):

وجدنا له في كناشة خاصة أسماء وتراجم صغيرة لعلماء تافيلالت افتتحه بـ (كانت مضغرة محل العلم والاستفتاء من جميع مجاور لها) وأتى بـ 37 ترجمة افتتحها بمولاي الصديق بن هاشم بن الكبير العلامة القاضي قبل عهد مولاي الحسن الأول، وتوقف عند الرقم 38.

ولا ندري هل هو مشروع مؤلف عن هؤلاء العلماء؟ والغالب على الظن أنه كتبه عند إحدى زياراته لتافيلات (أنظر الرحلة الوزيرية والرحلة الأميرية المذكورتين هنا).

 

‌‌48 - آثار العلامة المحدث سيدي محمد بن عبد اله الناصري (مخطوط):

ذكر في المعسول ج11 ص 315 و 316 (أن بين أيدينا كثيرا من آثاره، ولم يتسع وقتنا لجمعنا فيه مؤلفا)، ربما كان هذا مشروعا لكتابة مؤلف عنه، ولا علم لنا هل ألفه أم لا، وهذه الآثار التي ذكرها موجودة في ظرف عندنا.
আদ-দুক্কালি - আব্বাস বান্নানি - আহমাদ আল-বালগিতি - আল-মাদানি বিন আল-হাসানি - আস-সাইহ আর-রিবাত্বি - ফাতহুল্লাহ আর-রিবাত্বি, এবং তাদের মধ্যে সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠতম হলেন আল্লামা আন-নাকিব আবদুর রহমান বিন যাইদান।

এই বইটি মূলত 'আল-মা’সুল' (শায়খুল ইলগিয়্যিন) গ্রন্থের অন্যতম একটি পরিচ্ছেদের অংশ, যা লেখক পৃথক করে রেখেছিলেন। কারণ এতে যাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তারা 'আল-মা’সুল' গ্রন্থের শর্ত পূরণ করেন না, যেহেতু তাদের অধিকাংশই সুসি (সুস অঞ্চলের অধিবাসী) নন (আমরা এটি একটি বড় খণ্ডে মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করেছি)।

 

‌‌৪৬ - আল-মু’তাকাল আস-সাহারা (মরুভূমির বন্দিশালা)-এর দ্বিতীয় খণ্ড (পাণ্ডুলিপি):

এতে তিনি তাদের সকলের জীবনী আলোচনা করেছেন যারা তার সাথে তিনজদাদ এবং আগবালু নাকারদুস বন্দিশালায় বন্দী ছিলেন। তারা সংখ্যায় প্রায় চল্লিশজন বন্দী, যেমন—শায়খ ইব্রাহিম আল-কাত্তানি, মুহাম্মদ আল-ফাসি, আল-মাহদি বিন বারকা, উমর বিন আশ-শামসি, আলি বারকাশ, ফুদুল আস-সাইগ, মুহাম্মদ আল-হিলু, আহমাদ বান্নানি প্রমুখ। এই জীবনীগুলোর গুরুত্ব হলো, এগুলো খোদ সেই ব্যক্তিদের মুখ থেকে বর্ণিত জীবনী, এবং এগুলো সাধারণত তাদের ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে প্রশ্নের মাধ্যমে শেষ হয়েছে (এটি এক খণ্ডে মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে)।

 

‌‌৪৭ - উলামাউ তাফিলালত (তাফিলালতের আলেমগণ) (পাণ্ডুলিপি):

আমরা একটি বিশেষ নোটবুকে তাফিলালতের আলেমদের নাম এবং সংক্ষিপ্ত জীবনী পেয়েছি। তিনি এটি এই কথা দিয়ে শুরু করেছেন যে, '(মাদগারা অঞ্চলটি তার পার্শ্ববর্তী সকল এলাকার জন্য ইলম এবং ফাতওয়া প্রদানের কেন্দ্র ছিল)'। এতে তিনি ৩৭ জন ব্যক্তির জীবনী উল্লেখ করেছেন, যার সূচনা করেছেন প্রথম মৌলয় হাসানের যুগের পূর্ববর্তী আল্লামা ও কাজী মৌলয় আস-সিদ্দিক বিন হাশিম বিন আল-কাবিরকে দিয়ে, এবং তিনি ৩৮ নম্বর ক্রমিকে গিয়ে থেমেছেন।

আমরা জানি না এটি কি ওই আলেমদের নিয়ে কোনো গ্রন্থ রচনার পরিকল্পনা ছিল? তবে প্রবল ধারণা এই যে, তিনি এটি তাফিলালত ভ্রমণের কোনো এক সফরে লিখেছিলেন (এখানে উল্লিখিত ‘আর-রিহলাতুল ওয়াযিরিয়্যাহ’ এবং ‘আর-রিহলাতুল আমিরিয়্যাহ’ দ্রষ্টব্য)।

 

‌‌৪৮ - আল্লামা মুহাদ্দিস সিদি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আন-নাসিরির রচনাবলি (পাণ্ডুলিপি):

'আল-মা’সুল' গ্রন্থের ১১তম খণ্ডের ৩১৫ ও ৩১৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, (আমাদের কাছে তার অনেক রচনাবলি রয়েছে, তবে সেগুলো একত্র করে গ্রন্থাকারে সাজানোর মতো পর্যাপ্ত সময় আমরা পাইনি)। সম্ভবত এটি তাকে নিয়ে একটি গ্রন্থ রচনার পরিকল্পনা ছিল, তবে তিনি এটি রচনা করেছিলেন কি না তা আমাদের জানা নেই। তার উল্লিখিত এই রচনাবলিগুলো আমাদের কাছে একটি খামে সংরক্ষিত আছে।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌49 - حياة الشيخ الوالد (مخطوط):

هذا أول كتاب اشتغل بتأليفه، فقد كتب في طرة الصفحة الأولى من المخطوط (كنت ابتدأت هذا المؤلف أعوام 1340هـ، وهذا هو نفسي آنذاك وهذه هي نظرتي 4 - 12 - 1356هـ -المختار-)، ومن بين ما كتب في المقدمة أنه لما وفقه الله في البداية إلى جمع رسائل والده ( … وجدت فيها من المذكرات ما يتعين كتبه على صفحات اللؤلؤ والزبرجد بل … فأحببت أن أذكر له ترجمة منمنمة بأزهار أخباره … نعرف عن مدة عمره وعن سيرته وتعيين موضع استقراره … ) وهذا المؤلف الصغير هو البذرة الأولى لكتابه الكبير من أفواه الرجال.

وذكر في مخطوط كتاب المؤلفون السوسيون أنه كان قد كتب ترجمة لوالده لبعض الأفاضل في اثني عشر صفحة، ثم انتقدها فلخصها في النصف وأعطاها لذلك الفاضل.

 

‌‌الجانب التاريخي

‌‌50 - إيليغ قديما وحديثا:

تاريخ حافل جمعه حول دويلة أولاد الشيخ سيدي أحمد أو موسى، وما جرى في عاصمة رئاستهم قديما وحديثا، وهو أول كتاب طبع بعد موت مؤلفه بإذن صاحب الجلالة المغفور له الحسن الثاني (طبع في جزء -والأصل في جزأين- بالمطبعة الملكية بالرباط بتعليق وتهذيب العلامة سيدي محمد بن عبد الله الروداني).

 

‌‌51 - الرؤساء السوسيون (مخطوط):

تتبع فيه كثيرين ممن لهم رئاسة كالقيادة والمشيخة في العهود الأخيرة من أواخر القرن الثالث عشر الهجري إلى النصف الأول من القرن الذي يليه، والكتاب في فصلين: فصل عن القياد الحسنيين الرسميين المعينين من طرف المولى الحسن الأول، وفصل ثان عن الرؤساء القبليين، (هيأناه للطبع وأضفنا عليه ما عندنا من ظهائرهم).
৪৯ - শ্রদ্ধেয় পিতার জীবন (পাণ্ডুলিপি):

এটি তাঁর সংকলিত প্রথম গ্রন্থ। তিনি পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠার মার্জিনে লিখেছেন (আমি এই সংকলনটি ১৩৪০ হিজরি সালের দিকে শুরু করেছিলাম, এবং এটিই ছিল তৎকালীন সময়ে আমার অবস্থা এবং এটিই ছিল আমার দৃষ্টিভঙ্গি ৪ - ১২ - ১৩৫৬ হিজরি -আল-মুখতার-)। ভূমিকার মধ্যে তিনি যা লিখেছেন তার মধ্যে রয়েছে যে, যখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে শুরুতে তাঁর পিতার পত্রাবলি সংগ্রহের তাওফিক দিয়েছিলেন ( ... তাতে আমি এমন সব স্মৃতিকথা খুঁজে পেয়েছি যা মুক্তা ও জাবরজাদের পাতায় লিখে রাখা আবশ্যক বরং ... তাই আমি তাঁর একটি জীবনী উল্লেখ করতে চেয়েছি যা তাঁর সংবাদের পুষ্পরাজি দ্বারা অলঙ্কৃত ... আমরা তাঁর জীবনকাল, তাঁর জীবনী এবং তাঁর স্থিতি নির্ণয় সম্পর্কে জানতে পারি ... ) আর এই ছোট সংকলনটিই হলো তাঁর বৃহৎ গ্রন্থ 'মিন আফওয়াহির রিজাল' (মনীষীদের মুখনিসৃত বাণী)-এর প্রথম বীজ।

আর 'সুসি লেখকগণ' গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি জনৈক গুণী ব্যক্তির জন্য তাঁর পিতার একটি জীবনী বারো পৃষ্ঠায় লিখেছিলেন, অতঃপর তিনি তা পর্যালোচনা করেন এবং সংক্ষেপে অর্ধেক করে সেই গুণী ব্যক্তিকে প্রদান করেন।

 

ঐতিহাসিক দিক

৫০ - ইলিগ প্রাচীন ও বর্তমান:

এটি একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস যা তিনি শেখ সিদি আহমদ উ মুসা-র সন্তানদের ছোট রাষ্ট্র এবং অতীতে ও বর্তমানে তাদের শাসনের রাজধানীতে যা ঘটেছিল সে সম্পর্কে সংকলন করেছেন। এটিই প্রথম গ্রন্থ যা লেখকের মৃত্যুর পর মহামান্য মরহুম হাসান দ্বিতীয়-এর অনুমতিক্রমে প্রকাশিত হয় (এটি এক খণ্ডে মুদ্রিত -মূলত এটি ছিল দুই খণ্ডে- রাবাতের রাজকীয় ছাপাখানায় আল্লামা সিদি মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-রুদানি-র টীকা ও পরিমার্জনসহ)।

 

৫১ - সুসি নেতৃবৃন্দ (পাণ্ডুলিপি):

এতে তিনি এমন অনেক ব্যক্তির সন্ধান করেছেন যাদের নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব ছিল, যেমন ত্রয়োদশ হিজরি শতাব্দীর শেষভাগ থেকে পরবর্তী শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত সাম্প্রতিক যুগের নেতৃত্ব ও মাশায়েখগণ। গ্রন্থটি দুটি অধ্যায়ে বিভক্ত: প্রথম অধ্যায়টি মাওলা হাসান প্রথম কর্তৃক নিযুক্ত আনুষ্ঠানিক হাসানি নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে, এবং দ্বিতীয় অধ্যায়টি গোত্রীয় নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে, (আমরা এটি মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করেছি এবং আমাদের কাছে থাকা তাদের রাজকীয় ফরমানগুলো এতে যুক্ত করেছি)।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌52 - حول مائدة الغداء:

كان يملي عليه الباشا إدريس منو ذكرياته عن الحكومة الحسنية والأدوار التي يعرفها إذ ذاك، فسجل عنه بعضعا مباشرة في جلستين ولم يتمم التسجيل، إلى أن نفي إلى إلغ، فسار يسترجع ما عرفه من الباشا فدون ما هو موجود الآن في الكتاب (نشرناه في جزء وسط). - أخيرا ترجمه مركز طارق بن زياد بالرباط إلى اللغة الفرنسية ونشره باتفاق مع أبناء المؤلف -.

 

‌‌53 - طاقة ريحان من روضة الأفنان:

مختصر كتاب العلامة الإكراري المطبوع أخيرا " روضة الأفنان في تراجم الأعيان " على أنه قدم له بمقدمة فريدة، وأضاف عليه إضافات مهمة، واعتنى فيه بالجانب التاريخي حادفا فيه الأدبيات وما إليها (نشرناه في جزء).

 

‌‌54 - وصف الغطريس:

ملخص كتاب (نعث الغطريس الفسيس) للمهدي الناصري في أخبار مبارك التوزونيني والأنكادي المقاومان للمحتلين في تافيلالت، وقد اجتهد ملخصه على أن يلتقط منه أخبار هذين المقاومين دون ذكر الأدبيات والفتاوى والحكايات الخارجة عن الموضوع.

انظر المعسول الجزء 16 ابتداء من صفحات 271، ذكره مع هوامش لكاتب التوزونيني، وأفرد له خاتمة، وذيل الكل بما كان قد كتبه عند رحلته إلى تافيلالت (أنظر الجزء 16 من المعسول ص 306).

 

‌‌55 - مراكش في عصرها الذهبي (مخطوط):

كتاب كان يشتغل بجمعه منذ سنة 1354هـ فالتي بعدها، لإظهار مراكش وعظمتها أيام اللمتونيين والموحدين، فكان عهد اللمتونيين - كما يقول - يتم تحريرا، وقد جمع للعهد الثاني مواد كثيرة، (بدأنا منذ مدة طويلة تنظيمه لنشر ما وجدناه منه).
৫২ - দুপুরের খাবারের মজলিসে:

পাশা ইদ্রিস মান্নু তাকে হাসানি সরকার এবং সে সময়ের পরিচিত ঘটনাবলি সম্পর্কে তার স্মৃতিগুলো বলতেন। তিনি সরাসরি দুই মজলিসে তার কিছু অংশ নথিবদ্ধ করেন কিন্তু তার নথিবদ্ধকরণ সম্পন্ন করতে পারেননি। পরবর্তীতে তাকে 'ইলগ'-এ নির্বাসিত করা হলে, তিনি পাশার কাছ থেকে যা জেনেছিলেন তা স্মরণ করতে শুরু করেন এবং বর্তমান বইটিতে যা বিদ্যমান তা লিপিবদ্ধ করেন (আমরা এটি একটি মধ্যম খণ্ডে প্রকাশ করেছি)। সবশেষে, রিবাতের তারেক বিন জিয়াদ কেন্দ্র এটি ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করে এবং লেখকের সন্তানদের সাথে সম্মতির ভিত্তিতে তা প্রকাশ করে।

 

৫৩ - রওজাতুল আফনান থেকে একগুচ্ছ তুলসী:

এটি আল্লামা ইকরারির সম্প্রতি মুদ্রিত গ্রন্থ "রওজাতুল আফনান ফি তারাজিমিল আয়ান"-এর সংক্ষিপ্তসার। তবে তিনি এতে একটি অনন্য ভূমিকা প্রদান করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য সংযোজন করেছেন এবং সাহিত্যিক ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো বর্জন করে ঐতিহাসিক দিকের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন (আমরা এটি এক খণ্ডে প্রকাশ করেছি)।

 

৫৪ - ওয়াসফুল গাতরিস (দাম্ভিকের বর্ণনা):

তাফিলালত অঞ্চলে দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা মুবারক আত-তুজুনিানি এবং আল-আনকাদির সংবাদ সম্বলিত মাহদি আন-নাসিরির গ্রন্থ "নাতুল গাতরিস আল-ফাসিস"-এর সারসংক্ষেপ। এর সংক্ষেপক অত্যন্ত শ্রমের সাথে এই দুই প্রতিরোধ যোদ্ধার সংবাদগুলো সংগ্রহ করেছেন এবং মূল প্রসঙ্গের বাইরের সাহিত্যিক আলোচনা, ফতোয়া ও কাহিনীগুলো উল্লেখ করা পরিহার করেছেন।

আল-মাসুল-এর ১৬তম খণ্ডের ২৭১ পৃষ্ঠা থেকে দেখুন। সেখানে তুজুনিানি-এর লেখকের টীকা সহ এটি উল্লেখ করেছেন এবং এর জন্য একটি পরিশিষ্ট তৈরি করেছেন। তাফিলালত সফরের সময় তিনি যা লিখেছিলেন তার সাথে এই সবকিছুর একটি পরিশিষ্ট যোগ করেছেন (আল-মাসুল ১৬তম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০৬ দেখুন)।

 

৫৫ - মাররাকেশ তার স্বর্ণযুগে (পাণ্ডুলিপি):

ল্যামতুনি এবং মুওয়াহহিদিন যুগে মাররাকেশের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহিমা প্রদর্শনের জন্য তিনি ১৩৫৪ হিজরি এবং তার পরবর্তী বছরগুলো থেকে এই গ্রন্থটি সংকলনের কাজ করছিলেন। তার ভাষ্যমতে, ল্যামতুনি যুগের অংশটি লিখিতভাবে সম্পন্ন হয়েছিল এবং দ্বিতীয় যুগের (মুওয়াহহিদিন) জন্য তিনি প্রচুর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছিলেন (আমরা বেশ আগে থেকেই যা খুঁজে পেয়েছি তা সাজিয়ে প্রকাশের কাজ শুরু করেছি)।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌56 - أدوار سوس التاريخية (مخطوط):

كتاب سار فيه ما شاء الله تناول فيه بالأخص مواد العصور الأخيرة، لأن مواد العصور الأولى كانت قليلة عنده في منفاه، وبينها ما يتعلق ببحث ما وراء البحر - على حد تعبيره -. (نشر بعض محتوياته ضمن مؤلفاته).

 

‌‌57 - من أفواه الرجال (مخطوط):

في عشرة أجزاء، وهو عبارة عن كشكول، فيه الشيء الكثير من أخبار والده سيدي الحاج علي الدرقاوي الإلغي ومريديه والرؤساء والفقهاء والصوفية والحوادث والعادات ما يجعله في طليعة الكشاكيل، وغالب الكتاب جمعه مؤلفه من أفواه كل من جالسهم إثر نفيه إلى قرية بلدته إلغ ولهذا سماه بهذا الاسم، وللعلم فإن اسمه في أوليات جمعه كان هو: (الفتح القدوسي فيما يتعلق بالشيخ سيدي الحاج علي السوسي وخبر من ينجر إليه الكلام من عالم أو رئيس أو صوفي خوف أن يكون مما تنوسي)، طبع منه قبل وفاته الثلاثة الأجزاء الأولى منه وبقيت السبعة الأجزاء الأخرى مهيأة للطبع وتنتظر الفرج عنها.

 

‌‌58 - الثوار السوسيون (مخطوط):

محاضرة في نحو عشرين من هؤلاء الثوار، كان قد ألقاها في بعض النوادي الأدبية وهي في كراسة على حد تعبيره في سوس العالمة ص 223، وفي المعسول الجزء 14 هامش ص 26 ذكر أنها ألقيت في معتقل أغبالونكردوس (راجع أيضا أسماء بعض هؤلاء الثوار في نفس الجزء ص 24 - 26).

 

‌‌59 - مدن سوس الموجودة والمندثرة (مخطوط):

جمعها لبعض الناس - على حد تعبيره - وهي في كراسة.

 

‌‌60 - مجموعة فيما حضرني عن سجلماسة (مخطوط):

كتبه بتنجداد ليرسلها إلى بعض المؤرخين، كتذكرة من غريب، ولكن دهم عليه ما حمله على أن أعدمها في الحين، ولعل فيها بعض ما لا
‌‌৫৬ - আদওয়ারু সুস আত-তারিখিয়্যাহ (পাণ্ডুলিপি):

এটি এমন একটি বই যাতে তিনি দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। এতে তিনি বিশেষ করে সাম্প্রতিক যুগগুলোর উপাদান নিয়ে আলোচনা করেছেন, কারণ তাঁর নির্বাসনকালে প্রাচীন যুগগুলোর উপাদান তাঁর কাছে কম ছিল। এর মধ্যে সমুদ্রের ওপারের গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়ও রয়েছে - তাঁর ভাষায়। (তাঁর কিছু বিষয়বস্তু তাঁর রচনাবলির অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে)।

 

‌‌৫৭ - মিন আফওয়াহির রিজাল (পাণ্ডুলিপি):

দশ খণ্ডে রচিত এই গ্রন্থটি একটি 'কাশকুল' (বিবিধ তথ্যের সংগ্রহশালা)। এতে তাঁর পিতা সিদি আল-হাজ আলী আদ-দারকাওয়ি আল-ইলগি, তাঁর মুরিদগণ, নেতৃবৃন্দ, ফকীহগণ, সুফিগণ এবং বিভিন্ন ঘটনা ও রীতিনীতি সম্পর্কে প্রচুর তথ্য রয়েছে, যা একে কাশকুল পর্যায়ের গ্রন্থগুলোর মধ্যে অগ্রগণ্য করেছে। লেখক তাঁর নিজ গ্রাম 'ইলগ'-এ নির্বাসিত হওয়ার পর যাদের সঙ্গে বসেছিলেন, তাঁদের সবার মুখ থেকে শুনেই বইটির অধিকাংশ তথ্য সংগ্রহ করেছেন; একারণেই তিনি এর এই নামকরণ করেছেন। উল্লেখ্য যে, সংকলনের শুরুতে এর নাম ছিল: (আল-ফাতহুল কুদ্দুসি ফিমা ইয়াতাআল্লাকু বিশ-শাইখ সিদি আল-হাজ আলী আস-সুসি ওয়া খাবারি মান ইয়ানজাররু ইলাইহিল কালামু মিন আলিমিন আও রাইসিন আও সুফিয়্যিন খাওফান আন ইয়াকুনা মিম্মা তুনুসি)। তাঁর মৃত্যুর আগে এর প্রথম তিন খণ্ড মুদ্রিত হয়েছিল এবং বাকি সাত খণ্ড মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ও প্রকাশের অপেক্ষায় আছে।

 

‌‌৫৮ - আস-সুওয়্যারুস সুসিয়্যুন (পাণ্ডুলিপি):

এই বিপ্লবীদের মধ্যে প্রায় বিশজন সম্পর্কে একটি বক্তৃতা, যা তিনি কোনো এক সাহিত্য মজলিসে প্রদান করেছিলেন। তাঁর 'সুসুল আলিমা' গ্রন্থের ২২৩ পৃষ্ঠার ভাষ্যমতে এটি একটি পুস্তিকা আকারে রয়েছে। আবার 'আল-মাসুল' গ্রন্থের ১৪শ খণ্ডের ২৬ পৃষ্ঠার টীকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এটি আগবালুনকার্দুস বন্দিশালায় প্রদান করা হয়েছিল (এই বিপ্লবীদের কয়েকজনের নাম একই খণ্ডের ২৪ - ২৬ পৃষ্ঠায় দেখুন)।

 

‌‌৫৯ - মুদুনু সুস আল-মাওজুদাহ ওয়াল মুন্দাসিরাহ (পাণ্ডুলিপি):

তাঁর ভাষ্যমতে, তিনি এটি কিছু লোকের জন্য সংগ্রহ করেছিলেন এবং এটি একটি পুস্তিকা আকারে আছে।

 

‌‌৬০ - মাজমুআ ফিমা হাদারানি আন সিজিলমাসাহ (পাণ্ডুলিপি):

তিনি এটি তিনজাদাদে অবস্থানকালে কয়েকজন ঐতিহাসিকের কাছে পাঠানোর জন্য লিখেছিলেন, একজন প্রবাসীর স্মৃতিচারণ হিসেবে। কিন্তু তাঁর ওপর এমন কিছু আপতিত হয়েছিল যা তাঁকে তৎক্ষণাৎ এটি ধ্বংস করতে বাধ্য করেছিল। সম্ভবত এতে এমন কিছু ছিল যা...
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১৭)
يريد أن يطلع عليه في ذلك الوقت (على حد تعبيره في الجزء الأول من معتقل الصحراء ص 160).

 

‌‌61 - مجموعة في أنساب السوسيين (مخطوط):

في المشجرات السوسية، كان في البداية يجمع منها في دفتر ما شاء الله، ولا يزال يزيد عليها حتى كثر عددها، وما عندنا الآن فهو كثير جدا، بل وجدنا في خزانته بعد جردها العدد الكثير من هذه المشجرات مدونة في العديد من الدفاتر والأوراق، وكذا العديد منها وجدنا الأصل منه (نشر منها ما نشر في ثنايا كتبه خاصة موسوعته المعسول).

 

‌‌62 - الرد على كولان (مخطوط):

كتاب ذكره الدكتور عبد الهادي التازي في الجزء الأول من كتابه عن جامعة القرويين صفحة 25 ومحتواه أن مؤلفه يدافع فيه عن جامعة القرويين أيام بني مرين، عكس ما ذهب إليه المستشرق كولان الذي ينفي الجامعية عن القرويين في عهد بني مرين، إلا أننا لم نجد له أثرا في خزانة والدنا، ونحن نجزم أن هذا الكتاب ما هو إلا المحاضرة التي سنذكرها مع جانب المحاضرات (الرقم التسلسلي رقم 96) التي كان قد ألقاها عن العهد المريني في المدرسة الناصرية عند أخذه بفاس في العشرينيات من القرن الماضي، وهي التي ذكرها والدنا في الجزء الأول من كتابه معتقل الصحراء صفحة 204.

 

‌‌63 - المجموع الكبير في الظهائر والمرسلات الرسمية (مخطوط):

بدأ بتدوين بعض هذه الظهائر والمرسلات في دفتر أول الأول على حد تعبيره في كتابه المعسول الجزء 14 صفحة 275، إلى أن صار يتوسع كثيرا بحصوله على عدد كبير من أصول الظهائر والمراسلات سلطانية أو قيادية.

وقد وجدنا عددا كبيرا منها بين كتبه ووثائقه، وجمعنا الجميع الآن بدون ترتيب، وليسعفنا الله حتى نفهرسها لنتبين ما نشره في ثنايا كتبه، وما لم ينشر سنحاول نشره تحت هذا الاسم الذي اخترناه من عندنا.
তিনি সেই সময়ে এটি দেখতে চেয়েছিলেন (তার বর্ণনামতে 'মা'তাকালুস সাহারা' গ্রন্থের প্রথম খণ্ড ১৬০ পৃষ্ঠায়)।

 

‌‌৬১ - মাজমু'আ ফী আনসাবেস সুসিয়্যিন (সাস অঞ্চলের বংশধারা সংগ্রহ) [পাণ্ডুলিপি]:

সুসী বংশতালিকাগুলোর ক্ষেত্রে, তিনি শুরুতে একটি খাতায় যতটুকু আল্লাহ চাইলেন ততটুকু সংগ্রহ করেছিলেন, এবং ক্রমাগত তা বৃদ্ধি করতে থাকেন যতক্ষণ না এর সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। বর্তমানে আমাদের কাছে যা আছে তা প্রচুর। বরং তার পাঠাগার তদারকির পর আমরা সেখানে অনেকগুলো খাতায় ও পাতায় লিপিবদ্ধ এই বংশতালিকাগুলোর একটি বড় অংশ পেয়েছি। একইভাবে এগুলোর অনেকগুলোর মূল কপিও আমরা পেয়েছি (এর মধ্যে যা প্রকাশিত হওয়ার তা তার বইগুলোতে, বিশেষ করে তার বিশ্বকোষ 'আল-মা'সুল'-এ প্রকাশিত হয়েছে)।

 

‌‌৬২ - কলিন-এর প্রতিবাদ [পাণ্ডুলিপি]:

এটি এমন একটি বই যা ডক্টর আব্দুল হাদী আল-তাযী তার 'ক্বারাউয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয়' বিষয়ক গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের ২৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন। এর বিষয়বস্তু হলো, লেখক এতে বনু মারিনের শাসনামলে ক্বারাউয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষাবলম্বন করেছেন, যা প্রাচ্যবিদ কলিন-এর মতের বিপরীত, যিনি বনু মারিন যুগে ক্বারাউয়্যিনের বিশ্ববিদ্যালয়-মর্যাদা অস্বীকার করেন। তবে আমাদের পিতার পাঠাগারে আমরা এর কোনো চিহ্ন খুঁজে পাইনি। আমরা নিশ্চিত যে, এই বইটি সেই বক্তৃতাটিই যা আমরা বক্তৃতাসমগ্র অংশে উল্লেখ করব (ক্রমিক নং ৯৬)। এটি তিনি গত শতাব্দীর বিশের দশকে ফাস নগরীতে অবস্থানকালে মাদরাসা নাসেরিয়ায় মারিনীয় যুগ সম্পর্কে প্রদান করেছিলেন। আমাদের পিতা তার 'মা'তাকালুস সাহারা' গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের ২০৪ পৃষ্ঠায় এটি উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌৬৩ - আল-মাজমু আল-কাবীর ফীয যাওয়াহির ওয়াল মুরসালাতির রাসমিইয়াহ (রাজকীয় ফরমান ও সরকারি চিঠিপত্রের বৃহৎ সংগ্রহ) [পাণ্ডুলিপি]:

তিনি এই ফরমান ও চিঠিপত্রগুলোর কিছু অংশ প্রথম দিকের একটি খাতায় লিপিবদ্ধ করা শুরু করেছিলেন, যেমনটি তিনি তার 'আল-মা'সুল' গ্রন্থের ১৪শ খণ্ডের ২৭৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন। পরবর্তীতে তিনি সুলতানি বা প্রশাসনিক ফরমান ও চিঠিপত্রের অনেকগুলো মূলকপি হাতে পাওয়ায় এটি অনেক বিস্তৃত রূপ লাভ করে।

আমরা তার বই ও নথিপত্রগুলোর মধ্যে এর একটি বিশাল অংশ খুঁজে পেয়েছি এবং বর্তমানে সেগুলো কোনো বিন্যাস ছাড়াই সংগ্রহ করে রেখেছি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন যাতে আমরা এগুলোর সূচিপত্র তৈরি করতে পারি, যেন তার বইয়ের ভেতরে যা প্রকাশিত হয়েছে তা শনাক্ত করা যায়। আর যা প্রকাশিত হয়নি, তা আমরা আমাদের প্রদত্ত এই নামেই প্রকাশ করার চেষ্টা করব।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌الجانب الديني

‌‌64 - تحفة القاضي في بدايات علم الأصول (مخطوط):

سبب تأليفه لهذا الكتاب هو المذاكرة التي جرت بينه وبين قاضي إلغ ابن عمه العلامة سيدي الطاهر بن علي بن عبد الله الإلغي، ونقرأ في صفحة الأولى:

" فقد نفعني الله بالمذاكرة مع قاضي إلغ … في هذا الشهر المبارك رمضان ..... فردد أمورا أنه يود لو مررنا معا على ورقات إمام الحرمين … ولم توجد عن كثب إلى أن وقع على نظمها وشرحه للشيخ ماء العينين، فأتاني به، فرأيته غير سلس النظم، ولا مستوفي الشرح، فحاولت أن أحادي النظم والشرح … وأزيد كثيرا في البيان مستمدا ما أستحضره ".

ثم أتى بالمقدمة معرفا بالمؤلف عبد الملك الجويني، ومعرفا بأصول الفقه، وما معنى الفقه وما معنى الأصل، ثم أتى بفهرس الأبواب المذكورة في هذا المؤلف وهي ستة عشر بابا وهي:

-1 - أقسام الكلام -2 - الأمر -3 - النهي -4 - الخاص والعم -5 - المطلق والمقيد -6 - المجمل والمبين -7 - الظاهر والمؤول -8 - أفعال النبي صلى الله عليه وسلم -9 - الناسخ والمنسوخ -10 - الإجماع -11 - الأخبار -12 - القياس -13 - الحظر والإباحة -14 - الأدلة -15 - صفات المفتي والمستفتي -16 - أحكام المجتهدين.

وهذا المؤلف النفيس من بين الكتب التي لم تكن من قبل، وهو عندنا في جزء وسط.

 

‌‌65 - ملخص في الأصول (مخطوط):

لخصه في دروس من كتاب إرشاد الفحول، وهو من بين آثار معتقل أغبالونكردوس (أنظر الجزء الأول من معتقل الصحراء 200).

 

‌‌66 - مواقف مخجلة (مخطوط):

من مؤلفاته في معتقل تنجداد، وهو شبه اعترافات ألم فيها بزهاء سبعين موقفا فقال: ثرت فيها غضبان على من معي، والمقصود أن أسجل
ধর্মীয় দিক

৬৪ - তুহফাতুল কাজি ফি বিদায়াতি ইলমিল উসুল (পাণ্ডুলিপি):

এটি রচনার কারণ হলো তাঁর এবং ইলিগের বিচারক, তাঁর চাচাতো ভাই আল্লামা সিদি তাহের বিন আলি বিন আব্দুল্লাহ আল-ইলিগির মধ্যে হওয়া জ্ঞানগর্ভ আলোচনা। আমরা প্রথম পৃষ্ঠায় পড়ি:

"এই বরকতময় রমজান মাসে ইলিগের বিচারকের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে উপকৃত করেছেন... তিনি বারবার এ বিষয়টি পুনরাবৃত্তি করছিলেন যে, তিনি পছন্দ করতেন যদি আমরা একসাথে ইমামুল হারামাইনের 'ওয়ারাকাত' গ্রন্থটি পর্যালোচনা করতাম... কিন্তু এটি হাতের কাছে পাওয়া যাচ্ছিল না, যতক্ষণ না তিনি শেখ মা আল-আইনাইনের করা এর কাব্যরূপ ও ব্যাখ্যা গ্রন্থটি খুঁজে পেলেন। তিনি সেটি আমার কাছে নিয়ে এলেন, কিন্তু আমি দেখলাম এর কাব্যছন্দ সাবলীল নয় এবং ব্যাখ্যাটিও স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। ফলে আমি এর কাব্য ও ব্যাখ্যার অনুরূপ কিছু রচনার চেষ্টা করলাম... এবং আমার স্মৃতি থেকে তথ্য গ্রহণ করে এর বর্ণনায় অনেক কিছু বৃদ্ধি করলাম।"

এরপর তিনি লেখক আব্দুল মালিক আল-জুওয়াইনির পরিচয়, উসুল আল-ফিকহের সংজ্ঞা এবং ফিকহ ও উসুল-এর অর্থ তুলে ধরে ভূমিকা পেশ করেন। অতঃপর তিনি এই গ্রন্থে উল্লিখিত অধ্যায়গুলোর একটি সূচি প্রদান করেন, যা ১৬টি অধ্যায় নিয়ে গঠিত। সেগুলো হলো:

-১- কালাম বা বাক্যের প্রকারভেদ -২- আমর (আদেশ) -৩- নাহি (নিষেধ) -৪- খাস (বিশেষ) ও আম (সাধারণ) -৫- মুতলাক (নিরঙ্কুশ) ও মুকায়্যাদ (শর্তযুক্ত) -৬- মুজমাল (সংক্ষিপ্ত) ও মুবায়্যান (সুস্পষ্ট) -৭- জাহির (প্রকাশ্য) ও মুয়াউওয়াল (ব্যাখ্যাকৃত) -৮- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কার্যাবলী -৯- নাসিখ (রহিতকারী) ও মানসুখ (রহিত) -১০- ইজমা (ঐক্যমত) -১১- আখবার (সংবাদ/হাদিস) -১২- কিয়াস (অনুমান/যুক্তি) -১৩- হাজর (নিষেধাজ্ঞা) ও ইবাহাত (বৈধতা) -১৪- আদিল্লাহ (দলিলসমূহ) -১৫- মুফতি ও মুস্তাফতির গুণাবলী -১৬- মুজতাহিদগণের বিধান।

এই মূল্যবান গ্রন্থটি সেসব বইয়ের অন্তর্ভুক্ত যা আগে ছিল না। এটি আমাদের কাছে একটি মাঝারি খণ্ডে রয়েছে।

 

৬৫ - উসুল শাস্ত্রের সারসংক্ষেপ (পাণ্ডুলিপি):

এটি তিনি 'ইরশাদুল ফুহুল' গ্রন্থের পাঠদান থেকে সারসংক্ষেপ করেছেন। এটি আগবালু এন-কারদুস বন্দিশিবিরের স্মৃতিচিহ্নগুলোর একটি (দেখুন: মরুভূমি বন্দিশিবিরের প্রথম খণ্ড, ২০০)।

 

৬৬ - লজ্জাজনক অবস্থানসমূহ (পাণ্ডুলিপি):

এটি তিনজদাদ বন্দিশিবিরে থাকাকালীন তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর অন্যতম। এটি অনেকটা স্বীকারোক্তিমূলক গ্রন্থ যাতে তিনি প্রায় সত্তরটি পরিস্থিতির অবতারণা করেছেন। তিনি বলেছেন: এতে আমি আমার সাথে থাকা ব্যক্তিদের ওপর রাগান্বিত হয়েছিলাম, আর এর উদ্দেশ্য হলো লিপিবদ্ধ করা...
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ১৯)
ذلك على نفسي لعلها ترعوي فتقلع عن الغضب (أنظر المعسول ج1 ص347).

 

‌‌67 - توفيق الرحمن إلى مراجعة القرآن (مخطوط):

من بين مؤلفاته أيضا في معتقل تنجداد، ويقول بأنه كتبه حين وفقه الله لمراجعة كتاب الله العزيز، وفي الكتاب - بيان مسهب حول انتشار حفظ القرآن بسوس وكيف تعليمهم إياه، إلى غير ذلك مما يتعلق بالموضوع (أنظر سوس العالمة ص 224).

 

‌‌68 - المجموعة الفقهية في الفتاوى السوسية:

سجل فيه الفتاوى التي عثر عليها للفقهاء المتأخرين غالبا، وقد كان حاول ترتيبه على شاكلة المعيار، ليكون معيارا ثالثا سوسيا (قامت بطبعه كلية الشريعة بأكادير من اعتناء ابن عمنا المرحوم درقاوي عبد الله).

 

‌‌69 - تقييد بعض الرسائل من فقهاء الوقت (مخطوط):

تحت هذا الاسم وجدناه في مجلد وسط - وهو غير الذي كان قد جمع فيه الفتاوى السوسية المذكورة - وقيد فيه مجموعة من الرسائل لفقهاء الوقت وعدد من الفتاوى السوسية، وقد أضفنا إليه كل ما وجدناه في خزانته مما يهم هذا الموضوع.

 

‌‌70 - وشي المطارف في ثبوت الهلال بالخبر الرسمي من الهاتف (مخطوط):

وهي فتوى مفيدة في بابها، كتبها بمنفاه بإلغ بعد رمضان 1361هـ، مباحثة حول ثبوت الهلال بالهاتف، لأن الهلال لم ير في إلغ تلك السنة، ثم بعد مرور سنتين أضاف إليها ذيلا أوضح فيه ما وقف على ما يؤيد هذه الفتوى، والتي أيدها كل من الفقيه سيدي الحبيب الصوابي وسيدي أحمد الكشطي وسيدي مسعود الوفقاوي، وعندنا تقرضين لهذه الفتوى.

 

‌‌71 - حاشية على الكشاف للزمخشري:

تعليقات كحواشي على هذا المؤلف، بين فيها ما رآه يستحق التعليق وتوجد النسخة التي عليها هذه الحواشي بخزانة جمعية علماء سوس
আমি এটা নিজের ওপর আরোপ করেছি যেন সম্ভবত এটি বিরত হয় এবং রাগ ত্যাগ করে (দেখুন: আল-মাসুল, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৪৭)।

 

‌‌৬৭ - তাওফীকর রহমান ইলা মুরাজাআতিল কুরআন (পাণ্ডুলিপি):

তিনজদাদ বন্দীশিবিরে থাকাকালীন তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে এটিও একটি। তিনি বলেন যে, আল্লাহ তাআলা যখন তাঁকে আল্লাহর মহাগ্রন্থ পুনর্পাঠের তাওফীক দান করেন, তখন তিনি এটি লিখেছিলেন। এই গ্রন্থে সুস অঞ্চলে কুরআন হিফজের প্রসার এবং তাদের শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে, পাশাপাশি এই বিষয় সংশ্লিষ্ট আরও অনেক তথ্য রয়েছে (দেখুন: সুস আল-আলিমা, পৃষ্ঠা ২২৪)।

 

‌‌৬৮ - আল-মাজমুআতুল ফিকহিয়্যাহ ফিল ফাতাওয়া আস-সুসিয়্যাহ:

এতে তিনি প্রধানত পরবর্তী যুগের ফকীহদের কাছ থেকে পাওয়া ফতোয়াগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি এটিকে ‘আল-মিইয়ার’-এর আদলে বিন্যস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন, যাতে এটি সুস অঞ্চলের জন্য তৃতীয় একটি মানদণ্ড হতে পারে (এটি আগাদিরের শরীআহ ফ্যাকাল্টি কর্তৃক আমাদের চাচাতো ভাই মরহুম দারকাউয়ি আবদুল্লাহর তত্ত্বাবধানে মুদ্রিত হয়েছে)।

 

‌‌৬৯ - তাকিয়্যিদু বা'দির রাসায়িল মিন ফুকাহাইল ওয়াক্ত (পাণ্ডুলিপি):

এই শিরোনামে আমরা এটি একটি মাঝারি আকারের ভলিউমে পেয়েছি—এটি সেই গ্রন্থটি নয় যাতে উল্লিখিত সুসি ফতোয়াগুলো সংকলন করা হয়েছিল—এবং এতে তিনি সমসাময়িক ফকীহদের একগুচ্ছ পত্র এবং বেশ কিছু সুসি ফতোয়া লিপিবদ্ধ করেছেন। আমরা এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট যা কিছু তাঁর পাঠাগারে পেয়েছি, তা এতে সংযোজন করেছি।

 

‌‌৭০ - ওয়াশয়ুল মাতারিক ফী সুবুতিল হিলাল বিল খবরির রসমি মিনাল হাতিফ (পাণ্ডুলিপি):

এটি নিজ বিষয়ের ওপর একটি অত্যন্ত উপকারী ফতোয়া। তিনি এটি ১৩৬১ হিজরীর রমজানের পর ইলিগ নামক স্থানে তাঁর নির্বাসনকালে লিখেছিলেন। এতে টেলিফোনের মাধ্যমে চাঁদ দেখার প্রমাণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, কারণ সেই বছর ইলিগ-এ চাঁদ দেখা যায়নি। দুই বছর পর তিনি এতে একটি পরিশিষ্ট যোগ করেন, যেখানে তিনি এই ফতোয়ার সমর্থনে প্রাপ্ত দলীলগুলো ব্যাখ্যা করেছেন। এই ফতোয়াটিকে ফকীহ সিদি আল-হাবিব আস-সওয়াবি, সিদি আহমদ আল-কাশতি এবং সিদি মাসউদ আল-ওয়াফকাউয়ি সমর্থন করেছেন। আমাদের কাছে এই ফতোয়ার দুটি প্রশংসাপত্র রয়েছে।

 

‌‌৭১ - হাশিয়া আলাল কাশশাফ লিয-যামাখশারি:

এই গ্রন্থের ওপর টীকা ও হাশিয়া হিসেবে কিছু মন্তব্য, যাতে তিনি সেই বিষয়গুলো স্পষ্ট করেছেন যা তাঁর মতে টীকা প্রদানের যোগ্য ছিল। এই হাশিয়া সম্বলিত পাণ্ডুলিপিটি ‘জমঈয়াত ওলামায়ে সুস’-এর পাঠাগারে সংরক্ষিত আছে।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২০)
بتارودانت رقم ك 98 وأول من عرف بهذه الحواشي الدكتور التهامي الراجي في مقالة له بمجلة الإيمان عدد فبراير 1966م.

 

‌‌72 - مترجم الأربعين النووية (مخطوط):

ترجمه إلى الشلحة السوسية لإحدى أخواته (عمتنا للاآمنة رحمها الله) المتحفزة إلى المدارك، وفيه أحيانا ما يكون زيادة عن الأصل باستطراد - على حد تعبيره في مؤلفه المؤلفون السوسيون - وهو جزء وسط، ونقرأ في آخره أنه ترجم سنة 1357هـ.

 

‌‌73 - مترجم الأنوار السنية (مخطوط):

ترجمه إلى الشلحة السوسية لإحدى أخواته كذلك وهي التي اقترحته عليه كما صنعه لأختها (عندنا في جزء وسط).

 

‌‌74 - مذاكرة الشيخ الجليل في البحث هل يوجد للقتل حدا لتارك الصلاة كسلا من دليل:

بحث فقهي في موضوع تارك الصلاة مذاكرة بينه وبين النابغة الطاهر الإفراني، وقد أبدى فيه آراءه الفقهية مع نوع من الاجتهاد، نشره في كتابه الإغيات الجزء الثالث (45 - 60).

ووجدنا في المخطوط منتسخا للتعقيب الذي ألفه العلامة المدرس سيدي أحمد بن محمد اليزيدي والذي سماه (التاج والإكليل على مفرق مذاكرة الشيخ الجليل أو مناقشة المختار النبيل في مذاكرته للشيخ الجليل) وبه حواشي للعلامة محمد المختار السوسي (مخطوط).

 

‌‌75 - معنى الولي في الشرع:

كتبه كشبه مقالة في آخر كتابه المخطوط (إتحاف النبيه في بعض مآثر سيدي أحمد الفقيه) - نشرناها ضمن رسالة والده الشيخ الإلغي سيدي الحاج علي الدرقاوي " عقد الجمان لمريد العرفان " -.

 

‌‌76 - أحاديث إذاعية سوسية:

مجموعة من الأحاديث الدينية في الفقه والعقيدة والمعاملات، تبلغ حوالي تسعين حلقة مدة كل حلقة ما بين 10 إلى 15 دقيقة، سجلها في بداية
তারুদান্তে যার নম্বর কে ৯৮ এবং এই টীকাগুলো সম্পর্কে সর্বপ্রথম পরিচিতি তুলে ধরেন ডক্টর তুহামি রাজি, ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় 'আল-ইমান' ম্যাগাজিনে প্রকাশিত তার একটি নিবন্ধে।

 

‌‌৭২ - মুতারজিমুল আরবাঈন আন-নববীয়া (পাণ্ডুলিপি):

তিনি এটি তার এক বোনের (আমাদের ফুফু ল্লা আমিনা, আল্লাহ তাকে রহম করুন) জন্য সুসি শালহা ভাষায় অনুবাদ করেছেন, যিনি জ্ঞান অর্জনে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। এতে কখনো কখনো মূল পাঠের চেয়ে অতিরিক্ত প্রাসঙ্গিক আলোচনার বিস্তৃতি রয়েছে - যেমনটি তিনি তার 'আল-মুআল্লিফুন আস-সুসিয়্যুন' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এটি একটি মধ্যম আয়তনের খণ্ড এবং আমরা এর শেষে পড়তে পাই যে এটি ১৩৫৭ হিজরিতে অনূদিত হয়েছে।

 

‌‌৭৩ - মুতারজিমুল আনওয়ার আস-সানিয়্যাহ (পাণ্ডুলিপি):

এটিও তিনি একইভাবে তার এক বোনের জন্য সুসি শালহা ভাষায় অনুবাদ করেছেন, যিনি তার কাছে এই প্রস্তাব করেছিলেন, যেমনটি তিনি তার অপর বোনের জন্য করেছিলেন (এটি আমাদের কাছে একটি মধ্যম আয়তনের খণ্ডে সংরক্ষিত আছে)।

 

‌‌৭৪ - মুজাকারাতুশ শাইখিল জালিল ফিল বাহছি হাল ইউাজাদু লিল-কাতলি হাদ্দান লিতারিকিস সালাতি কাসালান মিন দালিল (অলসতাবশত সালাত ত্যাগকারীর মৃত্যুদণ্ড কি হদ হিসেবে সাব্যস্ত হওয়ার কোনো দলিল আছে কি না - এ বিষয়ে প্রবীণ শাইখের সাথে আলোচনা):

এটি সালাত ত্যাগকারীর বিষয়ে একটি ফিকহি গবেষণা, যা তার এবং প্রতিভাধর আলিম তাহির আল-ইফরানির মধ্যে একটি আলোচনা আকারে ছিল। তিনি এতে এক ধরণের ইজতিহাদসহ তার ফিকহি মতামত প্রকাশ করেছেন। এটি তার 'আল-ইগইয়াত' গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ডে (৪৫ - ৬০ পৃষ্ঠা) প্রকাশিত হয়েছে।

আমরা পাণ্ডুলিপিতে আল্লামা মুদাররিস সিদি আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-ইয়াজিদি রচিত একটি পর্যালোচনার অনুলিপি পেয়েছি, যার নাম তিনি দিয়েছেন 'আত-তাজ ওয়াল ইকলিল আলা মাফরিকি মুজাকারাতুশ শাইখিল জালিল অথবা মুনাকাশাতুল মুখতারিন নাবিল ফি মুজাকারাতিল শাইখিল জালিল' এবং এতে আল্লামা মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসির টীকা রয়েছে (পাণ্ডুলিপি)।

 

‌‌৭৫ - মানাল ওয়ালি ফিশ শর' (শরিয়তের পরিভাষায় ওয়ালির অর্থ):

তিনি এটি তার পাণ্ডুলিপি গ্রন্থ 'ইতহাফুন নাবিহ ফি বা'দি মাআছির সিদি আহমদ আল-ফকিহ'-এর শেষে একটি নিবন্ধের মতো লিখেছেন - যা আমরা তার পিতা শাইখ আল-ইলগি সিদি আল-হাজ আলী আদ-দারকাওয়ির রিসালা 'আকদুজ জুমান লিমুরিদিল ইরফান'-এর অন্তর্ভুক্ত করে প্রকাশ করেছি।

 

‌‌৭৬ - আহাদিস ইজা'ইয়্যাহ সুসিয়্যাহ (সুসি বেতার আলোচনা):

ফিকহ, আকাইদ ও মুয়ামালাত (লেনদেন) বিষয়ক ধর্মীয় আলোচনার একটি সংকলন, যা প্রায় নব্বইটি পর্বে বিভক্ত। প্রতিটি পর্বের স্থায়িত্বকাল ১০ থেকে ১৫ মিনিট। তিনি এটি শুরুর দিকে রেকর্ড করেছিলেন...
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২১)
الستينيات من القرن الماضي للإذاعة الوطنية (كانت تداع عادة في كل شهر رمضان).

جانب المذكرات

 

‌‌77 - الإلغيات:

مذكراته لما نفي إلى بلدته، كشكول شبيه بالمذكرات من ناحية، وشبيه بمجموعة أدبية، تضم العديد من القصائد والأدبيات الشعرية الإلغية على الخصوص مع وصف المجالس الأدبية السوسية الإلغية، ويضم العديد من المذكرات في مواضيع شتى (نشرناه في ثلاثة أجزاء).

 

‌‌78 - ذكريات:

إحدى زفراته في منفاه بإلغ، ذكر فيه بعض إخوانه في المبدأ، وسجل ما عنده من رسائلهم (نشرناه في جزء وسط).

 

‌‌79 - مذكرات عن المعتقل:

طبعت مع ديوان معتقل الصحراء في الجزء الأول من كتابه معتقل الصحراء الذي نشرناه، (وهو الذي فعل ذلك).

 

‌‌80 - على قمة الأربعين:

مذكرات موجزة واستعراض للأدوار التي تقلب فيها - على حد تعبيره - وهي نظرة على ما مر من أربعين سنة تامة منذ ولادته في صفر 1318هـ ألفه بقريته إلغ أثناء نفيه إليها في صفر 1358هـ (نشره في الجزء الثاني من كتابه الإلغيات صفحات 207 - 232).

 

‌‌جانب الثقافة الشعبية والتراث

‌‌81 - (أحاديث سيدي حمو الشلحي) أو (أخلاق وعادات سوسية) -مخطوط-:

تحت الاسم الأول وجدنا هذا المؤلف النفيس حول العادات والأخلاق والهيأة الاجتماعية في سوس، وهو في شكل رواية خيالية تجري محاورتها بين (قلت وقال) أي بين فقيه شاب وشيخ مسن ذي السبعين سنة معتكف في خلوة بجبل (أضاض ميدني) الواقع بسوس، فبعد أن تم التلاقي بينهما
গত শতাব্দীর ষাটের দশকে জাতীয় বেতারের জন্য (সাধারণত প্রতি রমজান মাসে এটি সম্প্রচারিত হতো)।

স্মৃতিকথা বিভাগ

 

‌‌৭৭ - আল-ইলগিয়াত:

যখন তাঁকে নিজ শহরে নির্বাসিত করা হয়েছিল তখনকার স্মৃতিকথা; এটি একদিক থেকে স্মৃতিকথার মতো একটি ডায়েরি এবং অন্যদিক থেকে একটি সাহিত্য সংকলনের মতো। এতে বিশেষ করে ইলগ অঞ্চলের অনেক কবিতা ও কাব্যিক সাহিত্য এবং সেই সাথে সুস ও ইলগ অঞ্চলের সাহিত্য মজলিসগুলোর বর্ণনা রয়েছে। এতে বিভিন্ন বিষয়ে অনেক স্মৃতিকথাও অন্তর্ভুক্ত আছে (আমরা এটি তিন খণ্ডে প্রকাশ করেছি)।

 

‌‌৭৮ - স্মৃতিসমূহ:

ইলগ-এ তাঁর নির্বাসনকালীন একটি দীর্ঘশ্বাস; এতে তিনি তাঁর আদর্শিক কিছু ভাইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁদের কাছ থেকে প্রাপ্ত চিঠিপত্রগুলো সংকলিত করেছেন (আমরা এটি একটি মাঝারি খণ্ডে প্রকাশ করেছি)।

 

‌‌৭৯ - কারাগার বিষয়ক স্মৃতিকথা:

এটি আমাদের প্রকাশিত তাঁর 'মুয়াতাকালুস সাহরা' (মরু কারাগার) বইয়ের প্রথম খণ্ডে 'দিওয়ানু মুয়াতাকালুস সাহরা'-এর সাথে মুদ্রিত হয়েছে (তিনি নিজেই এটি করেছিলেন)।

 

‌‌৮০ - চল্লিশের শিখরে:

সংক্ষিপ্ত স্মৃতিকথা এবং তাঁর ভাষায়—যেসব ধাপের মধ্য দিয়ে তিনি অতিবাহিত হয়েছেন তার একটি পর্যালোচনা। এটি ১৩১৮ হিজরীর সফর মাসে তাঁর জন্মের পর থেকে পূর্ণ চল্লিশ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার ওপর একটি দৃষ্টিপাত। তিনি এটি ১৩৫৮ হিজরীর সফর মাসে তাঁর নিজ গ্রাম ইলগ-এ নির্বাসিত থাকা অবস্থায় রচনা করেন (এটি তাঁর 'আল-ইলগিয়াত' বইয়ের দ্বিতীয় খণ্ডের ২০৭ - ২৩২ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে)।

 

‌‌লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিভাগ

‌‌৮১ - (সিদি হাম্মু আশ-শালহির কথা) অথবা (সুসি অঞ্চলের চরিত্র ও রীতিনীতি) -পাণ্ডুলিপি-:

প্রথম নামে আমরা সুস অঞ্চলের রীতিনীতি, চরিত্র এবং সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে এই মূল্যবান গ্রন্থটি পেয়েছি। এটি একটি কাল্পনিক উপন্যাসের আকারে রচিত, যার কথোপকথন 'আমি বললাম ও তিনি বললেন' শৈলীতে চলে; অর্থাৎ একজন তরুণ ফকিহ এবং সত্তর বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ শায়েখের মধ্যে, যিনি সুস অঞ্চলে অবস্থিত 'আদাদ মিদনি' পাহাড়ের নির্জনে অবস্থান করছিলেন। তাঁদের মধ্যে সাক্ষাতের পর...
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২২)
وتعريف كل واحد بنفسه عرف الشاب بأنه فلان بن فلان وأنه أخذ عن فلان وعن فلان ...... ثم عرف سيدي حمو بنفسه وذكر بأنه لازم كثيرا سيدي محمد بن العربي الأدوزي وذكر أسماء عمن أخذ عنهم من العلماء، وبعد إجراء محاورات عديدة بينهما في مواضيع شتى منها، محاورتهما عن كبار الصوفية والمشايخ وكذا عن الإسلام اليوم وهل ما زال عما كان عليه، عمد الفقيه الشاب على إقناع الشيخ المسن سيدي حمو على مخالطة الناس، والتصدر للعمل الصالح، وبعد أن استخار سيدي حمو عقدا أخوة بينهما، فخرجا معا لمخالطة الناس، واتفقا على جولة يقومان بها لسوس لمداخلة الطبقات المختلفة فيه، لعلهما يجدا من يرشدانه أو غريبة أو عادة أو آبدة -هكذا- تفيد القراء، وتواعدا على أن يبين سيدي حمو للفقيه كل ما يعرفه عن عوائد القوم، وبدءا جولتهما في أقطار سوس.

وخوفا من التطويل نبين المحاور التي ارتكزت عليها هذه الجولة -على حسب ما وجدناه في المخطوط- فقد تحاورا أولا عن اللباس وتبيان الجديد منه والقديم، وأن الألبسة الحديثة لم تتسع إلا في أيام الحاحيين منذ 1315هـ، ثم تحاورا عن الصحة والأتاي وبين الولوع به في سوس، والقصائد التي قيلت فيه، ثم محور أغاني الرعاة مع تدوين بعض ما جرى بين راعيتين من أبيات شعره بالشلحة السوسية، مع ترجمتها بالعربية، ثم بعد أن وصل إلى قرية خالية من سكانها إلا من شيخين تحاورا حول حال المساجد في سوس مع تأسفهما عن خلوها بعد أن كانت عامرة.

إلى هنا توقف هذا المؤلف النفيس ولا ندري هل أتمه كاتبه أم لا، إلا أننا نجزم عكس ذلك، خصوصا وأنه قد راجعه وأضاف إليه إضافات وهوامش كأنه يريد أن يعده للطبع، وهذا الذي عندنا الآن في جزء وسط.

هذا هو برنامج هذا الكتاب، طولنا بالتعريف به على عكس ما ذكرناه في الطبعة الأولى من هذا الدليل؛ لأننا آنذاك لم نكن قد اطلعنا عليه، وأنه كان يعتقد من قبل أنه كل ما كتبه المؤلف عن العادات ما هو إلا المنشور في الجزء الأول من المعسول، وإنما المنشور فيه الذي خص للعادات الإلغية هو في الأصل ملخص كتاب له يسمى (أعراف إلغ وما إليها) -المذكور بعد هذا-.

এবং প্রত্যেকে নিজের পরিচয় প্রদান করল। যুবকটি নিজেকে অমুকের পুত্র অমুক হিসেবে পরিচয় দিল এবং জানাল যে সে অমুক ও অমুক ব্যক্তির নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেছে... অতঃপর সিদি হাম্মু নিজের পরিচয় দিলেন এবং উল্লেখ করলেন যে তিনি দীর্ঘকাল সিদি মুহাম্মাদ বিন আল-আরাবি আল-আদুজির সংস্পর্শে ছিলেন এবং আরও কিছু আলেমদের নাম উল্লেখ করলেন যাদের নিকট থেকে তিনি জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। এরপর তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বহু আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো, যার মধ্যে ছিল বড় বড় সুফি ও মাশায়েখদের সম্পর্কে আলোচনা, সেইসাথে বর্তমান সময়ের ইসলাম এবং তা পূর্বের ন্যায় আছে কি না সে বিষয়ে। যুবক ফকিহটি বৃদ্ধ শায়খ সিদি হাম্মুকে মানুষের সাথে মেলামেশা করার এবং সৎ কাজের জন্য সামনে এগিয়ে আসার বিষয়ে রাজি করানোর চেষ্টা করলেন। সিদি হাম্মু ইস্তিখারা করার পর তারা উভয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন এবং মানুষের সাথে মেলামেশা করতে বের হলেন। তারা সুস অঞ্চলে ভ্রমণের ব্যাপারে একমত হলেন যাতে সেখানকার বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে মেলামেশা করা যায়; সম্ভবত তারা এমন কাউকে পাবেন যাকে পথপ্রদর্শন করবেন অথবা কোনো অদ্ভুত বিষয়, প্রথা কিংবা প্রাচীন নিদর্শন—এরকম কিছু—খুঁজে পাবেন যা পাঠকদের উপকারে আসবে। সিদি হাম্মু ফকিহকে প্রতিশ্রুতি দিলেন যে, তিনি মানুষের রীতিনীতি সম্পর্কে যা কিছু জানেন তা তাকে জানাবেন। এভাবে তারা সুস অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সফর শুরু করলেন।

বর্ণনা দীর্ঘ হওয়ার ভয়ে আমরা এই সফরের মূল বিষয়বস্তুগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরছি—পাণ্ডুলিপিতে আমরা যেভাবে পেয়েছি সে অনুযায়ী। প্রথমে তারা পোশাক-পরিচ্ছদ এবং এর নতুন ও পুরাতন ধরন নিয়ে আলোচনা করলেন এবং উল্লেখ করলেন যে ১৩১৫ হিজরি থেকে হাহিয়ীনদের সময় ছাড়া আধুনিক পোশাকের তেমন প্রচলন ঘটেনি। এরপর তারা স্বাস্থ্য এবং 'আতাই' (মরোক্কান চা) সম্পর্কে আলোচনা করলেন এবং সুস অঞ্চলে এর প্রতি আসক্তি ও এটি নিয়ে রচিত কবিতাগুলো বর্ণনা করলেন। অতঃপর রাখালদের সংগীত নিয়ে আলোচনা হলো এবং দুইজন রাখাল বালিকার মধ্যে সুসি শালহা ভাষায় বিনিময়কৃত কিছু কবিতা ও তার আরবি অনুবাদ লিপিবদ্ধ করা হলো। এরপর তারা এমন এক গ্রামে পৌঁছালেন যা দুইজন বৃদ্ধ ছাড়া জনশূন্য ছিল। সেখানে তারা সুস অঞ্চলের মসজিদগুলোর অবস্থা নিয়ে আলোচনা করলেন এবং এককালে জনাকীর্ণ মসজিদগুলো এখন জনমানবহীন হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করলেন।

এই মূল্যবান পাণ্ডুলিপিটি এখানেই থেমে গেছে এবং আমরা জানি না লেখক এটি সম্পন্ন করেছিলেন কি না। তবে আমরা এর বিপরীতটাই নিশ্চিতভাবে মনে করি, বিশেষ করে যেহেতু তিনি এটি পর্যালোচনা করেছেন এবং এতে বিভিন্ন সংযোজন ও টীকা যুক্ত করেছেন, যেন তিনি এটি মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করতে চেয়েছিলেন। আমাদের কাছে বর্তমানে যা আছে তা একটি মাঝারি খণ্ড।

এটিই এই বইয়ের রূপরেখা। এই নির্দেশিকার প্রথম সংস্করণে আমরা যা উল্লেখ করেছিলাম তার বিপরীতে এখানে আমরা এর বিস্তারিত পরিচয় তুলে ধরেছি; কারণ তখন পর্যন্ত আমরা এটি পর্যবেক্ষণ করতে পারিনি। আগে মনে করা হতো যে লেখক রীতিনীতি সম্পর্কে যা কিছু লিখেছেন তা কেবল 'আল-মাসুল' গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। অথচ সেখানে ইলিগি রীতিনীতি সম্পর্কে যা প্রকাশিত হয়েছে, তা মূলত তার 'আরাফ ইলিগ ওয়া মা ইলাইহা' (ইলিগের প্রথা ও আনুষঙ্গিক বিষয়সমূহ) নামক গ্রন্থের সংক্ষিপ্তসার—যা সামনে উল্লেখ করা হবে।

(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২৩)
وهذا الكتاب (أحاديث سيدي حمو الشلحي) ربما كانت نية مؤلفة أن يجعله أن يجعله للأخلاق والعادات والأفكار بسوس عامة، ثم عند وصول بطلي الرواية إلى نواحي إلغ آنذاك سيعرف بتقاليدها وعادتها وأخلاقها بصفة خاصة، إلا أن مشروع هذه التوءمة لم يتم (أي بين ما كتبه أولا عن إلغ ثم ما كتبه عن سوس عامة في هذا المؤلف المذكور) ودليلنا على ذلك هو ما عرف به الكتابين معا في سوس العالمة ص225، عند توءمتها حيث ذكر في العنوان (أخلاق وعادات سوسية) وفي شرحه له كتب (كنت أجمع ما أراه عن عادات إلغ وما إليها … ).

 

‌‌82 - أعراف إلغ وما إليها (مخطوط):

وجدنا أوراقه المخطوطة في مظروف كبير تحت هذا العنوان، وعند قراءتنا له تبين لنا أنه يخص عادات وتقاليد إلغ ونواحيها، وما يعقدونه في الأعياد والمآدب والمجالس والأعراس والمآثم وكيف هي ألعابهم ولباسهم وطبخهم وما يفعلونه في عاشوراء واليوم الأول من يناير، وكذلك في الحرث والحصاد والدرس، و .....

وعندما قارناه بما كتب في الجزء الأول من المعسول ظهر لنا تباين واضح بينهما وإن كان غالب مواضيع ما كتب في المعسول موجودة في هذا الكتاب، إلا أن الأسلوب مغاير، وفي بعض ما في هذا الكتاب يكون أحيانا طويلا عما هو مكتوب في المعسول، لهذا كله يجب التنبيه أن هذا الكتاب وموضوعه وما وجد فيه هو غير الكتاب المذكور سابقا (أحاديث سيدي حمو الشلحي)، لأن هذا الأخير كتب بالطريقة المذكورة آنفا.

 

‌‌83 - أمثال الشلحيين وحكمهم نظما ونثرا (مخطوط):

تتبعها من الأفواه وجمع منها أول الأمر في كراسة نحو 300 مثلا إلغيا، أخذها منه على حد تعبيره في الجزء الأول من المعسول صفحة 59 الكولونيل المستشلح جوستينار، فنشرها وترجمها للفرنسية في بعض مجلات بلده، ثم أثناء اعتقاله في معتقل أغبالو نكردوس ذكر أنه كان يملي على العلامة محمد الفاسي ما يزيد على ألف وخمسين مثلا شلحيا ما بين منثور ومنظوم، ففسرها بحكاياتها بالعربية فضمها إلى كتابه عن الأمثال المغربية.
এবং এই কিতাবটি (আহাদিসু সিদি হাম্মু আশ-শিলহি), সম্ভবত এর লেখকের উদ্দেশ্য ছিল একে সাধারণভাবে সুস অঞ্চলের আখলাক, রীতিনীতি এবং চিন্তা-চেতনার জন্য নিবদ্ধ করবেন, অতঃপর যখন বর্ণনার দুই নায়ক তৎকালীন ইলগ অঞ্চলে পৌঁছাবেন, তখন বিশেষভাবে সেখানকার ঐতিহ্য, প্রথা এবং আখলাক সম্পর্কে পরিচিত করবেন। কিন্তু এই সমন্বয়ের প্রকল্পটি পূর্ণ হয়নি (অর্থাৎ প্রথমে তিনি ইলগ সম্পর্কে যা লিখেছিলেন এবং পরে উল্লিখিত এই গ্রন্থে সাধারণভাবে সুস সম্পর্কে যা লিখেছিলেন তার মধ্যে)। এর স্বপক্ষে আমাদের প্রমাণ হলো 'সুস আল-আলিমা' গ্রন্থের ২২৫ পৃষ্ঠায় যেখানে তিনি উভয় কিতাবকে একসাথে পরিচিত করেছেন, সেখানে শিরোনামে উল্লেখ করেছেন (সুসি আখলাক ও রীতিনীতি) এবং এর ব্যাখ্যায় তিনি লিখেছেন (আমি ইলগ এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রীতিনীতি সম্পর্কে যা দেখতাম তা সংগ্রহ করতাম … )।

 

‌‌৮২ - ইলগ এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রথা (পাণ্ডুলিপি):

আমরা এই শিরোনামের অধীনে একটি বড় খামে এর পাণ্ডুলিপির পাতাগুলো পেয়েছি। এটি পড়ার সময় আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, এটি ইলগ এবং এর আশপাশের অঞ্চলের রীতিনীতি ও ঐতিহ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট, এবং তারা ঈদ, মেজবানি, মজলিস, বিবাহ ও শোকানুষ্ঠানে যা পালন করত এবং তাদের খেলাধুলা, পোশাক, রন্ধনশৈলী কেমন ছিল এবং আশুরা ও জানুয়ারির প্রথম দিনে তারা কী করত, সেই সংক্রান্ত। একইভাবে চাষাবাদ, ফসল কাটা ও মাড়াই এবং .....

যখন আমরা একে 'আল-মাসুল' এর প্রথম খণ্ডে যা লেখা হয়েছে তার সাথে তুলনা করলাম, তখন উভয়ের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য পরিলক্ষিত হলো। যদিও 'আল-মাসুল'-এ লিখিত অধিকাংশ বিষয়বস্তু এই কিতাবে বিদ্যমান, তবুও এর রচনাশৈলী ভিন্ন। এই কিতাবের কিছু বর্ণনা অনেক সময় 'আল-মাসুল'-এ যা লেখা হয়েছে তার চেয়ে দীর্ঘতর। এই সব কারণে এটি সতর্ক করা প্রয়োজন যে, এই কিতাব, এর বিষয়বস্তু এবং এতে যা পাওয়া গেছে তা ইতিপূর্বে উল্লিখিত কিতাবটি (আহাদিসু সিদি হাম্মু আশ-শিলহি) হতে ভিন্ন; কেননা পরবর্তীটি পূর্বে উল্লিখিত পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে।

 

‌‌৮৩ - শিলহি সম্প্রদায়ের প্রবাদ ও প্রবচনসমূহ, পদ্য ও গদ্যে (পাণ্ডুলিপি):

তিনি মানুষের মুখ থেকে এগুলো সংগ্রহ করেছেন এবং প্রথম পর্যায়ে একটি খাতায় ইলগ অঞ্চলের প্রায় ৩০০টি প্রবাদ জমা করেছেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী 'আল-মাসুল' এর প্রথম খণ্ডের ৫৯ পৃষ্ঠায়, বার্বার সংস্কৃতি অনুরাগী কর্নেল জাস্টিনার তাঁর কাছ থেকে এগুলো নিয়েছিলেন এবং সেগুলো প্রকাশ করে নিজ দেশের কিছু সাময়িকীতে ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। অতঃপর আগবালু এনকার্দুস বন্দিশিবিরে আটক থাকাকালীন তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আল্লামা মুহাম্মদ আল-ফাসিকে গদ্য ও পদ্য মিলিয়ে এক হাজার পঞ্চাশটিরও বেশি শিলহি প্রবাদ শ্রুতিলিখন করিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি সেগুলোকে সংশ্লিষ্ট কাহিনীসহ আরবিতে ব্যাখ্যা করেন এবং মরক্কোর প্রবাদ বিষয়ক তাঁর গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করেন।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২৪)
وفي مخطوط والدنا الألفاظ العربية في الشلحة السوسية العديد من هذه الأمثال - راجع ما كتبناه بعد هذا - ووجدنا في خزانته أيضا عددا من هذه الأمثال مدونة في بطون بعض الكتب والدفاتر.

 

‌‌84 - الألفاظ العربية في الشلحة السوسية (مخطوط):

بحث لغوي تتبع فيه الألفاظ العربية الدخيلة على الشلحة السوسية، مرتب أبجديا، وبين في مقدمته مدى تأثير العربية في الشلحة، وإنه جعله كقاموس صغير للكلمات العربية التي تروج في الشلحة (كتبها في آخر الكتاب).

وطريقته في هذا الكتاب هو أنه يأتي بالكلمة الشلحية ويتتبع مشتقاتها، وفي الكلمات المتصرفة منها يذكر المصدر والماضي والمضارع والأمر واسم الفاعل و .... وغالبا ما يتبع ذلك بمثل شلحي مضبوط ومشكل تكون الكلمة المذكورة محورة، ثم يأتي بشرحه بالعربية (أنظر هنا رقم 113).

 

‌‌85 - قطائف اللطائف (مخطوط):

في النوادر والحكايات والمضحكات، حرص على أن تكون كلها سوسية -على حد تعبيره - لتكون مستمدا للباحث غذا في الهيأة الاجتماعية السوسية، ومن بين ما ذكره في المقدمة أنه كان من قبل ينوي جمع لطائف أدبية كان يستحسنها على ما فيها من الأدب المكشوف. (ولكن عند نفيه شاءت الأقدار أن تكون غير ذلك).

 

‌‌جانب الرحلات

‌‌86 - خلال جزولة:

أربع رحلات قام بها كجولات في نواحي سوس، بعد أن أذن له المستعمر التنقل من منفاه بإلغ، سجل فيها كل ما يراه يستحق التسجيل، مع ذكر الأحداث التي شاهدها ورجال النواحي التي زارها وتاريخها وأحوالها، وذكر كذلك العديد من محتويات الخزائن التي رآها، واستنسخ العديد من
এবং আমাদের পিতার পাণ্ডুলিপি "শুশ অঞ্চলের শিলহা ভাষায় আরবি শব্দসমূহ"-এ এই প্রবাদগুলোর অনেকগুলো রয়েছে - এর পরে আমরা যা লিখেছি তা দেখুন - এবং আমরা তাঁর গ্রন্থাগারেও এই প্রবাদগুলোর একটি বড় সংখ্যা বিভিন্ন বই ও খাতার অভ্যন্তরে লিপিবদ্ধ পেয়েছি।

 

‌‌৮৪ - শুশ অঞ্চলের শিলহা ভাষায় আরবি শব্দসমূহ (পাণ্ডুলিপি):

এটি একটি ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা যাতে শুশ অঞ্চলের শিলহা ভাষায় প্রবেশ করা আরবি শব্দগুলো অনুসন্ধান করা হয়েছে। এটি বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত। লেখক এর ভূমিকায় শিলহা ভাষার ওপর আরবির প্রভাবের মাত্রা স্পষ্ট করেছেন। তিনি এটিকে শিলহা ভাষায় প্রচলিত আরবি শব্দগুলোর একটি ছোট অভিধান হিসেবে তৈরি করেছেন (এটি বইয়ের শেষে লিখেছেন)।

এই বইটিতে তাঁর পদ্ধতি হলো, তিনি একটি শিলহা শব্দ নিয়ে আসেন এবং এর বুৎপত্তিগত রূপগুলো অনুসরণ করেন। রূপান্তরযোগ্য শব্দগুলোর ক্ষেত্রে তিনি মূল ধাতু, অতীতকাল, বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল, অনুজ্ঞা, কর্তৃবাচক বিশেষ্য ইত্যাদি উল্লেখ করেন। এবং প্রায়ই তিনি এর পরে একটি সঠিক ও স্বরচিহ্নযুক্ত শিলহা প্রবাদ উল্লেখ করেন যাতে উক্ত শব্দটি রূপান্তরিত অবস্থায় থাকে, তারপর তিনি এর ব্যাখ্যা আরবিতে প্রদান করেন (এখানে ১১৩ নম্বর দেখুন)।

 

‌‌৮৫ - কাতায়েফ আল-লাতায়েফ (পাণ্ডুলিপি):

বিরল কৌতুক, কাহিনী এবং হাস্যরসাত্মক গল্পের এই সংকলনটিতে তিনি সচেষ্ট ছিলেন যেন তার সবটুকুই শুশ অঞ্চলের হয় - তাঁর নিজস্ব অভিব্যক্তি অনুযায়ী - যাতে তা ভবিষ্যতে গবেষকদের জন্য শুশ অঞ্চলের সামাজিক কাঠামোর তথ্যের উৎস হতে পারে। তিনি ভূমিকায় যা উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছে যে, তিনি ইতিপূর্বে কিছু সাহিত্যিক কৌতুক সংগ্রহ করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন যা তিনি পছন্দ করতেন, যদিও তাতে কিছুটা খোলামেলা বা অশ্লীল সাহিত্য ছিল। (কিন্তু তাঁর নির্বাসনের সময় নিয়তি অন্যকিছু নির্ধারণ করেছিল)।

 

‌‌ভ্রমণ বিষয়ক অংশ

‌‌৮৬ - খুলাল জাযুলাহ:

এটি চারটি ভ্রমণ কাহিনী যা তিনি শুশ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সফর হিসেবে সম্পন্ন করেছিলেন, যখন উপনিবেশবাদীরা তাঁকে তাঁর নির্বাসনস্থল ইলগ থেকে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছিল। এতে তিনি যা কিছু নথিবদ্ধ করার যোগ্য মনে করেছেন তা লিপিবদ্ধ করেছেন। পাশাপাশি তিনি যে সকল ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন এবং যে সব এলাকার ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, তাদের ইতিহাস ও অবস্থা উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও তিনি যে সব গ্রন্থাগার দেখেছেন তার অনেক বিষয়বস্তু উল্লেখ করেছেন এবং অনেক কিছুর অনুলিপি করেছেন...
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২৫)
المؤلفات والوثائق والشهادات (عندنا منها الشيء الكثير) نشر ما نشر منها في كتبه (طبعه ونشره في أربعة أجزاء).

 

‌‌87 - من الحمراء إلى إلغ (مخطوط):

رحلة قام بها مع ثلة من أصحابه سنة 1354هـ، إلى مسقط رأسه إلغ، وذيلها بإفادات تاريخية عن السويرة وعن حاحة ورجالاتها المتأخرين وعن إداوتتان كذلك، وكتب أخيرا عن أكادير وقبيلة كسيمة، وذكر أيضا بعض الرؤساء والعلماء والمدارس، وقد كان ابن عمنا المرحوم عبد الله درقاوي -الغيور على إخراج تراث عمه- وقد اعتنى بهذه الرحلة وهيأها دون الزيول المشار إليها.

 

‌‌88 - الرحلة الحجازية (مخطوط):

في مختم سنة 1365هـ يسر الله له الحج كعضو من أعضاء الوفد الرسمي المرسل من طرف المغفور له محمد الخامس تحت رئاسة العلامة السائح الرباطي والحاج أحمد بناني كاتبا للوفد والآخرين السادة ناظر البيضاء عبد الرحمن عواد السلوي وناظر أحباس فاس السيد عبد الرحمن الجائي الفاسي وسادسهم القائد الأمغاري محمد بن الطاهر.

هكذا وجدنا أسماءهم في مسودة ما كتبه عن هذه الرحلة، إلا أن كاتبها لم يدون إلا ورقات قليلة بين فيها بعد المقدمة أسباب تيسير الحجة المباركة وكيف تنظيم الوفد وكيف توديع الحجاج ووقف عند (في القطار من الرباط إلى عاصمة الجزائر)، إلى هنا اكتفى بتدوينه لهذه الرحلة على حد علمنا لحد الآن -وإن كنا نعتقد غير ذلك- لأنه ذكر في كتابه الجزء الأول من معتقل الصحراء صفحة 10 (وقد كنت كتبت رؤساء كل ما يتعلق بها فالله يسهل في تخريجها).

هذا وإن لم يكن قد كتبها كلها بالفعل، فقد اعتنى وحقق وهيأ للطبع الرحلة الحجازية لأخيه سيدي الحاج عبد الله الذي حج معه في تلك السنة، وشجعه على تسجيلها وتدوين كل مشاهداته، وقد اختتمها بالأشعار التي قالها عند إقامته بالديار المقدسة منها التي ألقاها أولا في حضرة ملك الحجاز عبد العزيز آل مسعود مؤرخة في 7 ذي الحجة 1365هـ ثم تلتها قصيدة
রচনাদি, নথিপত্র এবং সাক্ষ্যসমূহ (আমাদের কাছে এর অনেক কিছু রয়েছে) যার যতটুকু প্রকাশিত হয়েছে তা তার বইসমূহে (চার খণ্ডে মুদ্রিত ও প্রকাশিত)।

 

‌‌৮৭ - আল-হামরা থেকে ইলগ পর্যন্ত (পাণ্ডুলিপি):

এটি ১৩৫৪ হিজরি সালে তার একদল সঙ্গীর সাথে তার জন্মস্থান ইলগ-এ করা একটি ভ্রমণকাহিনী। এর শেষে তিনি আল-সুওয়াইরা, হাহাহ এবং এর পরবর্তীকালের ব্যক্তিবর্গ এবং ইদাওতান সম্পর্কে ঐতিহাসিক তথ্য যুক্ত করেছেন। সবশেষে তিনি আগাদির এবং কাসিমা গোত্র সম্পর্কে লিখেছেন এবং কিছু নেতা, আলেম ও মাদরাসার কথাও উল্লেখ করেছেন। আমাদের চাচাতো ভাই মরহুম আবদুল্লাহ দারকাভি—যিনি তার চাচার ঐতিহ্য প্রকাশে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন—তিনি উল্লিখিত পরিশিষ্টগুলো বাদ দিয়ে এই ভ্রমণকাহিনীটি সম্পাদনা ও প্রস্তুত করেছেন।

 

‌‌৮৮ - হিজায সফরনামা (পাণ্ডুলিপি):

১৩৬৫ হিজরি সালের শেষের দিকে আল্লাহ তাআলা তাকে হজ পালন সহজ করে দিয়েছিলেন। তিনি মরহুম পঞ্চম মোহাম্মদের পক্ষ থেকে প্রেরিত সরকারি প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য হিসেবে এই সুযোগ পান। এই প্রতিনিধি দলের প্রধান ছিলেন আল্লামা আল-সাইহ আল-রাবাতি এবং প্রতিনিধি দলের লেখক হিসেবে ছিলেন আল-হাজ আহমদ বান্নানি। অন্য সদস্যরা হলেন কাসাব্লাঙ্কার পরিদর্শক আবদুর রহমান আউওয়াদ আস-সালাভি, ফাস-এর ওয়াকফ পরিদর্শক আবদুর রহমান আল-জায়ি আল-ফাসি এবং ষষ্ঠ জন ছিলেন কায়েদ আল-আমগারি মুহাম্মদ বিন তাহির।

এই ভ্রমণ সম্পর্কে তার লিখিত খসড়ায় আমরা তাদের নাম এভাবেই পেয়েছি। তবে লেখক ভূমিকার পর বরকতময় হজের সুযোগ হওয়ার কারণসমূহ, প্রতিনিধি দলের গঠন প্রক্রিয়া এবং হাজীদের বিদায় অনুষ্ঠান বর্ণনা করে মাত্র কয়েকটি পৃষ্ঠা লিপিবদ্ধ করেছেন এবং (রাবাত থেকে আলজেরিয়ার রাজধানী পর্যন্ত ট্রেনে) এই অংশে এসে থেমে গেছেন। আমাদের জানামতে এখন পর্যন্ত এই ভ্রমণকাহিনীটি এই পর্যন্তই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে—যদিও আমরা এর ব্যতিক্রম কিছু হওয়ার বিশ্বাস রাখি—কারণ তিনি তার ‘মুয়াত্তাখাল আস-সাহারা’ বইয়ের প্রথম খণ্ডের ১০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন (আমি এ সংক্রান্ত প্রতিটি বিষয়ের মূল পয়েন্টগুলো লিখেছি, আল্লাহ তাআলা এটি বের করা সহজ করে দিন)।

যদিও তিনি নিজে এটি সম্পূর্ণ লিখে যেতে পারেননি, তবে তিনি তার ভাই সিদি আল-হাজ আবদুল্লাহর হিজায সফরনামাটি সম্পাদনা, যাচাই এবং মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন, যিনি সেই বছর তার সাথে হজ করেছিলেন। তিনি তাকে তার সমস্ত অভিজ্ঞতা রেকর্ড এবং লিপিবদ্ধ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। তিনি এটি পবিত্র ভূমিতে অবস্থানকালে রচিত কবিতাগুলোর মাধ্যমে সমাপ্ত করেছেন, যার মধ্যে প্রথমটি হিজাযের বাদশাহ আবদুল আজিজ আল সাউদের দরবারে ৭ই জিলহজ ১৩৬৫ হিজরিতে পাঠ করা হয়েছিল এবং এরপর আরও একটি কাসিদা রয়েছে।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২৬)
جوابية من شاعر الملك الأديب أحمد بن إبراهيم الغزاوي، ثم قصيدة ثالثة كرد للغزاوي مؤرخة يوم 18 ذي الحجة 1365هـ -وهذه القصائد نتوفر على أصولها- ثم اختتم الجميع بقصيدة قالها مودعا بها أهل تونس عند الرجوع من الرحلة غير مؤرخة، إلا أننا وجدناها مقيدة في كناشة خاصة بوالدنا كنب في آخرها (على ظهر الباخرة مختتم 1365هـ).

 

‌‌89 - الرحلة الوزيرية (مخطوط):

رحلة قام بها أثناء تولية وزارة الأحباس في أول حكومة بعد الاستقلال، استغرقت أسبوعا، قام بها من العاصمة إلى درعة وتافيلالت وما إليهما، مرورا بالدار البيضاء والجديدة وأسفى والسويرة، وجدناها بخطه في ورقات على شكل استجواب إذاعي (س-ج)، واصفا فيها ما لاقاه من ترحاب، وبين فيها عدة نقاط هامة، ونحن الذين أطلقنا عليها هذا الاسم.

(نشرناها في جريدة التجديد لأيام الجمعة- الأحد بتاريخ 20 - 22 ماي26 2005م).

 

‌‌90 - الرحلة الأميرية (مخطوط):

رحلة قام بها كجولة من العاصمة إلى قصر السوق، زار فيها كلا من أرفود والريصاني وسجلماسة وقرية أسرير وتنجداد وأغبالونكردوس ابتدأها يوم الأربعاء 11 - 01 - 1960م، دون فيها مشاهداته ومساءلاته التي جرت بينه وبين من لاقاهم، ونحن الذين أطلقنا عليها هذا الاسم.

لا نتوفر من هذه الرحلة إلا ما كتبه كتقرير لها في ورقات قليلة مرسلة يوم 17 يناير 1960م إلى ولي العهد آنذاك المولى الحسن -قدس الله روحه- والغلب على الظن أنه هو من كلفه بهذا المهمة باعتباره كان وقتها وزيرا للتاج وللثقة التي كان يضعها فيه.

وفي الجزء السادس عشر من المعسول في صفحة 306 ذكر ما كان قيده -كعادته دائما- أثناء هذه الرحلة.

(نشرناها في مجلة المناهل في العدد الخاص بمحمد المختار السوسي في النصف الثاني من سنة 2005م).
রাজকীয় সাহিত্যিক কবি আহমদ বিন ইবরাহীম আল-গাজ্জাউয়ীর পক্ষ থেকে একটি উত্তর, এরপর আল-গাজ্জাউয়ীর প্রতি উত্তর হিসেবে ১৮ই জিলহজ্জ ১৩৬৫ হিজরি তারিখে লিখিত তৃতীয় একটি কবিতা — এই কবিতাগুলোর মূল পাণ্ডুলিপি আমাদের নিকট সংরক্ষিত আছে — অতঃপর ভ্রমণ থেকে ফেরার সময় তিউনিসিয়ার জনগণকে বিদায় জানিয়ে রচিত একটি অ-তারিখযুক্ত কবিতার মাধ্যমে সবকিছু সমাপ্ত হয়েছে। তবে আমরা এটি আমাদের পিতার বিশেষ একটি ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ পেয়েছি যার শেষে লেখা ছিল (জাহাজের ওপর, ১৩৬৫ হিজরির শেষভাগে)।

 

৮৯ - আর-রিহলাতুল উজিরিয়াহ (পাণ্ডুলিপি):

স্বাধীনতার পর প্রথম সরকারের ওয়াকফ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে তিনি এই সফরটি করেছিলেন। এটি এক সপ্তাহ স্থায়ী হয়েছিল। তিনি রাজধানী থেকে দারা, তাফিলালত এবং এর আশপাশের এলাকাগুলোতে সফর করেন; পথে তিনি কাসাব্লাঙ্কা, আল-জাদিদা, আসফি এবং আস-সুওয়াইরা অতিক্রম করেন। আমরা এটি তাঁর স্বহস্তে লেখা কিছু পাতায় রেডিও সাক্ষাৎকারের আকারে (প্রশ্ন-উত্তর) পেয়েছি, যেখানে তিনি তাঁর প্রতি জানানো উষ্ণ অভ্যর্থনার বর্ণনা দিয়েছেন এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছেন। আমরাই এই ভ্রমণকাহিনীর এই নামকরণ করেছি।

(আমরা এটি ২০০৫ সালের ২০-২২ মে তারিখের শুক্রবার-রবিবার সংখ্যায় ‘আল-তাজদীদ’ পত্রিকায় প্রকাশ করেছি)।

 

৯০ - আর-রিহলাতুল আমিরিয়াহ (পাণ্ডুলিপি):

রাজধানী থেকে কাসরুস সুক পর্যন্ত একটি সফর হিসেবে তিনি এটি সম্পন্ন করেছিলেন। এতে তিনি এরফুদ, আর-রিসানি, সিজিলমাসা, আসরির গ্রাম, তিনজদাদ এবং আগবালু এনকার্দুস পরিদর্শন করেন। তিনি ১৯৬০ সালের ১১ জানুয়ারি বুধবার এটি শুরু করেছিলেন। এতে তিনি তাঁর দেখা ঘটনাবলি এবং যাদের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল তাদের সাথে হওয়া আলাপচারিতা লিপিবদ্ধ করেছেন। আমরাই এই ভ্রমণকাহিনীর এই নামকরণ করেছি।

এই ভ্রমণকাহিনী থেকে আমাদের কাছে কেবল সেটুকুই আছে যা তিনি ১৭ জানুয়ারি ১৯৬০ তারিখে তৎকালীন যুবরাজ আল-মাওলা আল-হাসান — আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন — এর কাছে রিপোর্ট হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন। প্রবল ধারণা এই যে, তিনিই তাঁকে এই দায়িত্বটি দিয়েছিলেন, কারণ সে সময় তিনি রাজকীয় মন্ত্রী ছিলেন এবং যুবরাজের তাঁর প্রতি গভীর আস্থা ছিল।

‘আল-মাসুল’ গ্রন্থের ১৬তম খণ্ডের ৩০৬ পৃষ্ঠায় তিনি তাঁর অভ্যাস অনুযায়ী এই সফরের সময় যা লিপিবদ্ধ করেছিলেন তা উল্লেখ করেছেন।

(আমরা এটি ২০০৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসির বিশেষ সংখ্যায় ‘মাজাল্লাতুল মানাহিল’-এ প্রকাশ করেছি)।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌91 - الرحلة الأولى للحواضر:

قبيل الإفراج عنه من منفاه بإلغ توجه لوحده إلى كل من مراكش والرباط وفاس، مبتدئا بزيارة ضريح جده في أيمور، قم مر بأكادير والسويرة، وهذه السفرة دون فيها كل ما يستحق التدوين (نشرناها في كتابه الإلغيات الجزء الثالث ابتداء من الصفحة 209).

 

‌‌92 - الرحلة التونسية (مخطوط):

رحلة قام بها إلى تونس الشقيق سنة (1367هـ-1948م) لحضور مؤتمر الحرمين الشريفين بتكليف شخصي للمغفور له محمد الخامس، الذي قال للفرنسيين آنذاك (ني لا أوافق على ذهاب الوفد إذا لم يذهب فيه فلان)، وقد ضمنه عند الفرنسيين رئيس الوفد ابن غبريط.

ومسودة هذه الرحلة عندنا في ورقات قلبلة كتبها كرءوس للأفكار يذكر مجريات كل يوم على حدة فيذكر مثلا متغداهم ومعشاهم ومبيتهم ومزاراتهم، وقد ابتدأت هذه الرحلة يومه الأربعاء 3 جمادى الثانية 1367هـ- أبريل 1948م حيث انطلقت من وجدة مرورا بالجزائر فتونس، وذكر فبها أيضا استقبالهم من طرف ملك تونس الباي الذي وشح أعضاء الوفد بوسامات ملكية وكان من نصيبه الصنف الثاني من نيشان الافتخار (وهو عندنا مع الشهادة التي تعطى معه بـ 13 جمادى الثانية 1367هـ - 23 أبريل 1948م) كما ذكر أيضا توشيح ابن غبريط رئيس الوفد لأوسمة علوية للصدر الأعظم وأصهار الباي الثمانية.

وذكر أيضا في هذه الرحلة كل من لاقاهم من العلماء والوزراء والشخصيات الكبيرة، وعندنا دفتر سجل فيه أسماء وتراجم بعض علماء تونس وعلماء الجزائر وكذا بعض عناوين مدرسين وشخصيات بتونس، ولا ندري هل دون هذا في هذه الرحلة أو عند رحلته الحجازية، وقد كان ذكر في كتاب معتقل الصحراء الجزء الأول صفحة 11 عند ذكره لحضوره لهذا المؤتمر أنه قد ألقى قصيدة شعرية في تحية الباي، ومحاضرة عن محمد العالم ابن مولاي إسماعيل -أنظر هنا في الرقم التسلسلي 94 - .
৯১ - প্রধান নগরীসমূহে প্রথম সফর:

ইলগ-এর নির্বাসন থেকে তাঁর মুক্তির অব্যবহিত পূর্বে তিনি একাকী মারাকেশ, রাবাত ও ফেজের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। তিনি আইমুরে তাঁর দাদার মাজার যিয়ারতের মাধ্যমে সফর শুরু করেন, তারপর আগাদির ও আস-সুওয়াইরা অতিক্রম করেন। এই ভ্রমণে তিনি লিপিবদ্ধ করার যোগ্য সবকিছুই লিখে রেখেছেন (আমরা এটি তাঁর 'আল-ইলগিয়াত' গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ২০৯ পৃষ্ঠা থেকে প্রকাশ করেছি)।

 

৯২ - তিউনিসিয়া সফর (পাণ্ডুলিপি):

প্রয়াত পঞ্চম মুহাম্মদের ব্যক্তিগত দায়িত্বে হারামাইন শরীফাইন সম্মেলনে যোগদানের জন্য ১৩৬৭ হিজরি - ১৯৪৮ সালে ভ্রাতৃপ্রতিম তিউনিসিয়ায় তিনি এই সফরটি করেছিলেন। পঞ্চম মুহাম্মদ তৎকালীন ফরাসিদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন (যদি অমুক ব্যক্তি এই প্রতিনিধিদলে না যান, তবে আমি প্রতিনিধিদলের গমনের ব্যাপারে একমত নই)। প্রতিনিধিদলের প্রধান ইবনে গাবরিত ফরাসিদের কাছে তাঁর ব্যাপারে জামিনদার হয়েছিলেন।

এই সফরের খসড়াটি আমাদের কাছে কয়েকটি পাতায় সংরক্ষিত আছে যা তিনি মূল ধারণাগুলো হিসেবে লিখেছিলেন। এতে তিনি প্রতিটি দিনের ঘটনাবলী পৃথকভাবে উল্লেখ করেছেন; যেমন তিনি তাঁদের দুপুরের খাবার, রাতের খাবার, রাত্রিযাপন এবং যিয়ারত করা স্থানগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন। সফরটি শুরু হয়েছিল বুধবার ৩ জুমাদাল উখরা ১৩৬৭ হিজরি - এপ্রিল ১৯৪৮ সালে, যা ওজদা থেকে শুরু হয়ে আলজেরিয়া হয়ে তিউনিসিয়ায় পৌঁছেছিল। তিনি সেখানে তিউনিসিয়ার শাসক বে (Bey) কর্তৃক তাঁদের অভ্যর্থনা জানানোর কথা উল্লেখ করেছেন, যিনি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের রাজকীয় পদকে ভূষিত করেছিলেন। তাঁর ভাগে 'নিশানে ইফতিখার'-এর দ্বিতীয় শ্রেণী জুটেছিল (যা ১৩ জুমাদাল উখরা ১৩৬৭ হিজরি - ২৩ এপ্রিল ১৯৪৮ তারিখে প্রদত্ত সনদসহ আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে)। এছাড়াও তিনি প্রতিনিধিদলের প্রধান ইবনে গাবরিত কর্তৃক উজিরে আজম এবং বে-এর আট জামাতার জন্য রাজকীয় 'আলাউয়ি' পদক প্রদানের কথা উল্লেখ করেছেন।

এই সফরে তিনি যাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন—সেসব আলেম, মন্ত্রী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। আমাদের কাছে একটি নোটবুক আছে যাতে তিউনিসিয়া ও আলজেরিয়ার কিছু আলেমের নাম ও জীবনী এবং তিউনিসিয়ার কিছু শিক্ষক ও ব্যক্তিত্বের ঠিকানা লিপিবদ্ধ রয়েছে। আমরা জানি না তিনি এটি এই সফরের সময় লিপিবদ্ধ করেছেন নাকি তাঁর হেজাজ সফরের সময়। তিনি তাঁর 'মুয়াত্তালাকুস সাহারা' গ্রন্থের ১ম খণ্ডের ১১ পৃষ্ঠায় এই সম্মেলনে উপস্থিতির বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বে-এর সম্মানে একটি কবিতা পাঠ করেছিলেন এবং মুহাম্মদ আল-আলিম ইবনে মাওলায় ইসমাইল সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ পাঠ করেছিলেন -এখানে ক্রমিক সংখ্যা ৯৪ দেখুন-।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২৮)
ونبين في الأخير أن ممن رافقه زيادة عن الرئيس ابن عشرين والمصطفى والمرنيسي ومولاي المهدي وملين - هكذا ذكرهم - ونشير أيضا أنه في هذه الرحلة أجازه العلامة التونسي محمد الطاهر بن عاشور، ونقرأ في آخرها أنها مؤرخة في 11 جمادى الثانية 1367هـ.

 

‌‌93 - أصفى الموارد في تهذيب نظم الرحلة الحجازية للشيخ الوالد:

رحلة حجازية قام بها والده الشيخ الأكبر سيدي الحاج علي الدرقاوي سنة 1305هـ كتبها نظما وتركها مسودة، فاعتنى بها ابنه - والدنا محمد المختار السوسي - فنقحها وهذبها وهيأها وقام بطبعها.

وقد وجدنا في مخطوط لوالدنا الذي خط فيه هذه الرحلة المنظومة في (2000) بيت، بها خاتمة طويلة لم ينشرها في هذا الكتاب الذي طبعه لهذه الرحلة.

‌‌جانب‌‌ المحاضرات والخطب والمقالات

المحاضرات

 

‌‌94 - محمد العالم ابن مولاي إسماعيل (مخطوط):

محاضرة ألقاها بتونس عام 1367هـ أثناء عضويته للوفد المغربي بتكليف من المغفور له محمد الخامس للحضور في مؤتمر الحرمين الشريفين برئاسة ابن غبريط، وألقى في هذه السفرة أيضا قصيدة في تحية الباي (أنظر الجزء الأول من معتقل الصحراء صفحة 11 والرحلة التونسية المذكورة هنا).

 

‌‌95 - تكون البذرة الوطنية الأولى (مخطوط):

محاضرة ألقاها بمعتقل أغبالونكردوس وجعل موضوعها ما شاهده بفاس إبان الأخذ به، وكيف كانوا آنذاك يتلاقون حتى كان من تلك الملاقاة ما كان، فأسهب في جزئيات حضرها، وأتى ببعض أدبيات تروج في محيطهم إذ ذاك، فكان للأدب في المحاضرة شكل خاص - على حد تعبيره - (أنظر معتقل الصحراء الجزء الأول صفحة 204).
পরিশেষে আমরা উল্লেখ করছি যে, প্রধান ইবনে আশরিন, আল-মুস্তফা, আল-মারনিসি, মাওলাই আল-মাহদি এবং মালিন ছাড়াও আরও যারা তাঁর সঙ্গী ছিলেন - তিনি এভাবেই তাঁদের কথা উল্লেখ করেছেন। আমরা আরও নির্দেশ করছি যে, এই সফরে তিউনিসীয় আল্লামা মুহাম্মদ আত-তাহির বিন আশুর তাঁকে ইজাজত প্রদান করেন। আমরা এর শেষে আরও পড়ি যে, এটি ১১ জমাদিউস সানি ১৩৬৭ হিজরিতে তারিখভুক্ত।

 

‌‌৯৩ - আসফা আল-মাওয়ারিদ ফি তাহযীব নাযম আর-রিহলাহ আল-হিজাযিয়্যাহ লিশ-শাইখ আল-ওয়ালিদ:

এটি একটি হিজাজ সফর যা তাঁর পিতা শাইখ আল-আকবার সিদি আল-হাজ আলী আদ-দারকাওয়ি ১৩০৫ হিজরিতে সম্পাদন করেন। তিনি এটি পদ্যাকারে লিখেছিলেন এবং পাণ্ডুলিপি হিসেবে রেখে গিয়েছিলেন। এরপর তাঁর পুত্র - আমাদের পিতা মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসি - এর প্রতি যত্নবান হন, এটিকে পরিমার্জন ও সংস্কার করেন, প্রস্তুত করেন এবং প্রকাশের ব্যবস্থা করেন।

আমরা আমাদের পিতার একটি পাণ্ডুলিপিতে পেয়েছি যেখানে তিনি এই কাব্যিক ভ্রমণকাহিনীটি ২,০০০ পংক্তিতে লিখেছিলেন। সেখানে একটি দীর্ঘ উপসংহার রয়েছে যা তিনি এই সফরের প্রকাশিত বইটিতে অন্তর্ভুক্ত করেননি।

‌‌বক্তৃতা,‌‌ ভাষণ এবং প্রবন্ধ বিভাগ

বক্তৃতাসমূহ

 

‌‌৯৪ - মুহাম্মদ আল-আলিম ইবনে মাওলাই ইসমাইল (পাণ্ডুলিপি):

এটি একটি বক্তৃতা যা তিনি ১৩৬৭ হিজরিতে তিউনিসে প্রদান করেছিলেন। মরহুম মুহাম্মদ আল-খামিস কর্তৃক আদিষ্ট হয়ে ইবনে গাবরিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত 'হারামাইন শরিফাইন সম্মেলনে' যোগদানের জন্য মরক্কোর প্রতিনিধি দলের সদস্য থাকাকালীন তিনি এটি দিয়েছিলেন। এই সফরে তিনি 'বে'-এর প্রতি অভিবাদন জানিয়ে একটি কবিতাও পাঠ করেছিলেন (দ্রষ্টব্য: মুআতাকাল আস-সাহারা, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১ এবং এখানে উল্লিখিত তিউনিসিয়া সফরনামা)।

 

‌‌৯৫ - তাকউন আল-বিযরাহ আল-ওয়াতানিয়্যাহ আল-উলা (পাণ্ডুলিপি):

এটি একটি বক্তৃতা যা তিনি আগবালুনকারদুস বন্দিশালায় প্রদান করেছিলেন। এর বিষয়বস্তু ছিল তাঁর গ্রেফতারের সময়কালে ফাস শহরে তিনি যা প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং তখন তাঁরা কীভাবে একে অপরের সাথে মিলিত হতেন এবং সেই সাক্ষাতগুলো থেকে কী ফলাফল অর্জিত হয়েছিল। তিনি সেখানে উপস্থিত থাকাকালীন বিস্তারিত ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন এবং তৎকালীন পরিবেশে প্রচলিত কিছু সাহিত্যিক উপাদান উপস্থাপন করেন। তাঁর ভাষায়, সেই বক্তৃতায় সাহিত্যের একটি বিশেষ রূপ ফুটে উঠেছিল (দ্রষ্টব্য: মুআতাকাল আস-সাহারা, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৪)।
(খণ্ড: ১) দালীলু মুআল্লাফাতি মুখতারুস সূসী (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌96 - العهد المريني (مخطوط):

محاضرة كان قد ألقاها بفاس إبان الأخذ به في المدرسة الناصرية، تحتوي على حقائق عديدة (أنظر معتقل الصحراء الجزء الأول صفحة 204 وأنظر الرد على كولان المذكور هنا في الرقم التسلسلي - 62 - ).

 

‌‌97 - ماضي سوس العلمي (مخطوط):

محاضرة ألقاها على ثلة من تلاميذ معهد محمد الخامس بتارودانت (نشرناها في مجلة المناهل في العدد الخاص بمحمد المختار السوسي الصادر في النصف الثاني من سنة 2005م)

 

‌‌98 - ماضي سوس العلمي (مخطوط):

محاضرة دينية في ورقات عندنا ونجزم أنها ألقيت في معهد محمد الخامس بتارودانت.

 

‌‌99 - الرياضة في الإسلام (مخطوط):

محاضرة ألقاها كذيل على محاضرة الأستاذ المحمدي عن الرياضة في الإسلام ألقيت في معتقل أغبالونكردوس، أبرز فيها وذكر ما حضره عن المسابقة والمصارعة والسباحة والرماية، إلى ما يمت إلى الموضوع من أن المؤمن القوي خير من المؤمن الضعيف - على حد تعبيره - (أنظر معتقل الصحراء الجزء الأول صفحة 203).

 

‌‌100 - أخلاق العلماء (مخطوط):

إثر محاضرة ألقاها الفقيه الحمداوي في معتقل أغبالونكردوس عن أخلاق العلماء، عقب محمد المختار السوسي عنها بتدخل طويل جال فيه جولات في التاريخ -على حد تعبيره- عن الذين استحضرهم من المغاربة قاوموا الطغيان من العصر الماضي والحاضر، ثم ختم تعقيبه بأسماء أفذاذ من هؤلاء الواقفين اليوم في قضية الاستعمار (أنظر الجزء الأول من معتقل الصحراء 205 - 206).
৯৬ - মারিনি যুগ (পাণ্ডুলিপি):

ফাসে নাসিরিয়া মাদ্রাসায় অবস্থানকালে এটি একটি প্রদত্ত বক্তৃতা, যা অনেক তথ্যে সমৃদ্ধ (দ্রষ্টব্য: 'মা'তাকালুস সাহারা', প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৪ এবং এখানে ক্রমিক নং ৬২-তে উল্লিখিত কোলানের খণ্ডন দেখুন)।

 

৯৭ - সুস অঞ্চলের জ্ঞানতাত্ত্বিক অতীত (পাণ্ডুলিপি):

তারুদান্তের মুহাম্মদ আল-খামিস ইনস্টিটিউটের একদল ছাত্রের সামনে প্রদত্ত একটি বক্তৃতা (এটি আমরা ২০০৫ সালের শেষার্ধে প্রকাশিত মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসি-র ওপর বিশেষ সংখ্যা হিসেবে 'আল-মানাহিল' সাময়িকীতে প্রকাশ করেছি)।

 

৯৮ - সুস অঞ্চলের জ্ঞানতাত্ত্বিক অতীত (পাণ্ডুলিপি):

কয়েকটি পৃষ্ঠায় সংকলিত একটি ধর্মীয় বক্তৃতা যা আমাদের নিকট আছে এবং আমরা নিশ্চিত যে এটি তারুদান্তের মুহাম্মদ আল-খামিস ইনস্টিটিউটে প্রদান করা হয়েছিল।

 

৯৯ - ইসলামে শরীরচর্চা (পাণ্ডুলিপি):

আগবালুনকারদুস বন্দী শিবিরে ইসলামে শরীরচর্চা সম্পর্কে উস্তাদ আল-মুহাম্মাদীর বক্তৃতার পরিপূরক হিসেবে প্রদত্ত একটি বক্তৃতা। এতে তিনি প্রতিযোগিতা, কুস্তি, সাঁতার ও তিরন্দাজি সম্পর্কে তার স্মৃতি থেকে তথ্যাদি উপস্থাপন করেছেন এবং এই বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতায় উল্লেখ করেছেন যে, শক্তিশালী মুমিন দুর্বল মুমিনের চেয়ে উত্তম - তাঁর নিজস্ব প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী - (দ্রষ্টব্য: 'মা'তাকালুস সাহারা', প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৩)।

 

১০০ - আলেমদের চরিত্র (পাণ্ডুলিপি):

ফকিহ আল-হামদাওয়ি কর্তৃক আগবালুনকারদুস বন্দী শিবিরে আলেমদের চরিত্র সম্পর্কে প্রদত্ত বক্তৃতার পর, মুহাম্মদ আল-মুখতার আস-সুসি এর ওপর একটি দীর্ঘ মন্তব্য প্রদান করেন। এতে তিনি ইতিহাসের পাতা থেকে -তাঁর নিজস্ব ভাষায়- অতীত ও বর্তমান যুগের মরক্কোর সেই সব ব্যক্তিদের স্মৃতিচারণ করেন যারা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করেছিলেন। এরপর তিনি ঔপনিবেশিকতাবাদের ইস্যুতে বর্তমানে আপোসহীন সেই অনন্য ব্যক্তিত্বদের নাম উল্লেখের মাধ্যমে তাঁর মন্তব্য শেষ করেন (দ্রষ্টব্য: 'মা'তাকালুস সাহারা'র প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৫ - ২০৬)।