(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: -)
ملحة الإعراب القسم: النحو والصرف
الكتاب: ملحة الإعراب
المؤلف: القاسم بن علي بن محمد بن عثمان، أبو محمد الحريري البصري (ت 516هـ)
المحقق: لا يوجد
الناشر: دار السلام - القاهرة/ مصر
الطبعة: الأولى، 1426هـ -2005م
عدد الصفحات: 88
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মুলহাতুল ইরাব বিভাগ: নাহু ও সরফ
কিতাব: মুলহাতুল ইরাব
গ্রন্থকার: আল-কাসিম বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন উসমান, আবু মুহাম্মদ আল-হারীরি আল-বাসরি (মৃত্যু ৫১৬ হিজরি)
মুহাক্কিক: নেই
প্রকাশক: দারুস সালাম - কায়রো/ মিসর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৮
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم وَبِه نستعين
(1 -
مُقَدّمَة النَّاظِم)أقولُ مِن بَعدِ افتِتَاحِ القولِ بِحمدِ ذِي الطَّوْلِ شديدِ الحَولِ وبَعدَهُ فأفضَلُ السّلامِ على النّبيّ سَيّدِ الأنَامِ وءالِهِ الأطهَارِ خيرِ ءالِ فافهَم كَلامي واستَمِعْ مَقَالي
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে এবং তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি।
(১ -
কাব্যকারের ভূমিকা (مقدمة))
অসীম অনুগ্রহের আধার ও প্রবল পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রশংসার মাধ্যমে বক্তব্য সূচনার পর আমি বলছি; অতঃপর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ নবীর ওপর এবং তাঁর পবিত্র ও সর্বোত্তম পরিজনদের ওপর সর্বোত্তম শান্তি বর্ষিত হোক। অতএব আপনি আমার কথা অনুধাবন করুন এবং আমার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৪)
يَا سَائِلي عَن الكَلامِ المُنتَظِمْ حَدًّا ونَوعًا وَإِلَى كَمْ يَنقَسِمْ اسمَع هُدِيتَ الرُّشدَ مَا أقولُ وافهَمْهُ فَهمَ مَن لهُ مَعقُولُ
(2 -
بَاب تَعْرِيف الْكَلَام)حدُّ الكَلامِ مَا أفادَ المُستَمِعْ نحوُ سَعَى زَيدٌ وعَمروٌ مُتَّبِعْ ونَوعُهُ الَّذِي عليهِ يُبنَى اسمٌ وفِعلٌ ثمَّ حرفُ مَعنَى
হে আমার নিকট সুশৃঙ্খল কালাম (الكلام)-এর সংজ্ঞা (حدّ) ও প্রকার (نوع) এবং এটি কত ভাগে বিভক্ত সে সম্পর্কে প্রশ্নকারী! সঠিক পথের দিশাপ্রাপ্ত হয়ে আমি যা বলছি তা শ্রবণ করো এবং এমন প্রাজ্ঞ ব্যক্তির ন্যায় তা অনুধাবন করো যার বিচারবুদ্ধি রয়েছে।
(২ -
কালাম (الكلام)-এর সংজ্ঞা পরিচ্ছেদ)কালাম (الكلام)-এর সংজ্ঞা (حدّ) হলো যা শ্রোতাকে পূর্ণ অর্থ প্রদান করে; যেমন: ‘জায়েদ চেষ্টা করেছে’ এবং ‘আমর অনুগামী’। আর এর প্রকার (نوع), যার ওপর ভিত্তি করে এটি গঠিত হয়, তা হলো— বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) এবং অর্থবোধক অব্যয় (حرف معنى)।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৫)
(3 -
بَاب معرفَة الِاسْم)فالاسمُ مَا يَدخُلُهُ مِنْ وَإِلَى أَو كانَ مَجرورًا بِحتّى وعَلَى مثَالُهُ زيدٌ وخَيلٌ وغَنَمْ وذَا وتلكَ وَالَّذِي ومَنْ وكَمْ
(4 -
بَاب معرفَة الْفِعْل)والفِعلُ مَا يَدخُلُ قَدْ والسّينُ عليهِ مِثلُ بَانَ أَو يَبِينُ أَو لَحِقَتْهُ تاءُ مَن يُحدّثُ كقولِهم فِي لَيسَ لستُ أَنفُثُ
(৩ -
বিশেষ্য (اسم) পরিচিতি অনুচ্ছেদ (باب))বিশেষ্য (اسم) হলো তা যার শুরুতে ‘মিন’ ও ‘ইলা’ প্রবেশ করে অথবা যা ‘হাত্তা’ ও ‘আলা’ দ্বারা মাজরুর (مجرور) হয়। এর উদাহরণ হলো: জায়েদ, ঘোড়া, ভেড়া, এটি, ওটি, যা, কে এবং কত।
(৪ -
ক্রিয়া (فعل) পরিচিতি অনুচ্ছেদ (باب))আর ক্রিয়া (فعل) হলো তা যার ওপর ‘ক্বাদ’ এবং ‘সিন’ প্রবেশ করে; যেমন ‘বানা’ অথবা ‘ইয়াবিনু’, কিংবা যার শেষে বক্তার ‘তা’ যুক্ত হয়, যেমন ‘লাইসা’-এর ক্ষেত্রে তাদের উক্তি: ‘লাসতু আনফুসু’।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৬)
أَو كانَ أمرا ذَا اشتِقَاقٍ نحوُ قُلْ ومثلُهُ ادخُلْ وانبَسِطْ واشرَبْ وكُلْ
(5 -
بَاب معرفَة الْحَرْف)والحرفُ مَا ليستْ لهُ عَلامَهْ فَقِسْ على قَولي تَكُنْ عَلامَهْ مثالُهُ حتّى وَلَا وَثُمَّا وَهل وبَل ولَو ولَم ولَمَّا
(6 -
بَاب النكرَة والمعرفة)وَالِاسْم ضربَانِ فضَربٌ نَكِرَهْ والآخَرُ المعرِفَةُ المُشتَهِرَهْ
অথবা তা যদি ব্যুৎপত্তিগত (اشتِقَاقٍ) আদেশবাচক ক্রিয়া (أمر) হয় যেমন ‘বলো’ (قُلْ), এবং অনুরূপভাবে ‘প্রবেশ করো’ (ادخُلْ), ‘প্রসারিত হও’ (انبَسِطْ), ‘পান করো’ (اشرَبْ) ও ‘আহার করো’ (كُلْ)।
(৫ -
অব্যয় (الْحَرْف) পরিচিতি পরিচ্ছেদ)আর অব্যয় (الحرف) হলো তা যার কোনো নিজস্ব চিহ্ন (عَلامَهْ) নেই; সুতরাং আমার কথার ওপর ভিত্তি করে অনুমান (قِسْ) করো, তবেই তা তোমার জন্য নিদর্শন (عَلامَهْ) হবে। এর উদাহরণ হলো: ‘পর্যন্ত’ (حتّى), ‘না’ (لَا), ‘অতঃপর’ (ثُمَّا), ‘কী’ (هل), ‘বরং’ (بَل), ‘যদি’ (لَو), ‘না’ (لَم) এবং ‘এখনো না’ (لَمَّا)।
(৬ -
অনির্দিষ্ট (النكرَة) ও নির্দিষ্ট (المعرفة) বিশেষ্য পরিচ্ছেদ)আর বিশেষ্য (الِاسْم) দুই প্রকার; এক প্রকার হলো অনির্দিষ্ট (نَكِرَهْ) এবং অপরটি হলো সুপ্রসিদ্ধ নির্দিষ্ট (المعرِفَةُ)।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৭)
فَكلُّ مَا رُبَّ عليهِ تَدخُلُ فإنهُ مُنَكَّرٌ يَا رَجُلُ نحوُ غُلامٍ وكتابٍ وطَبَقْ كقولِهِم رُبَّ غُلامٍ لي أَبَقْ ومَا عَدا ذلكَ فَهْوَ مَعرِفَهْ لَا يَمتَري فيهِ الصّحيحُ المَعرِفَهْ مِثَالُهُ الدَّارُ وزَيدٌ وأنَا وذَا وتلكَ وَالَّذِي وذُو الغِنَى وءالةُ التَّعريفِ أَلْ فمَن يُرِدْ تَعريفَ كَبْدٍ مُبهَمٍ قالَ الكَبِدْ
হে প্রিয়, যার ওপর 'রুব্বা' যুক্ত হতে পারে তা অনির্দিষ্ট (منكر)। যেমন— গোলাম, কিতাব এবং তবাক; যেমন তাদের কথা: 'রুব্বা গোলামিন লি আবাক' (আমার কতই না গোলাম পালিয়ে গেছে)। আর যা এর ব্যতিক্রম তা নির্দিষ্ট (معرفة), যে বিষয়ে বিশুদ্ধ (صحيح) জ্ঞানের (معرفة) অধিকারী ব্যক্তি কোনো সংশয় পোষণ করেন না। এর উদাহরণ হলো— আদ-দার, যায়দ, আনা, যা, তিলকা, আল্লাযী এবং যুল গিনা। নির্দিষ্টকরণের উপকরণ হলো 'আল'; সুতরাং কেউ যদি কোনো অস্পষ্ট (مبهم) 'কাবিদ' শব্দটিকে নির্দিষ্ট করতে চায়, তবে সে বলবে 'আল-কাবিদ'।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৮)
وقالَ قومٌ إنّها اللامُ فقطْ إذْ ألِفُ الوَصلِ مَتى تُدرَجْ سَقَطْ
(7 -
بَاب قسْمَة الْأَفْعَال)وَإِن أردتَ قِسمَةَ الأفعالِ لِينجَلي عنكَ صَدَا الإشكَالِ فَهْيَ ثَلاثٌ مَا لهُنَّ رابعُ ماضٍ وفِعلُ الأمرِ والمُضارِعُ فكلُّ مَا يَصلُحُ فيهِ أَمسِ فإنهُ ماضٍ بغيرِ لَبْسِ
এবং একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে এটি কেবল ‘লাম’ (اللام); যেহেতু ‘আলিফ আল-ওয়াসল’ (ألف الوصل) যখন বাক্যের প্রবাহে যুক্ত হয় তখন তা বিলুপ্ত হয়ে যায়।
(৭ -
ক্রিয়ার প্রকারভেদ পরিচ্ছেদ)আর আপনি যদি ক্রিয়ার প্রকারভেদ জানতে চান যাতে আপনার নিকট থেকে সংশয়ের মরিচা দূর হয়ে যায়, তবে ক্রিয়া হলো তিন প্রকার এবং এগুলোর চতুর্থ কোনো প্রকার নেই: অতীতকাল (ماضٍ), আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل الأمر) এবং বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল (المضارع)। সুতরাং যার ক্ষেত্রে ‘গতকাল’ শব্দটি ব্যবহার করা সঙ্গত হয়, তা কোনো প্রকার অস্পষ্টতা ছাড়াই অতীতকাল (ماضٍ)।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৯)
وحُكمُهُ فَتحُ الأخيرِ منهُ كَقولِهِم سَارَ وبَانَ عنهُ
(8 -
بَاب معرفَة الْأَمر)والأمرُ مبنيٌّ على السُّكُونِ مِثَالُهُ احذَرْ صَفْقَةَ المَغبُونِ واحذف حُرُوف الْعلَّة الْمَشْهُورَة أَنَّى أَتَتْ مِنْ فِعْلِها مَذْكورَهْ مِنْ أول أَوْ وَسَطٍ أَو آخِرِ إذِا أَوَّلٍ أَوْ وَسَطٍ أَو آخِرِ إذِا غَدَوْتَ آمِرًا لآخَرِ تَقُولُ كُلْ واغدُ ومَارِ عَمْرا واعْمَلْ لِرَبِّ العالمينَ شُكْراً
এর বিধান হলো এর শেষাক্ষরে ফাতহা (فتح) প্রদান করা, যেমন তাদের উক্তি: "সে ভ্রমণ করেছে এবং তা থেকে পৃথক হয়েছে"।
(৮ -
আদেশসূচক ক্রিয়া (الأمر) পরিচিতি পরিচ্ছেদ)
আর আদেশসূচক ক্রিয়া (الأمر) সুকুন (السكون)-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত (مبني), এর উদাহরণ হলো: "প্রতারিত ব্যক্তির লেনদেন হতে সতর্ক থাকো"। আর যখনই তুমি অন্য কাউকে আদেশ করতে উদ্যত হবে, তখন প্রসিদ্ধ অসুস্থ বর্ণগুলো (حروف العلة) বিলোপ করো, সেগুলো ক্রিয়াটির শুরুতে, মাঝে কিংবা শেষে যেখানেই উল্লিখিত হোক না কেন। তুমি বলবে: "ভক্ষণ করো", "প্রভাতে গমন করো" এবং "আমরের সাথে বিতর্ক করো", আর বিশ্বজগতের রবের উদ্দেশ্যে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ আমল করো।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১০)
وإنْ تَلاهُ أَلِفٌ وَلامُ فَاكسِرْ وقُلْ لِيَقُمِ الغُلامُ وإنْ أَمَرتَ مَنْ سَعى ومَن غَدَا فأَسقِطِ الحَرفَ الأخيرَ أبَدَا تقولُ يَا زيدُ اغدُ فِي يومِ الأحَدْ واسعَ إِلَى الخَيراتِ لُقِّيتَ الرَّشَدْ وَهَكَذَا قَولُكَ فِي ارمِ مِنْ رَمَى فَاحذُ على ذلكَ فِيمَا اسْتُبهِما والأمرُ مِنْ خَافَ خَفِ العِقَابَا ومِنْ أجَادَ أجِدِ الجَوَابَا
আর যদি তার পরে আলিফ ও লাম আসে, তবে কাসরা বা জের প্রদান করো এবং বলো: "বালকটি যেন দাঁড়ায়"।
আর তুমি যখন এমন ব্যক্তিকে নির্দেশ প্রদান করবে যে 'সা'আ' (চেষ্টা করেছে) অথবা 'গাদা' (ভোরবেলা গমন করেছে), তখন সর্বদা শব্দের শেষ বর্ণটি বিলুপ্ত করে দেবে।
তুমি বলবে: "হে যায়েদ, রবিবারে ভোরবেলা প্রস্থান করো" এবং "কল্যাণকর কাজের প্রতি সচেষ্ট হও, তুমি সঠিক পথের দিশা লাভ করবে"।
অনুরূপভাবে 'রামা' থেকে তোমার আদেশসূচক রূপ হবে 'ইর্মি' (নিক্ষেপ করো); যা কিছু অস্পষ্ট পরিলক্ষিত হয়, তার ক্ষেত্রে এই নিয়মই অনুসরণ করো।
আর 'খাফা' (ভয় পাওয়া) থেকে আদেশসূচক শব্দ হবে 'খাফ'—অর্থাৎ তুমি শাস্তিকে ভয় করো; আর 'আজা-দা' (উত্তম করা) থেকে হবে 'আজিদ'—অর্থাৎ তুমি সঠিক উত্তর প্রদান করো।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১১)
وَإِن يكُن أمرُكَ للمُؤنَّثِ فقُلْ لهَا خَافي رِجَالَ العَبَثِ
(9 -
بَاب أحرف المضارعة)وَإِن وَجدتَ همزَةً أَو تَاءَ أَو نُونَ جَمعٍ مُخْبِرٍ أَو يَاءَ قد أُلحِقَتْ أوَّلَ كلِّ فِعلِ فإنهُ المُضارِعُ المُستَعلي وليسَ فِي الأفعالِ فِعلٌ يُعرَبُ سِواهُ والتّمثيلُ فيهِ يَضرِبُ والأحرُفُ الأربَعةُ المُتَابَعَهْ مُسَمَّياتٌ أحرُفَ المُضَارَعَهْ
আর যদি তোমার নির্দেশ কোনো স্ত্রীলিঙ্গবাচক সম্বোধনের ক্ষেত্রে হয়, তবে তাকে বলো: ‘তুমি অসার ব্যক্তিদের ভয় করো’।
(৯ -
মুদারে-এর বর্ণসমূহের পরিচ্ছেদ)আর তুমি যদি প্রতিটি ক্রিয়ার শুরুতে একটি হামযাহ, অথবা তা, অথবা সংবাদ প্রদানকারী বহুবচনের নুন, অথবা ইয়া-কে সংযুক্ত অবস্থায় পাও, তবে নিশ্চয়ই তা হলো প্রভাববিস্তারী মুদারে ক্রিয়া। ক্রিয়াসমূহের মধ্যে এটি ব্যতীত অন্য কোনো ক্রিয়া নেই যা ব্যাকরণিক পরিবর্তন গ্রহণ করে, আর এক্ষেত্রে উদাহরণ হলো ‘ইয়াদরিবু’। এই অনুগামী চারটি বর্ণকে ‘মুদারে-এর বর্ণসমূহ’ নামে অভিহিত করা হয়।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১২)
وسِمطُهَا الحَاوي لهَا نَأَيْتُ فاسمَعْ وَعِ القَولَ كَمَا وَعَيتُ وضَمُّها مِن أصلِهَا الرُّباعي مثلُ يُجيبُ مِن أجابَ الدَّاعِي ومَا سِواهُ فَهْيَ منهُ تُفْتَتَحْ وَلَا تُبَلْ أخَفَّ وَزنًا أم رَجَحْ مثَالُهُ يذهَبُ زيدٌ ويَجِي ويَستَجِيشُ تَارَةً ويَلتَجِي
(10 -
بَاب معرفَة الْإِعْرَاب)وإنْ تُرِدْ أَن تعرِفَ الإعرَابَا لتَقتفي فِي نُطقِكَ الصَّوَابا
সেগুলোকে ধারণকারী এই সুশোভিত মাল্য আমি কাছে নিয়ে এসেছি; সুতরাং কথাটি শ্রবণ করো এবং অনুধাবন করো যেমনটি আমি অনুধাবন করেছি। আর এর চতুর্মূলীয় (الرباعي) মূল শব্দের ক্ষেত্রে শুরুতে পেশ (الضمة) প্রদান করা হয়, যেমন আহ্বানকারীর আহ্বানে ‘সাড়া দেওয়া’ (أجاب) থেকে ‘সাড়া দেয়’ (يُجيب)। এছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে তা জবর (الفتحة) দিয়ে শুরু হয়; এর ওজন হালকা হোক কিংবা ভারী—তাতে ভ্রুক্ষেপ করো না। এর উদাহরণ হলো—জায়েদ যায় এবং আসে, সে কখনো সাহায্য প্রার্থনা করে এবং কখনো আশ্রয় নেয়।
(১০ -
ই'রাব বা শব্দরূপান্তর (الإعراب) পরিচিতি অধ্যায়)আর তুমি যদি ই'রাব (الإعراب) জানতে চাও, যাতে তোমার উচ্চারণে সঠিকতা অনুসরণ করতে পারো।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৩)
فإنهُ بالرفعِ ثمّ الجَرِّ والنَّصبِ والجَزمِ جَميعًا يَجري فالرفعُ والنّصبُ بِلَا مُمَانعِ قد دَخَلا فِي الاسمِ والمُضَارِعِ والجرُّ يَستَأثِرُ بالأسمَاءِ والجَزمُ فِي الفعلِ بِلا امتِرَاءِ فالرفعُ ضَمُّ ءاخرِ الحُروفِ والنّصبُ بالفتحِ بِلَا وُقوفِ والجَرُّ بالكسرةِ للتَّبيينِ والجَزمُ فِي السَّالِمِ بالتَّسكينِ
কেননা নিশ্চয়ই এটি রফ (الرفع), অতঃপর জর (الجر), নসব (النصب) এবং জজম (الجزم)—এই সবকটির মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। সুতরাং রফ (الرفع) এবং নসব (النصب) কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই বিশেষ্য (الاسم) এবং মুদারে বা বর্তমান-ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়ার (المضارع) মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়। আর জর (الجر) বিশেষ্য (الاسم) সমূহের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং জজম (الجزم) কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়াই ক্রিয়ার (الفعل) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সুতরাং রফ (الرفع) হলো শেষ বর্ণের পেশ (الضم) হওয়া এবং নসব (النصب) হলো বিরতিহীনভাবে জবর (الفتح) হওয়া। আর স্পষ্টকরণের জন্য জের (الكسرة) এর মাধ্যমে জর (الجر) হয় এবং ইল্লাতমুক্ত (السالم) ক্রিয়ার ক্ষেত্রে সুকুন (التسكين) এর মাধ্যমে জজম (الجزم) হয়।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৪)
(11 -
بَاب)ونَوِّنِ الاسمَ الفَريدَ المُنصَرِفْ إِذا دَرَجتَ قَائلاً وَلم تَقِفْ وقِفْ على المنصوبِ منهُ بالألفْ كمِثلِ مَا تَكتُبُهُ لَا يَختَلفْ تَقولُ عَمرٌو قد أضَافَ زيدا وخَالدٌ صَادَ الغَدَاةَ صَيدًا وتُسقِطُ التَّنوينَ إنْ أضَفتَهْ أَو إنْ يَكنْ باللامِ قَدْ عَرَّفتَهْ
(১১ -
পরিচ্ছেদ (باب))
একবচন ও রূপান্তরযোগ্য (منصرف) বিশেষ্যের ক্ষেত্রে তানউইন (تنوين) যুক্ত করুন, যখন আপনি সেটি পাঠ করবেন এবং মাঝপথে না থামবেন। আর উক্ত শব্দের নসবযুক্ত (منصوب) অবস্থায় আলিফ (ألف) যোগ করে বিরতি নিন, ঠিক যেমনটি আপনি এটি লিখে থাকেন, এর কোনো ব্যতিক্রম হবে না। আপনি বলবেন, ‘আমর যায়দকে যুক্ত করেছে’ এবং ‘খালিদ ভোরে একটি শিকার ধরেছে’। আর আপনি তানউইন (تنوين) বিলুপ্ত করবেন যদি আপনি শব্দটিকে সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) করেন, অথবা যদি আপনি ‘লাম’ (ال) এর মাধ্যমে সেটিকে নির্দিষ্ট (معرفة) করেন।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৫)
مِثَالُهُ جاءَ غُلامُ الوَالي وأقبَلَ الغُلامُ كَالغَزَالِ
(12 -
فصل فِي الْأَسْمَاء السِّتَّة المعتلة المضافة)وسِتّةٌ تَرفَعُهَا بالواوِ فِي قولِ كُلّ عَالمٍ ورَاوِي والنَّصبُ فِيهَا يَا أُخَيَّ بالألفْ وجَرُّهَا بالياءِ فاعرِفْ واعتَرِفْ وَهْيَ أخُوكَ وَأَبُو عِمرَانَا وذُو وَفُوكَ وَحَمُو عُثمَانَا
এর উদাহরণ হলো: "শাসকের ভৃত্য এসেছে এবং বালকটি হরিণের ন্যায় ক্ষিপ্রগতিতে এসেছে।"
(১২ -
সম্বন্ধযুক্ত ছয়টি ত্রুটিপূর্ণ (معتلة) বিশেষ্য পদের অধ্যায়)প্রত্যেক আলেম এবং বর্ণনাকারীর (راوي) উক্তি অনুযায়ী, এমন ছয়টি বিশেষ্য রয়েছে যেগুলোকে আপনি 'ওয়াও' দ্বারা মারফু (رفع) করবেন। হে প্রিয় ভ্রাতা! এগুলোর নাসব (نصب) অবস্থা হবে 'আলিফ' দ্বারা এবং এগুলোর জার (جر) অবস্থা হবে 'ইয়া' দ্বারা; সুতরাং বিষয়টি জানুন এবং স্বীকার করে নিন। আর সেগুলো হলো—তোমার ভাই, আবু ইমরান, এবং অধিকারী (ذو), তোমার মুখ এবং উসমানের শ্বশুর।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৬)
ثمّ هَنُوكَ سادسُ الأسماءِ فاحفَظْ مَقالي حِفْظَ ذِي الذَّكاءِ والياءُ وَالواوُ جَمِيعًا والألفْ هُنَّ حروفُ الاعتِلالِ المُكتَنِفْ.
(13 -
فصل فِي الْأَسْمَاء المنقوصة)والياءُ فِي القَاضِي وَفِي المُستَشرِي ساكنَةٌ فِي رَفعِهَا والجَرِّ وتُفتَحُ الياءُ إِذا مَا نُصِبَا نحوُ لَقِيتُ القَاضِيَ المُهَذَّبَا ونَوِّنِ المُنَكَّرَ المَنقُوصَا فِي رفعهِ وجرّهِ خُصُوصَا
অতঃপর ‘হানুকা’ হলো ষষ্ঠ বিশেষ্য, সুতরাং একজন প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির ন্যায় আমার বক্তব্যটি স্মরণে রাখো। আর ইয়া, ওয়াও এবং আলিফ—এই প্রতিটিই হলো ব্যাধিযুক্ত বর্ণ (حروف الاعتلال) যা শব্দকে পরিবেষ্টন করে রাখে।
(১৩ -
অসম্পূর্ণ বিশেষ্য (الأسماء المنقوصة) বিষয়ক পরিচ্ছেদ)‘আল-কাদি’ ও ‘আল-মুস্তাশরি’ শব্দদ্বয়ে বিদ্যমান ‘ইয়া’ বর্ণটি রফ ও জর অবস্থায় স্থির থাকে। আর যখন শব্দগুলো নসব অবস্থায় থাকে তখন ‘ইয়া’ বর্ণটি জবরযুক্ত হয়, যেমন— ‘আমি মার্জিত বিচারকের সাথে সাক্ষাৎ করেছি’। আর অসম্পূর্ণ (منقوص) বিশেষ্যটি যদি অনির্দিষ্ট (منكر) হয়, তবে বিশেষভাবে রফ ও জর অবস্থায় তাতে তানউইন প্রদান করো।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৭)
تقولُ هَذَا مُشتَرٍ مُخَادِعُ وافزَعْ إِلَى حَامٍ حِمَاهُ مَانِعُ وَهَكَذَا تفعلُ فِي يَاءِ الشَّجِي وكلُّ ياءٍ بعدَ مكسُورٍ تَجِي هَذَا إِذا مَا وَرَدَتْ مُخَفَّفَهْ فافهَمْهُ عنّي فَهمَ صَافي المَعرفهْ
(14 -
فصل فِي الْأَسْمَاء الْمَقْصُور)وليسَ للإعرابِ فِيمَا قد قُصِرْ مِن الْأَسَامِي أَثَرٌ إِذا ذُكِرْ
আপনি বলবেন: "ইনি একজন প্রতারক ক্রেতা", এবং আপনি এমন এক রক্ষকের আশ্রয় নিন যাঁর সুরক্ষা দুর্ভেদ্য। ব্যথিত ব্যক্তির শব্দের 'ইয়া' এবং কাসরাহ্-এর পর আসা প্রতিটি 'ইয়া'-এর ক্ষেত্রে আপনি অনুরূপ নিয়ম প্রয়োগ করবেন। এটি তখনই হবে যখন তা হালকা বা তাশদীদহীন অবস্থায় আসবে; সুতরাং আমার নিকট থেকে এটি বিশুদ্ধ প্রজ্ঞার সাথে বুঝে নিন।
(১৪ -
পরিচ্ছেদ: মাকসুর বিশেষ্যসমূহ প্রসঙ্গে)আর মাকসুর বিশেষ্যসমূহের ক্ষেত্রে ই’রাব বা ব্যাকরণিক পরিবর্তনের কোনো দৃশ্যমান প্রভাব পরিলক্ষিত হয় না যখন তা উল্লেখ করা হয়।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৮)
مثالُهُ يَحيَى ومُوسى والعَصَا أَو كَحَيًا أَو كَرَحًا أَو كَحَصَى فهذهِ آخرُهَا لَا يَختلِفْ على تصاريفِ الكَلامِ المُؤتَلِفْ
(15 -
فصل فِي التَّثْنِيَة)ورَفْعُ مَا ثَنَّيتَهُ بالألفِ كقولِكَ الزّيدَانِ كانَا مَألَفِي ونصبُهُ وجرُّهُ بالياءِ بغيرِ إشكالٍ وَلَا مِرَاءِ
এর উদাহরণ হলো ইয়াহইয়া, মুসা এবং লাঠি, অথবা যেমন হায়া, রাহা কিংবা হাসা। এগুলোর শেষাংশ সুবিন্যস্ত বাক্যের রূপভেদে পরিবর্তিত হয় না।
(১৫ -
দ্বিবচন (تثنية) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ)আপনি যা কিছু দ্বিবচন (تثنية) করেছেন তার রাফা (رفع) অবস্থা আলিফ দ্বারা হবে; যেমন আপনার উক্তি: "দুই জায়েদ আমার পরিচিত ছিল"। আর এর নাসব (نصب) ও জার (جر) অবস্থা ইয়া দ্বারা হবে, কোনো অস্পষ্টতা (إشكال) বা বিতর্ক ছাড়াই।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৯)
تقولُ زيدٌ لابِسٌ بُردَيْنِ وخالدٌ مُنطَلِقُ اليَدينِ وتَلحَقُ النُّونُ بِمَا قد ثُنِّي مِنَ المَفَاريدِ لِجَبرِ الوَهْنِ
(16 -
بَاب جمع الْمُذكر السَّالِم)وكلُّ جَمعٍ صحَّ فيهِ وَاحدُهْ ثمَّ أتَى بعدَ التَّنَاهي زَائِدُهْ فَرَفعُهُ بالواوِ والنونُ تَبَعْ نحوُ شَجَاني الخَاطِبُونَ فِي الجُمَعْ
তুমি বলবে, যায়দ দুইখানি চাদর পরিহিত এবং খালিদ মুক্তহস্ত। একবচন থেকে যা দ্বিবচন করা হয়েছে, তার দুর্বলতা (وهن) দূর করার লক্ষ্যে তাতে নুন যুক্ত করা হয়।
(১৬ -
জমা মুযাক্কার সালিম পরিচ্ছেদ)আর এমন প্রতিটি বহুবচন যাতে তার একবচন রূপটি সহিহ (صحيح) বা অক্ষুণ্ণ থাকে এবং শব্দের শেষে অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত হয়, তবে তার রফ (رفع) হবে 'ওয়াও' দ্বারা এবং নুন হবে তার অনুগামী; যেমন: 'জুমার দিনগুলোতে খতিবগণ আমাকে ব্যথিত করেছে'।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২০)
ونصبُهُ وجرُّهُ بالياءِ عندَ جميعِ العَرَبِ العَرْبَاءِ تقولُ حَيِّ النَّازِلينَ فِي مِنَى وسَلْ عنِ الزَّيدِينَ هَل كَانُوا هُنَا ونُونُهُ مَفتوحةٌ إِذْ تُذكَرُ والنُّونُ فِي كلِّ مُثنًّى تُكسَرُ وتَسقُطُ النُّونانِ فِي الإضَافَهْ نحوُ رأيتُ ساكِني الرَّصَافَهْ وَقد لَقِيتُ صاحبَيْ أَخِينَا فاعلَمْهُ فِي حذفِهِمَا يَقينَا
এবং সকল বিশুদ্ধভাষী আরবের নিকট এর নসব ও জর ‘ইয়া’ বর্ণের মাধ্যমে হয়। আপনি বলবেন: ‘মিনায় অবস্থানকারীদের অভিবাদন জানাও’ এবং ‘জায়েদদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো যে তারা এখানে ছিল কি না’। যখনই এটি উল্লেখ করা হয় তখন এর নুন যবরযুক্ত হয়, আর প্রত্যেক দ্বিবচন শব্দের নুন যেরযুক্ত হয়। ইজাফাত বা সম্বন্ধের ক্ষেত্রে উভয় নুন বিলুপ্ত হয়ে যায়; যেমন: ‘আমি রাসাফার অধিবাসীদের দেখেছি’ এবং ‘আমি আমাদের ভাইয়ের দুই সঙ্গীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি’। সুতরাং এই উভয় ক্ষেত্রে নুন বিলোপের বিষয়টি আপনি নিশ্চিতভাবে জেনে নিন।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২১)
(17 -
فصل فِي جمع التَّأْنِيث)وكلُّ جمعٍ فيهِ تاءٌ زَائِدهْ فَارفَعْهُ بالضّمّ كرَفعِ حَامِدَهْ ونصبُهُ وجَرُّهُ بالكسرِ نحوُ كَفَيتُ المُسلماتِ شَرّي
(18 -
بَاب جمع التكسير)وكلُّ مَا كُسِّرَ فِي الجُموعِ كالأُسدِ والأبياتِ والرُّبوعِ فَهْوَ نظيرُ الفردِ فِي الإعرابِ فاسمَعْ مقَالي واتَّبِعْ صَوَابي
(১৭ -
স্ত্রীলিঙ্গ বহুবচন সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ)আর এমন প্রতিটি বহুবচন যাতে একটি অতিরিক্ত ‘তা’ রয়েছে, তাকে পেশ দ্বারা ‘রাফা’ প্রদান করো যেমন ‘হামিদাহ’ শব্দকে রাফা প্রদান করা হয়। আর এর ‘নাসব’ ও ‘জার’ হবে যের দ্বারা; যেমন— ‘আমি মুসলিম নারীদের আমার অনিষ্ট হতে রক্ষা করেছি’।
(১৮ -
ভগ্ন বহুবচন সংক্রান্ত অধ্যায়)বহুবচনের ক্ষেত্রে যা কিছু রূপান্তরিত বা ভগ্ন হয়—যেমন সিংহসমূহ, কবিতার পঙ্ক্তিমালা এবং বসতিসমূহ—ব্যাকরণিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তা একবচন শব্দের অনুরূপ। সুতরাং আমার কথা শ্রবণ করো এবং আমার সঠিক পথ অনুসরণ করো।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২২)
(19 -
بَاب حُرُوف الْجَرّ)والجرُّ فِي الِاسْم الصحيحِ المنصَرِفْ بأحرفٍ هُنّ إِذا مَا قيلَ صِفْ مِن وَإِلَى وَفِي وَحَتَّى وعَلى وعَن ومنذُ كَمْ وحَاشَا وخَلا والباءُ والكافُ إِذا مَا زِيدَا واللامُ فاحفَظْهَا تكنْ رَشيدَا ورُبَّ أَيْضا ثمّ مُذْ فِيمَا حَضَرْ مِن الزّمانِ دونَ مَا منهُ غَبَرْ
(১৯ -
অব্যয়সমূহের (حروف الجر) পরিচ্ছেদ)সঠিক (صحيح) এবং রূপান্তরশীল (منصرف) বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ‘জর’ (الجر) প্রদান করা হয় এমন কিছু হরফ বা বর্ণের দ্বারা, যখন সেগুলোর বর্ণনা দিতে বলা হয়। সেগুলো হলো: ‘মিন’ (من), ‘ইলা’ (إلى), ‘ফি’ (في), ‘হাত্তা’ (حتى), ‘আলা’ (على), ‘আন’ (عن), ‘মুনজু’ (منذ), ‘কাম’ (كم), ‘হাশা’ (حاشا) এবং ‘খালা’ (خلا)। এছাড়া ‘বা’ (الباء) এবং ‘কাফ’ (الكاف) যখন অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে আসে এবং ‘লাম’ (اللام); সুতরাং এগুলো তুমি মুখস্থ করো, তবেই তুমি বিচক্ষণ হতে পারবে। আরও রয়েছে ‘রুব্বা’ (رب) এবং এরপর ‘মুয’ (مذ), যা বর্তমান সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, অতিবাহিত সময়ের ক্ষেত্রে নয়।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৩)
تقولُ مَا رأيتُهُ مُذْ يَومِنَا ورُبَّ عبدٍ كيّسٍ مرَّ بنَا ورُبَّ تَأتي أبدا مُصَدَّرهْ وَلَا يَليها الاسمُ إِلَّا نَكِرَهْ وَتارَة تُضمَرُ بعدَ الواوِ كقولِهِم ورَاكبٍ بَجَاوي
(20 -
فصل فِي الْقسم)ثمّ تَجُرُّ الاسمَ بَاءُ القَسَمِ وَوَاوُهُ والتّاءُ أَيْضا فاعلَمِ
আপনি বলেন: "আমি তাকে অদ্যকার দিন হতে দেখিনি" এবং "কতই না বুদ্ধিমান এক দাস আমাদের নিকট দিয়ে অতিক্রান্ত হয়েছে।" 'রুব্বা' (رُبَّ) সর্বদা বাক্যের শুরুতে আসে এবং এর পরে কেবল অনির্দিষ্ট (نكرة) বিশেষ্যই ব্যবহৃত হয়। আর কখনো কখনো এটি 'ওয়াও'-এর পরে উহ্য (مضمر) থাকে, যেমন তাদের উক্তি: "এবং বহু বাজাওয়ি আরোহী..."
(২০ -
শপথ (قسم) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ)অতঃপর জেনে রাখুন যে, শপথের (قسم) 'বা', 'ওয়াও' এবং 'তা'-ও বিশেষ্যকে জার (جر) প্রদান করে।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৪)
لكنْ تَخُصُّ التّاءَ باسمِ اللهِ إِذا تَعجَّبتَ بِلَا اشتِبَاهِ
(21 -
فصل فِي الْإِضَافَة)وَقد يُجَرُّ الاسمُ بالإضَافَهْ كقولِهِم دارُ أبي قُحَافَهْ فَتَارَة تَأتي بمَعنى اللامِ نحوُ أتَى عَبدُ أبي تَمَّامِ وَتارَة تَأتي بمعنَى مِنْ إِذا قلتَ مَنَا زيتٍ فَقِسْ ذاكَ وذَا وَفِي المُضَافِ مَا يَجُرُّ أبدَا مثلُ لَدُنْ زيدٍ وَإِن شئتَ لَدَى
কিন্তু যখন আপনি কোনো প্রকার সন্দেহ ব্যতিরেকে বিস্ময় প্রকাশ করবেন, তখন ‘তা’ (التاء) অক্ষরটিকে কেবল আল্লাহর নামের সাথে নির্দিষ্ট করবেন।
(২১ -
ইদাফাহ বা সম্বন্ধ পদ (الإضافة) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ)আর কখনও বিশেষ্যকে ইদাফাহ (الإضافة)-এর মাধ্যমে মাজরুর (مجرور) করা হয়, যেমন তাদের উক্তি: ‘আবু কুহাফার গৃহ’। এটি কখনও ‘লাম’ (اللام)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন: ‘আবু তাম্মামের দাস এসেছে’। আবার কখনও এটি ‘মিন’ (من)-এর অর্থ প্রদান করে, যখন আপনি বলেন: ‘দুই মান তেল’; সুতরাং আপনি একে ওটিকে তুলনা করে বুঝে নিন। আর মুদাফ (المضاف)-এর মধ্যে এমন কিছু শব্দ রয়েছে যা সর্বদা মাজরুর (مجرور) প্রদান করে, যেমন: ‘যাইদ-এর নিকট’ (লাদুন যাইদ), এবং আপনি চাইলে ‘লাদা’ (لدى) শব্দটিও ব্যবহার করতে পারেন।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ومنهُ سُبحانَ وذُو ومِثلُ ومَعْ وعندَ وأُولُو وكلُّ ثمَّ الجِهَاتُ السّتُّ فوقُ وَوَرَا ويَمنَةٌ وعَكسُهَا بِلا مِرَا وَهَكَذَا غيرُ وبعضُ وسِوَى فِي كَلِمٍ شَتَّى رَوَاهَا مَن رَوَى
(22 -
بَاب كم الخبرية)واجرُرْ بكمْ مَا كنتَ عنهُ مُخبِرَا مُعَظّمًا لِقَدرِهِ مُكَثِّرَا تقولُ كَمْ مالٍ أفَادَتْهُ يَدِي وَكم إمَاءٍ مَلَكَتْ وأَعبُدِ
এবং এর অন্তর্ভুক্ত হলো 'সুবহানা' (سبحان), 'যু' (ذو), 'মিছলু' (مثل), 'মা’আ' (مع), 'ইনদা' (عند), 'উলু' (أولو) এবং 'কুল্লু' (كل)। অতঃপর ছয়টি দিক: উপরে (فوق), পেছনে (ورا), ডান (يمنة) এবং কোনো সন্দেহ ছাড়াই এর বিপরীত দিক। একইভাবে 'গাইরু' (غير), 'বাদু' (بعض) এবং 'সিওয়া' (سوى) শব্দসমূহ বিভিন্ন বাক্যে রয়েছে, যা বর্ণনাকারীরা বর্ণনা (رواها) করেছেন।
(২২ -
সংবাদজ্ঞাপক কাম (كم الخبرية) এর অধ্যায়)আপনি 'কাম' (كم) দ্বারা যে বিষয় সম্পর্কে সংবাদ প্রদান করছেন, তার মাহাত্ম্য ও সংখ্যাধিক্য বুঝানোর জন্য তাকে মাজরুর (مجرور) করুন। আপনি বলবেন: "আমার হাত কতই না সম্পদ অর্জন করেছে! এবং কতই না দাসী ও দাসের মালিক আমি হয়েছি!"
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৬)
(23 -
بَاب الْمُبْتَدَأ وَالْخَبَر)وإنْ فَتَحتَ النّطقَ باسمٍ مُبتَدَا فارْفَعْهُ والأخبارَ عنهُ أبَدَا تقولُ مِن ذلكَ زيدٌ عَاقِلُ والصّلحُ خيرٌ والأميرُ عَادِلُ وَلَا يَحُولُ حُكمُهُ مَتَى دَخَلْ لكنْ على جُملَتِهِ وهَلْ وبَلْ وقَدِّمِ الأخبارَ إِذْ تَستَفهِمُ كقولِهِم أينَ الكَريمُ المُنعِمُ
(23 -
পরিচ্ছেদ: মুক্তাদা (المبتدأ) ও খবর (الخبر))
যদি আপনি কোনো বিশেষ্য (اسم) দ্বারা বাক্য শুরু করেন, তবে তাকে মুক্তাদা (مبتدأ) হিসেবে পেশ (رفع) প্রদান করুন এবং তার সংবাদকেও (الخبر) সর্বদা পেশ (رفع) যুক্ত করুন। এর উদাহরণস্বরূপ আপনি বলবেন: ‘জায়েদ বুদ্ধিমান’, ‘সন্ধিই শ্রেয়’ এবং ‘আমির ন্যায়পরায়ণ’। এই বিধানের কোনো পরিবর্তন ঘটে না যখন বাক্যের শুরুতে ‘লাকিন’ (لكن), ‘হাল’ (هل) অথবা ‘বাল’ (بل) যুক্ত হয়। আর যখন আপনি প্রশ্ন করবেন, তখন সংবাদ বা খবরকে (الخبر) আগে নিয়ে আসবেন; যেমন তাদের উক্তি: ‘সেই মহানুভব ও অনুগ্রহকারী ব্যক্তিটি কোথায়?’
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
ومثلُهُ كيفَ المريضُ المُدْنَفُ وأيّها الغَادي متَى المُنصَرَفُ وإنْ يكُنْ بعضُ الظّرُوفِ الخَبَرَا فَأوْلِهِ النَّصبَ ودَعْ عنكَ المِرَا تقولُ زيدٌ خَلْفَ عمرٍو قَعَدَا والصومُ يومَ السبتِ والسَّيرُ غَدَا وإنْ تَقُلْ أينَ الأميرُ جالِسُ وَفِي فَنَاءِ الدّارِ بِشْرٌ مَائِسُ فجَالسٌ ومَائِسُ قدْ رُفِعَا وَقد أُجِيزَ الرّفعُ والنّصبُ مَعَا
অনুরূপ উদাহরণ হলো: মুমূর্ষু রোগীটি কেমন (كيف)? প্রস্থানকারী কোনটি (أيها)? এবং প্রত্যাবর্তন কখন (متى)?
আর যদি কোনো আধার বা ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) বিধেয় (خبر) হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হয়, তবে তাকে নসব (نصب) প্রদান করো এবং এ বিষয়ে বিতর্ক পরিহার করো।
তুমি বলবে: জায়েদ আমরের পেছনে (خلف) বসেছে, শনিবার (يوم السبت) রোজা এবং আগামীকাল (غدا) ভ্রমণ।
আর যদি তুমি বলো: আমীর কোথায় উপবিষ্ট (جالس)? এবং বাড়ির আঙিনায় বিশর দম্ভভরে বিচরণকারী (مائস)।
সেক্ষেত্রে ‘উপবিষ্ট’ (جالس) এবং ‘বিচরণকারী’ (مائস) শব্দ দুটি রফ (رفع) প্রাপ্ত হয়েছে; যদিও এক্ষেত্রে রফ (رفع) ও নসব (نصب) উভয়টিই ব্যাকরণগতভাবে বৈধ রাখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(24 -
بَاب الِاشْتِغَال)وَهَكَذَا إنْ قُلتَ زيدٌ لُمْتُهُ وخالدٌ ضرَبتُهُ وضِمتُهُ فالرّفعُ فيهِ جَائزٌ والنّصبُ كلاهُمَا دَلَّتْ عليهِ الكُتْبُ
(25 -
بَاب الْفَاعِل)وكلُّ مَا جاءَ مِنَ الأسماءِ عَقِيبَ فعلٍ سَالِمِ البِنَاءِ فارفَعْهُ إذْ تُعرِبُ فَهْوَ الفاعلُ نحوُ جَرَى الماءُ وخان الْعَامِل
(২৪ -
ইশতিগাল (الاشتغال) পরিচ্ছেদ)অনুরূপভাবে যদি আপনি বলেন, ‘যায়েদকে আমি তিরস্কার করেছি’ এবং ‘খালিদকে আমি প্রহার করেছি ও নিজের সাথে মিলিয়েছি’, তবে এতে রফ (رفع) প্রদান করা বৈধ এবং নসব (نصب) প্রদান করাও বৈধ; ব্যাকরণ শাস্ত্রের গ্রন্থসমূহ উভয়টির পক্ষেই প্রমাণ দিয়েছে।
(২৫ -
ফায়েল (الفاعل) পরিচ্ছেদ)সঠিক গঠনের ক্রিয়ার (فعل) ঠিক পরপর যে সকল বিশেষ্য (اسم) আসে, আপনি যখন এর ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ বা ইরাব (إعراب) করবেন তখন তাকে রফ (رفع) প্রদান করুন, কেননা সেটিই হলো ফায়েল (الفاعل); যেমন: ‘পানি প্রবাহিত হয়েছে’ এবং ‘কর্মী বিশ্বাসঘাতকতা করেছে’।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
(26 -
فصل فِي إِفْرَاد الْفِعْل مَعَ الْفَاعِل وتذكيره وتأنيثه)وَوَحِّدِ الفعلَ مَعَ الجَمَاعَهْ كقولِهِم سَارَ الرّجالُ السّاعَهْ وإنْ تَشَأْ فَزِدْ عليهِ التّاءَ نحوُ اشتَكَتْ عُرَاتُنَا الشّتاءَ وتُلحَقُ التاءُ على التّحقيقِ بكلّ مَا تَأنِيثُهُ حَقيقي كقولِهِم جاءَتْ سُعادُ ضَاحِكهْ وانطلَقتْ نَاقَةُ هندٍ رَائِكَهْ
(২৬ -
পরিচ্ছেদ: কর্তার (فاعل) সাথে ক্রিয়াকে (فعل) একবচন (إفراد) রাখা এবং এর পুংলিঙ্গ (تذكير) ও স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) হওয়া প্রসঙ্গে)কর্তা বহুবচন (جماعة) হলেও ক্রিয়াকে একবচন (موحد) রাখো, যেমন তাদের উক্তি: "পুরুষগণ এই মুহূর্তে গমন করল"। আর তুমি চাইলে তার সাথে ‘তা’ (تاء) বর্ণটি যুক্ত করতে পারো, যেমন: "আমাদের বস্ত্রহীনরা শীতের অভিযোগ করল"। আর নিশ্চিতভাবে ‘তা’ (تاء) বর্ণটি এমন প্রত্যেক বিষয়ের সাথে যুক্ত হবে যার স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) হওয়া প্রকৃত (حقيقي)। যেমন তাদের উক্তি: "সুয়াদ হাসিমুখে এল" এবং "হিন্দের উষ্ট্রী ধীরগতিতে যাত্রা করল"।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وتُكسَرُ التّاءُ بِلَا مَحَالَهْ فِي مثلِ قَدْ أَقبَلَتِ الغَزَالهْ
(27 -
بَاب الْمَفْعُول الَّذِي لم يسم فَاعله)واقضِ قَضَاء لَا يُرَدُّ قائِلُهْ بالرّفعِ فِيمَا لم يُسَمَّ فاعِلُهْ مِن بعدِ ضَمِّ أوَّلِ الأفعالِ كقولِهم يُكتَبُ عهدُ الوَالي وَإِن يكن ثانِي الثُّلاثيِّ ألِفْ فاكسِرْهُ حينَ تَبتَدي وَلَا تَقِفْ
এবং ‘তা’ (التَّاء) বর্ণটি অবশ্যই কাসরা বা জের যুক্ত হবে, যেমন উদাহরণ: ‘হরিণীটি এসেছে’ এর ক্ষেত্রে।
(২৭ -
এমন কর্মকারকের অনুচ্ছেদ যার কর্তার নাম উল্লেখ করা হয়নি (بَاب الْمَفْعُول الَّذِي لَمْ يُسَمَّ فَاعِلُهُ))
আপনি এমন এক অকাট্য ফয়সালা প্রদান করুন যার প্রবক্তাকে প্রত্যাখ্যান করা যায় না; সেই পদের ক্ষেত্রে রাফা বা পেশ (بالرَّفْعِ) প্রয়োগ করুন যার কর্তা অনুল্লিখিত (لَمْ يُسَمَّ فَاعِلُهُ)। ক্রিয়াসমূহের প্রথম বর্ণে দম্মা বা পেশ (ضَمِّ) প্রদানের পর; যেমন তাদের উক্তি: ‘ওয়ালির অঙ্গীকারনামা লেখা হচ্ছে’। আর যদি তিন বর্ণবিশিষ্ট (الثلاثي) ক্রিয়ার দ্বিতীয় বর্ণটি আলিফ (أَلِف) হয়, তবে রূপান্তরের শুরুতে সেটিকে কাসরা বা জের (فَاكْسِرْهُ) প্রদান করুন এবং বিরতি দেবেন না।
(খণ্ড: ১)
মুলহাতুল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩১)
تقولُ بِيعَ الثّوبُ والغُلامُ وكِيلَ زَيتُ الشّامِ والطّعامِ
(28 -
بَاب الْمَفْعُول بِهِ)والنّصبُ للمفعولِ حُكمٌ وَجَبَا كقولِهم صَادَ الأميرُ أرنَبَا وَرُبمَا أُخِّرَ عنهُ الفَاعلُ نحوُ قدِ استَوفَى الخَرَاجَ العَامِلُ وإنْ تقُلْ كلَّمَ مُوسَى يَعلَى فقدِّمِ الفاعلَ فَهْوَ أولَى
আপনি বলবেন, "বস্ত্র ও গোলাম বিক্রয় করা হয়েছে" এবং "শাম অঞ্চলের তৈল ও খাদ্যদ্রব্য পরিমাপ করা হয়েছে"
(২৮ -
মাফউলে বিহি (مفعول به) পরিচ্ছেদ)মাফউলের (مفعول) জন্য নসব (نصب) হওয়া একটি আবশ্যক বিধান (حكم), যেমন তাদের উক্তি: "আমির একটি খরগোশ শিকার করেছেন"। আর কখনো কখনো ফায়িলকে (فاعل) মাফউল থেকে বিলম্বে আনা হয়, যেমন: "রাজস্ব কর্মকর্তা খাজনা পূর্ণরূপে আদায় করেছেন"। আর যদি আপনি বলেন "মুসা ইয়া'লার সাথে কথা বলেছেন", তবে ফায়িলকে (فاعل) অগ্রবর্তী রাখাই অধিক শ্রেয়।