(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: -)
مقدمة في أصول البحث العلمي وتحقيق التراث (السيد رزق الطويل)
القسم: فهارس الكتب والأدلة
الكتاب: مقدمة في أصول البحث العلمي وتحقيق التراث
المؤلف: السيد رزق الطويل
الناشر: المكتبة الأزهرية للتراث
الطبعة: الثانية
عدد الصفحات: 240
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি এবং ঐতিহ্য সম্পাদনার ভূমিকা (আস-সায়্যিদ রিযক আত-তাবিল)
বিভাগ: বইয়ের নির্ঘণ্ট এবং নির্দেশিকা
গ্রন্থ: বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি এবং ঐতিহ্য সম্পাদনার ভূমিকা
লেখক: আস-সায়্যিদ রিযক আত-তাবিল
প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুল আযহারিয়্যাহ লিত-তুরাস
সংস্করণ: দ্বিতীয়
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪০
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৩)
مقدماتمقدمة الطبعة الثانية…بسم الله الرحمن الرحيممقدمة الطبعة الثانية:الحمد لله خلق الإنسان علمه البيان، وهداه إلى أقوم سبيل للبحث ويسر له أسباب الفكر والنظر في ملكوت السموات والأرض وصولا إلى المعرفة وإصابة كبد الحقيقة.وصلاة وسلامًا دائمين على خاتم رسله ومصطفاه، محمد بن عبد الله، الذي أرسله الله بالرسالة الهادية، والمعرفة النقية الصافية، والحكمة البالغة، ففتح الله بنورها الأبصار والبصائر، وأذهب بها الضلالات، ومحا بها الغشاوات، وكانت فتحًا مبينًا للبشرية خطت به نحو التقدم والتحضر، وعمرت به الأرض، وتحضرت به الإنسانية، وسمعت حثيثًا نحو البحث والنظر لتحقق أهدافها التي خلقها الله من أجلها.وبعد:فأقدم لقراء العربية عمومًا، وللعلماء والباحثين على وجه الخصوص هذه الطبعة من السفر القيم: "مقدمة في أصول البحث العلمي وتحقيق التراث" لمؤلفه الأستاذ الدكتور: "السيد رزق الطويل" أستاذ اللغويات بجامعة الأزهر، والعميد الأسبق لكلية الدراسات الإسلامية والعربية للبنين بالقاهرة، وذلك بعد أن اشتد الطلب عليه، وكثرت الاتصالات التي تحث على إعادة طبعه ممن عرفوا أثر الكتاب وفضل مؤلفه، وحاجة المكتبة العربيه إليه.ولا بدع في ذلك، فقد درج المؤلفون في هذا المجال أن يكتبوا عن كيفية البحث وكتابته، أو عن تحقيق النصوص، أما مؤلفنا فقد جعل ذلك سفرًا مستفيضًا جمع فيه شتات الأمرين: البحث العلمي، وتحقيق التراث، كاشفًا عن الرؤية العامة فيهما، مضيفًا تجربته الخاصة في المجال، داعمًا لذلك كله بالأمثلة والتطبيقات.ومما يزيد من قيمة هذا السفر الجليل هذا الباب الذي عقده المؤلف تحت عنوان: التعريف بالمكتبة الإسلامية، والذي عقده في فصلين أولهما: دراسة تاريخية وميدانية للمكتبة الإسلامية وثانيهما: في مصنفات التراث، تناول فيهما نشأة المكتبة الإسلامية في عرض تاريخي موجز وموثق، ثم تحدث عن أشهر المكتبات في العالم الإسلامي قديمًا وحديثًا في داخل البلاد الإسلامية وخارجها، كما تناول فيهما مصنفات التراث
উপক্রমণিকাসমূহদ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা…পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছিদ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা:সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন, তাকে ভাব প্রকাশের ভাষা শিক্ষা দিয়েছেন এবং তাকে গবেষণার সবচেয়ে সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন। তিনি তার জন্য আসমান ও জমিনের বিশাল রাজত্বে চিন্তা ও গবেষণার উপকরণসমূহ সহজ করে দিয়েছেন, যেন সে জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং সত্যের মূলে উপনীত হতে পারে।সর্বদা দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর সর্বশেষ রাসূল এবং মনোনীত বান্দা মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহর ওপর, যাকে আল্লাহ হিদায়াতের বার্তা, স্বচ্ছ ও নির্মল জ্ঞান এবং সুদূরপ্রসারী প্রজ্ঞা দিয়ে প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ তাঁর নূরের মাধ্যমে দৃষ্টি ও অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচন করেছেন, বিভ্রান্তি দূর করেছেন এবং এর মাধ্যমে সকল আবরণ মিটিয়ে দিয়েছেন। এটি ছিল মানবজাতির জন্য এক সুস্পষ্ট বিজয়, যার মাধ্যমে তারা প্রগতি ও সভ্যতার দিকে অগ্রসর হয়েছে, পৃথিবী আবাদ করেছে এবং মানবতা সংস্কৃতিমনা হয়েছে। মানুষ এর মাধ্যমে চিন্তা ও গবেষণার দিকে দ্রুত ধাবিত হয়েছে সেই লক্ষ্যসমূহ অর্জনে যার জন্য আল্লাহ তাদের সৃষ্টি করেছেন।অতঃপর:আমি সাধারণ আরবি পাঠক এবং বিশেষভাবে উলামা ও গবেষকদের নিকট এই মূল্যবান গ্রন্থের এই সংস্করণটি পেশ করছি: "বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূলনীতি এবং ঐতিহ্য সম্পাদনার ভূমিকা" (মুকাদ্দিমা ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাস), যার লেখক হলেন আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং কায়রোর কলেজ অফ ইসলামিক অ্যান্ড অ্যারাবিক স্টাডিজ ফর বয়েজ-এর সাবেক ডিন প্রফেসর ডক্টর "সাইয়্যেদ রিযক আল-তউয়ীল"। এটি পুনরায় প্রকাশের জোরালো দাবি ওঠার পর এবং যারা এই বইয়ের প্রভাব ও লেখকের মর্যাদা এবং আরবি লাইব্রেরিতে এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানেন, তাদের পক্ষ থেকে বারবার যোগাযোগের পর এটি প্রকাশ করা হচ্ছে।এতে আশ্চর্যের কিছু নেই; কারণ এই বিষয়ের লেখকরা সাধারণত গবেষণার পদ্ধতি ও লিখনশৈলী অথবা পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা নিয়ে লিখে থাকেন। কিন্তু আমাদের লেখক এই গ্রন্থটিকে একটি বিস্তারিত কাজ হিসেবে গড়ে তুলেছেন যেখানে তিনি দুটি বিষয়ের সমন্বয় ঘটিয়েছেন: বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং ঐতিহ্য সম্পাদনা। তিনি এ দুটির ব্যাপারে সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি উন্মোচন করেছেন, এই ক্ষেত্রে তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা যুক্ত করেছেন এবং এই সব কিছুকে উদাহরণ ও প্রয়োগের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন।এই মহান গ্রন্থের মূল্য যা আরও বাড়িয়ে দেয় তা হলো সেই অধ্যায়টি যা লেখক "ইসলামিক লাইব্রেরির পরিচিতি" শিরোনামে রচনা করেছেন। তিনি এটি দুটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত করেছেন, যার প্রথমটি হলো: ইসলামিক লাইব্রেরির ঐতিহাসিক ও মাঠপর্যায়ের অধ্যয়ন, এবং দ্বিতীয়টি হলো: ঐতিহ্যের সংকলনসমূহ। এতে তিনি একটি সংক্ষিপ্ত ও তথ্যনির্ভর ঐতিহাসিক বর্ণনায় ইসলামিক লাইব্রেরির উদ্ভব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এরপর তিনি প্রাচীন ও আধুনিককালের মুসলিম বিশ্বের ভেতরে ও বাইরে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ লাইব্রেরিগুলো সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তেমনিভাবে তিনি এতে ঐতিহ্যের সংকলনসমূহ নিয়েও আলোচনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৪)
العربي الإسلامي على طريق الإجمال، ثم بسطها في تسعة مباحث هي مكونات الفصل الثاني من هذا الباب الهام جدا للباحثين، عرض فيها دليلًا وافيًا للمعلومات الدقيقة عن كل مرجع تناوله، ابتداء بما ألف من علوم القرآن، ثم الحديث … إلخ متناولًا كل فروع المعرفة … مشيرًا إلى أهم المكتبات التي تحوي محفوظات من التراث العربي والإسلامي في أنحاء العالم.ويعتبر هذا الباب بمثابة "بيلوجرافيا" واعية، وهادية إلى التراث، تنير للباحثين طريقهم، وتيسر لهم سبل البحث، وتزويدهم بالمعرفة التي تهديهم إلى ما يشاءون، وإلى ما يطلبون البحث فيه من هذا التراث، تحقيقًا أرادوا، أو فتحًا لمغاليق موضوعات يحرصون على البحث فيها.ويشاء الله تعالى أن تخرج هذه الطبعة للقراء بعد وفاة مؤلفها -يرحمه الله- بست سنوات في خلالها طلبت المكتبات العربية، والجامعات المختلفة هذا الكتاب، فحرصنا على أن نقدمه للقراء ينتفع به كل مريد، متوجها إلى الله أن يجزل الله لمؤلفه عظيم الأجر وجزيل الثواب.ولذا فقد قمت بمراجعة الكتاب مراجعة دقيقة متأنية، مصوبًا ما قد يكون في طبعته الأولى من أخطاء غفلها الطباعون. كما حرصنا أن يخرج الكتاب في ثوب جميل يتناسب مع قيمته العلمية حتى يجتمع للكتاب جودة المظهر مع جودة المضمون والمخبر.وإني لأسأل الله "جلت قدرته" أن يرحم مؤلفه ويجزيه خير الثواب، وأن ينفع به قراء العربية، ويديم النفع به إن شاء الله.وما توفيقي إلا بالله، عليه توكلت وإليه أنيب وهو حسبي ونعم الوكيل، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.القاهرة-سراي القبة في:الأول من صفر 1424هـالموافق 3 من إبريل 2003مكتبه الأستاذ الدكتور عبد القادر رزق الطويل الأستاذ بجامعة الأزهر ت: 2574916
আরবি ও ইসলামি বিষয়াবলি সংক্ষেপে উপস্থাপনের পর লেখক সেগুলোকে নয়টি গবেষণামূলক পরিচ্ছেদে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন, যা গবেষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের মূল উপাদান। এতে তিনি প্রতিটি আলোচিত রেফারেন্সের নির্ভুল তথ্যের একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা তুলে ধরেছেন; যার সূচনা হয়েছে কুরআন উলুম (কুরআন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানসমূহ) থেকে, এরপর হাদিস … ইত্যাদি। এভাবে জ্ঞানের প্রতিটি শাখা তিনি আলোচনা করেছেন … সেই সাথে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত সেইসব গুরুত্বপূর্ণ লাইব্রেরির প্রতিও ইঙ্গিত করেছেন, যেখানে আরবি ও ইসলামি ঐতিহ্যের পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত রয়েছে।এই অধ্যায়টি একটি সচেতন "গ্রন্থপঞ্জি" এবং ঐতিহ্যের দিশারি হিসেবে বিবেচিত, যা গবেষকদের পথ দেখায়, তাদের গবেষণার পথ সুগম করে এবং তাদের এমন জ্ঞান দিয়ে ঋদ্ধ করে যা তাদের কাঙ্ক্ষিত বিষয়ের দিকে নিয়ে যায়। এই ঐতিহ্য থেকে তারা যা কিছু অনুসন্ধান করতে চায়, চাই তা পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা হোক কিংবা কোনো জটিল বিষয়ের জট খোলা হোক যে বিষয়ে তারা গবেষণা করতে আগ্রহী।আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় এই সংস্করণটি তার লেখকের ইন্তেকালের—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—ছয় বছর পর পাঠকদের সামনে আসছে। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন আরবি লাইব্রেরি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এই বইটি দাবি করে আসছিল। তাই আমরা পাঠকদের সামনে এটি উপস্থাপন করতে আগ্রহী হয়েছি যেন প্রত্যেক জ্ঞানপিপাসু এর দ্বারা উপকৃত হতে পারে। আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এর লেখককে মহান প্রতিদান ও প্রচুর সওয়াব দান করেন।আর এই কারণেই আমি বইটিকে অত্যন্ত সতর্ক ও ধীরস্থিরভাবে পর্যালোচনা করেছি এবং এর প্রথম সংস্করণে মুদ্রণজনিত যেসব ভুলত্রুটি রয়ে গিয়েছিল তা সংশোধন করেছি। আমরা আরও চেষ্টা করেছি যেন বইটি এর জ্ঞানগত মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সুন্দর অবয়বে প্রকাশিত হয়, যাতে বইটির বাহ্যিক রূপ এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়বস্তু ও গুণগত মান—উভয়েরই সমন্বয় ঘটে।আমি মহান আল্লাহ—যাঁর ক্ষমতা সুমহান—তাঁর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এর লেখককে রহম করেন এবং তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন, আর আরবি পাঠকদের এর মাধ্যমে উপকৃত করেন এবং এর উপযোগিতাকে দীর্ঘস্থায়ী করেন, ইনশাআল্লাহ।আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই; তাঁরই ওপর আমি ভরসা করেছি এবং তাঁরই দিকে আমি প্রত্যাবর্তন করি। তিনি আমার জন্য যথেষ্ট এবং কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। আর আমাদের শেষ কথা হলো—সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।কায়রো-সারায় আল-কুব্বা:১লা সফর ১৪২৪ হিজরিমোতাবেক ৩রা এপ্রিল ২০০৩ খ্রিস্টাব্দলিখেছেন: প্রফেসর ডক্টর আব্দুল কাদির রিজক আত-তাবিল, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, টেলিফোন: ২৫৭৪৯১৬
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيممقدمة المؤلف:إن الحمد كله لله، خلق الإنسان في أحسن تقويم وهداه السبيل، وعلمه البيان، وبين الله ما يتقيه، ويسر له أسباب الفكر والنظر في ملكوت السموات والأرض، والصلاة والسلام على رسوله ومصطفاه محمد عليه الصلاة والسلام، حمل للبشرية رسالة الهداية والعلم والحكمة، فتفتحت الأبصار والبصائر، وذهبت الغشاوات، وتمزقت حجب الضلالات، وخطت البشرية خطوات واسعة نحو تحقيق الرسالة المثلى التي من أجلها خلق الله البشر، وأنشأهم من الأرض واستعمرهم فيها.وبعد:فإن البحث العلمي يعد من أسمى ألوان النشاط البشري؛ إذ هو الطريق الأقوم لرقي الإنسان وسموه، وعلى دربه تدرج البشرية في مدارج النماء، وترتقي في سلم الحضارة، والنشاط الإنساني متواصل في المشارق والمغارب تتعاون فيه الجهود من أجل أن يحقق الإنسان حياة أمثل على ظهر الأرض، يعرف فيها حق خالقه ومولاه، وحق بني جنسه عليه، كما يعرف حق الحياة بما عليها: كيف يعيش فيها ويعايشها ويتعامل معها؟والدين، الدين الحق الذي اصطفاه الله أقوم مناهج الرشد، في ظلاله يستطيع الإنسان أن يكتشف المخبوء من سنن الكون، وقوانين الحياة، ونواميس الوجود، وعند ذاك يتحول إيمانه الصادق بالله إلى قوة خلاقة ومبدعة.وعلوم الحضارة الإسلامية أصدق شاهد ودليل، إذ كانت الأستاذ والمعلم لما أتى بعدها من حضارات، وهي برغم الأفول الجزئي لا تزال تحتفظ بعناصر قوتها وهي قادرة على استرجاعها فتية جذعة إذا تهيأت لها الظروف والأسباب.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।লেখকের ভূমিকা:নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মানুষকে সর্বোত্তম অবয়বে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। তিনি তাকে ভাব প্রকাশের ক্ষমতা শিক্ষা দিয়েছেন এবং আল্লাহ যা থেকে বেঁচে থাকতে হবে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি তার জন্য আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্বে চিন্তা ও গবেষণার উপায়সমূহ সহজ করে দিয়েছেন। এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর রাসূল ও মনোনীত বান্দা মুহাম্মদ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)-এর ওপর, যিনি মানবতার জন্য হিদায়াত, জ্ঞান ও প্রজ্ঞার বার্তা বহন করে এনেছেন। ফলে দৃষ্টি ও অন্তঃচক্ষু উন্মোচিত হয়েছে, অন্ধকারের আবরণ দূর হয়েছে এবং গোমরাহীর পর্দা ছিন্নভিন্ন হয়েছে। আর মানবজাতি সেই আদর্শ লক্ষ্য অর্জনের পথে সুদীর্ঘ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার জন্য আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, তাদের পৃথিবী থেকে উৎপন্ন করেছেন এবং সেখানে তাদের বসতি স্থাপন করিয়েছেন।অতঃপর:নিশ্চয়ই বৈজ্ঞানিক গবেষণা মানুষের কর্মকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্তর হিসেবে বিবেচিত; কেননা এটি মানুষের উন্নতি ও শ্রেষ্ঠত্বের সঠিকতম পথ। এর পথ ধরেই মানবজাতি ক্রমোন্নতির সোপানে অগ্রসর হয় এবং সভ্যতার সোপানে আরোহণ করে। মানুষের এই কর্মতৎপরতা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে অব্যাহত রয়েছে, যেখানে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতে একটি আদর্শ জীবন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সেখানে সে তার স্রষ্টা ও প্রতিপালকের অধিকার চিনতে পারে, তার স্বগোত্রীয়দের অধিকার জানতে পারে, তেমনি জীবনের অধিকার এবং এতে সে কীভাবে বসবাস করবে, জীবন অতিবাহিত করবে ও পারিপার্শ্বিকতার সাথে আচরণ করবে তাও অনুধাবন করতে পারে।আর দীন, তথা সত্য দীন যা আল্লাহ মনোনীত করেছেন, তা হিদায়াতের সঠিকতম পথ। এর ছায়াতলে মানুষ মহাবিশ্বের লুকায়িত নিয়মাবলী, জীবনের আইন এবং অস্তিত্বের বিধিবিধান আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়। তখনই আল্লাহর প্রতি তার সত্য ঈমান একটি সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।আর ইসলামী সভ্যতার বিজ্ঞানসমূহ এর সবচেয়ে বড় সাক্ষী ও প্রমাণ; কারণ এটি পরবর্তী সভ্যতাগুলোর জন্য শিক্ষক ও পথপ্রদর্শক হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিল। আংশিক স্তিমিত হয়ে পড়া সত্ত্বেও এটি এখনো তার শক্তির উপাদানগুলো ধরে রেখেছে এবং যদি অনুকূল পরিবেশ ও উপায়-উপকরণ তৈরি হয় তবে এটি পুনরায় পূর্ণ শক্তিতে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে সক্ষম।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৬)
ومن أجل ذلك تحمل طلابنا على أن يأخذوا أنفسهم بالبحث والدرس، وكشف المجهول ورفع الأستار عن المخبوء، وبخاصة أنهم أبناء ثقافة ذات عراقة وأصالة، تدفعهم بجانب البحث المتنوع في دروب المعرفة الإنسانية إلى الاهتمام بتراثهم الضخم الذي تنوء به خزائن الكتب في الشرق والغرب، وتنبه له المستشرقون قبل أن يفزع لبعثه وإحيائه بنو جلدته.وقد يكون للمستشرقين فيما ذهبوا إليه أهداف مدخولة، لكنهم سارعوا إلى استغلال الآلة الحديثة للطباعة في بعث هذا الفكر الإنساني، وتحرك الغير من أبناء العرب والإسلام من منتصف القرن التاسع عشر إلى بعث نفائس التراث سواء على مستوى الأفراد أم الحكومات.وبقدر أهمية البحث العلمي تكون أهمية المنهج.وعلى قدر فضيلة إحياء التراث تكون أهمية مراعاة الأصول المتبعة في التحقيق، وتحرير النصوص.واتساع نطاق التعليم الجامعي على أرض العالم العربي كان باعثا على تعدد مجالات البحث، وتوافر قاعاته، كما كان دافعًا إلى جعل التحقيق العلمي للتراث علمًا له أصوله وقواعده، وأعرافه وضوابطه.وظهرت مؤلفات تتحدث عن المنهج، وتقدم للأجيال خبرات نافعة على طريق التحقيق.وفي هذه المؤلفات محاولات لتقنين الخبرات والتجارت لتصبح أصولا مرعية، وقواعد متبعة.وتعددت أهداف هذه المؤلفات، فمنها ما توفر على التحقيق ومناهجه، ومنها ما تحدث عن المكتبة الإسلامية وتطورها وما تحفل به من مصادر في سائر ألوان المعرفة الإسلامية واللسانية والإنسانية والفكرية.ومنها ما توفر على قواعد المنهج.
আর এই কারণেই আমাদের ছাত্ররা নিজেদেরকে গবেষণা ও পাঠে নিয়োজিত করতে, অজানাকে উন্মোচন করতে এবং লুক্কায়িত বিষয় থেকে পর্দা সরাতে সচেষ্ট হয়। বিশেষ করে তারা এমন এক সংস্কৃতির সন্তান যা প্রাচীনত্ব ও মৌলিকত্বে সমৃদ্ধ; যা তাদেরকে মানবিক জ্ঞানের বিভিন্ন পথে বহুমুখী গবেষণার পাশাপাশি তাদের সেই বিশাল ঐতিহ্যের প্রতি যত্নবান হতে উদ্বুদ্ধ করে, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের কুতুবখানাগুলো যার ভারে নুয়ে পড়ছে, এবং যার পুনর্জাগরণ ও পুনরুজ্জীবনের জন্য স্বজাতির লোকেরা ব্যাকুল হওয়ার পূর্বেই প্রাচ্যবিদগণ সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিয়েছিলেন।প্রাচ্যবিদদের এই প্রচেষ্টার পেছনে হয়তো কোনো মন্দ উদ্দেশ্য থাকতে পারে, তবে তারা এই মানবিক চিন্তা-চেতনাকে পুনর্জীবিত করতে আধুনিক ছাপাখানার যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে দ্রুততা প্রদর্শন করেছিলেন। আর উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে আরব ও মুসলিমদের মধ্য থেকে অন্যরা ঐতিহ্যের অমূল্য রত্নগুলোকে পুনর্জীবিত করতে সচেষ্ট হন, তা ব্যক্তিগত পর্যায়ে হোক বা সরকারি পর্যায়ে।বৈজ্ঞানিক গবেষণার গুরুত্ব যতটুকু, পদ্ধতির গুরুত্বও ততটুকুই।ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবনের ফজিলত যতটুকু, পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা এবং পাঠ সংশোধনের ক্ষেত্রে অনুসৃত মূলনীতিসমূহ মেনে চলার গুরুত্বও ঠিক ততটুকুই।আরব বিশ্বের মাটিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার পরিধি বৃদ্ধি গবেষণার ক্ষেত্রসমূহকে বহুমুখী করতে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় কক্ষের সংস্থান করতে সহায়ক হয়েছে। একইভাবে এটি ঐতিহ্যের বৈজ্ঞানিক সম্পাদনাকে এমন একটি বিজ্ঞানে পরিণত করতে উদ্বুদ্ধ করেছে যার নিজস্ব মূলনীতি, নিয়মাবলি, প্রথা ও বিধিবিধান রয়েছে।পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করে এমন বহু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে, যা সম্পাদনার পথে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য উপকারী অভিজ্ঞতা প্রদান করে।এই গ্রন্থগুলোতে অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষাসমূহকে বিধিবদ্ধ করার প্রচেষ্টা রয়েছে যাতে সেগুলো মান্য মূলনীতি এবং অনুসৃত নিয়মে পরিণত হয়।এই গ্রন্থগুলোর উদ্দেশ্যও ছিল বহুমুখী; তাদের মধ্যে কোনটি নিছক সম্পাদনা ও এর পদ্ধতিসমূহ নিয়ে কাজ করেছে, আবার কোনটি ইসলামী গ্রন্থাগার, এর বিবর্তন এবং ইসলামী, ভাষাতাত্ত্বিক, মানবিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানের সকল শাখায় বিদ্যমান উৎসসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছে।আবার কোনো কোনটি পদ্ধতির নিয়মাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৭)
غير أني أردت أن أقدم لطلاب العلم في جامعة الأزهر وغيرها من الجامعات الإسلامية مرجعًا شاملًا يهديهم على طريق البحث، وقد جمع هذه الشُّعَب كلها في إيجاز بلا إخلال.لقد استفدت ممن كتبوا قبلي ورادوا هذا الطريق، ومزجت ذلك بتجارب شخصية ومعاناة خاصة هي حصيلة الإشراف على رسائل كثيرة لدرجتي الماجستير والدكتوراه، وبحوث طلب مني تقويمها، والحكم لها أو عليها، والتدريس لطلبة الدراسات العليا.إني أكتب عن تحقيق التراث، وأجمع خبرات أعلامه، ولم يسبق لي التحقيق وإن كنت الآن أعيش مع مخطوطة في النحو صغيرة، اسمها "الضوابط الحسان فيما يتقوم به اللسان" لأبي العباس، شهاب الدين أحمد، وذلك حيث لا يفوتني الإسهام في هذا الطريق النبيل.ومع هذا، فقد عشت مشاكل التحقيق وعثراته من خلال من ناقشت رسائلهم في التحقيق، أو من أشرفت عليهم ممن اختار هذا المجال البحثي طريقًا للدرجة العلمية، وقد جاء هذا المصنف والحمد لله في ثلاثة أبواب:الباب الأول: في أصول البحث العلمي وقواعده.وجاءت موضوعات هذا الباب في فصل واحد فقط.وأما الباب الثاني: فقد خصصته للتعريف بالمكتبة الإسلامية.وعرضته في فصلين:أولهما: دراسة تاريخية وميدانية للمكتبة الإسلامية.والآخر: في مصنفات التراث.وفيه تسعة مباحث عرضت فيه أصول المراجع في فروع المعرفة الإسلامية.
আমি আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলম অন্বেষী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রেফারেন্স গ্রন্থ উপস্থাপন করতে চেয়েছি, যা তাদের গবেষণার পথে দিকনির্দেশনা দেবে। এটি কোনো ত্রুটি ছাড়াই সংক্ষিপ্ত পরিসরে এই সকল শাখাকে একত্রিত করেছে।যারা আমার পূর্বে লিখেছেন এবং এই পথে পদচারণা করেছেন, আমি তাদের থেকে উপকৃত হয়েছি। সেই সাথে আমি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বিশেষ পরিশ্রমকে এর সাথে যুক্ত করেছি, যা অনেক মাস্টার্স ও পিএইচডি থিসিস তত্ত্বাবধান, বিভিন্ন গবেষণাপত্রের মূল্যায়ন ও সেগুলোর ওপর রায় প্রদান এবং উচ্চতর স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ফলাফল।আমি ঐতিহ্যবাহী পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা সম্পর্কে লিখছি এবং এই বিষয়ের মনীষীদের অভিজ্ঞতাগুলো সংগ্রহ করছি। ইতিপূর্বে আমার সম্পাদনার কোনো কাজ করা হয়নি, যদিও বর্তমানে আমি নাহু শাস্ত্রের একটি ছোট পাণ্ডুলিপি নিয়ে কাজ করছি, যার নাম আবুল আব্বাস শিহাবুদ্দিন আহমদের "আয-যাওয়া বিতুল হিসান ফিমা ইয়াতাক্বাওয়ামু বিহীন লিসান"। এটি আমি করছি যাতে এই মহান পথে অবদান রাখা থেকে আমি বঞ্চিত না হই।তা সত্ত্বেও, যাদের পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার থিসিসের আমি পরীক্ষক ছিলাম কিংবা যারা উচ্চতর ডিগ্রির জন্য এই গবেষণার ক্ষেত্রটি বেছে নিয়েছিলেন এবং যাদের তত্ত্বাবধান আমি করেছি, তাদের মাধ্যমে আমি সম্পাদনার বিভিন্ন সমস্যা ও হোঁচট খাওয়ার বিষয়গুলো প্রত্যক্ষ করেছি। আর আল্লাহর প্রশংসায় এই গ্রন্থটি তিনটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত হয়েছে:প্রথম অধ্যায়: বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূলনীতি ও নিয়মাবলি প্রসঙ্গে।এই অধ্যায়ের বিষয়বস্তুগুলো কেবল একটি পরিচ্ছেদে এসেছে।আর দ্বিতীয় অধ্যায়: এটি আমি ইসলামি লাইব্রেরির পরিচিতির জন্য নির্ধারণ করেছি।এবং আমি এটি দুটি পরিচ্ছেদে উপস্থাপন করেছি:প্রথমটি: ইসলামি লাইব্রেরির ঐতিহাসিক ও মাঠপর্যায়ের অধ্যয়ন।এবং অন্যটি: ঐতিহ্যের রচনাসমগ্র প্রসঙ্গে।এতে নয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যেখানে ইসলামি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মূল তথ্যসূত্রগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৮)
وأما الباب الثالث: فقصرته على قضية التراث وتحقيقه.وعرضته في ثلاثة فصول:أولها: عن التراث والجهود المبذولة في نشره.وثانيها: عن المخطوطات ومظانها في مكتبات العالم.وثالثها: في التحقيق وقواعده.أرجو أن أكون -بهذا العمل- قدمت لطلاب العلم معارف تنفعهم وتعينهم في درب البحث والدرس، كما أسأل الله -جل وعلا- أن يتقبل مني هذا العمل بقبول حسن، وأن يرزقني الإخلاص في القصد، والسداد في العمل والصواب في الاجتهاد، وأن يدخر لي المثوبة عنده، إنه سميع الدعاء.ربنا عليك توكلنا وإليك أنبنا وإليك المصير.وما توفيقي إلا بالله، عليه توكلت وإليه أنيب،القاهرة-الدقي: 29 من ربيع الأول 1409هـ9 من نوفمبر 1988مالمعتز بالله وحدهد/ السيد رزق الطويلأستاذ اللغويات بجامعة الأزهر وعميد كلية الدراسات الإسلامية والعربية للبنين بالقاهرة
আর তৃতীয় অধ্যায়টি: আমি তা ঐতিহ্য এবং এর সম্পাদনার বিষয়ের ওপর সীমাবদ্ধ করেছি।এবং আমি একে তিনটি পরিচ্ছেদে উপস্থাপন করেছি:প্রথমটি: ঐতিহ্য এবং তা প্রকাশের ক্ষেত্রে গৃহীত প্রচেষ্টাসমূহ সম্পর্কে।দ্বিতীয়টি: পাণ্ডুলিপি এবং বিশ্বের গ্রন্থাগারসমূহে সেগুলোর উৎসস্থল সম্পর্কে।তৃতীয়টি: সম্পাদনা এবং এর মূলনীতিমালা সম্পর্কে।আমি আশা করি—এই কর্মের মাধ্যমে—আমি জ্ঞানপিপাসুদের জন্য এমন জ্ঞান উপস্থাপন করেছি যা তাদের উপকারে আসবে এবং গবেষণা ও অধ্যয়নের পথে তাদের সহায়তা করবে। পাশাপাশি আমি মহামহিম আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমার এই কাজকে উত্তমরূপে কবুল করেন, আর আমাকে সংকল্পে একনিষ্ঠতা, কর্মে সঠিকতা এবং গবেষণায় নির্ভুলতা দান করেন, এবং তাঁর নিকট আমার জন্য এর প্রতিদান গচ্ছিত রাখেন; নিশ্চয়ই তিনি প্রার্থনা শ্রবণকারী।হে আমাদের রব! আমরা আপনার ওপরই ভরসা করেছি, আপনার দিকেই ফিরে এসেছি এবং আপনার দিকেই শেষ প্রত্যাবর্তন।আর আমার তৌফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই; আমি তাঁর ওপরই ভরসা করেছি এবং তাঁর দিকেই রুজু করি।কায়রো-দুক্কি: ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪০৯ হিজরি৯ নভেম্বর ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দএকমাত্র আল্লাহর সাহায্যেই ধন্যড. আস-সৈয়দ রিজক আত-তবিলআল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং কায়রোস্থ ফ্যাকাল্টি অফ ইসলামিক অ্যান্ড অ্যারাবিক স্টাডিজ (বালক)-এর ডিন।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১১)
الباب الأول: البحث العلمي وأصولهدراسة من فصل واحد تتحدث عن أصول البحث العلمي وقواعدهقيمة البحث العلمي:ما دام الإنسان يؤدي رسالة الخلافة على الأرض التي أرادها له الله يسعى حثيثًا لكشف المخبوء من قوانين الكون، وأسرار الحياة؛ طلبًا للعلم والمعرفة.وقد أكد الإسلام أن طلب العلم من أشرف المقاصد، وأسمى الغايات التي ينبغي أن يسعى إليها الإنسان، وبخاصة الإنسان المسلم، يقول الله تبارك وتعالى: {هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لا يَعْلَمُونَ} [الزمر: آية 9] ويقول جل شأنه: {يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ} [المجادلة: آية 11] ويقول سبحانه: {إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ} [فاطر: آية 28] كما يقول النبي صلى الله عليه وسلم: "من سلك طريقًا يلتمس فيه علمًا سهل الله له طريقًا إلى الجنة" كما قال عليه الصلاة والسلام: "طلب العلم فريضة على كل مسلم".إن البحث العلمي، والسعي وراء اكتساب المعارف من أعظم الوسائل للرقي الفكري والمادي، كما أنه المؤكد للكرامة والفضل اللذين منحهما الله للإنسان من بين مخلوقاته، ولأجل أن يتحقق هذا الهدف سخر الله للإنسان كل ما في الوجود، يسعى في مناكب الأرض، ويسبح في أجواز الفضاء، ويغوص في أعماق البحار، وقد صدق رب العالمين إذ قال وقوله الحق: {وَسَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا مِنْهُ} [الجاثية: آية 13] كما قال: {وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ وَحَمَلْنَاهُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ وَرَزَقْنَاهُمْ مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَفَضَّلْنَاهُمْ عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقْنَا تَفْضِيلًا} [الإسراء: آية 7] .وما دام الإنسان يسعى وراء المعارف يتسع أفقه، وتنمو مداركه، وتتعاظم خبراته، فإذا ظن الإنسان أنه قد وصل إلى درجة كافية من العلم والبحث، فمن هنا يبدأ مرحلة جديدة يتورط فيها في ظلمات الجهالة.
প্রথম অধ্যায়: বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও এর মূলনীতিসমূহএটি একটি পরিচ্ছেদ সম্বলিত অধ্যয়ন যা বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূলনীতি ও নিয়মাবলী সম্পর্কে আলোচনা করে।বৈজ্ঞানিক গবেষণার গুরুত্ব:মানুষ যতক্ষণ পৃথিবীতে খিলাফতের দায়িত্ব পালন করে—যা আল্লাহ তার জন্য নির্ধারণ করেছেন—ততক্ষণ সে জ্ঞান ও প্রজ্ঞা অন্বেষণে মহাবিশ্বের গোপন নিয়মাবলী এবং জীবনের রহস্য উন্মোচনের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়।ইসলাম এ কথা নিশ্চিত করেছে যে, জ্ঞান অন্বেষণ হলো শ্রেষ্ঠতম উদ্দেশ্য এবং সর্বোচ্চ লক্ষ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত যার জন্য মানুষের—বিশেষ করে একজন মুসলিমের—প্রচেষ্টা চালানো উচিত। আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেন: "যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান হতে পারে?" [যুমার: আয়াত ৯] আল্লাহ মহান আরও বলেন: "তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদাকে অনেক উচ্চ স্তরে উন্নীত করবেন।" [মুজাদালাহ: আয়াত ১১] আল্লাহ পবিত্র ও মহান আরও বলেন: "আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই (জ্ঞানীরাই) তাঁকে ভয় করে।" [ফাতির: আয়াত ২৮] অনুরূপভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণের পথে চলবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেবেন।" তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন: "জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ।"নিশ্চয়ই বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং জ্ঞান অর্জনের অন্বেষণ বুদ্ধিবৃত্তিক ও বস্তুগত উন্নতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। পাশাপাশি এটি সেই মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ যা আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিজগতের মধ্যে মানুষকে দান করেছেন। এই লক্ষ্য পূরণের নিমিত্তে আল্লাহ মহাবিশ্বের সবকিছুকে মানুষের অধীন করে দিয়েছেন; সে জমিনের দিগন্তসমূহে বিচরণ করে, মহাশূন্যে পাড়ি জমায় এবং সমুদ্রের অতল গহ্বরে ডুব দেয়। বিশ্বজগতের প্রতিপালক সত্যই বলেছেন এবং তাঁর কথাই সত্য: "আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তিনি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন।" [জাসিয়াহ: আয়াত ১৩] তিনি আরও বলেছেন: "আমি আদম সন্তানদের সম্মানিত করেছি, তাদের স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দিয়েছি, তাদের উত্তম রিযিক দান করেছি এবং আমার অনেক সৃষ্টির ওপর তাদের শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি।" [ইসরা: আয়াত ৭]মানুষ যতক্ষণ জ্ঞান অন্বেষণে সচেষ্ট থাকে, ততক্ষণ তার দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত হয়, তার বোধশক্তি বিকশিত হয় এবং তার অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু মানুষ যখন মনে করে যে সে জ্ঞান ও গবেষণার পর্যাপ্ত স্তরে পৌঁছে গেছে, তখন থেকেই সে এমন এক নতুন পর্যায়ে পদার্পণ করে যেখানে সে মূর্খতার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১২)
وقد صحت الحكمة القديمة التي تقول: إن المرء ليعلم ما دام يطلب العلم، فإذا ظن أنه قد علم فقد جهل.وقد جاء في كتاب أدب الدنيا والدين نصيحة عبد الملك بن مروان لبنيه: "تعلموا العلم؛ فإن كنتم سادة فقتم، وإن كنتم وسطًا سدتم، وإن كنتم سوقة عشتم".وقد أثر عن بعض السلف قوله: من أمضى يومه في غير حق قضاه، أو فرض أداه، أو مجلد أثله، أو علم حصله، فقد عقَّ يومه، وظلم نفسه.تعريف البحث العلمي:عرض الباحثون تعريفات شتى للبحث العلمي، وهم في كل تعريف يصدر الواحد منهم عن منظور خاص، وتصور شخصي يصعب معه الشمول، كما نرى بعضهم حدد معنى البحث على أساس ميدانه، فالبحث في العلوم التجريبية له تعريف محدد، والبحث الأدبي له منحى معين، والبحث الديني قد يكون له مفهوم يختلف عنها جميعًا.ومع ذلك أستطيع أن أقول: إن البحث العلمي عمل جاد، موضوعي يرمي إلى الوصول إلى حقيقة معينة، أو تجلية قضية، أو حسم الأمر في مشكلة من مشكلات المعرفة الإنسانية.هذا على سبيل التقريب.لكن الأمر يتحدد تماما إذا جلينا نقطتين.أولاهما: صور البحث ومجالاته.والأخرى: الخُلق العلمي للباحث.
সেই প্রাচীন প্রজ্ঞা সত্য প্রমাণিত হয়েছে যা বলে: মানুষ ততক্ষণই জ্ঞানী থাকে যতক্ষণ সে জ্ঞান অন্বেষণ করে, আর যখন সে ধারণা করে যে সে জেনে ফেলেছে, তখন সে মূর্খ হয়ে যায়।‘আদাবুদ দুনিয়া ওয়াদ দীন’ গ্রন্থে সন্তানদের প্রতি আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের এই উপদেশটি বর্ণিত হয়েছে: "তোমরা জ্ঞান অর্জন করো; কারণ তোমরা যদি নেতা হও তবে তোমরা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে, যদি তোমরা মধ্যম পর্যায়ের হও তবে তোমরা নেতৃত্ব লাভ করবে, আর যদি তোমরা সাধারণ প্রজাও হও তবে তোমরা (মর্যাদার সাথে) জীবন ধারণ করতে পারবে।"পূর্ববর্তী কোনো কোনো মনীষী থেকে এই উক্তিটি বর্ণিত হয়েছে: যে ব্যক্তি তার দিনটি কোনো হক আদায় করা ব্যতীত, কোনো ফরজ পালন করা ব্যতীত, কোনো কিতাব সংগ্রহ করা ব্যতীত কিংবা কোনো জ্ঞান লাভ করা ব্যতীত অতিবাহিত করল, সে তার দিনের অবমাননা করল এবং নিজের প্রতি জুলুম করল।বৈজ্ঞানিক গবেষণার সংজ্ঞা:গবেষকগণ বৈজ্ঞানিক গবেষণার নানাবিধ সংজ্ঞা পেশ করেছেন। তাঁদের প্রত্যেকেই প্রতিটি সংজ্ঞার ক্ষেত্রে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যক্তিগত ধারণা থেকে কথা বলেছেন, যার ফলে একটি সর্বজনীন সংজ্ঞা প্রদান করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন আমরা দেখি, তাঁদের কেউ কেউ গবেষণার অর্থকে তার কর্মক্ষেত্রের ভিত্তিতে নির্ধারণ করেছেন; ফলে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের গবেষণার একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা রয়েছে, সাহিত্যিক গবেষণার একটি বিশেষ ধারা রয়েছে এবং ধর্মীয় গবেষণার এমন একটি ধারণা থাকতে পারে যা এ সবকটি থেকে ভিন্ন।তা সত্ত্বেও আমি বলতে পারি: বৈজ্ঞানিক গবেষণা হলো এমন একটি একনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ কাজ, যার লক্ষ্য হলো কোনো নির্দিষ্ট সত্যে উপনীত হওয়া, অথবা কোনো বিষয়কে সুস্পষ্ট করা, কিংবা মানবীয় জ্ঞানভাণ্ডারের কোনো সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করা।এটি মূলত বিষয়টি নিকটবর্তী করার জন্য (একটি সাধারণ ধারণা)।কিন্তু বিষয়টি পূর্ণরূপে নির্ধারিত হবে যদি আমরা দুটি বিষয় স্পষ্ট করি।প্রথমটি: গবেষণার রূপ ও এর ক্ষেত্রসমূহ।এবং অন্যটি: গবেষকের বৈজ্ঞানিক নৈতিকতা।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
صور البحث ومجالاته:أ- الوصول إلى مجهول:وذلك بأن يتناول الباحث عددًا من المقدمات، والدراسات، والقضايا يضم بعضها إلى بعض في إطار فكري متناسق ليصل إلى أمر مجهول يريد كشفه وإثباته.مثال ذلك: كتابة بحث عن: نظرة الإسلام إلى شركات التأمين.أو كتابة بحث عن: المصالح المرسلة وتوظيفها في معالجة القضايا المستجدة.أو كتابة بحث عن: العنصر الموسيقي في صوتيات اللغة العربية.أو كتابة بحث عن: التوهم في الدرس النحوي، والتصريفي.ب- جمع متفرق:وقد تكون هناك مسائل علمية متفرقة في بطون الكتب، موزعة في مصادر التراث، وتحتاج إلى بحث واستقراء دقيقين ليصل الباحث إلى تصور شامل لما تفرق في صورة قضية واحدة متكاملة الأطراف والعناصر، وهذا لون من البحث وإن لم يأت بجديد لكنه جهد مفيد مثمر، ييسر للأجيال التالية أن تخطو على أساسه خطوات واسعة.وذلك مثل كتابة بحث عن: قضية الخيار في الفقه الإسلامي.أو مثل كتابة بحث عن: أسلوب النفي في النحو العربي.أو مثل كتابة بحث عن: أساليب الاستغراق والشمول في النحو.أو مثل كتابة بحث عن: الخيال في الشعر الجاهلي.جـ- إكمال ناقص:قد تعالج بعض القضايا في عصور سابقة معالجة لا تستوفي عناصر الموضوع نظرًا لأن المراجع، وأدوات البحث لم تكن متوافرة حينذاك، فيأتي باحث معاصر يكتشف عناصر أخرى يكتمل بها الموضوع، وتتوافر له أدوات لم تكن متاحة من قبل،
গবেষণার ধরণ ও এর ক্ষেত্রসমূহ:ক- অজানার সন্ধান:আর তা হলো, একজন গবেষক কতগুলো প্রস্তাবনা, অধ্যয়ন এবং বিষয়বস্তু গ্রহণ করবেন এবং একটি সুসংগত চিন্তা-কাঠামোর মধ্যে সেগুলোকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করবেন, যাতে তিনি এমন একটি অজানা বিষয়ে পৌঁছাতে পারেন যা তিনি উন্মোচন ও প্রমাণ করতে চান।উদাহরণস্বরূপ: "বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতি ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি" বিষয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।অথবা "মাসালিহে মুরসালাহ এবং আধুনিক সমস্যা সমাধানে এর প্রয়োগ" বিষয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।অথবা "আরবি ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞানে সুরের উপাদান" বিষয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।অথবা "নাহু (ব্যাকরণ) ও সারফ (রূপতত্ত্ব) পাঠে বিভ্রম" বিষয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।খ- বিক্ষিপ্ত বিষয়াবলি একত্রীকরণ:অনেক সময় কিতাবসমূহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মাসআলা বা সমস্যা বিক্ষিপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে, যা ঐতিহ্যের উৎসগুলোতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। গবেষককে একটি ব্যাপক ধারণায় পৌঁছানোর জন্য এবং যা কিছু বিক্ষিপ্ত আছে তাকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সুসংহত বিষয়ে রূপ দেওয়ার জন্য নিবিড় অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার প্রয়োজন হয়। এটি গবেষণার এমন একটি ধরণ যা নতুন কিছু নিয়ে না এলেও একটি অত্যন্ত দরকারী ও ফলপ্রসূ প্রচেষ্টা, যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এর ওপর ভিত্তি করে বিস্তৃত পদক্ষেপ গ্রহণ সহজতর করে।যেমন: "ইসলামি ফিকহশাস্ত্রে খিয়ারের (ক্রয়-বিক্রয় বাতিলের অধিকার) বিষয়টি" নিয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।অথবা যেমন: "আরবি ব্যাকরণে না-বোধক শৈলী" নিয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।অথবা যেমন: "ব্যাকরণে ব্যাপকতা ও অন্তর্ভুক্তিকরণের পদ্ধতিসমূহ" নিয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।অথবা যেমন: "জাহেলি কবিতায় কল্পনা" নিয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ রচনা করা।গ- অসম্পূর্ণকে পূর্ণ করা:পূর্ববর্তী যুগে কোনো কোনো বিষয় নিয়ে এমনভাবে আলোচনা করা হয়ে থাকতে পারে যা সেই বিষয়ের উপাদানগুলোকে পুরোপুরি বিশ্লেষণ করেনি, কারণ তখন প্রয়োজনীয় তথ্যসূত্র এবং গবেষণার সরঞ্জাম পর্যাপ্ত ছিল না। অতঃপর বর্তমান সময়ের একজন গবেষক এসে এমন আরও কিছু উপাদান আবিষ্কার করেন যার মাধ্যমে বিষয়টি পূর্ণতা পায় এবং তাঁর নিকট এমন সব সরঞ্জাম সহজলভ্য হয় যা আগে বিদ্যমান ছিল না,
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
فيعيد دراسة الموضوع ليستوفي ما كان ناقصًا، وليعرض وجهة نظر جديدة؛ مما يعود بالإثراء على البحث العلمي.وقد بحث أسلافنا الأوائل في قضايا.وأعدنا في عصرنا الحاضر دراستها، فكانت النتيجة أن وجدنا جديدًا ومفيدًا.وقد كتب كثيرون في القديم والحديث بحوثا عن المتنبي، لكن البحث الذي كتبه الشيخ محمود شاكر بما فيه من عمل تحليلي متميز شد انتباه لجنة التحكيم لجائزة الملك فيصل، ومنحت الشيخ الجائزة.د- تفصيل مجمل:قد يكون هذا الأمر في مجال البحث ليس بذي شأن كبير، لكنه على كل حال جهد مفيد ونافع، ويدفع صاحبه إلى الغوص في بطون الكتب لاستخراج المسائل التي يفصل بها ما أجمله غيره.وفي تراثنا شواهد كثيرة لهذا اللون من البحث، وأقرب شاهد لذلك المتون والشروح.والمتون وهي تضم رءوس المسائل، لا تغني -كما نعلم- عن الشروح.وأحيانا يقوم بالشرح صاحب المتن، وأحيانا يقوم بذلك غيره.وأعظم متن في تراثنا حظي بكثرة الشروح هو ألفية ابن مالك في النحو.هـ- تهذيب المطول:وهناك ألوان من البحوث تعمد إلى المطولات، فتستبعد منها ما عسى أن يكون من حشو وفضول، ومعارف يمكن أن يستغنى عنها في تعليم المبتدئين، وتسمى بالتهذيب.وهو لون من البحث شائع في تراثنا، مثل: تهذيب الأغاني، وتهذيب السعد، وتهذيب التوضيح.
তাই তিনি বিষয়টি পুনরায় অধ্যয়ন করেন যাতে অসম্পূর্ণতা পূর্ণ করা যায় এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা যায়; যা বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে সমৃদ্ধ করে।আমাদের পূর্বসূরিগণ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করেছেন।এবং আমরা বর্তমান যুগে সেগুলো পুনরায় অধ্যয়ন করেছি, যার ফলে আমরা নতুন ও উপকারী কিছু পেয়েছি।প্রাচীন ও আধুনিক কালে অনেকেই আল-মুতানাব্বী সম্পর্কে গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন, কিন্তু শায়খ মাহমুদ শাকির যে গবেষণাটি লিখেছেন, তার অনন্য বিশ্লেষণাত্মক কাজের কারণে তা বাদশাহ ফয়সাল পুরস্কারের বিচারক কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং তারা শায়খকে এই পুরস্কার প্রদান করেছে।ঘ- সংক্ষিপ্ত বিষয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:গবেষণার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি হয়তো খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে যাই হোক এটি একটি ফলপ্রসূ ও উপকারী প্রচেষ্টা এবং এটি গবেষককে কিতাবসমূহের গভীরে অবগাহন করতে উদ্বুদ্ধ করে এমন সব মাসআলা বের করে আনার জন্য, যার মাধ্যমে তিনি অন্যের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারেন।আমাদের ঐতিহ্যে এই ধরণের গবেষণার অনেক উদাহরণ রয়েছে এবং এর সবচেয়ে নিকটবর্তী উদাহরণ হলো মূল পাঠ (মুতুন) ও ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ (শুরুহ)।আর মূল পাঠ (মুতুন) যা বিষয়ের মূলনীতিসমূহ ধারণ করে, তা -যেমনটি আমরা জানি- ব্যাখ্যাগ্রন্থের বিকল্প হতে পারে না।কখনও কখনও মূল পাঠের লেখক নিজেই ব্যাখ্যা করেন, আবার কখনও অন্য কেউ তা করেন।আমাদের ঐতিহ্যে সবচেয়ে মহান মূল পাঠ যা প্রচুর পরিমাণে ব্যাখ্যা লাভ করেছে, তা হলো ব্যাকরণ শাস্ত্রের (নাহু) ওপর ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহ।ঙ- দীর্ঘ গ্রন্থের সংক্ষেপণ বা পরিমার্জন:গবেষণার এমন কিছু ধরন রয়েছে যা দীর্ঘ গ্রন্থগুলোর প্রতি মনোনিবেশ করে, এরপর সেগুলো থেকে সম্ভবত অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বাদ দেয় এবং এমন সব জ্ঞান যা নতুন শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে বর্জন করা সম্ভব; একে 'তাহযীব' (পরিমার্জন) বলা হয়।এটি আমাদের ঐতিহ্যে প্রচলিত এক প্রকার গবেষণা, যেমন: তাহযীবুল আগানি, তাহযীবুস সা’দ এবং তাহযীবুত তাওযিহ।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وقيمته العلمية أنه كسابقه يمكن أن يستفاد به في مجال التعليم.و التعقيبات والنقائض:هذا لون من البحث يعتمد على التعقيب على بحوث سابقة، أو نقض ما فيها من قضايا، وكشف ما فيها من زيف، أو تخطئة ما ورد فيها من آراء واجتهادات.مثل: تهافت الفلاسفة للغزالي، وتهافت التهافت لابن رشد، والرد على النحاة لابن مضاء القرطبي.ومنها كتاب مناهج السنة النبوية في نقض كلام الشيعة والقدرية لابن تيمية.ومن البحوث الحديثة: ما يقال عن الإسلام للأستاذ عباس محمود العقاد.وكتاب الإسلام والنصرانية مع العلم والمدنية، والرد على هانوتو للشيح محمد عبده.ز- وهناك بحوث تتناول بالدراسة أحد أعلام العلماء في أي علم من العلوم، بحيث يدرس الباحث حياته، وبيئته، وثقافته، وشيوخه، وتلاميذه، ونتاجه العلمي، وما له من إضافات فيه، ومنزلته بين نظرائه من أعلام عصره.وأهمية هذا البحث أن الباحث المتوفر على ذلك تتاح له فرصة تتبع نتاج هذا العالم وإبراز ما خفي منه، وكما يمكنه أن يستخرج من كتبه الآراء الجديدة والمفيدة التي تكون عاملا في تطوير هذا العلم الذي برز فيه.وهذا اللون الشائع في عصرنا الحاضر؛ لأنه ميسور للباحثين من أجل الحصول على درجتي الماجستير والدكتوراه.وقيمة هذا الموضوع تظهر في طبيعة البحث نفسه، وخطة الباحث، وجهده المبذول فيه، وفطنته.
এর বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব হলো যে, পূর্ববর্তীটির ন্যায় এটি থেকেও শিক্ষা ক্ষেত্রে উপকৃত হওয়া সম্ভব।পর্যালোচনা এবং খণ্ডন:এটি এমন এক ধরনের গবেষণা যা পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহের ওপর পর্যালোচনা করা, অথবা তাতে বিদ্যমান বিষয়সমূহ খণ্ডন করা, তাতে থাকা অসারতা উন্মোচন করা, কিংবা সেখানে উল্লিখিত মতামত ও ইজতিহাদসমূহের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়।যেমন: ইমাম গাযালীর 'তাহাফুতুল ফালাসিফা', ইবনে রুশদের 'তাহাফুতুত তাহাফুত' এবং ইবনে মাদা আল-কুরতুবীর 'আর-রাদ্দু আলান নুহাহ'।এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো শিয়া ও কাদারিয়াদের মতবাদ খণ্ডনে ইবনে তাইমিয়্যার রচিত 'মিনহাজুস সুন্নাহ আন-নাবাবিয়্যাহ' গ্রন্থটি।আধুনিক গবেষণাসমূহের মধ্যে রয়েছে: উস্তাদ আব্বাস মাহমুদ আল-আক্কাদ রচিত 'মা ইউকালু আনিল ইসলাম'।এবং শাইখ মুহাম্মদ আবদুহ রচিত 'আল-ইসলাম ওয়ান নাসরানিয়্যাহ মাআল ইলমি ওয়াল মাদানিয়্যাহ' এবং 'আর-রাদ্দু আলা হানুতো' গ্রন্থটি।জ- এমন কিছু গবেষণাও রয়েছে যা জ্ঞানের যেকোনো শাখার কোনো একজন প্রথিতযশা আলেমকে নিয়ে অধ্যয়ন করে; যেখানে গবেষক তার জীবন, পরিবেশ, সংস্কৃতি, শিক্ষকগণ, ছাত্রগণ, বৈজ্ঞানিক অবদান, সেই শাস্ত্রে তার নতুন সংযোজন এবং তার সমসাময়িক মনীষীদের মাঝে তার অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেন।এই গবেষণার গুরুত্ব হলো, সংশ্লিষ্ট গবেষক উক্ত আলেমের রচনাবলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার এবং তার অপ্রকাশিত দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার সুযোগ পান। তেমনিভাবে তিনি তার কিতাবসমূহ থেকে এমন নতুন ও উপকারী মতামত বের করে আনতে পারেন যা ওই নির্দিষ্ট শাস্ত্রের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে যাতে উক্ত আলেম পারদর্শী ছিলেন।বর্তমান যুগে গবেষণার এই ধারাটি অত্যন্ত প্রচলিত; কারণ এটি গবেষকদের জন্য মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের ক্ষেত্রে সহজতর।এই বিষয়ের গুরুত্ব ফুটে ওঠে খোদ গবেষণার প্রকৃতি, গবেষকের পরিকল্পনা, তার ব্যয়িত শ্রম এবং তার বিচক্ষণতার মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
ح- تحقيق النصوص:وهذا مجال اتجه إليه الباحثون في عصرنا الحاضر، ولعلهم وجدوه ميسورًا كسابقه، إذ لا يكلف الواحد منهم سوى البحث عن مخطوط لم ينشر، أو نشر غير محقق فيقوم بتحقيقه، وضبط نصوصه وتحريرها.ولا أريد أن أدخل في أصول التحقيق؛ لأني سأعالجه في باب خاص من هذا الكتاب.والعيب في هذا المجال من مجالات البحث أن كثيرًا ممن يلجون بابه من طلاب العلم يفعلون ذلك بدون خبرة كافية، وتحقيق النصوص بالدرجة الأولى خبرة وفطنة أكثر منه معارف.ولأجل هذا، فإن البحث في تحقيق النصوص تعظم قيمته إذا اقترن به دراسة جادة لمؤلف المخطوط، تكشف عن جهده العلمي وآرائه التي تفرد بها.وهذه المجالات المتعددة تختلف -بلا ريب- من حيث القيمة العلمية، وأعلاها أولها، ويليها الثاني، وكذا بحوث التعقيبات والنقائض.لكن الذي أريد أن أؤكده أن قدرة الباحث، وفطنته، وتمكنه من مادته يجعل لبحثه قيمة عالية، ولو كانت طبيعة البحث من هذا اللون الوصفي الذي لا يتطلب جهدًا كبيرًا، أو إمعانًا في النظر والتحري والتمحيص.عدة الباحث وخلقه العلمي:لا بد لمن يلج ميدان البحث العلمي أن يتوافر فيه عدد من الخصائص والسلوكيات، حتى يخرج بحثه على الصورة المرجوة التي تثري المعرفة الإنسانية، وتضيف إليها الجديد والمفيد:1- غزارة العلم، وسعة المعرفة، والخبرة الواسعة بالميدان الذي يبحث فيه حتى يمكنه استخراج ما هو محتاج إليه من بطون المراجع، والموسوعات العلمية.
ছ- পাঠ্যসম্পাদনা:এটি এমন একটি ক্ষেত্র যার দিকে বর্তমান যুগের গবেষকরা ঝুঁকেছেন; সম্ভবত তাঁরা এটিকে পূর্বের বিষয়টির মতোই সহজ মনে করেছেন। কেননা, এতে একজন গবেষকের এমন একটি পাণ্ডুলিপি খোঁজা ছাড়া আর কোনো কষ্ট করতে হয় না যা ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়নি, অথবা প্রকাশিত হলেও তা যথাযথভাবে সম্পাদিত (তাহকীককৃত) নয়; অতঃপর তিনি সেটি সম্পাদনা করেন এবং এর পাঠ্যসমূহ সংশোধন ও পরিমার্জন করেন।আমি এখানে পাঠ্যসম্পাদনার মূলনীতিসমূহ নিয়ে আলোচনা করতে চাই না; কারণ আমি এই বইয়ের একটি বিশেষ অধ্যায়ে তা নিয়ে আলোচনা করব।গবেষণার এই ক্ষেত্রের ত্রুটি হলো, জ্ঞানান্বেষী ছাত্রদের মধ্যে যারা এই পথে পদার্পণ করেন, তাদের অনেকেই পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা ছাড়াই তা করে থাকেন। অথচ পাঠ্যসম্পাদনা হলো প্রথমত নিছক জ্ঞানের চেয়েও বেশি অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতার বিষয়।এই কারণেই, পাঠ্যসম্পাদনা সংক্রান্ত গবেষণার গুরুত্ব তখনই বৃদ্ধি পায় যখন এর সাথে পাণ্ডুলিপির লেখকের ওপর একটি বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা যুক্ত হয়, যা তাঁর জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রচেষ্টা এবং তাঁর সেই অনন্য মতামতগুলোকে উন্মোচিত করে যেগুলোতে তিনি একক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন।এই বহুমুখী ক্ষেত্রগুলোর বৈজ্ঞানিক গুরুত্বের দিক থেকে নিঃসন্দেহে পার্থক্য রয়েছে; এদের মধ্যে প্রথমটি সর্বোচ্চ মর্যাদার, এরপর দ্বিতীয়টি, এবং একইভাবে পর্যালোচনা ও খণ্ডনমূলক গবেষণাসমূহ।তবে আমি যে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে চাই তা হলো, গবেষকের দক্ষতা, বিচক্ষণতা এবং বিষয়ের ওপর তাঁর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণই গবেষণাকে উচ্চমর্যাদা দান করে; যদিও গবেষণার প্রকৃতি এমন বর্ণনামূলক হয় যাতে খুব বেশি পরিশ্রম কিংবা গভীর পর্যবেক্ষণ ও সূক্ষ্ম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন পড়ে না।গবেষকের পাথেয় ও বৈজ্ঞানিক আদর্শ:যিনি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ময়দানে পদার্পণ করবেন, তাঁর মধ্যে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য ও আচরণের সমন্বয় ঘটা অপরিহার্য, যাতে তাঁর গবেষণাটি এমন কাঙ্ক্ষিত রূপ লাভ করে যা মানবীয় জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করবে এবং তাতে নতুন ও উপকারী কিছু সংযোজন করবে:১- জ্ঞানের গভীরতা, প্রজ্ঞার প্রশস্ততা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন, যাতে তিনি তথ্যসূত্র ও জ্ঞানকোষের গভীর তলদেশ থেকে তাঁর প্রয়োজনীয় মণি-মুক্তা আহরণ করতে পারেন।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وأن يقرأ كل ما يتصل ببحثه من مؤلفات، قديمها وحديثها.وأن يحس فهم ما يقرأ، ويدرسه دراسة فاحصة متأنية حتى لا يقع في الخطأ أو الوهم.2- ألا يأخذ ما يقرأ مما انتهى إليه غيره قضية مسلمة لا تقبل المراجعة مهما كانت شخصية هذا الباحث، وليضع في اعتباره هذه الحقيقة: يعرف الرجال بالحق، ولا يعرف الحق بالرجال.3- الموضوعية، ومعنى هذا أن يكون جهد الباحث منصبًّا على الموضوع الذي يبحث فيه بصرف النظر عمن بحثوا في هذا الموضوع، ويمكن أن يأخذ ما تبين له أنه حق مهما قيل في صاحب هذا الرأي من اتهامات، وأن يرد ما رآه باطلًا، ولو كان صاحبه معظمًا في عيون الناس، فالحكمة ضالة المؤمن ينشدها أنَّى وجدها.فلا أرد رأيا حسنا في القضية للزمخشري -مثلًا- لأنه معتزلي، ولا رأيا وجيها لنافع بن الأزرق؛ لأنه من الخوارج.بل أطلب الحق حيث وجد، وللحق مقاييس معروفة في مقدمتها الموافقة لكتاب الله، والسنة الصحيحة، والعقل الصريح، والواقع المحس.ولا بد من اتزان الأسلوب، فلا يكون إنشائيا مفعما بالمشاعر، متأثرا بالعواطف، يثير الشعور، ولا يقنع العقول.بل لا بد من الأناة والروية والتعقل والحيدة التامة.4- النزاهة، وتعني البعد عن الهوى والتعصب في عرض الآراء ومناقشتها، والبعد عن التحامل، فيعرض رأي الغير وفكره كما يعرض آراءه الشخصية.5- الأمانة العلمية، وتتطلب من الباحث الدقة في النقل، وعدم التسامح في لفظ أو عبارة، أو حرف واحد مما ينقل، وذلك إذا كان الأمر في مجال الاستشهاد بنص معين، أما إذا كان المراد مجرد عرض رأي أو فكر علم من الأعلام فلا يلزم النقل النصي، ويشير فقط إلى المصدر الذي عرف منه الباحث هذا الرأي.
এবং তার গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল রচনাবলী পাঠ করা, তা প্রাচীন হোক বা আধুনিক।এবং যা পাঠ করা হয় তা যথাযথভাবে অনুধাবন করা এবং তা সূক্ষ্ম ও ধৈর্যসহকারে পর্যালোচনা করা, যাতে কোনো ভুল বা ভ্রান্তিতে নিপতিত না হতে হয়।২- অন্যের গবেষণালব্ধ সিদ্ধান্তকে এমন এক অকাট্য বিষয় হিসেবে গ্রহণ না করা যা পুনর্নিরীক্ষার ঊর্ধ্বে, সেই গবেষকের ব্যক্তিত্ব যত বড়ই হোক না কেন। আর তাকে এই সত্যটি স্মরণে রাখতে হবে: ব্যক্তিকে সত্যের মাধ্যমে চেনা যায়, সত্যকে ব্যক্তির মাধ্যমে চেনা যায় না।৩- বস্তুনিষ্ঠতা; এর অর্থ হলো গবেষকের প্রচেষ্টা কেবল সেই বিষয়ের ওপর নিবদ্ধ থাকবে যা নিয়ে তিনি গবেষণা করছেন, যারা এই বিষয়ে পূর্বে গবেষণা করেছেন তাদের পরিচয় নির্বিশেষে। যা সত্য বলে স্পষ্ট হবে তা গ্রহণ করা যেতে পারে, সেই মতের প্রবক্তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগই থাকুক না কেন। আর যা বাতিল বলে মনে হবে তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত, যদিও তার প্রবক্তা মানুষের চোখে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি হন। কারণ প্রজ্ঞা হলো মুমিনের হারানো সম্পদ, যেখানেই সে তা পাবে সেখান থেকেই তা সে সংগ্রহ করবে।তাই আমি কোনো বিষয়ে যামাখশারীর কোনো উত্তম মতকে প্রত্যাখ্যান করব না—উদাহরণস্বরূপ—কেবল তিনি মুতাজিলা হওয়ার কারণে, কিংবা নাফে বিন আল-আযরাকের কোনো গ্রহণযোগ্য মতকে অগ্রাহ্য করব না তিনি খারেজি হওয়ার কারণে।বরং আমি সত্য অন্বেষণ করব যেখানেই তা পাওয়া যায়। আর সত্যের সুপরিচিত মানদণ্ড রয়েছে, যার শীর্ষে রয়েছে আল্লাহর কিতাব, সহীহ সুন্নাহ, স্পষ্ট বিচারবুদ্ধি এবং অনুভূত বাস্তবতার সাথে সঙ্গতি থাকা।আর রচনাশৈলীর ভারসাম্য বজায় রাখা আবশ্যক; তা যেন কেবল আবেগপূর্ণ আলঙ্কারিক না হয় যা অনুভূতির উদ্রেক করে কিন্তু বুদ্ধিকে তুষ্ট করতে পারে না।বরং ধৈর্য, ধীরস্থিরতা, বুদ্ধিমত্তা এবং পূর্ণ নিরপেক্ষতা থাকা অপরিহার্য।৪- স্বচ্ছতা; এর অর্থ হলো মত উপস্থাপন ও পর্যালোচনার ক্ষেত্রে খেয়ালখুশি এবং গোঁড়ামি থেকে দূরে থাকা এবং বিদ্বেষ পরিহার করা। ফলে অন্যের মত ও চিন্তা সেভাবেই উপস্থাপন করা হবে যেভাবে নিজের ব্যক্তিগত মতামত উপস্থাপন করা হয়।৫- জ্ঞানতাত্ত্বিক সততা; যা গবেষকের নিকট থেকে উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে সূক্ষ্মতা দাবি করে এবং উদ্ধৃত বিষয়ের কোনো শব্দ, বাক্য এমনকি একটি বর্ণের ক্ষেত্রেও শিথিলতা না করার দাবি রাখে, যখন বিষয়টি কোনো নির্দিষ্ট পাঠ্য থেকে দলিল হিসেবে পেশ করা হয়। তবে যদি উদ্দেশ্য হয় কোনো মনীষীর কেবল মত বা চিন্তা তুলে ধরা, তবে হুবহু উদ্ধৃতি দেওয়া আবশ্যক নয়; সেক্ষেত্রে গবেষক কেবল সেই উৎসের উল্লেখ করবেন যেখান থেকে তিনি এই মতটি অবগত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
6- احترام رأي الآخرين، فليس من حق الباحث أن يهون من رأي غيره، ولكن له أن ينقده بالدليل والبرهان في غير تجريح، ولا اتهام.7- الاهتمام بتوثيق النقل، بذكر المصادر وافية البيانات.8- إذا أراد الباحث الترجمة للأعلام الذين يرد ذكرهم في بحثه، فليكن ذلك بإيجاز مفيد، وليكن مقصورًا على غير المشهورين منهم، الذي يحتاج القارئ المتوسط التعرف عليهم.9- الاهتمام بالفهرسة، ولنا حديث مفصل فيما بعد عن المراجع، والفهارس بعون الله وحده.10- لا بد للباحث أن يكون متمتعا بالراحة الجسمية، بعيدًا عن التوتر والآلام النفسية، حاضر العقل والبديهة، مهيئًَا للتفكير السليم.مراحل البحث:البحث العلمي يحتاج إلى مراحل محددة لا بد أن يمر بها الباحث ليصل إلى ما يريد من بحثه، وأن يحصل نتائج صحيحة تسهم في بناء معارف صحيحة. وسنتناول بالترتيب المنطقي هذه المراحل.1- اختيار الموضوع:هذه في تقديري أهم مراحل البحث، وأكثرها جهدًا ومشقة؛ إذ يكون الباحث الذي هو بصدد الاختيار أمام بحر لجي من المعارف والمؤلفات والأفكار التي طرحت في الميدان الذي يبحث فيه، ولا سيما أن تراث أمتنا في كل المعارف عظيم الثراء، وهذا يضاعف من الصعوبة التي يجدها الباحث.والباحث الجاد الصادق يحس بمسئولية أعظم؛ لأنه لا يريد كتابة أي بحث يوصله للدرجة التي يريدها، ولكنه يريد بحثًا يحقق فيه نتائج يذكرها له معاصروه، والباحثون من بعده.
৬- অন্যদের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন; অন্যের মতকে তুচ্ছজ্ঞান করা কোনো গবেষকের অধিকার নয়, তবে তিনি মানহানি বা অভিযুক্ত না করে দলিল ও প্রমাণের ভিত্তিতে তা সমালোচনা করতে পারেন।৭- উদ্ধৃতিসমূহ প্রামাণ্যকরণের প্রতি গুরুত্ব প্রদান, যাতে তথ্যের পূর্ণ বিবরণসহ উৎসসমূহের উল্লেখ থাকে।৮- গবেষক যদি তাঁর গবেষণায় উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের পরিচিতি (জীবনী) প্রদান করতে চান, তবে তা যেন উপকারী সংক্ষিপ্তাকারে হয় এবং তা কেবল অপ্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, যাদের সম্পর্কে সাধারণ পাঠকের জানা প্রয়োজন।৯- সূচিপত্র বা নির্ঘণ্ট প্রণয়নের প্রতি গুরুত্ব প্রদান; তথ্যসূত্র ও সূচিপত্র সম্পর্কে আমরা পরবর্তীতে আল্লাহর একচ্ছত্র সাহায্যে বিস্তারিত আলোচনা করব।১০- গবেষকের জন্য শারীরিক স্বাচ্ছন্দ্য থাকা আবশ্যক, যা মানসিক উত্তেজনা ও যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হবে, এবং তাঁকে উপস্থিত বুদ্ধি ও প্রখর মেধার অধিকারী হতে হবে এবং সঠিক চিন্তার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।গবেষণার পর্যায়সমূহ:বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পর্যায়ের প্রয়োজন যা একজন গবেষককে অতিক্রম করতে হয় যাতে তিনি তাঁর গবেষণার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন এবং সঠিক ফলাফল অর্জন করতে পারেন যা সঠিক জ্ঞান নির্মাণে অবদান রাখে। আমরা যৌক্তিক ক্রমানুসারে এই পর্যায়গুলো আলোচনা করব।১- বিষয় নির্বাচন:আমার বিবেচনায় এটি গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় এবং এতে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম ও কষ্ট নিহিত; কারণ নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় থাকা গবেষক তাঁর গবেষণার ক্ষেত্রে উপস্থাপিত জ্ঞান, গ্রন্থাবলি এবং ধারণাসমূহের এক অতল সমুদ্রের সম্মুখে থাকেন। বিশেষ করে যেহেতু প্রতিটি জ্ঞানেই আমাদের উম্মাহর ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ, আর এটি গবেষকের সম্মুখে বিদ্যমান অসুবিধাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।একজন নিষ্ঠাবান ও সত্যবাদী গবেষক অধিকতর দায়িত্ব অনুভব করেন; কারণ তিনি কেবল কাঙ্ক্ষিত ডিগ্রি লাভের জন্য কোনো সাধারণ গবেষণা লিখতে চান না, বরং তিনি এমন একটি গবেষণা করতে চান যার মাধ্যমে তিনি এমন কিছু ফলাফল অর্জন করবেন যা তাঁর সমসাময়িক এবং পরবর্তী গবেষকগণ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবেন।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
واختيار الموضوع يدل دلالة واضحة على عقل صاحبه، وعلمه، وخبرته بتراث قومه، فهو حصيلة جهد ومثابرة، واطلاع واسع، وخبرة باحتياجات الفن الذي يبحث فيه.وهناك عوامل عدة تسهم في نجاح الموضوع، وتدل على مدى التوفيق في اختياره.ومن ذلك:أ- الصياغة الدقيقة لعنوان الموضوع أو ترجمته.ب- حجم الدراسة فيه كمًّا وكيفًا.جـ- طرافته وجدته.د- صلته بالمطالب الحيوية للمجتمع الذي ينتظر أن تسهم المعرفة في رقيه عقليا وماديا.هـ- صلته بميول الطالب ومعارفه.و مراجع الموضوع ومدى توافرها، ولا نعني كثرتها؛ لأن الكثرة قد تكون مشكلة تدفع الطالب إلى نقول كثيرة تغيب معها شخصيته.على أن الطالب الواعي يستطيع أن يعالج ذلك بمهارة، وحسن تصرف.وقضية التعامل مع المراجع لها حديث آخر.الخطة الأولية للموضوع:عندما يوفق الباحث في اختيار بحثه عليه أن يرسم خطة أولية لمعالجة هذا الموضوع، والخطة الأولية تعني التصور العاجل والسريع للموضوع الذي ينقدح في ذهن الباحث أول الأمر، ويرفد هذه الخطة حصيلة المعارف والاطلاعات التي اكتسبها، والتي هي زاده على طريق بحثه، ولا يعقل أن يبدأ باحث معالجة موضوع معين وهو خالي الذهن تمامًا عن كل معرفة تتصل به.
বিষয়ের নির্বাচন তার প্রণেতার বুদ্ধি, জ্ঞান এবং স্বজাতির ঐতিহ্য সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতার সুস্পষ্ট প্রমাণ দেয়। এটি মূলত কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, বিস্তৃত অধ্যয়ন এবং যে বিষয়ে গবেষণা করা হচ্ছে সেই শিল্পের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অভিজ্ঞতার ফল।কোনো বিষয়ের সফলতায় বেশ কিছু উপাদান অবদান রাখে এবং তা তার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সফলতার মাত্রা নির্দেশ করে।সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:ক- বিষয়ের শিরোনাম বা তার বিন্যাসের সূক্ষ্ম গঠন।খ- এতে গবেষণার পরিধি—পরিমাণগত ও গুণগত দিক থেকে।গ- এর অনন্যতা ও নতুনত্ব।ঘ- সমাজের অত্যাবশ্যকীয় চাহিদার সাথে এর সম্পর্ক, যে সমাজ আশা করে যে জ্ঞান তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও জাগতিক উন্নতিতে অবদান রাখবে।ঙ- শিক্ষার্থীর আগ্রহ এবং তার অর্জিত জ্ঞানের সাথে এর সম্পৃক্ততা।চ- বিষয়ের তথ্যসূত্রসমূহ এবং সেগুলোর সহজলভ্যতা; আর আমরা এর আধিক্য বোঝাচ্ছি না, কারণ আধিক্য অনেক সময় এমন সমস্যা হতে পারে যা শিক্ষার্থীকে প্রচুর উদ্ধৃতি দিতে বাধ্য করে যার ফলে তার নিজস্ব ব্যক্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়।তবে সচেতন শিক্ষার্থী দক্ষতা এবং বিচক্ষণতার সাথে তা মোকাবিলা করতে সক্ষম।আর তথ্যসূত্র ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন আলোচনা রয়েছে।বিষয়ের প্রাথমিক পরিকল্পনা:গবেষক যখন তার গবেষণার বিষয় নির্বাচনে সফল হন, তখন এই বিষয়টি পরিচালনার জন্য তাকে একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা তৈরি করতে হয়। প্রাথমিক পরিকল্পনা বলতে বোঝায় ওই বিষয় সম্পর্কে একটি তাৎক্ষণিক ও দ্রুত ধারণা যা শুরুতে গবেষকের মনে উদিত হয়। তার অর্জিত জ্ঞান ও অধ্যয়ন এই পরিকল্পনাকে পুষ্ট করে, যা তার গবেষণার পথে পাথেয় স্বরূপ। এটি অসম্ভব যে, একজন গবেষক কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করবেন অথচ সেই সংক্রান্ত যাবতীয় জ্ঞান থেকে তার মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ শূন্য থাকবে।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২০)
وسأقدم على سبيل المثال خطة لموضوع ما يهتدي بها أي باحث من أبنائنا طلاب العلم.وسأقدم لهم خطتي الأولى للموضوع الذي حصلت به على درجة الدكتوراه في النحو وهو: الخلاف بين البصريين والكوفيين وأثره في تطور الدراسات النحوية حتى نهاية القرن السادس الهجري.وكان هذا البحث من بابين يسبقهما مقدمة وتمهيد، ويعقبهما خاتمة.أما المقدمة، فذكرت فيها تعريفًا موجزًا بنفسي ودراساتي السابقة، ثم اختياري للموضوع وأسباب هذا الاختيار، وتحدثت عن مراجعي وتعاملي معها والصعوبات، وكيف ذللت مع شكر للمشرف ولمن بذلوا لي مساعدة لإنجاح العمل وإنجازه، كل هذا في اقتصاد، ودون مبالغة أو تزيد.وأما التمهيد، فتحدثت فيه حديثًا موجزًا عن نشأة الدراسة النحوية حتى بداية عصر الخلاف.وأما الباب الأول: فقد تناولت فيه بالدراسة الخلاف بين المدرستين: البصرية والكوفية بالوصف والتحليل، والتاريخ الدقيق، وعرضت ذلك في فصول ثلاثة:الفصل الأول: قصرت الحديث فيه على دراسة تاريخية للخلاف، تحدد ظهوره، وتحلل أسبابه، وتصف بيئته، وتشرح المؤثرات التي حوله، وتذكر أنماطه، كما تبين مظاهره.وفي الفصل الثاني: تناولت مسائل الخلاف بين المدرستين، وجعلت لها هذا التصنيف:أ- مسائل أصولية: مثل القياس، والسماع، والعلة، والعامل.ب- موضوعات نحوية: مثل الضمائر، والمشتقات، والتضمين.جـ- مسائل جزئية: لإحصاء مسائل الخلاف في أشهر كتب النحو، وأوسعها.
উদাহরণস্বরূপ আমি একটি বিষয়ের রূপরেখা পেশ করব, যা আমাদের ইলম অন্বেষী সন্তানদের মধ্য থেকে যেকোনো গবেষক অনুসরণ করতে পারবেন।আমি তাদের জন্য সেই বিষয়ের প্রথম রূপরেখাটি পেশ করব যার মাধ্যমে আমি ব্যাকরণশাস্ত্রে (নাহু) ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছি, আর তা হলো: বসরী ও কুফী আলেমদের মধ্যকার মতপার্থক্য এবং হিজরি ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত ব্যাকরণগত অধ্যয়নের বিবর্তনে এর প্রভাব।এই গবেষণাটি ছিল দুটি অধ্যায় সম্বলিত, যেগুলোর শুরুতে ছিল একটি ভূমিকা ও উপক্রমনিকা এবং শেষে ছিল একটি উপসংহার।ভূমিকা প্রসঙ্গে বলব, এতে আমি নিজের এবং আমার পূর্ববর্তী পড়াশোনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরেছি। এরপর বিষয় নির্বাচন এবং এই নির্বাচনের কারণসমূহ বর্ণনা করেছি। এছাড়া আমার তথ্যসূত্রসমূহ, সেগুলো ব্যবহারের পদ্ধতি এবং সমস্যাবলি ও তা সমাধানের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছি। সেই সাথে তত্ত্বাবধায়ক এবং যারা এই কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে আমাকে সহায়তা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। এই সবকিছুই অত্যন্ত সংক্ষেপে, কোনো প্রকার অতিরঞ্জন বা বাহুল্য বর্জন করে উপস্থাপন করা হয়েছে।আর উপক্রমনিকায় আমি ব্যাকরণগত অধ্যয়নের উদ্ভব থেকে শুরু করে মতপার্থক্যের যুগের সূচনা পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছি।প্রথম অধ্যায় প্রসঙ্গে: এতে আমি বর্ণনা, বিশ্লেষণ এবং নিখুঁত ইতিহাসের আলোকে বসরী ও কুফী—এই দুই ঘরানার মধ্যকার মতপার্থক্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি এবং তা তিনটি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত করেছি:প্রথম পরিচ্ছেদ: এতে আমি আলোচনার পরিধিকে মতপার্থক্যের ঐতিহাসিক পর্যালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছি, যা এর সূত্রপাত নির্ধারণ করে, কারণসমূহ বিশ্লেষণ করে, এর প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে, এর পারিপার্শ্বিক প্রভাবসমূহ ব্যাখ্যা করে এবং এর ধরন ও বহিঃপ্রকাশসমূহ তুলে ধরে।দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে: আমি দুই ঘরানার মধ্যকার মতপার্থক্যপূর্ণ বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করেছি এবং সেগুলোকে এভাবে শ্রেণিবিন্যাস করেছি:ক- উসূল বা মৌলিক নীতিগত মাসয়ালাসমূহ: যেমন কিয়াস (অনুরূপতা), সামা’ (শ্রুত প্রমাণ), ইল্লাত (কারণ) এবং আমিল (প্রভাবক)।খ- ব্যাকরণগত বিষয়াবলি: যেমন সর্বনাম, বুৎপন্ন শব্দ এবং ত্যযমীন (অন্তর্ভুক্তি)।গ- খুটিনাটি মাসয়ালাসমূহ: ব্যাকরণশাস্ত্রের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ও বিস্তৃত কিতাবসমূহে বিদ্যমান মতপার্থক্যপূর্ণ বিষয়গুলোর পরিসংখ্যান তুলে ধরার জন্য।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২১)
وفي الفصل الثالث: تحدثت عن الباحثين في الخلاف من قدماء النحاة، كالأنباري والعكبري ونحوهما.وأما الباب الثاني: فجعلته لتقويم الخلاف، وكشف آثاره.وجعلته في فصول ثلاثة:الفصل الأول: تقويم القدماء والمحدثين للخلاف بين المدرستين.والفصل الثاني: قصرته على محاولتي الشخصية لتقويم الخلاف، وتصورت أسسا معينة أقيم عليها عملية التقويم.والفصل الثالث: كان لتتبع نتائج الخلاف وآثاره في الدراسات النحوية حتى نهاية القرن السادس الهجري، مشيرًا إلى ما ظهر من مدارس متعددة بعد ذلك في بغداد ومصر والأندلس.والخاتمة:كانت لتسجيل النتائج التي أُصلت إليها من البحث.هذه الخطة المبدئية لم تتغير في الممارسة العملية تغيرًا يذكر، لعل ذلك يرجع لأني كنت مستوعبًا لعناصر الموضوع في ذهني ومعايشتي له أول الأمر بالقراءة في كتب الخلاف، لكن هذا غير لازم، بل في أكثر الأحيان تتغير الخطة عند الممارسة ولا عيب في ذلك؛ ولذا درجنا دائما عند تقديم خطتنا لأي بحث أن نقول: والخطة قابلة للتعديل، حسب مقتضيات البحث.أسوق هذا لعل فيه هداية لكل باحث، أو نموذجًا يحذو حذوه الباحثون، والكمال في كتاب الله وحده: {وَلَوْ كَانَ مِنْ عِنْدِ غَيْرِ اللَّهِ لَوَجَدُوا فِيهِ اخْتِلافًا كَثِيرًا} [النساء: آية 82] .
এবং তৃতীয় পরিচ্ছেদে: আমি প্রাচীন ব্যাকরণবিদদের মধ্য থেকে মতপার্থক্য নিয়ে গবেষণাকারীদের সম্পর্কে আলোচনা করেছি, যেমন আনবারি, উকবারী এবং তাদের সদৃশ ব্যক্তিবর্গ।আর দ্বিতীয় খণ্ড: এটি আমি মতপার্থক্য মূল্যায়ন এবং এর প্রভাব উন্মোচনের জন্য নির্দিষ্ট করেছি।এবং আমি একে তিনটি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত করেছি:প্রথম পরিচ্ছেদ: দুই ঘরানার মধ্যকার মতপার্থক্য সম্পর্কে প্রাচীন ও আধুনিক গবেষকদের মূল্যায়ন।দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এটি আমি মতপার্থক্য মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছি, এবং আমি কিছু নির্দিষ্ট মূলনীতি কল্পনা করেছি যার ওপর ভিত্তি করে আমি মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছি।তৃতীয় পরিচ্ছেদ: এটি ছিল হিজরি ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত ব্যাকরণিক গবেষণায় মতপার্থক্যসমূহের ফলাফল ও প্রভাব অনুসন্ধানের জন্য, সাথে সাথে বাগদাদ, মিসর ও আন্দালুসে এর পরবর্তীকালে উদ্ভূত বিভিন্ন ঘরানা বা মাযহাবের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।এবং উপসংহার:এটি গবেষণার মাধ্যমে আমি যেসব ফলাফলে উপনীত হয়েছি তা লিপিবদ্ধ করার জন্য রাখা হয়েছে।এই প্রাথমিক পরিকল্পনাটি বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্মুখীন হয়নি; সম্ভবত এর কারণ হলো, আমার মনে বিষয়টির উপাদানসমূহ আত্মস্থ ছিল এবং প্রথম থেকেই মতভেদ সংক্রান্ত বইসমূহ অধ্যয়নের মাধ্যমে আমি এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। তবে এটি অপরিহার্য নয়, বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাস্তব কাজের সময় পরিকল্পনা পরিবর্তিত হয় এবং এতে কোনো দোষ নেই; এই কারণেই আমরা যেকোনো গবেষণার পরিকল্পনা পেশ করার সময় সর্বদা বলে থাকি: গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী পরিকল্পনাটি পরিবর্তনযোগ্য।আমি এটি এই উদ্দেশ্যে তুলে ধরছি যাতে সম্ভবত এতে প্রত্যেক গবেষকের জন্য দিকনির্দেশনা থাকে, অথবা এটি গবেষকদের জন্য একটি অনুসরণযোগ্য মডেলে পরিণত হয়। আর পূর্ণতা কেবল আল্লাহর কিতাবেই বিদ্যমান: "তা যদি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো পক্ষ থেকে হতো, তবে তারা তাতে অনেক মতভেদ দেখতে পেত।" [সূরা আন-নিসা: আয়াত ৮২]।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২২)
2- كيف تتم عملية التبويب؟إن الباحث وهو يضع الخطة الأولى لبحثه وله معرفة عامة به، يلقي نظرة على عنوانه من خلال الأهداف التي يوحي بها، والجهود التي يحتمها، فيجعل هذه الأساسيات أبوابًا.ثم يمسك بكل باب على حدة، ويضع له العنوان المأخوذ من العنوان العام للرسالة، فيلقي عليه نظرة واعية يستخرج بها النقاط التي يلزم الحديث عنها في هذا الباب، فيجعل من هذه النقاط فصولًا.ثم يعمد إلى كل فصل فيتأمل القضايا التي يمكن أن يعالجها فيجعلها مباحث.وهكذا حتى يفرغ من تخطيط الرسالة تخطيطًا أوليًّا، وكما قلنا: إن التعديل في هذا التخطيط وارد حسب مقتضيات البحث.والخطة النموذجية التي قدمتها آنفًا تبين لنا بوضوح كيف يتم التبويب.فإذا طلب منك -مثلًا- أن تكتب عن محمد بن الحسن الشيباني وجهوده الفقهية، فلا بد أن تكون الرسالة من بابين:أولهما: عن محمد بن الحسن.والآخر: عن جهوده الفقهية.ثم تمسك بالباب الأول فتعرضه في عدة فصول:الفصل الأول: حياته ودراسته وشيوخه.الفصل الثاني: علاقته بالإمام أبي حنيفة.الفصل الثالث: علاقته بالدولة الإسلامية في عصره.وأما الباب الثاني: فتعرضه في عدة فصول:
২- অধ্যায়বিন্যাস পদ্ধতি কীভাবে সম্পন্ন হয়?একজন গবেষক যখন তার গবেষণার প্রাথমিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন এবং সে বিষয়ে তার সাধারণ জ্ঞান থাকে, তখন তিনি এর শিরোনামের ওপর এমন এক দৃষ্টিপাত করেন যা এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় মেহনতকে ফুটিয়ে তোলে। ফলে তিনি এই মৌলিক বিষয়গুলোকে একেকটি 'অনুচ্ছেদ' (বাব) হিসেবে নির্ধারণ করেন।এরপর তিনি প্রতিটি অনুচ্ছেদ আলাদাভাবে গ্রহণ করেন এবং অভিসন্দর্ভের সাধারণ শিরোনাম থেকে এর জন্য একটি শিরোনাম নির্ধারণ করেন। অতঃপর তিনি সেটির ওপর সজাগ দৃষ্টি দেন যাতে ওই অনুচ্ছেদে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন তা বের করা যায়। এরপর তিনি এই বিষয়গুলোকে 'অধ্যায়' (ফসল) হিসেবে বিন্যস্ত করেন।তারপর তিনি প্রতিটি অধ্যায়ের দিকে মনোনিবেশ করেন এবং যে বিষয়গুলো সেখানে আলোচনা করা সম্ভব তা নিয়ে চিন্তা করেন এবং সেগুলোকে 'পরিচ্ছেদ' (মাবাহিছ) হিসেবে নির্ধারণ করেন।এভাবে তিনি অভিসন্দর্ভের প্রাথমিক নকশা প্রণয়ন সম্পন্ন করেন। আর আমরা যেমনটি বলেছি: গবেষণার প্রয়োজনে এই নকশায় সংশোধন বা পরিবর্তন হওয়া সম্ভব।আমি ইতিপূর্বে যে নমুনা পরিকল্পনাটি পেশ করেছি তা আমাদের কাছে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে যে অধ্যায়বিন্যাস কীভাবে সম্পন্ন হয়।উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার কাছে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আশ-শায়বানী এবং তাঁর ফিকহী অবদান সম্পর্কে লিখতে বলা হয়, তবে অভিসন্দর্ভটি অবশ্যই দুটি অনুচ্ছেদে বিভক্ত হতে হবে:প্রথমটি: মুহাম্মদ ইবনুল হাসান সম্পর্কে।এবং অন্যটি: তাঁর ফিকহী অবদান সম্পর্কে।এরপর আপনি প্রথম অনুচ্ছেদটি নেবেন এবং কয়েকটি অধ্যায়ে তা উপস্থাপন করবেন:প্রথম অধ্যায়: তাঁর জীবন, শিক্ষা এবং শিক্ষকবৃন্দ।দ্বিতীয় অধ্যায়: ইমাম আবু হানিফার সাথে তাঁর সম্পর্ক।তৃতীয় অধ্যায়: সমকালীন ইসলামী রাষ্ট্রের সাথে তাঁর সম্পর্ক।আর দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের ক্ষেত্রে, আপনি তা কয়েকটি অধ্যায়ে উপস্থাপন করবেন:
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
أولها: آراؤه التي انفرد بها، وتأثيره في فقه الإمام أبي حنيفة ومنزلته بين فقهاء عصره.ثانيها: أثر آرائه الفقهية في سياسة الدولة.ثالثها: مؤلفاته، وتقويم هذه المؤلفات.خاتمة: تسجل فيها النتائج.وبالطبع نبدأ البحث بالمقدمة.ويمكن أن نأتي بتمهيد.نتحدث فيها بإيجاز عن الدراسة الفقهية حتى عصر محمد بن الحسن.وهكذا يتم التبويب وعمل الخطة الأولى لأي بحث يريده الباحث.3- المصادر والمراجع:بادئ الأمر نقول: هل هناك فرق بين المصدر والمرجع؟بعض العلماء لا يفرق بينهما ويعدهما مترادفين، فسواء أكان الكتاب مصدرًا متوفرًا على هذه المعرفة بعينها أم يرجع إليه في اكتساب شيء منها.وأكثر العلماء يفرق بينهما.فالمصدر: كتاب يعالج موضوعًا بعينه، يتوفر عليه، ويعالجه معالجة شاملة تستقصي جميع جوانبه في تعمق ودرس، بحيث لا يستغني عنه باحث في هذا الموضوع أو دارس.والمرجع: الكتاب الذي يستقى من غيره، فيتناول موضوعًا أو جانبًا من موضوع يذكر ما فيه من مسائل وقضايا.فمن المصادر: الجامع الصحيح للبخاري، وصحيح مسلم في الحديث.
প্রথমত: তাঁর একক মতামতসমূহ, ইমাম আবু হানিফার ফিকহে তাঁর প্রভাব এবং তাঁর যুগের ফকিহদের মাঝে তাঁর মর্যাদা।দ্বিতীয়ত: রাষ্ট্রীয় নীতিতে তাঁর ফিকহি মতামতের প্রভাব।তৃতীয়ত: তাঁর রচনাবলি এবং এই রচনাবলির মূল্যায়ন।উপসংহার: যেখানে ফলাফলসমূহ লিপিবদ্ধ করা হবে।স্বাভাবিকভাবেই আমরা ভূমিকা দিয়ে গবেষণাটি শুরু করব।এবং আমরা একটি উপক্রমণিকাও নিয়ে আসতে পারি।তাতে আমরা মুহাম্মদ ইবনুল হাসানের যুগ পর্যন্ত ফিকহ চর্চা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব।এভাবেই কোনো গবেষকের কাঙ্ক্ষিত যেকোনো গবেষণার অধ্যায় বিন্যাস এবং প্রাথমিক পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়।৩- মূল উৎস ও তথ্যসূত্র:শুরুতেই আমরা বলব: মূল উৎস (মাসদার) ও তথ্যসূত্রের (মারজি) মধ্যে কি কোনো পার্থক্য আছে?কিছু আলেম এই দুটির মাঝে কোনো পার্থক্য করেন না এবং এগুলোকে সমার্থক গণ্য করেন। চাই বইটি নির্দিষ্ট এই জ্ঞানের আধার হোক কিংবা তা থেকে কোনো জ্ঞান অর্জনের জন্য সেটির মুখাপেক্ষী হতে হয়।তবে অধিকাংশ আলেম এ দুটির মাঝে পার্থক্য করেন।মূল উৎস হলো: এমন একটি বই যা একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, তাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকে এবং বিষয়টিকে এমন এক সামগ্রিক পর্যালোচনার মাধ্যমে তুলে ধরে যা গভীর গবেষণা ও পাঠের মাধ্যমে এর সকল দিক উন্মোচন করে, ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কোনো গবেষক বা শিক্ষার্থীর জন্য এটি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়।তথ্যসূত্র হলো: এমন বই যা অন্যের থেকে সংগৃহীত, যা কোনো একটি বিষয় বা কোনো বিষয়ের আংশিক দিক নিয়ে আলোচনা করে এবং সে সংক্রান্ত সমস্যা ও বিষয়াবলি উল্লেখ করে।মূল উৎসের উদাহরণ হলো: হাদিস শাস্ত্রে ইমাম বুখারির আল-জামি আস-সহিহ এবং সহিহ মুসলিম।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
والكتاب لسيبويه في النحو.والكامل للمبرد في الأدب.والمغني لابن قدامة في الفقه الحنبلي.وما أخذ من هذه المصادر فهو مرجع.وذلك مثل الأربعين النووية في الحديث.وعلى أي حال، فهذه أمور اصطلاحية لا مشاحة فيها إذ اختلف في أمرها الباحثون.إن الباحث مطالب بالرجوع إلى كل ما يقع تحت يده مما كتب في مادته من قديم أو حديث، كما أن عليه أن يسعى وراء ما هو بعيد عنه مما يقع في يد غيره، أو في المكتبات العامة، وكذا المخطوطات؛ إذ قد يكون فيها معارف لا توجد في المطبوعات.وكما أن نجاح الباحث متوقف على الحصول على أكبر قدر من مصادره.كذلك نراه متوقفًا على القدرة على الاستفادة من المراجع.أما الأساس الأول، فعلى الطالب مراجعة ما يأتي:1- فهارس المكتبات الخاصة والعامة.2- الموسوعات العلمية المتخصصة في العلم الذي يبحث فيه.3- فهارس المصادر والمراجع التي لها صلة ما ببحثه، عله يجد بعض المسائل المساعدة في البحث، وكذلك الرسائل الجامعية التي كتبت في هذه المادة.4- المجلات العلمية المعتد بها.5- قوائم دور النشر والمكتبات؛ لمتابعة كل جديد في فنه، وما صدر من المخطوطات فيه.
নাহু বা ব্যাকরণ শাস্ত্রে সীবাওয়াইহ-এর ‘আল-কিতাব’।আদব বা সাহিত্য শাস্ত্রে মুবররাদের ‘আল-কামিল’।হাম্বলী ফিকহ শাস্ত্রে ইবনে কুদামার ‘আল-মুগনি’।আর এসব উৎস থেকে যা কিছু গ্রহণ করা হয়, তা মারজা বা তথ্যসূত্র হিসেবে গণ্য।যেমন হাদীস শাস্ত্রে ‘আল-আরবাঈন আন-নাওয়াবিয়্যাহ’।যাই হোক, এগুলো পারিভাষিক বিষয় যাতে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই, যেহেতু গবেষকগণ এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করেছেন।একজন গবেষকের দায়িত্ব হলো তার বিষয়ের ওপর প্রাচীন বা আধুনিক যা কিছু তার হাতের নাগালে আছে, সেই সবকিছুর দিকে প্রত্যাবর্তন করা। তেমনিভাবে তার থেকে দূরে যা অন্যের কাছে আছে অথবা পাবলিক লাইব্রেরিগুলোতে আছে তা অনুসন্ধান করাও তার কর্তব্য; একইভাবে পাণ্ডুলিপিগুলোও খোঁজা উচিত, কারণ তাতে এমন সব জ্ঞান থাকতে পারে যা মুদ্রিত গ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায় না।যেহেতু একজন গবেষকের সাফল্য তার উৎসের সর্বাধিক পরিমাণ সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল।তেমনিভাবে আমরা দেখি যে এটি তথ্যসূত্র থেকে উপকৃত হওয়ার সক্ষমতার ওপরও নির্ভরশীল।প্রথম ভিত্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর উচিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা:১- ব্যক্তিগত ও পাবলিক লাইব্রেরিসমূহের ক্যাটালগ বা তালিকা।২- যে বিষয়ে গবেষণা করা হচ্ছে সেই বিষয়ের বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক বিশ্বকোষসমূহ।৩- তার গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট উৎস ও তথ্যসূত্রসমূহের তালিকা, যাতে তিনি গবেষণায় সহায়ক কিছু বিষয় খুঁজে পেতে পারেন; সেই সাথে এই বিষয়ে লিখিত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের থিসিসসমূহ।৪- নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক সাময়িকীসমূহ।৫- প্রকাশনা সংস্থা ও গ্রন্থাগারসমূহের তালিকা; যাতে নিজ বিষয়ের প্রতিটি নতুন সংযোজন এবং সেখানে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপিগুলো অনুসরণ করা যায়।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
6- الرجوع إلى الشخصيات العلمية المبرزة في هذا المجال يستفيد من خبرتهم ويهتدي بإرشاداتهم التي هي حصيلة سنين في ميدان البحث والدرس.وأما الأساس الثاني، فيدور حول أسلوب التعامل مع المراجع.وذلك يتطلب ما يأتي:أ- يجدر بالباحث أن يرتب مراجعه ترتيبًا زمنيًّا؛ ليقف على التطور التاريخي للعلم الذي يبحث فيه، لما يترتب على هذا من وقوف الباحث على أمور هامة في بحثه، كما يكشف له عن تأثير اختلاف البيئة الزمنية في بعض المعارف، ويتيح له فرصة المقارنة بين المتقدم والمتأخر.ب- يبدأ التوثيق بالمراجع المتقدمة تاريخيًّا، ولا ينبغي أن يوثق نقلًا من مرجع متأخر، مع أن هذه المعلومة من مرجع متقدم.ولا يعتمد على توثيق غيره، بل يأخذ من حيث أخذ.جـ- عندما يمسك الباحث بالمرجع يكفيه أن يقرأ فهرس الموضوعات فيه إن كان مفهرسًا، ليقف على الموضوعات التي لها صلة ببحثه، فإذا كان غير مفهرس كان لا مفر له من قراءة المرجع قراءة سريعة حتى إذا وقع على مسألة لها صلة ببحثه قرأها بأناة، واستخرجها في البطاقة المعدة لذلك، ذاكرا الجزء والصفحة، واسم الكتاب والمؤلف، وسنة الطبع، والناشر، ومكان النشر، مثل الكتاب لسيبويه جـ1 ص220 تحقيق عبد السلام هارون، الهيئة العامة للكتاب، القاهرة سنة 1962م.د- ما ينقله بنصه من المرجع يوضع بين علامتي تنصيص، ويذكر في أسفل الصفحة المعارف الستة المتصلة بالمرجع والتي أشرنا إليها، أما إذا نقل الباحث ملخصًا لفكرة وجدت في المصدر أو المرجع، لا يضع هذا الملخص بين علامتي تنصيص، وعليه أن يشير في أسفل الصفحة إلى المرجع قائلًا: انظر كتاب كذا، جزء كذا، صفحة كذا … إلخ.
৬- এই ক্ষেত্রে বিশিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিত্বদের শরণাপন্ন হওয়া, যাতে তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হওয়া যায় এবং তাঁদের দিকনির্দেশনা দ্বারা পরিচালিত হওয়া যায়, যা গবেষণা ও অধ্যয়নের ময়দানে দীর্ঘ বছরের পরিশ্রমের ফসল।আর দ্বিতীয় মূলভিত্তিটি হলো তথ্যসূত্রের ব্যবহারের পদ্ধতির ওপর আবর্তিত।আর এটি নিম্নোক্ত বিষয়গুলো দাবি করে:ক- গবেষকের উচিত তাঁর তথ্যসূত্রসমূহকে কালানুক্রমিক ক্রমে সাজানো; যাতে তিনি যে বিষয়ে গবেষণা করছেন তার ঐতিহাসিক বিবর্তন সম্পর্কে অবগত হতে পারেন। কেননা এর ফলে গবেষক তাঁর গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানতে পারেন, এবং এটি তাঁর কাছে বিভিন্ন জ্ঞানের ক্ষেত্রে সময়ের পার্থক্যের প্রভাব উন্মোচিত করে, আর তাঁকে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী জ্ঞানসমূহের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনার সুযোগ করে দেয়।খ- তথ্যপ্রমাণ বা তথ্যসূত্র উল্লেখ ঐতিহাসিকভাবে প্রাচীন উৎসগুলো দিয়ে শুরু করা উচিত। কোনো পরবর্তী যুগের তথ্যসূত্র থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে তথ্য প্রমাণ করা উচিত নয়, যদিও উক্ত তথ্যটি কোনো প্রাচীন উৎসে বিদ্যমান থাকে।আর অন্যের করা তথ্যসূত্র বা হাওয়ালার ওপর নির্ভর করা যাবে না, বরং তথ্যটি যেখান থেকে নেওয়া হয়েছে মূল সেখান থেকেই তা সংগ্রহ করতে হবে।গ- গবেষক যখন কোনো তথ্যসূত্র বা গ্রন্থ হাতে নেবেন, তখন যদি তাতে সূচিপত্র থাকে তবে তাঁর জন্য বিষয়সূচি পড়াই যথেষ্ট, যাতে তিনি তাঁর গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জানতে পারেন। আর যদি সূচিপত্র না থাকে, তবে তাঁকে দ্রুততার সাথে মূল গ্রন্থটি পড়ে যেতে হবে যতক্ষণ না তিনি তাঁর গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ের দেখা পান। এরপর তিনি তা ধীরস্থিরভাবে পড়বেন এবং এর জন্য নির্ধারিত কার্ডে তা নোট করবেন; সাথে খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর, বইয়ের নাম ও লেখকের নাম, মুদ্রণ বর্ষ, প্রকাশক এবং প্রকাশের স্থান উল্লেখ করবেন। যেমন: সিবওয়াইহ-এর আল-কিতাব, ১ম খণ্ড, ২২০ পৃষ্ঠা, তাহকিক: আবদুস সালাম হারুন, আল-হাইআ আল-আম্মাহ লিল-কিতাব, কায়রো, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দ।ঘ- তথ্যসূত্র থেকে যা হুবহু উদ্ধৃত করা হবে, তা উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখতে হবে এবং পৃষ্ঠার নিচে তথ্যসূত্র সংশ্লিষ্ট সেই ছয়টি তথ্য উল্লেখ করতে হবে যার দিকে আমরা ইঙ্গিত করেছি। কিন্তু গবেষক যদি মূল উৎস বা তথ্যসূত্রে পাওয়া কোনো চিন্তাধারার সারসংক্ষেপ বর্ণনা করেন, তবে সেই সারসংক্ষেপটি উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখবেন না। তবে তাঁকে পৃষ্ঠার নিচে তথ্যসূত্রের দিকে ইঙ্গিত করে বলতে হবে: অমুক কিতাব দেখুন, অমুক খণ্ড, অমুক পৃষ্ঠা … ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
هـ- إذا اعترض النص المنقول بعض عبارات لا يعنى الباحث نقلها؛ لأنها بعيدة الصلة عن بحثه، فلا حرج عليه أن يضع مكانها عدة نقاط على هذا النحو " … ".4- جمع المادة العلمية:بعد التعامل مع المصادر والمراجع بالصورة التي ذكرناها، يستخرج ما يحتاج إليه من مادة علمية متبعًا إحدى طريقتين:1- طريقة البطاقات:فيسجل على كل بطاقة النص الذي ينقله ذاكرًا في أسفلها المعلومات الكاملة عن المرجع، وإذا كان ما يريد نقله يستغرق أكثر من بطاقة والمرجع في متناول الباحث يكفي أن يثبت في البطاقة ملخصًا لما يريد نقله، ثم يذكر في أسفلها الصفحات التي تحتوي القضية كاملة، والحجم المناسب للبطاقة غالبًا "10x14سم".ولا بأس أن يكتب النقل في عدة بطاقات إذا كان المرجع غير ميسور، على أن يضم هذه البطاقات بعضها البعض بمشبك أو نحوه.2- طريقة الملف:بأن يكتب ما يستخرجه من مادة علمية في أوراق كبيرة يضمها ملف معين أو ملفات حسب حجم المادة التي تسنى له جمعها.الدراسة والتصنيف:فإذا فرغ من جمع المادة على إحدى الصورتين السابقتين يبدأ في دراسة ما جمعه دراسة دقيقة واعية، يخلص منها إلى عملية التصنيف.فيعد الباحث صناديق على عدد فصول الكتاب.وفي كل صندوق يضع بطاقات الفصل الخاصة به، ويكتب عليه -مثلًا- الباب الأول -مثلًا- أو يعد ملفات على عدد فصول البحث، يضع في كل ملف الأوراق التي جمعت فيها مادته.
৫- যদি উদ্ধৃত পাঠ্যের মধ্যে এমন কিছু বাক্য থাকে যা গবেষক উদ্ধৃত করতে চান না; কারণ সেগুলো তার গবেষণার সাথে দূরবর্তীভাবে সম্পর্কিত, তবে তার জন্য সেগুলোর পরিবর্তে এভাবে কয়েকটি বিন্দু " … " ব্যবহার করাতে কোনো অসুবিধা নেই।৪- ইলমি উপাদান সংগ্রহ:আমরা যেভাবে উল্লেখ করেছি সেই পদ্ধতিতে মূল উৎস ও তথ্যসূত্রগুলোর সাথে কাজ করার পর, তিনি দুই পদ্ধতির যেকোনো একটি অনুসরণ করে তার প্রয়োজনীয় ইলমি উপাদান নিষ্কাশন করবেন:১- কার্ড পদ্ধতি:তিনি প্রতিটি কার্ডে তার উদ্ধৃত পাঠ্যটি লিপিবদ্ধ করবেন এবং এর নিচে তথ্যসূত্র সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখ করবেন। আর যদি তিনি যা উদ্ধৃত করতে চান তা একের অধিক কার্ডের প্রয়োজন হয় এবং তথ্যসূত্রটি গবেষকের নাগালের মধ্যে থাকে, তবে কার্ডে তিনি যা উদ্ধৃত করতে চান তার একটি সারসংক্ষেপ লিখে রাখাই যথেষ্ট হবে। এরপর তিনি এর নিচে সেই পৃষ্ঠাগুলো উল্লেখ করবেন যেখানে বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে রয়েছে। কার্ডের উপযুক্ত আকার সাধারণত "১০x১৪ সেমি"।যদি তথ্যসূত্রটি সহজে লভ্য না হয় তবে উদ্ধৃতিটি কয়েকটি কার্ডে লিখতে কোনো অসুবিধা নেই, তবে শর্ত হলো এই কার্ডগুলোকে একটি ক্লিপ বা এই জাতীয় কিছুর মাধ্যমে একসাথে আটকে রাখতে হবে।২- ফাইল পদ্ধতি:তিনি যে ইলমি উপাদান নিষ্কাশন করবেন তা বড় কাগজে লিখবেন এবং তার সংগৃহীত উপাদানের পরিমাণ অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট ফাইল বা একাধিক ফাইলের মধ্যে তা সংগ্রহ করে রাখবেন।পর্যালোচনা ও শ্রেণিবিন্যাস:উপরের দুটি পদ্ধতির যেকোনো একটিতে উপাদান সংগ্রহের কাজ শেষ করার পর, তিনি যা সংগ্রহ করেছেন তা অত্যন্ত সতর্ক ও সচেতনভাবে পর্যালোচনা শুরু করবেন, যেখান থেকে তিনি শ্রেণিবিন্যাসের প্রক্রিয়ায় উপনীত হবেন।ফলে গবেষক বইয়ের পরিচ্ছেদের সংখ্যা অনুযায়ী কতগুলো বাক্স তৈরি করবেন।এবং প্রতিটি বাক্সে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছেদের কার্ডগুলো রাখবেন এবং এর উপরে লিখবেন -উদাহরণস্বরূপ- প্রথম অধ্যায় -অথবা গবেষণার পরিচ্ছেদের সংখ্যা অনুযায়ী ফাইল তৈরি করবেন, যেখানে প্রতিটি ফাইলে ঐ সমস্ত কাগজ রাখবেন যাতে তার উপাদানগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
ولي تجربة خاصة في هذا الصدد.أسميها طريقة الكشكول المفهرس.وقد اتبعتها في رسالتي في الدكتوراه.بأن أنقل المادة العلمية لكل فصل في كشكول، وأعطي كل نقل عنوانًا خاصا به، يجعل من السهل ربطه بأي فصل من فصول الرسالة.وفي آخر كل كشكول فهرس لكل ما ورد فيه من موضوعات.فإذا قرأت الكشكول أخذت فكرة كاملة عن مواد هذا الفصل.ويصبح من السهل ربطه بالخطه الأولى التي وضعتها، أو أعدل في الخطة تبعًا لما استجد لي من مواد علمية تتطلب هذا التغيير.على أي طريق من هذه الطرق أسير فيه، تتضح أمامي معالم الموضوع، وفي الوقت نفسه تظهر وجهة نظري، أو تعقيباتي، أو حواري مع آراء الآخرين، فأبادر بذكر إشارة موجزة عند كل موضوع، أو نقل يبدو لي مناقشته، والوقوف عنده حتى لا أنساه عندما أبدأ في المرحلة التالية، وهي أهم المراحل، أعني: مرحلة الكتابة والإخراج.
এই বিষয়ে আমার একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে।আমি একে "সূচিবদ্ধ নোটবুক" পদ্ধতি হিসেবে অভিহিত করি।আমি আমার পিএইচডি অভিসন্দর্ভে এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছি।পদ্ধতিটি হলো, প্রতিটি অধ্যায়ের গবেষণালব্ধ উপাদানগুলো একটি নোটবুকে লিপিবদ্ধ করা এবং প্রতিটি উদ্ধৃতিকে একটি স্বতন্ত্র শিরোনাম প্রদান করা, যা অভিসন্দর্ভের যেকোনো অধ্যায়ের সাথে সেটিকে সংশ্লিষ্ট করা সহজ করে তোলে।প্রতিটি নোটবুকের শেষে সেখানে অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহের একটি সূচিপত্র থাকে।যখন আমি নোটবুকটি পাঠ করি, তখন ওই অধ্যায়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা লাভ করি।এর ফলে আমার প্রণীত প্রাথমিক পরিকল্পনার সাথে বিষয়টিকে সমন্বয় করা সহজ হয়, অথবা সংগৃহীত নতুন তথ্যের প্রয়োজনে পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তনের আবশ্যকতা দেখা দিলে আমি তা সংশোধন করে নিই।এই পদ্ধতিগুলোর মধ্যে আমি যে পথেই অগ্রসর হই না কেন, বিষয়বস্তুর রূপরেখা আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে; একই সাথে আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, টীকা-টিপ্পনী কিংবা অন্যদের মতামতের প্রেক্ষিতে আমার পর্যালোচনা ফুটে ওঠে। তাই আমি প্রতিটি বিষয় বা উদ্ধৃতির পাশে—যেটি নিয়ে আলোচনা বা পর্যালোচনার প্রয়োজন মনে করি—একটি সংক্ষিপ্ত সংকেত দিয়ে রাখি, যাতে পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সময় আমি তা ভুলে না যাই। আর এই পরবর্তী ধাপটিই হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, অর্থাৎ: রচনা ও চূড়ান্ত উপস্থাপনের পর্যায়।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
مرحلة كتابة البحث وإخراجه:هذه المرحلة تأتي بعد أن تتم دراسة الموضوع من خلال المصادر والمراجع، وتكتمل صورته في ذهن الباحث، ثم يبدأ في كتابة بحثه.وحينذاك يصوغ الباحث موضوعه بعبارته وأسلوبه، طبقًا لما هو ماثل في ذهنه، ويعالج قضاياه من خلال تصوره حتى تبدو شخصيته فيما يكتب، وله أن يعرض أفكار غيره بعبارته، ويشير إلى المرجع بقوله: انظر كذا -كما أسلفنا- ولا يذكر كلام غيره بنصه إلا إذا كان المقام يفرض ذلك، ويحتمه الاستشهاد، أو أنه يريد مناقشة هذا النص بحرفه.ولا بد أن يتسم في كتابته بالدقة والأناة والتواضع والبعد عن الإعجاب بالرأي أو الإمعان في تسفيه الآخرين.وأنسب الأساليب للكتابة العلمية أسلوب المساواة، وهو عند البلغاء: أن تكون الألفاظ على قدر المعاني.ويحسن الإيجاز في صياغة القوانين، والقواعد العامة، والتعريفات.ومن آفات الكتابة في البحوث الإطناب في غير مناسبة، والتكرار -أعني: تكرار المعلومة في أكثر من موطن- والإحالة تغنيه عن ذلك.ويراعى ترتيب الأفكار وترابطها، وأن تكون أحكامه مبنية على مقدمات صحيحة توصل إليها.وإذا كان للباحث رأي في مسألة يخالف به من سبقوه من الأعلام، فلا بد أن يقدم البراهين الصحيحة التي أقام عليها رأيه.وعلى الباحث أن يلتزم بعلامات الترقيم؛ لأنها وإن كانت من مبتكرات العصر
গবেষণা লিখন ও তা প্রকাশের পর্যায়:এই পর্যায়টি আসে উৎস এবং তথ্যসূত্রসমূহের মাধ্যমে বিষয়টি অধ্যায়ন করার পর এবং যখন গবেষকের মনে বিষয়টির একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ ফুটে ওঠে, তখন তিনি তাঁর গবেষণা লিখতে শুরু করেন।আর সেই সময়ে গবেষক তাঁর নিজের শব্দ ও শৈলীতে বিষয়টি প্রণয়ন করেন, যা তাঁর মনে বিদ্যমান রয়েছে সেই অনুযায়ী। তিনি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে এর সমস্যাবলি আলোচনা করেন যাতে তাঁর লেখায় তাঁর ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। তিনি অন্যের চিন্তাধারাকে নিজের ভাষায় উপস্থাপন করতে পারেন এবং তথ্যসূত্রের দিকে ইঙ্গিত করে বলতে পারেন: "অমুকটি দেখুন" —যেমনটি আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি— এবং তিনি অন্যের বক্তব্য হুবহু উল্লেখ করবেন না, যদি না প্রেক্ষিত তা দাবি করে এবং উদ্ধৃতি দেওয়া আবশ্যক হয়, অথবা তিনি যদি সেই পাঠ্যটি আক্ষরিকভাবে আলোচনা করতে চান।তাঁর লেখায় অবশ্যই নির্ভুলতা, ধৈর্য, বিনয় এবং নিজের মতের প্রতি অতি-মুগ্ধতা কিংবা অন্যদের তুচ্ছজ্ঞান করার মানসিকতা থেকে দূরে থাকা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে হবে।জ্ঞানভিত্তিক লিখনের সবচেয়ে উপযুক্ত পদ্ধতি হলো 'সমতা'র (আল-মুসাওয়াহ) পদ্ধতি; যা আলঙ্কারিকদের মতে হলো: শব্দসমূহ অর্থের সমপরিমাণ হওয়া।আইন, সাধারণ নীতিমালা এবং সংজ্ঞা প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ততা অবলম্বন করা উত্তম।গবেষণা লিখনের ত্রুটিসমূহের মধ্যে রয়েছে অপ্রাসঙ্গিক দীর্ঘসূত্রিতা এবং পুনরাবৃত্তি —অর্থাৎ: একের অধিক স্থানে তথ্যের পুনরাবৃত্তি করা— অথচ উদ্ধৃতি প্রদানই তাকে এটি থেকে বিমুখ রাখতে পারতো।চিন্তাধারার বিন্যাস ও পরস্পরের মধ্যে সংযোগের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে এবং তাঁর সিদ্ধান্তগুলো যেন সঠিক মুখবন্ধ বা প্রাঙ্গণের ওপর ভিত্তি করে হয় যা তিনি অর্জন করেছেন।যদি কোনো বিষয়ে গবেষকের এমন কোনো মত থাকে যা তাঁর পূর্বসূরি বরেণ্য আলেমদের মতের পরিপন্থী হয়, তবে অবশ্যই তাকে সেই সঠিক প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হবে যার ওপর ভিত্তি করে তিনি তাঁর মতটি প্রতিষ্ঠা করেছেন।গবেষকের উচিত বিরামচিহ্নসমূহ মেনে চলা; কারণ যদিও এগুলো আধুনিক যুগের উদ্ভাবন...
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الحاضر، وينسب ابتكارها إلى أحمد زكي باشا شيخ العروبة، فإنها تلقي ظلالًا من الوضوح على ما يكتب، وتعين على الفهم، وتزيل كثيرا من الالتباس والوهم.ونشير إليها هنا بإيجاز تتميما للفائدة:. - النقطة، تكتب في نهاية فقرة اكتمل بها معنى.: - النقطتان المتعامدتان، توضع بعد القول، ونحوه.، - الفاصلة، توضع بين المفردات، والجمل المتعاطفة.؛ - الفاصلة المنقوطة توضع حيث يكون ما بعدها علة لما قبلها.- - - الشرطتان بينهما فراغ، توضع بينهما الجمل المعترضة." " - علامات التنصيص، توضع بينها ما نقل عن الغير، وكذا الأحاديث النبوية.() - القوسان، يوضع بينهما العنوان، أو ما نقل من كتاب الله تعالى.؟ - علامة الاستفهام، توضع حيث يكون الاستفهام بأي أداة من أدواته.! - علامة التعجب، توضع بعد كلام يترتب عليه ما يدعو للدهشة والعجب.ويمكن تكرارها إذا رأى الباحث أن الموقف يثير قدرًا كبيرًا من العجب.وإذا بدا للباحث أن يترجم للأعلام فليفعل ذلك بإيجاز، وليقصر ذلك على غير المشهورين.وتوثيق النقول قضية هامة يتوقف عليها صلاح البحث وقيمته.فالآيات القرآنية يذكر في الهامش رقم السورة والآية.والأحاديث النبوية لا بد من تخريجها.والشعر ينسب لقائله إن عرف له قائل، وأقوى توثيق للشعر أن يذكر موضعه من ديوان الشاعر، أو في المجموعات الشعرية القديمة مثل المفضليات، والأصمعيات، ومختارات ابن الشجري، والحماسة لأبي تمام، والحماسة للبحتري.
বর্তমান [যুগের], এবং এর উদ্ভাবন শাইখুল আরুবাহ আহমদ জাকি পাশার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়; কেননা এটি যা লেখা হয় তার উপর স্পষ্টতার আভা ফেলে, বুঝতে সাহায্য করে এবং অনেক অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তি দূর করে।আমরা ফায়দা পূর্ণ করার লক্ষ্যে এখানে সংক্ষেপে সেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করছি:. - দাঁড়ি (ফুলস্টপ), এমন অনুচ্ছেদের শেষে লেখা হয় যার দ্বারা একটি অর্থ পূর্ণ হয়েছে।: - কোলন, কোনো কথা বা অনুরূপ কিছুর পর বসানো হয়।, - কমা, শব্দাবলি এবং পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বাক্যগুলোর মাঝে বসানো হয়।; - সেমিকোলন, সেখানে বসানো হয় যেখানে পরবর্তী অংশ পূর্ববর্তী অংশের কারণ হয়ে থাকে।- - - মাঝখানে শূন্যস্থানসহ দুটি ড্যাশ, এ দুটির মাঝে প্রাসঙ্গিক অতিরিক্ত বাক্য বসানো হয়।" " - উদ্ধৃতি চিহ্ন, অন্যের থেকে যা উদ্ধৃত করা হয়েছে তা এর মাঝে রাখা হয়, অনুরূপভাবে হাদিসে নববিও।() - বন্ধনী, এর মাঝে শিরোনাম অথবা মহান আল্লাহর কিতাব থেকে যা উদ্ধৃত করা হয়েছে তা রাখা হয়।? - প্রশ্নবোধক চিহ্ন, সেখানে বসানো হয় যেখানে প্রশ্নবোধক কোনো অব্যয় বা উপাদানের মাধ্যমে প্রশ্ন করা হয়।! - বিস্ময়সূচক চিহ্ন, এমন কথার পর বসানো হয় যার ফলে বিস্ময় ও আশ্চর্যের উদ্রেক ঘটে।এবং গবেষক যদি মনে করেন যে বিষয়টি বড় ধরণের বিস্ময় সৃষ্টি করছে, তবে তিনি এটি একাধিকবার ব্যবহার করতে পারেন।আর গবেষকের কাছে যদি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনী প্রদান করা সমীচীন মনে হয়, তবে তিনি যেন তা সংক্ষেপে করেন এবং তা যেন কেবল স্বল্প পরিচিত ব্যক্তিদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখেন।আর উদ্ধৃতিসমূহের তথ্যসূত্র প্রদান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যার ওপর গবেষণার বিশুদ্ধতা ও মান নির্ভর করে।সুতরাং কুরআনের আয়াতসমূহের ক্ষেত্রে পাদটীকায় সূরার নম্বর ও আয়াতের নম্বর উল্লেখ করতে হবে।আর হাদিসে নববিসমূহের অবশ্যই তাখরিজ (উৎস নির্ণয়) করতে হবে।আর কবিতা তার কবির দিকে সম্বন্ধ করতে হবে যদি তার কবি জানা থাকে। কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী তথ্যসূত্র হলো কবির দিওয়ান (কাব্যগ্রন্থ) থেকে তার স্থান উল্লেখ করা, অথবা প্রাচীন কাব্য সংকলনসমূহ থেকে, যেমন: আল-মুফাদ্দালিয়্যাত, আল-আসমাঈয়্যাত, মুখতারাত ইবনে আশ-শাজারি, আবু তাম্মামের আল-হামাসাহ এবং আল-বুহতুরির আল-হামাসাহ।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وإن لم يتيسر هذا فيذكر مكانه في أي كتاب من كتب التراث المعتد بها.وفي نسبة أقوال العلماء، أقوى توثيق لها أن تذكر مكان هذا النقل في كتاب من كتب هذا العالم الذي نقلت عنه، أو من كتاب عالم آخر قريب العهد منه، أو مكان هذا الرأي في كتاب عالم يعتد به، وإن كان بعيدًا في الزمن عن صاحب هذا الرأي.ومن هنا تبدو لنا وظيفة الهوامش؛ إذ تخصص فيما يأتي:أ- توضيح كلمة أو عبارة غامضة يقتضي البحث توضيحها.ب- نسبة الشعر لقائله والترجمة له.جـ- نسبة النقول إلى مصادرها.د- الترجمة للأعلام.هـ- تخريج الأحاديث.و تخريج الآيات القرآنية.ز- الإحالة إلى موضوع سابق، أو لاحق.فإذا أكمل الباحث فصلا من فصول بحثه، راجعه مراجعة دقيقة، وقابل النقول بالبطاقات التي تحمل هذه النقول، وراجع الهوامش وأرقامها، كما يراجع المعلومات التي يكتبها عن كل مصدر.ثم ينتقل إلى الفصل الذي يليه، وهكذا حتى يفرغ من البحث.وهنا ملاحظة هامة إذا تصرف الباحث أي تصرف في النص المنقول لا بد أن يشير إلى أن ذلك "بتصرف" بعد ذكر بيانات المرجع المعروفة. وترتيب الفقرات بدءًا وختامًا، يدل على فهم الباحث لبحثه، ودرايته بما يكتب.الفهارس:تعد الفهارس من لوازم البحث الحديث؛ ذلك لأنها تؤدي مهمة جليلة القدر
যদি এটি সহজসাধ্য না হয়, তবে নির্ভরযোগ্য ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থসমূহের (তুরাস) মধ্য থেকে যে কোনো একটি গ্রন্থে এর অবস্থান উল্লেখ করতে হবে।আলেমদের বক্তব্য উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণীকরণ হলো—যে আলেম থেকে উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে তাঁর কোনো কিতাবে সেই উদ্ধৃতির স্থানটি উল্লেখ করা, অথবা তাঁর সমসাময়িক অন্য কোনো আলেমের কিতাব থেকে তা উল্লেখ করা, অথবা এমন কোনো নির্ভরযোগ্য আলেমের কিতাবে উক্ত মতামতের অবস্থান উল্লেখ করা, যদিও তিনি উক্ত মতের প্রবক্তা থেকে সময়ের ব্যবধানে দূরে হন।এখান থেকেই আমাদের কাছে পাদটীকা বা টীকাভাষ্যের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়; কারণ তা নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর জন্য নির্ধারিত:ক- অস্পষ্ট কোনো শব্দ বা বাক্যাংশ স্পষ্ট করা, যা গবেষণার প্রয়োজনে ব্যাখ্যা করা জরুরি।খ- কবিতাকে তার রচয়িতার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা এবং তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা।গ- উদ্ধৃতিগুলোকে তাদের মূল উৎসের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা।ঘ- প্রখ্যাত ব্যক্তিবর্গের (আ'লাম) জীবনী প্রদান করা।ঙ- হাদিসসমূহের তাখরিজ (উৎস ও মান নির্ণয়) করা।চ- কুরআনের আয়াতসমূহের তাখরিজ (সুরা ও আয়াত নম্বর উল্লেখ) করা।ছ- পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কোনো বিষয়ের প্রতি নির্দেশ করা।গবেষক যখন তাঁর গবেষণার কোনো একটি অধ্যায় সম্পন্ন করবেন, তখন তিনি তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং উদ্ধৃতিগুলোকে সেই তথ্য কার্ডের সাথে মিলিয়ে দেখবেন যাতে এই উদ্ধৃতিগুলো সংরক্ষিত আছে। সেই সাথে তিনি পাদটীকা ও সেগুলোর নম্বরসমূহ যাচাই করবেন এবং প্রতিটি উৎস সম্পর্কে তিনি যে তথ্য লিখেছেন তাও পর্যালোচনা করবেন।এরপর তিনি পরবর্তী অধ্যায়ে অগ্রসর হবেন, এবং এভাবেই পুরো গবেষণা সম্পন্ন করবেন।এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য হলো, গবেষক যদি উদ্ধৃত পাঠ্যে কোনো ধরনের পরিবর্তন বা পরিমার্জন করেন, তবে পরিচিত তথ্যসূত্র উল্লেখ করার পর অবশ্যই নির্দেশ করতে হবে যে এটি "পরিমার্জিত" (বিতাছাররুফ)। অনুচ্ছেদসমূহের শুরু এবং শেষের বিন্যাস গবেষকের নিজস্ব গবেষণা সম্পর্কে বোধগম্যতা এবং তিনি যা লিখছেন সে বিষয়ে তাঁর দক্ষতার পরিচয় দেয়।নির্ঘণ্ট বা সূচিপত্র:আধুনিক গবেষণার অপরিহার্য অনুষঙ্গ হিসেবে নির্ঘণ্টসমূহ বিবেচিত হয়; কারণ তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব পালন করে।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
على طريق البحث العلمي وبناء المعارف الإنسانية؛ إذ إنها توفر للباحثين الذين يستعينون بعمل غيرهم للوصول إلى عمل أكبر، أو إضافة لبنة إلى اللبنات التي أرساها سابقون، توفر عليهم وقتًا كبيرًا وجهدًا أكبر، وتيسر لطالب العلم في كل زمان ما يحتاج إليه من بحث غيره بحهد يسير ووقت وجيز.والأعلام الكبار في تاريخ أمتنا عرفوا الفهرسة إلى حد ما، ووقفوا بها عند حدود الموضوعات والمباحث التي يعالجها الكتاب.وفي العصر الحديث سار علماء أوروبا والمستشرقون منهم شوطًا بعيد المدى في مجال فهرسة البحوث؛ تيسيرًا للعلم على طلابه، فتعددت الفهارس التي صنعوها.وكانت هذه بلا ريب واحدة من حسناتهم القليلة.والفهرسة بهذا المعنى لم تعد مجرد شكل يجمل استيفاؤه، ولكني أقول: إن الإخلال بها، أو عدم استيفائها يحط من قدر العمل وإن كان عظيمًا.ولقد لاحظنا في الآونة الأخيرة أن بعض الباحثين -وحسنًا فعلوا- يقومون بعمل فهارس لكتب التراث الكبيرة، وموسوعاته التي لم تتح الفرصة لطبعها طباعة حديثة لتتفتح مغاليقها أمام الباحث، ويستطيع أن يستخرج الدرر من كنوزها التي حال بينه وبينها عدم الفهرسة.وقد تنوعت مجالات الفهرسة إمعانًا في خدمة طالب العلم، فأصبحت تشمل ما يأتي:أ- فهرس الموضوعات:وهو يقدم تفصيلًا للموضوعات التي تناولها البحث خلال الفصول والأبواب.ب- فهرس المصادر والمراجع:إما مرتبا ترتيبًا هجائيًّا حسب المؤلفين، كما هو متبع عند علماء أوروبا وأمريكا.أو مرتبا ترتيبًا هجائيًّا حسب عنوان الكتاب على أن يبدأ على كل حال بالقرآن الكريم أصدق المراجع بلا مدافع.
বৈজ্ঞানিক গবেষণার পথে এবং মানবিক জ্ঞান গঠনের ক্ষেত্রে; কারণ এটি সেইসব গবেষকদের জন্য—যারা কোনো বড় কাজে পৌঁছাতে বা পূর্বসূরিদের স্থাপন করা ইটের উপর আরও একটি নতুন ভিত্তি যোগ করতে অন্যের কাজের সহায়তা নেন—প্রচুর সময় এবং আরও বেশি শ্রম সাশ্রয় করে। এটি সব সময়ের ইলম অন্বেষণকারীর জন্য সামান্য পরিশ্রমে এবং অল্প সময়ে অন্যের গবেষণা থেকে তার প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো লাভ করা সহজ করে দেয়।আমাদের উম্মাহর ইতিহাসের মহান ব্যক্তিত্বগণ সূচিপত্র বা নির্ঘণ্ট সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত অবগত ছিলেন এবং তাঁরা বইয়ের আলোচিত বিষয় ও আলোচনার গণ্ডিতেই একে সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন।আধুনিক যুগে ইউরোপীয় পণ্ডিতগণ এবং তাদের মধ্যকার প্রাচ্যবিদগণ গবেষণার সূচিপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী পথ পাড়ি দিয়েছেন; যা জ্ঞান অন্বেষণকারীদের জন্য বিদ্যা অর্জনকে সহজতর করে তুলেছে। ফলে তাদের তৈরি করা সূচিপত্রগুলোর ধরণ ও সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।নিঃসন্দেহে এটি ছিল তাদের সামান্য কিছু ভালো কাজের মধ্যে একটি।এই অর্থে সূচিপত্র বা নির্ঘণ্ট এখন কেবল এমন কোনো বাহ্যিক রূপ নয় যা পরিপূর্ণ করাটা কেবল সৌন্দর্যবর্ধক মাত্র, বরং আমি বলব: এতে ত্রুটি করা বা এটি যথাযথভাবে সম্পন্ন না করা কোনো কর্মের মানকে ক্ষুণ্ণ করে, যদিও তা কোনো মহান কাজ হয়ে থাকে।সাম্প্রতিক সময়ে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, কিছু গবেষক—এবং তারা অত্যন্ত ভালো কাজ করেছেন—ঐতিহ্যের (তুরাস) বিশাল গ্রন্থরাজি এবং বিশ্বকোষগুলোর সূচিপত্র তৈরির কাজ করছেন, যেগুলো আধুনিক পদ্ধতিতে মুদ্রণের সুযোগ না পাওয়ার কারণে গবেষকদের সামনে তার বদ্ধ দুয়ারগুলো উন্মুক্ত হচ্ছিল না। এর ফলে এখন গবেষকগণ সেইসব জ্ঞানভাণ্ডার থেকে মূল্যবান মুক্তা আহরণ করতে সক্ষম হবেন, যার মাঝে সূচিপত্রের অভাব অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।জ্ঞান অন্বেষণকারীর সেবাকে আরও গভীর ও সূক্ষ্ম করতে সূচিপত্রের ক্ষেত্রগুলো বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠেছে, যা বর্তমানে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে:ক- বিষয়ভিত্তিক সূচিপত্র:এটি বিভিন্ন অধ্যায় ও অনুচ্ছেদে গবেষণার অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর একটি বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করে।খ- উৎস ও তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট:এটি হয় লেখকদের নামানুসারে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো হয়, যেমনটি ইউরোপ ও আমেরিকার পণ্ডিতদের নিকট অনুসৃত পদ্ধতি।অথবা বইয়ের শিরোনাম অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো হয়, তবে শর্ত হলো সর্বাবস্থায় তা পবিত্র কুরআন মাজীদ দিয়ে শুরু হতে হবে, যা কোনো প্রকার বিতর্ক ছাড়াই সর্বাপেক্ষা সত্য তথ্যসূত্র।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
جـ- فهرس الشواهد القرآنية.د- فهرس الأحاديث النبوية.هـ- فهرس الشعر.و فهرس الأعلام.ز- فهرس الأماكن والقبائل.ويمكن للباحث حسب طبيعة بحثه أن يزيد فهارس أخرى، أو يختصر من الفهارس المذكورة.مقدمة البحث:قد يتبادر إلى ذهن الباحث أن المقدمة أول ما يكتب في البحث.وفي الحقيقة أن الأولى والأقرب للمنهج الصحيح في البحث أن تكتب بعد الفراغ منه.وذلك لأن المقدمة يتوفر فيها الباحث على الإشارة لاستعداده العلمي، ودراساته التي تؤهله لبحث الموضوع، ثم اختيار الموضوع، وأسباب الاختيار، والعقبات التي اعترضت الباحث، وكيف ذللها؟والحديث عن هذا كله لا تتضح أبعاده إلا بعد الفراغ من البحث.الفرق بين المقدمة والتمهيد:أما التمهيد: فيتناول فيه الباحث أمورا لها صلة ما ببحثه وإن لم تكن من صلبه، أو ذات علاقة جوهرية به.والمقدمة: حديث عن البحث، والباحث بعيد الصلة عن الناحية العلمية الموضوعية للبحث.
গ- কুরআনি দলিলের নির্ঘণ্ট।ঘ- হাদিসে নববীর নির্ঘণ্ট।ঙ- কবিতার নির্ঘণ্ট।চ- ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট।ছ- স্থান ও গোত্রের নির্ঘণ্ট।গবেষক তার গবেষণার প্রকৃতি অনুযায়ী অন্যান্য নির্ঘণ্ট যুক্ত করতে পারেন অথবা উল্লিখিত নির্ঘণ্টসমূহ থেকে সংক্ষিপ্ত করতে পারেন।গবেষণার ভূমিকা:গবেষকের মনে হতে পারে যে, গবেষণার ক্ষেত্রে ভূমিকাই সর্বপ্রথম লিখতে হয়।প্রকৃতপক্ষে গবেষণার সঠিক পদ্ধতির অধিকতর নিকটবর্তী ও উত্তম পন্থা হলো এটি সম্পন্ন করার পর লেখা।কারণ ভূমিকায় গবেষক তার জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রস্তুতি, বিষয়টির ওপর গবেষণার যোগ্যতাসূচক অধ্যয়ন, অতঃপর বিষয়টি নির্বাচন, নির্বাচনের কারণসমূহ এবং গবেষক যেসব বাধার সম্মুখীন হয়েছেন ও কীভাবে সেগুলো কাটিয়ে উঠেছেন—এসবের প্রতি ইঙ্গিত করার সুযোগ পান।আর এই সমস্ত আলোচনার দিক ও পরিধি গবেষণা শেষ করার আগে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে না।ভূমিকা ও প্রারম্ভিকার মধ্যে পার্থক্য:প্রারম্ভিকা: এতে গবেষক এমন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন যেগুলোর সাথে গবেষণার কোনো না কোনো যোগসূত্র রয়েছে, যদিও তা মূল গবেষণার অংশ কিংবা এর সাথে কোনো মৌলিক সম্পর্কযুক্ত নয়।ভূমিকা: এটি মূলত গবেষণা ও গবেষক সম্পর্কে আলোচনা, যা গবেষণার বৈজ্ঞানিক ও বিষয়বস্তুগত দিকের সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়।
(খণ্ড: ১)
মুকাদ্দিমাতুন ফি উসুলিল বাহছিল ইলমি ওয়া তাহকিকিত তুরাছ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
خاتمة البحث:أما خاتمة البحث: فهي مخصصة لذكر النتائج التي انتهى إليها الباحث من بحثه، فهي خلاصة عمله وما انتهت إليه تجربته.والبحث العلمي بمثابة عدة مقدمات متماسكة تنتهي بنتيجة هي: الخاتمة، فيبدأ الباحث التالي من حيث انتهى الباحث الأول.وعلى هذا النحو يكتمل بناء المعارف الإنسانية، ونراها ثرية غنية، توفي ما تحتاج إليه حياة البشر على الأرض.وهنا نخلص إلى المرحلة الأخيرة:الطباعة والتجليد:وعلى الباحث أن يتابع بحثه في طباعته بالمراجعة الدقيقة، وأن يضع في اعتباره أن الطابع ينقل ما أمامه كما يصوره ذهنه وفكره، فهو يتصرف بطريقة آلية تمامًا، ولا ينبغي أن تعتمد على فطنته في استدراك سهو وقعت فيه.والخط الواضح يوفر على الباحث كثيرًا من الجهد والمعاناة.وتجليد الرسالة أو البحث أمر ضروري للحفاظ عليها، وإظهارها بالمظهر اللائق بها، والذي يساير الجهد المبذول في إخراجها.وأحيانًا يضر المظهر الرديء بالواقع الجيد.فماذا على الباحث إذا حرص على سلامة الشكل حرصه على سلامة المضمون؟!ملحظ آخر:أشاهد كثيرًا من الطلاب الذين كلفنا بالحكم على رسائلهم بأن يكتبوا صفحة للإهداء للوالدين أو لأحدهما، أو لزوجه، أو لآخرين. وهذا لا صلة له بأساسيات الإخراج بحال من الأحوال، وهو مجرد نزعة عاطفية للباحث، إن ذكرها بطريقة متزنة قبلت، وإن بالغ نوقش في ذلك، وإن تركها فقد أراح واستراح.
গবেষণার উপসংহার:গবেষণার উপসংহারের ক্ষেত্রে বলা যায় যে, এটি গবেষক তার গবেষণার মাধ্যমে যেসব ফলাফলে উপনীত হয়েছেন তা উল্লেখ করার জন্য নির্ধারিত; এটি মূলত তার কাজের নির্যাস এবং তার অভিজ্ঞতার সমাপনী রূপ।বৈজ্ঞানিক গবেষণা হলো কতগুলো সুসংগত ভূমিকার ন্যায় যা একটি ফলাফলের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, আর তা হলো: উপসংহার। ফলে পরবর্তী গবেষক সেখান থেকেই শুরু করেন যেখান থেকে প্রথম গবেষক শেষ করেছিলেন।এভাবেই মানবজ্ঞানের অট্টালিকা পূর্ণতা পায় এবং আমরা তাকে সমৃদ্ধ ও প্রাচুর্যময় দেখি, যা পৃথিবীতে মানুষের জীবনের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।এখানে আমরা সর্বশেষ পর্যায়ে উপনীত হয়েছি:মুদ্রণ ও বাঁধাই:গবেষকের উচিত হবে মুদ্রণের সময় সূক্ষ্ম পর্যালোচনার মাধ্যমে তার গবেষণাকর্মটি পর্যবেক্ষণ করা। তাকে এটি মাথায় রাখতে হবে যে, মুদ্রক তার সামনে যা থাকে তা তার নিজের চিন্তা ও ধারণা অনুযায়ী সে চিত্রায়িত করে; সে মূলত সম্পূর্ণ যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাজ করে। সুতরাং গবেষকের অসাবধানতাবশত ঘটে যাওয়া কোনো ভুল সংশোধনের ক্ষেত্রে মুদ্রকের বিচক্ষণতার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।স্পষ্ট লিপি গবেষককে অনেক পরিশ্রম ও কষ্ট থেকে রক্ষা করে।থিসিস বা গবেষণাপত্রটি সংরক্ষণের জন্য এবং সেটিকে একটি উপযুক্ত অবয়বে উপস্থাপনের জন্য বাঁধাই করা অপরিহার্য, যা সেটির উপস্থাপনায় ব্যয়িত পরিশ্রমের সাথে মানানসই হয়।অনেক সময় নিম্নমানের বাহ্যিক রূপ মানসম্মত বিষয়বস্তুর ক্ষতি করে।গবেষক যদি বিষয়বস্তুর বিশুদ্ধতার পাশাপাশি বাহ্যিক রূপের বিশুদ্ধতার ব্যাপারেও যত্নবান হন, তবে তাতে ক্ষতি কী?!অন্য একটি পর্যবেক্ষণ:আমি এমন অনেক ছাত্রকে দেখি যাদের থিসিস মূল্যায়নের দায়িত্ব আমাদের দেওয়া হয়েছে, তারা পিতামাতা বা তাদের কোনো একজন, অথবা স্ত্রী কিংবা অন্যদের জন্য একটি উৎসর্গপত্র লিখে থাকে। এটি গবেষণাপত্র উপস্থাপনের মৌলিক বিষয়ের সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়; এটি গবেষকের নিছক একটি আবেগীয় প্রবণতা। যদি এটি ভারসাম্যপূর্ণভাবে উল্লেখ করা হয় তবে তা গ্রহণযোগ্য, আর যদি অতিরঞ্জিত করা হয় তবে সে বিষয়ে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। আর যদি সে তা বর্জন করে, তবে সে নিজেও নির্ভার থাকল এবং অন্যকেও শান্তিতে রাখল।