(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: -)
السيرة النبوية من خلال أهم كتب التفسير   (عصام الحميدان)

القسم: فهارس الكتب والأدلة


الكتاب: السيرة النبوية من خلال أهم كتب التفسير

المؤلف: عصام بن عبد المحسن الحميدان

الناشر: مجمع الملك فهد لطباعة المصحف الشريف بالمدينة المنورة

عدد الصفحات: 82

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাফসীর গ্রন্থসমূহের মাধ্যমে সীরাতুন নবী   (ইসাম আল-হুমাইদান)

বিভাগ: গ্রন্থতালিকা ও নির্দেশিকা


বই: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাফসীর গ্রন্থসমূহের মাধ্যমে সীরাতুন নবী

লেখক: ইসাম বিন আব্দুল মুহসিন আল-হুমাইদান

প্রকাশক: মদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থিত পবিত্র কুরআন মুদ্রণের জন্য বাদশাহ ফাহদ কমপ্লেক্স

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮২

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২)
السيرة النبوية من خلال أهم كتب التفسير

‌‌تمهيد:

يتفق العلماء على أن أهم ما ينبغي الرجوع إليه لتفسير القرآن الكريم هو القرآن الكريم نفسه (1) ، وذلك أن القرآن الكريم يفصل ما أجمل، ويقيد ما أطلق، ويبين ما أبهم، ويؤكد الحدَث والحكم (2) .

ويتفق العلماء أيضاً على أن المرحلة الثانية للتفسير بعد النظر في القرآن نفسه، هي الرجوع إلى السنة النبوية، لأنها شارحةٌ للقرآن، وموضِّحة له، قال الإمام الشافعي رحمه الله " كل ما حكم به النبي صلى الله عليه وسلم فهو مما فهمه من القرآن".

وقال ابن برَّجان (3) في " الإرشاد في تفسير القرآن ": "ما قال النبي صلى الله عليه وسلم من شيء فهو في القرآن، وفيه أصله، قرب أو بعد، فهمه من فهمه، وعمه عنه من عمه، قال الله تعالى: {مَا فَرَّطْنَا فِي الْكِتَابِ مِنْ شَيْءٍ} [الأنعام: 38] .

.... وهكذا حكم جميع قضائه، وحكمه على طرقه التي أتت عليه، وإنما يدرك الطالب من ذلك بقدر اجتهاده وبذل وسعه، ويبلغ منه الراغب فيه

--------------------------------------------

(1) مجموع فتاوى ابن تيمية (13/363) وتفسير ابن كثير (1/3) والبرهان للزركشي (2/175) والإتقان للسيوطي (2/1197) ونقل الإجماع على ذلك د. علي العبيد في " تفسير القرآن الكريم: أصوله وضوابطه " (38) .

(2) انظر أنواع تفسير القرآن للقرآن في: التفسير والمفسرون للدكتور الذهبي (1/38 – 40) وتفسير القرآن الكريم: أصوله وضوابطه للدكتور علي العبيد (39 – 44) .

(3) عبد السلام بن عبد الرحمن بن أبي الرجال اللخمي الأفريقي ثم الإشبيلي. روى عن ابن منظور، وروى عنه عبد الحق الإشبيلي. من علماء القراءات والحديث والتصوّف. له " شرح الأسماء الحسنى ". توفي سنة 536هـ. (طبقات المفسرين للداودي: 1/306) .
প্রধান তাফসীর গ্রন্থসমূহের আলোকে সীরাতুন নবী

‌‌ভূমিকা:

আলেমগণ এ বিষয়ে একমত যে, কুরআনুল কারীমের তাফসীরের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে উৎসের দিকে প্রত্যাবর্তন করা উচিত তা হলো খোদ কুরআনুল কারীম (১)। আর তা এজন্য যে, কুরআনুল কারীম যা সংক্ষেপে বর্ণনা করেছে তা অন্য জায়গায় বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে, যা নিঃশর্তভাবে বলেছে তাকে শর্তযুক্ত করে, যা অস্পষ্ট রেখেছে তাকে স্পষ্ট করে এবং কোনো ঘটনা ও বিধানকে সুদৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করে (২)।

আলেমগণ এ বিষয়েও একমত যে, কুরআনের মাধ্যমে কুরআনের তাফসীর করার পর দ্বিতীয় স্তর হলো সুন্নাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করা। কারণ সুন্নাহ হলো কুরআনের ব্যাখ্যাকারী ও বিশদ বর্ণনাকারী। ইমাম শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা কিছু বিধান দিয়েছেন, তা তিনি কুরআন থেকেই উপলব্ধি করেছেন।"

ইবনে বাররাজান (৩) তাঁর 'আল-ইরশাদ ফি তাফসীরিল কুরআন' গ্রন্থে বলেছেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা কিছু বলেছেন তা কুরআনেই বিদ্যমান এবং কুরআনেই তার মূল নিহিত আছে, তা নিকটবর্তী হোক বা দূরবর্তী। যারা এটি বোঝার তারা বুঝেছেন, আর যারা এর থেকে অন্ধ বা বুঝতে অক্ষম তারা অক্ষমই রয়ে গেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: {আমি এই কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দেইনি} [আল-আনআম: ৩৮]।"

.... এভাবে তাঁর সকল ফয়সালা এবং তাঁর বিচারকার্য সেই তরীকা বা পদ্ধতির ওপর বিন্যস্ত হয়েছে যেভাবে তা তাঁর কাছে এসেছে। একজন জ্ঞানান্বেষী তার প্রচেষ্টা ও শ্রমের মাত্রা অনুযায়ী এ থেকে জ্ঞান লাভ করতে পারে এবং আগ্রহী ব্যক্তি এর মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত স্তরে পৌঁছাতে পারে।

--------------------------------------------

(১) মাজমুউ ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ (১৩/৩৬৩), তাফসীরে ইবনে কাসীর (১/৩), আল-বুরহান লিয-যারকাশী (২/১৭৫), আল-ইতকান লিস-সুয়ূতী (২/১১৯৭)। ড. আলী আল-উবাইদ তাঁর 'তাফসীরুল কুরআনিল কারীম: উসুলুহু ওয়া সাওয়াবিতুহু' (৩৮) গ্রন্থে এ বিষয়ে ইজমা (ঐকমত্য) বর্ণনা করেছেন।

(২) কুরআনের মাধ্যমে কুরআনের তাফসীরের প্রকারভেদ দেখুন: ড. যাহাবীর 'আত-তাফসীর ওয়াল মুফাসসিরুন' (১/৩৮-৪০) এবং ড. আলী আল-উবাইদের 'তাফসীরুল কুরআনিল কারীম: উসুলুহু ওয়া সাওয়াবিতুহু' (৩৯-৪৪)।

(৩) আবদুস সালাম ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি আল-রিজাল আল-লাখমী আল-আফ্রিকী, অতঃপর আল-ইশবিলী। তিনি ইবনে মানযুর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে আবদুল হক আল-ইশবিলী বর্ণনা করেছেন। তিনি কিরাআত, হাদীস ও তাসাউফ শাস্ত্রের অন্যতম আলেম ছিলেন। তাঁর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ হলো 'শারহুল আসমাউল হুসনা'। তিনি ৫৩৬ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। (দাউদীর তাবাকাতুল মুফাসসিরীন: ১/৩০৬)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৩)
حيث بلَّغه ربه تبارك وتعالى؛ لأنه واهب النعم، ومقدِّر القسم " (1) .

وقال الشاطبي " السنة راجعة في معناها إلى الكتاب، فهي تفصيل مجمله، وبيان مشكله، وبسط مختصره، وذلك لأنها بيان له، فلا تجد في السنة أمراً إلا والقرآن قد دلّ على معناه دلالة إجمالية أو تفصيلية " (2) .

وقال الزركشي " لطالب التفسير مآخذ كثيرة، أمهاتها أربعة: الأول: النقل عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، وهذا هو الطراز الأول، لكن يجب الحذر من الضعيف فيه والموضوع، فإنه كثير..

قال الميموني: سمعت أحمد بن حنبل يقول: ثلاث كتب ليس لها أصول: المغازي والملاحم والتفسير (3) قال المحققون من أصحابه: ومراده أن الغالب أنها ليس لها أسانيد صحاح متصلة (4) ، وإلا فقد صحّ من ذلك كثير.

--------------------------------------------

(1) البرهان للزركشي (1/129، 130) والبحر المحيط في أصول الفقه له أيضاً (4/166) .

(2) الموافقات (4/12) ثم قيَّد ذلك بالسنن التكليفية والتفسيرية للقرآن، دون الأخبار الخارجة عن ذلك؛ لأنه أمر زائد على مواقع التكليف، وإنما أنزل القرآن للتكليف، ومثَّل له بحديث الأقرع والأعمى والأبرص، وحديث جريج، ونحو ذلك من القصص النبوية (4/55) .

(3) رواه الخطيب في " الجامع لأخلاق الراوي وآداب السامع " (2/224) وعقَّب عليه بقوله: وهذا الكلام محمول على وجه، وهو أن المراد به كتب مخصوصة في هذه المعاني الثلاثة غير معتمد عليها، ولا موثوق بصحتها لسوء أحوال مصنفيها، وعدم عدالة ناقليها، وزيادات القصَّاص فيها. ونقله عنه السخاوي في خاتمة " المقاصد الحسنة " (481) والسيوطي في خاتمة " الدرر المنتثرة في الأحاديث المشتهرة " (455) .

(4) هذا قول شيخ الإسلام ابن تيمية في " مقدمة التفسير " (مجموع الفتاوى: 13/346) وتفسيره أولى من تفسير الخطيب المتقدم؛ لأن الإمام نسب الضعف إلى نوع الفنّ، لا إلى كتاب معيَّن، فقال: المغازي، والتفسير، والملاحم. ولو أراد كتباً معينة لسمَّاها. وثانياً: أن مقولة الإمام أحمد تنطبق على عامة كتب المغازي والتفسير، ولا تخصّ كتباً معينة. وثالثاً: أن مراد الإمام أحمد – والله أعلم – أن الغالب على هذه الفنون المراسيل، كما روي عنه: ليس لها إسناد. ولم يرِد أن هذه الأنواع من الكتب ضعيفة، بل أراد إثبات أن غالب رواياتها مرسلة، والمرسل إذا تعضَّد بغيره لم يبقَ ضعيفاً.
যেখানে তাঁর রব তাবারাকা ওয়া তাআলা তাঁকে পৌঁছে দিয়েছেন; কারণ তিনিই নেয়ামত দানকারী এবং ভাগ্য বণ্টনকারী (১)।

ইমাম শাতবি (রহ.) বলেন, "সুন্নাহর অর্থ মূলত কিতাব (কুরআন)-এর দিকেই ফিরে যায়; সুতরাং তা কুরআনের অস্পষ্ট বিষয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যা, কঠিন বিষয়ের বর্ণনা এবং সংক্ষিপ্ত বিষয়ের প্রসার। আর এটি এ কারণেই যে, সুন্নাহ হলো কুরআনেরই ব্যাখ্যা। তাই আপনি সুন্নাহতে এমন কোনো বিষয় পাবেন না যার অর্থের ওপর কুরআন সংক্ষেপে বা বিস্তারিতভাবে দলিল প্রদান করেনি" (২)।

ইমাম যারকাশি (রহ.) বলেন, "তাফসির অন্বেষণকারীর জন্য বহু উৎস রয়েছে, যার মূল হলো চারটি: প্রথমত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হওয়া। এটিই হলো প্রথম স্তর, তবে এর মধ্যে দুর্বল ও জাল বর্ণনা থেকে সতর্ক থাকা আবশ্যক, কারণ তা অনেক..."

মাইমুনি বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: "তিনটি বিষয়ের (বইয়ের) কোনো ভিত্তি নেই: মাগাজি (যুদ্ধাভিযান), মালাহিম (মহাযুদ্ধের ভবিষ্যৎবাণী) এবং তাফসির" (৩)। তাঁর একদল গবেষক অনুসারী বলেছেন: তাঁর উদ্দেশ্য হলো যে, এগুলোর অধিকাংশেরই কোনো সহিহ ও অবিচ্ছিন্ন সনদ নেই (৪), অন্যথায় এর মধ্যে অনেক কিছুই সহিহ হিসেবে প্রমাণিত।

--------------------------------------------

(১) যারকাশির আল-বুরহান (১/১২৯, ১৩০) এবং উসুলে ফিকহ বিষয়ে তাঁর আল-বাহরুল মুহিত (৪/১৬৬)।

(২) আল-মুওয়াফাকাত (৪/১২), অতঃপর তিনি একে কুরআনের বিধানমূলক ও তাফসিরমূলক সুন্নাহর সাথে সীমাবদ্ধ করেছেন, এর বাইরের সংবাদগুলোর ক্ষেত্রে নয়; কারণ তা বিধানের বিষয়ের অতিরিক্ত বিষয়, আর কুরআন কেবল বিধানের জন্যই অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি এর উদাহরণ হিসেবে টাকমাথা, অন্ধ ও শ্বেতী রোগীর হাদিস এবং জুরাইজের হাদিস ও অনুরূপ নববী কিচ্ছা-কাহিনীসমূহ উল্লেখ করেছেন (৪/৫৫)।

(৩) খতিব এটি 'আল-জামি লি আখলাকির রাওয়ি ওয়া আদাবিস সামি' গ্রন্থে (২/২২৪) বর্ণনা করেছেন এবং এর ওপর মন্তব্য করে বলেছেন: এই কথাটি একটি বিশেষ অর্থের ওপর নির্ভরশীল, আর তা হলো এর দ্বারা এই তিনটি বিষয়ে এমন কিছু বিশেষ কিতাব উদ্দেশ্য যার ওপর নির্ভর করা যায় না এবং এর সংকলকদের শোচনীয় অবস্থা, বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতার অভাব এবং কিচ্ছা-কাহিনী বর্ণনাকারীদের অতিরিক্ত সংযোজনের কারণে এগুলোর বিশুদ্ধতার ওপর আস্থা রাখা যায় না। সাখাভি তাঁর 'আল-মাকাসিদুল হাসানা'র (৪৮১) শেষে এবং সুয়ূতি তাঁর 'আদ-দুরারুল মুন্তাসিরা ফিল আহাদিসিল মুশতাহিরা'র (৪৫৫) শেষে তাঁর থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।

(৪) এটি শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়ার উক্তি, যা 'মুকাদ্দিমাতুত তাফসির' (মাজমুউল ফাতাওয়া: ১৩/৩৪৬)-এ রয়েছে। তাঁর ব্যাখ্যাটি পূর্বে বর্ণিত খতিবের ব্যাখ্যার চেয়ে অধিকতর উত্তম; কারণ ইমাম দুর্বলতাকে শাস্ত্রের প্রকারের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন, কোনো নির্দিষ্ট কিতাবের দিকে নয়। তিনি বলেছেন: মাগাজি, তাফসির এবং মালাহিম। তিনি যদি নির্দিষ্ট কোনো কিতাব বুঝাতেন তবে সেগুলোর নাম নিতেন। দ্বিতীয়ত: ইমাম আহমাদের এই উক্তিটি মাগাজি ও তাফসিরের সাধারণ কিতাবগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নির্দিষ্ট কোনো কিতাবের জন্য নয়। তৃতীয়ত: ইমাম আহমাদের উদ্দেশ্য হলো—আল্লাহই ভালো জানেন—এই শাস্ত্রগুলোর অধিকাংশ বর্ণনা হলো মুরসাল (বিচ্ছিন্ন), যেমনটি তাঁর থেকে বর্ণিত হয়েছে: এগুলোর কোনো সনদ নেই। তিনি এই বুঝাতে চাননি যে এই প্রকারের কিতাবগুলো দুর্বল, বরং তিনি এটি প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে এগুলোর অধিকাংশ বর্ণনা মুরসাল। আর মুরসাল বর্ণনা যখন অন্য কোনো বর্ণনার মাধ্যমে শক্তিশালী হয়, তখন তা আর দুর্বল থাকে না।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৪)
فمن ذلك تفسير الظلم بالشرك في قوله تعالى: {الَّذِينَ آمَنُوا وَلَمْ يَلْبِسُوا إِيمَانَهُمْ بِظُلْمٍ} [الأنعام:82] ، وتفسير الحساب اليسير بالعرض، رواهما البخاري (1) .

وتفسير القوة في: {وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ} [الأنفال:60] بالرمي، رواه مسلم (2) .

وكتفسير العبادة بالدعاء في قوله: {إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي} [غافر:60] (3) " (4) .

وتعريف السنة هو: ما أثر عن النبي صلى الله عليه وسلم من قول أو فعل أو تقرير أو وصف (5) .

فالسنة تشمل: الأقوال والأفعال والسيرة والشمائل، لذا فإنك تجد روايات ذلك كله في كتب السنة المتعددة كصحيح البخاري وغيره.

--------------------------------------------

1) الأول رواه البخاري عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه (كتاب الإيمان/باب ظلم دون ظلم) ورواه مسلم في صحيحه أيضاً (كتاب الإيمان/باب صدق الإيمان وإخلاصه) ، والثاني رواه البخاري عن أم المؤمنين عائشة رضي الله عنها (كتاب العلم/باب من سمع شيئاً فلم يفهمه فراجع فيه حتى يعرفه) ، ورواه مسلم في صحيحه أيضاً عنها (كتاب الجنة وصفة نعيمها وأهلها/باب إثبات الحساب) .

(2) رواه مسلم في صحيحه عن عقبة بن عامر رضي الله عنه (كتاب الإمارة/باب فضل الرمي والحثِّ عليه) .

(3) رواه أحمد وأصحاب السنن عن النعمان بن بشير رضي الله عنهما.

(4) البرهان (1/156، 157) .

(5) السنة ومكانتها في التشريع الإسلامي/د. مصطفى السباعي (47) .
এর মধ্যে রয়েছে আল্লাহ তাআলার বাণী: {যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে জুলুমের সাথে মিশ্রিত করেনি} [আল-আনআম: ৮২]-এর মধ্যে 'জুলুম'-এর ব্যাখ্যা 'শিরক' দ্বারা করা; এবং 'সহজ হিসাব'-এর ব্যাখ্যা 'উপস্থাপনা' বা 'পেশ করা' (আরদ) দ্বারা করা। এই উভয়টি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন (১)।

এবং {তোমরা তাদের জন্য তোমাদের সাধ্যমতো শক্তি প্রস্তুত করো} [আল-আনফাল: ৬০] আয়াতে 'শক্তি'-এর ব্যাখ্যা 'তীর নিক্ষেপ' দ্বারা করা। এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন (২)।

এবং আল্লাহ তাআলার বাণী: {নিশ্চয় যারা আমার ইবাদত থেকে অহংকার করে} [গাফির: ৬০]-এর মধ্যে 'ইবাদত'-এর ব্যাখ্যা 'দুয়া' দ্বারা করা (৩) (৪)।

সুন্নাহর সংজ্ঞা হলো: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কথা, কাজ, মৌন অনুমোদন অথবা গুণাবলি হিসেবে যা বর্ণিত হয়েছে (৫)।

সুতরাং সুন্নাহ কথা, কাজ, সীরাত এবং শামায়েলকে (চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য) অন্তর্ভুক্ত করে। এজন্য আপনি সহীহ বুখারী এবং অন্যান্য সুন্নাহর নানাবিধ কিতাবে এই সবকিছুর বর্ণনা পাবেন।

--------------------------------------------

১) প্রথমটি ইমাম বুখারী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন (ঈমান অধ্যায়/এক জুলুম অন্য জুলুমের চেয়ে ছোট অনুচ্ছেদ) এবং মুসলিমও তাঁর সহীহ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন (ঈমান অধ্যায়/ঈমানের সত্যতা ও একনিষ্ঠতা অনুচ্ছেদ)। আর দ্বিতীয়টি ইমাম বুখারী উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন (ইলম অধ্যায়/যে ব্যক্তি কোনো কিছু শোনার পর না বুঝলে পুনরায় জিজ্ঞাসা করে যেন তা বুঝতে পারে অনুচ্ছেদ), এবং মুসলিমও তাঁর সহীহ গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (জান্নাত ও জান্নাতীদের নেয়ামতের বিবরণ অধ্যায়/হিসাব সাব্যস্তকরণ অনুচ্ছেদ)।

(২) ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে উকবাহ ইবনে আমির রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন (ইমারত বা নেতৃত্ব অধ্যায়/তীর নিক্ষেপের ফজিলত ও এর প্রতি উৎসাহ প্রদান অনুচ্ছেদ)।

(৩) ইমাম আহমাদ এবং সুনান গ্রন্থকারগণ নুমান ইবনে বশীর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৪) আল-বুরহান (১/১৫৬, ১৫৭)।

(৫) আস-সুন্নাহ ওয়া মাকানাতুহা ফিত তাশরীইল ইসলামী/ড. মুস্তফা আস-সিবাঈ (৪৭)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৫)
وسيرته صلى الله عليه وسلم هي مظهر هذه التطبيقات العملية، فهي جزء من السنة النبوية التي يجب الرجوع إليها في تفسير القرآن، وبذا يُفهم قول أم المؤمنين عائشة رضي الله عنها حين سئلت عن خُلق النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت "كان خُلُقُه القرآن" (1) .

فتطبيقات الرسول صلى الله عليه وسلم العملية للقرآن تفسيرٌ له، كما أن في أقواله صلى الله عليه وسلم ما هو تفسيرٌ له، قال شيخ الإسلام ابن تيمية " يجب أن يُعلم أن النبي صلى الله عليه وسلم بين لأصحابه معاني القرآن كما بين لهم ألفاظه، فقوله تعالى: {لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ} [النحل:44] يتناول هذا وهذا " (2) .

وقال ابن القيم " البيان من النبي صلى الله عليه وسلم أقسام: أحدها: بيان نفس الوحي بظهوره على لسانه بعد أن كان خفياً. الثاني: بيان معناه وتفسيره لمن احتاج إلى ذلك.. الثالث: بيانه بالفعل كما بيَّن أوقات الصلاة للسائل بفعله. الرابع: بيان ما سئل عنه من الأحكام التي ليست في القرآن، فنزل القرآن ببيانها.. إلخ " (3) .

ولتوضيح هذا أقول: إن بيانه صلى الله عليه وسلم للقرآن على وجوه (4) :

الأول: ما أوضح به معنى جملة أو مفردة من مفردات القرآن، وهذا يكون بالقول وبالفعل، فالقول: كتفسير المغضوب عليهم باليهود والضالين

--------------------------------------------

(1) رواه مسلم في صحيحه بمعناه (كتاب صلاة المسافرين وقصرها/باب جامع صلاة الليل) .

(2) مجموع الفتاوى (13/331) .

(3) إعلام الموقعين (2/295، 296) .

(4) انظر: الرسالة للإمام الشافعي (91) وأصول التفسير وقواعده لخالد العك (128) والتفسير والمفسرون للذهبي (1/55 – 57) .
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সীরাত বা জীবনী হলো এই ব্যবহারিক প্রয়োগগুলোর বহিঃপ্রকাশ। এটি সুন্নাতে নববীর একটি অংশ যা কুরআন তাফসীরের ক্ষেত্রে অনুসরণ করা আবশ্যক। এর মাধ্যমেই উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার সেই উক্তিটি বোঝা যায়, যখন তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চরিত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং তিনি বলেছিলেন, "তাঁর চরিত্র ছিল কুরআন" (১)।

সুতরাং কুরআনের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যবহারিক প্রয়োগগুলো মূলত কুরআনেরই ব্যাখ্যা। অনুরূপভাবে তাঁর বাণীর মধ্যেও কুরআনের ব্যাখ্যা রয়েছে। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেছেন, "এটি অবশ্যই জানা থাকতে হবে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের কাছে কুরআনের শব্দগুলো যেমন বর্ণনা করেছেন, তেমনি তার অর্থগুলোও বর্ণনা করে দিয়েছেন। সুতরাং মহান আল্লাহর বাণী: {যাতে আপনি মানুষের কাছে তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন যা তাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে} [আন-নাহল: ৪৪]—এই আয়াতটি শব্দ এবং অর্থ উভয়টিকেই অন্তর্ভুক্ত করে" (২)।

ইবনুল কায়্যিম বলেছেন, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রাপ্ত ব্যাখ্যা কয়েক প্রকার: প্রথমটি হলো ওহীর মূল পাঠের বর্ণনা, যা গোপন থাকার পর তাঁর জবানে প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয়টি হলো ওহীর অর্থ বর্ণনা ও তাফসীর করা যাদের তা প্রয়োজন। তৃতীয়টি হলো আমলের মাধ্যমে বর্ণনা, যেমন তিনি প্রশ্নকারীর জন্য নামাযের ওয়াক্তগুলো নিজের কাজের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। চতুর্থটি হলো এমন সব বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তা বর্ণনা করা যা কুরআনে ছিল না, অতঃপর কুরআন তা বর্ণনা করার জন্য অবতীর্ণ হয়... ইত্যাদি" (৩)।

বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য আমি বলছি: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক কুরআনের ব্যাখ্যা কয়েকভাবে হয়ে থাকে (৪):

প্রথমত: যার মাধ্যমে তিনি কুরআনের কোনো বাক্য বা শব্দের অর্থ স্পষ্ট করেছেন। এটি কথা এবং কাজ উভয় মাধ্যমেই হতে পারে। কথার মাধ্যমে ব্যাখ্যার উদাহরণ হলো: 'যাদের ওপর গজব নাযিল হয়েছে' বলতে ইয়াহুদীদের এবং 'পথভ্রষ্টদের' ব্যাখ্যা করা...

--------------------------------------------

(১) মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে এর সমার্থে বর্ণনা করেছেন (মুসাফিরদের নামায ও তা কসর করা অধ্যায়/রাতের নামাযের সামগ্রিক পরিচ্ছেদ)।

(২) মাজমুউল ফাতাওয়া (১৩/৩৩১)।

(৩) ইলামুল মুওয়াক্কিঈন (২/২৯৫, ২৯৬)।

(৪) দেখুন: ইমাম শাফেঈর আর-রিসালাহ (৯১), খালিদ আল-আক-এর উসুলুত তাফসীর ওয়া কাওয়ায়িদুহু (১২৮) এবং যাহাবীর আত-তাফসীর ওয়াল মুফাসসিরুন (১/৫৫-৫৭)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৬)
بالنصارى (1) ، وتفسير الصلاة الوسطى بالعصر (2) ، وتفسير الشاهد والمشهود بيوم الجمعة، ويوم عرفة (3) .

والفعل كصلاته صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح بعد طلوع الشمس عندما نام عنها في أحد أسفاره، وتلاوته قوله تعالى: {وَأَقِمِ الصَّلاةَ لِذِكْرِي} [طه:14] (4) ، وكما كان صلى الله عليه وسلم يصلي تطوعاً حيثما توجهت به راحلته في السفر (5) ، وهو توضيح معنى قوله سبحانه: {فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ} [البقرة:115] وأن مما يشمله النوافل ولو مع القدرة على التوجه للقبلة، وكما يقول صلى الله عليه وسلم في ركوعه وسجوده في الصلاة "سبحانك اللهم ربنا وبحمدك، اللهم اغفر لي" يتأوَّل قوله سبحانه: {فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّاباً} [النصر: 3] (6) ، وهو توضيح لوقت هذا التسبيح وصيغته.

--------------------------------------------

(1) رواه أحمد والترمذي وحسَّنه وابن حبان عن عدي بن حاتم رضي الله عنه (جامع الأصول: 2/7) .

(2) رواه البخاري ومسلم عن علي رضي الله عنه، ورواه مسلم عن ابن مسعود رضي الله عنه، وله طرق أخرى (جامع الأصول: 2/49، 50) .

(3) رواه الترمذي عن أبي هريرة رضي الله عنه بسند ضعيف، وأخرجه البيهقي عنه أيضاً بسند حسن (فضائل الأوقات للبيهقي: 349) .

(4) رواه الشيخان عن أنس رضي الله عنه (البخاري: كتاب مواقيت الصلاة/باب من نسي صلاة، ومسلم: كتاب المساجد/باب قضاء الصلاة الفائتة: جامع الأصول: 5/189) .

(5) رواه الشيخان عن ابن عمر رضي الله عنهما (البخاري: كتاب تقصير الصلاة/باب صلاة التطوع على الدابة وحيثما توجَّهت به، ومسلم: كتاب صلاة المسافرين/باب جواز صلاة النافلة على الدابة في السفر حيث توجَّهت: جامع الأصول: 5/476) .

(6) رواه الشيخان عن أم المؤمنين عائشة رضي الله عنها (البخاري: كتاب صفة الصلاة/باب التسبيح والدعاء في السجود، ومسلم: كتاب الصلاة/باب ما يقال في الركوع والسجود: جامع الأصول: 4/191) .
নাসারাদের দ্বারা (১), এবং মধ্যবর্তী সালাতের (সালাতুল উস্তা) ব্যাখ্যা আসর সালাত দ্বারা (২), এবং শাহিদ ও মাশহুদ-এর ব্যাখ্যা জুমার দিন ও আরাফার দিন দ্বারা (৩)।

এবং কর্মগত উদাহরণ—যেমন তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক সফরে ঘুমের কারণে ফজরের সালাত ছুটে যাওয়ার পর সূর্যোদয়ের পর তা আদায় করা এবং মহান আল্লাহর এই বাণী তিলাওয়াত করা: {এবং আমার স্মরণে সালাত কায়েম করো} [ত্বহা: ১৪] (৪), এবং যেমন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সফরে তাঁর সওয়ারি যেদিকেই মুখ করত সেদিকেই নফল সালাত আদায় করতেন (৫), যা মহান আল্লাহর এই বাণীর অর্থের স্পষ্টীকরণ: {সুতরাং তোমরা যেদিকেই মুখ করো না কেন, সেদিকেই আল্লাহর চেহারা বিদ্যমান} [আল-বাকারা: ১১৫] এবং এটি নফল সালাতসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে, এমনকি কিবলার দিকে মুখ করার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও। আর যেমন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাতের রুকু ও সিজদায় বলতেন "হে আল্লাহ, আমাদের রব! আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন", এর মাধ্যমে তিনি মহান আল্লাহর এই বাণীর নির্দেশ পালন করতেন: {সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করো এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো; নিশ্চয়ই তিনি পরম তওবা কবুলকারী} [আন-নাসর: ৩] (৬)। এটি এই তাসবিহের সময় এবং এর শব্দমালার একটি স্পষ্টীকরণ।

--------------------------------------------

(১) আহমাদ ও তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী এটিকে হাসান বলেছেন, আর ইবনে হিব্বান এটি আদী ইবনে হাতিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন (জামি’উল উসুল: ২/৭)।

(২) বুখারী ও মুসলিম এটি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, আর মুসলিম এটি ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এর আরও অন্যান্য সূত্র রয়েছে (জামি’উল উসুল: ২/৪৯, ৫০)।

(৩) তিরমিযী এটি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে দুর্বল সূত্রে বর্ণনা করেছেন, এবং বায়হাকীও এটি তাঁর থেকে হাসান সূত্রে বর্ণনা করেছেন (বায়হাকীর ফাযাইলুল আওকাত: ৩৪৯)।

(৪) শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারী: কিতাবুম মাওয়াকিতিস সালাত/পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি সালাত ভুলে যায়; এবং মুসলিম: কিতাবুল মাসাজিদ/পরিচ্ছেদ: ছুটে যাওয়া সালাত কাযা করা: জামি’উল উসুল: ৫/১৮৯)।

(৫) শায়খাইন ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারী: কিতাবুত তাকসিরিস সালাত/পরিচ্ছেদ: সওয়ারির উপর নফল সালাত পড়া সে যেদিকেই মুখ করুক না কেন; এবং মুসলিম: কিতাবু সালাতিল মুসাফিরিন/পরিচ্ছেদ: সফরে সওয়ারির উপর নফল সালাত জায়েজ হওয়া তা যেদিকেই মুখ করুক: জামি’উল উসুল: ৫/৪৭৬)।

(৬) শায়খাইন উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারী: কিতাবু সিফাতিস সালাত/পরিচ্ছেদ: সিজদায় তাসবিহ ও দোয়া; এবং মুসলিম: কিতাবুস সালাত/পরিচ্ছেদ: রুকু ও সিজদায় যা বলা হয়: জামি’উল উসুল: ৪/১৯১)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৭)
الثاني: ما أزال به الإشكال عن فهمٍ مغلوط للآية، كتفسيره الظلم بالشرك في قوله سبحانه: {الَّذِينَ آمَنُوا وَلَمْ يَلْبِسُوا إِيمَانَهُمْ بِظُلْمٍ} [الأنعام:82] (1) ، لئلا يفهم منها مطلق الظلم. وتفسيره الخيط الأبيض والخيط الأسود بسواد الليل وبياض النهار (2) ، لئلا يفهم منها الخيط القطني.

الثالث: ما أكّد به معنى قرآنياً، وهذا يكون بالقول وبالفعل، فالقول: كتأكيده أهمية الإيمان بالله (3) ، ووجوب الصلاة والزكاة (4) ، وفضل الذكر (5) ، وتحريم الربا (6) .

والفعل كتطبيقه العبادات والمعاملات والأخلاق القرآنية.

وبفهم هذين النوعين من التفسير: القولي والفعلي، يحلّ الإشكال الواقع

--------------------------------------------

(1) رواه الشيخان عن ابن مسعود رضي الله عنه، وقد تقدم قريباً.

(2) رواه الشيخان عن عدي بن حاتم رضي الله عنه (البخاري: كتاب الصوم/باب قول الله تعالى (وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود (، ومسلم: كتاب الصوم/باب بيان أن الدخول في الصوم يحصل بطلوع الفجر: جامع الأصول: 2/28) .

(3) كقوله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلّم في حديث جبريل " أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله.. الحديث " متفق عليه عن عمر رضي الله عنه.

(4) كقوله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلّم " خمس صلوات كتبهن الله على العباد " رواه مالك وأبو داود والنسائي عن عبادة بن الصامت رضي الله عنه (جامع الأصول: 6/44) ، وقوله " اتقوا الله، وصلوا خمسكم، وصوموا شهركم، وأدوا زكاة أموالكم " رواه الترمذي وصححه عن أبي أمامة رضي الله عنه. (جامع الأصول: 9/545) .

(5) كقوله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلّم " سبق المفرِّدون " قالوا: وما المفرِّدون يا رسول الله؟ قال " الذاكرون الله كثيراً والذاكرات " رواه مسلم عن أبي هريرة رضي الله عنه (كتاب الذِّكر والدعاء/باب الحث على ذكر الله تعالى: جامع الأصول: 4/475، 476) .

(6) كقوله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلّم " لعن الله آكل الربا وموكله وكاتبه وشاهديه " رواه الترمذي وصححه عن ابن مسعود رضي الله عنه، وأوله في صحيح مسلم (جامع الأصول: 1/542) .
দ্বিতীয়ত: যার মাধ্যমে তিনি আয়াত সম্পর্কে ভুল কোনো ধারণা থেকে অস্পষ্টতা দূর করেছেন, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুলুমের সাথে মিশিয়ে ফেলেনি} [আল-আন'আম: ৮২] (১) এর ব্যাখ্যায় যুলুমকে শিরক হিসেবে অভিহিত করা, যাতে এখান থেকে সাধারণভাবে সকল প্রকার যুলুম উদ্দেশ্য বলে মনে করা না হয়। এবং সাদা সুতা ও কালো সুতার ব্যাখ্যায় রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা প্রদান করা (২), যাতে এখান থেকে সুতি সুতা উদ্দেশ্য বলে মনে না হয়।

তৃতীয়ত: যার মাধ্যমে তিনি কুরআনি কোনো অর্থকে সুদৃঢ় করেছেন, আর এটি মৌখিক উক্তি এবং কর্ম উভয় মাধ্যমেই হয়ে থাকে। মৌখিক উক্তি হলো: যেমন আল্লাহর প্রতি ঈমানের গুরুত্ব (৩), সালাত ও যাকাতের আবশ্যকতা (৪), যিকিরের শ্রেষ্ঠত্ব (৫) এবং সুদের অবৈধতার (৬) বিষয়ে তাঁর তাকিদ।

আর কর্মের মাধ্যমে যেমন: ইবাদত, লেনদেন এবং কুরআনি আখলাকের প্রায়োগিক বাস্তবায়ন।

আর এই দুই প্রকারের তাফসীর—মৌখিক ও আমলী—বোঝার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

--------------------------------------------

(১) ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শাইখাইন এটি বর্ণনা করেছেন, যা অচিরেই পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

(২) আদী ইবনে হাতিম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শাইখাইন এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারী: রোজা অধ্যায়/মহান আল্লাহর বাণী ‘তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না সাদা সুতা কালো সুতা থেকে তোমাদের কাছে স্পষ্ট হয়’ পরিচ্ছেদ; এবং মুসলিম: রোজা অধ্যায়/ফজর উদিত হওয়ার মাধ্যমে রোজা শুরু হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ: জামেউল উসুল: ২/২৮)।

(৩) যেমন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম)-এর হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: "তুমি আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান আনবে... হাদীসটি শেষ পর্যন্ত"। উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি।

(৪) যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: "পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহ বান্দাদের ওপর ফরয করেছেন"। উবাদাহ ইবনে সামিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মালেক, আবু দাউদ ও নাসাঈ এটি বর্ণনা করেছেন (জামেউল উসুল: ৬/৪৪)। এবং তাঁর বাণী: "তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, তোমাদের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করো, তোমাদের মাসের (রমজানের) রোজা রাখো এবং তোমাদের সম্পদের যাকাত প্রদান করো"। আবু উমামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং সহীহ বলেছেন। (জামেউল উসুল: ৯/৫৪৫)।

(৫) যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: "মুফাররিদুনরা অগ্রগামী হয়ে গেছে"। তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, মুফাররিদুন কারা? তিনি বললেন: "আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও অধিক যিকিরকারী নারীগণ"। আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন (যিকির ও দোয়া অধ্যায়/আল্লাহ তাআলার যিকিরে উৎসাহিত করা পরিচ্ছেদ: জামেউল উসুল: ৪/৪৭৫, ৪৭৬)।

(৬) যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: "সুদ গ্রহণকারী, সুদ প্রদানকারী, এর লেখক এবং এর সাক্ষীদ্বয়ের ওপর আল্লাহ অভিশাপ করেছেন"। ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং সহীহ বলেছেন, আর এর প্রথমাংশ সহীহ মুসলিমে রয়েছে (জামেউল উসুল: ১/৫৪২)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৮)
بين الفريقين المختلفين في مقدار ما بيَّنه صلى الله عليه وسلم لأمته من تفسير القرآن (1) ، ويكون تفسيره صلى الله عليه وسلم بهذا الاعتبار يتناول أكثر آيات القرآن الكريم، والله أعلم.

--------------------------------------------

(1) الإتقان (2/1289) والتفسير والمفسرون للذهبي (1/49) والتفسير النبوي خصائصه ومصادره/محمد عبد الرحيم محمد (8) .
কুরআনের তাফসীরের যতটুকু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্য বর্ণনা করেছেন তার পরিমাণের ব্যাপারে মতবিরোধকারী দুই পক্ষের মধ্যে (১); এবং এই বিবেচনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তাফসীর কুরআনুল কারীমের অধিকাংশ আয়াতকে অন্তর্ভুক্ত করে। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

--------------------------------------------

(১) আল-ইতকান (২/১২৮৯), আয-যাহাবীর আত-তাফসীর ওয়াল মুফাসসিরুন (১/৪৯) এবং আত-তাফসীরুন নববী: খাসাইসুহু ওয়া মাসাদিরুহু/মুহাম্মদ আব্দুর রহীম মুহাম্মদ (৮)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৮)
السيرة النبوية من خلال أهم كتب التفسير

‌‌خطة البحث

المبحث الأول: الآيات القرآنية المتعلقة بالسيرة النبوية:

* المطلب الأول: استعراض الآيات القرآنية المتعلقة بالسيرة النبوية.

* المطلب الثاني: دراسة الآيات، وأهم ملامحها.

* المطلب الثالث: تناول كتب السيرة النبوية لهذه الآيات: وستكون الدراسة من خلال كتب السيرة التالية: مغازي الواقدي، مغازي عروة بن الزبير، سيرة ابن إسحاق.

المبحث الثاني: تناول كتب التفسير للسيرة النبوية:

* المطلب الأول: السيرة النبوية في تفسير ابن جرير الطبري.

* المطلب الثاني: السيرة النبوية في تفسير ابن أبي حاتم.

* المطلب الثالث: السيرة النبوية في تفسير ابن كثير.

المبحث الثالث: مقارنة بين كتب السيرة النبوية وكتب التفسير:

* المطلب الأول: الناحية التوثيقية.

* المطلب الثاني: الناحية الموضوعية.

* المطلب الثالث: الناحية التاريخية.

الخاتمة: الخلاصة، وأهم النتائج والتوصيات.
প্রধান তাফসির গ্রন্থসমূহের আলোকে সিরাতুন নবী (সা.)

‌‌গবেষণা পরিকল্পনা

প্রথম পরিচ্ছেদ: সিরাতুন নবী (সা.) সংশ্লিষ্ট কুরআনের আয়াতসমূহ:

* প্রথম অনুচ্ছেদ: সিরাতুন নবী (সা.) সংশ্লিষ্ট কুরআনের আয়াতসমূহের পর্যালোচনা।

* দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আয়াতসমূহের বিশ্লেষণ এবং সেগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ।

* তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সিরাত গ্রন্থসমূহে এই আয়াতসমূহের অবতারণা: গবেষণাটি নিম্নলিখিত সিরাত গ্রন্থসমূহের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে: ওয়াকিদির মাগাজি, উরওয়াহ ইবনে যুবাইরের মাগাজি এবং ইবনে ইসহাকের সিরাত।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাফসির গ্রন্থসমূহে সিরাতুন নবী (সা.)-এর উপস্থাপনা:

* প্রথম অনুচ্ছেদ: ইবনে জারীর তাবারির তাফসিরে সিরাতুন নবী (সা.)।

* দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ইবনে আবি হাতিমের তাফসিরে সিরাতুন নবী (সা.)।

* তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ইবনে কাসিরের তাফসিরে সিরাতুন নবী (সা.)।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সিরাত গ্রন্থসমূহ ও তাফসির গ্রন্থসমূহের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা:

* প্রথম অনুচ্ছেদ: প্রামাণিক দিক।

* দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বিষয়বস্তুগত দিক।

* তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ঐতিহাসিক দিক।

উপসংহার: সারসংক্ষেপ, প্রধান ফলাফল এবং সুপারিশসমূহ।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌المبحث الأول: الآيات القرآنية المتعلقة بالسيرة النبوية

‌‌مدخل:

القرآن الكريم مصدر مهمّ من مصادر السيرة النبوية، وتظهر أهميته بما يتميز به عن بقية المصادر، وهو:

1. أنه حقٌّ كله: {وَإِنَّهُ لَكِتَابٌ عَزِيزٌ لا يَأْتِيهِ الْبَاطِلُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلا مِنْ خَلْفِهِ تَنْزِيلٌ مِنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍ} [فصِّلت: 41، 42] ، فلا مجال للشكّ في معلوماته، أو احتمال المبالغة في أحداثه، وبالتالي فإن جميع المصادر الأخرى يجب أن تحكَّم على ضوئه.

2. أنه لا يخاطب جنساً معيناً، أو قبيلة أو جيلاً واحداً، بل هو للناس كافة {إِنْ هُوَ إِلَاّ ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ وَلَتَعْلَمُنَّ نَبَأَهُ بَعْدَ حِينٍ} [ص:87، 88] لذا نجده يربط سيرة رسول الله صلى الله عليه وسلم بسير الأنبياء السابقين عليهم السلام، ويوضِّح الرسالة الواحدة الخالدة المشتركة بينهم.

3. أنه لا يهتمّ بالعرض التاريخي لغرض التوثيق أو التسلية فحسب، وإنما يورد القصص لغرضين أساسيين:

الأول: تثبيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، وتسليته بما حدث لإخوانه من قبل: {وَكُلّاً نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنْبَاءِ الرُّسُلِ مَا نُثَبِّتُ بِهِ فُؤَادَكَ} [هود:120] .

الثاني: اتعاظ المؤمنين بما فيها، وأخذ العبرة منها، لتزيد ارتباطهم بالله سبحانه، وتُعدّهم للإيمان الحقّ، وتنبههم لما قد يحدث لهم بما فيه شَبَهٌ بمن قبلهم، والأيام دوَل، والتاريخ يعيد نفسه {لَقَدْ كَانَ فِي قَصَصِهِمْ عِبْرَةٌ
প্রথম পরিচ্ছেদ: সীরাতে নববী সংক্রান্ত কুরআনী আয়াতসমূহ

ভূমিকা:

পবিত্র কুরআন সীরাতে নববীর উৎসসমূহের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। অন্যান্য উৎসের তুলনায় এর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের কারণে এর গুরুত্ব ফুটে ওঠে, আর তা হলো:

১. এটি পুরোটাই সত্য: {আর নিশ্চয় এটি এক সম্মানিত কিতাব। এতে কোনো মিথ্যা আসতে পারে না—না এর সামনে থেকে, আর না এর পেছন থেকে। এটি প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিত সত্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।} [ফুসসিলাত: ৪১, ৪২]। সুতরাং এর তথ্যাবলীতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই, অথবা এর ঘটনাবলীতে অতিরঞ্জনের কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলশ্রুতিতে অন্য সকল উৎসকে এর আলোকেই বিচার করতে হবে।

২. এটি কোনো নির্দিষ্ট জাতি, গোত্র বা প্রজন্মের প্রতি সম্বোধন করে না, বরং এটি সকল মানুষের জন্য {এটি তো জগতসমূহের জন্য উপদেশবাণী ছাড়া আর কিছু নয়। আর অবশ্যই তোমরা এর সংবাদ কিছুকাল পরে জানতে পারবে।} [সোয়াদ: ৮৭, ৮৮]। এজন্য আমরা দেখতে পাই যে, এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাতকে পূর্ববর্তী নবীগণের (আলাইহিমুস সালাম) সীরাতের সাথে যুক্ত করে এবং তাঁদের মাঝে বিদ্যমান অভিন্ন ও শাশ্বত বার্তাকে স্পষ্ট করে।

৩. এটি কেবল তথ্য সংরক্ষণ বা বিনোদনের উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক বর্ণনার প্রতি গুরুত্ব দেয় না, বরং এটি মূলত দুটি প্রধান উদ্দেশ্যে কাহিনীসমূহ বর্ণনা করে:

প্রথম: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সুদৃঢ় রাখা এবং তাঁর পূর্বে তাঁর ভাইদের (নবীগণ) সাথে যা ঘটেছিল তার মাধ্যমে তাঁকে সান্ত্বনা প্রদান করা: {আর রাসূলদের সংবাদের মধ্য থেকে এমন সবকিছুই আমি আপনার কাছে বর্ণনা করছি, যার দ্বারা আমি আপনার হৃদয়কে সুদৃঢ় করি।} [হূদ: ১২০]।

দ্বিতীয়: মুমিনদের শিক্ষা গ্রহণ এবং এর মাধ্যমে নসিহত হাসিল করা, যাতে আল্লাহর সাথে তাদের সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পায়, তাদের সত্য ঈমানের জন্য প্রস্তুত করে এবং তাদের পূর্বে যা ঘটেছিল তার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কোনো পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের সতর্ক করে; আর দিনসমূহ তো আবর্তনশীল এবং ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে: {অবশ্যই তাদের কাহিনীতে শিক্ষা রয়েছে...}
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১০)
لأُولِي الْأَلْبَابِ مَا كَانَ حَدِيثاً يُفْتَرَى وَلَكِنْ تَصْدِيقَ الَّذِي بَيْنَ يَدَيْهِ وَتَفْصِيلَ كُلِّ شَيْءٍ وَهُدىً وَرَحْمَةً لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ} [يوسف:111] .
বুদ্ধিমানদের জন্য; এটি কোনো উদ্ভাবিত কাহিনী নয়, বরং এটি তার সম্মুখবর্তী কিতাবসমূহের সত্যায়ন এবং প্রতিটি বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ এবং মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য হিদায়াত ও রহমত।} [ইউসুফ: ১১১] ।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌المطلب الأول: استعراض الآيات القرآنية المتعلقة بالسيرة النبوية:

يعرِّف الباحثون السيرة النبوية بأنها الأحداث المتعلقة بحياة رسول الله صلى الله عليه وسلم منذ مولده حتى انتقاله إلى ربه عز وجل (1) .

ولذلك فإن مباحث السيرة النبوية تشتمل على خمسة عناصر (2) :

الأول: السيرة الذاتية: وهي ما يتعلق به صلى الله عليه وسلم من ولادة، ونشأة، وزواج، وخدَم، ومتاع.

الثاني: النبوة والرسالة: وهو ما يتعلق بالوحي، والدعوة، ومواقف الناس منها.

الثالث: الغزوات والسرايا.

الرابع: الشمائل: وهي الآداب والأخلاق.

الخامس: الخصائص: وهي ما امتاز به صلى الله عليه وسلم عن بقية الخلق.

وكل هذه العناصر وردت مجملةً في القرآن الكريم، ومفصَّلةً في كتب السير والمغازي، وللتعرف على حديث القرآن عن سيرة النبي صلى الله عليه وسلم، فسأتناول ما ورد في القرآن الكريم عن كل عنصر من هذه العناصر الخمسة السابقة:

--------------------------------------------

(1) فقه السيرة النبوية/منير محمد غضبان (13) ومقدمة طه عبد الرءوف سعد لسيرة ابن هشام (1/هـ) .

(2) كشف الظنون (2/حاشية 1012) .
প্রথম পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত সম্পর্কিত কুরআনের আয়াতসমূহ পর্যালোচনা:

গবেষকগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাতকে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে যে, এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম থেকে শুরু করে তাঁর মহান রবের নিকট চলে যাওয়া পর্যন্ত তাঁর জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলি (১)।

তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাতের আলোচ্য বিষয়সমূহ পাঁচটি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত (২):

প্রথম: ব্যক্তিগত জীবন: আর তা হলো তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম, বেড়ে ওঠা, বিবাহ, সেবক এবং ব্যবহৃত আসবাবপত্র সংক্রান্ত বিষয়সমূহ।

দ্বিতীয়: নবুওয়াত ও রিসালাত: এটি ওহী, দাওয়াত এবং সে বিষয়ে মানুষের অবস্থান সম্পর্কিত।

তৃতীয়: গাজওয়া (যুদ্ধ) এবং সারিয়া (অভিযান)।

চতুর্থ: শামায়েল: যা হলো তাঁর আদব বা শিষ্টাচার এবং চরিত্র।

পঞ্চম: বৈশিষ্ট্যসমূহ: অর্থাৎ যেসব গুণের মাধ্যমে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৃষ্টির অন্যান্যদের থেকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছেন।

আর এই সকল উপাদান পবিত্র কুরআনে সংক্ষেপে এবং সীরাত ও মাগাযীর কিতাবসমূহে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত সম্পর্কে কুরআনের আলোচনা জানার জন্য আমি উপরে উল্লেখিত পাঁচটি উপাদানের প্রত্যেকটি সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে যা বর্ণিত হয়েছে তা আলোচনা করব:

--------------------------------------------

(১) ফিকহুস সীরাতিন নাবাবিয়্যাহ/ মুনীর মুহাম্মাদ গাদবান (১৩) এবং সীরাতে ইবনে হিশামের উপর ত্বহা আব্দুর রউফ সা’দের ভূমিকা (১/হ)।

(২) কাশফুজ জুনুন (২/টীকা ১০১২)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১২)
أولاً: السيرة الذاتية:

السورة

…

الآية أو الآيات القرآنية

…

الموضوع

البقرة

…

151

…

عشيرته

آل عمران

…

144

…

أسماؤه

آل عمران

…

164

…

عشيرته

الأعراف

…

157، 158

…

أمِّيَّته

يونس

…

2

…

بشريته

النحل

…

103

…

عربيته

الرعد

…

37

…

عربيته

إبراهيم

…

4

…

عربيته

الإسراء

…

93

…

بشريَّته

الكهف

…

110

…

بشريته

النور

…

11 – 16، 22 – 26

…

قصة الإفك

الشعراء

…

195

…

عربيته

الشعراء

…

214

…

عشيرته

العنكبوت

…

48

…

أمِّيَّته

الأحزاب

…

6، 28–34، 37،38،50–55، 59

…

أزواجه

الأحزاب

…

40

…

أبوَّته

الأحزاب

…

40

…

أسماؤه

يس

…

69

…

عدم قوله الشعر
প্রথমত: জীবনবৃত্তান্ত:

সূরা

…

আয়াত বা কুরআনের আয়াতসমূহ

…

বিষয়

আল-বাকারা

…

১৫১

…

তাঁর গোত্র

আলে ইমরান

…

১৪৪

…

তাঁর নামসমূহ

আলে ইমরান

…

১৬৪

…

তাঁর গোত্র

আল-আ'রাফ

…

১৫৭, ১৫৮

…

তাঁর উম্মি হওয়া

ইউনুস

…

২

…

তাঁর মানবীয় সত্তা

আন-নাহল

…

১০৩

…

তাঁর আরবীয় হওয়া

আর-রাদ

…

৩৭

…

তাঁর আরবীয় হওয়া

ইবরাহীম

…

৪

…

তাঁর আরবীয় হওয়া

আল-ইসরা

…

৯৩

…

তাঁর মানবীয় সত্তা

আল-কাহফ

…

১১০

…

তাঁর মানবীয় সত্তা

আন-নূর

…

১১ – ১৬, ২২ – ২৬

…

ইফকের ঘটনা

আশ-শুআরা

…

১৯৫

…

তাঁর আরবীয় হওয়া

আশ-শুআরা

…

২১৪

…

তাঁর গোত্র

আল-আনকাবুত

…

৪৮

…

তাঁর উম্মি হওয়া

আল-আহজাব

…

৬, ২৮–৩৪, ৩৭, ৩৮, ৫০–৫৫, ৫৯

…

তাঁর পত্নীগণ

আল-আহজাব

…

৪০

…

তাঁর পিতৃত্ব

আল-আহজাব

…

৪০

…

তাঁর নামসমূহ

ইয়াসীন

…

৬৯

…

তাঁর কবিতা রচনা না করা
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১৩)
4

…

عشيرته

الزمر

…

28

…

عربيته

الشورى

…

7

…

عربيته

الشورى

…

23

…

عشيرته

محمد

…

2

…

أسماؤه

الفتح

…

29

…

أسماؤه

ص

…

2

…

عشيرته

الصف

…

6

…

أسماؤه

الجمعة

…

2

…

أمِّيَّته

التحريم

…

1 – 5

…

تعامله مع أزواجه

الضحى

…

6

…

يتمه

المسد

…

1 – 5

…

عمه أبو لهب وزوجته

ثانياً: النبوة والرسالة:

السورة

…

الآية أو الآيات القرآنية

…

الموضوع

البقرة

…

118

…

سؤال قريش المعجزات

البقرة

…

119

…

إثبات رسالته

آل عمران

…

81، 164

…

إثبات رسالته

النساء

…

61

…

أذى المنافقين

النساء

…

79، 166، 170

…

إثبات رسالته
4

…

তাঁর বংশীয় লোক

যুমার

…

২৮

…

তাঁর আরবি ভাষা

শূরা

…

৭

…

তাঁর আরবি ভাষা

শূরা

…

২৩

…

তাঁর বংশীয় লোক

মুহাম্মাদ

…

২

…

তাঁর নামসমূহ

ফাতহ

…

২৯

…

তাঁর নামসমূহ

সাদ

…

২

…

তাঁর বংশীয় লোক

সফ

…

৬

…

তাঁর নামসমূহ

জুমুআহ

…

২

…

তাঁর নিরক্ষরতা

তাহরীম

…

১ – ৫

…

তাঁর স্ত্রীদের সাথে তাঁর আচরণ

দোহা

…

৬

…

তাঁর পিতৃহীনতা

মাসাদ

…

১ – ৫

…

তাঁর চাচা আবু লাহাব ও তাঁর স্ত্রী

দ্বিতীয়ত: নবুওয়াত ও রিসালাত:

সূরা

…

আয়াত বা কুরআনের আয়াতসমূহ

…

বিষয়

বাকারা

…

১১৮

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

বাকারা

…

১১৯

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ

আল ইমরান

…

৮১, ১৬৪

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ

নিসা

…

৬১

…

মুনাফিকদের কষ্ট প্রদান

নিসা

…

৭৯, ১৬৬, ১৭০

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১৪)
15، 19

…

إثبات رسالته

المائدة

…

41

…

أذى المنافقين

الأنعام

…

8، 37، 109، 111

…

سؤال قريش المعجزات

الأنعام

…

25، 26، 33، 35، 57، 66، 148، 150

…

تكذيب قريش

الأنعام

…

105

…

اتهامه بالتعلُّم من غيره

الأعراف

…

158

…

إثبات رسالته

الأعراف

…

203

…

سؤال قريش المعجزات

التوبة

…

33

…

إثبات رسالته

التوبة

…

58، 61، 74

…

أذى المنافقين

يونس

…

15، 39، 41

…

تكذيب قريش

يونس

…

20

…

سؤال قريش المعجزات

هود

…

12

…

سؤال قريش المعجزات

الرعد

…

7، 27

…

سؤال قريش المعجزات

الرعد

…

43

…

تكذيب قريش

الحجر

…

7

…

سؤال قريش المعجزات

الحجر

…

94

…

الجهر بالدعوة

النحل

…

103، 113

…

تكذيب قريش

الإسراء

…

90 – 93

…

سؤال قريش المعجزات

طه

…

133

…

سؤال قريش المعجزات

الأنبياء

…

2، 3، 5، 6

…

تكذيب قريش
15, 19

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ

আল-মায়িদাহ

…

41

…

মুনাফিকদের কষ্টদান

আল-আনআম

…

8, 37, 109, 111

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

আল-আনআম

…

25, 26, 33, 35, 57, 66, 148, 150

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আল-আনআম

…

105

…

অন্যের নিকট থেকে শিক্ষা লাভের অভিযোগ

আল-আরাফ

…

158

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ

আল-আরাফ

…

203

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

আত-তাওবাহ

…

33

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ

আত-তাওবাহ

…

58, 61, 74

…

মুনাফিকদের কষ্টদান

ইউনুস

…

15, 39, 41

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

ইউনুস

…

20

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

হুদ

…

12

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

আর-রাদ

…

7, 27

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

আর-রাদ

…

43

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আল-হিজর

…

7

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

আল-হিজর

…

94

…

প্রকাশ্যে দাওয়াত প্রদান

আন-নাহল

…

103, 113

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আল-ইসরা

…

90 – 93

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

ত্বহা

…

133

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা

আল-আম্বিয়া

…

2, 3, 5, 6

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১৫)
الأنبياء

…

5

…

سؤال قريش المعجزات

النور

…

11

…

أذى المنافقين

الفرقان

…

4

…

تكذيب قريش

الفرقان

…

7، 8

…

سؤال قريش المعجزات

القصص

…

48

…

تكذيب قريش

العنكبوت

…

50

…

سؤال قريش المعجزات

السجدة

…

3

…

تكذيب قريش

سبأ

…

7، 8، 43، 53

…

تكذيب قريش

فاطر

…

4، 42

…

تكذيب قريش

يس

…

3

…

إثبات رسالته

يس

…

76

…

تكذيب قريش

الصافات

…

12، 36، 170

…

تكذيب قريش

ص

…

4 – 8، 68

…

تكذيب قريش

الزمر

…

64

…

تكذيب قريش

فصِّلت

…

4، 5

…

تكذيب قريش

الشورى

…

13، 24

…

تكذيب قريش

الشورى

…

51

…

صور الوحي

الزخرف

…

24، 30، 57، 58، 88

…

تكذيب قريش

الدخان

…

14

…

تكذيب قريش

الأحقاف

…

7، 8، 10

…

تكذيب قريش
আল-আম্বিয়া

…

৫

…

কুরাইশদের অলৌকিক নিদর্শন তলব করা

আন-নূর

…

১১

…

মুনাফিকদের কষ্টদান

আল-ফুরকান

…

৪

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আল-ফুরকান

…

৭, ৮

…

কুরাইশদের অলৌকিক নিদর্শন তলব করা

আল-কাসাস

…

৪৮

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আল-আনকাবুত

…

৫০

…

কুরাইশদের অলৌকিক নিদর্শন তলব করা

আস-সাজদাহ

…

৩

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

সাবা

…

৭, ৮, ৪৩, ৫৩

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

ফাতির

…

৪, ৪২

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

ইয়াসিন

…

৩

…

তাঁর রিসালাত প্রমাণ

ইয়াসিন

…

৭৬

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আস-সাফফাত

…

১২, ৩৬, ১৭০

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

সদ

…

৪ – ৮, ৬৮

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আজ-জুমার

…

৬৪

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

ফুসসিলাত

…

৪, ৫

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আশ-শুরা

…

১৩, ২৪

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আশ-শুরা

…

৫১

…

ওহীর ধরণসমূহ

আজ-জুখরুখ

…

২৪, ৩০, ৫৭, ৫৮, ৮৮

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আদ-দুখান

…

১৪

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ

আল-আহকাফ

…

৭, ৮, ১০

…

কুরাইশদের মিথ্যারোপ
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১৬)
الأحقاف

…

29 – 32

…

دعوته الجن

محمد

…

2

…

إثبات رسالته

الفتح

…

28

…

إثبات رسالته

ص

…

2

…

تكذيب قريش

النجم

…

5 – 18

…

الوحي

الطور

…

30 – 43

…

تكذيب قريش

القمر

…

2، 3

…

تكذيب قريش

المزمِّل

…

5

…

شدَّة الوحي

المدَّثِّر

…

53

…

تكذيب قريش

الجن

…

1 – 17

…

دعوته الجن

المنافقون

…

8

…

أذى المنافقين

القلم

…

8

…

تكذيب قريش

المعارج

…

36، 37

…

تكذيب قريش

عبس

…

5، 6

…

تكذيب قريش

التكوير

…

23

…

الوحي

البينة

…

1

…

سؤال قريش المعجزات
আল-আহকাফ

…

২৯ – ৩২

…

জিনদের প্রতি তাঁর দাওয়াত

মুহাম্মাদ

…

২

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ

আল-ফাতহ

…

২৮

…

তাঁর রিসালাতের প্রমাণ

সদ

…

২

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আন-নাজম

…

৫ – ১৮

…

ওহী

আত-তূর

…

৩০ – ৪৩

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আল-কামার

…

২, ৩

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আল-মুয্যাম্মিল

…

৫

…

ওহীর তীব্রতা

আল-মুদ্দাসসির

…

৫৩

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আল-জিন

…

১ – ১৭

…

জিনদের প্রতি তাঁর দাওয়াত

আল-মুনাফিকুন

…

৮

…

মুনাফিকদের কষ্টদান

আল-কালাম

…

৮

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আল-মাআরিজ

…

৩৬, ৩৭

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আবাসা

…

৫, ৬

…

কুরাইশদের মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা

আত-তাকভীর

…

২৩

…

ওহী

আল-বাইয়্যিনাহ

…

১

…

কুরাইশদের মুজিযা তলব করা
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১৭)
ثالثاً: الغزوات والسرايا:

السورة

…

الآية أو الآيات القرآنية

…

الغزوة أو السرية

البقرة

…

217

…

سرية عبد الله بن جحش

آل عمران

…

121، 122، 140، 143، 152 – 155، 165 – 168

…

أحُد

آل عمران

…

13، 123 – 128

…

بدر

آل عمران

…

172 – 175

…

حمراء الأسد

المائدة

…

2

…

الحديبية

المائدة

…

7

…

بيعة العقبة

المائدة

…

11

…

ذات الرقاع، بنو النضير

الأنفال

…

1 – 14، 36 – 44، 47 – 51، 67 – 71

…

بدر

الأنفال

…

30

…

الهجرة

التوبة

…

1 – 3

…

حجة الوداع

التوبة

…

25 – 27

…

حنين

التوبة

…

40

…

الهجرة

التوبة

…

41–66،81– 83،90– 96، 117–121

…

تبوك

الحج

…

19

…

بدر

القصص

…

85

…

الهجرة
তৃতীয়ত: যুদ্ধ এবং অভিযানসমূহ:

সূরা

…

আয়াত বা কুরআনের আয়াতসমূহ

…

যুদ্ধ বা অভিযান

আল-বাক্বারাহ

…

২১৭

…

আবদুল্লাহ ইবনে জাহশের অভিযান

আলে ইমরান

…

১২১, ১২২, ১৪০, ১৪৩, ১৫২ – ১৫৫, ১৬৫ – ১৬৮

…

উহুদ

আলে ইমরান

…

১৩, ১২৩ – ১২৮

…

বদর

আলে ইমরান

…

১৭২ – ১৭৫

…

হামরাউল আসাদ

আল-মায়িদাহ

…

২

…

হুদায়বিয়া

আল-মায়িদাহ

…

৭

…

বাইয়াতে আকাবাহ

আল-মায়িদাহ

…

১১

…

যাতুর রিকা, বানু নাযীর

আল-আনফাল

…

১ – ১৪, ৩৬ – ৪৪, ৪৭ – ৫১, ৬৭ – ৭১

…

বদর

আল-আনফাল

…

৩০

…

হিজরত

আত-তাওবাহ

…

১ – ৩

…

বিদায় হজ

আত-তাওবাহ

…

২৫ – ২৭

…

হুনাইন

আত-তাওবাহ

…

৪০

…

হিজরত

আত-তাওবাহ

…

৪১–৬৬, ৮১– ৮৩, ৯০– ৯৬, ১১৭–১২১

…

তাবুক

আল-হজ্জ

…

১৯

…

বদর

আল-কাসাস

…

৮৫

…

হিজরত
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১৮)
9 – 25

…

الأحزاب

الأحزاب

…

26، 27

…

بنو قريظة

محمد

…

13

…

الهجرة

الفتح

…

1 – 23

…

صلح الحديبية

الفتح

…

15

…

خيبر

الفتح

…

24 - 27

…

فتح مكة

القمر

…

45

…

بدر

الحشر

…

2 – 6، 11 – 14

…

بنو النضير

الممتحنة

…

1 – 9

…

فتح مكة

الممتحنة

…

10 – 12

…

الهجرة

المنافقون

…

1 - 8

…

بنو المصطلق

النصر

…

1

…

فتح مكة
৯ – ২৫

…

আল-আহযাব

আল-আহযাব

…

২৬, ২৭

…

বনু কুরাইযা

মুহাম্মদ

…

১৩

…

হিজরত

আল-ফাতহ

…

১ – ২৩

…

হুদায়বিয়ার সন্ধি

আল-ফাতহ

…

১৫

…

খায়বার

আল-ফাতহ

…

২৪ - ২৭

…

মক্কা বিজয়

আল-কামার

…

৪৫

…

বদর

আল-হাশর

…

২ – ৬, ১১ – ১৪

…

বনু নাযীর

আল-মুমতাহিনা

…

১ – ৯

…

মক্কা বিজয়

আল-মুমতাহিনা

…

১০ – ১২

…

হিজরত

আল-মুনাফিকুন

…

১ - ৮

…

বনু মুস্তালিক

আন-নাসর

…

১

…

মক্কা বিজয়
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ১৯)
رابعاً: الشمائل:

السورة

…

الآية

…

الموضوع

آل عمران

…

153

…

ثباته في القتال

آل عمران

…

159

…

رحمته

المائدة

…

15

…

نوره

التوبة

…

61

…

رحمته

التوبة

…

128

…

رحمته

الأنبياء

…

107

…

رحمته

الأحزاب

…

46

…

نوره

الأحزاب

…

53

…

حياؤه

الزمر

…

33

…

صدقه

القلم

…

4

…

خُلُقه العظيم

التكوير

…

22

…

عقله
চতুর্থ: শামায়েল:

সূরা

…

আয়াত

…

বিষয়

আলে ইমরান

…

১৫৩

…

যুদ্ধে তাঁর অবিচলতা

আলে ইমরান

…

১৫৯

…

তাঁর রহমত

আল-মায়িদাহ

…

১৫

…

তাঁর নূর (জ্যোতি)

আত-তাওবাহ

…

৬১

…

তাঁর রহমত

আত-তাওবাহ

…

১২৮

…

তাঁর রহমত

আল-আম্বিয়া

…

১০৭

…

তাঁর রহমত

আল-আহজাব

…

৪৬

…

তাঁর নূর (জ্যোতি)

আল-আহজাব

…

৫৩

…

তাঁর লজ্জা

আজ-জুমার

…

৩৩

…

তাঁর সত্যবাদিতা

আল-কালাম

…

৪

…

তাঁর মহান চরিত্র

আত-তাকভীর

…

২২

…

তাঁর প্রজ্ঞা
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২০)
خامساً: الخصائص:

السورة

…

الآية

…

الموضوع

البقرة

…

144

…

القبلة

آل عمران

…

81

…

أخذ الميثاق على الأنبياء بالإيمان به

آل عمران

…

110

…

أمته خير الأمم

آل عمران

…

144

…

ختم الرسالات به

آل عمران

…

151

…

نصره بالرُّعب

المائدة

…

48

…

هيمنة كتابه على الكتب السابقة

الأنعام

…

14، 163

…

هو أول المسلمين

الأنعام

…

90

…

عموم رسالته

الأعراف

…

157

…

ذكره في التوراة والإنجيل

الأعراف

…

158

…

عموم رسالته

الأنفال

…

12

…

نصره بالرُّعب

الأنفال

…

33

…

لا تعذَّب أمته وهو حيّ

الأنفال

…

69

…

إحلال الغنائم له

التوبة

…

33

…

عموم رسالته

يونس

…

108

…

عموم رسالته

الحجر

…

9

…

حفظ دينه وكتابه

الحجر

…

87

…

السبع المثاني والقرآن العظيم
পঞ্চম: বৈশিষ্ট্যসমূহ:

সূরা

…

আয়াত

…

বিষয়

আল-বাকারা

…

১৪৪

…

কিবলা

আল-ইমরান

…

৮১

…

নবীগণের নিকট থেকে তাঁর প্রতি ঈমান আনার অঙ্গীকার গ্রহণ

আল-ইমরান

…

১১০

…

তাঁর উম্মত শ্রেষ্ঠ উম্মত

আল-ইমরান

…

১৪৪

…

তাঁর মাধ্যমে রিসালাতের পরিসমাপ্তি

আল-ইমরান

…

১৫১

…

ভীতির মাধ্যমে তাঁকে সাহায্য করা

আল-মায়িদা

…

৪৮

…

পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের ওপর তাঁর কিতাবের প্রাধান্য ও রক্ষণাবেক্ষণ

আল-আনআম

…

১৪, ১৬৩

…

তিনিই প্রথম মুসলিম

আল-আনআম

…

৯০

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-আরাফ

…

১৫৭

…

তাওরাত ও ইঞ্জিলে তাঁর উল্লেখ

আল-আরাফ

…

১৫৮

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-আনফাল

…

১২

…

ভীতির মাধ্যমে তাঁকে সাহায্য করা

আল-আনফাল

…

৩৩

…

তিনি জীবিত থাকাকালীন তাঁর উম্মত আজাবপ্রাপ্ত হবে না

আল-আনফাল

…

৬৯

…

তাঁর জন্য গনীমত হালাল করা

আত-তাওবা

…

৩৩

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

ইউনুস

…

১০৮

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-হিজর

…

৯

…

তাঁর দ্বীন ও কিতাবের সংরক্ষণ

আল-হিজর

…

৮৭

…

সাবউল মাছানি ও মহান কুরআন
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২১)
1، 60

…

الإسراء والمعراج

الإسراء

…

79

…

المقام المحمود

الإسراء

…

79

…

وجوب التهجُّد عليه

الأنبياء

…

107

…

عموم رسالته

الحج

…

49

…

عموم رسالته

الفرقان

…

1

…

عموم رسالته

الأحزاب

…

6

…

أزواجه أمهات المؤمنين

الأحزاب

…

40

…

ختم الرسالات به

الأحزاب

…

50

…

وهب النساء أنفسهن له

الأحزاب

…

53

…

آداب دخول بيوته

الأحزاب

…

56

…

صلاة الله وملائكته عليه

سبأ

…

28

…

عموم رسالته

الزمر

…

12

…

هو أول المسلمين

الزمر

…

41

…

عموم رسالته

الفتح

…

2

…

مغفرة جميع ذنوبه

الفتح

…

28

…

عموم رسالته

الفتح

…

29

…

ذكره في التوراة والإنجيل

الحجرات

…

2

…

عدم الجهر له بالقول كسائر الناس

النجم

…

13 – 18

…

المعراج

المجادلة

…

12، 13

…

تقديم الصدقة بين يدي نجواه
১, ৬০

…

ইসরা ও মিরাজ

আল-ইসরা

…

৭৯

…

মাকামে মাহমুদ

আল-ইসরা

…

৭৯

…

তাঁর ওপর তাহাজ্জুদ ওয়াজিব হওয়া

আল-আম্বিয়া

…

১০৭

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-হজ্জ

…

৪৯

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-ফুরকান

…

১

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-আহযাব

…

৬

…

তাঁর স্ত্রীগণ মুমিনদের মাতা

আল-আহযাব

…

৪০

…

তাঁর মাধ্যমে রিসালাতের পরিসমাপ্তি

আল-আহযাব

…

৫০

…

নারীদের নিজেদেরকে তাঁর নিকট নিবেদন করা

আল-আহযাব

…

৫৩

…

তাঁর ঘরসমূহে প্রবেশের আদব

আল-আহযাব

…

৫৬

…

তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও ফেরেশতাদের দোয়া

সাবা

…

২৮

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আয-যুমার

…

১২

…

তিনি প্রথম মুসলিম

আয-যুমার

…

৪১

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-ফাতহ

…

২

…

তাঁর সকল গুনাহ ক্ষমা করা

আল-ফাতহ

…

২৮

…

তাঁর রিসালাতের সার্বজনীনতা

আল-ফাতহ

…

২৯

…

তাওরাত ও ইঞ্জিলে তাঁর উল্লেখ

আল-হুজুরাত

…

২

…

সাধারণ মানুষের মতো তাঁর সাথে উচ্চস্বরে কথা না বলা

আন-নাজম

…

১৩ – ১৮

…

মিরাজ

আল-মুজাদালাহ

…

১২, ১৩

…

তাঁর সাথে নিভৃত আলোচনার পূর্বে সদকা প্রদান
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২২)
القلم

…

52

…

عموم رسالته

المزمِّل

…

2

…

وجوب التهجُّد عليه

الإنسان

…

26

…

وجوب التهجُّد عليه

التكوير

…

27

…

عموم رسالته

البلد

…

2

…

القتال في مكة

الانشراح

…

4

…

رفع الله ذكره

الكوثر

…

1

…

إعطاؤه الكوثر

المطلب الثاني: دراسة الآيات، وأهم ملامحها:

نلاحظ من خلال دراسة الآيات ما يلي:

أولاً: السيرة الذاتية: هذا القسم يحوي (84) آية، ونلاحظ الحديث عنه صلى الله عليه وسلم تعريفاً به في السوَر المكِّية والمدنية، وذلك أنه يحتاج للتعريف به دائماً كحاملٍ للرسالة دون غيره، ردّاً على من يزعم أن هناك من هو أولى به في الرسالة، وذلك الزعم تكرر في مكة والمدينة.

وأيضاً نلاحظ أن الحديث في السور المكّية عن لغته، ونشأته الأولى وعشيرته، والحديث في السور المدنية عن زواجه.

ثانياً: النبوة والرسالة: هذا القسم يحوي (132) آية وهو أكثر الأقسام

– إذا استثنينا تفصيلات الغزوات - وسبب الكثرة فيه واضح، وهو أنه غرض القرآن الرئيس.

ونلاحظ أيضاً أن أكثر هذا القسم مكِّيّ، وذلك أن إثبات النبوة وتأكيدها يحتاج إليه في مكة أكثر من المدينة.
আল-কলাম

…

৫২

…

তাঁর রিসালাতের ব্যাপকতা

আল-মুযযাম্মিল

…

২

…

তাঁর ওপর তাহাজ্জুদের আবশ্যকতা

আল-ইনসান

…

২৬

…

তাঁর ওপর তাহাজ্জুদের আবশ্যকতা

আত-তাকভীর

…

২৭

…

তাঁর রিসালাতের ব্যাপকতা

আল-বালাদ

…

২

…

মক্কায় যুদ্ধ

আল-ইনশিরাহ

…

৪

…

আল্লাহ তাঁর স্মরণকে উচ্চ করেছেন

আল-কাওসার

…

১

…

তাঁকে আল-কাওসার দান

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: আয়াতসমূহের পর্যালোচনা এবং সেগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

আয়াতসমূহ পর্যালোচনার মাধ্যমে আমরা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করি:

প্রথমত: জীবনচরিত: এই বিভাগে (৮৪)টি আয়াত রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করি যে, মক্কী ও মাদানী সূরাগুলোতে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পরিচয় প্রদানের উদ্দেশ্যে তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এর কারণ হলো রিসালাতের বাহক হিসেবে অন্য কারও পরিবর্তে তাঁকে সর্বদা পরিচিত করার প্রয়োজন ছিল, যেন তাদের প্রতিবাদ করা যায় যারা দাবি করত যে রিসালাতের জন্য তাঁর চেয়ে যোগ্য অন্য কেউ রয়েছে; আর এই দাবি মক্কা ও মদীনা উভয় স্থানেই বারবার করা হয়েছিল।

আমরা আরও লক্ষ্য করি যে, মক্কী সূরাগুলোতে তাঁর ভাষা, প্রাথমিক বেড়ে ওঠা এবং তাঁর বংশ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং মাদানী সূরাগুলোতে তাঁর বিবাহ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত: নবুওয়াত ও রিসালাত: এই বিভাগে (১৩২)টি আয়াত রয়েছে এবং এটিই দীর্ঘতম বিভাগ—যদি আমরা যুদ্ধবিগ্রহের বিস্তারিত বিবরণ বাদ দিই। এতে আয়াতে আধিক্যের কারণ স্পষ্ট, আর তা হলো এটিই কুরআনের প্রধান উদ্দেশ্য।

আমরা আরও লক্ষ্য করি যে, এই বিভাগের অধিকাংশ আয়াতই মক্কী। কারণ নবুওয়াত প্রমাণ করা এবং তা সুদৃঢ় করার প্রয়োজনীয়তা মদীনার তুলনায় মক্কায় বেশি ছিল।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌المطلب الثاني: دراسة الآيات، وأهم ملامحها:

نلاحظ من خلال دراسة الآيات ما يلي:

أولاً: السيرة الذاتية: هذا القسم يحوي (84) آية، ونلاحظ الحديث عنه صلى الله عليه وسلم تعريفاً به في السوَر المكِّية والمدنية، وذلك أنه يحتاج للتعريف به دائماً كحاملٍ للرسالة دون غيره، ردّاً على من يزعم أن هناك من هو أولى به في الرسالة، وذلك الزعم تكرر في مكة والمدينة.

وأيضاً نلاحظ أن الحديث في السور المكّية عن لغته، ونشأته الأولى وعشيرته، والحديث في السور المدنية عن زواجه.

ثانياً: النبوة والرسالة: هذا القسم يحوي (132) آية وهو أكثر الأقسام

– إذا استثنينا تفصيلات الغزوات - وسبب الكثرة فيه واضح، وهو أنه غرض القرآن الرئيس.

ونلاحظ أيضاً أن أكثر هذا القسم مكِّيّ، وذلك أن إثبات النبوة وتأكيدها يحتاج إليه في مكة أكثر من المدينة.
‌দ্বিতীয় বিষয়: আয়াতসমূহ নিয়ে গবেষণা এবং সেগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

আয়াতসমূহ গবেষণার মাধ্যমে আমরা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ্য করি:

প্রথমত: জীবনচরিত: এই বিভাগটি (৮৪)টি আয়াত ধারণ করে। আমরা লক্ষ্য করি যে, মক্কী ও মাদানী সূরাগুলোতে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরিচয় প্রদানের মাধ্যমে তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কারণ বার্তাবাহক হিসেবে অন্য কারো পরিবর্তে সর্বদা তাঁরই পরিচয়ের প্রয়োজন ছিল; এটি ছিল তাদের প্রতিবাদে যারা দাবি করত যে, রিসালাতের জন্য অন্য কেউ অধিকতর উপযুক্ত, আর এই দাবি মক্কা ও মদীনা উভয় স্থানেই বারবার উত্থাপিত হয়েছে।

আমরা আরও লক্ষ্য করি যে, মক্কী সূরাগুলোতে তাঁর ভাষা, প্রাথমিক বেড়ে ওঠা এবং বংশ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, আর মাদানী সূরাগুলোতে তাঁর বিবাহ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত: নবুওয়াত ও রিসালাত: এই বিভাগটি (১৩২)টি আয়াত ধারণ করে এবং এটিই সবচেয়ে বড় বিভাগ

– যদি আমরা যুদ্ধাভিযানসমূহের বিস্তারিত বিবরণ বাদ দেই – এবং এর আধিক্যের কারণ স্পষ্ট, কারণ এটিই কুরআনের প্রধান উদ্দেশ্য।

আমরা আরও লক্ষ্য করি যে, এই বিভাগের অধিকাংশ আয়াতই মক্কী, কারণ নবুওয়াত প্রমাণ ও তা সুদৃঢ় করার প্রয়োজন মদীনার তুলনায় মক্কাতেই বেশি ছিল।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২৩)
ونلاحظ أيضاً أن الحديث عن المنافقين كان في السور المدنية؛ لأنهم إنما وجدوا في المدينة.

ثالثاً: الغزوات والسرايا: هذا القسم يحوي (187) آية، وهو أكثر الأقسام عدداً من الآيات؛ بسبب التفصيلات التي تقتضيها حكاية أحداث الغزوات.

ونلاحظ أن أغلب الغزوات ذكرت في سور مدنية، وذلك أن الجهاد إنما شُرِع في المدينة، وإن كانت هناك إشارات إلى غزوة بدر في سور مكِّية، لكن لم يتبين معناها إلا بعد وقوعها.

رابعاً: الشمائل: وهي في (11) آية فقط، وذلك أن أبرز شمائل النبي صلى الله عليه وسلم هو النبوة والرسالة، وقد استقصي في قسم آخر، وربما كان لقلة الآيات في هذا القسم سببٌ عقديّ، وهو أن القرآن الكريم لا يريد أن يعلِّق الناس بشخص النبي صلى الله عليه وسلم، وإنما يريد ربطهم بالمنهج والرسالة، لذا أسهب في موضوع النبوة دون هذا، والله تعالى أعلم.

خامساً: الخصائص: هذا القسم يتضمن (52) آية، بين مكِّيّ ومدنيّ.
আমরা আরও লক্ষ্য করি যে, মুনাফিকদের সম্পর্কে আলোচনা মাদানী সূরাগুলোতে হয়েছে; কারণ তারা কেবল মদীনাতেই ছিল।

তৃতীয়: যুদ্ধাভিযান ও সামরিক অভিযানসমূহ: এই বিভাগে ১৮৭টি আয়াত রয়েছে, এবং আয়াত সংখ্যার দিক থেকে এটিই বৃহত্তম বিভাগ; কারণ যুদ্ধাভিযানের ঘটনাবলি বর্ণনার ক্ষেত্রে বিস্তারিত বিবরণের প্রয়োজন ছিল।

আমরা লক্ষ্য করি যে, অধিকাংশ যুদ্ধাভিযান মাদানী সূরাগুলোতে বর্ণিত হয়েছে, এর কারণ হলো জিহাদ কেবল মদীনাতেই বিধিবদ্ধ হয়েছিল। যদিও মক্কী সূরাগুলোতে বদর যুদ্ধের প্রতি কিছু ইঙ্গিত রয়েছে, তবে তা সংঘটিত হওয়ার আগে তার প্রকৃত তাৎপর্য স্পষ্ট হয়নি।

চতুর্থ: চারিত্রিক গুণাবলি: এটি মাত্র ১১টি আয়াতে রয়েছে। এর কারণ হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সবচেয়ে প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নবুওয়াত ও রিসালাত, যা অন্য একটি বিভাগে বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে। সম্ভবত এই বিভাগে আয়াত সংখ্যা কম হওয়ার পেছনে একটি আকিদাগত কারণ রয়েছে, আর তা হলো—কুরআন মাজীদ মানুষকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যক্তিসত্তার সাথে আবদ্ধ করতে চায় না, বরং তাদের আদর্শ ও বাণীর সাথে সম্পৃক্ত করতে চায়। এই কারণেই নবুওয়াতের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে কিন্তু এখানে তা করা হয়নি। আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

পঞ্চম: বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: এই বিভাগে মক্কী ও মাদানী মিলিয়ে ৫২টি আয়াত রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌المطلب الثالث: تناول كتب السيرة النبوية لهذه الآيات:

ستكون الدراسة من خلال كتب السيرة التالية: مغازي عروة بن الزبير (ت94هـ) ، وسيرة ابن إسحاق (ت150هـ) ، ومغازي الواقدي (ت207هـ) .

أولاً: مغازي عروة بن الزبير:

عروة بن الزبير بن العوَّام، أحد الفقهاء السبعة (1) ، حدَّث عن أبيه وأمه

--------------------------------------------

(1) الفقهاء السبعة هم: سعيد بن المسيب، والقاسم بن محمد، وخارجة بن زيد، وأبو بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، وسليمان بن يسار، وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، إضافة لعروة بن الزبير رحمهم الله. (الفقه الإسلامي وأدلته/د. وهبة الزحيلي: 1/28) .
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সীরাত গ্রন্থসমূহে এই আয়াতগুলোর আলোচনা:

অধ্যয়নটি নিম্নোক্ত সীরাত গ্রন্থগুলোর মাধ্যমে সম্পন্ন হবে: উরওয়াহ ইবনুল জুবায়েরের (মৃ. ৯৪ হি.) মাগাজি, ইবনে ইসহাকের (মৃ. ১৫০ হি.) সীরাত এবং আল-ওয়াকিদীর (মৃ. ২০৭ হি.) মাগাজি।

প্রথমত: উরওয়াহ ইবনুল জুবায়েরের মাগাজি:

উরওয়াহ ইবনুল জুবায়ের ইবনুল আওয়াম, তিনি সাত ফকিহ-এর (১) অন্যতম; তিনি তাঁর পিতা ও মাতা থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) সাত ফকিহ হলেন: সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব, আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ, খারিজাহ ইবনে জাইদ, আবু বকর ইবনে আবদুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনে হিশাম, সুলাইমান ইবনে ইয়াসার এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ ইবনে মাসউদ, সেইসাথে উরওয়াহ ইবনুল জুবায়ের, আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন। (আল-ফিকহুল ইসলামি ওয়া আদিল্লাতুহু/ড. ওয়াহবাহ আয-জুহাইলি: ১/২৮)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২৪)
أسماء بنت أبي بكر رضي الله عنهما، ولازم خالته أم المؤمنين عائشة رضي الله عنها، وروى عن غيرهم. روى عنه بنوه يحيى وعثمان وهشام ومحمد، والزهري، وأبو الأسود يتيم عروة، وابن المنكدر وغيرهم. كان قانتاً، ورعاً، مجتنباً للفتن، ولد سنة 23هـ بالمدينة، وتوفي بها سنة (94هـ) بعد أن عاش في مصر عدة سنوات (1) .

ويعدّ عروة بن الزبير أقدم من كتب في السيرة النبوية، حسب شهادة الواقدي (ت 207هـ) (2) ، والسخاوي (ت 902هـ) (3) ، بل إنه يعدّ مؤسس علم التاريخ الإسلامي العام (4) .

وممن أثبت كتابه في السيرة سوى من تقدم: ابن النديم (ت385هـ) (5) ، والذهبي (ت 748هـ) (6) ، وابن حجر (ت852هـ) (7) ، وحاجي خليفة (ت1067هـ) (8) .

--------------------------------------------

(1) سير أعلام النبلاء (4/421 – 437) .

(2) البداية والنهاية (9/101) .

(3) الإعلان بالتوبيخ (48) وانظر: كتاب المغازي لعروة برواية أبي الأسود: المقدمة (57) والسيرة النبوية في الصحيحين وعند ابن إسحاق/د. سليمان حمد العودة (26) ومقدمة " المغازي " للواقدي/د. مارسدن جونس (21) .

(4) مراجع مختارة عن حياة رسول الله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلّم/د. محمد ماهر حمادة (25) .

(5) انظر: كتاب المغازي لعروة برواية أبي الأسود: المقدمة (57) وهذا أصحّ من قول د. فؤاد سزكين بأن كتاب " المغازي " ليس له مصدر قديم (تاريخ التراث العربي " التدوين التاريخي ": 1 " 2 "/70) .

(6) سير أعلام النبلاء (6/150) .

(7) فتح الباري (5/333) .

(8) كشف الظنون (2/1747) .
আসমা বিনতে আবি বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা), এবং তিনি তাঁর খালা উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর সান্নিধ্যে ছিলেন এবং অন্যদের থেকেও বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্ররা ইয়াহইয়া, উসমান, হিশাম ও মুহাম্মদ, এবং যুহরি, উরওয়ার লালিত ইয়াতিম আবু আল-আসওয়াদ, ইবনুল মুনকাদির ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি অনুগত, মুত্তাকী এবং ফিতনা থেকে দূরে থাকা ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ২৩ হিজরীতে মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন এবং মিশরে কয়েক বছর বসবাসের পর ৯৪ হিজরীতে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন (১)।

ওয়াকিদী (মৃত্যু: ২০৭ হি.) (২) এবং সাখাভী (মৃত্যু: ৯০২ হি.) (৩)-এর সাক্ষ্য অনুযায়ী উরওয়াহ ইবনে আল-যুবাইরকে সীরাতে নববী বিষয়ে সবচেয়ে প্রাচীন লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়, বরং তাঁকে সাধারণ ইসলামী ইতিহাস বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও গণ্য করা হয় (৪)।

যারা পূর্বে উল্লিখিতদের বাইরে সীরাত বিষয়ে তাঁর কিতাবের অস্তিত্ব সাব্যস্ত করেছেন তারা হলেন: ইবনে আন-নাদীম (মৃত্যু: ৩৮৫ হি.) (৫), আয-যাহাবী (মৃত্যু: ৭৪৮ হি.) (৬), ইবনে হাজার (মৃত্যু: ৮৫২ হি.) (৭) এবং হাজ্জি খলিফা (মৃত্যু: ১০৬৭ হি.) (৮)।

--------------------------------------------

(১) সিয়ার আলাম আন-নুবালা (৪/৪২১ – ৪৩৭)।

(২) আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ (৯/১০১)।

(৩) আল-ই'লান বিত তাওবীখ (৪৮) এবং দেখুন: আবু আল-আসওয়াদের বর্ণনায় উরওয়ার কিতাবুল মাগাযী: ভূমিকা (৫৭) এবং আস-সিরাহ আন-নাবাবিয়্যাহ ফিস সহীহাইন ওয়াইন্দা ইবনে ইসহাক/ড. সুলায়মান হামাদ আল-আওদাহ (২৬) এবং ওয়াকিদীর "মাগাযী"-র ভূমিকা/ড. মার্সডেন জোন্স (২১)।

(৪) মারাজি মুখতারাহ আন হায়াতি রাসূলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাহবিহি ওয়া সাল্লাম/ড. মুহাম্মদ মাহের হামাদাহ (২৫)।

(৫) দেখুন: আবু আল-আসওয়াদের বর্ণনায় উরওয়ার কিতাবুল মাগাযী: ভূমিকা (৫৭) এবং এটি ড. ফুয়াদ সেজগিনের উক্তির চেয়ে বেশি সঠিক যে, "মাগাযী" কিতাবের কোনো প্রাচীন উৎস নেই (তারিখুত তুরাছিল আরাবি "আত-তাদওয়িন আত-তারিখি": ১ " ২ "/৭০)।

(৬) সিয়ার আলাম আন-নুবালা (৬/১৫০)।

(৭) ফাতহুল বারী (৫/৩৩৩)।

(৮) কাশফুজ জুনুন (২/১৭৪৭)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২৫)
وهذا عرضٌ للآيات في مغازي عروة (حسب ترتيب الكتاب ( [1] )) :

السورة

…

رقم الآية

…

الغزوة/الحدَث

…

الصفحة

النجم

…

1، 2

…

بدء الوحي

…

100

العلق

…

1 – 5

…

بدء الوحي

…

101

الحج

…

52، 53

…

قصة الغرانيق

…

106 - 109

الأنفال

…

30

…

بدر الكبرى

…

128

التوبة

…

40

…

بدر الكبرى

…

129

الأنفال

…

42، 43

…

بدر الكبرى

…

137،- 145، 233

الأنفال

…

47 – 49

…

بدر الكبرى

…

139،-145،234

الأنفال

…

5 – 12، 17 – 27

…

بدر الكبرى

…

138، 144

الأنفال

…

50 – 58

…

بدر الكبرى

…

145

الأنفال

…

67 – 69

…

بدر الكبرى

…

145

الأنفال

…

70، 71

…

بدر الكبرى

…

146

الأنفال

…

74 – آخر السورة

…

بدر الكبرى

…

146

النساء

…

97 – 99

…

بدر الكبرى

…

146

--------------------------------------------

( [1] ) كتاب المغازي له، جمع وتحقيق الدكتور محمد مصطفى الأعظمي، ونشره مكتب التربية العربي لدول الخليج في مجلد سنة 1401هـ.
এটি উরওয়ার মাগাজি-তে বর্ণিত আয়াতগুলোর একটি উপস্থাপনা (বইয়ের বিন্যাস অনুযায়ী ([১])) :

সূরা

…

আয়াত নম্বর

…

যুদ্ধ/ঘটনা

…

পৃষ্ঠা

আন-নাজম

…

১, ২

…

ওহি শুরু

…

১০০

আল-আলাক

…

১ – ৫

…

ওহি শুরু

…

১০১

আল-হাজ্জ

…

৫২, ৫৩

…

গারানিকের ঘটনা

…

১০৬ - ১০৯

আল-আনফাল

…

৩০

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১২৮

আত-তাওবাহ

…

৪০

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১২৯

আল-আনফাল

…

৪২, ৪৩

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৩৭, - ১৪৫, ২৩৩

আল-আনফাল

…

৪৭ – ৪৯

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৩৯, - ১৪৫, ২৩৪

আল-আনফাল

…

৫ – ১২, ১৭ – ২৭

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৩৮, ১৪৪

আল-আনফাল

…

৫০ – ৫৮

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৪৫

আল-আনফাল

…

৬৭ – ৬৯

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৪৫

আল-আনফাল

…

৭০, ৭১

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৪৬

আল-আনফাল

…

৭৪ – সূরার শেষ পর্যন্ত

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৪৬

আন-নিসা

…

৯৭ – ৯৯

…

বদরের মহাযুদ্ধ

…

১৪৬

--------------------------------------------

( [১] ) তাঁর ‘কিতাবুল মাগাজি’, ডক্টর মুহাম্মাদ মুস্তফা আল-আজামি দ্বারা সংগৃহীত ও সম্পাদিত, যা ১৪০১ হিজরিতে আরব ব্যুরো অব এডুকেশন ফর গালফ স্টেটস (মাকতাবাতুত তারবিয়াহ আল-আরাবি লি-দুওয়ালিল খালিজ) কর্তৃক এক খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২৬)
الحشر

…

1 – 6

…

بنو النضير

…

166، 167

آل عمران

…

173

…

حمراء الأسد

…

174

آل عمران

…

128

…

بئر معونة

…

180

الفتح

…

24

…

الحديبية

…

193

التوبة

…

49 – 59

…

تبوك

…

220

التوبة

…

65 – 68

…

تبوك

…

221

النتائج:

بعد هذا العرض نصل إلى نتيجتين:

الأولى: أن عروة اقتصر على إيراد الآيات القرآنية في بعض الغزوات، وترك بعضها مع شهرتها وكثرة الآيات الواردة فيها، كغزوة أحد.

الثانية: أنه لا يستطرد في تفسير الآيات ببيان معاني مفرداتها، أو حتى المعنى الإجمالي لها، وإنما يقتصر على بيان معناها من خلال الحدَث الذي نزلت فيه، وعلى سبيل المثال، قال رحمه الله: " ومكث رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد الحج بقية ذي الحجة، والمحرم، وصفر، ثم إن مشركي قريش أجمعوا أمرهم ومكرهم حين ظنوا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خارج، وعلموا أن الله قد جعل له بالمدينة مأوى ومنعة، وبلغهم إسلام الأنصار، ومن خرج إليهم من المهاجرين، فأجمعوا أمرهم على أن يأخذوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فإما أن يقتلوه، أو يسجنوه، أو يحبسوه، أو يخرجوه، أو يوثقوه، فأخبره الله عز وجل بمكرهم، فقال تعالى: {وَإِذْ يَمْكُرُ بِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِيُثْبِتُوكَ أَوْ يَقْتُلُوكَ أَوْ يُخْرِجُوكَ وَيَمْكُرُونَ وَيَمْكُرُ اللَّهُ وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ} [الأنفال:30] ( [1] ) .

--------------------------------------------

( [1] ) المغازي (128) .
আল-হাশর

…

১ – ৬

…

বনু নাযির

…

১৬৬, ১৬৭

আলে ইমরান

…

১৭৩

…

হামরাউল আসাদ

…

১৭৪

আলে ইমরান

…

১২৮

…

বি’র মাউনা

…

১৮০

আল-ফাতহ

…

২৪

…

আল-হুদাইবিয়াহ

…

১৯৩

আত-তাওবাহ

…

৪৯ – ৫৯

…

তাবুক

…

২২০

আত-তাওবাহ

…

৬৫ – ৬৮

…

তাবুক

…

২২১

ফলাফলসমূহ:

এই পর্যালোচনার পর আমরা দুটি ফলাফলে উপনীত হই:

প্রথমত: উরওয়াহ কিছু যুদ্ধে কেবল কুরআনের আয়াত উল্লেখ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন এবং কিছু যুদ্ধ বাদ দিয়েছেন, যদিও সেগুলো প্রসিদ্ধ ছিল এবং সে সম্পর্কে অনেক আয়াত অবতীর্ণ হয়েছিল, যেমন উহুদ যুদ্ধ।

দ্বিতীয়ত: তিনি আয়াতের শব্দার্থ বা এমনকি সেগুলোর সামগ্রিক অর্থ বর্ণনার ক্ষেত্রে দীর্ঘ আলোচনা করতেন না, বরং তিনি কেবল সেই ঘটনার মাধ্যমে আয়াতের অর্থ বর্ণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতেন যে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজের পর যিলহজ মাসের বাকি অংশ, মুহাররম এবং সফর মাস অবস্থান করলেন। অতঃপর কুরাইশ মুশরিকরা যখন ধারণা করল যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বেরিয়ে যাচ্ছেন, তখন তারা তাদের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র সংহত করল। তারা জানতে পারল যে আল্লাহ মদীনায় তাঁর জন্য একটি আশ্রয়স্থল ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন এবং আনসারদের ইসলাম গ্রহণ ও যারা তাঁদের কাছে হিজরত করে গিয়েছেন তাদের সংবাদও তাদের কাছে পৌঁছাল। তখন তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে পাকড়াও করার ব্যাপারে একমত হলো; যেন তারা হয় তাঁকে হত্যা করবে, অথবা কারাবন্দী করবে, অথবা অবরুদ্ধ করবে, অথবা বের করে দেবে, অথবা বেঁধে ফেলবে। অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলেন এবং মহান আল্লাহ বললেন: {আর স্মরণ করো যখন কাফিররা তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল যাতে তোমাকে বন্দী করে ফেলে অথবা হত্যা করে অথবা বের করে দেয়। তারা ষড়যন্ত্র করছিল এবং আল্লাহও কৌশল করছিলেন, আর আল্লাহই শ্রেষ্ঠ কৌশলী} [আল-আনফাল: ৩০] ([১])।

--------------------------------------------

([১]) আল-মাগাযি (১২৮)।
(খণ্ড: ১) আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ মিন খিলালি আহাম্মি কুতুবিত তাফসির (পৃষ্ঠা: ২৭)
ثانياً: سيرة ابن إسحاق:

محمد بن إسحاق بن يسار المطلبي مولاهم، المولود سنة (85هـ) بالمدينة، رأى أنس بن مالك رضي الله عنه، وروى عن نافع والزهري وابن عيينة وعاصم بن عمر وعبد الله بن أبي بكر بن حزم وغيرهم.

روى عنه يزيد بن أبي حبيب ويحيى بن سعيد التابعيان، وهشيم والحمادان وشعبة والثوري وغيرهم.

كان مستقراً في المدينة المنورة، إلا أنه اضطر لتركها لخلافٍ بينه وبين الإمام مالك رضي الله عنه، فهاجر إلى مصر، ثم عاد إلى المدينة وحدَّث بالسيرة النبوية، ثم استقر في العراق، والتحق بمجلس الخليفة أبي جعفر المنصور. توفي سنة (150هـ) ببغداد (1) .

وكتابه في المغازي مشهور، إلا أنه لم يصل إلينا، وإنما نقل عبد الملك بن هشام الأنصاري كتابه مهذَّباً، ورواه عن تلميذ ابن إسحاق زياد البكائي (2) .

وقد انتقد ابن إسحاق في ضبطه، وضعَّفه بعض المحدِّثين (3) ، وذلك لا يعني ضعفه في السيرة واطّراح رواياته التي نقلها؛ للأسباب التالية:

--------------------------------------------

(1) سير أعلام النبلاء (7/33 – 55) وتهذيب التهذيب (9/38 – 46) والسيرة النبوية في الصحيحين وعند ابن إسحاق/د. سليمان حمد العودة (31) ومراجع مختارة عن حياة رسول الله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلّم/د. محمد ماهر حمادة (32) .

(2) تاريخ التراث العربي "التدوين التاريخي" (1 "2"/87، 88) ومراجع مختارة عن حياة رسول الله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلّم/د. محمد ماهر حمادة (41) والسيرة النبوية لابن هشام طبعت مرات عديدة، وممن شرحها أبو القاسم السهيلي في " الروض الأنُف"، وممن اختصرها إمام الدعوة الشيخ محمد ابن عبد الوهاب التميمي.

(3) ضعفه مالك، وابن معين في رواية، والنسائي، والقطان. (تهذيب التهذيب: 9/44، 45) .
দ্বিতীয়ত: ইবনে ইসহাকের সীরাত:

মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসার আল-মুত্তালিবি মাওলাহুম, যিনি (৮৫ হি.) মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে দেখেছিলেন এবং নাফে, জুহরি, ইবনে উইয়াইনা, আসেম ইবনে উমর, আবদুল্লাহ ইবনে আবি বকর ইবনে হাযম ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন দুই তাবিঈ ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব ও ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ এবং হুশাইম, দুই হাম্মাদ, শু'বাহ, সাওরি ও অন্যান্যরা।

তিনি মদিনা মুনাওয়ারায় বসবাস করতেন, তবে ইমাম মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে মতপার্থক্যের কারণে তিনি তা ছাড়তে বাধ্য হন। অতঃপর তিনি মিশরে হিজরত করেন, পরে মদিনায় ফিরে আসেন এবং সীরাতুন নবী বর্ণনা করেন। এরপর তিনি ইরাকে বসতি স্থাপন করেন এবং খলিফা আবু জাফর আল-মানসুরের মজলিসে যোগ দেন। তিনি (১৫০ হি.) বাগদাদে ইন্তেকাল করেন (১)।

মাগাযি (যুদ্ধাভিযান) বিষয়ে তাঁর কিতাবটি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ, তবে সেটি আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। বরং আবদুল মালিক ইবনে হিশাম আল-আনসারী তাঁর কিতাবটিকে পরিমার্জিত আকারে উদ্ধৃত করেছেন এবং তিনি তা ইবনে ইসহাকের ছাত্র যিয়াদ আল-বাক্কায়ীর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন (২)।

ইবনে ইসহাকের মুখস্থ বা সংরক্ষণের (যাবত) বিষয়ে সমালোচনা করা হয়েছে এবং কিছু মুহাদ্দিস তাঁকে দুর্বল বলেছেন (৩)। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সীরাতের ক্ষেত্রেও তিনি দুর্বল এবং তাঁর বর্ণিত বর্ণনাগুলো বর্জনীয়; এর কারণগুলো নিম্নরূপ:

--------------------------------------------

(১) সিয়ারু আ'লামিন নুবালা (৭/৩৩-৫৫), তাহযিবুত তাহযিব (৯/৩৮-৪৬), আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ ফিস সাহিহাইন ওয়া ইনদা ইবনে ইসহাক/ড. সুলাইমান হামাদ আল-আওদাহ (৩১) এবং মারাজি মুখতারা আন হায়াতি রাসুলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাহবিহি ওয়াসাল্লাম/ড. মুহাম্মদ মাহের হামাদাহ (৩২)।

(২) তারিখুত তুরাসিল আরাবি "আত-তাদউইন আত-তারিখি" (১ "২"/৮৭, ৮৮), মারাজি মুখতারা আন হায়াতি রাসুলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাহবিহি ওয়াসাল্লাম/ড. মুহাম্মদ মাহের হামাদাহ (৪১) এবং ইবনে হিশামের আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ যা বহুবার মুদ্রিত হয়েছে; যারা এর ব্যাখ্যা লিখেছেন তাদের মধ্যে আবুল কাসিম আস-সুহাইলি তাঁর "আর-রাওদুল উনুফ" কিতাবে এবং যারা এটি সংক্ষেপ করেছেন তাদের মধ্যে ইমামুদ দাওয়াহ শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আত-তামিমি অন্যতম।

(৩) ইমাম মালিক, এক বর্ণনা অনুযায়ী ইবনে মাঈন, নাসায়ী এবং কাত্তান তাঁকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযিবুত তাহযিব: ৯/৪৪, ৪৫)।